এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

মূল্যবান ভেষজ পারিজাত বা মান্দার গাছের ১৪টি ঔষধি ব্যবহার

 মূল্যবান ভেষজ পারিজাত বা মান্দার গাছের ১৪টি ঔষধি ব্যবহার

==========================================

পারিজাত বা মান্দার বা মাদার হচ্ছে কাঁটাযুক্ত একটি উদ্ভিদ। এদের বসন্তে লাল ফুল ফোটে। গ্রামাঞ্চলে কৃষকগণ বেড়ার কাজে মান্দার গাছ ব্যবহার করেন। এই গাছের ভেষজ গুণ রয়েছে এবং রোগ প্রতিকারে কাজে লাগে। নিম্নে সেসব বর্ণনা করা হলো।


প্রথমে জ্ঞাতব্য বিষয় হলো এই পারিজাত বা মান্দার গাছ রক্তবহ স্রোতের বিকারজনিত রোগে উপকার দশায়। তবে রসবহ স্রোত দূষিত হলে রক্তবহ স্রোত দূষিত হবে সেটা স্বাভাবিক, কিন্তু অন্য কারণেও রক্তবহ স্রোত দূষিত হতে পারে, তবে পরে অন্যান্য স্রোতকেও দূষিত করে।


১. উদক মেহে: এই মেহরোগে প্রস্রাবের পরিমাণ বেশি হয়, তবে একটু ঘোলাটে, অনেক সময় পিচ্ছিলও হয়, কিন্তু প্রস্রাবে গন্ধ থাকে না। এদের আর একটি বাহ্য লক্ষণ হবে, তালু বা মুখ গহ্ববের উপরের অংশটা শুকনো হতে থাকে। ক্লোম অর্থাৎ পিপাসার স্থানটাও শুষ্ক হতে থাকে। এই রোগাগ্রস্ত ব্যক্তির আরও একটি বিশেষ লক্ষণ হবে শোনা বা জানা কথা হঠাৎ মনে না আসা। তাঁদের ক্ষেত্রে ২ চা চামচ এই গাছের ছালের রস ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে একবার করে খেতে হবে, যদি দেখা যায় উল্লেখযোগ্য উপকার হচ্ছে না, তখন দু'বেলা খেতে হবে।


২. শিশুদের পু'য়ে লাগা বা রিকেট: যাকে আমরা চলতি কথায় রিকেট বলি। এইসব শিশুর মুখ থাকবে টুলটুলে, কিন্তু শরীরের অন্যান্য অংশটা যেন পাকিয়ে গেছে বা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে গাছের মূলের ছালের রস ১০ থেকে ১৫ ফোঁটা একটু দধের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে দিতে হবে।


৩. ক্রিমি রোগ: এই পারিজাত বা মাদার প্রধানভাবে কাজ করে রক্তজ ক্রিমির ক্ষেত্রে। এই রক্তজ ক্রিমি বহুরোগ সৃষ্টির কারণ হয়। এ ভিন্ন পাশ্চাত্য চিকিৎসকগণের মতেও E. N.T. এলাকায় বহু রোগের সৃষ্টি হয়। এটার মধ্যে অনেকগুলি রক্তজ ক্রিমির উপদ্রবে সৃষ্ট, যেক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, অথচ শিরঃপীড়ায় কাতর, সেক্ষেত্রে এই গাছের পাতার রস ৪ চা চামচ একটু গরম করে খাওয়াতে হবে, তবে বদ্ধ বৈদ্যগণ সাধারণ ক্রিমিতেও এই রস ব্যবহার করেন। এটা সুশ্রুতের উত্তরতন্ত্রের ৫৪ অধ্যায়ে বলা আছে।


৪. ধাতু দৌর্বল্যে: ধাতু দৌর্বল্যের একটা উপসর্গ আছে, যাকে বলা যায় বিশিষ্ট লক্ষণ, এদের স্বপনদোষ হলে ভোরের দিকেই হবে, আর উত্তেজনা সেটাও সেই ভোরবেলায়। এক্ষেত্রে এর পাতার রস ৩ থেকে ৪ চা চামচ একটু গরম করে, সকালবেলা একটু দুধে মিশিয়ে, তার সঙ্গে দুই বা এক দানা কপূর দিয়ে খেতে হবে। কপূর বেশি দিলে কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য আসবে, তাই সামান্যই দিতে হয়, এর দ্বারা ঐ অসুবিধাটা চলে যাবে।


৫. মধ্যকোষ্ঠ রোগ: এর বর্ণনা করতে গেলে এইটাই


বলতে হবে যে, ৪ থেকে ৬টা সন্দেশ খেলেই কোষ্ঠবদ্ধতা এসে গেল, আবার একমুঠো বাদাম, কিসমিস খেলো তো বেশি খুলে গেল, এই যাঁদের পেটের অবস্থা, তাঁদেরকে প্রাচীন বৈদ্যগণ বলেছেন এরা মধ্যকোষ্ঠ রোগের রোগী। এদের ক্ষেত্রে এই গাছের পাতার রস এবেলা ২ চা চামচ এবং ওবেলা ২ চা চামচ একটু গরম করে জলসহ খেতে হবে, এর দ্বারা মধ্যকোষ্ঠর সমস্যা থাকবে না। তবে এটা যদি অর্শ রুগিদের দেখা যায় তাহলে প্রতিকার অবশ্য হবে।


৬. মূত্রকৃচ্ছতা রোগ (Strangury): এই কৃষ্ণতার কারণ থাকে অন্য; যাকে বর্তমান যুগে বলা হচ্ছে বি-কোলাই ইনফেকশন। এর সঙ্গে একটু জ্বরও থাকে; এক্ষেত্রে ঐ ক্রিমিই তো এই রোগের কারণ; যার জন্য প্রস্রাব পরীক্ষা করা হয়, তাই পারিজাত বা মান্দার পাতার রস ১ চা চামচ অল্প জল মিশিয়ে একটু গরম করে সকালের দিকে একবার ও বিকালের দিকে একবার খাওয়ালে ঐ ব্যাকটিরিয়াগুলি অর্থাৎ ক্রিমিগুলো ধবংস হয়ে রোগ নিরাময় হবে।


৭. ঋতু দর্শনে: খুবই অল্প বয়সে যাদের মাসিক হয়েছে; ভাল যে হয় তাও নয়, এদিকে শরীরে ভারবাধ হয়, মাসিকের রক্ত একটু দেখা গেল, আবার বন্ধ হয়ে গেল, কিন্তু যন্ত্রণা খুবই হচ্ছে এক্ষেত্রে এই গাছের পাতার রস ৩ থেকে ৪ চা চামচ একটু গরম করে ঐ মাসিকের সময় অর্থাৎ চলাকালে ২ থেকে ৩ দিন খেলে কোনো কষ্ট থাকবে না। তবে এক মাসে সেরে না গেলেও ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে ঐ যন্ত্রণাভোগের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়


৮. অকালে মাসিক বন্ধ হওয়ার উপদ্রব: মাসিক ঋতু বন্ধ হওয়ার সময় হয় নি, অথচ মাসে মাসে অতিরিক্ত স্রাব হচ্ছে। সকল চিকিৎসকের অনুমান এটা বন্ধ হওয়ার পূর্ব লক্ষণ, কিন্তু এই অধিক স্রাব থাকবে না যদি এই ঋতুকালে ৩ থেকে ৪ দিন এই পারিজাত পাতার রস ২ চা চামচ একটু গরম করে প্রতিদিন সকালে ও বিকালে দু'বার খাওয়াতে হবে। এইভাবে ব্যবহার করলে ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে তাঁর স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে; তবে স্বাভাবিকভাবে যখন বন্ধ হওয়ার তখন হবে।


৯. মাসিক ঋতুর স্বল্প স্রাব: ঋতু দর্শন হয়েছে বটে, কিন্তু স্রাব ভালো হয় না, তার সঙ্গে ছুঁচ বেঁধানো যন্ত্রণা, এরা কিন্তু প্রায়ই একটু কৃশ হয়; প্রতি মাসেই যন্ত্রণা নিবারক কিছু ঔষধ খেতে হয়। এক্ষেত্রে এই গাছের পাতার রস ২ চা চামচ করে ঐ তিন থেকে চার দিন খেতে হবে এর দ্বারা ঐ যন্ত্রণার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে, তবে স্রাব ভালো হওয়া না হওয়া সেটা নির্ভর করে শরীর ভালো মন্দের উপরে। এসব রুগীর প্রায়ই অর্শ থাকে দেখা যায়। তবে সেটা ভিতরের আবর্তনীতে, মলদ্বারের মুখের কাছটায় নয়।


১০. স্তনে দুধের অভাব: সবই ভরপুর, কিন্তু দুধের অভাবে সন্তান হা হা করছে এক্ষেত্রে পারিজাত বা মান্দার পাতার রস ২ চা চামচ আর ঝুনো নারকেলের দুধ ৪ থেকে ৫ চা চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে, কয়েকদিন সকালের দিকে খেলে স্তনে দুধের অভাব থাকবে না।


১১. অববাহুক রোগ (Stiffness of ankle joint): হাত ঘুরাতেও পারা যাচ্ছে না, আবার উচুতেও তোলা যাচ্ছে না, আর পিঠ চুলকোবারও উপায় নেই, এই রকম সমস্যা হলো অববাহুক রোগের লক্ষণ। এই রোগে এই গাছের মূলের ছালের রস শায়িত অবস্থায় নাকে অর্থাৎ নাসাছিদ্রে টোপ ফেলা, সেটা যাতে গলা দিয়ে নেমে যায়, সেইটা করতে হবে। এই রকম অন্তত: ৩০ থেকে ৪০ ফোঁটা প্রতিদিন নাসাপান করলে কয়েকদিনের মধ্যেই অববাহুক রোগের উপশম হবে বোঝা যাবে।


১২. নতুন জ্বরে: চোখ মুখ ঝামরে জ্বর; যাকে বলা হয়


শরীর রসস্থ হয়ে জ্বর হয়েছে, সেক্ষেত্রে এই গাছের ছালের রস এক চা চামচ একটু জল মিশিয়ে ও গরম করে সকালে ও বিকালে দুইবার একটু মধু মিশিয়ে খেতে হবে। এর দ্বারা দু'দিনের মধ্যে জ্বর ছেড়ে যাবে।


১৩. রক্ত আমাশয়: এই গাছের ছালের রস এক বা দুই চা চামচ একটু গরম করে ২ থেকে ৪ চা চামচ দুধ মিশিয়ে ২ থেকে ৩ দিন খেলে রক্তামাশয় সেরে যাবে।


১৪. বাঘি হলে: কু'চকির এদিক বা ওদিক যে দিকেই হোক, আর যে কারণেই হোক, পারিজাত বা মান্দার পাতা বেটে, অল্প গরম করে ওখানে লাগাতে হবে। দুই দিনের মধ্যে ওর টাটানি ও ব্যথাটাও চলে যাবে।


রাসায়নিক গঠন:


(a) Poisonous alkaloids.


(b) Saponin.


(c) Waxy materials.


সতর্কীকরণ: ঘরে প্রস্তুতকৃত যে কোনো ভেষজ ওষুধ নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করুন।


তথ্যসূত্রঃ


১. আয়ূর্বেদাচার্য শিবকালী ভট্টচার্য, চিরঞ্জীব বনৌষধি খন্ড ১, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ১৩৮৩, পৃষ্ঠা, ১০৪-১০৭।

সম্পত্তি বণ্টনের নিয়ম বাংলাদেশের মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) প্রযোজ্য হয়, তবে হিন্দু, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য আলাদা আইন আছে।,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সম্পত্তি বণ্টনের নিয়ম বাংলাদেশের মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) প্রযোজ্য হয়, তবে হিন্দু, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য আলাদা আইন আছে। 


মুসলিম উত্তরাধিকার (ফারায়েজ) আইনে সম্পত্তি বন্টনের ক্ষেত্রে ৩টি প্রধান শ্রেণী রয়েছে:


——-

১. অংশীদারগণ (Sharers / জবিউল ফুরুজ)এঁরা হলেন সেই সকল ওয়ারিশ যাদের জন্য পবিত্র কোরআনে সুনির্দিষ্ট অংশ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রথমে এঁদের অংশ বন্টন করা হয়। এঁদের সংখ্যা ১২ জন (৪ জন পুরুষ ও ৮ জন মহিলা)।


গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজনের অংশ:

স্বামী: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে, তবে স্বামী পাবেন ১/৪ অংশ। সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকলে পাবেন ১/২ অংশ।

স্ত্রী: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে, তবে স্ত্রী (একজন বা একাধিক) পাবেন ১/৮ অংশ। সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকলে পাবেন ১/৪ অংশ।

পিতা: পুত্র বা পুত্রের সন্তান থাকলে পাবেন ১/৬ অংশ।

কন্যা: একজন হলে ১/২ অংশ। একাধিক হলে সবাই মিলে ২/৩ অংশ। যদি পুত্র থাকে, তবে পুত্র ও কন্যার অনুপাত হবে ২:১।

মাতা: পুত্র বা পুত্রের সন্তান বা দুই বা ততোধিক ভাই-বোন থাকলে পাবেন ১/৬ অংশ। অন্যথায় পাবেন ১/৩ অংশ।


——-

২. অবশিষ্টাংশ ভোগীগণ (Residuaries / আসাবা)অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ দেওয়ার পর যদি কোনো সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকে, তবে এই শ্রেণীর ওয়ারিশগণ সেই সম্পত্তি পাবেন।


এঁরা হলেন মৃত ব্যক্তির সাথে রক্ত সম্পর্কীয় নিকটাত্মীয়।

পুত্র-কন্যা একসাথে থাকলে, কন্যাকে অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি পুত্ররা পান এবং পুত্র-কন্যার অনুপাত হয় ২:১।


——-

৩. দূর সম্পর্কের আত্মীয়গণযদি উপরের দুই শ্রেণীর কোনো ওয়ারিশ না থাকে, তবে দূর সম্পর্কের আত্মীয়রা সম্পত্তি পান।


সম্পত্তি বণ্টনের প্রক্রিয়া (সারসংক্ষেপ)সম্পত্তি বন্টন সাধারণত নিম্নোক্ত ধাপ অনুসরণ করে:

১। প্রথমেই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে পাওনা পরিশোধ করা হয়:

* মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফনের খরচ।

* ঋণ পরিশোধ।

* যদি উইল (মৃত্যুর আগে করা) থাকে, তবে তা কার্যকর করা (তবে উইলের পরিমাণ মোট সম্পত্তির ১/৩ ভাগের বেশি হতে পারবে না এবং ওয়ারিশদের অনুকূলে উইল করা যায় না)।


২। অবশিষ্ট সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বন্টন:

* প্রথমে অংশীদারদের (Sharers) নির্ধারিত অংশ প্রদান করা হয়।

* অংশীদারদের অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি (যদি থাকে) অবশিষ্টাংশ ভোগীগণের (Residuaries) মধ্যে বন্টন করা হয়।


গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক পরিবর্তন বর্তমানে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ভাগ করার জন্য বণ্টননামা দলিল (Partition Deed) রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই পরিবর্তনটি জটিলতা ও প্রতারণা বন্ধের জন্য আনা হয়েছে।


পরামর্শ: যেহেতু উত্তরাধিকার আইন খুবই জটিল এবং প্রতিটি ব্যক্তির পারিবারিক কাঠামোর উপর নির্ভর করে, তাই আপনার নির্দিষ্ট সম্পত্তির বন্টন জানার জন্য একজন আইনজীবী বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে ভালো।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৬-১২-২০২৫ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৬-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দীর্ঘ ১৮ বছর পর বাবা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান 

মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের  পথে তারেক রহমান 

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভোটার হতে আইনগত কোন বাধা নেই --- জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন 

 তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে --- বললেন দলের মহাসচিব 

 সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মানবিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়তে কাজ করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী --- বলেছেন দলের আমির * চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে দুটি লঞ্চের সংঘর্ষে  চারজন নিহত --- দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য অনুদান ঘোষণা সরকারের

সিরিয়ার হোমস প্রদেশে একটি মসজিদে বোমা হামলায় নিহত অন্তত ছয়জন 

এবং সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টির পর্দা উঠলো আজ --- উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে ৮ উইকেটে হারালো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

অ্যালক্সানাম (Alloxanum) – সংক্ষিপ্ত ব্যবহারবিধি..

 অ্যালক্সানাম (Alloxanum) – সংক্ষিপ্ত ব্যবহারবিধি..


🍶 (Alloxanum) একটি গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ, যা মূলত ডায়াবেটিস মেলিটাস ও এর জটিলতা—বিশেষ করে -


🚼 অতিরিক্ত তৃষ্ণা,


🚮 ঘন ঘন প্রস্রাব, 


♿️ দুর্বলতা, নিউরোপ্যাথি ও প্যানক্রিয়াসের বিভিন্ন রোগ জনিত দুর্বলতা–তে ব্যবহৃত হয়।


হোমিওপ্যাথিতে একে অনেক সময় “Diabetes-এর Homoeopathic Insulin” বলা হয়🎓💖


🆘 এটি ইউরিক অ্যাসিডের ডেরিভেটিভ


[ডেরিভেটিভ হলো এমন পদার্থ, যা অন্য একটি মূল পদার্থ থেকে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে উৎপন্ন করা হয়।Alloxan হলো একটি রাসায়নিক পদার্থ, যা Uric acid (ইউরিক অ্যাসিড) থেকে উৎপন্ন একটি derivative। এটি মূলত গবেষণাগারে প্রাণীদের মধ্যে কৃত্রিমভাবে ডায়াবেটিস সৃষ্টি করতে ব্যবহৃত হয়।]


❌ মাদার টিঙ্কচার (Q) ব্যবহার করা হয় না (বিষাক্ত হবার কারণে)💔


♨️  ব্যবহৃত শক্তি: 6C, 30C, 200C, 1M..etc


📛 মূখ্য ক্রিয়া (Sphere of Action)


🧠  Pancreas (β-cells)


🩸 Blood sugar regulation


🚽 Urinary system (Polyuria)


🔥 Nerves (Diabetic neuropathy)


➡️ ইনসুলিন নিঃসরণে উদ্দীপক ভূমিকা


➡️ প্রাকৃতিকভাবে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ


➡️ ডায়াবেটিসজনিত দুর্বলতা ও ক্লান্তি হ্রাস


✴️ প্রধান ক্লিনিক্যাল ইন্ডিকেশন


💠 Diabetes Mellitus (Type-2 প্রধানত)


💠 Excessive thirst (Polydipsia)


💠 Frequent urination (Polyuria)


💠 Increased appetite (Polyphagia)


💠 Sugar in urine


💠 Diabetic neuropathy (burning, numbness)


💠 Diabetic nephropathy 

(albumin, creatinine ⬆️)


💠 Pancreatic weakness


💠 Juvenile diabetes (supportive)


💠 ➡️ ডায়াবেটিসের 3P (Polyuria, Polydipsia, Polyphagia)-এর ক্লাসিক ঔষধ..


 🌐 বিভিন্ন শক্তি ও ব্যবহার

শক্তি

ব্যবহার

🍶6C

প্রারম্ভিক ডায়াবেটিস, প্যানক্রিয়াস দুর্বলতা, পলিউরিয়া

🍶30C

Type-2 DM, 3P symptoms, দুর্বলতা (সবচেয়ে ব্যবহৃত)

🍶200C

ক্রনিক কেস, নিউরোপ্যাথি, নেফ্রোপ্যাথি

1M

পুরনো জটিল কেস, নার্ভ ড্যামেজ, অন্ধত্বের ঝুঁকি

🔹 গুরুত্বপূর্ণ কম্বিনেশন (সংক্ষেপ)

Type-2 DM:

Syzygium jambo, Gymnema,


Neuropathy:

Acid Phos, Zincum met 


Nephropathy:

Serum anguillae,Apocynum 


Type-1 (Insulin সহ):

 Pancreatinum, Uranium nitricum 


🔇 সতর্কতা (Very Important)


⚠️ এলোপ্যাথিক ডায়াবেটিস ঔষধ/ইনসুলিন চলমান থাকলে অবশ্যই চিকিৎসককে খেয়াল রাখতে হবে

⚠️ সুগার নিয়মিত মনিটর করা জরুরি

⚠️ গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহারযোগ্য

⚠️ ডায়েট ও ব্যায়াম অপরিহার্য


📚 রেফারেন্স (Authentic Homoeopathic Sources)


🔰 Dr. J.H. Clarke

📘 A Dictionary of Practical Materia Medica

➡️ Vol-1, Page 154–155

(Alloxan – Diabetes, Polyuria, Pancreatic action)


🔰 William Boericke

📘 Pocket Manual of Homoeopathic Materia Medica

➡️ Page 52

(Alloxan – Diabetes, sugar in urine, excessive thirst)


 🔰Burnett, J.C.

📘 Diseases of the Liver & Pancreas

➡️ Page 217–219

(Alloxan in Diabetes & Pancreatic disorders)


 🔰H.C. Allen

📘 Keynotes & Characteristics

➡️ Page 48

(Alloxan – marked polyuria & diabetes)


🔰 Murphy, Robin

📘 Lotus Materia Medica

➡️ Vol-1, Page 108

(Alloxanum – diabetic weakness, neuropathy)


AimZ Academy-এইমস একাডেমী   #কোয়ালিটি_মানেই_এইমস #অথোরাইজড_ডিস্টিবিউটর #homoeopathy #aimz #folliculinum_30_200 Aimz Int Homoeo Hall

ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত কিছু ইংরেজি শব্দ

 Religion – (রিলিজিয়ন) – ধর্ম

Islam – (ইসলাম) – ইসলাম ধর্ম

Muslim – (মুসলিম) – মুসলমান

Allah – (আল্লাহ) – সৃষ্টিকর্তা

Qur’an – (কুরআন) – পবিত্র গ্রন্থ

Prophet – (প্রফেট) – নবী

Muhammad (PBUH) – (মুহাম্মদ) – শেষ নবী

Messenger – (মেসেঞ্জার) – রাসূল

Faith – (ফেইথ) – ঈমান

Belief – (বিলিফ) – বিশ্বাস

Shahada – (শাহাদা) – ঈমানের ঘোষণা

Salah – (সালাহ) – নামাজ

Prayer – (প্রেয়ার) – প্রার্থনা

Mosque – (মসজিদ) – মসজিদ

Imam – (ইমাম) – নামাজের নেতা

Azan – (আজান) – নামাজের ডাক

Wudu – (ওজু) – অজু

Fasting – (ফাস্টিং) – রোজা

Sawm – (সাওম) – রোজা রাখা

Ramadan – (রামাদান) – রোজার মাস

Zakat – (যাকাত) – দান

Charity – (চ্যারিটি) – দান

Hajj – (হজ) – হজ

Pilgrimage – (পিলগ্রিমেজ) – তীর্থযাত্রা

Kaaba – (কাবা) – কাবাঘর

Mecca – (মক্কা) – পবিত্র নগরী

Medina – (মদিনা) – পবিত্র শহর

Qibla – (কিবলা) – নামাজের দিক

Minbar – (মিম্বর) – খুতবার স্থান

Khutbah – (খুতবা) – জুমার ভাষণ

Hadith – (হাদিস) – নবীর বাণী

Sunnah – (সুন্নাহ) – নবীর আদর্শ

Shariah – (শরিয়াহ) – ইসলামি আইন

Fiqh – (ফিকহ) – ইসলামি বিধান

Ummah – (উম্মাহ) – মুসলিম সমাজ

Dua – (দুয়া) – প্রার্থনা

Dhikr – (জিকির) – আল্লাহ স্মরণ

Tasbih – (তাসবিহ) – জিকিরের দানা

Tawhid – (তাওহীদ) – আল্লাহর একত্ব

Akhirah – (আখিরাহ) – পরকাল

Angel – (এঞ্জেল) – ফেরেশতা

Devil – (ডেভিল) – শয়তান

Sin – (সিন) – গুনাহ

Reward – (রিওয়ার্ড) – সওয়াব

Punishment – (পানিশমেন্ট) – শাস্তি

Heaven – (হেভেন) – জান্নাত

Hell – (হেল) – জাহান্নাম

Judgement Day – (জাজমেন্ট ডে) – কেয়ামত

Life – (লাইফ) – জীবন

Death – (ডেথ) – মৃত্যু

Halal – (হালাল) – বৈধ

Haram – (হারাম) – অবৈধ

Halal Food – (হালাল ফুড) – বৈধ খাদ্য

Cleanliness – (ক্লিনলিনেস) – পবিত্রতা

Purity – (পিউরিটি) – শুদ্ধতা

Modesty – (মডেস্টি) – শালীনতা

Hijab – (হিজাব) – পর্দা

Nikah – (নিকাহ) – বিবাহ

Marriage – (ম্যারেজ) – বিয়ে

Family – (ফ্যামিলি) – পরিবার

Parents – (প্যারেন্টস) – বাবা-মা

Respect – (রেসপেক্ট) – সম্মান

Kindness – (কাইন্ডনেস) – দয়া

Patience – (পেশেন্স) – ধৈর্য

Honesty – (অনেস্টি) – সততা

Truth – (ট্রুথ) – সত্য

Justice – (জাস্টিস) – ন্যায়বিচার

Equality – (ইকুয়ালিটি) – সমতা

Knowledge – (নলেজ) – জ্ঞান

Education – (এডুকেশন) – শিক্ষা

Book – (বুক) – কিতাব

Guidance – (গাইডেন্স) – পথনির্দেশ

Mercy – (মার্সি) – দয়া

Forgiveness – (ফরগিভনেস) – ক্ষমা

Peace – (পিস) – শান্তি

Brotherhood – (ব্রাদারহুড) – ভ্রাতৃত্ব

Community – (কমিউনিটি) – সমাজ

Responsibility – (রেসপনসিবিলিটি) – দায়িত্ব

Obedience – (ওবিডিয়েন্স) – আনুগত্য

Worship – (ওয়ারশিপ) – ইবাদত

Creator – (ক্রিয়েটর) – স্রষ্টা

Creation – (ক্রিয়েশন) – সৃষ্টি

World – (ওয়ার্ল্ড) – দুনিয়া

Hereafter – (হিয়ারআফটার) – পরকাল

Blessing – (ব্লেসিং) – নিয়ামত

Test – (টেস্ট) – পরীক্ষা

Destiny – (ডেস্টিনি) – তাকদীর

Trust – (ট্রাস্ট) – আমানত

Gratitude – (গ্রাটিটিউড) – কৃতজ্ঞতা

Thankfulness – (থ্যাঙ্কফুলনেস) – শুকর

Lawful – (লফুল) – বৈধ

Unlawful – (আনলফুল) – অবৈধ

Guidance Book – (গাইডেন্স বুক) – পথনির্দেশের গ্রন্থ

Leader – (লিডার) – নেতা

Follower – (ফলোয়ার) – অনুসারী

Humanity – (হিউম্যানিটি) – মানবতা

Ethics – (এথিক্স) – নৈতিকতা

Moral – (মোরাল) – নৈতিক

Discipline – (ডিসিপ্লিন) – শৃঙ্খলা

Submission – (সাবমিশন) – আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ


#vocabulary #learnenglish0

শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

অ্যাকাউন্ট বিভাগে চাকরি করতে গেলে এক্সেলের এই কাজগুলো জানতেই হবে!

 অ্যাকাউন্ট বিভাগে চাকরি করতে গেলে এক্সেলের এই কাজগুলো জানতেই হবে!


বর্তমান সময়ে অ্যাকাউন্টস, ফাইন্যান্স বা অডিট যে কোনো চাকরির ইন্টারভিউতে প্রথম প্রশ্ন আসে  “আপনি এক্সেলে কতটা দক্ষ?”


কারণ বাস্তবতা হলো আজকের অ্যাকাউন্টিং মানেই এক্সেল।‌ 


নিচে ধাপে ধাপে বলছি, কি কি এক্সেল কাজ জানতে হবে এবং কেন জানতে হবে ⬇️


1️⃣ Basic Excel (মাস্ট না জানলে চাকরি ঝুঁকিতে)

যা জানতে হবে:

Cell, Row, Column

Formatting (Number, Date, Currency)

Sort & Filter

Freeze Pane


কেন দরকার: দৈনন্দিন ডাটা এন্ট্রি, ভাউচার, লেজার, রিপোর্ট এসব কাজের বেসিক এখান থেকেই।


2️⃣ Excel Formulas (অ্যাকাউন্টসের প্রাণ)

যা জানতে হবে:

SUM, AVERAGE

IF, Nested IF

COUNT, COUNTA

ROUND


কেন দরকার: টোটাল, হিসাব মিলানো, কন্ডিশন অনুযায়ী রেজাল্ট বের করা, সবই ফর্মুলা ছাড়া অসম্ভব।


3️⃣ Lookup Functions (ডাটা খোঁজার দক্ষতা)

যা জানতে হবে:

VLOOKUP / HLOOKUP

XLOOKUP

INDEX + MATCH


কেন দরকার: হাজার হাজার ডাটার ভেতর থেকে নির্দিষ্ট কাস্টমার, ইনভয়েস বা এমপ্লয়ির তথ্য বের করার জন্য।


4️⃣ Accounting Reports তৈরি

যা জানতে হবে:

Trial Balance

Profit & Loss

Balance Sheet

Cash Flow


কেন দরকার: ম্যানেজমেন্ট ও অডিটের জন্য রিপোর্ট তৈরি করা অ্যাকাউন্টস অফিসারের মূল দায়িত্ব।


5️⃣ Pivot Table (স্মার্ট অ্যাকাউন্টেন্টদের অস্ত্র)

যা জানতে হবে:

Pivot Table তৈরি

Grouping

Slicer


কেন দরকার: অল্প সময়ে বিশাল ডাটা অ্যানালাইস করে রিপোর্ট বানাতে।


6️⃣ Data Validation & Conditional Formatting

যা জানতে হবে:

Dropdown List

Conditional Formatting Rules


কেন দরকার: ভুল ডাটা এন্ট্রি কমানো ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাইলাইট করার জন্য।


7️⃣ Practical Accounting Excel Skills

যা জানতে হবে:

Voucher Entry Sheet

Bank Reconciliation

Inventory Stock Report

Payroll Sheet


কেন দরকার: এগুলোই বাস্তব অফিসে প্রতিদিন করা হয়।


8️⃣ Shortcut & Efficiency Skills

যা জানতে হবে:

Keyboard Shortcuts

Faster Data Handling


কেন দরকার: কম সময়ে বেশি কাজ = ভালো পারফরম্যান্স = ক্যারিয়ার গ্রোথ।


শেষ কথা, যদি আপনি অ্যাকাউন্ট বিভাগে চাকরি করতে চান তাহলে 👇


❌ শুধু থিওরি জানলে হবে না

✅ প্র্যাকটিক্যাল এক্সেল স্কিল থাকতেই হবে


আজ এক্সেল শেখা মানে

📈 চাকরির সুযোগ বাড়ানো।

📈 স্যালারি বাড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ানো।


Tanvir Rahaman

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনা

 রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ।


১. সুদ (Riba):

যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না।

📖 রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ — “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা।”


২. অকৃতজ্ঞতা:

যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

📖 রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ — “কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব, অকৃতজ্ঞ হলে শাস্তি কঠিন।”


৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:

রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক কেটে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।

📖 হাদিস: “যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।” — বুখারি ২৯৮৬


৪. অসততা:

ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।


৫. প্রতারণা:

কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হারাম টাকা জীবনে অভাব ডেকে আনে।

📖 হাদিস: “যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।” — মুসলিম ১০২


৬. সালাত অবহেলা:

আজান–সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের বারকাহ কমে যায়।

📖 হাদিস: “রিযিক সালাতে আছে।” — সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত


৭. গীবত:

অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।

📖 সূরা হুজুরাত ১২


৮. অহংকার:

রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ। অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়।

📖 হাদিস: “যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে, সে জান্নাতে যাবে না।” — মুসলিম ৯১


৯. যাকাত আটকে রাখা:

যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায় এবং ধ্বংস হতে থাকে।

📖 সূরা তাওবা ৩৪-৩৫


১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:

যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।

📖 হাদিস: “মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করো।” — ইবন মাজাহ ২৪৪৩


১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো:

এতে সম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।


১২. লোভ:

যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে না—সে শেষ পর্যন্ত কম পায়।

📖 হাদিস: “মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়, তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।” — বুখারি ৬৪৩৯


১৩. বাবা–মাকে অবহেলা:

তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।

📖 হাদিস: “রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।” — মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)


১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:

জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই, বরং ধ্বংস ডেকে আনে।


১৫. সদকা অবহেলা:

সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।

📖 হাদিস: “সদকা সম্পদ কমায় না।” — মুসলিম ২৫৮৮


১৬. হিংসা:

অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।


১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:

যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায় করলে রিযিক উঠে যায়।


১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:

টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ বারকাহ পুড়িয়ে ফেলে।

📖 বুখারি ২০৮৭


১৯. অলসতা:

রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে। যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।


২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি:

আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।


📖 হাদিস: “আল্লাহ্‌র সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণ করেন।” — তিরমিজি ২৫১০


#আল্লাহ #রাজ্জাক #আর্নিং #হালালইনকাম #হালাল #রহমান  #রিজিক #follower #highlight

দুগ্ধ উৎপাদনের বিশ্বরেকর্ড: সুইজারল্যান্ডের শ্বেতশুভ্র সানেন (Saanen) ছাগল

 🥛 দুগ্ধ উৎপাদনের বিশ্বরেকর্ড: সুইজারল্যান্ডের শ্বেতশুভ্র সানেন (Saanen) ছাগল!


Agriculture TV-এর আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন: আজ আমরা পরিচিত হব এমন একটি বিশ্ববিখ্যাত ছাগলের জাতের সাথে, যা দুগ্ধ উৎপাদনের ক্ষেত্রে সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এটি হলো শান্ত, স্নিগ্ধ এবং অত্যন্ত উৎপাদনশীল সানেন (Saanen) ছাগল।


নামকরণ ও উৎপত্তি

‘সানেন’ নামটি এসেছে এর উৎপত্তিস্থল থেকে। এই জাতটির আদি নিবাস হলো সুইজারল্যান্ডের সানেন উপত্যকা (Saanen Valley)। এই উচ্চ আল্পাইন অঞ্চলে শীতল আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে এরা বিশ্বের সবচেয়ে ভালো দুগ্ধ উৎপাদনকারী ছাগল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।


প্রাপ্তিস্থান: এর অসাধারণ গুণের কারণে এই জাতটি এখন বিশ্বের প্রায় ৮০টিরও বেশি দেশে পালিত হয়, যার মধ্যে প্রধান হলো: সুইজারল্যান্ড, ইউরোপ, যুক্তরাজ্য, ভারত, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র।


দৈহিক গঠন এবং ওজন

সানেন ছাগল একটি মাঝারি থেকে বড় আকারের জাত। এদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো এদের শুভ্র সাদা রং এবং শান্ত স্বভাব। এদের প্রায় পুরো শরীর লোমে আবৃত থাকে।


ওজন: প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ (Buck) ছাগলের ওজন সাধারণত ৮০ থেকে ১০০ কেজি পর্যন্ত হয়। স্ত্রী (Doe) ছাগলের ওজন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কেজি হয়ে থাকে।


স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য: এদের কানগুলো খাড়া ও মাঝারি আকারের হয় এবং এদের প্রায় কোনো শিং থাকে না (Poll)। এদের দৈহিক গঠন দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত; সুগঠিত বাঁট এদের উচ্চ উৎপাদন ক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়।


কিসের জন্য সানেন এত বিখ্যাত? — দুগ্ধ শিল্পের রানি!

সানেন ছাগল হলো পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং জনপ্রিয় দুগ্ধ উৎপাদনকারী (Dairy) ছাগলের জাত:


বিশ্ব রেকর্ডধারী দুগ্ধ উৎপাদন: সানেন ছাগল দৈনিক গড়ে ৪ থেকে ৬ লিটার পর্যন্ত দুধ দিতে সক্ষম। অনুকূল পরিবেশে কিছু ছাগল দিনে ৮ থেকে ১০ লিটার দুধও উৎপাদন করে!


দীর্ঘ দুগ্ধদানকাল: এদের দুগ্ধদানকাল অনেক লম্বা, যা বাণিজ্যিক দুগ্ধ খামারের জন্য অত্যন্ত লাভজনক।


দুধের গুণমান: এদের দুধের ফ্যাট বা চর্বির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম (প্রায় ৩.৫%) এবং দুধের স্বাদ খুবই ভালো, যা প্রক্রিয়াজাত দুগ্ধপণ্য (যেমন: পনির, দই) তৈরির জন্য আদর্শ।


বংশবৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে এর গুরুত্ব

সানেন ছাগল সাধারণত একবারে একটি বা দুটি বাচ্চা দেয়। এরা যদিও শীতপ্রধান অঞ্চলের জাত, তবুও যত্ন ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিশ্বের উষ্ণ অঞ্চলেও এদের সফলভাবে পালন করা যায়।


বাংলাদেশে উপস্থিতি: বাংলাদেশে দুগ্ধ শিল্পের উন্নয়নে এবং দেশীয় ছাগলের সঙ্গে সংকরায়নের মাধ্যমে দুগ্ধ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সানেন ছাগলকে আমদানি করা হয়েছে। এর উচ্চ ফলনশীলতা বাংলাদেশের আধুনিক ডেইরি খামারগুলোর জন্য এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।


আপনার অভিজ্ঞতা কেমন?


আপনি কি মনে করেন, শীতল আবহাওয়ার এই জাতটিকে বাংলাদেশের উষ্ণ আর্দ্র পরিবেশে সফলভাবে লালন-পালন করা সম্ভব? সানেন ছাগল পালনে আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বা কোনো চ্যালেঞ্জ থাকলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আপনার মন্তব্য অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা হবে।


যদি এই প্রতিবেদনটি আপনার তথ্য ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে থাকে, তবে একটি লাইক দিয়ে আমাদের কাজকে উৎসাহিত করুন এবং শেয়ার করে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি অন্যদের কাছে পৌঁছে দিন।


কৃষি, দুগ্ধ উৎপাদন, এবং পশুপালনের প্রযুক্তিগত দিকগুলো সম্পর্কে আরও জানতে আমাদের Agriculture TV ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকুন।


যোগাযোগের মাধ্যম: আপনার ফার্ম বা কোনো সফল কৃষি প্রজেক্টের গল্প তুলে ধরতে আমাদের টিমের সহায়তা নিতে পারেন। আপনার উদ্ভাবনী প্রজেক্ট নিয়ে একটি প্রামাণ্য প্রতিবেদন তৈরি করতে আজই আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।


#সানেনছাগল, #SaanenGoat, #দুগ্ধউৎপাদন, #DairyGoat, #AgricultureTV, #GoatFarmingTips, #দুধেররানি, #সুইসব্রীড

সকাল বেলা – সূরা ইয়াসিন

 ১. সকাল বেলা – সূরা ইয়াসিন


রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি দিনের শুরুতে

সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে, তার সকল প্রয়োজন পূর্ণ করা

হবে।" (দারেমি)। এটি কুরআনের হৃদয়। সকালে এটি

পাঠ করলে সারাদিনের কাজে বরকত পাওয়া যায় এবং

মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।


২. রাতের বেলা - সূরা আল-মুলক


হাদিস অনুযায়ী, এই সূরাটি কবরের আজাব থেকে সুরক্ষা

দেয়। রাসুল (সা.) সূরা আল-মুলক না পড়ে রাতে ঘুমাতে

যেতেন না। এটি নিয়মিত পাঠকারীর জন্য কেয়ামতের দিন

সুপারিশ করবে যতক্ষণ না তাকে ক্ষমা করা হয়।


৩. বিপদের সময় - সূরা ফীল


শত্রুর আক্রমণ বা বড় কোনো বিপদে সূরা ফীল পাঠ করা

হয়। ঐতিহাসিক আবরাহার হস্তীবাহিনীর ধ্বংসের ঘটনা

এই সূরায় বর্ণিত হয়েছে। ওলামায়ে কেরাম বলেন, আল্লাহর

সাহায্যের ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রেখে এটি পাঠ করলে জালেম

ও শত্রুর অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।


৪. জাদু ও বদ নজরে - সূরা ফালাক ও সূরা নাস এই

দুই সূরাকে একত্রে 'মুআওয়াজাতাইন' (আশ্রয় প্রার্থনার

দুই সূরা) বলা হয়। যখন কেউ জাদুর প্রভাব বা মানুষের

কুনজরে পড়ে, তখন এই সূরা দুটি তাকে নিরাপত্তা দেয়।

রাসুল (সা.) প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এই দুই সূরা পড়ে

নিজের শরীরে ফুঁ দিতেন।


৫. মন খারাপ বা দুশ্চিন্তায় - সূরা ইনশিরাহ যখন মন খুব

বিষণ্ণ থাকে বা মনে হয় বিপদ কাটছেই না, তখন সূরা

ইনশিরাহ (আলাম নাশরাহ...) পাঠ করলে প্রশান্তি মেলে।

এতে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন- "নিশ্চয় কষ্টের

সাথেই স্বস্তি আছে।" এটি আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য

করে।


৬. রোগ-ব্যাধিতে - সূরা ফাতিহা সূরা ফাতিহার এক নাম

হলো 'আশ-শিফা' বা রোগমুক্তি। সহীহ বুখারীর বর্ণনা

অনুযায়ী, সাহাবায়ে কেরাম বিষাক্ত প্রাণীর দংশন এবং

বিভিন্ন অসুস্থতায় এই সূরা পড়ে দম (ফুঁ) করতেন এবং

সুস্থতা লাভকরতেন। এটি সকল রোগের প্রাথমিক আমল।


৭. ভয়ের সময় – আয়াতুল কুরসি আয়াতুল কুরসি

কুরআনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়াত। হাদিসে এসেছে,

রাতে শোবার সময় এটি পড়লে আল্লাহর পক্ষ থেকে

একজন ফেরেশতা তাকে পাহারা দেয় এবং শয়তান তার

ধারেকাছেও ভিড়তে পারে না। কোনো নির্জন স্থানে বা

বিপদে ভয় পেলে এটি পাঠ করা সবথেকে কার্যকর।


৮. রিজিক বৃদ্ধির জন্য – সূরা ওয়াকিয়া বিখ্যাত হাদিস

অনুযায়ী, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করবে,

সে কখনো দারিদ্র্যের শিকার হবে না। ওলামায়ে কেরাম

একে 'ধনী হওয়ার সূরা' বলে থাকেন। এ কারণে মাগরিব বা এশার পর এই সূরা পড়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

#gratitude

বিছানায় প্রস্রাব বন্ধ করার হোমিও ঔষধ

 🟩বিছানায় প্রস্রাব বন্ধ করার হোমিও ঔষধ🟩

Rubric: Bladder-Urination-involuntary-night.


🔴Causticum

-ঘুমের মধ্যে অনিচ্ছাকৃত প্রস্রাব

গভীর ঘুমে প্রস্রাব হয়ে যায়।

হাঁচি বা কাশির সময়ও প্রস্রাব ঝরে।

-রাতের প্রথম দিকে শিশুরা ঘুমের অবস্থায় অসাড়ে প্রস্রাব করে। 

-গরম কালে কম প্রস্রাব করে তবে শীতকালে বেশি। 

-রোগী শীতকাতুরে, সিমপ্যাথেটিক,অন্যায় সহ্য করতে পারে না।

-কোষ্ঠাবদ্ধ ধাতের, দাড়িয়ে মলত্যাগ ভালো হয়। 


🔴Sepia

-রাতে ঘুমের সময় প্রস্রাব।

-দিনের বেলা প্রস্রাব চেপে রাখা যায় না।

-স্বপ্নে প্রস্রাব করা দেখে।

-মেয়েদের ক্ষেত্রে বেশি কাজ করে। 

-শীতকাতর।বসন্তকালে এবং শীতকালে সমস্যা বাড়ে।


🔴Kreosotum

প্রথম ঘুমেই বিছানা ভিজে যায়।

-স্বপ্নে প্রস্রাব করা দেখে বিছানা ভিজিয়ে ফেলে। 

-প্রস্রাবের গন্ধ তীব্র ঝাঁঝালো। 

-শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত

-এবং যেসব শিশুর দুধ দাঁত ক্ষয়ে যায়। 


🔴Belladonna

-হঠাৎ হঠাৎ প্রস্রাব

-প্রস্রাবের সময় জ্বালা।

-ঘুম ভেঙে প্রস্রাব।

-রোগী প্রচন্ড রাগী এবং কুকুরের ভয় পায়।


🔴 Equisetum

-বারবার প্রস্রাবের বেগ

-ঘুমের মধ্যেও প্রস্রাব হয়ে যায়

-মূত্রাশয় পূর্ণ মনে হয়।


 🔴Phosphorus

-গভীর ঘুমে প্রস্রাব।

-দুর্বল, ভয়প্রবণ শিশুদের জন্য উপযোগী।

-শীতকাতুরে, সিমপ্যাথেটিক রোগী

-ঠান্ডা খাবার ভালোবাসে। 

-বজ্রপাত, অন্ধকার, একা থাকতে এবং ভুতের ভয় পায়। 


🔴Cina

-কৃমিজনিত সমস্যায় বিছানায় প্রস্রাব।

-বাচ্চা প্রচন্ড খিটখিটে। সারাক্ষণ মায়ের আঁচল ধরে থাকে। 

-প্রতিশোধ পরায়ণ। 

-প্রচন্ড ক্ষুধা। 

-মিষ্টি খেতে ভালোবাসে। 


★★এছাড়া প্রপার কেস টেকিং এর মাধ্যমে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দী...