এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫

নোংরামির চূড়ান্তে || ডা: ফাহমিদা নীলা

 ইদানীং একটা নতুন পেশা সৃষ্টি হয়েছে। কনটেন্ট ক্রিয়েটর। কেউ আবার বলে,ইনফ্লুয়েন্সার।


যদিও এই দুইটার বিশেষ পার্থক্য আছে কি না, আমি জানিনা। সে যাই হোক, নতুন পেশা হয়েছে, ভাল কথা। বেকারত্ব কমছে। এই পেশায় নাকি লাখ লাখ ইনকাম। আরো ভাল কথা। দেশের মানুষ সলভেন্ট হচ্ছে।


কিন্তু আমার প্রশ্ন হল, তারা যে কনটেন্ট ক্রিয়েট করে মানুষকে ইনফ্লুয়েন্স করার চেষ্টা করছে, সেটা কি আদৌ মানসম্মত? সেটা কি সমাজের জন্য গ্রহণযোগ্য? সেটা থেকে ইনফ্লুয়েন্স হয়ে নেটিজেনরা কি ভালো কিছুতে উজ্জীবিত হচ্ছে? 


এমন অনেক প্রশ্ন আমার মাথায় কিলবিল করে। কারণটা একটু পরিষ্কার করি।


ফেসবুকে স্ক্রল করলেই এক মধ্যবয়সী মহিলার ভিডিও সামনে আসে। মহিলা সম্ভবত পেডোফিলিক। সে তার সন্তানের বয়সী ছেলেদের সাথে লিভ টুগেদার করে। তাদের নাচানাচি, ঢলাঢলি থেকে শুরু করে হাতাহাতি, মারামারি সবই দেখানো হয় সোস্যাল মিডিয়ায়। কিছুদিন আগে এক ছেলের সাথে দেখতাম। এখন দেখি আরেকজনের সাথে।


এই কনটেন্ট ক্রিয়েটারের কনটেন্ট সমাজের কী কাজে আসছে? কাকে কী ইনফ্লুয়েন্স করছেন উনি? আমার বোধে আসে না।


এবার আসি, আরেকজনের কথায়। তিনি একসাথে দু’জন করে স্ত্রী রাখেন। দুই স্ত্রীকে দু’পাশে নিয়ে ঢলাঢলি করেন। কিছুদিন পর পর একজন করে স্ত্রী রিপ্লেস হয়। একজন বাদ পড়ে, আরেকজন ঢোকে। 


দুই সতীনের মহব্বত থেকে চুলাচুলি সবই দেখানো হয়। সূচিকার্যের অংশটুকু ছাড়া বাকী সমস্তকিছু সোস্যাল মিডিয়ায় ভিডিও আকারে প্রচার করেন। এতে লাখ লাখ ইনকাম হয়তো তাদের হচ্ছে। এইসব ইনফ্লুয়েন্সে সমাজের কী উপকার করছেন, আল্লাহ্ মালুম! 


কোনো কোনো ইনফ্লুয়েন্সার তো ক্যামেরার সামনেই লাইভে ড্রেস পরিবর্তন করছেন। হাফপ্যান্টের উপর ল্যাহেঙ্গা পরছেন। কেউবা সবার সামনেই শাড়ী পরছেন,খুলছেন। একটা খুলে আরেকটা পোষাক পরছেন। কিছু ড্রেসআপ দেখলে মনে হয় খোদ ইউরোপ থেকে ব্রডকাস্ট চলছে। তারা আবার কেউ কেউ খুবই অহমিকা ভরে বলছে, লাখ টাকার শাড়ী, গাউন, গহনা, এক্সেসরিজ পরেন তিনি। আর সেসবের সবটাই নাকি স্পন্সার করা।


আবার কেউ কেউ তো লাইভে এসে মুখে যা আসে তাই বলে গালাগালি করেন। একে অন্যের সাথে অনলাইন ঝগড়া চলে দিনের পর দিন। নোংরামির একেবারে চূড়ান্ত। কে কিভাবে ইনফ্লুয়েন্সড হচ্ছে এদের দ্বারা কে জানে! 


এমন অসংখ্য উদাহরণ আছে। দেখুন, আমাদের সাথে সাথে ফেসবুকে আমাদের সন্তানেরাও এসব দেখছে, শিখছে। এমনকি কেউ কেউ তো নিজেদের জীবনের লক্ষ্য ঠিক করে ফেলছে যে, তারা কনটেন্ট ক্রিয়েটর হবে। পড়ালেখার দরকার নাই। সেজেগুজে স্পন্সর করা কাপড়চোপড় পরবে। লাইভে আসবে। টিকটক করবে। ব্যস,ভাইরাল হয়ে যাবে। সেলিব্রেটি হয়ে লাখ লাখ টাকা কামাবে। 


দেখলেনই তো কিছুদিন আগে, একটা বাচ্চা মেয়ে কিভাবে সেলিব্রেটি হওয়ার জন্য বাবা-মায়ের নামে মামলা ঠুকে দিল!  


আপনাদের কি মনে হয় না, আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে? এখনই এইসব কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট ও ক্রিয়েশন কিংবা ইনফ্লুয়েন্সারদের ইনফ্লুয়েন্সের রাশ টেনে না ধরলে অদূর ভবিষ্যতে ঐ মেহরীনের বাবা-মায়ের মতো আমাদেরও যে আদালতে দাঁড়াতে হবে না, তার নিশ্চয়তা কে দিবে? 


আমি জানিনা, কী করলে এসবের সুরাহা হবে? তবে নির্দিষ্ট একটা নিয়ম বা বিধিনিষেধের ঘেরাটোপ তৈরী করা এখন অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছে। সবার সচেতন হওয়ার সময় এসেছে। আশা করি সুশীল সমাজ বিষয়টা আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন ।

___________

|| নোংরামির চূড়ান্তে ||

ডা: ফাহমিদা নীলা


রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

বিশ্বের প্রথম টাইপরাইটারগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি যন্ত্র, যার নাম ‘রাইটিং বল’ (The Writing Ball)।

 আপনি কি জানেন, প্রচলিত QWERTY কী-বোর্ডের অনেক আগেই একটি অদ্ভুত সুন্দর টাইপরাইটার আবিষ্কার হয়েছিল? ১৮৬৫ সালের, যখন ডেনিশ যাজক রাসমাস মালিং-হ্যানসেন (Rasmus Malling-Hansen) তৈরি করেন বিশ্বের প্রথম টাইপরাইটারগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি যন্ত্র, যার নাম ‘রাইটিং বল’ (The Writing Ball)।



এর নকশা ছিল সাধারণ টাইপরাইটারের মতো একদমই নয়, বরং একটি ধাতব গোলকের মতো, যার উপরে কী (Key) গুলো সাজানো থাকত। এই গোলাকার নকশার কারণেই এতে খুব দ্রুত টাইপ করা যেত। গবেষণায় দেখা গেছে, এর কী-বোর্ড বিন্যাসটি এমনভাবে সাজানো হয়েছিল যাতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অক্ষরগুলো দ্রুততম আঙুলের নিচে থাকে। এটি সাধারণ সমতল টাইপরাইটারের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরী ছিল।


ভাবতে অবাক লাগে, বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক ফ্রিডরিখ নিৎশে (Friedrich Nietzsche) যখন চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন এবং তার লেখা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল, তখন এই ‘রাইটিং বল’ ছিল তার একমাত্র ভরসা। এই যন্ত্রটি তাকে তার গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো শেষ করতে সাহায্য করেছিল।


তবে এর জটিল গঠন এবং চড়া দামের কারণে ‘রাইটিং বল’ বাণিজ্যিকভাবে কখনো ব্যাপক হারে উৎপাদিত হয়নি। কিন্তু অল্প সময়েই এটি প্রযুক্তি এবং ডিজাইনের এক দারুণ নিদর্শন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। আজও বিশ্বের বিভিন্ন জাদুঘরে এবং সংগ্রাহকদের কাছে এটি উনিশ শতকের প্রকৌশল ও উদ্ভাবনের এক অমূল্য স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষিত আছে।


এই ‘রাইটিং বল’ শুধু একটি যন্ত্র নয়, এটি মানুষের উদ্ভাবনী শক্তি এবং সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করার এক অসাধারণ উদাহরণ।


অনুবাদ: AH Abubakkar Siddique


সোরিয়াসিস  কী? সোরিয়াসিস হল একটি দীর্ঘস্থায়ী, অসংক্রামক, অটোইমিউন রোগ, যা ত্বকের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে হয়।

 সোরিয়াসিস  কী?

সোরিয়াসিস হল একটি দীর্ঘস্থায়ী, অসংক্রামক, অটোইমিউন রোগ, যা ত্বকের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে হয়।

এই রোগে ত্বক গাঢ়, শুষ্ক, চুলকানি এবং আঁশযুক্ত হয়। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে এই জায়গাগুলো লাল বা বেগুনি রঙের হয়ে যায়।

সোরিয়াসিস শরীরের যেকোনও জায়গায় হতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাথার ত্বক, কনুই, হাঁটু, পিঠে দেখা যায়। সোরিয়াসিসের তীব্রতা ছোট, স্থানীয় প্যাচ থেকে সম্পূর্ণ শরীরে হতে পারে। শুকনো ত্বক চুলকে খসে পরার পর সামান্য রক্ত ক্ষরণ হতে পারে। তবে ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্ততে অসংক্রামিত হয় না।


সরিয়াসিস কতটুকু ঝুঁকিপূর্ণ?ঃ


১. সরিয়েসিসে আক্রান্ত রোগীদের হার্টের রোগ ও পরিপাক সংক্রান্ত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অধিক। তবে সোরিয়াসিস চিকিৎসা হোমিওপ্যাথিতে নিলে এ ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।


২. সোরিয়াসিসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৩০% রোগীর আর্থ্রাইটিস বা জয়েন্ট প্রদাহ ও অকেজো হতে দেখা যায়। তবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিলে এ ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।


৩. গবেষণায় দেখা গিয়েছে এ রোগটির সাথে জীনগত (বংশগত) সম্পর্ক রয়েছে এবং আক্রান্তের পরিবারের ২/১ জন সদস্যের মাঝেও এ রোগ বিস্তৃত হতে পারে।


৪. পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ৩% মানুষ সরিয়াসিসে আক্রান্ত। দুই বাংলার ব্যাপক সংখ্যক মানুষ সোরিয়াসিস রোগে আক্রান্ত। সুধু অ্যামেরিকাতেই ৬০ লক্ষ মানুষ সরিয়েছিসে আক্রান্ত। বাংলাদেশ ও ভারতের সামাজিক প্রেক্ষাপটে এ রোগে আক্রান্ত অসহায় রোগীদের সাথে মানুষ তেমন মিশতে চায়না। অনেকের সংসার ভেঙ্গে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে।


৫. বিগত ৩০ বৎসরের পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সোরিয়াসিস চিকিৎসা এর ক্ষেত্রে এই বিষয় গুলো ভালো করে বিবেচনা করা উচিত।


সরিয়াসিসের প্রকারভেদ


১. প্লেক সোরিয়াসিস (plaque psoriasis)


সরিয়াসিসে আক্রান্ত ৮০% রোগী প্লেক সরিয়েসিসের অন্তর্গত। এর বৈশিষ্ট্য হল লালচে প্রদাহিত চর্ম উদ্ভেদের উপরে সিলভার বা সাদা বর্ণের আবরণ, চলটা বা আস উঠে। সাধারণত হাতের কনুই, হাঁটু, মাথা ও পিঠের নিচের দিকে প্লেক সোরিয়াসিস (plaque psoriasis) হতে দেখা যায়।


২. ইনভার্স সোরিয়াসিস (inverse psoriasis)


ইনভার্স সরিয়াসিস সাধারণত বগল, কুঁচকি, স্তন, জনান্দ্রেয় ও নিতম্বের ভাঁজ সহ শরীরের বিভিন্ন ভাঁজে দেখা দেয়।


ইনভার্স সরিয়াসিস দেখতে সাধারণত লালচে হয়, তার চলটা বা আস থাকেনা, অনেকটা মসৃণ ও চকচকে হয়। এটি ঘর্ষণ, চুলকানি ও ঘর্মে জ্বালা যন্ত্রণা করে, অতিমোটা বা চামড়ায় গভীর ভাঁজ যুক্ত ব্যক্তিদের ইনভার্স সোরিয়াসিস (inverse psoriasis) বেশি হয়।


৩. ইরিথ্রোডার্মিক সোরিয়াসিস (erythrodermic psoriasis)


ইরিথ্রোডার্মিক সরিয়াসিসের বিশেষত্ব হল এটি লালচে প্রদাহিত ও শরীরের অনেকটা স্থান জুড়ে হয়। প্লেক সরিয়েসিসের পরবর্তী স্টেজেও এটি হয়। এটা থেকে চলটা বা স্রাব ঝরে এতে প্রচণ্ড চুলকানি ও ব্যথা হতে পারে।


ইরিথ্রোডার্মিক সরিয়াসিস শরীরের রাসায়নিক ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে শরীরের প্রোটিন ও ফ্লুয়িড ক্ষতিগ্রস্ত করে, তার ধারণ ক্ষমতা বিনষ্ট করে। যার ফলে রোগীর শোথ রোগ, কম্পন বা কাঁপুনি, অনিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা, নিউমোনিয়া, হার্ট ফেলিওর সহ নানান ধরণের রোগ হতে পারে।


৪. গাউটেড সোরিয়াসিস (guttate psoriasis)


গাউটেড সরিয়েসিস সাধারণত শিশু বা যুবক বয়সে হতে দেখা যায়। এটি লাল ছোট ছোট স্পটের মতো হয়, চামড়া মোটা হয়ে উঠে, প্লাগ সরিয়েসিসের মতো চলটা উঠে।


এর ফলে পরবর্তীতে ঊর্ধ্ব শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা, স্ট্রেপটোকক্কাল প্রদাহ, টনসিল প্রদাহ, ট্রেস বা টেনশন দেখা দিয়ে রোগটি চাপা পড়তে পারে। আবার পর্যায়ক্রমিক ভাবে ফিরে আসতে পারে।


বহুকাল এ রোগটি অনুপস্থিত থেকে পুনরায় ফিরে আসতে পারে ও প্লাগ সরিয়েসিসে রূপান্তরিত হতে পারে।


৫. পাস্টুলার সোরিয়াসিস (pustular psoriasis)


সরিয়েসিসে আক্রান্ত ৫% রোগী পাস্টুলার সরিয়েসিসের অন্তর্গত, এটি শরীরের নির্দিষ্ট স্থানে সাদা পুজবটিকা বা ফোস্কা উৎপন্ন করে তার চারিদিকে লালচে চামড়া থাকে, এটি শরীরের অন্য স্থানে দ্রুত ছড়িয়ে যায়না ও অন্যকে সংক্রমিত করেনা। এটি চক্রাকারে চামড়া লাল হয়ে উঠে, পুজবটি উৎপাদনের স্তর তৈরি করে, পুঁজ নির্গমন ও চলটা উঠতে থাকে।


হোমিওপ্যাথিতে সোরিয়াসিসের চিকিৎসাঃ

সোরিয়াসিস একটি দীর্ঘ মেয়াদি অসুস্থতা। এর থেকে সম্পূর্ণ নিরাময় সময় সাপেক্ষ। হোমিওপ্যাথি একটি ব্যাক্তিভিত্তিক সার্বিক চিকিৎসা পদ্ধতি যা অটোইমিউন রোগে খুব কার্যকরী। এই পরিস্থিতিতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সোরিয়াসিসের লক্ষণগুলির তীব্রতা কমাতে এবং রোগীকে প্রায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে এক বিশেষ ভূমিকা নিতে পারে।

সমীক্ষায় আরও দেখা গিয়েছে, অভিজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে সঠিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করালে সোরিয়াসিসের পুনরায় ফিরে আসাকে প্রতিহত করা যায়। এমনকি, সোরিয়াসিস সম্পূর্ণ নিরাময় করতে সক্ষম। এই রোগের স্থায়ী কোন  চিকিৎসা এলোপ্যথিতে নেই।

শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫

ছবিটি দেখে আঁতকে উঠবেন না। এর নাম ডাস্ট মাইট

 ছবিটি দেখে আঁতকে উঠবেন না। এর নাম ডাস্ট মাইট


ছবিটি দেখে আঁতকে উঠবেন না। 


আপনার বসার ঘরের সুদৃশ্য কার্পেটে, শোয়ার ঘরের বালিশে, চাদরে, কম্বলে, ম্যাট্রেসে এরা হাজারে হাজারে ছেয়ে থাকে। আপনি খালি চোখে এদের দেখতে পান না বলে চিনতে পারছেন না। 


এরা হচ্ছে ডাস্ট মাইট। এরা কোনো পোকা নয়, বরং মাকড়সার সঙ্গে বেশ কিছু মিল আছে এদের। আটটি ঠ্যাং, সর্বাঙ্গে লোম-- সব মিলিয়ে খুবই ভয়ানক দেখতে এদের। একটা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে আপনার বালিশটার দিকে তাকালে আপনি তার ওপর আর কিছুতেই ঘুমোতে পারতেন না। 


ডাস্ট মাইট বেশির ভাগ লোকের কোনো ক্ষতি করে না, কিন্তু যাদের ডাস্ট অ্যালার্জি আছে বলে আমরা বলি, তাদের আসলে অ্যালার্জিটা এদেরই জন্য হয়। না, এরা স্বয়ং আমাদের ক্ষতি করে না, করে এদের মল এবং পচাগলা দেহাংশ। আবার মলত্যাগ এরা খুব বেশিই করে, দিনে প্রায় কুড়ি বার। কারো কারো শরীরে এই বস্তুগুলি খুবই মারাত্মক অ্যালার্জিক রিয়্যাকশান ঘটায়। ফুলের রেণুর পর ডাস্ট মাইটের ড্রপিংই হচ্ছে সবচেয়ে কমন অ্যালার্জেন।


হাঁচি, সর্দি, কাশি, সাইনাস কনজেশান, চোখ লাল হওয়া, চামড়ায় লাল দাগ, চুলকুনি, একজিমা-- এমনকি শ্বাসকষ্ট পর্যন্ত হতে পারে এদের জন্য। 


গরম, আর্দ্র, অন্ধকার পরিবেশ এদের স্বর্গরাজ্য। ৫০% এর চেয়ে কম আর্দ্রতায় এরা বাঁচে না। কিন্তু বর্ষাকালে যখন ঘরের মধ্যে দড়ি টাঙিয়ে ভিজে কাপড় মেলে রাখেন, তখন এদের আর পায় কে! মহানন্দে বংশবিস্তার করে যায় ঘরের জমে থাকা ধুলোর মধ্যে। আপনারই ঝরে যাওয়া চামড়ার কুচি খেয়ে। আপনি পঞ্চাশটা হাঁচি দিয়ে ভাবেন, এই রে বাইরে বৃষ্টি ভিজেই ঠাণ্ডা লেগে গেল। অথচ আপনার শত্রু ঘরের মধ্যে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। 


করোনা ভ্যাক্সিনের সম্ভাব্য সাইড এফেক্ট হিসেবে আমাদের অনেকেরই অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশান, মাস্ট সেলের ক্ষরণ অনেক গুণ বেড়ে গেছে। আগে যে অ্যালার্জিতে একটা হাঁচি হয়ে বন্ধ হয়ে যেত, এখন সেই অ্যালার্জিতে শ্বাসকষ্ট হয়ে ইনহেলার অবধি নিতে হচ্ছে। অ্যাণ্টিঅ্যালার্জিক খেয়ে খেয়ে ঝিম খেয়ে যাচ্ছেন। তাহলে উপায়? 


শত্রুকে আইডেণ্টিফাই করতে পারলে উপায়ও বেরুবে। কিন্তু এ যে ঘরের শত্রু। ঘর ছেড়ে যাবেন কোথায়? তাহলে ঘরটাকেই নিজের বাসযোগ্য করে তুলতে হবে। শত্রুর যাতে বাড়বাড়ন্ত না হয়। কীভাবে? 


১. ধুলোর হাত থেকে বাঁচতে ঘরের সব কটা জানলা দরজা বন্ধ করে দেবেন ভাবছেন? একদম ভুল। দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ধুলোটারে রুখি, আলো বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি? এরা আলো সইতে পারে না। তাই সব কটা জানলা খুলে দাও না। 


২. নিয়মিত বিছানার চাদর, বালিশের ওয়াড় বদলাতে হবে। বিছানা, বালিশ মাঝে মাঝে রোদ খাওয়াতে হবে। রোজ নারকোল ঝাঁটা দিয়ে বিছানা ঝেড়ে ধুলোমুক্ত রাখতে হবে। ঘরের কার্পেট, আলমারির মাথা, পর্দা, মশারি, আসবাবের ধুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। ঝাড়ার সময় ধুলো উড়তে থাকলে মাস্ক পরে থাকুন, তবে এটা সমাধান নয়, মাস্ক পরে তো কেউ ঘুমোয় না। আপনি যখন নিশ্চিন্তে বালিশে মাথা দিয়ে ঘুমোবেন, তখন এরা সারি সারি ঢুকে যাবে আপনার নাক দিয়ে। ওয়াশিং মেশিন, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার থাকলে এই বেলা কাজে লাগান। 


৩. ঘরকে যথাসম্ভব শুকনো রাখুন। ঘরের মধ্যে ভিজে কাপড় টাঙানো বন্ধ করুন। বন্ধ ঘর ঝাঁট দেওয়া, মোছা করবেন না। জানলা খুলে, ফ্যান চালিয়ে শুকিয়ে নিন। বেশি বাদলার দিনে ঘর অত মোছার দরকার নেই। 


৪. যাদের শ্বাসকষ্ট আছে, তারা বিশেষ ধরনের এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন।


৫. অ্যালার্জি গুরুতর হলে ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা শুরু করুন।


ইদানিং এই সমস্যা ঘরে ঘরে সাংঘাতিক বেড়ে গেছে। এই বিষয়ে আরো জানতে হলে ইণ্টারনেটে বিশদে পড়াশোনা করে দেখতে পারেন।


collected

প্রতারণার নতুন ফাদ

 সম্প্রতি নতুন একটা অনলাইন ফাঁদ শুরু হয়েছে। যার ফলে একটা ছোট ভুলেই আপনার অনেককিছু চলে যেতে পারে। এই অনেককিছুর মধ্যে রয়েছে আপনার সম্মান, অর্থ, আপনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। চলুন দেখে নেই কীভাবে করে এই কাজ।


সুন্দরী কোন মেয়ের আইডি থেকে আপনাকে মেসেজ দিবে। আপনি সরল মনে সেখানে রিপ্লাই দিলেন। আপনাকে প্রথমেই বলবে "Please Send Me Your WhatsApp Number" আপনি ব্যবসায়ী কিংবা সামান্য পরিচিত ব্যক্তিত্ব হলেও এই স্বাভাবিক রিপ্লাই দিতেই পারেন। এই দেয়াটাই তার প্রাথমিক স্টেপে জয়ী হয়ে গেলো।


এবার


সে আপনাকে মেসেজ দিবে হোয়াটসএপে। সেখানে সে আপনাকে কয়েক প্রকারের আলাপ দিবে। প্রথমে আপনার প্রফেশন, আপনার অবস্থান, আপনার কিছু প্রথমিক তথ্য নিবে। মানে সে বুঝতে চাইবে আপনি আর্থিকভাবে ক্যাপাবল কিনা। যখন সে বুঝবে আপনি ক্যাপাবল তখন সে যাবে ৩য় ধাপে।


এই ধাপে এসে সে আপনাকে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করবে। আপনিও একটু ভাল লাগলে সেখানে লাইক দিবেন। কিছু জিজ্ঞেসা করবেন। সে আপনাকে ভিডিও কলে নিবে। সবকিছুই খুলে দেখাবে আপনাকে। আপনি ফেঁসে গেলেন তার চরকিতে... কিন্তু


যারা ২য় ধাপে তার সাথে তাল মিলায়নি তাদেরকে তিনি অফার দিবেন চাকরির জন্য। তাকে অফার দিবে ভালো আয়েস মশলাতে। সেখানে তাকে লিংক দিবেন। সেই লিংকে আপনি ক্লিক দিলেই আপনি চলে গেলেন তার গর্তে। এবার শর্ত মানার পালা... কিন্তু


যারা প্রথমেই তাকে হোয়াটসেপ নাম্বার দেয়নি তাদেরকে কি করবেন? তাদের জন্য রয়েছে নতুন ব্যবস্থা। তাদেরকে সেই মেসেঞ্জারেই অফার করবে কলে আসতে। সেখানে না আসলে তাকে অফার দিবে এমন কিছুর যা আপনি বুঝবেনই না। মজার বিষয় সে আপনাকে তার কৌশলের কাছে ধরতে চাইবেই।


তবে এইসব সিস্টেম পুরোনো হয়েছে। এখানের আয় দিয়ে এখন পোষায়না। তাই সম্প্রতি তারা নতুন পদ্ধতি শুরু করেছে। তারা আগে আপনার সাথে ভিডিও কল করে ভিডিও দিয়ে ব্লাক মেইল করতো। এখন তারা আপনার পুরো হোয়াটসএপের এক্সেস নিয়ে যায়।


আপনাকে প্রথমে হোয়াটসএপ নাম্বার দিতে বলবে। আপনি দিয়ে দিলে তারা অনলাইনে WhatsApp Web ব্যবহার করে আপনাকে বলবে "আপনার কাছে একটা লিংক গেছে সেখানে Ok দিন। আপনি দিয়ে দিলে এবার ২য় ধাপে একটা পিন চেয়ে নিবে। আপনি তাও দিয়ে দিলে আপনার মোবাইলের পুরো এক্সেস চলে যাবে তার হাতে।


সে এবার আপনার ফেইসবুকের পাস চেঞ্জ করে নিবে। সে এবার আপনার মেইলের পাস চেঞ্জ করবে। আপনার ছবি থেকে শুরু করে আপনার সকল তথ্য চলে যাবে তার কাছে। কেননা আপনার জিমেইল থেকে শুরু করে সবকিছুর অধিপত্য নিয়ে যাবে। সব পালটিয়ে আপনার হোয়াটসএপ দিয়ে টাকা চাইবে এবং না পেলে আপনাকে ব্লাক মেইল করা শুরু করবে।


আপনি একটি ছোট্ট ভুলে জীবন হয়ে উঠবে বিষাদময়। শুধু না জানার কারনে, ছোট্ট ভুলে আপনার টাকা, সম্মান সহ অনেক তথ্যই চলে যাবে তাদের কাছে। কেননা এখন ফেবুর আইডিতে প্রায় সবারই হোয়াটএপ এড রয়েছে, এখানে নাম্বার বেকাপ থাকে, এখানে আপনার কার্ড সহ অনেক তথ্যের ব্যাকাপ থাকে। তাই সুন্দরী মেয়ের আইডি দেখামত্রই তথ্য দেয়া ও ভিডিও কলে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।


একটা বিষয় খেয়াল করবেন। এই আইডি বেশীরভাগ নারীদের ছবি ব্যবহৃত। এই নারীদের ছবিও বেশ সুন্দর। অধিকাংশ হিন্দু/সনাতন ধর্মীয় নাম। অধিকাংশের লোকেশন ভা/র/ত। তাদের আইডিতে কোন মেজর কিছুই নাই। খালি কয়েকটা খোলামেলা ছবি আর ভিডিও ছাড়া।


খুব খেয়াল না হইলে দেখাবে রান, নিয়ে যাবে সম্মানের সব ধান... এই ধরনের হ্যাকিং ফেইসবুক, হোয়াটসেপ ও ইমুতেও হতে পারে। তাই আসুন সচেতন হই, নিজে জানি ও অন্যকে জানিয়ে দেই। উঠতি বয়সের তরুনেরা এই ফাঁদে বেশী আটকাচ্ছে আজকাল।


আসুন সচেতন হই অনলাইনে।  ভালো লাগলে অনুগ্রহ করে পেইজ টা follow দিয়ে যাবেন।

আপনাকে সিজারের সময় মেরুদণ্ডে যে ইনজেকশন দেওয়া হয় সেই ইনজেকশনটা কে পুশ করেছিল মহিলা ডাক্তার নাকি পুরুষ ডাক্তার? 

 

আপনাকে সিজারের সময় মেরুদণ্ডে যে ইনজেকশন দেওয়া হয় সেই ইনজেকশনটা কে পুশ করেছিল মহিলা ডাক্তার নাকি পুরুষ ডাক্তার? 
এই ইনজেকশনটায় পরবর্তীতে কি কি ক্ষতি হয় জানেন??

বর্তমানে সিজারের শতভাগ কাজ কি মহিলা ডাক্তাররাই করেন? নাকি কিছু কাজে পুরুষ ডাক্তারের সাহায্য নিতে হয়?

পৃথিবীতে কোনো প্রাণীর সিজার লাগে না, মানুষের কেন লাগে?

মানুষের সিজার লাগার কারণহলো, শুশুর ফোন দিয়ে বলবে আমার মেয়ের কিছু হলে জামাই তোমাকে ছাড়বো না, শাশুড়ি বলে আমার মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করুন টাকা যা লাগে আমি দিবো।
আর শালা শালি তো আছেই। তার পর ডাক্তারের কথা বললে তো আইডি আজই নষ্ট হবে।

হাসপাতালে গর্ভবতীকে নেবার পরে, ডাক্তার দেখা মাত্র চেক-আপ করে... এই ৩ টি ডায়লগের যেকোনো একটি দিয়ে থাকেন।

১. বাচ্চা পানিশূন্যতায় আছে।


২. বাচ্চা পেটের ভিতরে পায়খানা করে দিয়েছে।


৩. বাচ্চার পজিশন উল্টা।


এই কথাগুলোর যেকোনো একটা শোনার পর গর্ভবতীর এবং তার পরিবারের লোকে অবস্থা কি হতে পারে অনুমান করা কষ্টসাধ্য নয়।

বাংলাদেশের সমস্ত প্রাইভেট হাসপাতালের গত ৫ বছরের ডেলিভারি রিপোর্ট দেখলে, দেখা যাবে প্রায় ৯০% সন্তান সিজারে ডেলিভারি করানো হয়েছে।

,,100 মহিলা ডাক্তার এর মধ্যে একজন মহিলা ডাক্তার সিজার ডেলিভারি হয়েছে এমন খুঁজে পাওয়া খুব কষ্টকর ,, আর সাধারণ মানুষ হসপিটালে যাওয়া মাত্রই সিজার সিজার সিজার,, সিজারে এতো টাকা বিল আসে কেন, যাচাই করার কোন উপায় কি আছে আমাদের দেশে। সিজারের সময় যে এক কার্টুন ঔষধ ও,টি,তে নেওয়া হয়, তা কি সব লাগে? বাকি ঔষধ কোথায়?

সিজার ডেলিভারির জন্য, আমাদের দেশের মায়েরা অর্ধপঙ্গু হয়ে যাচ্ছে। এটাকে বন্ধ করুন।মা’কে বাঁচান, বাচ্চা কে বাঁচান।

তবে আমি মনে করি, কিছু কিছু ডাক্তার নিজের স্বার্থের জন্য হয়ত সিজার করতে বলেন। কিন্তু সব ডাক্তার নয়।

এখন সিজারের সংখ্যা কেন বেড়ে গেছে তার কারণটা আমার কাছে মনে হয় ব্যাপারটার উৎপত্তি আমাদের জন্ম থেকে। আপনি আপনার দাদা দাদী / নানা নানীর দিকে তাকান । উনারা দেখবেন , বুড়ো বয়সেও কত শক্তিশালী। আমাদের দাদা নানারা দেখবেন , ৭০ বছর বয়সেও অনেক দূর হেটে হেটে নামাজ পরতে যাচ্ছে , চা খেতে যাচ্ছে। আমার দাদা ৮০+ বয়স হওয়ার পরেও চশমা ছাড়া পেপার পরত । এবার আমাদের বাবা মায়ের দিকে তাকান। কিছু পরিবর্তন পাচ্ছেন ? উনাদের কোমর ব্যাথা , হাটু ব্যাথা , হাড় ক্ষয় হয়ে যাওয়া ধরনের অসুখ দেখতে পাচ্ছেন ?

বর্তমান বাংলাদেশ

প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেটের বদলে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা, শেখানোর সহজ ভাষা আর আন্তরিকতাই হবে সবচেয়ে বড় সার্টিফিকেট



একটা সময় ছিল, যখন মনে করা হত সার্টিফিকেট না থাকলে উপার্জন সম্ভব নয়—কাজ নেই, আয় নেই, স্বপ্নও যেন ফিকে। ইন্টারনেটের এই সময় একদমই ভিন্ন কথা বলে। আপনি ভাল রান্না করতে পারেন? সেটা থেকেই আপনি আয় করতে পারবেন অনলাইনে।


সাধারণ চাকরিজীবী ও উদ্যোক্তাদের বাইরেও যারা পরিবার সামলান, ছোট শহর বা গ্রামে থাকেন, বা বাইরে চাকরি করার সুযোগ পান না—তাদের জন্য ঘরে বসেই কোর্স বিক্রি করে আয় করা এখন নতুন সুযোগ। আপনার সেলাই সুন্দর, হয়ত মোবাইলেই দারুণ ছবি তোলেন—এই ছোট ছোট দক্ষতাগুলিই হতে পারে আপনার কোর্সের বিষয়। 


এই লেখায় থাকবে—কোন কোন বিষয় নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট ছাড়াই কোর্স বানাতে পারবেন, কীভাবে সেটা বিক্রি করবেন, আর কীভাবে ক্রেতার আস্থা তৈরি করবেন। আপনার অভিজ্ঞতা আর গল্পই হতে পারে অন্যের শেখার উৎস ও অনুপ্রেরণা।

.


১. নিজের স্কিল খুঁজে বের করুন


সবচেয়ে আগে ভাবুন—আপনার কাছে এমন কী আছে, যা অন্যরা শিখতে চাইবে? অনেকে বলে, ‘আমি তো তেমন কিছু পারি না!’—আসলে আমাদের অনেকেরই ছোট ছোট দক্ষতা থাকে, যা নিজের কাছে তুচ্ছ লাগে। 


ধরুন, আপনার হাতের রান্না এতই ভাল যে আত্মীয়-স্বজন সবসময় প্রশংসা করে। কিংবা বাচ্চার স্কুল প্রজেক্টে আপনি দারুণ কারুকাজ করেন। এসবই হতে পারে আপনার কোর্সের বিষয়।


একটা সহজ উপায়—একটা নোটবুক নিন, লিখে ফেলুন—“আমি কী কী জানি, যা অন্যকে শেখাতে পারি।” বন্ধুদের জিজ্ঞেস করুন—“তোমরা আমার কোন জিনিসটা শিখতে চাও?” অনেক সময় অন্যের চোখে আমাদের স্কিলগুলি স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। 


আরেকটা বিষয়—যা শিখছেন, সেটা নিয়ে অন্তত ছয় মাস বা এক বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকলে ভাল। এতে শেখানোর সময় আপনি আত্মবিশ্বাসী থাকবেন।

.


২. হস্তশিল্প, ক্রাফট আর হোমডেকর


বাংলাদেশের লোকজ হস্তশিল্পের জন্য কোনো সার্টিফিকেটের দরকার হবে না। নকশিকাঁথা, হাতে বাঁধাই পুতুল, মৃৎশিল্প—এমন অনেক কাজই আছে, যা গ্রামের গৃহিণী থেকে শহরের তরুণী পর্যন্ত শিখতে আগ্রহী। আপনি যদি এই কাজগুলি নিজে করতে জানেন, তাহলে সহজেই ছোট ভিডিও টিউটোরিয়াল আকারে শেখাতে পারেন।


একটা ভাল হস্তশিল্প কোর্সে থাকবেই—কাঁচামাল কোথা থেকে আনবেন, কত দামে পাবেন, কোন কাজের জন্য কোন যন্ত্রপাতি দরকার হবে। 


সবার আগে বেসিক নকশা দিয়ে শুরু করুন—ধাপে ধাপে দেখান কীভাবে হাতে ধরতে হবে, কোন ছোট ভুল কীভাবে এড়াবেন। কোর্সের শেষে ২-৩টা প্রজেক্ট দিন, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজের হাতেই পুরোটা তৈরি করতে পারে। চাইলে সেটাকে বিক্রি করার সহজ উপায়ও দেখাতে পারেন—যেমন ফেসবুক পেইজ বা লোকাল দোকানে দিয়ে আসা।


কেন মানুষ আপনার কোর্স কিনবে? 


কারণ তারা বিশ্বাস করবে—আপনি নিজের হাতে কাজটা শিখেছেন, বানিয়েছেন, আর সেটাই হাতে ধরে দেখাচ্ছেন। আরেকটা কাজ করুন—ক্লাসের কিছু অংশ ফ্রি লাইভে বা ইউটিউবে দিন, দেখবেন অনেকেই আগ্রহ নিয়ে পুরো কোর্স কিনতে চাইবে।

.


৩. রান্না ও বেকিং


রান্নাকে শুধু ঘরের কাজ না ভেবে আয় করার বিষয় হিসাবেও দেখতে পারেন। মা-দাদির পুরনো রেসিপি, নিজের তৈরি ফিউশন বা হোম বেকিং—সবই শেখানো যায়। বেকিং শেখার চাহিদা এখন খুবই বেশি, কারণ হোম বেকারি বিজনেস চালু করতে চান এমন নারীরা সহজ অথেনটিক গাইড খোঁজেন।


আপনার কোর্সে রেসিপি হবে, সেটা তো থাকবেই। সঙ্গে থাকবে হাতেকলমে ভিডিও—ফ্রিজের তাপমাত্রা, ওভেনের সেটিং, ডেকোরেশন, খাবার পরিবেশন—সব। 


রেসিপি কার্ড পিডিএফ আকারে দিন, যাতে শিক্ষার্থীরা হাতের কাছে রাখতে পারে। চাইলে কিচেন ম্যানেজমেন্ট, হাইজিন, অর্ডার ডেলিভারি—এসব নিয়ে ছোট মডিউল রাখুন। 


অনেকেই খাবার বানাতে পারে, কিন্তু প্যাকেজিং আর কাস্টমারের হাতে ঠিকভাবে পৌঁছানোই তাদের সমস্যা হয়—আপনি যদি সেটা শেখাতে পারেন, আপনার কোর্স সবার উপকারে আসবে!

.


৪. ফ্রিল্যান্সিং স্কিলস—আপনার অভিজ্ঞতাই হবে অন্যদের গাইড


অনেকেই ভাবে, ফ্রিল্যান্সিং শেখাতে হলে ডিগ্রি লাগবে—আসলে একদমই না! 


আপনি যদি ফাইভার, আপওয়ার্ক বা ফেসবুকের লোকাল গ্রুপ থেকে ছোট ছোট অর্ডার পেয়ে থাকেন, সেটাই হতে পারে বাস্তব অভিজ্ঞতা। কেউ যদি শোনে যে “আপনিও আমার মত একদিন প্রথম অর্ডার পেয়েছিলেন, ভুল করেছেন, শিখেছেন”—তাহলে তারা আপনার শেখানো পদ্ধতিই সহজে বুঝবে।


কোর্সে রাখবেন—প্রোফাইল সেটআপ, কীভাবে বায়ো লিখবেন, প্রপোজাল কেমন হবে, প্রাইস কত রাখবেন, কাস্টমারের সাথে কনভার্সেশন কীভাবে হবে। 


অনেকে বলেন, ‘ইংরেজি পারি না, তাই ফ্রিল্যান্সিং শেখা হবে না।’ আসলে শুরুটা আপনি বাংলায় করতেই পারেন: কীভাবে প্রোফাইল বানাবেন, কীভাবে প্রপোজাল লিখবেন, কেমন টুল ব্যবহার হবে। এসব প্রথমে বাংলাতেই শেখা ভালো। এতে ভয় কমে, বিষয়গুলি মাথায় গুছিয়ে যায়।


কিন্তু সত্যি কথা হল, ফ্রিল্যান্সিং একবার শুরু হলে ক্লায়েন্টদের সাথে কথা বলতে, মেসেজ লিখতে, প্রেজেন্টেশন দিতে, দরকার হলে মিটিং করতে আপনার ইংরেজি জানতেই হবে। তাই শেখানোর সময়ই বার বার বলুন, বাংলায় শেখা শুধু বেসিক বুঝতে, কিন্তু ক্লায়েন্টকে ম্যানেজ করতে গেলে ধীরে ধীরে ইংরেজি প্র্যাকটিস শুরু করতেই হবে।


ইংরেজি শেখার ছোট ধাপগুলি একসাথে বলে দিন:


• দৈনিক ৫-১০টা প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সিং শব্দ শিখুন। যেমন — proposal, milestone, deliverables, revision, deadline, budget — এসব শব্দে অভ্যস্ত হয়ে যান।


• ছোট ছোট মেইল বা ক্লায়েন্টের মেসেজ পড়ে অনুবাদ করুন। দরকার হলে গুগল ট্রান্সলেট বা চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করুন, কিন্তু চোখ বুলাতে থাকুন।


• নিজে প্র্যাকটিস মেসেজ লিখুন। মনে করুন, আপনি ১০ ডলারের কাজের প্রপোজাল দিচ্ছেন — কীভাবে politely বলবেন, সেটার খসড়া তৈরি করুন।


• বন্ধু বা ছোট গ্রুপে spoken practice করুন। জোরে পড়ুন—এতে উচ্চারণ ও আত্মবিশ্বাস দুটোই বাড়বে।


• ক্লায়েন্ট মেসেজের কিছু রেডি ফরম্যাট বানিয়ে রাখুন। পরে দরকারে কপি করে একটু পরিবর্তন করে পাঠাবেন।


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল—ছোট কেস স্টাডি দিন। যেমন:


“আমি প্রথমে একেবারেই ইংরেজিতে কথা বলতে পারতাম না। প্রথম প্রপোজাল লিখতে গিয়ে Google Translate আর YouTube টিউটোরিয়াল মিলিয়ে লিখেছিলাম। প্রথম অর্ডারটা মাত্র ৫ ডলার হলেও সেটাই আমার আত্মবিশ্বাসের শুরু। ধীরে ধীরে প্রতিদিন অল্প অল্প শিখে আজ আমি ফ্রিল্যান্সিংয়ে ভাল ইনকাম করছি।”


এভাবে গল্প বললে নতুনরা বুঝবে, শুরুতে ভুল হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যিনি চেষ্টা করেন, তিনিই টিকে থাকেন।

.


৫. সেলাই ও ফ্যাশন ডিজাইন


সেলাই শিখতে চায় এমন মানুষের অভাব নেই—বিশেষ করে বিয়ের মৌসুমে ব্লাউজ, শাড়ির পাড় সেলাই, বেবি ফ্রক, স্কুল ড্রেস—সবকিছুরই চাহিদা আছে। আপনি যদি দর্জির কাছে কাজ শিখে থাকেন বা নিজের বাসায় জামা তৈরি করে থাকেন, সেটাই কোর্সের বিষয় হতে পারে।


আগে বেসিক থেকে শুরু করুন—মেশিন সেটআপ, কাপড় বাছাই, মাপ নেয়ার কৌশল। তারপর দেখান—একই ডিজাইনের ছোট ছোট ভ্যারিয়েশন কীভাবে করা যায়। সাধারণ ফিটিং সমস্যা আর্টিস্টিকভাবে মডিফাই করলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। 


চাইলে “ঘরে বসে অর্ডার নিয়ে কীভাবে কাজ শুরু করবেন”—এমন ছোট বিজনেস টিপসও দিন। এতে ছাত্রীরা শুধু সেলাই শিখবে না, আয়ও শুরু করতে পারবে।

.


৬. মোবাইল ফটোগ্রাফি ও কন্টেন্ট ক্রিয়েশন—ছোট দোকানদারদের জন্য বাঁচার দাওয়াই


সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ছবি ভাল না হলে প্রোডাক্ট বিক্রি হয় না। DSLR না থাকলেও মোবাইল দিয়েই অসাধারণ ছবি তোলা সম্ভব। আর এই কাজ শেখাতে পারেন আপনিও—যদি নিজেই ফ্রেমিং, লাইট, এডিটিং নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে থাকেন।


কোর্সে যা শেখাবেন—মোবাইলে ক্যামেরা সেটিং কীভাবে ঠিক করতে হয়, প্রোডাক্ট শুট আর পার্সোনাল ব্র্যান্ড শুটের টেকনিক, কম আলোতে কীভাবে ছবি তুলতে হবে। ব্যাকগ্রাউন্ড সেটআপ, ছোট প্রপস, ফ্রি এডিটিং টুল—সব দেখান হাতে ধরে। নিজেই তোলা কিছু ছবি আগে-পরের তুলনায় দেখালে শিক্ষার্থীরা বুঝবে—আপনার শেখানো কাজে দিচ্ছে।

.


৭. শিশুদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট


ছোট বাচ্চাদের জন্য গল্প বলা, আঁকা শেখানো, হাতের কাজ শেখানো—সবকিছুই অনলাইনে শেখানো সম্ভব। অনেক মা-বাবা চান সন্তান মোবাইলে ভিডিও দেখার বদলে কিছু শেখুক। এই কোর্সগুলি ছোট ও কালারফুল হলে শিশুরাও আনন্দ পায়।


এ ধরনের কোর্সে ভিডিও ৫-৭ মিনিটের বেশি রাখবেন না—বাচ্চাদের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন। 


গানে গানে কবিতা শেখানো, কাগজের কারুকাজ, ছোট রঙের কাজ—সব সহজ ও মজার করে সাজান। বাবা-মার জন্য ছোট গাইড দিন—“কোর্স চলাকালে কীভাবে বাচ্চাকে সাপোর্ট দেবেন।” এতে তারা আপনাকে ভরসা করবে।

.


ভিডিও আর কন্টেন্ট তৈরি—খরচ কম, ফল বেশি


শুরুতে অনেকেই ভাবে ভাল কোয়ালিটির ভিডিও বানাতে স্টুডিও, ক্যামেরা, মাইক্রোফোন দরকার। বাস্তবে, আপনার মোবাইল ফোন আর স্বাভাবিক আলোই যথেষ্ট। দিনের বেলা জানালার পাশে বসে ভিডিও করুন। চেষ্টা করুন যাতে কোনো শোরগোল না থাকে—দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন, ফ্যানের আওয়াজ এড়িয়ে চলুন।


ভিডিও শুট হয়ে গেলে সহজ এডিটিং টুল ব্যবহার করুন—CapCut, VN, Canva এর মত ফ্রি সফটওয়্যারেই প্রাথমিক সব কাজ হয়ে যাবে। লম্বা ভিডিওর বদলে বিষয় ভিত্তিক ছোট ছোট ক্লিপ বানান। এতে যারা শিখবে তারা মনোযোগ ধরে রাখতে পারবে এবং আপনার কন্টেন্টও আরও গোছানো মনে হবে।

.


কোর্সের দাম ঠিক করবেন কীভাবে?


অনেকেই শুরুতে ভেবে নেন দাম কম রাখলে বেশি বিক্রি হবে। কিন্তু খুব কম দামে কোর্স দিলে অনেকে কোয়ালিটি নিয়ে সন্দেহ করে। আবার দাম একদম বেশি হলে প্রথমবার কেউ কিনতে চাইবে না। তাই বাজারে অন্যদের কোর্সের দাম দেখে নিন। নিজের সময়, শ্রম আর অভিজ্ঞতার দাম হিসাব করুন।


ছোট বেসিক কোর্স সবার হাতে পৌঁছাতে তুলনামূলক কম দামে দিন। পরে আপনার ছাত্রছাত্রীরাই যদি সন্তুষ্ট হয়, তাহলে তারা আপনার অ্যাডভান্স লেভেলের কোর্স বা আলাদা মডিউল নিতে আগ্রহী হবে—সেটাতে আপনি ন্যায্য দাম রাখতে পারবেন।

.


গ্রাহকের আস্থা—আপনার বাস্তব গল্পই সবচেয়ে বড় প্রমাণ


প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট না থাকলে বিশ্বাসযোগ্যতা গড়া খুব জরুরি। এক্ষেত্রে আপনার কাজই হবে সবচেয়ে বড় প্রমাণ। প্রথম দিকে কয়েকজনকে ডিসকাউন্ট বা একদম ফ্রি কোর্স দিন। তাদের কাছ থেকে রিভিউ, ভিডিও টেস্টিমোনিয়াল সংগ্রহ করুন। এগুলি আপনার পেইজ বা প্রোমো ভিডিওতে ব্যবহার করুন।


সাথে ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপে একটা কমিউনিটি গ্রুপ চালু রাখুন—শিক্ষার্থীরা একে অপরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবে৮৮৮৮8৯৯, আপনাকে ফিডব্যাক দেবে। এতে নতুনদের আস্থা বাড়বে। 


কিছু অংশ ইউটিউবে ফ্রি রাখলে মানুষ আপনার শেখানোর ধরন বুঝতে পারবে, যা বিক্রির সম্ভাবনা বাড়াবে।

.


কোর্স মার্কেটিং—সঠিকভাবে ছড়িয়ে দিন


মার্কেটিং শুধু বিজ্ঞাপন নয়—আপনি কীভাবে আপনার কাজের মান মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছেন সেটাই মূল বিষয়। 


প্রথমে নিজের ফেসবুক পেইজ ও প্রোফাইল থেকে শুরু করুন। ক্লাসের ছোট অংশের ক্লিপ, বিক্ষিপ্ত লাইভ সেশন বা টিজার পোস্ট দিন। যারা একেবারে নতুন, তাদের জন্য ইউটিউবে সংক্ষিপ্ত ফ্রি ক্লাস আপলোড করুন।


প্রথম কিছু শিক্ষার্থীকে স্পেশাল অফার দিন, ছাড় দিন। পেমেন্ট সিস্টেম সহজ রাখুন—বিকাশ, নগদ, রকেটের মত লোকাল অপশন থাকলে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে আপনার কোর্স কিনতে পারবে।

.


শুরু করার আগে ছোট চেকলিস্ট


• নিজের স্কিল ও বিষয় নির্ধারণ করুন

• কনটেন্ট পরিকল্পনা লিখে ফেলুন

• ভিডিও রেকর্ড করুন

• সহজ এডিটিং করে ভিডিও গুছান

• দাম ঠিক করুন

• প্রথম ব্যাচের রিভিউ সংগ্রহ করুন

• শিক্ষার্থীদের জন্য কমিউনিটি তৈরি করুন

• নিয়মিত প্রোমোশন চালিয়ে যান—ভয় পাবেন না

.


প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেটের বদলে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা, শেখানোর সহজ ভাষা আর আন্তরিকতাই হবে সবচেয়ে বড় সার্টিফিকেট। আর এই গল্পটাই অন্য নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে। হাতে থাকা মোবাইল আর একটু সাহস—এই দুই থাকলেই শুরু করা সম্ভব। আজই এক ধাপ এগিয়ে যান, নিজের ছোট কোর্সের মধ্যে গড়ে তুলুন বড় স্বপ্নের ভিত।

মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর  গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়। 

 মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর  গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়। 


ঐ সময় জ্বরের কারণ হিসেবে underlying Infection চিন্তা করে পেশেন্ট কে হসপিটালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হয়। সেলাইয়ের জায়গার একটা অংশ কিছুটা আদ্র থাকায় সেখানে ইনফেকশন চিন্তা  করা হয়। প্রথমে এম্পেরিয়াল এন্টিবায়োটিক শুরু করা হয় কিন্তু রোগীর তেমন উন্নতি নেই। বরং শরীরের গলার নিচে-বুকে-পিঠে বিভিন্ন জায়গায় Rash দেখা। গাইনোকলজিস্ট Antibiotic এর Drug Reaction চিন্তা করে Antibiotic বন্ধ করেন। 


পরবর্তীতে আদ্র জায়গা থেকে Swab নিয়ে কালচারের জন্য পাঠানো হয় কিন্তু কালচারে কোন গ্রোথ ছিল না। পরবর্তীতে কয়েক দফায়  এন্টাবায়োটিক পরিবর্তন করা হয়। এর পাশাপাশি ব্লাড কালচার করা হয় সেখানেও কোনো গ্রোথ পাওয়া যায় নি। এছাড়া জ্বরের কারণ খোঁজার জন্য টিবি সহ সম্ভাব্য অন্যান্য পরীক্ষাও করা হয় কিন্তু কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।


যেহেতু ডেঙ্গু সিজন চলছে ডেঙ্গু টেস্টও করা হয়েছিল ডেঙ্গু টেস্ট নেগেটিভ, Platelet count নরমাল। 


এর মধ্যে মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে কল দেয়া হয় মেডিসিনের সিনিয়র ডাক্তার এসেও কোনো ক্লোজ খুঁজে পাচ্ছেন না। 

এন্টিবায়োটিক পরিবর্তন করা হল কিন্তু উন্নতি নেই। 


এর মধ্যে রোগীর CBC পরীক্ষায় দেখা যায় যে wbc কাউন্ট দিন দিন কমে যাচ্ছে। জন্ডিস দেখা দিয়েছে, বিলিরুবিন বেশি। এলবুমিন ও কমে যাচ্ছে। 


Procalcitonin level, HBsAg, Anti HCV সহ অনেক টেস্ট করা হয়েছিল সব নরমাল। এদিকে Albumin দিয়েও Albumin লেভেল নরমালে রাখা যাচ্ছে না বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ট্রাই করেও রোগীর কোন উন্নতি হচ্ছে না

কিন্তু কেন এমন হলো তার কোন ব্যাখ্যা ও দিতে পারছেন না ডাক্তাররা। 


সবশেষে উনারা বলেন যে, Septicemia থেকে Multiorgan failure এর দিকে যাচ্ছে পেশেন্ট। 


ঐ মুহূর্তে ডা. খাইরুল ভাইয়ার ডাক পড়ে। ভাইয়া ওয়ার্ডে গিয়ে পেশেন্ট কে দেখেন। একেবারে শুরু থেকে হিস্ট্রি নেন এবং প্রশ্ন করে পাওয়া একটা ক্লু থেকে ডায়াগনোসিস করেন। সেই মুহূর্তে ভাইয়া মোবাইলে থাকা পেশেন্টের Rash এর ছবি টা আমাকে দেখান। 


পেশেন্টের হিস্ট্রি + Rash এর ছবি টা দেখে আমার মনে পড়ে যায় ১/২ বছর আগে বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট Prof. Dr. Akhil Ranjon Biswas  স্যারের শেয়ার করা দুটি কেইস হিস্ট্রি পড়েছিলাম Haematology Society of Bangladesh এর ওয়েবসাইটে। এবং এই পেশেন্টের Rash ও স্যারের শেয়ার করা পেশেন্টের Rash এর ছবির সাথে মিলে যাচ্ছে। 


তখন ভাই কে জিজ্ঞেস করলাম, উনার ডায়াগনোসিস কি Blood Transfusion Associated GVHD(Graft Versus Host Disease)?  


তখন ভাই জানালেন যে পেশেন্টের সিজারের সময় ব্লাড ডোনেট করে তার আপন ভাই। কেউ আসলে সেই হিস্ট্রি টা নেন নি। সবাই আসলে সিজার পরবর্তী জ্বরের কারণ হিসেবে Infective cause চিন্তা করছিলেন। তাই কোনো কনক্লুসনে আসতে পারছিলেন না কেইস টি নিয়ে। যেহেতু অনেক টেস্ট অলরেডি করা হয়ে গেছে এবং ভাইয়াও অতীতে এমন কেইস দেখেছেন তাই উনি আগ বাড়িয়ে ব্লাড ট্রান্সফিউসন হিস্ট্রি নিয়েছেন এবং ডায়াগনোসিস করতে পেরেছিলেন। আর বাইরে থেকে এলবুমিন দেয়া সত্ত্বেও পেশেন্টের এলবুমিন লেভেল কমে যাচ্ছিল তার  কারণ হিসেবে ভাইয়া বললেন এক্ষেত্রে Protein loosing Enteropathy হয়। 


কিন্তু GVHD এর মর্টালিটি রেইট যেহেতু অনেক বেশি, এই পেশেন্ট আসলে সার্ভাইভ করার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। (আমি পূর্বে যে দুটো কেইস পড়েছিলাম সেই দুজনই মারা যান। একজনের ক্ষেত্রে ব্লাড ডোনার ছিলেন আপন ভাই, আরেকজনের ক্ষেত্রে আপন ছেলে।) 


এই মহিলার শেষ CBC তে WBC count ছিল মাত্র ২৩০/মাইক্রো লিটার (!!!)। Neutrophil 08%,  Lymphocyte 90%. ESR= 45.


পরবর্তীতে তাকে হেমোটলজি ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করা হয়। ভাইয়া আমাকে নিয়ে যান হেমোটলজি ওয়ার্ডে ভর্তি এই  পেশেন্ট দেখানোর জন্য এবং ঐ সময় অধ্যাপক ডা. আখিল রন্জন বিশ্বাস স্যারও ওয়ার্ডে রাউন্ড দিচ্ছিলেন। কিন্তু এই পেশেন্টের বেডে গিয়ে পেশেন্ট কে পাওয়া যায় নি। কারণ উনিও GVHD এর মত একটি Grievous condition এর নিকট হার মেনে মৃত্যুবরণ করেছেন। 


আল্লাহ মেহেরবানী করে রোগী কে বেশেহত নসীব করুন। 

ডা. খাইরুল ভাইয়া কে অসংখ্য ধন্যবাদ কেইস টি শেয়ার করার জন্য। এর আগে TA-GVHD এর সেইম আরেকটি কেইস ভাইয়া ডায়াগনোসিস করেন যেখানে Open Heart Surgery এর পর পেশেন্টের জ্বর এবং Rash দেখা দেয়। সার্জারীর সময় নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেন ঐ পেশেন্ট এবং কয়েকদিনের মধ্যেই মরণঘাতী এই রোগে মৃত্যুবরণ করেন। 


Take_Home_Message: 

নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। নিকটাত্মীয়ের রক্ত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সাধারনত Blood Transfusion এর ২ দিন থেকে ৩০ দিন পর এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। Immunocompromised গ্রহীতার ক্ষেত্রে রিস্ক সবচেয়ে বেশি থাকে, তবে দৃশ্যত সুস্থ গ্রহীতার ক্ষেত্রেও Rarely এমনটা ঘটে থাকে। 


এর বিস্তারিত ব্যাখা দিতে গিলে অনেক বড় হয়ে যাবে লেখা। সংক্ষেপে বললে, নিকটাত্মীয়ের সাথে আপনার HLA matching থাকায় আপনার রক্তে থাকা T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) ডোনারের রক্তে থাকা T cell কে নিজের/Self হিসেবে মনে করবে, তাই তাকে কিছু করবে না। কিন্তু ডোনারের T cell আপনার শরীরে প্রবেশের পর আপনার দেহ কোষগুলো কে Non self/Foreign হিসেবে মনে করবে এবং বিভিন্ন অঙ্গের কোষ গুলো ধ্বংস করতে শুরু করবে। যাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা উন্নত বিশ্বেই ৯০% এর বেশি। তবে মাত্র ১% এরও কম কেইসে এটা ঘটে থাকে, অর্থাৎ খুব রেয়ার। কিন্তু হলে  যেহেতু রক্ষা নেই, তাই নিকটাত্মীয়ের রক্ত এভয়েড করাই যুক্তিযুক্ত। 


বোঝার সুবিধার্থে সাধারন ভাষায় বললে,

বাইরের রাষ্ট্রের কেউ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে গেলে বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু ধরুন বাংলাদেশ বিজিবির পোশাক পরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের সৈনিকরা এদেশে প্রবেশ করল এবং বাংলাদেশ বিজিবি  ঐ সকল সৈনিক কে নিজেদের লোক মনে করে কিছুই  করল না। এই সুযোগে ঐ সৈনিকরা এদেশে বংশবৃদ্ধি করলো এবং বাংলাদেশের সাধারন মানুষ দের মারতে থাকলো। ঠিক এটাই ঘটে TA-GVHD তে।   

*বিজিবি= গ্রহীতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) 

*সৈনিক= দাতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)


♦বিশেষ করে আপন ভাই/বোন, বাবা /মা, ছেলে/ মেয়ে, ভাতিজা/ভাতিজি,  ভাগিনা/ভাগিনী  থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। আপন ভাতিজা থেকে রক্ত নিয়ে TA-GVHD হয়ে মারা গেছেন এমন কেইসও আছে।


এফসিপিএস মেডিসিনে গোল্ড মেডেল পাওয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক Dr. Khairul Islam  (MBBS,MCPS,FCPS) ভাই। ভাই শুধু ডিগ্রীধারী বিশেষজ্ঞই নন, ক্লিনিসিয়ান হিসেবেও খুবই ভালো। একাডেমিক ও মানবিক একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ভাইয়ের সাথে দেখা হলে সবসময় বিভিন্ন কেইস নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কেইস নিয়ে কৌতুহল থাকায় শুনতে/জানতে ভালো লাগে এবং থিংকিং ক্যাপাবিলিটি বাড়ানোর চেষ্টা করি। সেদিন ভাইয়া একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।


বি: দ্র: ইংরেজিতে একটা কথা আছে,, Knowledge increases by Sharing, not by Saving! এই সিরিজের সবগুলো লিখাই একাডেমিক আলোচনার জন্য। প্রাসঙ্গিক কোনো তথ্য/অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাইলে করতে পারেন। 

Dr. Fahim Uddin

Khulna Medical College

Session: 2012-2013 


♣যদি ইমার্জেন্সি সিচুয়েশনে কোনো ডোনার খুঁজে না পাওয়া যায় তখন নিকটাত্মীয় থেকেও বাধ্য হয়ে ব্লাড নিতে হয়, তবে সেক্ষেত্রে ডোনারের ব্লাড Irradiation করে গ্রহীতার শরীরে দেওয়া হয়।


#everyone #trending #foryou #followers #highlights #medical #Dr #blood #blooddonation #treatment

শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫

হারানো অঙ্গ ফিরে পাওয়ার গোপন সূত্র কি টিকটিকির লেজে লুকিয়ে আছে?

 হারানো অঙ্গ ফিরে পাওয়ার গোপন সূত্র কি টিকটিকির লেজে লুকিয়ে আছে?


আপনি কি জানেন, টিকটিকির লেজ কেটে গেলেও সেটা আবার নতুন করে গজিয়ে ওঠে? এটা কিন্তু কোনো জাদুবিদ্যা নয়, বরং একেবারে খাঁটি বিজ্ঞান। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই বিশেষ ক্ষমতা যদি মানুষের শরীরে কাজে লাগানো যায়! তাহলে কি ভবিষ্যতে কাটা হাত বা পা আবার গজাবে?


প্রথমেই জানা দরকার, টিকটিকির লেজ কীভাবে পুনরায় গজায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর মূল রহস্য লুকিয়ে আছে কিছু নির্দিষ্ট কোষের মধ্যে। এগুলোকে বলা হয় স্টেম সেল এবং প্রোলিফারেটিভ সেল। যখন টিকটিকির লেজ ভেঙে যায়, তখন এই বিশেষ কোষগুলো খুব দ্রুত বিভাজিত হয়ে নতুন টিস্যু তৈরি করে। শুধু লেজ নয়, হাড়, স্নায়ু, রক্তনালী সবকিছুই ধাপে ধাপে তৈরি হয়।


এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মানুষের দেহে এমন কিছু করা সম্ভব কি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই অনেক দেশের বিজ্ঞানীরা বছরের পর বছর গবেষণা চালাচ্ছেন। আপনি হয়তো শুনেছেন, মানুষের শরীরেও স্টেম সেল রয়েছে। এগুলো এক ধরণের অলরাউন্ডার কোষ, যেগুলো থেকে নতুন কোষ তৈরি করা যায়। সমস্যাটা হচ্ছে, মানুষের শরীরে এই ক্ষমতা সীমিত। ছোটখাটো কাটা বা ক্ষত মেরামত হলেও বড় অঙ্গ যেমন হাত, পা কিংবা হার্ট গজানো একেবারে অসম্ভব।


তবে বিজ্ঞান এখানে থেমে নেই। ২০২২ সালের দিকে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, টিকটিকির লেজ গজানোর পিছনে Wnt নামের এক বিশেষ জিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই Wnt সিগনালিং পাথওয়ে যদি মানুষের কোষে সক্রিয় করা যায়, তাহলে হয়তো কোষগুলো অনেক বেশি কর্মক্ষম হয়ে উঠবে। আবার কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, টিকটিকির লেজে microRNA নামের ছোট জিনগত উপাদানও কোষের পুনরায় গঠন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এগুলো মানুষের কোষে কৃত্রিমভাবে ব্যবহার করার কাজও শুরু হয়েছে।


আমেরিকার একদল গবেষক ইঁদুরের শরীরে টিকটিকির এই কোষ ও জিনগত প্রক্রিয়া কৃত্রিমভাবে প্রয়োগ করেছেন। সেখানে আংশিক সফলতাও মিলেছে। কিছু ক্ষেত্রে ইঁদুরের ছোটো আঙ্গুল আংশিকভাবে পুনর্গঠিত হয়েছে। তবে পুরোপুরি হাত বা পা গজানোর মতো বড় সাফল্য এখনও আসেনি।


এখনও পর্যন্ত মানুষের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে lab-grown organs বা ল্যাবরেটরিতে অঙ্গ তৈরি করার চেষ্টা। এই প্রযুক্তিতে স্টেম সেলের সাহায্যে ছোট ছোট টিস্যু বা অঙ্গাংশ তৈরি করা হচ্ছে। তবে পুরো অঙ্গপুনর্গঠন মানে হাত-পা গজানো, এই জায়গায় বিজ্ঞান এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে।


সংক্ষেপে বললে টিকটিকির লেজ মানুষের জন্য একপ্রকার আশা জাগানিয়া সূত্র। এই ধারণা থেকে বিজ্ঞানীরা শিখছেন কীভাবে কোষকে আরও বেশি মেরামতক্ষম করা যায়, কীভাবে জিনগত স্তরে পুনরায় গজানোর ক্ষমতা বাড়ানো যায়। তবে বাস্তবে মানুষের শরীরে হাত-পা নতুন করে গজানোর দিন এখনো অনেক দূরে। তবে যে গতিতে গবেষণা এগোচ্ছে, হয়তো আগামী কয়েক দশকে আমরা অঙ্গপুনর্গঠনের নতুন যুগ দেখতে পাবো।


#KBKh

বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৫-০৭-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ১৫-০৭-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


আগামীকাল দেশে পালিত হবে জুলাই শহীদ দিবস ও রাষ্ট্রীয় শোক --- জুলাইয়ের চেতনায় নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


ভবিষ্যতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনে গণভোটের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে ---জানালেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি।


জাতীয় সংস্কারক হিসেবে স্বীকৃতি পেতে ইচ্ছুক নন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস  --- প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর বিবৃতি।


আগামী মাস থেকে শুরু হবে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি, ১৫ টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবে নিম্ন আয়ের ৫৫ লাখ পরিবার  --- বললেন খাদ্য উপদেষ্টা।


ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে আওয়ামী লীগ আমলে স্বাক্ষরিত ব্যক্তি মালিকানায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের চুক্তিগুলো পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।


যুক্তরাষ্ট্রে অসহায়দের একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত অন্তত নয়।


এবং ঢাকায় সাফ অনুর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল চ্যাম্পিনশীপে ভুটানকে ৪-১ গোলে হারালো বাংলাদেশ ।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...