এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নখের ফাঙ্গাসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-- নখের ফাংগাস কি ? 

 💁 নখের ফাঙ্গাসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা--

নখের ফাংগাস কি ? 

নখের ফাংগাস একটি সাধারণ রোগ। নখের উপর অথবা নখের নিচে সাদা বা হলদে দাগ দেখা দেয়। নখ পুরু ভঙ্গুর ও বিকৃত হয়। নখের ছত্রাক আক্রমনের পাশাপাশি এর নিকটবর্তী ত্বকেও সংক্রমিত হয়। পায়ের নখ খুব সহজেই ফাঙ্গাসের আক্রমণের শিকার হয়, কারণ পায়ের নখ ধুলোবালির খুব কাছাকাছি থাকে। ফাংগাস সংক্রমনে নখ হলদেটে আকার ধারণ করে যা একেবারেই বিশ্রী দেখায়।


👉 কারণ নখের ছত্রাক সংক্রমণ বিভিন্ন প্রকার ফাঙ্গাস দায়ী।সাধারণ কারণ ডার্মাটফাইট নামক ছত্রাকের উপস্থিতি। নখের ফাংগাস সংক্রমণ যে কোন বয়সের মানুষের ফাংগাস সংক্রমন হতে পারে, তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি বেশি দেখা যায়। নখ ভঙ্গুর এবং শুষ্ক হয়, নখের ফাটলে ছত্রাক প্রবেশই প্রধান কার। অন্যান্য কারনের মধ্যে পায়ে রক্ত সঞ্চালন হ্রাস পাওয়া এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস ফাংগাস সংক্রমণের জন্য দায়ি।


👉 লক্ষণ সমুহ

যদি আপনার এক বা একাধিক নখে এই সমস্যা থাকে তবে আপনার অন্যান্ন নখে ফাংগাস ছড়াতে পারে। ঘন হলুদ-বাদামী বিকৃত বর্ণ ধারণ ও ভঙ্গুর, বিকৃত আকৃতি, নখের নিচের পুরুত্ব অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, নখে কালো দাগ, দুর্গন্ধ, পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের মধ্যে আক্রান্ত হয়। ফাংগাস সংক্রমনের ফলে নখের নানা রোগের বিস্তার করে। নখে রক্ত প্রবাহ হ্রাস, নখের বৃদ্ধি কমিয়া যায়।


👉 জটিলতা

 ফাংগাল ইনফেকশন হলে নখএর স্থায়ীক্ষতি হতেপারে। ডায়াবেটরোগীর ক্ষেত্রে নখের ফাংগাস সংক্রমন যুকিপূর্ণ করিতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের নখে ব্যাকটেরিয়া ত্বকের সংক্রমণ (সেলুলাইটিস) এর ঝুঁকি বেশি।


👉 নথের ফাংগাসের প্রধান কয়েকটি হোমিওপ্যাধিক ঔষধের লক্ষণসহ আলোচনা,,,,

♦️এন্টিম ক্রুড (Antim Crud)

নখের ছত্রাক সংক্রমণ,বিশেষ করে পায়ের নখের জন্য কার্যকর। শৃঙ্গাকার নখ, নখের আকৃতি ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়। নখ শৃঙ্গাকার বৃদ্ধিসহ রোগীর ঠোঁট ও নাকের পাশে ফাটা অখবা মামড়ি পড়ার লক্ষণ থাকে। রোগ, খিটখিটে স্বভাব, জিহ্বা সাদা ও ঠান্ডায় সকল রোগ বৃদ্ধিসহ এন্টিম ক্রুড উপযোগ।


♦️সাইলেসিয়া

সাইলেসিয়া নখের ফাংগাসের শ্রেষ্ঠ ঔষধ। ফাংগাস সংক্রমনে নখের বিকৃতির একটি চমৎকার  ঔষধ। বিশেষ করে যদি  নখের উপর সাদা দাগ থাকে। নখ রুক্ষ, হলুদ, নষ্ট, ভঙ্গুর, এবং সাদা দাগ। মাংসে দর্গন্ধ যুক্ত পচন। পায়ের আঙ্গুলের নখ বিকৃত। আঙ্গুলের নখ শুষ্ক, বেদনা যুক্ত, বেদনা রতে বৃদ্ধি। হাত ও পা হতে দুর্গন্ধ ঘামযুক্ত রোগীর সাইলেসিয়া উপযোগী।


♦️গ্রাফাইটিস

নখ ভঙ্গুর এবং কুকড়ে গেলে গ্রাফাইটিস উপযোগী।নখ বিকৃত, বেদনাদায়ক, কালশিটে, নষ্ট, পুরু, রুক্ষ কুকড়াইয়া গেলে গ্রাফাইটিস প্রয়োজনীয় ঔষধ। পায়ে জ্বালা ও মনে হয় ভিজা মোজা পরানো আছে অনুভব করে, যাদের প্রায়ই কোষ্ঠব্ধ, স্হূলকায় দেহ, মাংস থলথলে, মন সদাই বিষন্ন, মনে সর্বদা অমঙ্গলের চিন্তায় কাতর থাকে, কেবলমাত্র মৃত্যুর কথা বলে, কোন এক বিষয়ের উপর মনোযোগ করিতে পারে না, সহজেই ঠান্ডা লাগে সেইসব রোগীদেরজন্য গ্রাফাইটিস উপযোগী


♦️বিউফো রানা

বুফো রানা ফাংগাস সংক্রমিত নখের ক্ষতের জন্য কার্যকরী। নখের চারপাশে নীল, কালো, ফুস্কুড়ি ও অসহ্র বেদনা থাকরে বিউফোরানা উপযোগী।


♦️এসিড ফ্লোরিক

নখের নিচে বেদনাযুক্ত ক্ষত, বেদনা ঠান্ডায় বৃদ্ধি সহ নখের ক্ষত ও এসিড ফ্লোরের নির্বাচক বিশিষ্ট লক্ষণযুক্ত রোগরি জন্য উপযোগী।


👉 প্রতিরোধ

নখ নিয়মিত পরিস্কার করতে হবে। প্রোটিন জাতীয় খাদ্য বেশী বেশী খেতে হবে। সুস্হ শরীরের সাথে সুস্হ নখ আশা করা যায়। শরীর ও নখের যত্নে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহন ও সামান্য আঘাত লাগলেই অবহেলা না করে উপযুক্ত চিকিৎসা জরুরী।


👉 পোস্টটা নবীন চিকিৎসকদের জন্য লিখিত, সর্বসাধারণের জন্য নয় সুতরাং নিজে নিজে ঔষধ সেবন করতে যাবেন না হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকলে।

HELTH TIPS ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 - ✔ আপনি যদি দিনের প্রায় ১১ ঘণ্টা বসে কাটান তাহলে আপনার আগামী ৩ বছরের মধ্যে মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০%।


- ✔ বালিশ ছাড়া ঘুমানোর অভ্যাস আপনার ঘাড় ও গলার ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। এবং এর পাশাপাশি মেরুদণ্ড সুস্থ রাখে।


- ✔ একজন মানুষের উচ্চতা নির্ধারিত হয় তার বাবা ও তার ওজন নির্ধারিত হয় মায়ের মাধ্যমে।


- ✔ মানুষের মস্তিষ্ক ৩ টি জিনিসের দিক থেকে নজর ফেরাতে পারে না তা চোখের নজর হোক বা মনের নজর হোক। আর সে ৩ টি জিনিস হচ্ছে খাবার, আকর্ষণীয় মানুষ ও বিপদ।


- ✔ ডানহাতি মানুষেরা খাবার চিবোনোর সময় ডান চোয়াল ব্যবহার করেন।


- ✔ অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মতে, ‘যদি পৃথিবীতে মৌমাছি না থাকে তাহলে পৃথিবীর সব মানুষ ৪ বছরের মধ্যে মারা যাবে’।


- ✔ পৃথিবীতে এতো বেশি প্রজাতির আপেল রয়েছে যে, আপনি যদি প্রতিদিন ভিন্ন প্রজাতির ১ টি করে আপেল খান তারপরও সবপ্রজাতির আপেল খেতে আপনার ২০ বছর সময় লাগবে।


- ✔ আপনি খাবার ছাড়া প্রায় ৪ সপ্তাহ অর্থাৎ ২৮ দিন বেঁচে থাকতে পারলেও ১১ দিন না ঘুমালে আপনার মৃত্যু অনিবার্য।


- ✔ যারা অনেক বেশি হাসেন তারা অন্যান্য মানুষের তুলনায় অনেক বেশি সুস্থ এবং ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী। বলা হয় হাসি বিষণ্ণতা রোগের সবচাইতে বড় ঔষধ।


- ✔ ধূমপানের কারণে যতো মানুষ মারা যায় ঠিক ততো মানুষই অলসতা এবং পরিশ্রমবিহীন জীবনের জন্যও মারা যান।


- ✔ মানুষের মস্তিষ্ক উইকিপিডিয়াতে যতো তথ্য রয়েছে তার ৫ গুণ তথ্য ধারণ ধারণ ক্ষমতা রাখে। 


- ✔ আমাদের দেহ ৩০ মিনিটে যতোটা তাপমাত্রা নির্গত করে তা দিয়ে দেড় লিটার পানি ফুটানো সম্ভব।


- ✔ আমাদের পাকস্থলীতে যে অ্যাসিড রয়েছে তা রেজর ব্লেড গলিয়ে ফেলতে সক্ষম।


- ✔ মানুষ আনমনে আপনার জুতোর দিকে নজর দেবেন এটি মানুষের প্রাকৃতিক একটি ব্যাপার। তাই সুন্দর জুতো পড়ুন। কারণ মানুষ অনেক সময় জুতো দেখেই ব্যক্তিত্ব নির্ধারণ করে ফেলেন। 


বিঃ দ্রঃ পোস্টটি ভাল লাগলে অবশ্যই কমেন্ট ও শেয়ার করতে ভুলবেন না।

মুখ_ও_যৌনাঙ্গের_হার্পিস: কারণ, ঝুঁকি ও প্রতিকার

 #মুখ_ও_যৌনাঙ্গের_হার্পিস: কারণ, ঝুঁকি ও প্রতিকার


হার্পিস (Herpes) হলো একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা মূলত Herpes Simplex Virus (HSV) দ্বারা হয়ে থাকে। এ ভাইরাস দুটি প্রকার—


HSV-1: মুখে বা ঠোঁটে ফোস্কা/ঘা সৃষ্টি করে (Oral Herpes)


HSV-2: যৌনাঙ্গে ফোস্কা/ঘা সৃষ্টি করে (Genital Herpes)


শরীরের একপাশে হঠাৎ ফোসকা, জ্বালা বা ব্যথা দেখলেই

অবহেলা করবেন না

আজ আপনার সচেতনতা হয়তো

একজন তরুণীর সারাজীবনের হাসি বাঁচিয়ে দেবে-


 কেন হয়?

১) যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে (অরক্ষিত যৌন মিলন)

২) চুম্বন, ওরাল সেক্স বা ত্বক-ত্বকের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে

৩) সংক্রমিত ব্যক্তির শরীরের তরল, লালা, বা ক্ষতস্থানের সংস্পর্শে 

৪) একই তোয়ালে, রেজার, লিপস্টিক ব্যবহার করলে

৫) একবার সংক্রমিত হলে ভাইরাস শরীরে থেকে যায় এবং বারবার সক্রিয় হতে পারে


 লক্ষণ:-

১) ছোট ছোট পানিভরা ফোস্কা (blister)

২) জ্বালা, চুলকানি ও ব্যথা

৩) জ্বর, দুর্বলতা বা লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া

৪) বারবার পুনরায় উঠতে পারে


 ভয়াবহ পরিণতি:-

১) হার্পিস জোস্টার শুধু ত্বকের রোগ নয়

২) চোখ কেড়ে নিতে পারে আলো

৩) কান কেড়ে নিতে পারে শ্রবণ

আর রেখে যেতে পারে আজীবনের অসহ্য যন্ত্রণা

৪) হার্পিসকে অবহেলা করলে বা চিকিৎসা না নিলে—

দীর্ঘদিন ভুগতে হয়, কারণ এটার স্থায়ী চিকিৎসা অনেকেই দিতে পারেন না, তারা বলে কেবল নিয়ন্ত্রণ করা যায়

৫) বারবার ফোস্কা হয়ে কষ্ট দেয়


Genital herpes থাকলে সন্তান জন্মের সময় নবজাতকের মধ্যে ছড়াতে পারে (Neonatal herpes – মারাত্মক)

১) এইচআইভি/এইডস সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বাড়ায়।

২) মস্তিষ্কে ছড়ালে (Herpes encephalitis) প্রাণঘাতী হতে পারে


হার্পিসকে ছোটখাটো রোগ ভেবে ফেলে রাখা উচিত নয়। দ্রুত সঠিক চিকিৎসা নিন।

আমাদের ইনফরমেশন গুলো যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে লাইক কমেন্ট শেয়ার ও ফলো করে পাশে থাকবেন ধন্যবাদ।

ঔষধ পরিচিতি ও ব্যবহার

হোমিওপ্যাথিতে অনেক ঔষধ আছে যাদের লক্ষণ রাতে (Night Aggravation) বেড়ে যায়। নিচে ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ দেওয়া হলোঃ~

 🎍হোমিওপ্যাথিতে অনেক ঔষধ আছে যাদের লক্ষণ রাতে (Night Aggravation) বেড়ে যায়। নিচে ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ দেওয়া হলোঃ~


🔖 রাতে রোগ বাড়ে এমন ৩০টি হোমিও ঔষধ


1. Arsenicum Album – রাতের দিকে দারুণ অস্থিরতা, জ্বালা, দম বন্ধ ভাব।


2. Mercurius Solubilis – রাতের দিকে সব লক্ষণ বাড়ে, ঘাম, ব্যথা, লালা পড়া।


3. Hepar Sulphuris – রাতের দিকে ব্যথা, কাশি তীব্র হয়।


4. Kali Carbonicum – রাত ২-৩টার দিকে শ্বাসকষ্ট বাড়ে।


5. Nux Vomica – রাত গভীর হলে উপসর্গ বাড়ে, খিটখিটে স্বভাব।


6. Sulphur – রাতের দিকে চুলকানি তীব্র হয়।


7. Pulsatilla – সন্ধ্যা থেকে রাতে কাশি ও হাঁচি বেড়ে যায়।


8. Calcarea Carbonica – রাতে ঘাম, ভয়ের স্বপ্ন।


9. Silicea – রাতের দিকে মাথা ব্যথা ও ঘাম বাড়ে।


10. Belladonna – রাতের দিকে জ্বর, মাথা ব্যথা, ভ্রম বাড়ে।


11. Lachesis – রাতের দিকে, বিশেষ করে ঘুমের পর উপসর্গ বাড়ে।


12. Phosphorus – সন্ধ্যা ও রাতে কাশি ও শ্বাসকষ্ট বাড়ে।


13. Rhus Toxicodendron – রাতের প্রথম ভাগে ব্যথা বেড়ে যায়।


14. Sepia – রাতের দিকে মানসিক খিটখিটে ভাব ও উপসর্গ বাড়ে।


15. Graphites – রাতে চুলকানি, চামড়ার সমস্যা বাড়ে।


16. Lycopodium – বিকাল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত উপসর্গ বেড়ে যায়।


17. Chamomilla – শিশুদের ব্যথা ও কান্না রাতে বেড়ে যায়।


18. Cina – রাতে শিশুদের কৃমির উপসর্গ বাড়ে।


19. Carbo Vegetabilis – রাতের দিকে শ্বাসকষ্ট বাড়ে।


20. China (Cinchona) – রাতের দিকে দুর্বলতা ও জ্বরের পর ঘাম।


21. Digitalis – রাতের দিকে হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়।


22. Kali Iodatum – রাতের দিকে হাড়ের ব্যথা ও সর্দি বাড়ে।


23. Staphysagria – রাতের দিকে মানসিক দুঃখ ও অস্থিরতা বাড়ে।


24. Aconitum Napellus – মধ্যরাতের পর অস্থিরতা ও ভয়।


25. Natrum Muriaticum – রাতের দিকে মাথাব্যথা ও দুঃখবোধ বাড়ে।


26. Thuja Occidentalis – রাতের দিকে কাশি ও মূত্রের সমস্যা বেড়ে যায়।


27. Magnesia Carbonica – শিশুদের রাতে পেট ব্যথা।


28. Causticum – রাতে কাশি ও পেশি দুর্বলতা বাড়ে।


29. Colocynthis – রাতের দিকে পেট ব্যথা তীব্র হয়।


30. Bryonia Alba – রাতের দিকে জ্বর, ব্যথা ও তৃষ্ণা বেড়ে যায়।


👉 এগুলো সব রোগীর ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্নভাবে প্রযোজ্য। তাই নির্দিষ্ট ঔষধ নির্বাচন করতে হলে রোগীর সামগ্রিক মানসিক, শারীরিক ও বিশেষ উপসর্গ মিলিয়ে নিতে হয়।


🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

শিক্ষণীয়_পোস্ট  এই কথা গুলো জীবন বদলে দিতে পারে।

 #শিক্ষণীয়_পোস্ট 

এই কথা গুলো জীবন বদলে দিতে পারে।


1. জীবনে কখনো কাউকে পরোয়া করো না, নিজের যোগ্যতায় নিজে এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাওয়ার জন্য কখনো কারো প্রত্যাশা করো না, তোমার হয়ে কেউ তোমাকে এগিয়ে দিবে না, মনে রাখবে, তোমাকেই তোমার এগিয়ে যাওয়ার রথের সারথি হতে হবে। 


2. কখনো অন্য কারো যোগ্য হতে যেয়োনা, নিজেকে নিজের যোগ্য হিসেবে গড়ে তোল, কখনো অন্যের মনের মতো হয়ে উঠার চেষ্টা না করে বরং নিজের মনের মতো হয়ে উঠার চেষ্টা করো, দেখবে একদিন না একদিন তুমি তোমার আমার আমিকে নিয়ে সন্তুষ্টি অনুভব করছো। 


3. অন্যের পিছনে সময় ব্যয় করার থেকে নিজের পিছনে নিজে সময় ব্যয় করো, মনে রাখবে, নিজেকে নিজে যতটা সময় দিবে, ততটা সময় জীবনে তোমাকে অন্য কেউ আর দিবে না। 


4. তোমাকে তুমিই গড়ো, তোমাকে তুমিই ভাঙ্গো, নিজের ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে গড়ো, নিজের ভুল ত্রুটি সংশোধনের জন্য নিজেকে ভাঙ্গো। দেখবে, দিনকে দিন তোমার উন্নতিই হয়েছে, ডিপ্রেশন ঘিরে ধরেনি। কিন্তু যখনই তুমি অন্যের জন্য নিজেকে ভাঙ্গবে কিংবা গড়বে তখনই সে ছেড়ে গেলে তুমি ডিপ্রেশনে ভুগবে, তাই অন্যের জন্য নয় নিজের জন্য নিজেকে ভাঙ্গো এবং গড়ো। 


5. নিজেকে মূল্য দাও, দেখবে দশজন তোমাকে মূল্য দিচ্ছে, তুমিই যদি তোমাকে মূল্যায়ন না করো তবে পৃথিবীর কেউ তোমাকে মূল্যায়ন করবে না, আর হ্যাঁ, যাই করো আর নাই করো, পৃথিবীতে নিজের থেকে বেশি মূল্য অন্য কাউকে দিতে যাবে না, নিজের থেকে বেশি মূল্য যাকেই দিতে যাবে তার কাছে মূল্য বলে তো কিছু পাবেই না বরং অবহেলা তুচ্ছতাচ্ছিল্য ছাড়া কিছুই পাবে না। 


6. জীবনে দুটি জিনিস খুব প্রয়োজন, এক হলো টাকা আরেক হলো দেখতে সুন্দর হওয়া।  পুরুষের অর্থ না থাকলে আর নারীর সৌন্দর্য না থাকলে কোথাও কোনো দাম নেই।  না ঘরে, না বাহিরে।  যে পুরুষ আয় করতে পারে না ঘরে বসে বসে খায় সে পুরুষের কোনো মূল্য নেই, বাহিরে মূল্য পাওয়া তো অনেক দূরের কথা তার নিজের ঘরেই সে কখনো কোনো কাজে কিংবা কথায় মূল্যায়ন পায় না, যে নারী দেখতে সুন্দর না, সে নারী জন্মের পর থেকেই তার বাবা-মা'র "টেনশন"। শুধুমাত্র দেখতে সুন্দর নয় বলে একেকটা সম্বন্ধ যখন ভেঙ্গে যায় তখন কোনো দোষ না থাকা সত্বেও উঠতে বসতে কত কথা যে শুনতে হয় তা শুধু কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েরাই জানে।  তুমি মানো কিংবা না মানো তবে ৯৯% ক্ষেত্রে এটাই বাস্তব। নারীর সৌন্দর্য আর পুরুষের অর্থ ছাড়া কোথাও কোনো দাম নেই, এরা যেন নুন ছাড়া তরকারির মত। 


7. একটা কথা মনে রাখা ভীষণ ভাবে জরুরী, জীবনের কঠিন সময় গুলো তোমাকে একাই কাটাতে হবে, তাই বিপদ থেকে উদ্ধার হতে গেলে সঙ্গ কিংবা সাহায্য পাওয়ার আশা ছেড়ে দাও, তোমার হয়ে তোমার লড়াইটা কেউ লড়বে না।  তোমার লড়াইটা তোমাকে একাই লড়তে হবে। তোমার হয়ে তোমার দৌড়টা কেউ দৌড়াবে না, তোমার দৌড়টা তোমাকে একাই দৌড়াতে হবে। মনে রাখবে, দিন শেষে কেউ কারো নয়, না তুমি কারো, না কেউ তোমার।।😌🥀

Cantharis (ক্যান্থারিস ) যে মেডিসিন টি প্রত্যেকের ঘর, বাড়ি, অফিস, কল কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাখা উচিত। 

 #Cantharis (ক্যান্থারিস ) যে মেডিসিন টি প্রত্যেকের ঘর, বাড়ি, অফিস, কল কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাখা উচিত। কখন ব্যবহার করবেন কিভাবে করবেন আসুন সেটা জেনে নেই! 

Cantharis is a very good remedy for burns anywhere on the body. cantharis 30 will help in Better healing.

শরীরের যে কোন জায়গায় পুড়ে গেলে  ক্যান্সারিস ঔষধটি দ্রুত সেটাকে সারিয়ে তুলতে সক্ষম। যেকোনো ভাবে বার্ন বা পুড়ে গেলে অবশ্যই আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিকভাবে ক্যান্থারিস ব্যবহার করতে পারবেন। 


সেবন বিধি: 

১.Cantharis -30

ডিস্ট্রিল ওয়াটার বা ফিলট্রেট পানিতে মিশিয়ে ১০/১৫/২০ ফোঁটা করে চার ঘন্টা অন্তর সেবন করুন। 

২.cantharis-Q

যতটুকু ঔষধ ততটুকু পানির সাথে মিশিয়ে পুড়ে যাওয়া স্থানে বাহ্যিক প্রয়োগ করুন।


 প্রমাণিত: কল্পনাতীতভাবে খুবই দ্রুত পুড়ে যাওয়া স্থান হিলিং হয়েছে।


Dr md shihabuddin 

01638-568924

Alfalfa:- অনেকে আলফালফা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন তাঁদের জন্য এই বিশেষ পোষ্টটি।

 ♣♣Alfalfa:- অনেকে আলফালফা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন তাঁদের জন্য এই বিশেষ পোষ্টটি।


♦♦আলফালফা ঔষধটি নিয়মিত অনেকদিন খেলে ক্ষুধা, ঘুম, ওজন, হজমশক্তি ইত্যাদি বৃদ্ধি পায়। নিম্নশক্তিতে (Q) দশ ফোটা করে রোজ তিনবার করে খেতে পারেন। ইহার স্বাদ যেহেতু খারাপ সেহেতু শিশুদেরকে চিনি বা গুড়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন।


♦♦ব্যবহারঃ মাদার টিংচার শিশুদের ক্ষেত্রে ৫-১০ ফোঁটা, বড়দের ১০-১৫ ফোঁটা মাত্রায় আহারের আধঘন্টা পরে দুবার কয়েকদিন যাবৎ প্রযোজ্য । সুগার ও ফসফেট যুক্ত বহুমুত্র রোগেও উপযোগী ।


♦♦তথ্যসূত্র:-এলেন কিনোট'স অফ মেটেরিয়া মেডিকা। 


♦♣আলফালফা>

রেসের মাঠের ঘোড়া বলবান ও শক্তিশালী করার জন্য আমেরিকায় এই জাতীয় ভেষজ বিশেষ ঘোড়াকে খাওয়াননো  হয় । এর সাহায্যে হোমিওপ্যাথি টনিক প্রস্তুত হয়, অন্যান্য লৌহঘটিত টনিক অপেক্ষা এই টনিক বহুগুণে শ্রেষ্ঠ । কোন কঠিন রোগভোগের পর পরিপোষন ক্রিয়ার বিশৃঙ্খলা জনিত হজমের গোলমাল, কোষ্ঠকাঠিন্য বা উদরাময়, স্নায়বিকতা, ধাতুদৌর্বল্য ও অনিদ্রার উৎকৃষ্ট টনিক, দেহের দুর্বল টিস্যুগুলো সতেজ সবল করতে এর জুড়ি নেই । মনের অবসাদ ক্লান্তি দূর করে । খিদে থাকে না, -খিদে পেলেও বেশি খেতে না পারার জন্য দিন দিন দুর্বলতা বেড়েই চলে, মিষ্টি খেতে চায়, -খাওয়ার অল্পক্ষণ পরেই পেট বায়ুতে পুর্ন হয়ে ঢাকের মত ফুলে উঠে । পেটব্যথা করে। তারসাথে সাথে ঝিমুনীভাব অথচ অনিদ্রা । এ ঔষধের ব্যবহারে অত্যন্ত সুনিদ্রা হয় ।

আলফালফা শারীরিক এবং মানসিক কার্যক্রম উন্নীত করে।


♦♦অরো কিছু তত্বঃ


♥ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করে।


♥শিশুদের এবং প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে শারীরিক এবং মানসিক দুর্বলতার উপকার করে।

♥স্নায়বিক উত্তেজনা, চাপ এবং উদ্বেগ প্রবণতা থেকে মুক্ত করে।

♥হজম শক্তি এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি করে।

♥রক্ত শূন্যতা দূর করে।

♥গিট এবং হার্টবার্ণের জন্য এটি উপকারি।

♥উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

 ♥ঘুম এবং ওজন বৃদ্ধি পায়।

♥অসুস্থতার সময় ও পরে পুনরুজ্জীবনমূলক প্রক্রিয়া সমর্থন করে শক্তি ও প্রাণশক্তি উন্নত করে।


বিঃদ্রঃ যখন শক্তিকৃত করে ব্যবহার করা হবে তখনই হোমিওপ্যাথিক রিমেডি হিসেবে বিবেচ্য। সুতরাং শক্তিকৃত মেডিসিন লক্ষন সাদৃশ্যে প্রয়োগ করতে হবে। নিজে নিজে সেবন করে বিপদ ডেকে আনবেন না।

তবে মাদার উল্লেখিত ডোডে সবাই সেবন করতে পারবেন।

ক্যান্হারিস (Cantharis) এর ১০০টি লক্ষণ,,,,,,

 🔹 ক্যান্হারিস (Cantharis) এর ১০০টি লক্ষণ


১–২০ : প্রস্রাব ও মূত্রতন্ত্র

 1. প্রস্রাবে প্রচণ্ড জ্বালা।

 2. ঘন ঘন প্রস্রাবের তাগিদ।

 3. অল্প অল্প প্রস্রাব হওয়া।

 4. প্রস্রাবের সময় ভয়ানক ব্যথা।

 5. প্রস্রাব আটকে যাওয়া।

 6. প্রস্রাব করতে না পেরে যন্ত্রণায় কাতর হওয়া।

 7. প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত আসা।

 8. প্রস্রাবের রঙ গাঢ় লাল।

 9. মূত্রথলি ফোলা।

 10. কিডনির এলাকায় ব্যথা।

 11. মূত্রথলিতে প্রদাহ।

 12. প্রস্রাব না হওয়ার কারণে খিঁচুনি।

 13. প্রস্রাব শুরু হওয়ার আগে যন্ত্রণা।

 14. প্রস্রাবের সময় যন্ত্রণা।

 15. প্রস্রাব শেষ হওয়ার পরও যন্ত্রণা থাকে।

 16. প্রস্রাব করতে গিয়ে পেট চাপলাগে।

 17. মূত্রথলিতে টান টান ভাব।

 18. প্রস্রাবে জ্বালা এততীব্র যে রোগী জলখেতে ভয়পায়।

 19. প্রস্রাব ফোঁটা ফোঁটা করে আসা।

 20. প্রস্রাবে পুঁজ মিশ্রিত।


২১–৪০ : ত্বক ও পোড়া

 21. হঠাৎ গরমে পোড়া ব্যথা।

 22. পোড়ার জায়গায় তীব্র জ্বালা।

 23. পোড়ার পর ফোস্কা ওঠা।

 24. ফোস্কা ভরা ঘা।

 25. পোড়ার পর ক্ষত ধীরে শুকানো।

 26. সূর্যের তাপে জ্বালা।

 27. গরম পানিতে হাত-পা পুড়ে যাওয়া।

 28. ফোসকার চারপাশ লাল হয়ে ফোলা।

 29. চামড়া চুলকানি।

 30. গরমে চামড়ায় ফোসকা।

 31. জল লাগলেই পোড়ার জায়গায় ব্যথাবাড়ে।

 32. শরীরে অসহ্য জ্বালা, পানি ঢালতে ইচ্ছা হয়।

 33. শরীরে ছোট ছোট পানিভরা ফোসকা।

 34. ফোসকা ভেঙে পুঁজ হওয়া।

 35. ব্যথার কারণে শরীর ছটফট করা।

 36. পোড়ার জায়গায় ঠান্ডা লাগলেই আরাম।

 37. সূর্য পোড়ার কারণে মাথা ব্যথা।

 38. গরমে সারা শরীর লাল হয়ে যাওয়া।

 39. পোড়া জায়গায় স্পর্শ সহ্য হয়না।

 40. পোড়া জায়গায় শীতল জল দিলে জ্বালাকমে।


৪১–৬০ : হজম ও পেট

 41. পেটে জ্বালা।

 42. পেটের ভেতর টান টান ভাব।

 43. অন্ত্রে প্রদাহ।

 44. রক্তমিশ্রিত পাতলা পায়খানা।

 45. পায়খানা করার সময় ব্যথা।

 46. অর্শ্বরোগের ব্যথা।

 47. পেট ফাঁপা।

 48. পেটে কুঁচকানো ব্যথা।

 49. তীব্র গ্যাসের ব্যথা।

 50. পেট ব্যথা প্রস্রাবের সাথে সম্পর্কিত।

 51. পেটেজ্বালা এতবেশি যে জল খেলেও বাড়ে।

 52. বমি বমি ভাব।

 53. টক ঢেকুর।

 54. বমিতে রক্ত।

 55. খাওয়ার পর জ্বালা বাড়ে।

 56. খাওয়ার সময় পানি খেলেই ব্যথা।

 57. মুখ শুকনো।

 58. মুখের ভেতর ফোসকা।

 59. জিভে সাদা আস্তরণ।

 60. মুখে পুড়ার মত অনুভূতি।


৬১–৮০ : নারীদের উপসর্গ

 61. যোনিতে তীব্র জ্বালা।

 62. প্রস্রাবের সাথে যোনি ব্যথা।

 63. জরায়ু অঞ্চলে টান টান ব্যথা।

 64. যোনিতে প্রদাহ।

 65. মাসিকে তীব্র ব্যথা।

 66. মাসিকের সময় প্রস্রাবের জ্বালা বাড়ে।

 67. জরায়ু থেকে রক্তপাত।

 68. যোনিপথে ফোসকা।

 69. গর্ভাবস্থায় মূত্রথলির ব্যথা।

 70. প্রসবের পর প্রস্রাব আটকে যাওয়া।

 71. যোনিতে শীতল জলদিলে আরামলাগে।

 72. সাদা স্রাবের সময় জ্বালা।

 73. জরায়ুর প্রদাহ।

 74. যোনি শুকিয়ে যাওয়া।

 75. ডিম্বাশয়ে ব্যথা।

 76. যৌন সম্পর্কের সময় ব্যথা।

 77. যৌন সম্পর্কের পর প্রস্রাবে জ্বালা।

 78. মাসিক বেশি হওয়া।

 79. মাসিকের রক্ত গাঢ়।

 80. মেয়ে শিশুর প্রস্রাব আটকে যাওয়া।


৮১–১০০ : অন্যান্য উপসর্গ

 81. পুরুষদের যৌনাঙ্গে প্রদাহ।

 82. পুরুষদের যৌন উত্তেজনা অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া।

 83. পুরুষদের প্রস্রাবে রক্ত।

 84. পুরুষাঙ্গে ফোসকা।

 85. স্নায়বিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়া।

 86. খিঁচুনি জাতীয় অবস্থা।

 87. শরীরে অস্থিরতা।

 88. রোগী জল দেখতে পারেনা।

 89. রোগী জল খেলেই কষ্ট বেড়েযায়।

 90. প্রচণ্ড তৃষ্ণা।

 91. আলো সহ্য হয় না।

 92. শব্দে অসহ্যতা।

 93. শরীর গরম থাকে।

 94. জ্বরের সময় শরীরে জ্বালা।

 95. মাথায় গরম অনুভূতি।

 96. মাথা ঝিম ঝিম।

 97. মাথায় ব্যথা।

 98. চোখে জ্বালা।

 99. কানে টান টান ব্যথা।

 100. অস্থির হয়ে ছটফট করা।



👉 সারসংক্ষেপ:

ক্যান্হারিস মূলত প্রস্রাবের জ্বালা-ব্যথা, মূত্রথলির প্রদাহ, কিডনির সমস্যা, পোড়া ফোসকা, এবং যেকোনো তীব্র জ্বালা জাতীয় সমস্যায় কার্যকর।

১০টি ভিন্ন ভিন্ন রোগের জন্য ৩টি করে হোমিও ঔষধ এবং তাদের প্রধান কাজ (লক্ষণ) সাজিয়ে দিলাম:

 ✔️🎍১০টি ভিন্ন ভিন্ন রোগের জন্য ৩টি করে হোমিও ঔষধ এবং তাদের প্রধান কাজ (লক্ষণ) সাজিয়ে দিলাম:


---


১. জ্বর (Fever)


1. Aconite – হঠাৎ ঠান্ডা লাগার পর জ্বর, অস্থিরতা, ভয়।


2. Belladonna – হঠাৎ উচ্চ জ্বর, লালচে চোখ-মুখ, মাথা ব্যথা।


3. Arsenicum Album – জ্বরের সাথে তীব্র দুর্বলতা, তৃষ্ণা, উদ্বেগ।


---


২. কাশি (Cough)


1. Drosera – দীর্ঘক্ষণ কাশি, রাতে বেশি, বমি পর্যন্ত হয়।


2. Spongia – শুকনা কাশি, শ্বাসে বাঁশির মত শব্দ।


3. Antimonium Tart – বুক ভরা কফ, উঠাতে কষ্ট হয়।


---


৩. ডায়রিয়া (Diarrhoea)


1. Podophyllum – সকালে পাতলা, ঝর্ণার মত পায়খানা।


2. Arsenicum Album – ডায়রিয়ার সাথে দুর্বলতা ও তীব্র তৃষ্ণা।


3. China – বেশি পরিমাণ ডায়রিয়ার পর দুর্বলতা।


---


৪. মাথা ব্যথা (Headache)


1. Belladonna – হঠাৎ মাথা ব্যথা, লাল চোখ, আলো সহ্য হয় না।


2. Nux Vomica – কাজের চাপ বা বদহজমে মাথা ব্যথা।


3. Glonoinum – রোদে হাঁটার পর মাথা ব্যথা।


---


৫. পেট ব্যথা (Abdominal Pain)


1. Colocynth – ক্রোধ বা দুঃখের পর তীব্র পেট ব্যথা, হাঁটু মুড়ে শোয়ার ইচ্ছে।


2. China – গ্যাস জমে পেট ফাঁপা, চাপ দিলে আরাম।


3. Carbo Veg – অতিরিক্ত গ্যাস, ডাকার পর আরাম।


---


৬. ত্বকের সমস্যা (Skin Diseases)


1. Sulphur – পুরনো চুলকানি, গরমে বাড়ে, রাতে বেশি।


2. Graphites – ত্বক ফেটে যায়, আঠালো স্রাব বের হয়।


3. Rhus Tox – চুলকানি, ফোস্কা, গরমে আরাম লাগে।


---


৭. বমি (Vomiting)


1. Ipecac – অবিরাম বমি বমি ভাব, কিছু খেলেই বমি।


2. Nux Vomica – অতিভোজন বা মদ্যপানের পর বমি।


3. Arsenicum Album – খাবার-পানির সাথে বমি, দুর্বলতা।


---


৮. মূত্র সমস্যা (Urinary Disorders)


1. Cantharis – ঘন ঘন প্রস্রাব, জ্বালা, অল্প অল্প প্রস্রাব।


2. Apis Mellifica – প্রস্রাব আটকে থাকে, জ্বালা, ফুলে যাওয়া।


3. Sarsaparilla – প্রস্রাবের শেষে জ্বালা, কিডনির সমস্যা।


---


৯. অ্যাজমা / শ্বাসকষ্ট (Asthma)


1. Arsenicum Album – রাতে শ্বাসকষ্ট, শুতে পারা যায় না।


2. Ipecac – কাশি ও শ্বাসকষ্ট একসাথে, কফ ওঠে না।


3. Antimonium Tart – বুক ভরা কফ, শ্বাসকষ্টে হাঁপ ধরা।


---


১০. স্নায়বিক দুর্বলতা (Nervous Weakness)


1. Phosphoric Acid – দুঃখ বা চিন্তার পর দুর্বলতা।


2. Kali Phos – অতিরিক্ত পড়াশোনা বা কাজের পর স্নায়বিক দুর্বলতা।


3. Ignatia – মানসিক আঘাত বা দুঃখে দুর্বলতা, হঠাৎ কান্না।


🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

লাইপোমা (Lipoma) হলো চর্বি জমে তৈরি হওয়া নরম, সাধারণত ব্যথাহীন, ত্বকের নিচে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা টিউমার। 

 🎍লাইপোমা (Lipoma) হলো চর্বি জমে তৈরি হওয়া নরম, সাধারণত ব্যথাহীন, ত্বকের নিচে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা টিউমার। এটি সাধারণত ক্ষতিকর নয়, তবে অনেক সময় সংখ্যায় বেশি, আকারে বড় বা সৌন্দর্য নষ্টকারী হলে চিকিৎসা প্রয়োজন হয়। হোমিওপ্যাথিতে লাইপোমার জন্য কার্যকর কিছু ঔষধ আছে, যেগুলো রোগীর গঠন, উপসর্গ ও ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বেছে নিতে হয়। নিচে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধের বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হলো:


১. Calcarea Carb


🔹 উৎস: ঝিনুকের খোলস।

🔹 প্রধান কাজ: গ্রন্থি, চর্বি, হাড় ও গ্রন্থিগত স্ফীতি।

🔹 কাদের জন্য:


স্থূল, মোটা, ফর্সা, ঘামে ভেজা শরীরের রোগী।


শরীরের বিভিন্ন অংশে নরম গুটি, লাইপোমা তৈরি হয়।


অতিরিক্ত ঠান্ডা ভীতি, সামান্য কাজেই হাঁপিয়ে যায়।


পেটে চর্বি বেশি জমে, ঘাড়ে গ্রন্থি বড় হয়।

🔹 বিশেষ বৈশিষ্ট্য: চর্বিজাত বৃদ্ধি (lipomatous diathesis) যাদের দেহে প্রবল, তাদের জন্য বিশেষ উপযোগী।


২. Baryta Carb


🔹 উৎস: Barium Carbonicum।

🔹 প্রধান কাজ: গ্রন্থি ও চর্বি বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ।

🔹 কাদের জন্য:


বয়স্ক বা শিশুদের মধ্যে মানসিক ও শারীরিক দুর্বলতা।


গলায়, ঘাড়ে বা শরীরের বিভিন্ন অংশে লাইপোমা ও গ্রন্থিগত স্ফীতি।


শরীরের বৃদ্ধি অসম্পূর্ণ, দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা।

🔹 বিশেষ বৈশিষ্ট্য:

গ্রন্থি ও চর্বি একত্রে জমে শক্ত গুটি তৈরি হলে এটি উপকারী।


৩. Calcarea Fluor


🔹 উৎস: Fluoride of Lime।

🔹 প্রধান কাজ: কঠিন টিউমার, গুটি, গ্রন্থি ও চর্বি জমাট অংশ নরম করা।

🔹 কাদের জন্য:


শক্ত, দৃঢ় লাইপোমা বা দীর্ঘদিনের গুটি।


টিউমার হাড়ের কাছে বা জয়েন্টের পাশে হলে।


গুটি স্পর্শ করলে শক্ত মনে হয়।

🔹 বিশেষ বৈশিষ্ট্য:

কঠিন বা আঁশযুক্ত লাইপোমা ভাঙতে সাহায্য করে।


৪. Thuja Occidentalis


🔹 উৎস: এক প্রকার ঝাউ গাছ (Arbor vitae)।

🔹 প্রধান কাজ: স্নায়ু, গ্রন্থি ও চর্বি বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ।

🔹 কাদের জন্য:


যাদের দেহে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি প্রবণতা (growth diathesis)।


লাইপোমা, আঁচিল, পলিপ একসাথে থাকে।


ঠান্ডায় কষ্ট পায়, উষ্ণতায় ভালো বোধ করে।

🔹 বিশেষ বৈশিষ্ট্য:

চর্বি, আঁচিল, পলিপ ইত্যাদি বাড়তি টিস্যু বৃদ্ধির সাধারণ ঔষধ।


৫. Phytolacca Decandra


🔹 উৎস: আমেরিকান উদ্ভিদ “Poke-root”।

🔹 প্রধান কাজ: গ্রন্থি ও ফ্যাটি টিউমার দূর করা।

🔹 কাদের জন্য:


শক্ত বা নরম উভয় প্রকার লাইপোমা।


চর্বিজাত গ্রন্থি ফুলে যাওয়া।


গ্রন্থি চেপে ধরলে ব্যথা।

🔹 বিশেষ বৈশিষ্ট্য:

ফ্যাটি টিস্যু-ভিত্তিক টিউমার ধীরে ধীরে নরম করে ও কমায়।


✨ সারসংক্ষেপ:


নরম চর্বিজাত লাইপোমা → Calcarea Carb


মানসিক ও শারীরিক দুর্বলতার সাথে লাইপোমা → Baryta Carb


শক্ত/কঠিন লাইপোমা → Calcarea Fluor


একাধিক বৃদ্ধি (আঁচিল, পলিপ, গুটি) → Thuja


গ্রন্থি + চর্বি ফোলা/টিউমার → Phytolacca


🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...