এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ৪ নভেম্বর, ২০২২

সাত দোজখের বর্ননা

সাত দোযখের বর্ণনাঃ......


১। প্রথম দোযখের নাম, "হাবিয়া "

ফেরাউন, নমরুদ প্রভৃতি কাফেরগন এই দোযখে বাস করবে ।


২। দ্বিতীয় দোযখের নাম "ছায়ির "

মুশরিকগন এই দোযখে বাস করবে।


৩। তৃতীয় দোযখের নাম "ছাকার "

মূর্তিপূজকগন এই দোযখে বাস করবে।


৪। চতুর্থ দোযখের নাম "জাহীম "

শয়তান ও অগ্নিপূজকগন এই দোযখে বাস করবে ।


৫। পঞ্চাম দোযখের নাম "হুতামা "

ইহুদীগন এই দোযখে বাস করবে ।


৬। ষষ্ঠ দোযখের নাম "লাজা "

খ্রিষ্টানগন এই দোযখে বাস করবে ।


৭। সপ্তম দোযখের নাম "ওয়াইল "/ " জাহান্নাম "

আমাদের আখেরী নবী হুযুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতের যারা পাপের কাজ করে বিনা তওবায় মারা যাবে তারা এই দোযখে বাস করবে।


হে আল্লাহ পাক! সব ধরনের দোজখের আজাব থেকে রক্ষা করুন..............


_________আমীন

কপি
পেস্ট

আমাদের ছাদ বাগানে একদিন

আমাদের ছাদবাগান এর একদিন


‌‌এখানে আমার শাশুড়ি নানান রকমের ফল ও ফুল গাছের বাগান করেছেন।

পুরো বাড়ির যত গাছ সবকিছুই আমার শাশুড়ির নিজের হাতে লাগানো। মানুষের নানান রকমের শখ আহ্লাদ থাকে। আমার শাশুড়ির শখ হলো বাগান করা, 

এমন কোন‌ গাছ নেই যে, উনি এ বাড়িতে রোপণ করেন নি। আমরা প্রতিবার আমাদের মোহনপুর এর গ্রামের বাড়িতে যাই আর অবাক হয়ে যাই, তার নানান রকমের নতুন নতুন গাছের বাগান দেখে, কখনো স্ট্রবেরী, কখনো মে ফুল গাছ, কখনো বিদেশি লাল ডাব, কখনো লিচু ফল, কখনো আতা ফল, কখনো আমড়া, কখনো ১২ মাসের আম গাছ, কখনো নানান রকমের রং বেরঙের ফুল গাছ । এসব গাছ উনি নানান নার্সারি থেকে সংগ্রহ করেন, মাঝে মাঝে বৃক্ষমেলা থেকেও নানান রকমের ফল ও ফুল গাছের কালেকশন করেন। গাছের প্রতি উনার এরকম ভালোবাসা দেখতে সত্যি ভালো লাগে। আমি যতবার মোহনপুর যাই, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই ঘুরে ঘুরে আমার শাশুড়ির নতুন নতুন গাছের কালেকশন দেখি আর মুগ্ধ হই, মাঝে মাঝে উনিও পরম উৎসাহের সাথে আমাকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পুরো বাড়িতে কোন গাছ এ কোন ফল হলো, ফুল হলো তা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখান। আর এই দিন ছিল,‌ কোরবানির ঈদের পরদিন, সকালবেলা মা গাছে পানি দিতে উঠলেন আর বললেন একটা ঝুড়ি নিয়ে উঠতে, আমরাও ছাদে উঠলাম আর এক এক করে আতা ফল, করমচা, লেবু, বোম্বাই মরিচ, আমড়া, চেরি পেয়ারা, কাজী পেয়ারা পেরে ঝুড়ি ভরলাম। সে এক অন্য রকম অনুভুতি 😍 😍 😍

   আমার শাশুড়ির এরকম বাগানবিলাসী মনোভাব এর জন্য আমরাও প্রকৃতিকে খুব কাছে থেকে দেখতে পারি, অনেক রকমারী ফল এর স্বাদ নিতে পারি। 

ছোটবেলায় আমার দাদি বাড়িতে এমন‌ অনেক স্মৃতি ছিল আমার দাদির সাথে, আমার দাদিও এমন বাগান করেন,‌ আমরা‌ ছোটবেলায় আমের দিন এ দাদি বাড়িতে যেতাম আর দুপুরবেলা ছাদে কাঁচা মরিচ আর লবন নিয়ে উঠতাম, ছাদ থেকে আম পেড়ে আম ভর্তা বানিয়ে খেতাম। আমার শাশুড়ির বাগান দেখে আমার ছোটবেলায় আমার দাদির সাথে কাটানো মুহূর্তগুলো মনে পড়ে যায়। সবাই দোয়া করবেন যেন আল্লাহ উনাদের সবাইকে সুস্থ রাখেন। 

কপি
পেস্ট

সিরাত চর্চা

সিরাত_চর্চা পড়ে দেখতে পারেন। ইনশাআল্লাহ ভাল লাগবে


নবুয়াতের একেবারে শুরুর দিকের কথা। তখনও মক্কায় ইসলামের তেমন নাম-ডাক ছড়ায় নি। মুষ্টিমেয় লোক মাত্র ইসলামে প্রবেশ করেছে। কিন্তু, ততোদিনে নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শত্রুদের চোখের কাটায় পরিণত হয়ে গেছেন ঠিক-ই।


একদিন, ইরাশ গোত্রের একলোক তার একটা উট নিয়ে মক্কায় আসেন সওদার উদ্দেশ্যে। উটটা বিক্রি করার জন্যে তিনি বাজারে বাজারে ঘুরে ক্রেতা খুঁজতে লাগলেন। আবু জাহেল বাজারের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় উটটি দেখে এবং পছন্দ করে ফেলে। যখন জানতে পারে যে, এই উট বিক্রি হবে, তখন উটটি কিনে নেওয়ার জন্য আবু জাহেল ইরাশ গোত্রের ওই লোকের কাছে ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করে। আবু জাহেল সম্প্রদায়ের সম্মানিত এবং প্রতাপশালী ব্যক্তি। ইরাশ গোত্রের ওই ব্যক্তিও তাকে চিনতে পারেন, এবং তার কাছে নিজের উট বেচতে পারাটাকে সম্মানের মনে করেন। এরপর, তাদের মধ্যে দরাদরি হয় এবং একটা নির্ধারিত মূল্যে আবু জাহেল উটটি কিনে নেয়। কিন্তু আবু জাহেল ইরাশ গোত্রের লোকটিকে বললো, ‘শোনো, আমার সাথে তো পর্যাপ্ত টাকা নেই এখন। এক কাজ করো, উটটি আমি আজ নিয়েই যাই বরং। তোমাকে উটের দাম আগামিকাল দিয়ে দেওয়া হবে, কি বলো?’


সম্মানিত এক গোত্রের এতো সম্মানিত এবং প্রতাপশালী এক নেতা যখন এভাবে আবদার করে, তখন জগতের যেকেউ তা নির্ধিদ্বায়, নিঃসংকোচে মেনে নেবে। ইরাশ গোত্রের ওই লোকটাও মেনে নিলেন। বললেন, ‘কোন সমস্যা নেই। আমি আজকেই মক্কা ছাড়ছিনা। আরো কয়েকদিন আমি এখানে অবস্থান করবো। উটের দামটা আপনি আমাকে পরেই নাহয় বুঝিয়ে দিবেন। আপনি এই উট নিয়ে যান দয়া করে’।


আবু জাহেল উটটিকে নিয়ে আসলো ঠিক-ই, কিন্তু সে বুঝতে পারলো যে, এই সওদাগর নিতান্তই আলাভোলা এবং নির্বোধ। তারউপর গরিব। সুতরাং, একে সহজেই ঠকানো যাবে। উটের দামটা না দিলে, কিংবা উট ক্রয়ের ব্যাপারটা পুরোপুরি অস্বীকার করে চেপে গেলেও এই বোকাটার ক্ষমতা নেই কিছু করার।


আবু জাহেল তা-ই করলো। পরেরদিন উটের মালিক যখন আবু জাহেলের কাছে উটের দামটা চাইতে আসলেন, তখন তো আবু জাহেলের আকাশ থেকে পড়ার মতোন অবস্থা। চেহারায় নিষ্পাপ এবং গাম্ভীর্যতার একটা ছাপ জিইয়ে রেখে আবু জাহেল বললো, ‘তুমি কে বলো তো? তোমাকে তো আগে কখনো এদিকটায় দেখিনি। আর, কিসের দাম তুমি চাইছো আমার কাছে?’


আবু জাহেলের কথা শুনে হতবাক হয়ে গেলেন উটের মালিক। বংশীয় মর্যাদা আর পতিপত্তির দিকে চেয়ে, অগাধ বিশ্বাস করে নিজের একমাত্র উটটি বাকিতে যার হাতে তুলে দিয়েছিলো, সেই ভদ্রলোকটাই নাকি ব্যাপারটাকে অস্বীকারের পাঁয়তারা করছে। তিনি বললেন, ‘দেখুন, গতকাল বাজারে আপনি আমার উটটি কিনতে চাইলে আমি আপনার কাছে বেচতে রাজি হই। কিন্তু, আপনার সাথে টাকা না থাকায় আপনি আমাকে পরে শোধ করার ওয়াদা করেন। আজ আপনি সবটা কিভাবে অস্বীকার করে যাচ্ছেন?’


আবু জাহেল ক্ষিপ্ত গলায় বললো, ‘দূর হও এখান থেকে! তুমি আমার নামে অপবাদ দিতে এসেছো কোন সাহসে? তুমি চেনো আমি কে?’


উটের মালিক আবু জাহেলকে চেনে। এই তল্লাটের ক্ষমতাধর, প্রতাপশালী একজন নেতা। এবং, লোকটা নিজেকেও খুব ভালো মতোন চিনে। গরিব আর অসহায় এক বিদেশি যে পেটের দায়ে নিজের উটখানা ভালো দামে বেচতে এসেছিলো এই দূরের দেশে। এই তল্লাটের নেতাই যখন তার সাথে প্রবঞ্চনার আশ্রয় নিলো, তখন চোখের জল ফেলা ছাড়া আর উপায় কি?


কিন্তু, এতোদূরে এসে, এভাবে একেবারে খালি হাতে ফেরত যেতে কেমন যেন মন সাঁয় দেয়না তার। লোকটা কুরাইশদের একটা সভায় এসে বললেন, ‘কুরাইশগণ! আপনাদের কেউ কি আবুল হাকামের কাছ থেকে আমার পাওনা টাকা আদায় করে দিতে পারবেন?’ দেখুন, আমি একজন বিদেশি। একটি উট ছিলো, তা আপনাদের তল্লাটে বেচতে এসেছিলাম। আমাকে দূর্বল এবং অসহায় পেয়ে আবুল হাকাম ইবনে হিশাম আমার পাওনা টাকা দিতে অস্বীকার করছে। দয়া করে, কেউ কি আমাকে আমার পাওনা টাকা আদায়ে সাহায্য করতে পারেন?’


যে জটলার কাছে এসে উটের মালিক এই কড়জোর অনুনয় করছিলো, তার অদূরে, একটা খোলা জায়গায় বসে ছিলেন নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। জটলার লোকেরা নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখিয়ে দিয়ে বললো, ‘ওই যে এক লোক ওখানে বসে আছে, দেখতে পাচ্ছো?’


-‘হ্যাঁ’।


-‘তার কাছে যাও। একমাত্র সে-ই পারবে তোমার পাওনা আদায় করে দিতে’।


আসলে, তারা যে সৎ উদ্দেশ্যে নবিজীকে দেখিয়ে দিয়েছিলো সেদিন, তা কিন্তু নয়। তারা নবিজীকে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ফেলার জন্যেই এরূপ করেছিলো। মুহাম্মাদ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবু জাহেলের মধ্যে যে একটা বিরোধ চলছে, সেটা তারা খুব ভালোভাবেই জানতো। নবিজীকে দেখিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিলো এই, আবু জাহেলের মুখোমুখি হতে নবিজী সাহস করে কি না, তা যাচাই করা, কিংবা নবিজী যদি সত্যই লোকটাকে নিয়ে আবু জাহেলের কাছে যায়, তাহলে আবু জাহেল আগের চাইতে আরো দ্বিগুণ রেগে যাবে। সর্বোপরি, নবিজীকে বিব্রতকর বিপদের মুখোমুখি করিয়ে দেওয়াই তাদের মোক্ষম উদ্দেশ্য ছিলো।


কিন্তু, উটওয়ালা সরল ওই লোক তো আর এতো দুরভিসন্ধি সম্পর্কে জানেন না। তিনি তাদের কথা মতো, নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন, ‘হে আল্লাহর বান্দা! আমি অমুক জায়গা থেকে এখানে সওদা করতে এসেছি। এই তল্লাটের আবুল হাকাম ইবনে হিশামের কাছে আমি আমার একমাত্র উটটি বেচে দিয়েছিলাম, কিন্তু আমার পাওনা টাকা দিতে লোকটা এখন অস্বীকার করছে। আমি ওই জটলার লোকগুলোর কাছে অনুনয় করে বলেছিলাম আমার পাওনা টাকা আদায়ে আমাকে একটু সাহায্য করার জন্যে। তারা সকলে আপনাকেই দেখিয়ে দিয়েছে। তারা বললো, আপনিই এর উপযুক্ত ব্যক্তি। আপনি কি আমাকে কোনোভাবে সাহায্য করতে পারেন?’


সবটা শুনে নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আমার সাথে আসুন’।


লোকটাকে সাথে নিয়ে নবিজী ঠিক ঠিক আবু জাহেলের গৃহে উপস্থিত হলো। ঘরের দরোজায় কড়া নাড়তে ভেতর থেকে আবু জাহেল বললো, ‘কে কড়া নাড়ছে?’


নবিজী উত্তরে বললেন, ‘আমি মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল মুত্তালিব’।


-‘কি চাই?’


-‘একটু দরকার আছে। বাইরে এসো’।


আবু জাহেল দরোজা খুললো, এবং তার চেহারা খুব অস্বাভাবিক হয়ে উঠলো সাথে সাথে। বাঘের মুখে পড়লে বনের বনেদি হরিণের যে অবস্থা হয়, ঠিক সেরকম। ভয়ার্ত চেহারা তার, যেন গলা শুকিয়ে একেবারে কাঠ হয়ে গেলো। কোনোভাবে নিজেকে সামলে নিয়ে বললো, ‘কি বলতে চাও, বলো?’


নবিজী উটের মালিককে দেখিয়ে বললো, ‘এই লোকটার কাছ থেকে উট কিনে তার দাম দিচ্ছো না কেনো? এক্ষুণি তার দাম পরিশোধ করে দাও’।


আবু জাহেল একদৌঁড়ে ভেতরে ঢুকে পড়লো, এবং খানিক বাদে, হাঁপাতে হাঁপাতে এসে উটের মালিকের হাতে তার ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে, পুনঃরায় ঘরের ভেতর ঢুকে ধপাস করে দরোজা লাগিয়ে দিলো।


উটের মালিক আগের জটলার কাছে ফিরে এলে, তারা বললো, ‘কি হে, কি হলো তোমার পাওনার?’


তিনি হাসিখুশি চেহারায় বললেন, ‘আপনাদের দেখিয়ে দেওয়া লোকটা আমাকে আবুল হাকামের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে, আমার পাওনা আদায় করে দিয়েছেন। আল্লাহ যেন তাকে উত্তম প্রতিদান দান করেন’।


উটের মালিকের উত্তর শুনে হতভম্ব হয়ে গেলো জটলার লোকগুলো। তারা ভাবলো, এমন তো হওয়ার কথা ছিলো না! কথা ছিলো, এই উছিলায় মুহাম্মাদ এবং আবু জাহেলের মধ্যে একটা ভীষণ লড়াই বাঁধবে এবং তাতে আবু জাহেল জিতে যাবে। আর, আমরাও নতুন সুযোগ পাবো মুহাম্মাদকে উত্যক্ত করার। কিন্তু তার তো কিছু হলোই না, উল্টো লোকটা নাকি পাওনা টাকা পেয়ে গেছে। ঘটনা কি?’


ঘটনা জানা যায় একটু বাদে। আবু জাহেল যখন তাদের কাছে এলো, তারা বললো, ‘আজ কি হলো তোমার, আবুল হাকাম? এমন তো আগে আর কখনো হতে দেখিনি আমরা। মুহাম্মাদের কথায় তুমি লোকটার পাওনা পরিশোধ করে দিলে?’


আবু জাহেল বললো, ‘নাহ, ঘটনা তোমরা যেমন ভাবছো, তেমন নয়। মুহাম্মাদ আমার দরোজায় কড়া নাড়লে আমি বেরিয়ে আসি। বিশ্বাস করো, বাইরে এসে আমি যে দৃশ্য দেখেছি, তার চাইতে ভয়ঙ্কর, তার চাইতে অদ্ভুত জিনিস আমি আর ইতোপূর্বে কখনোই দেখিনি’।


সবাই বললো, ‘আবুল হাকাম, তুমি কি এমন দেখলে যার ভয় তোমাকে এখনো তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে?’


-‘আমি দেখলাম, মুহাম্মাদের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে একটা বিশাল আকৃতির উট। তার চোয়াল এতো উঁচু যে, তা যেন আকাশ ছুঁতে চাচ্ছে। এতো বিশাল ঘাঁড় আর ভয়ঙ্কর দাঁত বিশিষ্ট কোন উট আমি আগে কখনোই দেখিনি। বিশ্বাস করো, ওই উট এতো বড় হাঁ করে ছিলো যে, আমার মনে হলো, আমি যদি মুহাম্মাদের কথায় উটের মালিককে পাওনা পরিশোধ না করতাম, তাহলে ওই ভয়ঙ্কর উটটা আমাকে একেবারে গিলে খেয়ে ফেলতো’।


মূলত, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা সেদিন বিশেষ সাহায্যের মাধ্যমে নবিজীকে আবু জাহেলের মুখোমুখি করেছিলেন। অবস্থা এমন করেছিলেন যে, আবু জাহেল ঘরের বাইরে এসেই ভয়ে তটস্থ হয়ে পড়লো, নবিজীকে অপমান করা তো দূরে থাক।


এটা নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা বিশেষ সাহায্য। কিন্তু, এই ঘটনা থেকে আমরা নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটা মহান গুণের সন্ধান পাই। ওই সময়, মক্কায় আবু জাহেলের চাইতে বড় কোন শত্রু নবিজীর ছিলো না। সারাক্ষণ নবিজীর বিরুদ্ধে কোন না কোন শয়তানিতে লিপ্ত ছিলো আবু জাহেল। মাঝে মাঝে, নবিজীকে হত্যা করতেও গিয়েছিলো সে।


এমন এক শত্রুর মুখোমুখি হতে যাওয়াটা যে অনেক সাহসের দাবি রাখে, তা নিঃসন্দেহে। তাও, আত্মরক্ষার জন্য কোনোরকম অস্ত্র ছাড়াই। নিজের জন্যেও নয়, কোন এক বিদেশি, যার পাওনা পরিশোধ করছেনা আবু জাহেল, তার জন্যে। এই যে মানুষের জন্য ঘোরতর শত্রুর মুখোমুখি হওয়া, নিজের জীবন নাশের শংকা আছে জেনেও তার সামনে গিয়ে দাঁড়াতে পারা, এটাই একজন প্রকৃত নেতার গুণ। আর, নেতা হিশেবে কতোই না উত্তম মুহাম্মাদ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। 

কপি
পেস্ট

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০৪ শুক্রবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(০৪-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আগামীকাল দেশে পালিত হবে জাতীয় সমবায় দিবস - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসের উদ্বোধন করে জাতীয় সমবায় পুরস্কার প্রদান করবেন। 


* বিএনপি যেভাবে আন্দোলনের নামে বাড়াবাড়ি করছে, তাতে তাদের আন্দোলনের পতন ধ্বনি শোনা যাচ্ছে - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের। 


* শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশকে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় সহায়তা করছে - যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ম্যাগাজিন ‘নিউজউইক’-এ এক নিবন্ধে বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। 


* সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আসার আহবান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। 


* ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে রাশিয়ার ওপর প্রভাব খাটানোর জন্য চীনের প্রতি আহবান জানালেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ। 


* এবং অ্যাডিলেইডে আয়ারল্যান্ডকে পরাজিত করে আইসিসি টি-টেয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে উঠলো নিউজিল্যান্ড।

https://knowledge-hill.blogspot.com/2022/11/blog-post_04.html

পাছে লোকে কিছু বলে

 সরকারি চাকুরি করলে সমাজ বলে, ''এই টাকায় মাস চলবে?''🤔


বেসরকারি চাকুরি করলে সমাজ বলে, ''সরকারি চাকুরি পাও না?''😥


সরকারি চাকুরিতে সৎ থেকে খুব সাধারণ জীবন যাপন করলে সমাজ বলে, ''ছেলেটা চালু না, জানে না কীভাবে বাড়তি ইনকাম করতে হয়।''🤔


সরকারি চাকুরিতে ঝলমলে জীবন যাপন করলে সমাজ বলে, ''সেই ঘুষখোর।''😡


বেসরকারি চাকুরিতে উন্নতি করলে সমাজ বলে, ''তাতে কী সরকারি জব তো আর পায়নি!''😅


বেসরকারি চাকুরি করে কোন রকমে জীবন চালিয়ে নিলে সমাজ বলে, ''কামলা খাটছে, কিছুই করতে পারল না লাইফে।''😊


আবার চাকুরি না করে ব্যবসা শুরু করলে সমাজ বলে, ''কিছু না পেরে এখন ধান্দাবাজি শুরু করছে!''🤔


আবার কিছুই না করে বেকার থাকলেও সমাজ বলে, ''অচল জিনিস , জীবনে কিছু করতে পারলো না।🙂


জ্বী, 

এটাই সমাজের বাস্তবতা।


আপনি আপনার জায়গায় ঠিক থাকলে কে কি বললো It's Nothing ..

তাই পারতপক্ষে সমাজের ধার না ধারাটাই উত্তম।

নিজের মত চেষ্টা করা এবং সত্য ও সৎ পথে ধৈর্য সহ চলতে থাকাটাই বড় কথা।


♦{সৃষ্টিকর্তা যা ভাগ্যে রেখেছেন তা অবশ্যই শ্রেষ্ঠ}

কপি

পেস্ট

ইবলিস শয়তান হওয়ার আগে আল্লাহর সম্মানিত ফেরেস্তা ছিলেন

❝ইবলিশ শয়তান ৬ লক্ষ বছর আল্লাহর ইবাদত করেছিল আর তাকে যখন  শয়তান বলে আরশ থেকে নিক্ষিপ্ত করা হচ্ছিল তখন সে বলেছিল আমি যত বছর আপনার ইবাদত করেছি এর পরিবর্তে আমি যা চাই তাই দিতে হবে❞.........


❝আল্লাহ বলেন,, কি চাও❞??


❝উত্তরে শয়তান বলল,, হে আল্লাহ আপনি আমাকে পৃথিবীতে মারদুদ হিসেবে নিক্ষেপ করেছেন আমার জন্য একটি ঘর বানিয়ে দিন❞,,,,,,,, 


❝আল্লাহ পাক বলেনঃ তোমার ঘর হাম্মাম খানা❞,,,,,


 ❝শয়তানঃ একটি বসার জায়গা দিন❞..


❝আল্লাহ পাক বলেন,, তোমার বসার জায়গা বাজার ও রাস্তা❞,,,,,,,


 ❝শয়তানঃ আমার খাওয়ার প্রয়োজন❞


❝আল্লাহ পাক বলেন,, তোমার খাওয়া ঐ সব জিনিস যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয় না❞,,,,,,


❝শয়তানঃ আমার পানীয় প্রয়োজন❞


❝আল্লাহ পাক বলেন,, নেশাদ্রব তোমার পানি❞


 ❝শয়তানঃ আমার দিকে আহবান করার কোন মাধ্যম দিন❞..........


❝আল্লাহ পাক বলেনঃ নাচ-গান, বাদ্য-বাজনা তোমার দিকে আহবান করার মাধ্যম❞.....


❝শয়তানঃ আমাকে লিখার কিছু দিন❞


❝আল্লাহ পাক বলেনঃ শরীরে দাগ দেওয়া উল্কি ট্যাটু অংকন করা❞,,,,,,


❝শয়তান: আমাকে কিছু কথা দিন❞......


❝আল্লাহ পাক বলেন,, মিথ্যা বলা তোমার কথা❞,,,,


❝শয়তানঃ মানুষকে বন্দি করার জন্য একটি জাল ফাদ দিন❞....


 ❝আল্লাহ পাক বলেন তোমার জাল ফাদ হলো বেপর্দা নারী❞


❝রেফারেন্স: তাবরানী অধ্যায়, মাজমাউজ্জা ওয়ায়েদ,,

হাদিস❞ নঃ ২/১১৯


❝হে আমার রব!আমাদের সবাইকে শয়তানের ধোকার হাত থেকে রক্ষা করো❞।

❝আমিন❞

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০৪ শুক্রবার

 সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ০৪-১১-২০২২ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


বঙ্গবন্ধুর খুনীরাই জেল হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে - জাতীয় সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী। 


বিএনপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে আবারো জেলে পাঠানো হবে খালেদা জিয়াকে - জেল হত্যা দিবসের আলোচনায় বললেন শেখ হাসিনা। 

হত্যা ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মূল হোতা বিএনপি - মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের। 


সাংঘর্ষিক রাজনীতি বিদায় দিতে বিএনপির অপরাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরে দেশে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ নয় জনের মৃত্যু। 


বিশ্বব্যাপী খাদ্যাভাবের ঝুঁকি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি নবায়নের আহবান জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব। 


এডিলেডে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ড- আয়ারল্যান্ডের এবং অস্ট্রেলিয়া-আফগানিস্তানের মুখোমুখী হবে আজ।

বাংলাদেশের প্রথম রেল প্লাটফর্ম

 ইনবক্সে  পাঠানো একজনের লেখা হুবহু তলা তুলে ধরা হলো,,, 


আপনি জানেন কি বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রথম কোন জেলা  শহরে রেল স্টেশন স্থাপিত হয়? 


উত্তরটি হচ্ছে রংপুর, যা কিনা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম জেলা সদরে স্থাপিত স্টেশন চালু হয় ২ জুলাই  ১৮৭৮ সালে।


 অবাক করার বিষয় হল গত ১৪৫ বছরে ২য় কোন প্লাটফর্ম করেনি তৎকালীন বৃটিশ সরকার, পাকিস্তান সরকার ও বাংলাদেশ সরকার( রেলপথ মন্ত্রণালয়)। 


সম্প্রতি কিছু চোখ দেখানো উন্নয়ন হয়েছে,  এই উন্নয়ন দেখে তৃপ্তির ঢেকুর গেলানোর কোন সুযোগ নেই। 


ঢাকা চট্টগ্রাম রুটে এমন স্টেশনে আছে যেখানে রেল মন্ত্রণালয় কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে স্টেশন রিমডেলিং করেছে অথচ ওই স্টেশনে একটিও ট্রেন দাঁড়ায় না,  কোন আয় নেই স্টেশনের। কমেন্টে বক্সে ছবি দিলাম।


বিভাগীয় শহর রংপুর দেখেন, স্টেশনের দিকে তাকালে মনে হয় বাংলাদেশের ভিতরে একটি পাকিস্তান। একটি পরাধীন জায়গা, যারা স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও শোষিত হয়। যাদের জন্য কোন বাজেট আসেনা, পারলে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। রেলপথ মন্ত্রণালয় ও রেলওয়ে লালমনিরহাট ডিভিশন সবচেয়ে নিকৃষ্ট আচরণের পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে যুগ যুগ ধরে। আমরা দীর্ঘ ৭ বছর রাজধানী ঢাকার সাথে রেল সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিলাম, আমাদেরকে ভায়া রুটের ট্রেন দেয় যেন কম আসন বরাদ্দ দিতে পারে, ট্রেনের পূর্ণাঙ্গ সুবিধা আমাদের দেয়া হয়না,  সবই শোষণের উদাহরণ  মাত্র। 


কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে আয়বিহীন রেল স্টেশনে রিমডেলিং হয় অথচ রংপুর স্টেশনে ওয়াশপিট করার জন্য মাত্র 10 কোটি টাকা বের হয় না। চাঁপাইনবাবগঞ্জকে উপেক্ষা করে রাজশাহীতে টার্মিনাল রেল স্টেশন হয়,  নারায়ণগঞ্জকে অপেক্ষা করে ঢাকায় টার্মিনাল স্টেশন হয়, ছাতক বাজার(সুনামগঞ্জ)  কে উপেক্ষা করে সিলেটে অত্যাধুনিক স্টেশন হয় আর আমাদের রংপুরে ২য় প্লাটফর্ম টাই হয়না। রংপুর যদি বিভাগীয় শহর না হত তাহলে হয়তো রংপুর নামে কোন রেল স্টেশনই বাংলাদেশে দিত না।

কপি
পেস্ট 

গর্ভবতী_মহিলাদের_আমল,,,,,,,,,,

 গর্ভবতী_মহিলাদের_আমলঃ-


🌾প্রথম মাসে সূরা-আলে ইমরান পড়লে সন্তান দামী হবে।

🌾দ্বিতীয় মাসে সূরায়ে ইউসুফ পড়লে সন্তান সুন্দর হবে।

🌾তৃতীয় মাসে সূরায়ে মারয়াম পড়লে সন্তান সবরকারী হবে।

🌾চতুর্থ মাসে সূরায়ে লোকমান পড়লে সন্তান হেকমত ওয়ালা হবে।

🌾পঞ্চম মাসে সূরায়ে মুহাম্মাদ পড়লে সন্তান চরিত্রবান হবে।

🌾ষষ্ঠ মাসে সূরায়ে ইয়াসিন পড়লে সন্তান জ্ঞানী হবে।

🌾সপ্তম,অষ্ঠম,নবম এবং দ্বশম মাসে সূরা-ইউসুফ,মুহাম্মদ এবং ইবরাহিম এর প্রথম থেকে দশ আয়াত পড়বে।


✓✓ ব্যাথা উঠলে সূরা-ইনশিকাক পড়ে পানিতে ফুক দিয়ে পান করবে।

আল্লাহ তাআ‘লা সকল গর্ভবতি মহিলাদেরকে উক্ত আমলগুলো করার তাওফীক দান করুন৷

আমীন!!

মেয়েদের দেরিতে বিয়েদেওয় এতো ভয়াবহ

 💢মেয়েদের দেরীতে বিয়ে দেওয়া এত ভয়াবহ!!! 

💢বাস্তব সত্য সবাই জানে, কিন্তু বলে না!!!

💢কিন্তু আমি আজ বলছি,,,!!!


বর্তমানে মেয়েরা বেশীরভাগ জেনারেল লাইনে পড়ুয়া কিছু মাদ্রাসা লাইনেও আছে।যদি মেয়ে একটু লম্বা সুন্দরি বা মুটামুটি সুন্দরি বা পরিবার টা শিক্ষিত ভালো ভদ্র তবে মর্ডান পর্দাশীল মেয়ে হয় বা ডিজিটাল পর্দা করে। বেশীরভাগ মেয়ে বিয়ে করতে চায় না।

.

অযুহাত হিসাবে দেখায় বয়স কম মাষ্টার্স পাশ করে বিয়ে বসবে।চাকরি করবে, সেটেল হবে, মন মতো পেলে বিয়ে করবে , বুঝাপরা লাগবে মানে প্রেম বা রিলেশনশিপ লাগবে।আরো নানা অযুহাত থাকতে পারে এর মধ্যে একটা হলো সরকারি চাকরি।

.

তো যে যেই কারনেই হোক মেয়েরা এভাবে বিয়ে করে না।

আরো ভালো খুজে বা এমনি দেরি করে যায়। অন্য দিকে বয়স বাড়ে দিন দিন,এভাবে দিন,মাস বছর পেরিয়ে ২৪-৩০ এর ভিতর পৌছে যায়!!

.

তখন হুশ হয় বিয়ে তো করা দরকার!!


ছেলে খুজো এবার।

.

তো আপনি ভাবুন আমি এভারেজ ২৫ ধরলাম, ২৫ বছরের মেয়ের জন্য কত বছরের পাত্র চাই?


সবাই বলবে ৩০ বছর হলেই এনাফ। আমি বলবো হ্যা, যথেষ্ট কিন্তু কখনোই সহজে ৩০ বছরের কোন ছেলে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করলে ২৫-২৮ বছরের কাউকে বিয়ে করতে চাইবে না।


দুই একজন থাকতে পারে এইটা ভিন্ন কথা। এভারেজ সবাই আমতা আমতা করবে। কেন করবে..?


💓 মেয়েদের যৌবনের শুরুটাই আসল সময়. ১৬-২২ বছর পর্যন্ত উত্তম আকর্ষনীয় সময়। যে কেউ তখন কাছে পেতে চায় এটাই সত্য। তো ২৫-৩০+ মানে আপনার রূপ লাবন্যতায় বয়সের ছাপ স্পষ্ট আপনাকে মহিলা বললে ভুল হবে না।


💓 মেডিকেল সাইন্স বলে মেয়েদের মনোপোজ বা ( ঋতুচক্র বন্ধ) শুরু হয় ৪৫ বছরে বা আগে পরে। আপনি ভাবেন যে ছেলেটা ৩০ বছরে আপনাকে বিয়ে করবে ১৫-১৭ বছর পর আপনার যৌবন শেষ হয়ে যাবে আরো পরিষ্কার করে যদি বলি যৌনতার প্রতি আপনার অনিহা ৩৫ এর পর ই চলে আসবে।


💓তো সবাই জানে ছেলেদের যৌবন বা যৌন শক্তি মরন পর্যন্ত।আপনি বয়স্ক হয়ে বিয়ে করলে বাকি জীবন ছেলে তার চাহিদা পূরনে কাকে পাশে পাবে?


এই জন্য বয়স বাড়লে মেয়ের প্রতি ছেলেদের চাহিদা থাকে না ।কারন এইটাই হ্যা এইটাই সত্য। এবার সমাজে চোখ বুলান।কতো মেয়ে আছে ২৫-৩০ বছরে?


অনেক ২৩ বছর পেরিয়ে গেলেই ঐ পাত্রীর জন্য বিয়ের প্রস্তাব আসে না কেন?


কারন ২৬-৩০ এই বয়সের ছেলেরা বিয়ে করে 99% ছেলেই এই বয়সে বিয়ে করে ফেলে। তারা বিয়ের জন্য ১৮-২২ বছরের পাত্রী অহরহ পায়। কেউ কেনো যৌবনের কথা ভেবে বেশী বয়সী কাউকে বিয়ে করবে ?

.

হয় ও তাই করে না বা করলেও % হার খুব কম। আর যেই আপনি অযুহাত দিতেন ভালো ছেলেদের ফিরিয়ে দিতেন। আপনি এখন বাটি চালান দিয়েও পাত্র কাছে টানতে পারছেন না।


বরকত কি আল্লাহ তুলে দিয়েছেন নাকি আপনি নিজের হাতে নষ্ট করেছেন?


সাবধান হোন ২০ বছরের আগে ভালো হয় ২২-২৩ বছরের এর বেশী কখনোই যেন না হয়। 

.

সব মেয়েদের প্রতি উৎসর্গ।বাস্তব তুলে ধরছি।ভুল হলে ক্ষমা প্রার্থী।

.কপি

পেস্ট 

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...