এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বুখারী বলে: নবী এক রাতে ১১ স্ত্রীর সাথে! কুরআন বলে: স্ত্রীদের পালা! কোনটা মানবেন?

 🚨 বুখারী বলে: নবী এক রাতে ১১ স্ত্রীর সাথে! কুরআন বলে: স্ত্রীদের পালা! কোনটা মানবেন?

সালামুন আলাইকুম। আমি কুরআন-কেন্দ্রিক একজন মুসলিম। আমি কুরআনকে মানি, হাদিসকে নয়—কারণ কুরআন নিজেই বলছে সে সম্পূর্ণ, বিস্তারিত, কোনো কিছু বাদ পড়েনি (সূরা আনআম ৬:৩৮, সূরা নাহল ১৬:৮৯)।


তাহলে আসুন দেখি, হাদিসের দুনিয়ায় কী আছে—


১️⃣ সহীহ বুখারী ২৬৮: এক রাতে ১১ স্ত্রী!


আনাস ইবনু মালিক (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন:


"নবী (ﷺ) তাঁর স্ত্রীগণের নিকট দিনের বা রাতের কোনো এক সময়ে পর্যায়ক্রমে মিলিত হতেন। তাঁরা ছিলেন এগারজন।"


বর্ণনাকারী বলেন, আমি আনাস (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, "তিনি কি এত শক্তি রাখতেন?" তিনি বললেন, "আমরা পরস্পর বলাবলি করতাম যে, তাঁকে ত্রিশজনের শক্তি দেওয়া হয়েছে।"


সা‘ঈদ (রহ.) ক্বাতাদাহ (রহ.) হতে বর্ণনা করেন, আনাস (রা.) তাঁদের নিকট হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে এগারজনের স্থলে নয়জন স্ত্রীর কথা বলেছেন। (সহীহ বুখারী ২৬৮; ২৮৪, ৫০৬৮, ৫২১৫ দ্রষ্টব্য)


❓ প্রশ্ন: একজন বর্ণনাকারী বলছেন ১১ জন, আরেকজন বলছেন ৯ জন। তাহলে কোনটা সঠিক? হাদিস বর্ণনাকারীদের স্মৃতিতে এত গরমিল কেন?


২️⃣ প্রশ্ন: এক রাতে ৪ স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়ে গোসল না করলে?


এই হাদিস অনুযায়ী কেউ যদি এক রাতে তার ৪ স্ত্রীর সাথে একের পর এক মিলিত হয় এবং প্রতিবার গোসল না করে—তাহলে কি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয় না? সংক্রমণ, যৌন রোগ, নানা রকম সমস্যা—কিছুই হয় না? চিকিৎসা বিজ্ঞান কী বলে?


আর একজন "সর্বোশ্রেষ্ঠ নবী" কীভাবে এমন শক্তি পেলেন? এই হাদিস কি আদৌ নবীজির প্রতি সম্মান রক্ষা করে? নাকি তাঁকে ছোট করার জন্য বানানো হয়েছে?


৩️⃣ কুরআন কি বলে?


"তুমি তাদের মধ্যে যাকে চাও দূরে রাখতে পারো এবং যাকে চাও কাছে রাখতে পারো..." (সূরা আহযাব ৩৩:৫১)


কুরআনে নবীজির স্ত্রীদের সম্পর্কে পালা, দূরত্ব, কাছে রাখা—সব আল্লাহ নিজেই নির্ধারণ করেছেন। কিন্তু কোথাও এক রাতে ৯ জন বা ১১ জনের সাথে মিলিত হওয়ার কথা নেই।


বরং কুরআনে বিবাহের সীমা চার (সূরা নিসা ৪:৩), আর নবীজির জন্য বিশেষ বিধান (৩৩:৫০)। কিন্তু এক রাতে এতজন—এটা কুরআনের কোথাও নেই।


৪️⃣ হিন্দু-নাস্তিকরা যা বলে, আমরা কেন উত্তর দেব?


হিন্দু ও নাস্তিকরা এই হাদিস দেখিয়ে নবীজিকে "জনি সিন্স" এর সাথে তুলনা করে। এটা খুবই খারাপ লাগে আমাদের। কিন্তু দোষ কে? যে হাদিসগুলো কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক, সেগুলোই তো এই তুলনার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।


আমরা যদি কুরআনকে মানি, তাহলে এই হাদিস প্রত্যাখ্যান করা আমাদের দায়িত্ব। নবীজিকে ছোট করার দায় আমাদের উপর বর্তায় না—যারা এমন হাদিস বানিয়েছে, তাদের উপর বর্তায়।


🔴 আমি কুরআন মানি। হাদিস নয়।


· কুরআন বলে আল্লাহর কিতাব সম্পূর্ণ (৬:৩৮, ১৬:৮৯)।


· কুরআন বলে নবীজি ছিলেন উত্তম চরিত্রের (৬৮:৪)।


· কুরআনে এক রাতে ১১ স্ত্রীর কোনো বর্ণনা নেই।


· কুরআনে স্ত্রীদের পালার কথা আছে, কিন্তু এক রাতে সবাই নয়।


⚡ তাহলে বলুন:


· আল্লাহর নবীকে ছোট করার জন্য এই হাদিসগুলো কে লিখল?


· ৯ না ১১—এই গরমিলই কি প্রমাণ করে বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য নয়?


· আপনি কি কুরআনকে মানবেন, নাকি বুখারীকে?


আমি কুরআনকে মানি। কুরআনই আমার জন্য যথেষ্ট।


আপনি কি কুরআনকে মানেন, নাকি হাদিসকে? মন্তব্যে জানান। 👇


#Quranist #কুরআন_only #হাদিস_বনাম_কুরআন #বুখারী_২৬৮ #রিফর্মিস্ট_মুসলিম #ভাইরাল

কোন মন্তব্য নেই:

অফিসে চাকরি করতে চান? তাহলে এক্সেলের এই ২০টি ফর্মুলা জানতেই হবে!

 অফিসে চাকরি করতে চান? তাহলে এক্সেলের এই ২০টি ফর্মুলা জানতেই হবে! অফিসে এক্সেল এর কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি সময় নষ্ট হয় তখনই, যখন আপনি জানেন...