এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ০১-০৮-২০২৬ খ্রি:।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ০১-০৮-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আজ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন সফররত দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর।


কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর - রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবন-মান উন্নয়নে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সমর্থন জোরদারের আহ্বান।


ধর্মের ভিত্তিতে জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর ।


দেশে মানুষের মধ্যে বিভেদ-বিভাজনের কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলো জুলাই সনদের আলোকেই বাস্তবায়ন করা হবে - বললেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।


থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের ডেটাবেজ তৈরির তাগিদ দিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাক্তার জুবাইদা রহমান।


যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত গাজা শান্তি পরিকল্পনাকে সমর্থন জানালো ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য এবং সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা।


২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলতে দেশ ছাড়লো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ  তারিখ ৩১-০৭-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ 

তারিখ ৩১-০৭-২০২৬


আজকের সংবাদ শিরোনাম


রাজধানীর পরিচ্ছনতা কার্যক্রম সরেজমিন দেখতে বিভিন্ন সড়ক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

 


ধর্মের ভিত্তিতে জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর । 

 


দেশে মানুষের মধ্যে বিভেদ-বিভাজনের কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না --- মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 

 


আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলো জুলাই সনদের আলোকেই বাস্তবায়ন করা হবে --- বললেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।

 


কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর।

 


গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের শর্তে অস্ত্র ত্যাগে সম্মত হয়েছে হামাস --- জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

 


পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ৩৪।

 

২৩ বছর পর টেস্ট সিরিজ খেলতে আজ রাতে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

চলতি পথে ... উদ্ভিদের পাতা ও প্রকৃতির সৌন্দর্য নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃতি বিষয়ক আলোকচিত্রী ও প্রাবন্ধিক এম জে কোরভান (MJ Korvan) বলেছেন,০

 চলতি পথে ...


উদ্ভিদের পাতা ও প্রকৃতির সৌন্দর্য নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃতি বিষয়ক আলোকচিত্রী ও প্রাবন্ধিক এম জে কোরভান (MJ Korvan) বলেছেন, "Anyone can love a rose, but it takes a lot to love a leaf. It's ordinary to love the beautiful, but it's beautiful to love the ordinary." - অর্থাৎ 'যেকোনো মানুষ গোলাপ ভালোবাসতে পারে, কিন্তু একটি পাতাকে ভালোবাসার জন্য অনেক মনের প্রয়োজন। সুন্দরকে ভালোবাসা সাধারণ ব্যাপার, কিন্তু সাধারণকে সুন্দরভাবে ভালোবাসাটাই আসল।' হ্যাঁ, প্রকৃতির বর্ণিল রূপ ফুটিয়ে তুলতে শুধু বৃক্ষরাজি বা উদ্ভিদের ফুল ও ফলই নয়, এর পাতার ও রয়েছে অপরূপ সৌন্দর্য। বিভিন্ন উদ্ভিদের পাতার চমৎকার আকৃতি, বিন্যাস, হাজারো শেড বা আভা, বৈচিত্র্যময় রঙ মানুষকে আকৃষ্ট ও মুগ্ধ করে। কোন কোন উদ্ভিদের পাতার শিরা উপশিরার জ্যামিতিক বিন্যাস যেন কোন বিখ্যাত শিল্পীর আঁকা নিখুঁত শিল্পকর্ম ও জীবন্ত ক্যানভাস। এমনই একটি উদ্ভিদ হচ্ছে- "এলোকেশিয়া।" এলোকেশিয়া (Alocasia) Araceae পরিবারভুক্ত কন্দযুক্ত বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। এর উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম Alocasia sanderiana W. Bull (প্রজাতিভেদে Alocasia macrorrhizos, Alocasia cucullata), ইংরেজি নাম Kris Plant, Elephant Ear, Giant Taro. এটি নজরকাড়া পাতার জনপ্রিয় উদ্ভিদ। এর পাতাগুলো দেখতে অনেকটা তীরের ফলা বা হাতির কানের মতো বড় ও চওড়া হয়। এটি সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ইনডোর বা আউটডোর উভয় পরিবেশেই বেশ মানানসই। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চলমান জাতীয় বৃক্ষ মেলায় এই এলোকেশিয়া এর দেখা মেলে।


ছবি: খোন্দকার এরফান আলী 

(৩১ জুলাই, ২০২৬)

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ৩১-০৭-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ৩১-০৭-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


চলতি বছরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্প কারখানাগুলো চালুর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


ইরানের হামলার পর সংহতি প্রকাশ করায় বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানালো সংযুক্ত আরব আমিরাত - শিগগিরই ঢাকা সফরের আগ্রহ প্রকাশ প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের।


দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অংশীদারিত্ব আরো শক্তিশালী করতে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র - আশা প্রকাশ করলেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর।


স্বাস্থ্যখাতকে আরো শক্তিশালী ও জনমুখী করতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা করার আহ্বান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


বৈরী আবহাওয়ার কারণে এক মাস পিছিয়ে সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা - জানালেন শিক্ষামন্ত্রী।


গুরুত্বপূর্ণ জলপথ সুরক্ষিত করতে সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা বাংলাদেশ ও সৌদি আরবসহ ১৪টি দেশের।


লিটন দাসকে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অধিনায়ক ঘোষণা।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ - ৩০-০৭-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ - ৩০-০৭-২০২৬


আজকের সংবাদ শিরোনাম


প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


প্রধানমন্ত্রী সমাজ পরিবর্তনের আশা জাগাচ্ছেন --- মন্তব্য স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রীর ---জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ --- বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


বৈরী আবহাওয়ার কারণে এক মাস পিছিয়ে সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা --- জানালেন শিক্ষামন্ত্রী।


আগস্টের শেষ সপ্তাহে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার --- জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।


তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর।


রুশ বিমান হামলায় ইউক্রেনে কমপক্ষে ১৩ জন নিহত।


উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো প্রেসিডেন্টস চ্যালেঞ্জ কাপ আরচ্যারী টুর্নামেন্ট।

পৃথিবী নয়, জীবনের আসল নকশা তৈরি হয়েছিল মহাশূন্যে?

 পৃথিবী নয়, জীবনের আসল নকশা তৈরি হয়েছিল মহাশূন্যে?


মহাশূন্যের নিস্তব্ধতায় ভাসমান এক কণার ভেতর হয়তো ঘুমিয়ে ছিল জীবনের প্রথম নিশ্বাস। কোটি কোটি বছর আগে, যখন পৃথিবী ছিল নিঃসঙ্গ, উত্তপ্ত ও সম্পূর্ণ নির্জীব, তখন কোথাও দূর মহাবিশ্বের এক অন্ধকার কোণে নিঃশব্দে তৈরি হচ্ছিল জীবনের পরম রসায়ন। সেখান থেকেই হয়তো এক চরম উত্তাল সময়ে পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়েছিল এক টুকরো উল্কাপিণ্ড - যার বুকে খোদাই করা ছিল আমাদের অস্তিত্বের প্রথম গোপন পান্ডুলিপি।


বিজ্ঞানীদের দীর্ঘ গবেষণায় উঠে এসেছে এক শিহরণ জাগানো সত্য। পৃথিবীর আদিম সময়ে যখন অগণিত গ্রহাণু ও উল্কাপাত হচ্ছিল, তখনই মহাকাশ থেকে প্রাণের জন্য প্রয়োজনীয় জৈব অনুগুলো এই গ্রহের বুকে সঞ্চারিত হয়। গবেষকরা পেয়েছেন সেই অবিশ্বাস্য প্রমাণ - জীবনের মৌলিক উপাদান অর্থাৎ ডিএনএ ও আরএনএ'র পাঁচটি নিউক্লিওবেস-ই খুঁজে পাওয়া গেছে ভিনগ্রহ থেকে আসা উল্কাপিণ্ডের ভেতরে! Adenine, Guanine, Cytosine, Thymine, আর Uracil - যে পাঁচটিকে বলা হয় প্রাণের মূল ভিত্তিপ্রস্তর, তারা কোনো রূপকথা নয়, বরং সত্যিই এসেছিল এই অসীম ও রহস্যময় মহাকাশ থেকে।


Murchison, Murray ও Tagish Lake নামের ঐতিহাসিক উল্কাগুলোর গভীর বিশ্লেষণে এই জৈব যৌগগুলো ধরা পড়েছে বিজ্ঞানীদের অতিসংবেদনশীল আধুনিক যন্ত্রে এমনকি প্রতি ট্রিলিয়নের মধ্যেও অত্যন্ত সূক্ষ্ম পরিমাপে। গবেষণাগারের এই আবিষ্কার কোনো সাধারণ তথ্য নয়; এটি জোরালোভাবে প্রমান করে যে, প্রাণের জটিল রাসায়নিক সূত্র শুধু এই ছোট্ট পৃথিবীর বন্ধ প্রকোষ্ঠে নয়, বরং তৈরি হয়েছিল কোটি কোটি আলোকবর্ষ দূরের তারার ধুলোয়। মহাবিশ্বের সুবিশাল ক্যানভাসে জীবন বিকাশের বীজ ছড়ানো ছিল বহু আগে থেকেই।


তাহলে কি আমরা আসলে কোনো সাধারণ সত্তা নই? আমরা সবাই কি মহাবিশ্বেরই সন্তান? যে বিশাল তারাটি কোটি বছর আগে তার সমস্ত আলো বিলীন করে নিভে গিয়েছিল, সে-ই হয়তো প্রাণের আদি স্পন্দন পাঠিয়ে দিয়েছিল এই নীল গ্রহের বুকে।

আমাদের রক্ত-মাংসের প্রতিটি কোষের গভীরের রাসায়নিক সংকেত আজও সেই প্রাচীন মহাজাগতিক সংযোগের কথা মনে করিয়ে দেয়। মহাজাগতিক ধুলোর প্রতিটি কণাই যেন নিঃশব্দে ফিসফিস করে বলে - "তুমি আমারই অংশ, আমি তোমার ভেতর এখনো জ্বলছি।"


*** এই বিষয়ে অধিকতর জানতে কমেন্টে শেয়ারকৃত তথ্যসূত্র পড়ুন।  


Photo Credit: NASA - National Aeronautics and Space Administration 


#DiscoverwithMainul #DNA #astronomy #life #NASA #NASASpaceAppsChallenge #comet

শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

অফিস পলিটিক্স: ৩টি অভিজ্ঞতা, কিছু পরামর্শ,,,,, বাদল সৈয়দ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অফিস পলিটিক্স: ৩টি অভিজ্ঞতা, কিছু পরামর্শ

বাদল সৈয়দ


একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন পড়াতাম। সে সূত্রে সে আমার ছাত্র। ভালো একটি কর্পোরেট চাকরি করত। প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক প্রধানও হয়েছিল। 


হঠাৎ একদিন তার মেসেজ পেলাম। সে লিখেছে- ‘স্যার, অফিস পলিটিক্সের শিকার হয়ে আমার চাকরি চলে গেছে। এখন ছোটখাট ব্যবসা করার চেষ্টা করছি। আমার জন্য দোয়া করবেন।‘


প্রায় প্রত্যেক চাকরিজীবীকে অফিস পলিটিক্সের শিকার হতে হয়। তাই ভাবলাম এ ব্যাপারে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু লিখি।


অফিস পলিটিক্স অনেক ধরনের হতে পারে। প্রথমে দুটো সত্য ঘটনা বলি।


১ ) আমার চাকরিজীবনের প্রথম দিকের ঘটনা। একজন কমিশনার একটি ভুল করলে তাঁকে সচিব মহোদয় ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য ঢাকায় ডেকে পাঠালেন। কমিশনার সাহেব অবলীলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বললেন, ‘স্যার, সিদ্ধান্তটি আমার নয়, আমার এক অতি উৎসাহী ডেপুটি কমিশনারের। আমি সেটা আপনার কাছে অনুমোদনের জন্য ফরোয়ার্ড করেছি মাত্র।'


সে হতভাগ্য ডেপুটি কমিশনার ছিল আমার এক ব্যাচমেট। কাজটিতে তার কোনো ভূমিকাই ছিল না। কমিশনারের স্টাফ অফিসার হিসেবে তার অন্যতম দায়িত্ব ছিল আঞ্চলিক অফিসের চিঠিপত্র হেড অফিসে পাঠানো। সে শুধু সেটাই করেছিল।


কমিশনার সাহেবের কথা শুনে সচিব মহোদয় বললেন- 'তুমি যদি তোমার ছোকরা ডেপুটি কমিশনারের কথায় চলো, তাহলে তো সবার আগে তোমাকে স্যাক করা উচিত।‘


সে সচিবের নাম ছিল, আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী।  


চাকরিজীবনে এ রকম বলির পাঁঠা হওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের হয়। কিন্তু মুয়ীদ চৌধুরী স্যারের মতো সুবিবেচক সর্বোচ্চ বস সবার ভাগ্যে জোটে না। 


(সে সময় সেখানে উপস্থিত ঢাকার একজন কমিশনার পরে আমাদের ঘটনাটি জানিয়েছিলেন)


২ ) আমার এক তরুণ আত্মীয় খুব নামকরা মাল্টিন্যাশনালে মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে কাজ করে। সে একবার তার বসের সাথে চমৎকার একটি আইডিয়া  শেয়ার করল। বস খুব নির্লিপ্ত ভাব করলেন। তাঁর আচরণ দেখে আমার আত্মীয় ব্যাপারটি নিয়ে আর এগোলো না।  ভাবল, আইডিয়াটি কাজের না। কিন্তু পরের টিম মিটিংয়ে সে খুব বিস্ময়ের সাথে দেখল, বস তার আইডিয়াটিকে নিজের আইডিয়া বলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে উপস্থাপন করছেন!


অফিস পলিটিক্সের দুটো উদাহরণ দিলাম। এছাড়াও এ পলিটিক্স আরো অনেক রকম হতে পারে।

যেমন-


ক) বসের কানভারি করা হয়। 


খ) ইচ্ছে করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখা হয় বা সরবরাহ করা হয় না।যাতে সহকর্মী ঠিকভাবে কাজটি করতে না পারেন।


গ) মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে সুনাম নষ্ট করা হয়।


ঘ) অনেক সময় অফিসে কয়েকটি গ্রুপ থাকে, তারা একে অপরের বিরুদ্ধে লেগে থাকে।


ঙ) ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং, ইমেইল থেকে দূরে রাখা হয়, যাতে সহকর্মী অফিসিয়াল ব্যাপারে আপ টু ডেট না থাকেন।


কীভাবে মোকাবেলা করবেন?


১) নিজস্ব আইডিয়া একান্তে শেয়ার না করে মিটিংয়ে উপস্থাপন করুন।


২) কোনো কাজের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য না পেলে তা জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সহকর্মীকে মেইল করুন এবং তার রেকর্ড রাখুন। প্রয়োজনে ব্যাপারটি বসকেও জানিয়ে রাখুন।


৩) মিথ্যা গুজব ছড়ালে তা যদি গুরুতর না হয় নির্লিপ্ত থাকুন। এটাই হলো বদনামকারীদের মুখে সবচেয়ে কঠিন চপেটাঘাত। তবে তা যদি খুব ক্ষতিকর হয় তবে সে ব্যাপারে নিজেই বসের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ জানান। এতে আপনার সৎ সাহস প্রমাণিত হবে।


৪) অফিস গ্রুপিংয়ে কোনো পক্ষই অবলম্বন করবেন না।


৫) কেউ জানাবে, তার জন্য অপেক্ষা না করে নিজেই অফিসের ব্যাপারে আপ টু ডেট থাকুন। 


৬) মাথা ঠাণ্ডা রাখুন। অফিস পলিটিক্সে মাথা গরম করলে হেরে যাবেন। ঠাণ্ডা মাথার পায়ের নিচে পৃথিবী গড়াগড়ি দেয়, আর গরম মাথার মানুষ মাটিতে গড়াগড়ি খায়।


৭) সহকর্মীদের সাথে ব্যক্তিগত দুর্বলতা শেয়ার করবেন না। তা পরে আপনার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হতে পারে। ( খুব বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত হলে ব্যতিক্রম হতে পারে )


৮) আপনার রিপোর্টিং অথরিটিই আপনার ইমিডিয়েট বস। তাঁর মাধ্যমেই টপ ম্যানেজমেন্ট আপনার মূল্যায়ন করবেন। তাই তাঁর সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখুন। তাঁকে কাজের অগ্রগতি ও ব্যর্থতা নিজেই জানান। তা হলে তাঁর কান ভারী করা সহজ হবে না।


৯) সবার সাথে সৌজন্য বজায় রাখুন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ শুভাকাঙ্ক্ষী সিনিয়র কারো পরামর্শ নিন।


১০ ) নিজ ব্যক্তিত্ব ধরে রাখুন। কারণ, সমুদ্রের ঢেউ যেমন শক্তভাবে বাঁধাই করা তীরে বাড়ি খেয়ে সমুদ্রেই ফিরে যায়, ঠিক তেমনি ব্যক্তিত্বের উচ্চতার সাথে ধাক্কা খেয়ে চক্রান্তও ফিরে যায়।


অফিস এক ধরনের দাবার বোর্ড। আপনি না চাইলেও এখানে কেউ কেউ আপনার বিরুদ্ধে চাল দিতে পারে। সেটা ঠেকাতে হলে আপনাকেও পাল্টা চাল দিতে হবে।


তবে মনে রাখবেন- 

'One careless move can cost the king.'


'একটা ভুল চাল আপনার রাজাকে রাজ্যহারা করবে।'


আরেকটি কথা, দয়া করে অফিস পলিটিক্সের প্রথম চাল আপনি দেবেন না। শুধু প্রয়োজনে আত্মরক্ষায় পাল্টা চাল দেবেন।


অফিস পলিটিক্সের প্রথম চাল দেয় নোংরা লোকেরা।


#আসুনমায়াছড়াই 

#BadalSyed 

#CareerGrowth

#life

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি বিভাগ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমান্তবর্তী ও বঙ্গোপসাগরের তীরে — বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের অধিকাংশ অংশ এই বিভাগে অবস্থিত।

খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি বিভাগ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমান্তবর্তী ও বঙ্গোপসাগরের তীরে — বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের অধিকাংশ অংশ এই বিভাগে অবস্থিত।


মৌলিক তথ্যঃ

- বিভাগীয় সদর দপ্তর: খুলনা শহর।

- জনসংখ্যা: প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ।

- সরকারি ভাষা: বাংলা।

- মুদ্রা: বাংলাদেশি টাকা।

- প্রশাসনিক গঠন: বাংলাদেশের একটি বিভাগ, বিভাগীয় কমিশনার প্রশাসনিক প্রধান — দশটি জেলা নিয়ে গঠিত (খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর)।

- আয়তন: প্রায় ২২,২৭২ বর্গ কিলোমিটার।


বিশেষ পরিচয়ঃ

খুলনা বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ও শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত, পাশাপাশি বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার — যেখানে বিপন্ন রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রাকৃতিক আবাসস্থল। বিভাগটি নদী-খাল-বাঁওড়ে পরিপূর্ণ এক ব-দ্বীপ অঞ্চল।


**ইতিহাস**

খুলনা অঞ্চল ঐতিহাসিকভাবে বঙ্গ ও সমতট রাজ্যের অংশ ছিল। মধ্যযুগে এই অঞ্চল স্বাধীন জমিদার ও ভূস্বামীদের অধীনে ছিল, যাদের মধ্যে ষোড়শ শতকে বারো ভূঁইয়াদের অন্যতম রাজা প্রতাপাদিত্য এই এলাকা শাসন করতেন। খান জাহান আলী (রহ.) ১৫শ শতকে এই অঞ্চলে ইসলাম প্রচার ও জনবসতি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন — তার প্রতিষ্ঠিত ষাট গম্বুজ মসজিদ আজও এই ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে। মুঘল আমলে এই অঞ্চল বাংলা সুবাহর অংশ ছিল। ব্রিটিশ আমলে খুলনা যশোর জেলার একটি মহকুমা হিসেবে গড়ে ওঠে, ১৮৮২ সালে পৃথক জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে নদীবন্দর ও পাটকল শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় খুলনা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল — মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ না হওয়া সত্ত্বেও শেষমুহূর্তে সীমানা কমিশনের সিদ্ধান্তে খুলনা পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) অন্তর্ভুক্ত হয়, যেখানে প্রতিবেশী মুর্শিদাবাদ পশ্চিমবঙ্গে (ভারত) থেকে যায়।


খুলনা শহরঃ

খুলনা শহর ভৈরব ও রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত, বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ও গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর। ব্রিটিশ আমল থেকে এটি পাট শিল্পের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করে, যদিও সাম্প্রতিক দশকগুলোতে পাটকলের অবস্থা পরিবর্তিত হয়েছে। মোংলা বন্দর (বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত) বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, যা এই বিভাগের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


অর্থনীতিঃ

মৎস্য ও চিংড়ি চাষ খুলনা বিভাগের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ — উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকায় বাগদা ও গলদা চিংড়ির ঘের ব্যাপকভাবে গড়ে উঠেছে, যা দেশের রপ্তানি আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। সুন্দরবন থেকে কাঠ, মধু ও গোলপাতা সংগ্রহ স্থানীয় জীবিকার একটি ঐতিহ্যবাহী অংশ। কুষ্টিয়া চিনি শিল্প ও তামাক চাষের জন্য পরিচিত। যশোর ফুল চাষে দেশের শীর্ষস্থানীয় এলাকা, একে "ফুলের রাজধানী" বলা হয়। মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক অঞ্চল বিভাগের শিল্পায়নে ভূমিকা রাখছে।


**দর্শনীয় ও প্রাকৃতিক স্থান**


সুন্দরবন — বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ ও কুমিরসহ বিরল প্রজাতির আবাসস্থল — নৌকায় বন ভ্রমণ পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়।


ষাট গম্বুজ মসজিদ — বাগেরহাটে অবস্থিত, ১৫শ শতকে খান জাহান আলী কর্তৃক নির্মিত, ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান, বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মধ্যযুগীয় ইসলামি স্থাপত্য নিদর্শন।


খান জাহান আলীর মাজার — বাগেরহাটে অবস্থিত, স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় সুফি সাধকের সমাধিস্থল, পাশের দিঘিতে বিরল প্রজাতির কুমিরের জন্যও পরিচিত।


কপোতাক্ষ নদ — কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান সাগরদাঁড়ির (যশোর) পাশ দিয়ে প্রবাহিত, সাহিত্যিক ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত।


সুন্দরবনের করমজল ও কটকা এলাকা — বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র, ইকো-ট্যুরিজমের জনপ্রিয় গন্তব্য।


সংস্কৃতিঃ

খুলনা অঞ্চলের সংস্কৃতিতে সুন্দরবন-কেন্দ্রিক জীবনযাত্রার গভীর প্রভাব রয়েছে — বনজীবী মানুষদের (মৌয়াল, জেলে, বাওয়ালি) নিজস্ব লোকবিশ্বাস ও রীতিনীতি, যেমন বনদেবী বনবিবির পূজা-অর্চনা, এই অঞ্চলের অনন্য সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের মতো ব্যক্তিত্বের সঙ্গে এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক সংযোগ রয়েছে। চিংড়ি ও মাছভিত্তিক খাবার এখানকার খাদ্যসংস্কৃতির প্রধান অংশ। যশোরের ফুল চাষ ঘিরে গড়ে ওঠা উৎসব-অনুষ্ঠান এলাকার সাংস্কৃতিক জীবনযাত্রার অংশ হয়ে উঠেছে।


Jano by Naeem 


#Khulna #খুলনা #বাগেরহাট #সাতক্ষীরা #যশোর #ঝিনাইদহ #মাগুরা #নড়াইল #কুষ্টিয়া #চুয়াডাঙ্গা #মেহেরপুর #Bangladesh

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ৩০-০৭-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ৩০-০৭-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত - জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন ও এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত । 


নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের খনন কাজ শুরু - প্রতিদিন ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের প্রত্যাশা।


সরকারি হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার আশ্বাস স্বাস্থ্য মন্ত্রীর।


সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক নতুনভাবে এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা ও নতুনদিল্লি - জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


সকল প্রকল্পের সর্বোত্তম ব্যবহার ও উপযোগিতা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্র্রচার মন্ত্রীর।


সুন্দরবনের বাঘ ও এর প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণে সরকার বদ্ধপরিকর - বললেন পরিবেশ মন্ত্রী।


জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে তেহরানের হামলার পর, ইরানে পাল্টা হামলার হুমকি ডোনাল্ড ট্রাম্পের - শত্রুর বিরুদ্ধে দৃঢ় থাকতে ইরানিদের প্রতি পেজিশকিয়ানের আহ্বান।


ইসলামাবাদে আন্তর্জাতিক ভলিবল কাভা মেন’স টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশকে তিন-শূন্য সেটে হারিয়ে স্বাগতিক পাকিস্তানের শিরোপা জয়।

রাত ৮টা৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ২৯-০৭-২০২৬

 রাত ৮টা৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ২৯-০৭-২০২৬


আজকের সংবাদ শিরোনাম


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত --- জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন ও এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত ।


নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের খনন কাজ শুরু --- প্রতিদিন ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের প্রত্যাশা।


সরকারি হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার আশ্বাস স্বাস্থ্য মন্ত্রীর।


সকল প্রকল্পের সর্বোত্তম ব্যবহার ও উপযোগিতা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য --- মন্তব্য তথ্য ও সম্প্র্রচার মন্ত্রীর।


সুন্দরবনের বাঘ ও এর প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণে সরকার বদ্ধপরিকর –-- বললেন পরিবেশ মন্ত্রী। 


মার্কিন-সৌদি যৌথ হামলায় অন্তত ২০ ইরাকি যোদ্ধা নিহতসলামাবাদে আন্তর্জাতিক ভলিবল কাভা মেন’স টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশকে তিন-শূন্য সেটে হারিয়ে স্বাগতিক পাকিস্তানের শিরোপা জয়।

গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...