বিভিন্ন সারের কাজ
![]() |
⭐ সফলতার ১৫টি সূত্রঃ-
১. আজ থেকে পাঁচ বছর পর আপনি কোথায় যাবেন তা নির্ভর করবে এখন আপনি কী ধরনের বই পড়ছেন, কোন ধরনের মানুষের সাথে মেলামেশা করছেন সেটার উপর।
২. এডিসন বলেন, সাফল্য হলো ৯৫% কঠোর পরিশ্রম আর ৫% অনুপ্রেরণার ফল।
৩. যে ব্যক্তি পড়তে পারে কিন্তু পড়ে না আর যে ব্যক্তি পড়তে পারে না দুই-ই সমান।
৪. ফার্স্ট ইমপ্রেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোন কথা বলার আগেই একজনের সাথে সাক্ষাত হওয়ার তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই তার সম্পর্কে একটা ধারণা হয়ে যায়। We never get a 2nd chance to make the first impression.
৫. আপনি কী অর্জন করেছেন, সাফল্য মাপার মানদন্ড সেটা নয় বরং আপনি পড়ে যাওয়ার পর কতবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেটা।
৬. পরাজয়ের ভয়, পরাজয়ের চেয়েও খারাপ।
৭. একটা পরাজয় আরো পরাজয়ের জন্ম দেয়। কারণ প্রত্যেকটা পরাজয়ের সাথে ব্যক্তি তার আত্ম-মূল্য হারিয়ে ফেলে যেটা পরবর্তী পরাজয়ের কারণ।
৮. পরাজিতরা কোন কিছু ঘটার অপেক্ষায় থাকে। তারা কখনই কোন কিছু ঘটাতে পারে না।
৯. যে সবকিছু তৈরি পাওয়ার জন্য তৈরি, সে জীবনে কিছু করতে পারে না। সফল ও ব্যর্থ উভয়ের দিনই ২৪ ঘন্টায়।
১০. NO মানে একেবারে না নয়। NO = Next Opportunity.
১১. বাহ্যিক সাফল্য আচরণের উপর নির্ভর করে। যদি আপনি নিজেকে চরিত্রবান, সাহসী, সৎ বলে বিশ্বাস করেন তাহলে এগুলো আপনার আচরণে প্রতিফলিত হবে।
১২. জয়ী হতে হলে কী কী করতে হবে বিজয়ীরা সেটার উপর গুরুত্ব দেয়। আর বিজিতরা যা যা পারে সেটার উপর গুরুত্ব দেয়।
১৩. আপনি সবসময় যা করে এসেছেন, এখনও যদি সেটাই করেন তাহলে সবসময় যা পেয়েছেন, এখনও তাই পাবেন।
১৪. সম্পর্ক তৈরি করা একটা প্রক্রিয়া, কোন ঘটনা না।
১৫. আপনার ইচ্ছা শক্তি আপনার ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করবে।
![]() |
এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা!
সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি
লাঙল লইয়া খেতে ছুটিতাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।
যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে তামাশা করিত শত।
এমনি করিয়া জানি না কখন জীবনের সাথে মিশে
ছোট-খাট তার হাসি ব্যথা মাঝে হারা হয়ে গেনু দিশে।
বাপের বাড়িতে যাইবার কালে কহিত ধরিয়া পা
আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু উজান-তলীর গাঁ।
শাপলার হাটে তরমুজ বেচি দু'পয়সা করি দেড়ী,
পুঁতির মালার একছড়া নিতে কখনও হত না দেরি।
দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন লইয়া গাঁটে,
সন্ধাবেলায় ছুটে যাইতাম শ্বশুরবাড়ির বাটে!
হেস না- হেস না- শোন দাদু, সেই তামাক মাজন পেয়ে,
দাদি যে তোমার কত খুশি হত দেখিতিস যদি চেয়ে!
নথ নেড়ে নেড়ে কহিত হাসিয়া, এতদিন পরে এলে,
পথ পানে চেয়ে আমি যে হেথায় কেঁদে মরি আঁখিজলে।
আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়,
কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝঝুম নিরালায়!
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, আয় খোদা! দয়াময়,
আমার দাদীর তরেতে যেন গো ভেস্ত নসিব হয়।
তারপর এই শূন্য জীবনে যত কাটিয়াছি পাড়ি
যেখানে যাহারে জড়ায়ে ধরেছি সেই চলে গেছে ছাড়ি।
শত কাফনের, শত কবরের অঙ্ক হৃদয়ে আঁকি,
গণিয়া গণিয়া ভুল করে গণি সারা দিনরাত জাগি।
এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে,
গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।
মাটিরে আমি যে বড় ভালবাসি, মাটিতে লাগায়ে বুক,
আয়-আয় দাদু, গলাগলি ধরি কেঁদে যদি হয় সুখ।
এইখানে তোর বাপজি ঘুমায়, এইখানে তোর মা,
কাঁদছিস তুই? কী করিব দাদু! পরাণ যে মানে না।
সেই ফালগুনে বাপ তোর এসে কহিল আমারে ডাকি,
বা-জান, আমার শরীর আজিকে কী যে করে থাকি থাকি।
ঘরের মেঝেতে সপটি বিছায়ে কহিলাম বাছা শোও,
সেই শোওয়া তার শেষ শোওয়া হবে তাহা কী জানিত কেউ?
গোরের কাফনে সাজায়ে তাহারে চলিলাম যবে বয়ে,
তুমি যে কহিলা বা-জানেরে মোর কোথা যাও দাদু লয়ে?
তোমার কথার উত্তর দিতে কথা থেমে গেল মুখে,
সারা দুনিয়ার যত ভাষা আছে কেঁদে ফিরে গেল দুখে!
তোমার বাপের লাঙল-জোয়াল দুহাতে জড়ায়ে ধরি,
তোমার মায়ে যে কতই কাঁদিত সারা দিনমান ভরি।
গাছের পাতারা সেই বেদনায় বুনো পথে যেতো ঝরে,
ফালগুনী হাওয়া কাঁদিয়া উঠিত শুনো-মাঠখানি ভরে।
পথ দিয়া যেতে গেঁয়ো পথিকেরা মুছিয়া যাইত চোখ,
চরণে তাদের কাঁদিয়া উঠিত গাছের পাতার শোক।
আথালে দুইটি জোয়ান বলদ সারা মাঠ পানে চাহি,
হাম্বা রবেতে বুক ফাটাইত নয়নের জলে নাহি।
গলাটি তাদের জড়ায়ে ধরিয়া কাঁদিত তোমার মা,
চোখের জলের গহীন সায়রে ডুবায়ে সকল গাঁ।
ঊদাসিনী সেই পল্লী-বালার নয়নের জল বুঝি,
কবর দেশের আন্ধার ঘরে পথ পেয়েছিল খুঁজি।
তাই জীবনের প্রথম বেলায় ডাকিয়া আনিল সাঁঝ,
হায় অভাগিনী আপনি পরিল মরণ-বিষের তাজ।
মরিবার কালে তোরে কাছে ডেকে কহিল, বাছারে যাই,
বড় ব্যথা র’ল, দুনিয়াতে তোর মা বলিতে কেহ নাই;
দুলাল আমার, যাদুরে আমার, লক্ষ্মী আমার ওরে,
কত ব্যথা মোর আমি জানি বাছা ছাড়িয়া যাইতে তোরে।
ফোঁটায় ফোঁটায় দুইটি গন্ড ভিজায়ে নয়ন-জলে,
কী জানি আশিস করে গেল তোরে মরণ-ব্যথার ছলে।
ক্ষণপরে মোরে ডাকিয়া কহিল- আমার কবর গায়
স্বামীর মাথার মাথালখানিরে ঝুলাইয়া দিও বায়।
সেই সে মাথাল পচিয়া গলিয়া মিশেছে মাটির সনে,
পরাণের ব্যথা মরে নাকো সে যে কেঁদে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে।
জোড়-মানিকেরা ঘুমায়ে রয়েছে এইখানে তরু-ছায়,
গাছের শাখারা স্নেহের মায়ায় লুটায়ে পড়েছে গায়।
জোনাকি-মেয়েরা সারারাত জাগি জ্বালাইয়া দেয় আলো,
ঝিঁঝিরা বাজায় ঘুমের নূপুর কত যেন বেসে ভালো।
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, রহমান খোদা! আয়;
ভেস্ত নসিব করিও আজিকে আমার বাপ ও মায়!
এইখানে তোর বু-জীর কবর, পরীর মতন মেয়ে,
বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের ঘরে বনিয়াদি ঘর পেয়ে।
এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালবাসিত না মোটে,
হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।
খবরের পর খবর পাঠাত, দাদু যেন কাল এসে
দুদিনের তরে নিয়ে যায় মোরে বাপের বাড়ির দেশে।
শ্বশুর তাহার কশাই চামার, চাহে কি ছাড়িয়া দিতে
অনেক কহিয়া সেবার তাহারে আনিলাম এক শীতে।
সেই সোনামুখ মলিন হয়েছে ফোটে না সেথায় হাসি,
কালো দুটি চোখে রহিয়া রহিয়া অশ্রু উঠিছে ভাসি।
বাপের মায়ের কবরে বসিয়া কাঁদিয়া কাটাত দিন,
কে জানিত হায়, তাহারও পরাণে বাজিবে মরণ-বীণ!
কী জানি পচানো জ্বরেতে ধরিল আর উঠিল না ফিরে,
এইখানে তারে কবর দিয়েছি দেখে যাও দাদু! ধীরে।
ব্যথাতুরা সেই হতভাগিনীরে বাসে নাই কেহ ভালো,
কবরে তাহার জড়ায়ে রয়েছে বুনো ঘাসগুলি কালো।
বনের ঘুঘুরা উঁহু উঁহু করি কেঁদে মরে রাতদিন,
পাতায় পাতায় কেঁপে ওঠে যেন তারি বেদনার বীণ।
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ দাদু, আয় খোদা! দয়াময়।
আমার বু-জীর তরেতে যেন গো ভেস্ত নসিব হয়।
হেথায় ঘুমায় তোর ছোট ফুপু, সাত বছরের মেয়ে,
রামধনু বুঝি নেমে এসেছিল ভেস্তের দ্বার বেয়ে।
ছোট বয়সেই মায়েরে হারায়ে কী জানি ভাবিত সদা,
অতটুকু বুকে লুকাইয়াছিল কে জানিত কত ব্যথা!
ফুলের মতন মুখখানি তার দেখিতাম যবে চেয়ে,
তোমার দাদির ছবিখানি মোর হদয়ে উঠিত ছেয়ে।
বুকেতে তাহারে জড়ায়ে ধরিয়া কেঁদে হইতাম সারা,
রঙিন সাঁঝেরে ধুয়ে মুছে দিত মোদের চোখের ধারা।
একদিন গেনু গজনার হাটে তাহারে রাখিয়া ঘরে,
ফিরে এসে দেখি সোনার প্রতিমা লুটায় পথের পরে।
সেই সোনামুখ গোলগাল হাত সকলি তেমন আছে।
কী জানি সাপের দংশন পেয়ে মা আমার চলে গেছে।
আপন হস্তে সোনার প্রতিমা কবরে দিলাম গাড়ি,
দাদু! ধর- ধর- বুক ফেটে যায়, আর বুঝি নাহি পারি।
এইখানে এই কবরের পাশে আরও কাছে আয় দাদু,
কথা কস নাকো, জাগিয়া উঠিবে ঘুম-ভোলা মোর যাদু।
আস্তে আস্তে খুঁড়ে দেখ দেখি কঠিন মাটির তলে,
দীন দুনিয়ার ভেস্ত আমার ঘুমায় কিসের ছলে !
ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে,
অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে।
মজিদ হইতে আযান হাঁকিছে বড় সকরুণ সুর,
মোর জীবনের রোজকেয়ামত ভাবিতেছি কত দূর।
জোড়হাত দাদু মোনাজাত কর, আয় খোদা! রহমান।
ভেস্ত নসিব করিও সকল মৃত্যু-ব্যথিত প্রাণ।
টুইটার থেকে নেওয়া গল্প,,,,,,,,
সকাল ০৭ টার সংবাদ
তারিখ : ০৯-০২-২০২৪
আজকের শিরোনাম:
ঢাকার অদূরে টঙ্গীতে বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।
যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে গতরাতে পালিত হলো পবিত্র শবে মেরাজ।
মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে সৃষ্ট সমস্যায় সীমান্তে অবস্থান আরো শক্তিশালী করা হয়েছে; সংঘাতের ফলে সৃষ্ট উদ্বেগ জাতিসংঘকে লিখিতভাবে জানাবে বাংলাদেশ –বললেন ওবায়দুল কাদের।
প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে অপপ্রচার বন্ধের উদ্যোগ নেয়া হবে – সংসদে জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।
পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে চাল, তেল, চিনি ও খেজুরের দাম কমাতে শুল্ক হ্রাস করলো এনবিআর।
ইসরাইল নতুন করে আক্রমণের প্রস্তুতি নেয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গাজার রাফাহ শহরে।
সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল প্রতিযোগিতায় যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ ও ভারত ।
ফেইসবুক থেকে নেওয়া
👉 দক্ষিন এশিয়ায় একমাত্র বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করলে অন্তত ৯৫ ভাগ বানিজ্যিক বিমানকে- বাংলাদেশকে কোন ডলার দিতে হয় না। বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করে, কিন্তু চার্জ পায় ভারত। ভারতের রাডার থেকে সিগনাল রেজিস্ট্রার করা হয়, তাই এইসব বিমান থেকে বাংলাদেশের আকাশ সীমা ব্যবহারের সকল অর্থ পায় ভারত। আন্তর্জাতিক নিয়মে কোন দেশের আকাশ, অন্য দেশের বানিজ্যিক বিমান ব্যবহার করলে- অন্তত পাঁচশত ডলার দিতে হয় সেই দেশকে।
🔶 মূল কারন হল- ১৯৮০ সালে [বর্তমান শাহ জালাল (রহঃ) বিমান বন্দর] এ একটি মাত্র রাডার বসানো হয় ও কমিশন করা হয়। এই একটি মাত্র রাডার দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের আকাশ পাহারা দেয়া হয়। ৪৪ বছরের পুরাতন রাডার যা অনেক বছর আগেই ডেট এক্সপায়ারড হয়ে গেছে। এখনও বারবার মেরামত করে প্রথম প্রজন্মের এই রাডার ব্যবহার করতে হয়। এত পুরাতন রাডার দক্ষিন এশিয়ায় শুধুমাত্র বাংলাদেশই ব্যবহার করে। যার কার্যক্ষমতা আন্তর্জাতিক মান দন্ডে প্রশ্নের মুখে বহুদিন থেকে।
মজার তথ্য হল হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে ২০১৭ সালে, ছয় বছর আগে চট্টগ্রামের জন্য নতুন একটি ৪র্থ প্রজন্মের রাডার কেনা হয়। উক্ত রাডারটি ২০১৭ সালে স্থাপন করা হলেও এখন পর্যন্ত চালু করে কমিশন করা সম্ভব হয় নাই। ভারতের কারণেই এই রাডার সচল করা হচ্ছে না। রাডারটি বসানোর সময়েও ভারত আপত্তি জানায়। অথচ ভারত তাদের রাডার ব্যবহার করে বাংলাদেশের আকাশ সীমা ভাড়া গুনছে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলো থেকে। যার বার্ষিক আয়ের পরিমান প্রায় ১০০ কোটি ডলারের উপরে। এক ভারতকেই প্রতিদিন গড়ে একশোর উপর বিমান বাংলাদেশের আকাশ সীমা ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রদেশে যাতায়ত করতে হয়। অথচ ছয় বছর থেকে চট্টগ্রামের রাডারটি অযত্নে থেকে মেয়াদ হারাচ্ছে প্রতিদিন। সোর্স- কমেন্টস এ
https://www.facebook.com/100082817337029/posts/pfbid02DLr4Gzjk58SiKBPxRAG16D9EpAH7sUZHbHWnFMjfMH6o9K7CHo8PJ1ns5E9Z1HfHl/?app=fbl
,,,,,,
![]() |
সকাল ০৭ টার সংবাদ
তারিখ : ০৮-০২-২০২৪
আজকের শিরোনাম:
আগামী পাঁচ বছর দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ বদ্ধপরিকর - জাতীয় সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী।
৭৫ এর পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনই সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে - গণভবনে গোপালগঞ্জের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বললেন আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের চিঠি - দুই দেশের অংশদারিত্ব জোরদারের অঙ্গীকার।
বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম ঢেলে সাজাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রাষ্ট্রপতির নির্দেশ।
দেশে নতুন কোরে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে উদারতা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই - বললেন ওবায়দুল কাদের।
রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে একসঙ্গে কাজ করতে ঐকমত্যে পৌঁছেছে ঢাকা ও নতুন দিল্লী - বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পাকিস্তানে আজ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচন ।
মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও সিলেট স্ট্রাইকার্সের নিজ নিজ খেলায় জয়।
ফেইসবুক থেকে নেওয়া
পিরামিড রহস্য পর্ব
পিরামিডের নির্মাতা কে হতে পারে এ বিষয়ে এটা আমাদের মাথায় আসার আগে পিরামিনড টা কি ভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল এ সম্পর্কে আমাদের ধারণা মাথায় থাকা দরকার।
নম্বর ১
বড় পিরামিড যেটাকে খুফর বলা হয় এটা নির্মাণ করতে ২৩ লক্ষ্য ব্লক ব্যবহার করা হয়েছিল এর সর্বনিম্ন ছোট ব্লকটির ওজন একটা প্রাইভেট কারের সমান ও বড়টির ওজন প্রায় 40 টা প্রাইভেট কারের সমান
এক একটা ব্লকের ওজন ২৭ হাজার কিলোগ্রাম থেকে নিয়ে ৭০ হাজার কিলো গ্রাম পর্যন্ত ছিল।
নম্বর ২
এ ব্লক বা পাথরের টুকরাগুলো যেভাবে ফিনিশিং করা হয়েছে কাটা হয়েছে এটা অত্যাধুনিক জামানার লোহা কাটা মেশিন এর মাধ্যমেও সম্ভব নয়।
নম্বর ৩
আজ থেকে ৫০০ বছর আগে জ্যামিতির আবিষ্কার হয় অথচ অত্যন্ত সুনিপুণ হাতে জ্যামিতি ব্যবহার করে পিরামিডগুলো নির্মাণ করা হয়েছে ।খুফুর পিরামিডের সাথে তিনটি পিরামিড তিনটি তারকাকে লক্ষ্য করে।
নম্বর ৪
মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় সব সময় দেখা যায় যে লু হাওয়া অত্যন্ত বেশি তাপমাত্রা কিন্তু পিরামিডের মধ্যে সব সময় বিশ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা মানে এয়ারকন্ডিশন এসি।
নাম্বার ৫
এ পিরামিড গুলো আজ থেকে চার-পাঁচ হাজার বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছে সেখানে কি রড বালু সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে যে ৪০০০ বছরেও সেটা স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে অথচ বর্তমান অত্যাধুনিক জামানার রড সিমেন্টের বিল্ডিং সর্বোচ্চ 150 বছর টেকশই হয় ।
নাম্বার ৬
এ পিরামিডগুলো যখন আবিষ্কার করা হয় তখনকার মানুষের হাইট ছিল সর্বোচ্চ 10 ফিট বর্তমান ফেরাউনের লাশ এখনো মিশরে অক্ষত আছে যার দৈর্ঘ্য ৮ ফিটের উপরে নয়। (ধরলাম সর্বোচ্চ 20 ফিট) এই খুফুর পিরামিড কে ছিল ৪২ তলা বিল্ডিং এর সমান 1889 সালে আইফেল টাওয়ারের পূর্ব পর্যন্ত এ চার হাজার বছর এই পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ স্থাপনা ছিল পিরামিড। এত বড় বড় পাথরের টুকরা গুলো এত উপরে ১০ ১৫ ফিটের মানুষের পক্ষে কিভাবে স্থাপন করা সম্ভব হয়েছিল ⁉️🤔
নম্বর ৭
পিরামিড নির্মাণের পর পরবর্তী প্রজন্ম থেকে নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন বিজ্ঞানী কোন ব্যক্তি খুঁজে পাইনি পিরামিডে ব্যবহৃত পাথরগুলো ঠিক কোথায় থেকে কিভাবে নিয়ে আসা হয়েছিল।
নাম্বার ৮
পিরামিডের মধ্যে কি আছে কেন নির্মাণ করা হয়েছিল এত অর্থবহুল ভাবে এটা যাচাইয়ের জন্য অত্যাধুনিক জামানায় বিজ্ঞানীরা ভেতরে প্রবেশ করার জন্য অনেক চেষ্টা চালিয়েছে সর্বশেষ ক্যামেরা পাঠিয়েছে ডানে বামে দুই একটি ছবি তোলার পর ক্যামেরাটি অটোমেটিক বন্ধ হয়ে গেছে তারপর থেকে নিয়ে সেখানকার সরকার প্রশাসন গবেষণা নিষিদ্ধ করেছে।
তাহলে ক্যামেরাটি বন্ধ করলো কে⁉️ ভেতরে কারা আছে কি করছে তারা বাহিরের মানুষকে তাদের বিষয় সম্পর্কে জানতে দিচ্ছে না🤔
নাম্বার ৯
আমেরিকা পিরামিডের দেশ নয় পিরামিড তাদের প্রতীক নয় অথচ ওয়ান ডলারের মধ্যে দেখা যাচ্ছে পিরামিডের ছবি এবং মাথার উপর দেখা যাচ্ছে একটি চোখ 🤔
কি এর রহস্য পিরামিড নির্মাতার দিকে ইঙ্গিত করছে না তো⁉️
নম্বর ১০
বর্তমান অত্যাধুনিক জামানা তথ্যপ্রযুক্তির যুগে নাসার বিজ্ঞানীরা ভিনগ্রহেএলিয়েনের সন্ধ্যান পেয়েছে বলে আত্মতৃপ্তির শেষ নেই মনে হচ্ছে পুরো মহাবিশ্বের তথ্য হাতে মুঠোয় আনতে পেরেছে অথচ এর পেছনেও তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রমাণাদি নেই । অথচ আজ থেকে চার হাজার বছর আগে নির্মিত পিরামিডের দেয়ালে এলিয়েনের চিত্রঅঙ্কন করলো কে⁉️
বর্তমান আধুনিক জামানায় বিদ্যুতের আবিষ্কার হলো অথচ চার হাজার বছর পূর্বে প্রাচীন যুগে হেলিকপ্টার ও বৈদ্যুতিক বাল্বের ছবি কে কিভাবে পিরামিডের দেয়ালে অঙ্কন করল ⁉️
কে জানত তখন থেকে ৪ হাজার বছর পর সাবমেরিন এর আবিষ্কার হবে আর সে সাবমেরিন 4000 বছর পূর্বেই পিরামিডের দেয়ালে অঙ্কন করল ⁉️
বিবেকের চশমা দিয়ে দেখতে থাকুন ভাবতে থাকুন সব উত্তর এসে যাবে।
ভাই মিশরীয় সভ্যতা অনেক উন্নত ছিলো তাদেরকে আল্লাহ তা'আলা অনেক উন্নত করেছিলেন অনেক উন্নত বানিয়েছিলেন কিন্তু তারা আল্লাহকে মেনে চলেনি এজন্য তারা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো। আমরা তাদের এক দশমাংস উন্নত হতে পারিনি। মানে দশের এক অংশও উন্নত হতে পারিনি।
Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:
"তাদের পূর্ববর্তীরাও (সত্যকে) মিথ্যে বলে অস্বীকার করেছিল। আমি তাদেরকে যা দিয়েছিলাম, এরা তার এক দশমাংশও পায়নি। তবুও ওরা যখন আমার রসূলগণকে অস্বীকার করেছিল তখন কত ভয়ংকর হয়েছিল আমার শাস্তি।"
(QS. Surah Saba' chapter 34: Verse 45)
![]() |
পেঁপে গাছের পাতা হলুদ/কুকড়িয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান ও সতর্কতা।
পেঁপে গাছের পাতা হলুদ/কুকড়িয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান ও
সতর্কতা বিষয়ে প্রায়ই জানতে চান চাষিরা। এ সমস্যার কারণে ফলন
অনেকাংশই কমে যায়।
অনেকক্ষেত্রে বড় বাগানে চাষিদের বড় লোকসানের বোঝাও বইতে
হয়। নানা কারণে এসব সমস্যা দেখা দেয়। পাঠক আসুন জেনে নেয়া
যাক এ সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত তথ্য।
যেসব কারণে পেঁপে গাছের পাতা হলুদ ও কুকড়িয়ে যায়: পাতার
বয়স হলে এমনিতেই ঝরে পড়ে।২. নাইট্রোজেন/ইউরিয়ার অভাবে
নিচের পাতা হলুদ হয়ে ঝরে পড়ে। ৩. পানির অভাব বা অতিরিক্ত
পানিতে এরকম হয়।
প্রতিকার: ইউরিয়া না দিয়ে থাকলে ফুল ধরার আগ পর্যন্ত প্রতি মাসে
গাছের গোড়া থেকে দুই ফুট দূর দিয়ে চারিদিকে ৫০ গ্রাম ইউরিয়া
মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। প্রয়োজনে হালকা সেচ দিতে হবে।
উপরের কারণ না থাকলে বয়সের কারণে হলুদ হয়েছে বুঝতে হবে।
তখন মরা পাতাগুলো ছিড়ে ফেলতে হবে। ফুল -ফল ধরার পর গাছ
প্রতি ইউরিয়া সারের পরিমাণ বাড়াতে হবে।
কচি পাতা হলুদ হলে বুঝতে হবে সালফারের অভাব হয়েছে। তখন
থিওভিট বা মাইক্রোথিওল বা অন্য কোন সালফার সমৃদ্ধ সার দিতে
হবে। যদি পাতায় সবুজ আর হলুদ রংয়ের মিশ্রন থাকে ও পাতা
কুকড়িয়ে যায় তবে বুঝতে হবে ভাইরাস রোগ হয়েছে।
সাদামাছি, মিলিবাগ, জাবপোকা ভাইরাস রোগ ছড়ায়। তাই রোগ
হওয়ার আগেই ইমিটাফ বা টাফগর বা এডমায়ার বা একতারা
যেকোন একটি স্প্রে করতে হবে। পেঁপে গাছ লাগানোর আগে বোরণ
সার না দিয়ে থাকলে ফুল-ফল ধরার পর গোড়ায় বা স্প্রে করে বোরণ
সার দিতে হবে।
প্রতি লিটার পানির সাথে এক মিলি বা এক গ্রাম হারে মিশাতে হবে।
এতে করে ফলের আকার আকৃতি ভালো হবে। সাধারণত উপরের
পাতায় ভাইরাসের লক্ষণ দেখা যায়।
গাছের উপরে সবুজ পাতা আর নীচে হলুদ পাতা দেখা দিলে মরা
পাতাগুলো ফেলে দিয়ে গাছের গোড়া থেকে দেড়-দুই ফুট দূর দিয়ে
গাছ প্রতি ৫০ গ্রাম করে ইউরিয়া ও ২৫ গ্রাম পটাশ দিলেই চলবে।
পটাশ না দিয়ে থাকলে সেটাও একই হারে দিতে বলবেন।
ফুল ঝরে যাওয়া সমস্যা মনে হলে প্রতি লিটার পানির সাথে হাফ চা
চামচ ইউরিয়া ও এক চিমটি থিওভিট মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে
হবে।
পরামর্শ/দরকারী: বাগানে প্রতি ১০ টি পেঁপে গাছের মধ্যে একটি
পুরুষ গাছ থাকা জরুরি। এতে সঠিক পরাগায়ন হবে। ফল টিকবে
বেশি।
গাছের গোড়ায় পানি জমতে দেয়া যাবে না। শুকিয়ে গেলে প্রয়োজনীয়
সেচ দিতে হবে। রোগ হয়ে গেলে ভালো করার উপায় নেই। তখন গাছ
উঠিয়ে ফেলতে হবে। তাই আগে থেকেই পোকা দেখামাত্র বা প্রতি
মাসেই স্প্রে করতে হবে।
লেখক: উপজেলা কৃষি অফিসার প্রেষণে সিনিয়র সহকারি পরিচালক
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা), গাজীপুর।
![]() |
| ফেইসবুক থেকে নেওয়া |
লেবুর পাতা সুড়ঙ্গকারী পোকা। Leaf Miner of Lemon.
পোকা চেনার উপায় : মথ বা পূর্ণাঙ্গ পোকা মেটে থেকে কালচে রঙের। মাঝে হলদে ছোপ ছোপ পাখার পেছনের দিক সামান্য উঁচু।৩ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে হলদে রঙের ২-৩ মিমি (০.০৭- ০.১১ ইঞ্চি) আকারের কীড়া পাতার ভিতরে আঁকাবাঁকা সুড়ঙ্গ করে চলে।
ক্ষতির ধরণ : এ পোকার কীট পাতার উপ ত্বকের নীচে আঁকাবাঁকা সুড়ঙ্গ করে সবুজ অংশ কুড়ে কুড়ে খেয়ে ফেলে। দাগ শেষে বাদামি হয়ে শুকিয়ে যায়। আক্রান্ত পাতা কুঁকড়ে যায়। তীব্র আক্রমণে গাছের বৃদ্ধি ও ফলন কমে যায়।
ব্যবস্থাপনা :
আক্রমণ বেশি হলে ফেনিট্রথিয়ন জাতীয় কীটনাশক (যেমন সুমিথিয়ন বা ফলিথিয়ন ২০ মিলিলিটার) অথবা ক্লোরপাইরিফস জাতীয় কীটনাশক (রিজেন্ট ১০-১৫মিলিলিটার) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
পূর্ব-প্রস্তুতি :
নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।শীতের সময় বিশেষ করে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে আক্রান্ত পাতা ছাঁটাই করে পুড়িয়ে দিন ।
অন্যান্য :
প্রতি লিটার পানিতে ১২০ মিলিলিটার নিমের খৈলের রস বা নিম তেল মিশ্রিত করে আক্রান্ত গাছে ভাল ভাবে পাতা ভিজিয়ে স্প্রে করুন।১০-২০লিটার পানিতে ১ কেজী নিমের খৈল মিশিয়ে ১৫ দিন অন্তর স্প্রে করুন।তামাক নির্যাস ও সাবান গোলা পানি স্প্রে করে দিলেও এ পোকা দমন হয় ।
![]() |
সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...