এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

সকাল সাতটার ০১/১২/২০২৫

 সকাল সাতটার ০১/১২/২০২৫

* সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত---তার অসুস্থায় বিজয় দিবস উদযাপনের কর্মসূচি স্থগিত করলো বিএনপি।

* বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরায় কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই---তিনি ফিরতে চাইলে একদিনের মধ্যে ট্রাভেল পাস দেবে সরকার ---বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

* প্রধান উপদেষ্টার কাছে বিডিআর হত্যাকান্ডের তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর---হত্যাকান্ডে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস---জানালো কমিশন।

* জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট একসাথে করতে একটি ভোট কক্ষে, দুটি গোপন বুথ করার সিদ্ধান্ত ইসির।

* শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ।

* দুর্গম ও উপকূলীয় চরাঞ্চলে কর্মরত শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ভাতা চালু করবে সরকার---জানালেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা।

* দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিরসনের একমাত্র উপায়---তুরস্ক-লেবানন সফরকালে পুনরায় বললেন পোপ লিও।

* এবং ভারতের তামিলনাডুতে জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে ৩-৩ গোলে ড্র করলো বাংলাদেশ

বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

আমি—হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সালফার (Sulphur) #বলছি

 আমি—হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সালফার (Sulphur) #বলছি

🔥 আমি আগুনের সন্তান। আমার জন্ম—বিশুদ্ধ সালফারের খনিজ হতে। আমার ভেতরে রয়েছে অসাধারণ শক্তি, উষ্ণতা, প্রদাহ আর নির্মূল করার ক্ষমতা। আমাকে বলা হয়—“The King of Antipsorics” কারণ আমি বহুদিনের জমে থাকা রোগকে ভেতর থেকে বের করে আনি।

🧑‍🔬 আমাকে প্রুভিং করেছিলেন—মহান হ্যানিম্যান। আমি মূলত Psora মায়াজমের প্রতিনিধি—চুলকানি, জ্বালা, উত্তাপ, অস্থিরতা ও নোংরামির মধ্যেই আমার স্বভাব প্রকাশ পায়।


🌱 আমার জীবনের গল্প শুরু…

👶 শিশুকাল

আমি জন্মের পর থেকেই একটু উষ্ণ স্বভাবের—

গরম শরীর

মাথার তালু ঘেমে ভেজা

পেট একটু বেরিয়ে থাকা

দুধ হজম না হওয়া, ডায়রিয়া

ত্বকে লাল দাগ, র‍্যাশ, ব্যথাজনক চুলকানি

চুলকাতে চুলকাতে ক্ষত হয়ে যেত

মাকে সবাই বলতো—“এই বাচ্চা খুব গরম শরীরের”— কারণ আমি হালকা গরমেই অস্বস্তিতে ভুগতাম।


🎒 স্কুল জীবন

বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমার প্রকৃতি আরও স্পষ্ট হতে লাগলো—

💥 অগোছালো, নোংরা পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্য—ঘর গুছানো আমার স্বভাব না। 💥 পড়াশোনায় মনোযোগ কম—ভাবনার জগতে ডুবে থাকতাম। 💥 সবকিছু তত্ত্ব দিয়ে বুঝতে চাইতাম—কারণ আমি জন্মগতভাবে দার্শনিক। 💥 গরমে সহ্যশক্তি কম, পা দুটো প্রচণ্ড গরম, ঘুমের সময় পা বের করে দিতাম। 💥 শরীর জুড়ে চুলকানি, বিশেষ করে রাতে ও গরমে।

আমি তখন থেকেই “Thinker”—সব বিষয়ে প্রশ্ন করি, কিন্তু কাজ করি কম।


🧑 যৌবন

যৌবনে আমার শক্তির আসল পরিচয় প্রকাশ পেল—

💥 ত্বকে খরা, র‍্যাশ, একজিমা, খুসকি, চুল পড়া 💥 স্কিনে পুড়ে যাওয়ার অনুভূতি—burning 💥 গ্যাস্ট্রিক, টক ঢেঁকুর, ক্ষুধা বেশি, খাবার দেরিতে পেলে মাথা ঘুরে যায় 💥 মলদ্বারের চারপাশ লাল, জ্বালা, পাইলস 💥 খনখনে, দুর্গন্ধযুক্ত ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য

মনেও পরিবর্তন—

🧠 আমি জন্মগতভাবেই আত্মবিশ্বাসী, কিন্তু নিজেরই কাজ শেষ করতে দেরি করি। 🧠 তাত্ত্বিক চিন্তায় ভীষণ ডুবে থাকি। 🧠 ধর্ম বা দর্শনে অতিরিক্ত আগ্রহ—কখনো কখনো ‘আলাদা ভাব’ ভাবি।


👰 বিবাহ

বিবাহের পরে আমার সমস্যা আরেকধাপ বাড়ে—

💥 ত্বকে সহজে ফুসকুড়ি, চুলকানি, একজিমা 💥 চুল পড়া ও স্কাল্পে জ্বালা 💥 পাইলস—বিশেষ করে জ্বালাধর প্রকার 💥 পেটে গরম, অম্লতা, খাবার দেরি হলে অবসাদ 💥 মহিলাদের ক্ষেত্রে—ডানদিকে বেশি ওভারিয়ান ব্যথা, সাদা স্রাবের জ্বালা

এই সময়টাই আমাকে ‘গরম-স্বভাবের রোগীদের’ ওষুধ হিসেবে আরও বিখ্যাত করে তোলে।


🤰 মা হওয়ার সময়

গর্ভাবস্থায়—

💥 গরমে অস্বস্তি 💥 ত্বকে দানা 💥 পায়খানার গন্ধ তীব্র 💥 মাথায় ভার 💥 অম্বল ও অ্যাসিডিটি

প্রসবের পর—

💥 স্তনবৃন্তে জ্বালা 💥 ত্বকে শুষ্কতা 💥 চুল পড়া বেড়ে যাওয়া

আমি প্রকৃত Sulphur—সামান্য গরম বা উষ্ণ পরিবেশ আমাকে পুরো বদলে দিতে পারে।


👴 বার্ধক্য

বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমি হয়ে উঠলাম—

💥 গরম-স্বভাবের চরম প্রতিনিধি 💥 পা দুটো আগুনের মতো গরম 💥 ত্বকে খরা, জ্বালা, চুলকানি 💥 দেহে ময়লার প্রতি অনীহা 💥 পাইলস, জ্বালা, গন্ধযুক্ত ঘাম 💥 ডায়াবেটিক প্রবণতা 💥 অতিরিক্ত অম্লতা 💥 মনমরা ভাব, কিন্তু নিজের মতবাদে দৃঢ় থেকে যান

আমি ভিতরকার গোপন রোগকে উপরে তুলে দিই—এটাই আমার বিশেষত্ব।


🌟 আমার বিশেষ পরিচয়

⭐ আমি সর্বশ্রেষ্ঠ অ্যান্টি-পসোরিক ⭐ গরমে খারাপ, ঠান্ডায় ভালো ⭐ পা দুটো আগুনের মতো গরম—পা বের করে ঘুমানো আমার অন্যতম স্বাক্ষর ⭐ চুলকানি + জ্বালা + লালভাব = Sulphur ⭐ যারা তত্ত্বে শক্তিশালী কিন্তু কাজে দুর্বল—তাদের আমি পরিষ্কার দেখাতে পারি ⭐ ত্বকের রোগগুলোকে ভেতর থেকে বের করে আনি


⬆️ আমার বৃদ্ধি (Aggravation)

❌ গরমে ❌ স্নানের পর ❌ রাত গভীরে ❌ দাড়িয়ে থাকলে ❌ অম্ল খাবার ❌ দেরিতে খাবার

⬇️ আমার উপশম (Amelioration)

✔️ ঠান্ডা পরিবেশ ✔️ দরজা/জানালা খোলা থাকলে ✔️ নাক-মুখে ঠান্ডা বাতাস ✔️ খোলা হাওয়ায় চলাফেরা ✔️ বসলে বা শুয়ে গেলে


🔄 আমার সম্পর্ক

Before: Nux vomica, Lycopodium After: Calc sulph, Arsenicum, Psorinum Complementary: Nux vom, Aconite Inimical: Mercurius Antidote: Camphor, Nux vom


✨ কার জন্য আমি সবচেয়ে উপকারী?

✔ অত্যাধিক গরম-স্বভাব ✔ পা গরম, বাইরে বের করে ঘুমানো ✔ চুলকানি + জ্বালা ✔ স্কিন র‍্যাশ, একজিমা ✔ পাইলস (জ্বালা ও লালভাব) ✔ অম্বল, অ্যাসিডিটি, ক্ষুধা বাড়লে মাথা ঘোরা ✔ নোংরা পরিবেশে অভ্যস্ত ✔ তাত্ত্বিক চিন্তা বেশি, বাস্তব কাজে পিছিয়ে ✔ চর্মরোগ যে কোনো রকম

যেখানে দীর্ঘদিনের ভেতরের রোগ লুকিয়ে থাকে— সেখানে আমিই আসল Sulphur!


 কপি না করে পোস্টটি শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন এবং আইডিতে ফলো দিয়ে রাখুন পরবর্তী এরকম পোস্ট পাবেন ইনশাল্লাহ

জীবনে এগিয়ে যেতে মানতে হবে ২০টি সোনালী নীতি! 

 জীবনে এগিয়ে যেতে মানতে হবে ২০টি সোনালী নীতি! 


১. যারা তোমাকে খুঁজছে না, তাদের খুঁজতে যেও না। 


ব্যাখ্যা: 

সব সম্পর্কই জোর করে টিকে থাকে না। যারা তোমার উপস্থিতি, মেধা বা ভালোবাসা মূল্যায়ন করে না তাদের পেছনে অতিরিক্ত সময় ও শক্তি নষ্ট করলে তুমি নিজেকেই দুর্বল করবে। 


করণীয়: 

সম্পর্কগুলোর তালিকা করো যারা প্রথম ৩০ দিনে ভাইব রিপ্রোস করে না, তাদের কাছে তুমি বেশি না যাওয়ার সিদ্ধান্ত। 


২. ভিক্ষা করা বন্ধ করো। 


ব্যাখ্যা:

এখানে ‘ভিক্ষা’ মানে হচ্ছে অনুমোদন, স্বীকৃতি বা ভালোবাসার জন্য অনবরত ভিড়ানো। নিজের যোগ্যতা বাড়িয়ে, মর্যাদা বজায় রেখে যাও এটা ভিন্ন। ভক্তি নয়, যোগ্যতা তৈরি কর। 


করণীয়: 

নিজের স্কিল বা আচরণে কি উন্নতি করা যায় সেটার একটি মাসিক পরিকল্পনা বানাও এবং প্রতি মাসে এক কাজ শেষ।  


৩. প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বলা বন্ধ করুন। 


ব্যাখ্যা: 

অতিরিক্ত কথা অনেক সময় শক্তি-হ্রাস করে, ভুল বোঝাবুঝি বাড়ায় এবং তোমার মর্যাদা কমায়। শান্ত অভিব্যক্তি ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য মানুষের মনে বেশি প্রভাব ফেলে।


করণীয়: 

কথা বলার আগে তিন সেকেন্ড নাও তাহলে অপ্রয়োজনীয় প্রতিক্রিয়া অনেক কমে যবে। 


৪. যখন লোকেরা তোমাকে অসম্মান করে, তখন সাথে সাথে তাদের মুখোমুখি হও। 


ব্যাখ্যা: 

অসম্মান সহ্য করলে সেটি একেবারে গৃহীত বার্তা হয়ে যায়। সম্মান দাবি করা সাহসের কাজ— কিন্তু তা সদয় ও দৃঢ়ভাবে করা উচিত, উগ্রতায় নয়। 


করণীয়: 

সরল, সংক্ষিপ্ত ও সম্মানজনক বাক্য রপ্ত করো (যেমন: “মুটামুটি এই কথাটা আমাকে আঘাত করলো; অনুগ্রহ করে এমনভাবে বলবে না”) এবং প্রয়োজনে তা প্রয়োগ করো। 


৫. অন্যদের খাবারের প্রতি লোভী হয়ো না। 


ব্যাখ্যা: 

এটা কেবল খাবার নয় অন্যদের সাফল্য, সুযোগ বা সম্পদের প্রতি অতি-ঋণশীলতা। নিজের পথে ফোকাস করো; অন্যের জিনিস নিয়ে লোভ তোমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। 


করণীয়: 

প্রতিদিন নিজের কৃতিত্বের তালিকা লিখো এটি ঈর্ষা কমাতে সহায়ক। 


৬. কিছু লোকের সাথে দেখা করার ধরণ কমিয়ে দিন, বিশেষ করে যদি তারা প্রতিদান না দেয়। 


ব্যাখ্যা: 

সম্পর্ক দুই-থেকে চলতে হয়। একমুখী সম্পর্ক মানে তুমি দিচ্ছে, তারা নিচ্ছে এটা দীর্ঘমেয়াদে ক্লান্তিকর। সীমা নির্ধারণ করা সুস্থতার জন্য জরুরি। 


করণীয়: 

এমন মানুষদের সঙ্গে দেখা সপ্তাহে একবার বা অনুরূপ সীমায় রাখো; আর প্রয়োজনীয় হলে অনলাইন সাময়িক যোগাযোগ রাখো। 


৭. নিজের উপর বিনিয়োগ করো। নিজেকে খুশি করো।

ব্যাখ্যা: আত্ম-উন্নয়ন ও স্ব-যত্ন মানে তুমি নিজেরে মূল্য দিচ্ছ এতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং জীবনমান উন্নত হয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানসিক সচ্ছলতায় বিনিয়োগ করো। 


করণীয়: 

মাসিক বা বাৎসরিক ‘নিজের উন্নয়ন’ বাজেট রাখো কোর্স, বই বা স্বাস্থ্যগত ব্যবস্থায় খরচ করো। 


৮. অন্যদের সম্পর্কে পরচর্চা বন্ধ করো। 


ব্যাখ্যা: 

গসিপ আগ্রাসনটিই মানসিক সময় নষ্ট করে এবং মনকে নিম্নমানে নিয়ে যায়। অন্যের দুর্বলতা নিয়ে কথা বললে তোমার নিজের মর্যাদাও ছোট হয়। 


করণীয়: 

পরচর্চা শুরু হলে কথাটিকে অন্যদিকে ঘোরানোর একটি নিরাপদ বাক্য রপ্ত রাখো (উদাহরণ: “চল, এই বিষয়ে আর বলি না; তুই কেমন আছিস?”)। 


৯. কথা বলার আগে ভাবো মানুষের ধারণার ৮০% তোমার কথাই গঠন করে। 


ব্যাখ্যা: 

তোমার ভাষা, সুর ও শব্দচয়নই মানুষকে তোমার সম্পর্কে ধারনা দেয়। অপূর্ব শব্দ কিংবা অযথা কথা দুটোই প্রভাব ফেলে। দয়া, স্পষ্টতা ও সংক্ষিপ্ততা বজায় রাখো। 


করণীয়: 

“ট্রু-নেসেসারি-কাইন্ড” (সত্য, প্রয়োজনীয়, দয়ালু) এই তিনটি প্রশ্ন করো কথার আগে। 


১০. সর্বদা তোমার সেরাটা দেখাও; যেভাবে সম্মান পাওয়া উচিত সেভাবে সাজো। 


ব্যাখ্যা: 

নিজের উপস্থাপনা পোশাক, আচরণ, ভাষা সবই মানুষের অবচেতন মূল্যায়নে কাজ করে। তুমি নিজেকে কিভাবে দেখাও, অনেকেই সেটাকে মাপকাঠি হিসেবে নেয়। 


করণীয়: 

একটি ‘ক্রিয়ার' লুক রেখো নিতে পারে: পরিস্কার পোশাক, সময়মত কাটা, মৌলিক শিষ্টাচার এগুলো রপ্ত করো। 


১১. একজন সফল ব্যক্তি হও তোমার লক্ষ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকো। 


ব্যাখ্যা: 

লক্ষ্য ছাড়া সময় নষ্ট হয়। স্পষ্ট লক্ষ্য থাকলে প্রতিদিনের কাজগুলো অর্থ পায়; ব্যস্ততা সফলতার পথে শক্তিশালী ধাক্কা। 


করণীয়: 

৬ মাসের লক্ষ্য ও দৈনন্দিন তিনটি টাস্ক লিখে রাখো প্রতিদিন সেগুলো শেষ করার চেষ্টা করো। 


১২. তোমার সময়কে সম্মান করো। 


ব্যাখ্যা: 

সময় জীবনের মূলধন। তুমি নিজের সময়কে সম্মান করলে অন্যরাও তা মূল্যায়ন করতে শিখবে। ‘না’ বলা শেখা সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে। 


করণীয়: 

প্রতিটি সপ্তাহে ‘নো-এপয়েন্টমেন্ট’ ব্লক রাখো সেই সময় নিজের কাজে ব্যয় করো। 


১৩. এমন সম্পর্ক থেকে দূরে থাকো যেখানে তুমি সম্মানিত বা মূল্যবান বোধ করো না। 


ব্যাখ্যা: 

সম্পর্ক যদি বারবার তোমার আত্মসম্মান নষ্ট করে, তাহলে তার থাকা অপ্রয়োজনীয়। সাহসিকতার সাথে প্রস্থানই কখনোই দুর্বলতা নয় এটা নিজের মর্যাদার রক্ষা। 


করণীয়: 

সম্পর্ক ছাড়ার জন্য ছোট্ট একটি পরিকল্পনা তৈরি করো কখন ও কিভাবে মুলতবি করা হবে তা নির্ধারণ করো। 


১৪. নিজের উপর টাকা খরচ করতে শিখো তাহলে অন্যরাও তোমার উপর খরচ করবে। 


ব্যাখ্যা: 

নিজের প্রতি বিনিয়োগ মানুষকে বার্তা দেয় “আমি নিজের মূল্য বুঝি”। এটা আচরণগত ও আর্থিকভাবে নিজের উপরে দায়িত্বশীল হওয়া। 


করণীয়: 

নিজের জন্য একটি ‘ইনভেস্টিং ইন ইউ’ ফান্ড রাখো বছরে অন্তত একবার তা কাজে লাগিয়ে নিজের স্কিল বাড়াও। 


১৫. মাঝে মাঝে দুর্লভ হও। 


ব্যাখ্যা: 

সবসময় সহজলভ্য হলে তোমার মান কমে যেতে পারে; মাঝেমধ্যে অনুপস্থিতি বা সীমাবদ্ধতা মানুষকে তোমার মূল্য স্মরণ করায়। 


করণীয়: 

প্রতি মাসে ইচ্ছাকৃতভাবে এক দিন ‘অ-উপলব্ধ’ থাকো ফোন, সামাজিক মিডিয়া ছেড়ে নিজেকে সময় দাও। 


১৬. গ্রহীতার চেয়ে দাতা হও। 


ব্যাখ্যা: 

দানশীলতা মানসিক ও সামাজিক সম্মান বাড়ায়। মানুষ যে দেয়, সে শক্তিশালী তবে দান করা মানে নিজের ক্ষতি করা নয়; সীমাবদ্ধতা থাকা জরুরি। 


করণীয়: 

সামান্য নিয়মিত দান গড়ে তুলো মনোনীত কারণে বা জান-মাল সাহায্যে। 


১৭. যেখানে তোমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি সেখানে যিও না; আমন্ত্রণ পেলে অতিরিক্ত সময় কাটিও না। 


ব্যাখ্যা: 

অনুমতি ছাড়া উপস্থিতি বা দীর্ঘ স্টে দুইই অশান্তি তৈরি করতে পারে। মানুষ সম্মান পেতে চাইলে সীমানা মানে, আমন্ত্রণ ও বিদায়ের সময় মেনে চলা জরুরি। 


করণীয়: 

আমন্ত্রণ না থাকলে আসবে না আসলে, শেষ হওয়ার পরে ১০–১৫ মিনিটের মধ্যে বিদায় নেয়ার চেষ্টা করো। 


১৮. মানুষের সাথে ঠিক সেইভাবে আচরণ করো যেমনটা তারা প্রাপ্য। 


ব্যাখ্যা: 

এখানে ‘প্রাপ্য’ বলতে মানে প্রতিদান ও ন্যায্যতা ভদ্রতা ভদ্রতাকে, দৃঢ়তার দরকারে দৃঢ়তা। তবে প্রতিশোধ নয় ন্যায় আর সীমা বজায় রাখা। 


করণীয়: 

কাউকে আচরণ করার আগে নিজেকে বলো: “আমি কি সদয়/ন্যায়সঙ্গত আচরণ করছি?” প্রয়োজনে আচরণ সামঞ্জস্য করো। 


১৯. যদি তারা তোমার কাছে টাকা পাওনা না থাকে, দু’বার যোগাযোগ করাই যথেষ্ট; তারপর থেমে যাও। 


ব্যাখ্যা: 

বারবার চেয়ে চাওয়া মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এবং সময় নষ্ট করে। দুইবার স্মরণ করালে অনেকেই মনযোগ দেয়; না দিলে নিজেদের মূল্য রাখাও জরুরি। 


করণীয়: 

প্রথম রিমাইন্ডার শিষ্টাচারপূর্বক; দ্বিতীয় একটু দৃঢ়; তৃতীয়বারে আর যোগাযোগ করবে না। 


২০. যাই করো, তাতে উৎকৃষ্ট হও। 


ব্যাখ্যা: 

কাজটা ছোট হোক বা বড়  দক্ষতা আর নিষ্ঠা তোমাকে আলাদা করে। ধারাবাহিক অনুশীলন, প্রতিফলন ও উন্নতি এসবই দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য এনে দেয়। 


করণীয়: 

একটি দক্ষতা বেছে নাও এবং প্রতি সপ্তাহেনায় ৩ ঘণ্টা অনুশীলন বা শেখার সময় নির্ধারণ করো। 


মনে রাখো, এই নীতিগুলো শুধু পড়ার জন্য নয় মেনে চলার জন্য। আজ থেকেই শুরু করো, কাল থেকেই দেখবে তুমি বদলে যাচ্ছো।


-সংগৃহীত।

মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫

এজন্য দুনিয়াকে মুমিনের কারাগার বলা হয়।

 এজন্য দুনিয়াকে মুমিনের কারাগার বলা হয়।

জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সাহাবী 

তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রা:) প্রতিদিন নবীজীর পেছনে ফজরের নামাজ পড়েন। কিন্তু নামাজে সালাম ফিরানোর সাথে সাথে তিনি মসজিদে না বসে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যান। এভাবে কয়েকদিন চলার পর অন্যান্য সাহাবিরা এটা নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন যে, প্রতিদিন সালাম ফিরিয়েই তালহা চলে যান। 


অথচ নবীজী (সা:) ফজরের পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে বসে বয়ান করেন। অন্যান্য সব সাহাবিরাও রাসূলের কাছে বসে থাকেন। এক পর্যায়ে এই কথা নবীজীর কানে পৌঁছালো। 


নবীজী সাহাবিদের বললেন:


আগামিকাল ফজরের নামাজ শেষে তালহা যেন আমার সাথে দেখা করে। পরের দিন নামাজে আসলে তালহাকে একথা জানিয়ে দেয়া হল। ফজরের নামাজ শেষ। তালহা বসে আছেন নবীজীর সাথে দেখা করার জন্য। একপর্যায়ে নবীজী তালহাকে ডাকলেন। 


নবীজী অতি মোলায়েম কন্ঠে তালহাকে বললেন,তালহা! আমি কি তোমাকে কোন কষ্ট দিয়েছি..? 


আমি কি তোমার কোন হক নষ্ট করেছি..?


একথা শুনে তালহা কেদে ফেললেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা:) আমার জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। আপনি আমার কোন হক নষ্ট করেননি। নবীজী (সা:) বললেন,তাহলে তালহা ! তুমি প্রতিদিন নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে চলে যাও কেন..? 


তালহা কেদে কেদে বললেন, রাসুল (সা:) আমার এবং আমার স্ত্রীর সতর ডাকার জন্য একটি মাত্র জামা আছে। যেটা পরে আমি যখন নামাজ পড়ি আমার স্ত্রী তখন গুহায় থাকেন। 


স্ত্রী যখন নামাজ পড়েন আমি তখন গুহায় থাকি। এক্ষেত্রে ফজরের নামাজের সময় একটু অসুবিধা হয়ে যায় ইয়া আল্লাহর রাসুল (সা:) ফজরের নামাজে আসার সময় আমি আমার স্ত্রীকে একটা গুহায় রেখে আসি। এমতাবস্থায় আমি যদি নামাজ শেষে এখানে বসে থাকি তাহলে তো আমার স্ত্রীর নামাজটা কাজা হয়ে যাবে ইয়া আল্লাহর রাসূল। এজন্য আমি নামাজ শেষে দৌড়ে চলে যাই। 


তালহার কথা শুনে আল্লাহর রাসুল দরদর করে কাঁদছেন। নবীজীর দাড়ি বেয়ে বেয়ে চোখের পানি পড়তেছে। সাথে সাথে নবীজী তালহাকে জানিয়ে দিলেন,তালহারে ! 


নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে। 


আল্লাহু আকবার, সুবহান আল্লাহ্ 


_(মুসনাদে আহমদ)


দেখুন একটা মাত্র পোশাক ছিল তালহা (রা:) এবং তার স্ত্রীর, তারপরও আল্লাহর প্রতি কোন অভিযোগ ছিল না, এবাদতের প্রতি কোন অজুহাত ছিলো না; আর আল্লাহ আমাদের কত নিয়ামত দিয়েছেন,এরপরও কত অভিযোগ কত অজুহাত আল্লাহর প্রতি।


 আল্লাহ্ মাফ করুণ, আমীন।🤲

আপনার পায়ের শক্তিই বলে দিবে আপনি কতদিন সুস্থভাবে বাঁচবেন

 

**আপনার পায়ের শক্তিই বলে দিবে আপনি কতদিন সুস্থভাবে বাঁচবেন


!
**

অনেকেই আমার কাছে এসে ওজন কমাতে চান বা আপার বডি ফিটনেস নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু আমি সবসময় ফোকাস করি "লোয়ার বডি" বা পায়ের স্বাস্থ্যের ওপর। কারণ, মেডিক্যালি এটা প্রমাণিত যে আমাদের পায়ের কন্ডিশনই আমাদের আয়ু বা 'লঞ্জিভিটি'র সবচেয়ে বড় নির্দেশক।

আপনার বয়স ৫০-এর বেশি হোক বা কম, যদি পায়ে নিচের লক্ষণগুলো দেখেন, তবে এখনই সতর্ক হোন:

১. **পায়ের তলা অবশ বা জ্বালাপোড়া :** এটা শুধু পায়ের সমস্যা নয়; নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে বলছি— এর মানে আপনার ব্লাড সুগার লেভেল নার্ভগুলোকে ড্যামেজ করছে।


২. **পা ফুলে যাওয়া বা মোজার দাগ বসে যাওয়া :** এর মানে আপনার শরীরে ফ্লুইড জমছে এবং হার্ট বা কিডনি চাপে আছে।


৩. **পেশি শুকিয়ে যাওয়া :** পায়ের মাসল কমে যাওয়া মানে আপনার মেটাবলিক বা বিপাকীয় স্বাস্থ্য দুর্বল হয়ে পড়ছে।

**তাহলে সমাধান কী? জিমে সারাদিন দৌড়াবেন?**

না! যারা দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করেন, তাদের জন্য আমার একটি 'সিক্রেট' ব্যায়াম আছে যা আপনি ডেস্কে বসেই করতে পারেন। এটার নাম **"Soleus Pushup"**।

**কীভাবে করবেন?**
চেয়ারে বসুন। পায়ের পাতা মাটিতে ফ্ল্যাট রাখুন। এবার পায়ের সামনের অংশ স্থির রেখে শুধু গোড়ালি ওপরে তুলুন এবং নামান।

**কেন আমি এটা রেকমেন্ড করি?**
আমাদের পায়ের কাফ মাসলকে (Calf Muscle) বলা হয় শরীরের "দ্বিতীয় হার্ট"। বসে বসে এই সিম্পল মুভমেন্টটি করলে:

* শরীর থেকে গ্লুকোজ বা সুগার বার্ন হয়।


* মেটাবলিজম বুস্ট হয়।


* সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং হার্টের ওপর চাপ কমে।


সবচেয়ে বড় সুবিধা— এই ব্যায়ামে আপনি সহজে ক্লান্ত হবেন না!

**আমার নিউট্রিশন টিপস:**
পায়ের নার্ভ এবং মাসল সুস্থ রাখতে শুধু ব্যায়াম যথেষ্ট নয়:

* চিনি এবং রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট ডায়েট থেকে বাদ দিন।


* ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা উপবাসের অভ্যাস করুন।


* খাবারে পর্যাপ্ত পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম নিশ্চিত করুন।

সুস্থ এবং দীর্ঘ জীবন চাইলে পায়ের যত্ন আজ থেকেই শুরু করুন। কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন!

SOURCE: dr berg

**আপনার ফিটনেস জার্নি সঠিক পথে রাখতে আমি দিচ্ছি কমপ্লিট পার্সোনালাইজড গাইডলাইন:**

# আপনার লাইফস্টাইল অনুযায়ী কাস্টমাইজড ডায়েট চার্ট

# ম্যাক্রো (কার্ব, প্রোটিন, ফ্যাট) ব্যালেন্সড মিল প্ল্যানিং

# বাসায় কিংবা জিমে করার মতো ইফেক্টিভ ওয়ার্কআউট রুটিন

# ফুল বডি রিকভারি ও স্লিপ গাইডলাইন

# প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট ও হাইড্রেশন চার্ট

# Men’s Hormonal Health অপ্টিমাইজেশন ও সল্যুশন

**নিজেকে ফিট ও কনফিডেন্ট দেখতে চান? আপনার পার্সোনালাইজড প্ল্যানটি বুঝে নিতে আজই ইনবক্স করুন!**

সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫

মৌরী (Fennel) চাষের সম্পূর্ণ গাইড – নতুন কৃষকের জন্য সহজ ভাষায়! 

 🌿✨ মৌরী (Fennel) চাষের সম্পূর্ণ গাইড – নতুন কৃষকের জন্য সহজ ভাষায়! ✨🌿


মৌরী একটি উচ্চমূল্যের সুগন্ধি মসলা ফসল, যা শীতকালেই সবচেয়ে ভালো হয়। সঠিক পরিচর্যা, সার ব্যবস্থাপনা ও পানি নিয়ন্ত্রণ জানলে খুব কম জায়গা থেকেও প্রচুর উৎপাদন পাওয়া যায়। আজ দেখে নিন মৌরী চাষের ধাপে ধাপে নির্দেশনা, যা আপনাকে সফল চাষে সাহায্য করবে👇🌱


🌾 ১) জমি নির্বাচন ও প্রস্তুতি


মৌরী চাষের জন্য বেলে-দোআঁশ, উঁচু ও পানি নিষ্কাশন ভালো এমন জমি সবচেয়ে উপযোগী।


জমি ২–৩ বার চাষ দিয়ে ঝুরঝুরে করতে হবে।


প্রতি শতকে ৮–১২ কেজি পচা গোবর/কম্পোস্ট মিশিয়ে নিন।


রোদপ্রাপ্ত জমি হলে ফলন ভালো হয়।


🌱 ২) বীজ বপনের সময় ও পদ্ধতি


বপনের সময়: অক্টোবর–ডিসেম্বর


বীজ হার: ২০০–২৫০ গ্রাম/শতক


সারি দূরত্ব: ৩০–৪০ সেমি


বীজ ১–১.৫ সেমি গভীরে বপন করতে হবে।


বপনের পর হালকা সেচ দিলে অঙ্কুরোদগম দ্রুত হয়।


💧 ৩) সেচ ও পরিচর্যা


প্রথম সেচ: বপনের ৬–৭ দিন পর


এরপর মাটি শুকালে ১৫–২০ দিন পরপর সেচ দিন।


আগাছা দমন খুব জরুরি—বপনের ১৫ দিন পর প্রথম আগাছা পরিষ্কার করুন।


গাছ ২০–২৫ দিন হলে উপরি মাটি আলগা করে দিন (Weeding + Hoeing)।


🌿 ৪) সার ব্যবস্থাপনা (ডোজ + সময়)


মৌরীর ফুল ও দানা ঠিক রাখতে সঠিক সার দেওয়া জরুরি।


বপনের আগে (বেসাল ডোজ):


টিএসপি ৮–১০ গ্রাম/শতক


এমওপি ৬–৮ গ্রাম/শতক


গাছ ২৫–৩০ দিন বয়সে:


ইউরিয়া ৬–৭ গ্রাম/শতক

👉 সার সবসময় সেচের পর বা মাটির সাথে মিশিয়ে দিন।


🐛 ৫) রোগ–পোকা দমন


মৌরীতে বেশি দেখা যায়—পাতা দাগ, মিলডিউ, এফিড/জাব পোকা।


প্রতিকার:


হেক্সাকোনাজল / প্রোপিকোনাজল ১ মি.লি./লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে।


এফিড দমনে ইমিডাক্লোপ্রিড ০.৫ মি.লি./লিটার।


আক্রান্ত পাতা সরিয়ে ফেললে রোগ ছড়ায় না।


🌾 ৬) ফসল সংগ্রহ


বপনের ১০০–১২০ দিন পরে ফুল শুকিয়ে দানাগুলো বাদামি হলে সংগ্রহের সময়।


কাটার পর রোদে ভালোভাবে শুকিয়ে সংরক্ষণ করুন।


🌟 শেষ কথা


সঠিক পরিচর্যা ও সঠিক সার ব্যবস্থাপনা জানলে মৌরী চাষ হতে পারে অত্যন্ত লাভজনক। কম খরচে বেশি দানা—এটাই মৌরী চাষের শক্তি! 🌿

জিরা চাষের সম্পূর্ণ গাইড –

 🌾✨ জিরা চাষের সম্পূর্ণ গাইড – নতুন কৃষকদের জন্য সহজ ভাষায়! ✨🌾


জিরা একটি অত্যন্ত লাভজনক মসলা ফসল, বিশেষ করে শীতকালীন মৌসুমে। সঠিক জমি, সঠিক সার ব্যবস্থাপনা এবং পরিচর্যা জানলে ১ শতক জমি থেকেও ভালো উৎপাদন পাওয়া যায়। আজ দেখে নিন জিরা চাষের ধাপে ধাপে নির্দেশনা, যা আপনাকে সফল চাষে সাহায্য করবে।👇🌱


🌿 ১) জমি নির্বাচন ও প্রস্তুতি


জিরা চাষের জন্য উঁচু, বেলে-দো-আঁশ ও পানি নিষ্কাশন ভালো এমন জমি সবচেয়ে উপযোগী।


জমি ২–৩ বার চাষ দিয়ে ঝুরঝুরে করতে হবে।


প্রতি শতকে ৮–১০ কেজি পচা গোবর/কম্পোস্ট মাটির সাথে মিশিয়ে নিন।


🌱 ২) বীজ বপনের সময় ও পদ্ধতি


বপনের সময়: নভেম্বর–ডিসেম্বর


বীজ হার: ২০০–২৫০ গ্রাম/শতক


সারি দূরত্ব: ২৫–৩০ সেমি


বীজ খুব গভীরে নয়, ১–১.৫ সেমি মাটির নিচে বপন করতে হবে।


💧 ৩) সেচ ও পরিচর্যা


বপনের ৫–৭ দিন পরে প্রথম হালকা সেচ দিন।


মাটি শুকিয়ে গেলে ১৫–২০ দিন পরপর সেচ দিন।


আগাছা নিয়ন্ত্রণ খুব জরুরি—১৫ দিন পরপর আগাছা পরিষ্কার করুন।


পানি জমে থাকা জিরার জন্য ক্ষতিকর, তাই drainage নিশ্চিত করুন।


🌾 ৪) সার ব্যবস্থাপনা (ডোজ + সময়)


জিরা চাষে সঠিক সার ব্যবস্থাপনা উৎপাদন বাড়ায়।


বপনের আগে জমিতে:


টিএসপি ৬–৭ গ্রাম


এমওপি ৫–৬ গ্রাম প্রতি শতকে


গাছ ২৫–৩০ দিন বয়সে শীর্ষ Dressing:


ইউরিয়া ৫–৭ গ্রাম/শতক

👉 সার সবসময় সেচের পরে বা মাটিতে হালকা মিশিয়ে দিতে হবে।


🐛 ৫) রোগ–পোকা ব্যবস্থাপনা


জিরায় সবচেয়ে বেশি দেখা যায়—মিলডিউ, ব্লাইট, লিফ স্পট ও ফাংগাস।


প্রতিকার:


হেক্সাকোনাজল বা প্রোপিকোনাজল ১ মি.লি./লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে।


পোকা দমনে ইমিডাক্লোপ্রিড ০.৫ মি.লি./লিটার।


আক্রান্ত গাছ দ্রুত তুলে ফেলুন।


🌟 ৬) ফসল সংগ্রহ


ফুল আসার ৮০–৯০ দিন পর জিরা সংগ্রহ করা যায়।


যখন ৮০% দানা বাদামি হবে তখন কাটতে হবে।


রোদে শুকিয়ে ভালোভাবে সংরক্ষণ করুন।


💚 শেষ কথা


সঠিক পদ্ধতি মেনে চাষ করলে জিরা খুবই লাভজনক একটি মসলা ফসল। কম খরচে বেশি লাভ—ঠিক পরিচর্যাই এর সবচেয়ে বড় রহস্য!

ডাটা বিশ্লেষণের আগে সবচেয়ে বড় কাজ হলো—ডাটা ক্লিনিং।

 ডাটা বিশ্লেষণের আগে সবচেয়ে বড় কাজ হলো—ডাটা ক্লিনিং।

অগোছালো ডাটাকে কয়েকটি সেটিংস আর ফর্মুলা দিয়ে মুহূর্তে ঝকঝকে করে ফেলতে পারবেন।


এখানে Excel–এর ১০টি সবচেয়ে ব্যবহারযোগ্য Data Cleaning Tricks দেওয়া হলো 👇


---


🧹 ১️⃣ Remove Extra Spaces


ফর্মুলা: =TRIM(A1)

👉 শব্দের আগে–পরে অপ্রয়োজনীয় স্পেস মুছে দেবে।


---


🔤 2️⃣ ছোট–বড় হাতের লেখা ঠিক করা


ছোট হাত: =LOWER(A1)


বড় হাত: =UPPER(A1)


Sentence Case: =PROPER(A1)


---


📌 3️⃣ ডুপ্লিকেট ডাটা রিমুভ


Data → Remove Duplicates

👉 একই ডাটা বারবার থাকলে এক ক্লিকে মুছে যাবে।


---


🧽 4️⃣ Clean Function


=CLEAN(A1)

👉 লুকানো অদৃশ্য ক্যারেক্টার রিমুভ করবে।


---


🔄 5️⃣ Find & Replace দিয়ে ভুল শব্দ ঠিক করা


Ctrl + H

👉 একসাথে শত শত ভুল বানান ঠিক করতে পারবেন।


---


📏 6️⃣ Text to Columns


যখন নাম–ঠিকানা–নম্বর একই কলামে থাকে

👉 Data → Text to Columns


---


🔗 7️⃣ Combine data (Join) করতে


=CONCAT(A1," ",B1)

👉 দুটি কলামের ডাটা একসাথে জোড়া লাগাবে।


---


🗂️ 8️⃣ Flash Fill (Magic Tool!)


Ctrl + E

👉 Excel নিজে নিজেই pattern বুঝে ডাটা পূরণ করে দেবে।


---


📉 9️⃣ অপ্রয়োজনীয় Blank Row ডিলিট করা


Filter → Blanks → Delete Rows

👉 পুরো শিট পরিষ্কার।


---


🎯 🔟 ভুল নাম্বারকে নাম্বার ফরম্যাটে রূপান্তর


Error দেখালে:

Home → Number → General/Number


---


👉 Bonus Tips:


সব ডাটা ঠিক আছে কিনা দেখতে Data → Data Validation ব্যবহার করুন।


রিপোর্ট বানানোর আগে সবসময় ডাটা ক্লিনিং করুন—ফলাফল ১০ গুণ সুন্দর হবে।


---


📌 CTA:


👉 এই পোস্টটি Save করে রাখুন—যখনই ডাটা নোংরা থাকবে, তখনই কাজে লাগবে।

👉 Comment করুন: কোন ট্রিকটি আপনার সবচেয়ে ভালো লাগলো?

চমৎকার একটা উপমাঃ,,,সৌজন্যে ত্রিশা জান্নাত ফেইসবুক থেকে নেওয়া ,,,,,

 ❣️💕 চমৎকার একটা উপমাঃ 

এক দেশে এক রাজা ছিলো, তার ছিলো অনেক কর্মচারি। একদিন রাজা সকালবেলায় সবাইকে ডেকে বললেন তোমরা আজ মাঠের কাজ করতে যাও, অমুক মাঠে ধান পেকে গেছে তা কাটতে হবে, রাজা বললেন দুই ঘন্টা ধান কাটবে, এরপর কি করতে হবে আমি চিঠি পাঠিয়ে জানিয়ে দিবো তখন তাই করবে। সবাই চলে গেলো মাঠে, কিছু লোক সঠিকভাবে কাজ করলো, আর কিছু লোক পাশের বনে মধু সংগ্রহ করতে লাগলো, কিছু লোক ধানক্ষেতের অদুরেই নাচ গানের আসর দেখে সেখানে গিয়ে সেগুলো উপভোগ করতে লাগলো। দুই ঘন্টা পরে রাজা চিঠি পাঠিয়ে জানিয়ে দিলো এখন তোমরা পাট কাটো। যারা ধান কাটছিলো তাদের মধ্যে কিছু লোক পাট কাটতে চলে গেলো, তারা ছিলো সংখ্যায় খুবই সামান্য। কিছু লোক ধান কাটতেই থাকলো, তার মানে হলো তারা রাজার কথা অমান্য করেছে। আর কিছু লোক রাজাকে খুব ভালোবাসে এজন্য, রাজার পাঠানো সেই চিঠি মুখস্থ করতে শুরু করলো, পাট কাটতে না গিয়ে। ঐ চিঠিতে পাট কাটার কথা লেখা ছিলো, তা না করে চিঠিই মুখস্থ করে ফালাইসে তারা, মনে করছে রাজার মুখের বাণী ও রাজার লেখা চিঠি মুখস্থ করলে রাজা খুশি হবে। বিকাল বেলা যখন ফিরে গেলো রাজার কাছে তখন কারা পুরস্কার পাবে বলুন তো? যারা চিঠিতে আদেশ অনুযায়ী ধান কাটা বাদ দিয়ে পাট কাটতে গিয়েছিল, তাই না? হ্যা, অবশ্যই তারা পুরস্কার পাবে রাজার কাছ থেকে।


শিক্ষাঃ প্রথমে সবাই একই আদেশ পালন করেছে, আদম আঃ এর সময় থেকে মুসা আঃ পর্যন্তু। যারা তখন আদেশ পালন করেনি তাদের উদাহরণ হলো পাশের বনে মধু সংগ্রহ করা মানে দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়া, এবং দুনিয়ার রং তামাশায় মেতে থাকা। এরপর ঈসা আঃ এর মাধ্যমে আল্লাহ আদেশ পাঠালেন তখন আগের করা আদেশ বাদ হয়ে যাবে কিন্তু কিছু মানুষ আগেরটাই আকড়ে ধরে থেকে ইহুদি হয়ে গেলো। অল্প সংখ্যক মানুষ ঈসা আঃ এর অনুসরণ করতেন। এরপর মুহাম্মদ সঃ এর আগমন হলো এবং আল্লাহ কোরআন নাজিল করলেন, তখন কিছু লোক কোরআন অনুসরণ করতে লাগলো আর বেশিরভাগই আগের কিতাব অনুসরণ করে নিজেদেরকে নাসারা বা খ্রিস্টান বলে পরিচয় দিলো। আল্লাহর শেষ আদেশ কোরআন কিছু লোক অনুসরণ করলো আর কিছু লোক শুধু ভালোবাসে মুখস্থ করে ফেললো, কিন্তু কোন আমল নেই, থাকলেও সামান্য আমল থাকতে পারে। আল্লাহ শুধুই সালাত ও সিয়াম পালন করতে দুনিয়ায় পাঠান নাই। সকল আদেশ নিষেধ মেনে জীবন পরিচালনা করতে বলেছেন। কোরআন জানার পরেও যারা আমল করে না, তাদের উদাহরণ হলো নিচের এই আয়াত ও গাধার ছবিটি। আল্লাহই বলেছেন তারা পুস্তক বহন করা গাধা।


[৬২:৫] আল জুমুআহ


مَثَلُ الَّذينَ حُمِّلُوا التَّوراةَ ثُمَّ لَم يَحمِلوها كَمَثَلِ الحِمارِ يَحمِلُ أَسفارًا بِئسَ مَثَلُ القَومِ الَّذينَ كَذَّبوا بِآياتِ اللَّهِ وَاللَّهُ لا يَهدِي القَومَ الظّالِمينَ

বায়ান ফাউন্ডেশন :

যাদেরকে তাওরাতের দায়িত্বভার দেয়া হয়েছিল তারপর তারা তা বহন করেনি, তারা গাধার মত! যে বহু কিতাবের বোঝা বহন করে। সে সম্প্রদায়ের উপমা কতইনা নিকৃষ্ট, যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে। আর আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়াত করেন না। সংগৃহীত : ❣️💕💞


সৌজন্যে ত্রিশা জান্নাত

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ৩০-১১-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ৩০-১১-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত --- বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ থাকার কারণে বিজয় দিবস উদযাপনের কর্মসূচি স্থগিত করলো বিএনপি।


তারেক রহমানের দেশে ফেরায় কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই --- তিনি ফিরতে চাইলে একদিনের মধ্যে ট্রাভেল পাস দেবে সরকার --- বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট একসাথে করতে একটি ভোট কক্ষে, দুটি গোপন বুথ করার সিদ্ধান্ত ইসির।


সৌদি আরবসহ ৭ দেশে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন পুনরায় চালু --- পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে এ পর্যন্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে ৯৩ হাজার প্রবাসী।


শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আগামীকাল।


দুর্গম ও উপকূলীয় চরাঞ্চলে কর্মরত শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ভাতা চালু করবে সরকার --- জানালেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা।


শ্রীলঙ্কায় বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯৩ --- নিখোঁজ দুই শতাধিক।


এবং এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে ৪-০ গোলে হারাল স্বাগতিক চীন।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...