এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

এনহেদুয়ান্না: বিশ্বের প্রাচীনতম লেখক?,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এনহেদুয়ান্না: বিশ্বের প্রাচীনতম লেখক?


খ্রীষ্টের জন্মের দুই হাজার তিনশ বছর আগে মেসোপটেমিয়ায় বসবাস করতেন কবি এনহেদুয়ান্না। তাকে পৃথিবীর প্রাচীনতম কবি মনে করা হয়। অলঙ্কারশাস্ত্র ও আত্মজীবনী প্রচলনের কৃতিত্বও দেয়া হয় তাকে। তিনি ছিলেন আক্কাদিয়ান রাজা সারগনের কন্যা। 


তার কবিতার পাণ্ডুলিপি পাওয়া গেছে খ্রীষ্টপূর্ব ১৮ শতাব্দীর, অর্থাৎ প্রাচীন ব্যাবিলনীয় যুগের পাঠশালা থেকে। সময়ের এই পার্থক্যের কারণে এই কবিতাগুলি আসলেই তার লেখা কিনা এ নিয়ে সন্দেহ আছে অনেক গবেষকের। 


প্রায় ৫ হাজার বছর আগে, মেসোপটেমিয়ার সুমের অঞ্চলের বাসিন্দারা কুনিফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন। কুনিফর্ম পৃথিবীর প্রাচীনতম লিখন পদ্ধতি, এর প্রচলন ছিল মধ্যপ্রাচ্যে। কুনিফর্মের আবির্ভাবের প্রায় এক হাজার বছর পর এনহেদুয়ান্না নামের একজন নারী লেখক এই পদ্ধতিকে নতুনভাবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। 


তার অনন্য লেখনী উত্তম পুরুষে (আমি আমি করে) লেখালেখির প্রাচীনতম উদাহরণ। ধারণা করা হয়, নিজের লেখকত্ব দাবি করা প্রথম লেখক তিনি। সব ধরনের ইতিহাসে প্রথম লেখক হিসেবে নাম আসে মেসোপটেমিয়ার কবি, রাজকন্যা ও ধর্মযাজিকা এনহেদুয়ান্নার। 


১৯২৭ সালের আগে আধুনিক সভ্যতাগুলির কাছে এনহেদুয়ান্না ছিল এক অজানা নাম। ১৯২৭ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার লিওনার্ড উলি তার নামযুক্ত বেশ কিছু বস্তু খনন করেন। সুমেরীয় ভাষায় তার নামের অর্থ ‘স্বর্গের গহণা’’। চন্দ্রদেবী নান্না-সুয়েনের প্রধান পুরোহিত এনহেদুয়ান্না ৪২টি স্তোত্র ও ৩টি কবিতা লেখেন। 


গবেষকরা কয়েক যুগ পর তার লেখনীর স্বীকৃতি দেন, যদিও অনেকে এখনও তার লেখকত্বের ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেন। গবেষকদের যারা বিশ্বাস করেন কবিতাগুলির লেখক তিনি, তাদের মতে এই লেখনীগুলির মধ্যে তার ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন ঘটেছে। যেগুলি তার মৃত্যুর বহু বছর পরও প্রাসঙ্গিকতা হারায়নি। 


এনহেদুয়ান্নার জন্ম মেসোপটেমিয়ায় (বর্তমান ইরাক), খ্রিস্টপূর্ব ২৩ শতাব্দীতে। তিনি রাজা সারগনের কন্যা ছিলেন। রাজা সারগন ছিলেন আক্কাদিয়ান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা, এই রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুমেরীয় প্রজাদেরকে একজন শাসকের নেতৃত্বে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছিল। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন সারগন বিশ্বের প্রথম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ধর্মযাজিকা হওয়ার পাশাপাশি, রাজকন্যা হিসেবে রাজনৈতিক ক্ষমতাও ছিল এনহেদুয়ান্নার।


বিশেষ করে, আক্কাদের উত্তর মেসোপটেমিয়ান অঞ্চলকে একত্রিত করায় এনহেদুয়ান্নার ভূমিকা অনস্বীকার্য। এই উত্তরাঞ্চলেই তার বাবা সারগন প্রথম ক্ষমতায় আসেন, পরবর্তীতে দক্ষিণাঞ্চলের সুমেরীয় শহরগুলি দখল করে নেন। 


সুমেরীয় দেবী ইনানার সাথে আক্কাদিয়ান দেবী ইশতারের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার অনুষ্ঠানের সমন্বয় ঘটানোর মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয় জয় করে নেন, যাতে অনেক বড় ভূমিকা রাখেন এনহেদুয়ান্না। পুরো সাম্রাজ্যে একটি সাধারণ ধর্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে সাহায্য করেন তিনি। তার স্তোত্র ও কবিতায়ও এই সমন্বয়ের বিষয়টি দেখা যায়। 


এনহেদুয়ান্না দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ার ৪২টি মন্দিরের জন্য স্তোত্র লেখেন, এগুলির প্রত্যেকটিতে তিনি দেবীর নানারকম গুণাবলির কথা তুলে ধরেন ভক্তদের কাছে। তার মৃত্যুর কয়েকশ বছর পরেও মন্দিরগুলিতে এই স্তোত্র পাঠ করা হত।


প্রাচীন ব্যাবিলনিয়ান লিপিগুলির মধ্যে ৫টি কবিতা এনহেদুয়ান্নার লেখা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। এই কবিতাগুলির মধ্যে আছে: ইনানার উচ্ছ্বাস, ইনানার স্তোত্র, মন্দিরের স্তোত্র ও ২টি আংশিক কবিতা। কয়েকজন আধুনিক গবেষকের মতে, এনহেদুয়ান্না ‘ইনানা’ ও ‘এবিহ’ নামের দুটি কবিতাও লিখেছেন। 


‘দ্য এক্সলটেশন’ এ ইনানাকে যুদ্ধের দেবী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এনহেদুয়ান্না তার নিজের দুর্দশার বর্ণনা দেন সেখানে। 


এরপরে শুরু হয় এনহেদুয়ান্নার সংগ্রামের জীবন। বিদ্রোহী রাজা লুগাল-আনে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেন ও তাকে নির্বাসনে পাঠান। এনহেদুয়ান্না ইনানার কাছে সাহায্য চেয়ে প্রার্থনা করার চেষ্টা করেন, কিন্তু কোনো ভাষা খুঁজে পান না। তার প্রশংসনীয় বাকপটুতা হারিয়ে যায়। এই কবিতার পরিণতির মুহূর্তে রাত্রিকালীন এক আচার অনুষ্ঠানের সময় দেবী ইনানার ঐন্দ্রজালিক দর্শন পান এনহেদুয়ান্না। তিনি তার কাব্যিক ক্ষমতা ফিরে পান ও এই স্তোত্র রচনা করেন। 


‘দ্য হাইম’ সুমেরীয় ভাষায় দেবী ইনানাকে উদযাপনের মৌলিক স্তোত্র। এর ভাষা ‘এক্সলটেশন’ এর তুলনায় অনেক সাহসী। এই স্তোত্রে, ইনানাকে মহাবিশ্বের নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়, দেবলোকের অন্যান্য দেবদেবীর তুলনায় বেশি শক্তিশালী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই স্তোত্রে ইনানার সব ধরনের গুণাবলি ও ক্ষমতার কথা উল্লেখ করা হয়।


‘দ্য টেম্পল হাইম’ সুমেরের বিভিন্ন মন্দিরকে উৎসর্গ করা মোট ৪২টি স্তোত্রের সংগ্রহ। এসব স্তোত্রে মন্দিরের নানা দেবদেবীদের উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে, মন্দিরগুলি যে শহরে অবস্থিত সেসব শহরকে উৎসর্গ করে লেখা হয়েছে। একসাথে মিলে এই স্তোত্রগুলি সুমেরীয় সভ্যতার এক কাব্যিক চিত্র তুলে ধরে। 


দুটি আংশিক কবিতায় এনহেদুয়ান্নার নাম আছে, তবে এর একটি এতটাই বিচ্ছিন্ন যে তেমন কিছু বোঝা যায় না। আরেকটি দেবতা নানাকে উদ্দেশ্য করে লেখা, এনহেদুয়ান্না নিজে যার প্রধান পুরোহিত ছিলেন। এই কবিতায় তার মন্দিরের মহিমা ও তার খাবার প্রস্তুতির বর্ণনা পাওয়া যায়। 


সারগন এনহেদুয়ান্নাকে চন্দ্রদেবতা নানার প্রধান পুরোহিত হিসেবে নিয়োগ দেন। তার মন্দির ছিল সুমেরের উর শহরে।


তিনি লেখেন:


সে আমাকে কাঁটার ওপর হাঁটতে বাধ্য করেছে

সে আমার পবিত্র কর্মস্থলের রাজমুকুট ছিনিয়ে নিয়েছে 

সে আমাকে একটি ছুরি দিয়ে বলেছে, “তোমার জন্য এটাই ঠিক আছে।”


এটি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লেখা।


‘দ্য এক্সলটেশন অফ ইনানা’য় এনহেদুয়ান্না লেখেন, তিনি প্রধান পুরোহিতের পদ ফিরে পেয়েছেন, এর কৃতিত্ব দেন ইনানাকে। এই কবিতায় তিনি নিজের সৃজনশীল প্রক্রিয়ারও বর্ণনা দেন: 


‘আমি জন্ম দিয়েছি, 

হে মহিমান্বিত নারী, (এই গানটি) তোমার জন্য। 

(মধ্য) রাতে আমি এটি আবৃত্তি করেছি 

আশা করি দুপুরে গায়কেরা তোমার উদ্দেশ্যে এটি আবার গাইবে!’ 


‘টেম্পল হাইম’ এর লেখকত্ব দাবি করেন এনহেদুয়ান্না। তিনি লেখেন, 


‘এই শীলালিপিটির সমন্বয়ক এনহেদুয়ান্না। প্রভু, এখানে যা সৃষ্টি করা হয়েছে, তা আগে কেউ কখনও করে নি।’ 


বিশ্লেষক ও এনহেদুয়ান্নার অনুবাদক বেটি ডি শং মিডোর তার বই ‘প্রিন্সেস, প্রিস্টেস, পোয়েট’ এ লেখেন, “এসব স্তোত্রে আমরা একজন প্রতিভাধর কবির কণ্ঠস্বর শুনতে পাই। তিনি অকপটে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন দিক, সতর্কতা ও দেবদেবীদের প্রকৃতি ও তাদের মন্দিরের কথা তুলে ধরেছেন। তার চারপাশে সক্রিয়, আকর্ষণীয় ও অনিয়ন্ত্রিত ঐশ্বরিক সত্তার কথা তুলে ধরেছেন।” 


এই কবিতাগুলি থেকে এনহেদুয়ান্নার গাণিতিক জ্ঞানের পরিচয়ও পাওয়া যায়। ঐতিহাসিকদের মতে, গণিতের সূচনা হয়েছিল মেসোপটেমিয়ায়, সেদিক বিবেচনায় এটি খুব একটা বিস্ময়কর না। কুনিফর্ম ও অন্যান্য প্রাচীন লেখার সূচনাও মেসোপটেমিয়ান সভ্যতায়ই হয়েছিল। লেখা ও গণনার পদ্ধতি সম্ভবত মেসোপটেমিয়ার সক্রিয় কৃষি ও টেক্সটাইল নির্ভর অর্থনীতির কারণেই আবিষ্কৃত হয়েছিল। কারণ, কৃষক ও বণিকরা কী কী পণ্য উৎপাদিত হয়েছে তা গণনা করতেন, কী কেনাবেচা হচ্ছে তা রেকর্ড করতেন। 


আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৪০০ অব্দে শুরু হওয়া এই সময়কালে মেসোপটেমিয়ার শহর অঞ্চলের ব্যাপক বৃদ্ধি হয়েছে, সারা দেশ ও অঞ্চলে পণ্য উৎপাদন ও বাণিজ্যের প্রচলন হয়েছে। বাণিজ্যের প্রসার হওয়া মানে প্রচুর কর্মীর প্রয়োজন হত, যাদের অনেকেই ছিলেন নারী। সাধারণ গৃহস্থালির কাজ ও ধর্মীয় দায়িত্বের বাইরে গিয়ে নারীরা এই দায়িত্ব পালন করতেন। তারা নানারকম বাণিজ্যের সাথে যুক্ত ছিলেন। যেমন সিরামিকস, কাপড় বোনা, বেকিং, পশুপালন, নানারকম পানীয় বানানো ও কারুশিল্প ইত্যাদি। 

 

২০২২ সালের অক্টোবর মাসে, ‘দ্য মরগান লাইব্রেরি ও মিউজিয়াম’ এ এই যুগান্তকারী নারীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীর নাম ছিল, “যে নারী লিখতেন: এনহেদুয়ান্না ও মেসোপটেমিয়ার নারীরা, সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব ৩৪০০-২০০০ অব্দ।” এখানে প্রাচীন ভাস্কর্য, ত্রাণ ও কুনিফর্ম শিলালিপির মাধ্যমে নারীদের ধর্মীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। এই অভিজ্ঞতাগুলির সাথে সমসাময়িক নারীরাও অনেক মিল খুঁজে পাবেন। 


এর আগে, প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার নারীদের জীবন নিয়ে বড় কোনো প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়নি। এই প্রদর্শনীর চিত্রকর্মগুলি এসেছে লন্ডন, বার্লিন, প্যারিস ও অন্যান্য জায়গা থেকে। এসব চিত্রকর্ম থেকে তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। 


এসব ছবিতে নারীদের পশুপালন, মাটির তৈজসপত্র তৈরি, তাঁতের কাজ করতে দেখা গেছে। এছাড়া মন্দিরে নারীদের উপস্থিতি, পুরুষ সেবকদের দিকনির্দেশনা দিতে দেখা গেছে। একটি ছবিতে দেখা গেছে একজন লোক তার জমি তার কন্যার হাতে তুলে দিচ্ছেন। 


এই প্রদর্শনীতে এনহেদুয়ান্নার ডিস্ক; তার ভৃত্যদের সিলিন্ডারের সিল ও ‘দ্য এক্সলটেশন অফ ইনানা’ লেখা একটি শিলালিপি দেখা যায়। এই শিলালিপিতে আরও কিছু সূক্ষ্ম খোদাই দেখা গেছে। এগুলি সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত পাওয়া না গেলেও ধারণা করা হয় এগুলি এনহেদুয়ান্নার ছবি, যেখানে দেবদেবীদের ঐশ্বরিক পরিবেশের আভাস পাওয়া যায়। 


এই মূর্তি, ভাস্কর্য ও অন্যান্য চিত্রকর্মগুলি নারীরা মন্দিরে দান করতেন, তাদের নাম খোদাই করা ছিল এসবে। এ ধরনের রীতিনীতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এনহেদুয়ান্না নিজের পরিচয় তুলে ধরেছেন। ‘দ্য এক্সলটেশন’ দেবীকে উৎসর্গ করে লেখা একটি কবিতা। 


বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এসে, গবেষকদের মধ্যে এনহেদুয়ান্নার লেখালেখির ব্যাপারে নানারকম মত দেখা গেছে, “সেই পুরোহিতই কি এসব লিখেছেন?” লেখালেখি শুরুটা হয়েছিল একজন নারীর হাত ধরে, গ্রীসের স্বর্ণালি যুগ শুরুরও দুই হাজার বছর আগে, এমন ধারণাটি অনেকের কাছেই অতিরঞ্জিত বলে মনে হয়। 


যদি এনহেদুয়ান্না এই লেখাগুলি লিখে থাকেন, তাহলে লেখালেখির সূচনা তার হাত ধরেই হয়েছে বলতে হবে। এছাড়া অলঙ্কারশাস্ত্র ও আত্মজীবনীরও আবির্ভাব হয় তার হাত ধরে। তিনি হোমারেরও ১৫০০ বছর আগে, স্যাফোর ১৭০০ বছর আগে ও অ্যারিস্টটলের ২০০০ বছর আগে পৃথিবীতে ছিলেন। সাধারণত অলঙ্কারশাস্ত্রের সূচনার কৃতিত্ব দেয়া হয় অ্যারিস্টটলকে।


এনহেদুয়ান্নার কবিতার বিষয়বস্তু অনেক সমৃদ্ধ। ধর্মপালন থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত প্রতিফলন, রাজনৈতিক মন্তব্য ও পৌরাণিক নানা ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায় তার লেখায়। এছাড়াও তার লেখা থেকে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ধারণা পাওয়া যায়। 


যতই বিতর্ক থাকুক, আমাদের স্বীকার করে নিতেই হয়, বর্তমান যুগের লেখকদের জন্য এনহেদুয়ান্না সৃজনশীল শক্তির একজন পুরোধা। 


 ইতিহাস  নারী  এনহেদুয়ান্না

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বুধবার, ৬ মার্চ, ২০২৪

আমার নিয়তি এতটা খারাপ....,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বিয়ের ১৩ বছর পরে ও যখন সন্তান হচ্ছিলো না। তখন আমার স্বামী ২য় বিবাহ করেন। এবং সে মাসেই টেস্ট করে জানতে পারলাম আমি গর্ভধারণ করেছি।। 


ওই মূহুর্তে আমার মনে হয়েছে আল্লাহ দিলে যখন আর ১ টা মাস আগে দিতে। 

খুব ভেঙে পড়েছিলাম আমি। বুঝতে পারছিলাম না কি করবো৷ 

আমার মা কে বলেছি। তিনি বলেছেন পাশে আছি যা মনে হয় করো তুমি।।


ও বিয়ে করার পর আমাকে বলেছে তোমার ইচ্ছে হলে এখানে ও থাকতে পারো। 

আবার তোমার বাবার বাড়ি ও থাকতো পারো। 

আমার দরজা সবসময় তোমার জন্য খোলা। 

বিয়ে করার পর আমি বাবার বাড়ি যায় কিন্তুু ওখানে ঘুম আসতো না। কোনো কিছু শান্তি লাগতো না।আশেপাশে চাচীদের, আত্মীয় স্বজন এবং প্রতিবেশীদের কথা শুনে খারাপ লাগতো। 

আমাকে সরাসরি কিছু বলতো না তবে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলতো। 

বাপের বাড়িতে আমার কদর কমে যায় একদম। 

ওখানে ২ দিন থাকার পর আবার চলে আসি। 

এখানে আসলে কলিজা ফেটে যেতো। আমার স্বামীকে অন্য কেউ জড়িয়ে ধরছে নাস্তা দিচেছ। আমার সংসার টা সামলাচ্ছে। 

আমার সাথে শশুর বাড়ির সবাই কথা বলা কমিয়ে দিলো। সবাই নতুন বউকে টাকে নিয়ে মাতামাতি করতো। 

আর আমি রুমে দরজা বন্ধ করে বসে থাকতাম।। 


তখন মনে হতো বাপের বাড়ি চলে যায়। 

এখানে কয়েকদিন থাকার পর বাপের বাড়ি গেলে সেখানে ও ভালো লাগতো না। 

আবার একা একা চলে আসতাম। কান্না ও আসতো না আমার।নামাজ কালামে ও মন বসতো না। 

আমার শাশুড়ী বলতো তুই চলে যা।

সবাই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলতো চলে যাও।


গর্ভধারণ  এর বিষয় টা প্রায় ১৫ দিনের এর মতো কাউকে বলিনি। 

১৫ দিন পর আমার স্বামীকে জানাই।।  

তিনি শুনার পর খুশি হলেন এবং বললেন আমার মোটামুটি সামর্থ্য আছে। আমি দুজনকেই চালাতে পারবো অসুবিধা নাই।। 

তুমি আমার বড় বউ আর ও ছোট বউ। তোমরা দুজনেই থাকো আমার জীবনে।। 

তোমাদের অনেক ভালোবাসি। তোমাদের ছাড়া আমি বাচবো না। 

 

আমি মনে মনে হেসে বলি হারামজাদা তুই আমাকে ছাড়া ঠিকই বাঁচবি শুধু ওরে ছাড়া বাঁচবি সেটা বল। 


তারপর উনি ভাগ করলেন আমার সাথে সপ্তাহে ২ দিন থাকবেন এবং নতুন বউয়ের সাথে বাকি দিন রাএি যাপন করবেন। 

আমার ভাগে বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার গুলো পড়ে ছিলো। 

বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার আসলে আমি আমার বাপের বাড়ি চলে যেতাম।। 

আমি স্বামীকে খুব ভালোবাসি।।তবে এখনকার এই চেহারা  মানুষ টাকে না।


আমার কান্না আসতো না। তবে আমার বিয়ের ছবিগুলো নিলে কান্না আসতো মাঝে মাঝে। আমি বউ সাজ অবস্থায় পাশের শেরওয়ানি পরিহিত স্বামীটাকে অনেক ভালোবাসি। 

আমি তাকে ফিরে পেতে চাই।। 

সুন্দর সময় ছিলো আমাদের জীবনটাতে কিন্তুু একটা সন্তান এর জন্য হাহাকার ছিলো।। 


সময়ের সাথে মানুষের চেহারা, চামড়া,একই থাকলে ও  চামড়ার ভিতরের নফস টা বদলে গিয়েছে। 

ঘৃণা হয়।। 


আমি খেতাম না কেমন শুকিয়ে কালো হয়ে গিয়েছিলাম। মার কাছে গেলে মা ফলমূল খাওয়াতো। আমি খেতাম না।। 

আমার শাশুড়ী তো নতুন বউ ছাড়া কিছু বুঝতো না। আর ননদ ননস গুলো তো আরো বাড়ে।। তাদের নতুন ভাইয়ের বউ অনেক ভালো বউ। 

আজীবন আমি রেঁধে বেড়ে খাওয়াইছি সেটার কোন মূল্যা নাই। 

যে পাতে খেয়েছে সে পাতে মলমূত্র ত্যাগ করেছে এরকম একটা অবস্থা।। 


আমার স্বামী নতুন বউকে নিয়ে ঘুরতে যেতো।। প্রায় সময়ই আর আমি সেটা দেখতাম। কান্না একটু ও আসতো না। 

আমাকে জিজ্ঞেস ও করতো না,,  তোমার কি খেতে মন চাই বা তুমি কি খাবে। 

ওহ ভালো কথা আমার রান্না কেউ খেতো না। কারণ আমার রান্না মজা নাই আমি রান্না করতে জানি না। 

এজন্য নতুন বউ আমার শাশুড়ী দের সাহায্য নিয়ে রান্না করতো। 

আর আমি রুমে বসে বসে টাইমে টাইমে খেতাম। 

আর মানুষ কে বলে বেড়াতো আমাকে অনেক সুখে রাখছে। 


নতুন বউ বয়সে আমার চেয়ে অনেক ছোট। একদিন ও কে বলি বোন বৃষ্টি আসতেছে ছাদ থেকে কাপড়গুলো নিয়ে আয়। 

আমার স্বামী তেলে বেগুনে জ্বলে উঠছে কারণ আমি তার নতুন বউকে কেন তুই করে বলেছি।।। 


আল্লাহর গজব পড়ুক এমন স্বামীর উপর।। 


আমি বুঝতেছিলাম না তখন কি করবো। 

দেখতে দেখতে আমার ডেলিভারি টাইম আসে।। যেদিন আমার পেইন উঠে ওইদিন আমার স্বামী তার নতুন বউয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যায়। তখন মোবাইল এত সহজলভ্য ছিলো না।। 

তাই খবর দিতে পারি নাই। 

আমার এক চাচাত জা আমাকে মেডিকেল নিয়ে যায়। আমার সাথে আর কেউ যায় নি। 

কারণ আমার শাশুড়ী বুড়ো মানুষ উনি নাকি কিছু চিনে না। 

আর আমার ননদ ননস এর জামাইরা বিজি এজন্য। 


 আমার  ডেলিভারির খরচ আমার মা বহন করে।।

আমি নরমালে ২ টি জমজ পুএ সন্তান এর জন্ম দি।।

সরকারি মেডিকেল এ ৩ দিন থাকার পর আমি আমার বাপের বাড়ি যায়। 

মেডিকেল এ তিন দিন ছিলাম আমাকে শশুর বাড়ি একটা কু*ওা ও দেখতে আসে নাই। 

এক বেলা ভাত নিয়ে। 


আমি বাপের বাড়ি যাওয়ার ৭ দিন পর আমার জামাই খবর পাঠায় বাচ্চা দের নিয়ে ওদের ওখানে যেতে। 


আমার জামাইর থেকে শরম লাগতেছে আমার বাড়িতে আসতে।। 


আমি যায় না। আমি বলি এখন যাবো না আরো কয়েকদিন পর যাবো। 

 ৯ দিন পার হওয়ার পরে ও আমি নাম রাখি নাই বাচ্চাদের। মনে করছি শশুর বাড়ির লোকেরা আসলে তখন রাখবো। 

কিন্তুু কেউ আসে নাই। পরে আমার এক চাচা উনি মৌলভী। 

উনি আমার বাচ্চা দের নাম রেখে দেয়।। কোনো আয়োজন অনুষ্ঠান ছাড়া। 

আমার বাপের বাড়িতে সবাই ছি ছি করে। বলে বাচ্চা হয়েছে এত বছর পর অথচ কেউ দেখতে আসে না। 

আমার বাপের বাড়িতে আমার মূল্যায়ন একদম কমে যায়। 

আমাকে তেমন কেউ সাহায্য করতো না। বাচ্চা দের কাঁথা,জামা কাপড় সব আমি ধুয়তাম।। 

মা ও কেমন যেন অবহেলা করতো।। 


আমার বাচ্চাদের কেউ এক জোড়া কাপড় পযন্ত কিনে দেয় নি।। 

পরে আমার১ ভরি গয়না বিক্রি করে বাচ্চা দের প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো কিনি। 

মার বাড়ি ২০ দিন থাকার পর আমি চলে যায় শশুর বাড়ি। 

কারণ এখানে আমি বাচ্চা দের খরচ বহন করতে পারছিলাম না এজন্য।। 

শশুর বাড়িতে যাওয়ার পর আমার স্বামী বাচ্চাদের কোলে নেয়। 

আমার জামাইর নতুন বউকে ডেকে বলে দেখো তোমার ছেলেদের। 

তার কোলে দিয়ে বলে এগুলো এখন থেকে তোমার সন্তান অবহেলা করো না। 

আমি ওর কোল থেকে আমার বাচ্চা কেড়ে নিতে গিয়ে আমার ছোট বাচ্চা টা নিচে পড়ে যায়।। 

আর সাথে সাথে কান্না করে উঠে। 

আমার স্বামী ওই অবস্থায় আমাকে গালাগালি করে চুল ধরে পিঠের মধ্যে অনেক গুলো ঘুষি মারে। 

আমি কান্না করতে করতে বলি আমার বাচ্চা এগুলো আর কারো বাচ্চা না।। 

আমাকে কেউ একটু ধরতে ও আসে নাই যখন মারছিলো।।। 


মানুষ কতটা অমানুষ এ রুপ নেয় তা আমার স্বামীকে না দেখলে বুঝতাম না।। 


তারপর ওরা চলে যায় আমার রুম থেকে।। আমি আমার বাচ্চা দের নিয়ে অনেক কান্না করে বলি তোদের  মা আছে আমি মরি নাই। 

তোদের আমি ভালোবাসি।। 


কয়েকদিন পর আমার স্বামী যখন আমার রুমে আসে তখন বলি আমার ছেলেদের আকিকা করাবে না। 

উনি বলে এখন টাকা নাই পরে করবো। ওদের মুসলমানির সময়।। 


তারপর বাচ্চাদের আদর করতে করতে আমার দিকে তাকিয়ে বলে কেমন বুড়া হয়ে গেছো। তোমার দিকে তাকাতে ও ঘৃণা লাগে। পেট টা কত বড় হয়ে গেছে।। 

কেমন যেন আমার নানী নানী টাইপ হয়ে গেছো।। 


আমি হেঁসে হেঁসে বলি আমার কথা বাদ দাও নাতি।। তোমার নতুন বউ নিয়ে সুখে থাকো।। 


সে হেঁসে বলে মাশাআল্লাহ আমার নতুন বউ আকাশের চাঁদ।। 

আমি বলি আল্লাহ তোমাদের আরো সুখ দিক।। 


আমি বলি আমার বাচ্চাদের টিকা দিতে হবে কালকে।। 

বলে আচ্ছা ঠিক আছে নিয়ে যাবো।। 


পরেরদিন ও আর ওর নতুন বউ রেডি হয়ে আসে।। আমার বাচ্চাদের নিতে। 

আমি বলি তোদের হাতে তো আমি বাচ্চা ছাড়বো না। আমার বাচ্চা আমি নিয়ে যাবো । 

আমি বাচ্চার মা। 


তখন আমার স্বামী আমাকে বলে তোমার সাথে বাহিরে যেতে আমার শরম লাগে।। 


আমি কিছু বলি না। বলি টাকা দাও আমার বাচ্চাকে আমি নিয়ে যাবো। 

পরে আমাকে ৬০ টাকা দেয়। 

আমি সরকারি মেডিকেল এ নিয়ে টিকা দিয়ে আসি। 

২ বাচ্চা একসাথে কোলে নিয়ে যায় আমার সাথে কেউ যায় না। 

মেডিকেল এর এক আয়া টিকা দেওয়ার সময় সাহায্য করে আমাকে। 

মেডিকেল এ আমার অনেক সময় লাগে। কারণ টিকা দেওয়ার ফলে বাচ্চারা অনেক কাঁদছিলো। 

সবাই বলতেছিলো আমি একা কেন। 

কেউ সাথে আসে নাই কেন।। 

অনেক কষ্টে বাচ্চা দের নিয়ে বাসায় আসি হেঁটে হেঁটে। 

কারণ আসার আর গাড়ি ভাড়া ছিলো না। 

২০ মিনিট হাটতে হয়েছিলো বাচ্চা ২ টা নিয়ে।। 

যাওয়ার সময় ১০ টাকা দিয়ে রিকশা করে গিয়েছি। 

আর একটা টিকার দাম২৫ টাকা।। 

২ জনের ৫০ টাকা নিয়েছে।। 


বাসায় এসে বাচ্চাদের রেখে একটু বাথরুমে যায়। বাথরুম থেকে শুনতে পায় আমার স্বামী আমার শাশুড়ী কে বলছে দুধ রোজ নিতে। 

কারণ আমার স্বামীর নতুন বউ গর্ভধারণ করেছে।। 


আমি বাথরুম থেকে বেড়িয়ে অনেক হাসি বাচ্চা দের কোলে নিয়ে।

রুমে এসে আমার স্বামী আমাকে বকা দিচ্ছে কারণ বাচ্চারা কাঁদছে কেন।

আমি নাকি মা হওয়ার যোগ্যতা রাখি না। আল্লাহ ভুল করে আমি ভুল মানুষকে বাচ্চা দান করছে।  

কারণ আমার বাচ্চারা কাঁদছে টিকার ব্যাথায়। 

সে একটু মায়া মহব্বত ও দেখালো না। 


আমার নিয়তি এতটা খারাপ.... 


চলবে....


অবহেলা 

১ম খন্ড 

Nusrat 

সত্য ঘটনা অবলম্বন.....


নেক্সট পার্টগুলো সবার আগে আইডি তে দেওয়া হবে নিল লেখায় চাপ দিয়ে আইডি ফলো করুন 👉 Mohammad Murad Hossain

এবার সমুদ্র বন্দর চিটাগাং পোর্ট দিয়ে প্রথম বারের মতো মালায়েশিয়া তে বেগুন ও কাঁচামরিচ এক্সপোর্ট হল...,,,,ফেইসবুক ৎেকে নেওয়া

 এবার সমুদ্র বন্দর চিটাগাং পোর্ট দিয়ে প্রথম বারের মতো মালায়েশিয়া তে বেগুন ও কাঁচামরিচ এক্সপোর্ট হল...


এতদিন এই সবজি বা মরিচ গুলা রপ্তানি হত কার্গো বিমানে করে... যা ছিল অনেক কস্টলি। সমুদ্র বন্দর চিটাগাং দিয়ে রপ্তানির ফলে এই কস্টিং কমে আসবে ১০ ভাগের এক ভাগে...


যদি অপেনলি বলি আগে যেখানে বাই এয়ারে করে পাঠাতে কেজি প্রতি খরচ পড়ত ১০০ টাকার বেশি, সেখানে সমুদ্র বন্দর দিয়ে পাঠাতে খরচ পড়বে ১০ টাকার মধ্যে...


অর্থ্যাৎ কস্টিং কমবে অনেক বেশী... আর কস্টিং কমে যাওয়াতে মালায়েশিয়াতে বাংলাদেশী সবজির ডিমান্ড ও বেড়ে যাবে অনেক বেশী।


আমি আমার অনেক লেখাই বলেছি সবজি এক্সপোর্ট এর জন্য মালায়েশিয়া আমাদের বেস্ট চুজিং একটা কান্ট্রি, এখানে অধিকাংশ বাংলা ভাষাভাষীর মানুষের বসবাস... এছাড়া আছে বেশি এশিয়ান।


আর এশিয়ানরা আমাদের সবজি পছন্দ ও করে ভালো।


এছাড়া বাই এয়ারে  বিভিন্ন সবজি মিলায়ে যেখানে এক-দুই টন রপ্তানি করা যেত, সেখানে বাই সি তে ২৫ টন পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের সবজি দিতে পারছি।


এ পর্যন্ত মালায়েশিয়া তে সমুদ্র বন্দর দিয়ে তরমুজ থেকে শুরু করে.. আলু, বাঁধাকপি, ওলকপি, ফুলকপি,কাঁচ কলা , টমেটো সহ নতুন দুই এক ধরনের সবজি রপ্তানি হয়েছে... হচ্ছে ।


আর বাই এয়ারের কথা কি বলব... এয়ারে করে প্রায় সব ধরনের সবজিই রপ্তানি হয়, তবে ঐ যে বললাম কস্টিং বেশি।


আর কস্টিং বেশি হলে চাহিদা ও কম থাকে।


এখানে যদি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কথা বলি তারা মধ্যপ্রাচ্যের দেশে সবচেয়ে বেশী পরিমাণে সবজি রপ্তানি করে থাকে কারন মুন্দ্রা পোর্ট থেকে তাদের দুবাইতে জাহাজ পৌঁছাতে চার-পাঁচ দিন সময় লাগে... ঠিক যেমন আমাদের ক্ষেত্রে মালায়েশিয়ার পোর্ট কেলাং


অথচ  মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুবাইতে বেশীরভাগ বাংলাদেশীরা করছে সবজি, ফল মূলের ব্যবসা... শুধু মাত্র সমুদ্র বন্দর দিয়ে রপ্তানি করতে পারায় বাংলাদেশী ব্যবসায়ী হয়েও দেশ থেকে সবজি নিতে পারেন না।


এমন ভাবে মালায়েশিয়া ও আমাদের জন্য সুযোগ.. সেখানে আমরা কম সময়ে জাহাজ পৌঁছাতে পারি। তাই মালায়েশিয়া নিয়ে ভাবতে পারেন যে কেউ।


আমি আবার ও বলি মালায়েশিয়া এমন একটা দেশ যেখানে আমাদের জন্য সুযোগ অনেক বেশী।


দেশের_রপ্তানী বাড়বে আগামী


imranhossen

Exporter & International Market Researcher


imranexporter

Eggplants

কৃষিই_সমৃদ্ধি

একটা মজার গল্প ১৮+ ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 বন্ধুর স্ত্রীঃ =- আপনার বন্ধু তো

বাড়িতে নেই। আপনি অন্যদিন আসুন।

আমি=- আমার যে অন্যদিন আসলে চলবে

না।

বন্ধুর স্ত্রী:=- ওনিতো বাসায় নেই,

শহরের বাইরে গেছেন কয়েকদিন পর

আসবেন।

আমি=- কিন্তু আমার যে কাল জাতীয়

হাই জাম্প প্রতিযোগিতা, কোন

থাকার জায়গা নেই..সাথে তেমন

টাকাও নেই যে হোটেলে থাকবো...

বলেই করুণ দৃষ্টি নিয়ে থাকলাম।

বন্ধুর বউ=- স্বামীর বন্ধু, জাতীয়

পর্যায়ে খেলাধুলায় অংশ গ্রহন করতে

এসেছে, থাকার জায়গা নেই ভেবে

শেষে থাকতে দিতে রাজী হলেন।

.

রাতে খাবার দাবার শেষ করে

ঘুমানোর সময় পড়লেন বিপদে। এক রুম, এক

খাট, কি করে দু'জনে ঘুমান?

..

ভদ্র মহিলা একবার চিন্তা করলেন

নিচে শুতে দিবেন, আবার ভাবলেন

স্বামীর বন্ধুকে কি করে নিচে শুতে

দেন। নিজে নিচে শু'লে ঠান্ডা

লেগে যায়, ইত্যাদি ভেবে দু'জনেই

উপরে শোবার সিদ্ধান্ত নিলেন।

খাটের মাঝ খানে একটা কোলবালিশ

দিয়ে ভদ্র মহিলা বললেন-

.

বন্ধুর স্ত্রীঃ=- দেখুন আমাদের এই

একটাই খাট, এখানেই আমাদের রাত

কাটাতে হবে। সুতরাং এই বালিশটা

হলো আমাদের দেয়াল, এর এই পাশে

আসা যাবে না।

.

আমি ঃ=- স্বলজ্জিত ভাবে মাথা নেড়ে

শুয়ে পড়লাম ।

সকালে ঘুম থেকে উঠে, ভদ্র মহিলা

ব্রেক ফাস্ট বানালেন।

আমি স্নান সেরে এসে ব্রেকফাস্ট

টেবিলে বসলাম। ভদ্র মহিলা

ব্রেকফাস্ট দিতে দিতে বললেন-

বন্ধুর স্ত্রী =- আপনি যেন কেন

এসেছেন? মিটিমিটি হেসে টিপ্পনী

কেটে কথাটা বললেন।

.

আমি=- জাতীয় হাই জাম্প

প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করতে।

দোয়া  করবেন যেন

জয়ী হতে পারি।

বন্ধুর স্ত্রী = মুখে ভেংচি কেটে

বললেন- যে রাতের বেলা একটা

মামুলি কোল বালিশ টপকিয়ে আসতে

পারে না, সে হাই জাম্পে জয়ী হবে।

😀?

😂😂# 


নিয়মিত মজার সব গল্প পড়তে পেইজটি ফলো দিয়ে রাখুন 😍

একটা মজার গল্প ১৮+ ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

আমন ধানের লাল চাল,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔰গ্রীন এগ্রো নিয়ে এসেছে আপনাদের জন্য আমন ধানের লাল চাল  ও  দেশি গমের  লাল আটা


✋ উপকারিতা ঃ

উচ্চ ডায়াবেটিস কমাতে লাল চাল 

ওজন কমাতে লাল চাল 

হাটের সুস্থতায় লাল চাল 

হাড় মজবুত করতে লাল চাল 

বয়সের ছাপ রোধ করতে লাল চাল 

ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায় 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।


✅ প্রতিদিন ১ কাপ লাল চালের ভাত খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৬০ ভাগ পর্যন্ত কমে। লাল চালের ভাতে ক্ষুধা কম লাগে। লাল চালের ভাত খেলে আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ফাইবারের ১০ ভাগ পূরণ হয়।


✋ লাল আটা কেন খাবেনঃ

১. লাল আটার অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

২. ডায়াবেটিস রোগী ও স্থুল রোগীর রক্তে চিনি ও শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. লাল আটা আঁশ রক্তে ক্ষতিকারক ফ্যাট কমায় ও উপকারি ফ্যাট বাড়ায়।

৪. লাল আটা ক্ষুধা প্রশমিত করে ও অতিরিক্ত ওজন কমায়।

৫. লাল আটায় রয়েছে থায়ামিন যা স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে। (হাত ও পায়ের নার্ভ সচল রাখে)।

৬. পরির্পূণ পুষ্টি সমৃদ্ধ আঁশযুক্ত গমের আটা সুস্বাস্থের জন্য অপরির্হায।

৭. লাল আটায় লিগনান নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৮. লাল আটা হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারি।

৯.  লাল আটা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

১০. লাল আটায় প্রচুর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।


আইটেম সমূহ ঃ 

১) লাল চাল ( আমন)

২) লাল চাল ( বিরই)

৩) লাল বোরো ( টেপা বোরো)

৪)লাল বিন্নি

৫)সাদা বিন্নি

৬)কালো বিন্নি

৭)ব্ল্যাক রাইস 

৮)কাউন চাল

৯)লাল বাসমতি 

১০)বাংলা মতি ফুল ফাইবার 

১১) লাল আটা


🔰 সুগন্ধি চাল : 

১২) বাশফুল 

১৩)জামাই আদুরি " তুলসী মালা সুগন্ধি চাল "

১৪) বাশফুল

১৫) বাদশাভোগ


🔰 ডাল :

১৬) ফেলন ডাল 

১৭) মাসকলাই ডাল

১৮) রাজমা

১৯ ) কাবলি বুট 

২০) সবুজ মুগ ডাল


🔰 অন্নান্য :

যবের ছাতু 

যবের আটা 

লাল চিড়া 

আখের লাল চিনি  

চিয়া সিডস 


🔰 গ্রিন এগ্রো 

" আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক "


আমরা পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে থাকি প্রয়োজনে

০১৮৪১-১৭২৭৭০ ( WhatsApp)


মাটি শোধন করে ফলন বৃদ্ধির সেরা সমাধান বায়োলিড: আপনার ফসলের জন্য জৈব সমাধান

 মাটি শোধন করে ফলন বৃদ্ধির সেরা সমাধান


বায়োলিড: আপনার ফসলের জন্য জৈব সমাধান!


মাটি শোধন করে এবং ফলন বৃদ্ধি করে, যা আপনাকে আরও ভাল ফসল উৎপাদনে সাহায্য করে । বায়োলিড একটি জৈব বালাইনাশক যা আপনার ফসলকে ক্ষতিকর পোকামাকড় এবং রোগ থেকে রক্ষা করার জন্য প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে।


বায়োলিড ব্যবহারের সুবিধা:


মাটি শোধন করে: বায়োলিড মাটিতে বসবাসকারী ক্ষতিকর জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

মাটিতে জৈব পদার্থ বৃদ্ধি করে: এটি মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, যা মাটির গঠন এবং পানি ধরে রাখার ক্ষমতা উন্নত করে।

ফলন বৃদ্ধি করে: বায়োলিড ব্যবহারে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

পরিবেশবান্ধব: এটি একটি পরিবেশবান্ধব পণ্য যা মানুষ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।


বায়োলিড ব্যবহার করে আপনি যেসব সমস্যার সমাধান করতে পারেন:


নেমাটোড দমন করে: বায়োলিড নেমাটোডের মতো ক্ষতিকর পোকামাকড় দমন করে ।


বায়োলিড কোথায় ব্যবহার করবেন :

বায়োলিড সকল ধরণের ফসলের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি বিশেষভাবে ধান, শাকসবজি, ফল, এবং পাটের জন্য উপকারী।


মূল্য: ৩৫০ টাকা (৫০০ গ্রাম)


🔥🔥অফার: ১ কেজি বা তার অধিক নিলে কুরিয়ার চার্জ একদম ফ্রী!🔥🔥


আজই বায়োলিড ব্যবহার করে আপনার ফসলকে রক্ষা করুন এবং উন্নত ফলন পান!


আরও তথ্যের জন্য আমাদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করুন।


যোগাযোগ করুনঃ ০১৮৪৪-৯০৮৫৪১


বায়োলিড আপনার ফসলের জন্য সেরা বন্ধু!


মসলাই রান্নার প্রাণ।  মসলায় বাড়ে ঘ্রাণ,আর আনে স্বাদ।

 #কোন_রান্নায়_কীভাবে_দেবেন_মসলা.


মসলাই_রান্নার_প্রাণ। 


মসলায় বাড়ে ঘ্রাণ,আর আনে স্বাদ।


ঘরেই বানানো হয় অনেক রকম রান্না।  কোন ধরনের রান্নায় কোন উপকরণ লাগবে আর একই উপকরণ কখন কীভাবে ব্যবহার করে ভিন্নতা আনা যায়, 


#চলুন_জেনে_নেওয়া_যাক.


#পেঁয়াজ_রসুন_আদা:


🌹মাংসে ঘন ঝোল রাখতে হলে রান্নায় দিন পেঁয়াজ বাটা। 

পাতলা ঝোলের জন্য পেঁয়াজকুচি।


🌹রেজালা কিংবা একটু মিষ্টি স্বাদের রান্না করতে হলে পেঁয়াজের বেরেস্তা বেটে দিন।


🌹মাংসে বেশি ঝাল হয়ে গেলে পেঁয়াজের বেরেস্তাবাটা যোগ করে জ্বাল দিয়ে নিতে পারেন।


🌹মাংস কষানোর সময় রসুন না দিয়ে পরে দিন। রসুনের ঘ্রাণটা পাওয়া যাবে বেশ।


🌹কেবল কুচি করে বা বেটেই নয়, মাংসের ঝোলজাতীয় রান্নায় আস্ত রসুন বা রসুনের কোয়াও দিতে পারেন।


🌹মাংস দিয়ে সালাদ করতে চাইলে তাতে রসুনকুচি কিংবা শুকনা রসুনের গুঁড়া যোগ করুন। রোদে বা ওভেনে রসুন শুকিয়ে নেওয়া যায়।


 #গরম_মসলা


🌹গোটা গরম মসলা ব্যবহার করলে রান্নার শুরুতে তেলে ভেজে  দিতে পারেন। এরপর যোগ করতে হবে মাংস ও অন্যান্য উপকরণ।


🌹গরম মসলার গুঁড়া ব্যবহার করলে মাংস নামানোর খানিকক্ষণ আগে ছড়িয়ে দিন। রংটা সুন্দর হবে।


🌹শুকনা মরিচ মাংস কষানোর সময়ই দিয়ে দিন।


#পাতা_ও_মরিচ


🌹কাঁচা মরিচ দিন রান্নার শেষে। শুকনা মরিচ মাংস কষানোর সময়ই দিয়ে দিন।


🌹ধনেপাতা, বেসিলপাতা প্রভৃতি রান্না নামানোর খানিক আগে দিয়ে দিন।


🌹কাবাব-কোর্মা-বিরিয়ানি-আচারি মাংস,কাবাবে তারা মসলা, কাবাব চিনি, পিপুল আর গরম মসলার গুঁড়া দিতে পারেন। ঘ্রাণ হবে দারুণ। কাবাব চিনি দিলে হালকা ঝাঁজও আসবে।


🌹মাংস দিয়ে বিরিয়ানি করতে হলে চাই শাহি জিরা।


🌹আচারি মাংসে দিন পাঁচফোড়ন।


🌹সাদা কোর্মা রাঁধলে হলুদ বা মরিচ দেবেন না।


🌹রেজালায় মরিচগুঁড়া দেওয়া যাবে।


#ভিন্ন_স্বাদ_পেতে


🌹বাড়তি স্বাদ আনতে পোস্তদানা যোগ করতে পারেন। এতে ঝোলটাও ঘন হবে।


🌹জায়ফল, জয়ত্রী, বড় এলাচি দেশীয় ও ভারতীয় রান্নার স্বাদে আনবে ভিন্নতা।


 এগুলো গুঁড়া হিসেবে ব্যবহার করা যায়। জায়ফল-জয়ত্রী বেটে দিতে পারেন, বড় এলাচি বা কালো এলাচি দিতে পারেন আস্ত।


🌹স্বাদের ভিন্নতা আনতে যোগ করতে পারেন তারা মসলা, গোটা কিংবা গুঁড়া।


(তারা মসলা, গরম মসলা, গোলমরিচ, পিপুল আনে সুঘ্রাণ।)


🌹ঝাঁজালো পদ রাঁধতে চাইলে শর্ষেও কাজে লাগাতে পারেন।


🌹সুস্বাদু মাংসের পদ রান্নার প্রথম শর্তই হলো মসলায় ভালোভাবে মাংস কষানো।


🌹কাটা মসলায় মাংস রাঁধলে কোনো বাটা মসলা দেবেন না। কেবল কাটা বা কুচি করা মসলা দেবেন।


যদি টিপস্ গুলো আপনাদের একটু ও উপকারে আশে তবে আপনার ওয়ালে শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন সবার আগে আমার পোস্ট পেতে পোস্টে কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ইনশাআল্লাহ আরও সুন্দর সুন্দর টিপস অথবা রেসিপি নিয়ে আসবো আপনাদের জন্য। সবার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভ কামনা রইলো। 



ভবনের ফাটল নিয়ে কিছু কথা মনোযোগ সহকারে পড়ুন,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভবনের ফাটল নিয়ে কিছু কথা

মনোযোগ সহকারে পড়ুন 📝📝

“আমার ভবনের কয়েকটি জায়গায় ক্র্যাক দেখা দিয়েছে। কি করি বলুন তো? আচ্ছা ক্র্যাক কেন হয়?” এরকম প্রশ্ন প্রকৌশলীদেরকে প্রায়ই শুনতে হয়। এই প্রশ্ন করাটা যেমন সহজ কিন্তু এর উত্তর দেওয়াটা তেমনি কঠিন। ইংরেজিতে ক্র্যাক (Crack) শব্দের বাংলায় অর্থ করলে দাঁড়ায় ‘ফাটল বা চিড়’। আর এই ক্র্যাক যদি কোন ভবনে দেখা দেয় তাহলে মাথা ফাটাফাটি থেকে শুরু করে সম্পর্কের চিড়ও ধরতে দেখা  যায়। বাড়ির মালিক এবং প্রকৌশলীদের তখন ঘুম হারাম হবার যোগার। আসলে যেকোন ভবনেই বিভিন্ন ধরনের ফাটল দেখা দিতে পারে। তবে সব ফাটল দেখেই দুশ্চিন্তায় পড়বার কোন কারণ নেই। ফাটল টা দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন এটা আসলে কোন ধরণের ফাটল।

 ফাটল সাধারণত দুই ধরণের হতে পারেঃ ১) কাঠামোগত ফাটল, ২) অকাঠামোগত ফাটল।

১) কাঠামোগত ফাটলঃ

যদি কোন ভবনের বীম, কলাম, ছাদ কিংবা কঙ্ক্রীট দেওয়ালের মধ্যে ফাটল দেখা দেয়  তাকে প্রকৌশলীরা কাঠামোগত ফাটল (Structural Cracks) বলে থাকেন। এই ধরণের ফাটল যেকোন ভবনের জন্য ঝুকির কারন।  প্রকৌশলীরা সাধারণত কাঠামগত ফাটলের জন্য  ক) নকশাজনিত ত্রুটি ও খ) নির্মানজনিত ত্রুটি এই দুই ধরণের কারনগুলো কে দায়ী করে থাকেন। নিচে এই ত্রুটিদ্বয়ের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়া হলঃ

ক) নকশাজনিত ত্রুটিঃ

স্থপতি যে নকশা প্রণয়ন করেছেন কাঠামো প্রকৌশলী সেটিকে সঠিকভাবে মুল্যায়ন করে ভবনের কাঠামোগত আচরণ যদি বুঝতে না  পারেন।  ভবনের উপর আগত লোড ধরার ক্ষেত্রে ত্রুটি, সঠিকভাবে পার্শ্বিয় লোড (যেমনঃ বাতাস, ভুমিকম্প) ধরার ক্ষেত্রে ত্রুটি এবং ভবনটি কি কাজে ব্যবহৃত হবে সে সম্পর্কে ধারণা না থাকলে ভবনটিকে সঠিকভাবে মুল্যায়ন করে কাঠামোগত নকশা প্রণয়ন করা সম্ভব হয়না । অনেকসময় দেখা যায় যে, বাড়ির মালিক প্রকৌশলী বা স্থপতি কে ভবনের ব্যবহারের বিষয়টি একভাবে বলছেন আর বাস্তবে ব্যবহার করছেন আরেক ভাবে। যেমন বাড়ির মালিক হয়ত ভবনের নকশা প্রণয়নের সময় বলেছেন যে, ভবনটি বাসাবাড়িতে মানুষ থাকার জন্য ব্যবহৃত হবে কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল ভবনটি গার্মেন্টস, ব্যাংক বা অফিসের কাজে ভাড়া দিয়ে দিচ্ছেন। এই সমস্ত ত্রুটির কারনে অতিরিক্ত লোড বীম-কলাম কে বহন করতে হয়। ফলে বীমের মধ্যে ফ্লেক্সারাল ক্র্যাক বা সিয়ার ক্র্যাক এবং কলামের মধ্যে বাঁকলিং জনিত ক্র্যাক দেখা দেয়।

ভবনের ফিনিশিং কাজ করার সময় বাড়ির মালিক দামী-দামী টাইলস, বাথরুম বা কিচেনের স্যানিটারি মালামাল এবং ইলেক্ট্রিক্যাল সুইচ-সকেট ব্যবহার করেন। কিন্তু বাড়ি তৈরী করার আগে যে মাটি পরীক্ষা করা প্রয়োজন সেদিকে নজর দেন না। যে মাটির উপর এত বিশাল ভবনটি দাড়িয়ে থাকবে সেই মাটি পরীক্ষা করতে যে অর্থের প্রয়োজন তা ভবনের নির্মান খরচের তুলনায় খুবই কম। কিন্তু এই পরীক্ষার ফলাফলটি যদি হাতে না থাকে বা পরীক্ষাটি যদি সঠিক জায়গা থেকে না করা হয়ে থাকে তাহলে মাটির বিয়ারিং ক্যাপাসিটি, সেটেলমেন্ট এবং অন্যান্য গুনাগুন সম্পর্কে ধারনা করতে পারা যায় না। সুতরাং সেই ভবনটিতে সঠিক ভিত্তি-প্রস্তরের পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব হয় না। ফলে মাটি উক্ত ভবনের চাপ সহ্য করতে না পেরে নিচে দেবে যেতে পারে। এতে করে ভবনে ফাটল দেখা দিতে পারে।


ভবনের বীম, কলাম, ছাদ কিংবা কঙ্ক্রীট দেওয়ালের মধ্যে ব্যাবহৃত রডের ডিটেইলিং ঠিকমত না করলে ভুমিকম্প বা বাতাসের জন্য সৃষ্ট অতিরিক্ত লোডের কারনে ভবনের ফাটল দেখা দিতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, স্থপতি বা বাড়ির মালিক ভবনের স্ট্রাকচারাল নকশা প্রণয়নের সময় ফ্ল্যাট প্লেট বা ফ্ল্যাট স্লাব- এ নকশাটি প্রণয়ন করার জন্য এবং চিকন সাইজের কলাম দেয়ার জন্য প্রকৌশলীকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। কিন্তু বাংলাদেশের বিল্ডিং কোডে স্পষ্ট করে বলে দেয়া হয়েছে যে, ভুমিকম্পপ্রবন এলাকাতে বীম-কলাম পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত এবং সেই কলামের সর্বনিম্ন মাপ হবে ১২ ইঞ্চি। কাঠামো প্রকৌশলী যদি তার বিল্ডিং কোডের বাইরে কিছু না করতে চান, তখন দেখা যায় বাড়ির মালিক অন্য কোন প্রকৌশলী কে দিয়ে নকশা প্রণয়ন করিয়ে থাকেন। এটি নৈতিকতার প্রশ্নের সাথে জড়িত। সব পেশায় নৈতিক ও অনৈতিক বিষয়টি আছে। সুতরাং নৈতিকতার প্রশ্নে আপোস করলে অর্থ্যাৎ বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ না করলে ভবনে কোন না কোন সময় ফাটল সৃষ্টি হতে পারে।

'অমুক ইঞ্জিনিয়ার ছয় তলা বিল্ডিং এত টন রড দিয়ে ডিজাইন করেছে আপনিও এই ভবনটি এত টন রড দিয়ে ডিজাইন করে দেন। অমুক ইঞ্জিনিয়ার আরেকটি ছয়তলা বিল্ডিং এর জন্য পাইল দেয় নাই আপনি এতটুকু বিল্ডিং এর জন্য পাইল দিলেন।', অনেকসময় প্রকৌশলীদের এইসব কথা শুনতে হয়। মানুষের হাতের রেখা যেমন ভিন্ন ভিন্ন তেমনি বিভিন্ন জায়গাতে নির্মিত বিভিন্ন ধরনের ভবন ও মাটি ভিন্ন ভিন্ন। সুতরাং একটি ভবন এর সাথে অন্য ভবন এর তুলনা পুরোপুরি চলে না। বিল্ডিং কোডের নিয়মানুযায়ী ব্যালেন্সড স্টীল রেশিও বা রডের সাম্যতার অনুপাতের বেশি রড ব্যবহার করা ঠিক নয়। সুতরাং প্রকৌশলীগণ সাধারণত বেশি পরিমাণ রড ব্যবহার করতে চায় না। কিন্তু লোডের কারণে কোন বীমের ডিফ্লেকশন বা কলামের বাকলিং ঠেকানোর জন্য তার সাইজ বাড়ানোর প্রয়োজন হয়। স্থাপত্যের কারণের যদি সাইজ না বাড়িয়ে রডের পরিমান বাড়ানো হয় তবে সেটার কারণে ডিফ্লেকশন কমানো সম্ভব হবে না। ফলে ভবনে ফাটল ধরতে পারে।

 বীম ও ছাদের সংযোগস্থলে ছাদের মধ্যে কর্ণার রড ব্যাবহার না করলে ছাদে টরশোন জনিত মোমেন্ট সৃষ্টি হয়। যার কারনে ছাদে ফাটল দেখা দেয়।


খ) নির্মানজনিত ত্রুটি:

নির্মানজনিত ত্রুটির কারনেও অনেক সময় ভবনে ফাটল দেখা দেয়। যেমনঃ ক) বীম ও কলামের সংযোগস্থলে যদি রডের পরিমান বেশী থাকে তাহলে অনেক সময় কঙ্ক্রীট ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনা, খ)  ছাদে-বীমে-কলামে যদি রডের  ক্লিয়ার কভার কম হয় তাহলে বাতাসে জলীয় বাষ্প বা মাটির অভ্যন্তরের পানি আস্তে আস্তে কঙ্ক্রীটের ভিতর ঢুকে রডে মরিচা ধরতে সাহায্য করে, গ) কঙ্ক্রীটে যদি ব্লিডিং বা সেগ্রেগেশন হয় তাহলে কঙ্ক্রীটের সিমেন্ট-বালি ও খোয়া আলাদা হয়ে যায়।  এই সমস্ত কারণে কাঠামোতে ফাটল দেখা দিতে পারে।

কোন ভবনের ঠিক পাশে যদি ভিত্তি তলের নিচ পর্যন্ত  বেজমেন্ট নির্মানের জন্য মাটি কাটা হয়, তাহলে ওই ভবনের ভিত্তি তলের নিচ হতে মাটিসহ




আধুনিক পদ্ধতিতে কাঁকরোল চাষ।,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আধুনিক পদ্ধতিতে কাঁকরোল চাষ।


কাঁকরোল ( Teasel gourd ) এক ধরনের কুমড়া গোত্রীয়

লতানো প্রকৃতির গুল্ম জাতীয় গাছ। কাঁকরোল মূলত গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে বাংলাদেশে চাষ হয়ে থাকে। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, ভিটামিন-বি, শ্বেতসার ও খনিজ পদার্থ ক্যারোটিন আছে। এই সবজির বাজার মূল্যও তুলনামূলক বেশি।


কাঁকরোলের ক্ষেত্রে স্ত্রী ও পুরুষ ফুল পৃথক গাছে জন্মে থাকে অর্থাৎ স্ত্রী ও পুরুষ গাছ আলাদা। গাছ দেখে সাধারাণত চেনা যায় না কোনটি স্ত্রী ও কোনটি পুরুষ গাছ। ফুল ফোটার পর ফুল দেখে চিনতে হয়। স্ত্রী ফুলের ক্ষেত্রে ফুল মাইকের মতো ফুটে। ফুলের পাপড়ির রং ঘিয়া থেকে সাদাট এবং মাঝখানে খয়েরি রঙের হয়ে থাকে। পুরুষ ফুলের বোটার ওপরে কোনো ফুলের গঠন বা ডিম্বাশয় থাকে না, স্ত্রী ফুলে তা থাকে।


কাঁকরোলের জাত:


বাংলাদেশে স্থানীয় জাতের বেশ কিছু কাঁকরোল চাষ করা হয়। জাতগুলোর মধ্যে – আসামি, মণিপুরি, মুকুন্দপুরি, মধুপুরি আলমী, টেম্পু, সবুজ টেম্পু ইত্যাদি অন্যতম।


আসামিঃ

এই জাতের কাঁকরোলের ফলগুলো গোলাকার, খাটো এবং খেতে সুস্বাদু।


মণিপুরিঃ

এই জাতের কাঁকরোলের ফল দেখতে একটু লম্বাটে ও চিকন। তবে ফলন অন্যান্য জাতের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।


মাটি:


কাঁকরোল চাষের করার জন্য দোঁআশ ও এটেল দোআঁশ মাটি উত্তম। তবে জৈব সার প্রয়োগ করে অন্য মাটিতেও কাঁকরোল চাষ করা যেতে পারে।


বপনের সময়ঃ আমাদের দেশে এপ্রিল থেকে মধ্য জুন সময় পর্যন্ত কাঁকরোলের বীজ (মোথা) বপনের উত্তম সময়।


চারা তৈরি:


বীজ থেকে কাঁকরোলের চারা তৈরি করা যায়। কিন্তু তা না করাই ভালো। কেননা বীজ থেকে মাত্র ৫০% চারা গজাতে পারে। তাছাড়া বীজ থেকে গজানো চারার বেশির ভাগ গাছই পুরুষ গাছ হয়ে থাকে। এছাড়াও বীজ থেকে গজানো গাছের ফলন কম হয় এবং জাতের গুনাগুণ ঠিক থাকে না। সেজন্য কন্দ বা মোথা থেকে কাঁকরোলের চারা তৈরি বা বংশবিস্তার করা হয়। গাছের আগা কেটে বালি বা মাটির মধ্যে ছায়া জায়গায় পুঁতে দিলে ১০-১৫ দিনের মধ্যে চারা হয়। কাটিং এর গোড়ায় রুটিং হরমোন লাগিয়ে দিলে দ্রুত শিকড় গজায়। তবে এতো ঝামেলা না করে জমিতে মাদা তৈরি করে সরাসরি কন্দমুল লাগানো উত্তম।


জমিতে বেড বা মাদা তৈরী এবং কন্দমুল রোপণ:


বেড তৈরির ক্ষেত্রে প্রস্থ নিতে হবে ২ মিটার ও জমির দৈঘ্য অনুযায়ী লম্বা করতে হবে। দুই বেডের মাঝে নালার প্রস্থ ও গভীরতা হবে যথাক্রমে ৩০ সেমি এবং ২০ সেমি। প্রতিটি বেডে ২ টি করে সারি রাখতে হবে। বেডে সারি থেকে সারির দূরত্ব হবে ২ মিটার। প্রতিটি সারিতে ৬০x৬০x৬০ সেমি আকারের গর্ত মাদা তৈরী করে নিতে হবে।


মাদায় ৪-৬ সেমি গভীরে কন্দমুল পুঁততে হবে। তারপর মাটি দিয়ে মাদা ঢেকে তার ওপর খড় বিছিয়ে দিতে হবে যাতে মাদার মাটি শুকিয়ে না যায়। প্রয়োজনে ২/১ দিন পর পর ঝাঁঝরি দিয়ে মাদায় সেচ দিতে হবে। রস না থাকলে কন্দ গজাবে ন আর বেশি রস থাকলে কন্দ পচে যাবে। মোথা লাগানোর সময় পুরুষ ও স্ত্রী মোথার অনুপাত ঠিক রেখে লাগাতে হবে। সেজন্য ৯ টি স্ত্রী মোথা লাগানোর পর ১ টি পুরুষ মোথা লাগাতে হবে। পুরুষ গাছে স্ত্রী গাছের তুলনায় দেরিতে ফুল আসে। তাই স্ত্রী গাছের মোথা লাগানোর ১৫-২০ দিন আগে পুরুষ গাছের মোথা লাগাতে হবে।


রোপণ দূরত্ব:


সারি থেকে সারির দূরত্ব হবে ২ মিটার ও গাছ থেকে গাছের দূরত্ব হবে ২ মিটার। আবার মাদা থেকে মাদার দূরত্ব হবে ২.৫ মিটার।


সার ব্যবস্থাপনা:


সারের নাম শতক প্রতি সার


পঁচা গোবর ৯৬০ গ্রাম


ইউরিয়া ৮০০ গ্রাম


টি এস পি ৮০০ গ্রাম


এম ও পি ৪০০ গ্রাম


জিপসাম ৪০০ গ্রাম


প্রয়োগ পদ্ধতি:


* গোবর সার জমির তৈরির সময় ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিন। 


* সম্পূর্ণ টিএসপি, অর্ধেক এমওপি এবং সম্পূর্ণ জিপসাম চারা লাগানোর ১৫ দিন আগে মাদার মাটির সাথে মিশিয়ে দিন।


* ইউরিয়া ও বাকি অর্ধেক এমওপি সার সমান ৩ ভাগে মোথা লাগানোর ২০, ৪০ এবং ৬০ দিন মাদার মাটির সাথে মিশিয়ে দিন। ডিএপি প্রয়োগ করলে টিএসপি সার প্রয়োগ করবেন না। প্রতি কেজি ডিএপি সার প্রয়োগে ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া কম দিন।


* মাটি অধিক অম্লীয় হলে হেক্টরপ্রতি ৮০-১০০ কেজি ডলোচুন শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিন। মাটির উর্বরতা বা মাটি পরীক্ষা করে সার দিলে মাত্রা সে অনুপাতে কম বেশি করুন।


পরিচর্যা:


কাঁকরোলের গাছ ১০ -১৫ সেন্টিমিটার লম্বা হলে এর গোড়ায়  বাশেঁর কুঞ্চি বা কাটি পুঁতে দিতে হবে। এছাড়া গাছ ৫০ সেন্টিমিটার লম্বা হলে মজবুত করে মাচা তৈরি করে দিতে হবে।


পরাগায়নঃষ:


 কাকরোলে প্রাকৃতিকভাবে পরাগায়ন খুব কম হয়। তাই ভালো ফলনের জন্য কাকরোল ফুলের কৃত্রিম পরাগায়ন করতে হয়। ফুলের কৃত্রিম পরাগায়ন পদ্ধতি নিম্নরূপ-


সকাল ৬ টার দিকে সদ্য ফোটা পুরুষ ফুল বোটাসহ কেটে নিয়ে সতেজ রাখার জন্য ফুলগুলোর বোটা পানির ভেতর ডুবিয়ে ছায়াযুক্ত স্থানে রেখে দিতে হবে।

এরপর পুরুষ ফুলের পুংকেশর ঠিক রেখে পাঁপড়িগুলো ছিঁড়ে ফেলতে হবে। এতে কৃত্রিম পরাগায়নের কাজ সহজ হবে।

তারপর স্ত্রীফুলের গর্ভমুন্ডের ওপর পুরুষ ফুলের পুংকেশর বা পরাগধানির রেণু বা হলদে গুড়া খুব আস্তে আস্তে ২-৩ বার স্পর্শ করাতে হবে। এই কাজটি স্ত্রী ফুল ফোটার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই করতে হবে। এর ফলে গর্ভমুণ্ডে রেনু আটকে যাবে ও পরাগায়ন হবে। সাবধনতা অবলম্বন করলে ১ টি পুরুষ ফুল দিয়ে ৬-৭ টি স্ত্রী ফুলে কৃত্রিম পরাগায়ন সম্ভব।


রোগবালাই ও পোকামকড় দমন:


কাঁকরোল ক্ষেতে জাবপোকা, মাছিপোকা ও বিছাপোকা গাছের পাতা, ফুল ও ফল নষ্ট করে ফেলে। এছাড়া কচি কাণ্ডের রস শুষে নেয়।


এসব পোকার আক্রমণ হলে প্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে।


তবে চারা ঢলে পড়া,পাউডারি মিলডিউ ও মোজাইক হলে কচি গাছের গোড়া পচে যায়।  চারা ঢলে পড়া বোগের ক্ষেত্রে আক্রান্ত গাছ তুলে পুতে বা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।


প্রথম ২টি ছত্রাকজনিত এবং শেষেরটি ভাইরাসজনিত রোগ।


সতর্কতাঃ 


বালাইনাশক/কীটনাশক ব্যবহারের আগে বোতল বা প্যাকেটের গায়ের লেবেল ভালো করে পড়ুন এবং নির্দেশাবলি মেনে চলুন। ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা পোষাক পরিধান করুন। ব্যবহারের সময় ধূমপান এবং পানাহার করা যাবেনা। 


ফলনঃ জাতভেদে শতক প্রতি ফলন ৯৫ -১০০কেজি।


সংগ্রহঃ কচি অবস্থায় সংগ্রহ করা উচিত। ফুল ফোটার ১০-১২ দিন পর কাঁকরোল সংগ্রহের উপযোগী হয়। কাঁকরোল এমন পর্যায়ে সংগ্রহ করা উচিত যখন ফলটি পূর্ণ আকার প্রাপ্ত হয়েছে কিন্তু পরিপক্ক হয়নি।



দেশের ফেসবুকে গত দু দিন মুকেশ আম্বানির ছেলের বিয়ে নিয়ে আলাপ। ত‌র্ক, বিত‌র্ক, ট্রল।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 দেশের ফেসবুকে গত দু দিন মুকেশ আম্বানির ছেলের বিয়ে নিয়ে আলাপ। ত‌র্ক, বিত‌র্ক, ট্রল। 


এই আলোচনার মধ্যেই ভারতের একজন মুসলমান ধনকুবেরে গল্প টা আবার বলি।


অল্প কয়েক দশক আগেই  ভারতের শী‌র্ষ ধনী ছিলেন একজন মুসলমান। শুধু ভারত না, পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ধনী ছিলেন  ভাবা হয়।

 

ভদ্রলোক হায়দারাবাদের সপ্তম নিজাম মীর ওসমান আলী। 


১৯৩৭ সালের ২২ শে ফেব্রুয়ারী টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ ছিল তাকে নিয়ে *।  ম্যাগাজিনটির সেই প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে বলা হয় মীর ওসমান আলী পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ধনী ছিলেন।

 

সে সময়ে তাঁর সম্পদ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপির ২ শতাংশ। পৃথিবীর সবচেয়ে দামী হীরা ছিল তাঁর ব্যক্তিগত কোষাগারে। 


বৃৃটিশ দের কাছ থেকে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন ভাবে ভারতের শাসক রা তাঁর সম্পত্তি কুক্ষিগত করে। নিয়ম কানুন বসিয়ে সম্পত্তির উপর সরকারী নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেন।

 

তাছাড়া  ওসমান আলী উত্তরাধিকাররাও তার মতো যোগ্য ছিলেন না।  ছেলে কে বিয়ে দিয়েছিলেন অটোমানের শেষ রাজার মেয়ের সাথে। হয়তো ভেবেছিলেন দুই সাম্যজ্যের উপরাধিকার রা মিলে নতুন সমাজ্য তৈরি করবে। কিন্তু বিয়ে টা টেকে নি।


পরে ছেলেকে উত্তরাধিকারী না করে নাতি কে উত্তরাধিকার করেছিলেন। কিন্তু নাতি ও যোগ্য ছিলেন না। ৮ম নিজাম মুকাররম জাহ ছিলেন বেহিসাবী। দাদার সব সম্পত্তি খুইয়েছিলেন ভুল বিনিয়োগ আর ডিভো‌র্স স্যাটেলমেন্ট করতে গিয়ে।

 

গত বছরের শুরুর দিকে তিনি মারা যান। মৃত্যুর আগ দিয়ে অ‌র্থনৈতিক অবস্থা বেশ খারাপ ছিল। থাকতেন দু রুমের একটি ফ্লাটে।

 

খোদাতাআলা হয়তো মানুষ দের কে টাকা পয়সা দিলে যোগ্য সন্তান দেন না।



নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...