এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

প্লাস্টিক বা টবের চেয়ে কম দামে কোন অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়া অর্ডার করতে পারবেন এবং প্রডাক্ট খুলে চেক করে টাকা দিতে পারবেন।,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌴প্লাস্টিক বা টবের চেয়ে কম দামে কোন অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়া অর্ডার করতে পারবেন এবং প্রডাক্ট খুলে চেক করে টাকা দিতে পারবেন।🌴


অর্ডার করতে মেসেজ করুনঃ m.me/GeoTreePlant

বা WhatsApp: 01753-884207


🌿 জিও ব্যাগ আনুমানিক ১৫-২০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে থাকে। কারণ এটি নদীর ও সমুদ্র পাড়ে বাধ দেয়ার কাজে ব্যবহার করা হয় যা পানি নিস্কাশন ও ভাল ও অধিক চাপ সহনশীল।


🌴জিও গার্ডেনিং ব্যাগ এর দাম:

২ গ্যালন ৭.৭ কেজি মাটি ধারণ করে  দাম ৬৫ টাকা

৩ গ্যালন ১২ কেজি মাটি ধারণ করে দাম ৯৫ টাকা

৫ গ্যালন ২০ কেজি মাটি ধারণ করে দাম ১১৫ টাকা

১০ গ্যালন ৪০ কেজি মাটি ধারণ করে দাম ১৫০ টাকা 

১৫ গ্যালন ৬০ কেজি মাটি ধারণ করে দাম ১৭০ টাকা

২৫ গ্যালন ১০৫ কেজি মাটি ধারণ করে দাম ২৫০ টাকা


🌴গ্যালন =  (ব্যাস × লম্বা মাপ)  গাছের ধরণ       

         ২               ৮  × ৭        ফুল গাছ                      

         ৩            ১০  × ৮       মরিচ, টমেটো, ক্যাপসিকাম, বেগুন                                                                                  

         ৫             ১২  × ১০      মরিচ, টমেটো, ক্যাপসিকাম, বেগুন 

        ১০            ১৬  × ১২       ড্রাগন ফল, লেবু 

        ১৫            ১৮  × ১৪       ড্রাগন ফল, লেবু 

        ২৫            ২১ × ১৬  (বড় ড্রাম সাইজ) - আম, কমলা, মাল্টা, বড় ধরণের গাছ।


🌿 সমুদ্র ও নদীর পাড়ে ভাঙ্গন রোধ করার জন্য যে ফেব্রিকের বড় বড় বস্তা বানিয়ে তাতে বালিভর্তি করে বাধ দেওয়া হয় সেই ফেব্রিক দিয়ে জিও ব্যাগ বানানো হয়। এই ফেব্রিক হাজার টন বালি ধরে রাখতে সক্ষম এবং এটি পচে না।


🍁-এতে গাছ প্লাস্টিকের টব বা ড্রাম এর তুলনাই অনেক দ্রুত বাড়ে আর প্লাস্টিকের টব বা ড্রাম এর তুলনাই অনেক টেকসই-🍁


জিও ব্যাগের কিছু উপকারিতা :

১. এতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা খুবই ভালো হয়।  ড্রামে ছিদ্র করতে হয় তার উপর টবের টুকরা দিতে হয়, তার উপর বালি দিতে হয়। তারপরেও অনেক সময় পানি বেশি হয়ে গেলে ড্রামের গাছের শিকড় পচে যায়। জিও ব্যাগে এগুলোর কোন ঝামেলা নেই। সরাসরি মাটি দিয়ে গাছ লাগিয়ে ফেলুন। পানি বেশি হলেও শিকড় পচে যাওয়ার সম্ভাবনা নাই।


২. জিও ব্যাগের ভেতর দিয়ে বাতাস চলাচল করে। ড্রামের ভেতর দিয়ে বাতাস চলাচল করতে পারে না।


৩. ব্যবহার করার পরেও জিও ব্যাগ ভাঁজ করে রেখে দেওয়া যায়। দশটি জিও ব্যাগ ভাঁজ করে রাখলে খুব অল্প জায়গা নিবে। কিন্তু ড্রাম ভাঁজ করা যাবে না।

অর্ডার করতে আপনার ঠিকানা আর ফোন নাম্বার মেসেজ এ দিয়ে সাহায্য করুন 


আমাদের সাথে যোগাযোগ নাম্বার

01753884207


হামলা-মামলা, জবর-দখল আর মারপিট কিনবেন নাকি  জমি কিনবেন?"" ০ফৈইসবুক থেকে নেওয়া

 "" হামলা-মামলা, জবর-দখল আর মারপিট কিনবেন নাকি  জমি কিনবেন?""

তাই-

জমি কেনার আগে অবশ্যই আপনাকে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে বিক্রেতার মালিকানা এবং জমির বিভিন্ন দলিল ভালোভাবে যাচাই বাছাই করতে হবে; তা না হলে পড়তে পারেন বিপদে, এমনকি প্রতারিতও হতে পারেন। জমির দলিলপত্র যাচাই না করে জমি কেনা উচিত নয়।


কী কী যাচাই করতে হবে:

✅যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার কাছ থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন, যেমন- সি.এস খতিয়ান, আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ানসহ সর্বশেষ পর্যন্ত যে সকল বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল, নামজরী খতিয়ান এবং হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র।

✅এ কাগজগুলো দিয়ে মালিকানা স্বত্ত্ব পরিক্ষা করে দেখতে হবে। যেমন- সি.এস খতিয়ান, এস.এ খতিয়ান, আর.এস/বি.এস খতিয়ান ও ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ান পাশাপাশি মিলিয়ে দেখতে হবে জেলা, মৌজা, থানা, দাগ নম্বর ইত্যাদি মিলে কিনা। যদি না মিলে তবে ঐ মৌজার সি.এস নকশা,আর.এস./বি.এস ও ঢাকা সিটি জরীপের নকশা জোগাড় করে তাদের তুলনা করে দেখতে হবে সি.এস দাগ ভেঙে কয়টি আর.এস. দাগ বা সিটি জরীপের দাগ সৃষ্টি হয়েছে এবং সেগুলো কি কি। এরপর ভূমি রেকর্ড রুম হতে ঐ খতিয়ানগুলোর সই মুহুরী নকল নিয়ে মালিকের নাম নিশ্চিত করতে হবে। যদি সি.এস খতিয়ানে মালিকের নামের সহিত এস.এ বা আর.এস খতিয়ানের মিল না পাওয়া যায় তবে দেখতে হবে সি.এস এর মালিক জমিটি কি করলেন। তিনি যদি বিক্রি, দান, হেবা, এওয়াজ বা কোনরূপ হস্তান্তর করে থাকেন তবে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে তল্লাশি দিতে হবে এবং হস্তান্তর দলিলের সই মুহুরী নকল বের করতে হবে। একইভাবে পরবর্তী সকল খতিয়ানের মালিকানার ক্ষেত্রে তা পরিক্ষা করতে হবে। কিভাবে হস্তান্তরিত হয়ে রেকর্ড প্রস্তুত হয়েছে।

✅ জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাৎ খতিয়ান ও নকশা যাচাই করতে হবে।

✅ জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ জানতে হবে।

✅ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সিএস; এসএ; আরএস পর্চা দেখাতে হবে।

✅ বিক্রেতা ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত হতে হবে।

✅ বিক্রেতা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তার নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে। ওয়ারিশি জমি কিনতে চাইলে, ঐ সম্পত্তিতে মোট কতজন ওয়ারিশ আছে তা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

প্রয়োজন হলে জমি ক্রয়ের পূর্বই জমির  মধ্যে আপনি ক্রয় সূত্রে এই জমির মালিক এমন সাইনবোর্ড লাগালেও জমির প্রকৃত অবস্থা বুঝতে পারবেন।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

চিকিৎসায় নতুন ইতিহাস গড়ল ভারত,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 চিকিৎসায় নতুন ইতিহাস গড়ল ভারত। প্রথমবারের মতো হাত প্রতিস্থাপন করেছেন দেশটির চিকিৎসকেরা। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টার দীর্ঘ অপারেশনে এ অসাধ্য সাধন করেছেন তারা। বুধবার (০৬ মার্চ) ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি দুর্ঘটনায় দুই হাত হারানো এক ব্যক্তির শরীরে নারীর হাত প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। রাজধানী নয়াদিল্লির একদল চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এ কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। কেবল তাই নয়, ওই নারীর অঙ্গদানের মাধ্যমে প্রাণ ফিরে পেয়েছে চারজন মানুষ।


৪৫ বছর বয়সী ওই পুরুষের মাধ্যমে দিল্লিতে প্রথমবারের মতো সফলভাবে হাত প্রতিস্থাপিত হয়েছে। আগামীকাল তাকে দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হবে। তিনি ২০২০ সালে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিজের দুহাত হারিয়েছিলেন।


এনডিটিভি জানিয়েছে, অঙ্গদানকারী ওই নারীর নাম মিনা মেহতা। তিনি দক্ষিণ দিল্লির একটি স্বনামধন্য স্কুলের সাবেক প্রশাসনিক প্রধান ছিলেন। চিকিৎসকরা তাকে ব্রেইন ডেথ ঘোষণা করেন। মৃত্যুর আগে তিনি অঙ্গদান করে গিয়েছিলেন।


মেহতার এ অঙ্গদানের ফলে চারজনের জীবনে আলো ফিরেছে। এরমধ্যে তার কিডনি লিভার ও কর্নিয়া অন্য তিনজনের দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া তার হাত অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে ইতিহাস গড়েছেন চিকিৎসকেরা।


চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হাত প্রতিস্থাপনের জন্য ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অপারেশন করেছেন। এ সময়ে দাতা ও গ্রহীতার দুজনের হাতের প্রতিটি ধমনী পেশী, টেন্ডন ও স্নায়ুকে জোড়া লাগানো হয়েছে। দাতার থেকে নেওয়া হাত প্রতিস্থাপনকারীর শরীরে মিলেও গেছে। নতুন দুই হাত দিয়ে এখন সব কাজই করতে পারবেন তিনি।


সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা ওই ব্যক্তি পেশায় চিত্রশিল্পী ছিলেন। ট্রেন দুর্ঘটনায় আরও কোনোদিন রঙ ‍তুলি ধরতে পারবেন না এমন ভেবে অবসাদে চলে যাচ্ছিলেন তিনি। তবে অঙ্গদানের মাধ্যমে জীবন তাকে নতুন সুযোগ দিয়েছে। চিকিৎসকদের দক্ষতায় নতুন করে দুই হাত ফিরে পেয়েছেন তিনি। ফলে আবারও ফিরতে পারবেন রঙতুলির জগতে।


Source:- ndtv



কাজী নজরুলের আলোচিত পাঁচমিশালী প্রেমের ঘটনা!,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

কাজী নজরুলের আলোচিত পাঁচমিশালী প্রেমের ঘটনা! 


কবি পরিচয়ের বাইরে কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন আপাদমস্তক একজন প্রেমিক পুরুষ। যার আকর্ষণীয় চেহারা, বিপুল জনপ্রিয়তা, খেয়ালী চরিত্রের জন্য খুব সহজেই নারীরা আকৃষ্ট হতেন। নজরুলের প্রেম ও প্রেমিকাদের নিয়ে কথা বলতে গেলে যাদের নাম অনায়াসে চলে আসে, তারা হলেন- নূরুন্নেছা, নার্গিস, প্রমিলা, প্রতিভা সোম ও ফজিলাতুননেসা। এখানে তাদের সঙ্গে কবির প্রেমের গল্প সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হলো।


০১। নূরুন্নেছা

প্রথম জীবনে নজরুল চুরুলিয়া লজিং থেকে পড়াশোনা করতেন। সেখানে এক ধনীর আদুরে কন্যা নূরুন্নেছার প্রেমে পড়েন তিনি। সেটিই ছিল তাঁর প্রথম প্রেম। কিন্তু নূরুন্নেছা প্রত্যাখান করে কবির আবেদন। একবুক জ্বালা নিয়ে কবি চলে গেলেন গেলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে। 


০২। নার্গিস

এরপর যে মেয়েটি নজরুলের জীবনে আলোড়ন তুলেছিল তার নাম নার্গিস। অবশ্য তার নাম ছিল সৈয়দা খাতুন। কবি ভালোবেসে তার নাম দিয়েছিল নার্গিস। তার সঙ্গে কবির আলোচনার সূত্রপাত ঘটেছিল কবির বাঁশি বাজানো নিয়ে। এক রাতে কবি খাঁ বাড়ির দিঘির ঘাটে বসে বাঁশি বাজাচ্ছিলেন, সেই বাঁশির সুরে মুগ্ধ হন নার্গিস। খাঁ বাড়ির মুরব্বিরা নার্গিসের বর হিসেবে নজরুলকে পছন্দ করতেন না। নজরুলকে তারা বাউণ্ডুলে হিসেবেই দেখেছিলেন। কিন্তু গ্র্যাজুয়েট আলী আকবরের জন্য প্রতিবাদ করতেন না। এক পর্যায়ে খোদ নজরুলই বিয়ের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। একদিন নার্গিস নজরুলের কাছে এসে বললেন, ‘গত রাতে আপনি বাঁশি বাজিয়েছিলেন? আমি শুনেছি।’ এভাবেই প্রেমের সূত্রপাত। আলী আকবর খান নজরুল-নার্গিসের বিয়ের আয়োজন করলেন জাঁকজমকের সঙ্গে। বিয়ের দিন ধার্য করা হয়েছিল ৩ আষাঢ় ১৩২৮ সন। তবে কবিকে শর্ত দেওয়া হলো- ঘরজামাই থাকতে হবে। এটি শুনে নজরুল বিয়ের আসর ছেড়ে সরাসরি কুমিল্লা চলে গেলেন। কবির জন্য নার্গিস দীর্ঘ ১৬ বছর অপেক্ষা করেছিল। 


০৩। প্রমীলা দেবী

প্রমীলা সেনগুপ্তা। ডাক নাম দোলন। কবির একমাত্র সহধর্মিণী। এবং ৩য় প্রেমিকা। কবি ও প্রমীলা দেবীর বিয়ে নিয়ে কিছু জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। কারণ প্রমীলা দেবী ছিলেন হিন্দু আর কবি ছিলেন মুসলমান। কোন ধর্ম মতে বিয়ে হবে এ নিয়ে। তাদের বিয়েতে, সিভিল ম্যারেজ আইন অনুযায়ী বর-কনে উভয়কে এক স্বীকৃতি এই বলে দিতে হয় যে, আমি কোনও ধর্ম মানি না। কিন্তু কবি তা মানেনি। কবি বলেন, আমি মুসলমান আর মুসলমানী রক্ত আমার শিরায় শিরায় ধমনীতে ধমনীতে প্রবাহিত হচ্ছে, এ আমি অস্বীকার করতে পারবো না। পরে মুসলিম আইনে কবি ও প্রমীলা দেবীর বিয়ে হয়। 


০৪। প্রতিভা সোম

এরপর কবির জীবনে এলো প্রতিভা সোম নামে এক নারী। কবি প্রতিভাকে গান শেখাতেন। কিন্তু প্রতিভা সোম প্রেম করে বুদ্ধদেব বসুকে বিয়ে করেন। প্রতিভা বসুকে নিয়ে রটিত নজরুলের প্রেম সক্রান্ত কথাগুলো পুরোপুরি মিথ্যে। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, তাদের ভিতর স্যার-ছাত্রীর সম্পর্ক ছিল। নজরুল মিশুক প্রকৃতির ছিলেন, তাই তাঁকে নিয়ে অনেক বদনাম করা হতো। 


০৫। ফজিলাতুননেসা

১৯২৮ সালে কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় দফা ঢাকা সফরের সময় ফজিলাতুন্নেসার সঙ্গে পরিচয় ঘটে। ফজিলাতুন্নেসা তখন ঢাকার দেওয়ান বাজারস্থ হাসিনা মঞ্জিলে থাকতেন। কাজী মোতাহার হোসেনের কাছ থেকে ফজিলাতুন্নেসা জানতে পারেন নজরুল হাত দেখে ভাগ্য বলতে পারেন এবং ফজিলাতুন্নেসারও তার হাত নজরুলকে দেখাবার ইচ্ছে হয়। এভাবে ফজিলাতুন্নেসা ও তার বোন সফীকুননেসার সঙ্গে নজরুলের পরিচয় ঘটে ফজিলাতুন্নেসার বাসায়। কাজী মোতাহার হোসেনের লেখা থেকে জানা যায়, সেই দিন রাতেই নজরুল ফজিলাতুন্নেসার ঘরে যান এবং প্রেম নিবেদন করেন। ফজিলাতুন্নেসা নজরুলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।


তথ্যসংগ্রহ:

’জনপ্রিয় লেখকদের অদ্ভুত কাণ্ডকাহিনি’ বইটি থেকে



বিভূতিভূষণের করুণ মৃত্যু,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বিভূতিভূষণের করুণ মৃত্যু


অরণ্য আর প্রকৃতি ভালোবাসতেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আর ভালোবাসতেন বলেই  ‘পথের পাঁচালী’ ‘আরণ্যক’ ‘চাঁদের পাহাড়’-এর মতো প্রকৃতিঘেঁষা কালজয়ী উপন্যাসগুলো বেরিয়েছিল। 


অরণ্য-প্রকৃতিকে ভালোবাসতেন বলেই প্রায়ই বন-পাহাড়ের টানে বেরিয়ে পড়তেন। একবার ঘটল অঘটন, তাঁর জীবনের সবচেয়ে অঘটন।


পাহাড়ে পূর্ণিমার চাঁদ উঁকি দিয়েছে। সেই রুপালি আগুন ঝরা রাতে তিন পথিক এগিয়ে চলেছে গাঢ় অন্ধকার ঠেলে। পুর্ণিমার উছলে পড়া আলো ওঁদের হাতছানি দেয়, ঘরছাড়া করে। চারপাশে সুনসান নীরবতা।


তক্ষক কিংবা ঝিঝিরা রাতের জয়গান করে। জোনাকির দল জ্বল-নেভে সেই শাল-মহুয়ার বনে। রাতজাগা পাখিরা ডানা ঝাপটায়। কখনো কলজে কাঁপানো তীক্ষ্ণ চিৎকারে কেঁপে ওঠে বন।


কখন যে বিভূভূষণে পেছনে ফেলে অন্য দুজন এগিয়ে গেছেন, তারা খেয়ালই করেননি।  হঠাৎ এক আর্তচিৎকারে থেমে যান তাঁরা। বুঝতে পারেন, বিপদে পড়েছেন বিভূতিভূষণ। পিছন দিকে ঘোরেন সঙ্গীকে খুঁজতে। বেশি দূর যেতে হয় না।


পাহাড়ী ঢালে বসে পড়েছেন বিভূতি। জোসনার ম্লান আলোতেও স্পষ্ট দেখতে পেলেন তাঁর আতঙ্কিত চেহারা। সঙ্গীদের উপস্থিতিও লোকটা ভয় দূর করতে পারে না। ভয়ার্ত কণ্ঠে বার বার বলছেন, ‘এ আমি কী দেখলাম, এ আমি কী দেখলাম!’ সঙ্গী দূজন তাঁকে ধাতস্ত হওয়ার সুযোগ দিলনে। এক সময় অনেকটাই সুস্থ বোধ করলেন ভদ্রলোক। বললেন তাঁর ভয় পাওয়ার কারণ। অবিশ্বাস্য  সে গল্প। সঙ্গীরা বোঝা আর না বোঝার দোলচালে। 


বনপথের সৌন্দর্যে আনমনা পিছিয়ে পড়েন খানিকটা লোকটা বিভূতি। ভাবেন, জোর পায়ে হেঁটে ধরবেন সঙ্গীদের। তখনই দেখতে পান একটা শবযাত্রা। একদল লোক খাটিয়া কাঁধে নিয়ে এগিয়ে চলেছে শশ্মানের দিকে। ক্ষণিকের জন্য থেমে যায় দল। কাঁধ থেকে নামায় খাটিয়া। বিভূতিভূষণ ততক্ষণে পৌঁছে গেছেন শবযাত্রীদের খুব কাছে। তাঁর ইচ্ছে হলো, মৃত লোকটার মুখ দেখবার। মৃতের মুখের কাপড় সরিয়ে দেখলেন। সর্বনাশ, এ কাকে দেখছেন! নিজের লাশ খাটিয়ায়! চোখ কচলে দেখলেন কোনো ভুল হচ্ছে কিনা। কিন্তু হুবহু নিজের চেহারা। আত্মসম্বরণ করতে পারলেন না বিভূতি। ভয় জমে গেলন স্রেফ। শিরদাঁড়া বেয়ে চলেছে ভয়ের শীতল স্রোত। গগণবিদারী একটা চিৎকার দিলেন। ভদ্রলোকের সঙ্গী দুজন যতক্ষণ চলে এসেছেন কাছে, ততক্ষণে শবযাত্রীরা সরে পড়েছে ওখান থেকে।


এ ঘটনার পর কখোনা সুস্থ্য হতে পারেননি ভদ্রলোক। মৃত্যুভয় তাঁকে তাড়িয়ে বেড়ায় প্রতিনিয়ত। ধরেই নেন ওপারের ডাক এসে গেছে। এজন্যই দেখেছেন নিজের লাশ। মাসখানেকের মধ্যেই মারা যান বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলা সাহিত্য অকালে হারায় কালজয়ী এক কথাসাহিত্যিককে।


অথচ বিভূতিভূষণ ছিলেন আপদমস্তক শিক্ষিত, বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ ছিলেন। সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চা যেমন করেছেন, ভূগোল, মহাকাশচর্চা কিংবা বিজ্ঞানআন্দোলনেও তিন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। অজপাড়াগাঁয়ে নিজের স্কুলে তাঁরই উদ্যোগে আয়োজিত হত বিজ্ঞান উৎসবের। তা না হলে, আচার্য প্রফুল্ল রায়ের মতো বিজ্ঞানীর সাহচর্য তিনি পেতেন না। সেই মানুষটাই কখোনো কখোন অদ্ভুত সব কাজকর্ম করতেন, যা একজন লেখকের চরিত্রের সঙ্গে বেমানান। 


পথের পাঁচালী লিখে রাতারাতি বিখ্যাত হয়েছিলেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এরই সিক্যুয়াল ছিল অপারজিত। পথের পাঁচালির নায়ক অপু অপরাজিত উপন্যাসে সম্পূর্ণ এক অন্য মানুষ। পরিণত, কুসংস্কারমুক্ত, যুক্তিবাদী। কিন্তু এর বিভুতিভূষণ পুরোপুরি যুক্তিবাদী কিংবা কুংসংস্কারমুক্ত ছিলেন না। তিনি তন্ত্রমন্ত্র মানতেন, প্রেতচর্চা করতেন, প্ল্যানচেট করে আত্মা নামানোর দাবি করেছেন। এজন্য চাকরিও চলে গিয়েছিল তাঁর।


বিভূতিভূষণের মধ্যে তন্ত্রচর্চার বিষয়টা প্রথম ধরা পড়ে, তাঁর প্রথম স্ত্রী গৌরীর মৃত্যুর পর। মাত্র কয়েক মাসের সংসার ছিল। তারপর হঠাৎ করেই টাইফয়েডে মারা যান গৌরী। বিষণ্ণ হয়ে পড়েন বিভুতিভূষণ। এর আগে-পরে বাবা, দুইবোন ও মায়ের মৃত্যু—একের পর এক স্বজন হারানোর বেদনা সইতে হয় তাঁকে। কাপালিক-তান্ত্রিকদের খপ্পরে পড়ে, তাদের দর্শনে আকৃষ্ট হন। নিজেও জড়িয়ে পড়েন প্রেত চর্চায়।


সূত্র: পথের কবি/কিশলয় ঠাকুর

সংগৃহীত।



ছোটগল্প আদর্শ_নারী  (ছদ্মনাম) ---- ফেইসবুক থেকে নেওয়া

খুব ছোটবেলায় সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখ কচঁলাতে কচঁলাতে দেখতাম আব্বু বাথরুমে গেলে আম্মা এদিক ওদিক তাকিয়ে আব্বুর পকেট থেকে টাকা সরিয়ে রাখতো। 


চোখ বড় বড় করে যখন বলতাম,

- 'আম্মা তুমি কি আব্বুর পকেট থাকে টাকা চুরি করো?'


আচমকা আম্মা আঁতকে উঠতেন। তারপর মুখে আঙুল দিয়ে ফিসফিস করে বলতেন,


- 'চুপ চুপ তোর আব্বু শুনতে পাবে।' 


ব্যপারটা আমার কাছে খারাপ লাগতো। ‘তুমি না বলে কেন টাকা নিবা? আব্বু চাইলেই তো টাকা দিবে তোমায়।’ কিন্তু সাহস করে বলতে পারতাম না।  


.


বাজার থেকে চালের বস্তা আনার পর রান্নার সময় মেপে মেপে যখন চাল নিতেন তখন সেখান থেকে এক মুঠ চাল একটা ডিব্বার মধ্যে রাখতেন। চালের বস্তা যখন শেষ হয়ে যেতো বা কোনো কারণে চাল আনতে দেরি হলে আম্মা সেই চাল রান্না করতেন।


মাছ মাংসের ক্ষেত্রেও তা। আব্বু বাজার থেকে মাছ মাংস আনলে এক টুকরো বা দুই টুকরো করে রেখে দিতেন ফ্রিজে। সেগুলো জমে যখন অনেকগুলো হতো সেদিন আম্মা বিরিয়ানি রান্না করতেন। খাবার টেবিলে বসে যখন আব্বু জিজ্ঞেস করতো,


- 'কি ব্যাপার আজ বিরিয়ানি? কিন্তু আমি তো আজ বাজার থেকে মাংস আনিনি।'


আম্মা চোখ রাঙানি দিয়ে বলতেন,

- 'এতো কথা বলো কেন? রান্না করেছি খাও। এতো কিছু জিজ্ঞেস করো কেন?"


তারপর আব্বু কোনো কথা না বলে চুপচাপ খেয়ে উঠে যেতো।


.


ইদের সময় আব্বু যখন আম্মার কাছে টাকা দিতো ইদের শপিং করার জন্য তখন আম্মা তিন ভাগের এক ভাগ টাকা রেখে দিতো নিজের কাছে। আর দুই ভাগ টাকা দিয়ে ইদের শপিং করতো। খুব রাগ হতো তখন। ভাবতাম সব টাকা আম্মা নিজের জন্য রাখে। নিজের জন্য ভালো ভালো কাপড় কিনে।


আমার সকল ধারনা ভুল প্রমাণিত হয় আমি সাবালিকা হওয়ার পর। কোনো এক বোর্ড পরীক্ষায় আমি খুব অসুস্থ হয়ে পড়লাম। ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বললেন অপারেশন করতে হবে। আব্বুরও ব্যবসা লস। টানাটানি চলছে সেই সময় পুরো চিকিৎসার টাকা আম্মা দিলো। আমি তখনো জানতাম না এসব টাকা আম্মার। পরে অবশ্য জেনেছিলাম।


.


তারও কয়েক বছর পরের কথা গ্রাম থেকে খবর এলো আমাদের জমির পাশের জমি বিক্রি হবে। দুই জমির এক লাইল। আব্বু কিনবে না কিনবে না করেও বললেন কিনবো। সব টাকা যোগার করার পর দেখা গেলো আরো আড়াই লক্ষ টাকা সর্ট। হুট করে একসাথে এতোগুলা টাকা কেউ দিতে রাজি হলো না।


সেই সময় আম্মা দিলো আড়াই লক্ষ টাকা। একজন চব্বিশ ঘণ্টা সংসারের পিছনে ছুটে চলা নারীর আড়াই লক্ষ টাকা দেওয়া চাট্টিখানি কথা না। সবাই অবাক হয়েছিল কিন্তু সবার আড়ালে হেসেছিল আব্বু। আমার জহুরির চোখ সেটা ধরে ফেলেছিলো। আব্বু সেই জমি আম্মার নামে কিনলেন।


.


আমার বিয়ের দিন আমাকে সাজানোর পর আম্মা রুমে এলেন এবং সবাইকে বের করে দিলেন সেখান থেকে। দুটো বালা আমার হাতে পড়িয়ে দিতে দিতে বললেন,


- 'তোমার গুণধর বাপ বহু বার ব্যবসায় লস খাইসে। তার খেসারত দিতে হয়েছে আমাকে। প্রথম বার লস হয় তুমি ভূমিষ্ট হবার পর। সে সময় নিজের ধারদেনা দেওয়ার জন্য সে আমার শখের গয়না গুলো বিক্রি করে। আমি তোমাকে বুকে জড়িয়ে কান্না করেছিলাম।


টানা একমাস তোমার গুণধর বাপের সাথে কথা বলি নাই আমি অভিমানে। এরপর ব্যবসায় যখন লাভ হলো তখন তার থেকেও বেশি গয়না আমাকে গড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু সেগুলো?


সেগুলো আর তো পাইনি। ছোটবেলায় বলতে না, ‘আম্মা তুমি কি আব্বুর পকেট থেকে চুরি করো?’ এই চুরির টাকায় তোমার মা অনেক কিছু করেছে। এই বুদ্ধি তোমার নানু আমায় দিয়েছে। সংসারের মেয়েদের টাকা উড়ালে হবে না। বরং সঞ্চয়ী আর হিসেবি হতে হয়। মানুষের অবস্থান কই থেকে কই চলে যায় বলা তো যায় না। সংসার কিন্তু মেয়েরাই ধরে রাখে। সংসারের উন্নতি আর অবনতি একটা মেয়ের হাতে থাকে। আশা করি তুমিও আমার মতো হবে।'


.


এক বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় আব্বুর সাথে বারান্দায় বসে শ্বশুরবাড়ির গল্প করছি। আর আম্মা রান্নাঘরে খিচুড়ি রান্না করছে। গল্পের এক ফাঁকে আব্বু তার মোটা ফ্রেমের কালো চশমাটা চোখ থেকে নামালেন। আর বললেন,


- 'আমার দৃষ্টিতে তোমার আম্মা একজন আদর্শ নারী। ব্যবসায়িক খাতে অভিজ্ঞ হওয়ার পরও অসতর্কতার জন্য আমি বহুবার লস খেয়েছি। তোমার আম্মা আমাকে ততবারই সাপোর্ট করেছে। টানাটানির দিনও গেছে আমাদের তখন তুমি খুব ছোট।


অন্য সব নারী হলে অভাব দেখলে দৌড়ে পালাতো কিন্তু সে আমাকে মেন্টালি সাপোর্ট করে গেছে। আমার পকেট থেকে যে তোমার মা রোজ সকালে টাকা রাখে এই ব্যপার টা আমি জানি। আমি যে জানি সেটাও তোমার মা জানে। তাইতো সব সময় আমি আমার পকেটে পঞ্চাশ কিংবা একশো টাকা রাখতাম তোমার মায়ের জন্য। সে আমার পরিপূর্ণতা।


সে না থাকলে কবেই তলিয়ে যেতাম। একজন স্বামীর একজন স্ত্রীর সাপোর্ট পাশে থাকা যে কি বলে বোঝাতে পারবো না। আমি চাইবো তুমিও নিজেকে তোমার মায়ের মতো গড়ে তুলো। যেন তোমার স্বামীও একদিন তোমাকে নিয়ে গর্ব করে। তোমার আম্মাকে আমি মাঝে মাঝে বলি এতো কিছুর পরও আমাকে ছেড়ে কেন গেলে না? তোমার আম্মা কি বলে জানো?'


আমি আব্বুর দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালাম।

তারপর তিনি বললেন,


- 'বলে তোমাকে বিয়ে করেছি তোমার হাড়মাস জ্বালিয়ে খাওয়া না অব্দি তোমার রেহাই নেই।'


বলেই তিনি হু হু করে হাসতে লাগলেন, তৃপ্তির হাসি! সেই হাসিতে ছিলো মনের মতো জীবনসঙ্গী পাওয়ার উপচে পড়া আনন্দ।


(সমাপ্ত)...


ছোটগল্প

আদর্শ_নারী  (ছদ্মনাম)

----

গল্পটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন। আর কমেন্টে আপনার মূল্যবান মন্তব্য জানাতে ভুলবেন না।🥰

মন ছুঁ'য়ে যেতে নতুন নতুন গল্প পেতে আমার আইডি ফলো করে রাখুন 🥰 👉 তানিয়া আক্তার

মৌখামারে চিনির আবশ্যকতা,,,,ফেইসবুক থফ

 মৌখামারে চিনির আবশ্যকতা

আমরা জানি মধু সংগ্রহের উৎস প্রধানত দুটি। এক- প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে নির্মিত মৌচাক থেকে এবং দ্বিতীয়ত - মৌমাছি প্রতিপালন বা চাষের মাধ্যমে। এছাড়া আর কোনো ভাবেই মধু পাওয়া সম্ভব নয়। 

জীবন ধারণের জন্য অন্যান্য প্রা‌ণীর ন্যায় মৌমাছিদেরও খাদ্যের প্রয়োজন হয়।8 মৌমাছি তাদের শর্করা জাতীয় খাদ্য হিসেবে ফুল থেকে পুষ্পরস বা নেকটার এবং আমিষ জাতীয় খাদ্যের চাহিদা পূরণের জন্য ফুলের পুংকেশর থেকে পরাগরেণু বা পোলেন  গ্রহণ করে। যা একমাত্র বিভিন্ন মৌসুমের প্রস্ফুটিত ফুল, ফল ও বিভিন্ন উদ্ভিদ থেকে মৌমাছি নিজেরাই সংগ্রহ করে।

প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে গড়ে উঠা মৌচাকে অবস্থানরত হাজার হাজার মৌমাছি তাদের নিজেদের সংগৃহীত প্রয়োজনীয় খাদ্য খাওয়ার পর উদ্বৃত্ত খাদ্য মধুতে রূপান্তরিত করে ভবিষ্যতের জন্য মৌচাকে জমা করে রাখে। তবে প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে ফুলের প্রাচুর্যতা কমে গেলে এবং মৌ কলোনিতে খাদ্যাভাব পরিলক্ষিত হলে জীবন ধারণের জন্য নতুন কোনো খাবারের সন্ধান পেলে তারা স্থান পরিবর্তন করে নতুন কোনো স্থানে গিয়ে বসতি স্থাপন করে।

অপর দিকে মৌমা‌ছির খামারে একসাথে শত শত বাক্সে মৌমাছি প্রতিপালন করা হয়। এখা‌নে লক্ষ লক্ষ মৌমাছির বসবাস। প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে ফুলের প্রাচুর্যতা কমে গেলে স্বাভাবিক ভাবেই মৌ কলোনিতে খাদ্যাভাব দেখা দেয়। তখন খামার মালিকদেরকে মৌমাছির জন্য বিকল্প খাদ্যের যোগান দিতে হয়। 

আমাদের দেশে সাধারণত গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহ এবং বর্ষা মৌসুমে মৌমাছির প্রাকৃ‌তিক খাদ্যের যোগান অনেকাংশে কমে যায়। এ সময় মৌমাছির জীবন বাঁচাতে মৌকলোনিতে কৃত্রিম খাদ্য সরবরাহ করা জরুরী হয়ে পড়ে।

মৌমা‌ছির কৃত্রিম খাদ্যের মধ্যে যা সহজলভ্য তা হলো "চিনি"। যা ঘন সিরাপ আকারে মৌমাছিকে খাওয়ানো হয়। এছাড়া অন্যান্য মিষ্টি জাতীয় খাদ্য খাবার হিসেবে মৌমাছিকে অভ্যস্ত করতে পারলে তাদের খাওয়ানো যেতে পারে। যেমন - আখের গুড়, আখের রস, খেজুর গাছের রস, খেজুরের গুড়, তাল গাছের রস, তালের গুড়, গোল পাতার রস ও গুড়, সুগার বিট এর রস, গাজর, তরমুজ এবং বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি ফল মূল ইত্যাদি।

চিনি ছাড়া অন্যান্য যে সকল মিষ্টি জাতীয় খাদ্যদ্র‌ব্য বিকল্প হিসেবে মৌমাছির খাদ্য হিসেবে বিবেচিত সেগুলোর মধ্যে একমাত্র তরমুজ ও তালের রস ছাড়া সবই প্রায় আমাদের দেশে সাধারণত শীত মৌসুমে পাওয়া যায়। কিন্তু শীতকালে প্রকৃ‌তিতে প্রচুর ফুল ফোটে এজন্য সে সময় মৌমাছির খাদ্যের অভাব দেখা যা‌য় না। গ্রীষ্মের শেষে ও বর্ষাকালে যখন খাদ্যাভাব দেখা যায় তখন বিকল্প খাদ্য হিসেবে একমাত্র চিনিই সহজলভ্য।

মৌমা‌ছির বিকল্প খাদ্য হিসেবে চিনির সিরাপ বা সরবত খাওয়ানো হলেও তা শুধুমাত্র মৌমাছির জীবন বাঁচানোর জন্য, মধু উৎপাদনের জন্য নয়। মৌমাছি বিভিন্ন ফু‌ল ও ফল থেকে যে তরল, আঠা‌লো ও মিষ্টি স্বাদযুক্ত পদার্থ সংগ্রহ করে তা মধু পাকস্থলীতে বিভিন্ন ধরণের এনজাইম, জৈব অম্ল, জীবাণু নাশক এবং অন্যান্য উপকারী পুষ্টিগুণ সম্পন্ন পদার্থে সমৃদ্ধ হয়ে অনেক জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘনিভূত হয়ে মধুতে রূপান্তরিত হয়। যা শুধু মাত্র চিনি থেকে সম্ভব নয়।




পালসার ষ্টার হল এমন স্টার যারা প্রতিনিয়ত প্রচন্ড বেগে ঘুরতে ঘুরতে রেডিয়েশন করতে থাকে অর্থাৎএকটি অত্যন্ত চৌম্বক আবর্তিত নিউট্রন তারকা,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 *পালসার ষ্টার হল এমন স্টার যারা প্রতিনিয়ত প্রচন্ড বেগে ঘুরতে ঘুরতে রেডিয়েশন করতে থাকে অর্থাৎএকটি অত্যন্ত চৌম্বক আবর্তিত নিউট্রন তারকা, যা একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কে উচ্চ তীব্রতার তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ নির্দিষ্ট দিকে বিকিরণ করে থাকে। যেহেতু এই তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ পালস্ হিসাবে লক্ষ করা যায় তাই এদের নাম “পালসার”।

*এগুলো প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৬৭ সালে বিজ্ঞানী জোসলিন বেল এর মাধ্যমে।

*কিন্তু বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে এই পালসার টা সম্পর্কে   ১৪০০ বছর আগের গ্রন্থ আল কোরআনে উল্লেখ করা আছে।

আল্লাহ সূরা তারিকের এক থেকে চার আয়াতে বলেন

'শপথ জান্নাত ও তারিকের। তোমরা কি জানো তারিখ কি। এটা হচ্ছে ভেদ কারী তারা।'

*১.তারিক অর্থ হচ্ছে টোকা দেওয়া। দরজায় যখন কেউ টোকা দেয় তখন আরবিতে তাকে তারিক বলা হয়।

এখন আল্লাহতালা শপথ করতেছেন টোকা দানকারী তারার। আপনি জানলে অবাক হবেন পালসার স্টার এর সাউন্ড দরজায় টোকা দেয়ার মতই হয়। চাইলেই শুনতে পারেন https://youtu.be/PDbw3runD_g?si=LaauDd23sv9WzcEL

২. আবার  তৃতীয় আয়াতে বলা হয়েছে ভেদ কারী তারা হিসেবে।great spacing.com এ প্রকাশিত 'pulsar pierced a star disk' নামে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কিভাবে নাসা এর চন্দ্র এক্সরে অবজারভেটরি ৭৫০০ আলোকবর্ষ দূরে ডাবল star system (b1259) এর সাথে একটি পালসার এর সংঘর্ষে ,পালসার টি সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট প্লেটের (gas cluster) মধ্য দিয়ে ভেদ করে। আমি স্ক্রিনশট দিচ্ছি চাইলে দেখে নিতে পারেন। 

*এখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে কোরআন বলতেছে এমন তারার কথা যেটি একই সাথে ভেদ করে কোন কিছু কে আবার দরজায় টোকা দেওয়ার মত শব্দ ও করে।

এটা স্পষ্টই  pulsar star কারণ একমাত্র পালসার স্টার ই রেডিয়েশন করে এবং টোকা দেয়ার মত শব্দ করে।

*এখন প্রশ্ন হচ্ছে কি করে একজন  ব্যক্তি 1400 বছর আগে pulsar star সম্পর্কে বলতে পারে??




হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর। এটি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর। এটি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি। এর আয়তন ১৮,১১৫ হেক্টর, তন্মধ্যে শুধুমাত্র বিলের আয়তন ৪,৪০০ হেক্টর। এটি মৌলভীবাজার জেলার় বড়লেখা (৪০%), কুলাউড়া (৩০%), এবং সিলেট জেলার় ফেঞ্চুগঞ্জ (১৫%), গোলাপগঞ্জ (১০%) এবং বিয়ানীবাজার (৫%) জুড়ে বিস্তৃত। ভূতাত্ত্বিকভাবে এর অবস্থান, উত্তরে ভারতের মেঘালয় পাহাড় এবং পূর্বে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশে। ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের কারণে উজানে প্রচুর পাহাড় থাকায় হাকালুকি হাওরে প্রায় প্রতি বছরই আকস্মিক বন্যা হয়। এই হাওরে ৮০-৯০টি ছোট, বড় ও মাঝারি বিল রয়েছে। শীতকালে এসব বিলকে ঘিরে পরিযায়ী পাখিদের বিচরণে মুখর হয়ে উঠে গোটা এলাকা। অতিথি পাখি দেখতে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস হচ্ছে হাকালুকি হাওর ভ্রমণের আদর্শ সময়। এ সময় হাওরের চারপাশ অতিথি পাখির কোলাহলে মুখর হয়ে থাকে।



টেমস নদীর মুখে কডের জন্য মাছ ধরতে গিয়ে 43 বছর বয়সী ইংরেজ জেলে স্টিভ গোয়ান তার স্ক্রু-অন রাবার স্টপার দিয়ে সবুজ আদা-বিয়ারের বোতলটি পান!,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টেমস নদীর মুখে কডের জন্য মাছ ধরতে গিয়ে 43 বছর বয়সী ইংরেজ জেলে স্টিভ গোয়ান তার স্ক্রু-অন রাবার স্টপার দিয়ে সবুজ আদা-বিয়ারের বোতলটি পান!


বোতলটি যত্ন সহকারে খোলার পর তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন হিউজের একটি কভারিং নোটসহ ফাইন্ডারের চিঠি!


কভারিং চিঠি ছিলো...


 "Sir or madam, youth or maid," read an emotional Crowhurst.


 "Would you kindly forward the enclosed letter and earn the blessing of a poor British soldier on his way to the front this ninth day of September, 1914. Signed Private T. Hughes, Second Durham Light Infantry. Third Army Corp Expeditionary Force."


 The simple love letter to Hughes' wife, Elizabeth, was short.


যার বাংলা অর্থ ছিলো...


 "স্যার বা ম্যাডাম, যুবক বা যুবতী," একটি আবেগময় ক্রোহার্স্ট পড়ুন।


 "আপনি কি অনুগ্রহ করে সংযুক্ত চিঠিটি ফরোয়ার্ড করবেন এবং 1914 সালের সেপ্টেম্বরের এই নবম দিনে ফ্রন্টে যাওয়ার পথে একজন দরিদ্র ব্রিটিশ সৈনিকের আশীর্বাদ অর্জন করবেন। স্বাক্ষরিত প্রাইভেট টি. হিউজ, সেকেন্ড ডারহাম লাইট ইনফ্যান্ট্রি। থার্ড আর্মি কর্প এক্সপিডিশনারি ফোর্স।"


হিউজের স্ত্রী এলিজাবেথের কাছে সহজ প্রেমের চিঠিটি ছোট ছিল!


চিঠিটা ছিলো...


 "Dear Wife, I am writing this note on this boat and dropping it into the sea just to see if it will reach you."


 "If it does, sign this envelope on the right hand bottom corner where it says receipt. Put the date and hour of receipt and your name where it says signature and look after it well."


 "Ta ta sweet, for the present. Your Hubby."


যার বাংলা অর্থ...


 "প্রিয় স্ত্রী, আমি এই নোটটি এই নৌকায় লিখে সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছি শুধু দেখতে যে এটি আপনার কাছে পৌঁছাবে কিনা।"


 "যদি তা হয়, এই খামের ডানদিকের নিচের কোণায় যেখানে রসিদ লেখা আছে সেখানে স্বাক্ষর করুন। প্রাপ্তির তারিখ ও ঘন্টা এবং যেখানে স্বাক্ষর লেখা আছে সেখানে আপনার নাম দিন এবং ভালোভাবে দেখভাল করুন।"


 "টা টা সুইট, এখনের জন্য। 

তোমার স্বামী।"


ক্রাউহার্স্ট বলেছিলেন (ক্রাউহার্স্ট ছিলেন তার মেয়ে আর চিঠিটা তার মেয়ের কাছেই পোঁছানো সম্ভব হয়েছে), তার বাবা চলে যাওয়ার সময় মাত্র 2 বছর বয়সী ছিলেন।


 "আমি মনে করি তিনি খুব গর্বিত হবেন যে এটি পাওয়া গেছে। তিনি একজন খুব যত্নশীল মানুষ ছিলেন।"


Source:- Seattletimes



গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...