এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ০৭-০৬-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ০৭-০৬-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


উদযাপিত হচ্ছে ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আযহা --- সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত।


জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করলেন প্রধান উপদেষ্টা --- দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহ বিশেষ করে ফিলিস্তিনি জনগণের শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত।


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধান ও নৌবাহিনী প্রধানের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়।


পুরোদমে চলছে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম --- রাতের মধ্যেই সব বর্জ্য সরিয়ে ফেলা হবে --- বললেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা।


প্রতিকূল আবহাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এপ্রিল মাস জাতীয় নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত নয় --- মন্তব্য বিএনপি মহাসচিবের।


জাতি আরেকটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চায় না --- বলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির।


গাজায় সর্বশেষ ইসরাইলি হামলায় নিহত অন্তত ৩৬ ফিলিস্তিনি।


এবং ফ্রেঞ্চ ওপেন টেনিসের নারী এককের ফাইনালে এখন আরিনা সাবালেঙ্কার মোকাবেলা করছে কোকো গফ।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ :০৭-০৬-২০২৫ খ্রি: 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ :০৭-০৬-২০২৫ খ্রি: 

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় আজ পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা --– সারাদেশে ঈদ জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন।


ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায় জাতীয় ঈদগাহে --- বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে হবে ৫টি ঈদ জামাত।

 

দেশবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়ে বেতার ও টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ভাষণ প্রধান উপদেষ্টার --- আগামী এপ্রিলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা।

 

সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই মাসে ‘জুলাই সনদ’ ঘোষণা করা হবে --- জানালেন প্রধান উপদেষ্টা।


কোরবানির পর রাজধানীতে বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন।

 

চরম মানবিক সংকট, অনিশ্চয়তা ও গভীর বেদনার মধ্য দিয়ে ইসরাইলি ধ্বংসযজ্ঞের উপর দাঁড়িয়ে গাজা বাসিন্দাদের ঈদ-উল-আযহা পালন।


এবং চেস্টার লি স্ট্রিটে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২১ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পরাজিত করলো স্বাগতিক ইংল্যান্ড।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৬ -০৬-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৬ -০৬-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়ে বেতার ও টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ভাষণ প্রধান উপদেষ্টার --- আগামী এপ্রিলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা।


আগামীকাল যথাযথ ধর্মীয় মার্যাদায় পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আযহা – সারাদেশে ঈদ জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন।


ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায় জাতীয় ঈদগাহে - - বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এবারও ৫টি ঈদ জামাত।


ছোট বড় কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেয়া হবে না – জাতীয় ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


কোরবানির পর রাজধানীতে বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন।


এবং যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও বৈরুতে হিজবুল্লাহর ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।

ভগ্ন_আসনে_বিরহ_বসন্ত  -সূচনাপর্ব -অন্তরা_রায়

 দশ বছরের এক কন্যাকে বিয়ে করে আনলেন চল্লিশ বছর বয়সী রায় চৌধুরী বাড়ির সেজো কর্তা সুশান্ত রায় চৌধুরী। চন্দ্রপুর জমিদার বাড়িতে আজ উৎসবের আবহ।জমিদার বাড়ির উঠোনে নানা মানুষের সমাগম। আলোকসজ্জায় সজ্জিত আজ রায়চৌধুরী বাড়ি।

বাল্য বিবাহ তখনো সমাজে অলঙ্ঘনীয় রীতি ছিল। কারণ যুগটা ছিল তখন আঠারোর দশক। 


বর বরণ শেষে পালকি এসে থামল উত্তর প্রান্তের আঙিনায়।সুশান্ত রায় চৌধুরী, বয়স এখন তার চল্লিশ এর কোঠায়, এক পুত্র রয়েছে তার আগের পক্ষের স্ত্রী এর। সুশান্ত চৌধুরী বিবাহিত ছিলেন কিন্তু স্ত্রী তার মারা যান এক বৎসর হল। এই বিয়েতে তার কোনো প্রকার মত ছিল না।বিয়ে টা তিনি করেছেন সমাজ ও সংসারের চাপে। বাধ্য হয়েছেন দশ বৎসর বয়সী সুপ্রভা কে বিয়ে করতে। পুত্রের বয়স খুব একটা বেশি নয়।বলতে গেলে সুপ্রভার থেকে এক বছরের ছোটো।

 

সুপ্রভা হল অত্যন্ত গরিব ঘরের মেয়ে। জন্মের সময়  মা মারা গেছেন।বাবাই একমাত্র ভরসা তার। একমাত্র কন্যাকে বড় করতে বিশাল হিমশিম খেতে হচ্ছিল সুপ্রভার বাবা হরিচরণ পালকে।তাই জমিদার বাড়ি থেকে যখন প্রস্তাব এল কন্যার জন্য তখন তিনি আর,বাঁধ সাধেন নি।বরং হাসি মুখে সেই প্রস্তাব  মেনে নিয়েছেন।


সুপ্রভার ছোট্ট মুখ খানা বিশাল কাঁসার থালার আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়। রায় চৌধুরী বাড়ির বড় বউ নতুন সেজো বউ কে বরণ করলেন। সুপ্রভার পরনে লাল রঙের কম দামী বেনারসি শাড়ি। গলায় একটা সামান্য সোনার সরু হার,কানে ছোট্ট ছোট্ট দু খান দুল।  ছোট্ট মাথা টায় কালো সুবিশাল দীর্ঘ কেশ জট পাকিয়ে কোনোরকমে খোপা করে রাখা। মুখখানা একদম নিষ্পাপ,মায়া ভরা চাহনি তার। থাকবে  নাই বা কেন সেই মায়া মানুষ টাই যে এখনো ঠিকমতো বেড়ে উঠে নি। খেলনা ধরার বয়সে সুপ্রভার হাতে শাখা পলা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুতুল নিয়ে খেলা ছোট্ট মেয়ে টি এখন জমিদার বাড়ির সেজো বউ।


দুই জা মিলে সুপ্রভা কে সেজো দেবরের সুবিশাল বড়ো কক্ষে নিয়ে আসলেন। সুপ্রভা শুধু নিষ্পাপ চাহনি নিয়ে এদিক ওদিক পরখ করছিল। তার ছোট্ট মস্তিষ্কে এখনো কথাটা ঠিক মতো বসে নি যে সে এই বাড়ির বউ। 


রায়চৌধুরীর বড়ো বউ জমিদার বাড়িরকত্রী এখন।শ্বশুর শাশুড়ি মারা গিয়েছেন।এরপর সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছেন বড়ো ছেলে মৃন্ময় রায়চৌধুরী  আর বড়ো বউ কুমুদিনী রায়চৌধুরী । কুমুদিনী সুপ্রভার থেকে বয়সে অনেকটাই বড়ো। গুরুগম্ভীর তার চাল চলন।কিন্তু মন টা ভীষণ সরল তার। সুপ্রভা কে যে তার মনে ধরেছে ভীষণ, এটি তার চোখে মুখে প্রকাশ পাচ্ছে। অপর দিকে বাড়ি  মেজো বউ রোহিণী সুপ্রভার প্রতি ভীষণ বিরক্ত।চোখে মুখে হাসি ফুটলেও মনে জ্বলছে তার হিংসার দাবানল। তার মতে "এক গরিবের মেয়ে কেন এই জমিদার বাড়ির বউ হবে?" 


ভোর,তখন চারটা সুপ্রভা কে কক্ষে বিছানায় বসিয়ে রেখে দিয়ে দুই জা চলে গেলেন নিজেদের কক্ষে। ছোট্ট সুপ্রভা তখন কক্ষটিকে পর্যবেক্ষণ করতে ব্যস্ত। সুবিশাল কক্ষের ঠিক মাঝখানে বিছানা। দেয়াল ঘেঁষে একপাশে কাঠের টেবিল আর চেয়ার রাখা। টেবিলের উপর নানা ধরনের বই আর দোয়াত রাখা। বিছানায় রজনীগন্ধা আর গোলাপের ছড়াছড়ি। ডান পাশে বিশালাকার এক জানলা।জানলার বাইরে নয়ন খানি রাখলে সেই নয়নে দৃশ্যমান হয়ে উঠবে এক কৃষ্ণচূড়ার গাছ।আর তাতে বাসা বেঁধে রাখা  পাখির সংসার।  


সুপ্রভা এগিয়ে গেল গুটি গুটি পায়ে কাঠের টেবিলের নিকট। নিভু নিভু ল্যাম্পের বাতি জ্বলছে। সুপ্রভা টেবিলের বই গুলোকে একবার ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখল। মেয়েটির হঠাত্ চোখ পড়ল বিদ্যাসাগরের "নীতিমালা"র পাতায়। বইটি ছুঁয়ে দিতে যাবে তখনি দরজার ছিটকিনি বন্ধ হওয়ার শব্দ হল। সুপ্রভা হকচকিয়ে পেছনে ঘুরল। দেখতে পেল চল্লিশোর্ধ মানুষটি কক্ষে প্রবেশ করে দরজা ভিড়িয়ে দিচ্ছেন। সুশান্ত রায় চৌধুরী সুপ্রভাকে টেবিলের কাছে গুটিশুটি মেরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন। দীর্ঘশ্বাস ফেললেন তিনি তৎক্ষণাৎ। হাঁটুর বয়সী মেয়েকে তিনি স্ত্রী হিসেবে বাড়িতে নিয়ে এসেছেন। শিক্ষিত মানুষ তিনি অথচ চাপে পড়ে এত বড়ো ভুল করে  বসেছেন। সুপ্রভা দু কদম পিছিয়ে গেল আর। কি আশ্চর্য!মেয়ে টা যাকে ভয় পাচ্ছে তার নামেই সে সিঁথিতে সিঁদুর পরেছে। এই সিঁদুর এর মর্ম যে কতখানি তা হয়তো এখনো বোধগম্য নয় সুপ্রভার। 


সুশান্তর পরনে সাদা রঙের পাঞ্জাবী আর সাদা ধুতি। গলায় সোনার চেন চকচক করছে। বয়সের ছাপ মুখে স্পষ্ট উঠে এসেছে। তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেলে সুপ্রভা কে কাছে ডাকলেন। সুপ্রভা দুদিকে মাথা নেড়ে জানান দিল নিঃশব্দে যে সে যাবে না।


সুশান্ত এবার গম্ভীর স্বরে ডাকলেন 


- কিছু করব না।ভয় পেও না , আমি তোমার স্বামী।স্বামী কে ভয় পেতে নেই।


সুপ্রভা অস্ফুটস্বরে উচ্চারণ করল " স্বামী" ।এরপর ধীর পায়ে এগিয়ে আসল সুশান্তের নিকট। সুশান্ত উপর থেকে নীচ সুপ্রভা কে পর্যবেক্ষণ করে ফেলল। না চাইতেই চোখে মুখে ধীরে ধীরে লালসা ফুটে উঠল। বয়স্ক শরীর যৌবন ফিরে পেতে চাইল। সুশান্ত মুচকি হেসে সুপ্রভার হাত স্পর্শ করল।সুপ্রভা কিঞ্চিত কেঁপে উঠল। ভয়ে হাত টুকুন সরিয়ে ফেলল। সুশান্ত বেশ বিরক্ত হলেন। সুপ্রভা অস্ফুটস্বরে বলল 


- আ..আমি বাবার কাছে যাব।


সুশান্ত কিঞ্চিত হেসে বলল 


- তুমি এখন থেকে জমিদার বাড়ির সেজো বউ।বাবার সাথে তোমার এখন আর কোনোরকম সম্পর্ক নেই।এখন থেকে তোমার এটাই শেষ ঠিকানা। পুরোনো সব সম্পর্ক ভুলে মানিয়ে নিতে শেখো।


সুপ্রভা বোধ হয় কিছু বুঝতে পারল না। "মানিয়ে নিতে শেখো" কথাটা বারবার মস্তিষ্কে দোলা খাচ্ছে। সুপ্রভা বুঝতে পারল না কিছুই। বুঝতে পারল না এই কথাটা যে সে মেয়ে।আর এই সমাজে থাকতে হলে মুখ বুজে মেয়ে দের সব মানিয়ে নিতে হয়। চোখে বুজে দাঁত চেপে সব সহ্য করে নিতে হয়। সুপ্রভার বয়স এখন দশ। তাই এত কঠিন কঠিন কথা গুলোর মানে তার মস্তিষ্ক জানান দিতে পারছে না। সে অবুঝের মত বলল


- আচ্ছা আমার বাবা কোথায়? আমাকে বাবা নিতে আসবে না আর? 


সুশান্ত এর মস্তিষ্কে ধীরে ধীরে ক্রোধ এর সঞ্চার ঘটে। খানিকটা উঁচু গলায় বলে


- দেখো মেয়ে।তুমি আমার স্ত্রী আজ থেকে।আর এই জমিদার বাড়ির সেজো বউ।তোমার উপর এখন সংসার আর,স্বামীর দায়িত্ব যা তোমাকে পালন করতে হবে। স্বামী আর সংসার সামলাতে হবে। তোমার  বাবা তোমাকে আমার হাতে তুলে দিয়েছেন।বাবা হিসেবে ওনার দায়িত্ব এখানেই শেষ।এর পর থেকে আর বাবা বাবা করবে না।


সুপ্রভার বিস্ময়ে চোখ বড় হল। হৃদয় কেঁপে উঠল তার। নয়নে অশ্রু জমে উঠল। বলল 


- এরকম টা হতে পারে না। আমি বাবার কাছে যাব।আমাকে দয়া করে ছেড়ে আসুন।


সুশান্ত সুপ্রভার হাত ধরে এক ঝটকায় তাকে মিশিয়ে ফেলল নিজের অঙ্গের সহিত। সুপ্রভা অস্বস্তি কর এই বাঁধন থেকে ছাড়া পাওয়ার জন্য ছটফট করতে লাগল।কিন্তু শক্ত পোক্ত শরীরে নিকট পেরে উঠল না। সুশান্ত বাতি নিভিয়ে দিল। সুপ্রভার ওপর,নিজের আধিপত্য বিস্তার করার প্রয়াস চালাল। সুপ্রভা এক পর্যায়ে কেঁদে ফেলে এবং হেচকি তুলতে তুলতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। সুপ্রভার এহেন কান্ডে সুশান্ত নিজের,সম্বিত ফিরে পেল। তড়িঘড়ি দরজার ছিটকিনি খুলে কুমুদিনী ও রোহিণীকে ডেকে পাঠালেন দাসী কে  দিয়ে।


চলবে...


-ভগ্ন_আসনে_বিরহ_বসন্ত 

-সূচনাপর্ব

-অন্তরা_রায়


নেক্সট পার্ট গুলো সবার আগে নতুন পেজে দেয়া হবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে নতুন পেজে ফলো করুন 👉 কাব্য-𝐄𝐱𝐭𝐫𝐚

গোধূলির হাসি" - রুদ্র আজাদ,,,,,, লেখাটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য 👇)

 (লেখাটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য 👇)

আমি নিশ্চিত আমার স্ত্রীর সাথে অন্য পুরুষের সম্পর্ক আছে। এটা কী করে বুঝতে পারলাম জানেন? স্ত্রীর সাথে শারীরিক মিলন করতে গেলে সে খুবই অনাগ্রহ প্রকাশ করে। চুমু দিতে গেলে সে শক্ত করে মুখ বন্ধ করে রাখে এবং মুখ সরিয়ে ফেলে। শারীরিক মিলনের সময় তার দিক থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। বরঞ্চ সে খুবই বিরক্ত হয়ে থাকে।


আমার স্ত্রীর কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। ওর স্বাস্থ্য ভালো। স্বাস্থ্য ভালো থাকলে শারীরিক মিলনে অনাগ্রহী থাকার কথা নয়। তার মানে হলো, সে অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্কে জড়িত। এর জন্যই আমার সাথে শারীরিক মিলনে সে অনাগ্রহী থাকে।


বিয়ের প্রথম দিন থেকেই স্ত্রীর মধ্যে এই ব্যাপারটা ছিলো। কিন্তু তখন সেটা বুঝতে পারি নি। বোঝার চেষ্টাও করি নি। কারণ তখন আচ্ছন্নের মতো নিজের শরীরের প্রয়োজন মিটিয়ে যেতাম। স্ত্রীর অনাগ্রহ, বিরক্তি এগুলোকে মনে করতাম মেয়েদের স্বাভাবিক আচরণ। কারণ যৌন ব্যাপারে মেয়েদের অনেক লজ্জা, দ্বিধা, ভয় থাকে। 


তখন মনে হতো, সময়ের সাথে সাথে স্ত্রীর এই লজ্জা, দ্বিধা, ভয় কেটে যাবে। এর মধ্যে আমাদের একটা ছেলেও হলো। কিন্তু আশ্চর্য হয়ে দেখলাম, অনাগ্রহ কমার বদলে বাড়তে থাকলো। বাড়তে বাড়তে সেটা এমন পর্যায়ে গেলো যে, সে তখন শারীরিক মিলনে বাধা দিতে লাগলো। অবশ্য ওর বাধা শুনতাম না। আমার প্রয়োজন ঠিকই মিটিয়ে নিতাম।


সারাদিনে স্ত্রীর সাথে খুব একটা কথা হয় না। চাকরি এবং আরো সব কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকি। আর সংসারে যা লাগে তার ব্যবস্থা করে দিই। 


স্ত্রীকে খাওয়া পরার অভাবে রাখি নি। ওর সাথে ঝগড়াও করতাম না। ঝগড়া করতাম না কারণ, মেয়ে মানুষ বোঝে কম। আর কম বোঝা মানুষের সাথে ঝগড়া করা অর্থহীন। 


সংসারের অন্যান্য ব্যাপারে ওর সাথে কথা না বললেও চলতো। এবং আমি সেটা বলতামও না।


কিন্তু শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারটা এমন পর্যায়ে গেলো যে, সেটাকে অগ্রাহ্য করার আর উপায় রইলো না। কারণ আমি এই ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে গেলাম যে, ওর সাথে অন্য পুরুষের সম্পর্ক আছে। আমার খাবে, আমার পরবে, আর শারীরিক মিলন করবে আরেক পুরুষের সাথে, তা তো হতে পারে না। 


তাই একদিন ওকে ডেকে সরাসরি জিজ্ঞেস করলাম,"সম্পর্ক কতোদিন থেকে? বিয়ের আগে থেকে?"


সে বললো,"কীসের সম্পর্ক?"


"অভিনয় করার দরকার নেই। সব বুঝি আমি। যদি আরেকজনের সাথে সম্পর্কই থেকে থাকে, তাহলে আমাকে বিয়ে করেছিলে কেনো?"


আশ্চর্য হয়ে বললো,"তোমার কথা কিছুই বুঝতে পারছি না। বিয়ের আগে কিংবা বিয়ের পরে কারো সাথেই আমার সম্পর্ক ছিলো না।"


"যদি সম্পর্ক না থাকে তাহলে আমার সাথে এমন বাজে আচরণ কেনো করছো? কেনো আমার সাথে শারীরিক মিলনে তোমার অনীহা?"


সে চুপ হয়ে থাকলো। কিছু বললো না। 


বললাম,"কিছু বলছো না কেনো? বিয়ের পর থেকে লক্ষ্য করে আসছি তোমার এই ব্যাপারটা। তোমাকে তো আমি অভাবে রাখি নি। তোমার সাথে ঝগড়াও করি না। তাহলে কেনো আমার সাথে এমন আচরণ করছো?"


আরো কিছু সময় চুপ থেকে স্ত্রী বললো,"শারীরিক ব্যাপারটা শুধুমাত্র শারীরিক নয়, এটা মানসিকও। শারীরিক এবং মানসিক দুটো দিক ঠিক থাকলে তখন শারীরিক মিলনে আগ্রহ থাকে। কিন্তু তোমার দুটো দিকেই সমস্যা রয়েছে। যে জন্য তোমার সাথে শারীরিক মিলনে আগ্রহ বোধ করি না।"


স্ত্রীর কথা মানতে পারলাম না। কারণ আমার শারীরিক কোনো সমস্যা নেই। দ্রুত পতন জাতীয় সমস্যাও নেই। তাহলে স্ত্রী কেনো বললো আমার শারীরিক সমস্যা আছে? আর মানসিক সমস্যা মানে কী? আমি কি পাগল?


ক্ষেপে গিয়ে বললাম,"মিথ্যা কেনো বলছো? তুমি ভালো করেই জানো, আমার কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। আর মানসিক সমস্যা বলতে কী বোঝাচ্ছো?"


"তোমার শারীরিক সমস্যা আছে। কী কী সমস্যা আছে শোনো, তোমার মুখ দিয়ে বিশ্রী গন্ধ আসে, আর তোমার শরীর থেকে ঘামের উটকো গন্ধ আসে। যে কারণে তুমি কাছে এলে শারীরিক আকর্ষণের বদলে বমি আসে। আর তোমার মানসিক সমস্যা হলো, তুমি আমাকে মানুষই মনে করো না। আমাকে ভাবো শারীরিক প্রয়োজন মেটানো এবং সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র মাত্র। সেই সাথে ঘরের কাজ করবো, সন্তান পালবো, এবং তোমার আর তোমার বাবা মা'র সেবা করবো। এছাড়া আমার আর প্রয়োজন নেই। যে কারণে তুমি সংসারের কোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আমার সাথে কথা বলার প্রয়োজনই বোধ করো না। তোমার এই ভুল মানসিকতার জন্য তোমার প্রতি কোনো প্রকার শারীরিক টান বোধ করি না। শারীরিক এবং মানসিক উভয় দিকে যদি নিজেকে শোধরাতে পারো, তাহলে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে তোমার প্রতি শারীরিক আকর্ষণ জেগে উঠবে। নইলে, আমাকে মেরে ফেললেও তোমার প্রতি শারীরিক আকর্ষণ জেগে উঠবে না।"


ধাক্কার মতো খেলাম স্ত্রীর কথাগুলো শুনে। শারীরিক মিলনের সাথে যে এতো কিছু জড়িত কল্পনা করি নি!


পরদিন দাঁতের ডাক্তারের কাছে গেলাম। কারণ আমি নিয়মিত দাঁত মাজি, তাহলে মুখে গন্ধ কেনো থাকবে? ডাক্তার দেখে বললেন, পানি কম খাওয়ার কারণে এই সমস্যা হয়েছে। পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি তিনি আরো কিছু পরামর্শ দিলেন। সেগুলো নিয়ম মেনে পালন করতে লাগলাম।


আর শরীর থেকে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে লাগলাম। বডি স্প্রে ব্যবহার করতে লাগলাম। এতোকাল শরীরের পরিচ্ছন্নতাকে গুরুত্ব দিই নি। ভেবেছি এগুলো মেয়েদের ব্যাপার। কিন্তু এখন জানলাম, পরিচ্ছন্ন থাকা ছেলেদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। 


শারীরিক সমস্যা দূর করার পাশাপাশি মনোযোগ দিলাম মানসিক সমস্যা দূর করার জন্য। মানসিক সমস্যা দূর করার জন্য প্রথম যে কাজটা করলাম তা হলো, 'মেয়েরা কম বোঝে' এই চিন্তা মাথা থেকে বের করে দিলাম। এবং সংসারের সব বিষয়ে স্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করতে লাগলাম। মাঝে মাঝে স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যেতাম। ওর সাথে সিনেমা দেখতাম, হাসতাম।


স্ত্রীর সাথে সম্পর্কটা সহজ এবং আনন্দময় হয়ে উঠলে এক রাতে আবিষ্কার করলাম, স্ত্রীর চোখে নেমে এলো কামনার গোধূলির মেঘ। কী যে সুন্দর লাগছিলো তাকে তখন! সেদিন সে আমাকে এতো শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলো যে, অবাক হয়ে গেলাম। নারীর কামনার তীব্রতা দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। ওর তীব্র আলিঙ্গনে ডুবে যেতে যেতে হঠাৎ দেখি আমার চোখের কোণে পানি জমে উঠলো। অলৌকিক আনন্দময় পানি।


ব্যাপারটা হয়ে যাওয়ার পরই পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়ি নি। যা আমি আগে করতাম। এবার স্ত্রীর কানের কাছে মুখ এনে গভীর আবেগে বললাম,"ভালোবাসি ভালোবাসি।"


স্ত্রী চোখ বুজে শুয়ে থাকলো। মুখে তার গোধূলির হাসি।


"গোধূলির হাসি"

- রুদ্র আজাদ ✍️

#সংগৃহীত #স্বপ্নকুটির_A_House_of_Love

ছাদ ঢালাইয়ের পূর্বে কি কি চেক করতে হবেঃ- --------------

 ছাদ ঢালাইয়ের পূর্বে কি কি চেক করতে হবেঃ-

-----------------------------------------------------------------------

🔹ফর্মওয়ার্ক ও সেন্টারিং


১। ছাদের শাটারিং (formwork) শক্তভাবে বসানো হয়েছে কিনা

২। নিচে সেন্টারিং এর পর্যাপ্ত সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে কিনা

৩। ফাঁকফোকর বা লিকেজ আছে কি না


🔹 রডের ফিটিং ও টাইং


১। ডিজাইন অনুযায়ী রড বসানো হয়েছে কিনা (Structural Drawing অনুযায়ী)

২। Top bar, bottom bar, crank bar, distribution bar ঠিক আছে কিনা

৩। কাভার ব্লক বসানো হয়েছে কিনা (সাধারণত ১৮-২৫ মিমি)

৪। রডে মরিচা থাকলে তা পরিষ্কার করা হয়েছে কিনা


🔹ইলেকট্রিক ও পাইপলাইন চেক


১৷ বৈদ্যুতিক কনডুইট (electrical conduit) ঠিকভাবে বসানো হয়েছে কিনা

২। পানির পাইপ বা অন্য যন্ত্রাংশ বসানো হয়ে গেছে কিনা


🔹লেভেলিং ও স্লোপ


১। ছাদে সঠিক লেভেল রাখা হয়েছে কিনা

২। পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ঢাল (slope) ঠিকভাবে রাখা হয়েছে কিনা


🔹মশলা প্রস্তুতির ব্যবস্থা


১। কংক্রিটের অনুপাত ঠিক আছে কিনা (যেমন = 1:2:4, 1:1.5:3)

২। কংক্রিট মেশানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে সিমেন্ট, বালি, পাথর, পানি প্রস্তুত আছে কিনা

৩। মিক্সার মেশিন ও লেবার ঠিক আছে কিনা।


🔹ভাইব্রেটর ও কারেন্ট


১। কংক্রিট ঢালাইয়ের সময় air gap দূর করতে ভাইব্রেটর প্রস্তুত আছে কিনা​ (সম্ভব হলে ডিজেল ভাইব্রেটর মেশিন রাখবেন)

​২। কারেন্ট ও পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।


🔹আবহাওয়ার অবস্থা


১। বৃষ্টি হলে ছাদ ঢেকে রাখার ব্যবস্থা আছে কিনা (যেমন:পলিথিন, ত্রিপাল)।

২। খুব বেশি গরম হলে ঢালাইয়ের পর পানি দেওয়ার প্ল্যান।


🔹টিম প্রস্তুত আছে কিনা


১৷ ঢালাই শুরু হলে একটানা কাজ করার জন্য লেবার, মিস্ত্রি, হেলপার প্রস্তুত।

২। Supervisor বা অভিজ্ঞ ব্যক্তি উপস্থিত আছেন কিনা।


🔹অতিরিক্ত টিপস:


১। সম্ভব হলে একজন প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা  চেক করে নিবেন।

২। ঢালাইয়ের পর অন্তত ৭ দিন ধরে প্রতিদিন পানি দিতে হবে (curing)।

৩। ঢালাইয়ের সময় “joint” যেন না পড়ে, সেজন্য একটানা ঢালাই করুন।

​৪। শ্রমিকদের জন্য সেফটির ব্যবস্থা করুন।

গল্পে গল্পে ইংরেজি শিখুন -,,,,,,,,,

 গল্পে গল্পে ইংরেজি শিখুন - ❤️❤️Day - 003❤️❤️

একজন বৃদ্ধ মহিলার কষ্টের গল্প :


Her (তার) name (নাম) was (ছিল) Rawshan Ara (রওশন আরা)।

She (সে) was (ছিল) around (প্রায়) seventy (সত্তর) years (বছর) old (বয়স)।

Her (তার) husband (স্বামী) had (ছিলেন) died (মারা গেছেন) long (অনেক) ago (আগে)।

She (তিনি) had (ছিল) no (কোনো) children (সন্তান), no (না) relatives (আত্মীয়), nobody (কেউ না) to (কে) stand (দাঁড়ানো) by (পাশে) her (তার)।


She (তিনি) lived (বাস করতেন) in (একটি) a (একটি) small (ছোট) tin (টিনের) house (ঘরে) all (সম্পূর্ণ) alone (একা)।

Every (প্রতিদিন) morning (সকাল), she (তিনি) used (অভ্যাস ছিল) to (এই কাজটি) go (যেতেন) out (বাইরে) to (জন্য) collect (কুড়াতে) scraps (ভাঙারি)।

Old (পুরনো) bottles (বোতল), papers (কাগজ), pieces (টুকরো) of (এর) iron (লোহা) – whatever (যা কিছু) she (তিনি) could (পারতেন) find (পেতেন), she (তিনি) sold (বিক্রি করতেন) them (সেগুলো) to (জন্য) earn (উপার্জন করতে) a (একটি) living (জীবিকা)।


Rain (বৃষ্টি) or (অথবা) sun (রোদ), she (তিনি) never (কখনোই না) complained (অভিযোগ করতেন না)।

People (মানুষ) used (অভ্যস্ত ছিল) to (এইভাবে) see (দেখত) a (একটি) peaceful (শান্ত) smile (হাসি) on (উপর) her (তার) face (মুখে)।

If (যদি) someone (কেউ) asked (জিজ্ঞেস করত), she (তিনি) would (বলতেন) say (বলতেন):

"I (আমি) earn (উপার্জন করি) with (দিয়ে) honest (সত্‍) work (কাজ)।

I (আমি) do (করি) not (না) beg (ভিক্ষা করি না)।

This (এটাই) gives (দেয়) me (আমাকে) peace." (শান্তি)।


In (এই) the (টি) market (বাজারে), some (কিছু) shopkeepers (দোকানদার) knew (চিনত) her (তাকে)।

Someone (কেউ একজন) would (দিত) give (দিত) a (একটি) banana (কলা), another (আরেকজন) would (দিত) offer (দিত) tea (চা)।

But (কিন্তু) she (তিনি) never (কখনো) asked (চাইলেন না) for (জন্য) anything (কিছু) free (ফ্রিতে)।

She (তিনি) was (ছিলেন) proud (গর্বিত) of (এর জন্য) her (তার) honesty (সততা)।


Even (এমনকি) on (এই) cold (ঠাণ্ডা) nights (রাতে), if (যদি) she (তিনি) had (থাকত) only (শুধু) one (একটি) blanket (কম্বল),

she (তিনি) would (করতেন) share (ভাগ করে দিতেন) it (এটি) with (সঙ্গে) a (একটি) homeless (গৃহহীন) child (শিশু)।

She (তিনি) was (ছিলেন) poor (গরিব), but (কিন্তু) her (তার) heart (হৃদয়) was (ছিল) rich (সমৃদ্ধ)।


Today (আজ), people (মানুষ) still (এখনও) remember (মনে রাখে) Rawshan (রওশন) Dadi (দাদি) as (হিসেবে) a (একজন) symbol (প্রতীক) of (এর) dignity (মর্যাদা) and (এবং) kindness (দয়া)।


✅ Important Words:


১। Honest (অনেস্ট) - সৎ

২। Peace (পিস) - শান্তি

৩। Struggle (স্ট্রাগল) - সংগ্রাম

৪। Alone (এলোন) - একা

৫। Earn (আর্ন) - উপার্জন করা

৬। Scrap (স্ক্র্যাপ) - ভাঙারি জিনিস

৭। Blanket (ব্ল্যাঙ্কেট) - কম্বল

৮। Poor (পুওর) - গরিব

৯। Proud (প্রাউড) - গর্বিত

১০। Help (হেল্প) - সাহায্য করা

১১। Share (শেয়ার) - ভাগ করে দেওয়া

১২। Work (ওয়ার্ক) - কাজ

১৩। Smile (স্মাইল) - হাসি

১৪। Kindness (কাইন্ডনেস) - দয়া

১৫। Dignity (ডিগনিটি) - মর্যাদা


ভাল লাগলে শেয়ার ❤️করবে এবং পড়াশেষে Done ❤️ লিখতে ভুলবে না।


এই রকম ১০০ এর বেশি গল্পের PDF বই পেতে -ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।🎯 মাত্র- ১২৯ টাকা।🎯

গুগল দিয়ে  আয় করার উপায় :,,,,,,,,,,,,

 গুগল দিয়ে  আয় করার উপায় :

1. AdSense দিয়ে আয়: তুমি যখন তোমার YouTube চ্যানেল অথবা ব্লগ চালাও, তখন Google AdSense এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় করতে পারো।

2. YouTube Channel: নিজের চ্যানেল খুলো। ভালো Content তৈরি করো (যেমন: শিক্ষামূলক, ফান, টিউটোরিয়াল)। মনিটাইজেশনের জন্য ১ হাজার Subscribers এবং ৪ হাজার Watch Hour লাগবে।

3. Blogger/Blogspot: গুগলের ফ্রি ব্লগ সাইট ব্যবহার করে জানিয়ে কিছু লিখো (যেমন–ভ্রমণ, রেসিপি, শিক্ষা)। AdSense লাগিয়ে আয় হবে।

4. Google Play Console: নিজের অ্যাপ ডেভেলপ করে অথবা কাউসারদের অ্যাপ আপলোড করেই ইনকাম করতে পারো।

5. Google Opinion Rewards: এই অ্যাপে ছোট ছোট Survey দিয়ে মতামত দিলেই টাকা (Play Credit) পাও যায়।

6. Google Workspace Service: গুগলের প্রফেশনাল সার্ভিস (যেমন Docs, Sheets, Forms) ব্যবহার শিখে অন্যদের কাজ করে দিয়েও আয় হতে পারে।

7. SEO & Digital Marketing: Google Search Engine এর ব্যবহার শিখে SEO ও Digital Marketing এর কাজ শিখে Freelancing করতে পারো।

ডলার আয় করুন ঘরে বসেই: ১৫টি জনপ্রিয় রিমোট জব সাইট

.

বর্তমানে প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ বেড়েছে বহুগুণ। বিশ্বব্যাপী অনেক প্রতিষ্ঠান এখন রিমোট বা অনলাইনে কর্মীদের নিয়োগ দিচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—এই কাজগুলো থেকে আপনি সরাসরি মার্কিন ডলারে আয় করতে পারেন। নিচে এমন ১৫টি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইটের তালিকা দেওয়া হলো, যেগুলো আপনাকে রিমোট জব খুঁজে নিতে এবং ডলার আয়ের সুযোগ করে দেয়।

.

১. Freelancer (freelancer. com)

ফ্রিল্যান্সার ডট কম বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোর একটি। এখানে আপনি বিভিন্ন প্রজেক্টে বিড করে কাজ করতে পারেন—যেমন: গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, কনটেন্ট রাইটিং, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি।

.

✅ পেমেন্ট: USD

✅ স্কিল লেভেল: বিগিনার থেকে এক্সপার্ট

.

২. Jobspresso (jobspresso. co)

.

Jobspresso হলো একটি রিমোট জব বোর্ড যেখানে বিভিন্ন টেক, মার্কেটিং, এবং কাস্টমার সাপোর্ট রিলেটেড চাকরির বিজ্ঞাপন পাওয়া যায়।

✅ পেমেন্ট: USD

✅ বিশেষত্ব: সম্পূর্ণ রিমোট জবগুলো

.

৩. Remote OK (remoteok. com)

.

এই সাইটটি ডেভেলপার, ডিজাইনার, কপি রাইটার এবং অন্যান্য রিমোট পজিশনের জন্য অনেক জনপ্রিয়।

✅ ফিচার: জব ফিল্টারিং অপশন

✅ পেমেন্ট: USD বা কোম্পানির নির্ধারিত কারেন্সি

.

৪. Remote4Me (remote4me. com)

.

প্রধানত টেকনোলজি ফোকাসড জব গুলো এখানে পাওয়া যায়। ডেভেলপারদের জন্য এটি একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম।

✅ স্পেশালাইজেশন: টেক ও আইটি

✅ পেমেন্ট: USD

.

৫. SimplyHired (simplyhired. com)

.

এই সাইটে আপনি ফ্রিল্যান্স, পার্ট-টাইম ও ফুল-টাইম রিমোট কাজ খুঁজে পেতে পারেন। সাইটটি সারা বিশ্বের চাকরির তালিকা সংগ্রহ করে।

✅ ইন্ডাস্ট্রি: বহুমুখী

✅ পেমেন্ট: কোম্পানি নির্ধারিত মুদ্রায় (সাধারণত USD)

.

৬. Toptal (toptal. com)

Toptal মূলত উচ্চ-মানের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য। এখানে কাজ পাওয়ার আগে আপনাকে একটি স্ক্রীনিং প্রসেসে উত্তীর্ণ হতে হয়।

✅ পেমেন্ট: উচ্চ রেট (USD)

✅ লেভেল: এক্সপার্ট

.

৭. AngelList (angel. co)

.

স্টার্টআপ কোম্পানিগুলোর জন্য অন্যতম জনপ্রিয় এই সাইটে আপনি রিমোট জব খুঁজে নিতে পারেন।

✅ সুবিধা: স্টার্টআপ পরিবেশ

✅ পেমেন্ট: Negotiable in USD

.

৮. NoDesk (nodesk. co)

.

এখানে কন্টেন্ট, কাস্টমার সার্ভিস, মার্কেটিং, এবং রিমোট টেকনোলজি জব লিস্টিং থাকে।

✅ ক্লিন UI

✅ পেমেন্ট: USD ভিত্তিক

.

৯. Upwork (upwork. com)

.

Upwork হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোর একটি। এখানে আপনার প্রোফাইল তৈরি করে ক্লায়েন্টদের কাছে প্রপোজাল পাঠাতে পারেন।

✅ পেমেন্ট: USD (Direct to Bank / Payoneer / PayPal)

✅ বিগিনার ফ্রেন্ডলি

.

১০. LinkedIn (linkedin. com)

.

LinkedIn এখন শুধু নেটওয়ার্কিং নয়, জব খোঁজার অন্যতম বড় মাধ্যম। এখানে রিমোট ফিল্টার দিয়ে চাকরি খুঁজে নিতে পারেন।

✅ একাধিক কোম্পানির জব

✅ পেমেন্ট: USD বা কোম্পানির কারেন্সি

.

১১. Remote. co (remote. co)

.

Remote. co বিশেষভাবে রিমোট কাজের জন্যই বানানো হয়েছে। এখানে আপনি কাস্টমার সার্ভিস থেকে শুরু করে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ খুঁজে পেতে পারেন।

✅ ১০০% রিমোট কাজ

✅ পেমেন্ট: সাধারণত USD

.

১২. FlexJobs (flexjobs. com)

.

এই সাইটে স্ক্যাম বা ভুয়া জব ফিল্টার করে শুধুমাত্র যাচাইকৃত রিমোট জব পোস্ট করা হয়। তবে এটি পেইড সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক।

✅ ট্রাস্টেড জব

✅ পেমেন্ট: USD

✅ মেম্বারশিপ প্রয়োজন

.

১৩. Pangian (pangian. com)

.

Pangian মূলত গ্লোবাল রিমোট জব কানেক্টর। এখানে ফ্রিল্যান্স, পার্টটাইম এবং ফুলটাইম রিমোট কাজ খুঁজে নিতে পারবেন।

✅ পেমেন্ট: অধিকাংশ USD

✅ জব টাইপ: Remote & Flexible

.

১৪. Remotive (remotive. com)

.

এটি একটি রিমোট ওয়ার্ক কমিউনিটি এবং জব বোর্ড। এখানে প্রযুক্তি নির্ভর চাকরির চাহিদা বেশি।

✅ ফিচার: জব এলার্ট

✅ পেমেন্ট: USD

.

১৫. Remotees (remotees. com)

.

Remotees মূলত GitHub এবং অন্যান্য সোর্স থেকে রিমোট জব একত্র করে। টেক জবের জন্য ভালো একটি সাইট।

✅ সহজ ইন্টারফেস

✅ পেমেন্ট: কোম্পানির মুদ্রা, কিন্তু অধিকাংশ USD

.

ঘরে বসেই যদি আপনি ডলার ইনকাম করতে চান, তবে এই সাইটগুলো আপনার জন্য আদর্শ। শুরুতে নিজের দক্ষতাকে ঝালিয়ে নিন এবং একটি বা একাধিক সাইটে প্রোফাইল খুলে অ্যাকটিভ থাকুন।

লেখক :#Sarwar_jahan_Sujan

মঙ্গলবার, ১০ জুন, ২০২৫

 গল্প-“রুটির স্বাদ”p

 গল্প-“রুটির স্বাদ”p

সকাল সাড়ে সাতটা। আকাশটা আজ মেঘলা। খয়েরি রঙের ধুলা মিশে শহরের বাতাসটা আরও একটু ধূসর হয়ে আছে। মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে Dutch-Bangla Bank-এর বুথের সামনে দাঁড়িয়ে আছে মোবারক হোসেন।

সিকিউরিটি গার্ড, বয়স পঁইত্রিশ ছুঁই ছুঁই। মাথায় নীল টুপি, হাতে লাঠি। চোখে ঘুম নেই। তবে চোখে আছে শুকনো অবসাদ।


মোবারক গত পাঁচ বছর ধরে এখানে চাকরি করছে। ঠিক এই বুথেই। প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে আসে, একটা নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়িয়ে থাকে। অথচ এই সময়ের ভিতরেও তার শরীর বদলেছে। বদলেছে মনের ভিতরকার অনুভূতিও। এক সময় সে ছিল মিশুক, হাসিখুশি। এখন সে চুপচাপ।

সে কথা বলে না, প্রয়োজন না হলে কারো দিকে তাকায়ও না।


মুখ শুকিয়ে যায় প্রচণ্ড, গলা যেন আগুনে পুড়ে গেছে – এ রকম অনুভূতি নিয়ে সে দিনে অন্তত দশবার পানি খায়। এক একবারে পুরো বোতল শেষ করে ফেলে।

অথচ জ্বর নেই, ঠান্ডা নেই, তবুও তৃষ্ণা এত!


মোবারকের পরিবার গ্রামে। নেত্রকোনায়। একটা খুপরি ঘর, মা আর একমাত্র ছোট ভাই সুমন। সুমন স্কুলে পড়ে, ক্লাস নাইনে।

মোবারক অনেক আগেই বুঝেছে—এ শহর শুধু বেঁচে থাকার জন্য, ভালোবাসার জন্য নয়।


আজকে সকালবেলা খেয়েছে—একটা রুটি আর তিনটে খেজুর। ওর খুব প্রিয় খেজুর, শুকনো খাবার।

মোবারক দুধ খেতে পারে না। গন্ধেই গা গুলিয়ে ওঠে। বুথের পাশের চায়ের দোকান থেকে যতবার চা খেয়েছে, বলে দিয়েছে—"দুধ ছাড়া লাল চা দিও ভাই।"


আকাশ আরও ভারি হয়ে এসেছে। হালকা ঝিরঝির বৃষ্টি পড়ছে।

বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে ব্যাংকের সামনে জমে থাকা ধুলার উপর। ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে কাঁচ। কেউ একজন এসে বলে, “ভাই, বুথ খোলা?”

মোবারক মাথা নাড়ে। কথা বলে না। মুখে একটা পাতলা হাসি ফুটে ওঠে—যেটা ঠিক হাসি না, আবার দুঃখও না।


শরীরটা সকাল থেকে কেমন করছে। ঘাড়টা হালকা টান লাগা, মনে হচ্ছে পেছন থেকে কেউ টেনে ধরছে।

কিছুক্ষণ আগে চেয়ারটা একটু টেনে বসতে চেয়েছিল, ব্যাস! কোমরের ডানপাশে এমন ব্যথা উঠেছে—সে এখন আর নড়াচড়া করতে পারছে না।


মোবারকের ব্যথা শুধু তখনই বাড়ে, যখন সে নড়ে চড়ে। দাঁড়িয়ে থাকলে, শুয়ে থাকলে সহনীয়।

কিন্তু যদি মাথা ঘোরায়, হাত তুলতে যায়, বা চেয়ারটা সরিয়ে একটু হেলান দেয়—ব্যথা যেন ছুরি চালিয়ে দেয় শরীরে।


ব্যথার কথা সে কারো সাথে বলে না। বুথে এসে কাজ করে, পান খায়, গুনগুন করে গানের সুরে শব্দ করে। কেউ বোঝে না, ভিতরে সে কতটা কষ্টে আছে।

আর একটা সমস্যা আছে—কোষ্ঠকাঠিন্য।


সপ্তাহে দু’দিন মলত্যাগ করতে পারে না। খুব চাপ দিয়ে হলেও শক্ত মল নামে না সহজে।

ওষুধ কিনে খাওয়ার পয়সা কোথায়? দোকানে গিয়ে শুধু চায়ে বিস্কুট চুবিয়ে খেয়ে থাকে। মাঝে মাঝে হালকা গরম পানি খায়—এই যা।


বিকেলের দিকে বৃষ্টি থেমে যায়। আকাশটা স্বচ্ছ নীল হয়ে আসে। সাদা সাদা মেঘের ফালি ফালি ভেলা, গাছের পাতাগুলো বৃষ্টিতে ধুয়ে চকচক করছে।

মোবারক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবছে—গ্রামে এখন কেমন আবহাওয়া?


মা হয়তো পেছনের উঠোনে ধান শুকোচ্ছে। সুমন হয়তো বই নিয়ে বারান্দায় বসে আছে।

শহরের এই ধোঁয়াটে বিকেলে মোবারকের মনে হয়, কেউ যদি এসে বলে—“চলো বাড়ি যাই”, সে হয়তো এক মুহূর্তও দেরি করবে না।


কারণ, Bryonia-র মতো, মোবারক সবসময় “বাড়ি যেতে চায়”।

শহর, টাকা, বুথ, চাকরি—সব কেমন যান্ত্রিক লাগে তার কাছে। এক ফোঁটা সবুজ, এক টুকরো শান্তির জন্য মন ছটফট করে।


“ভাই, আপনি সব সময় এত চুপচাপ থাকেন কেন?” – এক নতুন ক্লায়েন্ট একদিন জিজ্ঞেস করল।

মোবারক তাকাল না। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকল।

সে জানে, নিজের যন্ত্রণার কথা কাউকে বললে কেউ বোঝে না।

বরং সে চুপ থাকলে — ব্যথাটাও চুপচাপ থাকে।


কিছুক্ষণ পর সে গেটের পাশে গিয়ে বসে। কাঁধটা একটু বাঁদিকে হেলিয়ে।

পকেট থেকে একটা পুরনো চেপ্টা রুটি বের করে খেতে থাকে। সাথে দুটো খেজুর।


মুখে পানি নেই, কিন্তু গলা শুকিয়ে কাঠ।

খাওয়ার মাঝেই একবারে আধা বোতল পানি শেষ করে দেয়।

ঠান্ডা পানি ছাড়া যেন প্রাণে শান্তি আসে না।


মাথা নিচু করে বসে আছে সে।

একটা চিল উড়ে যাচ্ছে আকাশে। রোদ এসে পড়েছে তার চোখে।


এমন সময় ফোনটা বেজে ওঠে। মা ফোন করেছে।

ওপাশ থেকে মা বলে,

– “কেমন আছো বাবা?”

– “ভালো।”

– “খেয়েছো?”

– “হ্যাঁ। খেজুর আর রুটি।”

– “বুকের ব্যথা কমেছে?”

– “একই আছে। চললেই বাড়ে।”

– “ওষুধ খাও না?”

– “টাকায় কুলায় মা?”


মা চুপ করে থাকে কিছুক্ষণ।

তারপর বলে, “এইবার ঈদের সময় বাড়ি চলে এসো। তোকে ছাড়া উঠোনটা কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগে।”


মোবারক ফোন কানে ধরে রাখে কিছুক্ষণ।

তারপর ধীরে ধীরে বলে,

“এইবারে আসব মা... হয়তো শেষবারের মতো।”


আকাশটা আবার মেঘে ঢেকে যায়।


**গল্পে ব্যবহৃত Bryonia লক্ষণ (Symptoms Covered):

লক্ষণ গল্পে কোথায় আছে


1. মুখ শুকিয়ে যায়, তৃষ্ণা অনেক বেশি বারবার পানি খায়, গলা শুকিয়ে কাঠ


2. শরীর নাড়াচাড়া করলে ব্যথা বেড়ে যায় চেয়ার টানতেই কোমরে ব্যথা উঠে, slightest motion aggravates


3. চুপচাপ একা থাকতে চায়-কারো সাথে কথা বলে না, শান্ত পরিবেশ চায়


4. কোষ্ঠকাঠিন্য, শক্ত মল-সপ্তাহে দু’দিন মলত্যাগ করতে পারে না


5. খেজুর, শুকনো খাবার, রুটি পছন্দ; দুধ অপছন্দ-সকালের খাবার খেজুর ও রুটি; দুধ ছাড়া চা খায়


6. Slightest motion aggravates মোবারক চেয়ার নাড়ালেই ব্যথা বাড়ে, স্থির থাকলে সহনীয়


⚠️ কপির জন্য নয়। 

অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হলে রিপোর্ট করা হবে।


Dr. Md Nurul Afsar(D.H.M.S)

Support and stay with me

#homeopathy 

#homeopathytreatment 

#homeopathicmedicine

আপনি যদি ভাবেন পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যস্ত জীবটা মানুষ—তাহলে আপনি এখনও উঁকুনকে বোধহয় গোনায় ধরেননি। হ্যাঁ, উঁকুন! সেই ক্ষুদ্র, মাথার চুলে লুকিয়ে থাকা এক প্রাণী, যার জীবন ছোট হলেও নাটকীয়তায় ভরপুর। আজ আমরা জানব তার জীবনচক্র, জন্ম থেকে পরিণত বয়স পর্যন্ত

 আপনি যদি ভাবেন পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যস্ত জীবটা মানুষ—তাহলে আপনি এখনও উঁকুনকে বোধহয় গোনায় ধরেননি। হ্যাঁ, উঁকুন! সেই ক্ষুদ্র, মাথার চুলে লুকিয়ে থাকা এক প্রাণী, যার জীবন ছোট হলেও নাটকীয়তায় ভরপুর। আজ আমরা জানব তার জীবনচক্র, জন্ম থেকে পরিণত বয়স পর্যন্ত।


শুরুটা করছি উঁকুনের ডিম দিয়ে। তবে তার আগে লাগবে উঁকুন মা, যাকে আমরা মায়ের চেয়ে বেশি ‘চুলকানি রাণী’ বলতে পারি, চুলের গোড়ায় একটার পর একটা ডিম বসিয়ে দেন। বিজ্ঞানীরা একে বলেন “নিট” (nit)। আপনি বলতেই পারেন, "কি জ্বালা রে বাবা!" কিন্তু মা উঁকুনের জন্য এ এক গর্বের বিষয়। তিনি ভাবেন, “এই ডিমগুলো বড় হয়েই আমার রাজত্ব সামলে নেবে এরা।”


এই ডিম ফুটে বাচ্চা উঁকুন হতে সময় লাগে প্রায় ৭ থেকে ১০ দিন। তবে এটি আবহাওয়া, মাথার তাপমাত্রা, এবং চুলের জ্যামিতির উপর নির্ভর করে। গরম মাথা (মানে গরম আবহাওয়া) হলে দ্রুত ফোটে। ঠান্ডা মাথায় (মানে ঠান্ডা পরিবেশে) একটু সময় লাগে। অনেক নারীরা ভেজা মাথায় তোয়ালে মুড়িয়ে রাখেন তাদের মাথাতো উঁকুনের জন্য এক স্বর্গরাজ্য। একেতো ভ্যাপসা আবহাওয়া তার মধ্যে আবার স্নানের পানিতে মাথার ত্বকও নরম হয়ে থাকে। তাই কুটকুট করে র*ক্ত খেতে কি যে মজা লাগে!


ডিম ফুটে বের হবার সময় উঁকুন শিশুটি ভাবে, “ইয়াহু আমি আসছি পৃথিবী!” কিন্তু পৃথিবীটা আসলে একটা মাথা মাত্র। শিশুটি জানে না, সে এখন থেকে একটা চুলের জংগলে বাস করবে, যেটা মাঝে মাঝে শ্যাম্পু বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়।


ডিম ফোটার পর উঁকুন হয়ে যায় "নিম্ফ"। অর্থাৎ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগের কিশোর রূপ। আপনি যেমন ক্লাস ফাইভে উঠে ভাবেন, “আমি বড় হয়ে গেছি”—উঁকুন নিম্ফও তাই ভাবে। কিন্তু না, ওকে এখনো বড় হতে আরও তিন ধাপ পার করতে হবে।


নিম্ফ দশা সাধারণত ৭-১০ দিন ধরে চলে। এই সময়টায় ও প্রতিদিন খায় মানুষে মাথার স্ক্যাল্প থেকে টুকটুক করে রস চুষে খায়। শুনতে ভৌতিক মনে হলেও উঁকুনের কাছে এটা লোভনীয় খাবার। আপনি যে মাথা চুলকানিতে অস্থির হচ্ছেন, উঁকুন তখন নিজের “চায়নিজ বুফে” নিয়ে ব্যস্ত!


নিম্ফ তিনবার চামড়া পাল্টায়, যেন মোবাইল গেমের লেভেল আপ করছে। প্রতিবার একটা আপগ্রেড! আর শেষে এসে—ডিং ডিং ডিং! সে পরিণত উঁকুন।


একবার পূর্ণবয়স্ক হলে উঁকুনের জীবন অনেকটা বলিউড সিনেমার মতো। খুব অল্প সময়, কিন্তু পুরোটাই ড্রামাটিক। উঁকুনের গড় আয়ু ৩০ দিন। কিন্তু এই এক মাসে যা করে—অনেকেই করতে পারে না এক জীবনে।


একটি স্ত্রী উঁকুন দিনে প্রায় ৮-১০টি ডিম পাড়ে। গোটা জীবনে প্রায় ১০০টা ডিম! মানে, চুলের গোড়ায় সে যেন "চুলকানি হোস্টেল" চালু করে দেয়।


উঁকুনের ভালোবাসা জীবনও অসাধারণ। একবার জোড়া বাঁধলেই—“টাইট বন্ধন”, মাফ নেই! ওরা একসাথে ঘুরে বেড়ায়, খায়, বাচ্চা তৈরি করে, চুলকানি বাড়ায়—অর্থাৎ “সুখী পরিবার, উঁকুনের জীবনধারা।” মাঝে মাঝে এজন্যই নখের মাঝে জোড়া উঁকুন ধরা পড়ে।


উঁকুনের এই ছোট্ট জীবন অনেক উত্তেজনাপূর্ণ, ঠিকই। কিন্তু এই উত্তেজনায় হঠাৎই নেমে আসে দুঃসময়—যখন মাথায় পড়ে মেডিকেটেড শ্যাম্পু। তখন উঁকুন ভাবে, “ও মা! সুনামি!”

বৃষ্টির মতো পড়ে শ্যাম্পু, চুলের জঙ্গলে আসে কম্বিং বিপ্লব। একে একে মা*রা যায় ডিম, নিম্ফ আর পূর্ণ উঁকুন। কারও পেট ভরা ছিল র*ক্তে, কেউ আবার সদ্য প্রেমে পড়েছিল—সবই শেষ।


তবে কিছু উঁকুন “চুলের গুহায়” লুকিয়ে পড়ে, তারা চিরকাল “বেঁচে থাকার রাজনীতি” করে। এই গেরিলা উঁকুনদের জন্যই মাথায় আবার ফিরে আসে চুলকানি, এবং চুলকানির সঙ্গে ফিরে আসে আরও এক ব্যাচ “ডিমবাহিনী”। 🫡 

সংগ্রিহিত.....

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...