এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫

নারী সং'স্কার ক'মিশনের সরাসরি কুরআন বি'রোধী  ১০-টি সুপারিশ! নিজে জানুন অপরকে জানান!! ------------------------------

 নারী সং'স্কার ক'মিশনের সরাসরি কুরআন বি'রোধী 

১০-টি সুপারিশ! নিজে জানুন অপরকে জানান!!

----------------------------------------------------------------

❝এক.

‘নারী সংস্কার কমিশন’ এর প্রতিবেদনের একাদশতম অধ্যায়ের ১১.৩.১ এর ‘ক’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নারীদের সম্পত্তির সমান উত্তরাধিকার নিশ্চিত করতে মুসলিম ও হিন্দু উত্তরাধিকার আইন সংশোধন করা জরুরী। উল্লিখিত অনুচ্ছেদে ‘সম্পত্তিতে সমান উত্তরাধিকার’ বিষয়টি সরাসরি কোরআনের সাথে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলিল:

للذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنثَيَيْنِ.


অর্থ: একজন পুরুষের জন্য আছে দুই নারীর সমান অংশ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১১)


❝দুই.

প্রতিবেদনের পঞ্চম অধ্যায়ের ৩.২.৩ এর ‘খ’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ, তালাকের তথ্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও কাজী অফিসের মধ্যে যাচাইয়ের জন্য তথ্য বিনিময়ের (ডিজিটাল এক্সেস) ব্যবস্থা করা, যাতে কম বয়সে বিবাহ ও বহুবিবাহ রোধ করা যায়। উল্লিখিত এই অনুচ্ছেদের ‘বহুবিবাহ রোধ’ অংশটি কুরআন ও হাদীসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।


কুরআন থেকে দলীল:

فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَى وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ .


অর্থ: তবে তোমরা যেসব নারীকে পছন্দ করো, তাদের মধ্যে দুই, তিন বা চার জনকে বিয়ে করো। (সুরা নিসা, আয়াত: ৩)


 

উল্লিখিত আয়াতে সামর্থ থাকলে ও ন্যায়বিচার করার ক্ষেত্রে কোনো সংশয় না থাকলে একের অধিক বিবাহের কথা বলা হয়েছে। অথচ কমিশনের সংস্কার প্রতিবেদনে বহুবিবাহ রোধ করার কথা বলা হচ্ছে।


হাদীস থেকে দলীল:

عن ابني مسعود قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : يا معشر الشباب من استطع فليتزوج فإنه أغض للبصر واحصن للفرج، البخاري (٥٠٦٦)، ومسلم (١٤٠٠)


তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে, তারা যেন বিয়ে করে। কেননা, বিয়ে তার দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থান হিফাজত করে এবং যার বিয়ে করার সামর্থ্য নেই, সে যেন সওম পালন করে। কেননা, সওম তার যৌনতাকে দমন করবে। (বুখারী শরীফ: ৫০৬৬, মুসলিম শরীফ: ১৪০০)


 ❝তিন. 

বইয়ের দশম অধ্যায়ের শিরোনামে রয়েছে, ‘শরীর আমার, সিদ্ধান্ত আমার’। উক্ত অংশটি সরাসরি কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ .


অর্থ: ‘সতর্ক হও! সৃষ্টি ও আদেশ একমাত্র তাঁরই (আল্লাহর)।’ (সূরা আল-আ’রাফ, আয়াত ৫৪)।


إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ


অর্থ: ‘ফায়সালার অধিকার কেবল আল্লাহরই’। (সুরা ইউসুফ, আয়াত: ৪০)


وَمَنْ لَمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ.


অর্থ: ‘যে কেউ আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তা অনুযায়ী বিচার করে না, তারাই কাফির (অবিশ্বাসী)’। (সুরা মায়েদা, আয়াত: ৪৪)


❝চার.

দশম অধ্যায়ের ১০.২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘সমাজে প্রচলিত প্রথা কুসংস্কার ও মাসিক সম্পর্কে ভ্রান্ত ও নেতিবাচক ভ্রান্ত ধারণা নারী ও কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বড় বাধা’। সংস্কার প্রতিবেদনের এই অংশটি কুরআনের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলিল:

يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاء في المحيض ولا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّى يَطْهُرْنَ فَإِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمُ اللهُ ، إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ المتطهرين.


অর্থ: তারা আপনাকে ঋতুস্রাব (মাসিক) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। আপনি বলুন, এটি একপ্রকার কষ্ট। সুতরাং ঋতুমতী অবস্থায় নারীদের থেকে দূরে থাকো এবং তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাদের সঙ্গে সহবাস করো না। যখন তারা পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে, তখন আল্লাহ যেভাবে তোমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন, সেভাবেই তাদের কাছে গমন করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবা গ্রহণকারীদের ভালোবাসেন এবং পবিত্রতা অবলম্বনকারীদের ভালোবাসেন।” (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২২২)


হাদীস থেকে দলীল:

عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ عُقْبَةَ بْنِ عَمْرٍو الْأَنْصَارِي الْبَدْرِي، قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: “إِنَّ مِمَّا أَدْرَكَ النَّاسُ مِنْ كَلَامِ النُّبُوَّةِ الْأُولَى إِذَا لَمْ تَسْتَحِ فَاصْنَعْ مَا شِئْتَ.”


অর্থ: আবু মাসউদ উকবা ইবনু আমর আল-আনসারী আল-বদরী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: “আগের নবীদের বাণীসমূহ থেকে যে কথাগুলো মানুষ পেয়েছে, তার একটি হলো: ‘যদি তোমার লজ্জা না থাকে, তবে তুমি যা খুশি তাই করো।” (সহীহ বুখারী, হাদীস নম্বর: ৩৪৮৩ ও ৬১২০)।


 ❝পাঁচ.

চতুর্থ অধ্যায়ের ৪.১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নারী ও শিশু সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সহায়তা করে এটি নারীর অধিকার রক্ষা ও জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করতে নীতিমালা প্রণয়ন বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ এবং পরামর্শ প্রদান করে। এখানে পরোক্ষভাবে ট্রান্সজেন্ডার এর বিষয়ে বলা হয়েছে। যা সরাসরি কুরআন ও হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

وَلَا مُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيرُنَّ خَلْقَ اللهِ، وَمَنْ يَتَّخِذِ الشَّيْطَانَ وَلِيًّا مِن دُونِ اللَّهِ فَقَدْ خَسِرَ خُسْرَانًا مُّبِينًا.


অর্থ: ‘আর আমি (শয়তান) অবশ্যই তাদেরকে নির্দেশ দেব, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে পরিবর্তন করবে। আর যে কেউ আল্লাহকে বাদ দিয়ে শয়তানকে বন্ধু বানায়, সে তো স্পষ্ট ক্ষতিতে পড়ে।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১১৯)


হাদিস শরীফ থেকে দলীল:

لَعَنَ رَسُولُ الله المتستهين من الرِّجَالِ بالنِّسَاء، والمتشبهات من النِّسَاء بالرجال ( صحيح البخاري (٥٨٨٥)


অর্থ: ‘রাসূলুল্লাহ তাদের উপর লা’নত করেছেন যারা পুরুষ হয়েও নারীদের অনুকরণ করে এবং নারীরা যারা পুরুষদের অনুকরণ করে।’


❝ছয়.

ষষ্ঠ অধ্যায়ের ৬.৩.১ এর ‘ক’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, স্ত্রী ও সন্তানের ভরণপোষণ, দেনমোহর, উত্তরাধিকার, অভিভাবকত্ব ও নাগরিকত্ব আইনে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা তথা ইসলামী আইনে থাকা নারী ও পুরুষের মধ্যকার বৈষম্য দূর করা।


উল্লিখিত এ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। যা সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ


অর্থ: পুরুষেরা নারীদের অভিভাবক (অভিযোগ-দায়িত্বশীল), কারণ আল্লাহ তাদের একের উপর অপরকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। (সুরা নিসা, আয়াত: ৩৪)


للذَّكَرِ مِثْلُ حَظِ الْأُنثَيَيْنِ.


অর্থ: একজন পুরুষের জন্য আছে দুই নারীর সমান অংশ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১১)


❝সাত.

তৃতীয় অধ্যায়ের ৩.২.২.১.৪ এর ‘খ’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, শিশু ও দত্তক গ্রহণ সংস্কার করে আইনি দত্তক গ্রহণ বিষয়ক একটি স্বতন্ত্র আইন প্রণয়ন করা। যা শিশুটিকে দত্তক পরিবারে অন্তর্ভুক্ত হিসেবে স্বীকৃতি দিবে। পূর্ণ উত্তরাধিকার প্রদান করবে এবং শিশুটিকে গর্ভজাত সন্তানের মত একই আইনে সুবিধা প্রদান করবে।


উল্লিখিত এ অনুচ্ছেদে দত্তক শিশুকে গর্ভজাত শিশুর ন্যায় বিধানের কথা বলা হয়েছে। যা সরাসরি কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

وَمَا جَعَلَ أَدْعِيَاءَكُمْ أَبْنَاءَكُمْ ذَلِكُمْ قَوْلُكُم بِأَفْوَهِكُمْ وَ اللهُ يَقُولُ الْحَقَّ وَهُوَ يَهْدِي السَّبِيل.


অর্থ: “আর তোমাদের দত্তক পুত্রদেরকেও আল্লাহ তোমাদের প্রকৃত পুত্র বানাননি। এগুলো তোমাদের মুখের কথা মাত্র। আর আল্লাহ সত্য কথা বলেন এবং তিনিই সঠিক পথের দিশা দেন।” (সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৪)


❝আট.

তৃতীয় অধ্যায়ের ৩.২.৩.১.১ এর ‘গ’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বহুবিবাহ প্রথা বিলুপ্ত করতে হবে। এখানে বহুবিবাহ নিষেধের কথা বলা হয়েছে যা সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَى وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ .


অর্থ: “আর যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, ইয়াতিমদের ব্যাপারে ন্যায়বিচার করতে পারবে না, তবে যেসব নারী তোমাদের পছন্দ, তাদের মধ্যে থেকে দুই, তিন বা চারজনকে বিয়ে করো। (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৩)


❝নয়.

দ্বাদশ অধ্যায়ের ১২.৩.১১ এর ‘জ’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, শ্রম আইনে যৌনকর্মীদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান। এখানে যৌন কর্মকে স্বাভাবিক কর্ম হিসেবে দেখানো হয়েছে। যা কুরআন সুন্নাহর সাথে সংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

الزَّانِيَةُ وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَحِدٍ مِنْهُمَا مِائَةَ جَلْدَ وَلَا تَأْخُذْكُم بِهِمَا رَأْفَةٌ فِي دِينِ اللهِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا طَائِفَةٌ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ


অর্থ: “ব্যভিচারিণী নারী ও ব্যভিচারী পুরুষ তাদের প্রত্যেককে একশ’ বেত্রাঘাত করো। আল্লাহর ধর্মে তাদের প্রতি কোনো ধরনের দয়া যেন তোমাদেরকে নিরুৎসাহিত না করে, যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখো। আর তাদের শাস্তির সময় মু’মিনদের একটি দল যেন উপস্থিত থাকে।” (সূরা আন-নূর, আয়াত: ২)


 فَمَنِ ابْتَغَى وَرَاءَ ذَلِكَ فَأُوْلَئِكَ هُمُ الْعَادُونَ


অর্থ: “আর যারা এ ছাড়া অন্য কিছু কামনা করে, তারা সীমালঙ্ঘনকারী।” সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত: ৭)


وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنَى إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَسَاءَ سَبِيلًا


অর্থ: “আর ব্যভিচারের নিকটেও যেয়ো না। নিশ্চয় তা এক অশ্লীল কাজ এবং খুবই নিকৃষ্ট পথ।” (সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৩২)


হাদিস থেকে দলীল:

قوله عليه السلام: خُذُوا عني، خُذُوا عني قَدْ جَعَلَ اللهُ لَهُنَّ سَبِيلًا، الثيب بالنيب: الجلد مائة، والرَّجْمُ، وَالْبِكْرُ بِالْبِكْرِ الجَلْدُ مِائَةٌ، وَنَفْيُ سَنَةٍ


অর্থ: “তোমরা আমার কাছ থেকে জেনে নাও, তোমরা আমার কাছ থেকে জেনে নাও! আল্লাহ তাদের (ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণীদের) জন্য একটি পথ নির্ধারণ করেছেন: বিবাহিত নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে একশ’ বেত্রাঘাত এবং পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ড (রজম)। আর অবিবাহিত নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে একশ’ বেত্রাঘাত এবং এক বছর দেশ থেকে নির্বাসন।” (মুসলিম: ১৬৯০, আহমাদ: ২২৭০৩, ইবনে মাজাহ: ৪৪৪৩)


❝দশ.

তৃতীয় অধ্যায়ের ৩.২.১.১.৩ এর ‘ক’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেহেতু রাষ্ট্র একটি ইহজাগতিক স্বত্তা সেহেতু কোন ধর্মীয় বিধান অনুসরণ করে সংবিধান শুরু হওয়া উচিত নয়। তাছাড়া একটি ধর্মকে প্রাধান্য দেয়া ধর্মনিরপেক্ষতা নীতির সাথে সাংঘর্ষিক। তাই অনুচ্ছেদটি বাতিল করা প্রয়োজন।


উল্লিখিত এই অনুচ্ছেদে স্পষ্টত ধর্মনিরপেক্ষতাকে সমর্থন করা হয়েছে। যা কুরআনের সাথে সংঘর্ষিক।


পবিত্র কুরআন থেকে দলীল:

وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَمِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَسِرِينَ


অর্থ: “আর যে কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো জীবনব্যবস্থা গ্রহণ করতে চায়, তা কখনোই তার কাছ থেকে গ্রহণ করা হবে না; এবং আখিরাতে সে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত।” (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৮৫)


 إإِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَمُ


অর্থ: “নিশ্চয় আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য ধর্ম হলো ইসলাম।” (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৯)


জুম‘আর খুৎবাপূর্ব বয়ানে উপস্থাপন করা জরুরি। 

আসুন,সবায় কুরআন বিরোধী সুপারিশ রুখে দিতে এক হয়ে আওয়াজ তুলি, ২৪ পরবর্তী বাংলায় কুরআন বিরোধীদের ঠাই নাই,, আল কুরআনের আইন চাই সৎ  লোকের শাসন চাই,,জমিন যার আইন চলবে তার,,


-গ্রামগঞ্জে বসবাসরত লক্ষ লক্ষ নারীদের অধিকার সম্পর্কে এই নারী অধিকার কমিশন কি বুঝবে! তাদের অধিকার এই কমিশন কিভাবে দিবে.....


#highlightsシ゚ #everyoneシ゚ #viralpost2025シ 

#videoviralシ #viralpost2025シ2025 #BMW 

#everyonefollowerseveryonefollowers 

#everyonefollowers #highlighteveryone

দু:খিনী আয়েশা!  ধর্মের জন্য মানুষ নাকি মানুষের জন্য ধর্ম! সংগৃহীত

 আয়েশা রোশান ১৯ বছর বয়সী পাকিস্তানি তরুণী, হার্টের গুরুতর সমস্যায় ভুগছিল। তার হার্ট ফাংশান প্রায় অকেজো হয়ে এসেছিল।

পাকিস্তানে চিকিৎসা করিয়ে সুফল পাওয়া যায়নি বিধায় উন্নত চিকিৎসার জন্য গত বছর ভারতের চেন্নাইয়ের এমজিএম হেলথকেয়ার হাসপাতালে আয়েশাকে ভর্তি করা হয়েছিল। 


 তার দেহে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে হার্ট প্রতিস্থাপন করা জরুরি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জানা যায়,  সদ্য মৃত ৬৯ বছর বয়সী এক পুরুষের হার্ট পাওয়া গেছে যেটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আয়েশার দেহে প্রতিস্থাপন করা হবে। 


এই অপারেশনটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সম্পন্ন হয়।

 গত সপ্তাহে আয়েশাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে সে সম্পূর্ণ সুস্থ আছে।


এই অস্ত্রোপচারের ব্যয় ছিল প্রায় ৩৫ লক্ষ রুপি, যা ঐশ্বর্য ট্রাস্ট, হাসপাতাল এবং চিকিৎসকরা যৌথভাবে বহন করেছেন। 

এটি  আয়েশার জন্য, তার পরিবারের জন্য একটি ভালো খবর হওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। পাকিস্তানের অনেকেই এই অপারেশানের সংবাদে ক্ষুব্ধ হয়েছে।


৬৯ বছর বয়সী ওই পুরুষ দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন যিনি ব্রেইন ডেড হয়ে মারা যান এবং তাঁর হার্টটি আয়েশার শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। 


কিন্তু পাকিস্তানি কিছু নাগরিক এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন কারণ তারা জানতে পেরেছে মৃত ওই ব্যক্তিটি ছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী।

তাদের মতে, আয়েশা একজন মুসলিম নারী, তার দেহে একজন হিন্দু পুরুষের হার্ট (হৃৎপিন্ড) প্রতিস্থাপন করা ঠিক হয়নি, আয়েশা এবং তার পরিবারের এতে গুনাহ হয়েছে।

এমনকি পাকিস্তানের সেই মুসলিমদের কেউ কেউ এও বলেছে, আয়েশার উচিত ছিল হার্ট প্রতিস্থাপন না করা, অথবা মুসলিম কারো হার্ট জোগাড় হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা! হিন্দু ব্যক্তির হার্ট গ্রহণ করা অপেক্ষা মৃত্যুকে বরণ করে নেওয়াই ভালো ছিলো! 


আহারে আয়েশা, দু:খিনী আয়েশা! 

ধর্মের জন্য মানুষ নাকি মানুষের জন্য ধর্ম!

সংগৃহীত

প্রস্রাব করতে গেলেই জ্বালাপোড়া।

 প্রস্রাব করতে গেলেই জ্বালাপোড়া।

দিনের পর দিন এই অসহ্য কষ্টে ছিলেন এক ভদ্রলোক।

মাঝে মাঝে তীব্র ব্যথা, আবার কখনো রক্তও বের হতো।

তবু ব্যস্ততার অজুহাতে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া হয়নি।


কিন্তু একদিন ব্যথায় অস্থির হয়ে তিনি হাসপাতালে ছুটে গেলেন।

ডাক্তার প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে এক্সরে করানোর পরামর্শ দিলেন।


এক্সরে রিপোর্ট হাতে পেয়েই ডাক্তার থ!

ব্লাডারের মধ্যে স্পষ্ট দেখা গেল বিশাল এক সাদা ছায়া।

তৎক্ষণাৎ CT স্ক্যান করা হলো।


আর সেখানেই বেরিয়ে এলো আসল চমক—

ভদ্রলোকের মূত্রাশয়ের মধ্যে জমে উঠেছে বিশাল এক পাথর!

অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।


অপারেশন শেষে যখন পাথরটি বের করা হলো—

ডাক্তার, নার্স, সবাই হতবাক!

প্রায় একটি নারকেলের মতো বড় পাথর!


❓ তাহলে প্রশ্ন—এত বড় পাথর কোথা দিয়ে গেল?

➡️ আসলে, কোথাও যায়নি।

দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, নিজের ভিতরেই তৈরি হয়েছে।


কারণগুলো ছিল খুবই সাধারণ:


• দিনের পর দিন প্রস্রাব চেপে রাখা

• ইউরিন সম্পূর্ণ না বের হওয়া

• সংক্রমণ (ইনফেকশন) হলেও চিকিৎসা না নেওয়া

• এবং সবচেয়ে বড় কারণ—অবহেলা


✅ কীভাবে স্টোন হওয়ার ঝুঁকি এড়াবেন?


• প্রতিদিন ২-২.৫ লিটার পানি পান করুন

• প্রস্রাব কখনো চেপে রাখবেন না

• ইউরিনে জ্বালা বা রক্ত দেখলে দেরি না করে চিকিৎসা নিন

• বয়স বাড়লে নিয়মিত প্রোস্টেট চেক করান


মনে রাখুন:

ছোট সমস্যা যখন অবহেলা করা হয়, তখন সেটাই একদিন বড় বিপদের রূপ নেয়।। 


✍️https://www.facebook.com/share/1HiLdCFptK/


কাঁচা আমের কাসুন্দি,,,,,,,,,,,

 কাঁচা আমের কাসুন্দি বাঙালির ঐতিহ্যবাহী একটি পদ, যা খাবারের সঙ্গে সুস্বাদু ঝাল-টক স্বাদ যোগ করে। ভাত, পান্তা, লুচি, কিংবা স্ন্যাক্সের সঙ্গে এটি দারুণ মানানসই। এই রেসিপি সহজে বাড়িতে তৈরি করা যায়। নতুন রাঁধুনিদের জন্য এটি খুব উপযুক্ত।


উপকরণ:

কাঁচা আম - ৫০০ গ্রাম (খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরো করে কাটা)


হলুদ গুঁড়ো - ১ চা চামচ


শুকনো লাল মরিচ - ৪-৫টি


সরষে - ২ টেবিল চামচ (হলুদ সরষে হলে ভালো হয়)


লবণ - স্বাদমতো


চিনি - ২ টেবিল চামচ (ঐচ্ছিক, স্বাদ অনুযায়ী)


সরষের তেল - ২ টেবিল চামচ


ভিনেগার - ১ টেবিল চামচ (যদি কাসুন্দি বেশি দিন রাখতে চান)


পানি - পরিমাণমতো (পেস্ট তৈরির জন্য)


কাঁচা আমের কাসুন্দি বানানোর পদ্ধতি:

প্রস্তুতি ধাপ:

কাঁচা আম ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরো করে নিন।


সরষে এবং শুকনো লাল মরিচ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন (১৫-২০ মিনিট)।


কাসুন্দি তৈরির ধাপ:

ভিজিয়ে রাখা সরষে এবং শুকনো লাল মরিচ একটি ব্লেন্ডারে নিয়ে সামান্য পানি দিয়ে পেস্ট করে নিন।


এর সঙ্গে কাঁচা আমের টুকরো, লবণ, হলুদ গুঁড়ো, এবং চিনি মিশিয়ে আবার ব্লেন্ড করুন। একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।


একটি পাত্রে এই মিশ্রণ ঢেলে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাঝে মাঝে নাড়তে থাকুন যাতে লেগে না যায়।


সরষের তেল যোগ করে আরও ৫ মিনিট রান্না করুন।


ভিনেগার যোগ করে ভালোভাবে মিশিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করুন।


পরিবেশন এবং সংরক্ষণ:

কাঁচা আমের কাসুন্দি ঠান্ডা হলে একটি কাচের বোতলে সংরক্ষণ করুন।


এটি ফ্রিজে ২-৩ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে।


ভাত, পান্তা বা পরোটা, এবং স্ন্যাক্সের সঙ্গে এটি পরিবেশন করুন।


দ্রুত টিপস:

ভিনেগার ছাড়া তৈরি করলে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন এবং ৭-১০ দিনের মধ্যে ব্যবহার করুন।


স্বাদের জন্য সরষের তেলের পরিমাণ সামান্য বাড়ানো যেতে পারে।


কালেক্টেড

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন- তিন ধরনের ব্যক্তি আছেন যাদের দেখে মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন মুচকি হাসেন! সুবহানআল্লাহ্

 আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন- তিন ধরনের ব্যক্তি আছেন যাদের দেখে মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন মুচকি হাসেন! সুবহানআল্লাহ্ 📖


ভাবুন তো! মহান সৃষ্টিকর্তা, পরম করুণাময় আপনার দিকে তাকিয়ে হাসছেন! কি এমন কাজ তাঁরা করেছেন যে কাজে তাঁদের প্রতি আল্লাহ্‌ খুশি হয়ে যান? 

কারা সেই ভাগ্যবান যাদের প্রতি রব্বে করীম এতো সন্তুষ্ট? 


সেই তিন শ্রেণির লোকের মধ্যে এক শ্রেণীর লোক হচ্ছেন সেই সব ব্যক্তি, যার সুন্দরী স্ত্রী আছে, বেশ আরামদায়ক বিছানাও আছে, কিন্তু তিনি রাতে সুন্দরী স্ত্রী ও আরামের বিছানা ত্যাগ করে একমাত্র আল্লাহ্কে সন্তুষ্ট করার জন্য নামাজের জন্য দাড়িয়ে যান।


আল্লাহ্‌ তার এই বান্দাকে ফেরেশতাদের দেখিয়ে গর্ব করে বলেন- দেখো, সে তার আরামের ঘুম ত্যাগ করে, নিজের যৌ*ন প্রয়োজনকে দমন করে আমার স্মরণে দাড়িয়ে গেলো। 

ইচ্ছা করলেই সে নিদ্রা উপভোগ করতে পারতো, নিজের চাহিদা মেটাতে পারতো। 


ফেরেশতাদের এ কথা বলার সময় আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের চেহারা হাস্যোজ্জল হয়ে যায়। 

তিনি বলতে থাকেন- আমার এই বান্দা এখন আমার কাছে যা চাইবে, আমি তাই দিবো, তার রিজিক লাগলে আমি তাকে বেহিসাব রিজিক দিবো, তার কষ্ট থাকলে আমি তা দূর করে দিব। সুবহানআল্লাহ্!


দ্বিতীয় প্রকার লোক হলেন সেই সব লোক, যাদেরকে আল্লাহ্ তায়ালা একটা জীবন দিয়েছিলেন। 

কিন্তু তারা সে জীবন নিজের ইচ্ছা মতো ব্যয় না করে বরং মহান আল্লাহর ইচ্ছা মতো যাপন করে, 

নিজের জীবনকে আল্লাহর রাস্তায় কু*রবা*নী করে গেছেন। আল্লাহর রাস্তায় যু*দ্ধ করে অথবা যু*দ্ধে সাহায্য করে শ*হী*দ হয়েছেন। আল্লাহ্ এসব লোকদের এই কু*রবা*নীকে এতো পছন্দ করেন যে, 

তিনি তাদের উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান। সুবহানআল্লাহ্।


তৃতীয় প্রকার হলেন সেই সব লোক যে কোন প্রয়োজনে কোথাও সফরে গিয়েছেন অথবা কোন কাফেলার সাথে আছেন। 

কিন্তু সফরে থাকলেও তিনি নামাজে কোন গাফেলতি করেন না। সেখানে তিনি কষ্টে থাকুন বা সুখে, 

ঘুম থেকে উঠে আগে তিনি নামাজ আদায় করে নেন। এমন লোককেও দেখেও আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন খুশি হয়ে যান। সুবহানআল্লাহ্ 


একজন লোক সফরে গেলে বা কোথাও ভ্রমণে গেলে সাধারণত সময়'মতো নামাজ  আদায় করা একটু কঠিন হয়ে পড়ে, এর উপর সফরের ক্লান্তি তো আছেই। এমন অবস্থাতেও যে ঘুম বাদ দিয়ে নামাজ আদায় করে নেয়, তাকে দেখেও আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন সন্তুষ্ট হয়ে হেসে উঠেন। সুবহানআল্লাহ্ 


আমরা কি চিন্তা করতে পারছি, আল্লাহ্‌ যদি কাউকে দেখে হাসেন, কারো উপর সন্তুষ্ট হন, তাহলে তাঁর পাওনা কি হবে? 

তার জন্য কি অপেক্ষা করছে? মহান আল্লাহ্‌ তার জন্য কি নেয়ামত রেখেছেন?


ঈমাম আহমেদ তাঁর মসনদে আহমদে বলেন- 

যখন আমাদের রব এই দুনিয়ায় কাউকে দেখে, কারো কর্ম দেখে হাসবেন, বিচারের দিন তাকে কোন হিসাব দিতে হবে না, বিনা হিসেবে তিনি জান্নাতে প্রবেশ করবেন। সুবহানআল্লাহ্ ,

কিয়ামতের দিন যেসব ভ*য়া*নক ঘটনা ঘটবে কোন কিছুই তাকে স্পর্শ করতে পারবে না। 

তিনি সবকিছু থেকে রেহায় পাবেন, কারণ তাঁকে কোন বিচারের সম্মুখীন হতে হবে না’।


আমরা কি চাই না আল্লাহ্‌ আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসুক, যাতে আমরা কিয়ামতের সকল আ*জা*ব থেকে রক্ষা পাই, বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করি? তাহলে আজই নিজের জীবনকে এই তিন শ্রেণীর মানুষের মতো পরিচালনা করুন, তাহলে সবকিছু শেষে সফলতার হাসি আপনি-ই হাসবেন। ইনশাআল্লাহ 📿


(হাকেম, হাদিস নং ১/২৫; সহীহাহ, হাদিস নং ৩৪৭৮)

একটি ছোট্ট গল্প, যার মাঝে লুকিয়ে আছে এক মহান শিক্ষা…

 ❤️একটি ছোট্ট গল্প, যার মাঝে লুকিয়ে আছে এক মহান শিক্ষা…


----একদিন ছোটবেলার কাজী নজরুল ইসলাম আত্মীয়র বাড়ি যাচ্ছিলেন বাসে করে। বাসে তিল ধারণের জায়গা নেই—সব সিট ভরপুর। তিনি দাঁড়িয়ে যাত্রা শুরু করলেন।


কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলেন, পাশের এক ভদ্রলোক অসাবধানতাবশত তাঁর পায়ের উপর পা রেখে বসে আছেন। লোকটি এতটাই নিমগ্ন যে বুঝতেই পারছেন না তিনি কারো কষ্টের কারণ হয়ে উঠেছেন।


ছোট্ট নজরুল মাথা নিচু করে শান্ত স্বরে বললেন,

"মাফ করবেন, আপনি কি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন না?"


এই বিনয়ী কথাটি যেন লোকটির আত্মসম্মানে আঘাত করল। চমকে উঠে সে রুক্ষ কণ্ঠে বলল,

"তুমি কে? এত সাহস কোথা থেকে এলো তোমার? জানো আমি কে?"


ঠিক তখনই তিনি চোখ নামিয়ে দেখলেন—তিনি এখনো নজরুলের পায়ের উপর পা দিয়ে বসে আছেন।


হঠাৎই তাঁর কণ্ঠ স্তব্ধ হয়ে গেল। কিছুক্ষণ চুপ থেকে ধীরে ধীরে পা সরিয়ে নিলেন। এরপর কোমল স্বরে বললেন,

"বাহ! সাহস তো কম নয় তোমার। আমি দোয়া করি, তুমি একদিন অনেক বড় হবে, বাবা।"


এই কথায় ছোট নজরুলের মুখে এক প্রশান্ত হাসি খেলে গেল—সম্ভবত ভবিষ্যতের দিগন্তে তখনই এক দীপ্ত আলো জ্বলে উঠেছিল।


❤️এই গল্প থেকে শিক্ষা:

নিজের ভুল স্বীকারে যে সাহসী, সে-ই প্রকৃত জ্ঞানী। আর অন্যকে শুধরে দিতে হলে, আগে নিজের মনটা হতে হবে নির্মল ও বিনয়ী।

সনাতমী ব্রাহ্মণ্দের সাম্প্রতিকার দৃষ্টান্ত,,,,. "সনাতনী ব্রাহ্মণদের সাম্প্রতিকতার দৃষ্টান্ত" 🔵 প্রতিবেশিরা তো রীতিমতো ছিছিক্কার ফেলে দিয়েছে। সাত প্রজন্মে কেউ কোনোদিন পাঠশালার মুখ দেখেনি, সে নাকি পড়াশোনা করবে? আর করতে চাইলেই বা তা সম্ভব কী করে? 'চণ্ডাল’রা কি পাঠশালায় যায়? যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, তখন দেশে রীতিমতো ব্রিটিশ রাজত্ব কায়েম হয়ে গিয়েছে। আধুনিক শিক্ষার একটা ধারাও শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও নিম্নবর্ণের হিন্দুরা তখনও ব্রাত্য। আসলে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি বলতে তখনও পাঠশালা। আর সেখানেই বঞ্চিত ‘চণ্ডাল’রা। তবে ফরিদপুরের সাফলিডাঙা গ্রামের হরিচাঁদ ঠাকুর কিন্তু সংকল্প করলেন, ছেলের পড়াশোনার ইচ্ছা তিনি মেটাবেন। কিন্তু সমাজ তা মেনে নেবে কেন? না, কোনো পাঠশালাতেই জায়গা হল না গুরুচাঁদ ঠাকুরের। শেষ পর্যন্ত গুরুচাঁদ পড়াশোনা শুরু করলেন। তবে পাঠশালায় নয়। তিনি ভর্তি হলেন মাদ্রাসায়। সেখানে বর্ণের ভেদ নেই। কিন্তু হিন্দুর ছেলে কিনা পড়াশোনা করবে মুসলমানদের মাদ্রাসায়? আর ‘চণ্ডাল’দের হিন্দু বলে তো স্বীকার করা হয়নি কোনোদিনই। ছিল না মন্দিরে প্রবেশের অধিকারও। কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়ার অধিকার ছিল না। সবেতেই তাঁরা ব্রাত্য। কিন্তু তাঁদের শ্রম ব্রাত্য নয়। সেই শ্রমের উপরেই দাঁড়িয়ে ছিল ব্রাহ্মণ্যধর্মের কাঠামো। গুরুচাঁদ ঠাকুরের মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়া নিয়ে মুসলমান সমাজেরও কেউ কেউ আপত্তি তুলেছিলেন। কিন্তু হিন্দুদের কঠোর বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার কাছে সেই আপত্তি ছিল নেহাতই মৃদু। গুরুচাঁদ ঠাকুরের পড়াশোনা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হল এক ইতিহাস। সেই ইতিহাস কোনো ব্যক্তির জীবনের নয়। বরং বাংলার গ্রামাঞ্চলের ‘চণ্ডাল’ মানুষদের উঠে দাঁড়ানোর ইতিহাস। ভাবতে অবাক লাগে, একজন মানুষ তাঁর ৯০ বছরের জীবনে ১৮১২টি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর প্রতিটি স্কুলের মূল লক্ষ্য ছিল নিম্নবর্ণের মানুষদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া। পিতা হরিচাঁদ ঠাকুরের হাত ধরেই বাংলায় মতুয়া ধর্ম আন্দোলনের শুরু। গুরুচাঁদ ঠাকুর সেই আন্দোলনকেই অধিক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ১৮৮০ সালে ওড়িয়াকান্দিতে প্রথম বিদ্যালয় স্থাপন করেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। ‘চণ্ডালে’র উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত স্কুল, সেখানে ‘চণ্ডাল’দের পড়াশোনার অবাধ অধিকার। শিক্ষিত বর্ণবাদী হিন্দুদের প্রত্যেকেই বিরোধিতায় নামলেন। কিন্তু কোনোভাবেই গুরুচাঁদ ঠাকুরের সংকল্প তাঁরা ভাঙতে পারলেন না। ১৮ বছরের মধ্যে ওড়িয়াকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হল। এরপর বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে ঘুরে ঘুরে নিম্নবর্ণের মানুষদের একজোট করে স্কুল তৈরি করতে থাকলেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। তিনি বুঝেছিলেন, আজকের দিনে মাথা উঁচু করে বাঁচতে গেলে সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষা। লেখকঃ ✍️জগদীশ রায় সৌঃ Jhumuir Halder সংগৃহীতঃ https://www.facebook.com/share/p/19KU3EWdoE/

.          "সনাতনী ব্রাহ্মণদের সাম্প্রতিকতার দৃষ্টান্ত"



🔵 প্রতিবেশিরা তো রীতিমতো ছিছিক্কার ফেলে দিয়েছে। সাত প্রজন্মে কেউ কোনোদিন পাঠশালার মুখ দেখেনি, সে নাকি পড়াশোনা করবে? 

আর করতে চাইলেই বা তা সম্ভব কী করে?

'চণ্ডাল’রা কি পাঠশালায় যায়? 

যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, তখন দেশে রীতিমতো ব্রিটিশ রাজত্ব কায়েম হয়ে গিয়েছে। আধুনিক শিক্ষার একটা ধারাও শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও নিম্নবর্ণের হিন্দুরা তখনও ব্রাত্য। আসলে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি বলতে তখনও পাঠশালা। আর সেখানেই বঞ্চিত ‘চণ্ডাল’রা।


তবে ফরিদপুরের সাফলিডাঙা গ্রামের হরিচাঁদ ঠাকুর কিন্তু সংকল্প করলেন, ছেলের পড়াশোনার ইচ্ছা তিনি মেটাবেন। কিন্তু সমাজ তা মেনে নেবে কেন? 

না, কোনো পাঠশালাতেই জায়গা হল না গুরুচাঁদ ঠাকুরের। শেষ পর্যন্ত গুরুচাঁদ পড়াশোনা শুরু করলেন। তবে পাঠশালায় নয়। তিনি ভর্তি হলেন মাদ্রাসায়। সেখানে বর্ণের ভেদ নেই। কিন্তু হিন্দুর ছেলে কিনা পড়াশোনা করবে মুসলমানদের মাদ্রাসায়? 

আর ‘চণ্ডাল’দের হিন্দু বলে তো স্বীকার করা হয়নি কোনোদিনই। ছিল না মন্দিরে প্রবেশের অধিকারও। কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়ার অধিকার ছিল না। সবেতেই তাঁরা ব্রাত্য। কিন্তু তাঁদের শ্রম ব্রাত্য নয়। সেই শ্রমের উপরেই দাঁড়িয়ে ছিল ব্রাহ্মণ্যধর্মের কাঠামো।


গুরুচাঁদ ঠাকুরের মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়া নিয়ে মুসলমান সমাজেরও কেউ কেউ আপত্তি তুলেছিলেন। কিন্তু হিন্দুদের কঠোর বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার কাছে সেই আপত্তি ছিল নেহাতই মৃদু। গুরুচাঁদ ঠাকুরের পড়াশোনা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হল এক ইতিহাস। সেই ইতিহাস কোনো ব্যক্তির জীবনের নয়। বরং বাংলার গ্রামাঞ্চলের ‘চণ্ডাল’ মানুষদের উঠে দাঁড়ানোর ইতিহাস। ভাবতে অবাক লাগে, একজন মানুষ তাঁর ৯০ বছরের জীবনে ১৮১২টি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর প্রতিটি স্কুলের মূল লক্ষ্য ছিল নিম্নবর্ণের মানুষদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া।


পিতা হরিচাঁদ ঠাকুরের হাত ধরেই বাংলায় মতুয়া ধর্ম আন্দোলনের শুরু। গুরুচাঁদ ঠাকুর সেই আন্দোলনকেই অধিক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ১৮৮০ সালে ওড়িয়াকান্দিতে প্রথম বিদ্যালয় স্থাপন করেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। ‘চণ্ডালে’র উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত স্কুল, সেখানে ‘চণ্ডাল’দের পড়াশোনার অবাধ অধিকার। শিক্ষিত বর্ণবাদী হিন্দুদের প্রত্যেকেই বিরোধিতায় নামলেন। কিন্তু কোনোভাবেই গুরুচাঁদ ঠাকুরের সংকল্প তাঁরা ভাঙতে পারলেন না। ১৮ বছরের মধ্যে ওড়িয়াকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হল। এরপর বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে ঘুরে ঘুরে নিম্নবর্ণের মানুষদের একজোট করে স্কুল তৈরি করতে থাকলেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। তিনি বুঝেছিলেন, আজকের দিনে মাথা উঁচু করে বাঁচতে গেলে সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষা।


.          "সনাতনী ব্রাহ্মণদের সাম্প্রতিকতার দৃষ্টান্ত"


🔵 প্রতিবেশিরা তো রীতিমতো ছিছিক্কার ফেলে দিয়েছে। সাত প্রজন্মে কেউ কোনোদিন পাঠশালার মুখ দেখেনি, সে নাকি পড়াশোনা করবে? 

আর করতে চাইলেই বা তা সম্ভব কী করে?

'চণ্ডাল’রা কি পাঠশালায় যায়? 

যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, তখন দেশে রীতিমতো ব্রিটিশ রাজত্ব কায়েম হয়ে গিয়েছে। আধুনিক শিক্ষার একটা ধারাও শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও নিম্নবর্ণের হিন্দুরা তখনও ব্রাত্য। আসলে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি বলতে তখনও পাঠশালা। আর সেখানেই বঞ্চিত ‘চণ্ডাল’রা।


তবে ফরিদপুরের সাফলিডাঙা গ্রামের হরিচাঁদ ঠাকুর কিন্তু সংকল্প করলেন, ছেলের পড়াশোনার ইচ্ছা তিনি মেটাবেন। কিন্তু সমাজ তা মেনে নেবে কেন? 

না, কোনো পাঠশালাতেই জায়গা হল না গুরুচাঁদ ঠাকুরের। শেষ পর্যন্ত গুরুচাঁদ পড়াশোনা শুরু করলেন। তবে পাঠশালায় নয়। তিনি ভর্তি হলেন মাদ্রাসায়। সেখানে বর্ণের ভেদ নেই। কিন্তু হিন্দুর ছেলে কিনা পড়াশোনা করবে মুসলমানদের মাদ্রাসায়? 

আর ‘চণ্ডাল’দের হিন্দু বলে তো স্বীকার করা হয়নি কোনোদিনই। ছিল না মন্দিরে প্রবেশের অধিকারও। কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়ার অধিকার ছিল না। সবেতেই তাঁরা ব্রাত্য। কিন্তু তাঁদের শ্রম ব্রাত্য নয়। সেই শ্রমের উপরেই দাঁড়িয়ে ছিল ব্রাহ্মণ্যধর্মের কাঠামো।


গুরুচাঁদ ঠাকুরের মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়া নিয়ে মুসলমান সমাজেরও কেউ কেউ আপত্তি তুলেছিলেন। কিন্তু হিন্দুদের কঠোর বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার কাছে সেই আপত্তি ছিল নেহাতই মৃদু। গুরুচাঁদ ঠাকুরের পড়াশোনা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হল এক ইতিহাস। সেই ইতিহাস কোনো ব্যক্তির জীবনের নয়। বরং বাংলার গ্রামাঞ্চলের ‘চণ্ডাল’ মানুষদের উঠে দাঁড়ানোর ইতিহাস। ভাবতে অবাক লাগে, একজন মানুষ তাঁর ৯০ বছরের জীবনে ১৮১২টি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর প্রতিটি স্কুলের মূল লক্ষ্য ছিল নিম্নবর্ণের মানুষদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া।


পিতা হরিচাঁদ ঠাকুরের হাত ধরেই বাংলায় মতুয়া ধর্ম আন্দোলনের শুরু। গুরুচাঁদ ঠাকুর সেই আন্দোলনকেই অধিক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ১৮৮০ সালে ওড়িয়াকান্দিতে প্রথম বিদ্যালয় স্থাপন করেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। ‘চণ্ডালে’র উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত স্কুল, সেখানে ‘চণ্ডাল’দের পড়াশোনার অবাধ অধিকার। শিক্ষিত বর্ণবাদী হিন্দুদের প্রত্যেকেই বিরোধিতায় নামলেন। কিন্তু কোনোভাবেই গুরুচাঁদ ঠাকুরের সংকল্প তাঁরা ভাঙতে পারলেন না। ১৮ বছরের মধ্যে ওড়িয়াকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হল। এরপর বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে ঘুরে ঘুরে নিম্নবর্ণের মানুষদের একজোট করে স্কুল তৈরি করতে থাকলেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। তিনি বুঝেছিলেন, আজকের দিনে মাথা উঁচু করে বাঁচতে গেলে সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষা।


লেখকঃ

✍️জগদীশ রায়

সৌঃ Jhumuir Halder


সংগৃহীতঃ

https://www.facebook.com/share/p/19KU3EWdoE/


সংগৃহীতঃ

https://www.facebook.com/share/p/19KU3EWdoE/

পোস্ট অফিসে টেলিটকের সিম বুঝে নিন ঘরে বসে অর্ডার করুন অনলাইনে ।

 পোস্ট অফিসে টেলিটকের সিম

বুঝে নিন ঘরে বসে

অর্ডার করুন অনলাইনে ।


১) টেলিটক দিচ্ছে অনলাইনে সিম কেনার সুবিধা। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের পোস্ট অফিস এর মাধ্যমে পৌঁছে যাবে আপনার পছন্দের মোবাইল সিমটি আপনার হাতে। যার ফলে অনলাইনে ঘরে বসেই গ্রাহক সিম নম্বর পছন্দ ও অর্ডার করে তার সুবিধাজনক ডাকঘর অথবা বাসায় বসেও নিতে পারবে। 

২) নির্দিষ্ট ডাকঘর থেকে নিতে ২৫০ টাকা এবং ঘরে বসে সংগ্রহ করতে ৩০০ টাকা মোবাইল ওয়ালেট এর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। অটোমেটেড ট্রাকিং নম্বর এর মাধ্যমে গ্রাহক সিমের ডেলিভারি অবস্থান জানতে পারবেন। 

৩)  সারা বাংলাদেশে ১২৭ টি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে সিম পাওয়া যাবে।

৪) টেলিটকের ওয়েবসাইট: teletalk.com.bd তে গিয়ে 'অনলাইন সিম' মেন্যুতে গিয়ে সেবাটি নিতে পারবে।ু

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৫-০৫-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৫-০৫-২০২৫ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন পেশ - আশু বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার।


আরও বেশি সংখ্যায় দক্ষ কর্মী নিয়োগে সৌদি আরব ও জর্ডানের প্রতি ঢাকার আহ্বান।


সাংবাদিকদের দলীয়করণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিল শেখ হাসিনা সরকার - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


দিনের ভোট রাতে হওয়ার কোনো সুযোগ আর এখন নেই - বলেছেন প্রধান নির্বাচন  কমিশনার।


যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা শেষে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আগামীকাল ঢাকায় ফিরবেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।


ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে আজ জরুরি বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।


সিলেটে প্রথম অনানুষ্ঠানিক ওয়ানডে ম্যাচে নিউজিল্যান্ড 'এ' দলকে সাত উইকেটে হারালো বাংলাদেশ 'এ' দল।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ০৫-০৫-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ০৫-০৫-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আসন্ন কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা।


মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের জন্য মানবিক করিডোর নিয়ে কোন চুক্তি হয় নাই - বললেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।


সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং গণমাধ্যমের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সরকার আইন প্রণয়ন করছে - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


স্বৈরশাসনের পুনরুত্থান রোধে রাজনৈতিক দলগুলোকে মতৈক্যে পৌঁছানোর আহ্বান জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের।


বাংলাদেশিদের চিকিৎসা ভিসার জন্য বিশেষ সুবিধা ;গ্রিন চ্যানেল; চালু করল চীন। 


তেলআবিবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর হুতিদের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার প্রতিশ্রুতি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর।


সিলেটে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে আজ মাঠে নামবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দে...