এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৬ মে, ২০২৪

মানসিক ভাবে ভালো থাকার উপায়

 **মানসিক ভাবে ভালো থাকার উপায়**

    গরু আমাদের দুধ দেয় না, আমরা কেড়ে নি। গাধাও মোট বয় না, ধোপারা এককালে জোর করে কাজটি করাতো। হিসেব মত সিংহীও দুধ দেয়, সিংহও ওজন বইতে সক্ষম। কিন্তু সিংহকে দিয়ে ওসব করানো মানুষের ক্ষমতার বাইরে।


ওই জন্য একটু বোকা আর ভালো মানুষদের গরু কিংবা গাধার সাথে তুলনা করা হয়। এই দুটো প্রাণীর নামে কোনো মানুষকে ডাকা মানে সেটা অপমান করা। কিন্তু কাউকে সিংহ বললে সে উল্টে গর্ববোধ করবে। সেই সিংহ, যে আজ অবধি মানুষের উপকার করল না, যার সামনে মানুষ গেলে মুহূর্তের মধ্যে পরপারে চলে যাবে, সেই সিংহ হচ্ছে মানুষের চোখে রাজা। উপকারী গাধা হচ্ছে হাসির বস্তু।


অতিরিক্ত ভালো হওয়ার সমস্যাই এটা। অতিরিক্ত ভালো মানুষরা কারোর কাছে গুরুত্ব পায় না। তুমি নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ করতে থাকো, ভালো মনে কারোর ক্রমাগত উপকার করতে থাকো, আঘাতের পর আঘাত সহ্য করেও হাসিমুখে কাউকে ভালোবাসতে থাকো, তুমি তার চোখে 'গাধা' ছাড়া আর কিছুই হবে না। যদি মনে করো সে একদিন এগুলোর মূল্য বুঝবে, তাহলে তুমি সত্যিই গাধা। কারুর কাছে নিজের দাম পেতে গেলে একবার অন্তত সিংহের মত হতেই হয় ।


মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আপনার টাকা রয়ে যায়। দান করবেন বলে কথা দিয়েও হয়তো কয়েকজনকে দেন নাই অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না। 


নিরেট সত্যটি হচ্ছে-অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে দীর্ঘ জীবন লাভ করা বেশি জরুরি। তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ্য জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়া উচিত।

      আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায় :

           দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়।

মাদক ব্যাবসা করতো বা করে বা ভালো হয়ে গিয়েছে এমন  বন্ধু বা পরিচিত কাউকে কখন ও বিশ্বাস করবেন না । এরা বেইমানী করবেই কারনে অকারনে ।

একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না।


প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

     কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।

      সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্যই। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন, বছরে একবারও আপনার জন্য প্রার্থনা করার সময় তাদের হবে না। এমনকি বেঁচে থাকতেই আপনার অর্থের প্রাচুর্যে বেড়ে ওঠা মানুষগুলো আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে ছুড়ে আসতে পারে। তাই বেঁচে থাকতেই ১০০% এর সুরক্ষা এবং পূর্ণ সদ্ব্যবহার করাই শ্রেয়।


করণীয় কী ?

১) অসুস্থ না হলেও মেডিকেল চেকআপ করুন।

২) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।

৩) মানুষকে ক্ষমা করে দিন।

৪) রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।

৫) পিপাসার্ত না হলেও জল পান করুন।

৬) সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।

৭) যতই বয়স হোক না আর ব্যস্ত থাকুন না কেন, জীবনসঙ্গীকে মাঝে মাঝে নিরিবিলি কোথাও নিয়ে হাত ধরে হাঁটুন, হোটেলে খাওয়াতে না পারলে বাদাম বা ঝালমুড়ি খান। আর তাকে বুঝতে দিন, সেই আপনার সবচেয়ে আপন। কারণ, আপনার সবরকম দুঃসময়ে সেই পাশে থাকে বা থাকবে।

৮) ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।

৯) আর্থিক সঙ্গতি থাকলে আর সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে নিজের দেশ এমনকি ভিন্নদেশকে দেখতে বেড়িয়ে পড়ুন। দান করুন ।

১০) ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন।

১১) মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয় ,রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না। বৃষ্টির জলে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১০ মিনিট হলেও শরীরে রোদ লাগাবেন।

১২) মহাব্যস্ত থাকলেও নিয়মিত ব্যায়াম করুন আর ৩০ মিনিট হাঁটুন। আর মহান সৃষ্টিকর্তাকে নিয়মিত  স্মরণ করুন। মিথ্যা ত্যাগ করুন ।

১৩.সর্বদা হাসিখুশি থাকুন। সুযোগ পেলেই কৌতুক পড়বেন। পরিবারের সবার সঙ্গে মজার ঘটনাগুলো শেয়ার করবেন। মাঝে মাঝে প্রাণবন্ত ভাবে  হাসবেন।

১৪) সবার সাথে মিশবেন ছোটো বড় ভাববেন না।

--------------


আমাদের আরো পোস্ট পেতে পেজটিতে ফলো দিয়ে সাথে থাকুন

যেভাবে কুশারী থেকে ঠাকুর হলেন...সাজেদ রহমান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রবীন্দ্রনাথ 

যেভাবে কুশারী থেকে ঠাকুর হলেন...


পশ্চিম বাংলার বর্ধমান জেলার কুশ গ্রাম থেকে কুশারী বংশের উদ্ভব। রাজা বল্লাল সেনের সময় গ্রামটি ছিল সমৃদ্ধশালী। এই গ্রামেই কুশারী পরিবারের বাস। কুশারীরা মুলত ব্রাক্ষণ ছিলেন। ক্রমে ক্রমে বংশ বৃদ্ধি পেতে থাকে তাদের, এরপর তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে বাঁকুড়া জেলার সোনামুখীতে, যশোরের অধুনা পিঠাভোগে, ঢাকার কয়কীর্তনে, যশোরের ঘাটভোগ-দামুড়হুদা গ্রামে। তবে রবীন্দ্রনাথের পূর্ব পুরুষরা পিঠাভোগের কুশারী। খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে একাদশ শতকের মধ্যে আদিশুরের রাজস্বকারে বৌদ্ধ প্রভাবাচ্ছন্ন বঙ্গদেশের হিন্দু ধর্মের ফিরিয়ে আনতে এ প্রধান্য বিস্তারের অভিপ্রায়ে কণ্যাকুঞ্জ থেকে যে পঞ্চ ব্রাক্ষণ্যের আবির্ভার ঘটে তাদের মধ্যে শাল্ল্যি গোত্রীয় ক্ষিতিশ ছিলেন অন্যতম। পিঠাভোগের কুশারীরা ও শাল্ল্যি গোত্রীয় ক্ষিতিশের বংশজাত ব্রাক্ষণের ধারাবাহিক উত্তর পুরুষ। কথিত আছে ভট্টনারায়ণের পুত্র দ্বীননাথ শাল্ল্যি গোত্রীয় শ্রেণির ব্রাক্ষণ মহারাজ ক্ষিতিশের অনুগ্রহে বর্ধমান জেলার ‘কুশ’ গ্রামে দান স্বত্ব লাভ করে কুশারী গোত্রভুক্ত হন।(বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস, ব্রাক্ষণ কান্ড, পৃষ্ঠা ১২১)। সেখান থেকে রবি ঠাকুরের পূর্ব উপাধি কুশারী হয়।(রবীন্দ্র জীবনী ১ম খন্ড, প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়) কালক্রমে যশোর অধুনা খুলনার রুপসা উপজেলার পিঠাভোগ গ্রামে আবাসভূমি গড়ে উঠে।


রবি ঠাকুরের দক্ষিণ ডিহির মাতৃকুলের রায় চৌধুরী বংশের সাথে কবির আদি পুরুষ পিঠাভোগের কুশারী বংশের আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে উঠে।


.....জগন্নাথ কুশারীর পরবর্তী বংশধর পঞ্চানন কুশারী মত পার্থক্যের কারণে দক্ষিণ ডিহি ত্যাগ করে কলকাতার গঙ্গাতীরে কালিঘাটের গোবিন্দপুর গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। পিঠাভোগ থেকে আসা পঞ্চানন কুশারীকে স্থানীয়রা ভক্তিতে গ্রহণ করেন। ইংরেজরা তখন আজকের কলকাতার শহরের গোড়াপত্তন করছিলেন। স্থানীয়রা তাদের মুখপাত্র হিসাবে পঞ্চানন কুশারীকে ইংরেজদের সাথে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রাখতে অনুরোধ করে। কুশারীরা ছিল ব্রাক্ষণ। স্থানীয় রুচিবান মানুষেরা ব্রাক্ষণ পঞ্চাননকে সম্মান করে ‘ঠাকুর’ বলে ডাকতো। এই ভাবেই পিঠাভোগের কুশারী কলকাতায় ঠাকুর হিসাবে পরিচিত পান। ঠাকুর হওয়ার পিছনে আরও কাজ করে ওই সময় ভাগীরথী নদীতে ইংরেজদের বাণিজ্য তরী ভীড়তো। সেই বাণিজ্য তরীর মালামাল উঠানো এবং নামানোর ঠিকাদার এবং খাদ্য সামগ্রী সরবরাহের ব্যবসা করতেন পঞ্চানন কুশারী। এ কাজে নিয়জিত শ্রমিকেরা কুশারীকে শ্রদ্ধা ভরে ঠাকুর মহাশয় বলে ডাকতো। জাহাজের ক্যাপ্টেনদের কাছেও তিনি ঠাকুর বলে পরিচিত পেয়ে যান। তাদের কাগজপত্রে TAGORE লেখা হতো। এখান থেকেই ঠাকুর উপাধির প্রচলন।....যাইহোক দীর্ঘকাল ইংরেজদের সঙ্গে মেলামেশার ফলে ‘টেগোর’ উচ্চারণটি স্থানী রুপ লাভ করে। বিশ শতকে এসে সব টেগোরই ইংরেজি বাংলা উভয় ভাষাই ঠাকুর হলেন। ব্যতিক্রম শুধু রবীন্দ্রনাথ। তিনি বাংলা ভাষায় ঠাকুর কিন্তু ইংরেজি ভাষায় এখনো টেগোর।


সাজেদ রহমান ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ০৬-০৫-২০২৪

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ০৬-০৫-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:


ঢাকা সেনানিবাসে নবনির্মিত এএফআইপি এবং সেনা প্রাঙ্গণের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী - ‍দুঃসময়ে পাশে থেকে জনগণের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করেছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী, বললেন শেখ হাসিনা।


জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনশক্তির চাহিদা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠক্রম প্রণয়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির।


স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপি’র স্বজনদের বিরত রাখা আওয়ামী লীগের নীতিগত সিদ্ধান্ত, এখানে আইনগত কোনো বিষয় নেই – বললেন দলের সাধারণ সম্পাদক।


গাম্বিয়ার বানজুলে পঞ্চদশ ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে ফিলিস্তিনে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য ইসরাইলকে জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


অভিবাসন সংক্রান্ত অপতথ্য রোধে একযোগে কাজ করবে বাংলাদেশ ও ইতালি -  বললেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


নেতানিয়াহু সরকারের আল-জাজিরা বন্ধের আদেশের পর সংবাদ মাধ্যমটির জেরুজালেম অফিসে ইসারাইলি পুলিশের অভিযান।


চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ছয় উইকেটে হারিয়ে সিরিজে দুই-শূন্যতে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ ।

রবিবার, ৫ মে, ২০২৪

দিন কাল পালটাচ্ছে। তাই যোগ্য জবাব দেবার জন্য তৈরী থাকা উচিৎ ........ তা নাহলে ভবিষ্যতে বড় বিপদে পড়তে হতে পারে।

 " বাড়ি ঘর জায়গা জমি সন্তানদের লিখে দিবেন না । আপনার ঘরে আপনি বসবাস করবেন । দরকার হলে ছেলে মেয়েরা  বাড়ি ঘর তৈরি করে 'যৌবনাশ্রমে ' থাকবে "  :


পরিণত বয়সে এসে আমাদের অনেকেরই হয়তো কাজেও লাগতে পারে গল্পটি!!!


"যৌবনাশ্রম খুঁজে দেখো!"


আব্দুর রহমান সাহেব ক'মাস ধরেই কিছু আঁচ করছিলেন। উনি তিন বছর হয় রিটায়ার করেছেন। সরকারী উচ্চপদে ছিলেন। ভাল অঙ্কের পেনশন পান। স্ত্রী গত হয়েছেন বহুদিন আগে।


দুটি ছেলেকে বড় যত্নে মানুষ করেছেন। বাবা এবং মায়ের দুজনের স্নেহ দিয়ে ভালভাবে লেখাপড়া করে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারপর বড় ছেলের বিয়ে দিলেন। একটি নাতি হল। উনার মনে আর আনন্দ ধরে না ।


এরপর ছোট ছেলে নিজের পছন্দের মেয়ে খুঁজে বাবাকে জানালে তিনি সানন্দে সেই মেয়েকে ঘরে নিয়ে এলেন। রিটায়ারের আগেই বড় ছেলের বিয়ে হয়েছিল। তারপর ছোট বৌমা এল।


আব্দুর রহমান সাহেব এখন নাতিকে নিয়ে বেশ সময় কাটান। সংসারের অনেকটা ব্যয় ভার বহন করেন।


একদিন ইজি চেয়ারে বসে সকালে কাগজ পড়ছেন বড় বৌমার গলা পেলেন, আজ বাজার শর্ট আছে.রাতে রান্না হবে না। সে চাকরী করে। বলছে জা কে।


এ বাড়িতে ছেলেদের জন্মের আগে থেকে কাজের মেয়ে জয়নব আছে। সে তাঁর ছেলেদের থেকে বেশ কিছুটা বড়। জয়নব মাতৃহারা দুই ছেলেকে অপার স্নেহে আগলে রেখেছিল।


সে বলল--ভাইজানরা কেউ এনে দেবে।


বড় বৌ বলল--কেন বাবা তো বসে আছেন বাজারটা রোজ করলেই পারেন।


আব্দুর রহমান সাহেবের কানে কথাটা বাজল। বুঝলেন সংসারে তাঁর প্রয়োজন ফুরিয়েছে।


নিজের মনকে বললেন-- মন তুই তৈরী থাক।


এরপর থেকে বৌদের নানা আচরণে তাঁর প্রতি বিরূপতা প্রকাশ পেতে থাকল।


একদিন সকালে বড় ছেলে রাগত গলায় বৌকে বলছে--আমার শার্টটা লণ্ড্রী থেকে আনা হয়নি?


বড় বৌ বললো-- না যাবার সময় হয়নি।


বড় ছেলে -বাবা একটু আনতে পারল না? সারাদিন তো বসেই থাকে।


আব্দুর রহমান সাহেবের কানে গেলে ভাবলেন-- যুগধর্ম!


এরপর একদিন এক ছুটির দিনে সকালে ব্রেকফাস্ট টেবিলে এসে দেখলেন--সবাই আগে ভাগেই উপস্থিত।


জয়নব প্লেটে গরম লুচি, আলু ভাজি আর সন্দেশ পরিবেশন করছে।


বড় ছেলে বলল --বাবা একটা কথা ছিল।


আব্দুর রহমান সাহেব বুঝলেন এরা সকলে কিছু প্ল্যান করেছে। বললেন, বল।


বড় ছেলে বললো, জানো বাবা কাল অফিসের কাজে গাজীপুর গিয়েছিলাম। কাজের ফাঁকে সময় পেয়ে ওখানকার দর্শনীয় জায়গা গুলো দেখতে বেড়িয়েছিলাম। দেখলাম নদীর ধারে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে একটা সুন্দর বৃদ্ধাশ্রম চালু হয়েছে। দেখেই ভাবলাম তুমি ওখানে মনোরম পরিবেশে শেষ জীবনটা থাকতে পারো। আমরা যাব আসব। কিরে ভাই কি বলিস?


ছোট ছেলে বলল, বেশ ভালো হবে।


আব্দুর রহমান সাহেব হেসে বললেন--সব তো শুনলাম। কিন্তু বাবারা তোমরা যেমন আমার জন্য ভাবো, আমিও তোমাদের জন্য ভাবি। তাই আমারও একটা প্রস্তাব আছে তোমাদের জন্য। তোমরাই বরং যুতসই এবং মনোরম পরিবেশের একটা যৌবনাশ্রমের খোঁজ করে নিয়ে সেখানে গিয়ে থাকোনা কেন। বাড়ীটাতো আমারই, পেনশনও পাই ভাল। জয়নব মাকে নিয়ে আমরা বাপ বেটিতে বেশ ভালই থাকব। তোমরাও আসবে যাবে।


এই ভাবে তিনি এক ছক্কায় বাজীমাত করে দিলেন। জয়নবকে বললেন--জয়নব মা, লুচিগুলো ঠাণ্ডা হয়ে গেল। গরম গরম নিয়ে আয় তো।


ছেলেরা আর ছেলেদের বৌয়েরা রীতিমতো হতভম্ব হয়ে গেল, বাকরুদ্ধ হয়ে বসে রইলো.....!!


দিন কাল পালটাচ্ছে। তাই যোগ্য জবাব দেবার জন্য তৈরী থাকা উচিৎ ........


তা নাহলে ভবিষ্যতে বড় বিপদে পড়তে হতে পারে।



মোনালিসার রহস্য

 মোনালিসার রহস্য


লিওনার্দো দা ভিঞ্চি এমন একজন ব্যাক্তি ছিলেন, যিনি বিজ্ঞান বা সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে তিনি তার প্রতিভা দেখাননি। তার শিল্পকর্মগুলি ছিল অসাধারণ রহস্য পরিপূর্ণ। তার একটি অসাধারণ সৃষ্টি 'মোনালিসা' ছবিটি। এখনো মানুষের কাছে 'মোনালিসা' রহস্যময়।


'মোনালিসা' ছবির সম্পর্কিত তথ্য : মোনালিসা নামটির সাথে সাথে মনে অনেক রকমের প্রশ্ন এসে যায়। সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন হয়, আলাদা আলাদা অ্যাঙ্গেল থেকে দেখলে মোনালিসার হাসি পরিবর্তন হতে থাকে। কোনো কোনো ঐতিহাসিকের মতে মোনালিসার এই ছবিটির মধ্যে বিশাল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। যেমন ধরুন পাঁচ শ' বছরেও মানুষ কেন দেখতে পায়নি মোনালিসার ছবির মধ্যে এলিয়েনের ছবি লুকিয়ে রয়েছে? 'মোনালিসা' আসলে ছেলের না মেয়ের ছবি? এই ধরনের অনেক প্রশ্নের উত্তর আজও খুজে চলেছে মানুষ।

 

উল্লেখ্য 'মোনালিসা'র এই ছবিটি কোনো কাগজ বা কাপড়ের উপর আঁকা হয়নি। লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে একটি পাইন কাঠের টুকরোর ওপর মোনা লিসার এই ছবিটি আঁকেন। চিত্রকলার ইতিহাসে এই চিত্রকর্মটির মতো আর কোনোটি এত আলোচিত ও বিখ্যাত হয়নি। এই ছবিটি আঁকা হয়েছে কাঠের তিনটি তক্তার উপর। এই চিত্রটি ১৫০৩ সাল থেকে ১৫০৬ সালের মধ্যে আঁকা হয়েছিল। আসলে এই ছবিটির নাম Monalisa নয়, এটি বানানে ভুল ছিল। ছবিটির অরজিনাল নাম হলো Mona Lisa ইটালিয়ান ভাষায় এই শব্দটির অর্থ হলো Mona Lisa = My Lady ।


মোনালিসা ছবিটি ছিল লিওনার্দো দা ভিঞ্চি-র সব থেকে প্রিয় ছবি। এই কারণে লিওনার্দো দা ভিঞ্চি যখনই যেখানে যেতেন, সাথে করে এই ছবিটি নিয়ে যেতেন। তিনি যখন এই ছবিটি আঁকতে শুরু করেন তখন তার বয়স ছিল ৫১ বছর। ১৭৫৭ সালে মোনালিসা ছবিটি লুভারস মিউজিয়ামে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু কেউ জানে না যে কিভাবে এই ছবিটি লুভারস মিউজিয়ামে এসে পৌঁছলো। ১৯১১ সালের ২১ আগস্ট মোনালিসার এই ছবিটি লুভারস মিউজিয়াম থেকে আবার চুরি হয়ে যায়। কিন্তু দশ বছর পর আবার সেই ছবিটি খুঁজে পাওয়া যায়। ১৯৫১ সালে এক ব্যক্তি এই ছবিটিতে পাথর ছুড়ে মারেন। যার ফলে চিত্রটিতে মোনালিসার বাম হাতের কনুই এ একটি দাগ লেগে যায়।


মোনালিসাকে ফ্রান্সের ল্যুভর জাদুঘরের একটি আলাদা কক্ষে রাখা হয়েছে, যার জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত করা আছে এবং ছবিটি বুলেটপ্রুফ কাচ দিয়ে ঢাকা একটি খাপের মধ্যে রাখা আছে। কক্ষটি তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে ৭ মিলিয়ন ডলার।

গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে যে বর্তমান সংস্করণটির আগে ছবিটি তিনটি আলাদা স্তরে আঁকা হয়েছিল। একটি সংস্করণে মোনালিসার হাত দুটো তার সামনে রাখা একটি চেয়ারের ওপর দিয়ে জড়িয়ে আছে।

আপনারা_লাউ_কিভাবে_আবাদ_করবেন

 #আপনারা_লাউ_কিভাবে_আবাদ_করবেন?


#জলবায়ুঃ

লাউ প্রধানত শীতকালের সবজি। বর্তমানে এ দেশে সারা বছরই লাউ হচ্ছে। উষ্ণ ও অব-উষ্ণ অঞ্চলে ভালো হয়।


#মাটিঃ

লাউ প্রায় সব ধরণের মাটিতেই ভালো জন্মে। তবে লাউ চাষের জন্য দোআঁশ থেকে এঁটেল দোআঁশ মাটি সবচেয়ে ভালো।


#জমি_নির্বাচনঃ

সেচ ও নিকাশের উত্তম সুবিধাযুক্ত এবং পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় এমন জমি নির্বাচন করতে হবে।


#লাউয়ের_জাত_নির্বাচনঃ

মার্শাল সুপার, ময়না, সুলতান, বাদশা, মধুমতি, হাইগ্রিন, ডালিয়া পল্লবী, মোনালিসা, ডায়না, বর্ষা, মার্কিন, সুলতানা, নবাব, নাইসগ্রীণ, হাজারী লাউ, ইত্যাদি 


#জীবনকালঃ ১২০-১৪০ দিন


#বীজ বপনের সময়ঃ 

লাউ সারা বছর আবাদ করা যায়। তবে

শীতকালে- 

চাষের জন্য আগস্ট – অক্টোবর এবং 

গ্রীষ্মকালে- 

চাষের জন্য ফেব্রুয়ারি-মে মাসে বীজ বপন করা যায়।


#জমি_তৈরিঃ

জমিকে প্রথমে ভালভাবে চাষ ও মই দিয়ে এমনভাবে তৈরি করতে হবে যেন জমিতে কোন ঢিলা এবং আগাছা না থাকে।

লাউ গাছের শিকড়ের যথাযথ বৃদ্ধির জন্য উত্তমরূপে গর্ত (মাদা) তৈরি করতে হবে।


#বেড_তৈরিঃ

বেডের উচ্চতা হবে ১৫-২০ সেমি। বেডের প্রস্থ হবে ২.৫ মিটার এবং লম্বা জমির দৈর্ঘ্য অনুসারে সুবিধামতো নিতে হবে। এভাবে পরপর বেড তৈরি করতে হবে।


#বেডের_দুরত্বঃ

পাশাপাশি দুইটি বেডের মাঝখানে ৬০ সেমি ব্যাসের সেচ নালা থাকবে এবং প্রতি দুবেড অন্তর ৩০ সেমি প্রশস্ত শুধু নিকাশ নালা থাকবে।


#মাদা_তৈরিঃ

মাদার আকার হবে ব্যাস ৫০-৫৫ সেমি, গভীর ৫০-৫৫ সেমি এবং তলদেশ ৪৫-৫০ সেমি।


#মাদার_দুরত্বঃ

বেডের যে দিকে ৬০ সেমি প্রশস্ত সেচ ও নিকাশ নালা থাকবে সেদিকে বেডের কিনারা হইতে ৬০ সেমি বাদ দিয়ে মাদার কেন্দ্র ধরে ২ মিটার অন্তর অন্তর এক সারিতে মাদা তৈরি করতে হবে।

একটি বেডের যে কিনারা থেকে ৬০ সেমি বাদ দেয়া হবে, উহার পার্শ্ববর্তী বেডের ঠিক একই কিনারা থেকে ৬০ সেমি বাদ দিয়ে মাদার কেন্দ্র ধরে অনুরুপ নিয়মে মাদা করতে হবে।


#বীজহারঃ

প্রতি শতকে ৬-৮ গ্রাম বীজের প্রয়োজন। 


#বীজ_শোধনঃ

বীজ বাহিত রোগ প্রতিরোধ এবং সবল-সতেজ চারা উৎপাদনের জন্য বীজ শোধন জরুরি। কেজি প্রতি দুই গ্রাম ভিটাভেক্স/ক্যাপটান ব্যবহার করে বীজ শোধন করা যায়।

সহজ অংকুরোদগমের জন্য পরিষ্কার পানিতে ১৫-২০ ঘন্টা অথবা শতকরা এক ভাগ পটাশিয়াম নাইট্রেট দ্রবণে বীজ এক রাত্রি ভিজিয়ে অতঃপর পলিব্যাগে বপন করতে হবে।


#চারা_উৎপাদনঃ

লাউ চাষের জন্য চারা নার্সারিতে পলিব্যাগে উৎপাদন করে নিলে ভাল হয়।

বীজ বপনের জন্য ৮ × ১০ সেমি বা তার থেকে কিছুটা বড় আকারের পলিব্যাগ ব্যবহার করা যায়।

প্রথমে অর্ধেক মাটি ও অর্ধেক গোবর মিশিয়ে মাটি তৈরি করে পলিব্যাগে ভরতে হবে।


#বীজের_সংখ্যাঃ

প্রতি ব্যাগে একটি করে বীজ বুনতে হবে। পলিব্যাগ বা কলাপাতার ঠোঙায় বা পলিব্যাগে চারা তৈরি করে প্রতি মাদায় একটি করে সবল চারা রোপণ করা ভালো। এতে বীজের খরচ কম পড়ে এবং চারার মৃত্যুহার কমে যায়। পলিব্যাগে চারা তৈরি করতে প্রতি হেক্টরে প্রায় ৮০০ থেকে ১০০০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন হয়।


#বীজ_বপনের_গভীরতাঃ

বীজের আকারের দ্বিগুণ মাটির গভীরে বীজ পুঁতে দিতে হবে।


#বীজতলায়_চারার_পরিচর্যাঃ

নার্সারিতে চারার প্রয়োজনীয় পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। বেশি শীতে বীজ গজানোর সমস্যা হয়। এজন্য শীতকালে চারা উৎপাদনের ক্ষেত্রে বীজ গজানোর পূর্ব পর্যন্ত প্রতি রাতে প্লাস্টিক দিয়ে পলিব্যাগ ঢেকে রাখতে হবে এবং দিনে খোলা রাখতে হবে।

চারায় প্রয়োজন অনুসারে পানি দিতে হবে তবে সাবধান থাকতে হবে যাতে চারার গায়ে পানি না পড়ে।

পলিব্যাগের মাটি চটা বাঁধলে তা ভেঙ্গে দিতে হবে।

লাউয়ের চারাগাছে ‘রেড পামকিন বিটল’ নামে এক ধরণের লালচে পোকার ব্যাপক আক্রমণ হয়। এটি দমনের ব্যবস্থা নিতে হবে।


#চারার_বয়সঃ

বীজ গজানোর পর ১৬-১৭ দিন বয়সের চারা মাঠে লাগানোর জন্য উত্তম।


#চারা_রোপণঃ

মাঠে প্রস্তুত মাদাগুলোর মাটি ভালোভাবে ওলট-পালট করে, এক কোপ দিয়ে চারা লাগানোর জন্য জায়গা করে নিতে হবে। অতঃপর পলিব্যাগের ভাঁজ বরাবর ব্লেড দিয়ে কেটে পলিব্যাগ সরিয়ে মাটির দলাসহ চারাটি উক্ত জায়গায় লাগিয়ে চারপাশে মাটি দিয়ে ভরাট করে দিতে হবে।

চারা লাগানোর পর গর্তে পানি দিতে হবে।


পলিব্যাগ সরানোর সময় এবং চারা রোপণের সময় সাবধান থাকতে হবে যাতে চারার শিকড় ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এবং মাটির দলা না ভাঙ্গে । নতুবা শিকড়ের ক্ষতস্থান দিয়ে ঢলে পড়া রোগের (ফিউজারিয়াম উইল্ট) জীবাণু ঢুকবে এবং শিকড় ক্ষতিগ্রস্থ হলে গাছের বৃদ্ধি দেরিতে শুরু হবে।


#সারের_পরিমাণঃ বিঘা প্রতি ৩৩ শতকে

গোবর ১৫০০ কেজি

ইউরিয়া ২০-২৫ কেজি

টিএসপি ২৫ কেজি

পটাশ ২০ কেজি

জিপসাম ১৫ কেজি

জিংক ১.৫ কেজি

বোরন ১.৫ কেজি


#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ

অর্ধেক গোবর সার, টিএসপি ও এমপি এবং সবটুকু জিপসাম, দস্তা, বোরাক্স ও ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড জমি তৈরির সময় প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট গোবর এবং টিএসপি চারা লাগানোর ৭ দিন পূর্বে গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। উপরি প্রয়োগে ইউরিয়া এবং অবশিষ্ট এমপি সার সমান ৪ কিস্তিতে চারা রোপণের ১৫, ৩৫, ৫৫ এবং ৭৫ দিন পর গাছের গোড়ায় ১০-১৫ সেমি দূরে মাদার মাটির সংগে ভালো ভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।


#সেচ_দেওয়াঃ 

লাউ ফসল পানির প্রতি খুবই সংবেদনশীল। কাজেই সেচ নালা দিয়ে প্রয়োজন অনুসারে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। লাউয়ের জমিতে কখনও সমস্ত জমি ভিজিয়ে প্লাবন সেচ দেয়া যাবে না। শুধুমাত্র সেচ নালায় পানি দিয়ে আটকে রাখলে গাছ পানি টেনে নিবে। প্রয়োজনে সেচ নালা হতে ছোট কোন পাত্র দিয়ে কিছু পানি গাছের গোড়ায় সেচে দেওয়া যায়। শুষ্ক মৌসুমে লাউ ফসলে ৫-৭ দিন অন্তর সেচ দিতে হয়।


#লাউ_সংগ্রহঃ

বীজ বপনের ৭০-৮০ দিন বয়স হলে লাউ সংগ্রহ করা যায়। 


#ফলনঃ

হেক্টর প্রতি ৬০ টন পর্যন্ত লাউ পাওয়া যায় জাত ভেদে।


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

ব্লকঃ ভোটমারী, কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।

মাটি ছাড়া ঘাস চাষের ৩ ধরণের হাইড্রোপনিক ট্রে রয়েছে।

 মাটি ছাড়া ঘাস চাষের ৩ ধরণের হাইড্রোপনিক ট্রে রয়েছে। ১ কেজি গম বা ভুট্রা দিয়ে অনায়াসে ৮-১০ দিনের মধ্যে ১২ কেজি পরিমাণ ঘাস চাষ করতে পারেন ১.৫/২ সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রে থেকে। ১.৫ কেজি গম বা ভুট্রা দিয়ে অনায়াসে ৮-১০ দিনের মধ্যে ১৮ কেজি ঘাস হাইড্রোপনিক ঘাস চাষ করতে পারেন ২/২ ফুট সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রে থেকে। ২ কেজি পরিমাণ গম বা ভুট্রা দিয়ে অনায়াসে ৮-১০ দিনের মধ্যে ২২-২৪ কেজি হাইড্রোপনিক ঘাস চাষ করতে পারেন ১.৫/৩ ফুট সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রে থেকে। ১.৫/২ ফুট সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রের দাম ১২০ টাকা। ২/২ ফুট সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রের দাম ১৮০ টাকা এবং ১.৫/৩ ফুট সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রের দাম ২০০ টাকা।

অর্ডার কনফার্ম করতে আজই যোগাযোগ করুন।

শেখ জালাল 

টাংগাইল 

01721551932 what's app  


#hydroponicstray

#hydroponicsystems 

#hydroponicstore 

#হাইড্রোপনিক

রাজনৈতিক ও সমাজ সংস্কারের কাজে তিনি গানকে অতীব গুরুত্ব দিয়া থাকেন।

 রাজনৈতিক ও সমাজ সংস্কারের কাজে তিনি গানকে অতীব গুরুত্ব দিয়া থাকেন। তাঁহার সম্মেলন কিংবা সভায় গান বরাবরই থাকিত। প্রায়ই তিনি প্রখ্যাত গায়ক মুকুন্দ দাসের কথা বলিয়া থাকেন। মাইক ছাড়া তিনি গান গাহিতেন। লক্ষাধিক লোক রাতভর একঠাঁই বসিয়া মুকুন্দের গান শুনিয়াছে। হুজুর কবিগানের খুব সমঝদার। কবিয়াল রমেশ শীলের কথা বলিয়া তিনি গর্ববোধ করিয়া থাকেন। ভাষা আন্দোলনে নূরুল আমীনের গুলি ছোঁড়া কিংবা তাহার আমলে লবণের ক্রাইসিস পত্র-পত্রিকায় জোর প্রচার হইলেও এই দেশের শতকরা ৯০জন নিরক্ষর মানুষ ঘটনা প্রবাহের আলোকে রচিত গানে গানে প্রভাবিত হইয়াছে। এই প্রসঙ্গে একটি গানের কথা হুজুর খুব বলেন। একদিন তিনি বগুড়া জেলার কোন এলাকায় কৃত্রিম পালকি দিয়া যাইতেছিলেন। ক্ষেতের কামলারা গান গাহিতেছিল- হায় রে! ইংরেজ আমলে পায়ে গুলি মারিত। নূরুল আমিনের আমলে বুকে গুলে মারিল। হুজুর খোলা পালকি থামাইয়া পুরা গানটি শুনিয়াছিলেন। 

[আমার ভালোবাসা মওলানা ভাসানী, সৈয়দ ইরফানুল বারী]

বস্তায় সবজি চাষ কৌশল

 বস্তায় সবজি চাষ কৌশল- 


বিভিন্ন রকম সবজি কেউ চাইলে বাড়িতে জমে থাকা পলিথিন ব্যাগ, বস্তায় চাষ করতে পারে। 

এর মাধ্যমে টবের খরচটি যেমন বেঁচে যায় তেমনি প্লাস্টিক ব্যর্জ পুনঃব্যবহার হয়। 


এই পদ্ধতিতে সবজি চাষের জন্য জানা দরকার-

•মাটি তৈরি পদ্ধতি

•ব্যাগের ড্রেনেজ ব্যবস্থা 

•ব্যাগের ধরণ

•সবজির ধরণ

•ব্যাগের সাইজ অনুযায়ী সবজি নিবার্চন


🍀যেকোন সাইজের ও ধরণের পলিথিন ব্যাগ, প্লাস্টিক বস্তা ব্যবহার করা যাবে । পলিথিন ব্যাগ অতিরিক্ত পাতলা হলে একটার জায়গায় ২-৩ ব্যাগ দিয়ে ডাবল,ট্রিপল লেয়ার করে নিতে হবে। 


🍀ড্রেনেজ ব্যবস্থা - 

পলিথিন ব্যাগের ক্ষেত্রে-  নিচের দিকে ২-৩ টা ছিদ্র করে নিতে হবে। তারপর প্রথমে কোকোকয়ার অর্থাৎ নারিকেলের ছেঁড়া/পাতলা করা ছোবড়া দিয়ে একটি লেয়ার তৈরি করে নিতে হবে। 

প্লাস্টিক বস্তার ক্ষেত্রে - চাউল, সিমেন্ট,সার এসব বস্তা গুলোতে প্রচুর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে তাই এসব ব্যাগ ছিদ্র করার দরকার নেই। ছিদ্র করা ছাড়াই সহজে পানি বের হয়ে যায়‌।


🍀 মাটি তৈরি ও বস্তা পূর্ণ করার পদ্ধতি - 

দোঃআঁশ মাটি ৪০-৫০% , গোবর পঁচা/জৈব সার ২০-৩০% , কোকোপিট/নদীর লাল বালু ২০-৩০% দিয়ে মাটি তৈরি করে নিতে হবে। 

বড় বস্তা পূরণে যেহেতু মাটি অনেক পরিমাণ লাগে,  তাই বস্তার ৩ ভাগের এক ভাগ বাগানের লতাপাতা,খড়কুটো দিয়ে পুর্ণ করে তার উপর তৈরি করা মাটি দিয়ে বস্তা ভরাট করে দিতে হবে।  


🍀ব্যাগের সাইজ অনুযায়ী সবজি নিবার্চন - 

১-৫ কেজি মাটি ধরবে এমন পলি ব্যাগে - পাতা/শাক জাতীয় সকল সবজি লাগানো যাবে। যেমন- লাল শাক,কলমি শাক, পাট শাক, মূলা শাক, সরিষা, বাটি শাক, ধনিয়া পাতা, বিলাতি ধনিয়া, সুইজ চার্ড,কেল, সেলারি, লেটুস ইত্যাদি । 


৫-৬ কেজি মাটি এবং মিনিমাম ৬ ইঞ্চি গভীরতার মাটি ধরবে এমন ব্যাগ - ডাটা, ওলকপি, মূলা, গাজর, বিটরুট, শালগম, পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি মূল জাতীয় সবজি রোপণ করা যাবে। 


১০ কেজির বেশি মাটি ধরবে এমন ব্যাগে - ঢেঁড়স, স্কোয়াশ, মরিচ, টমেটো, বেগুন, ক্যাপসিকাম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রোকলি, কচুর লতি ইত্যাদি রোপণ করা যাবে। 


১৮ কেজির বেশি মাটি ধরবে এমন ব্যাগে - আদা, হলুদ, ঝিঙা, ধুন্দুল, মিষ্টি কুমড়া, শিম, লাউ, শসা, করলা,‌ তরমুজ, সাম্মাম ইত্যাদি রোপণ করা যাবে।

স্যারের মেসেজ ০৫/০৫/২০২৪

 রাসেল মাহমুদ স্যারের মেসেজ।


যারা এখনো পর্যন্ত কোনো ডিও করে নাই কোড ওপেন করে নাই এবং সেলস করে না শুধুমাত্র পেস্টিংয়ের কাজ করে তারা প্রতি সপ্তাহে দুইটা করে ওয়ার্ক অর্ডার দিবে সুপারভাইজার এটা ফলোআপ করেন,,,,,

যে এলাকায় কাজ শেষ হয়ে যাবে সেই এলাকা থেকে তাকে কোম্পানি নিয়ম অনুযায়ী অন্য কোন জোনে ট্রান্সফার করা হবে,,,,,


মনিরুল ইসলাম স্যারের মেসেজ

সকল ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে যেখানে থাকেন যেই কাজই করেন না কেন অবশ্যই ঠিকমতো নোট দিবেন। 

যারা নোট কম দিবেন নিজ দায়িত্বে কেন কম দিয়েছেন সেটি কোম্পানিকে বুঝিয়ে বলবেন। 

নোট রিলেটেড কোন কথা কারো সাথে নতুন করে বলা হবে না।


নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...