এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫

প্রয়োজনীয় কিছু টিপস,,,,,,,,,,,,,,,,, 👇 

 প্রয়োজনীয় কিছু টিপস 👇 

১। ভাত রান্না করার আগে কিছুক্ষণ চাল ভিজিয়ে রাখুন এতে ভাত অনেক ঝরঝরা হবে। 


২। ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়ার সময় ওয়াশিং পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ বরিক পাউডার মিশিয়ে দিন। এতে ধোয়ার পর কাপড় সব একসঙ্গে জট পাকাবে না।


৩। সাদা কাপড় থেকে হালকা কোন দাগ তোলার জন্য কাপড় ধোয়ার পর ২টি পাতি লেবুর রস আধা বালতি পানিতে মিশিয়ে ভিজা কাপড় ডুবিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর তুলে না নিংড়ে মেলে দিন।


৪। বলপেনের দাগ কাপড় থেকে তুলতে চাইলে কাচা মরিচের রস ঘষে ঘষে দাগের ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর গুঁড়া সাবান দিয়ে কাপড় ধুয়ে নিন। দাগ চলে যাবে।


৫। তেল চিটচিটে তাক বা কাঠের র‍্যাক পরিষ্কার করা জন্য ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মসলিনের কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে মুছে নিন। তাকগুলো চমৎকার হয়ে উঠবে।


৬। ওয়াশ বেসিন বা সিল্ক বেসিন পরিষ্কার করার জন্য খানিকটা ফ্ল্যাট সোডা যেমন কোক-পেপসি ইত্যাদি ঢেলে দিন। ৫ মিনিট পর মুছুন। দেখুন কেমন নতুনের মত চকচকে হয়ে উঠেছে।


৭। হাঁড়ি-পাতিল থেকে পোড়া ও কালো দাগ তোলার জন্য সিরিষ কাগজে গুঁড়া সাবান লাগিয়ে ঘষুন। তারপর ধুয়ে নিন। পোড়া দাগ চলে যাবে।


৮। পুরোনো হাঁড়ি থেকে তেল কালির দাগ তোলার জন্য চা পাতা বা কফি দিয়ে ঘষুন। দেখবেন দাগ চলে যাবে।


৯। মশা, মাছি ও পিপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘর মোছার পানিতে সামান্য ডিজেল মিশিয়ে নিন। উপদ্রব বন্ধ হয়ে যাবে।


১০। ঘরের মেঝে বা যেকোন মোজাইক পরিষ্কার করার জন্য পানিতে কেরোসিন মিশিয়ে নিন ও এই পানি দিয়ে ঘর মুছে নিন। এতে মেঝে চকচক করবে।


১১। রান্নাঘরের কেবিনেট বা কাউন্টার যদি মার্বেল পাথরের হয় তাহলে পরিষ্কার করার জন্য খাবার সোডা পানিতে গুলে রাতে লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানিতে সাদা সিরকা মিশিয়ে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব দাগ চলে যাবে।


১২। রান্নাঘর থেকে পোড়া বা যেকোন গন্ধ দূর করতে চাইলে একটি পাত্রে কিছুটা সিরকা চুলায় চাপান। শুকান অবধি জ্বাল করুন।


১৩। বারান্দা বা জানালার গ্রিল পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। তারপর আধা কাপ কেরোসিন তেলের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ তুলোয় দিয়ে লাগিয়ে নিন। এতে গ্রিলে ময়লা বা জং লাগবে না।


১৪। বাসনকোসনে কোন কিছুর কষ লাগলে টক দই বা দুধের সর দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিলে দাগ দূর হয়ে যাবে।


১৫। চিনেমাটির পাত্রে দাগ পড়লে লবণ পানি দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করা যায়।


১৬। নারকেল ভাংগার পূর্বে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নারকেলটি সমান দু'ভাগে ভেঙে যাবে।


১৭। সেদ্ধ ডিমের খোসা তাড়াতাড়ি এবং ভাল ভাবে ছাড়াতে চাইলে ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


১৮। পাটালী গুড় শক্ত রাখতে চাইলে গুড়টি মুড়ির মাঝে রাখুন।


১৯। আদা টাটকা রাখার জন্য বালির মাঝে রেখে দিন।


২০। ঘি-এ সামান্য লবণ মিশিয়ে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।


২১। বিস্কুট টাটকা এবং মচমচে রাখার জন্য কৌটার মাঝে এক চামুচ চিনি অথবা ব্লটিং পেপার রেখে দিন।


২২। অপরিপক্ক লেবু থেকে রস পাওয়ার জন্য ১৫মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


২৩। রান্না তাড়াতাড়ি করার জন্য মসলার সাথে ক'ফোটা লেবুর রস মিসিয়ে দিন, দেখবেন সবজি তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।


২৪। সবজির রঙ ঠিক রাখতে ঢাকনা দিয়ে জ্বাল না দেয়াই ভালো। আর কিছু সবজি আছে যেগুলো সামান্য সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও রান্নার পরও রঙ ঠিক থাকে।


২৫। কড়াইতে গরম তেলে কিছু ভাজার সময়, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবন দিল। তাহলে আর তেল ছিটবেনা।


২৬। খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।


২৭। চিনেবাদাম ও কাজুবাদাম তেলে ভেজে পরে রান্নায় ব্যবহার করুন। খাবারের স্বাদ বাড়বে।


২৮। সেমাই বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে অনেকে বাদাম ব্যবহার করেন। বাদামে যদি তেল মেখে পরে তাওয়ায় ভাজেন তাহলে তেল কম লাগবে। নয়তো শুকনো ভাজতে গেলে তেল বেশি লাগবে।


২৯। ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুলের রস বা লেবুর রস দিয়ে দিন। তাহলে খাওয়ার সময় গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।


৩০। কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম হয়, তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কর্নফ্লাওয়ার।

এমডি আল আমিন পেজ থেকে সংগৃহীত

গল্প বহুরূপি ভালবাসা প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য

 -- পেটের উপর চু*মু দিলে কি বাচ্চা হয়ে যায় মামা।

- আরে বোকা মেয়ে পেটের উপর চু*মু দিলে বাচ্চা হয় তোমাকে কে বলেছে!

- বলতে হবে না আমি জানি। পেটের উপর চুfমু দিলে বাচ্চা হয়ে যাই।

- মামনি তুমি এখনো ও অনেক ছোট এসব বিষয় তুমি বুঝবে না কেমন। আর তোমাকে কি কেউ বলছে যে পেটের উপর চু*মু দিলে বাচ্চা হয়ে যাই।


- বলতে হবে কেন মামা। আমি তো জানি। আর সেইদিন নিজ চোখেও দেখছি।


আমি মুচকি একটা হাসি দিয়ে মাহির কপালে একটা চু*মু দিলাম।


মাহি ছোট ছোট হাত দিয়ে আমার দাঁড়ি গুলো টেনে বলল জানেন মামা।


- হু বল।


- আমি সেইদিন দেখলাম রিফাত ভাইয়া মামির পেটের উপর চুfমু দিয়ে বলছে এই পেটে আমাদের সন্তান। আমি এই বাচ্চার বাবা। আর বলল আমাদের মনে হয় মেয়ে সন্তান হবে।


- বলতেই পারে। ওর বউয়ের হয়তো তোমার মতো একটা বাবু হবে। আর তুমি ওদের বাসায় কবে গেলে।


ঠাস করে মাহি আমার গালে আস্তে করে চ*র দিয়ে বলল আরে গাধা এটা তো হল তোমার বউ। মানে আমার মামি। রিফাত ভাইয়া তোমার বউয়ের পেটে চুfমু দিয়ে বলছিল এটা আমাদের সন্তান।


মাহির কথা শুনে আমার চোখ কপালে উঠে গেল। কি বলছে এই মেয়ে। আরে না আমিও আবার এসব চিন্তা করছি। ও হয়তো পিচ্চি মেয়ে। আর রিফাত হয়তো আমাদের বাসায় কোন কাজের জন্য আসছিল। রিফাত হল আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। আর ও আমাদের বাসায় প্রায়েই আসে।‌এতে ঘাবড়ানোর কি আছে।


মাহির কপালে হাত দিয়ে বললাম মামনি রিফাত তো আমার বেস্ট ফ্রেন্ড হয়তো তোমার মামির কাছে কোন দরকারে আসছিল। তুমি হয়তো ভুল কিছু দেখেছ।


' আরে মামা আপনি এসব কি বলছেন আমি ভুল দেখছি মানে। আপনি যখন অফিসে থাকেন তখন রিফাত ভাইয়া আপনার বাসায় আসে। আমি তো প্রায় সময়েই দেখি। আর সেইদিন রিফাত ভাইয়াকে মামির পেটে চুমু খেতে আমি দেখছি। আর মামি যখন আমাকে দেখতে পাই তখন আমাকে ডেকে নিয়ে বলে তুমি কি দেখছ বল তো?

তখন আমি বলছি রিফাত ভাইয়া আপনার পেটে চুfমু খেলে কেন। আর আপনার পেটের ভিতরে কি বাচ্চা আছে মামি।

তখন মামি বলল তোমার মামার যেমন আমার উপর অধিকার আছে। তোমার রিফাত ভাইয়েও আমার উপর তেমন অধিকার আছে। আর তোমার রিফাত ভাই তোমার মামার বেস্ট ফ্রেন্ড না। এজন্য আমার উপর ওর অধিকার আছে। আর আমরা তো খেলা করছিলাম। এটাকে চুমু খেলা বলে বুঝলে। শেষে আমাকে চকলেট দিয়ে বলল আমি যেন এসব কথা কাউকে না বলি।


আসলে মামা রিফাত ভাই তো তোমার বেস্ট ফ্রেন্ড সেই হিসেবে তো ঠিকেই রিফাত ভাইয়ের মামির উপর অধিকার আছে। তাই না মামা।


মাহির কথা গুলো এক নাগাড়ে শুনলাম। পিচ্চি একটা মেয়ে। এই তো বয়স মাত্র আট কি দশ হবে। আমাদের পাশের বাসায় থাকে। ওর বড় বোনকে আমি পড়াই। কিন্তু আজকে মাহির কথা শুনে আমার বুকের এক কোনে চিনচিনে ব্যথা শুরু হয়ে গেল। নিষ্পাপ একটা মেয়ে। আর যাই বলুন ও কখনোও মিথ্যা বলবে না। নিজ চোখে যা দেখছে তাই তো বলছে ও। 

আর মিতুর সাথে আমার এক বছরের সম্পর্ক। ওর ভিতরে কখনোও আমার জন্য ভালবাসা কমতি ছিল না। এই এক বছরে এতটা পরিমানের ভালবাসা ছিল আমার জন্য বলার বাহিরে।

আর আমিও চিন্তা করতাম একটা মেয়ে এতটা পরিমানে কিভাবে ভালবাসতে পারে। আর আজকে মাহি এসব কি কথা বলল। আমার মাথা পুরো খারাপ হয়ে গেছে।

আমার জানা মতো রিফাত এই কাজ করবে না। কারন ওর বউ আছে। আর আমার বউকে বড় বোনের মতোই সম্মান করে। আর বিশেষ করে আমার বউ তিন মাসের প্রেগন্যান্ট‌। আমার যে সন্তান হবে এতে আমার পরিবার সহ আমি যে কতটা খুশি হয়েছি বলার বাহিরে। শরীরটা  এখন আমার তর তর করে কাঁপতে লাগলো। মনের ভিতরে যেন অজানা একটা ভয় ঢুকে গেল।


ঘুরে আসুন আমাদের পেইজ থেকে 


' মামা, মামা ও মামা।


মাহির কথায় হুস আসল আবার। হু মাহি বল।


- বললেন না তো মামা পেটে চুমু দিলে কি বাচ্চা হয় নাকি।


- সেসব পরে বলল। আগে বল আমি অফিসে যাওয়ার কতক্ষন পর তোমার রিফাত মামা আসে।


- এই তো মামা কখনোও কখনোও এগারোটা হয়তো। আবার কখনো ও বিকালে। কেন বলুন তো।


' না এমনেই। শুন এসব কথা কাউকে কি বলছ।


- আরে না আপনাকেই শুধু বললাম। আচ্ছা চলেন আপু কি জন্য ডাকছে আপনাকে।


- হু যাব। এখন বল পড়া শেষ করেছ তো তুমি।


' হু মামা সব পড়া শেষ। এখন শুধু আপনার জন্য অপেক্ষা করছি।


- আচ্ছা গিয়ে সমস্ত পড়া আবার রিভিশন দাও। আমি আসছি কেমন। আজকে বলবে রাতে পড়াব না। বাসায় আছি যেহেতু বিকালে তোমাদের দুই বোনকে পড়াব।


- আচ্ছা মামা। আর চকলেট আনতে কিন্তু ভুলবেন না।


' চকলেট খেতে যে টাকা লাগে ভাগ্নি সেই টাকা কে দিবে আমাকে।


মাহি চোখ বড় করে বলল তোমার কত বড় সাহস আমার কাছে টাকা চাও।


আমি তাড়াতাড়ি কান ধরে বললাম সরি সরি আমার ভুল হয়ে গেছে। 


- হু মনে থাকে যেন।


এই বলে মাহি দরজা দিয়ে বের হয়ে গেল।


জানলা কাছে গিয়ে বাহিরে আনমনে তাকিয়ে আছি। আচ্ছা মাহি যা বলছে তা যদি সত্যি হয়। এক বছরের সম্পর্ক আমাদের আমি জানি মিতু কতটা ভাল। ওর মতো ভাল কোন মেয়েই হয় না। আর রিফাত এতটা খারাপ না। ও আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। আমি জানি ও আমার বউকে কতটা সম্মান করে। মাহি যেহেতু বলছে এসব কথা একদিন দেখিই না পরিক্ষা করে। আমাদের সংসার জীবনে সন্দেহ জিনিসটা কখনোই ছিল না। কিন্তু আজকে মাহি এসব বলার পর বুকের ভিতরে অজানা একটা ভয় হচ্ছে। 

আমি আজকে বাসায় আছি দেখে মিতু আমাকে রেখে বাজারে গেছে কি জানি কিনতে। মেয়ে মানুষ অনেক শখ থাকে না।


টক টক আওয়াজে ধ্যান বাঙ্গল। মনে হয় মিতু এসেছে। দরজা খুলে দেখি সত্যি মিতু এসেছে।


এসেই আমার বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরে বলল আমার বাবুটা কি রাগ করছে আমার সাথে।


' মিতুকে ছাড়িয়ে বললাম এতটা দেরি হল যে আসতে।


- আর বল না বাজার থেকে বের হতে অনেক দেরি হয়েছে। আর এই নাও তোমার জন্য আইস্ক্রিম এনেছি। এমনেই যেই গরম পড়ছে না।


মিতুর হাত থেকে আইসক্রিম নিয়ে বিছানায় উপর বসলাম।


মিতুও আমার পাশে বসে আমার মুখের উপর তাকিয়ে বলল ওই বাবুর আব্বু তোমার কি হয়েছে।


- আরে না তেমন কিছু না। এমনেই মন খারাপ।


এটা শুনেই মিতু কান্নার সুরে বলল যেই ভালবাসার জন্য আমি সবকিছু ত্যাগ করে তোমার কাছে চলে আসছি। একদিনেও তোমার মন খারাপ হতেই দেই নাই। আজকে কেন তোমার মন খারাপ। আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বল।


হ্যা এটা সত্যি আমরা পালিয়ে বিয়ে করছি। মিতু আমার জন্য ওর ফ্যামিলি ছেড়ে আমার কাছে চলে আসছি। এটাও সত্যি ও আমার মন খারাপ কখনোও হতে দেই নাই। কিন্তু আজকে যে মাহি বলল। কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছে না এসব কথা।


- ওই তোমার কি হয়েছে হে। আমাকে বল।


- তেমন কিছু না মিতু। আচ্ছা ডাক্তারের কাছে গেছিলে।


মিতু আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল হু ডাক্তার বলছে তোমার বেবি সব আমি অনেক ভালো আছি।


- তাহলে তো ভালোই। আচ্ছা যাও এখন এক কাজ কর গিয়ে তাড়াতাড়ি রান্না কর। মাহিদের বাসায় যেতে হবে। ওদের আজকে একটু আগেই পড়াব।


' বলছি না এত কষ্ট করতে হবে না। আমাদের যা আছে এতেই তো আমাদের চলবে।


- হু। এসব বিষয়ে পরে কথা বলব কেমন। এখন তুমি গিয়ে রান্না বান্না তাড়াতাড়ি কর।


মিতু আমার ঠোঁটে একটা চুমু দিয়ে বলল তুমি অপেক্ষা কর আমি সবকিছু তৈরি করছি।


মিতু বিছানা ছেড়ে চলে গেল। শুয়ে শুয়ে চিন্তা করছি মিতুকে দেখে তো এমন মনে হয় না। ধুর পিচ্চি একটি মেয়ের কথায় আমি এত চিন্তা করছি কেন। হয়তো কোন ভুল দেখছে। হতেও পারে।


দশ মিনিট শুয়ে থাকার পর আবার মাহির কথা মনে পড়ে গেল।পিচ্চি রা কখনোও মিথ্যা কথা বলে না। আমি এটা খুব ভালো করেই জানি। মাহিকে আমি পড়াই ওর বিষয়ে তো সবচেয়ে বেশি আমি ভাল জানি

মিতু জানে আমি একবার শুয়ে থাকলে আর উঠে না।

আজকে বিছানা ছেড়ে উঠে গেলাম। দেখি তো মিতু কিচেনে কি করে।


খুব সাবধানে হেঁটে হেঁটে কিচেনের কাছে গেলাম। যেন শব্দ না হয়।অল্প অল্প করে আওয়াজ আসছে কিচেন থেকে।


উঁকি দিয়ে দেখি মিতু কার সাথে যেন কথা বলছে ফোনে। কথা গুলো ছিল এমন হে আমাদের বেবি ভাল আছে। তোমার কোন চিন্তা করতে হবে না। আর আজকে দিনটা আমাদের অনেক ভাল ছিল না। খুব ইনজয় করলাম দুইজন মিলে।কালকে কিন্তু সময় মতো চলে আসবে কেমন। অপেক্ষায় থাকব।


এগুলো শুনে মিতুর উপর আমার সন্দেহ আরো অনেক বেড়ে গেল। আমি ভাই এক মনের মানুষ। কারো উপর বেশি রাগ করতে পারি না। সবসময় নিজের মতোই চলি। আর এত চিন্তা ভাবনা করি না কখনো ও।  তবে আজকে যেন মিতুর বলা কথা গুলো মনে হচ্ছে মাহির বলা কথা গুলোর সাথে মিলে যাচ্ছে।

তাহলে কি এই সন্তান আমার না। মিতু আমাকে ধোঁকা দিল।


এসব চিন্তা করতে করতে মিতু চলে আসল। আর আমাকে আবার বিছানার উপর শুয়ে থাকতে দেখে বলল তুমি আসলেই অনেক আলসে। একবার বিছানার উপর শুয়ে থাকলে আর মনে বলে না উঠতে হু। এখন তাড়াতাড়ি উঠ আমি টেবিলে খাবার দিচ্ছি।


- হু।

গিয়ে টেবিলে বসলাম। অন্য দিনের মতোই মিতু আমাকে খাইয়ে দিল। এটা প্রতিদিনের রুটিন। এক বেলা হলেও ও আমাকে খাইয়ে দিবে।


আজকে মনটা বেশি ভাল না। এজন্য চুপচাপ খেয়ে যেই বের হয়ে যাব তখন মিতু পিছন থেকে বলল একদিন বাসায় আছ। আর আজকে আমাকে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবে তা না। আছে শুধু টাকা ইনকাম করার চিন্তা। ভাল লাগে না এসব আর।


দরজা দিয়ে বের হতে হতে বললাম তুমি তো এখন একাই ঘুরতে যেতে পার। আমাকে আবার কি দরকার।


বাসা থেকে বের হয়ে মাহিদের বাসায় যাচ্ছি। আসলেই মিতু ঠিকেই বলছে আমি শুধু টাকা টাকা করি। আরে ভাই তুই বুঝবি কি টাকা ছাড়া এই পৃথিবীতে কেউ কাউকে মূল দেয় না। সবাই ফক্কিনি বলবে। তবে কি আমি মিতুকে সময় দিতে পারি নাই বলে এসব করছে। হতেও পারে।


দাঁড়া আমাকে একটু সময় দে। আমি আস্তে আস্তে সব ঠিক করে নিব। যদি মাহির কথা সত্যি হয় না। মারবোও না কাটব না। একেবারে জন্মের ঠিক করে ফেলব। 


কলিং বেল বাজতেই সেতু এসে দরজা খুলল। সেতু হল মাহির বড় বোন। ও ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে।


- কি ব্যাপার মনজিল ভাইয়া আজকে যে এত আগে।


' এই তোমরা আমাকে কি পেয়েছ হে। তুমি ডাক ভাইয়া। মাহি ডাকে মামা।


ভিতর থেকে আন্টি বলে উঠল আমি তাহলে তোমাকে আংকেল ডাকি নাকি।


সাথে অংকেলেও বলে উঠল আমি তাহলে কি ডাকব।


আমি ভিতরে গিয়ে ওনাদের সামনের দাঁড়িয়ে বললাম এই বাসার পুরো ফ্যামিলি পাগল হয়ে গেছে। এখন খুব ভাল করেই বুঝতে পারছি।


- আন্টি হাসি দিয়ে বলল আমাদের সাথে তাহলে তুমি আরো বড় পাগল।


' আচ্ছা ভাই আমি পাগল হয়েছে। এই সেতু গিয়ে পড়া বের কর। আমি আসছি।


আসলেই ওঁদের পরিবারের সাথে আমি অনেক ফ্রি। কথাবার্তা শুনে হয়তো বুঝে গেছেন।


সেতু যেতেই আন্টি আমার দিকে তাকিয়ে বলে উঠল দিন কাল কেমন যাচ্ছে বাবা।


- বেশি একটা ভাল না আন্টি।


' কেন বাবা। তোমার আবার কি হয়েছে।


- পরে একদিন বলল। এখন গিয়ে ওদের পড়াই। নয়লে আবার দুই বোন মারামারি লেগে যাবে।


আংকেল হাসতে হাসতে বলল তুমি পারও ওদের সামলাতে। আচ্ছা যাও গিয়ে দেখ কি করে ওরা। আর যাবার আগে আমার সাথে একবার দেখা করে যাবে কেমন।


আংকেলের কথা শুনে একটু খুশি হলাম। মাসেও শেষ। মনে হয় টাকা দিবে। টাকা পেলেই আমি সব ভুলে যাই। আহা রে টাকা। ও টাকা তর জন্য কত কি করা।


আজকে পড়াতে গিয়ে মন বলছে না। আমার বউয়ের রহস্য যেভাবেই হোক না কেন আমাকে এর সমাধান বের করতেই হবে।


মাহিকে কিছুক্ষণ পড়তেই বলল ওর মাথা ব্যথা করছে এজন্য ছুটি দিয়ে দিয়েছি।


হঠাৎ সেতু বলে উঠল ভাইয়া আপনাকে একটা কথা বলার ছিল।


' হু সেতু বল। কি বলতে চাও।


- আসলে কিভাবে যে বলি। বললে আবার রাগ করবেন না তো আপনি।


- আরে না রাগ করব কেন? আবার তোমার সাথে বল। 


- ভাইয়া কয়েকদিন ধরে একটা বিষয় খেয়াল করছি রিফাত ভাইয়া আপনার বাসায় বেশি আসা যাওয়া করে। হয়তো ভাবছিলাম ও আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড এজন্য আপনার বাসায় যেতেই পারে। কিন্তু ইদানিং একটু আসা যাওয়াটা বেশি। শুধু আমি না অনেকেই মনে করে ইয়ে মনে। কিভাবে যে বলি আপনাকে। শুধু আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড বলে ওকে কেউ কিছু বলে না। আপনি আবার মন খারাপ করবেন না


' আরে না না। মন খারাপ করার কি আছে। আচ্ছা সেতু তুমি কি কিছু দেখছে কেন আসে রিফাত। আর কিসের জন্য।


- আপনি ছাড়া কখনো ও আপনার যাওয়ার সাহস হয় নাই। আপনি থাকলে যাই। নয়নে না। তবে আমার একটু রিফাত ভাইয়ের উপর সন্দেহ লাগছে। আমি জানি আমার কথা শুনে আপনার মন খারাপ হতে পারে কিন্তু ভাইয়া।


' সেতু থাক আর বলতে হবে না। বিষয়টা আমি দেখছি। এখন এই অংক গুলো কর। বিষয়টাকে আর সামনে এগুলাম না।


আমার মাথা এখন পুরোপুরি খারাপ হয়ে গেছে। এতকিছু আমার বাসায় হয়ে যাচ্ছে আমি নিজেও জানি না এসব । হঠাৎ করেই কেমন জানি একটা কষ্টের অনুভূতি হল। মনে হচ্ছে যেন আমি আমার প্রিয়জনকে হারিয়ে ফেলছি।


সবসময় আমি মাসের বেতন হাতে পেলে অনেক খুশি হতাম। কিন্তু আজকে হাতে এই প্রথম টাকা পাওয়ার পরেও মন খারাপ।sneh0st0ryhub


জানি না কেন এরকম হল। তবে আমার এর একটা সমাধান বের করতেই হবে। মিতুর পেটের বাচ্চা যদিও শুনি আমার না। আর ও যদি পরকিয়ার সাথে জড়িত হয়ে যাই। বেশি কিছু করা যাবে না ওকে। কারন ওর পেটে এখন তিন মাসের বাচ্চা আছে। মারধর করলে সমস্যা হবে।কিন্তু আমার কি কোন দোষ ছিল আমার সাথেই বা কেন বেইমানি করল মিতু।


রাতে কোন রকম রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লাম। মিতু আমার বুকের মাঝে মাথা দিয়ে প্রতিদিনের মতোই ঘুমিয়ে গেল। কি মায়াবী ওর চেহারা। একবার ওকে দেখলেই আমার মন শান্ত হয়ে যাই। এমন একটা মেয়ে এসব কারতেই পারে না। কিন্তু মাহি আর সেতুর বলা কথাও তো আর মিথ্যা হতে পারে না। একজন নাহয় মিথ্যা বলল আরেকজন। 


বাসায় কিছু টাকা দিতে হবে। শুনছি আম্মু একটু অসুস্থ। জীবনটাই শেষ করে ফেলছি টাকার পিছনে ছুটে। এই ফ্লাটটা কিনতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। খুব পরিশ্রম করছি জীবনে। যাদের জন্য এতকিছু করলাম তারা যদি দিন শেষে বেইমানি করে কেমন লাগবে তখন বলেন।


এসব চিন্তা করতে করতে ঘুমিয়ে গেলাম।


সকালে রেডি হয়ে অফিসে চলে যাব এই মুহূর্তে মিতু এসে আমার কপালে একটা চুমু দিয়ে বলল কোন মেয়ের দিকে চোখ তুলে তাকাবা না। চুপচাপ গিয়ে অফিস করে চলে আসবে কেমন। আমি তোমার অপেক্ষায় আছি উম্মা।

আজকে আর মিতুর দিকে বেশি একটা মায়া লাগল না। সরাসরি বাসা থেকে বাহির হয়ে গেলাম। খুর চিন্তা করছি কিভাবে কি করা যাই।

অফিসে গিয়ে শুনি....


চলবে  _______________


গল্প বহুরূপি ভালবাসা


#highlightseveryonefollowers #highlightsシ゚ #everyonefollowers #photo #love #viralpost2025シ #photochallenge #story #viralpost #historylovers

স্বামী স্ত্রী দুজনে মিলে পড়ুন হয়তো কিছু সমস্যার সমাধান পেয়েও যেতে পারেন।

 দুজনে মিলে পড়ুন হয়তো কিছু সমস্যার সমাধান পেয়েও যেতে পারেন।

যদি ভাবেন আপনার দাম্পত্যে সমস্যা একমাত্র আপনার জীবনে—তাহলে আপনি ভুল করছেন। এমন হাজারো পরিবারে প্রতিদিন অসংখ্য ছোটখাটো কথা থেকে বড় বড় কলহ জন্ম নিচ্ছে। শুধু পার্থক্য হলো—কেউ সেটাকে লুকিয়ে রাখছে, কেউ লড়ছে, আর কেউ হাল ছেড়ে দিচ্ছে। কিন্তু একটা কথা মনে রাখুন—সম্পর্ক ভাঙার আগে, একবার বোঝার চেষ্টা করা জরুরি, সমস্যাটা কোথা থেকে শুরু হলো?


✴️"একটা গল্প, একটা যুদ্ধ, দুইটা জীবন"

একদিন সকালে ঘুম ভাঙল, পাশে তাকিয়ে দেখলেন একজন ঘুমিয়ে আছে—আপনার গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। সে শুধু একজন সঙ্গী নয়, বরং আপনার প্রতিদিনের অসমাপ্ত বাক্যের পরিপূর্ণতা।


✴️✴️ বিয়ে কি শুধু একটা অনুষ্ঠান? নাকি জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত?


বিয়েতে সত্যিকারের সৌন্দর্য তখনই আসে, যখন সম্পর্ক বর্ষার মতো ধৈর্যশীল হয়, শীতের মতো উষ্ণতা দেয়, বসন্তের মতো সৌরভ ছড়ায়, আর শরতের মতো প্রশান্তি আনে। এভাবে একসঙ্গে গড়ে ওঠে এক অনন্য বন্ধন।

"সুখী দাম্পত্য মানে ঝামেলা নেই, এমনও নয়—বরং ঝামেলার পরও একসঙ্গে থাকার ইচ্ছাটাই  প্রধান।"

বিয়ে নিখুঁত নয়। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে ভালোবাসার চেয়েও বেশি কিছু লাগে—ধৈর্য, বোঝাপড়া, দায়িত্ববোধ।


✡️✡️✡️বিয়ে মানে ঝামেলা? নাকি মুক্তি?

বিয়ে সেই স্বাধীনতা, যেখানে আপনি নিজের আসল রূপ খুঁজে পাবেন। সেই সম্পর্ক, যেখানে আপনার দুর্বলতা নিয়ে ভয় পাওয়ার দরকার নেই, কারণ একজন হয়তো আপনাকে বলবে—"তোমার” অপূর্ণতাগুলো এখন  “আমাদের”।

জীবন একটা গল্প, যেখানে কিছু পথ একা চলা যায়, আর কিছু পথে সঙ্গী দরকার। বিয়ে মানে সেই সঙ্গীকে খুঁজে পাওয়া, যার সঙ্গে পাহাড়ে চড়বেন, সমুদ্র দেখবেন, হেরে যাবেন, জিতবেন—কিন্তু কখনো একা থাকবেন না।


🎇দাম্পত্য কলহ কী?


দাম্পত্য কলহ মানে শুধু ঝগড়া বা উচ্চস্বরে তর্ক নয়। এটি একধরনের মানসিক সংঘাত, যেখানে দম্পতিরা একে অপরের আবেগ, চাহিদা ও প্রত্যাশা বুঝতে ব্যর্থ হন, অথবা বুঝেও তা পূরণ করতে অনিচ্ছুক থাকেন। এটি কখনও সরাসরি প্রকাশিত হয়, আবার কখনও '𝙨𝙞𝙡𝙚𝙣𝙩 𝙬𝙖𝙧' এর মতো ভিতরে ভিতরে পুড়ে যেতে থাকে।


🎇গবেষণালব্ধ তথ্য (𝙍𝙚𝙨𝙚𝙖𝙧𝙘𝙝 𝙃𝙞𝙜𝙝𝙡𝙞𝙜𝙝𝙩𝙨):


✡️১. 𝙃𝙖𝙧𝙫𝙖𝙧𝙙 𝙎𝙩𝙪𝙙𝙮 (2020): ৭৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই গবেষণায় দেখা যায়, একটি ভালো দাম্পত্য সম্পর্ক মানসিক স্বাস্থ্যের প্রধান রক্ষাকবচ। অথচ, বিষাক্ত দাম্পত্য সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষকে শারীরিকভাবেও অসুস্থ করে তোলে।


✡️২. 𝙄𝙣𝙙𝙞𝙖𝙣 𝙅𝙤𝙪𝙧𝙣𝙖𝙡 𝙤𝙛 𝙋𝙨𝙮𝙘𝙝𝙞𝙖𝙩𝙧𝙮 (2019): গবেষণায় প্রকাশ, দীর্ঘমেয়াদি দাম্পত্য কলহে থাকা নারীদের মধ্যে বিষণ্ণতা (𝘿𝙚𝙥𝙧𝙚𝙨𝙨𝙞𝙤𝙣) এবং আত্মসম্মান হ্রাস (𝙡𝙤𝙬 𝙨𝙚𝙡𝙛-𝙚𝙨𝙩𝙚𝙚𝙢) প্রায় ৬৫% বেশি।


✡️৩. 𝙉𝘾𝙀𝙍𝙏 এবং 𝙉𝙄𝙈𝙃𝘼𝙉𝙎-এর যৌথ সমীক্ষা (2021): দাম্পত্য কলহের কারণে সন্তানদের মধ্যে ৪৫% ক্ষেত্রে আচরণগত সমস্যা (𝙘𝙤𝙣𝙙𝙪𝙘𝙩 𝙙𝙞𝙨𝙤𝙧𝙙𝙚𝙧), ৩৫% ক্ষেত্রে ঘুম বা খাওয়ার সমস্যা এবং ২৮% ক্ষেত্রে স্কুল ফোবিয়া দেখা যায়।


✡️৪. 𝘼𝙋𝘼 (𝘼𝙢𝙚𝙧𝙞𝙘𝙖𝙣 𝙋𝙨𝙮𝙘𝙝𝙤𝙡𝙤𝙜𝙞𝙘𝙖𝙡 𝘼𝙨𝙨𝙤𝙘𝙞𝙖𝙩𝙞𝙤𝙣): দাম্পত্য দ্বন্দ্বে জড়িত পুরুষদের মধ্যে ৪০% এর বেশি ক্ষেত্রে “𝙚𝙢𝙤𝙩𝙞𝙤𝙣𝙖𝙡𝙡𝙮 𝙪𝙣𝙖𝙫𝙖𝙞𝙡𝙖𝙗𝙡𝙚” থাকার প্রবণতা দেখা যায়, যা সম্পর্কের বন্ধন নষ্ট করে।


🎇দাম্পত্য কলহের প্রধান কারণসমূহ


✴️✴️স্বামীর দিক থেকে:


✴️১. আবেগ চেপে রাখা (𝙀𝙢𝙤𝙩𝙞𝙤𝙣 𝙎𝙪𝙥𝙥𝙧𝙚𝙨𝙨𝙞𝙤𝙣):

নিজের কষ্ট, হতাশা প্রকাশ করতে না পারা, যা স্ত্রীকে ভুল বুঝতে বাধ্য করে।


✴️২. বিষাক্ত পুরুষত্ববোধ (𝙏𝙤𝙭𝙞𝙘 𝙈𝙖𝙨𝙘𝙪𝙡𝙞𝙣𝙞𝙩𝙮):

স্বামী নিজেকে কর্তৃত্বশালী মনে করে, স্ত্রীর মতামতকে অবহেলা করে।


✴️️৩. অর্থনৈতিক চাপ বা ব্যর্থতা:

আয় কম বা চাকরিহীনতা থেকে জন্ম নেওয়া হীনমন্যতা কলহ সৃষ্টি করে।


✴️️৪. আত্মকেন্দ্রিকতা:

শুধু নিজের সুবিধা দেখার অভ্যাস, স্ত্রীর আবেগিক প্রয়োজনকে অগ্রাহ্য করা।


✴️️৫. ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব দেখানো:

সংসারে এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং স্ত্রীকে অমান্য করা।


✴️️৬. আর্থিক দায়িত্ব এড়ানো:

সংসারের অর্থনৈতিক দায়িত্ব না নেওয়া বা খরচের স্বচ্ছতা না রাখা।


✴️️৭. স্ত্রীর ইচ্ছা অবহেলা করা:

স্ত্রীর অনুভব, ইচ্ছা বা চাওয়া গুরুত্ব না পাওয়ায় সে অভিমানী হয়ে পড়ে।


✴️️৮. অতিরিক্ত পরিবার নির্ভরতা:

স্বামীর সিদ্ধান্তে সবসময় মা বা পরিবারের প্রভাব থাকা।


✴️৯. নিরবতা বা রাগের অভ্যাস:

ঝগড়া না করেও কথা বন্ধ রাখা, যা মানসিক দূরত্ব তৈরি করে।


✴️️১০. পরকীয়া বা গোপন সম্পর্ক:

বিশ্বাসভঙ্গ থেকে গভীর আঘাত ও সম্পর্ক বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়।


🔯🔯স্ত্রীর দিক থেকে:


✴️️১১. অতিরিক্ত প্রত্যাশা ও তুলনা:

স্বামীকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করা এবং অবাস্তব চাহিদা রাখা।


✴️️১২. সন্দেহ বা দোষারোপের প্রবণতা:

বিষয়-বস্তু যাচাই না করে সন্দেহ করা ও নেতিবাচক মনোভাব।


✴️১৩. আত্মনির্ভরতার অভাব:

অল্প কিছুতেই অসহায় বোধ করে স্বামীর উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা।


✴️️১৪. আবেগিক চাপ ও অভিমান:

নিজের কষ্ট, অভিযোগ প্রকাশ না করে মন খুলে কথা না বলা।


✴️️১৫. প্রশংসার অভাব থেকে অসন্তোষ:

নিজের কাজের বা ভূমিকার স্বীকৃতি না পেয়ে রাগ ও বিরক্তি জন্ম নেওয়া।


✴️১৬. দাম্পত্য জীবনে একঘেয়েমি অনুভব:

সম্পর্কে রোমান্স বা সংযোগের অভাবে বিষণ্ণতা তৈরি হওয়া।


✴️️১৭. অতিরিক্ত পারিবারিক চাপ (শ্বশুরবাড়ি কেন্দ্রিক):

স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে বাইরের হস্তক্ষেপ থেকে মানসিক অস্থিরতা।


✴️️১৮. যোগাযোগের অভাব:

মনের কথা না বলা বা ভুলভাবে বোঝানো থেকে দ্বন্দ্ব তৈরি হওয়া।


✴️১৯. আত্মসম্মান সংক্রান্ত স্পর্শকাতরতা:

স্বামী হালকা করে কিছু বললেই অপমান অনুভব করা এবং প্রতিক্রিয়াশীল হওয়া।


✴️️২০. যৌন ও আবেগিক চাহিদা পূরণ না হওয়া:

সততার সঙ্গে যৌনতা ও ভালোবাসা নিয়ে কথা না বলায় মানসিক দূরত্ব বেড়ে যাওয়া।


🎇দাম্পত্য কলহের পরিণতি (𝙋𝙨𝙮𝙘𝙝𝙤𝙡𝙤𝙜𝙞𝙘𝙖𝙡 & 𝙎𝙤𝙘𝙞𝙖𝙡 𝙊𝙪𝙩𝙘𝙤𝙢𝙚𝙨):


✡️১. 𝙀𝙢𝙤𝙩𝙞𝙤𝙣𝙖𝙡𝙡𝙮 𝘼𝙗𝙨𝙚𝙣𝙩 𝙍𝙚𝙡𝙖𝙩𝙞𝙤𝙣𝙨𝙝𝙞𝙥: পাশাপাশি থেকেও একে অপরের জীবন থেকে দূরে থাকা।

✡️২. 𝘾𝙝𝙧𝙤𝙣𝙞𝙘 𝘼𝙣𝙭𝙞𝙚𝙩𝙮 & 𝘿𝙚𝙥𝙧𝙚𝙨𝙨𝙞𝙤𝙣: দীর্ঘদিন ধরে চলা মানসিক টানাপোড়েন উদ্বেগজনিত রোগ সৃষ্টি করে।

✡️৩. 𝘼𝙩𝙩𝙖𝙘𝙝𝙢𝙚𝙣𝙩 𝘿𝙞𝙨𝙤𝙧𝙙𝙚𝙧 𝙞𝙣 𝘾𝙝𝙞𝙡𝙙𝙧𝙚𝙣: সন্তানদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা, কম আত্মবিশ্বাস ও সম্পর্কভীতি তৈরি হয়।

✡️৪. 𝘿𝙞𝙨𝙧𝙪𝙥𝙩𝙚𝙙 𝘾𝙤𝙢𝙢𝙪𝙣𝙞𝙘𝙖𝙩𝙞𝙤𝙣 𝙋𝙖𝙩𝙩𝙚𝙧𝙣: একসময় কথাই হয় না, বা কথা হলেই ঝগড়া হয়।

✡️৫. শারীরিক অসুস্থতা: স্ট্রেস থেকে হরমোনাল সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা হয়।

✡️৬. বিচ্ছেদ নয়, কিন্তু “𝙀𝙢𝙤𝙩𝙞𝙤𝙣𝙖𝙡 𝘿𝙞𝙫𝙤𝙧𝙘𝙚” ঘটে: যে দাম্পত্যে ভালোবাসা নেই, কেবল টিকে থাকার চেষ্টাই বাকি।

✡️৭. সামাজিক সম্মান ক্ষয় ও পারিবারিক জটিলতা: বিশেষ করে সন্তান ও সমাজের কাছে মানসিক ভার বহন।


🎇দাম্পত্য কলহ প্রতিরোধে ১৫টি প্রয়োজনীয় পরামর্শ (𝘿𝙚𝙚𝙥 𝙋𝙨𝙮𝙘𝙝𝙤𝙡𝙤𝙜𝙞𝙘𝙖𝙡 𝙍𝙚𝙢𝙚𝙙𝙞𝙚𝙨):


1⃣ নিজেদের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বাড়ান।

শুধু 𝙄𝙌 না, বরং একে অপরের আবেগ, ভাষা, দুঃখ বুঝতে শিখুন।


2⃣ “𝙍𝙚𝙖𝙘𝙩” নয়, “𝙍𝙚𝙨𝙥𝙤𝙣𝙙” করুন।

ঝগড়ার সময় উত্তর না দিয়ে কিছুক্ষণ থেমে নিজের প্রতিক্রিয়া ভেবে নিন।


3⃣ স্মৃতি নয়, মুহূর্ত গড়ুন।

সপ্তাহে অন্তত একদিন একসঙ্গে সময় কাটান – বিনা অভিযোগে।


4⃣ কথার মধ্যে ‘সমালোচনার বিষ’ ঢুকাবেন না।

যেমন: “তুমি কিছুতেই ঠিক করো না” – এই ধরনের বাক্য সম্পর্ক নষ্ট করে।


5⃣ আত্মসম্মান ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখুন।

রাগ বা হতাশায় কাউকে অপমান করা সম্পর্কের সবচেয়ে বড় ক্ষতি।


6⃣ ভুল মেনে নেওয়ার সাহস রাখুন।

ক্ষমা চাওয়া মানেই ছোট হওয়া নয়; বরং শক্ত সম্পর্কের ভিত।


7⃣ আপনার পার্টনারকে ‘শুনুন’, ‘বুঝুন’ ও ‘বলার সুযোগ দিন’।


8⃣ যৌনতা নিয়ে খোলামেলা আলাপ করুন।

মৌন চাহিদা বা অসন্তুষ্টি দাম্পত্যে অদৃশ্য দূরত্ব তৈরি করে।


9⃣ সামাজিক মিডিয়ার সঙ্গে নিজস্ব জীবনের তুলনা করবেন না।


1⃣0⃣ নিজেকে প্রতিদিন আপডেট করুন।

আর্থিক, মানসিক, সামাজিকভাবে নিজের উন্নয়নে মন দিন।


1⃣1⃣ সন্তানদের সামনে কলহ করবেন না।

তারা বোবা দর্শক হলেও, মনের গভীরে ক্ষত তৈরি হয়।


1⃣2⃣“𝘾𝙤𝙪𝙥𝙡𝙚 𝙏𝙝𝙚𝙧𝙖𝙥𝙮” বা “𝙈𝙖𝙧𝙧𝙞𝙖𝙜𝙚 𝘾𝙤𝙪𝙣𝙨𝙚𝙡𝙡𝙞𝙣𝙜” নিতে দ্বিধা করবেন না।

থেরাপি মানেই পাগল না, বরং সচেতনতার পরিচয়।


1⃣3⃣বাবা-মা বা আত্মীয়দের হস্তক্ষেপ এড়িয়ে চলুন।

নিজেদের দ্বন্দ্ব নিজেরাই মেটান।


1⃣4⃣ একসঙ্গে ভবিষ্যতের স্বপ্ন গড়ুন।

দাম্পত্য শুধু বর্তমান নয়, বরং ভবিষ্যতের একসাথে হাঁটা।


1⃣5⃣ ভালোবাসার ছোট ছোট অভিব্যক্তি বজায় রাখুন।

‘ধন্যবাদ’, ‘আমি পাশে আছি’, ‘তুমি ছাড়া চলে না’ – এসব বলুন।


একটি সম্পর্ক ভেঙে পড়ার আগে ধ্বংসের সংকেত দেয়—শুধু আমরা সেটা দেখতে পাই না বা গুরুত্ব দিই না। দাম্পত্য কলহ তখনই ভয়ংকর হয়ে ওঠে, যখন দুইজনের কেউ “শুনতে” চায় না, বুঝতে চায় না।


আপনার জীবনসঙ্গীকে প্রতিপক্ষ নয়, “সহযোদ্ধা” ভাবুন। জীবনের প্রতিটি ধাপে হাতে হাত রেখে হাঁটার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে একটি সুন্দর দাম্পত্যের চাবিকাঠি।


#সংগৃহীত

আমি সপ্তাহে অন্তত ২ দিন আমার স্বামীকে একটু স্পেশাল ফিল করাই...,, লেখক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

 আমি সপ্তাহে অন্তত ২ দিন আমার স্বামীকে একটু স্পেশাল ফিল করাই...

এই যেমন....তার হাত,পা,মুখ,চুল সব কিছুর যত্ন নেই....

হাত পা ঘরে পেডিকিউর-মেনিকিউর করে দেই.....(কারণ যেই হাত-পা গুলো রোদ-ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে থেকে আমাদের সুখের জন্য নিজেদের সেরাটা দিয়ে যায়...তাদের ও একটু যত্নের প্রয়োজন)

তাই সে বাসায় আসলে খুব যত্ন করে ভালোবেসে হাত-পা পেডিকিউর-মেনিকিউর করে দেই । 

সারাদিন পরিশ্রমে তার মুখের অবস্থাও ১২টা বেজে থাকে..তখন মুখে ফেসিয়াল করে দেই,মুখের লোম তুলে দেই , ব্ল্যাকহেডস-হোয়াইটহেডস তুলে দেই..স্ক্রাব করি,সিরাম,শিট মাস্ক,মাড মাস্ক,ময়েশ্চারাইজার,ফেস প্যাক সব লাগিয়ে দেই...তার আগে ভালোমতো ক্লিন করে নেই..এরপর আমি ঘরে নিজে যে ক্রিম টা বানাই সেটা লাগিয়ে দেই..

ঠোটে স্ক্রাব করি,ঠোটের যে প্যাক আছে ওটা লাগিয়ে দেই..এরপর লিপ বাম বা ওয়েল দেই...

মাথায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম হেয়ার প্যাক লাগিয়ে দেই....বাসায় শ্যাম্পু বানিয়ে তার চুলে দেই..

তার পুরো শরীরে অলিভ ওয়েল গরম করে মালিশ করে দেই খুব ভালোভাবে....যাতে সে উৎফুল্ল অনুভব করে এবং সারাদিন এর কষ্ট ভুলে যায়...মাথা ম্যাসাজ করে দেই হট ওয়েল দিয়ে...(এই ২ টা কাজ প্রতিদিন করি)

সারাদিন আমাদের সুখের জন্য নিজেদের সেরাটা দিতে গিয়ে তারা তাদের নিজেদের যত্নটাই ভুলে যায়....

তাই আমাদের ও উচিত আমাদের সেরাটা দিয়ে তাদের যত্ন পরিপূর্ণ ভাবে নেওয়া..

ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল স্বামীরা..

অনেকে বলেন বাচ্চা আছে কি? বাচ্চা থাকলে এসব করা সম্ভব না...অনেকে বলেন আজাইরা অনেকে বলে এত সময় কই পান???..অনেকে বলেন তাদের হাজবেন্ড এর ধৈর্য নাই এত কিছু করার...ইত্যাদি 

তখন তাদের কাছে প্রশ্ন ইসলামি লাইফ মেইনটেইন করেন তো????

৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন তো ?

যদি এই ইসলামি লাইফ মেইনটেইন করতেন তাহলে এই কথাটা কখনো বলতেন না যে এত সময় কই পান..আজাইরা ইত্যাদি... 

তখন বুঝতেন এত সময় কোথা থেকে পাই!!!

আর আমার একটা মেয়ে বাচ্চা আছে বয়স ১১ মাস...মার্চ এর ১৫ তারিখ ১ বছর হবে.....আর আমার বিয়ের বয়স ২ বছর হবে মে মাসের ২৮ তারিখ...

আমার হাজবেন্ড কাজ শেষ করে রাত ১২/১/২ টা বাজেও আসে ঘরে..তখন আমি তাকে এসব ঘরে দেই...সে ঘুমায় আর আমি তার যত্ন নেই.... পুরো শরীরে হট অয়েল ম্যাসাজ করি...এতে শরীর ও মন অনেক রিল্যাক্সিং হয়। 

মাথা ম্যাসাজ করি...বোল এ গরম পানি নিয়ে হাত পা ধুয়ে দেই..লোশন বা তেল মেখে দেই...মোট কথা তার পুরো যত্ন ও কেয়ার আমি করি

তাকে করতে দেইনা....সে খুব খুশিই হয়

মাথা ম্যাসাজ ও শরীর ম্যাসজ প্রতিদিন করি..এতে তার শরীর ও মন প্রফুল্ল থাকে..

তার পছন্দের খাবার রান্না করি...সে প্রতি শুক্রবার রান্না করে বাসায় নিজের হাতে...

নামাজ পড়ি,কোরআন পড়ি,তালীম করি,ইসলামিক লাইফ মেইনটেইন করি,বাচ্চা সামলাই,সংসার সামলাই,স্বামীর সেবা করি

আলহামদুলিল্লাহ

আর অনেকে বলেছেন যৌথ পরিবারে সম্ভব নয় এসব করা....

কিন্তু আমি যৌথ পরিবারে থেকেই সব করি...কে কি বলল কে কি ভাবল তা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই...। 

কারণ তারা স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া লাগাতে পারবে...মনেমালিন্য ভুল বুঝাবুঝি তৈরি করতে পারবে...সংসার ভাংতে পারবে..কিন্তু তারা কখনো স্বামী স্ত্রীর মোহাব্বত ভালোবাসা সৃষ্টি করতে পারবে না...তাই কে কি ভাবল আর কে কি বলল তা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই।

-- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

গল্প-  শত হলেও মা। পর্ব ১  জাকিয়া হোসেইন তৃষা

 প্রথম যেদিন দেখলাম বড় মেয়ের বরের সাথে হাতাহাতি করে ছোট মেয়েটা চিপস খাচ্ছে ভালো লাগেনি। সাথে সাথে আমার মিসেস কে ডেকে বললাম - নিশা কে বলবা দিশার বরের সাথে এত মাখামাখি না করতে। 

আমার স্ত্রী তো রেগে আগুন। সে বলল - ছোট মানুষ দুলাভাই এর সাথে একটু দুষ্টামি করে এতেও তোমার সমস্যা?

আমি আর কথা বাড়ালাম না। আমার স্ত্রীর সাথে তর্কে পারবো না। তাও আবার নিশার ব্যাপারে। 

বিয়ের অনেক বছর আমাদের সন্তান হচ্ছিলোনা। এরপর কলিগ ও বন্ধুদের কথায় একজন মেয়ে সন্তান পালক নেই। সবাই বলছিলো পালক বাচ্চা নিলে এরপর আল্লাহ খুশি হয়ে বাচ্চা দেন। সে কথার উপর বিশ্বাস রেখে একদম ছোট মা মরা ১৩ দিনের দিশাকে মাত্র ৫ হাজার টাকায় তার দাদির থেকে কিনে ঘরে আনি। আমার স্ত্রী খুব খুশি ছিলো। একদম পুতুলের মত আদর যত্ন করতো। আমিও তাকে অনেক আদর করতাম। দিশাকে বাসায় আনার পর থেকে আমার রহমত বরকত বেড়ে গেলো।

বছর না ঘুরতেই আল্লাহর রহমতের দুয়ার খুলে গেলো। আমার স্ত্রী ৮ বছর পর সন্তান সম্ভাবা। নিশা হওয়ার আগে পর্যন্ত আমার স্ত্রী দিশাকে চোখে হারাতো। এত আদর করত যে আমার দেখেই শান্তি লাগতো। 

কিন্তু নিশা হবার পর থেকেই আমার স্ত্রী দিশাকে তেমন যত্ন করত না। কেমন যেন আপন পরের খেলা শুরু হয়ে গেলো। মেয়ে দুইটা বড় হচ্ছিলো পিঠাপিঠি। আমি দুইজনকে সমান আদরই করতাম। কোনদিন আমার আদরের ঘাটতি ছিলো না। 

দিশা ছিলো ভীষন মায়াবি সাথে মেধাবিও। 

নিশার গায়ের রং শ্যামলা। আমার মত দেখতে হয়েছে। এতে তার মায়ের চিন্তার কোন শেষ নাই।

তাই দিশার কলেজে পরা অবস্থাতেই সে আমাকে খুব বুঝিয়ে বাঝিয়ে দিশার জন্য পাত্র দেখতে বলে। আমি রাজি ছিলাম না। তারপর কোন এক হুজুগের মাথায় রাজি হয়ে গেলাম। ভালো ভালো সম্মন্ধ আসা শুরু করলো। এর মধ্যে একজনের সাথে কথায় বনিবানা হয়ে যাওয়ায় সেখানে বিয়ে ঠিক করি। 

দিশা সাহস করে মানা করতে পারে নি। কারন এত বছরে সে জেনে গেছে সে পালিতা সন্তান। আর সেটা আমার স্ত্রী একদিন রাগের মাথায় বলেই ফেলল। আমি দিশাকে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করেছি যে - তোমার মা রাগ হয়ে একথা বলেছে। এটা সত্য না। 

কিন্তু মেয়ে আমার ততদিনে জেনেই গিয়েছে মায়ের আচরন ছোট থেকে তার যাথে ভিন্ন হবার কারণ ছিলো সে পালিতা। 

তাই আর মেয়ে মুখ ফুটে বলতে পারেনি সে বিয়েতে এখন রাজি না। সে পড়তে চায়।

আর আমার স্ত্রীর জোরে আমিও আর কিছু বলতে পারিনাই।

এদিকে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হয়ে গেলো।

দিশার এর মধ্যে ইন্টারমিডিয়েটের রেজাল্ট হলো। সব বিষয়ে এ+ পেলো মেয়ে আমার। 

ঠিক অপরদিকে আমার আপন সন্তান পড়াশোনায় তেমন ভালো ছিলো না।

দেখতে দেখতে বিয়ের দিন চলে আসলো। 

দিশাকে বিয়ে দিয়ে বরের হাতে তুলে দিলাম। 

ও বাসা ছাড়ার পর খুব হাহাকার লাগত আমার। আমার স্ত্রী বলত - পালক পালকই! দেইখো বিয়ের পর এই মেয়ে তোমার কোন খোঁজ নিবে না।

কিন্তু তাকে মিথ্যা প্রমান করে দিশা আমার অনেক খোঁজ খবর রাখত।

সুযোগ পেলেই বেড়াতে আসতো। 

বিয়ের ৭ মাস পার হয়ে গেলো। মেয়েকে সুখীই মনে হতো। হাসিখুশি দেখলে সবার তাই মনে হওয়া স্বাভাবিক।

সেদিন নিশার সাথে দিশার বরের ওমন মাখা সম্পর্ক আমার একার চোখে ধরা দেয়নি। অনেক আগে থেকেই দিশা তা টের পেয়েছিলো। 

সেদিন বাসা ছাড়ার সময় দিশা বলল - আব্বা আমি এখন মাসে মাসে বেড়াতে আসবো না। আপনি যায়েন আম্মাকে নিয়ে আমার বাসায়।

আমি এর মধ্যে অন্য কিছু নিয়ে ভাবি নি। 

একদিন হুট করে দিশা রাতে এসে বাসায় উঠলো।

চোখ মুখ ফোলা। গালে চড়ের দাগ।

আমি তাড়াহুড়ো করে তাকে হাত ধরে খাটে বসিয়ে পানি খেতে দিলাম। আর জিজ্ঞাসা করলাম - কি হয়েছে তোমার?

সে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো।

আমার স্ত্রী বলল - কি রে জামাই কোথায়? একা আসছিস কেন এত রাতে? কি হইসে?

দিশা কান্না করে বলল - আপনাদের একটা কথা বলি বলি করে বলা হয়নি। আমার বরের সাথে …

 বলে থেমে গেলো।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম - কি হইসে সাঈফের? ঝগড়া হইসে?

আমার স্ত্রী পাশ থেকে বলল - তোর কি অন্য কারো সাথে সম্পর্ক আছে? আমি আগেই টের পাইসিলাম।

আমি ধমক দিয়ে তাকে থামালাম।

দিশা চোখ মুছতে মুছতে বলল

- আব্বা নিশা আর সাঈফ বিয়ের পর থেকেই অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে আছে।

এই কথা শুনে পায়ের নিচ থেকে মাটি সড়ে গেলো।

আমার স্ত্রী ততক্ষনে দিশার দিকে এগিয়ে আসছে তাকে মারবে। আমি থামালাম। আর দিশাকে বললাম - তুমি কবে থেকে জানো? আর কিভাবে জানো?


সে বলল - আমি আগে থেকে ওদের সম্পর্কের ব্যাপারে আঁচ করেছিলাম। কিন্তু এ নিয়ে কাউকে কিছু বলিনি। আমার স্বামী বাসায় দেরি করে ফিরতো। বাসায় ফিরে সে ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইলে নিশার সাথে আজেবাজে কথা বলত। যেদিন জানতে পেরেছি সেদিন জিজ্ঞাসা করায় সে বলে শালির সাথে এতটুক দুষ্টামি করা স্বাভাবিক। আমি শেষবারই আপনাদের বলতে চেয়েও আটকে গিয়েছি। এজন্য এবার বাসায় যাওয়ার পর আমাকে সে বারবার বলার পরও আপনাদের বাসায় আসিনি। তারা বাইরে দেখা করত। আবাসিক হোটেলে সময় কাটাতো। কিন্তু আমার কাছে কোন প্রমান ছিলো না। আজ আমি তাকে বলি আমি সকালে আমার এক বান্ধবীর বাসায় যাবো। সারাদিন থাকবোনা। এই বলে বেড়িয়ে যাই। ওর আজ সাপ্তাহিক ছুটি ছিলো তাই সে বাসাতেই ছিলো..

আমি ওত পেতে থাকি বাসার নিচে এক চায়ের দোকানে মুখ লুকিয়ে বসে থাকি। আমার মন বলছিলো আজ নিশা আমার বাসায় আসবেই আসবে।

আমি ভুল ছিলাম না। নিশা আসলো আর আমাদের বিল্ডিং এ উঠে গেলো।

তার ১৫ মিনিট পর আমি বাসায় উঠে গেলাম। গিয়ে দুইজনকে ওমন অপ্রস্তুত অবস্থায় দেখে চিৎকার করে উঠি। শুরুতে দুইজনই নানান মিথ্যা বলতে থাকলেও নিশা একসময় রেগে বলল - তুই যদি সুখ দিতে পারতি তাহলে আর বিয়ের ১ মাস পর থেকে তোর জামাই আমাকে নিয়ে হোটেলে হোটেলে ঘুরত না।

ওতটুক মেয়ের কথা শুনে আমি ওকে চড় মারি। 

আর আমার স্বামী সাথে সাথে আমাকে এলোপাথাড়ি মারতে থাকতে। বলতে থাকে - তুই কি ওর যোগ্য? তুই ওর গায়ে হাত তুললি?

আমি লজ্জায় অপমানে একমুহূর্ত না দাড়িয়ে কতক্ষন ট্রেন লাইনে হাটি। যেন ট্রেনে কাটা পরি। কিন্তু সে সাহস শিক্ষা আমি পাই নি। তাই দিনশেষে আপনাদের কাছে আসলাম।

আমার স্ত্রী এই বিষয় একদম মেনে নিতে নারাজ। সে উল্টো দিশাকে দোষী বলছে।

নিশা তখনো বাসায় নেই। সে বাসা থেকে বলে বের হয়েছিলো আজ সে তার বান্ধবীর বাসায় থাকবে। কারণ তার সামনে কলেজে ভর্তি পরীক্ষা। অনেক পড়তে হয়। গ্রুপ স্টাডি।

আমি নিশাকে ফোন দেই। সে ফোন রিসিভও করে।

তাকে বলি সে এখন কোথায়? 

খুব সহজ ভাবে সে বলে - আমি আর বাসায় ফিরবো না। সাঈফ আমাকে ভালোবাসে। আমি ওকে ভালোবাসি। তোমার বড় মেয়েকে ও ছেড়ে দিবে। আর আমরা বিয়ে করে নিবো।

কথাগুলো ফোনের স্পীকারে শুনে আমার স্ত্রী কান্নায় ভেঙ্গে পরে। সে অনেক বুঝানোর পরও মেয়ে একটু নরম হয়না। বরং ফোন কেটে দেয়। আমি সাঈফকে ফোন দিলে সে আমার ফোন রিসিভই করেনা।

এরপর তার পরিবারকে জানাই। উল্টো দোষ হয় আমাদের। আমরা নাকি মেয়েদের শিক্ষাই দেই নি। এতে তাদের কিছু করার নেই।

নিরূপায় হয়ে সাঈফের বাসায় যাই। সেখানে নিশা আমাকে লুকিং গ্লাসে দেখে দরজাই খুলে নি। আমি জানতাম সে ঘরের ভেতরেই আছে। ফোনের রিং শুনতে পাচ্ছিলাম দরজার বাইরে থেকে।

চলে আসি বাসায়।

বাসায় এসে দেখি দিশা কান্না করছে। কারণ আমার স্ত্রী তাকে মেরেছে এই বলে যে সে ইচ্ছা করে নিশার জীবনটা নষ্ট করেছে। দিশার হাতে তখন ডিভোর্স লেটার। আমি আমার স্ত্রীকে থামিয়ে শান্ত করাই।

পরদিন সেও যায় সাঈফের বাসায়। দারোয়ান বলে তারা কক্সবাজার গিয়েছে। এখানে আমাদের বাসার কেউ আসলে যেন ঢুকতে না দেয়।

অপমানে আমার স্ত্রী বাসায় এসে এক সপ্তাহ রুম থেকে বের হয়নি। দিশা জোর করে তাকে খাইয়েছে।


গল্প-  শত হলেও মা।

পর্ব ১ 

জাকিয়া হোসেইন তৃষা


নেক্সট পার্ট গুলো সবার আগে নতুন পেজে দেয়া হবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে নতুন পেজে ফলো করুন 👉 শুন্য-𝐂𝐡𝐢𝐫𝐤𝐮𝐭

অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। 

 অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। 

তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।

এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময়  জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে। 

সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।

জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ

১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক

১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট

১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত

১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ

১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার

জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে

বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ

১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট

১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ

১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার

১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত

১ শতক ১০০০ বর্গলিংক

১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)

১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)

১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)

১ একর = ৬০.৬০ কাঠা

১ একর = ৩.০৩ বিঘা

১ হেক্টর = ২.৪৭ একর

১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট

১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ

১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার

১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত

১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।

উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?

জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।

জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।

ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)

সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।

অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।

পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?

ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ

প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-

ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু

কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪

পরীসিমা= ১ বাহু X ৪

এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।

তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।

এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,

১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ

১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ

১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?

সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।


জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ

গ্যান্টার জরিপঃ

ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।

ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।

হিসাবটি হলোঃ

১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।

১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।

১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।

৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)

১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।

৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।

৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।

অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।


আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।

যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।


ডায়াগনাল স্কেলঃ

ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।


আভার অফসেটঃ

এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।


ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ

ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।


জোনাল জরিপঃ 

ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে। 

দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।

বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :

১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ।

কস্টিকাম হ্যানিম্যানের টিঙ্কটুরা অ্যাক্রিস সাইন কালী এটি প্রধানত দীর্ঘস্থায়ী রিউম্যাটিক, আর্থ্রাইটিক এবং প্যারালাইটিক স্নেহের মধ্যে প্রকাশ করে

 #কস্টিকাম

হ্যানিম্যানের টিঙ্কটুরা অ্যাক্রিস সাইন কালী


এটি প্রধানত দীর্ঘস্থায়ী রিউম্যাটিক, আর্থ্রাইটিক এবং প্যারালাইটিক স্নেহের মধ্যে প্রকাশ করে, যা ছিঁড়ে যাওয়ার দ্বারা নির্দেশিত হয়, পেশী এবং তন্তুযুক্ত টিস্যুতে ব্যথা হয়, জয়েন্টগুলির বিকৃতি সহ; পেশী শক্তির প্রগতিশীল ক্ষতি, tendinous contractures. বার্ধক্য ভাঙ্গা। বায়ু প্যাসেজ এর catarrhal স্নেহের মধ্যে, এবং পছন্দ করে অন্ধকার-জটিল এবং অনমনীয়-ফাইবারযুক্ত ব্যক্তিদের পছন্দ করে। রাতে অস্থিরতা, জয়েন্ট এবং হাড় ছিঁড়ে যাওয়া ব্যথা এবং শক্তি কমে যাওয়ার মতো অজ্ঞান হয়ে যাওয়া। এই দুর্বলতা আমাদের ধীরে ধীরে পক্ষাঘাত না হওয়া পর্যন্ত অগ্রসর হয়। স্থানীয় পক্ষাঘাত, ভোকাল কর্ড, অবক্ষয়ের পেশী, জিহ্বা, চোখের পাতা, মুখ, মূত্রাশয় এবং প্রান্ত। বাচ্চাদের হাঁটা ধীর। একজন কস্টিকাম ব্যক্তির ত্বক একটি নোংরা সাদা স্যালোর হয়, বিশেষ করে মুখে আঁচিল থাকে। রোগ, দুশ্চিন্তা ইত্যাদির কারণে এবং দীর্ঘস্থায়ী হওয়া। জ্বলন্ত, কাঁচাভাব এবং ব্যথা বৈশিষ্ট্য।


মন।--শিশু একা বিছানায় যেতে চায় না। সামান্য জিনিস এটা কাঁদায়. দু: খিত, আশাহীন। তীব্র সহানুভূতিশীল। দীর্ঘস্থায়ী শোক থেকে অসুস্থতা, হঠাৎ আবেগ। অভিযোগের কথা চিন্তা করা, আরও বেড়ে যায়, বিশেষ করে হিমরয়েডস।


মাথা।--কপাল এবং মস্তিষ্কের মধ্যে ফাঁকা স্থানের অনুভূতি। ডান ফ্রন্টাল এমিনেন্সে ব্যথা।


মুখ.--ডান দিকের পক্ষাঘাত। ওয়ার্টস। মুখের হাড়ে ব্যথা। ডেন্টাল ফিস্টুলা। চোয়ালে ব্যথা, মুখ খুলতে অসুবিধা।


চোখ।--মোটর ব্যাঘাত সহ ছানি। চোখের পাতার প্রদাহ; আলসারেশন চোখের সামনে স্ফুলিঙ্গ এবং অন্ধকার দাগ Ptosis (জেল)। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, যেন চলচ্চিত্র চোখের সামনে। ঠান্ডার সংস্পর্শে আসার পরে চোখের পেশীগুলির পক্ষাঘাত।


কান। - বাজানো, গর্জন, স্পন্দিত, বধিরতা সহ; শব্দ এবং পদক্ষেপ পুনরায় প্রতিধ্বনি; দীর্ঘস্থায়ী মধ্য-কানের ক্যাটরহ; কানের মোম জমে।


নাক।-- কোরিজা, কর্কশতা সহ। আঁশযুক্ত নাক। নাকের ছিদ্র। Pimples এবং warts.


মুখ.--- চিবানো থেকে গালের ভিতরে কামড়। অস্পষ্ট বক্তৃতা সহ জিহ্বার পক্ষাঘাত। নীচের চোয়ালের আর্টিকেলেশনের বাত। মাড়ি থেকে সহজেই রক্তপাত হয়।


পাকস্থলী।--চর্বিযুক্ত স্বাদ। মিষ্টির প্রতি ঘৃণা। মনে হচ্ছে পেটে চুন পুড়ে গেছে। তাজা মাংস খাওয়ার পরে খারাপ; ধূমপান করা মাংস একমত। গলায় বল উঠার অনুভূতি। অ্যাসিড ডিসপেপসিয়া।


মল।--নরম ও ছোট, হংস-কুইলের আকার (ফোস)। শক্ত, শক্ত, শ্লেষ্মা দ্বারা আবৃত; গ্রীসের মতো জ্বলজ্বল করে; ছোট আকৃতির; অনেক স্ট্রেনিং সহ বহিষ্কৃত, বা শুধুমাত্র দাঁড়ানো উপর. প্রুরিটাস। মলদ্বারের আংশিক পক্ষাঘাত। মলদ্বার ঘা এবং পোড়া। ভগন্দর এবং বড় পাইলস।


প্রস্রাব।--কাশি, হাঁচির সময় অনিচ্ছাকৃত (পালস)। খুব ধীরে ধীরে বহিষ্কৃত, এবং কখনও কখনও ধরে রাখা হয়। রাতে প্রথম ঘুমের সময় অনিচ্ছাকৃত; সামান্য উত্তেজনা থেকেও। অস্ত্রোপচারের পরে ধরে রাখা। প্রস্রাব করার সময় সংবেদনশীলতা হ্রাস।


মহিলা.--- প্রসবের সময় জরায়ুর জড়তা। রাতে মাসিক বন্ধ হয়; শুধুমাত্র দিনের বেলা প্রবাহ (চক্র; স্পন্দন)। রাতে শ্বেতসার, প্রচন্ড দুর্বলতা সহ (নাট মুর)। ঋতুস্রাবের বিলম্ব, দেরী (কন. গ্রাফ; স্পন্দন)।


শ্বাসযন্ত্র।--বুকে ব্যথা সহ কর্কশতা; aphonia স্বরযন্ত্রের ঘা। কাশি, বুকের কাঁচা ব্যথা সহ। প্রত্যাশা কম; গিলে ফেলা আবশ্যক নিতম্বে ব্যথা সহ কাশি, বিশেষ করে সন্ধ্যায় আরও খারাপ; ভাল, ঠান্ডা জল পান করা; খারাপ, বিছানার উষ্ণতা। শ্বাসনালীতে কালশিটে দাগ। স্টার্নামের নীচে শ্লেষ্মা, যা সে পুরোপুরি পৌঁছাতে পারে না। বুকে ব্যথা, ধড়ফড় সহ। রাতে শুয়ে থাকা যায় না। কণ্ঠ আবার প্রতিধ্বনিত হয়। নিজের কন্ঠস্বর কানে গর্জে ওঠে দুঃখে। গায়ক এবং পাবলিক স্পিকার (রয়্যাল) এর ভয়েসের অসুবিধা।


পিছনে.--কাঁধের মধ্যে শক্ত হওয়া। ঘাড়ে নিস্তেজ ব্যথা।


বাম-পার্শ্বস্থ সায়াটিকা, অসাড়তা সহ। একক অংশের পক্ষাঘাত। নিস্তেজ, হাত ও বাহুতে ছিঁড়ে যাওয়া ব্যথা। ভারীতা এবং দুর্বলতা। জয়েন্টগুলোতে ছিঁড়ে যাওয়া। বাহু এবং হাতের পেশীগুলির অস্থিরতা। অসাড়তা; হাতে সংবেদন হারানো। সংকুচিত tendons. দুর্বল গোড়ালি। কষ্ট ছাড়া চলতে পারে না। অঙ্গে রিউম্যাটিক ছিঁড়ে যাওয়া; উষ্ণতা দ্বারা ভাল, বিশেষ করে বিছানার তাপ। জয়েন্টগুলোতে জ্বালাপোড়া। হাঁটা শেখার ক্ষেত্রে ধীর। অস্থির হাঁটা এবং সহজেই পড়ে যাওয়া। রাতে অস্থির পা। হাঁটুতে ক্র্যাকিং এবং টান; হাঁটুর ফাঁপা শক্ত হওয়া। পায়ের পাতায় চুলকানি।


ত্বক।--চামড়ার ভাঁজে, কানের পিছনে, উরুর মাঝখানে ব্যথা। আঙুল ও নাকের ডগায় বড়, ঝাঁঝালো, সহজেই রক্তপাত হয়। পুরানো পোড়া যা ভাল হয় না, এবং পোড়া থেকে খারাপ প্রভাব। পোড়ার যন্ত্রণা। Cicatrices আপ freshen; পুরানো আঘাত আবার খোলা। ডেন্টিশনের সময় ত্বক ইন্টারট্রিগোর প্রবণতা।


ঘুম।--খুব তন্দ্রাচ্ছন্ন; খুব কমই জাগ্রত রাখতে পারেন। নিশাচর নিদ্রাহীনতা, শুষ্ক তাপ সহ, অস্থিরতা।


সম্পর্ক।--ব্যাসেলের ডাঃ ওয়াগনারের সতর্ক তদন্ত অনুসারে, কস্টিকাম অ্যামন কস্টিকাম 4x এর সাথে মিলে যায়। কস্টিকাম ফসফরাসের সাথে একমত নয়; প্রতিকার একে অপরের পরে ব্যবহার করা উচিত নয়. ডিপথেরোটক্সিন অনুসরণ করে, ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসে কস্টিকাম।


প্রতিষেধক: সীসা-বিষ থেকে পক্ষাঘাত।


পরিপূরক: কার্বো; পেট্রোসেল।


তুলনা করুন: Rhus; আর্সেনিক; আম ফস (মুখের পক্ষাঘাত)।


মোডালিটিস।--- খারাপ, শুষ্ক, ঠান্ডা বাতাস, পরিষ্কার সূক্ষ্ম আবহাওয়ায়, ঠান্ডা বাতাস; গাড়ির গতি থেকে। ভাল, স্যাঁতসেঁতে, আর্দ্র আবহাওয়ায়; উষ্ণতা বিছানার উত্তাপ।

বাবা মা কে ছেড়ে আলাদা হয়ে যাবেন, এই ১০ পরিস্থিতিতেঃ 

 বাবা মা কে ছেড়ে আলাদা হয়ে যাবেন, এই ১০ পরিস্থিতিতেঃ 


এমন অনেক বাবা-মা আছেন, যারা সন্তানের মঙ্গল চান — কিন্তু কিছু অজান্তেই এমন আচরণ করেন, যা সন্তানের ক্যারিয়ার ও আত্মবিশ্বাসের বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে যারা স্বাধীনভাবে নিজের স্বপ্ন গড়তে চায়, তাদের জন্য এই নেতিবাচক আচরণগুলো মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।


নিচে তুলে ধরা হলো বাবা-মায়ের এমন ১০টি নেতিবাচক আচরণ, যেগুলো কারও ক্যারিয়ার গঠনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এসব আচরণ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে সন্তানদের মেন্টাল পিস ও উন্নয়নের জন্য আলাদা হয়ে যাওয়া প্রয়োজন হতে পারে।


⚠️ ১. নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন সন্তানের উপর চাপানো

➡️ "তুই ডাক্তার হবি, আমি হতে পারিনি!" — সন্তানের আগ্রহ উপেক্ষা করে জোর করে পেশা চাপিয়ে দেওয়া।


😞 ২. সদা তুলনা করা

➡️ "দেখ পাশের বাড়ির মামুন কত ভালো করছে!" — এই তুলনা আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে, নিজের পরিচয় খুঁজে পেতে বাধা দেয়।


🚫 ৩. ভুলকে ক্ষমা না করা, শিক্ষা হিসেবে না দেখা

➡️ ছোট ভুলে অপমান, চিৎকার বা গালমন্দ করা সন্তানের ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা ধ্বংস করে।


🙄 ৪. নিরন্তর নেতিবাচক মন্তব্য

➡️ "তোর দ্বারা কিছুই হবে না" বা "তুই শুধু সময় নষ্ট করিস" — এসব কথা সন্তানের মনোজগত ধ্বংস করে দেয়।


🧠 ৫. সৃজনশীল ক্যারিয়ারকে অসম্মান করা

➡️ গায়ক, লেখক, ডিজাইনার বা উদ্যোক্তা হতে চাইলে বলবে, "এসব বাজে কাজ!" — ফলে সৃষ্টিশীলতা মারা যায়।


🕹️ ৬. সন্তানকে চিরশিশু মনে করা

➡️ প্রাপ্তবয়স্ক হলেও সন্তানের প্রতিটি সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করা, তাকে স্বাধীনভাবে ভাবতে না দেওয়া।


🏠 ৭. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা আটকে রাখা

➡️ নিজের অর্থ, সময়, এবং ক্যারিয়ারে সিদ্ধান্ত নিতে বাধা দিলে সন্তানের এগিয়ে যাওয়ার গতি থেমে যায়।


😢 ৮. মানসিক চাপে ফেলা বা আবেগিক চাঁট নিয়ে থাকা

➡️ "তুই বাইরে গেলে আমি মরে যাব!" — এভাবে মানসিক দোষ দিয়ে সন্তানের স্বাধীনতা দমন করা।


🎭 ৯. পরিচয়ের ভার চাপানো

➡️ "আমরা সম্মানিত পরিবার, এটা করতে পারবি না" — এমন কথায় সন্তানের ইচ্ছা ও ক্যারিয়ার বাধাগ্রস্ত হয়।


📴 ১০. শুনতে না চাওয়া, বোঝার চেষ্টা না করা

➡️ সন্তানের কথা না শোনা, শুধু নিজের মত চাপিয়ে দেওয়া — এতে সন্তানের মনের দরজা বন্ধ হয়ে যায়।


যদি এই আচরণগুলো নিয়মিত এবং বিষাক্ত (toxic) হয়, তাহলে সন্তানদের উচিত:


মানসিকভাবে দূরত্ব তৈরি করা,

সীমারেখা নির্ধারণ করা (Set Boundaries),

প্রয়োজনে আলাদা থাকা — নিজের ক্যারিয়ার, মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের জন্য।

একটি_বাসর রাতের স্বামী স্ত্রী  গল্প।।।

 একটি_বাসর রাতের স্বামী স্ত্রী  গল্প।।।

একটি_বাসর_রাত


বাসর ঘরে একলা চুপচাপ বসে আছে হুমায়রা । বিয়ের টেনশনে সারাদিন কিছু খেতেও পারেনি মেয়েটা। প্রচন্ড ক্ষুধায় এখন মাথা ঘুরছে তার। নতুন বউ! কাউকে বলতেও পারছে না যে তার ক্ষুধা লেগেছে, কিছু খেতে দেন! লোকজন ভাববে বিয়ে করে বউ ঘরে তুললো নাকি রাক্ষস; আসার আগেই খাই খাই করছে...

.

ভাবীরা আগেই বলে দিয়েছে, বাসর রাতেই নাকি বিড়ালটা মারতে হয়। অথচ হুমায়রা  এক ঘন্টা হয়েছে এই বাড়িতে এসেছে, বাসর ঘরে তো দুরের কথা, এই বাড়িতেই কোন বিড়াল আছে বলে মনে হচ্ছে না তার...

.

রাত ১২ টার দিকে তার স্বামী আসিফ  ঘরে ঢুকল, ঢুকেই দরজাটা লাগিয়ে দিল। হুমায়রা  চমকে উঠলো, তার হঠাৎ মনে হলো- বাসর রাত নিয়ে বান্ধবীর বলা কথাগুলো কি তাহলে সত্যিই। অজানা আতঙ্কে আবার বুকটা কেঁপে উঠে হুমায়রার । দাদি বার বার বলে দিয়েছে স্বামী ঘরে ঢুকলে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে। হুমায়রার ইচ্ছা করছে না তবুও সালাম করতে গেল। পায়ে হাত দেওয়ার আগেই আসিফ  তার হাত ধরে বিছানায় বসিয়ে দিলো। হুমায়রা মনে মনে ভাবলো, হায়রে! সালাম করার সময়টুকুও কি সহ্য হল না!!

.

নাহ! হুমায়রার সব ভুল ভেঙ্গে দিয়ে আসিফ  বলে উঠল- এই রকম মোটা শাড়ি পরে আর কতক্ষন থাকবে? এইটা খুলে অন্য শাড়ি পরো। এই বলে অন্য রুম থেকে একটা সুতি শাড়ি এনে দিল হুমায়রা কে। হুমায়রাকে শাড়িটা চেঞ্জ করতে বলে আকাশ রুম থেকে বের হয়ে গেল...

.

এরপর যখন রুমে আসলো তখন আসিফর হাতে অনেক ধরণের খাবার। খাবারগুলো টেবিলে রেখে বলতে লাগল, আর বইলো না! তোমাদের বাড়িতে যে খাবার দিয়েছে লজ্জার কারণে সেগুলো কিছুই খেতে পারিনি আমি। আসিফর কথা শুনে হুমায়রা ফিক করে হেসে ফেললো। সে রাতে তারা ২টা পর্যন্ত বারান্দায় বসে গল্প করলো। সেই রাতটা হুমায়রার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর একটা রাত ছিল। বাসর রাত সম্পর্কে হুমায়রার যে ভুল ধারণা ছিল সেটা ভেঙ্গে গেল।

.

ঐদিন আসিফদের সংসার সম্পর্কে অনেক বিষয় নিয়ে কথা হলো দুজনের। সে রাতে হুমায়রা শুধুই শ্রোতা, যা কিছু বলার সব আসিফই বলেছিল- শোন হুমায়রা ! কালকেও তুমি শুধু একটা মেয়ে ছিলে। আজকে তুমি কারো স্ত্রী, কারো সংসারের বউ। কারো ভাবি, কারো জা, কারো চাঁচি, কারো মামী। যেহেতু বিয়েটা পরিবারিক, তাই আমরা একে অপরকে জানার সময়ও কম পেয়েছি। তবুও যেহেতু আমাকে তোমার বর হিসেবে মেনে নিয়েছো, সুতরাং আমাকে তোমার যোগ্য মনে করেছ। আর আমাকে যদি তোমার যোগ্য করে কেউ গড়ে তুলে থাকে, তারা হল আমার বাবা-মা। আমি চাই তুমি তাদেরকে সম্মান দিয়ে চলবে। তাদেরকে নিজের বাবা-মা মনে করবে...

.

আজ তাদের বিয়ের অনেক বছর  চলছে, অথচ কোনদিন সামান্য সময়ের জন্যেও সংসারে কোন মনোমালিন্য হয় নি, কোন অশান্তি হয় নি। আর হবেই বা কি করে! এ ব্যাপারে হুমায়রা খুব সতর্ক...

.

যেমন, তরকারি রান্না করার সময় লবণ ঠিকঠাক মতই দিতে পারে হুমায়রা । কিন্তু সে ইচ্ছা করেই তরকারিতে নিজে লবণ দেয় না। তার শাশুড়িকে ডেকে এনে লবণ দিয়ে নেয়। এতে অবশ্য তার শাশুড়ি আম্মা খুব রাগের ভান করে বলে- ‘এত বয়স হইছে এখনও তরকারিতে লবণ দিতে পার না! আমি না থাকলে কি করবা? হুমায়রা  তখন কিছু বলে না, শুধু হাসে। অবশ্য তরকারিতে নিজ থেকে লবণটা না দেওয়ার বুদ্ধিটা তার না, এই বুদ্ধিটা তার স্বামীর মানে আসিফের। হুমায়রা  একদিন জিজ্ঞেস করেছিল- এই হাস্যকর কাজটা করার দরকার কি?

.

আসিফ  উত্তরটা ছিল এই রকম- মনে কর তুমি একটা অফিসে অনেক দিন ধরে কাজ করছ, হুট করে নতুন লোক এসে যদি তোমার সব কাজ করে, তখন এক পর্যায়ে তাকে তোমার প্রতিদ্বন্দি মনে হবে। তুমি তখন নানাভাবে তার পিছনে লাগবে।

.

ঠিক তেমনি, এতদিন সংসারের কাজগুলো মা একাই দেখাশুনা করত। এখন যদি তুমি সব কাজ কর তখন মা মনে মনে ভাববে, সব দায়িত্ব তুমি নিয়েছো; এই সংসারে তার কোন মূল্য নেই। তখন সে নিজেকে বেকার মনে করবে, তার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে। তাই এই সামান্য তরকারিতে লবণ দেওয়াটাকেই সে মনে করবে এই সংসারে এখনও তাকে দরকার...

.

এই  সংসার জীবনে হুমায়রার কখনোই মনে হয়নি এটা তার শ্বশুড়বাড়ী বরং মনে হয়েছে সে বাবার বাড়ী থেকে এখানেই অনেক ভাল আছে। এর সবের মূলে রয়েছে তার স্বামী। সে শুধু স্বামীই নয়, একই সাথে বন্ধু, পরামর্শদাতা সবকিছুই ।।।।

চলুন, জোঁকের রহস্যময় দুনিয়ায় একটু ঢুঁ মেরে আসি। 

 আপনি কি জানেন? সাধারণ চেহারার এই জোঁক আসলে এক অসাধারণ প্রকৃতির বিস্ময়!

চলুন, জোঁকের রহস্যময় দুনিয়ায় একটু ঢুঁ মেরে আসি। 


🔬 জোঁক: এক অপূর্ব সৃষ্টি

জোঁক—ছোট্ট, নিঃশব্দ এই প্রাণীটিকে অনেকেই ভয় পায় বা ঘৃণা করে। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, এর শরীরের গঠন ও কার্যপ্রণালি সত্যিই অসাধারণ।


🩸 ১০টি পাকস্থলী!

জোঁকের শরীরে রয়েছে ১০টি পাকস্থলী, যা একবার শোষণ করা রক্ত জমিয়ে রেখে ধীরে ধীরে হজম করতে সাহায্য করে। একবার রক্ত খেলে, তা মাসের পর মাস চলতে পারে!


🧠 ৩২টি মস্তিষ্কের অংশ (গ্যাংলিয়া)

হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়ছেন! একটি জোঁকের আছে ৩২টি গ্যাংলিয়া, যা মিলে তৈরি করে জটিল একটি নিউরাল নেটওয়ার্ক। এমন জটিল স্নায়ুব্যবস্থা একে করে তোলে আশ্চর্যজনকভাবে সংবেদনশীল।


👁 ১০টি চোখ, তাও আবার সরল চোখ

অনেক জোঁকেরই থাকে ১০টি পর্যন্ত সরল চোখ, যেগুলো আলো ও গতির উপস্থিতি শনাক্ত করতে পারে।


⚤ উভলিঙ্গ ও ৯ জোড়া অণ্ডকোষ

জোঁক একসাথে নারী ও পুরুষ—অর্থাৎ উভলিঙ্গ। তাদের থাকে ৯ জোড়া অণ্ডকোষ, যা প্রজননের ক্ষেত্রে একে করে তোলে স্বয়ংসম্পূর্ণ।


🦷 তিন চোয়ালে সাজানো শত শত ক্ষুদ্র দাঁত!

জোঁকের মুখে থাকে তিনটি চোয়াল—প্রতিটিতে শত শত ক্ষুদ্র দাঁত। এই দাঁত দিয়েই তারা চামড়া ছিদ্র করে রক্ত শুষে নেয়। কামড়ের পর শরীরে পড়ে Y-আকৃতির একটি চিহ্ন, যা জোঁকের কামড়ের স্বাক্ষর।


💉 চিকিৎসায় জোঁক? হ্যাঁ, আধুনিক সার্জারিতেও ব্যবহৃত হয়!

জোঁক শুধু প্রাকৃতিক বিস্ময় নয়, বরং প্রাচীন ও আধুনিক চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আজও মাইক্রোসার্জারিতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে জোঁকের ব্যবহার হয়!


একটি সামান্য প্রাণীর মধ্যে লুকিয়ে আছে প্রকৃতির অসাধারণ পরিকল্পনা ও বিবর্তনের হাজারো গল্প। জোঁক, তুমি সত্যিই অদ্ভুত এক বিস্ময়!


🙏 লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

রসায়নের সাথে থাকুন, জ্ঞানে আলো ছড়ান। 🌿🧪✨

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...