এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ১৮-০৩-২০২৪ ।  

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১৮-০৩-২০২৪ ।

 

আজকের শিরোনাম:


বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন - জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন।


 শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি শেখ হাসিনার আহ্বান।


জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি’র শুভেচ্ছাদূত হিসেবে পাঁচ দিনের সফরে আজ ঢাকা আসছেন সুইডেনের ক্রাউন প্রিন্সেস ভিক্টোরিয়া। 


কুমিল্লায় বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন। 


রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভ্লাদিমির পুতিনের রেকর্ড ব্যবধানে নিরুঙ্কুশ বিজয়।


আজ চট্টগ্রামে সিরিজ নির্ধারণী শেষ ওডিআই-তে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকা।

পঞ্চানন মণ্ডল ।। বিজ্ঞানকথা ।।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সে এক সময় ছিল যখন মানুষের  হাতে হাতে দামী ক্যামেরা লাগানো স্মার্টফোন ছিল না বা হাতে ডিজিটাল DSLR ছিল না।সত্তর,আশি বা নব্বইয়ের দশকে ভারতবর্ষে পরিবারের সবাই মিলে দল বেঁধে স্টুডিওতে ছবি তুলতে যাচ্ছে এ দৃশ্য  হামেশাই চোখে পড়ত। যাদের অর্থ প্রতিপত্তি ছিল তারা ক্যামেরাম্যানকে বাড়িতে ডেকে ফ্যামিলি ফটো তুলত। এখন ডিজিটাল ক্যামেরা, স্মার্টফোন  সহজলভ্য হয়ে যাওয়ায় সে দৃশ্য আর চোখে পড়ে না।উল্টে পুজো পার্বনে উৎসবে অনুষ্ঠানে স্মার্টফোন আর ক্যামেরার মুহুর্মুহু ফ্লাসের আলো চোখে লাগে।  যার খুশি যখন খুশি  ইচ্ছে হলেই ক্লিক ক্লিকে সেই মূহুর্ত ক্যামেরা বন্দি। 


কিন্তু যদি আমরা ফ্ল্যাসব্যাকে একশ বছরের বেশি পিছিয়ে যাই ,তখন বিশ্বের চিত্রটা সম্পূর্ণ বিপরীত। তখন সবেমাত্র আবিষ্কার হয়েছে ছবি তোলার ফিল্ম। আর নিজের বা পরিবারের জীবনের অমূল্য মূহুর্ত বা স্মৃতি  বন্দি করতে হতো যথেষ্ট মূল্য দিয়ে।ক্যামেরায় ছবি তোলা ছিল এক আভিজাত্যের ব্যাপার। অনেকের কাছে তা স্বপ্ন। 


সেটা ১৮৮৮ সাল। এক  মার্কিন উদ্ভাবক জর্জ ইস্টম্যান যখন প্রথম বহনযোগ্য রোল ফিল্ম দেওয়া  ‘কোডাক’ ক্যামেরা বাজারে আনলেন, তখন তার দাম ছিল ২৫ ডলার। এতে প্রায় ১০০ ছবি তোলার মতো ফিল্ম থাকত।তার বিজ্ঞাপন ছিল  You press the button, we do the rest" ।১৮৮৯ সালে তিনি এই ক্যামেরার জন্য film stock নিয়ে এলেন আর ১৮৯৬ সালে আন্তর্জাতিক ভাবে এই film stock সরবরাহের ব্যবসা শুরু করলেন। ইস্টম্যানের এই কোডাক ক্যামেরা খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। তবে বহনযোগ্য হলেও বেশ বড় ট্রাইপডের ওপর বসাতে হত ক্যামেরাটিকে। আর ফিল্ম শেষ হলে ছবি বানাতে ক্যামেরাসমেত পুরো সেটটিকেই পাঠাতে হত কোডাকের ল্যাবরেটরিতে। ফলে ছবি তোলাটা যেমন পরিণত হয়েছিল ধনীদের শখে, তেমনি সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এটি ছিল অনুপযুক্ত।তাই ইস্টম্যান এই ক্যামেরার উন্নতিতে মনোনিবেশ করলেন। 


১৯০০ সালে ক্যামেরা শিল্পে যুগান্তকারী এক বিপ্লব ঘটিয়ে ফেললেন জর্জ ইস্টম্যান। ছোটখাটো আকারের  সত্যিকারের বহনযোগ্য এক ক্যামেরাই তৈরি করে ফেললেন তিনি। এর নাম দেওয়া হল ‘ব্রাউনি’। কার্ডবোর্ড দিয়ে তৈরি সেই ক্যামেরাটিই প্রথম সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের ছবি তোলার স্বপ্নকে সত্যি করেছিল । ফিল্মসহ ক্যামেরাটির দাম ছিল মাত্র এক ডলার! আর ফিল্ম থেকে ছবি বানাতে খরচ হত আরও দুই ডলার।


রয়্যাল ফটোগ্রাফিক সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ড. মাইকেল পিচার্ডের মতে এই ক্যামেরাটিই বিশ্বব্যাপী সকল মানুষের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে সহায়তা করেছিল। ‘এর দাম ছিল মাত্র এক 8ডলার। অর্থাৎ নিজের জীবনের স্মরণীয় মুহূর্তগুলোকে অক্ষয় করে রাখতে খরচ ছিল তুলনামূলক অনেক কম। ক্যামেরাটি চালাতে কোন বিশেষ প্রশিক্ষণেরও প্রয়োজন হত না। একটি শিশুও এটি চালাতে পারত। এই স্বল্পমূল্য ও সহজ ব্যবহার পদ্ধতির  কারণেই ব্রাউনি ক্যামেরা মানুষের মাঝে বেশি জনপ্রিয় হয়েছিল’।


কালের বিবর্তনে আজ দুষ্প্রাপ্য হয়ে গেছে ব্রাউনি ক্যামেরা । যদিও বিশ্বের কোথাও কোথাও এখনও ব্যবহার হয় এই ক্যামেরা ।আর এই ক্যামেরার এন্টিক মূল্যো নেহাত কম নয়।  

মানুষের জীবনের নানা মুহুর্ত ও স্মৃতি বন্দি করার যাদুকরের আজ প্রয়াণ দিবস। ১৯৩২ সালের ১৪ মার্চ তাঁর মৃত্যু হয়

জর্জ ইস্টমানের জন্ম ১৮৫৪ সালের ১২  জুলাই নিউইয়র্কে। 

আজ ১৪ মার্চ দিনটি পৃথিবী বিখ্যাত কয়েকজন  প্রতিভাবান বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকের সাথে সম্পর্কিত।তাদের মধ্যে অবশ্যই উল্লেখ করতে হয় আজ আলবার্ট আইনস্টাইন এর জন্মদিন,  স্টিভেন হকিং ও জর্জ ইস্টম্যান এর মৃত্যুদিন।  

এদের সবাইকে অসীম শ্রদ্ধা জানাই।

✍পঞ্চানন মণ্ডল ।। বিজ্ঞানকথা ।।


মুর্শিদাবাদ – নবাবী আমলের বাংলার রাজধানী’ – রানা চক্রবর্তী,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ‘মুর্শিদাবাদ – নবাবী আমলের বাংলার রাজধানী’

– রানা চক্রবর্তী

একদা অবিভক্ত বঙ্গের অর্থাৎ বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদ – খৃষ্টীয় অষ্টাদশ শতকের গুরুত্বপূর্ণ এক ঐতিহাসিক পীঠস্থান। যেখানে পাশাপাশি দেখা গিয়েছিল – জ্বলন্ত দেশপ্রেম ও ঘৃণ্য বিশ্বাসঘাতকতা। নবাব আলীবর্দী, সিরাজদ্দৌলা, মীরজাফর, মীরকাশেমের স্মৃতি বিজড়িত সেই মুর্শিদাবাদ – যে বাংলার ইতিহাসের বহু উত্থান পতনের নীরব সাক্ষী। নবাবী আমলের রাজধানী মুর্শিদাবাদের আড়ম্বর ও জাঁকজমকের কথা ইতিহাসে লেখা আছে। আয়তনে, জনসংখ্যায় আর ঐশ্বর্য্যে সেই মুর্শিদাবাদ ছিল লণ্ডনের চেয়েও বড়। পলাশীর যুদ্ধের পরে স্বয়ং ‘লর্ড ক্লাইভ’ লিখেছিলেন –

“The city of Murshidabad is as extensive, populous and rich as the city of London with this difference that there are individuals in the first possessing infinitely greater property than in the last city.”

খৃষ্টীয় আঠারো শতকের বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদের এলাকা ছিল ভাগীরথীর পশ্চিম তীরে খোসবাগ থেকে বড়নগর, আর পূর্ব তীরে অবস্থিত মতিঝিল থেকে মহিমাপুর পর্যন্ত। এই বিশাল নগরী জুড়ে ছিল অসংখ্য প্রাসাদ, অট্টালিকা ও রমণীয় উদ্যান। কুলুরীতে মুর্শিদকুলীর প্রাসাদ, চকবাজারে বিশাল দরবারগৃহ – ‘চেহেল সেতুন’, আলীবর্দীর প্রাসাদ, সিরাজের মনসুরগঞ্জ প্যালেস (হীরাঝিল প্যালেস), ঘসেটি বেগমের মতিঝিল প্রাসাদ – যেটার নাম ছিল ‘সিংহদালান’, মহিমাপুরে জগৎ শেঠের ইন্দ্রপুরী তুল্য প্রাসাদ ছাড়াও ছিল আমির-ওমরাহদের সুরম্য অট্টালিকা। হীরাঝিলের এক মাইল উত্তরে ভাগীরথীর পশ্চিম তীরেই ছিল মোরাদাবাদ প্যালেস, যেখানে ব্যবসায়ী ইংরেজরা এসে উঠতেন। রেনেলের মানচিত্রেও মোরাদাবাদ প্যালেসের উল্লেখ পাওয়া যায়, সেখানেই লর্ড ক্লাইভ, ওয়ারেন হেস্টিংস, ভ্যান্সিষ্টার্ট প্রমুখরা এসে উঠেছিলেন। এছাড়াও ছিল লালবাগ প্যালেস, যেখানে ১৭০৭ সাল থেকে ১৭১২ সাল পর্যন্ত, বাদশাহ হওয়ার আগে এসে বাস করেছিলেন ফারুকশিয়ার। বড়নগরে ছিল রাণী ভবানীর প্রাসাদ, হীরাঝিলের দক্ষিণ দিকে ছিল রায়দুর্লভের প্রাসাদোপম অট্টালিকা, ডাহাপাড়া আর ভট্টবাটিতে ছিল বঙ্গাধিকারীদের রাজবাড়ী। পিলখানায় ছিল নবাব নাজিমদের হাতিশালা। হুমায়ুন মঞ্জিলে ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কোর্ট হাউস বা বিচারালয়। এছাড়াও ছিল রোশনীবাগ, ফর্হবাগ। কিন্তু সেসব প্রাচীন বনেদি গৌরবের কোন চিহ্নই আজ অবশিষ্ট নেই। বর্তমানের মুর্শিদাবাদ যেন খৃষ্টীয় অষ্টাদশ শতকের ইতিহাসের ‘ফসিল’। পুরানো অনেক স্মৃতিচিহ্নই আজ ভাগীরথীর গর্ভে হারিয়ে গিয়েছে। সামান্য যা কিছু অবশিষ্ট আছে, সেগুলোও বর্তমানে অযত্নে আর অবহেলায় জাদুঘরের নিষ্ঠুর হৃদয়হীন ব্যাঙ্গে পরিণত হয়েছে। মুর্শিদাবাদের বর্তমানের অবিন্যস্ত দরিদ্ররূপ ইতিহাসের বাতাবরণে তো বটেই এমনকি আজকের দর্শকদের চোখেও করুণার উদ্রেক করে।

মুর্শিদাবাদের নামকরণ নিয়ে ঐতিহাসিক ও গবেষকদের মধ্যে বিস্তর মতভেদ রয়েছে। কারও মতে খৃষ্টীয় অষ্টাদশ শতকের আগে এই শহরের নাম ছিল মুখসুদাবাদ, আবার কারও মতে নাম ছিল মুখসুসাবাদ। প্রবাদ আছে – বাদশাহ হোসেন শাহের সময় মুখসুদন দাস নামে এক নানকপন্থী সন্ন্যাসী বাদশাহের রোগ নিরাময় করে এই স্থানটি লাখেরোজ-স্বরূপ পেয়েছিলেন। পরে তাঁর নামানুসারেই এই স্থানের নাম হয় মুখসুদাবাদ। আবার কেউ কেউ বলেন - মুখসুদ খাঁ-এর নাম থেকেই মুখসুদাবাদ। রিয়াজ-উস-সালাতীনের মতে – মুখসুস খাঁ নামে কোন প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ীর নামানুসারে মুখসুদাবাদ নামটির উৎপত্তি। ওদিকে আইন-ই-আকবরীতে লেখা আছে যে, মুখসুদাবাদের প্রতিষ্ঠাতা হলেন বাংলার শাসনকর্তা সায়েদ খাঁর ভাই মুখসুস খাঁ। এখন রিয়াজ-উস-সালাতীন এবং আইন-ই-আকবরীতে উল্লেখিত মুখসুস খাঁ একই ব্যক্তি কিনা সেটা সঠিকভাবে জানা যায় না। যদিও পুরোনো দলিলপত্রে মুখসুদাবাদ ও মুখসুসাবাদ – এই দুটি নামই পাওয়া যায়। পঞ্চদশ অথবা ষষ্ঠদশ শতকে রচিত ভবিষ্যৎপুরাণ-এ এই শহরকে মোরাসুদাবাদ বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, এই শহরের প্রতিষ্ঠাতা একজন যবন (মুসলমান)। সায়র-উল-মুতক্ষীরণ গ্রন্থের অনুবাদক রেমণ্ড সাহেবের মতে, প্রথমে এই জায়গার নাম ছিল কোলারিয়া (Colaria), পরে নাম হয় ম্যাকসুদাবাদ (Macsoodabad), এবং তারও পরে নাম হয় মুরসুদাবাদ (Moorsoodabad)। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, মুর্শিদাবাদ শহরের পূর্বদিকে কূলূরী নামে একটি মৌজা আছে এবং অতীতে সেই জায়গাতেই মুর্শিদকুলি খাঁ বাস করতেন। ১৬৬৬ সালে এই শহর পরিদর্শন করে ফরাসী পর্যটক তাভের্নিয়ে (Travernier) নিজের লেখনীতে এই শহরের নাম 'Madasoubazarki' বলে উল্লেখ করেছিলেন। ঐতিহাসিক টিফেনথেলারের মতে সম্রাট আকবর এই শহর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, এই শহরের পূর্বদিকে আকবরপুর নামের একটা মৌজা ও গ্রাম রয়েছে। প্রথমে এই জায়গার নাম কি ছিল, তা নিয়ে বিস্তর মতভেদ থাকলেও, ঐতিহাসিক ও গবেষকরা একটি বিষয়ে একমত - মুর্শিদকুলি খাঁ তাঁর দেওয়ানী দপ্তর ঢাকা থেকে পুরানো মুখসুদাবাদ বা মুখসুসাবাদ-এ স্থানান্তরিত করবার পরে নবাবের নামানুসারে এই জায়গার নাম হয় মুর্শিদাবাদ। সেটা ছিল ১৭০৪ সাল। ১৭০৪ সালে তৈরি মুদ্রায় সর্বশেষ মুখসুসাবাদ নামটি দেখা যায় এবং ১৭০৫ সালে স্থানীয় টাঁকশালে তৈরি মুদ্রায় সর্বপ্রথম মুর্শিদাবাদ নামটি পাওয়া যায় (Notes on Gour and other historical places, Monomohan Chakravarty)।

দেওয়ানীর সদর দপ্তর তথা রাজধানী রূপে মুর্শিদাবাদকে নির্বাচিত করবার পিছনে ছিল মুর্শিদকুলি খাঁর দূরদৃষ্টি, তীক্ষ্ণবুদ্ধি ও বিচক্ষণতা ছিল। এই প্রসঙ্গে উইলিয়াম হান্টার লিখেছিলেন –

“It seems probable that Murshid Kuli Khan was induced to take his step by political considerations ... the bank of Bhagirathi afforded a more central position for the management of the three provinces of Bengal, Bihar and Orissa. The new city also was situated on the line of trade …”

রিয়াজ-উস-সালাতীনের মতে –

“An excellent site where news of all four quarters of the Subah could be easily procurable and which like the pupil of the eye was situated in the centre of the important places of the Subah.”

সপ্তদশ শতকের প্রথমদিকে মুর্শিদাবাদ মূলতঃ রেশম শিল্পের জন্যই বিখ্যাত ছিল। এই শতকের দ্বিতীয়ার্ধে এই শহর মুঘল কর্মচারীদের আবাসস্থল রূপে প্রসিদ্ধি লাভ করে। সপ্তদশ শতকে কাশিমবাজারে ছিল ফরাসীদের কারখানা। ১৬৬৫ সালে সম্রাট ঔরঙ্গজেবের ফরমান বলে একদল অর্ম্মেনিয়ান সৈদাবাদে বসবাস শুরু করেন। কালিকাপুরে ডাচরাও তাঁদের নিজস্ব কারখানা তৈরি করে। তাঁদের সবারই এক উদ্দেশ্য ছিল – রেশমের ব্যবসা। বার্নার লিখেছিলেন যে, ডাচদের কারখানায় আটশোজন দেশীয় শ্রমিক কাজ করত, সেই তুলনায় ইংরেজ বা অন্যান্যদের কারখানায় দেশীয় শ্রমিকের সংখ্যা ছিল নগন্য। নবাবী আমলে বাংলার রেশম খুবই উন্নত ছিল। রেশমের উৎকৃষ্ট ও সূক্ষ্ম কাপড়ের কদরও ছিল বেশি। বঙ্গদেশে সেইসময় বিভিন্ন ধরনের মসলিন কাপড় তৈরি হত, শ্রেষ্ঠ মসলিনের নাম ছিল – আভরণ। তখনকার দিনে একখানি অভরণের দাম ছিল চারশো টাকার মত (তখনকার মুদ্রার হিসেবে)। ওজন ছিল মাত্র পাঁচ ভরি। প্রধানতঃ নবাব-বাদশাহরা সেই কাপড় ব্যবহার করতেন। শোনা যায় যে, সম্রাট ঔরঙ্গজেবের এক কন্যা মসলিন কাপড় পড়ে সম্রাটের সামনে এসে দাঁড়ালে সূক্ষ্ম কাপড়ের আড়ালে তাঁর রোমাবলী দেখে সম্রাট ক্রুদ্ধ হয়ে কন্যাকে ‘বেশরম’ বলে অভিহিত করলে, কন্যা তাঁর পিতাকে জানিয়েছিলেন যে সাতখানা কাপড় দিয়ে তাঁর শরীর ঢাকা রয়েছে।

সেই সময়ে মুর্শিদাবাদের রেশম শিল্পের বিদেশে কত কদর ছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায় তাভর্নিয়ে প্রদত্ত বিবরণে। তাঁর বক্তব্য অনুসারে, কাশিমবাজার থেকে বছরে বাইশ হাজার গাঁট (এক গাঁট = একশো পাউন্ড) রেশমের কাপড় বিদেশে রপ্তানি করা হত। রেশম, তুলো আর হাতির দাঁতের তৈরি বিভিন্ন জিনিষের জন্য সেকালের মুর্শিদাবাদ সমগ্র এশিয়া ও ইউরোপে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল। সপ্তদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে, কাশিমবাজার কুঠির অধ্যক্ষ ছিলেন জন কেন। তাঁর সহকারী ছিলেন জোব চার্নক। ১৬৮০ সালে জোব চার্নক কাশিমবাজার কুঠির প্রধান অধ্যক্ষ পদে উন্নীত হয়েছিলেন।

মুর্শিদাবাদে ছিল সরকারি টাঁকশাল। নবাবী আমলে প্রথম টাকশাল তৈরি হয়েছিল ১৭০৫ সালে, কেল্লা নিজামতের কাছে। পরে ১৭১৭ সালে মহিমাপুরে নতুন করে টাঁকশাল তৈরি হয় – জগৎ শেঠের পুরোনো বাড়ির সামনে। সপ্তদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধেও মুখসুদাবাদে যে টাঁকশাল ছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায়। ১৯১৪ সালের মুর্শিদাবাদ ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ারে লেখা হয়েছিল –

“A rupee of Aurangzeb preserved in the Lahore museum shows that Mukhsudabad was a mint town as early as 1679 AD.” (District Gazetteer Murshidabad, edited by L.S.S.O’Malley, 1914)

১৭৬০ সালে মীরকাশেম মসনদে বসার পরেই কলকাতা টাকশালের উন্নতি ঘটে। প্রধানতঃ, এই সময় থেকেই মুর্শিদাবাদের টাকশালের গুরুত্ব কমে যায়। ১৭৭৭ সালে তৎকালীন গভর্নর জেনারেলের অনুরোধে নবাব মোবারকদ্দৌল্লার আদেশে মুর্শিদাবাদের টাঁকশাল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৭৮৫ সালে মাত্র কিছু দিনের জন্য সেটাকে পুনরায় জীবিত করা হয়। ১৭৯৬ সালে সরকারি আদেশানুসারে সমস্ত প্রাদেশিক টাঁকশাল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৭৯৯ সালে মুর্শিদাবাদ থেকে টাঁকশালের যাবতীয় যন্ত্রাংশ কলকাতায় পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং বাড়িটি প্রকাশ্য নীলামে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

১৮০২ সালের আদমশুমারি অনুসারে মুর্শিদাবাদের জনসংখ্যা ছিল প্রায় দেড়লক্ষ। পাঁচজন বেহারা সমেত একটি পালকির একদিনের ভাড়া ছিল এক টাকা। কলকাতা থেকে আড়াই তোলা ওজনের একটি চিঠি মুর্শিদাবাদে পাঠাতে খরচা হত দু’-আনা। ১৭২৯ সালে মুর্শিদাবাদে একমণ দশ সের অতিমিহি বাঁশফুল চাল পাওয়া যেত এক টাকায়। তিন মণ গমের দাম ছিল এক টাকা। এক টাকায় সাড়ে দশ সের গাওয়া ঘি পাওয়া যেত। ১৭৭৬ সালে প্রতি ষোল সের সর্বোৎকৃষ্ট মিহি চালের দাম মুর্শিদাবাদে ছিল এক টাকা। ১৮২২ সালে মুর্শিদাবাদে তিন টাকায় এক মণ ভালো চাল পাওয়া যেত। ঐ একই সময়ে এক মণ গাওয়া ঘিয়ের দাম ছিল সাতাশ টাকা। আর এই একই সময়ে একটা প্রমাণ আকৃতির ইলিশ মাছের দাম ছিল এক পয়সা।

প্রচণ্ড বর্গী হাঙ্গামার পরেও মুর্শিদাবাদের জৌলুষ ছিল অম্লান, সম্পদ ছিল অফুরন্ত। এরপরে ইংরেজদের প্রভুত্ব বিস্তারের পর থেকেই মুর্শিদাবাদের গৌরব খর্ব হতে শুরু করে। একটি একটি করে সরকারি দপ্তর কলকাতায় স্থানান্তরিত হতে শুরু হয়। ১৭৯৩ সালে শেষটুকু সমাধা করে দেন লর্ড কর্ণওয়ালিস। ঐ সালেই ফৌজদারি সদর দপ্তর মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরেই শুরু হয়, কলকাতার উন্নতি আর মুর্শিদাবাদের অবনতি। এরপরে কলকাতা উঠেছে, মুর্শিদাবাদ ডুবেছে। কলকাতা গড়েছে, মুর্শিদাবাদ ভেঙেছে। ভাগ্যলক্ষ্মী এসেছিল, একসময়ে চলেও গিয়েছে। মুর্শিদাবাদ ধরে রাখতে পারেনি।

বর্তমানের মুর্শিদাবাদে অবশিষ্ট আছে অতীতের কয়েকটি মলিন স্মৃতি আর ইতিহাসের ধ্বংসস্তূপ। অথচ কত প্রাচীন ঐ গৌড় – এখনও সগর্বে দাঁড়িয়ে আছে তার কঙ্কাল। কিন্তু ক্ষয়ে গিয়েছে মুর্শিদাবাদ। তার প্রাচীন গৌরব আর জৌলুষ সবই আজ মহাকালের গর্ভে। অতীত গৌরব আজ যেন শুধুই রূপকথা। নবাব নাজিমদের জৌলুষ আর বিলাসিতার কথা আজ যেন শুধুই গল্প। নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে মুর্শিদকুলীর প্রাসাদ আর – ‘চেহেল সেতুন’। মুছে গিয়েছে ফার্হবাগ আর রোশনীবাগের সৌন্দর্য্য। সিরাজের সাধের হীরাঝিল প্রাসাদ আজ ভাগীরথীর গর্ভে বিলীন। মোরাদবাগ আর লালবাগ প্যালেসের অস্তিত্ব আজ সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত। ঘসেটি আর নওয়াজেসের মোতিঝিল প্রাসাদ তলিয়ে গিয়েছে মহাকালের গর্ভে। তাপদগ্ধ ক্লান্ত দুপুরে জগৎ শেঠের পুরানো ভিটায় এখন ঘুঘু ডাকে।

আজও মুর্শিদাবাদের কোন কোন পুরনো ভিটে বা জমির নীচে পাওয়া যায় পুরনো আমলের বাদশাহী মোহর বা প্রাচীন কোন দেবদেবীর মূর্তি। অনুসন্ধিৎসুর জানতে চেষ্টা করেন সেই জায়গার ইতিহাস। শুরু হয় প্রত্নতাত্ত্বিক তর্ক-বিতর্ক। আজকের মুর্শিদাবাদ অন্ধকারাচ্ছন্ন, মৃতপ্রায়, সম্ভবতঃ অভিশপ্তও। তবুও আজ পর্যটক আর অনুসন্ধিৎসুদের কাছে মুর্শিদাবাদের আকর্ষণ কম নয়। বর্তমানের পর্যটকরা অনেক উৎসাহ আর কৌতুহল নিয়ে মুর্শিদাবাদে এসে জানতে চান মুর্শিদাবাদের ইতিহাস। বর্তমানের আয়নায় দেখতে চেষ্টা করেন অতীতকে। ইতিহাসের ধ্বংসস্তূপের দিকে তাকিয়ে শুনতে পান অতীতের দীর্ঘশ্বাস, শুনতে পান ইতিহাসের বোবাকান্না। তাই আজও আছে মুর্শিদাবাদ, আর আছে তার ইতিহাস।


আগামী ৩ মাসের জন্য  গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তৈরীর ফর্মুলেশন খুঁজছিলেন  খাদ্য তালিকা বা ফিড ফর্মুলেশন 

 আগামী ৩ মাসের জন্য 

গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তৈরীর ফর্মুলেশন খুঁজছিলেন  খাদ্য তালিকা বা ফিড ফর্মুলেশন করার খুবই  চ্যালেঞ্জের। প্রিয়   খামারি ভাই আপনি নিশ্চয়ই আমার সাথে একমত হবেন যে সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা ছাড়া গরু মোটাতাজাকরণ খামারে লাভ বা প্রফিট করা সম্ভব নয়।

কারন একটি খামারে সবচেয়ে বেশি টাকা যে খাতে ব্যয় হয় তাহলো খাদ্য ব্যবস্থাপনা।

তার উপর ইদানীংকালের গরু বাজারদর যেমন কম আর গো-খাদ্যের বাজার দর তেমনি বেশি। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের cost-effective ফিডিং পলিসি অবলম্বন না করলে নিশ্চিত লক্ষন লোকসান।


আর তাই আপনার গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তালিকা সকল উপকরনের পুষ্টিগুণ ও দাম সম্পর্কে যেমন সঠিক ধারণা থাকা দরকার তেমনি আধুনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সাথে পরিচিত হওয়া দরকার।

তবে আপনি cost-effective ফিড অর্থাৎ সবচেয়ে কম খরচে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট মানের গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য করতে পারবেন। 


➡️গরু মোটাতাজাকরণে খাদ্য তালিকা।

ভুট্টা সয়াবিন মিলচাগমের ভুসি  চাউল এর খুদখৈল মটর খেসারি ইত্যাদি আমাদের দেশের প্রধান দানাদার খাদ্যের উপাদান।

পরিমাণ মতো বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট ভিটামিন ও মিনারেল মিশিয়ে সুসম দানাদার খাদ্য তৈরি করা হয়।

গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তৈরিতে খাদ্যের গুনাগুন মানের দিকে বেশি নজর দিতে হবে।


খাদ্যে প্রোটিন ফ্যাট কার্বাইড ইত্যাদি পরিমাণ চাহিদা অনুযায়ী খাদ্যের মধ্যে সর্ব হচ্ছে কিনা দেখতে হবে। গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য মোটাতাজাকরণে গরুকে নিয়মিত খাওয়ার মাধ্যমে আশানুরূপ উৎপাদন পাওয়া সম্ভব হয়। 


➡️গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তালিকা বা ফর্মুলেশন।

কম খরচ এবং সবখানে পাওয়া যায় এমন ১০০ কেজি গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য তৈরীর ফর্মুলেশন দেওয়া হল।


ভুট্টা ভাঙ্গা      ৩৫ কেজি

গম ভাঙ্গা       ১৫ কেজি

ধান ভাঙ্গা       ২৫ কেজি

সয়াবিন খৈল  ২০ কেজি

শুটকির গুড়া    ৩

DCP/MCP      ২  কেজি


সাথে পরিমাণ মতো লবণ, এমাইনো এসিড, ফ্যাট, ভিটামিন মিনারেল প্রিমিক্স,  

সোডিয়াম বাই কার্বনেট বা খাবার সোডা দিয়ে দিবেন।

আপনাদের প্রয়োজনের জন্য কিছু সাপ্লিমেন্ট নাম এবং পরিমাণ দিয়ে দিলাম। 

১/এমসিপি পাউডার ১.৫ কেজি

২/ক্যাটল প্রিমিক্স ২৫০ গ্রাম

৩/লাইমস্টোন ১.৫ কেজি

৪/ফ্যাট ২৫০ গ্রাম

৫/সিআর ৫০ গ্রাম

৬/রুমেইন টনিক ১০০ গ্রাম

৭/লাইসিন ৫০০ গ্রাম

৮/টক্সিন বাইন্ডার ২০০ গ্রাম

৯/মেথিওনিন ৩০০ গ্রাম

১০/এনজাইম ২৫০ গ্রাম

১১/কলিন ২০০ গ্রাম

১২/ফিশ প্রোটিন  ৩ কেজি

এগুলো প্রতি ১০০ কেজি খাদ্যে ব্যবহার করতে পারেন। 

এই টেবিল অনুযায়ী যদি আমরা গরুকে খাবার গ্রহণ করাই তবে অতি সহজে আমরা লাভবান হতে পারব । 


➡️গরু মোটাতাজাকরণে খাদ্য সরবরাহ পদ্ধতি

গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প  গাবাদিপশুসহ পরিমানমতো সুষম মোটাতাজা খাদ্য সরবরাহ সবচেয়ে গুরুত্ব।

খাবারের তালিকায় শর্করা আমিষ চর্বি ভিটামিন মিনারেল এর পরিমাণ সাধারণত খাদ্যের চেয়ে বেশি থাকতে হবে।

সাথে প্রচুর পরিমাণ টিউবয়েলে টাটকা পানি সরবরাহ করা প্রয়োজন।


গরু মোটাতাজাকরণ দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি খরকে প্রক্রিয়াজাত করে UMS বানিয়ে খাওয়াতে হবে।


প্রতিদিন একই সময়ে একই ধরনের  খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। খাদ্য ও খাদ্য প্রদানের সময় কোনটা পরিবর্তন করা যাবেনা।

খাদ্য ধুলোবালিমুক্ত হতে হবে, খাদ্য সহজপাচ্য হতে হবে।


➡️মোটাতাজাকরণ গরুর আঁশযুক্ত খাদ্য

মোটাতাজাকরণ গরু কে তার চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত খাদ্য অবশ্যই দিতে হবে। কিছু কিছু খামারি মনে করে খর বিচালী বা ঘাস কম খাইয়ে দানাদার খাবার বেশি খাইয়ে গরুকে দ্রুত মোটাতাজা করন করা সম্ভব।

কিন্তু আসলে তা সঠিক নয়, কখনো কখনো প্রচুর ঔষধ পত্র প্রয়োগ করে হয়তো সম্ভব কিন্তু এতে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি পড়ে।


গরু মোটাতাজাকরণ খাদ্য এ পর্যন্ত ফাইবার বা আঁশ এর অভাব থাকলে নিম্নে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হতে পারে।


🔸পেটে এসিডিটি তৈরি হয়

🔸হজম ক্ষমতা কমে যায়

🔸খাদ্যের অরুচি দেখা দেয়


➡️কম খরচে গরু মোটাতাজাকরণ।

গরু মোটাতাজাকরণের শুরুর দিকে ১০০ বডি ওয়েট এর জন্য ১.৫ কেজি দানাদার খাদ্য দিতে হবে।

গরু যখন অনেকটা মোটাতাজা হয়ে যাবে তখন ১০০ কেজির জন্য এক কেজি দানাদার খাদ্য দিতে হবে।

গরুর পেটে গ্যাস সৃষ্টি হয় এমন খাদ্য যেমন ভাত বা খুদের যাও বেশি পরিমাণে খাওয়ানো উচিত নয় এর ফলে গরুর পেট ফুলে যেতে পারে।

যার ফলে গরু অসস্তি বোধ করবে কিছু খেতে চাইবে না এবং তার স্বাস্থ্য কমে যাবে ।


১০০ কেজি জন্য প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ কেজি কাঁচা ঘাস খাওয়াতে হবে।

কাঁচা ঘাস না থাকলে বিকল্প হিসেবে UMS ব্যবহার করতে দেখতে হবে।

শুধু UMS খাওয়ানোর ফলে প্রতিদিন একটি গরু ৮০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজন বাড়ে। 

সাথে গরুকে প্রতিদিন গোসল করাতে হবে এতে গরুর শরীর সতেজ থাকবে।


➡️গরু মোটাতাজাকরণে দানাদার খাদ্যের ভূমিকা।

গরু মোটাতাজাকরণ দানাদার খাদ্যের ভূমিকা অনেক গুরুত্ব।

কারন একটা গরুকে যদি আমরা মোটাতাজা করতে চাই তবে দানাদার খাদ্য অবশ্যই তাকে খাওয়াতে হবে।

তবেই সে মোটাতাজা হয়ে গড়ে উঠবে। মোটাতাজাকরণে অনেক লাভবান হওয়া যায় কম খরচে তৈরি দানাদার খাদ্য খাওয়ানোর ফলে।

শুধুমাত্র ভুসি অথবা একটি খাদ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় সব উপাদান পাওয়া সম্ভব নয়।

তাই মোটাতাজাকরণের ক্ষেত্রে আমাদের কম খরচে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য মিক্সিং এর মাধ্যমে একটি সুষম খাদ্য তৈরি করতে হবে তাহলে আমরা লাভবান হতে পারবো।

গরুকে মোটাতাজা করনের জন্য দানাদার খাদ্যের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে।


পোস্টটা শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিন যাতে প্রয়োজন এর সময় খুঁজে পেতে সহজ হয়। আসুন 

সবাই মিলে ইনভাইট করি গ্রুপের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করি বেশি বেশি পোস্ট করতে উৎসাহ যোগায় ধন্যবাদ।

পোস্টটা শেয়ার করে রেখে দিন ১০০% কাজে আসবে ইনশাল্লাহ। 

এছাড়া মেডিসিন গুলো খুঁজে না পেলে যোগাযোগ করতে পারেন 01872558444(WhatsApp)


ফেইসবুক থেকে নেওয়া গল্প

 #বুয়েট পাস এমন একজনকে চিনি, যার বিবাহিত

জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায়

কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু

পূর্ণতা নাই।


#ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে চিনি, যার বউ

দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে।

তার জীবনে সফলতা-পূর্ণতা সবই ছিলাে, কিন্তু

ভালােবাসাটা কপালে জুটেনি।


#এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, পড়ালেখা শেষ

করে ভালাে কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের

বাহিরে , তারপর বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের

ভালােবাসার মানুষটির পরিবারে। শুধুমাত্র ছেলে

প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি। ভালাে চাকুরী মানেই কি

সব কিছু??


#প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা

জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায়

বিষ ঢেলে দিলাে। ভালােবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলাে,

সফলতা আসেনি কখনও।


#দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা

জানি। শুধু গায়ের রঙটা কালাে বলে প্রেমিকের বাবা

মায়ের হাজারাে অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে

রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলাে। সেরা

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়েও সে সুখী

হতে পারছে না।


#ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে, তার বাবা মাকে

বিয়ের কথা উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ

পর্যন্ত বিয়েই হয়নি। টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী

সংসার নেই।


#চাকুরী না পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ। বেকার

থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়ােজনটা থামাতে

পারে নাই। চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা

গেলাে। "সফলতা মানেই সুখ" বাক্যটা তার কাছে

সম্পূর্ণ মিথ্যা।


#পুলিশের একজন এসপি-কে জানি, যিনি ভাগ্যের

গেঁড়াকলে পড়ে; সন্তান হারিয়েছেন, স্ত্রীকে হারিয়েছেন,

সংসার ও চাকুরি সব হারিয়ে, এখন ক্ষমতাহীন নিঃস্ব

জীবন-যাপন করছেন। সফলতা তার জীবনে সুখ

আনতে পারেনি।


#একজন প্রফেসরের সাথে আমার কথা হয়েছিলাে।

তিনি বলেছিলেন, "বিবাহের চার বছর পর থেকে স্বামী

অসুস্থ। আজ বারাে বছর হলাে দুই সন্তান ও অসুস্থ

স্বামী নিয়ে সংসার করছি। জীবনে কি পেলাম?" সবই

ছিলাে, ভালাে চাকুরী, দুই সন্তান। শুধু অর্থই জীবনের

সব কিছু, একথা তার কাছে হাস্যকর।


#এক পরিচিত বড় ভাই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হয়েও

এখন হােমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এবং হােমিওপ্যাথিক

কলেজের প্রভাষক।


#একজন এম এ(ফার্স্ট ক্লাস ১৬তম)এলএলবি পাশ

করে ওকালতি প্রাকটিস ও কলেজের প্রভাষক পদ

ছেড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক!

আসলে জগতে কে সুখে আছে? টাকায় সুখ দিয়েছে

কয়জনকে? জীবনে সফলতা মানেই কি সুখ? একটা

জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক'জন!!


🙂আমরা যারা মানুষ, তাদের মন ভরে সুখ কখনাে

আসে না। আমরা কখনাে পরিপূর্ণভাবে সুখী হতে পারি

। বাস্তবতা বড় ফ্যাকাশে, স্বপ্নের মতাে রঙিন হয় না।


আজ থেকে ১৯৩ বছর আগে ১৮৩০ সালে যশোরের জজ ছিলেন মিষ্টার প্রিঙ্গাল।,,,,,ফেইসবুক থেকে

 আজ থেকে ১৯৩ বছর আগে ১৮৩০ সালে যশোরের জজ ছিলেন মিষ্টার প্রিঙ্গাল। তার স্ত্রী ক্রিশ্চিয়ানা প্রিঙ্গাল যশোর থেকে ব্রিটেনে তার পরিবারকে ৭টি পত্র লিখেছিলেন। সেই পত্রগুলো পড়লে তৎকালীন যশোরের সমাজচিত্র পাওয়া যায়। প্রিঙ্গাল তার বোনকে প্রথম পত্র লিখেছিলেন ১৮৩০ সালের ৭ জানুয়ারি। তিনি লিখেছেন ‘‘স্থানটি দেখিতে সুন্দর। অধিবাসীদিগের বিভিন্ন প্রকারের আচার-ব্যবহার ও রীতিনীতি জানিবার জন্য আমি একজনকে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করি এবং জানিতে পারিলে সন্তষ্ট হই। জন এখানে জজ হইয়া আসিয়াছেন। ম্যাক্স ওয়েল এই স্থানের কালেক্টর। সম্ভবত: দ্রুত এখানে একজন সহকারী ম্যাজিষ্ট্রেটও প্রেরিত হইবেন। এতদ্ব্যতীত একজন ডাক্তারও আছেন। মাত্র এই কয়জনই স্থায়ী বাসিন্দা। তবে আমরা কলকাতা হইতে ৮০ মাইল এবং ঢাকা হইতে ৭০ মাইল দূরে আছি। ঢাকা একটি বৃহৎ শহর। এ স্থান আমাদের পছন্দ হইলে আমরা কিছুদিন এই স্থানে থাকিব।’’


কার্টেসিঃ সাজেদ রহমান ।



রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ১৭-০৩-২০২৪ ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া  

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১৭-০৩-২০২৪ । 


আজকের শিরোনাম: 


আজ ১৭ই মার্চ - জাতি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস। 


ভারত পাশে ছিল বলেই বাংলাদেশের নির্বাচনে অন্য কোনো বড় রাষ্ট্র অশুভ হস্তক্ষেপ করতে পারেনি - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 


ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তবে এ ব্যাপারে নজর রাখছে সরকার - জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 


হামাসের নতুন প্রস্তাবের পর যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আলোচনার জন্য কাতারে একটি প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে ইসরাইল। 


বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে আজ ঢাকায় আসছে অষ্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল।


আমার চোখে এই মাত্র পড়েছে। মেয়েটা কি বেঁচে আছে নাকি মারা গিয়েছে?,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমার চোখে এই মাত্র পড়েছে। মেয়েটা কি বেঁচে আছে নাকি মারা গিয়েছে? 


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা মেয়ে ঘণ্টা খানেক আগে পোস্ট করেছে সে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে। তাঁর ক্লাসমেট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরকে দায়ী করেছে। সে পরিষ্কার করে লিখেছে- তাঁর ক্লাসমেট আম্মান নাকি তাঁকে নানান ভাবে হয়রানি করে আসছিল। সে প্রক্টরের কাছে অভিযোগ করলে ওই শিক্ষক নাকি বেশ কয়েকবার তাঁকে রুমে ডেকে নিয়ে বাজে ভাষায় গালি দিয়েছে (মেয়েটা নিজের পোস্টে সব লিখেছে। আমি আর এই ভাষা আমার পোস্টে লিখছি না।) 


একজন শিক্ষক কি করে এমন ভাষা ব্যাবহার করতে পারে? এই দেশে বিচার চাইতে গেলে উল্টো অপরাধী বানিয়ে দেয়া হয়। এই যে মেয়েটা আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর দায় কার? তাঁর ক্লাসমেট আর ওই শিক্ষকের কি কোন দিন বিচার হবে? নাকি এদেরকেও ছুটি দেয়া হবে মৌজ-মাস্তি করার জন্য? 


এখন শুনতে পাচ্ছি মেয়েটা আর বেঁচে নাই।  আহা জীবন ... তাঁর বন্ধু আম্মান এবং ওই শিক্ষক কি এরপরও বেঁচে যাবে? এই জনপদে কি কোন দিন কিছুর বিচার হবে না? 


এই ঘটনার প্রতিবাদ করুন সবাই। এই মেয়ের জীবনের বিনিময়ে হলেও যেন এইসব জল্লাদ শিক্ষকদের হাত থেকে আমাদের ছেলে-মেয়ে গুলো রক্ষা পায়। এরা মানুষ না। এরা হচ্ছে একেকটা সাক্ষাৎ দানব!


[ লেখা : আমিনুল ইসলাম। ]


_________________________

[ মেয়েটির লেখা সুইসাইড নোট____]


আমি যদি কখনো সুইসাইড করে মারা যাই তবে আমার মৃত্যুর জন্য একমাত্র দায়ী থাকবে আমার ক্লাসমেট আম্মান সিদ্দিকী, আর তার সহকারী হিসেবে তার সাথে ভালো সম্পর্ক থাকার কারণে তাকে সাপোর্টকারী জগন্নাথের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম। আম্মান যে আমাকে অফলাইন অনলাইনে থ্রেটের

উপর রাখতো সে বিষয়ে প্রক্টর অফিসে অভিযোগ করে ও আমার লাভ হয় নাই। দ্বীন ইসলাম আমাকে নানান ভাবে ভয় দেখায় আম্মানের হয়ে যে আমাকে বহিষ্কার করা ওনার জন্য হাতের ময়লার মতোব্যাপার। 


আমি জানি এখানে কোনো জাস্টিস পাবো না। কারণ দ্বীন ইসলামের অনেক চামচা ওর পাশে গিয়ে দাঁড়াবে। এই লোককে আমি চিনতাম ও না। আম্মান আমাকে সেক্সুয়ালি এবিউজিভ কমেন্ট করায় আমি তার প্রতিবাদ করলে আমাকে দেখে নেয়ার জন্য দ্বীন ইসলামের শরণাপন্ন করায়। আর দ্বীন ইসলাম আমাকে তখন প্রক্টর অফিসে একা ডেকে নারীজাতিয় গালিগালাজ করে। সেটা অনেক আগের ঘটনা হলেও সে এখনো আমাকে নানাভাবে মানহানি করতেসে বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন কথা বলে। আর এই লোক কুমিল্লার হয়ে কুমিল্লার ছাত্র কল্যাণের তার ছেলেমেয়ের বয়সী স্টুডেন্ট দের মাঝে কী পরিমাণ প্যাঁচ ইচ্ছা করে লাগায় সেটা কুমিল্লার কারো সৎসাহস থাকলে সে স্বীকার করবে। 


এই লোক আমাকে আম্মানের অভিযোগ এর প্রেক্ষিতে ৭ বার প্রক্টর অফিসে ডাকায় নিয়ে " খানকি তুই এই ছেলেরে থাপড়াবি বলসস কেনো? তোরে যদি এখন আমার জুতা দিয়ে মারতে মারতে তোর ছাল তুলি তোরে এখন কে বাঁচাবে?"


আফসোস এই লোক নাকি ঢাবির খুব প্রমিনেন্ট ছাত্রনেতা ছিলো। একবার জেল খেটেও সে এখন জগন্নাথের প্রক্টর। সো ওর পলিটিকাল আর নষ্টামির হাত অনেক লম্বা না হলেও এতো কুকীর্তির পরও এভাবে বহাল তবিয়তো থাকে না এমন পোস্টে। কোথায় এই লোকের কাজ ছিল গার্ডিয়ান হওয়া আর সো কিনা শেষমেশ আমার জীবনটারেই শেষ না হওয়া পর্যন্ত মুক্তি দিলো না আমি উপাচার্য সাদোকা হালিম ম্যামের কাছে আপনি এই প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক হিসেবে আপনার কাছে বিচার চাইলাম।


আর আমি ফাঁসি দিয়ে মরতেসি। আমার উপর দিয়ে কী গেলে আমার মতো নিজেকে এতো ভালোবাসে যে মানুষ সে মানুষ এমন কাজ করতে পারে। আমি জানি এটা কোনো সলিউশন না কিন্তু আমাকে বাঁচতে দিতেসে না বিশ্বাস করেন। আমি ফাইটার মানুষ। আমি বাঁচতে চাইসিলাম! আর পোস্ট মর্টেম করে আমার পরিবারকে ঝামেলায় ফেলবেন না। এমনিতেই বাবা এক বছর হয় নাই মারা গেছেন আমার মা একা। ওনাকে বিব্রত করবেন না। এটা সুইসাইড না এটা মার্ডার। টেকনিক্যালি মার্ডার। আর আম্মান নামক আমার ক্লাসমেট ইভটিজার টা আমাকে এটাই বলছিল যে আমার জীবনের এমন অবস্থা করবে যাতে আমি মরা ছাড়া কোনো গতি না পাই। তাও আমি ফাইট করার চেষ্টা করসি। এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে সহ্য ক্ষমতার....



তারিখ : ১৬-০৩-২০২৪ । আজকের শিরোনাম,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া :

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১৬-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তি। 


নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের সুযোগ নেই - সংবাদ সম্মেলনে বললেন ওবায়দুল কাদের।


 দ্রুততম সময়ে জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশের নাবিকদের মুক্ত করতে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে - জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


দেশের বাজারে ভারত থেকে শিগগিরই ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ প্রবেশ করবে - বললেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।


 মাছ-মাংসসহ ২৯টি কৃষিপণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।


গাজা উপকূলে প্রথমবারের মতো সমুদ্র পথে পৌঁছেছে মানবিক ত্রাণ সহায়তা।


মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভাষা সৈনিক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু। 


চট্টগ্রামে তিন ম্যাচ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজের দ্বিতীয় খেলায় বাংলাদেশকে ৩ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো শ্রীলঙ্কা।


যেসব কারনে রোজা ভেঙে ্যায় :শেষ পর্ব,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যেসব কারণে রোজা ভেঙ্গে যায়: শেষ পর্ব


১২.রোযা অবস্থায় পান তামাক চাবানো ও গুল ব্যবহার করা যাবে না, এর দ্বারা রোযা ভেঙ্গে যাবে। কেননা পান চাবানোর পর তার কিছু অংশ এবং থুথুর সাথে তার রস গলায় চলে যাওয়ার প্রবল আশংকা রয়েছে এবং সেই উদ্দেশ্যেই পান তামাক চাবানো ও গুল ব্যবহার করা হয়। সুতারাং পান-তামাক ও গুল ব্যবহার করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। 


১৩.কুলি করার সময় বা নাকে পানি দেওয়ার সময় যদি আকস্মাৎ গলায় পানি চলে যায় আর রোযার কথা স্মরণ থাকে তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে এবং শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৪.রোযা অবস্থায় পাথরের টুকরা,মাটি ইত্যাদি অখাদ্য বস্তু খেয়ে ফেললে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে এবং শুধু কাযা ওয়াজিব হবে, কাফ্ফারা নয়।


১৫.স্বামী -স্ত্রী উভয়ের ইচ্ছায় রোযা অবস্থায় যদি সহবাস করে তাহলে উভয় জনের রোযা ভেঙ্গে যাবে। এবং উভয়ের উপর কাযা ও কাফ্ফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে। আর যদি স্ত্রীর অনিচ্ছায় স্বামী জোর পূর্বক সঙ্গম করে তাহলে স্বামীর উপর কাযা কাফফারা উভয়টি আবশ্যক হবে। আর স্ত্রীর উপর শুধু কাযা ও ওয়াজিব হবে, কাফ্ফারা নয়। আর যদি স্বামীর অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও স্ত্রী পক্ষ থেকে বাধ্য হয়ে সঙ্গম করে তাহলে স্ত্রীর উপর কাযা ও কাফ্ফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে আর স্বামীর উপর শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৬.রোযা অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা, আলিঙ্গন করা, আদর সোহাগ করা বা একের যৌনাঙ্গ অপরের যৌনাঙ্গকে সম্পর্শ করার ফলে যদি বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। তবে এর দ্বারা কাফফারা ওয়াজিব হবে না, শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৭.ইনহিলার এর মাধ্যমে পেটে ঔষধ পৌছানো হয় তার পরিমান একে বারে অল্প হওয়া সত্বেও ইচ্ছাকৃত ভাবে তা ব্যবহারের কারণে রোযা ভেঙ্গে যাবে, এটাই সাভাবিক মাসয়ালা। কিন্তু এই ঔষধ ভেতরে গিয়ে গ্যাসে পরিনত হয় না খাওয়ার আগে গ্যাসে পরিণত হয় এব্যাপারে ডাক্তারদের দ্বিমত রয়েছে। বিধায় সর্তকতা ও উত্তম হলো এমন রোগী রোযা রাখবে এবং নিজ সামর্থ হিসাবে প্রত্যেক রোযার ফিদিয়াও দিয়ে দিবে, যাতে রোযা না হলে ফেদিয়া দ্বারা তার দ্বায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। আর যদি সম্ভব হয় তাহলে দিনের বেলায় তা ব্যবহার না করে শুধু রাতে ব্যবহার করা আরো ভাল।


(ফাতাওয়ায়ে শামী ৩য় খণ্ড, ৩৭৬ পৃষ্টা)


যেসব কারনে রোজা ভেঙে যায় শেষ পর্ব,,,   থেকে নেওয়া 


কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...