এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী - বাংলা ভাষার ত্রানকর্তা,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী - বাংলা ভাষার ত্রানকর্তা 


বাংলা ভাষা হাজার বছর ধরে এশিয়ার বিশাল জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষা। আধুনা পৃথিবীতে বাংলা ভাষা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে (আটকে পড়া বাংলাদেশীদের মধ্যে), মিয়ানমারের (পূর্বতন বার্মা) রাখাইন রাজ্যে (পূর্বতন আরাকান) ব্যবহৃত হচ্ছে। এরমধ্যে বাংলাদেশে পেয়েছে রাষ্ট্রীয় ভাষা, ভারতে পেয়েছে প্রাদেশিক ভাষার স্বকৃতী। এই ভাষার জন্য আন্দোলন হয়েছে বিহারের মানভূম, আসামের শিলচর এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। মানুষ এই ভাষার জন্য বিহারে, পূর্বতন পূর্ব পাকিস্তানে ও আসামে নিজের তাজা রক্ত ঢেলেছে। যা পৃথিবীর একমাত্র দৃষ্টান্ত। বর্তমানে ভাষার জন্য আত্মদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারা পৃথিবীতে ২১শে ফেব্রুয়ারী পালন করা হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। উল্লেখ্য ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে প্রোথিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি। 


 হাজার বছর পূর্বেও বাংলা ভাষা নিষিদ্ধ হয়েছিল এই বাংলাতেই। জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছে বাঙালির প্রাণের ভাষা বাংলা। দক্ষিণ ভারত থেকে আগত সেন রাজারা তাদের ধর্মগুরুদের ঘৃণ্য পরিকল্পনায় রাজকীয় ফরমান জারি করে -  “যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা ‘রৌরব’ নামক নরকে যাবে।” কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই সেন রাজবংশ ইতিহাস হয়ে যায়, আর বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে টিকে আছে আজ অবধি। যদিও ভারতে হিন্দীর আগ্রাসনের মুখে বাংলা ভাষা। তবে আশার কথা হলো "বাংলা পক্ষ" একটি সংগঠন সোচ্চার হয়েছে পশ্চিম বঙ্গে বাংলা ভাষা ও বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায়। সেন রাজাদের রাজকীয় ফরমান জারির পর হুমকির মুখে পড়ে বাংলা ভাষা। তখন নির্যাতিত ও নিগৃহীত বাঙালি ও বাংলা ভাষার ত্রানকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হন তুর্কি বংশোদ্ভূত উচ্চাভিলাসী সেনানায়ক ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী। অত্যন্ত দক্ষ এই সেনানায়ক ১২০৪ সালে বাংলার প্রবেশদ্বার রাজমহল ও তেলিয়াগড় এড়িয়ে ঝাড়খণ্ডের শ্বাপদশংকুল অরণ্য দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেন। ঝাড়খণ্ডের শ্বাপদশংকুল অরণ্যের মধ্য দিয়ে এত দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয়েছিলেন যে তার সাথে মাত্র ১৭ জন সৈনিকই তাকে অনুসরণ করতে পেরেছিলেন। বখতিয়ার খিলজী সরাসরি রাজা লক্ষ্মণসেনের প্রাসাদদ্বারে উপস্থিত হন এবং দ্বাররক্ষী ও প্রহরীদের হত্যা করে প্রাসাদের ভিতরে প্রবেশ করেন। এতে প্রাসাদের ভিতরে হইচই পড়ে যায় এবং লক্ষ্মণসেন দিগ্বিদিক হারিয়ে ফেলে প্রাসাদের পেছনের দরজা দিয়ে নৌপথে বিক্রমপুরে আশ্রয় নেন। ঐতিহাসিকগন বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার বিন খিলজীর বাংলা বিজয়ের মাধ্যম দিয়ে সেইদিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সাথে মুক্ত হয়েছিলো বাঙ্গালীদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।


ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, “মুসলমান সম্রাটগণ বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।” অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এদেশে আরো কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকতো, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।”


মধ্যযুগে মুসলিম শাসকরা বাংলা ভাষাকে দেন রাজকীয় মর্যাদা, এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হলেন শাহ্-ই-বাঙালিয়ান, বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা শামস্উদ্দিন ইলিয়াস শাহ্। মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্য চর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করে।


বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা পরবর্তীতে যুগে যুগে আরো হয়। ১৮শ’ সালে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবী ও ফারসী শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্য চর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়, “বাংলা ভাষার সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই”।


উপনিবেশিক শাসকদের প্ররোচনায় মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছে। অথচ ১৮৮৬ সালে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু পূর্বে ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এরা রয়ে গেছে অনেকটা লোকচক্ষুর আড়ালে। এটি নিঃসন্দেহে সত্যি শ্রীযুক্ত গিরিশ চন্দ্র সেন ছিলেন একজন প্রকাশক। ‌তার সহায়তায় কুরআন আল কারীমের বাংলা অনুবাদ প্রকাশিত হয়।


আজ বহুজাতিক ভাষা ইংরেজির আগ্রাসনের শিকার বাংলা ভাষা। আজও স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মুক্ত হতে পারেনি ইংরেজির কবল থেকে। বিচার বিভাগ থেকে সকল রায় ও ফরমান জারি করা হয় ইংরেজি ভাষায়। যদিও বাংলাদেশের জনসাধারণ দীর্ঘ দিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে বিচার বিভাগের বাংলা করনের জন্য। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করা হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় লেখা ফলক। এমনকি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ মঞ্জুরীপত্র লেখা হচ্ছে ইংরেজিতে। এটি অনভিপ্রেত। তাই নীতি নির্ধারণী মহলের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি বাংলা ভাষা রক্ষার্থে পশ্চিম বঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম ও রাখাইনে সকল ধরনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের এবং বাংলাদেশে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার জন্য।


তথ্যসূত্রঃ

১। খন্দকার কামরুল হুদা, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও শেখ মুজিব।

২। বাংলাপিডিয়া


নিবন্ধ - মাহফুয রহমান

শিক্ষাকর্মী এবং ভূতপূর্ব ব্যাংক কর্মকর্তা।

মালয়েশিয়া নিউজ


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


টবের চারা লাগানোর পদ্ধতি,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টবের চারা লাগানোর পদ্ধতি 


টব বাছাই ও সার মাটি নিয়ে আমরা জানলেও টবের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পাকা করা উচিত। টবের তলায় ছিদ্রের ওপর একটি খোলাকুমচি (হাঁড়িভাঙা) উপুড় করে রেখে কাঁকর দিয়ে 

ঢেকে দিতে হবে। কাঁকর স্তরের উপর ২ সেন্টিমিটার পুরু বালির স্তর দিলে টবের বাড়তি পানি সহজে চুইয়ে ছিদ্র দিয়ে বের হয়ে যাবে। বাইরে থেকে ছিদ্রটি যাতে বন্ধ না হয়ে যায় সেদিকে

 লক্ষ্য রাখতে হবে। টবটি মাটির উপর না রেখে ইট বা সিমেন্টের চাতালের উপর রাখা উচিত। 


চারা লাগানোর আগে টবে সারমাটি ভালো করে ভরতে হবে। মাটি যেন আর্দ্র ও ঝুরঝুরে অবস্থায় থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রথম পর্যায়ে যে পরিমাণ মাটি ভরতে হবে তা নির্ভর 

করবে চারার ও শিকড় সংলগ্ন মাটির বলের আকারের ওপর। বলা বাহুল্য চারাটি লাগানো হবে টবের মুখবৃত্তের কেন্দ্রে। ছোট চারা লাগাতে হলে টবের পুরোটাই সারমাটি দিয়ে ভর্তি করে 

চারার শিকড় সংলগ্ন মাটির পরিমাণ অনুযায়ী টবের মাটির একটি গর্ত করতে হবে। ওই গর্তের মধ্যে চারাটিকে খাড়াভাবে রেখে গোড়ায় সার মাটি দিয়ে ধীরে ধীরে চেপে দিতে হবে যেন 

মাটির মধ্যে কোনো ফাঁক ফোকড় না থাকে। এভাবে টবের মাটি চেপে দেওয়ার পর টবের ওপর দিকে কিছুটা জায়গা খালি হবে। আন্ত: পরিচর্যার সুবিধার্থে ওই জায়গাটুকু সারমাটি দিয়ে 

পুরণ করা যাবে না। চারা পাল্টানোর পরপরই টবকে হালকা ছায়ায় রাখতে হবে। টবকে কড়া রোদে রাখা যাবে না। চারা টবের মাটিতে শিকড় না দেওয়া পর্যন্ত টবকে হালকা ছায়ায় রাখা 

উচিত। 


টব পাল্টানো:

 

সাধারণত কচি চারা সরাসরি বড় টবে না লাগিয়ে প্রথমে ৫-৮ সে.মি টবে লাগিয়ে বেশ শক্ত করে নেওয়া হয়। টবের মধ্যে চারার শিকড় যখন জালের মতো হয়ে যায় তখন তা পরীক্ষা 

করতে হলে চারাসহ টটি উলটে ডান হাতের দুটি আঙুলের ফাঁকের মধ্যে ধরে টবের মুড়িটি কোনও শক্ত জিনিসের ওপর ঠুকে দিলে মাটির বলসহ চারাটি টব থেকে বেরিয়ে আসবে। 

এভাবে টবের শিকড় পরীক্ষা করা যায়। 


বীজতলায় চারা লাগানোঃ 


বীজতলা থেকে চারা তুলে সরাসরি লাগাতে হলে তা খুব সাবধানে করা উচিত। লাগানোর সময় মাটির জো যেন ঠিক থাকে অর্থাৎ অল্প আর্দ্র অবস্থায় থাকা উচিত। লক্ষ্য রাখা দরকার, 

কচি চারার শিকড় যেন যতখানি সম্ভব কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চারা কতখানি গভীর করে বসাতে হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। বীজতলায় বা গামলা টবে চারার গোড়া মাটির যে লেভেল-এ 

ছিল টবে সাধারণত তার কিছুটা নিচে লাগাতে হবে। তা না হলে চারা কিছুটা হেলে পড়তে পারে। গভীরতা বেশি হলেও অন্য বিপদ দেখা দিতে পারে অর্থাৎ গোড়া পচে যাওয়ার সম্ভাবনা 

থাকে। কচি চারার শিকড় মাটি না ধরা পর্যন্ত কড়া রোদের তাপে নেতিয়ে পড়তে পারে। কাজেই দিন কয়েক হালকা ছায়ায় রেখে শক্ত করে নিতে হবে।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


এখনকার মতন পেসমেকার থাকলে হয়তো আরও অনেকদিন বাঁচতেন তাঁর মা,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এখনকার মতন পেসমেকার থাকলে হয়তো আরও অনেকদিন বাঁচতেন তাঁর মা, আক্ষেপ করেছিলেন সত্যজিৎ রায়..💫🌻


সত্যজিৎ রায় যখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ওপর ডকুমেন্টারি  তৈরি করছেন তখন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তাঁর মা সুপ্রভা দেবী,ছবিটা তিনি দেখে যেতে পারেন নি, সত্যজিৎ রায়ের ভাষায় গানকে ভালবাসা আর কাজকে ভালবাসা এ দুটো মা তাঁকে দিয়েছেন৷


সত্যজিৎ রায়ের বাবা  সুকুমার রায় কে আমরা চিনি তাঁর মৃত্যুহীন সাহিত্য সৃষ্টির মাধ্যমে৷ তিনি সরস ও সজীবতার মূর্ত প্রতীক৷ আড়াই বছর যমে মানুষে টানাটানি হয়েছে,কালাজ্বরের তখন চিকিৎসাও ছিল না৷ নিজের প্রথম বই 'আবোলতাবোল'  বই আকারে প্রকাশিত হওয়া তিনি দেখে যেতে পারেন নি,যদি পারতেন নিশ্চিতভাবে বলা যায় অসম্ভব খুশিই হতেন কি অনবদ্য সৃষ্টি তিনি করেছেন৷


আবালবৃদ্ধ বনিতা উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী,সুকুমার রায়,সত্যজিৎ রায়,লীলা মজুমদার কে যতটা চেনেন, হয়ত সত্যজিৎ জননী সুপ্রভা দেবী কে একই ভাবে চেনেন না! কালীনারায়ণ গুপ্তর নাতনি সুপ্রভা দেবী অসাধারণ গাইতেন৷ মাসি কণক দাশের থেকে সুপ্রভা দেবীর ভাল গলা ছিল,কিন্তু অকালবৈধব্য ও দারিদ্র্য সব নষ্ট করে দিয়েছিল এই বক্তব্য তাঁর কিংবদন্তি পুত্রের৷


মানিকবাবুদের ব্যবসা তখন উঠে গিয়েছে,পৈত্রিক বাড়ি ছেড়ে সুপ্রভা দেবী  ছেলে কে নিয়ে ছোট ভাইয়ের আশ্রয়ে এলেন৷ লেডি অবলা বসু কে ধরে নিজে চাকরি নিলেন বিদ্যাসাগর বাণীভবনে৷ সেলাইটা জানতেন,এমব্রয়ডারি করে সত্যজিৎ রায় কে বড় করেছেন, পরিশ্রম করতেন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত৷


বহুমুখী প্রতিভার নারী সুপ্রভা দেবীর গুণের শেষ নেই৷ ১৪বছর বয়সে মানিকবাবু ম্যাট্রিক পাশ করেছেন, ৯বছরে তাঁকে  বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে ক্লাস ফাইভে ভর্তি করা হয়৷ এর আগে তাঁর পড়াশোনা শেখা সবটাই মায়ের কাছে৷ অভাব থাকলেও সুপ্রভা দেবী ছেলেকে ভাল স্কুল, কলেজে পড়িয়েছেন৷


মা অবশ্য শেষ পর্যন্ত চাকরি ছেড়েছিলেন, সত্যজিৎ রায় মহাশয় ডি জে কিমারে চাকরি পাওয়ার পর আর তাঁকে আর চাকরি করতে দেন নি৷ প্রথম পদ জুনিয়র ভিসুয়ালাইজার বেতন ৬৫টাকা সঙ্গে ১৫টাকা ডি এ৷

 চাকরি জীবনে উন্নতির শিখরে পৌঁছতে থাকেন,বাড়তে থাকে বেতন,'পথের পাঁচালী'-এর পরে যখন চাকরি ছেড়ে দিলেন তখন বেতন দু'হাজার টাকা৷


১৯৫৫সালে 'পথের পাঁচালী' মুক্তি পাবার পরে সত্যজিৎ রায় বিজ্ঞাপন জগতের কাজ ছেড়ে দেন৷নেপথ্যের কারণ হল বিজ্ঞাপন করতে গেলে ক্লায়েন্টদের চাহিদা অনুযায়ী জিনিস তৈরি করতে হত.আর ঠিক সেই ব্যাপারটায় ক্রমশ আস্থা হারাতে শুরু করেছিলেন৷

কিন্তু ছেলে সায়েব কোম্পানির ভাল চাকরি ছেড়ে ফিল্মের নেশায় মেতে ওঠায় প্রথম দিকে সুপ্রভা দেবী মোটেও প্রসন্ন হন নি,তারপর সাফল্য যখন এল ততদিনে মায়ের মন  নিশ্চিন্ত হয়েছে ৷ ছেলের সব খবরের কার্টিং একটা লাল খাতায় এঁটে রেখে দিতেন৷ একটু চাপা প্রকৃতির ছিলেন,কিন্তু 'পথের পাঁচালী' দেখে তাঁর চোখেও অশ্রুধারা...🌿


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপর ডকুমেন্টারি যখন ছেলে তৈরি করছেন তখন অসুস্থ হলেন সুপ্রভা দেবী,ছবিটা তিনি দেখে যেতে পারেন নি বলে বড় আপশোস ছেলের৷ একই সঙ্গে ছিল আরও বড় আক্ষেপ৷ সেই আক্ষেপের কথা আমরা শুনি মানিকবাবুর নিজের মুখেই -----


“শেষ বয়সে মায়ের ডায়াবিটিস হল সেই সঙ্গে হার্টের গোলমাল৷ এখনকার মতন পেসমেকার থাকলে হয়তো আরও অনেকদিন বাঁচতেন...”🌷


কলমে ✒️ অরুণাভ সেন


♦️তথ্যসূত্রঃ সত্যজিৎ রায় সাক্ষাৎকার সমগ্র (সন্দীপ রায়)

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বোরো_ধানের_মাজরা_পোকা_কিভাবে_দমন_করবেন,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #বোরো_ধানের_মাজরা_পোকা_কিভাবে_দমন_করবেন:


#সম্মানিত বোরো ধান আবাদি কৃষক/কৃষাণী বৃন্দ বোরো ইদানিং ধান গাছে মরা ডিগ দেখা যাচ্ছে যা হাত দিয়ে টান দিলেই সহজে উঠে আসে। এবং 

শীষ আসার পর আক্রমন করলে শীষ শুকিয়ে যায়। ফলে একে সাদা শীষ/মরা শীষ বা হোয়াইট হেড বলে। এটাকে মাজরা পোকার আক্রমণ বলে। আপনার ধান ক্ষেতে এ রকম সমস্যা হয়ে থাকলে লক্ষ্য করুন


#কোন_সময়:

সাধারণ ধানের জমিতে সর্বোচ্চ কুশি পর্যায়ে থেকে কাইচ থোড় অবস্থায় মাজরা পোকা বেশি আক্রমণ করে অর্থাৎ চারা রোপনের ৪০-৬০ দিনে ধানের জাত ভেদে তাই এ সময় আগাম প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। 


#প্রাথমিক অবস্থায় করণীয়:


#জমিতে অতিরিক্ত ইউরিয়া সার ব্যবহার করবেন না। 

#নিয়মিতভাবে ক্ষেত পর্যবেক্ষণের সময় মাজরা পোকার মথ ও ডিম সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেলতে পারেন।

#ক্ষেতের মধ্যে ডালপালা পুঁতে পোকা খেকো পাখির বসার সুযোগ করে দিতে পারেন।


#আক্রমনের তীব্রতা বেড়ে গেলে করণীয়:


#ধানের জমিতে শতকরা ১০% মরা কুশি অথবা ৫% মরা শীষ পাওয়া গেলে অনুমোদিত কীটনাশক সমূহ যেমন:


আইসোসাইক্লোসিরাম গ্রুপের কীটনাশক 

#ইনসিপিয়ো ২০এস সি প্রতি লিটার পানিতে ০.৬ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


(ফ্লুপাইরাডিফিউরন১০%+ফ্লোনিকামাইড১০%) গ্রুপের কীটনাশক 

#রেডকার্ড২০ডাব্লিডিজি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#টেট্রানিলিপ্রোল গ্রুপের কীটনাশক 

#ভায়েগো২০ এস সি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন। 


#ডাইহ্যালোপাইরাজল এমাইড৪০%+থায়ামেথোক্সাম২০%)

#টাইফুন ৬০ডব্লিউ জি

#ম্যাক্সপ্রো ৪০ ডব্লিউজি যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে ০.১৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#কারটাপ৯২%+এসিটামিপ্রিড৩%) গ্রুপের কীটনাশক

যেমন: 

#বাতির৯৫ এসপি

#কার্টাপ্রিড ৯৫ এসপি

#ক্যাপরিড৯৫ এসপি

#কাপ্পা৯৫ এসপি

#এসিপ্রিড প্লাস৯৫ এসপি

#বাইটাপপ্লাসএক্সট্রা ৯৫ এসপি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। অথবা


#কারটাপ গ্রুপের কীটনাশক 

যেমন: 

#সানটাপ৫০ এসপি

#ব্রাভো৫০ এসপি

#ফসলটাপ৫০ এসপি

#কারটাপ৫০ এসপি

#হিনোটাপ৫০ এসপি

#সিকোটাপ৫০ এসপি

#মিমটাপ৫০ এসপি

#হেটাপ৫০ এসপি

#কার্টাপ৫০ এসপি

#জেনেটাপ৫০ এসপি

#সীটাপ৫০ এসপি

#কাটাপ্পা৫০ এসপি

#ব্লেটাপ৫০ এসপি

#পদ্মাটাপ৫০ এসপি

#কেয়ার প্লাস৫০ এসপি

#তেজরী ৫০ এসপি

 যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। অথবা


#ডাইনোটিফিউরান+ফিপ্রোনিল) 

গ্রুপের কীটনাশক 

#কমরেড৮০ডাব্লিউ ডিজি ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


#ফ্লুবেনডায়ামাইড+থায়াক্লোপ্রিড) গ্রুপের কীটনাশক 

#বেল্টএক্সপার্ট৪৮এসসি ০.৫ এমএল হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন।


#কার্বোসালফান) গ্রুপের কীটনাশক

#মারর্শাল ২০ ইসি

#সানসালফান২০ ইসি

#এমকোসাল২০ ইসি

#এডভান্টেজ২০ ইসি

#বেনিফিট২০ ইসি

#হেসালফান২০ ইসি

মিমসালফান২০ ইসি

#অরোসালফান২০ ইসি

#বাইসালফান ২০ ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ এমএল হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। অথবা


#থায়ামেথাক্সম+এমামেকটিন বেনজোয়েট) গ্রুপের কীটনাশক যেমন:

#এন্টিবোরার৪০ ডাব্লিউডিজি 

#ইরিক্স৪০ ডাব্লিউডিজি 

#আলটিমাপ্লাস৪০ ডাব্লিউডিজি 

#এম্পোরিয়র ৪০ ডাব্লিউডিজি 

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ০.১৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। অথবা

 

(বাইফেনথ্রিন৫%+পাইরিডাবেন১০%+থায়োর্ডিকাব ৫০%)

#এইমগোল৫৬ডাব্লিউ ডিজি

#ওয়ানশট ৫৬ডাব্লিউ ডিজি

#এডাম প্লাস ৫৬ডাব্লিউ ডিজি

#নিডশর্ট ৫৬ডাব্লিউ ডিজি

#টেকশট ৫৬ডাব্লিউ ডিজি

#ওয়ানস্টপ ৬৫ ডাব্লিউ ডিজি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 

 

#এমামেকটিন বেনজোয়েট+লুফেনিউরন) গ্রুপের কীটনাশক 

#লুমেকটিন ১০ ডাব্লিউডিজি

#ডেনিমফিট১০ ডাব্লিউডিজি

#হিমাম১০ ডাব্লিউডিজি

#দাঙ্গাল১০ ডাব্লিউডিজি

#টিয়ার ১০ ডাব্লিউডিজি

যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে  ০.৬ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন। অথবা


#থায়োমিথোক্সাম+ ক্লোরানট্রনিলিপ্রোল) গ্রুপের কীটনাশক 

যেমন: 

#ভিরতাকো ৪০ ডাব্লিউ জি প্রতি লিটার পানিতে ০.১৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে পারেন।


এছাড়াও বেল্ট ৪০ ডাব্লিডিজি/#মাইনেকট্রো এক্সট্রা/ সানটাপ প্লাস ৫০ ডাব্লিউ পি/কার্টাপ্পা ৪৭ ডাব্লিউ ডিজি/ ফেনজেট অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। 

@followers @highlight 

কপি

মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

ব্লকঃ ভোটমারী কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০২-০৩-২০২৪,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০২-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:…


মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলেন আরও সাত প্রতিমন্ত্রী - শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত।


রাজধানীর বেইলি রোডে রেস্টুরেন্ট ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬-এ দাঁড়িয়েছে - দগ্ধ রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।


জনগণকে বীমার আওতায় আনতে সচেতনতা বাড়াতে হবে - জাতীয় বীমা দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বললেন শেখ হাসিনা।


জনগণ দ্বারা বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিএনপি নেতারা তাদের বিদেশি প্রভুদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


গণমাধ্যমকে আরো শক্তিশালী ও মজবুত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠা করতে সরকার প্রস্তুত - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


গাজায় জর্ডানের ত্রাণ তৎপরতা শুরু - বিমানের সাহায্যে মানবিক ত্রাণ ফেলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের।


মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মত শিরোপা লাভ করলো ফরচুন বরিশাল।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বাংলা চলচ্চিত্রের ৬০ ও ৭০ দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শবনম।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ❤বাংলা চলচ্চিত্রের ৬০ ও ৭০ দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শবনম।

তিনি ১৯৪৪ সালের ১৭ই আগষ্ট ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম ঝর্ণা বসাক।


❤তিনি ছোটবেলা থেকে বুলবুল ললিতকলা একাডেমি তে নাচ শিখতেন।১৯৬০ সালের দিকে "এদেশ তোমার আমার " চলচ্চিত্রে একটি দলীয় নৃত‍্যে অংশ গ্রহণ করেন।এছাড়া রাজধানী বুকে,কখনো আসে নি,নবারুন সহ আরো বেশকিছু চলচ্চিত্রে নৃত‍্যশিল্পী এবং কখনো ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন।


এরপর ১৯৬১ সালে পরিচালক মুস্তাফিজ পরিচালিত "হারানো দিন" চলচ্চিত্র প্রথম নায়িকা হিসেবে চলচ্চিত্রে

অভিনয় করেন।তার নামটি ঝর্ণা বসাক থেকে পরিবর্তন হয়ে শবনম দেওয়া হয়।পরিচালক এহতেশাম তাকে শবনম নাম দিয়েছিলো।

১৯৬১ সালে "হারানো দিন " চলচ্চিত্রে অভিনয় করে চিত্রনায়িকা শবনম অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।এই ছবির একটি বিখ‍্যাত গান ছিলো"আমি রুপনগরের রাজকন‍্যা,রুপের যাদু এনেছি "।


❤এছাড়া চিত্রনায়িকা শবনম বাংলা চলচ্চিত্রের পাশাপাশি উর্দু চলচ্চিত্রে ও অভিনয় করতেন।একসময় তিনি বাংলাদেশের পাশাপাশি পাকিস্তানে অনেক জনপ্রিয় নায়িকা হয়ে যান।


❤ব‍্যক্তিজীবনে তিনি ১৯৬৪ সালের ২৪শে ডিসেম্বর বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক রবিন ঘোষ কে বিয়ে করেন।তাদের রনি ঘোষ নামের এক পুত্র সন্তান আছে।২০১৬ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি  বার্ধক‍্যজনিত কারনে চিত্রনায়িকা শবনমের স্বামী রবিন ঘোষ ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান।


❤চিত্রনায়িকা শবনম অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।তিনি একসময় পাকিস্তানি চলচ্চিত্রে অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এবং পাকিস্তানি চলচ্চিত্রে মোট ১২বার নিগার  পুরষ্কার লাভ করেন।


চিত্রনায়িকা শবনম অভিনীত কিছু বাংলা চলচ্চিত্র হলো:আমার সংসার,সহধর্মিনী,নাচেরপুতুল,শর্ত,সন্ধি,জোয়ার ভাটা,রাজা সন্ন‍্যাসী,আম্মাজান,যোগাযোগ,জুলি ইত‍্যাদি।

চিত্রনায়িকা শবনম সর্বশেষ "আম্মাজান" চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

Bangladeshi films &Entertainment news

bdfilmactressShobnom

actress

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

ফরাসি কুঠি – ফরাসি কুঠি, ফরাশগঞ্জ ও ঢাকায় ফরাসিরা,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 আসুন ইতিহাস জানি 👇


ফরাসি কুঠি –


ফরাসি কুঠি, ফরাশগঞ্জ ও ঢাকায় ফরাসিরা

ঢাকায় ফরাসি কুঠির প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির শাসন  প্রতিষ্ঠার বহু আগে। আর ঢাকার ফরাসিদের স্মৃতি বহনকারী স্থানের নাম  ফরাশগঞ্জ। ১৬৮২ খ্রিস্টাব্দে ফরাসি নৌবহর ঢাকায় এসেছিল। এরপর এ শহরে  স্থাপিত হয়েছিল ফরাসি বাণিজ্যকুঠি।

১৬৯০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় ফরাসি কুঠির  প্রধান ছিলেন এম গ্রেগোরি। ১৭৪০ খ্রিস্টাব্দে নওয়াজিশ মোহাম্মদ ঢাকার নায়েব  নাজিম থাকাকালে তাঁর অনুমতি নিয়ে বুড়িগঙ্গার তীরে ফরাসিরা যে বাজার স্থাপন  করেছিল তার বর্তমান নাম ফরাশগঞ্জ। ওয়াইজঘাট এলাকায় ফরাসিরা কিছু বাড়ি কিনে  নিয়েছিল। বর্তমানে আহসান মঞ্জিল যেখানে অবস্থিত সেখানে আরো একটি ফরাসি  কুঠি ছিল।

১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার  ইংরেজ কুঠি অধিগ্রহণ করেন। তখন ওই কুঠির তৃতীয় কর্মকর্তা লুক স্ক্রেফটন,  চতুর্থ কর্মকর্তা টমাস হাইন্ডম্যান ও পঞ্চম কর্মকর্তা স্যামুয়েল ওয়ালারসহ  সেনাধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কাডমোর, চিকিৎসক ইউলসন ও কর্মচারীরা ফরাসি কুঠিতে  আশ্রয় নিয়েছিলেন। ইংরেজ কুঠির দ্বিতীয় কর্মকর্তা উইলিয়াম সামার তখন কলকাতায়  ছিলেন।

১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দের দিকে ফরাসি কুঠিটি বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৭৭৮  খ্রিস্টাব্দে তা ইংরেজ মালিকানায় যায়। ঢাকার বিখ্যাত আরমেনীয় ব্যবসায়ী  পোর্গোজ সাহেব ফরাশগঞ্জ বাজারটি ইজারা নিয়েছিলেন। ঢাকা তথা সেকালের বাংলার  অর্থনীতিতে ফরাশগঞ্জ বাজার ও ফরাসি সম্প্রদায়ের বিশেষ অবদান ছিল। এখানে ছিল  ফরাসি ব্যবসায়ীদের মসলার পাইকারি আড়ত এবং এখান থেকেই ঢাকার মসলিন কাপড়  ফরাসিরা রপ্তানি করত বিভিন্ন দেশে।

ইংরেজদের বিপদের দিনে (১৭৫৬ খ্রি.) কুঠির অধ্যক্ষ মনিয়ার কার্টিনসহ ফরাসিরা  তাদের আশ্রয় দিলেও পরে ইংরেজরা অনেক ফরাসি সম্পত্তি দখল করে নিয়েছিল। বলা  চলে তারা ফরাসিদের বিপরীত প্রতিদান দিয়েছিল। প্রথমবার ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে  (প্রত্যর্পণকাল : ১৭৮৩ খ্রি.), দ্বিতীয়বার ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে ও তৃতীয়বার  ১৮০৩ খ্রিস্টাব্দে (প্রত্যর্পণকাল : ১৮১৫ খ্রি.) ইংরেজরা ফরাসি কুঠি দখল  করে নিয়েছিল।

এসব কুঠি ছাড়াও তেজগাঁও এলাকায় ফরাসিদের মালিকানায় ছিল অনেক  ইমারত। ইংরেজদের দখলের ফলে ফরাসিরা তাদের কুঠি, ফরাশগঞ্জ বাজার ও  তেজগাঁওয়ের ইমারতগুলো বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছিল।


(সূত্র : যতীন্দ্রমোহন  রায়, ঢাকার ইতিহাস, ২০০৭ সংস্করণ, পৃ. ১৫৭)

সুত্রঃ কান্তি সেন


রোজ_আদা_রসুন_বাটতে_গিয়ে_নাজেহাল

 #রোজ_আদা_রসুন_বাটতে_গিয়ে_নাজেহাল? 


#এই_উপায়ে_স্টোর_করুন_৬_মাসেরও_বেশি_থাকবে!


আদা দীর্ঘদিন রেখে দিলে নষ্ট হয়ে যায়, আবার ফ্রিজে বেটে রেখে দিলেও খারপ হয়ে যায়। আদা বা রসুন বাটা নিয়ে অনেকেই সমস্যায় ভোগেন।

 নিত্যদিনের রান্নায় নিত্যদিনের রান্নায় গুঁড়ো মশলার পাশাপাশি যে বাটা মশলাটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় তা হল আদা-রসুন বাটা।

আদা-রসুন খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে থাকে। তবে এই বাটা মশলা রোজ রোজ তৈরি করা সময় সাপেক্ষ বিষয়।


আজকাল প্রায় সকলেই চাকরি করেন, তাড়াহুড়োয় রান্না করতে হলে আদা ও রসুনের খোসা ছাড়িয়ে, তা বাটতে গিয়েই অনেকটা সময় বেরিয়ে যায়।


সে ক্ষেত্রে অনেকগুলো একসঙ্গে বেটে রেখে দিলে ঝঞ্ঝাট মুক্ত থাকা যেতে পারে। কিন্তু এতে আদা-রসুন বাটা তাড়াতাড়ি খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে এখানে এমন কিছু উপায় দেওয়া রইল যা মেনে আদা-রসুন বাটা সংরক্ষণ করলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হবে না এবং ৬ মাসের বেশি সময় পর্যন্ত ভালো রাখতে পারেবন।


#এক_থেকে_২_মাস_পর্যন্ত_স্টোর_করার_জন্য


💁‍♂️আদা ও রসুনের খোসা ছাড়িয়ে মিক্সারে দিন। এতে ২ চামচ সরষের তেল দিয়ে দিন। জল ব্যবহার করবেন না। জল ছাড়াই এটিকে মিক্সারে ভালো করে বেটে নিতে হবে। তার পর এতে সামান্য নুন মিশিয়ে এয়ার টাইট কন্টেনারে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এ ভাবে এক-দুই মাস পর্যন্ত আদা-রসুন বাটা ব্যবহার করতে পারবেন।


#চার_থেকে_পাঁচ_মাস_পর্যন্ত_স্টোর_করার_জন্য


💁‍♂️আদা ও রসুনের মধ্যে সরষের তেল মিশিয়ে ভালো করে বেটে নিন। এর পর এতে নুন মিশিয়ে নিন। চামচের সাহায্যে আইস ট্রে-তে ভরে দিন এই আদা, রসুন বাটাকে। প্লাস্টিক র‌্যাপার দিয়ে ট্রেটিকে মুড়ে জিপ পলিব্যাগে ভরে দিন। ঠান্ডা হওয়ার জন্য ফ্রিাজারে রাখুন। এর পর প্রয়োজন মতো আদা-রসুন বাটার কিউবটি রান্নায় ব্যবহার করুন।


#ছয়_মাসের_বেশি_স্টোর_করার_জন্য


💁‍♂️৬ মাসের বেশি সময়ের জন্য আদা ও রসুন বাটা স্টোর করতে চাইলে এতে দু চামচ সরষের তেল মিশিয়ে বেটে নিন। নুন মেশানোর পর তিন-চার চামচ সাদা ভিনিগার মেশাতে হবে। এবার কোনও জিপ পলিব্যাগ বা এয়ার টাইট কন্টেনারে ভরে ফ্রিজারে রেখে দিন। এ ভাবে রাখলে ৬ মাসের বেশি সময় এই আদা ও রসুন বাটা ব্যবহার করা যাবে।


    


পুরুষ ও স্ত্রী পেঁপে গাছ কীভাবে চেনা যায় সেই সম্পর্কে জানবো।

 আমরা সবাই জানি পেঁপে গাছ যদি পুরুষ গাছ হয়, তাহলে সেই গাছ ফল দেয় না। আজকে আমরা পুরুষ ও স্ত্রী পেঁপে গাছ কীভাবে চেনা যায় সেই সম্পর্কে জানবো।

১/ পুরুষ পেঁপে গাছের ফুলগুলো কান্ডের আগায় থোকায় থোকায় থাকে অপরদিকে স্ত্রী গাছের ফুলগুলো একক অবস্থায় থাকে।

২/ পুরুষ গাছের পাতা লম্বা, সরু এবং প্রান্ত সূক্ষ্ম থাকে। অন্যদিকে স্ত্রী গাছের পাতা গোল ও ভোঁতা প্রান্তযুক্ত হয়। 

৩/ পুরুষ গাছের কান্ড সাধারণত স্ত্রী গাছ অপেক্ষা চিকন হয়। 

৪/ স্ত্রী গাছের শিকড় সাধারণত শাখা প্রশাখা যুক্ত হয়,   অপরপক্ষে পুরুষ গাছের শিকড়ে কোনো শাখা প্রশাখা থাকে না।

        এক্ষেত্রে পুরুষ গাছ চিনা মাত্রই বাগানে একটি মাত্র পুরুষ গাছ রেখে অন্য সব পুরুষ গাছ তুলে নতুন করে পেঁপে চারা রোপণ করে নিতে পারেন।


আমাদের অফিসঃ ৫৯, মিয়া টাওয়ার, দ্বিতীয় তলা, পশ্চিম আগারগাঁও, ঢাকা- ১২০৭ 

যোগাযোগঃ  01909110613

ওয়েবসাইটঃ www.thegreensavers.org 


কৃষিবিদ মীর রুকাইয়া ইসলাম

গ্রিন সেভার্স, ঢাকা।




বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়,,,,

 বঙ্গবন্ধু সেতু:


বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়। এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে। এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু। এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।


বঙ্গবন্ধু সেতু যা বাংলাদেশের পূর্ব এবং পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে কৌশলগত সেতুবন্ধন তৈরী করেছে। এটি জনগনের জন্য বহুবিধ সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করেছে। বিশেষত আন্ত: আঞ্চলিক বানিজ্যকে উৎসাহিত করেছে। সড়ক ও নৌপথে দ্রুত পণ্য এবং যাত্রী পরিবহন ছাড়াও এটি বিদ্যুৎ ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিজ্ঞান এবং সমম্বিত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্হার উন্নতি সাধন করেছে। এই সেতুটি এশিয়া মহাসড়ক এবং আন্ত:এশিয়া রেলপথের মধ্যবর্তী। ফলে এগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হবার পর এই সেতু নির্মাণ এশিয়া থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে উত্তর পশ্চিম ইউরোপ পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সড়ক ও রেল যোগাযোগ সৃষ্টি করবে। প্রকল্প উপাদান


১। প্রধান সেতু এবং ভায়াডাক্ট

২। নদীশাসন এবং পুনরুদ্ধার

৩। পূর্বপশ্চিম সংযোগ সড়ক

৪। সংশোধিত পূনর্বাসন কর্মপরিকল্পনা

৫। নদীভাঙ্গন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরনের জন্য দিকনির্দেশনা

৬। পরিবেশত কর্মপরিকল্পনা।


 


বৈশিষ্ট্য: ভৌত ইস্ট গাইড বাঁধ


• বান্ডের দৈঘ্য: ৩১০০ মিটার

• ক্রেষ্ট লেবেল: PWD + ১৬.৫ মিটার

• পোট্কেশন ডেপথ: PWD ৩০ মিটার ফেলিং এ্যাপ্লন সহ

• পূর্ব প্রান্তের সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য : ৩,৫০০ মিটার

• পূনরুদ্ধারকৃত এলাকা ২৩.১ লক্ষ বর্গ মিটার (৫৮৯.৩ একর)


ভৌত বৈশিষ্ট্যঃ ওয়েস্ট গাইড ব্যান্ড


ব্যান্ড দৈর্ঘ্য: ৩২০০ মিটার

ক্রেস্ট লেভেল: PWD+১৬.৫ মিটার

প্রোটেকশন ডেপথ: PWD-৩০ মিটার (ফিলিং এ্যাপ্রোন সহ)

ক্রসড্যামের দৈর্ঘ্য : ৪৮৭৫ মিটার

পুনরুদ্ধারকৃত এলাকা: ২১ লক্ষ বর্গ মি. (৫১৮.৩ একর)

পশ্চিম প্রান্তে যমুনার প্রধান প্রবাহীর প্রস্থ: ৫৫০


 


নির্মাণ সম্পর্কিত তথ্যাদি


৫০ টি পায়ার

২১, ৩-পাইল পায়ার (২৫০০ মিলিমিটার OD)এবং

নলাকৃতি সীট পাইল এর পুরুত্ব: ৪০-৬০ মিলিমিটার

গড় পাইলদৈর্ঘ্য: ৮৩ মিটার (বেড লেভেল হতে ৭২ মি. গভীর)

পায়ারস্টেম এর উচ্চতা: ২.৭২ মি হতে ১২.০৪ মি.

১২১৪ টি বক্সগার্ডার উপাংশ, প্রত্যেকটি ৪ মিটার দীর্ঘ।


 


চুক্তি -১

সেতু এবং সংযোগ ভায়া ডাক্ট


কন্ট্রাকটর: হুন্দাই ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কন্সট্রাকশন জেভি


 


চুক্তি -২

নদী শাসন ও পুনরুদ্ধার


 


কন্ট্রাকটর: এইচ এ এম ভ্যান অরড এ সি জেড জেভি

চুক্তি -৩ এবং ৪


 


৩. পূর্ব সংযোগ সড়ক

৪. পশ্চিম সংযোগ সড়ক

কন্ট্রাকটর: স্যামহুয়ান কর্পোরেশন


 


পূর্ব সংযোগ সড়ক-সি ৩


সড়ক দৈর্ঘ্য: ১৪.৭৪ কি.মি.

আর্থওয়ার্ক: ১১,৫৬,৭১১ ব. মি.

সেতু সংখ্যা: ৮ টি

পাইল সংখ্যা: ২২৪ টি

কালভার্ট সংখ্যা: ১০ টি


 


পশ্চিম সংযোগ সড়ক-সি ৪


সড়ক দৈর্ঘ্য: ১৬.৯২ কি.মি.

আর্থওয়ার্ক: ১০,৪৫,৬৯৫ ব. মি.

সেতু সংখ্যা: ৬ টি

পাইল সংখ্যা: ২৫৮ টি

কালভার্ট সংখ্যা: ১২ টি


 


সেতুর ভৌত বৈশিষ্ট্যঃ


বক্স গার্ডার প্রোগ্রেসিভ ক্যান্টিলিভার টাইপ এবং পাইল ফাউন্ডেশন

সেতু দৈর্ঘ্য: ৪.৮ কি.মি

ভায়াডাক্ট দৈর্ঘ্য (উভয় প্রান্ত) : ১২৮ মি.

সেতুর প্রস্থ: ১৮.৫ মি.

স্প্যান: ৪৭+২ টি

রোড লেন: ৪

একটি রেলওয়ে ট্রাক (ডুয়েল গেজ)



নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...