এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪

প্রণাম কবিগুরু ** কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর                         —- দান ( কবিতা )

 প্রণাম কবিগুরু

** কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

                        —- দান ( কবিতা )

      ( দান < বিচিত্রিতা < কবিতা ও গান < রবীন্দ্র-রচনাসমগ্র )


        ‘বিচিত্রিতা’-কাব্যের  ‘দান’-কবিতার ছবিটি  সুনয়না দেবীর আঁকা,  আবেশময়ী এক নারী প্রস্ফুটিত পুষ্পসহ  একটি পল্লবের দিকে মুগ্ধ বিস্ময়ের দৃষ্টিতে চেয়ে আছে ।  কবির চোখে ধরা পড়েছে  এই নারী যেন রাত্রির শেষের তরুনী উষা,  চোখে তার নব জাগরণের বিস্ময় ।


        রাত্রি শেষে  উষা জেগে উঠে দেখে যে তার শয্যায় তারই উদ্দেশে ফুলের ডালি কোন্ প্রেমিক রেখে গেছে ।  উষার অজ্ঞাতে সুপ্তি ঢাকা রাতে শুভ্র আলোর স্মরণে ফুলকে বাণীময় করেই অর্ঘ্য রেখে গেছে ।  এই প্রেম নিবেদনের প্রত্যুত্তরে স্তব্ধ মৌনী উষা কিছু বলুক —- কবি তা চান । —-


                    “ তোমার পাখির গানে

                                পাঠাও  সে-অলক্ষ্যের পানে

                                          প্রতিভাষণের বাণী,

                বলো তারে-- হে অজানা, জানি আমি জানি,

                               তুমি ধন্য,  তুমি প্রিয়তম,

                                          নিমেষে নিমেষে তুমি চিরন্তন মম ।”


                                 ———-  ০  ———-


                                      হে উষা তরুণী,

                নিশীথের সিন্ধুতীরে নিঃশব্দের মন্ত্রস্বর শুনি

                যেমনি উঠিলে জেগে, দেখিলে তোমার শয্যাশেষে

                                      তোমারি উদ্দেশে

                            রেখেছে ফুলের ডালি

                                            শিশিরে প্রক্ষালি

                কোন্‌ মহা-অন্ধকারে কে প্রেমিক প্রচ্ছন্ন সুন্দর ।

                                      তোমারে দিয়েছে বর

                            তোমার অজ্ঞাতে

                                          সুপ্তিঢাকা রাতে,

                            তব শুভ্র আলোকেরে করিয়া স্মরণ

                                          আগে হতে করেছে বরণ ।

                            নিজেরে আড়াল করি

                                    বর্ণে গন্ধে ভরি

                                                 প্রেমের দিয়েছে পরিচয়

                                                          ফুলেরে করিয়া বাণীময় ।

 


                মৌনী তুমি,  মুগ্ধ তুমি,  স্তব্ধ তুমি,  চক্ষু ছলোছলো —-

                                      কথা কও,  বলো কিছু বলো,

                            তোমার পাখির গানে

                                      পাঠাও সে-অলক্ষ্যের পানে

                                                     প্রতিভাষণের বাণী,

                     বলো তারে —- হে অজানা,  জানি আমি জানি,

                                    তুমি ধন্য,  তুমি প্রিয়তম,

                                                  নিমেষে নিমেষে তুমি চিরন্তন মম ।

কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত সম্পর্কে  চমৎকার একটি ঘটনা,,,,

 💢 কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত সম্পর্কে  চমৎকার একটি ঘটনা।💢


💎 🖋একজন লোক ছিল, যে সার্বক্ষণিক কোরআন তেলাওয়াতের রত থাকত। কিন্তু সে কোরানের কোন আয়াত মুখস্ত করতো না, তার ছোট্ট সন্তানটি একদিন তাকে জিজ্ঞেস করল যে, বাবা... তুমি কোরআন মুখস্থ না করে শুধু শুধু তেলাওয়াত করে কি লাভ...? বাবা তাকে বললো ঠিক আছে তোমাকে বলছি শুনো...


💎 আচ্ছা তার আগে বলো তুমি কি কোন ছিদ্রযুক্ত পাত্র দ্বারা কোথাও থেকে পানি ভর্তি করে আনতে পারবে...? ছেলেটি বলল ছিদ্র যুক্ত পাত্র দিয়ে পানি ভর্তি করে আনা কিভাবে সম্ভব..?! বাবা বললো, চেষ্টা করে দেখো, বাবা তার হাতে একটি ছিদ্রযুক্ত পাত্র দিল, যে পাত্রটি দেয়া হয়েছে তা ব্যবহার করা হতো কয়লা বহন করার কাজে।


💎 অতএব, বালক উক্ত পাত্রটি হাতে নিয়ে সমুদ্রের দিকে অগ্রসর হল এবং সে চেষ্টা করতে লাগল পাত্রটি ভর্তি করে তার বাবার কাছে দ্রুত ফিরে আসার।


💎 কিন্তু সে ব্যর্থ হলো। কারণ, পাত্রটি ছিল ছিদ্র যুক্ত, আর কোন ছিদ্রযুক্ত পাত্রে পানি না থাকাটাই স্বাভাবিক।


💎 অতঃপর সে তার বাবাকে বলল না এভাবে সম্ভব নয়।


💎 বাবা তাকে বললো দ্বিতীয়বার চেষ্টা করে দেখো।


💎 সে তাই করলো, কিন্তু সে পানি ভর্তি পাত্র আনতে অ-সফল হল সে এভাবে তিন থেকে পাঁচ বার চেষ্টা করেও সফল হলো না অ-সফল হল।


💎 শেষ পর্যন্ত সে হাঁপিয়ে উঠলো, অতঃপর তার বাবাকে বললো, এ পাত্র পানি দ্বারা ভর্তি করা কখনও সম্ভব নয়। এবার তার বাবা তাকে বলল তুমি কি পাত্রটিতে কিছু অনুভব করতে পেরেছ?


💎 তখন ছেলেটি পাত্রের দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকালো, এবং বললো হাঁ পাত্রটি কয়লার গুরুতে ময়লাযুক্ত ছিল কিন্তু এখন সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে গেছে।


💎 অতঃপর বাবা তার ছেলেকে বললো, এভাবে কোরআন তোমার অন্তরকে পরিষ্কার করে দেবে, এই পৃথিবী এবং এই পৃথিবীর কার্যকলাপ তোমার আমার অন্তরকে কয়লা যুক্ত করে ফেলেছে। কোরআনে কারীম হচ্ছে সাগরের পানির মতো, যা তোমার-আমার অন্তরকে পরিষ্কার করে দেবে, যদিওবা তুমি কুরআনে কারীম থেকে কোন আয়াতই মুখস্থ না করো।


💎 এমন যেন না হয় যে, তোমার হিফজ বা মুখস্থ শক্তির অপারগতাকে ইবলিশ শয়তান কাজে লাগিয়ে তোমাকে পবিত্র কুরআনের তেলাওয়াত থেকে দূরে সরিয়ে দিতে সফলকাম হয়।


💎 তেলাওয়াতের ছাওয়াব স্বতঃসিদ্ধ ভাবে প্রমাণিত ছিল, আছে, এবং ভবিষ্যতেও অটল থাকবে। কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী।


💎 হযরত উসমান রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, خيركم من تعلم القرآن وعلمه


💎 তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি যিনি কোরআনে কারীম শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।


💎 অন্য আরেকটি হাদীসে বলা হয়েছে, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাম বলেছেন।

" مَنْ قَرَأَ حَرْفًا مِنْ كِتَابِ اللَّهِ فَلَهُ بِهِ حَسَنَةٌ ، وَالْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا ، لَا أَقُولُ الم حَرْفٌ ، وَلَكِنْ أَلِفٌ حَرْفٌ وَلَامٌ حَرْفٌ وَمِيمٌ حَرْفٌ "


💎 যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়, প্রতিটি নেকি দশটি নেকি সমান, আমি বলিনা যে আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ বরং "আলিফ" একটি হরফ, "লাম" একটি হরফ, "মীম" একটি হরফ।


🔸 আমি আপনি ঘটনাটি থেকে যে শিক্ষা অর্জন করলাম, তা আপনার প্রিয় মানুষগুলো কে লাইক, কমেন্স ও শেয়ার করুন, যাতেকরে তারাও এ ঘটনাটি থেকে শিক্ষা লাভ করতে পারে। 🔸


🖋

সঙ্গীতজ্ঞ শচীন দেববর্মণের মত সম্মান আর কোনও বাঙালি পাননি!

 বোম্বেতে বোধহয় গায়ক,সঙ্গীতজ্ঞ শচীন দেববর্মণের মত সম্মান আর কোনও বাঙালি পাননি! কিন্তু মানুষটার মন চিরকাল কলকাতার জন্য ছটফট করত। বলতেন দূর যে দেশে গঙ্গা নাই- সেটা আবার দেশ নাকি! যখন ফিল্মিস্তানের কাজ করতেন দুটো করে টাকা পকেটে নিয়ে যেতেন। পরবর্তী কালে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করেছেন তখনও দু'টাকা ও দুই লক্ষ টাকার টাকার মধ্যে বিশেষ প্রভেদ ছিল না। এক মন উদাস করা সন্যাসী গায়ক ও সঙ্গীতজ্ঞ,সংসার ,বিবাহ সবকিছু সামলেও  যাঁর জীবনের প্রথম ও শেষ প্রেম বোধহয় গান!

ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


রাজ পরিবারের ছেলে শচীন দেববর্মণ ,মানুষ হয়েছেন সেই রকম স্টাইলে। সেন্ট জেভিয়ার্সের ছাত্র, টেনিস খেলতেন কলকাতার সাউথ ক্লাবে। মান্না দে'র কাকা কৃষ্ণচন্দ্রের কাছে গান শিখেছেন পরে ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। তাঁর গানের প্রথম দিকে দুজনের প্রভাব ছিল। কিন্তু সীমাহীন টান ছিল রবীন্দ্রনাথের গানের প্রতি। এক দিন মেঘলা দুপুর শচীন কর্তা একা একা হারমোনিয়াম নিয়ে গুনগুন করছেন। সেই সময়ে  কাজী নজরুল ইসলাম আসলেন। দরজা থেকে বললেন " আরে মুখটা তো বেশ করেছো শচীন, দাঁড়াও একটা কাগজ পেন্সিল দাও"।  মিনিট পনেরো সময় নিলেন নজরুল ইসলাম লিখে ফেললেন একটা গান। সুর বসাতে ঘন্টা খানেক সময় লাগল। পরদিন রেকর্ডিং হল প্রচণ্ড হিট গান ' মেঘলা নিশি ভোরে,মন যে কেমন করে'।


অন্য একবার-  চিত্র পরিচালক তপন সিংহ বম্বেতে গিয়ে দেখলেন শচীন কর্তা একটা সুর করছেন। তপন সিংহ কে বললেন " শোনো তো একটা গানের সুর করছি - কী রকম লাগছে? লতা গাইবে। শোনালেন বিখ্যাত সেই গান : ' মেঘছায়ে আঁধি রাত'। শচীন দেববর্মণের দরদি কণ্ঠ মল্লার ঘেঁসা সুর। তপন সিংহ বললেন চমৎকার হয়েছে। কর্তা উত্তরে জানালেন" আরে রাম রাম - একি আমার নিজের! সবই রবীন্দ্রনাথের কৃপায়।

 ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


বোম্বেতে তপন সিংহ একবার দিলীপকুমার কে কোনও প্রয়োজনে টেলিফোন করে পেলেন না । সায়রাবানু ফোন ধরে  জানালেন দিলীপকুমার হায়দরাবাদ গিয়েছেন পরশু ফিরবেন। প্রায় সাথে সাথেই বললেন দাদা শুনেছেন শচীনদার স্ট্রোক হয়েছে। বম্বে হসপিটালে ভর্তি  শচীন কর্তা।  হাসপাতালে গিয়ে তপন সিংহ দেখলেন শচীন কর্তার বাঁদিক পক্ষঘাতে অচল। করুণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। কথা জড়িয়ে যাচ্ছে, বললেন " তপন আর কিছু চাই না - যদি একটু গুনগুন করে গান গাইতে পারতাম"।


কর্তাকে উৎসাহ দিয়ে স্নেহের তপন বললেন নিশ্চয়ই পারবেন। বড়ে গোলাম আলি সাহেব একটা স্ট্রোকের পরেও গান গেয়েছেন। আমি নিজের কানে সেই গান শুনেছি শচীনদা। কিন্তু মৃত্যু বোধহয় চলে নিজের খেয়ালে। বোম্বে থেকে কলকাতায় ফিরেছেন, কিছুদিন পরে তপন সিংহ খবর পেলেন শচীন দেববর্মণ চলে গেছেন না ফেরার দেশে সেদিন ছিল ৩১ অক্টোবর ১৯৭৫ । ভারতের সংগীতের আকাশ থেকে খসে পড়ল উজ্জ্বল এক নক্ষত্র। বোধহয় শেষ হল সংগীতের একটি অধ্যায়। দেশ হারালো এক কৃতী সন্তানকে।

 ধ্রুবতারাদের খোঁজে 



পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার, মনে পড়ে,তপন সিংহ

কম্পাস বা দিক নিরদেশক যন্ত্র ছাড়াও পূর্ব পশ্চিম দিক নির্ধারণ করা সম্ভব যেভাবে

 > কম্পাস বা কম্দিপাসক নির্দেশক যন্ত্র ছাড়াও উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম দিক নির্ধারণ করা সম্ভব। প্রাচীনকালের একটি সহজ পদ্ধতি হলো ছায়া ব্যবহার করে দিক নির্ধারণ করা। নিচে ধাপে ধাপে বর্ণনা করা হলো কীভাবে সহজে একটি কম্পাস তৈরি করা যায়:


◾প্রয়োজনীয় উপকরণ:

*একটি প্রায় 90 সেন্টিমিটার দীর্ঘ লাঠি

*দুইটি ছোট পাথর বা অন্য কোনো চিহ্ন রাখার বস্তু

*একটি খোলা জায়গা যেখানে সূর্যের আলো আসে


◾ধাপসমূহ:


১. লাঠি স্থাপন:

একটি প্রায় ৯০ সেন্টিমিটার দীর্ঘ লাঠি খোলা জায়গায় মাটিতে স্থাপন করুন। এমন জায়গা বেছে নিন যেখানে সূর্যের আলো পরিষ্কারভাবে পড়ে। লাঠিটি সোজা এবং স্থিরভাবে মাটিতে বসান যাতে এটি একটি ছায়া তৈরি করতে পারে।


২. প্রথম ছায়া চিহ্নিত করুন:

লাঠির ছায়া যেখানে পড়ে, সেখানে একটি ছোট পাথর রাখুন। এটি হবে প্রথম ছায়া চিহ্ন। এই ছায়া সূর্যের অবস্থানের উপর নির্ভর করে দিনভরের বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হবে।


৩. সময় অপেক্ষা:

দশ থেকে পনের মিনিট অপেক্ষা করুন। এই সময়ের মধ্যে সূর্য আকাশে কিছুটা সরবে, ফলে লাঠির ছায়াও সরতে থাকবে।


৪. দ্বিতীয় ছায়া চিহ্নিত করুন:

কিছুক্ষণ পর আবার লাঠির ছায়ার ডগার দিকে লক্ষ্য করুন এবং যেখানে এটি নতুন করে পড়ছে সেখানে দ্বিতীয় পাথরটি রাখুন। এটি হবে দ্বিতীয় ছায়া চিহ্ন।


৫. লাইন আঁকুন:

প্রথম পাথর এবং দ্বিতীয় পাথরের মধ্যে একটি সরল রেখা আঁকুন। এই রেখাটি হবে পূর্ব-পশ্চিম দিক নির্দেশক লাইন।


৬. দিক নির্ধারণ:

এখন আপনার বাম পা প্রথম পাথরের উপর এবং ডান পা দ্বিতীয় পাথরের উপর রাখুন। এভাবে দাঁড়ালে আপনি উত্তর দিকে মুখোমুখি হবেন।


◾দিক নির্ধারণের ব্যাখ্যা:


পৃথিবীর যেকোনো স্থানে প্রথম ছায়ার চিহ্ন সবসময় পশ্চিম দিকে পড়ে, এবং দ্বিতীয়টি পূর্ব দিকে। এই পদ্ধতি সূর্যের গতিপথের ভিত্তিতে কাজ করে, যেহেতু সূর্য পূর্ব দিক থেকে উঠে পশ্চিমে অস্ত যায়।


এই পদ্ধতি বহু প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যখন মানুষ প্রাকৃতিক উপায়ে দিক নির্ধারণ করত। এটি একটি সহজ, কার্যকরী এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি যা এখনো বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা যায়, বিশেষ করে কম্পাস না থাকলে বা প্রযুক্তির ব্যবহার সম্ভব না হলে। (সংগৃহীত)

জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন,,,,,

 জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন:


I. প্রথমেই , জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর  এবং উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ সম্পর্কে জানতে হবে।


II. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার কাছ থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন, যেমন- সি.এস খতিয়ান, এস.এ  খতিয়ান , আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ানসহ সর্বশেষ পর্যন্ত যে সকল বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল(chain of title), নামজরী খতিয়ান এবং হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র।


III. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন সে যদি  ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে এবং সে যদি  উত্তরাধিকার সূত্রে ভুমির মালিক হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।


IV. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে। বিক্রেতা যদি বলেন যে আপোষমুলে বণ্টন হয়েছে, কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি, তবে ফারায়েজ অনুযায়ী বিক্রেতা যেটুকু অংশের দাবিদার শুধু সেটুকু কিনাই নিরাপদ হবে। 


V. উক্ত জমিটি নিয়ে কোন মামলা বিচারাধীন আছে কিনা কিংবা কোন প্রকার মামলা নিস্পত্তি হয়েছে  কিনা এবং ব্যাংক কিংবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে জমিটি বন্ধক/ দায়বদ্ধতা আছে কিনা।


VI. যাচাই করতে হবে জমিটি খাস, পরিত্যক্ত, শত্রু স¤পত্তি কিনা বা সরকার কোন কারনে অধিগ্রহণ করেছে কিনা সে বিষয়ে উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।

 

VII. জমির মালিক নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে। নাবালক হলে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত করে বিক্রয়ের অনুমতি নিতে হবে।


VIII. সর্বশেষ নামজারি পরচা ডিসিআর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে।


IX. জমির মালিকানা স্বত্ব সঠিক পাওয়ার পর আপনাকে সি.এস/আর.এস/বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের নকশা নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে হবে নকশা অনুযায়ী ঐ জমিটি সেই দাগের কিনা এবং  সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে।


X. এরপর বিক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট জমিটি বর্তমানে কে দখলে আছে, কিনতে গেলে কোন কারনে ভোগ দখলে বাধাগ্রস্থ হবে কিনা কিংবা রাস্তা বা পথাধিকারের কোন বাধা নিষেধ আছে কিনা তাও সরেজমিনে যাচাই করে নিতে হবে।

সচেতন হোন দিনে অন্তত একবেলা লাল চালের ভাত বা পান্তা খান। শিশু ও গর্ভবতী মায়ের ভাতের থালায় লাল চালের ভাত দিন।,,,BRRI RICE ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "যতোই উপকারি হোক গরীবেও মোটা চাইলের ভাত খেতে চায় না; কেউ কিনে না চামারা ধান। নিজেদের পিঠা খেতে হয় তাই এখনও আবাদ করি " এক চামারা চাষির আক্ষেপ। এ যেন সৈয়দ মুজতবা আলী বর্ণিত সেই অচ্ছেদ্য চক্র। 


গভীর পানির ধান চামারা । বন্যার পানিতেও টিকে থাকার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে চামারার; পানি বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে ধানগাছ। গভীর পানিতে আবাদ হয় তাই চামারা ধান চাষ করতে রাসায়নিক সার বি*ষ লাগে না।

টাঙ্গাইল , মানিকগঞ্জ, ঢাকা জেলার নদীর তীরবর্তী নিম্নভূমিতে এই ধানের আবাদ এখনও টিকে আছে।

এই ধানের চাল মোটা ও লাল রঙের হয়। এই চালের ভাত মিঠা স্বাদের। চামারা চাল পুষ্টি সমৃদ্ধ তো বটেই, স্বাদও দারুন। এর খিচুড়ি অসাধারণ, পিঠাও সুস্বাদু।


বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক জমি প্লাবন সমভূমি। এই জমিগুলি আমন মৌসুমে অনাবাদী থাকে কারণ পানিতে যে ধানগুলি হয় তার চাল মোটা। যতোই উপকারি হোক মোটা চাল গরীবেও খায় না। সবাই ফেয়ার এন্ড লাভলী মার্কা সাদার চেয়েও বেশি সাদা চিকন চালের ধান খেতে চায়। 


খাদ্যাভাস পরিবর্তনের কারণে চামারা সহ অন্যান্য পানির ধানের আবাদ কমে গেছে; উপযোগিতা হারাইছে মিনিকেটের কাছে। অথচ চামারার স্বাদ বুঝাতেই এই গ্রাম্য বচন আছে- "ইস্টির মধ্যে মামারা যদি থাকে নানি, ধানের মধ্যে চামারা যদি থাকে পানি"


সচেতন হোন দিনে অন্তত একবেলা লাল চালের ভাত বা পান্তা খান। শিশু ও গর্ভবতী মায়ের ভাতের থালায় লাল চালের ভাত দিন।


তথ্যসূত্রঃ ১. জাগরনীয়া.কম ২.প্রিয়.কম ৩. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।


ছবি- গভীর পানির চামারা ফুল ফাইবার মোটা চাল।

লেখা- হাসান মেহেদি (সংশোধিত)

ছবি: অনুপ বিশ্বাস এবং অন্যান্য।

বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় গানের স্বনামধন্য শিল্পী শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব এর আজ ২৫-তম প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। 

 বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় গানের স্বনামধন্য শিল্পী শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব এর আজ ২৫-তম প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। 


শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব (১৯২৭-২০০০) ছিলেন চট্টগ্রামের কথ্য ভাষায় রচিত আঞ্চলিক গানের একজন বিখ্যাত গায়ক।

কণ্ঠশিল্পী শ্যামসুন্দর ১৯২৭ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার ফতেয়াবাদস্থ নন্দীরহাট এলাকায় সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। খুব অল্প বয়সে তার বাবা পরলোক গমন করায় পরিবারের হাল ধরার লক্ষে চাকরিতে নিয়োজিত হওয়ায় শিক্ষাজীবনে তিনি বেশিদূর যেতে পারেননি।

শ্যামসুন্দরের পিতা জয়দাশ বৈষ্ণব ছিলেন আধ্যাত্মিক গানের একনিষ্ঠ সাধক।তার হাত ধরেই শ্যামসুন্দর সংগীতাঙ্গনে প্রবেশ করেন। গান আর কৌতুক নিয়ে এলাকায় শিশুকালে সাড়া ফেলে দিয়েই আগাম জানিয়েছিলেন তিনিই হবেন সাংস্কৃতিক জগতের সফল এক নক্ষত্র। ১৯৬৩ সালে চট্টগ্রামের প্রবীণ গীতিকার ও সুরকার সৈয়দ মহিউদ্দিন (প্রকাশ মহি আল ভান্ডারী) এর কথা ও সুরে দুটি আঞ্চলিক গান পরিবেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বেতারের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সঙ্গীত জীবনে পর্দাপণ করেন। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের কণ্ঠশিল্পী হিসেবে তালিকাভূক্ত হবার যোগ্যতা অর্জন করেন।

শ্যামসুন্দরের কিছু জনপ্রিয় গান

• ও জেডা ফইরার বাপ,

• ভানুরে ও ভানু

• ও বাস কন্ডাকাটার,

• চল আঁরা ধাই,

• আঁর বাইক্য টেয়াঁ দে,

• আঁর বউঅরে আঁই কিলাইউম,

• ভাইসাব দুম্বি আইয়েন লেলে ফুঁৎ কইছে,

• ও বেয়াইনরে কেনতে আইলেন আঙ্গোঁ বাইত,

• আন্নের বাই দাগনভূইঞা,

• দেশে গেলে কইয়েনগো ভাইজান চাটিগাঁয়ে চাকরি একখান হাইছি

শ্যামসুন্দর জীবদ্দশায় অনেক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- বাংলাদেশ বেতার গুণীজন সংবর্ধনা, রয়েল ক্লাব অব মেট্রোপলিটন, মুক্তিযুদ্ধের বিজয়মেলা, শহীদ নতুন চন্দ্র সিংহ স্মৃতি পরিষদ, বাংলাদেশ উদীচী, চট্টগ্রাম শিল্পী সংস্থা, ধ্রুব পরিষদ, বীর চট্টগ্রাম মঞ্চ, অবসর সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, আলাউদ্দিন ললিতকলা একাডেমি, ত্রিতরঙ্গ, ফতেপুর রুদ্র পল্লীবাসী, হাটহাজারী কণ্ঠ, সম্মিলিত বর্ষবরণ । মৃত্যুর পর ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে একুশে পদক পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।


৪ ডিসেম্বর ২০০০ তিনি পরলোকগমন করেন।

ফ্যাক্টরীতে গাড়ি পাঠানোর নিয়ম স্যারের মেসেজ 09/12/2024

 ★কালিগঞ্জ ফ্যাক্টরিতে গাড়ি দেওয়ার কিছু নিয়মাবলী আপনারা সকলেই ফলো করবেন। গাড়ি দেয়ার অবশ্যই আগে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। গাড়ি দেওয়ার পর ড্রাইভারকে যেসব নির্দেশনা বলি শিখায় দেবেন তা হল

★প্রথমে গেটে গিয়ে এন্ট্রি করবে

★দ্বিতীয়তঃ স্কেল করবে

★তৃতীয়তঃ টোকেন সিরিয়াল অনুযায়ী সংগ্রহ করবে

★তারপর ভ্যাট চালান কমপ্লিট করবে

★কোন অবস্থাতেই যেন তার সিরিয়াল নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে মাঝখানে কোন প্রকার সমস্যা হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবে।

★যে ড্রাইভার পাঠাবেন তাকে এই বিষয়গুলো অবহিত করে সুন্দর করে বুঝিয়ে ড্রাইভার পাঠাবেন।

নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের এমন অসাধরণ স্মৃতিশক্তির নানা বর্ণনা ধরা রয়েছে তাঁর একদা সহকর্মী অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রমথনাথ বিশীর অনেক লেখাতেও

 ‘প্রথম দিন ক্লাশে এসে স্যর আমাকে ছাত্র-ছাত্রীদের হাজিরা খাতা আনতে বললেন যা তাঁর নির্দিষ্ট লকার আছে সেখান থেকে। আমি ঘরে ঢুকে তন্ন তন্ন করে খুঁজি। স্যরের লকারের সন্ধান পাই না। সকলের নামেই লকার রয়েছে, কেবল স্যরের লকারটি দেখা গেল না। আমি বিমর্ষ হয়ে ফিরে এসে সেকথা জানালাম স্যরকে। স্যর তো শুনে অবাক। সে কী, আমার লকারটাই খুঁজে পেলে না। তারপর ভেবে বললেন কী নাম দেখেছিলে? আমি বলি, কেন আপনার যা নাম, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়। স্যর এবার হাসলেন। তার হাসি তো নয়, ভুবন মন মোহিনী। বললেন, দেখ তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায় লেখা যে লকার সেটাই আমার। এই প্রথম জানলাম স্যরের ছদ্মনাম নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়।’


গল্পটা শুনিয়েছিলেন আমাদের মাস্টারমশাই বরুণকুমার চক্রবর্তী। প্রকৃতই, সাহিত্যিক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তায় বাবা-মায়ের দেওয়া নামটাই চাপা পড়ে গিয়েছিল। একমাত্র ছাত্র-সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন টিএনজি স্যর। কথাকার, ছোটগল্পকার, নাট্যকার, টেনিদার স্রষ্টা হিসেবে জনপ্রিয় ছিলেন, তেমন ছিলেন মাস্টারমশাই হিসেবেও।


তাঁর শিক্ষক-জীবন শুরু ১৯৪২-এ, জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র কলেজে। তার পরে দীর্ঘকাল কলকাতার সিটি কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। শেষে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে যোগদান। আমৃত্যু সেখানেই অধ্যাপনা করেছেন। অসামান্য বাচনভঙ্গি, কঠিন বিষয়কে সহজ করে বলার ক্ষমতা, দেশি-বিদেশি সাহিত্য সম্পর্কে অগাধ জ্ঞান তাঁকে অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা দিয়েছিল।


শিক্ষক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কে মুগ্ধতার উল্লেখ রয়েছে তাঁর নানা কৃতী ছাত্রের কথায়। কবি অমিতাভ দাশগুপ্ত অনার্স ও এমএ, দু’ক্ষেত্রেই নারায়ণবাবুর ছাত্র ছিলেন। অনার্স পড়েছেন সিটি কলেজে। এমএ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি জানাচ্ছেন, ‘হলফ করে বলছি, যারা নারায়ণবাবুকে ক্লাশ নিতে দেখেন নি, তাঁরা অনুমানও করতে পারবেন না যে একজন শিক্ষকের জনপ্রিয়তা কোনখানে পৌঁছতে পারে। অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইতিহাস, দর্শন তো দূরের কথা, বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্রছাত্রীরাও তাঁর ক্লাশে হামলে পড়ত। দশ বা এগারো নম্বর ঘরের করিডোর দিয়ে মাছি গলতে পেতো না।’ নারায়ণবাবুর একদা ছাত্র লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ও তাঁর মাস্টারমশাইয়ের আশ্চর্য স্মৃতিশক্তির কথা শুনিয়েছেন। লেখকের কথায়, ‘কলেজ ছাড়ার পাঁচ ছ বছর বাদে ওর সঙ্গে এক জায়গায় দেখা। আমার দৃঢ় ধারণা, উনি আমাকে চিনতে পারবেন না। মাত্র বছর দেড়েক ওঁর ছাত্র ছিলুম, পোষ্ট গ্রাজুয়েট ক্লাশও পড়িনি —আমাকে চিনতে পারার কোনো প্রশ্নই ওঠে না— কিন্তু উনি ঠিক আমাকে দেখেই এক নিমেষও চিন্তা না করে বললেন, কি সুনীল কেমন আছো? তারপর আমাদের ব্যাচের অন্যান্য ছেলে—ফণিভূষণ আচার্য, মোহিত চট্টোপাধ্যায়, শিবশম্ভু পাল প্রভৃতির কথাও জিজ্ঞেস করলেন। আমি স্তম্ভিত।’


নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের এমন অসাধরণ স্মৃতিশক্তির নানা বর্ণনা ধরা রয়েছে তাঁর একদা সহকর্মী অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রমথনাথ বিশীর অনেক লেখাতেও। সহকর্মী বা ছাত্রছাত্রীর লেখা কবিতা একবার শুনে বা পড়ে দীর্ঘদিন পরেও গড়গড় করে বলে দিতে পারতেন।


মানুষটি বেশ রসিক ছিলেন। নিজেও হাসতেন, অন্যদেরও হাসাতেন। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মিশতেন বন্ধুর মতো। এক জন সাহিত্যিকের শিক্ষক হিসাবে জনপ্রিয়তার দৃষ্টান্ত বিরল। শিক্ষকতাকেও শিল্পের পর্যায়ে উন্নীত করতে আর কেউ পেরেছিলেন বলে মনে হয় না। শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নয়, তাঁর শিক্ষাদান চলত শ্রেণিকক্ষের বাইরেও। আবিষ্কার করেছেন তাঁর ছাত্র, অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে। বহু কাহিনির চিত্রনাট্যকার নারায়ণবাবুর কাছে সংলাপের পাঠ বুঝে নিতে যেতেন উত্তম কুমার। পাঠ দিতে গিয়েছেন সুচিত্রা সেনের বাড়িতেও।


এর পাশাপাশি অন্য দিকও ছিল। মৃত্যুর তিন বছর আগে অসুস্থ নারায়ণবাবু সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও স্ত্রী আশাদেবীকে নিয়ে উত্তরবঙ্গের বন্যার পরে কলকাতার পথে শোভাযাত্রা করেছিলেন। উদ্দেশ্য, বন্যাপীড়িতদের সাহায্য করা। শ্যামবাজার থেকে মিছিল বেরিয়েছিল। সে দিন প্রচণ্ড রোদ। রোদের মধ্যেই ঘণ্টা চারেক পায়ে হেঁটে ঘুরে নারায়ণবাবু শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।


এই ছাত্রদরদী, জনদরদী শিক্ষকের জন্মশতবর্ষ গত বছর নিঃশব্দে পার হয়ে গেল। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে দু-একটি সেমিনার, কিছু পত্রিকায় নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে বিশেষ সংখ্যার বাইরে আমরা শিক্ষক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়কে সঠিক মর্যাদা দিতে পেরেছি কি? তাঁর নামাঙ্কিত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে আজও একটা ‘চেয়ার’ হল না। এ আমাদের আক্ষেপ। লজ্জাও বটে!


লেখা: জয়ন্ত সিংহ মহাপাত্র


#unknown #followerseveryone #fbpost2024 #highlight #fellowers #everyone

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

পুরুষের শারীরিক চাহিদা পূরণ হলেই তার মানসিক শান্তিটা চলে আসে,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পুরুষের শারীরিক চাহিদা পূরণ হলেই তার মানসিক শান্তিটা চলে আসে। তবে নারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টা ভিন্ন। একজন নারী মানসিক শান্তি পেলে তবেই শারীরিক চাহিদা দেখায়।নারী এবং পুরুষের চাহিদার মধ্যে পার্থক্য আছে।


পুরুষের সমস্ত ডিপ্রেশন এবং ক্লান্তি দূর হয় সঙ্গীর সাথে Physical Attachment এ থাকলে। আপনি যখন আপনার পুরুষ সঙ্গীকে খুশি করতে চাইবেন, তবে অবশ্যই তার সাথে শারীরিক Attachment হতে হবে এমনকি তা পুরোপুরি মন থেকেই।


পুরুষের তুলনায় নারীদের এই একটা কারণেই সবচেয়ে বেশি মুড সুইং হয়। নারী এবং পুরুষ দুই ভিন্ন মেরুর জিনিস। এখানে বুঝতে হবে, আপনার সঙ্গী ঠিক কিসে নিজেকে Satisfy মনে করে। সঙ্গীর চাহিদা অনুযায়ী যদি তা পূরণ করতে পারেন, তবেই আপনি একজন ভালো সঙ্গী। এখানে কেউ কারো চাহিদা এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। 


তবে নারীরা Physical Attachment এর চাইতে Mentally Attachment এ বেশি গুরুত্ব দেয়। আপনার নারী সঙ্গীর যদি মন ভালো থাকে, তবেই কেবল সে শারীরিক Attachment এ আগ্রহ দেখাবে। তবে মানসিক অবস্থা যদি ভালো না থাকে, তবে সে কোনোকিছুর প্রতিই আগ্রহ দেখাবে না।


নারীরা সবসময় তার মনকে গুরুত্ব দেয়।

মন যদি সায় না দেয়, তবে তার ধারেকাছেও যাওয়া যায় না। আপনি যখন আপনার নারী সঙ্গীর মনের প্রতি বেশি খেয়াল রাখবেন, সে তখন আপনাআপনিই আপনার ডাকে সাড়া দিবে। 


পুরুষ এবং নারীর চাহিদার এই পার্থক্যের কারণেই দাম্পত্য জীবনে কেউ কাউকে বুঝতে চায় না সহজে। আর পুরুষ সঙ্গীর ক্লান্তি, হতাশা দূর করতে পারলে, সে অবশ্যই আপনার প্রতি দুর্বলতা দেখাবে। পরস্পর যদি পরস্পরের শরীর এবং মনের যত্ন নেয়, তবেই পরস্পরের চাহিদা পূরণ হয়। চাহিদা অপূর্ণ রেখে একে-অপরকে দোষারোপ করে, শুধুমাত্র দায়ে পড়ে সংসার করার কোনো মানে নেই


চাইলেই - একজন নারী একজন পুরুষকে বহু রকম ভাবে তৈরি করতে পারে।


একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষকে সম্মানের দিক থেকে অনেক উঁচুতে উঠাতে পারে। আবার অসম্মানের একদম নিম্ন মানের জায়গাতেও নামিয়ে এনে দাঁড় করাতে পারে!


একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষকে অনেক আর্থিক এবং সম্পদশালী করে গড়ে তুলতে পারে। আবার সেই নারীই একজন পুরুষকে ভিক্ষুক হিসেবে কিংবা সমাজের একদম গরীব পুরুষ হিসেবে পরিণত করতে পারে!


একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষকে মা-বাবা ভাই-বোন ছাড়া করে সে একাই রাজত্ব বহণ করতে পারে। আবার চাইলেই সে নারী একজন পুরুষের, মা-বাবা ভাই-বোন এর সাথে মিলেমিশে নিজেকে প্রকৃত সুন্দরী নারী হিসেবে তৈরি করতে পারে!


একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষকে পরিবার ছাড়া, ঘর ছাড়া, সমাজ ছাড়া, দেশ ছাড়া করতে- বাধ্য করতে পারে। আবার চাইলেই সে নারী একজন পুরুষকে একটা সুন্দর ঘর, একটা সুন্দর পরিবার এবং সুন্দর একটা সমাজ তৈরি করে- সুন্দর একটা বন্ধনে আবদ্ধ করে দিতে পারে!


একজন নারী চাইলেই - শত রকমের খারাপ একজন পুরুষকে ভালো করে গড়ে তুলতে পারে। আবার চাইলেই সে নারী একজন ভালো পুরুষকে নষ্ট করে সমাজ থেকে উৎখাত করে দিতে পারে!


একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষকে মৃত্যুর রাস্তায় পৌঁছে দিতে পারে। আবার চাইলেই সে নারী একজন পুরুষকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে পারে! শুধু কেবল রব এর হুকুমের মৃত্যু ছাড়া।


একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষকে বস্ত্রহীন পাগল - উম্মাদ বানিয়ে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দিতে পারে। আবার চাইলেই সে নারী একজন পুরুষকে রাস্তা থেকে তুলে এনে নিজের যত্ন আর ভালোবাসা দিয়ে স্বাভাবিক সেন্সে ফিরিয়ে আনতে পারে এবং মানসিক ভাবেও সুস্থ করে তুলতে পারে!


একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষকে দিয়ে গোটা পৃথিবীটা অন্ধকারে আচ্ছন্ন করাতে পারে। আবার চাইলেই সে নারী - পুরো পৃথিবীটা আলোয় আলোকিত করে বদলে দিতে পারে!


একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষকে জাহান্নামের বাসিন্দা বানাতে পারে। আবার চাইলেই সে নারী একজন পুরুষকে জান্নাতের পথ খুঁজে দিতে পারে!


একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষের সমস্যা কারণ হতে পারে। আবার চাইলেই সে নারী - একজন পুরুষের সকল সমস্যার সমাধান হতে পারে।


একজন নারী চাইলেই - একজন পুরুষের সুখ হতে পারে। আবার চাইলেই সে নারী একজন পুরুষের দুঃখ হয়ে - আজীবন পুরুষের জীবননাশ করতে পারে! ইত্যাদি ইত্যাদি


একজন নারীর -


শিক্ষা, চিন্তা- চেতনা, শক্তি- ক্ষমতা, ভালোবাসার মায়া - মমতা এবং সভ্যতা অনেক প্রখর হয়।


তাই


নারী চাইলেই - অনেক কিছু করতে পারে!


প্রতিটা নারীর প্রেম হোক - তার সংসার।


প্রতিটা নারীর ভালোবাসা হোক- তার আপন প্রিয় স্বামী। প্রতিটা নারীর মায়ার বাঁধন হোক - তার বুকে আগলে রাখা ধন - প্রিয় সন্তান।


নারী তোমার প্রতি আমার অগাধ বিশ্বাস - তুমি সব সময় "তোমার সৌন্দর্য" তোমার সকল গুণ দিয়ে আগলে রাখবে।


✍️ পোস্ট কেমন লাগল জানিয়ে দিন এবং শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...