এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৬ মে, ২০২৪

প্রয়োজনীয় কিছু টিপস:-

 🙅‍♀️🙅‍♀️প্রয়োজনীয় কিছু টিপস:-✌️✌️


১: কড়া রোদে কয়েক ঘন্টা বালিশ দিয়ে রাখুন এতে বালিশে ছাড়পোকা হবেনা বালিশের তুলা গুলোও ভালো থাকবে


২: রুমের ভেতর এলোভেরা মানিপ্লান্ট কয়েন প্লান্ট বা আপনার পছন্দ মতো যেকোন ইনডোর প্লান্ট রাখতে পারেন এতেও রোম কিছুটা হলেও শীতল থাকবে


৩:থেকে যাওয়া অবশিষ্ট পাউরুটির টুকরো গুলো রোদে শুকিয়ে বা চুলায় অল্প আচে টেলে গুড়া করে ব্রেড ক্রাম তৈরি করে নিতে পারেন 


৪: কাশ্মীরি আমের আচার তৈরির জন্য আম গুলো টুকরো করে ঘন্টা খানিক চুনের পানিতে ভিজিয়ে রাখলে আচার গুলো কচকচে হয় চিনিতে দিলে গলে যায়না 


৫: মেলামাইনের বোল বাটির হলদেটে দাগ তুলতে ভিনেগারের সাথে বেকিং সোডা ও ডিটারজেন্ট পাউডার মিশিয়ে মেজে নিলে হলদেটে দাগ চলে যায় 


৬: দা-বটি ধারালো করতে বালি নিয়ে সিরিঞ্জ পেপার দিয়ে ঘষে নিন 


৭: ফ্লাক্সের ভেতর পরিষ্কার করাটা খুব ঝুকিপূর্ণ একটু অসাবধান হলেই ফেটে যায়  তাই ফ্লাক্স পরিষ্কার করতে কখনো শক্ত কাঠি দিয়ে ভেতরটা পরিষ্কার করা যাবেনা 


৮: ফ্লাক্সের ভেতর ডিটারজেন্ট পাউডার ও হালকা গরম পানি দিয়ে  ১০ মি: ঢাকনা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১০মি: পর খবরের কাগজ /খাতার পৃষ্ঠা টুকরো করে ফ্লাক্সের ভেতরে দিয়ে ঝাকিয়ে নিন তারপর স্বাভাবিক নিয়মে ধুয়ে  নিন 


৯: যতোটা সম্ভব ঘরে অতিরিক্ত লাইট নিভিয়ে রাখুন এতে ঘর ঠান্ডা থাকবে 


১০:জানালার পর্দা গুলো হালকা ভিজিয়ে  জানালায় লাগিয়ে রাখুন তারপর একটি বোল/বালতিতে বরফের টুকরো রেখে বৈদ্যুতিক পাখা /ফ্যান চালিয়ে দিন ঘর শীতল হয়ে যাবে



ভূমি “পর্চা”, “দাগ”, “খতি বিষয়ক নিম্নের তথ্যাবলী প্রত্যেকেরই জানা উচিত

 ভূমি “পর্চা”, “দাগ”, “খতি বিষয়ক নিম্নের তথ্যাবলী প্রত্যেকেরই জানা উচিত!য়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” ইত্যাদি বিষয়ের ডেফিনেশন এবং জেনে নিন ভূমি বিষয়ক জরুরী সব তথ্য।


১!“নামজারী” বা মিউটেশন কাকে বলে?

ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।


২!“জমা খারিজ”কাকে বলে?

যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।


৩!“খতিয়ান” কাকে বলে?

ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলে।

খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান…

ভূমি জরিপ: CS, RS, PS, BS কি?


৪!ভূমি বা Land কাকে বলে?

“ভূমি কাকে বলে?”- এর আইনী সংজ্ঞা রয়েছে। The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- এর ২(১৬)- ধারা মতে, “ভূমি (land) বলতে আবাদি, অনাবাদি অথবা বছরের যেকোন সময় পানিতে ভরা থাকে এবং ভূমি হতে প্রাপ্ত সুফল, ঘরবাড়ি বা দালান কোঠা বা মাটির সঙ্গে সংযুক্ত অন্যান্য দ্রব্য অথবা স্হায়ীভাবে সংযুক্ত দ্রব্য এর অন্তর্ভুক্ত বুঝাবে।”


৫! ভূমি জরিপ/রেকর্ড কাকে বলে? ভূমি জরিপ হচ্ছে ভূমির মালিকানা সম্বলিত ইতিহাসের সরেজমিন ইতিবৃত্ত।

আইনী সংজ্ঞা হচ্ছে, The Survey Act, 1875 এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সরকারের জরিপ বিভাগ সরেজমিন জরিপ করে ভূমির মালিকানার যে বিবরণ

এবং নকশা তৈরী করে তাই রেকর্ড বা জরিপ। অর্থাৎ রেকর্ড বা জরিপ হচ্ছে মালিকানার বিরবণ এবং নকশার সমন্বয়। একটি ভূমির মালিক কে এবং তার সীমানা কতটুকু এটা ভূমি জরিপের মাধ্যমে নকশা/ম্যাপ নির্ণয় করা হয়। এই নকশা এবং ম্যাপ অনুসারে মালিকানা সম্পর্কিত তখ্য যেমন ভূমিটি কোন মৌজায় অবস্থিত, এর খতিয়ান নাম্বার, ভূমির দাগ নাম্বার, মালিক ও দখলদারের বিবরণ ইত্যাদি প্রকাশিত হয় যাকে খতিয়ান বলে। রেকর্ড বা জরিপ

প্রচলিতভাবে খতিয়ান বা স্বত্ত্বলিপি বা Record of Rights (RoR) নামেও পরিচিত। রেকর্ড বা জরিপের ভিত্তিতে ভূমি মালিকানা সম্বলিত বিবরণ খতিয়ান হিসেবে পরিচিত। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান, ইত্যাদি। আমাদের দেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ড গুলো হচ্ছে;

1. CS -Cadastral Survey

2. SA- State Acquisition Survey (1956)

3. RS -Revitionel Survey

4. PS – Pakistan Survey

5. BS- Bangladesh Survey (1990)


ক) সি.এস. জরিপ/রেকর্ড (Cadastral Survey)

“সিএস” হলো Cadastral Survey (CS) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। একে ভারত উপমহাদেশের প্রথম জরিপ বলা হয় যা ১৮৮৯ সাল হতে ১৯৪০ সালের মধ্যে পরিচালিত হয়। এই জরিপে বঙ্গীয় প্রজাতন্ত্র আইনের দশম অধ্যায়ের বিধান মতে দেশের সমস্ত জমির বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত করার এবং প্রত্যেক মালিকের জন্য দাগ নম্বর উল্লেখপুর্বক খতিয়ান প্রস্তুত করার বিধান করা হয়। প্রথম জরিপ হলেও এই জরিপ প্রায় নির্ভূল হিসেবে গ্রহণযোগ্য। মামলার বা ভূমির জটিলতা নিরসনের ক্ষেত্রে এই জরিপকে বেস হিসেবে অনেক সময় গণ্য করা হয়।

খ) এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey)

১৯৫০ সালে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর সরকার ১৯৫৬ সালে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রদেশে জমিদারী অধিগ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয় এরং রায়েতের সাথে সরকারের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে জমিদারদের প্রদেয় ক্ষতিপুরণ নির্ধারন এবং রায়তের খাজনা নির্ধারনের জন্য এই জরিপ ছিল।

জরুরী তাগিদে জমিদারগন হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপ বা খাতিয়ান প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।

গ) আর.এস. জরিপ ( Revisional Survey)

সি. এস. জরিপ সম্পন্ন হওয়ার সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জমি, মলিক এবং দখলদার ইত্যাদি হালনাগাদ করার নিমিত্তে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়। পূর্বেও ভুল ত্রুটি সংশোধনক্রমে আ. এস জরিপ এতই শুদ্ধ হয় যে এখনো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আর, এস জরিপের উপর নির্ভর করা হয়। এর খতিয়ান ও ম্যাপের উপর মানুষ এখনো অবিচল আস্থা পোষন করে।

ঘ) সিটি জরিপ (City Survey)

সিটি জরিপ এর আর এক নাম ঢাকা মহানগর জরিপ। আর.এস. জরিপ এর পর বাংলাদেশ সরকার কর্তিক অনুমতি ক্রমে এ জরিপ ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। এ যবত কালে সর্বশেষ ও আধুনিক জরিপ এটি। এ জরিপের পরচা কম্পিউটার প্রিন্ট এ পকাশিত হয়।


৬!“পর্চা” কাকে বলে?

ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।


৭!“মৌজা” কাকে বলে?

যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।

৮!“তফসিল” কাকে বলে?

জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।


৯!“দাগ” নাম্বার কাকে বলে? যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়।


১০!“ছুটা দাগ” কাকে বলে?

ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাকে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।


১১!“খানাপুরি” কাকে বলে? জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।


১২!“আমিন” কাকে বলে?

ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিযুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।


১৩!“কিস্তোয়ার” কাকে বলে?

ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।


১৪!“খাজনা” ককে বলে?

সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।


১৫!“দাখিলা” কাকে বলে?

ভূমি কর/খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর/খাজনা আদায়ের প্রমান পত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলা হয়।


১৬!"DCR কাকে বলে?

ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।


১৭!“কবুলিয়ত” কাকে বলে?

সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।


১৮!“নাল জমি” কাকে বলে?

২/৩ ফসলি সমতল ভূমিকে নাল জমি বলা হয়।


১৯!“খাস জমি” কাকে বলে?

সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।


২০!“চান্দিনা ভিটি” কাকে বলে?

হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী অকৃষি জমির যে অংশ প্রজার প্রতি বরাদ্ধদ দেওয়া হয় তাকে চান্দিনা ভিটি বলে।


২১!“ওয়াকফ” কাকে বলে?

ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোন ভূমি তার মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন দান করাকে ওয়াকফ বলে।


২২!“মোতওয়াল্লী” কাকে বলে?

যিনি ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত মোতওয়াল্লী ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না।


২৩!“দেবোত্তর” সম্পত্তি কাকে বলে?

হিন্দুধর্ম মতে, ধর্মীয় কাজের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলে।


২৪!“ফরায়েজ” কাকে বলে?

ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফরায়েজ বলে।


২৫!“ওয়ারিশ” কাকে বলে?

ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।

২৬! “সিকস্তি” কাকে বলে?

নদী ভাঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকস্তি বলে। সিকস্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকস্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।


২৭!“পয়ন্তি” কাকে বলে?

নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।


২৮!“দলিল” কাকে বলে?

যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবে তাকে দলিল বলে।


ভূমির পরিমাপঃ


ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতকঃ

***************************

১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট

১ শতাংশ =১০০০ বর্গ লিঙ্ক

১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ

৫ শতাংশ = ৩ কাঠা = ২১৭৮ বর্গফুট

১০ শতাংশ = ৬ কাঠা = ৪৩৫৬ বর্গফুট

১০০ শতাংশ = ১ একর =৪৩৫৬০বর্গফুট


কাঠা পরিমাপঃ

****************

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট/৭২১.৪৬ বর্গফুট

১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ/৮০.১৬ বর্গগজ

১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ

২০ কাঠা = ১ বিঘা

৬০.৫ কাঠা =১ একর


একরের পরিমাপঃ

******************

১ একর = ১০০ শতক

১ একর = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট

১ একর = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক

১ একর = ৪,৮৪০ বর্গগজ

১ একর = ৬০.৫ কাঠা

১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক

১ একর = ১০ বর্গ চেইন = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক

১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার

১ শতক = ০.৫ গন্ডা বা ৪৩৫.৬০ বর্গফুট


বিঘা পরিমাপঃ

*************

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট /১৪৫২০বর্গফুট

১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক

১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ

১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ/১৬১৩ বর্গগজ

১ বিঘা = ২০ কাঠা

৩ বিঘা ৮ ছটাক = ১.০০ একর


লিঙ্ক পরিমাপঃ

****************

১লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি /৭.৯২ ইঞ্চি

১লিঙ্ক =০.৬৬ ফুট

১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট

১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল

১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক

১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর


কানি একর শতকে ভূমির পরিমাপঃ

*******************************

১ কানি = ২০ গন্ডা

১ গন্ডা = ২ শতক

১ শতক =২ কড়া

১ কড়া = ৩ কন্ট ১ কন্ট = ২০ তিল


ফুট এর হিসাবঃ

*****************

১ কানি = ১৭২৮০ বগফুট

১ গন্ডা = ৮৬৪ বফু

১ শতক= ৪৩৫.৬০ বফু

১ কড়া = ২১৭.৮ বফু

১ কন্ট = ৭২ বফু

১ তিল= ৩.৬ বফু


বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ

*********************************

৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর

৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর

১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা

১৪৫২০বর্গফুট = ১ বিঘা

৪৮.৪০ বর্গগজ = ০১ শতাংশ

৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ

৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা

৭২১.৪৬ বর্গফুট = ১ কাঠা

৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক

২০ বর্গহাত = ১ ছটাকা

১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত (প্রামাণ সাই)

শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।

আমাদের বাসা-বাড়ির ভোল্টেজ 220 ভোল্ট কিন্তু আমেরিকায় 110 ভোল্ট কেন?

 আমাদের বাসা-বাড়ির ভোল্টেজ 220 ভোল্ট কিন্তু আমেরিকায় 110 ভোল্ট কেন?


তাহলে কারা প্রযুক্তিগত দিক থেকে বুদ্ধিমান ও এগিয়ে আছে? চলুন আজকে এই মজাদার আলোচনাটা জমিয়ে তুলি। 


প্রত্যেকের মানুষের একটা ধৈর্যের সীমা থাকে। এই সীমা অতিক্রম করলেই সে আক্রমনাত্নক হয়ে উঠবে সেটাই স্বাভাবিক। তাই তার ধৈর্য এর সীমা বুঝে তার সাথে সেইভাবে আচরণ করাটাই হবে বুদ্ধিমান ও ম্যাচিউর পার্সন এর পরিচয়। একইভাবে বিভিন্ন দেশের ম্যানুফেকচাররা তাদের ডিভাইসগুলো ভোল্ট রেটিং নানাভাবে নির্ধারণ করে থাকে। যেমন আমেরিকার নিজস্ব ব্যবহারের জন্য বেশিরভাগ কোম্পানির প্রস্তুতকৃত ডিভাইস এর রেটিং 110 ভোল্ট। তাই ডিভাইস এর সীমা বুঝে সেইভাবে সাপ্লাই দেয়া হয়। নাইলে সীমার বাইরে গেলে সে প্রতিবাদ করতে চাইবে।


এছাড়াও কম ভোল্টেজ এ সাপ্লাই এর একটা সুবিধা হল বিপদের আশংকা কমানো। যেমন 


বাংলাদেশের 220 ভোল্ট (rms) এর পিক ভেল্যু হচ্ছে


 = 220 x 1.4142 = 311 volt 


অর্থাৎ বাংলাদেশের একজন মানুষ শক খাবে 311 volt এ 


অন্যদিকে আমেরিকার 110 Volt (rms) এর পিক ভেলু 


= 110 x 1.4142 = 155 Volt 


অর্থাৎ একজন আমেরিকার মানুষ মূলত শক খাবে 155 Volt এ। অর্থাৎ বাংলাদেশের মানুষটির বিপদের আশংকা অনেক বেশি।


তাই কিছু সংখ্যক দেশ কম ভোল্ট সাপ্লাই করে। 


এবার তাইলে প্রশ্ন আসাই স্বাভাবিক তাইলে 220 এ সাপ্লাই করে কি কোন লাভ নেই?


নিশ্চয় আছে। এটাতে একটা প্রধান লাভ হল লস ও অযাচিত তাপমাত্রা কমানো। ভোল্ট তুলনামূলক বেশি বলে কারেন্ট ড্র হবে কম। আর কম কারেন্ট ড্র বলতেই i^2R বা লস কম হবে। আর লস কম হওয়া মানেই ডিভাইস এ অযাচিত তাপমাত্রা সৃষ্টি না হওয়া। 


সবশেষে বলা যায়, ব্যক্তির নিরাপত্তা, ডিভাইস রেটিং, সিস্টেম লস এর কথা বিবেচনায় রেখেই সাপ্লাই ভোল্ট নির্ধারিত হয়।


ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং মানেই বাস্তবের রসাত্নক আলোচনার সাথে তুলনা করে পড়া। আর এতে খুব সহজে বুঝা যায় এবং মনেও থাকে। কেমন হবে যদি এরকম গল্পে গল্পে ইলেকট্রিক্যাল এর ৫টি ইবুক পাওয়া যায়? 


নবীন যারা তারা ভাবছেন ভাইবা কিভাবে ফেস করবেন? কিভাবে প্রিপারেশন নিবেন? শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীই নয় কর্মরত ভাইদেরও অনেক সময় কাজের সুবিধার জন্য থিওরি রিভাইস করা লাগে!


নবীন ও অভিজ্ঞ ভাইদের কথা চিন্তা করে আমার লিখা 8টি ই-বুকঃ


📘Ebook1: ইলেকট্রিক্যাল যখন এ বি সি এর মত সহজ


📘Ebook2: সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্ত


📘Ebook3: ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা


📘Ebook4: পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডা


📘Ebook5: চা এর আড্ডায় পি এল সি


📘Ebook6: ট্রান্সফরমার মহাশয়ের খুটিনাটি


📘Ebook7: ডিসি সার্কিট নিয়ে মজার বই


📘Ebook8: ইলেকট্রনিক্স এত মধুর কেন?


সামান্য শুভেচ্ছামূল্যের বিনিময়ে ই-বুকগুলো (সফটকপি) ইনবক্সে নক দিন অথবা what's app +8801741994646

আসুন কিছু আদব-লেহাজ শিখি..... 

 আসুন কিছু আদব-লেহাজ শিখি..... 


একত্রে বসে খাওয়ার কিছু আদব লেহাজ: 


১. যে পাত্র থেকে সবাই খাবার নিচ্ছে (খিচুড়ি বা মুড়ি মাখা), তার উপর ঝুঁকে খাবার নেওয়া যাবে না, মুখ থাকবে মুখের জায়গায় - হাতে খাবার নিয়ে হাতটাকে মুখের কাছে নিতে হবে।  


২. হাতে থেকে যাওয়া অতিরিক্ত খাবার যা একেবারে মুখে ঢুকানো যায়নি তা ঝাড়া মেরে প্লেটে ফেলে দেওয়া যাবে না,  হাতে ধরে রাখতে হবে তারপর মুখের খাবার শেষ হলে বাকিটুকু মুখে দিতে হবে। 


৩. হাতে নেওয়া সমস্ত খাবার মুখে দিয়েছেন, এখন হাত কোথায় রাখবেন? অনেকে মুখে খাবার খাচ্ছেন আর খালি হাতটা সম্মিলিত খাবারের পাত্রে রেখে দিচ্ছেন,  এটা করা যাবে না। হাত নিজের কাছে রাখতে হবে। 


৪. কিছুক্ষণ পরপর সকলের অনুমতি না নিয়ে নিজের ইচ্ছেতেই "ভালো করে মিশানো" র অজুহাতে খাবার উলট পালট করা যাবে না। 


৫. সকলের অনুমতি না নিয়ে নিজের পছন্দমতো এডিশনাল ফুড (মুড়ি মাখার ক্ষেত্রে বুন্দিয়া বা পুদিনা পাতা,  খিচুড়ির ক্ষেত্রে লাউয়ের ঝোল)  ফট করে পাত্রে ঢেলে দেওয়া যাবে না। 


৬. আপনি যেদিক দিয়ে খাচ্ছেন সেদিকে যা আছে তাই খাবেন,  আরেকজনের দিক থেকে বারবার পিয়াজুর পার্ট বা মাংসের টুকরো নিবেন না। 


৭. সবাই যে আইটেম খাচ্ছে সেটাই খেতে হবে।  সবাই যখন করলা ভাজি খাচ্ছে তখন আপনি "করলা ভাজি খাই না" বলে তড়িঘড়ি করে রোস্টের বড় পিচটা নিয়ে নিবেন - এটা ঠিক হবে না।  অপেক্ষা করুন - করলা ভাজি দিয়ে সবার খাওয়া শেষ হোক। 


৮. হোস্ট  একজনকে খাবার সার্ভ করছে,  তাকে সিরিয়ালি তা করতে দিন।  মাঝখান থেকে সিরিয়াল ব্রেক করে আপনার দিকে ডাকবেন না তাকে। 


৯. নিজের খাবারের দিকে তাকিয়ে থাকুন, অন্যদের পাতের দিকে ঘনঘন তাকাবেন না। 


১০. যে হাতে খাবার খাচ্ছেন - ঐ হাতে চামচ, প্লেট, গ্লাস ইত্যাদি ধরবেন না। 


১১. খাওয়ার সময় ঢেঁকুর পারবেন না,  কোঁৎ কোঁৎ শব্দ করবেন না। 


১২. হুট করে নিজের পাতের খাবার আরেকজনের পাতে দিয়ে দিবেন না।  আপনি সিদ্ধ ডিম না খেয়ে একটা মাংসের পিচ বেশি খাবেন বা জিলিপি না খেয়ে আলুর চপ খাবেন বাড়তি তাই বলে জিলিপি বা সেদ্ধ ডিম পাশেরজনের পাতে দিয়ে দিবেন না - আপনার মতো সেইম চিন্তা তারও থাকতে পারে। 


১৩. যতটুকু খেতে পারবেন ততটুকুই পাতে নিবেন।  খাবারের দখল নেওয়ার অপচেষ্টা চালাবেন না। মুখে অল্প করে খাবার নিবেন,  খাবার মুখে ঢোকানোর পর দুই গাল যাতে দৃষ্টিকটু ভাবে  ফুলে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।  


১৪. খাবারের শেষে দই বা ডাল আছে কিনা জিজ্ঞেস করবেন না; সেটা নাই ধরে খাওয়া চালাতে থাকবেন। 


১৫. হোস্ট আপনার সামনে টিস্যু রাখবে কিন্তু তাই বলে সেটা অযথা অপচয় করবেন না।  পর্যাপ্ত পানি দিয়ে হাত ধুয়ে তারপর রুমাল বা টিস্যু দিয়ে ভেজা হাতটা মুছবেন। 


১৬. নির্দিষ্ট কোন খাবার বেশি ভালো লেগেছে এটা বলবেন না,  হোস্ট সবগুলো আইটেমই যথেষ্ট মমতা সহকারে রান্না করেছেন আপনাদের জন্য - এটা মাথায়  রাখবেন।  


১৭. খাবার মুখে নিয়ে চপ চপ করবেন না,  খাইতে খাইতে নাকে সর্দি আসলে সেটা আস্তে করে মুছে নিবেন - উখ্খু উখ্খু শব্দ করে সেটাকে পেটে ঢুকানোর চেষ্টা করবেন না। মুখে কাকড় বা কাটা পড়লে মুখের খাবারটুকু বের করে সকলের সামনে ফেলে দিবেন না,  সকলের আড়ালে কোথাও ফেলুন। 


১৮. কোন একটা আইটেম নেওয়ার জন্য যদি আপনি প্রথমে উদ্যোগ নেন তাহলে চেষ্টা করবেন আশেপাশে দুএকজনকে আগে  দিয়ে পরে নিজে নিতে।  নিজে বড়ো পিসটা নিয়ে পাশেরজনের দিকে বাটি ঠেলে দিবেন না। নেওয়ার সময় চামচ দিয়ে সবগুলো পিস ঘাটাঘাটি করবেন না,  চোখের আন্দাজে আগে সিলেক্ট করে তারপর সেটা চামচে তুলবেন। 


১৯. দূরে থাকা কোন খাবার নেওয়ার জন্য বাটি নিজের দিকে দেওয়ার জন্য আরেকজনকে বলবেন না, সেটা উনার জন্য পরিশ্রমের। আপনার প্লেট বাটির কাছে এগিয়ে নিয়ে তারপর প্লেটে নিজে নেন বা কাউকে দিতে বলেন। 


২০. নিজে ডিমের কুসুম না খেয়ে রেখে দিয়ে পাশেরজনকে কুসুমের পুষ্টিগুণ বুঝাতে যাবেন না। 


২১. সালাদের বাটি থেকে বেছে বেছে শুধু টমেটো নিবেন না।  টমেটো,  শসা,  মূলা আনুপাতিক হারে নিবেন। 


২২. শুধুমাত্র আপনাকে একা  কাঁচামরিচ বা লবন এনে দেওয়ার জন্য কাউকে অনুরোধ করবেন না।  


২৩. হোস্ট পোলাওয়ের বাটি আনার সাথে সাথেই জিজ্ঞেস করে বসবেন না - সাদা ভাত আছে  কিনা? 


২৪. মজলিশে যিনি সবচেয়ে আস্তে খান তার সাথে তাল মিলিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন,  এতে করে সবাই সমানভাবে খাওয়ার অংশ পাবে।  


২৫. সকলের সাথে একসাথে খাওয়া শেষ  করুন। 


২৬. গলা পর্যন্ত খেয়ে হোস্টের মুখে " কিছুই তো খাইলেন না " শোনার জন্য  " বেশি খায়ালছি " বলে ঢং করবেন না।  আপনি যে বেশি খায়ালছেন এটা সবাই এতোক্ষণে ভালোই বুঝে গেছে! 


আজ এ পর্যন্তই । 


এর বাইরে আরো পয়েন্ট থাকলে কমেন্টে যোগ করুন।  


থিউরি বুঝতে সমস্যা হলে - বাসায় দাওয়াত দিন,  হাতে কলমে শিখুন!

স্যারের মেসেজ ০৬/০৫/২০২৪

 ধানের বীজ বিক্রি করার চেষ্টা করুন,,,,


সুপারভাইজার ভাইগণ আপনারা সবার সাথে কথা বলুন,,,,,


অনেকে বলছে এখন কীটনাশকের সিজেন না ধানের বীজ এবং জৈব সার বিক্রি করার চেষ্টা করেন,,,,,


কিছু কিছু সার আছে যেগুলো সব সময় চলে,,,,

আমাদের কক্সবাজার চিটাগং টাংগাইল নোয়াখালী এই বেল্টের জন্য লোক লাগবে আপনাদের পরিচিত লোক থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন।

07/05/2024.....
ধানের বীজের ডেলিভারি নিয়ে আপনাদের কোনো টেনশন নাই , জালাল ভাই আমাদের সর্বোচ্চ ডেলিভারি সাপোর্ট দিবেন তাই যে প্রোডাক্ট গুলো Stock Available আছে আমরা বেশি বেশি DO করবো ইনশাআল্লাহ্ কারণ এই প্রোডাক্টটা সিজনাল একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর কিন্তু আর চাহিদা থাকবে না ।
"ধন্যবাদ সবাইকে"
.........
৮/৫/২০২৫
রাসেল মাহমুদ স্যার,,,,,
সকালের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে যেদিন আপনি ডিউটি করবেন সেদিন কোনভাবেই আপনার মোবাইল নষ্ট আপনার মোবাইলের সমস্যা আপনার মোবাইলে নেট নাই অতএব মোবাইল সংক্রান্ত কোনো সমস্যায় কোম্পানি গ্রহণ করবে না সুতরাং আগে থেকেই সতর্ক থাকুন মোবাইল চার্জ করুন ঠিকমতো যত্নে রাখুন সাড়ে আটটার পর পর মার্কেটে যান পাঁচটার পর মার্কেট থেকে বের হন রোড প্লান অনুযায়ী মার্কেটে কাজ করার চেষ্টা করুন প্রতিদিন
,,,,,,,,
মনিরুল ইসলাম স্যার

ভাই আপনাদেরকে বলা আছে যেখানেই থাকেন যে কাজই করেন না কেন নোট ঠিকমতো দিবেন এক দোকানে যদি এক ঘন্টা থাকেন তিনটা চারটা নোট দিবেন ভালোমতো গুছিয়ে লিখে দিবেন কি করছেন সেই দোকানে। 
তারপরও যদি কারো নোট নিয়ে কোন ধরনের সমস্যা হয় সেটার দায়ভার আপনাকে একা নিতে হবে। 
প্রতিদিন ৩০ টা করে নোট দিতে হবে এটা অনেক আগে থেকেই বলা আছে যদি কোন কারণে কম হয় কেন কম হয়েছে সেদিনের হিসাব আপনাকে দিতে হবে কি কারণে দিতে পারেন নাই। 
সবকিছু পরিষ্কার করে বলা আছে এরপরে কোন ধরনের ভেজাল যদি আপনাদেরকে নিয়ে হয় সেটার দায়ভার আপনারাই নিবেন।


মানসিক ভাবে ভালো থাকার উপায়

 **মানসিক ভাবে ভালো থাকার উপায়**

    গরু আমাদের দুধ দেয় না, আমরা কেড়ে নি। গাধাও মোট বয় না, ধোপারা এককালে জোর করে কাজটি করাতো। হিসেব মত সিংহীও দুধ দেয়, সিংহও ওজন বইতে সক্ষম। কিন্তু সিংহকে দিয়ে ওসব করানো মানুষের ক্ষমতার বাইরে।


ওই জন্য একটু বোকা আর ভালো মানুষদের গরু কিংবা গাধার সাথে তুলনা করা হয়। এই দুটো প্রাণীর নামে কোনো মানুষকে ডাকা মানে সেটা অপমান করা। কিন্তু কাউকে সিংহ বললে সে উল্টে গর্ববোধ করবে। সেই সিংহ, যে আজ অবধি মানুষের উপকার করল না, যার সামনে মানুষ গেলে মুহূর্তের মধ্যে পরপারে চলে যাবে, সেই সিংহ হচ্ছে মানুষের চোখে রাজা। উপকারী গাধা হচ্ছে হাসির বস্তু।


অতিরিক্ত ভালো হওয়ার সমস্যাই এটা। অতিরিক্ত ভালো মানুষরা কারোর কাছে গুরুত্ব পায় না। তুমি নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ করতে থাকো, ভালো মনে কারোর ক্রমাগত উপকার করতে থাকো, আঘাতের পর আঘাত সহ্য করেও হাসিমুখে কাউকে ভালোবাসতে থাকো, তুমি তার চোখে 'গাধা' ছাড়া আর কিছুই হবে না। যদি মনে করো সে একদিন এগুলোর মূল্য বুঝবে, তাহলে তুমি সত্যিই গাধা। কারুর কাছে নিজের দাম পেতে গেলে একবার অন্তত সিংহের মত হতেই হয় ।


মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আপনার টাকা রয়ে যায়। দান করবেন বলে কথা দিয়েও হয়তো কয়েকজনকে দেন নাই অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না। 


নিরেট সত্যটি হচ্ছে-অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে দীর্ঘ জীবন লাভ করা বেশি জরুরি। তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ্য জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়া উচিত।

      আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায় :

           দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়।

মাদক ব্যাবসা করতো বা করে বা ভালো হয়ে গিয়েছে এমন  বন্ধু বা পরিচিত কাউকে কখন ও বিশ্বাস করবেন না । এরা বেইমানী করবেই কারনে অকারনে ।

একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না।


প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

     কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।

      সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্যই। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন, বছরে একবারও আপনার জন্য প্রার্থনা করার সময় তাদের হবে না। এমনকি বেঁচে থাকতেই আপনার অর্থের প্রাচুর্যে বেড়ে ওঠা মানুষগুলো আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে ছুড়ে আসতে পারে। তাই বেঁচে থাকতেই ১০০% এর সুরক্ষা এবং পূর্ণ সদ্ব্যবহার করাই শ্রেয়।


করণীয় কী ?

১) অসুস্থ না হলেও মেডিকেল চেকআপ করুন।

২) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।

৩) মানুষকে ক্ষমা করে দিন।

৪) রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।

৫) পিপাসার্ত না হলেও জল পান করুন।

৬) সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।

৭) যতই বয়স হোক না আর ব্যস্ত থাকুন না কেন, জীবনসঙ্গীকে মাঝে মাঝে নিরিবিলি কোথাও নিয়ে হাত ধরে হাঁটুন, হোটেলে খাওয়াতে না পারলে বাদাম বা ঝালমুড়ি খান। আর তাকে বুঝতে দিন, সেই আপনার সবচেয়ে আপন। কারণ, আপনার সবরকম দুঃসময়ে সেই পাশে থাকে বা থাকবে।

৮) ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।

৯) আর্থিক সঙ্গতি থাকলে আর সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে নিজের দেশ এমনকি ভিন্নদেশকে দেখতে বেড়িয়ে পড়ুন। দান করুন ।

১০) ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন।

১১) মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয় ,রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না। বৃষ্টির জলে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১০ মিনিট হলেও শরীরে রোদ লাগাবেন।

১২) মহাব্যস্ত থাকলেও নিয়মিত ব্যায়াম করুন আর ৩০ মিনিট হাঁটুন। আর মহান সৃষ্টিকর্তাকে নিয়মিত  স্মরণ করুন। মিথ্যা ত্যাগ করুন ।

১৩.সর্বদা হাসিখুশি থাকুন। সুযোগ পেলেই কৌতুক পড়বেন। পরিবারের সবার সঙ্গে মজার ঘটনাগুলো শেয়ার করবেন। মাঝে মাঝে প্রাণবন্ত ভাবে  হাসবেন।

১৪) সবার সাথে মিশবেন ছোটো বড় ভাববেন না।

--------------


আমাদের আরো পোস্ট পেতে পেজটিতে ফলো দিয়ে সাথে থাকুন

যেভাবে কুশারী থেকে ঠাকুর হলেন...সাজেদ রহমান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রবীন্দ্রনাথ 

যেভাবে কুশারী থেকে ঠাকুর হলেন...


পশ্চিম বাংলার বর্ধমান জেলার কুশ গ্রাম থেকে কুশারী বংশের উদ্ভব। রাজা বল্লাল সেনের সময় গ্রামটি ছিল সমৃদ্ধশালী। এই গ্রামেই কুশারী পরিবারের বাস। কুশারীরা মুলত ব্রাক্ষণ ছিলেন। ক্রমে ক্রমে বংশ বৃদ্ধি পেতে থাকে তাদের, এরপর তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে বাঁকুড়া জেলার সোনামুখীতে, যশোরের অধুনা পিঠাভোগে, ঢাকার কয়কীর্তনে, যশোরের ঘাটভোগ-দামুড়হুদা গ্রামে। তবে রবীন্দ্রনাথের পূর্ব পুরুষরা পিঠাভোগের কুশারী। খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে একাদশ শতকের মধ্যে আদিশুরের রাজস্বকারে বৌদ্ধ প্রভাবাচ্ছন্ন বঙ্গদেশের হিন্দু ধর্মের ফিরিয়ে আনতে এ প্রধান্য বিস্তারের অভিপ্রায়ে কণ্যাকুঞ্জ থেকে যে পঞ্চ ব্রাক্ষণ্যের আবির্ভার ঘটে তাদের মধ্যে শাল্ল্যি গোত্রীয় ক্ষিতিশ ছিলেন অন্যতম। পিঠাভোগের কুশারীরা ও শাল্ল্যি গোত্রীয় ক্ষিতিশের বংশজাত ব্রাক্ষণের ধারাবাহিক উত্তর পুরুষ। কথিত আছে ভট্টনারায়ণের পুত্র দ্বীননাথ শাল্ল্যি গোত্রীয় শ্রেণির ব্রাক্ষণ মহারাজ ক্ষিতিশের অনুগ্রহে বর্ধমান জেলার ‘কুশ’ গ্রামে দান স্বত্ব লাভ করে কুশারী গোত্রভুক্ত হন।(বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস, ব্রাক্ষণ কান্ড, পৃষ্ঠা ১২১)। সেখান থেকে রবি ঠাকুরের পূর্ব উপাধি কুশারী হয়।(রবীন্দ্র জীবনী ১ম খন্ড, প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়) কালক্রমে যশোর অধুনা খুলনার রুপসা উপজেলার পিঠাভোগ গ্রামে আবাসভূমি গড়ে উঠে।


রবি ঠাকুরের দক্ষিণ ডিহির মাতৃকুলের রায় চৌধুরী বংশের সাথে কবির আদি পুরুষ পিঠাভোগের কুশারী বংশের আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে উঠে।


.....জগন্নাথ কুশারীর পরবর্তী বংশধর পঞ্চানন কুশারী মত পার্থক্যের কারণে দক্ষিণ ডিহি ত্যাগ করে কলকাতার গঙ্গাতীরে কালিঘাটের গোবিন্দপুর গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। পিঠাভোগ থেকে আসা পঞ্চানন কুশারীকে স্থানীয়রা ভক্তিতে গ্রহণ করেন। ইংরেজরা তখন আজকের কলকাতার শহরের গোড়াপত্তন করছিলেন। স্থানীয়রা তাদের মুখপাত্র হিসাবে পঞ্চানন কুশারীকে ইংরেজদের সাথে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রাখতে অনুরোধ করে। কুশারীরা ছিল ব্রাক্ষণ। স্থানীয় রুচিবান মানুষেরা ব্রাক্ষণ পঞ্চাননকে সম্মান করে ‘ঠাকুর’ বলে ডাকতো। এই ভাবেই পিঠাভোগের কুশারী কলকাতায় ঠাকুর হিসাবে পরিচিত পান। ঠাকুর হওয়ার পিছনে আরও কাজ করে ওই সময় ভাগীরথী নদীতে ইংরেজদের বাণিজ্য তরী ভীড়তো। সেই বাণিজ্য তরীর মালামাল উঠানো এবং নামানোর ঠিকাদার এবং খাদ্য সামগ্রী সরবরাহের ব্যবসা করতেন পঞ্চানন কুশারী। এ কাজে নিয়জিত শ্রমিকেরা কুশারীকে শ্রদ্ধা ভরে ঠাকুর মহাশয় বলে ডাকতো। জাহাজের ক্যাপ্টেনদের কাছেও তিনি ঠাকুর বলে পরিচিত পেয়ে যান। তাদের কাগজপত্রে TAGORE লেখা হতো। এখান থেকেই ঠাকুর উপাধির প্রচলন।....যাইহোক দীর্ঘকাল ইংরেজদের সঙ্গে মেলামেশার ফলে ‘টেগোর’ উচ্চারণটি স্থানী রুপ লাভ করে। বিশ শতকে এসে সব টেগোরই ইংরেজি বাংলা উভয় ভাষাই ঠাকুর হলেন। ব্যতিক্রম শুধু রবীন্দ্রনাথ। তিনি বাংলা ভাষায় ঠাকুর কিন্তু ইংরেজি ভাষায় এখনো টেগোর।


সাজেদ রহমান ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ০৬-০৫-২০২৪

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ০৬-০৫-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:


ঢাকা সেনানিবাসে নবনির্মিত এএফআইপি এবং সেনা প্রাঙ্গণের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী - ‍দুঃসময়ে পাশে থেকে জনগণের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করেছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী, বললেন শেখ হাসিনা।


জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনশক্তির চাহিদা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠক্রম প্রণয়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির।


স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপি’র স্বজনদের বিরত রাখা আওয়ামী লীগের নীতিগত সিদ্ধান্ত, এখানে আইনগত কোনো বিষয় নেই – বললেন দলের সাধারণ সম্পাদক।


গাম্বিয়ার বানজুলে পঞ্চদশ ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে ফিলিস্তিনে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য ইসরাইলকে জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


অভিবাসন সংক্রান্ত অপতথ্য রোধে একযোগে কাজ করবে বাংলাদেশ ও ইতালি -  বললেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


নেতানিয়াহু সরকারের আল-জাজিরা বন্ধের আদেশের পর সংবাদ মাধ্যমটির জেরুজালেম অফিসে ইসারাইলি পুলিশের অভিযান।


চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ছয় উইকেটে হারিয়ে সিরিজে দুই-শূন্যতে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ ।

রবিবার, ৫ মে, ২০২৪

দিন কাল পালটাচ্ছে। তাই যোগ্য জবাব দেবার জন্য তৈরী থাকা উচিৎ ........ তা নাহলে ভবিষ্যতে বড় বিপদে পড়তে হতে পারে।

 " বাড়ি ঘর জায়গা জমি সন্তানদের লিখে দিবেন না । আপনার ঘরে আপনি বসবাস করবেন । দরকার হলে ছেলে মেয়েরা  বাড়ি ঘর তৈরি করে 'যৌবনাশ্রমে ' থাকবে "  :


পরিণত বয়সে এসে আমাদের অনেকেরই হয়তো কাজেও লাগতে পারে গল্পটি!!!


"যৌবনাশ্রম খুঁজে দেখো!"


আব্দুর রহমান সাহেব ক'মাস ধরেই কিছু আঁচ করছিলেন। উনি তিন বছর হয় রিটায়ার করেছেন। সরকারী উচ্চপদে ছিলেন। ভাল অঙ্কের পেনশন পান। স্ত্রী গত হয়েছেন বহুদিন আগে।


দুটি ছেলেকে বড় যত্নে মানুষ করেছেন। বাবা এবং মায়ের দুজনের স্নেহ দিয়ে ভালভাবে লেখাপড়া করে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারপর বড় ছেলের বিয়ে দিলেন। একটি নাতি হল। উনার মনে আর আনন্দ ধরে না ।


এরপর ছোট ছেলে নিজের পছন্দের মেয়ে খুঁজে বাবাকে জানালে তিনি সানন্দে সেই মেয়েকে ঘরে নিয়ে এলেন। রিটায়ারের আগেই বড় ছেলের বিয়ে হয়েছিল। তারপর ছোট বৌমা এল।


আব্দুর রহমান সাহেব এখন নাতিকে নিয়ে বেশ সময় কাটান। সংসারের অনেকটা ব্যয় ভার বহন করেন।


একদিন ইজি চেয়ারে বসে সকালে কাগজ পড়ছেন বড় বৌমার গলা পেলেন, আজ বাজার শর্ট আছে.রাতে রান্না হবে না। সে চাকরী করে। বলছে জা কে।


এ বাড়িতে ছেলেদের জন্মের আগে থেকে কাজের মেয়ে জয়নব আছে। সে তাঁর ছেলেদের থেকে বেশ কিছুটা বড়। জয়নব মাতৃহারা দুই ছেলেকে অপার স্নেহে আগলে রেখেছিল।


সে বলল--ভাইজানরা কেউ এনে দেবে।


বড় বৌ বলল--কেন বাবা তো বসে আছেন বাজারটা রোজ করলেই পারেন।


আব্দুর রহমান সাহেবের কানে কথাটা বাজল। বুঝলেন সংসারে তাঁর প্রয়োজন ফুরিয়েছে।


নিজের মনকে বললেন-- মন তুই তৈরী থাক।


এরপর থেকে বৌদের নানা আচরণে তাঁর প্রতি বিরূপতা প্রকাশ পেতে থাকল।


একদিন সকালে বড় ছেলে রাগত গলায় বৌকে বলছে--আমার শার্টটা লণ্ড্রী থেকে আনা হয়নি?


বড় বৌ বললো-- না যাবার সময় হয়নি।


বড় ছেলে -বাবা একটু আনতে পারল না? সারাদিন তো বসেই থাকে।


আব্দুর রহমান সাহেবের কানে গেলে ভাবলেন-- যুগধর্ম!


এরপর একদিন এক ছুটির দিনে সকালে ব্রেকফাস্ট টেবিলে এসে দেখলেন--সবাই আগে ভাগেই উপস্থিত।


জয়নব প্লেটে গরম লুচি, আলু ভাজি আর সন্দেশ পরিবেশন করছে।


বড় ছেলে বলল --বাবা একটা কথা ছিল।


আব্দুর রহমান সাহেব বুঝলেন এরা সকলে কিছু প্ল্যান করেছে। বললেন, বল।


বড় ছেলে বললো, জানো বাবা কাল অফিসের কাজে গাজীপুর গিয়েছিলাম। কাজের ফাঁকে সময় পেয়ে ওখানকার দর্শনীয় জায়গা গুলো দেখতে বেড়িয়েছিলাম। দেখলাম নদীর ধারে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে একটা সুন্দর বৃদ্ধাশ্রম চালু হয়েছে। দেখেই ভাবলাম তুমি ওখানে মনোরম পরিবেশে শেষ জীবনটা থাকতে পারো। আমরা যাব আসব। কিরে ভাই কি বলিস?


ছোট ছেলে বলল, বেশ ভালো হবে।


আব্দুর রহমান সাহেব হেসে বললেন--সব তো শুনলাম। কিন্তু বাবারা তোমরা যেমন আমার জন্য ভাবো, আমিও তোমাদের জন্য ভাবি। তাই আমারও একটা প্রস্তাব আছে তোমাদের জন্য। তোমরাই বরং যুতসই এবং মনোরম পরিবেশের একটা যৌবনাশ্রমের খোঁজ করে নিয়ে সেখানে গিয়ে থাকোনা কেন। বাড়ীটাতো আমারই, পেনশনও পাই ভাল। জয়নব মাকে নিয়ে আমরা বাপ বেটিতে বেশ ভালই থাকব। তোমরাও আসবে যাবে।


এই ভাবে তিনি এক ছক্কায় বাজীমাত করে দিলেন। জয়নবকে বললেন--জয়নব মা, লুচিগুলো ঠাণ্ডা হয়ে গেল। গরম গরম নিয়ে আয় তো।


ছেলেরা আর ছেলেদের বৌয়েরা রীতিমতো হতভম্ব হয়ে গেল, বাকরুদ্ধ হয়ে বসে রইলো.....!!


দিন কাল পালটাচ্ছে। তাই যোগ্য জবাব দেবার জন্য তৈরী থাকা উচিৎ ........


তা নাহলে ভবিষ্যতে বড় বিপদে পড়তে হতে পারে।



মোনালিসার রহস্য

 মোনালিসার রহস্য


লিওনার্দো দা ভিঞ্চি এমন একজন ব্যাক্তি ছিলেন, যিনি বিজ্ঞান বা সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে তিনি তার প্রতিভা দেখাননি। তার শিল্পকর্মগুলি ছিল অসাধারণ রহস্য পরিপূর্ণ। তার একটি অসাধারণ সৃষ্টি 'মোনালিসা' ছবিটি। এখনো মানুষের কাছে 'মোনালিসা' রহস্যময়।


'মোনালিসা' ছবির সম্পর্কিত তথ্য : মোনালিসা নামটির সাথে সাথে মনে অনেক রকমের প্রশ্ন এসে যায়। সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন হয়, আলাদা আলাদা অ্যাঙ্গেল থেকে দেখলে মোনালিসার হাসি পরিবর্তন হতে থাকে। কোনো কোনো ঐতিহাসিকের মতে মোনালিসার এই ছবিটির মধ্যে বিশাল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। যেমন ধরুন পাঁচ শ' বছরেও মানুষ কেন দেখতে পায়নি মোনালিসার ছবির মধ্যে এলিয়েনের ছবি লুকিয়ে রয়েছে? 'মোনালিসা' আসলে ছেলের না মেয়ের ছবি? এই ধরনের অনেক প্রশ্নের উত্তর আজও খুজে চলেছে মানুষ।

 

উল্লেখ্য 'মোনালিসা'র এই ছবিটি কোনো কাগজ বা কাপড়ের উপর আঁকা হয়নি। লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে একটি পাইন কাঠের টুকরোর ওপর মোনা লিসার এই ছবিটি আঁকেন। চিত্রকলার ইতিহাসে এই চিত্রকর্মটির মতো আর কোনোটি এত আলোচিত ও বিখ্যাত হয়নি। এই ছবিটি আঁকা হয়েছে কাঠের তিনটি তক্তার উপর। এই চিত্রটি ১৫০৩ সাল থেকে ১৫০৬ সালের মধ্যে আঁকা হয়েছিল। আসলে এই ছবিটির নাম Monalisa নয়, এটি বানানে ভুল ছিল। ছবিটির অরজিনাল নাম হলো Mona Lisa ইটালিয়ান ভাষায় এই শব্দটির অর্থ হলো Mona Lisa = My Lady ।


মোনালিসা ছবিটি ছিল লিওনার্দো দা ভিঞ্চি-র সব থেকে প্রিয় ছবি। এই কারণে লিওনার্দো দা ভিঞ্চি যখনই যেখানে যেতেন, সাথে করে এই ছবিটি নিয়ে যেতেন। তিনি যখন এই ছবিটি আঁকতে শুরু করেন তখন তার বয়স ছিল ৫১ বছর। ১৭৫৭ সালে মোনালিসা ছবিটি লুভারস মিউজিয়ামে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু কেউ জানে না যে কিভাবে এই ছবিটি লুভারস মিউজিয়ামে এসে পৌঁছলো। ১৯১১ সালের ২১ আগস্ট মোনালিসার এই ছবিটি লুভারস মিউজিয়াম থেকে আবার চুরি হয়ে যায়। কিন্তু দশ বছর পর আবার সেই ছবিটি খুঁজে পাওয়া যায়। ১৯৫১ সালে এক ব্যক্তি এই ছবিটিতে পাথর ছুড়ে মারেন। যার ফলে চিত্রটিতে মোনালিসার বাম হাতের কনুই এ একটি দাগ লেগে যায়।


মোনালিসাকে ফ্রান্সের ল্যুভর জাদুঘরের একটি আলাদা কক্ষে রাখা হয়েছে, যার জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত করা আছে এবং ছবিটি বুলেটপ্রুফ কাচ দিয়ে ঢাকা একটি খাপের মধ্যে রাখা আছে। কক্ষটি তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে ৭ মিলিয়ন ডলার।

গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে যে বর্তমান সংস্করণটির আগে ছবিটি তিনটি আলাদা স্তরে আঁকা হয়েছিল। একটি সংস্করণে মোনালিসার হাত দুটো তার সামনে রাখা একটি চেয়ারের ওপর দিয়ে জড়িয়ে আছে।

গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...