এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

মায়াজম পরিচিতি বা রোগের মূল কারণঃ-

 মায়াজম পরিচিতি বা রোগের মূল কারণঃ-

👉মায়াজম কি? 

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিধান মতে, মায়াজম হল রোগের মূল কারণ এবং জীবাণু গুলো হল উত্তেজক কারণ। যে সকল প্রাকৃতিক অদৃশ্য কারণসমূহ হইতে রোগ উৎপত্তি হয়, সে সকল কারণ সমূহকে মায়াজম বলে।


🎗️মহাত্মা হ্যানিম্যান বলেন,

“যাবতীয় রোগ মায়াজমের অশুভ প্রভাবে সৃষ্টি হয়।” মায়াজম শব্দের অর্থ উপবিষ, কলুষ, পুতিবাষ্প, ম্যালেরিয়ার বিষ প্রভৃতি। যাবতীয় রোগের কারণই হল এই মায়াজম। তরুণ পীড়া তরুণ মায়াজমের অশুভ প্রভাবে এবং চিররোগ চির মায়াজমের অশুভ প্রভাবে সৃষ্টি হয়। ইহা প্রাকৃতিক রোগ সৃষ্টিকারী দানব।

হ্যানিম্যান বলেছেন, 

চিররোগ সৃষ্টির মূল কারণ হইল তিনটি চিররোগবীজ। ইহাদের মধ্যে সোরা হইল আদি রোগ বীজ। সকল রোগের মূল কারণ হইল সোরা। এমনকি প্রমেহ এবং উপদংশ নামক আদি রোগবীজের উৎপত্তি ও সোরা হতে; এজন্য সোরাকে আদি রোগবীজ বলা হয়। হ্যানিম্যান️ বলেছেন,

বংশ পরস্পরের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানব দেহের মধ্যে এই সোরা মায়াজম কল্পনাতীতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন অসংখ্য প্রকারের বিকৃতি, ক্ষত, বিশৃঙ্খলা ও যন্ত্রণার প্রতিমূর্তি রুপে অন্ত পীড়ায় সৃষ্টি করে থাকে।

সুতরাং মায়াজম হচ্ছে এক ধরনের গতিময় দূষণ মাধ্যম যাহা জীব দেহের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গে একবার প্রবিষ্ট হলে জীবনীশক্তির উপর প্রভুত্ব করে, ব্যক্তিকে সার্বিকভাবে এমনিধারায় দূষিত করে যার পিছনে একটি স্থায়ী রোগজ অবস্থা স্থাপন করে যাহা সম্পূর্ণ রুপে মায়াজম বিরোধী প্রতিকারক দ্বারা দূরীভূত না হলে রোগীর সারাজীবন ব্যাপী বিরাজ করবে এবং বংশপরস্পরায় প্রবাহমান থাকে।

  

★মায়াজম ৪ প্রকার।


⏺️সোরা মায়াজম

⏺️সিফিলিস মায়াজম

⏺️সাইকোসিস মায়াজম

⏺️টিউবারকুলার মায়াজম


★সোরার রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :


⏺️সর্বদা ভীতিপূর্ণ, পরিপূর্ণ, অবসাদগ্রস্ত, শ্রমবিমুখ।

⏺️মেজাজ খিটখিটে সামান্য মতের অমিল হলে ক্ষিপ্ত হয়।

⏺️স্বার্থপরতা কিন্তু নাটকীয় উদারতা দেখায়।  

⏺️অস্বাভাবিক ক্ষুধা, খেলে আবার ক্ষুধা লেগে যায়।

⏺️অসম্ভব চুলকানি, চুলকানোর পর জ্বালা।

⏺️হাত পায়ের তলা জ্বলে।

⏺️দেহের বর্জ নির্গমন পথগুলি লাল বর্ণের।

⏺️যে কোন স্রাব নির্গমনে আরাম বোধ।

⏺️দাঁতে, মাড়ীতে ময়লা জমে।

⏺️কেবলই শুয়ে থাকতে চায়।

⏺️নোংরামি পছন্দ।

⏺️স্নয়ুকেন্দ্রে প্রবল বিস্তার করে কিন্তু যান্ত্রিক পরিবর্তন ঘটে না।

⏺️যে কোন সময় রোগাক্রমন বা বৃদ্ধি ।

⏺️চোখে নানা রং দেখে ও দৃষ্টিভ্রম হয়।


★সিফিলিসের রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :


⏺️আত্নহত্যা করার ইচ্ছা।

⏺️নৈরাশ্য, হঠকারিতা, মূর্খতা, বিতৃষ্ণা।

⏺️স্মরণশক্তি ও ধারণশক্তি হ্রাস।

⏺️মানসিক জড়তায় কথা কম বলে।

⏺️মাংসে অরুচি কিন্তু দুগ্ধ খাইবার ইচ্ছা।

⏺️অগ্নিকান্ড, হত্যাকান্ডের স্বপ্ন দেখে।

⏺️সূর্যাস্ত হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত বৃদ্ধি।

⏺️জিহ্বা মোটা ও দাঁতের ছাঁপযুক্ত।

⏺️চুলকানীবিহীন চর্মরোগ।

⏺️বিকলঙ্গতা।

⏺️অস্থির ক্ষয়প্রাপ্তি।

⏺️স্রাবের প্রচুরতা, দুর্গন্ধতা এবং স্রাব নিসরনে রোগ বৃদ্ধি।

⏺️দুষ্টজাতীয় ফোঁড়া।

⏺️অতিরিক্ত গরম-ঠান্ডা অসহ্য।


★টিউবারকুলিনাম রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :


⏺️চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও রোগী একই লক্ষণ ঘুরে ফিরে আসে।

⏺️একই সময়ে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়।

⏺️যে খাবারে বৃদ্ধি সেই খাবারেই আকাঙ্খা।

⏺️বিনা কারণে ঠান্ডা-সর্দ্দি লাগে।

⏺️যথেষ্ট পানাহার সত্বেও দুর্বলতা, শুষ্কতা শীর্ণতা প্রাপ্ত হয়।

⏺️কুকুর ভীতি বিদ্যমান।

⏺️উদাসীনতা ও চিন্তাশূন্যতা।

⏺️ক্রোধপরায়ণ, অসন্তুষ্ট, চঞ্চল, পরিবর্তনশীল মেজাজ।

⏺️কামোত্ততার জন্য যে কোন উপায়ে শুক্রক্ষয় করে।

⏺️বার বার চিকিৎসক বদল করে ।

⏺️জাঁকজমকের সাথে কাজ শুরু করলেও তা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

⏺️অনবরত ঘুরে বেড়ানো স্বভাব।

⏺️নিদ্রায় চিৎকার করে কথা বলে ।


★সাইকোসিস রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :


⏺️ডাক্তারের কাছে লক্ষণ বলতে গিয়ে দেখে আশেপাশে কেউ আছে কিনা।

⏺️ডাক্তার ঔষধ দিয়েছে! সে আবার খোঁজাখুঁজি করে। কারণ ডাক্তার লক্ষণ গুলো পুরাপুররি শুনল কিনা। আবার জিজ্ঞাস করে কোন ঔষধ কিসের জন্য দিয়েছে।

⏺️পড়ালেখা করতে গেলেও সন্দেহ । একলাইন লেখে তো বারবার কাটাকাটি করে। চিন্তা করে এই শব্দের বদলে ঐশব্দ যোগ করি।

⏺️ঘর থেকে বের হবে দেখবে সব ঠিকঠাক মত আছে তো?

⏺️হিসাব করতে যাবে ব্যবসা অথবা চাকুরিতে সেখানেও সমস্যা, সন্দেহ আর ভূলে যাওয়া।

⏺️মনেও সন্দেহ! রাতে এই বুঝি কেউ পিঁছনে পিঁছনে আসছে; আশেপাশে কেউ আছে।

⏺️বাজার করতে যাবে সেখানেও সমস্যা এই বুঝি দোকানদার আমাকে ঠকিয়ে বেশি নিল।  আমি বাজার করেছি কেউ দেখে ফললো না তো।

⏺️এই ডাক্তার আমার রোগ বুঝবে কি বুঝবেনা, আমার রোগ সারাবে কি সারাবে না সন্দেহ। আরো ২-৩ জন ডাক্তার একাত্রিত হলে ভাল হতো।  

⏺️মনটি রোগের উপর পড়ে থাকে । সব সময় রোগের কথা বলে ।

⏺️রোগ সূর্যোদয় হতে সূর্যান্ত পর্যন্ত বৃদ্ধি ।

⏺️আঁচিল, টিউমার মাংস বৃদ্ধি, অন্ডকোষ প্রদাহ এর নিদর্শক।

⏺️অস্বাভাবিক গঠন। যেমন- হাত পায়ের আঙ্গুল বেশী বা কম।

⏺️ঝড়-বৃষ্টির পূর্বে বা সময় ঘনঘন মূত্র ত্যাগ।

হোমিওপ্যাথিক_মেডিসিন_লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium clavatum) 

 #আমি_হোমিওপ্যাথিক_মেডিসিন_লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium clavatum)


#বলছি।

🌿 আমার জন্ম:

আমি জন্মেছি এক প্রাচীন বনজ উদ্ভিদ থেকে—Club Moss।

আমি দেখতে নরম, কিন্তু ভেতরে প্রচণ্ড অহং ও দুর্বলতার দ্বন্দ্ব নিয়ে বাঁচি।

বাহিরে শক্ত, ভিতরে ভঙ্গুর—এই আমি।

🧪 আমি Proved:

আমাকে প্রুভিং করেছেন—হ্যানিম্যান ও তাঁর পরবর্তী গবেষকরা।

💠 আমার মায়াজম:

আমি প্রধানত Psoric + Sycotic প্রকৃতির।

লিভার, পরিপাক, আত্মবিশ্বাস ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব—এই আমার মূল ক্ষেত্র।

👩‍⚕️ আমি যেসব রোগে ব্যবহৃত হই

হজমের সমস্যা, গ্যাস, অম্লতা, লিভার রোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস, ইউরিক অ্যাসিড, গাউট, কিডনি স্টোন, যৌন দুর্বলতা, প্রোস্টেট সমস্যা, শিশুদের বিকাশজনিত সমস্যা, মানসিক ভয়, আত্মবিশ্বাসের অভাব, একজিমা, চর্মরোগ, মাথাব্যথা—বিশেষত ডানদিকে।

এখন শুনুন—

আমার জীবনের গল্প,

যাতে একবার পড়লেই আমাকে ভুলতে না পারেন।

👶 আমার শিশুকাল

💥 ছোটবেলায় আমি ছিলাম দুর্বল, পেটফাঁপা শিশু।

💥 একটু দুধ খেলেই— পেট ফুলে ঢোল হয়ে যেত।

💥 সন্ধ্যার দিকে আমি বেশি কান্নাকাটি করতাম।

💥 খিদে থাকলেও— দুই-এক লোকমা খেলেই পেট ভরে যেত।

💥 আমার মা বলত— “বাচ্চাটার পা চিকন, কিন্তু মাথা বড়…”

👉 তখনই বোঝা যায়—

Lycopodium child: big head, weak digestion

👧 স্কুলজীবন—ভয়ের শুরু

💥 পড়াশোনায় আমি খারাপ ছিলাম না,

কিন্তু প্রশ্ন করলে ভয় পেতাম।

💥 ক্লাসে হাত তুলতে সাহস হতো না।

💥 পরীক্ষার আগে— পেট খারাপ, গ্যাস, ডায়রিয়া।

💥 শিক্ষকের সামনে দাঁড়ালে— মাথা খালি হয়ে যেত।

👉 Fear of failure—আমার ছায়াসঙ্গী।

👦 কৈশোর—অহং বনাম আত্মবিশ্বাস

💥 এই সময়ে আমার ভেতরে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

💥 ছোটদের সামনে আমি খুব রূঢ় ও কর্তৃত্বপরায়ণ।

💥 কিন্তু বড়দের সামনে— আমি ভীষণ সংকুচিত।

💥 বাইরে থেকে আত্মবিশ্বাসী দেখালেও— ভেতরে ভেতরে আমি ভয় পেতাম— “আমি পারব তো?”

👉 Coward at heart, dictator at home

এই বাক্যটি আমার জন্যই লেখা।

👨 যৌবন—আমার আসল যুদ্ধ

💥 অফিস বা ব্যবসায়— আমি দায়িত্ব নিতে চাই।

💥 কিন্তু সিদ্ধান্তের সময়— ভেতরে কাঁপুনি শুরু হয়।

💥 সকালে একটু ভালো থাকি, কিন্তু বিকেল ৪–৮টার মধ্যে— সব সমস্যা বেড়ে যায়।

💥 গ্যাস, বুকজ্বালা, ডান পেটে ভারী ভাব।

💥 খাওয়ার পর— পেট ফুলে যায়, ঢেঁকুরে স্বস্তি।

👉 4–8 PM aggravation

এটাই আমার সময়।

🧠 মানসিক চিত্র—আমার আসল পরিচয়

💥 আমি প্রশংসা ভালোবাসি।

💥 সম্মান না পেলে— ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ি।

💥 রাগ করি, কিন্তু পরে অনুশোচনা হয়।

💥 নতুন কাজ শুরু করতে ভয়, কিন্তু শুরু হয়ে গেলে— আমি ছাড়ি না।

👩‍🦰 নারীদের ক্ষেত্রে আমি

💥 দেরিতে পিরিয়ড, বা অনিয়মিত ঋতুস্রাব।

💥 পিরিয়ডের আগে— পেট ফাঁপা, মুড খারাপ।

💥 ডান ওভারি সমস্যা।

💥 গর্ভাবস্থায়— গ্যাস, বুকজ্বালা, আত্মবিশ্বাসের অভাব।

👨 পুরুষদের ক্ষেত্রে আমি

💥 যৌন আকাঙ্ক্ষা আছে, কিন্তু ক্ষমতা নিয়ে ভয়।

💥 Erectile weakness— বিশেষত মানসিক কারণে।

💥 প্রোস্টেট enlargement।

💥 ইউরিক অ্যাসিড, গাউট।

🧓 বার্ধক্যে আমি

💥 লিভার দুর্বল, হজম শক্তি কম।

💥 কোষ্ঠকাঠিন্য— মল অসম্পূর্ণ বের হয়।

💥 স্মৃতিশক্তি দুর্বল।

💥 আত্মসম্মানবোধ প্রবল, কিন্তু শরীর দুর্বল।

⭐ আমার প্রধান চেনার লক্ষণ (Keynotes)

⭐ 1. আত্মবিশ্বাসের অভাব + অহং

⭐ 2. ৪–৮ PM–এ উপসর্গ বৃদ্ধি

⭐ 3. ডানদিকে বেশি কাজ

⭐ 4. অল্প খেলেই পেট ভরে যায়

⭐ 5. গ্যাসে পেট ফুলে যায়

⭐ 6. ঢেঁকুরে উপশম

⭐ 7. Fear of failure

⭐ 8. Dictatorial at home

⬆️ আমার বৃদ্ধি (Aggravation)

বিকেল ৪–৮টা

খাওয়ার পর

মানসিক চাপ

নতুন কাজ শুরুতে

ঠান্ডা খাবার

⬇️ আমার উপশম (Amelioration)

গরম খাবার

ঢেঁকুরে

খোলা বাতাসে

আত্মবিশ্বাস পেলে

সকালে

🔄 আমার সম্পূরক

Sulphur

Graphites

❎ আমার ক্রিয়ানাশক

Camphora

Pulsatilla (কিছু ক্ষেত্রে)

⬅️ আমার পরে যাদের ব্যবহার ভালো

Sulphur

Carbo veg

➡️ আমার পূর্বে যারা ভালো চলে

Nux vomica

China

🔥 আমার স্থিতিকাল

৩০–৬০ দিন

(গভীর ক্রনিক কেসে ধীরে কিন্তু গভীর কাজ)


এরকম পরবর্তী পোস্ট চাইলে Next লিখুন

দাবার প্রথম দশটি চাল খেলার ১৭০ অক্টিলিয়ন ভিন্ন উপায় রয়েছে…

 দাবার প্রথম দশটি চাল খেলার ১৭০ অক্টিলিয়ন ভিন্ন উপায় রয়েছে…







দাবার কৌশলগত গভীরতা মানব মস্তিষ্কের পক্ষে কখনোই সম্পূর্ণভাবে মানচিত্রে আঁকা সম্ভব নয়।

প্রতিটি দাবা খেলা শুরু হয় একেবারেই সরল মনে হওয়া একটি সিদ্ধান্ত দিয়ে: সাদা ঘুঁটির জন্য মাত্র ২০টি সম্ভাব্য উদ্বোধনী চাল রয়েছে। কিন্তু এই সরলতা প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মিলিয়ে যায়। উভয় খেলোয়াড় তাদের প্রথম চাল দেওয়ার পরই বোর্ডটি ৪০০টি ভিন্ন অবস্থায় থাকতে পারে। আর দু’পক্ষ মাত্র দুইবার করে চাল দেওয়ার মধ্যেই এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯৭,৭৪২টি সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে, 

যা 'রাজকীয় খেলা'-কে সংজ্ঞায়িত করা নিরবচ্ছিন্ন জ্যামিতিক বৃদ্ধির স্পষ্ট উদাহরণ এবং বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারগুলোকেও চ্যালেঞ্জ করে।


খেলা যখন দশম চালে পৌঁছে, তখন এই জটিলতার প্রকৃত ব্যাপ্তি প্রায় বোধগম্যতার বাইরে চলে যায়। এই পর্যায়ে সম্ভাব্য অবস্থানের সংখ্যা দাঁড়ায় বিস্ময়কর ১৭০ অক্টিলিয়নে-এতটাই বিশাল যে এটি বোঝায় কেন দাবা এখনো গণিতবিদ ও গ্র্যান্ডমাস্টারদের জন্য এক অন্তহীন গবেষণাক্ষেত্র। এই সূচকীয় বিস্তার নিশ্চিত করে যে মাত্র ৬৪টি ঘরের মধ্যেই কৌশলগত সম্ভাবনার এক বিশাল মহাবিশ্ব লুকিয়ে আছে, যা মানবসভ্যতা এখনও সম্পূর্ণভাবে অন্বেষণ করতে পারেনি। এর ফলেই প্রায় প্রতিটি খেলা বিশ্বের ইতিহাসে অনন্য হয়ে থাকে।


@highlight 

#science #Amezing

ভারতীয় টাকার ইতিহাস,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভারতীয় টাকার ইতিহাস


বেশ প্রাচীন, যা মৌর্য যুগের মুদ্রা থেকে শুরু করে শের শাহ সুরির 'রুপিয়া' (রূপ্য থেকে), মুঘলদের 'মোহর', ব্রিটিশ আমলের রানী ভিক্টোরিয়ার প্রতিকৃতিযুক্ত নোট, এবং সবশেষে ভারতের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ₹ চিহ্নযুক্ত মুদ্রার প্রচলন পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি ধীরে ধীরে একটি সুসংহত ব্যবস্থা হিসেবে বিবর্তিত হয়েছে, যেখানে কাগজের নোট এবং ধাতব মুদ্রা উভয়ই অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা ভারতের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটায়। 


প্রাচীন ও মধ্যযুগ


প্রাচীন যুগ: মৌর্য সাম্রাজ্যে সোনা, রূপা ও সীসার মোহর প্রচলিত ছিল।


শের শাহ সুরি (১৬ শতক): তিনিই প্রথম 'রুপিয়া' নামে একটি चांदीর মুদ্রা চালু করেন, যা সংস্কৃত 'রূপ্য' থেকে এসেছে এবং এটিই আধুনিক রুপির ভিত্তি, বলেছেন News18।


মুঘল আমল: মুঘল শাসকরা রুপিয়া, দামী ও মোহর (সোনা, রূপা ও তামার মুদ্রা) চালু করেন এবং মুদ্রায় ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি ব্যবহার শুরু হয়, বলেছেন Vedantu। 

ব্রিটিশ আমল


প্রথম কাগজের নোট (১৮শ শতক): 'ব্যাঙ্ক অফ হিন্দোস্তান'-এর মতো ব্যাংকগুলো প্রথম কাগজের নোট ছাপানো শুরু করে, বলেছেন Anandabazar Patrika।


সরকারি নোট (১৮৬১): 'পেপার কারেন্সি অ্যাক্ট, ১৮৬১' অনুযায়ী ভারত সরকার নোট ছাপানোর একচেটিয়া ক্ষমতা পায় এবং রানী ভিক্টোরিয়ার ছবিযুক্ত নোট চালু হয়, বলেছেন Mintage World।


মুদ্রার বিবর্তন: ১৯২৩ সাল থেকে জর্জ V-এর প্রতিকৃতিযুক্ত নোট এবং পরে অন্যান্য রাজকীয় প্রতিকৃতি নোটের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে, বলেছেন Mintage World। 

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়


রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভূমিকা: ১৯৩৫ সালে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) গঠিত হওয়ার পর থেকে তারাই নোট ইস্যু করে।


নতুন প্রতীক (২০১০): ২০১০ সালে '₹' প্রতীকটি গৃহীত হয়, যা দেবনাগরী 'র' এবং ল্যাটিন 'R' থেকে অনুপ্রাণিত, বলেছেন PiliApp।


আধুনিক নোট: বর্তমানে RBI মহাত্মা গান্ধী সিরিজের নোটসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যযুক্ত নোট প্রচলন করে, যা দেশের সংস্কৃতি ও উন্নয়নের প্রতীক, বলেছেন Mintage World। 


মূল বৈশিষ্ট্য


১০ পয়সা = ১ রুপি: ভারতীয় মুদ্রা ১০০ পয়সায় বিভক্ত।


#টাকা #মুদ্রা #অর্থনীতি #ইতিহাস #বাংলা

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ৩১-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ৩১-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

...................................................


* রাজধানীতে মানিক মিয়া এভিনিউ জুড়ে আজ বেলা দুইটায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা---পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন---জানাজায় অংশ নেবেন পাকিস্তান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি

 


* বিএনপি চেয়ারপার্সনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের শোক--গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার আপোষহীন ভূমিকা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে অভিমত প্রকাশ


*বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ থেকে তিনদিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক–আজ সাধারণ ছুটি---বিএনপির সাতদিনব্যাপী কর্মসূচি

 


* জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে দেশবাসীকে শান্ত ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

 


* ‘পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে’ নিবন্ধনের সময়সীমা ৫ই জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ালো নির্বাচন কমিশন।

 


* তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আরও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকির কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারী ইরানের

 


* এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বোর্ডের আওতাধীন সকল ম্যাচ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ৩০-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ৩০-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


চির বিদায় নিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া --- সারাদেশে শোকের ছায়া।


রাজধানীতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আগামীকাল বেলা দুইটায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা --- পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন --- জানাজায় অংশ নেবেন ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি।


বিএনপি চেয়ারপার্সনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের শোক --- গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার আপোষহীন ভূমিকা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে অভিমত প্রকাশ।


বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামীকাল থেকে তিনদিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক – আগামীকাল সাধারণ ছুটি --- সাতদিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।


দেশের গণতান্ত্রিক পথযাত্রায় অনিঃশেষ ভূমিকা রেখেছেন বেগম খালেদা জিয়া --- ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।


‘পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে’ নিবন্ধনের সময়সীমা ৫ই জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ালো নির্বাচন কমিশন।


ইয়েমেনে জরুরি অবস্থা ঘোষণা --- সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা চুক্তি বাতিল।


এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বোর্ডের আওতাধীন সকল ম্যাচ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ।

মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত  লক্ষন সমূহঃ ১ম পর্যায় (৫০টি)

 হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত  লক্ষন সমূহঃ ১ম পর্যায় (৫০টি)


১. এসিড ফসঃ (১) অবসাদ বা অবসন্নতা। (২) দুধের মত সাদা প্রস্রাব বা ঘনঘন প্রস্রাব। (৩) উদরাময়ে উপশম এবং মলত্যাগকালে প্রচুর বায়ুনিঃসরন। (৪) উদাসভাব বা তন্দ্রাচ্ছন্নভাব।


২. এগনাস কাস্টঃ (১) স্নায়ুদৌর্বল্য অকালবার্ধক্য (২) প্রষ্টেটগ্রন্থিরস নির্গমন (৩) লিউকোরিয়া ও জরায়ুর শিথিলতা। (৪) বাতকমের্র গন্ধ ঠিক মূত্রের গন্ধের মত।


৩. একোনাইট ন্যাপঃ (১) আকস্মকিতা ও ভীষনতা। (২) অস্থরিতা ও মৃত্যুভয়। (৩) জ্বালা ও পিপাসা। (৪) প্রচন্ড শীত/গরমের প্রকোপ।


৪. এসিড নাইট্রিকঃ (১) স্রাবে দূর্গন্ধ, বিশেষত: প্রস্রাবে। (২) শ্লৈষ্মিক ঝিলি­ ও চর্মের সন্ধি স্থলে ক্ষত ফেটে যাওয়া। (৩) কাঁটা ফোটার মত ব্যাথা। (৪) আরোহনে উপশম, দুধে বৃদ্ধি।


৫ . এলিয়াম সেপাঃ (১) নাক থেকে ক্ষতকর স্রাব (শ্লষ্মো)। (২) পেটে বায়ু সঞ্চার। (৩) জুতার ঘোসায় ফোস্কা, অস্ত্রোপচাররে পর স্নায়ুশূল (এসডি ফস)। (৪) নাকে পলপিাস।


৬. এপিস মেলঃ (১) মুত্রকষ্ট ও মুত্র স্বল্পতা। (২) জ্বালা ও ফোলা। (৩) গরমকাতর ও র্স্পশকাতর। (৪) হুল ফোটানাে ব্যাথা।


৭. এরালয়িা আরঃ (১) শুইলইে শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট, উপুড় হইয়া বসয়িা থাকে। (২) নশ্বিাস টানয়িা লাইবার সময় অত্যন্ত কষ্ট, ফলেবিরা সময় সহজ। (৩) নিদ্রায় ঘাম, প্রথম নিদ্রার পর হঠাৎ নিদ্রাভঙ্গ হয়ে কাশি, শুইলে কাশি বৃদ্ধি। (৪) শ্বতেপ্রদর- স্রাব চটচটে ও হাজাকর।


৮. আর্নিকা মন্টঃ (১) বেদনা,আঘাত ও রোগজনিত। (২) অস্থরিতা ও র্স্পশকাতরতা। (৩) বিছানা শক্ত মনে হয় কন্তি অন্যান্য কষ্ট ম্বন্ধে বলে সে ভাল আছ। (৪) আতঙ্ক ও সজ্ঞানে প্রলাপ।


৯. আর্সেনিক এল্বঃ (১) অস্থরিতা,মৃত্যুভয় ও নিদারুণ দুর্বলতা। (২) মধ্য দিবা বা মধ্য রাতে বৃদ্ধি। (৩) পিপাসা প্রবল কন্তিু ক্ষনে ক্ষনে অল্প পানি পান,পানি পান মাত্রই বমি। (৪) জ্বালা ও  দুর্গন্ধ।


১০. ব্যাসিলিনামঃ (১) বংশগত ক্ষয়দোষ এবং উপযুক্ত ঔষধরে  ব্যর্থতা। (২) রোগ ও রোগীর পরর্বিতনীলতা। (৩) অল্পে ঠাণ্ডা লাগা এবং গ্রন্থরি বৃদ্ধি। (৪) দুর্বলতা ও বাচালতা।

 ১১. বেলেডোনাঃ (১) আরক্তমিকা ও উক্তাপ। (২) র্স্পশকাতরতা জ্বালা। (৩) আকস্মকিতা ও ভীষনতা। (৪) ব্যথা হঠাৎ আসে, হঠাৎ যায়।


১২. ব্রাইয়োনিয়া (১) নড়াচড়ায় বৃদ্ধি, চুপ থাকিলে উপশম। (২) শ্লষ্মৈকি ঝিল্লির শুষ্কতা। (৩) আক্রান্ত বা বেদনার স্থান চেপে ধরলে উপশম। (৪) ঠান্ডায় বৃদ্ধি, গরমে উপশম। (৫) ক্রুদ্ধ ভাব বা ক্রুদ্ধ হবার কারনে অসুস্থতা।


১৩. ক্যালকেরিয়া কার্বঃ (১) শ্লষ্মো প্রবনতা,দেহের স্থুলতা ও শিথিলতা। (২) ভ্রান্ত ধারনা ও ভীরুতা। (৩) অল্পতইে ঘাম,মাথার ঘামে বালিশ ভিজে যায়। (৪) দুধ অসহ্য, ডমি খাবার প্রবল ইচ্ছা।


১৪ . কার্সিনোসিনঃ (১) আত্মহত্যার ইচ্ছা, ভয়, খিটখিটে-বদরাগী, খুঁতখুঁতে স্বভাব। (২) ক্যান্সার, ক্যান্সারের পূর্বাবস্থায় অপুষ্টি সহ দূরারোগ্য যে কোন অসুস্থাবস্থা। (৩) দুর্গন্ধস্রাব, রক্তস্রাব, যন্ত্রণা। (৪) অনিদ্রার ইতিহাস, পেটে অতিরিক্ত বায়ু সঞ্চয় ।


১৫. কার্বভেজঃ (১) সাস্থ্যহানির অতীত কাহিনী। (২) ঠান্ডা অবস্থায় ঘাম ও বাতাসরে জন্য ব্যাকুলতা। (৩) পেটে গ্যাস ও উদগারে উপশম। (৪) জ্বালা ও রক্তস্রাব।


১৬. কস্টিকামঃ (১) একাঙ্গীন পক্ষাঘাত বশিষেতঃ ডান অংগরে বাত বা পক্ষাঘাত। (২) আশঙ্কা ও শীতকাতরতা। (৩) নিদ্রাকালে অস্থরিতা। (৪) না দাঁড়াইলে মলত্যাগে অসুবধিা।


১৭. চায়না অফঃ (১) অতিরিক্ত ভদে, স্তন্যদান, র্বীযক্ষয় বা রক্তক্ষয়জনতি অসুস্থতা। (২) শোথ ও পটেফাঁপা। (৩) নয়িমতি/নির্দিষ্ট সময়ে রোগক্রমন। (৪) রক্তস্রাব প্রবনতা ও রক্তস্রাবরে সহিত আক্ষেপ।


১৮. সিমিসিফিউগা/অ্যাকটিয়া আরঃ (১) ঋতুস্রাবের সাথে ব্যথা। (২) পর্যায়ক্রমে শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ। (৩) জরায়ুর দোষে শ্বাসকষ্ট, প্রসবকালীন পীড়া। (৪) সেলাই বা টাইপিং কাজ করে ঘাড়ে পিঠে ব্যথা, ব্যথা ঠান্ডায় ও সঞ্চালনে বৃদ্ধি।


১৯. গ্রাফাইটিসঃ (১) স্থুলতা ও কোষ্ঠবদ্ধতা। (২) ফাটা র্চম ও চটচটে রস। (৩) শঙ্কা ও সর্তকতা। (৪) মাছ, গোষত, সংগীত ও সংগমে অনচ্ছিা।


২০. হিপার সালফ (১) র্স্পশকাতরতা ও শীর্তাততা। (২) ক্ষপ্রিতা ও হঠকারতিা। (৩) টক,ঝাল প্রভূতি উপখাদ্য খাবার ইচ্ছা। (৪) কাঁটা ফোটার মত ব্যাথা।


২১. ল্যাকেসিসঃ (১) নিদ্রায় বৃদ্ধি। (২) ঈর্ষা, র্স্পশকাতরতা ও বাচালতা। (৩) বাম অঙ্গ রোগাক্রমন বা প্রথমে বাম পরে ডান অঙ্গে। (৪) নর্গিমনে নিবৃত্তি।


২২. লিডাম পালঃ (১) ঠান্ডা পানিতে উপশম। (২) নিচের দিকে রোগাক্রমন বা প্রথমে নিচের দিকি পরে উপরের দিকে। (৩) শোথ। (৪) স্নায়ু কেন্দ্রে আঘাত।


২৩. লাইকোপডয়িামঃ (১) অপরাহ্ন ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বৃদ্ধি। (২) ডান অঙ্গে রোগাক্রমন বা প্রথমে ডান পরে বাম অঙ্গে রোগাক্রমন। (৩) গরম খাইবার ইচ্ছা ও বায়ুর প্রকোপ। (৪) কৃপনতা, ভীরুতা ও নিঃসঙ্গ প্রয়িতা


২৪. মডোরিনামঃ (১) বংশগত প্রমেহদোষ ও উপযুক্ত ঔষধরে ব্যর্থতা। (২) জ্বালা,ব্যাথা,র্স্পশকাতরতা। (৩) ব্যাস্ততা ও ক্রন্দনশীলতা। (৪) স্নায়বকি দুর্বলতা, স্মৃতশিক্তরি দুর্বলতাও মৃত্যুভয়।


২৫. মার্কসলঃ (১) রাত্রে বৃদ্ধি, শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি, গরমে বৃদ্ধি। (২) অতরিক্ত ঘাম, অতরিক্তি লালা, অতরিক্ত পিপাসা। (৩) দুর্গন্ধ ও ডান পাশ চাপে শুইতে অসুবধিা। (৪) জিব্বা পুরু ও দাঁতের ছাপ যুক্ত।


২৬. নাক্সভমঃ (১) অতরিক্ত মানসিক পরিশ্রম বা অতরিক্ত ইন্দ্রয়িসবো কিংবা অতরিক্ত রাত্রি জাগরনজনতি অসুস্থতা। (২) বার বার মলত্যাগের ব্যাথা প্রয়াস। (৩) জদি বা মনের দৃঢ়তা,ঈর্ষা ও হঠকারিতা। (৪) শীতকাতরতা,র্স্পশকাতরতা ও পরস্কিার পরিচ্ছন্নতা।


২৭. ফাইটোলাক্কাঃ (১) স্তন ও স্তন্য। (২) র্স্পশকাতরতা ও অস্তরিতা। (৩) দাতে দাঁত বা মাড়িতে মাড়ি চেপে ধরার ইচ্ছা। (৪) রাতে বৃদ্ধি ও শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি।


২৮. পালসেটিলাঃ (১) পরিবর্তনশীলতা। (২) নম্রতা ও ক্রন্দনশীলতা। (৩) তৃষ্ণাহীনতা। (৪) গরমে বৃদ্ধি ও গা র্সবদা গরম।


২৯. সোরিনামঃ (১) ধাতুগত বা বংশগত সোরাদোষ ও উপযুক্ত ঔষধের ব্যর্থতা। (২) উদ্বে,আতঙ্ক ও নরৈাশ্য। (৩) প্রবল ক্ষুধা ও অত্যাধিক দুর্গন্ধ। (৪)  ও শীর্তাততা।


৩০. রাসটক্সঃ (১) বর্ষায় ও বিশ্রামে বৃদ্ধি। (২) অঙ্গ প্রত্যঙ্গে কামড়ানি ও দুর্বলতা অস্থিরতা। (৩) জহিবার অগ্রভাগে ত্রিকোন লাল বর্ণ ও জ্বরের শীত অবস্থায় কাশি। (৪) অস্থিরতায় ও উত্তাপে উপশম।


৩১. রুটা জিঃ (১) সন্ধি স্থানরে অস্থচ্যিুতি বা সন্ধিস্থান মচকাইয়া যাওয়া। (২) কটি ব্যাথা বা মলদ্বারের শিথিলতা। (৩) স্ত্রী জননন্দ্রিয়ে চুলকানির সহিত বাম স্তনে ব্যাথা। (৪) চক্ষু জ্বালা ও দৃষ্টি বর্পিযায়।


৩২. সিনেসিও অরিঃ (১) ঋতুস্রাবের পরিবর্তে রক্তকাশ। (২) রক্তস্রাবজনিত শোথ। (৩) রজঃরোধ, রজঃরোধ জনিত রক্তস্রাব, ঋতুপরবর্তী জরায়ুর শিথিলতা এবং তজ্জন্য অনিদ্রা। (৪) মূত্রপাথরী, ডান কিডনীতে ব্যথা ও যন্ত্রণাদায়ক রক্তমূত্র।


৩৩. সিপিয়াঃ (১) বিষন্নতা,ক্রন্দনশীলতা ও উদাসীনতা। (২) অতরিক্ত রক্তক্ষয় বা গর্ভধারণ জনিত জরায়ুর শিথিলতা। (৩) উদরে শূন্যবোধ,মলদ্বারে  পূর্ণবোধ। (৪) পরিশ্রমে উপশম ও গোসলে অনচ্ছিা।


৩৪. স্ট্যাফিসেগ্রিয়া (১) কামভাবরে প্রাবাল্য এবং তার কূফল।(২) অতিরিক্ত ক্রোধ ও তার কূফল। (৩) সঙ্গম বা সহবাসজনতি মূত্রকষ্ট বা শ্বাসকষ্ট। (৪) চোখে আঞ্জনি ও দাঁতে পোকা।


৩৫. সালফারঃ (১) অপরস্কিার ও অপরছ্ন্নিতা। (২) সকালে মলত্যাগ ও মধ্যাহ্নে ক্ষুধা। (৩) গোসলে অনচ্ছিা,দুধে অরুচি। (৪) ব্রক্ষতালু,হাতের তালুও পায়ের তলায় উত্তাপ বা জ্বালা।


৩৬. সিফিলিনামঃ (১) বংশগত উপদংশ বা উপযুক্ত ঔষধরে ব্যর্থতা। (২) রাতে বৃদ্ধি,অনিদ্রা ও অক্ষুধা। (৩) খর্বতা ও পক্ষাঘাত। (৪) ক্ষত ও দুর্গন্ধ।


৩৭. থুজা অক্সিঃ (১) আঁচিল, অর্বুদ ও রক্তহীনতা। (২) ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি, বর্ষায় বৃদ্ধি এবং রাত্রি তিনটায় বৃদ্ধি। (৩) বদ্ধমূল ধারণা ও স্বপ্নবহুল নিদ্রা। (৪) টিকা ও বসন্ত।


৩৮. টিউবারকুলিনামঃ (১) সবিরাম জ্বর। (২) ক্ষীণদহে, রোগের পুনরাবৃত্তির প্রবণতা। (৩) উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত যক্ষ্মাসম্ভব অবস্থার প্রবণতা ও সহজইে রোগাক্রমন । (৪) রাত্রিকালে কষ্টদায়ক ও সদাস্থায়ী চিন্তা।


৩৯. ক্যালকেরিয়া ফ্লোরঃ (১) গ্রন্থির বৃদ্ধি, গ্রন্থপ্রিদাহ, অস্থক্ষিত- ক্ষত পাকিয়া পুঁজযুক্ত হয়। (২) রক্তস্রাবী অর্শ, মুখ দিয়ে রক্ত ওঠা, চোখে ছানি ও নাকে দুর্গন্ধ। (৩) মস্তিষ্কে, স্তন বা জরায়ুর টিউমার। (৪) শীতকাতর, গরমে ও সঞ্চালনে উপশম।


৪০. ক্যালকেরিয়া ফসঃ (১) ক্রোফুলা বা ধাতুগত দুর্বলতা ও উদারাময়। (২) মানসকি পরিবর্তনশীল। (৩) ঋতুকালে মুখমন্ডলে উদ্ভদে। (৪) ঠান্ডায় বৃদ্ধি, রোগের কথা মনে পড়লিইে বৃদ্ধি।


৪১. ক্যালকেরিয়া সালফঃ (১) ফোড়া, ক্ষত ইত্যাদি যে কোন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে হলুদ র্বণের গাঢ় পূঁজ। (২) বকৈালীন জ্বর- শীত প্রথমে পদদ্বয়ে অনুভূত, হাত-পা জ্বালা ও ঘাম। (৩) প্রাতকালীন উদরাময় বা কোষ্ঠব্ধতা। (৪) মানসকি পরিবর্তনশীলতা।


৪২. ফেরাম ফসঃ (১) প্রদাহ ও জ্বরের প্রথমাবস্থা (একোনাইট, বেলেডোনা)। (২) রক্তশুণ্যতা ও দুর্বলতা (হ্যামামলেসি)। (৩) মূত্রথলীর তরুণ প্রদাহ, রক্ত প্রস্রাব, ব্যাথাহীন উদরাময় বা আমাশয় তৎসহ বমি। (৪) বাম ওভারীতে স্নায়ুবকি বেদনা ও বাধক বেদনা।


৪৩. ক্যালি ফসঃ (১) ক্রোফুলা বা ধাতুগত দুর্বলতা ও উদারাময়। (২) মানসকি পরিবর্তনশীল। (৩) ঋতুকালে মুখমন্ডলে উদ্ভেদ। (৪) ঠান্ডায় বৃদ্ধি, রোগের কথা মনে পড়লিইে বৃদ্ধি।


৪৪. ক্যালি মিউরঃ (১) প্রদাহের দ্বিতীয় অবস্থা। (২) চর্বি ও মসলাযুক্ত আহারে অর্জীণ। (৩) ঋতুস্রাব অনিয়মিত। (৪) কাধরে সন্ধিতে বেদনা, চর্মপীড়া আরোগ্য হয়ে মৃগী ও টিকার কুফল।


৪৫. ক্যালি সালফঃ (১) প্রদাহরে তৃতীয় অবস্থা। (২) সকল স্রাব হলদে, ঋতু বলিম্বতি ও কম। (৩) হাম, বসন্ত প্রভৃতি পীড়ায় ঘর্মহীন চর্ম, রুক্ষ ও খসখসে। (৪) হাত-পা ও চক্ষুর জ্বালা, বিকাল ৪/৫টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বৃদ্ধি।


৪৬. ম্যাগ ফসঃ (১) স্নায়ুশূল বা শূলব্যাথা। (২) ব্যাথার সহিত আক্ষেপ। (৩) ব্যাথা চাপে উপশম। (৪) ঠাণ্ডায় যন্ত্রণা বৃদ্ধি,উত্তাপ প্রয়োগে উপশম। 


৪৭. ন্যাট্রাম মিউরঃ (১) বর্মিষ,বিষন্ন ভাব,সান্তনায় বৃদ্ধি। (২) রৌদ্রে বৃদ্ধি এবং মীতল স্থানে উপশম। (৩) তক্তি ও লবণপ্রয়িতা। (৪) প্রকাশ্য স্থানে প্রস্রাব করতে লজ্জাবোধ।


৪৮. ন্যাট্রাম ফসঃ (১) বচিরণ, বেমনান্তে ও ঝড়-বৃষ্টরি দিনে বৃদ্ধি। (২) অম্লপীড়া ও আহারের পর পেটবেদনা। (৩) শিশুদের উদরাময় ও দুগ্ধ বমন। (৪) ম্রমিরি লক্ষণ ও যুবকদরে স্বপ্নদোষ।


৪৯. ন্যাট্রাম সালফঃ (১) জল,জলাভূমি ও জলীয় খাদ্যে বৃদ্ধি। (২) বরিক্ত, বষিন্নভাব ও আত্মহত্যার ইচ্ছা। (৩) প্রাত:কালীন মলত্যাগ এবং মলত্যাগকালে প্রচুর বায়ু নিঃসরন। (৪) নখ পচিয়া যাওয়া।


৫০. সাইলিসিয়াঃ (১) দৃঢ়তার অভাব ও শীর্তাততা। (২) মাথায় এবং পায়ের তলায় দুর্গন্ধ ঘাম। (৩) উত্তাপে উপশম ও অমাবস্যায়ও র্পূণিমায় বৃদ্ধি। (৪) টিকাজনিত কূফল।

শীতকালিন চর্মরোগ (Winter Skin Diseases)

৫৩০..শীতকালিন চর্মরোগ (Winter Skin Diseases)


শীতকালিন চর্মরোগ (Winter Skin Diseases) বলতে শীতকালে ঠান্ডা বাতাস, কম আর্দ্রতা ও গরম পানির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে যে ত্বকের সমস্যাগুলো বেশি দেখা যায়—সেগুলোকেই বোঝায়। 

ক.শীতকালে চর্মরোগের কারণ-

বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়া

ত্বকের প্রাকৃতিক তেল (Sebum) কমে যাওয়া

অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল

রোদে কম যাওয়া → ভিটামিন D-এর ঘাটতি

শীতের কাপড়ের ঘর্ষণ ও অ্যালার্জি

ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, একজিমা/অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস


 সাধারণ লক্ষণ-

ত্বক শুষ্ক, খসখসে ও টানটান লাগা

চুলকানি, জ্বালা

ফাটল (বিশেষ করে হাত-পা, গোড়ালি)

লালচে দাগ, র‍্যাশ

কখনো রক্তপাত বা ব্যথা

১. শুষ্ক ত্বক (Xerosis)

ত্বক সাদা ছোপ ছোপ, খসখসে

চুলকানি, সূক্ষ্ম ফাটল

            ঝুঁকি বেশি: বয়স্ক, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড রোগী

২. ত্বক ফাটা (Cracked Skin/ Heel Crack)

গোড়ালি/আঙুলে গভীর ফাটল

হাঁটার সময় ব্যথা, রক্ত পড়া

          কারণ: অতিরিক্ত শুষ্কতা, খোলা স্যান্ডেল, পানি-ডিটারজেন্টের সংস্পর্শ

৩. শীতকালীন একজিমা (Winter Eczema)

তীব্র চুলকানি

লাল, খসখসে প্যাচ

কখনো পানি পড়া/খোসা

           বিশেষ: শীতে আগের একজিমা বেড়ে যায়

   ৪.চিলব্লেইন (Chilblains)

আঙুল/পায়ের আঙুলে লাল-নীল ফোলা

চুলকানি ও জ্বালা

উষ্ণতায় ব্যথা বাড়ে

            কারণ: ঠান্ডায় রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা

 ৫.সোরিয়াসিস (Psoriasis–শীতে বাড়ে)

সাদা খোসাযুক্ত মোটা লাল দাগ

কনুই, হাঁটু, মাথার ত্বক বেশি আক্রান্ত


 ৬. শীতকালীন অ্যালার্জিক র‍্যাশ/ চুলকানি

হালকা লালচে ফুসকুড়ি

রাতে চুলকানি বেশি

উলের কাপড়ে বাড়তে পারে

প্রতিরোধ ও দৈনন্দিন যত্ন-

কুসুম গরম পানিতে স্বল্প সময় গোসল

গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে ময়েশ্চারাইজার

উলের নিচে কটন কাপড়

পর্যাপ্ত পানি পান

হাত ধোয়ার পর অবশ্যই ক্রিম

রাতে পা ধুয়ে ঘন ময়েশ্চারাইজার + মোজা

 কখন ডাক্তার দেখাবেন-


ত্বক ফেটে রক্ত/পুঁজ হলে

চুলকানি সহ্যহীন হলে

ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষত সাড়তে দেরি হলে

একজিমা/সোরিয়াসিস হঠাৎ বেড়ে গেলে


##শীতকালে চর্মরোগে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ- 

1.Petroleum

 ত্বক অত্যধিক শুষ্ক

শীতে চামড়া ফেটে রক্ত পড়া

হাত-পা, ঠোঁট, গোড়ালি ফাটা

শীতে রোগ বাড়ে, গরমে কমে


2.Graphites

শুষ্ক একজিমা

চামড়া ফেটে আঠালো স্রাব বের হয়

কান, চোখের পেছনে, হাত-পা ফাটা

মোটা, ঠাণ্ডা স্বভাবের রোগী


3.Sulphur

শুষ্ক, লালচে, জ্বালাযুক্ত চুলকানি

 গরমে বাড়ে, ঠাণ্ডায় কমে

 বারবার চর্মরোগ ফিরে আসে

গোসল সহ্য হয় না


4.Natrum muriaticum

শীতকালে চামড়া রুক্ষ ও ফাটা

ঠোঁট ফাটা, মুখে ফুসকুড়ি

মানসিক দুশ্চিন্তার সঙ্গে চর্মরোগ


5.Calcarea carbonica

শীতে চামড়া শুষ্ক ও ফাটা

ঘাম বেশি, ঠাণ্ডা সহ্য হয় না

 শিশু ও মোটা শরীরের রোগী


6.Arsenicum album

শুষ্ক চামড়া, জ্বালাপোড়া

 চুলকানি রাতে বাড়ে

 ঠাণ্ডায় কষ্ট বাড়ে, গরমে আরাম

 উদ্বেগ ও অস্থিরতা থাকে

7.Rhus toxicodendron

শীত ও ভেজা আবহাওয়ায় চর্মরোগ

 তীব্র চুলকানি

গরমে আরাম

 নড়াচড়ায় উপকার


8.Mezereum

চামড়া ফেটে শক্ত খোসা

 খোসার নিচে পুঁজ

শীতে রোগ বেড়ে যায়

 মাথা ও মুখে বেশি সমস্যা

9.Psorinum

শীতে চুলকানি ভয়াবহ

ময়লা দেখায় এমন চামড়া

গরম পোশাকে অস্বস্তি

পুরনো, জটিল চর্মরোগ

10. Borax

 ঠোঁট ও মুখের কোণে ফাটা

 শিশুদের শীতকালীন চর্মসমস্যা

 মুখের ভিতরে ঘা

11.Dulcamara 

শীত, স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় চর্মরোগ বাড়ে

হঠাৎ ঠান্ডা লাগার পর ফুসকুড়ি, লালচে র‍্যাশ

ভেজা কাপড় বা ঠান্ডা বাতাসে চুলকানি বৃদ্ধি

একজিমা, চুলকানিযুক্ত দানা

শীতকালীন একজিমা, আর্দ্র ঠান্ডায় ত্বক খারাপ হলে

12.Rumex crispus

শীতল বাতাসে তীব্র চুলকানি

ঠান্ডা লাগলে ত্বক খুব সংবেদনশীল হয়ে যায়

রাতে চুলকানি বাড়ে

শুকনো, খসখসে চামড়া

শীতকালে ঠান্ডা বাতাসে চুলকানি বেড়ে গেলে

13.Sepia

ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, ফেটে যায়

বাদামী বা হলদে দাগ

চুলকানি কম হলেও জ্বালাপোড়া

দীর্ঘদিনের একজিমা বা ক্রনিক স্কিন ডিজিজ

 দীর্ঘস্থায়ী শীতকালীন চর্মশুষ্কতা ও একজিমায়


14.Natrum sulphuricum 

স্যাঁতসেঁতে ঠান্ডা আবহাওয়ায় চর্মরোগ বাড়ে

একজিমা বা র‍্যাশে হলুদ নিঃসরণ

বর্ষা ও শীতের সংযোগকালে সমস্যা বাড়ে

ত্বক ভারী ও আঠালো অনুভূত

আর্দ্র শীতে বাড়ে এমন একজিমা

15.Kali bromatum

চুলকানিযুক্ত ফুসকুড়ি ও ব্রণ সদৃশ দানা

রাতের বেলা চুলকানি বেড়ে যায়

ত্বকে গভীর দানা, দাগ পড়ে যায়

স্নায়বিক উত্তেজনার সাথে চর্মরোগ

শীতে ব্রণ-জাতীয় চর্মরোগ ও তীব্র চুলকানি

16.Nitric acid 

ত্বকে গভীর ফাটল, ফেটে রক্ত পড়ে

ফাটলে তীব্র ব্যথা (কাঁটার মতো)

ঠোঁট, হাত-পা, গোড়ালিতে ফাটল

শুষ্ক ও শক্ত চামড়া

শীতে হাত-পা ফাটা, রক্তপাত হলে৫৩০..শীতকালিন চর্মরোগ (Winter Skin Diseases)

শীতকালিন চর্মরোগ (Winter Skin Diseases) বলতে শীতকালে ঠান্ডা বাতাস, কম আর্দ্রতা ও গরম পানির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে যে ত্বকের সমস্যাগুলো বেশি দেখা যায়—সেগুলোকেই বোঝায়। 

ক.শীতকালে চর্মরোগের কারণ-

বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়া

ত্বকের প্রাকৃতিক তেল (Sebum) কমে যাওয়া

অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল

রোদে কম যাওয়া → ভিটামিন D-এর ঘাটতি

শীতের কাপড়ের ঘর্ষণ ও অ্যালার্জি

ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, একজিমা/অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস


 সাধারণ লক্ষণ-

ত্বক শুষ্ক, খসখসে ও টানটান লাগা

চুলকানি, জ্বালা

ফাটল (বিশেষ করে হাত-পা, গোড়ালি)

লালচে দাগ, র‍্যাশ

কখনো রক্তপাত বা ব্যথা

১. শুষ্ক ত্বক (Xerosis)

ত্বক সাদা ছোপ ছোপ, খসখসে

চুলকানি, সূক্ষ্ম ফাটল

            ঝুঁকি বেশি: বয়স্ক, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড রোগী

২. ত্বক ফাটা (Cracked Skin/ Heel Crack)

গোড়ালি/আঙুলে গভীর ফাটল

হাঁটার সময় ব্যথা, রক্ত পড়া

          কারণ: অতিরিক্ত শুষ্কতা, খোলা স্যান্ডেল, পানি-ডিটারজেন্টের সংস্পর্শ

৩. শীতকালীন একজিমা (Winter Eczema)

তীব্র চুলকানি

লাল, খসখসে প্যাচ

কখনো পানি পড়া/খোসা

           বিশেষ: শীতে আগের একজিমা বেড়ে যায়

   ৪.চিলব্লেইন (Chilblains)

আঙুল/পায়ের আঙুলে লাল-নীল ফোলা

চুলকানি ও জ্বালা

উষ্ণতায় ব্যথা বাড়ে

            কারণ: ঠান্ডায় রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা

 ৫.সোরিয়াসিস (Psoriasis–শীতে বাড়ে)

সাদা খোসাযুক্ত মোটা লাল দাগ

কনুই, হাঁটু, মাথার ত্বক বেশি আক্রান্ত


 ৬. শীতকালীন অ্যালার্জিক র‍্যাশ/ চুলকানি

হালকা লালচে ফুসকুড়ি

রাতে চুলকানি বেশি

উলের কাপড়ে বাড়তে পারে

প্রতিরোধ ও দৈনন্দিন যত্ন-

কুসুম গরম পানিতে স্বল্প সময় গোসল

গোসলের ৩ মিনিটের মধ্যে ময়েশ্চারাইজার

উলের নিচে কটন কাপড়

পর্যাপ্ত পানি পান

হাত ধোয়ার পর অবশ্যই ক্রিম

রাতে পা ধুয়ে ঘন ময়েশ্চারাইজার + মোজা

 কখন ডাক্তার দেখাবেন-


ত্বক ফেটে রক্ত/পুঁজ হলে

চুলকানি সহ্যহীন হলে

ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষত সাড়তে দেরি হলে

একজিমা/সোরিয়াসিস হঠাৎ বেড়ে গেলে


##শীতকালে চর্মরোগে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ- 

1.Petroleum

 ত্বক অত্যধিক শুষ্ক

শীতে চামড়া ফেটে রক্ত পড়া

হাত-পা, ঠোঁট, গোড়ালি ফাটা

শীতে রোগ বাড়ে, গরমে কমে


2.Graphites

শুষ্ক একজিমা

চামড়া ফেটে আঠালো স্রাব বের হয়

কান, চোখের পেছনে, হাত-পা ফাটা

মোটা, ঠাণ্ডা স্বভাবের রোগী


3.Sulphur

শুষ্ক, লালচে, জ্বালাযুক্ত চুলকানি

 গরমে বাড়ে, ঠাণ্ডায় কমে

 বারবার চর্মরোগ ফিরে আসে

গোসল সহ্য হয় না


4.Natrum muriaticum

শীতকালে চামড়া রুক্ষ ও ফাটা

ঠোঁট ফাটা, মুখে ফুসকুড়ি

মানসিক দুশ্চিন্তার সঙ্গে চর্মরোগ


5.Calcarea carbonica

শীতে চামড়া শুষ্ক ও ফাটা

ঘাম বেশি, ঠাণ্ডা সহ্য হয় না

 শিশু ও মোটা শরীরের রোগী


6.Arsenicum album

শুষ্ক চামড়া, জ্বালাপোড়া

 চুলকানি রাতে বাড়ে

 ঠাণ্ডায় কষ্ট বাড়ে, গরমে আরাম

 উদ্বেগ ও অস্থিরতা থাকে

7.Rhus toxicodendron

শীত ও ভেজা আবহাওয়ায় চর্মরোগ

 তীব্র চুলকানি

গরমে আরাম

 নড়াচড়ায় উপকার


8.Mezereum

চামড়া ফেটে শক্ত খোসা

 খোসার নিচে পুঁজ

শীতে রোগ বেড়ে যায়

 মাথা ও মুখে বেশি সমস্যা

9.Psorinum

শীতে চুলকানি ভয়াবহ

ময়লা দেখায় এমন চামড়া

গরম পোশাকে অস্বস্তি

পুরনো, জটিল চর্মরোগ

10. Borax

 ঠোঁট ও মুখের কোণে ফাটা

 শিশুদের শীতকালীন চর্মসমস্যা

 মুখের ভিতরে ঘা

11.Dulcamara 

শীত, স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় চর্মরোগ বাড়ে

হঠাৎ ঠান্ডা লাগার পর ফুসকুড়ি, লালচে র‍্যাশ

ভেজা কাপড় বা ঠান্ডা বাতাসে চুলকানি বৃদ্ধি

একজিমা, চুলকানিযুক্ত দানা

শীতকালীন একজিমা, আর্দ্র ঠান্ডায় ত্বক খারাপ হলে

12.Rumex crispus

শীতল বাতাসে তীব্র চুলকানি

ঠান্ডা লাগলে ত্বক খুব সংবেদনশীল হয়ে যায়

রাতে চুলকানি বাড়ে

শুকনো, খসখসে চামড়া

শীতকালে ঠান্ডা বাতাসে চুলকানি বেড়ে গেলে

13.Sepia

ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, ফেটে যায়

বাদামী বা হলদে দাগ

চুলকানি কম হলেও জ্বালাপোড়া

দীর্ঘদিনের একজিমা বা ক্রনিক স্কিন ডিজিজ

 দীর্ঘস্থায়ী শীতকালীন চর্মশুষ্কতা ও একজিমায়


14.Natrum sulphuricum 

স্যাঁতসেঁতে ঠান্ডা আবহাওয়ায় চর্মরোগ বাড়ে

একজিমা বা র‍্যাশে হলুদ নিঃসরণ

বর্ষা ও শীতের সংযোগকালে সমস্যা বাড়ে

ত্বক ভারী ও আঠালো অনুভূত

আর্দ্র শীতে বাড়ে এমন একজিমা

15.Kali bromatum

চুলকানিযুক্ত ফুসকুড়ি ও ব্রণ সদৃশ দানা

রাতের বেলা চুলকানি বেড়ে যায়

ত্বকে গভীর দানা, দাগ পড়ে যায়

স্নায়বিক উত্তেজনার সাথে চর্মরোগ

শীতে ব্রণ-জাতীয় চর্মরোগ ও তীব্র চুলকানি

16.Nitric acid 

ত্বকে গভীর ফাটল, ফেটে রক্ত পড়ে

ফাটলে তীব্র ব্যথা (কাঁটার মতো)

ঠোঁট, হাত-পা, গোড়ালিতে ফাটল

শুষ্ক ও শক্ত চামড়া

শীতে হাত-পা ফাটা, রক্তপাত হলে

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৯-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৯-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেড়যুগ পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গেলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান --- দেশকে নতুন করে গড়ে তোলার আহ্বান।


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স --- ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্ব ও সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা এবং ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ওয়াশিংটনের সহায়তার কথা পুনর্ব্যক্ত।


শেষ হলো আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়সীমা।


সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত থাকতে বিজিবি সদস্যদের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাতাবরণ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় --- মন্তব্য করলেন ধর্ম উপদেষ্টা।


বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশের জন্য সাহায্য কমিয়ে জাতিসংঘ মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে ২০০ কোটি ডলার দেওয়ার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের।


এবং সিলেটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে চট্টগ্রাম র‌য়্যালসকে হারিয়েছে রংপুর রাইডার্স --- অপর ম্যাচে এখন মোকাবেলা করছে নোয়াখালীর বিরুদ্ধে রাজশাহী।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৮-১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৮-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার।

বেগম খালেদা জিয়া সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন --- জানালেন চিকিৎসকরা।  

ভোটার হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান --- ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ।

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন আট দলীয় নির্বাচনী জোটে যোগ দিল এনসিপি ও এলডিপি।

অর্ন্তবর্তী সরকারের মেয়াদেই ওসমান হাদী হত্যার বিচার সম্পন্ন হবে --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা --- ভারতের মেঘালয়ে এই হত্যাকান্ডের দুই সহায়তাকারী গ্রেফতার। 

দেশের ২৬-তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।  

মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত।

এবং সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আগামীকাল চট্টগ্রাম রয়্যালস - রংপুর রাইডারর্সের এবং নোয়াখালি এক্সপ্রেস - রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মোকাবেলা করবে।

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...