এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো —

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা

খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:


পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো —


১) মৌজা: গ্রাম

২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর

৩) ফর্দ: দলিলের পাতা

৪) খং: খতিয়ান

৫) সাবেক: আগের/পূর্বের

৬) হাল: বর্তমান

৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন)

৮) নিং: নিরক্ষর

৯) গং: অন্যান্য অংশীদার

১০) সাং: সাকিন/গ্রাম

১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা

১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি

১৩) এজমালি: যৌথ

১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক

১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল

১৬) বাস্তু: বসতভিটা

১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন

১৮) বায়া: বিক্রেতা

১৯) মং: মোট

২০) মবলক: মোট পরিমাণ

২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়

২২) হিস্যা: অংশ

২৩) একুনে: যোগফল

২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ

২৫) চৌহদ্দি: সীমানা

২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ

২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ

২৮) নক্সা: মানচিত্র

২৯) পিং: পিতা

৩০) জং: স্বামী

৩১) দাগ নং: জমির নম্বর

৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে

৩৩) সমুদয়: সব কিছু

৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু

৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে

৩৬) বিং: বিস্তারিত

৩৭) দং: দখলকারী

৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত

৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়

৪০) মৌকুফ: মাফকৃত

৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা

৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান

৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ

৪৪) অধুনা: বর্তমান

৪৫) রোক: নগদ অর্থ

৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল

৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি

৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন

৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ

৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন

৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড

৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি

৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ

৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড

৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা

৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন

৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল

৫৮) আসলি: মূল ভূমি

৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ

৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত

৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র

৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি

৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি

৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড

৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ

৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা

৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল

৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি

৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ

৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি

৭১) খিরাজ: খাজনা

৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড

৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি

৭৪) গির্ব: বন্ধক

৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল

৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব

৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি

৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা

৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা

৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত

৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ

৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর

৮৩) নথি: রেকর্ড

৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত

৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা

৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত

৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর

৮৮) দরবস্ত: সব কিছু

৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী

৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র

৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ

৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ

৯৩) তরমিম: সংশোধন

৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড

৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর

৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ

৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি

৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি

৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা

১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি


শেষ কথা:

এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে। সেভ করে রেখে দিন — প্রয়োজনে অমূল্য হয়ে উঠবে।

ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণের টিপস:

 ইঞ্জিন হলো একটি জটিল যন্ত্রাংশের সমষ্টি যা একসাথে কাজ করে একটি  শক্তি সরবরাহ করে। অনেকেই  ইঞ্জিনের ভেতরে কোন কোন পার্টস আছে এবং সেগুলো কী কাজ করে, তা জানেন না। আজকের এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব ইঞ্জিনের গুরুত্বপূর্ণ পার্টস, তাদের কাজ এবং কেন এসব জানাটা গুরুত্বপূর্ণ।



🔹 ইঞ্জিন পার্টস এর তালিকা ও তাদের কাজ


১. সিলিন্ডার (Cylinder)= সিলিন্ডার হচ্ছে ইঞ্জিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে জ্বালানি ও বায়ু মিশ্রণ পুড়ে শক্তি তৈরি হয়। চার সিলিন্ডার, ছয় সিলিন্ডার বা আট সিলিন্ডার যুক্ত ইঞ্জিন হতে পারে।


২. পিস্টন (Piston)= পিস্টন হলো সিলিন্ডারের ভেতরে চলমান একটি ধাতব বস্তু, যা জ্বালানি দহন থেকে উৎপন্ন শক্তিকে নিচে ঠেলে দেয়। এটি ক্র্যাংকশ্যাফট ঘোরাতে সহায়তা করে।


৩. ক্র্যাংকশ্যাফট (Crankshaft)= ক্র্যাংকশ্যাফট পিস্টনের উপরে নিচে চলাচলকে ঘূর্ণনশীল গতিতে রূপান্তর করে, যা প্রপেলার  ঘূর্ণনে কাজে লাগে।


৪. ক্যামশ্যাফট (Camshaft)= ক্যামশ্যাফট ভালভ খোলার ও বন্ধ করার কাজ করে। এটি নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী ইনটেক এবং এক্সহস্ট ভালভ নিয়ন্ত্রণ করে।


৫. ভালভ (Valves)= ভালভ দুটি ধরণের হয়: ইনটেক ও এক্সহস্ট। ইনটেক ভালভ জ্বালানি ও বায়ুকে ইঞ্জিনে প্রবেশ করতে দেয়, এবং এক্সহস্ট ভালভ দহন শেষে গ্যাস নির্গত করে।


৬. স্পার্ক প্লাগ (Spark Plug)= পেট্রোল ইঞ্জিনে স্পার্ক প্লাগ থাকে, যা বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণে আগুন ধরায় এবং দহন শুরু করে।


৭. ফুয়েল ইনজেক্টর (Fuel Injector)= ফুয়েল ইনজেক্টর জ্বালানিকে সঠিক পরিমাণে এবং নিখুঁতভাবে সিলিন্ডারে প্রবেশ করায়। এটি আধুনিক গাড়িতে কার্বুরেটরের বিকল্প।


৮. কার্বুরেটর (Carburetor)= পুরাতন গাড়িতে ব্যবহৃত হয়। এটি বায়ু ও জ্বালানির সঠিক অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করে ইঞ্জিনে পাঠায়।


৯. রেডিয়েটর (Radiator)= ইঞ্জিন ঠান্ডা রাখার জন্য রেডিয়েটর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি কুল্যান্টের সাহায্যে ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপ বাইরে বের করে দেয়।


১০. ওয়াটার পাম্প (Water Pump)= ওয়াটার পাম্প কুল্যান্টকে ইঞ্জিনের ভেতরে প্রবাহিত করে, যাতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।


১১. টাইমিং বেল্ট / চেইন (Timing Belt / Chain)=ক্যামশ্যাফট ও ক্র্যাংকশ্যাফটকে সঠিক সময়ে ঘোরানোর দায়িত্ব পালন করে টাইমিং বেল্ট বা চেইন। যদি এটি ছিঁড়ে যায়, তাহলে ইঞ্জিনের বড় ক্ষতি হতে পারে।


১২. অয়েল পাম্প (Oil Pump)=ইঞ্জিন অয়েলকে প্রতিটি চলমান অংশে সরবরাহ করে। এটি ইঞ্জিনকে লুব্রিকেট করে ঘর্ষণ কমায় ও তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।


১৩. এয়ার ফিল্টার (Air Filter)= বাইরের বাতাসে থাকা ধুলো ও ময়লা পরিশোধন করে ইঞ্জিনে পরিষ্কার বাতাস সরবরাহ করে।


১৪. এক্সহস্ট ম্যানিফোল্ড (Exhaust Manifold)= দাহ্য গ্যাসগুলোকে একত্র করে এগুলো এক্সহস্ট পাইপে পাঠায় এবং বাইরে বের করে দেয়।


১৫. ইঞ্জিন কন্ট্রোল ইউনিট (ECU)= এটি একটি কম্পিউটার ইউনিট যা ইঞ্জিনের বিভিন্ন সেন্সর থেকে ডেটা নিয়ে পুরো ইঞ্জিন পরিচালনা করে।



কেন এইসব পার্টস সম্পর্কে জানা জরুরি?


অনেক সময় ইঞ্জিনে সামান্য সমস্যা দেখা দিলেও আমরা গুরুত্ব দেই না। কিন্তু যদি আপনি জানেন কোন পার্টস কী কাজ করে, তাহলে প্রাথমিক সমস্যা আপনি নিজেই চিহ্নিত করতে পারবেন। এতে সময় ও খরচ দুই-ই বাঁচে।


⠀ ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণের টিপস:


প্রতি ১হাজার থেকে ১৫শত ঘন্টাপর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করুন।নিয়মিত এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার বা পরিবর্তন করুন। কুল্যান্টের স্তর পর্যবেক্ষণ করুন। টাইমিং বেল্ট বা চেইনের অবস্থা চেক করুন। ECU ত্রুটি দেখালে অবহেলা না করে মেকানিক দেখান। s mohabbat safin

ঢাকায় কম ভাড়ায় বাসা খুঁজছেন?  নিম্নে কিছু এলাকা উল্লেখ করা হলো যেখানে তুলনামূলকভাবে বাসা ভাড়া কম এবং সাধারণ জীবনযাপনের জন্য উপযোগী: 

 ঢাকায় কম ভাড়ায় বাসা খুঁজছেন?  নিম্নে কিছু এলাকা উল্লেখ করা হলো যেখানে তুলনামূলকভাবে বাসা ভাড়া কম এবং সাধারণ জীবনযাপনের জন্য উপযোগী: 


---


🏘️ সাশ্রয়ী ভাড়ার এলাকা সমূহ


1. দক্ষিন খান

উত্তরার নিকটবর্তী এই এলাকায় ৮০০ বর্গফুটের ২ বেডরুমের বাসা ৭,০০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যায়।


2. মিরপুর (সেকশন ৬, ৭, ১২, পল্লবী, রূপনগর)

এই এলাকাগুলোতে ৮,০০০–১২,০০০ টাকায় ২–৩ বেডরুমের বাসা পাওয়া যায়।


3. যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়া

এখানে ৬,০০০–৮,০০০ টাকায় ২–৩ রুমের বাসা পাওয়া যায়।


4. বসিলা ও আটি বাজার (মোহাম্মদপুর সংলগ্ন)

এই এলাকায় ৫,০০০–৭,০০০ টাকায় ২ রুমের বাসা পাওয়া যায়।


5. খিলগাঁও ও বাসাবো

এখানে ৬,০০০–৮,০০০ টাকায় ২ বেডরুমের বাসা পাওয়া যায়।


6. আদাবর ও শ্যামলী

এই এলাকায় ৭,০০০–৯,০০০ টাকায় ২ বেডরুমের বাসা পাওয়া যায়।


7. বাড্ডা ও রামপুরা

এখানে ৮,০০০–১০,০০০ টাকায় ২ বেডরুমের বাসা পাওয়া যায়।


---


✅ ভাড়া কম হলেও সুবিধাজনক এলাকা


বনশ্রী: পরিকল্পিত এলাকা, ৮,০০০–১৭,০০০ টাকায় ২ বেডরুমের বাসা পাওয়া যায়।  


আফতাবনগর: উন্নয়নশীল এলাকা, ১৩,০০০–১৯,০০০ টাকায় ২–৩ বেডরুমের বাসা পাওয়া যায়।  


---


🔍 বাসা খোঁজার জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম


Bproperty


Bikroy


Intech Properties


এই ওয়েবসাইটগুলোতে আপনি বিভিন্ন এলাকার বাসা ভাড়ার তালিকা দেখতে পারবেন। 


---


পরামর্শ: বাসা ভাড়া নেওয়ার আগে সরাসরি বাসা পরিদর্শন করুন এবং ভাড়ার চুক্তি ভালোভাবে পড়ে নিন।  এছাড়া, এলাকায় যাতায়াতের সুবিধা, নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করুন।

মুন্না ডেন্টাল,,,,,,

 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, সম্মানিত এলাকা বাসী আসসালামুআলাইকুম, সু খবর, সু খবর, সু খবর ! 

মুন্না'স ডেন্টাল কেয়ার এর পক্ষ থেকে আপনাদের সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন , উজ্বল দাঁত ,সুন্দর হাসি । দাঁত ও মুখের চিকিৎসায় আর নয় দূরে কোথাও, এখন আপনার হাতের নাগালেই , বেরইল পলিতা বাজারে , ইসলামী ব্যাংক এর নিচ তলায় , মুন্না'স ডেন্টাল কেয়ারে অভিজ্ঞ ডেন্টিস্ট দারা দাঁত ও মুখের সু চিকিৎসা করা হয়। মুন্না'স্ ডেন্টাল কেয়ার, আমাদের এখানে প্রতি শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল 9 টা থেকে রাত 9 টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার বিকাল 3.30 থেকে রাত 9 টা পর্যন্ত নিয়মিত রোগী দেখবেন ডেন্টিস্ট মোঃ মহিদুর রহমান (মুন্না)

ডি.এম.টি. ডেন্টাল , সরকারি আই এইচ টি ঝিনাইদহ,

এফ.টি. শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ , গাজীপুর ঢাকা ।

বাংলাদের রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ।

আমাদের সেবা সমূহ -

 বেরইল পলিতা বাজারে অমরাই প্রথম  ডিজিটাল এক্স রে এর মাধ্যমে দাঁতের সকল রোগের সঠিক চিকিৎসা করে থাকি। এ ছাড়া এন্ডোমোটরের এর সাহায্যে রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট করা হয় ,দাঁতের স্কেলিং, পলিসিং এবং teeth whitening করা হয়, দাঁতের কসমেটিকস ফিলিং করা হয় , এক দিনে দুই দাঁতের মাঝের অস্বাভাবিক ফাঁকা বন্ধ করা হয় ,ব্যথা মুক্ত ভাবে দাঁত তোলা হয় , স্থায়ী ও অস্থায়ী দাঁত বাঁধানো হয়। তাই সম্মানিত এলাকা বাসী মনে রাখবেন স্বল্প খরচে মুখ ও দাঁতের চিকিৎসায় আপনার পাশেই রয়েছে মুন্না'স ডেন্টাল কেয়ার আন্ড এস্থাটিক্স ডেন্টিস্ট্রি। মুন্না'স ডেন্টাল কেয়ার বেরইল পলিতা বাজার, ইসলামী ব্যাংক এর নিচ তলা, মাগুরা সদর মাগুরা । আমাদের রয়েছে অত্যাধুনিক ইলেক্টিক ডেন্টাল চেয়ার, নিজস্ব এক্স রে মেশিন , এন্ডোমোটর এবং আল্ট্রাসনিক স্কেলারের সমন্বয়ে একটি অত্যাধুনিক স্বয়ং সম্পন্ন ডেন্টাল চেম্বার । তথ্য সেবা ও সিরিয়ালের জন্য মোবাইল 01705330190 । উন্নত চিকিৎসা সেবা নিন সুস্থ থাকুন।

শুক্রবার, ২৩ মে, ২০২৫

বেশ্যা কি শুধু দেহ বি‌ক্রিকা‌রি‌কেই  ব‌লে ?

 বেশ্যা কি শুধু দেহ বি‌ক্রিকা‌রি‌কেই  ব‌লে ?


"অবৈধভাবে জ্ঞাত 

আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে যারা আজ সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত এরাই হলো সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট বেশ্যা।"


কিন্তু বেশ্যা চরিত্রটা কি খুব খারাপ ?


✍️অর্থের বিনিময়ে যে নারী দেহ বেচে সে বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে নৈতিকতা বেচে সেও বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে ফাইলে সই করে সেও বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে চাকুরিতে নিয়োগ দেয় সেও বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে আসামীকে জামিন দেয় সেও বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে দলের পদ বেচে সেও বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে নমিনেশন বেচে সেও বেশ্যা।


😥তবে যার বেচার মত অবশিষ্ট আর কিছু থাকেনা

সেই নারী  শুধু দেহ বেচে।

👉কার কাছে বেচে তার নাম কি??? 


কবি লিখেছেন:----------

😇বেশ্যা"😇

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম


সাধুর নগরে বেশ্যা মরেছে

পাপের হয়েছে শেষ,

বেশ্যার লাশ হবে না দাফন

এইটা সাধুর দেশ। 

জীবিত বেশ্যা ভোগে তো আচ্ছা, মরিলেই যত দোস?

দাফন কাফন হবে না এখন

সবে করে ফোস ফোস।

বেশ্যা তো ছিল খাস মাল, তোদের রাতের রানী,

দিনের বেলায় ভুরু কোচ কাও?

মরিলে দেওনা পানি!

সাধু সুনামের ভেক ধরিয়া দেখালি দারুন খেলা,

মুখোশ তোদের খুলবে অচিরে 

আসবে তোদের বেলা।

রাতের আধারে বেশ্যার ঘর স্বর্গ তোদের কাছে, 

দিনের আলোতে চিননা তাহারে? 

তাকাও নাকো লাজে!

চিনি চিনি ভাই সব সাধু রেই হরেক রকম সাজ,

সুযোগ পেলেই দরবেশী ছেরে দেখাও উদ্দাম নাচ!

নারী আমাদের মায়ের জাতি  বেশ্যা বানালো কে? 

ভদ্র সমাজে সতীর ছেলেরা খদ্দের সেজেছে?

গরীবের বৌ সস্তা জিনিস সবাই ডাকো ভাবি,

সুযোগ পেলেই প্রস্তাব দাও আদিম পাপের দাবি। 

স্বামী যখন মরলো ভাবির দুধের শিশু কোলে,

ভদ্র দেবর সুযোগ খোঁজে সহানুভূতির ছলে, 

দিনের মত দিন চলে যায়, 

হয় না তাতে দোষ

মরা লাশের সুযোগ পেয়ে মোল্লার রোষ।

মোল্লা সাহেব নায়েবে রাসুল ফতোয়া ঝারিশা কয়,

পতিতা নারীর জানাজা কবর এই এলাকায় নয়।

শুধাই আমি ওরে মোল্লা জানাযায় যত দোষ,

বেশ্যার দান নিয়াছো ঝোলিয়ে তুমি বেটা নির্দোষ?

বেশ্যার তবু আছে পাপ বোধ নিজেকে সে ভাবে দোষী,

তোমরা তো বেটা দিন বেচে খাও হচ্ছেয় খোদার খাসি।

আল্লাহর ঘর মসজিদে ও আছে বেশ্যার দান -কলেমা পড়েছে সে ওতো তবে নামেতে মোসলমান!

বেশ্যা নারী ব্যবসায় নারী পুরুষরা পুরুষরা সব সৎ?

জানি মোল্লা খুলবে না মুখ চাকরি যাওয়ার পথ!

আর কতকাল থাকবি অমন মুখোশ ধারীর দল,

আসবো এবার মশাল নিয়ে ভাঙতে তোদের কল।


ছ‌বি-সংগৃহিত:

#everyonehighlightsfollowers #highlightseveryone #everyonehighlightsfollowerseveryonehighlightsfollowerseveryone #viralpost2025 #followerseveryone #foryouシ #love #itihaser_golpo #highlightseveryonefollowers2025highlightseveryonefollowers2025 #trading

স্টারলিংক ডিভাইসের স্পেসিফিকেশন তুলনা: কোন ডিভাইসে কী কী ফিচার আছে দেখে নিন!

 **স্টারলিংক ডিভাইসের স্পেসিফিকেশন তুলনা: কোন ডিভাইসে কী কী ফিচার আছে দেখে নিন!**


স্টারলিংকের বিভিন্ন ডিভাইসের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:


**১. স্টারলিংক মিনি (Starlink Mini):**

* **প্যাকেজের ওজন:** ২.৮৯ কেজি (৬.৩৭ পাউন্ড)

* **প্যাকেজের মাপ:** ৪৩০ x ৩৩৪ x ৭৯ মিমি (১৬.৯২ x ১৩.১৪ x ৩.১১ ইঞ্চি)

* **অ্যান্টেনা:** ইলেক্ট্রনিক ফেজড অ্যারে

* **ফিল্ড অফ ভিউ:** ১১০°

* **ওরিয়েন্টেশন:** সফটওয়্যার অ্যাসিস্টেড ম্যানুয়াল ওরিয়েন্টিং

* **ওজন:** ১.১০ কেজি (২.৪৩ পাউন্ড), কিকস্ট্যান্ড সহ ১.১৬ কেজি (২.৫৬ পাউন্ড), কিকস্ট্যান্ড ও ১৫ মি. কেবল সহ ১.৫৩ কেজি (৩.৩৭ পাউন্ড)

* **পরিবেশগত রেটিং:** IP67 Type 4 (DC পাওয়ার কেবল এবং স্টারলিংক প্লাগ/কেবল ইনস্টল করা থাকলে)

* **অপারেটিং তাপমাত্রা:** -৩০°C থেকে ৫০°C (-২২°F থেকে ১২২°F)

* **বাতাসের গতি (অপারেশনাল):** ৯৬ কিমি/ঘণ্টা+ (৬০ মাইল/ঘণ্টা+)

* **বরফ গলানোর ক্ষমতা:** ২৫ মিমি/ঘণ্টা (১ ইঞ্চি/ঘণ্টা) পর্যন্ত

* **গড় বিদ্যুৎ খরচ:** ২৫-৪০W

* **ইনপুট রেটিং:** ১২-৪৮V ৬০W

* **USB PD রিকোয়ারমেন্ট:** ১০০W, ২০V/৫A ন্যূনতম (স্টারলিংক USB-C থেকে ব্যারেল জ্যাক কেবল অ্যাক্সেসরি সহ)

* **Wi-Fi প্রযুক্তি:** 802.11a/b/g/n/ac (Wi-Fi 5)

* **রেডিও:** ডুয়াল ব্যান্ড 3x3 MU-MIMO

* **ইথারনেট পোর্ট:** একটি ল্যাচিং ইথারনেট LAN পোর্ট (স্টারলিংক প্লাগ সহ)

* **কভারেজ:** ১১২ বর্গ মিটার (১,২০০ বর্গ ফুট) পর্যন্ত

* **নিরাপত্তা:** WPA2

* **পাওয়ার ইন্ডিকেটর:** LED (পিছনের ফেজ প্লেটে, নিচের বাম কোণে)

* **মেশ কম্প্যাটিবিলিটি:** সমস্ত স্টারলিংক মেশ সিস্টেমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ (তৃতীয় পক্ষের মেশ সিস্টেমের সাথে নয়)

* **ডিভাইস:** ১২৮টি ডিভাইস পর্যন্ত সংযোগ করা যায়


**২. স্টারলিংক স্ট্যান্ডার্ড (Starlink Standard):**

* **অ্যান্টেনা:** ইলেক্ট্রনিক ফেজড অ্যারে

* **ফিল্ড অফ ভিউ:** ১১০°

* **ওরিয়েন্টেশন:** সফটওয়্যার অ্যাসিস্টেড ম্যানুয়াল ওরিয়েন্টিং

* **ওজন:** ২.৯ কেজি (৬.৪ পাউন্ড), কিকস্ট্যান্ড সহ ৩.২ কেজি (৭ পাউন্ড)

* **পরিবেশগত রেটিং:** IP67 Type 4

* **অপারেটিং তাপমাত্রা:** -৩০°C থেকে ৫০°C (-২২°F থেকে ১২২°F)

* **বাতাসের গতি (অপারেশনাল):** ৯৬ কিমি/ঘণ্টা+ (৬০ মাইল/ঘণ্টা+)

* **বরফ গলানোর ক্ষমতা:** ৪০ মিমি/ঘণ্টা (১.৫ ইঞ্চি/ঘণ্টা) পর্যন্ত

* **গড় বিদ্যুৎ খরচ:** ৭৫ - ১০০W


**৩. স্টারলিংক স্ট্যান্ডার্ড অ্যাকচুয়েটেড (Starlink Standard Actuated):**

* **অ্যান্টেনা:** ইলেক্ট্রনিক ফেজড অ্যারে

* **ওরিয়েন্টেশন:** মোটরাইজড সেলফ ওরিয়েন্টিং

* **পরিবেশগত রেটিং:** IP54

* **বরফ গলানোর ক্ষমতা:** ৪০ মিমি/ঘণ্টা (১.৫ ইঞ্চি/ঘণ্টা) পর্যন্ত

* **অপারেটিং তাপমাত্রা:** -৩০°C থেকে ৫০°C (-২২°F থেকে ১২২°F)

* **ফিল্ড অফ ভিউ:** ১১০°

* **গড় বিদ্যুৎ ব্যবহার:** ৫০-৭৫W


**৪. স্টারলিংক হাই পারফরম্যান্স (Starlink High Performance):**

* **অ্যান্টেনা:** ইলেক্ট্রনিক ফেজড অ্যারে

* **ওরিয়েন্টেশন:** মোটরাইজড সেলফ ওরিয়েন্টিং

* **পরিবেশগত রেটিং:** IP56

* **বরফ গলানোর ক্ষমতা:** ৭৫ মিমি/ঘণ্টা (৩ ইঞ্চি/ঘণ্টা) পর্যন্ত

* **অপারেটিং তাপমাত্রা:** -৩০°C থেকে ৫০°C (-২২°F থেকে ১২২°F)

* **ফিল্ড অফ ভিউ:** ১৪০°

* **গড় বিদ্যুৎ ব্যবহার:** ১১০-১৫০W


**৫. স্টারলিংক ফ্ল্যাট হাই পারফরম্যান্স (Starlink Flat High Performance):**

* **অ্যান্টেনা:** ইলেক্ট্রনিক ফেজড অ্যারে

* **ওরিয়েন্টেশন:** ফিক্সড

* **পরিবেশগত রেটিং:** IP56

* **বরফ গলানোর ক্ষমতা:** ৭৫ মিমি/ঘণ্টা (৩ ইঞ্চি/ঘণ্টা) পর্যন্ত

* **অপারেটিং তাপমাত্রা:** -৩০°C থেকে ৫০°C (-২২°F থেকে ১২২°F)

* **ফিল্ড অফ ভিউ:** ১৪০°

* **গড় বিদ্যুৎ ব্যবহার:** ১১০-১৫০W

* **বাতাস প্রতিরোধ ক্ষমতা:** ২৮০ কিমি/ঘণ্টা+ (১৭৪ মাইল/ঘণ্টা+) পর্যন্ত টিকে থাকতে সক্ষম

* **মাউন্ট:** ওয়েজ মাউন্ট কিট অন্তর্ভুক্ত


**৬. স্টারলিংক এন্টারপ্রাইজ (Starlink Enterprise):**

* **প্যাকেজের ওজন:** ১২.২ কেজি (২৭ পাউন্ড)

* **প্যাকেজের মাপ:** ৪৭৮.১ x ৬৮৫.৯ x ১৬০.১ মিমি (১৮.৮ x ২৭ x ৬.৩ ইঞ্চি)

* **অ্যান্টেনা:** ইলেক্ট্রনিক ফেজড অ্যারে

* **ফিল্ড অফ ভিউ:** ১১০°

* **ওরিয়েন্টেশন:** সফটওয়্যার অ্যাসিস্টেড ম্যানুয়াল ওরিয়েন্টিং

* **পরিবেশগত রেটিং:** IP67 Type 4

* **অপারেটিং তাপমাত্রা:** -৩০°C থেকে ৫০°C (-২২°F থেকে ১২২°F)

* **বাতাসের গতি (অপারেশনাল):** ৯৬ কিমি/ঘণ্টা+ (৬০ মাইল/ঘণ্টা+)

* **বরফ গলানোর ক্ষমতা:** ৪০ মিমি/ঘণ্টা (১.৫ ইঞ্চি/ঘণ্টা) পর্যন্ত

* **গড় বিদ্যুৎ খরচ:** ৭৫ - ১০০W


#sterlinkforbangladesh #stalink #devicespacification

গরমের পরে বৃষ্টি হলেই গবাদিপশুর জন্য বিপদ!

 🐄 গরমের পরে বৃষ্টি হলেই গবাদিপশুর জন্য বিপদ!


নাইট্রেট বিষক্রিয়ায় প্রতিদিনই মরছে গরু-ছাগল, আপনি জানেন কি?

বছরের কিছু সময় প্রকৃতি যেন এক চরম পরীক্ষা নেয়। দীর্ঘদিন প্রচণ্ড গরম, খরা, পানির সংকট—এসব পার হওয়ার পর একদিন হঠাৎ আসে এক পশলা বৃষ্টি। জমিনে প্রশান্তির ছোঁয়া লাগে। মৃতপ্রায় মাঠে সবুজ ঘাস গজাতে শুরু করে। এই সময় কৃষক ও খামারিরা খুশি হয়ে সেই কচি ঘাস পশুকে খেতে দেন। কিন্তু জানেন কি, এই এক পশলা বৃষ্টিই হতে পারে আপনার প্রিয় গরু-ছাগলের মৃত্যুর কারণ?


❗এটা একটা মারাত্মক বিষক্রিয়া—নাইট্রেট পয়জনিং

এই রোগটি নাইট্রেট নামক একটি রাসায়নিক যৌগের কারণে হয়ে থাকে, যা সাধারণত কচি ঘাসে থাকে বেশি। বিশেষ করে বৃষ্টির পরে যেসব ঘাস গজায়—যেমন শ্যামা, হেলেঞ্চা, বোরো, রাই ঘাস, ধনচা ইত্যাদি, এসব ঘাসে নাইট্রেটের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।


নাইট্রেট সরাসরি প্রাণিকে মেরে ফেলে না। কিন্তু গরুর পেটে থাকা উপকারী অণুজীব (রুমেন মাইক্রোফ্লোরা) নাইট্রেটকে রূপান্তর করে নাইট্রাইটে, আর সেটিই বিপদ ডেকে আনে। নাইট্রাইট রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে বিক্রিয়া করে মিথোহিমোগ্লোবিন তৈরি করে, যা রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে প্রাণি শ্বাস নিতে পারে না এবং অক্সিজেনের অভাবে ধীরে ধীরে মারা যায়।


⚠️ কখন এই রোগ বেশি হয়?

মে থেকে জুলাই মাসে, যখন গরমের পর বৃষ্টি হয়

খালি পেটে গরুকে মাঠে দিলে

অতিরিক্ত ইউরিয়া সার ব্যবহার করা জমির ঘাস খেলে

হঠাৎ বেশি পরিমাণে কচি ঘাস খাওয়ালে

দূর্বল, রোগাক্রান্ত বা অনাহারে থাকা পশুদের ক্ষেত্রে


🐮 লক্ষণগুলো কী কী?

হাপরের মতো শ্বাস নেয়

গা কাপতে থাকে, দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না

পাতলা পায়খানা

নাক-মুখ থেকে লালা ঝরে

জিহ্বা, চোখ ও নাকের চারপাশে নীলচে রঙ

খাওয়া বন্ধ করে দেয়

দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়

বেশি মাত্রায় হলে ২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু ঘটে


⚰️ মৃত পশুর শরীরে যা দেখা যায়

চকলেট রঙের রক্ত (অক্সিজেনবিহীন রক্ত)

টিসু ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বাদামী বা গাঢ় বর্ণের

হৃদস্পন্দন থেমে যায়, মস্তিষ্কে অক্সিজেন না পৌঁছালে মূর্ছা যায়


❌ কখনোই করবেন না যেসব ভুল

✅ বৃষ্টির পরপরই মাঠ থেকে ঘাস কেটে গরুকে খাওয়াবেন না।

✅ ঘাস শুকিয়ে, ভালোভাবে পরীক্ষা করে তারপর দিন।

✅ খালি পেটে কচি ঘাস খাওয়াবেন না। আগে কিছু শুকনা খাবার দিন।

✅ সন্দেহ হলে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিন, নিজে কিছু করার চেষ্টা না করাই ভালো।

✅ ইউরিয়া সারের পরিমাণ কমান। জমি থেকে গজানো ঘাসে কতটুকু নাইট্রেট আছে তা পরীক্ষার সুযোগ থাকলে অবশ্যই তা করুন।


❗পরিবেশের জন্যও এটা ভয়ংকর!

যেসব জমিতে অতিরিক্ত ইউরিয়া ব্যবহার করা হয়, সেই জমি থেকে নাইট্রেট ধুয়ে গিয়ে আশপাশের পানিতে মিশে যায়। এর ফলে নদী, খাল-বিল, পুকুরের পানি দূষিত হয়। জলে থাকা প্রাণিকুল যেমন মাছ, শামুক, ব্যাঙ প্রভৃতির প্রাণহানি ঘটে। জলজ উদ্ভিদও বাড়তে থাকে অস্বাভাবিকভাবে—যাকে বলা হয় ইউট্রোফিকেশন। ফলে পরিবেশে ভারসাম্য নষ্ট হয়।


📣 এখন আপনার কথা বলার পালা!

আপনার খামারে বা আশপাশে কি গরু হঠাৎ মারা গেছে? আপনি কি এই নাইট্রেট বিষক্রিয়ার কথা আগে জানতেন?

আপনার অভিজ্ঞতা অন্য খামারিদের চোখ খুলে দিতে পারে।

👇

কমেন্টে জানান—এই বিষয় নিয়ে আপনি কী জানেন? কেউ কি এর শিকার হয়েছেন আপনার আশেপাশে?


☔ বৃষ্টির পর মাঠে গজানো সুন্দর সবুজ ঘাস দেখে যদি আপনি খুশিতে গরুকে তা খাওয়াতে দেন—তবে একটু থামুন!

এই ঘাসে থাকতে পারে বিপজ্জনক নাইট্রেট, যা একরাতে আপনার প্রিয় গরুকে মেরে ফেলতে পারে।


⚠️ শ্বাসকষ্ট, লালা পড়া, খাওয়া বন্ধ—সবই হতে পারে নাইট্রেট বিষক্রিয়ার লক্ষণ।

বিশেষ করে মে-জুলাই মাসে এবং বৃষ্টির পরপর এই সমস্যা বেশি হয়।

👉 আপনার পশু নিরাপদ তো?

👇 কমেন্টে লিখুন—আপনি এই রোগ সম্পর্কে জানতেন কি?


📢 শেয়ার করে অন্য খামারিদের সতর্ক করুন।

সন্তানের জন্য বাবার লেখা অসাধারন এক চিঠি।ভালো লাগলে আপনার সন্তানদেরও পড়তে দিন

 সন্তানের জন্য বাবার লেখা অসাধারন এক চিঠি।ভালো লাগলে আপনার সন্তানদেরও পড়তে দিন❤


প্রিয় সন্তান,,

আমি তোমাকে ৩ টি কারনে এই চিঠিটি লিখছি...


১। জীবন, ভাগ্য এবং দুর্ঘটনার কোন নিশ্চয়তা নেই, কেউ জানে না সে কতদিন বাঁচবে।


২। আমি তোমার বাবা, যদি আমি তোমাকে এই কথা না বলি, অন্য কেউ বলবে না।


৩। যা লিখলাম, তা আমার নিজের ব্যক্তিগত তিক্ত অভিজ্ঞতা- এটা হয়তো তোমাকে অনেক অপ্রয়োজনীয় কষ্ট পাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।


জীবনে চলার পথে এগুলো মনে রাখার চেষ্টা কোরো: 


১। যারা তোমার প্রতি সদয় ছিল না, তাঁদের উপর অসন্তোষ পুষে রেখোনা। কারন, তোমার মা এবং আমি ছাড়া, তোমার প্রতি সুবিচার করা কারো দায়িত্বের মধ্যে পড়েনা। আর যারা তোমার সাথে ভালো ব্যবহার করেছে - তোমার উচিত সেটার সঠিক মূল্যায়ন করা এবং কৃতজ্ঞ থাকা। তবে তোমার সতর্ক থাকতে হবে এজন্য যে, প্রতিটি মানুষেরই প্রতি পদক্ষেপের নিজ নিজ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। একজন মানুষ আজ তোমার সাথে ভালো- তার মানে এই নয় যে সে সবসময়ই ভালো থাকবে। কাজেই খুব দ্রুত কাউকে প্রকৃত বন্ধু ভেবোনা। ♦


২। জীবনে কিছুই কিংবা কেউই "অপরিহার্য" নয়, যা তোমার পেতেই হবে। একবার যখন তুমি এ কথাটির গভীরতা অনুধাবন করবে, তখন জীবনের পথ চলা অনেক সহজ হবে - বিশেষ করে যখন বহুল প্রত্যাশিত কিছু হারাবে, কিংবা তোমার তথাকথিত আত্মীয়-স্বজনকে তোমার পাশে পাবেনা। ♦


3. জীবন সংক্ষিপ্ত।

আজ তুমি জীবনকে অবহেলা করলে, কাল জীবন তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে। কাজেই জীবনকে তুমি যতো তাড়াতাড়ি মূল্যায়ন করতে শিখবে, ততোই বেশী উপভোগ করতে পারবে। ♦


৪. ভালবাসা একটি ক্ষণস্থায়ী অনুভূতি ছাড়া কিছুই নয়। মানুষের মেজাজ আর সময়ের সাথে সাথে এই অনুভূতি বিবর্ণ হবে। যদি তোমার তথাকথিত কাছের মানুষ তোমাকে ছেড়ে চলে যায়, ধৈর্য ধরো, সময় তোমার সব ব্যথা-বিষন্নতা কে ধুয়ে-মুছে দেবে। কখনো প্রেম-ভালবাসার মিষ্টতা এবং সৌন্দর্যকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেনা, আবার ভালবাসা হারিয়ে বিষণ্ণতায়ও অতিরঞ্জিত হবে না।♦


৫. অনেক সফল লোক আছেন যাদের হয়তো উচ্চশিক্ষা ছিলনা-  এর অর্থ এই নয় যে তুমিও কঠোর পরিশ্রম বা শিক্ষালাভ ছাড়াই সফল হতে পারবে! তুমি যতোটুকু জ্ঞানই অর্জন করোনা কেন, তাই হলো তোমার জীবনের অস্ত্র। কেউ ছেঁড়া কাঁথা থেকে লাখ টাকার অধিকারী হতেই পারে, তবে এজন্য তাকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে।♦


৬. আমি আশা করি না যে, আমার বার্ধক্যে তুমি আমাকে আর্থিক সহায়তা দিবে। আবার আমিও তোমার সারাজীবন ধরে তোমাকে অর্থ সহায়তা দিয়ে যাবনা। যখনি তুমি প্রাপ্তবয়স্ক হবে, তখনি বাবা হিসেবে আমার অর্থ-সহায়তা দেবার দিন শেষ। তারপর, তোমাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে- তুমি কি পাবলিক পরিবহনে যাতায়াত করবে, নাকি নিজস্ব লিমুজিন হাঁকাবে; গরীব থাকবে নাকি ধনী হবে। ♦


৭. তুমি তোমার কথার মর্যাদা রাখবে, কিন্তু অন্যদের কাছে তা আশা করোনা। মানুষের সাথে ভালো আচরন করবে, তবে অন্যরাও তোমার সাথে ভালো থাকবে- তা প্রত্যাশা করবেনা। যদি তুমি এটি না বুঝতে পারো, তবে শুধু অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণাই পাবে। ♦


৮. আমি অনেক বছর ধরে লটারি কিনেছি, কিন্তু কখনও কোন পুরষ্কার পাইনি। তার মানে হলো এই যে- যদি তুমি সমৃদ্ধি চাও তবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। বিনামূল্যে কোথাও কিছু জুটবে না। ♦


৯. তোমার সাথে আমি কতোটা সময় থাকবো- সেটা কোন ব্যাপার না। বরং চলো আমরা আমাদের একসাথে কাটানো মুহুর্তগুলো উপভোগ করি ...মূল্যায়ন করি। ♦


——————

ভালোবাসা সহ,

তোমার বাবা......


বাবাটি হলেন একজন চাইল্ড সাইকোলজিষ্ট এবং হংকং-এর প্রখ্যাত টিভি সম্প্রচারকারী। তার কথাগুলো বয়োজ্যেষ্ঠ, বয়োকনিষ্ঠ, বৃদ্ধ কিংবা তরুন, শিশু, আমাদের সবার জন্যই প্রযোজ্য। 🌹


Collected..

একটি শিক্ষণীয় গল্প – 

 একটি শিক্ষণীয় গল্প – 

মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর যখন সে আবার বাবার বাড়ি আসে তখন মা খুব আগ্রহ ভরে জানতে চায় যে ঐ বাড়িতে তার কেমন লেগেছে ?মেয়ে জবাবে বলে-“ আমার ওখানে ভালো লাগেনা। মানুষগুলো কেমন যেন। পরিবেশটাও আমার ভালো লাগছেনা”।মেয়ের ভেতর এক ধরনের হতাশা দেখতে পায় তার মা। দেখতে দেখতে বেশ কিছুদিন কেটে যায়। মেয়ের চলে যাবার সময় চলে আসে। চলে যাবার ঠিক আগের দিন মা তার মেয়েকে নিয়ে রান্না ঘরে প্রবেশ করেন। মা হাড়িতে পানি দেন এবং তা গরম করতে থাকেন। একসময় যখন তা ফুটতে থাকে তখন মা হাড়িতে গাজর, ডিম আর কফির বিন দেন। এভাবে বিশ মিনিট পর মা আগুন নিভিয়ে ফেলেন। একটি বাটিতে গাজর, ডিম এবং কফির বিন নামিয়ে রাখেন। এবার তিনি মেয়েকে উদ্দেশ্যকরে বলেন-“তুমি এখান থেকে কি বুঝতে পারলে আমাকে বল” ?মেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলে-“আমি দেখলাম তুমি গাজর, ডিম আর কফির বিন সিদ্ধ করলে মাত্র”।মেয়ের কথা শুনে মা বললেন-“হ্যাঁ, তুমি ঠিকই দেখেছ। তবে তুমি কি আরও কিছু লক্ষ্য করনি?”মেয়ে বলে-“ না- মা ”মা বলে-“গাজর মোটামুটি শক্ত ধরনের, ডিম খুব হালকা আর কফির বিন খুবই শক্ত। কিন্তুযখন এগুলিকে গরম পানিতে রাখা হল তখন তিনটি জিনিসের তিন রকম অবস্থা হল। গাজর খুব নরম হয়ে গেল, আর ডিম শক্ত হয়ে গেল আর কফির বিন সুন্দর ঘ্রান আর মিষ্টি স্বাদে পানিতে মিশে গেল”। মা এবার দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যেন অনেক অতীতে চলে যেতে চাইলেন। তারপর আবার বাস্তবে ফিরে এসে মেয়ের দিকে ফিরে বললেন “আমি তোমাকে এখন যে কথাগুলি বলব, আমার মাও ঠিক এইভাবেই আমাকে এ কথাগুলি বলেছিল।আমি জানিনা কথাগুলি তোমার কতটুকু উপকারে আসবে, তবে আমার জীবনকে অনেক প্রভাবিত করেছিল”।

 

মা কিছুক্ষন বিরতি দিয়ে বলতে লাগলেন-


“তুমি যদি তোমার স্বামীর বাড়িতে নিজেকে কঠিনভাবে উপস্থাপন কর, তবে প্রতিকূল পরিবেশের সাথে তোমার সংঘর্ষ হবে- তোমাকে দুর্বল করে ঠিক গাজরেরমতই নরম করে ফেলবে- তোমার ব্যক্তিত্বকে ভেঙে ফেলবে। যদি তুমি নিজেকে নরম-ভঙ্গুর করে উপস্থাপন কর তবে প্রতিকূল পরিবেশ তোমাকে কব্জা করে ফেলবে, আঘাতের পর আঘাত এসে তোমার হৃদয়কে একসময় কঠিন করে ফেলবে ঠিক ডিমের মত। কিন্তু তুমি যদি তোমার ভালবাসা দিয়ে নিজেকে প্রতিকূল পরিবেশেরসাথে মিশিয়ে দিয়ে তার অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পার তবে পরিবেশ সুন্দরহয়ে উঠবে ঠিক যেমন কফির বিন গরম পানির সাথে নিজেকে মিশিয়ে দিয়ে পানিকেসুস্বাদু আর চারপাশকে মিষ্টি ঘ্রানে ভরিয়ে দিয়েছে”।


পরের দিন যখন মেয়েটি তার স্বামীর বাড়িতে যাচ্ছিল তখন তার ভিতর এক আশ্চর্য শান্ত ভাব আর এক দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ পাচ্ছিল। আমাদের চারপাশের পরিস্থিতি সবসময় অনুকুল থাকবেনা, তাই বলে নিজেকে পরিস্থিতির কাবু না করে র্ধৈয্য ,ভালবাসা, সহমর্মিতা নিয়ে পরিস্থিতিকে কাবু করতে হবে ।

বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫

৪২ কেজি ধান থেকে সর্বনিম্ন ৩০ কেজি চাল হয়,,,

 ১.

৪২ কেজি ধান থেকে সর্বনিম্ন ৩০ কেজি চাল হয়। চাতাল মালিকের কাছে কৃষক ৪২ কেজি ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয় ৬০০/৭০০ টাকায়। আপনি ৩০ কেজি চাল কিনেন ১৮০০ টাকায়। মাঝখানে কোন পরিশ্রম ছাড়াই চাতাল মালিকের লাভ ৭০০/৮০০ টাকা। অর্থাৎ কৃষকের বিক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি মুনাফা করছে চাতাল মালিক এবং উৎপাদন যন্ত্রে কোন প্রকার অবদান না রেখেই। এখন এক একজন কৃষক যদি ২০ মন ধান বিক্রি করে আর এমন কৃষক যদি ১০০ জন হয় তবে চাতাল মালিকের বিনা শ্রমে মুনাফা এক মৌসুমে ১৪ লক্ষ টাকা। এখন এই চাতাল মালিক যদি ৩ লাখ টাকা দিয়ে গরু কিনে কুরবানি দেয় আর তখন যদি আপনি বলেন যে সে নিজের টাকা দিয়ে দামী গরু কিনেছে তাতে কার কি বলার আছে তাহলে আপনার বুদ্ধি, জ্ঞান, শিক্ষা নিয়ে সন্দেহ আছে। যেই কৃষক ছাড়া খাদ্য উৎপাদন অচল সেই কৃষক কেন ১৫০০ টাকায় এক মন ধান বিক্রি করতে পারছে না, কেন কৃষক এক মন ধান বিক্রি করে এক কেজি গরুর মাংসও কিনতে পারছে না অথচ কৃষকের উৎপাদিত ধান বিক্রি করে চাতাল মালিক ৩ লাখ টাকার গরু কিভাবে কিনে সেই প্রশ্ন যদি না করতে পারেন তবে আপনি কি শিখলেন আর কি শিক্ষিত হলেন?


২.

গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে পোশাক শ্রমিক ৭০০০/৮০০০ টাকা মজুরি পায়। অথচ তাদের পরিশ্রম অনুযায়ী মজুরি হওয়া উচিৎ ২০,০০০ টাকা তাও প্রফিট শেয়ার ছাড়াই। ফলে ৩০০ শ্রমিকের শ্রমে চলা ফ্যাক্টরির মালিক উৎপাদিত পণ্যের মুনাফার বাইরেই শুধুমাত্র শ্রম ঠকিয়ে বাড়তি টাকা পকেটে ভরছে প্রতিমাসে ১২০০০ x ৩০০ = ৩৬ লক্ষ টাকা। আর শ্রমিকের মজুরি মেরে দিতে পারলে তো কথাই নেই। এখন এই ফ্যাক্টরি মালিকের ছেলে বছর শেষে যদি বাপকে ২ কোটি টাকা দামের গাড়ি উপহার দেয় আর আপনি যদি ভাবেন- নিজের টাকায় গাড়ি কিনে গিফট করতেই পারে, তাহলে আপনার জ্ঞান, বুদ্ধি, শিক্ষা নিয়ে সন্দেহ করাটা কি দোষ হবে? স্রেফ শ্রমের মূল্য ঠকিয়ে যেই টাকা পাওয়া যায় সেটারে মুনাফা বলে না, বলে ডাকাতি। চোখের সামনে শত সহস্র মানুষের প্রাপ্য হক ডাকাতি করে বড়লোকি ফুটানি মারাচ্ছে অথচ সেটা যদি আপনার চোখে স্বাভাবিক লাগে তবে পড়াশুনা করে কি শিখলেন? কি নৈতিকতা শিখলেন?


৩.

এলপি গ্যাস কোথা থেকে আসে? এলপি গ্যাসে প্রধানত আসে খনিজ পেট্রোলিয়াম রিফাইনারিতে শোধন করার সময় বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে। ১২ কেজির এলপি গ্যাস আপনি কিনছেন ১৫০০ টাকায় অথচ এই ১২ কেজি এলপি গ্যাস বসুন্ধরাওয়ালারা ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে নিচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। অর্থাৎ সিলিন্ডার প্রতি বসুন্ধরাগ্রুপের মালিকের মুনাফা সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা যা তার ক্রয়মূল্যের থেকেও বেশি। এটারে কি মুনাফা বলে নাকি ডাকাতি? এখন মাসে যদি ১০ লাখ সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি হয় তবে বসুন্ধরাগ্রুপের মালিকের স্রেফ ফাওএর উপর মুনাফা একশো কোটি টাকা। বসুন্ধরার মালিক পুত্র সায়েম সোবহানের এমন একটা রোলস রয়েস আছে যেটা দুনিয়াতে মাত্র ২০ পিস আছে। এখন আপনি যদি বলেন তার টাকা আছে তাই সে কিনেছে তাহলে আপনার জ্ঞান, বুদ্ধি, শিক্ষা নিয়ে সন্দেহ হলে সেটা কি দোষ?

আপনার কি উচিৎ না সরকারকে চাপ দেয়া যেন বসুন্ধরাওয়ালারা ৫০০ টাকার গ্যাস ৮০০ টাকার চেয়ে বেশি দামে না বিক্রি করতে পারে? অথচ সেটা না করে বসুন্ধরা গ্রুপের টাকার গরম দেখে আহা উহু করছেন, লিবারেলিজমের বটিকা খেয়ে বলছেন যার টাকা আছে সে খরচ করতেই পারে। অথচ এটা ভাবছেন না যে সরকারকে যদি বাধ্য করানো যায় সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ৮০০ টাকায় নির্ধারণ করতে তাহলে বছর শেষে যেই দশটা হাজার টাকা সাশ্রয় হবে সেটা আপনারই হবে।


৪.

খুব সহজ অংক হচ্ছে- শোষণ, শ্রম ডাকাতি, দামে ঠকানো ছাড়া দুনিয়াতে উচ্চমাত্রার বড়লোক হওয়া সম্ভব না। অসম্ভব কোনভাবেই। সেটা বুঝানোর জন্যই উপরে ৩টা অংক দিলাম। আরো বুঝতে চাইলে কার্ল মার্ক্সের শ্রমের উদবৃত্ত মূল্যতত্ত্ব নিয়ে একটু পড়াশুনা করেন। আর কিছু না হোক, নিজে ঠকছেন কিনা এবং নিজের নৈতিক অবস্থান ঠিক আছে কিনা সেই অবস্থানটা সঠিক রাখতে এই জ্ঞান দরকার।


অতএব, নিজের জ্ঞানবুদ্ধি দিয়ে বিচার করেন যে কেউ বড়লোকি ফুটানি দেখালে সেটারে বাহবা দিবেন নাকি স্রেফ জবাবদিহিতায় আনবেন যে কোন আকাম করে এই ফুটানি মারাতে পারছে?


৫.

আল্লামা ইকবাল বলেছেন- যে দেশের বুকে পায় না চাষীরা পেটের ক্ষুধার অন্ন, সে মাটির প্রতিটি শষ্যকণায় আগুন ধরিয়ে দাও।


নৈতিকতা, মার্ক্সবাদী জ্ঞান এবং সচেতনতার আগুন জ্বলে উঠুক আপনাদের সবার ভিতরে, যেই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাক লিবারেলিজমের বিষাক্ততা, সাম্প্রদায়িকতা ও শোষকের সকল কৌশল। সামনের দিন হোক সাম্যের।

(Post Courtesy :- Mehedi Minto)

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...