এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৪

বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে কোনও ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন যে দেশগুলিতে (NO VISA REQUIRED or NVR Countries with Bangladeshi Passport) ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে কোনও ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন যে দেশগুলিতে (NO VISA REQUIRED or NVR Countries with Bangladeshi Passport)

 

ভিসা ছাড়াও যে বিশ্বের অনেকগুলো দেশে যাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেই জানেন। তবে বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলেই আপনি কোনো ধরনের ভিসার ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাবেন ২০টি চমৎকার দেশে আর এটি অবশ্যই যেকোনো ট্রাভেলারের জন্য দারুণ সুখবর। তবে ভিসা ছাড়াই তালিকায় থাকা ৪২টি দেশের যেকোনো একটিতে যেতে হলে আপনাকে শুধুমাত্র কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, যেমনঃ 


আপনার পাসপোর্টটি অবশ্যই বৈধ হতে হবে। সাধারণত, বেশিরভাগ দেশের ক্ষেত্রেই বাংলাদেশী পাসপোর্টটি ডেস্টিনেশন থেকে এক্সিটের তারিখ , অর্থাৎ দেশটি ছেড়ে আসার তারিখের পর থেকে ৬ মাসের জন্য বৈধ হতে হয় এবং

ট্রাভেল করার আগে যে দেশে যাচ্ছেন সেটির জন্য সঠিক স্বাস্থ্য বীমা (Health Insurance) কিনে রাখা জরুরি। আপনি কোথায় যাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে বীমার ধরন এবং মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

সব রিকোয়ারমেন্ট জেনে নেওয়ার পর বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা ছাড়া যে ৪২টি দেশে খুব সহজেই যেতে পারেন

 


এশিয়া - ৬টি দেশ - ভুটান, কম্বোডিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পূর্ব তিমুর।

দক্ষিণ আমেরিকা - ১টি দেশ - বলিভিয়া।

উত্তর আমেরিকা (ক্যারাবিয়ান অঞ্চল) - ১১ টি দেশ - বাহামাস, বার্বাডোস, ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপসমূহ, ডোমিনিকা, গ্রেনাডা, হাইতি, জামাইকা, মন্টসেরাট, সেন্ট কিটস এবং নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, ট্রিনিডাড ও টোব্যাগো।

ওশিয়ানিয়া - ৮টি দেশ - কুক দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি, কিরিবাস বা কিরিবাটি, মাইক্রোনেশিয়া, নিউয়ে, সামোয়া, ভানুয়াটু, টুভালু।

আফ্রিকা - ১৬টি দেশ - লেসোথো, গাম্বিয়া, বুরুন্ডি, কেপ ভার্দে, কমোরো দ্বীপপুঞ্জ, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, লেসোথো, মাদাগাস্কার, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, সেশেল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, টোগো।

তথ্যসূত্র: visaguide.world 


--------------------------


বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকলে ভিসা অন-অ্যারাইভাল (Visa on Arrival বা VoA) নিয়ে ঘুরে আসতে পারবেন যেসব দেশে 

 


আগে থেকে কোনও প্রকার ভিসা আবেদন ছাড়াই বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে উপভোগ করতে পারবেন অসাধারণ কিছু স্পট- এটা হয়তো অনেক ভ্রমণপ্রেমীরই শুধু কল্পনায় ছিল। ব্যাপারটা এখন পুরোপুরি সত্যি আর তা হয়তো অনেকে জেনেও থাকবেন। কিন্তু বাংলাদেশিদের জন্য অন এরাইভাল ভিসা ঠিক কোন কোন দেশে আছে তা নিয়ে বিভ্রান্তি থাকতে পারে। আজকে একনজরেই দেখে নিতে পারবেন সেই দেশগুলোর তালিকা আর চট করে প্ল্যান করে ফেলতে পারবেন আপনার পরবর্তি ট্রিপ। 


বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলে ভিসা অন-অ্যারাইভাল (VoA) পাবেন যেসব দেশে 

 


এশিয়া - মালদ্বীপ, ভুটান, নেপাল, টিমর-লেস্টে, শ্রীলঙ্কা

আফ্রিকা - কাবো ভার্দে, মৌরিতানিয়া, বুরুন্ডি, কমোরোস, গিনি-বিসাউ, মাদাগাস্কার, রুয়ান্ডা, সিশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া

দক্ষিণ আমেরিকা - বলিভিয়া

ওশিয়ানিয়া - টুভালু

তথ্যসূত্র: visaguide.world

------------------------------

ভিসা অন-অ্যারাইভাল এমন এক ধরনের ভিসা যেটির মাধ্যমে ডেস্টিনেশনে পৌঁছানোর আগে আপনাকে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে না । অর্থাৎ, আপনাকে আগে থেকে কোনো ডকুমেন্ট সংগ্রহ করার দরকার নেই। আপনি যেই দেশে যাচ্ছেন সেখানে পৌঁছে একটি অনুমোদিত পয়েন্টে প্রয়োজনীয় ফি দিয়েই আপনি আপনার ভিসাটি কালেক্ট করে নিতে পারবেন। এই সম্পূর্ণ প্রসেসটি দেশভেদে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনি আপনার আবেদন জমা দেওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে আপনার ভিসা হাতে পেয়ে যাবেন। ভিসা অন-অ্যারাইভাল সাধারণত ট্যুরিস্টরাই ব্যবহার করে থাকেন এবং এর মেয়াদ থাকে ১৪ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত। তবে ভিসা অন-অ্যারাইভালের যেকোনো শর্ত উক্ত দেশগুলোর সিধান্ত অনুযায়ী চেঞ্জ হতে পারে। 


বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা অন-অ্যারাইভালের জন্য আবেদন করার জন্য কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন?

 


একটি বৈধ পাসপোর্ট

রিসেন্ট ছবি (সাধারণত ৩ মাসের বেশি পুরানো নয়)। ছবির সাইজ নির্ভর করবে যেই দেশে যাচ্ছেন সেখানকার রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী

ভিসা আবেদনপত্র (Visa Application Form)

প্রয়োজনীয় ফি দিতে ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড কিংবা ক্যাশ

ফ্লাইট টিকিট এবং হোটেল রিজার্ভেশনের কপি

ভ্রমণসূচী (Travel Itinerary) ইত্যাদি। 

বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে ই-ভিসায় ঘুরে আসতে পারবেন যে দেশগুলো থেকে

 

বর্তমান সময়ে প্রায় সব ট্রাভেলারদের মধ্যেই ই-ভিসা বেশ পরিচিত। ই-ভিসা মূলত সাধারণ ভিসার একটি ইলেক্ট্রনিক ভার্সন । এটি একটি নিয়মিত ভিসার মতোই কাজ করে তবে নিয়মিত ভিসার তুলনায় কিছু এটির সুযোগ-সুবিধা কিছুটা বেশি, কেননা ই-ভিসার আবেদনের জন্য আপনাকে এম্বাসির লম্বা লাইনে মোটেই দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। যেই দেশে যেতে চান, সেখানের এম্বাসির পোর্টালে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আপলোড করলেই আপনার কাজ শেষ। অর্থাৎ, আপনাকে আর এম্বাসিতে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে না বা ডকুমেন্টের কোনো হার্ড কপিও জমা দিতে হবে না। তাই বুঝতেই পারছেন, ই-ভিসা প্রক্রিয়াটি কতটা ঝামেলামুক্ত, সহজ এবং সময় সাশ্রয়ী!


বাংলাদেশী পাসপোর্টে ই-ভিসা অনুমোদনকারী দেশের তালিকা

 


এশিয়া: বাহরাইন, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, কাতার, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম

ইউরোপ: আলবেনিয়া

আফ্রিকা: বেনিন, বটসোয়ানা, বুর্কিনা ফাসো, ক্যামেরুন, কঙ্গো জাতীয় প্রজাতন্ত্র, আইভরি কোস্ট (কোট ডিভোয়ার), জিবুটি, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইথিওপিয়া, গাবন, গিনি, কেনিয়া, মালাউই, মোজাম্বিক, নাইজেরিয়া, সাও টোমে এবং প্রিন্সিপে, দক্ষিণ সুদান, টোগো, উগান্ডা, জাম্বিয়া, জিম্বাবুয়ে

উত্তর আমেরিকা (ক্যারাইবিয়ান অঞ্চল): অ্যান্টিগুয়া এবং বারবুডা

দক্ষিণ আমেরিকা: সুরিনাম

তথ্যসূত্র: visaguide.world

-----------------------------

বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলেও যেসব দেশ ভ্রমণ করতে আপনাকে ট্যুরিস্ট ভিসা নিতে হবে 

 


নো-ভিসা, ই-ভিসা এবং ভিসা অন-অ্যারাইভাল নিয়ে সব প্রয়োজনীয় তথ্য জানার পর এবার পালা ভিসাসহ ট্রাভেল নিয়ে জানার। আপনার যদি একটি বৈধ বাংলাদেশী পাসপোর্ট এবং একটি ভিসা থাকে, তাহলে আপনি ঘুরে দেখতে পারেন পৃথিবীর অনন্য ১৬১টি দেশ! প্রকৃতির ভিন্ন ভিন্ন রূপ, চোখ ধাঁধানো আর্কিটেকচারসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় স্পটের ছবিগুলো মডার্ন ডিভাইসটিতে ক্যাপচার করতে বেশ ভালোই লাগবে! চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এই নিয়ে সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। 


বাংলাদেশ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য কিছু বেসিক ডকুমেন্ট 

 


ভিসা আবেদনপত্র (Visa Application Form)

একটি বৈধ পাসপোর্ট (অন্তত ছয় মাসের বৈধতা) যেখানে পরিদর্শনকারী দেশটির জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি ফাঁকা পৃষ্ঠা রয়েছে।

পুরানো পাসপোর্ট  (যদি থাকে)

রিসেন্ট ছবি (সাধারণত ৩ মাসের বেশি পুরানো নয়)। ছবির সাইজ নির্ভর করবে যেই দেশে যাচ্ছেন সেখানকার রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী

ফ্লাইট টিকিট এবং হোটেল রিজার্ভেশনের কপি

ভ্রমণসূচী (Travel Itinerary) ইত্যাদি

আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণ (সাধারণত লাস্ট ৬ মাসের ব্যাংক  স্টেটমেন্ট)

ম্যারেজ সার্টিফিকেট

এনআইডি, জন্মনিবন্ধনপত্র (অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য) ইত্যাদি।

সবার জন্য শুভকামনা রইল 🇪🇺🤝

 


রবিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৪

 ধান চাষে AWD পদ্ধতি ,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া,,,,,

 ধান চাষে AWD পদ্ধতি

 পর্যায়ক্রমে ভিজানো এবং শুষ্ককরনকে AWD বলে। 

এটি ধানের জমিতে সেচ প্রদানের একটি পদ্ধতি যাতে ধান ক্ষেতের মাটিতে স্থাপিত ছিদ্রযুক্ত পর্যবেক্ষন নলের ভিতর পানির মাত্রা দেখে সেচ প্রদানের সময় নির্ধারন করা হয়।

AWD পদ্ধতি কেন ব্যবহার করা হয়ঃ : 

• প্রচলিত প্লাবন সেচের তুলনায় ৩০-৩৫% পানি কম লাগবে এবং সেচ খরচ আনুপাতিক হারে কমে আসবে। 

• সেচ কার্যে ব্যবহৃত ডিজেলের পরিমান কমে আসবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। 

• ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমবে এবং পরিবেশ দূষণ যেমন আর্সেনিক দূষণ, মরু প্রবনতা কমে আসবে।

AWD পাইপের আকার, বৈশিষ্ট্য ও জমিতে স্থাপন পদ্ধতিঃ 

• পিভিসি পাইপ দ্বারা ছিদ্রযুক্ত পর্যবেক্ষন নল তৈরী করা যেতে পারে। 

• নলের ব্যাস ১০ সেমি এবং উহা ৩০ সেমি লম্বা হবে। 

• নলের নিচের দিকে ২০ সেমি ছিদ্রযুক্ত এবং উপরের দিকে ১০ সেমি ব্লাইন্ড পাইপ থাকবে। 

• নলের গায়ে ৯-১০ মিমি দুরে দুরে ৫ মিমি ব্যাসের ছিদ্র থাকবে।  

• এক সারি থেকে আরেক সারি ছিদ্রের দূরত্ব হবে ৯-১০ মিমি। 

• জমিতে নলটি এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যেন ছিদ্রযুক্ত ২০ সেমি অংশ মাটিতে এবং ব্লাইন্ড ১০ সেমি অংশ মাটির উপরে থাকে। 

• নলটি আইলের পাশে এমন সুবিধাজনক স্থানে স্থাপন করতে হবে যেন স্থানটি সমস্ত প্লটের প্রতিনিধিত্বমূলক হয় এবং সহজে এর ভিতর পানির মাত্রা মাপা যায়। 

• জমিতে ছিদ্রযুক্ত নলটি স্থাপনের পর এর ভিতরের মাটি ভালভাবে  সরিয়ে ফেলতে হবে

জমিতে কখন কতটুকু পানি দিতে হবেঃ 

• জমিতে সেচ আরম্ভ করার পর যখন জমির উপর সেমি দাঁড়ানো পানি জমবে তখন সেচ প্রদান বন্ধ করতে হবে। 

• এরপর জমিকে শুকাতে দিতে হবে এবং নলের ভিতর পানির মাত্রা পর্যক্ষেন করে মাপতে হবে। 

• ভূ-পৃষ্ঠ থেকে পর্যবেক্ষন নলের ভিতর পানির স্তর ১৫-২০ সেমি এর মধ্যে নেমে গেলে জমিতে আবার সেচ দিতে হবে। 

• আগাছা নিয়ন্ত্রনের জন্য চারা  রোপনের পর থেকে ২সপ্তাহ পর্যন্ত জমিতে ২-৪ সেমি দাঁড়ানো পানি রাখতে হবে। 

• গাছে ফুল আসা থেকে দুধ আসা স্তর পর্যন্ত ২ সপ্তাহ জমিতে অবশ্যই  ৫ সেমি পানি দাঁড়ানো  পানি রাখতে হবে।




স্লিপিং পার্টনার 🤎🤎🤎 প্রাপ্ত বয়স্কদের গল্প!,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 স্লিপিং পার্টনার 🤎🤎🤎 প্রাপ্ত বয়স্কদের গল্প!😍🫣


IBA গ্রাজুয়েট এক ব্যবসায়ীর সাথে HSC সাইন্সে পড়ুয়া এক ছাত্রীর বিয়ে ঠিক হলো। অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ। এক মাস পরে বিয়ে।


ফোনে, ম্যাসেঞ্জারে নিয়মিত কথা হয় তাদের। বিয়ের এক সপ্তাহ আগে কথা প্রসঙ্গে মেয়েটা কৌতূহলী হয়ে হবু বরকে জিজ্ঞাসা করল-


- “আচ্ছা, তোমার ফ্যামিলি তো মধ্যবিত্ত। তুমি এত অল্প বয়সে এই যে এতো বড় বিজনেস দাড় করালে, মূলধন কোথায় পেলে?”


- “শুনো তাহলে। তোমাকে বিয়ে যখন করবো, কিছুই গোপন করবো না। তোমাদের বাসায় তোমাকে দেখতে যাবার সময় আমাদের সাথে ফর্সা করে একটা মেয়ে ছিল। মনে আছে তোমার?”


- “হ্যাঁ, তোমার আপু নাকি উনি?”


- “আরেহ্ না, তার নাম সাদিয়া। ঢাকার এক শিল্পপতির মেয়ে। ছাত্র অবস্থায় একটা আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কনফারেন্সে গিয়ে তার সাথে আমার পরিচয় হয়। আমার বিজনেস প্ল্যান ওর সাথে শেয়ার করার পর সে সন্তুষ্ট হয়। নিয়মিত যোগাযোগের এক পর্যায়ে আমার উপর আস্থা রেখে সে আমার স্লিপিং পার্টনার হয়ে যায়। এরপর আমার মূলধন নিয়ে আর ভাবা লাগেনি। আমার আরো তিনজন স্লিপিং পার্টনার আছে। তবে সাদিয়া সবচেয়ে বেশি এফোর্ট দিয়েছে।”


- (রেগেমেগে) “শালা লুইচ্চা, জানোয়ার, ক্যারেক্টারলেস! আমার বেস্ট ফ্রেন্ড শাহেদের কাছে আগেই শুনেছি ভার্সিটির ছেলেরা এতো এতো মেয়ের সাথে ঘুমায়। আজ হাতেনাতে প্রমাণ পেলাম। থ্যাংকস গড। তোর মতো লুইচ্চার সাথে ফুলের মতো নিষ্পাপ এই আমার বিয়ে? না, কিছুতেই হতে পারে না। লুইচ্চা কোথাকার! ফোন রাখ!” (এই বলে মেয়েটা ফোন কেটে দিল)!😭 [এটা একটা সংগৃহীত কাহিনী]


🥰শিক্ষা:- যত বড় বিদ্বানই হন না কেন, অন্যের জ্ঞানের লেভেল না বুঝে তার কাছে ফর্মাল ওয়েতে সবকিছু প্রকাশ করতে যাবেন না। অবুঝ মানুষ ভালোভাবে না বুঝেই রিয়্যাক্ট করে থাকে।


☘️বি: দ্র:- স্লিপিং পার্টনার অর্থ ব্যবসায়ের নিষ্ক্রিয় অংশীদার। অর্থাৎ সে টাকা ইনভেস্ট করবে, কিন্তু আড়ালেই থেকে যাবে। কাজকর্ম যা করার আপনাকেই করতে হবে, আর চুক্তি অনুযায়ী লাভের একটা নির্দিষ্ট অংশ তাকে দিতে হবে।


😜 একটা সত্য কথা বলবেন? শেষের ☘️ অংশটা পড়ার আগ পর্যন্ত আপনি স্লিপিং পার্টনার এই ব্যাখ্যাটা আগে জানতেন?


যুবায়ের_সিকদার

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 





ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

২১ প্রকার সবজি বীজ ১৯৯ টাকা,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আপনি কি নিরাপদ-বিষমুক্ত সবজি চাষের জন্য ইচ্ছুক? আপনার বাড়ির ছাদ কে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করার পাশাপাশি নিত্যপ্রজনিয় সবজি উৎপাদন করুন এবং নিজের পরিবারকে বিষমুক্ত সবজি উপহার দিন। 


আসসালামু আলাইকুম, Sordar Seeds ফেসবুক পেইজ এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার ছাদে সবজি চাষকে আরো সহজ করতে আমরা দিচ্ছি ২১ প্রকারের সবজির বীজের একটা কম্বো প্যাকেজ। এই সবজি গুলো সারাবছর চাষ করা যাই এবং ফলন ও ভালো দেয়।  সবজি গুলো বাসার ছাদে এবং বাড়ির আঙ্গিনায় চাষ করে আপনার পরিবারের সবজির চাহিদা মিটাতে পারবেন ভালো ভাবে। এই সবজি চাষের মাধ্যমে একদিকে আপনার অতিরুক্ত খরচের ক এবং আপনার ছাদ অথবা বাড়ির আঙ্গিনা দেখতে আরো চমৎকার হবে ইনশাআল্লাহ।


যে সকল সবজির বীজ আপনি পাবেনঃ 

👉১) ধানি মরিচ (Hybrid)- ১০ টি বীজ।

👉২) লাউ (হাজারী)(Hybrid)- ৫ টি বীজ

👉৩) টমেটো (Hybrid)- ১০ টি বীজ

👉৪) জালি কুমড়া (Hybrid)- ৫ টি বীজ

👉৫) মিষ্টি কুমড়া (Hybrid)- ৫  টি বীজ

👉৬) বেগুন (Hybrid)-১০ টি বীজ

👉৭)বেগুন (Black)(Hybrid)- ১০টি বীজ

👉৮) পেঁপে(Hybrid)- ৫ টি বীজ

👉৯) শীম (Hybrid)- ১৫ টি বীজ

👉১০) ডাটাশাক - ১ জিপার প্যাক বীজ

👉১১) পুঁইশাক(Hybrid) - ২০+ টি বীজ

👉১২) শশা (Hybrid) - ১০ টি বীজ

👉১৩) ডেড়শ (Hybrid) - ১০ টি বীজ

👉১৪) বরবটি (Hybrid)- ১০ টি বীজ

👉১৫) ঝিংগা (Hybrid)- ৫ টি বীজ

👉১৬) ধুন্দল (Hybrid)- ৫ টি বীজ

👉১৭) ধনিয়া পাতা বীজ (Hybrid)- ২০ টি বীজ

👉১৮) পিয়াজ বীজ (Hybrid)-১৫+ টি বীজ।

👉১৯) সবুজ শাক  - ১ জিপার প্যাক বীজ

👉২০) মুলা - ১ জিপার প্যাক বীজ

👉২১) লাল শাক - ১ জিপার প্যাক বীজ


এই সবগুলো উন্নতজাতের সবজির বীজ পাচ্ছেন মাত্র ১৯৯ টাকায়।


প্রতিটা সবজির বীজ আলাদা আলাদা জিপার পলিতে প্যাকিং করা থাকবে নাম সহ।


( তাই আর দেরি না করে অর্ডার করতে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর দিয়ে আমাদের পেইজে মেসেজ করুন এখনি। হোমডেলিভারী চার্জ ৫১ টাকা 🥰 )

মরিচ চাষীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা:,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া


মরিচ চাষীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা:

১)মরিচের সাদা মাছি পোকা দমনে - ইমিডাক্লোরোপ্রিড অথবা এসিটামিপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক 

২) থ্রিপস পোকা দমনে - স্পিনোসাড গ্রুপ

৩) মাকড় দমনে- সালফার অথবা এবামেকটি গ্রুপের মাকড়নাশক

৪) গোড়া পঁচা দমনে -কপার অক্সি-ক্লোরাইড গ্রুপের ছত্রাকনাশক

৫)উইল্ট/ঢলে পড়া রোগ দমনে- বিসমার্থিওজল অথবা ক্লোরো আইসো ব্রোমাইন সায়ানুরিক এসিড গ্রুপের ব্যাকটেরিয়ানাশক

৬)। কান্ড পঁচা রোগ দমনে- কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক

৭) ফুল ও ফল ব্দ্ধি করতে জৈব উজ্জিবক ব্যবহার


ফসলের যে কোন পরামর্শ পেতে উপসহকারী কৃষি অফিসার অথবা উপজেলা কৃষি অফিস যোগাযোগ করুন।

(কালেক্টেড)




ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার কিছু টিপস,,,,,,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ❤️❤️ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার কিছু টিপসঃ—


🎯সবজি পলিথিনের ব্যাগে রাখবেন না। সবজি রাখুন কাগজের প্যাকেটে কিংবা খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে। অনেকদিন সতেজ থাকবে।

🎯মরিচের বোঁটা ফেলে রাখবেন, শাক কেটে না ধুয়ে রাখবেন, ধনে পাতা রাখবেন গোড়া ফেলে। শাকের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখার উপায় হচ্ছ একটু ভাপিয়ে রাখা। বেগুনের গায়ে মেখে রাখতে পারেন সামান্য একটু তেল।

🎯ফ্রিজের গায়ের সাথে লাগিয়ে কোন খাবার রাখবেন না। বিশেষ করে কোন রকমের তাজা ফলমূল বা সবজি তো একেবারেই না।


🎯মাখন তো ফ্রিজে রাখতেই হয়, ঘি-কেও ফ্রিজে রাখতে পারেন অনেকদিন ভালো রাখার জন্য। তবে দুটিই রাখবেন একদম এয়ার টাইট পাত্রে।


🎯গুঁড়ো দুধ কিংবা চানাচুর, বিস্কিটের মত খাবার ফ্রিজে একদম সতেজ ও মুচমুচে থাকে। এক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো হবে প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করলে।

🎯ফ্রিজে যাই রাখুন না কেন, প্লাস্টিকের এয়ার টাইট বাক্সে সংরক্ষন করুন। এবং ফ্রিজে সর্বদা এক টুকরো কাটা লেবু রাখুন। মাঝে মাঝে বেকিং সোডা মেশানো পানি দিয়ে ফ্রিজ মুছে নিন। এতে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে প্রবেশ করবে না। ফ্রিজেও দুর্গন্ধ হবে না।


🎯ফ্রিজে যেমন মাংসই রাখুন না কেন, সেগুলো অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে একদম পরিষ্কার করে রাখুন। এতে  মাংসে বাজে গন্ধ হবে না, অনেকদিন পর্যন্ত সতেজ থাকবে, স্বাদ থাকবে অক্ষুণ্ণ।


🎯মাছ ফ্রিজে রাখার আগে ভালো করে কেটে বেছে, লবণ পানি দিয়ে ধুয়ে তবেই রাখুন। এতে স্বাদে কোন হেরফের হবে না। আঁশটে গন্ধ ওয়ালা মাছে সামান্য একটু ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন।

🎯ফ্রিজে কাটা পেঁয়াজ রাখতে চাইলে পেঁয়াজ একটি এয়ার টাইট বাক্সে রেখে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন। তারপর বাক্সটি মুখ বন্ধ করে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নিন। ব্যাগটি সিল করে ফ্রিজে রাখুন।


🎯ফ্রিজে ডিম রাখার সময় মোটা অংশটি নিচের দিকে ও সরু অংশটি ওপরে রাখুন। ডিম হাতলে না রেখে বাটিতে করে ফ্রিজের ভেতরে রাখুন। অনেকদিন ভালো থাকবে।


🎯ফ্রিজের ভিতরের আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন। 


মাছ কেটে ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে তাতে লবন লেবুর রস এবং হলুদ গুড়ো মাখিয়ে প্যাকেট করে ফ্রিজে রাখলে মাছে একদম গন্ধ হবে না।




আপনার ভিতরে দুই নেকড়ের গল্প,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একদিন একটি নদীর কিনারায় একজন বুড়ো দাদা তার নাতির সাথে বসে গল্প করছে। দাদা, তার নাতিকে জীবন সম্পর্কে কিছু শেখাচ্ছে।  


দাদা বলতেছিল যে আমার ভিতর একটা যুদ্ধ চলতেছে, এই যুদ্ধ দুটো নেকড়ের মধ্যে খুবই মারাত্মকভাবে চলছে। একটা নেকড়ে খুব খারাপ যার মধ্যে অহংকার, অহমিকা, মিথ্যা, লালসা, লোভ এবং হিংসা দিয়ে ভর্তি এবং দ্বিতীয়টি খুব ভালো যার মধ্যে শান্তি, সত্যি, ভালোবাসা, মানবতা, মূল্যবোধ এবং উদারতা দিয়ে ভর্তি। এই যুদ্ধটা প্রত্যেকটা মানুষের ভিতরে চলতে থাকে। 


তখন নাতিটি কিছুই বুঝতে পারতেছে না এবং দাদাকে জিজ্ঞাসা করল, যে দাদা এর মধ্যে কে জিততে পারে? দাদা হেসে হেসে আস্তে করে বলল, যে নেকড়েটিকে তুমি খাওয়াবে।   


দেখেন বস! আপনার মন যে সমস্ত বিষয়গুলোকে ভোগ করে সেগুলোই আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে। আপনার এটেনশন যেই নেকড়েকে দিবেন সেটাই আস্তে আস্তে শক্তিশালী হতে থাকবে এবং সেই জিতবে। এখন পছন্দ সম্পূর্ণ আপনার হাতে, আপনি কাকে খাওয়াচ্ছেন? 


পরীক্ষার জন্য; একদিন সারাদিন টেলিভিশনের নিউজ দেখুন এবং আরেকদিন কোন একটি আত্মউন্নয়নমূলক বই পড়ুন, আপনি পুরোপুরি বাস্তবতা বুঝতে পারবেন যে আপনার ভিতরে কোন নেকড়েটি এই মারাত্মক যুদ্ধে জয়লাভ করবে।  


👉 এই গল্প থেকে শিক্ষণীয় বিষয় হলো; আপনি ইতিবাচক এবং নেতিবাচক যেখানেই ফোকাস করুন না কেন? সেই জায়গাটি আস্তে আস্তে বড় হতে থাকবে। 


একটি বিশেষ অনুরোধ 🙏 আমাদের ফেসবুক পেজে Skills Rider আপনার মূল্যবান রিভিউ দিয়ে আমাদেরকে উৎসাহিত করবেন, যাতে আমরা আপনার জন্য আরও মূল্যবান গল্প তৈরি করতে পারি।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 




পায়রা নদীতে অবস্থিত বরিশালের বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর লেবুখালী,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

পায়রা নদীতে অবস্থিত বরিশালের বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর লেবুখালী এলাকার যুক্ত করা পায়রা সেতুর দৈর্ঘ্য ১.৪৭০ কি.মি।  ৪ লেনবিশিষ্ট সেতুর প্রস্থ ১৯.৭৬ মিটার।

সেতুটির পিলার সংখ্যা ৩১ টি,স্প্যান রয়েছে ৩২ টি।

সেতুটির কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর ৪০ টি পাইলিং করা হয়েছে ১৩০ মিটার গভীরতায়,যা সেতু হিসেবে বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ।(পদ্মাসেতুর সর্বোচ্চ পাইলিং ১২৮ মিটার)।

পায়রা বন্দরের বড় বড় জাহাজ নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য মূল নদীর মধ্যে মাত্র একটি পিলার বসানো হয়েছে।নদীর মধ্যে থাকা দুটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য রাখা হয়েছে ২০০ মিটার,যা বাংলাদেশের সেতুগুলোর মধ্যে দীর্ঘতম। পানি থেকে সেতুটির উচ্চতা রাখা হয়েছে ১৮.৩০ মিটার (৬০ ফুট)।

এটি দেশের প্রথম সেতু যাতে “ব্রিজ হেলথ মনিটর সিস্টেম” লাগানো হয়েছে। সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৬ সালে,যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয় ২০২১ সালে।

বাংলাদেশ 

পায়রা_সেতু🇧🇩🇧🇩🇧🇩



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


মাত্র ১ শতক জমিতে আমাদের নিয়মে সবজি চাষ করলে সারাবছর আপনার সবজি কেনা লাগবে না,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ♻️😲যদি বলি মাত্র ১ শতক জমিতে আমাদের নিয়মে সবজি চাষ করলে সারাবছর আপনার সবজি কেনা লাগবে না, অনেকেই বিশ্বাস করবে না। 

তবে বিশ্বাস করেন আর না করেন একবার ট্রাই করবেন অবশ্যই।

🎯এই টা এমন একটা মডেল যেখানে আপনি সারা বছর আপনার পছন্দনীয় প্রায় সব গুলো সবজি চাষ করতে পারবেন সম্পূর্ণ বিষমুক্ত ও নিরাপদভাবে। এই মডেলটার জন্য মাত্র এক শতক জায়গা লাগবে। 

আমাদের নিয়মে চাষ করলে আপনাকে কোনো রাসায়নিক সার, কীটনাশক দিতে হবে না।

একবার বেড তৈরী করে নিলে আজীবন শাক সবজি খেতে পারবেন।


সারাবছরের সবজি গুলোকে আমরা দুই সিজনে ভাগ করি, গ্রীষ্মকালীন এবং শীত কালীন।

এই মডেল টা ২৪ ফিট বাই ২৪ ফিট। নরমালি সবজির বেড থাকবে ৫ টা (মাঝখানে), তবে দুই মাথায় মাচায় হয় এমন সবজির জন্য আরো দুটি বেড হবে, মোট ৭ টা বেড। মাঝখানের ৫ টা বেড হবে ১৬ ফিট করে লম্বা আর ২ ফুট ৪ ইঞ্চি চওড়া, বেড গুলো হবে উত্তর দক্ষিন মুখি, বেডের মাঝখানে মাঝখানে নালা গুলো হবে ১০ ইঞ্চি চওড়া। দুই মাথায় মাচা গুলো হবে ৩ ফিট চওড়া আর ২৪ ফিট লম্বা।

এবার দেখে নিন কি কি সবজি লাগাবেন।


গ্রীষ্মকালীন সবজিঃ

পূর্ব দিকের মাচায় একদিক থেকে ঝিঙ্গা, কাকরোল, পটল, বরবটি,

মাঝখানের ৫ টা বেডের (পূর্ব থেকে)

প্রথম বেডে টমেটো এবং বেগুন

দ্বিতীয় বেডে মিষ্টি আলু ও কচু

তৃতীয় বেডে কাচা মরিচ 

চতুর্থ বেডে ডাটা শাক, পাট শাক

পঞ্চম বেডে ঢেড়স(ভেন্ডি)

পশ্চিম দিকের মাচায় একদিক থেকে মিষ্টি কুমড়ো, শসা। 

উত্তর ও দক্ষিন মাথায় ২ টি করে মোট ৪ টি পেঁপে গাছ। এবং ১ টি করে মোট ২টি লেবু গাছ


শীতকালীন সবজিঃ

পূর্ব দিকের মাচায় একদিকে লাউ, আরেক দিকে খীরা।

মাঝখানের বেড গুলোর(পূর্ব দিক থেকে)

প্রথম বেডে টেমেটো ও বেগুন,

দ্বিতীয় বেডে মূলা ও গাজর,

তৃতীয় বেডে কাচা মরিচ,

চতুর্থ বেডে লাল শাক ও পালং 

পঞ্চম বেডে ফুলকপি ও বাধাকপি

পশ্চিম দিকের মাচায় একদিকে শীম, অন্যদিকে উস্তা করলা। পেঁপে ও লেবু গাছ গুলোর গোড়ায় পুদিনা, ধনিয়া।


আপনার পরিবারের জন্য বিষমুক্ত নিরাপদ শাক সবজি সর্বরাহের দ্বায়িত্ব আপনার। 

এই জিনিস গুলো কেউ আপনাকে বলবে না। 

নিজে করুন, অন্যকে করতে উৎসাহিত করুন।

@followers 

Green Care Service






গল্পের নাম- পরিবার,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অফিসে বসে মিটিং করছি, ঠিক এমন সময় আমার বউ অনন্যা ফোন দিলো,

ইমরান! তাড়াতাড়ি ঢাকা মেডিক্যালে  আসো, তোমার ছেলে আত্মহত্যা করার চেস্টা করেছে!

.

কথা শুনে আমি তাড়াতাড়ি বের হলাম অফিস থেকে, ডাইভার গাড়ি চালাচ্ছে, আমার ছেলের নাম আয়ান! বয়স ২৫ , আইবিএ তে এবার পড়ছে, অনেক ভালো ছাত্র সে! চাকুরি নিয়েও তার কোন টেনশান নাই, তবে কেন সে এমন করলো?

.

তাহলে কি কোন প্রেম ঘটিত ব্যাপার? এমন হলে সে তো জানাতো! সে আমাকে অনেক ভয় পাই তবে তার মা আছে, ছোট বোন আছে, তার ভার্সিটির কয়েক টা ছেলে আমার কোম্পানিতে পার্ট টাইম চাকুরি করে, তাদের কে ফোন করে একটু খোজ নিতে বললাম, বাবা হিসাবে আমার দায়িত্ব আছে !

.

খোজ নিয়ে জানলাম, একটা মেয়েকে প্রস্তাব দিয়েছিলো, সে অপমান করেছে সবার সামনে, গতকাল ভার্সিটির ঘটনা!

মেয়েদের এই জিনিসটা খুব খারাপ লাগে, পছন্দ নাই হতে পারে তাই বলে সবার সামনে অপমান কেন করবে? আমার ছেলেটা তো খারাপ না, আমি তাকে ভালো করে চিনি নিজের ছায়ার মত করে বড় করেছি!

.

হাসপাতালে যাওয়া মাত্রই আমাকে দেখে অনন্যা কাঁদতে শুরু করলো, ডাক্তার সাহেব বলল, তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বড় কোন ক্ষতি হয় নাই! এই যাত্রায় সে বেঁচে গেছে, কালকে বাসায় নিয়ে যেতে পারবো!

আমি দেখা করতে যাবো ছেলের সাথে এমন সময় অনন্যা হাত ধরে বলল, তুমি প্লিজ এখন ওকে বকো না!

আমি- আরে না! তুমি আমার কড়া শাসন টাই দেখলা, কখনো বাবার ভালোবাসা বুঝো নাই।

.

ঘরে গেলাম, দেখলাম দরজা খোলা মাত্রই উলটো হয়ে শুয়ে গেলো!

ঘরে আমার মেয়ে ছিলো, তাকে বললাম, আইরিন! তুই বাইরে যা, তোর ভাইয়ের সাথে আমার কিছু কথা আছে, ঘরে কেউ যেন না আসে!

.

আয়ান! আমি যখন ভার্সিটিতে পড়তাম! একটা মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক হয়! অনেক সুন্দর ছিলো মেয়েটা! শহরের মেয়ে ছিলো, অনর্গল ইংরেজিতে কথা, ব্যাবহার টাও মুগ্ধ করতো বার বার!

আমি গ্রামের ছেলে ছিলাম! তোদের শহরের ভাষায় যেটা খ্যাত বলিস!

গরীব বাবার ছেলে ছিলাম আমি, খেয়ে না খেয়ে আমি পড়াশুনা করতাম! কিভাবে প্রেম হলো আমি জানি না, কারন আমি চা খেলে সে কফি খায় এমন মেয়ে সে!।

.

ভার্সিটির এমন কোন জায়গা ছিলো না যেখানে আমারা বসি নাই! আমরা এক সাথে কয়েকটা কদম আর কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগিয়েছিলাম! যার মধ্যে এখনো ৩ টা গাছ বেঁচে আছে, ওর কদম আর কৃষ্ণচূড়া ফুল খুব পছন্দ ছিলো! 

.

এভাবে ৫ টা বছর চলে যায়! তখন আমি মাস্টার্স পরীক্ষা দিবো এমন সময় তার হটাৎ করে বিয়ে হয়ে যায়!

অনার্সের টপ করা ছেলে আমি মাস্টার্সে ফেল করি! 

আমিও অনেক বার চেয়েছি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবো, চাকু নিয়ে ঘন্টার ঘন্টার বসে থেকেছি, ফাঁসির জন্য বাজার থেকে দড়ি কিনেছি, হোস্টেলের ছাদে বসে থেকেছি, কিন্তু সাহস করতে পারি নাই, সুধু গরীব বাবা-মায়ের মুখের কথা মনে পড়তো! আমার জন্য শেষ সম্বল এক টুকরো জমি সেটাও বাবা বিক্রি করে দিয়েছিলো! 

.

তাই আমি আর সাহস করে উঠতে পারি নি রে! সুধু সেই মেয়ের এক বোন বলেছিলো, ভাইয়া তাকে তো জোর করে বিয়ে দেওয়া হয় নাই, সে তো হাসি মুখেই বিয়ে তে রাজী হয়েছিলো!

বেইমানের জন্য নিজের জীবন কেন দিবো? আর এর বিনিময়ে কি আল্লাহ আমাকে কম দিয়েছে?

.

জানিস আয়ান! সে খুব ভালো রবীন্দ্র সংগীত গাইতে পারতো! আমি মুগ্ধ হয়ে শুনতাম! 

এই বর্ষার দিন বৃষ্টিতে ভিজে পুরো ক্যাম্পাস হাঁটতাম! সে বলতো আমারা যেখানেই থাকি না কেন? এই বর্ষায় এই কদমের নীচে আমারা আসবো, আমাদের বাচ্চা হলেও আসবো!

.

আমি গত বছর ও গেছিলাম! গত ৩০ বছরেও হয়তো সে আসে নি, আমি  গেছি, ঠিক ওই সময় যে সময় সে বলেছিলো. 

.

আচ্ছা তোর ভাষায় ভালোবাসা বলতে কি বুঝায়? আমার এটা কি ভালোবাসা ছিলো না?

কিন্তু তারপর ও আমি তাকে পাই নাই! কেন পাই নাই, এই প্রশ্নের উত্তর আজও অজানা!

মাস্টার্স শেষ করার পর এই কোম্পানিতে চাকুরি শুরু করি, তার ৩ বছর পর তোর নানা আমার সাথে তোর মায়ের বিয়ে দেয়! তোর মা কি খারাপ? এই কথাগুলো তোর মা ও জানে না, বলি নাই, কষ্ট পাবে সে শুনলে!

তাই বলে তোর মা কে কখনো অবহেলা করি নাই! নিজেকে পুনরায় জন্ম দিয়েছি, আবার হাঁসতে শিখেছি আবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি, প্রথম প্রথম একটু সমস্যা হতো, একদিন নাকি ঘুমের ঘোরে সেই মেয়ের নাম বার বার বলেছিলাম, সে অনেক হাত পা ধরে আমি সেটা তোর মা কে বুঝিয়ে মাফ নিয়েছি,

আয়ান- আব্বু! সে মেয়ের নাম কি ছিলো?

আমি- মেয়েটার নাম ছিলো আইরিন!

আয়ান- তার মানে এজন্য আমার বোনের নাম নাম আইরিন রেখেছো?

আমি- হ্যাঁ !

.

তবে তুই হবার পর আর তেমন সমস্যা হয় নাই! তোকে পেয়ে আবার আমি পুরনো নিজেকে ফিরে পেয়েছি! অফিস থেকে ফিরেই তুই আমাকে পাগল করে দিতি, সবাই মা মা করে কাঁদে আর তুই আব্বু আব্বু করে! আমার বুকেই ঘুমাইতি তুই! তোর মা মাঝে মাঝে রাগ করতো, বলতো সারা দিন অফিস করো, বাসায় ফিরে সুধু ছেলে, বউ বলেও তো কেউ আছে নাকি?

.

আমি মুচকি হেঁসে বলতাম, ছেলে তো তোমার, তাকে ভালোবাসা মানে তোমাকেই ভালোবাসা!

তোর মা অভিমান করে বলতো, আমি আমাকেই ভালোবাসা চাই! আমার অংশ আমি চাই!

.

 তুই তো অনেক সাহসি রে! তুই ভালোবাসার জন্য সাহস করতে পেরেছিস! কিন্তু আমি যতদূর জানি,  মেয়েটা তোকে ভালোই বাসে নি! তাহলে দুঃখ কিসের?

.

বাবা মায়ের কথা মনে পড়লো না? তোর কিছু হলে আমাদের কি হবে? আজকাল কের ছেলে মেয়ে তোরা জানি কেমন? একটুতেই হার মেনে নিস!

লড়াই করতে জানিস না! সব চেস্টায় কি সফল হয়?

.

আয়ান- সরি বাবা! আমাকে মাফ করে দাও! আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি! আমি আর এমন কোন দিন করবো না!

.

ঠিক এমন সময়, পিছন থেকে অনন্যা বলে উঠলো,

অনন্যা- এই তাহলে ঘুমের মধ্যে সেই মেয়ের নাম ডাকের আসল রহস্য! এজন্য মেয়ের নাম রাখছো আইরিন? আর এদিকে আমি বোকার মত ভেবছি অনন্যা নামের সাথে মিল রেখে নাম রেখেছে আইরিন! আল্লাহ কার সংসার করলাম আমি এই ২৭ বছর! আমার জন্য একটাও ফুলের গাছ লাগালো না আর এদিকে প্রেমিকার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে কদম কৃষ্ণচূড়া গাছ ৩০ বছর থেকে লাগানো আছে!

.

আবার এই কথা ছেলেকে গর্ব করে পুরনো প্রেমের গল্প শোনানো হচ্ছে, সে ভালো রবীন্দ্র সংগীত পারে আর এদিকে আমি যে অনেক কিছু পারি এগুলো একবার ও বলে না!

.

আজ সেই সেই গাছ সহ পুরো ক্যাম্পাস জ্বালিয়ে দিবো! 

আর তোর বোনের নামে আবার আকিকা দিয়ে নাম চেঞ্জ করবো! তুই সুধু ভালো হয়ে কাল বাড়ী আয়, তবে তোর বাপ যেন বাড়িতে না আসে! ওকে সেই কদম তলায় যেতে বল!

আয়ান- আব্বু! আজ তুমি শেষ!

আমি- কোন জ্বালা হলো রে বাবা! ছেলের জীবন সাজাতে এসে নিজের জীবনে আগুন লাগিয়ে দিলাম!

লাস্ট একবার ঝগড়া হয়েছিলো, ১৫ দিন বাইরে খেতে হয়েছিলো! আল্লাহ! এবারের মত একটু রক্ষা করিও! আর ভুলেও কোন কদম কৃষ্ণচূড়া গাছের নীচে যাবো না!

//

সমাপ্ত

গল্পের নাম- পরিবার

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



চলতি পথে ...(পর্ব:১০৮) নানা সবুজ বৃক্ষরাজি প্রকৃতিকে করে তুলেছে প্রাণবন্ত, শোভাময়।

 চলতি পথে ...(পর্ব:১০৮) নানা সবুজ বৃক্ষরাজি প্রকৃতিকে করে তুলেছে প্রাণবন্ত, শোভাময়। এমনই একটি দৃষ্টিনন্দন শোভাবর্ধক গাছ মেক্সিকান "উইপ...