জনসংখ্যা কমানোর যুক্তি কি ইসলামের শিক্ষা?
পৃথিবীর আয়তন সীমিত, সম্পদ সীমিত, রাষ্ট্রের অবকাঠামো দুর্বল, কর্মসংস্থানের অভাব কিংবা অর্থনৈতিক সংকট, এসব যুক্তি দেখিয়ে জনসংখ্যা কমিয়ে রাখতে হবে, এমন কোনো নির্দেশনা কি পবিত্র কুরআন বা রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহতে রয়েছে?
পৃথিবীর রিজিকের মালিক আল্লাহ তাআলা। তিনি প্রতিটি সৃষ্টির রিজিকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
আল্লাহ বলেন
وَمَا مِنْ دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ إِلَّا عَلَى اللَّهِ رِزْقُهَا
অর্থ: ‘ভূপৃষ্ঠে বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই।’ (সুরা হুদ: ৬)
আবার রাসুলুল্লাহ ﷺ অধিক সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করেছেন।
তিনি বলেছেন
تَزَوَّجُوا الْوَدُودَ الْوَلُودَ فَإِنِّي مُكَاثِرٌ بِكُمُ الْأُمَمَ
অর্থ: ‘তোমরা অধিক সন্তান জন্মদানকারী ও প্রেমময়ী নারীকে বিয়ে করো। কারণ, কিয়ামতের দিন আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে অন্যান্য উম্মতের সামনে গর্ব করব।’ (সুনানে আবু দাউদ: ২০৫০)
তাহলে প্রশ্ন হলো, পৃথিবীর আয়তন, খাদ্যসংকট, অর্থনৈতিক দুর্বলতা কিংবা রাষ্ট্রের অব্যবস্থাপনাকে অজুহাত বানিয়ে জনসংখ্যা কমানোর চিন্তাকে ইসলামের শিক্ষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ কোথায়?
রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করা।
রাষ্ট্রের দুর্বলতা ঢাকতে মানুষের জন্মকে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা কতটা যৌক্তিক?
তবে মনে রাখতে হবে, ইসলাম পরিবার পরিকল্পনা, সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব এবং সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণের সব আলোচনাকে একভাবে নিষিদ্ধ করেনি। এসব বিষয়ে শরিয়তের পৃথক বিধান ও আলোচনা রয়েছে।
মূল কথা হলো, জনসংখ্যা বেশি হওয়াটাই সমস্যা নয়; বরং সুশাসন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, সম্পদের বণ্টন ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ব্যর্থতাই অনেক ক্ষেত্রে বড় সমস্যা। শিক্ষা?
পৃথিবীর আয়তন সীমিত, সম্পদ সীমিত, রাষ্ট্রের অবকাঠামো দুর্বল, কর্মসংস্থানের অভাব কিংবা অর্থনৈতিক সংকট, এসব যুক্তি দেখিয়ে জনসংখ্যা কমিয়ে রাখতে হবে, এমন কোনো নির্দেশনা কি পবিত্র কুরআন বা রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহতে রয়েছে?
পৃথিবীর রিজিকের মালিক আল্লাহ তাআলা। তিনি প্রতিটি সৃষ্টির রিজিকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
আল্লাহ বলেন
وَمَا مِنْ دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ إِلَّا عَلَى اللَّهِ رِزْقُهَا
অর্থ: ‘ভূপৃষ্ঠে বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই।’ (সুরা হুদ: ৬)
আবার রাসুলুল্লাহ ﷺ অধিক সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করেছেন।
তিনি বলেছেন
تَزَوَّجُوا الْوَدُودَ الْوَلُودَ فَإِنِّي مُكَاثِرٌ بِكُمُ الْأُمَمَ
অর্থ: ‘তোমরা অধিক সন্তান জন্মদানকারী ও প্রেমময়ী নারীকে বিয়ে করো। কারণ, কিয়ামতের দিন আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে অন্যান্য উম্মতের সামনে গর্ব করব।’ (সুনানে আবু দাউদ: ২০৫০)
তাহলে প্রশ্ন হলো, পৃথিবীর আয়তন, খাদ্যসংকট, অর্থনৈতিক দুর্বলতা কিংবা রাষ্ট্রের অব্যবস্থাপনাকে অজুহাত বানিয়ে জনসংখ্যা কমানোর চিন্তাকে ইসলামের শিক্ষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ কোথায়?
রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করা।
রাষ্ট্রের দুর্বলতা ঢাকতে মানুষের জন্মকে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা কতটা যৌক্তিক?
তবে মনে রাখতে হবে, ইসলাম পরিবার পরিকল্পনা, সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব এবং সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণের সব আলোচনাকে একভাবে নিষিদ্ধ করেনি। এসব বিষয়ে শরিয়তের পৃথক বিধান ও আলোচনা রয়েছে।
মূল কথা হলো, জনসংখ্যা বেশি হওয়াটাই সমস্যা নয়; বরং সুশাসন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, সম্পদের বণ্টন ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ব্যর্থতাই অনেক ক্ষেত্রে বড় সমস্যা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন