এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন- তিন ধরনের ব্যক্তি আছেন যাদের দেখে মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন মুচকি হাসেন! সুবহানআল্লাহ্

 আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন- তিন ধরনের ব্যক্তি আছেন যাদের দেখে মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন মুচকি হাসেন! সুবহানআল্লাহ্ 📖


ভাবুন তো! মহান সৃষ্টিকর্তা, পরম করুণাময় আপনার দিকে তাকিয়ে হাসছেন! কি এমন কাজ তাঁরা করেছেন যে কাজে তাঁদের প্রতি আল্লাহ্‌ খুশি হয়ে যান? 

কারা সেই ভাগ্যবান যাদের প্রতি রব্বে করীম এতো সন্তুষ্ট? 


সেই তিন শ্রেণির লোকের মধ্যে এক শ্রেণীর লোক হচ্ছেন সেই সব ব্যক্তি, যার সুন্দরী স্ত্রী আছে, বেশ আরামদায়ক বিছানাও আছে, কিন্তু তিনি রাতে সুন্দরী স্ত্রী ও আরামের বিছানা ত্যাগ করে একমাত্র আল্লাহ্কে সন্তুষ্ট করার জন্য নামাজের জন্য দাড়িয়ে যান।


আল্লাহ্‌ তার এই বান্দাকে ফেরেশতাদের দেখিয়ে গর্ব করে বলেন- দেখো, সে তার আরামের ঘুম ত্যাগ করে, নিজের যৌ*ন প্রয়োজনকে দমন করে আমার স্মরণে দাড়িয়ে গেলো। 

ইচ্ছা করলেই সে নিদ্রা উপভোগ করতে পারতো, নিজের চাহিদা মেটাতে পারতো। 


ফেরেশতাদের এ কথা বলার সময় আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের চেহারা হাস্যোজ্জল হয়ে যায়। 

তিনি বলতে থাকেন- আমার এই বান্দা এখন আমার কাছে যা চাইবে, আমি তাই দিবো, তার রিজিক লাগলে আমি তাকে বেহিসাব রিজিক দিবো, তার কষ্ট থাকলে আমি তা দূর করে দিব। সুবহানআল্লাহ্!


দ্বিতীয় প্রকার লোক হলেন সেই সব লোক, যাদেরকে আল্লাহ্ তায়ালা একটা জীবন দিয়েছিলেন। 

কিন্তু তারা সে জীবন নিজের ইচ্ছা মতো ব্যয় না করে বরং মহান আল্লাহর ইচ্ছা মতো যাপন করে, 

নিজের জীবনকে আল্লাহর রাস্তায় কু*রবা*নী করে গেছেন। আল্লাহর রাস্তায় যু*দ্ধ করে অথবা যু*দ্ধে সাহায্য করে শ*হী*দ হয়েছেন। আল্লাহ্ এসব লোকদের এই কু*রবা*নীকে এতো পছন্দ করেন যে, 

তিনি তাদের উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান। সুবহানআল্লাহ্।


তৃতীয় প্রকার হলেন সেই সব লোক যে কোন প্রয়োজনে কোথাও সফরে গিয়েছেন অথবা কোন কাফেলার সাথে আছেন। 

কিন্তু সফরে থাকলেও তিনি নামাজে কোন গাফেলতি করেন না। সেখানে তিনি কষ্টে থাকুন বা সুখে, 

ঘুম থেকে উঠে আগে তিনি নামাজ আদায় করে নেন। এমন লোককেও দেখেও আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন খুশি হয়ে যান। সুবহানআল্লাহ্ 


একজন লোক সফরে গেলে বা কোথাও ভ্রমণে গেলে সাধারণত সময়'মতো নামাজ  আদায় করা একটু কঠিন হয়ে পড়ে, এর উপর সফরের ক্লান্তি তো আছেই। এমন অবস্থাতেও যে ঘুম বাদ দিয়ে নামাজ আদায় করে নেয়, তাকে দেখেও আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন সন্তুষ্ট হয়ে হেসে উঠেন। সুবহানআল্লাহ্ 


আমরা কি চিন্তা করতে পারছি, আল্লাহ্‌ যদি কাউকে দেখে হাসেন, কারো উপর সন্তুষ্ট হন, তাহলে তাঁর পাওনা কি হবে? 

তার জন্য কি অপেক্ষা করছে? মহান আল্লাহ্‌ তার জন্য কি নেয়ামত রেখেছেন?


ঈমাম আহমেদ তাঁর মসনদে আহমদে বলেন- 

যখন আমাদের রব এই দুনিয়ায় কাউকে দেখে, কারো কর্ম দেখে হাসবেন, বিচারের দিন তাকে কোন হিসাব দিতে হবে না, বিনা হিসেবে তিনি জান্নাতে প্রবেশ করবেন। সুবহানআল্লাহ্ ,

কিয়ামতের দিন যেসব ভ*য়া*নক ঘটনা ঘটবে কোন কিছুই তাকে স্পর্শ করতে পারবে না। 

তিনি সবকিছু থেকে রেহায় পাবেন, কারণ তাঁকে কোন বিচারের সম্মুখীন হতে হবে না’।


আমরা কি চাই না আল্লাহ্‌ আমাদের দিকে তাকিয়ে হাসুক, যাতে আমরা কিয়ামতের সকল আ*জা*ব থেকে রক্ষা পাই, বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করি? তাহলে আজই নিজের জীবনকে এই তিন শ্রেণীর মানুষের মতো পরিচালনা করুন, তাহলে সবকিছু শেষে সফলতার হাসি আপনি-ই হাসবেন। ইনশাআল্লাহ 📿


(হাকেম, হাদিস নং ১/২৫; সহীহাহ, হাদিস নং ৩৪৭৮)

কোন মন্তব্য নেই:

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...