এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০২৪

গোসলের পদ্ধতি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⭕ রোজারত অবস্থায় কিংবা রোজাবিহীন অবস্থায় হায়েজ [ঋতুস্রাব], নেফাজ [সন্তান জন্মদানের পর ৪০ দিন পর্যন্ত প্রবাহিত রক্ত], স্বপ্নদোষ এবং স্ত্রী সহবাস জনিত কারনে গোসল ফরজ হয়ে থাকলে কিভাবে ফরজ গোসল আদায় করতে হবে আসুন সেই বিষয়ে জেনে নেইঃ-


🔲 গোসলের ফরজ হচ্ছে ৩ টি। আর এই ৩ টি ফরজের মধ্যে যেকোনো ১ টি ফরজ বাদ পড়লে ফরজ গোসল আদায় হবে না। আর ফরজ গোসল আদায় না হলে নামাজ, আমল, ইবাদত কোনো কিছুই কবুল হবে না।


🔸 গোসলের ফরজ সমূহঃ-


১) একবার কুলি করা, 


২) একবার নাকে পানি দেওয়া,


৩) একবার সম্পূর্ণ শরীরে পানি পৌছে দেওয়া।


🔹 ফরজ গোসলের সুন্নত সমূহঃ-


১) তিনবার গড়গড়ার সাথে কুলি করা,


২) তিনবার নাকের নরম অংশ পর্যন্ত পানি পৌছানো,


৩) সম্পূর্ণ শরীরে ভালোভাবে পানি পৌছে দিয়ে গোসল সম্পন্ন করা।


🔸 ফরজ গোসলের ক্ষেত্রে গড়গড়ার সহিত কুলি করা এবং নাকের নরম অংশ পর্যন্ত পানি পৌছানো ফরজ নয় বরং সুন্নতের অন্তর্ভূক্ত। তাই উপরোক্ত নিয়মে গোসলের ফরজ এবং সুন্নত সমূহ আদায় করে গোসল করা হলে ফরজ গোসল আদায় হয়ে যাবে ইন শা আল্লাহ।


🔹 তবে রোজারত অবস্থায় ফরজ গোসলের ক্ষেত্রে গড়গড়ার সহিত কুলি করা এবং নাকের নরম অংশ পর্যন্ত পানি পৌছানো যাবে না। এতে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ফরজ গোসলের ক্ষেত্রে তিনবার কুলি করতে হবে, তিনবার (হালকাভাবে) নাকে পানি দিতে হবে এবং সম্পূর্ণ শরীরে পানি পৌছে দিতে হবে। -[রুদ্দুল মুখতার- ১/২৮৪, বাদায়েউস সানায়া- ১/১১২]


⭕ ফরজ গোসল করার নিয়ম ও পদ্ধতিঃ-


🔸 সর্বপ্রথম উভয় হাতের কব্জি পর্যন্ত ধুয়ে নেওয়া, অতঃপর লজ্জাস্থান ও লজ্জাস্থানে যা লেগে আছে তা ভালোভাবে পরিষ্কার করা। এরপর পরিপূর্ণভাবে অজু করা। তারপর মাথার উপর তিনবার পানি ঢালা এবং শরীরের বাকি অংশে পানি পৌছে দেওয়া। গোসল শেষে উভয় পা ধুয়ে নেওয়া। এটিই হচ্ছে পরিপূর্ণভাবে গোসল করার সুন্নত পদ্ধতি। -[ফাতাওয়ায়ে আরকানুল ইসলাম- ২৪৮]


🔹 ফরজ গোসলের ক্ষেত্রে মহিলাদের জন্য মাথার চুল এবং পুরুষদের জন্য দাড়ি ও মাথার চুল ভালোভাবে ভিজাতে হবে।


🔸 উপরোক্ত নিয়মে গোসল করা হলে যদি অজু ভঙ্গ হয়ে না থাকে, তাহলে আর নতুন করে অজু করার প্রয়োজন হবে না। এই অজু দিয়েই নামাজ আদায় করা যাবে।


⭕ রাসূল ﷺ বলেছেন, পবিত্রতা ঈমানের অংশ, পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ, পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। আর তাই নামাজ, রোজা, আমল, ইবাদত, দোয়া ও মোনাজাত কবুল হওয়ার জন্য পবিত্রতা অর্জন করা জরুরী।


🔲 তাই এখন থেকে আপনারা সবাই উপরোক্ত নিয়মে ফরজ গোসল আদায় করে নামাজ, রোজা, আমল, ইবাদত, দোয়া ও মোনাজাত করবেন ইন শা আল্লাহ 💞✅



চাল কুমড়া চাষ পদ্ধতি,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 চাল কুমড়া চাষ পদ্ধতি


চালকুমড়ার ভালো ফলনের জন্য উঞ্চ, প্রচুর সূর্যালোক এবং নিম্ন আর্দ্রতা প্রয়োজন। চালকুমড়া চাষের জন্য অনুকূল তাপমাত্রা হলো ২০-২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। চাষকালীন সময়ে উচ্চ তাপমাত্রা ও লম্বা দিন হলে পুরুষ ফুলের সংখ্যা বেড়ে যায় এবং স্ত্রী ফুলের সংখ্যা কমে যায় যার ফলে ফলন কমে যায়। জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দোআঁশ বা এঁটেল দোআঁশ মাটি এর চাষাবাদের জন্য উত্তম তবে চরাঞ্চলে পলি মাটিতে চালকুমড়ার ভালো ফলন হয়। 


উন্নত জাতঃ 

কুমড়ার বাংলাদেশে কুমড়ার কোনো অনুমোদিত জাত নেই। তবে বারি কর্তৃক উদ্ভাবিত বারি চালকুমড়া-১ নামের জাতটি বাংলাদেশের সব অঞ্চলে চাষ করা যায়। 

এছাড়াও রয়েছে

বারি চালকুমড়া-১, 

ইপসা চালকুমড়া-১, 

জুপিটার, হীরা ৪৫১ এফ-১, 

হাইব্রীড চালকুমড়া সুফলা-১, 

হাইব্রীড চালকুমড়া বাসন্তী-নিরালা, 

হাইব্রীড চালকুমড়া বিজয় (উফশী-বিজয়),

হাইব্রীড চালকুমড়া সোনালী এফ-১, 

হাইব্রীড চালকুমড়া মাধবী, হাইব্রীড চালকুমড়া ইউনিক, 

হাইব্রীড চালকুমড়া সুপারস্টার।


বপনের সময়ঃ ফেব্রু - মে (ফাল্গুন থেকে আশ্বিন)  উপযুক্ত সময় ।


চাষপদ্ধতি: 

চারাগুলো রোপনের আগের দিন বিকালে পানি দিয়ে মাটি ভালোভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে। পরের দিন বিকালে চারা রোপন করতে হবে। মাদাগুলোর মাটি ভালোভাবে ওলট-পালট করে, এক কোপ দিয়ে চারা লাগানোর জন্য জায়গা করে নিতে হবে। চারার পলিব্যাগের ভাঁজ বরাবর ব্লেড দিয়ে কেটে পলিব্যাগ সরিয়ে মাটির দলাসহ চারাটি নির্দিষ্ট জায়গায় লাগিয়ে চারপাশে মাটি দিয়ে ভরাট করে দিতে হবে। চারা লাগানোর পর গর্তে পানি দিতে হবে। পলিব্যাগ সরানোর সময় এবং চারা রোপনের সময় সাবধানে থাকতে হবে যাতে মাটির দলা ভেঙ্গে চারার শিকড় ক্ষতিগ্রস্থ না হয়। নতুবা শিকড়ের ক্ষতস্থান দিয়ে ঢলে পড়া রোগের জীবানু ঢুকবে এবং শিকড় ক্ষতিগ্রস্থ হলে গাছের বৃদ্ধি দেরীতে শুরু হবে।

বীজের পরিমানঃ  জাত ভেদে শতক প্রতি ২.৫ - ৩ গ্রাম।


সার ব্যবস্থাপনাঃ

শতক প্রতি সারের পরিমাণ 

কম্পোস্ট -৮০  কেজি

ইউরিয়া- ৮০০ গ্রাম

টিএসপি -৭০০ গ্রাম

পটাশ -৬০০ গ্রাম

জিপসী (জিপসাম)- ৪০০ গ্রাম

২০ কেজি গোবর, 

অর্ধেক টিএসপি ও ২০০ গ্রাম পটাশ, 

সমুদয় জিপসাম, দস্তা, বোরণ জমি তৈরির সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। 


অবশিষ্ট গোবর (মাদা প্রতি ৫ কেজি), 

টিএসপি (মাদা প্রতি ৩০ গ্রাম), 

২০০ গ্রাম পটাশ (মাদা প্রতি ২০ গ্রাম), 

সমুদয় ম্যাগনাম (ম্যাগনেসিয়াম) (মাদা প্রতি ৫ গ্রাম) 


চারা রোপণের ৭-১০ দিন পূর্বে প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর ১ম বার ২০০ গ্রাম ইউরিয়া এবং ২০০ গ্রাম পটাশ (মাদা প্রতি ১৫ গ্রাম), ৩০-৩৫ দিন পর ২য় বার, ৫০-৫৫ দিন পর ৩য় বার ২০০ গ্রাম করে ইউরিয়া (মাদা প্রতি ১৫ গ্রাম) প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের ৭০-৭৫ দিন পর ১০০ গ্রাম ইউরিয়া (মাদা প্রতি ১৫ গ্রাম) প্রয়োগ করতে হবে।


মাদার গর্তে বীজ বপন:

প্রতি মাদায় সারিতে ৪-৫ টি বীজ বপন করতে হবে। ৫-৭ দিনের মধ্যেই বীজগুলো গজাবে। চারা গজানোর কয়েকদিন পর প্রতি মাদায় ২-৩ টি সবল গাছ রাখতে হবে।


সেচ:

জমিতে যখনই রসের অভাব হবে তখনই সেচ দিতে হবে। চালকুমড়ার লতা বেশ রসালো ও নরম। তাই মাটি শুকিয়ে গেলে গাছ ঝিমিয়ে পড়ে এবং কচি ফল ও কুঁড়ি ঝরে যায়। শুষ্ক মৌসুমে ৫-৬ দিন পর পর সেচ দিতে হবে। প্রতিবার সেচের পর গাছের গোঁড়ার মাটি চটা বেঁধে গেলে চটা ভেঙে দিতে হবে। বৃষ্টির পর অতিরিক্ত পানি বের করে দিতে হবে।


আগাছা: 

জমি  নিয়মিত জমি পর্যবেক্ষণ করুন । সেচ ও সার দেবার পর জো আসা মাত্র  নিড়িয়ে আগাছা  বাছাই। চারা গজানোর ২০-২৫ দিন পর আগাছা দমন করতে হবে। গাছ খুব ঘন থাকলে পাতলা করে দিতে হবে।চারা অবস্থা থেকে রসুন  গঠনের পূর্ব পর্যন্ত ২ থেকে ৩ বার নিড়ানি দিয়ে জমির আগাছা পরিষ্কার করে দিতে হবে।


পোকামাকড়ঃ

চাল কুমড়ার স্কোয়াশ বাগ পোকা - এগ্রোইমিডা (ইমিডাক্লোরোপ্রিড) জাতীয় কীটনাশক  ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার।


সুড়ঙ্গকারী পোকা দমনে  পেরিথ্রিন ১০ ইসি (সাইপারমেথরিন জাতীয় বালাইনাশক ১০ মিলি/ ১০ লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে সকালের পরে সাঁজের দিকে স্প্রে করুন। স্প্রের পুর্বে খাবারযোগ্য লতা ও ফল পেড়ে নিন। স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সবজি বিষাক্ত থাকবে।


ফলের মাছি পোকা- পেরিথ্রিন ১০ ইসি (সাইপারমেথ্রিন) জাতীয় কীটনাশক ( ১০ মিলি প্রতি ১০লিটার পানিতে  মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।


রেড পামকিন বিটল/ লাল বিটল- পেরিথ্রিন ১০ ইসি (সাইপারমেথ্রিন) জাতীয় কীটনাশক ১০ মিলিলিটার প্রতি ১০লিটার পানিতে  মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার। 

ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।


রোগবালাইঃ

লিফ কার্ল - জমিতে সাদা মাছি দেখা গেলে (বাহক পোকা এগ্রোইমিডা ২০ এস এল  ( ইমিডাক্লোরোপ্রিড) জাতীয়  কীটনাশক  ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে।

গামি স্টেম ব্লাইট রোগ- ম্যাকক্্রগোল্ড 72 ডব্লিউপি ( ম্যানকোজেব 64 + মেটালক্সিল 4) জাতীয় ছত্রাকনাশক  ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম  মিশিয়ে ১০-১২ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে যেতে পারে।

ডাঊনি মিলডিউ রোগ- ম্যাকক্্রগোল্ড 72 ডব্লিউপি ( ম্যানকোজেব 64 + মেটালক্সিল 4) জাতীয় ছত্রাকনাশক ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম  মিশিয়ে ১০-১২ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে যেতে পারে।


ফলনঃ জাত ভেদে শতক প্রতি ফলন ১১০ – ১৩০ কেজি।

-ধন্যবাদ


লাইলাতুল ক্বদর অনুসন্ধান করার বিজোড় রাত সমূহঃ-

 ⭕ লাইলাতুল ক্বদর অনুসন্ধান করার বিজোড় রাত সমূহঃ-


🔲 আরবী মাসের দিন শুরু হয় রাতের মাধ্যমে অর্থাৎ প্রথমে রাত আসে, এরপরে দিন। উদাহরণস্বরূপঃ- আগামীকাল যদি ২৫ তম রোজা হয়ে থাকে, তাহলে ২৫ তম রোজার রাতটি শুরু হবে আজকে মাগরিব থেকে। অর্থাৎ ২৪ তম রোজার দিন শেষ হয়ে যেই রাতটি আসবে সেই রাতটিই হচ্ছে ২৫ তম রোজার রাত।


🔸 ২১ তম রাত্রি - ৩১ শে মার্চ  - রবিবার [দিবাগত রাত]


🔹 ২৩ তম রাত্রি - ০২ ই এপ্রিল - মঙ্গলবার [দিবাগত রাত]


🔸 ২৫ তম রাত্রি - ০৪ ই এপ্রিল - বৃহঃবার [দিবাগত রাত]


🔹 ২৭ তম রাত্রি - ০৬ ই এপ্রিল - শনিবার [দিবাগত রাত]


🔸 ২৯ তম রাত্রি - ০৮ ই এপ্রিল - সোমবার [দিবাগত রাত]


⭕ দিবাগত রাত মানে হচ্ছে দিন শেষে যেই রাতটি আসে।


🔲 রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'য়ালার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের আশায় ক্বদরের রাত্রিতে জাগ্রত থেকে ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে রাত্রি যাপন করবে, মহান আল্লাহ তা'য়ালা তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ্‌ সমূহ ক্ষমা করে দিবেন। [বুখারী- ৩৫]


🔰 আয়িশাহ (র.) বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি যদি ক্বদরের রাত পেয়ে যাই তাহলে আমি কোন দু'আটি পাঠ করবো.? তখন রাসূল (স.) বললেন, তুমি পাঠ করবে-


« اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي »


উচ্চারণঃ- “আল্ল-হুম্মা ইন্নাকা 'আফু'উন কারীম, তুহি্ব্বুল 'আফওয়া ফা'ফু 'আন্নী”


অর্থঃ- “হে আল্লাহ, আপনি পরম ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দিন।” 

[তিরমিযী- ৩৬১৩, ইবনে মাজাহ- ৩৮৫০]


⭕ অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি দোয়া, দোয়াটি ক্বদরের রাত ব্যতীত অন্য যেকোনো সময়ই ইস্তিগফার হিসেবে পাঠ করা যাবে। তাই আমাদের যাদের দোয়াটি মুখস্থ নেই, তারা এখুনি দোয়াটি মুখস্থ করে নিবো ইনশা আল্লাহ.. 💝✅

রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০২৪

ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি নাম সুলতানা রাজিয়া।,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া ৭77

 ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি নাম সুলতানা রাজিয়া। তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের প্রথম নারী শাসক। যুদ্ধক্ষেত্রে একজন দক্ষ সৈনিক হিসেবে তার ছিল সুখ্যাতি। সুলতানা রাজিয়া জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১২০৫ সালে। দৃপ্ত কঠিন ক্ষণজন্মা এই নারীর জীবন প্রদীপ নিভে গিয়েছিল ১২৪০ সালে। রাজকার্য পরিচালনার জন্য নামের আগে সুলতানা না হয়ে সুলতান হওয়াই হয়তো যুক্তিযুক্ত ছিল। সুলতানা রাজিয়ার বাবা শামস-উদ-দীন ইলতুিমশ ছিলেন দিল্লির সুলতান। ১২১০ সাল থেকে ১২৩৬ সাল পর্যন্ত সুলতানি আমলে ইলতুিমশ নিজেও একজন দক্ষ শাসকের খ্যাতি অর্জন করেন। বিভিন্ন অঞ্চলের বিক্ষোভ, বিদ্রোহ দমন করা ছিল তার কাজ। মৃত্যুর আগে নিজের উত্তরাধিকারী মনোনয়নের বিষয়ে সুলতান ইলতুিমশ চিন্তায় পড়ে যান। কারণ ইতিমধ্যে তার বড় ছেলে নাসিরুদ্দিন মাহমুদ মারা গেছেন। সুলতান নিজ সন্তানদের মধ্যে নাসিরুদ্দিনের ওপর বেশি ভরসা করতেন। বাকি যে দুই ছেলে আছেন তাদের কেউই সিংহাসনে বসার যোগ্য ছিলেন না। এমন অবস্থায় চিন্তায় পড়ে গেলেন সুলতান। এরই মধ্যে তার জ্যেষ্ঠ মেয়ে রাজিয়া বেশ বুদ্ধিমতী, চৌকস, প্রজাপ্রীতি ও যুদ্ধকৌশল শিখে গেছেন। তখন রাজ্য চালানোর দায়িত্ব মেয়ে সুলতানার ওপর দিয়ে নির্ভার হন।


ইলতুৎমিশের মৃত্যুর পর নারীবিদ্বেষী আমির-ওমরাহগণ রাজিয়ার বিরোধিতা শুরু করেন। তাদের যুক্তি হলো, ইলতুৎমিশের পুত্র থাকার কারণে কন্যা উত্তরাধিকারী হতে পারে না। উত্তরাধিকারসূত্রে জেষ্ঠ্য পুত্র সিংহাসনে স্থলাভিষিক্ত হন। কিন্তু সুলতান ইলতুৎমিশ উইলে রাজিয়াকে উত্তরাধিকারী মনোনীত করায় তার ভাইয়েরা কোন আপত্তি করতে পারেননি। কিন্তু নারী শাসনের বিরোধী আমির-ওমরাহগণ প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেন। ফলে রাজিয়া তার অধিকার ছেড়ে দেন। তার সৎভাই রুকুনুদ্দিনকে সুলতান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। রুকুনুদ্দিন রাজকার্যে অবহেলা করে বিলাসিতায় দিন যাপন করতে থাকেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হলে আমির-ওমরাহগণ রাজিয়াকে সুলতানা হিসেবে মেনে নিতে রাজি হলেন। কিন্তু প্রাসাদ ষড়যন্ত্র করে রুকুনুদ্দিনের মা রাজিয়াকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু এই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়। এই ষড়যন্ত্রের কথা জানার পর সভাসদেরা রাজিয়া সুলতানার প্রতি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করেন।

১২৩৬ খ্রিষ্টাব্দে রাজিয়া সুলতানা সিংহাসনে বসেন। রাজিয়া একজন বিচক্ষণ ও দক্ষ শাসক ছিলেন। তার সময়ে দাসবংশের শাসনকাল খুব সুদৃঢ় হয় এবং রাজ্যের সর্বত্র শান্তি ও নিরাপত্তা বিরাজ করে। তার সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে উন্নতি সাধিত হয়। তিনি যাতায়াতের সুবিধার্থে রাস্তা-ঘাট নির্মাণ করেন। রাস্তার দুই পাশে বৃক্ষ লাগানো হয় এবং পানি সরবরাহের জন্য অসংখ্য কুয়ো খনন করা হয়। তিনি সাহিত্যিক, শিল্পী ও কারিগরদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। তার শাসনামলে সঙ্গীত ও চিত্রকলারও প্রভূত বিকাশ সাধিত হয়। রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বিদ্যোৎসাহী ছিলেন এবং নারীদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের লক্ষে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তিনি কবি ছিলেন এবং কুরআন পাঠ করতে পারতেন।

রাজিয়া সুলতানা অন্তঃপুরিকা ছিলেন না। তিনি প্রকাশ্য দরবারে রাজকীয় পোশাক পরিধান করে সিংহাসনে আরোহন করতেন। তিনি কোন ঘোমটা ব্যবহার করতেন না। পুরুষের বেশে তিনি আলখাল্লা এবং পাগড়ি পরে জনসম্মুখে আসতেন। তিনি সভাসদ, আমির-ওমরাহদের রাজ্য শাসন প্রসঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতেন এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করে আইন বা নির্দেশ জারি করতেন। তিনি দক্ষ অশ্বারোহী ছিলেন এবং বর্ম ও শিরস্ত্রাণ পরে যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করতেন। দুর্ভাগ্যবশত রাজিয়া সুলতানার খোলামেলা রাজকীয় আচার-আচরণ রক্ষণশীল আমিরগণ মোটেই পছন্দ করতেন না। তিনি খুবই উদার ও জনদরদি শাসক ছিলেন। তিনি হিন্দুদের ওপর অর্পিত বর্ধিত কর বিলোপ করেন; কিন্তু তার এই পদক্ষেপ অনেক আমির মোটেও পছন্দ করেননি।

রাজিয়া সুলতানা জামালুদ্দিন ইয়াকুত নামের অতুর্কি বংশোদ্ভুত এক ব্যক্তিকে পছন্দ করতেন এবং তাকে আস্তাবলের প্রধান নিযুক্ত করেন। এই পদটি তুর্কি বংশোদ্ভূত কোন প্রভাবশালী ব্যক্তির জন্য নির্দিষ্ট ছিল। ঐতিহাসিকগণ বলেন যে, জামালুদ্দিনের প্রতি রাজিয়ার এমন দুর্বলতা ছিল যে, তিনি শাসনকার্য পরিচালনায় কেবলই তার পরামর্শ গ্রহণ করতেন। অনেকে তাকে রাজিয়া সুলতানার প্রেমিক বলে অভিহিত করেন। জামালুদ্দিন ইয়াকুতের প্রতি মাত্রাধিক দুর্বলতা ও তাকে অধিক সুযোগ-সুবিধা দানের জন্য আলতুনিয়া নামের একজন গভর্নর রাজিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করেন। জামালুদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে রাজিয়া সুলতানা অশ্বপৃষ্ঠে চেপে যুদ্ধযাত্রা করেন। কিন্তু বিদ্রোহী দলে অধিকসংখ্যক সৈন্য জামালুদ্দিন ও রাজিয়া পরাজিত হন। জামালুদ্দিন যুদ্ধে নিহত হন এবং রাজিয়া আলতুনির হাতে বন্ধি হন। দিল্লিতে আমির-ওমরাহগণ রাজিয়ার এই বিপর্যয়ের সংবাদ পেয়ে তার সৎভাইকে সুলতান হিসেবে ঘোষণা দেন। এদিকে বন্ধি অবস্থায় রাজিয়া আলতুনিয়াকে বিয়ে করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ১২৪০ খ্রিষ্টাব্দে নিজের এবং আলতুনিয়ার সৈন্যবাহিনীসহ রাজকীয় বাহিনী দিল্লি অভিমুখে যাত্রা করেন। কিন্তু দিল্লির উপকণ্ঠে নতুন সুলতানের বাহিনীর সঙ্গে আলতুনিয়া ও রাজিয়ার বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষে রাজিয়া পরাজিত ও নিহত হন। এজন্য রাজিয়াকে বীর রানী বলা যায়। দিল্লির উপকণ্ঠে একটি সমাধি নির্মাণ করে সুলতানা রাজিয়াকে সমাহিত করা হয়।


১২৩৬ সাল থেকে ১২৪০ সাল পর্যন্ত মোট চার অথবা সাড়ে চার বছর রাজিয়া ভারতবর্ষ শাসন করেছিলেন। ভারতবর্ষের সমৃদ্ধ ইতিহাসের ভিড়ে এই সময়টুকুর কথা হয়তো তেমন আলোচনাতেই আসতো না। কিন্তু সম্রাজ্ঞী রাজিয়া সুলতানা নিজ যোগ্যতাবলেই এই সময়টুকুকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে পেরেছিলেন। ভারতবর্ষের প্রথম নারী সুলতান হিসেবে অবশ্যই তিনি নিজেকে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করছেন। কারণ একজন নারী হিসেবে তিনি যে সময় সিংহাসনে বসেছিলেন, সে সময় তা কল্পনাও করা যেতো না। ইসলাম ও ভারতবর্ষের ইতিহাসে যে কয়জন নারী খুব বেশি আলোচিত হন, রাজিয়া সুলতানা তাদের মধ্যে অন্যতম, যিনি শুধুমাত্র নিজ যোগ্যতাবলে ভারতবর্ষের পরাক্রমশালী সব রাজা, মহারাজা, বাদশাহ আর সম্রাটদের পাশে নিজের অবস্থান গড়ে নিতে পেরেছিলেন। আর তাই ভারতবর্ষের শাসকদের তালিকায় আজও তার নামটি নক্ষত্রের মতই জ্বলজ্বল করছে।


শাসক হিসেবে কেমন ছিলেন রাজিয়া? এ প্রশ্নের উত্তরে দ্বিধাহীনভাবে বলা যায়, তিনি একাধারে একজন দক্ষ প্রশাসক আর সেনাপতি হিসেবে নিজের গুরুত্ব তুলে ধরতে পেয়েছিলেন। তিনি ছিলেন মেধাবী, বুদ্ধিমতী, রূপবতী এবং পরিশ্রমী। পিতা ইলতুৎমিশ যখন যুদ্ধের জন্য রাজধানী ত্যাগ করতেন, তখন মূলত রাজ্য পরিচালনা করতেন তার কন্যা এই রাজিয়াই। সত্যিকার অর্থে রাজপরিবারে সেই সময় রাজিয়ার চেয়ে যোগ্য আর দক্ষ কেউ ছিলেন না। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রেও নিজের সাহসিকতা প্রদর্শন করতে পেরেছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রে হাতির পিঠে চড়ে একেবারে সামনে থেকে তিনি যুদ্ধের নেতৃত্ব দিতেন।


তার মৃত্যু নিয়ে বেশ কয়েকটি কথা রয়েছে। একটি পক্ষ দাবি করেছেন, ১২৪০ পলায়নকালে তার একজন ভৃত্য যে কিনা এই চক্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল, তাকে খাদ্যে বিষ দিয়ে হত্যা করে। এই ভৃত্যই তাকে আশ্রয় দিয়েছিল।


আরেকটি পক্ষ দাবি করেছেন, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে ক্লান্ত আর ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাজিয়া এক কৃষকের বাড়িতে আশ্রয় নেন। খাওয়া-দাওয়ার পর তিনি ঘুমালে কৃষক তার শরীরে


রাজকীয় পোশাক দেখতে পায়। পোষাকে প্রচুর রত্ন লাগানো ছিলো। কৃষক সহজেই বুঝে যায় তাঁর সামনে ঘুমিয়ে থাকা নারী সাধারণ কেউ নন। কৃষকটি ধন-সম্পদের লোভে পড়ে ঘুমন্ত রাজিয়াকে হত্যা করে এবং রত্ন নিয়ে পালিয়ে যায়।


সৌজন্যে – ইতিহাসের পাতা


হাইওয়ে পুলিশের কথা ২০২৪ ঈদ উপলক্ষে

 যারা ঈদে বাড়ি ফিরবেন তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা। সম্প্রতি একটা কেমিক্যাল এর ব্যবহার তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে কিছু অসৎ মানুষের হাতে পড়েছে। কেমিক্যাল টার নাম হচ্ছে স্কোপোলামিন। এটা সাধারণত সাড়ে তিন ফিট দূর থেকেও বাতাসের মাধ্যমে একজন মানুষকে আসক্ত করতে পারে। এই কেমিক্যালটা আমাদের ন্যাসাল রুটের মাধ্যমে যখন ভেতরে প্রবেশ করে তখন মানুষের মস্তিষ্কের প্রাইমারি ইনিশিয়াল স্টেজ অফ থিংকিং সহজ বাংলায় বললে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। যে কারণে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে সামনে থাকা মানুষের নাচের পুতুলে পরিণত হয়। তখন আপনাকে ওই লোক যা কমান্ড দেবে আপনি সেটাই করবেন। এটা থেকে বাঁচতে আমি কিছু বিষয়ের কথা বলছি এগুলো মাথায় রাখবেন।


১. অপরিচিত কারো থেকে কোন কিছু খাবেন না সে যত ভালই মনে হোক না কেন।


২. সব সময় মাস্ক পরবেন।


৩. আপনার মুখের সামনে অপরিচিত কোন লোকের হাত আনতে দিবেন না হাতটা আপাত দৃষ্টিতে খালি মনে হলেও।


৪. যেন তারা লোকের কাছ থেকে মাস্ক কিনবেন না।


৫. একা যাত্রী হয়ে কোন গাড়িতে উঠবেন না।


৬. সিটে অথবা সিটের আশেপাশে পড়ে থাকা পানি কখনোই চোখে মুখে দিবেন না।


৭. অপরিচিত কোন লোক আপনার এড্রেস জানার জন্য কোন কাগজ হাতে দিতে চাইলে সেটা ধরবেন না।


৮. কোন কাগজ ঠিকানা দেখার বাহানা করে আপনার চোখের সামনে আনতে দেবেন না।


৯. গাড়ির ভেতরে কেউ আপনাকে মুখ দিয়ে বাতাস করার সাথে সাথে চিৎকার করে উঠবেন। আশেপাশে থাকা সবাইকে অবহিত করবেন যে আমি যদি অজ্ঞান হয়ে যাই তার জন্য আমার এই পাশে বসা লোক দায়ী।


১০. দেখতে একেবারে হুজুর, দেখে মনে হবে মৃত্যুর পরে ১০ হাজার ফেরেশতা ওনাকে গার্ডও বনা দেবে এরকম কোন লোক ইফতারের সময় ইফতার অথবা খেজুর দিলে খাবেন না। অনেক সময় মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য ছোলা এবং মুড়ির ভেতরে কোন কিছু দেওয়া থাকে না। সেটা আগে নিজেরা খেয়ে মানুষকে বিশ্বাস অর্জন করে ওটার মাঝখান দিয়ে হয়তো খেজুর অথবা পানির ভেতরে কিছু দিয়ে দিতে পারে।


১১. গাড়ির ভেতরে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করবেন না মনে রাখবেন গাড়ি থেকে নেমে গেলেই আপনাদের বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাবে তার চাইতে ভালো গাড়ির ভেতরে বন্ধুত্ব নাই হোক।

১২. মাস্ক বিষয়ে সতর্ক হবেন অবশ্যই কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করবেন


১৩. আমার মোবাইলে ঘড়ির টাইমটা একটু ঠিক করে দেন এ কথা বলে হাতে কোন মোবাইল দিতে চাইলে সেটা নিবেন না। কারন স্কোপোলামিন আপনার হাতে লাগলে আপনি মনের অজান্তেই কখনো মুখের কাছে নেবেন এটা একটা স্বাভাবিক। আর ওটার জন্যই ফাঁদ পেতে ওয়েট করবে ওই লোক।



এই গাছ চাষ করুন আর হয়ে যান কোটিপতি!,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আর নয় চাকুরি অথবা ব্যবসা, এই গাছ চাষ করুন আর হয়ে যান কোটিপতি!

জেট্রোফা গাছ। বিশেষ এই গাছের বীজ থেকে বায়ো ডিজেল পাওয়া যায়। 

উর্বর, অনুর্বর যে কোনো জমিতে এই গাছের বীজ বপন করতে হবে। এরপর এই জেট্রোফা গাছকে চাষ করতে হবে। এর জন্য খুব বেশি লাঙল, সেচ ও অর্থের প্রয়োজন হয় না। এর বীজও বাজারে বেশ সহজলভ্য। একবার এই গাছটি বপন করা হলে প্রথম ৪ থেকে ৬ মাসই প্রয়োজন হয় এই গাছ যত্নের। এরপর যখন গাছ হয়, তখন এটি বছরের পর বছর ধরে বীজ দিতে থাকে।

আর এই বীজ থেকে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ তেল বের করা যায়। এরপর এই জেট্রোফা বীজ থেকে প্রাপ্ত তেলের প্রায় ১৮ শতাংশের সঙ্গে প্রকৃত ডিজেল মিশিয়ে তৈরি করা হয় ‘বায়ো ডিজেল’। বিশেষ এই বায়োডিজেল হল প্রচলিত বা ‘জীবাশ্ম’ জ্বালানির বিকল্প জ্বালানি। এই বায়োডিজেল এক দিকে যেমন পরিবেশের জন্যে ক্ষতিকারক নয় তেমনি অন্যদিকে এর চাহিদাও প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তাই এই চাষ কর আপনি ডিজেল বানিয়ে লিটার হিসেবে বিক্রি করে এক বিঘা জমি হতে নিট তিন লাখ টাকা লাভ করতে পারেন।



মুসলিম সম্প্রদায় কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মুসলিম সম্প্রদায় কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১) সুন্নী মুসলমান

২) শিয়া মুসলমান

৩) খাওয়ারিজ মুসলমান

আবার সুন্নীকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১) হানাফী মুসলমান

২) Hanbali মুসলমান

৩) Maliki মুসলমান

৪) Shafii মুসলমান

শিয়া সম্প্রদায়ের কে ৩ ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।

১) Isma Ilism মুসলমান

২) Jafri মুসলমান

৩) Zaidiyyah মুসলমান

শিয়া সম্প্রদায় থেকে বিভক্ত 

Isma Ilism  মুসলমান সম্প্রদায়কে

 কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১) Sevener মুসলমান

২) Nizari মুসলমান

৩)  Mustali মুসলমান

Isma Llism থেকে বিভক্ত হয়ে যাওয়া 

Sevener 

Nizari 

Mustali

এদের কেও তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১) Sevener মুসলিম সম্প্রদায়ের নিচে হচ্ছে Qaramita মুসলিম সম্প্রদায়।

২) Nizari মুসলিম সম্প্রদায়ের নিচে হচ্ছে Druze মুসলিম সম্প্রদায়।

৩) Mustali মুসলিম সম্প্রদায়ের নিচে হচ্ছে Tyyibi মুসলিম সম্প্রদায়।

শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের ২ নং বিভক্ত Jafri কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে

১)  Twelver মুসলিম সম্প্রদায়

২) Alawi মুসলিম সম্প্রদায়

৩) Alevi মুসলিম সম্প্রদায়

শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের থেকে বিভক্ত হয়ে যাওয়া Jafri আবার Jafri থেকে বিভক্ত হয়ে যাওয়া Twelver সম্প্রদায় কে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১) Akbari মুসলিম সম্প্রদায়

২) Usuli মুসলিম সম্প্রদায়

শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের তৃতীয় বিভক্ত হলো

১) Zaidiyyah মুসলিম সম্প্রদায়

ইসলামের তৃতীয় বিভক্ত সম্প্রদায় হচ্ছে

১) Khawarji মুসলিম সম্প্রদায়

Khawarji সম্প্রদায়কে একটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে

১) Ibadiyya মুসলিম সম্প্রদায়

Ibadiyya সম্প্রদায় কে আবার ২ ভাগে ভাগ হয়েছে।

১) Nukkur মুসলিম সম্প্রদায়

২) Azzabas মুসলিম সম্প্রদায়

সর্বমোট ২৩ টি বিভক্ত সম্প্রদায় 


আলহামদুলিল্লাহ।


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ৩১-০৩-২০২৪ ।,,,,

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ৩১-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


এবারের ঈদ-উল-ফিতরের জন্য শেষ হলো ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি - ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নানা পদক্ষেপ সরকারের।


আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না এমপিরা - বলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।


তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে মিয়ানমারের আরও ৩ সেনাসদস্য, শিগগিরই সেদেশের সকল সামরিক সদস্যকে নৌপথে ফেরত পাঠানো হবে - জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 


পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে ভাঙ্গা-রূপদিয়া রুটে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল শুরু। 


গাজায় যুদ্ধ বিরতির জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রথম বিবৃতির পর আজ কায়রোতে পুনরায় শুরু হচ্ছে ইসরাইল-হামাস বৈঠক।


ঢাকায় বাংলাদেশ ও সফররত অষ্ট্রেলিয়া নারী দলের মধ্যে ৩ ম্যাচ টি টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হচ্ছে আজ।

শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ৩০-০৩-২০২৪ ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ৩০-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


সারাদেশে জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা - আজ শেষ হচ্ছে ঈদে ঘরমুখী ট্রেন যাত্রার অগ্রিম টিকেট বিক্রি - তেসরা এপ্রিল থেকে মিলবে ফিরতি যাত্রার টিকেট।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‍উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি বিএনপির রাজনীতিকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।


মু্ক্তিযোদ্ধার ছদ্মবেশে পাকিস্তানের হয়ে কাজ করেছেন জিয়াউর রহমান - মন্তব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।


জুন মাসের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে দশ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে - জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। 


ভুটানের রাজার আমন্ত্রণে সেদেশে সফর করছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


গাজায় ইসরায়েলের হামলায় গত ২৪ ঘন্টায় কমপক্ষে ৭১ জন ফিলিস্তিনী নিহত।


আজ চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যেকার দ্বিতীয় ও শেষ ক্রিকেট টেস্ট।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

নার্গিস কে লেখা কাজী নজরুল ইসলাম এর চিঠি ,,,,,,,। ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নার্গিস কে লেখা কাজী নজরুল ইসলাম এর চিঠি


কল্যাণীয়াসু,


♥️তোমার পত্র পেয়েছি সেদিন নব বর্ষার নবঘন-সিক্ত প্রভাতে। মেঘ মেদুর গগনে সেদিন অশান্ত ধারায় বারি ঝরছিল। পনের বছর আগে এমনি এক আষাঢ়ে এমনি এক বারিধারায় প্লাবন নেমেছিল, তা তুমিও হয়তো স্মরণ করতে পারো। আষাঢ়ের নব মেঘপুঞ্জকে আমার নমস্কার। এই মেঘদূত বিরহী যক্ষের বাণী বহন করে নিয়ে গিয়েছিল কালিদাসের যুগে, রেবা নদীর তীরে, মালবিকার দেশে, তার প্রিয়ার কাছে। এই মেঘপুঞ্জের আশীর্বাণী আমার জীবনে এনে দেয় চরম বেদনার সঞ্চার। এই আষাঢ় আমায় কল্পনার স্বর্গলোক থেকে টেনে ভাসিয়ে দিয়েছে বেদনার অনন্ত স্রোতে। যাক, তোমার অনুযোগের অভিযোগের উত্তর দেই। তুমি বিশ্বাস করো, আমি যা লিখছি তা সত্য। লোকের মুখে শোনা কথা দিয়ে যদি আমার মূর্তির কল্পনা করে থাকো, তাহলে আমায় ভুল বুঝবে-আর তা মিথ্যা।


তোমার উপর আমি কোনো ‘জিঘাংসা’ পোষণ করিনা-এ সকল আমি অন্তর দিয়ে বলছি। আমার অন্তর্যামী জানেন তোমার জন্য আমার হৃদয়ে কি গভীর ক্ষত, কি অসীম বেদনা! কিন্তু সে বেদনার আগুনে আমিই পুড়েছি, তা দিয়ে তোমায় কোনোদিন দগ্ধ করতে চাইনি। তুমি এই আগুনের পরশমানিক না দিলে আমি ‘অগ্নিবীণা’ বাজাতে পারতাম না।


আমি ধুমকেতুর বিস্ময় নিয়ে উদিত হতে পারতাম না।তোমার যে কল্যাণ রূপ আমি আমার কিশোর বয়সে প্রথম দেখেছিলাম, যে রূপকে আমার জীবনের সর্বপ্রথম ভালবাসার আঞ্জলি দিয়েছিলাম, সে রূপ আজো স্বর্গের পারিজাত-মন্দারের মতো চির অম্লান হয়েই আছে আমার বক্ষে। অন্তরের সে আগুন-বাইরের সে ফুলহারকে স্পর্শ করতে পারেনি ।


তুমি ভুলে যেওনা আমি কবি, আমি আঘাত করলেও ফুল দিয়ে আঘাত করি। অসুন্দর কুৎসিতের সাধনা আমার নয়। আমার আঘাত বর্বর কাপুরুষের আঘাতের মতো নিষ্ঠুর নয়। আমার অন্তর্যামী জানেন (তুমি কি জান বা শুনেছ জানিনা) তোমার বিরুদ্ধে আজ আমার কোন অনুযোগ নেই, অভিযোগ নেই, দাবীও নেই।


তোমার আজিকার রূপ কি জানিনা। আমি জানি তোমার সেই কিশোরি মুর্তিকে, যাকে দেবীমূর্তির মতো আমার হৃদয় বেদীতে অনন্ত প্রেম, অনন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলাম। সেদিনের তুমি সে বেদী গ্রহণ করলেনা। পাষাণ দেবীর মতই তুমি বেছে নিলে বেদনার বেদিপাঠ … জীবন ভরে সেখানেই চলেছে আমার পূজা আরতি। আজকার তুমি আমার কাছে মিথ্যা, ব্যর্থ; তাই তাকে পেতে চাইনে। জানিনে হয়ত সে রূপ দেখে বঞ্চিত হব, অধিকতর বেদনা পাব, তাই তাকে অস্বীকার করেই চলেছি।


দেখা? না-ই হ’ল এ ধূলির ধরায়। প্রেমের ফুল এ ধূলিতলে হয়ে যায় ম্লান, দগ্ধ, হতশ্রী। তুমি যদি সত্যিই আমায় ভালবাস আমাকে চাও ওখান থেকেই আমাকে পাবে। লাইলি মজনুকে পায়নি, শিরি ফরহাদকে পায়নি, তবু তাদের মত করে কেউ কারো প্রিয়তমাকে পায়নি। আত্মহত্যা মহাপাপ, এ অতি পুরাতন কথা হলেও প্রেম সত্য। আত্মা অবিনশ্বর, আত্মাকে কেউ হত্যা করতে পারেনা। প্রেমের সোনার কাঠির স্পর্শ যদি পেয়ে থাকো, তাহলে তোমার মতো ভাগ্যবতী আর কে আছে? তারি মায়া স্পর্শে তোমার সকল কিছু আলোয় আলোময় হয়ে উঠবে।


দুঃখ নিয়ে এক ঘর থেকে অন্য ঘরে গেলেই সেই দুঃখের অবসান হয়না। মানুষ ইচ্ছা করলে সাধনা দিয়ে, তপস্যা দিয়ে ভুলকে ফুল রূপে ফুটিয়ে তুলতে পারে। যদি কোনো ভুল করে থাক জীবনে, এই জীবনেই তাকে সংশোধন করে যেতে হবে; তবেই পাবে আনন্দ মুক্তি; তবেই হবে সর্ব দুঃখের অবসান। নিজেকে উন্নত করতে চেষ্টা করো, স্বয়ং বিধাতা তোমার সহায় হবেন। আমি সংসার করছি, তবু চলে গেছি এই সংসারের বাধাকে অতক্রম করে উর্ধ্ব লোকে। সেখানে গেলে পৃ্থিবীর সকল অপূর্ণতা, সকল অপরাধ ক্ষমা সুন্দর চোখে পরম মনোহর মূর্তিতে দেখা যায়।


… হঠাৎ মনে পড়ে গেল পনর বছর আগের কথা। তোমার জ্বর হয়েছিল, বহু সাধনার পর আমার তৃষিত দুটি কর তোমার শুভ্র ললাট স্পর্শ করতে পেরেছিল; তোমার তপ্ত ললাটের স্পর্শ যেন আজো অনুভব করতে পারি। তুমি কি চেয়ে দেখেছিলে? আমার চোখে ছিলো জল, হাতে সেবা করার আকুল স্পৃহা, অন্তরে শ্রীবিধাতার চরণে তোমার আরোগ্য লাভের জন্য করুন মিনতি। মনে হয় যেন কালকের কথা। মহাকাল যে স্মৃতি মুছে ফেলতে পারলেন না। কী উদগ্র অতৃপ্তি, কী দুর্দমনীয় প্রেমের জোয়ারই সেদিন এসেছিল। সারা দিন রাত আমার চোখে ঘুম ছিল না ।


যাক আজ চলেছি জীবনের অস্তমান দিনের শেষে রশ্মি ধরে ভাটার স্রোতে, তোমার ক্ষমতা নেই সে পথ থেকে ফেরানোর। আর তার চেষ্টা করোনা। তোমাকে লিখা এই আমার প্রথম ও শেষ চিঠি হোক। যেখানেই থাকি বিশ্বাস করো আমার অক্ষয় আশির্বাদ কবচ তোমায় ঘিরে থাকবে। তুমি সুখি হও, শান্তি পাও, এই প্রার্থনা। আমায় যত মন্দ বলে বিশ্বাস করো, আমি তত মন্দ নই, এই আমার শেষ কৈফিয়ৎ।♥️


ইতি-

নিত্য শুভার্থী


পোস্টদাতা--( বিপাশা ইসলাম)

পেজ লিংক----👇👇👇👇👇

https://www.facebook.com/profile.php?id=100082696543842


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...