এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

হাইড্রার দেহের অংশ ~ ০৩টি 

 HYDRA🎀

✨হাইড্রার দেহের অংশ ~ ০৩টি 



✨হাইড্রার কর্ষিকার সংখ্যা ~ ৬-১০টি


✨কর্ষিকার অবস্থান ~ হাইপোস্টম এর গোড়ায়।


✨হাইড্রার নমনীয় কঙ্কাল ~মেসোগ্লিয়া।


✨হাইড্রার মুকুল তৈরি হয় ~গ্রীষ্মকালে।


✨মুকুলোদগম হাইড্রার অযৌন জনন প্রক্রিয়া।


✨হাইড্রার জননাঙ্গ তৈরি হয় ~হেমন্ত ও শীতকালে।


✨হাইড্রার শুক্রাশয় ও ডিম্বাশয়ের অবস্থান ~ দেহকাণ্ডের উপরে অর্ধেক আর নিচে অর্ধেক থাকে।


✨হাইড্রাতে বুদবুদ সৃষ্টি করে ভাসিয়ে রাখে ~পাদচাকতি।


✨হাইড্রার চাকতির ক্ষণপদ গঠনকারী কোষের সাহায্যে  গ্লাইডিং সম্পন্ন হয়।


এপিডার্মিসের অন্তর্ভুক্ত  অথচ গ্যাস্ট্রোডার্মিসের অন্তর্ভুক্ত নয় ~ ১. জননকোষ,২. নিডোসাইট ।


✨কোনটি ক্ষুদ্রতম নেমাটোসিস্ট~স্টেরিওলিন গ্লুটিনেন্ট।


নেমাটোসিস্ট সূত্রক নিক্ষেপের সময় পলির ভিতর পলি গামা গ্লুটামেট ক্ষরিত হয়। 


✨সূত্রক নিক্ষেপের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নতুন নিডোসাইট সৃষ্টির মাধ্যমে নিডোসাইট প্রতিস্থাপিত হয়।


✨দেহকে কোনো বস্তুর সাথে আবদ্ধ রাখতে সাহায্য করে ~পেশি আবরণী কোষ।


✨হাইড্রার শ্বসনে অংশ নেয় ~পেশী আবরণী কোষের মিউকাস দানা ।


✨মুখ ও কর্ষিকার গোড়ায় অবস্থিত পেশি প্রবর্ধকগুলো স্ফিংটার হিসেবে কাজ।


✨খাদ্য গলাধঃকরণে ভূমিকা পালন করে ক্ষণপদীয় কোষ।


✨নিডোসাইট কোষের অভ্যন্তরে গহ্বর ও প্যাঁচানো সূতাযুক্ত অংশকে নেমাটোসিস্ট বলে।


✨নেমাটোসিস্টের বিষাক্ত তরল হিনোটক্সিন।


✨বিষাক্ত তরল প্রোটিন ও ফেনলের সমন্বয়ে গঠিত।


✨নিডোব্লাস্ট কোষে ট্রিগারের মত কাজ করে~নিডোসিল। 


✨নিডারিয়া পর্বের প্রাণিদেহে নেমাটোসিস্ট 23 ধরনের।


✨হাইড্রার নেমাটোসিস্ট 4 প্রকার।


✨ইন্টারস্টিশিয়াল কোষগুলো সম্মিলিতভাবে হাইপোস্টোমের নিচের দিকে বৃদ্ধি এলাকা  গঠন করে।


✨গ্যাস্ট্রোডার্মিসের গ্রন্থিকোষ মূলদেহ ও হাইপোস্টমে সবচেয়ে বেশি থাকে।


✨হাইড্রার দেহের বিভিন্ন কাজের মধ্যে সমন্বয় ঘটায়~স্নায়ু কোষ।


✨২০-৪৮ ঘন্টার মধ্যে ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করতে না পারলে বিনষ্ট হয়।


✨ব্লাস্টুলার কোষগুলোকে ব্লাস্টোমিয়ার বলে।


✨ব্লাস্টুলার কেন্দ্রের ফাকা গহ্বরকে ব্লাস্টোসিল বলে।


✨মাতৃদেহের সাথে সংযুক্ত গ্যাস্টুলাকে স্টেরিওগেস্ট্রুলা বলে।


✨গ্যাস্ট্রলার চারিদিকে গঠিত সিস্ট আবরণী কাইটিন নির্মিত।


✨আসঞ্জন চাকতি গঠন করে ~এপিডার্মিস।


✨শিকারের উপাঙ্গ জড়িয়ে গতি রোধ করে~ভলভেন্ট নেমাটোসিস্ট।


✨হাইড্রার বহিঃকোষীয় পরিপাকের এনজাইম ~পেপসিন।


✨লম্বা দূরত্ব অতিক্রমের জন্য হাইড্রার চলন~লুপিং।


✨হাইড্রার সাধারণ/দ্রুত চলন পদ্ধতি ডিগবাজি।


✨গ্লিডিং হাইড্রার অত্যন্ত ধীরগতির চলন।


✨হাইড্রা আরোহণ ও অবরোহণ করে CRAWLING চলনের মাধ্যমে।


✨হাইড্রার অনিচ্ছাকৃত চলন~ডুবা।


✨হাইড্রার প্রধান রেচনবর্জ্য~অ্যামোনিয়া। 


✨হাইড্রার অযৌন জনন 2 ধরনের।


✨অযৌন জননের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া~মুকূলদগম।


✨মুকুল সৃষ্টি এবং মাতৃ হাইড্রা থেকে পৃথক হয়ে স্বাধীন জীবন যাপন করতে  সময় লাগে~ তিন সপ্তাহ।


✨হাইড্রার অস্বাভাবিক/দৈবাৎ জনন~বিভাজন।


Tasnia khandaker 


BGFSC


HSC'26


#medihour_info 


Follow- MediHour

বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মজার বিজ্ঞান

 🙏মজার বিজ্ঞান ১ম পর্ব🙏🙏🙏


📌পৃথিবী যদিও নিজ অক্ষে ঘন্টায় ১০০০ মাইল বেগে ঘোরে, কিন্তু অবিশ্বাস্য গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে চলে, যা প্রায় ঘন্টায় ৬৭০০০ মাইল বেগে।


📌পৃথিবীতে বছরে প্রায় ১০০০০০০ এরও বেশী ভুমিকম্প হয়ে থাকে। কিন্তু এগুলো খুব ক্ষণস্থায়ী এবং কম কম্পন সম্পন্ন তায় আমরা টের পাই না। তবে রিক্টার স্কেলে কিন্তু এই কম্পন ঠিকই ধরা পরে।


📌প্রতি সেকেন্ডে পৃথিবীতে প্রায় ১০০ বার বজ্রপাত হয়ে থাকে। এবং গড়ে বজ্রপাতে প্রতি বছর প্রায় ১০০০ লোক মারা যায় ।

ডিএনএ প্রথম আবিস্কৃত হয় ১৮৬৯ সালে। এটি আবিষ্কার করেন সুইস ফ্রেডরিক মিস্কলার।


📌আমরা জ্বর মাপার জন্য যে থার্মোমিটার ব্যবহার করি সেটি ১৬০৭ সালে প্রথম আবিষ্কার হয়। এটি আবিষ্কার করেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী গ্যালিলিও।


📌১২৫০ সালে রজার বেকন আতশী কাচ আবিস্কার করেন।

১৮৬৬ সালে আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিস্কার করেন।

প্রথম নোবেল পুরস্কার উইলহেম রনজেন ১৮৯৫ এ এক্সরে আবিস্কার করে (পদার্থবিদ্যা) পান ।


📌এযাবৎকালের সবচেয়ে উচুতম গাছটি হল একটি অস্ট্রেলিয়ান ইউক্যালিপটাস গাছ, যার উচ্চতা ৪৩৫ ফুটের মতো।


📌ইলেকট্রিক ঈল মাছ প্রায় ৬৫০ ভোল্ট শক দিতে পারে ।

১৯৬২ সালে প্রথম টেলিফোন এবং টিভি সিগন্যাল আদান প্রদানে সক্ষম যোগাযোগ উপগ্রহ টেলস্টার উৎক্ষেপন করা হয়।


📌জিরাফ অধিকাংশ সময় ২৪ ঘন্টার মধ্যে মাত্র ২০ মিনিট ঘুমায় । যদিও কখনও কখনও ২ ঘন্টাও ঘুমায় তবে তা খুবই ব্যতিক্রম।


📌সারা শরীর ঘুরে আসতে একটি রক্ত কোষের মাত্র ৬০ সেকেন্ডের মতো সময় লাগে।


📌একটা রাবার অনুতে ৬৫,০০০ পরমানু থাকে।

একজন পুরুষ দেহে এক সেকেন্ডে প্রায় ১০০০ কোষ শুক্র তৈরী হয়, প্রায় ৮৬০০০০০০ এক দিনে ।


#gk #generalknowledge ##science #Info #information #fmaruf #mcq #bcs


জি-মেইল কি শুধুই একটি ইমেইল পাঠানোর মাধ্যম? আপনি যদি এমনটা ভেবে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য দারুণ কিছু টিপস আছে! 

 জি-মেইল কি শুধুই একটি ইমেইল পাঠানোর মাধ্যম? আপনি যদি এমনটা ভেবে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য দারুণ কিছু টিপস আছে! 📧🚀


বিশ্বজুড়ে ১.৮ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ জি-মেইল ব্যবহার করেন, কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র ২% মানুষ এর আসল ক্ষমতাগুলো জানেন। আপনার ইমেইল অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও স্মার্ট করতে এখানে রইল ১০টি অসাধারণ Gmail Tricks: 👇


১. পাঠানো ইমেইল ফিরিয়ে আনুন ⏪


ভুল করে কোনো ইমেইল পাঠিয়ে ফেলেছেন? চিন্তা নেই! সেটিংস-এ গিয়ে **'Undo Send'** অপশনটি চালু করুন এবং ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত সময় সেট করুন। এতে ভুল করে পাঠানো যেকোনো ইমেইল সহজেই ফিরিয়ে আনতে পারবেন।


২. অপ্রয়োজনীয় মেইল ঝেড়ে ফেলুন 🧹


ইনবক্সে জমে থাকা হাজারো প্রমোশনাল মেইলে বিরক্ত? সার্চ বারে শুধু **'unsubscribe'** লিখে সার্চ করুন। সব মেইল একসাথে সিলেক্ট করে ডিলিট করে দিলেই আপনার ইনবক্স এক মিনিটে পরিষ্কার হয়ে যাবে।


৩. গোপন মেইল পাঠান 🔒


আপনার ইমেইলের কনটেন্ট যেন কেউ কপি, প্রিন্ট বা ফরওয়ার্ড করতে না পারে, তার জন্য ব্যবহার করুন **Confidential Email** অপশন। নতুন মেইল লেখার সময় কম্পোজ বক্সে থাকা **প্যাডলক আইকনে** ক্লিক করে এই ফিচারটি ব্যবহার করতে পারেন।


৪. অফলাইনে জি-মেইল ব্যবহার করুন 📲


ইন্টারনেট না থাকলেও আপনি ইমেইল চেক করতে পারবেন! সেটিংস-এ গিয়ে **'Offline'** ট্যাবে অফলাইন অ্যাক্সেস চালু করে রাখুন। এতে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই পুরোনো ইমেইলগুলো দেখতে পারবেন।


৫. ইমেইলগুলোকে 'স্নুজ' করুন 😴


এখন পড়ার সময় নেই এমন ইমেইলগুলো পরে পড়ার জন্য সরিয়ে রাখতে পারেন। ইমেইলের পাশে থাকা **ঘড়ির আইকনে** ক্লিক করে নির্দিষ্ট সময় বা তারিখ সেট করে রাখুন, ইমেইলটি ঠিক সেই সময়ে আবার ইনবক্সে ফিরে আসবে।


৬. ইমেইল আগে থেকেই শিডিউল করুন ⏰


গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল পরে পাঠানোর জন্য আগে থেকেই তৈরি করে রাখতে পারেন। **Send** বাটনের পাশের **অ্যারো আইকনে** ক্লিক করে **'Schedule Send'** অপশনটি ব্যবহার করুন। নির্দিষ্ট তারিখ ও সময় দিয়ে রাখলে ইমেইলটি আপনা-আপনিই চলে যাবে।


৭. মেইলের জন্য টেমপ্লেট তৈরি করুন 📝


একই ধরনের ইমেইল বারবার লেখার ঝামেলা এড়াতে **টেমপ্লেট** ব্যবহার করুন। একবার লিখে ড্রাফটটি টেমপ্লেট হিসেবে সেভ করে রাখুন। এতে সময় বাঁচবে এবং বারবার একই জিনিস লিখতে হবে না।


৮. লেবেল দিয়ে মেইল সাজান 🏷️


আপনার ইনবক্সকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাজাতে **লেবেল** ব্যবহার করতে পারেন। কাজ, ব্যক্তিগত, ভ্রমণ—এ রকম বিভিন্ন লেবেল তৈরি করে মেইলগুলোকে আলাদা করে রাখুন। এতে যেকোনো ইমেইল খুঁজে বের করা সহজ হবে।


৯. কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করুন ⌨️


দ্রুত কাজ করার জন্য কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করুন। জি-মেইল সেটিংস-এ গিয়ে **'Keyboard Shortcuts'** চালু করে নিন। সব শর্টকাট দেখতে জি-মেইলে থাকা অবস্থায় **Shift + ?** চাপুন।


১০. Fixer AI-এর সুবিধা নিন 🤖


জি-মেইলের সঙ্গে Fixer AI-এর মতো একটি এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করে আপনার ইমেইল ও মিটিংগুলো আরও স্মার্টভাবে ম্যানেজ করতে পারেন। এটি আপনার সময় বাঁচাতে এবং কর্মক্ষমতা বাড়াতে দারুণ সাহায্য করবে।


জি-মেইলের এই Tricks-গুলো ব্যবহার করে দেখুন, আপনার ডিজিটাল জীবন আরও সহজ হবে।

 ৫০টি প্রচলিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধের (রেমিডি) জন্য সংক্ষিপ্তভাবে “ভাল লাগে” (amelioration / আরাম হয়) ও “মন্দ লাগে” (aggravation / অবস্থার অবনতি হয়) — প্রতিটির পাশে খুব সংক্ষিপ্ত, ব্যবহারিক ট্রিগার/পরিবেশ উল্লেখ করা আছে।

 💁 ৫০টি প্রচলিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধের (রেমিডি) জন্য সংক্ষিপ্তভাবে “ভাল লাগে” (amelioration / আরাম হয়) ও “মন্দ লাগে” (aggravation / অবস্থার অবনতি হয়) — প্রতিটির পাশে খুব সংক্ষিপ্ত, ব্যবহারিক ট্রিগার/পরিবেশ উল্লেখ করা আছে।


 1. Aconitum (Aconite) — ভাল লাগে: ঠান্ডা বাতাস/আরম্ভে। মন্দ লাগে: হঠাৎ কাঁপুনি, রাতের উদ্বেগ।

 2. Allium cepa — ভাল লাগে: আর্দ্র ঠান্ডা; নাসার স্রাব কমে। মন্দ লাগে: গরমে চোখ-নাক জ্বালাপোড়া বাড়ে।

 3. Arnica montana — ভাল লাগে: বিশ্রামে, আলতো স্পর্শে কম ব্যথা। মন্দ লাগে: স্পর্শ করলে বা চাপ দিলে ব্যথা বাড়ে।

 4. Arsenicum album — ভাল লাগে: ছোটো-ছোট মনোযোগ/গরমে আরাম। মন্দ লাগে: রাতে; উদ্বেগ-অসুবিধা বাড়ে।

 5. Belladonna — ভাল লাগে: সম্পূর্ণ নির্জনতা/বিপরীত দিকে ঠান্ডা। মন্দ লাগে: হঠাৎ জ্বর, আলো বা শব্দে বেড়ে যাওয়া।

 6. Bryonia alba — ভাল লাগে: বিশ্রাম/চাপ কমালে আরাম। মন্দ লাগে: চললে ব্যথা বেড়ে যায়।

 7. Calcarea carbonica — ভাল লাগে: বিশ্রামে, ঠান্ডা আবহাওয়ায় সুবিধা। মন্দ লাগে: চূড়ান্ত পরিশ্রম বা গরমে ক্লেশ বেড়ে।

 8. Calcarea phosphorica — ভাল লাগে: কোল্ড কম্প্রেস, বিশ্রাম। মন্দ লাগে: পরিশ্রম বা রাতে বিরতি না করলে।

 9. Calcarea fluorica — ভাল লাগে: হালকা গরম, বিশ্রাম। মন্দ লাগে: চাপ/উত্তেজনায় সংক্ষেপে বৃদ্ধি।

 10. Camphora — ভাল লাগে: গরমে, হঠাৎ তীব্র শীতলতায় রিলিফ। মন্দ লাগে: আশেপাশে ঠান্ডা বাতাস থাকলে শক লেগে।

 11. Causticum — ভাল লাগে: কোল্ড, বিশেষভাবে আর্দ্র ঠাণ্ডায়। মন্দ লাগে: শীতকালে বা কাঁপুনি হলে বেদন বেড়ে।

 12. Chamomilla — ভাল লাগে: আলতো-বোঁচকা করার সময়, নরম হাতে। মন্দ লাগে: ক্ষোভ/অস্বস্তিতে কটূক্তি বাড়ে (শিশুতে বেশি)।

 13. China (Cinchona) — ভাল লাগে: বিশ্রাম ও টানা বিশ্রামে। মন্দ লাগে: দৈহিক দুর্বলতা, কম পানি/রক্তস্বল্পতায় খারাপ লাগে।

 14. Colocynthis — ভাল লাগে: কোমরে চাপ দিলে বা বাঁকালে আরাম। মন্দ লাগে: আবেগপ্রবণতা, ক্রমাগত কষ্টে অবনতি।

 15. Drosera — ভাল লাগে: শুয়ে বিশ্রামে কাশি কমে। মন্দ লাগে: রাতের কাশি, গা ঘামানো বাড়লে।

 16. Euphrasia — ভাল লাগে: শীতল চাপ/চোখে বিশ্রাম। মন্দ লাগে: বাতাসে চোখে ধুলো থাকলে, কাঁচা পানি; চোখের জ্বালা বাড়ে।

 17. Eupatorium perfoliatum — ভাল লাগে: বিশ্রাম, গরম চাপ। মন্দ Lage: কাঁপুনি, হাড়ব্যথা বাড়লে।

 18. Ferrum phosphoricum — ভাল লাগে: বিশ্রাম ও ঠান্ডা চাপ। মন্দ লাগে: জ্বরের শুরুতে বা রক্তস্বল্পতায় দ্রুত খারাপ লাগে।

 19. Gelsemium — ভাল লাগে: বিশ্রামে, অতি কম আলোতে। মন্দ লাগে: উদ্বেগ/অপ্রত্যাশিত খবরে ভয় বা দুর্বলতায় খারাপ লাগে।

 20. Graphites — ভাল লাগে: গরম ও বিশ্রামে। মন্দ লাগে: আর্দ্রতায় ও মধুর/চর্বিযুক্ত খাবারে খারাপ লাগে।

 21. Hepar sulphuris — ভাল লাগে: গরমে আরাম, কোয়াল কমে। মন্দ লাগে: হালকা স্পর্শে ব্যথা বা ঠান্ডা বাতাসে খারাপ।

 22. Hypericum — ভাল লাগে: বিশ্রামে ও ডানপাশে চাপ কমলে। মন্দ লাগে: সার্জিক্যাল রেশনে স্পর্শ করলে ব্যথা বেড়ে।

 23. Ignatia amara — ভাল লাগে: একাকিত্ব, গভীর নিঃশ্বাসে আরাম। মন্দ লাগে: আবেগী স্মৃতি/দুশ্চিন্তা হলে অবনতি।

 24. Kali bichromicum — ভাল লাগে: গরম চাপ/ভাপায় আরাম। মন্দ লাগে: সকালে এবং ঠান্ডা পানিতে বাড়ে লক্ষণ।

 25. Kali carbonicum — ভাল লাগে: বসে বিশ্রামে, গরমে আরাম। মন্দ লাগে: সকালে উঠলে, ধাক্কা দিলে খারাপ হয়।

 26. Lachesis — ভাল লাগে: বামপাশে খোলা জায়গায় আরাম; ব্যথা ছাড়লে। মন্দ লাগে: গলাবন্দি বা গলা বাঁধলে; গরমে খারাপ।

 27. Ledum palustre — ভাল লাগে: ঠান্ডা প্রয়োগে আরাম। মন্দ লাগে: গরমে, স্পর্শ করলে উন্নতি না, বরং খারাপ।

 28. Lycopodium clavatum — ভাল লাগে: গরমে আরাম; ক্ষুধা কম থাকলে। মন্দ লাগে: সন্ধ্যা/রাতের দিকে অবনতি; খাওয়ার পরে ফাঁপা।

 29. Mercurius solubilis — ভাল লাগে: রাতে ও আর্দ্রতায় শীতে কিছুটা আরাম। মন্দ লাগে: গরমে ও রাতের উচ্চতায় ক্ষুধার্তি/ঝাঁজালো বৃদ্ধি।

 30. Natrum muriaticum — ভাল লাগে: একাকিত্ব/শান্ত পরিবেশে আরাম। মন্দ লাগে: রোদে/আবেগপ্রবণ স্মৃতি ছুঁলে খারাপ লাগে।

 31. Nux vomica — ভাল লাগে: পাশ্চাত্য চাপ বা কোল্ড প্রয়োগে। মন্দ লাগে: অতিরিক্ত কাজ, মদ/পুনরাবৃত্তি করলে খারাপ।

 32. Phosphorus — ভাল লাগে: আরাম পেতে অন্ধকার ও ঠান্ডা জায়গায়। মন্দ লাগে: গরম-ভোজন বা উত্তেজনায় অবনতি।

 33. Phytolacca — ভাল লাগে: গরম কম্প্রেস ও বিশ্রামে। মন্দ লাগে: ঠান্ডা/শীতল হলে ব্যথা বাড়ে।

 34. Pulsatilla — ভাল লাগে: খোলা ঠান্ডা বাতাসে আরাম। মন্দ লাগে: গরম এবং ঘন মানুষের ভিড়; বেদনা তখন বাড়ে।

 35. Rhus toxicodendron — ভাল লাগে: চলাচলে ও গরমে আরাম। মন্দ লাগে: বিশ্রাম নেওয়ার পর শুরুতে কড়কড়ে ব্যথা বেশি।

 36. Ruta graveolens — ভাল লাগে: গরম প্রয়োগ/মালিশে আরাম। মন্দ লাগে: শীত বা বিশ্রাম করলে ব্যথা বাড়ে।

 37. Sepia — ভাল লাগে: বিশ্রাম ও শরীরের গরমে। মন্দ লাগে: মানসিক চাপ/গরমে অবনতি; একাকিত্বও বাড়ায়।

 38. Silicea (Silica) — ভাল লাগে: গরমে আরাম; বিশ্রামের পরে। মন্দ লাগে: ঠান্ডা/আর্দ্রে দুর্বলতা বেড়ে।

 39. Sulphur — ভাল লাগে: গরম, খোলা বাতাসে আরাম। মন্দ লাগে: রোদে বেশি গেলে খারাপ লাগে; নাচে-খারাপ।

 40. Thuja occidentalis — ভাল লাগে: গরম ও বিশ্রামে কিছুটা। মন্দ Lage: আর্দ্র ও ঠান্ডা জায়গায় বা স্মৃতি-শঙ্কায় খারাপ।

 41. Staphysagria — ভাল লাগে: নিরিবিলি পরিবেশে আরাম। মন্দ লাগে: হিংসা/আঘাত/অপমান স্মরণ করলে অবনতি।

 42. Bellis perennis — ভাল লাগে: বিশ্রাম ও গরম কম্প্রেস। মন্দ লাগে: স্পর্শে/চাপে ব্যথা বাড়ে (আঘাতজনিত)।

 43. Anacardium orientale — ভাল লাগে: নির্দিষ্ট কাজে মন লেগে গেলে আরাম। মন্দ Lage: আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি/দ্বিধা হলে খারাপ।

 44. Antimonium tartaricum — ভাল লাগে: বসে বিশ্রামে, ঢিলেঢালা করে শোওয়ার পর। মন্দ Lage: শ্বাসকষ্ট বা আর্জেন্ট কাশিতে খারাপ।

 45. Baryta carbonica — ভাল লাগে: নিরাপদ ও আলো-সমৃদ্ধ পরিবেশে। মন্দ Lage: সামাজিক চাপ বা মানসিক অস্থিতিশীলতায় খারাপ।

 46. Carbo vegetabilis — ভাল লাগে: খোলা বাতাসে, গরমে আরাম। মন্দ Lage: ঠান্ডা/আয়রন-কমে দুর্বলতা বেড়ে।

 47. Kali phosphoricum — ভাল লাগে: বিশ্রাম ও আরামদায়ক পরিবেশে। মন্দ Lage: মানসিক চাপ/অতিরিক্ত চিন্তায় অবনতি।

 48. Lycopodium (পুনরাবৃত্তি লক্ষণ) — (দুইবারের বদলে) ভাল লাগে: গরমে আরাম; কটক্ষণে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। মন্দ Lage: সন্ধ্যা/রাতের দিকে দুর্বলতা ও ভিড়।

 49. Sabadilla — ভাল লাগে: ঠান্ডা, চোখের আরাম। মন্দ Lage: ধুলো/ঘাম/বাতাসে নাক-চোখ বেশি খারাপ।

 50. Kali muriaticum (Kali mur) — ভাল লাগে: শান্ত পরিবেশ, ঠান্ডা আর্দ্রতায় আরাম। মন্দ Lage: গরমে বা আর্দ্রতায় স্রাব-বাধা বাড়ে।

ভিউ শিকারী দের থেকে সাবধানে ⚠ থাকবেন

 ⚡চা বেচে অমুক দিনে ১০ হাজার কামাচ্ছে"

"বেগুনের খেত করে মাসে ২ লাখ টাকা ইনকাম"

"চাকরি ছেড়ে গোবর ছেনে কোটিপতি"

এসব গল্প এখন অনেকেই শোনায়। 


তরুণদের জন্য পরামর্শ, এই ফাঁদে পড়বেন না। একদম নিজের চোখে দেখা অভিজ্ঞতা — আমাদের বয়সী একজন — ওয়েল পেইড জব ছেড়ে এইসব কুইক ক্যাশের নেশায় পড়ে গেল, এখন হাউমাউ করে মরছে। 


আপনি যাই করেন, সেটার এক্সপান্ডিবিলিটি থাকতে হবে। ধরুন, একজন রিকশাওয়ালা, সে ডিসেন্ট আয় করে, এন্ট্রি লেভেল চাকরিজীবীর চেয়ে বেশি। রিকশাওয়ালারা মাসে ৩০ হাজার কামায় আর জবে নতুন হলে স্যালারি মাত্র ১৫ হাজার — ভিউ শিকারীরা আপনাকে এটুকুই বলবে।


এবার পরের হিসাবটা! ভাবুন, ওই রিকশাওয়ালা তার ইনকাম ডাবল করতে চায় বা নিদেনপক্ষে আর একটু বাড়াতে চায়। তার জন্য একমাত্র অপশন রিকশা চালানোর সময় বাড়িয়ে দেওয়া। ডাবল করতে চাইলে তাকে ১০ ঘন্টার জায়গায় ২০ ঘণ্টা রিকশা চালাতে হবে। এটা কী ফিজিক্যালি পসিবল? রোদ, বৃষ্টি তো আছেই, ছুটির দিনে কাজে না গেলে আয় নেই।


কিন্তু এন্ট্রি লেভেলের জবে ৪/৫ বছরে বেতন ডাবল হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক, কোনো অতিরিক্ত ঘন্টা না বাড়িয়েই। 


আপনি যে কাজটা করতে চান সেটা তো আগে ভালো লাগতে হবে। ফেসবুকের এক লাইকখোরের লেখা পড়ে আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন বাজারে বসে চা বেচবেন, চাকরির ডাবল ইনকাম। ভেবে দেখুন, আগামী ৩০ বছর আপনি কাপ পিরিচ আর চুলা নিয়ে চা বানাতে রাজি আছেন কিনা। 


লাইফস্টাইলের ব্যাপার তো আছেই। আপনার যখন তেমন ইনকাম ছিল না, তখন আপনি বাইক চালাতেন। সামনে টাকা হবে, গাড়ি কিনবেন। কিন্তু এসব কাজে গাড়ির ভূমিকা কি? গাড়ি চালিয়ে কি আপনি ঝালমুড়ি বেচতে যাবেন?


চাকরিজীবি বা ডিসেন্ট লেভেলের উদ্যোক্তা হলে আপনি তার সাথে একটা লাইফস্টাইল আর নেটওয়ার্ক বাই ডিফল্ট পাবেন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ধরুন, আপনি একটা স্টেশনারি কোম্পানির মার্কেটিংয়ে জব করেন। আপনি আজ এই ভার্সিটিতে, কাল ওই ঝকঝকে অফিসে বি-টু-বি ডিল করতে যাবেন। কত হাই স্কিল লোকের সাথে পরিচিতি হবে, কন্টাক্ট বিনিময় হবে। 


কিন্তু আপনি টাকা দেখে রাস্তায় বাদামের ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়ালেন। আপনার নেটওয়ার্ক হবে পাশের ফুচকাওয়ালা, আইসক্রিম বিক্রেতা ইত্যাদি। ওই ফুচকাওয়ালার ওই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় চিন্তা সে কতক্ষণে তার সব মাল বিক্রি করে ঘরে যাবে। আগামীকালও সে একই কাজ করবে। আপনার মতো তার অ্যাম্বিশন নেই, বড় কিছু করার ইচ্ছে নেই, দেশের মানুষের উপকারে আসার খায়েশ নেই। 


মনে রাখবেন, Your network is your net-worth. আর ওই সমস্ত পেশায় যে খুব বেশি ইনকাম হয় তাও কিন্তু না। খবরের শিরোনামে লেখা "চাকরি ছেড়ে বেগুন চাষে লাখপতি", ভিতরে থাকে ১ বছরে আয় সর্বসাকুল্যে ৩ লাখ টাকা। মানে ওই লোক মাসে মাত্র ২৫ হাজার টাকা কামায়, এটা নিয়ে আবার নিউজও হয়!


তাই এইসব ভুয়া মোটিভেশনের ফাঁদে পড়বেন না। প্রতি বছর মিডিয়াগুলো নিজেদের স্বার্থেই এসব নিউজ করে। গত ৫ বছরে নিউজ তো কম দেখেননি, আইফোন হাতে চানাচুরওয়ালা, ডিএসএলআর হাতে চটপটি বিক্রেতা, আরো কত কি! প্রশ্ন হলো তারা এখন কোথায়? তারা এখনও কেন সেই রাস্তায় বসছে না আর ওরকম আয় করছে না? তাহলে এগুলো রিলায়েবল পেশা হয় কিভাবে? 


কোনো কাজই ছোট নয়। কিন্তু সব কাজই যে আপনার ফিল্ড, তা-ও নয়। আপনার কাছে খুব ভালো একটা প্ল্যান আছে, কিন্তু পঞ্চাশ হাজার টাকার জন্য আপনি এগোতে পারছেন না। এখন আপনি যদি মাছ কুটে, চানাচুর বেচে ওই ৫০ হাজার টাকা জোগাড় করে ফেলতে পারেন, তাহলে সেটা ঠিক আছে। কিন্তু যেভাবে এসব পেশাকে সরাসরি একটা ওয়েল পেইড জবের বিকল্প হিসেবে দেখানো হচ্ছে, তা মোটেও রিয়েলিস্টিক নয়।


কার্টেসিঃ বেকার সমস্যার সহজ সমাধান পেইজ 

Posted on Mohammad Hanif 


#সংগৃহীত


বাংলাদেশের   বিয়েবাড়িতে  যে  ঘটনাগুলো ঘটবেই,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাংলাদেশের   বিয়েবাড়িতে  যে  ঘটনাগুলো ঘটবেই 😊


১. বরযাত্রা শুরু হবে- এসময় দেখা যাবে গুরুত্বপুর্ণ কেউ উপস্থিত নেই। খুঁজতে গেলে পাওয়া যাবে শেভ করতে সেলুনে নয়তো জুতা পলিশ করতে গেছে।😊


২. যথাযথভাবে আমন্ত্রণ করা হয়নি এই অভিযোগে দু'একজন আত্মীয় অনুষ্ঠান বর্জন করবে।😊


৩. বর/কনের চাচা ও মামা পক্ষের মধ্যে একটা রেষারেষি থাকবেই। বিয়েতে কোন পক্ষের কর্তৃত্ব বেশি হবে সেটা নিয়ে অঘোষিত প্রতিযোগীতাও চলবে।😊


৪.গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বর/কনের দুলাভাই কিংবা মামা টাইপের কেউ অভিমান করবে। তার মান ভাঙাতে অন্য মুরুব্বিরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাবে।😊


৫. কনের বাড়িতে গেট দিয়ে ঢোকার সময় টাকা দেয়া নিয়ে ব্যাপক দেনদরবার হবেই। কখনও কখনও এটা মারামারির পর্যায়ে চলে যায়।মেয়েরা একগ্লাস চিনি ছাড়া শরবত দিয়া ৫ হাজার টাকা দাবি করবে।😒


৬. বরযাত্রীরা কখনই যথা সময়ে কনের বাড়ি পৌঁছাতে পারবে না। এবং নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে বরযাত্রী বেশি হবেই। এটা নিয়ে কনে পক্ষের খোটাও শুনতে হবে।😎


৭. পাত্র পক্ষের দেয়া শাড়ি কিংবা গহনার মান নিয়ে দুই পক্ষের তর্কবিতর্ক হবে। এক্ষেত্রে সাধারণত কনের খালা/ফুফুরা বেশি ভুমিকা পালন করে।😑


৮. মেয়ের বাবা কর্তৃক ছেলের যোগ্যতা অনুযায়ি 'খুশি করে দেয়া'(যৌতুক নয় কিন্তু) নিয়েও বাদানুবাদ হবে।😊


৯.খাবার  নিয়ে  একটা  ঝামেলা  হবে, অনেক  সময়  অতিরিক্ত  মেহমানের  কারণে  কোন  একটা  নির্দিষ্ট   আইটেমের   শর্ট   পড়বে, আর  তাতেই  শোরগোল  ও  হুলস্তূল  পড়ে  যাবে। অনেকেই  গরুর  মাংস  খায়না  অজুহাত  দেখিয়ে   মুরগির  রোস্ট   ডাবল   নেওয়ার  চেষ্টা  করবে । পরে  আবার  গরুর  মাংসের ঐ  আইটেমটাও  নেবে। যেমন- নোয়াখাইল্লা আর বরিশাইল্লা এটা করে🙃


১০.কোন   তরুণীকে   বিরক্ত   করাকে  কেন্দ্র  করে  দুপক্ষের  মধ্যে   শোরগোল  এবং  বাক্যবিনিময়  হবে।😏


১১.বর বা  কনে  যতই  সুন্দর  হোক  না  কেন   দাওয়াতে  আসা  মানুষজন  খুঁত  বের  করবেই। এক্কেবারে হাচা কথা 😑


১২. নতুন বউয়ের দোষ প্রথম খুঁজে পাবে বউ দেখতে আসা পাশের বাড়ির মহিলারা। এটা গ্রামে চাউর হবেও তাদের মাধ্যমে। খাবারের মান নিয়েও এরা প্রশ্ন তুলবে।😏😏😏


১৩. বরের  জুতা  চুরির  ঘটনা  ঘটবে, তা  থেকে জিম্মি  করে  টাকাও  ভাগিয়ে  নেওয়া  হতে  পারে। 🫣


১৪.  রং  দিয়ে  একে  অপরকে   রাঙ্গানোর  নামে  হালকা  মল্লযুদ্ধ ও  হতে  পারে!😎


সব শেষে সবাই সবাইকে বলবে- কিছু মনে করবে না ভাই, বিয়ে-শাদীতে এরকম টুকটাক হয়েই থাকে। আমরা আমরাই তো। এটাই বাস্তব....!!!! 😊🙃


👉 H Rahman

চোখের যত্নে  হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা: 

 চোখের যত্নে  হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা: 


চোখ আমাদের দেহের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। সামান্য অসতর্কতায়ও চোখের বড় ক্ষতি হতে পারে। তাই এখন থেকেই চোখের যত্ন নিন।


#চোখের যত্নের সহজ টিপস:

১। পরিষ্কার পানি দিয়ে নিয়মিত চোখ ধোয়া

২. মোবাইল/কম্পিউটার ব্যবহারকালে মাঝে মাঝে চোখকে বিশ্রাম দেওয়া

৩. পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম খাদ্য গ্রহণ

৪ ধুলো, ধোঁয়া ও রোদ থেকে রক্ষায় সানগ্লাস ব্যবহার


 চোখের সমস্যায় কার্যকর হোমিওপ্যাথি ওষুধ:

১. Euphrasia ➝ চোখ লাল, পানি পড়া, চুলকানি

২. Belladonna ➝ আলো সহ্য না হওয়া, হঠাৎ চোখ ব্যথা

৩  Ruta ➝ দীর্ঘসময় পড়াশোনা/কম্পিউটারে চোখ ক্লান্তি

৪. Natrum Mur ➝ অ্যালার্জিজনিত চোখ চুলকানি ও শুষ্কতা

৫ Sulphur / Calcarea Carb ➝ দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ

এছাড়া লক্ষণ অনুসাটে আরো অনেক ঔষধ ব্যবহৃত হয়। 


মনে রাখবেন,  ভিটামিনসমৃদ্ধ সবজি, ফলমূল,ছোট মাছ ও যথেষ্ট বিশ্রামই হলো চোখ সুস্থ রাখার আসল রহস্য।

মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কম্পনের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:-

 কম্পনের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:-


♣পার্কিনসন রোগ কাকে বলে?


পার্কিনসন রোগ হল একটি স্নায়বিক অসুস্থতা যেটি নিউরোনের (স্নায়ুর কোষ) উপর প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে মস্তিষ্কে বর্ধনশীল ক্ষয়ের সৃষ্টি করে। এই নিউরোনগুলি ডোপামিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারের সাহায্যে মস্তিস্ক জুড়ে বার্তা পাঠানোর জন্য দায়ী। স্বাভাবিক অবস্থায় ডোপামিনের সাহায্যে মসৃণ ও ভারসাম্যপূর্ণ পেশী নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়। এই নিউরোট্রান্সমিটারটির অভাবের ফলেই পার্কিনসন রোগের উপসর্গগুলি দেখা দেয়।


♣এর প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গগুলি কি?


পার্কিনসন রোগের সবথেকে প্রথম ও সাধারণ উপসর্গগুলির মধ্যে একটি হল দেহের কোন একটি অংশে কম্পনের অনুভূতি, এটি হতে পারে হাতে বা পায়ে, এমনকি চোয়ালেও। হাতের বিশ্রামের সময় সাধারণত এই কম্পন দেখতে পাওয়া যায়, মূলত তর্জনীর উপর বুড়ো আঙুলের নড়াচড়া হিসাবে।


দ্বিতীয় যে উপসর্গটি সাধারণত দেখতে পাওয়া যায় সেটি হল পেশীর কাঠিন্য। অনিয়ন্ত্রিত পেশী কাঠিন্যের ফলে অবাধ অঙ্গপরিচালনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। এই রোগীদের মধ্যে যেকোন ক্রিয়াকলাপের গতি ক্রমশ কমতে থাকে। স্নান বা খাওয়ার মত সহজ কাজ সম্পূর্ণ করতেও অস্বাভাবিক রকম বেশি সময় লাগতে পারে।


এই রোগের অগ্রসর পর্যায়ের উপসর্গগুলির মধ্যে আছে ভারসাম্যের অভাব, ডিপ্রেসন বা অবসাদ, মুখোশসদৃশ অভিব্যক্তি এবং নুয়ে পড়া দেহভঙ্গিমা।


তুলনামূলক অপরিচিত উপসর্গগুলি হল ভয়, লালাক্ষরণ, ত্বকের সমস্যা, মূত্র-সংক্রান্ত সমস্যা এবং যৌনক্রিয়ায় অক্ষমতা। কম্পনের কারণে রোগীর হাতের লেখা এবং কথা বলাও যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্থ হয়।


♣এটির প্রধান কারণ কি?


যদিও এই রোগের সম্ভাব্য কারণের খোঁজে গবেষণা চলছে, এখনো অবধি তা খুঁজে পাওয়া যায়নি। জিনগত কারণ এবং কিছু পরিবেশগত উপাদান পার্কিনসনের সম্ভাবনা বৃদ্ধির জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়।


জিনের পরিবর্তনকেও পার্কিনসন রোগের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, কিন্তু এর নিশ্চিত প্রভাব এখনো পরিষ্কার নয়।


কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত কীটনাশকের সংস্পর্শ এই রোগটির একটি সম্ভাব্য পরিবেশগত উপাদান। অন্যান্য বিরল কারণগুলি হলো কয়েকটি এন্টিসাইকোটিক ওষুধ বা মস্তিষ্কের অসুস্থতা বা অতীতে একাধিক স্ট্রোকের আক্রমণ।


♣হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধের লক্ষনভিত্তিক আলোচনা


♦আর্জেন্ট মেট:

হস্তমৈথুন, সপ্নদোষ, অতিরিক্ত স্ত্রী সঙ্গম জনিত শুক্র ক্ষয় করিয়া দুর্বলতা, স্মরন শক্তি রোপ, খিটখিটে মেজাজ, শীতে কাতর এই ধাতুর রোগীদের লিখতে আঙ্গুল কাপায় ইহা উৎকৃষ্ট ঔষধ।


♦জেলসিমিয়াম:

স্নায়ুবিক দুর্বলতা নিস্তেজ ভাব, ক্লান্তি, লিখতে বা কোন কিছু ধরতে গেলে হাত কাপে।চলিতে পা ইচ্ছা অনুসারে ফেলিতে পারে না। সর্বদা ঘুম ঘুম ভাব। ঘুমাইলে রোগী চমকাইয়া উঠে প্রভৃতি লক্ষনে ইহা ইহা উপকারী।


♦এগারিকাস:

বৃদ্ধ বয়সে মাথা হইতে কম্পন আরাম্ভ হইয়া হাত, পা, কাপে, কাহারো সমস্হ শরীরও কাপিতে দেখা যায়।


♦ স্ট্যানাম মেট:

রোগী অত্যন্ত বিষন্ন, অল্পেই কেদে ফেলে, ক্রন্দনশীল, মনে করে বুকের ভিতরটা খালি,বুকের দুর্বলতা, অল্প পরিম্রমে অত্যান্ত ক্লান্তি বোধ করে উপর থেকে নিচে নামিতে, অর্তাৎ সিড়ি বাহিয়া নামিতে হাপাইয়া পড়ে।শীতে কাতর এই ধাতুর রোগীদের কোন দ্রব্য ধরিতে গেলে হাত কাপে। লিখতে বা টাইপ কোরতে গেলে হঠাৎ আঙ্গুল ধাক্কা মারে।


♦ প্লাটিনা:

লিখতে বা কোন কিছু ধরিতে হাত কাপে, আঙ্গুলের কম্পন জনিত কারনে লেখা অসাধ্য হইয়া পড়ে।


♦ এসিড সালফ:

অতিরিক্ত লেখার কাজ করে হাতে পক্ষাঘাত। এমনকি লিখতে গেলে হাত কাপে। এসিড সালফ তা আরোগ্য করিতে পারে।


♦আর্নিকা মন্ট:

শরীরের কোন স্হানে আঘাত লাগা হেতু কম্পন রোগের সৃষ্টি হইলে আর্নিকা মন্ট অব্যর্থ।


♦জিঙ্কাম মেট:

শরীরের নিম্নাঙ্গের অর্থাৎ উভয় পায়ের কম্পন রোগে জিঙ্কাম একটি মহৎ কার্যকারী ষধঔ। কোন প্রকার কঠিন পীরায় রোগীর পা নাড়িতে দেখিলে জিঙ্কামে উপকার হইবে। চেয়ারে বসিয়া কিংবা দাড়াইয়া পা নাচানোর মুদ্রা দোষ জিঙ্কামে দুর হয়।


♦বাইওকেমিক চিকিৎসা :

ম্যাগনেশিয়াম ফস 

ইহা কম্পনের প্রধান ঔষধ। রক্তশুন্য দুর্বল রোগীদের ম্যাগনেশিয়া ফসের সঙ্গে ক্যালকেরিয়া ফস পর্যাযক্রমে কিছু অধিক দিন সেবনে উপকার হয়।

♣রোগীকে যে সকল নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে:


এ রোগে আক্রান্তদের নিয়মিত পুষ্টিকর সুষম খাবার খেতে হবে।

♠প্রতিদিনের খাবারে শাকসবজি, ফলমূল থাকতে হবে।

♠আক্রান্তদের কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা যায়, এ জন্য ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়ার পাশপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি পান জরুরি।

♠আক্রান্তরা হাঁটতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়ে আহত হন। হাঁটার সময় সচেতন হতে হবে।

♠তাড়াহুড়া করা যাবে না, কেউ ডাকলে ধীরে ধীরে ইউ-টার্ন নিতে হবে।

♠হাঁটার সময় কোনো কিছু বহন করবেন না।

♠পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।

♠ মস্তিষ্ককে যতটা সম্ভব ক্রিয়াশীল রাখতে হবে।

হোমিও ঔষধ সেবনের ২০টি সতর্কতা

 🎍🎍🎍হোমিও ঔষধ সেবনের সময় কিছু নিয়ম ও সতর্কতা মানা খুব জরুরি। নিচে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা দেওয়া হলোঃ~


হোমিও ঔষধ সেবনের ২০টি সতর্কতা


1. ঔষধ খাওয়ার আগে ও পরে ৩০ মিনিট কিছু খাবেন না।


2. ঔষধ খাওয়ার সময় মুখে যেন কোনো গন্ধ না থাকে – যেমন পেঁয়াজ, রসুন, পান, সুপারি, কফি ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে।


3. ঔষধ খাওয়ার সময় দাঁত ব্রাশ বা মাউথওয়াশের তীব্র গন্ধ এড়িয়ে চলা উচিত।


4. ঔষধ খালি হাতে ধরবেন না, কাগজে বা ঢাকনার সাহায্যে নিতে হবে।


5. ঔষধ শিশি থেকে সরাসরি মুখে ফেলবেন না, পরিষ্কার চামচ বা ঢাকনা ব্যবহার করুন।


6. অ্যালকোহল, ধূমপান ও মাদকজাত দ্রব্য পরিহার করতে হবে।


7. ঔষধের সময় অন্য কোনো হোমিও, অ্যালোপ্যাথি বা আয়ুর্বেদিক ঔষধ ডাক্তারকে না জানিয়ে খাবেন না।


8. ঔষধ শিশি, বোতল বা কাগজে গরম, রোদ, বা তীব্র গন্ধযুক্ত জায়গায় রাখবেন না।


9. পিপারমিন্ট, কফি ও চকলেট অনেক ক্ষেত্রে ঔষধের কার্যকারিতা কমায়, তাই এড়িয়ে চলা ভালো।


10. ডোজ বেশি বা কম দেবেন না, চিকিৎসকের নির্দেশ মতোই খেতে হবে।


11. নিজে নিজে রোগ নির্ণয় করে ওষুধ সেবন না করাই ভালো।


12. অযথা ঘন ঘন ওষুধ পরিবর্তন করলে ফল পাওয়া যায় না।


13. ঔষধ খাওয়ার সময় ধৈর্য ধরতে হবে, কারণ হোমিও ঔষধে ফল আসতে কিছুটা সময় লাগে।


14. গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মায়েদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।


15. শিশুদের ক্ষেত্রে ডোজ ভিন্ন হয়, তাই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে নিতে হবে।


16. ঔষধ খাওয়ার সময় মানসিক অস্থিরতা ও অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলা ভালো।


17. ঔষধ খাওয়ার নিয়ম ঠিকভাবে না মানলে কার্যকারিতা কমে যায়।


18. বাহ্যিক ক্রিম, মলম বা শক্তিশালী ওষুধ (স্টেরয়েড জাতীয়) একসাথে ব্যবহার করলে হোমিও ঔষধের প্রভাব কমে যেতে পারে।


19. ঔষধ সেবনের পর প্রচুর পানি খাওয়াও উচিত নয়, অল্প সময় পর খাওয়া ভালো।


20. একই সঙ্গে একাধিক হোমিও চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিলে বিভ্রান্তি হতে পারে, তাই একজনের নির্দেশ মেনে চলা ভালো।


🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

টিউমারের জন্য ১০০টি হোমিও ঔষধ ও লক্ষণ।

 ✔️🎍 টিউমারের জন্য ১০০টি হোমিও ঔষধ ও লক্ষণ।

শরীরের বিভিন্ন স্থানে টিউমার (Tumor / Neoplasm / Growth / Swelling) এ ব্যবহৃত প্রায় ১০০টি হোমিও ঔষধ ও তাদের মূল লক্ষণ তালিকা আকারে দিচ্ছি।


১–২০


1. Thuja Occidentalis – আঁচিল, ফাইব্রোমা, গ্রন্থি টিউমার; নরম, আঁচিল-জাতীয় বৃদ্ধি।


2. Calcarea Fluorica – কঠিন, হাড়ের উপর টিউমার, গ্লান্ড টিউমার।


3. Calcarea Carbonica – ধীরগতির, ঠাণ্ডা, শক্ত টিউমার; স্থূল রোগী।


4. Conium Maculatum – স্তন/গ্লান্ড টিউমার, ধীরে বৃদ্ধি পায়, স্পর্শে ব্যথা।


5. Silicea – ফোড়া জাতীয়, পুঁজ জমা হওয়া টিউমার।


6. Baryta Carbonica – শিশু/বৃদ্ধদের গ্রন্থি টিউমার।


7. Phytolacca Decandra – স্তনের টিউমার, শক্ত ও বেদনাযুক্ত।


8. Cistus Canadensis – ঘাড়ের গ্রন্থি টিউমার।


9. Graphites – নরম, আঠালো, চর্ম ও গ্রন্থি টিউমার।


10. Nitric Acid – আঁচিল, গুটি জাতীয় টিউমার, ব্যথা কাঁটার মত।


11. Arsenicum Album – ম্যালিগন্যান্ট টিউমার, জ্বালাধরা ব্যথা।


12. Carbo Animalis – স্তনের ক্যান্সার জাতীয় টিউমার।


13. Carbo Vegetabilis – চর্ম টিউমার, গ্যাস, দুর্বলতা।


14. Lapis Albus – গ্রন্থি টিউমার, থাইরয়েডে।


15. Cundurango – পাকস্থলীর টিউমার, ক্যান্সার জাতীয় বৃদ্ধি।


16. Hydrastis Canadensis – পাকস্থলীর পলিপ ও টিউমার।


17. Iodum – থাইরয়েড টিউমার, অতিভোজন করেও রোগা হয়।


18. Kali Iod – সিফিলিটিক গ্লান্ড টিউমার।


19. Spongia Tosta – থাইরয়েড টিউমার, কাশি সহ।


20. Bromium – শক্ত থাইরয়েড টিউমার।


---


২১–৪০


21. Sabina – জরায়ু টিউমার, অতিরক্তস্রাব।


22. Sepia – জরায়ু ফাইব্রয়েড, শুষ্কতা।


23. Belladonna – লাল, গরম টিউমার, হঠাৎ ব্যথা।


24. Apis Mellifica – ফুলে যাওয়া, ফোলা, জ্বালা টিউমার।


25. Bryonia – শক্ত টিউমার, সামান্য নড়লেই ব্যথা।


26. Rhus Tox – ফোলা টিউমার, নড়াচড়ায় আরাম।


27. Ruta Graveolens – হাড়ে টিউমার।


28. Symphytum – হাড় টিউমার, ফ্র্যাকচার পরবর্তী বৃদ্ধি।


29. Fluoric Acid – হাড়ের টিউমার, দাঁত ক্ষয়।


30. Kali Bichromicum – নাক/সাইনাস পলিপ টিউমার।


31. Teucrium Marum – নাকের পলিপ।


32. Sanguinaria Canadensis – স্তনের টিউমার, ডান দিকে।


33. Chimaphila Umbellata – স্তন ও প্রোস্টেট টিউমার।


34. Scrophularia Nodosa – গ্লান্ড টিউমার (neck nodes)।


35. Aur. Mur. Natron – জরায়ু টিউমার।


36. Plumbum Met – পেটের ভেতর টিউমার, শুকিয়ে যাওয়া।


37. Mercurius Sol – লালা পড়ে, গলার গ্রন্থি টিউমার।


38. Hecla Lava – চোয়াল ও হাড় টিউমার।


39. Staphysagria – টেস্টিস টিউমার।


40. Clematis Erecta – টেস্টিস টিউমার, শক্ত ও ব্যথাহীন।


---


৪১–৬০


41. Mezereum – হাড় টিউমার, আলসার সহ।


42. Asafoetida – হাড় টিউমার, ব্যথা ভেতর থেকে বাইরে।


43. Colocynthis – পেটের ভেতরে টিউমার, তীব্র পেটব্যথা।


44. Nux Vomica – পাকস্থলী ও লিভার টিউমার।


45. Lycopodium – ডান দিকের লিভার, পেটের টিউমার।


46. Chelidonium Majus – লিভার টিউমার, জন্ডিস।


47. Carduus Marianus – লিভার টিউমার, অ্যালকোহলজনিত।


48. China (Cinchona) – প্লীহা টিউমার, রক্তাল্পতা।


49. Ferrum Phos – প্রদাহজনিত টিউমার।


50. Natrum Mur – জরায়ু/ডিম্বাশয় টিউমার।


51. Borax – মুখের টিউমার, আলসার।


52. Sulphur – চর্ম টিউমার, আলসার প্রবণতা।


53. Psorinum – ম্যালিগন্যান্ট টিউমার, পুঁজ/দুর্গন্ধ।


54. Syphilinum – সিফিলিটিক টিউমার।


55. Medorrhinum – গ্লান্ড টিউমার, বংশগত।


56. Tuberculinum – টিউবারকুলার টিউমার।


57. Carcinosinum – ক্যান্সার প্রবণতা, ফ্যামিলি হিস্ট্রি।


58. Crotalus Horridus – ম্যালিগন্যান্ট, রক্তক্ষরণ টিউমার।


59. Lachesis – বাম দিকের স্তন টিউমার, গরমে বাড়ে।


60. Tarentula Cubensis – ব্যথাযুক্ত, নীলচে টিউমার।


---


৬১–৮০


61. Arnica Montana – আঘাতজনিত টিউমার।


62. Bellis Perennis – গভীর টিস্যুর আঘাত টিউমার।


63. Hamamelis – ভেনাস টিউমার।


64. Phosphorus – রক্তক্ষরণ টিউমার, ফুসফুস ক্যান্সার।


65. Antimonium Crudum – গ্যাস্ট্রিক টিউমার।


66. Antimonium Tart – ফুসফুস টিউমার, শ্বাসকষ্ট।


67. Ipecac – পাকস্থলী টিউমার, বমি।


68. Veratrum Album – অন্ত্রের টিউমার, দুর্বলতা।


69. Digitalis – হৃদযন্ত্র টিউমার।


70. Cactus Grandiflorus – হৃদ টিউমার, চাপ।


71. Spigelia – স্নায়বিক টিউমার, মাথা/চোখে।


72. Cicuta Virosa – মস্তিষ্ক টিউমার, খিঁচুনি।


73. Helleborus Niger – মস্তিষ্ক টিউমার, অজ্ঞান।


74. Zincum Met – স্নায়বিক টিউমার।


75. Kali Carb – ফুসফুস টিউমার, দুর্বলতা।


76. Kali Phos – স্নায়বিক টিউমার, ক্লান্তি।


77. Causticum – স্নায়বিক/গ্রন্থি টিউমার।


78. Ignatia – হিস্টেরিক টিউমার, আবেগপ্রবণ।


79. Coffea Cruda – টিউমারের ব্যথায় ঘুম যায় না।


80. Opium – মস্তিষ্ক টিউমার, অবশ ভাব।


---


৮১–১০০


81. Secale Cornutum – শুকনো গ্যাংরেন জাতীয় টিউমার।


82. Ustilago – জরায়ু টিউমার, অতিরিক্ত রক্তস্রাব।


83. Trillium Pendulum – জরায়ু ফাইব্রয়েড, রক্তপাত।


84. Murex Purpurea – জরায়ু টিউমার, যৌন উদ্দীপনা।


85. Kreosotum – জরায়ু ক্যান্সার জাতীয় টিউমার।


86. Petroleum – চর্ম টিউমার, শুষ্ক চামড়া।


87. Cocculus Indicus – নার্ভ টিউমার, মাথা ঘোরা।


88. Eupatorium Perfoliatum – হাড় টিউমার, শরীর ব্যথা।


89. Euphorbium Officinale – জ্বলন্ত ব্যথাযুক্ত টিউমার।


90. Cantharis – মূত্রথলী টিউমার, প্রস্রাবে রক্ত।


91. Pareira Brava – মূত্রাশয় টিউমার, কষ্টে প্রস্রাব।


92. Berberis Vulgaris – কিডনি টিউমার।


93. Solidago Virgaurea – কিডনি/ইউরিনারি টিউমার।


94. Sarsaparilla – মূত্রনালী টিউমার।


95. Onosmodium – চোখ/অপটিক টিউমার।


96. Natrum Phos – হাড় টিউমার, অ্যাসিডিটি সহ।


97. Natrum Sulph – লিভার/স্প্লিন টিউমার।


98. Ammonium Carb – চর্ম টিউমার, দুর্বল হৃদপিণ্ড।


99. Ammonium Mur – গ্রন্থি টিউমার।


100. Sulphur Iod – গ্লান্ড টিউমার, প্রদাহ।


---


⚠️ নোট:


এই তালিকা রেপার্টরি ও ক্লিনিকাল অভিজ্ঞতা অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।


কোন ওষুধ বেছে নেওয়া হবে, তা রোগীর সম্পূর্ণ উপসর্গ, মানসিক অবস্থা, শারীরিক প্রকৃতি ইত্যাদির উপর নির্ভর করবে।


সঠিক ঔষধ নির্ধারণের জন্য অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...