এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৯-১২-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৯-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


 আজ কায়রোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ডি-এইট শীর্ষ সম্মেলন - অংশ নিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


প্রবাসীদের কল্যাণ ও উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে সরকার - বলেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা।


আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সবচেয়ে দুর্নীতির খাত আইসিটি –শ্বেতপত্রের প্রতিবেদনে প্রকাশ।


শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আইসিটিতে গুমের অভিযোগ দায়ের করলেন ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমা।


হিংসার মাধ্যমে নয়, বরং ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নির্যাতনের জবাব দেবে বিএনপি - মন্তব্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।


মুম্বাই উপকূলে ভারতীয় নৌবাহিনীর স্পীড বোটের ধাক্কায় যাত্রীবাহি ফেরির কমপক্ষে ১৩ জনের প্রাণহানী।


আজ মালয়েশিয়ায় অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সুপার ফোর-এ ভারতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

ভুতুড়ে ম্যাচের স্যাঁত স্যাঁতে রুমে ৬০ ওয়াটের অনুজ্জ্বল হলুদ আলোয় আমি আর কামাল যখন গোবারের ঘুটি আর কাঠের গুড়ো দিয়ে আধা সিদ্ধ ভাত রান্না করতাম, সেই সন্ধায় ও আমার মনে হয় নি বহু পরে একদিন আমি আর বোকা থাকব না।

 ইন্টার্নী করার সময় একদিন খুব করে জানলাম আমি " Lower" শব্দটার উচ্চারন পারি না। বহু মানুষের সামনে স্যার প্রায় চিবিয়ে চিবিয়ে উচ্চারনটা শেখালেন। ওয়াশরুমে গিয়ে দেখি চোখ জোড়া শুধু লাল হয় নি, মুক্তার মত স্বচ্ছ পানির কনা চিকচিক করছে। বুড়ো বয়সে মনটা ভেংগে প্রায় গুড়িয়ে গেল।

......


রেটিনার স্টুডেন্ট থাকার সময় খুলনা মেডিকেলের এক ভাইয়া মূত্রতন্ত্র পড়িয়েছিলেন। আমি কিছুই বুঝি নি। ক্লাশ শেষে বেকুবের মত প্রশ্ন করেছিলাম : ভাইয়া, Urine মানে কি???"

পুরো ক্লাশে যেন বিষ্ফোরোণ ঘটেছিল। হাঁসতে হাঁসতে কেউ কেউ বেঞের উপর শুয়ে পড়েছিল। দুই দিন শুয়ে ছিলাম আর তিনদিন কোচিংয়ে যাই নি। তারপর চোরের মত যেদিন হাজির হলাম, লজ্জাকর এক কান্ড ঘটে গেল।


আমার হাত ঘড়ি ছিল না। বাড়ি থেকে আসার সময় ছোট আপা তার স্টিলের ঘড়ি আমাকে দিয়েছিল। স্টিলের ঘড়ি পরে সেদিন গিয়েছিলাম। ফুলকাটা ঘড়িগুলো যে শুধু মেয়েদের হয়, খুব বোকা আর গ্রাম থেকে আসা ছেলেগুলো যে না জেনে তা হাতে পরে আমি জানতাম না। ক্লাশে আর এক দফা সার্কাস হয়ে গেল। সেদিন দুপুর থেকে প্রায় মাঝ রাত অবধি মেসের ছাদে একা একা বসেছিলাম।

........


মেডিকেলে ভর্তি হলে বড় ভাইয়েরা দলবেধে বিরিয়ানি খেতে নিয়ে গিয়েছিলেন। বিল দেওয়ার সময় বিপত্তি ঘটল। একজনকে ছাড়া বিল করা হয়েছে। দলের ভিতর থেকেও আমাকে ওদের মত মনে হয়নি। ওয়েটার আমাকে দেখিয়ে বলেছিল:: ও কি আপনাদের সাথে??? মনে আছে

রিক্সায় বসে প্রায় সারাটা পথ সেদিন চোখ মুছেছিলাম।

.....


এস এস সির পর ছোট মামা খুব ধণী লোক এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে গিয়েছিলেন। হাত ধুঁতে যেয়ে বেসিনের কল ভেংগে ফেলেছিলাম। কাজের মেয়ে সহ আটজন সদস্যের সেই বাসায় আটবার আমাকে শেখানো হয়েছিল কল কিভাবে ছাড়তে হয়। চার বছর পর সেই সোফাতেই আবার বসেছিলাম তাদের পছন্দের পাত্র হিসেবে। এ যাত্রায় আমার রুচি অবশ্য সায় দেয় নি।

........


দোষগুলো আমার নয়। যে ছেলে ক্লাস টেনে নয় জনের সাথে , আর ইন্টারমিডিয়েটে উনিশ জনের সাথে পড়েছে , সে বহু ইংরেজি শব্দ জানবে না, বহু শুদ্ধ উচ্চারন জানবে না এটাই সত্য।

কিন্তু ওটি রুমে রুগী যখন আমাকে প্রশ্ন করে::: Excuse me doctor, আপনার বাসা খুলনা? আপনি ঝর ঝরা ভাষায় কথা বলেন, দশ জন এক জায়গায় থাকলে বাকি নয় জন আপনার কথাই শুনবে। ""

.


আমি তখন ধাধায় পড়ে যাই। এই ওটি রুমে ঢুকতে যেয়ে, এই মাস্ক, ক্যাপ মাথায় পরতে যেয়ে জীবন টা আর জীবন থাকে নি, হাজার হাজার এলোমেলো বাঁক পাড়ি দিতে হয়েছে। তান্ত্রিক। স্বাভাবিক জীবনে যারা মন্থর, যারা বেশি বোকা, তাদের নিজেদের জীবনে এরা অনেক বেশি সচল। বিধাতা কাউকেই ঠকায় না।

......


বাবার চেয়েও বড় কেউ যখন কাঁধে হাত রেখে বলে :: এরা স্মার্ট ছেলে, এরা সার্জন। তখন সাত বছর আগের ওয়েটারের কথা মনে পড়ে, আমি আর বোকা নই, আমি আর গেয়ো নই। গলায় ময়লা মাফলার পেচিয়ে আর রাস্তায় যাই না।

.....


প্রতিটা বিন্দু সময়ের হিসাব রাখেন তিনি, যিনি সময় সৃষ্টি করেছেন। সময়ের ফেরে আমরা কেউ বোকা, কেউ অতি চালাক। কেউ ময়লা মাফলার পরে, কেউ বিদেশী জ্যাকেট । Urine এর মানে না জানলে কেউ অমানুষ হয়ে যায় না। কিন্তু বিশাল আকাশের উপরে যিনি থাকেন, উনি প্রতিটা হাঁসি আর প্রতি চোখের ফোটার হিসাব রাখেন। সে হিসেবে কেউ ঠকে না।

.


ভুতুড়ে ম্যাচের স্যাঁত স্যাঁতে রুমে ৬০ ওয়াটের অনুজ্জ্বল হলুদ আলোয় আমি আর কামাল যখন গোবারের ঘুটি আর কাঠের গুড়ো দিয়ে আধা সিদ্ধ ভাত রান্না করতাম, সেই সন্ধায় ও আমার মনে হয় নি বহু পরে একদিন আমি আর বোকা থাকব না।


-ডা. আবদুর রব

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৮-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৮-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


হাইকোর্টের রায়ে আবারও ফিরলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা - সংবিধানে গণভোট পুনর্বহাল।


পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন যুগের সূচনা করেছে - ঢাকায় যৌথ ইশতেহার প্রকাশ - দারিদ্র্য বিমোচনে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের অবদানের প্রশংসা জোসে রামোস হোর্তার।


ডি-এইট শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দুই দিনের সরকারি সফরে কায়রোর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।


২০২৬ সালের ৩০শে জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে আগামী সাধারণ নির্বাচন - জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ নয়টি প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকার অনিয়মের   অভিযোগে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু।


অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে কঠিন হবে আগামী নির্বাচন, বললেন তারেক রহমান  জনসমর্থন ধরে রাখতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান।


গাজায় ইসরাইলী হামলায় এ পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার শিক্ষার্থী নিহত - আহত ২১ হাজার। 


কিংস টাউনে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে এখন স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি বাংলাদেশ।

বছরে ১০০টি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে করণীয়

 ১. পরিকল্পনা করুন


বইয়ের সংখ্যা ভাগ করুন: বছরে ১০০টি বই মানে সপ্তাহে প্রায় ২টি বই পড়তে হবে।


প্রগতি ট্র্যাক করুন: "গুডরিডস" অ্যাপ বা একটি রিডিং জার্নাল ব্যবহার করে পড়া বইগুলোর তালিকা রাখুন।


২. বই বেছে নিন কৌশলগতভাবে


বিভিন্ন ধরণের বই: বড় বইয়ের সাথে ছোট গল্পের বই বা প্রবন্ধ মিশিয়ে পড়ুন।


বইয়ের দৈর্ঘ্য বিবেচনা করুন: সব বই ৫০০ পৃষ্ঠার হতে হবে এমন নয়। সহজ ও আকর্ষণীয় বই পড়লে গতি বাড়বে।


৩. পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন


প্রতিদিন পড়ুন: দিনে কমপক্ষে ১-২ ঘন্টা পড়ার সময় নির্ধারণ করুন। উদাহরণস্বরূপ, সকালে ৩০ মিনিট, দুপুরে একটু সময়, এবং ঘুমানোর আগে।


ফাঁকা সময় কাজে লাগান: বাসে, লাইনে দাঁড়িয়ে কিংবা অবসরে বই পড়ুন। মোবাইলে পিডিএফ বা ইবুক রাখুন।


বিকল্প বিনোদন কমান: সোশ্যাল মিডিয়া বা টিভি দেখার সময় কমিয়ে দিন।


৪. অডিওবুক ব্যবহার করুন


হাঁটতে, ব্যায়াম করতে বা গাড়ি চালাতে চালাতে অডিওবুক শুনুন। সময় বাঁচাতে এটি খুব কার্যকর।


৫. গতি বাড়ান, কিন্তু অর্থবহভাবে


দ্রুত পড়ার কৌশল শিখুন: প্রতিটি শব্দ না পড়ে মূল ভাব ও গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর উপর নজর দিন।


সংক্ষিপ্ত বই পড়ুন: কিছু বইয়ের সারাংশ জানার জন্য ব্লিঙ্কিস্ট বা অনুরূপ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।


৬. উদ্দীপনা ধরে রাখুন


পড়া শেষ হলে নোট নিন বা বন্ধুদের সাথে আলোচনায় যুক্ত হন।


নিজেকে পুরস্কার দিন: একটি মাইলস্টোন (যেমন ১০টি বই পড়া) অর্জনের পর ছোট উপহার দিন।


এভাবে অভ্যাস গড়ে তুললে বছরে ১০০টি বই পড়া কঠিন হবে না। পড়ার আনন্দ উপভোগ করুন এবং প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন।


সংগৃহীত

বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

মেয়েদের সুখী হবার গোপন সূত্র........

 👉মেয়েদের সুখী হবার গোপন সূত্র........

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন? 

⚛️এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি। 


🎇একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।

.

কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?

👉বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।

.

👉কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।

.

👉সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।

.

👉ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।

.

🎇তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী? 

বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।


সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।

.

🎇সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন? 

বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।


🎇অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারণ চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।

.

👉সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?

বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন। 

যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।

.

🎇সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?

বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।

তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।

.

🎇সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?

বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?

.

🎇সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?

বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না। যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?


- সংগৃহীত

আপনি এটা মেনে চললে নিশ্চিত সুখী হবেন

চানা মাসালা একটি জনপ্রিয় ভারতীয় খাবার যা ছোলার সাথে মসলা মিশিয়ে তৈরি করা হয়

 চানা মাসালা একটি জনপ্রিয় ভারতীয় খাবার যা ছোলার সাথে মসলা মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এটি সাধারণত ভাত, রুটি বা নানের সাথে পরিবেশন করা হয়। নিচে চানা মাসালার সহজ রেসিপি দেওয়া হলো:😋🤤👇


উপকরণ:


সেদ্ধ ছোলা: ২ কাপ


পেঁয়াজ কুচি: ১ কাপ


রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ


আদা বাটা: ১ টেবিল চামচ


টমেটো কুচি: ২টি মাঝারি


টমেটো পেস্ট: ১ টেবিল চামচ (ঐচ্ছিক)


শুকনো মরিচ গুঁড়ো: ১ চা চামচ


হলুদ গুঁড়ো: ১/২ চা চামচ


জিরা গুঁড়ো: ১ চা চামচ


ধনে গুঁড়ো: ১ চা চামচ


গরম মসলা: ১/২ চা চামচ


তেল: ২ টেবিল চামচ


লবণ: স্বাদ অনুযায়ী


জল: ১ কাপ


ধনেপাতা কুচি: সাজানোর জন্য


প্রণালী:


1. প্রস্তুতি: ছোলাগুলো সেদ্ধ করে নিন। কুকার ব্যবহার করলে ৪-৫টি সিটি দিন।


2. তেল গরম করুন: একটি প্যানে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি দিন। পেঁয়াজ সোনালি বাদামি রং ধারণ না করা পর্যন্ত ভাজুন।


3. মসলা যোগ করুন: আদা ও রসুন বাটা দিয়ে কয়েক মিনিট নাড়ুন। টমেটো কুচি দিন এবং টমেটো নরম না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।


4. গুঁড়া মসলা দিন: হলুদ, শুকনো মরিচ, জিরা ও ধনে গুঁড়ো দিয়ে নাড়তে থাকুন। মসলা ভালোভাবে ভাজা হলে তাতে টমেটো পেস্ট যোগ করুন।


5. ছোলা যোগ করুন: সেদ্ধ ছোলা যোগ করুন এবং সবকিছু ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।


6. পানি দিন: ১ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে রাখুন এবং মাঝারি আঁচে ১০-১৫ মিনিট রান্না করুন, যতক্ষণ না গ্রেভি ঘন হয়।


7. শেষে গরম মসলা দিন: রান্না শেষে গরম মসলা ছিটিয়ে দিন।


8. সাজিয়ে পরিবেশন করুন: ধনেপাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।


পরিবেশন: ভাত, নান বা পরোটার সাথে পরিবেশন করুন।


আশা করি এই রেসিপি আপনার ভালো লাগবে!

মরিচ গাছের কীটনাশক স্প্রে শিডিউল (A-Z)

 মরিচ গাছের কীটনাশক স্প্রে শিডিউল (A-Z)


👉অবশ্যই মনে রাখবেন কীটনাশক স্প্রের ভালো সময় বিকালের দিকে।। 


➡️১.চারা মুল জমিতে লাগানোর পর চারা অবস্থায় Damping off (গোড়া পচাঁ) জন্য কার্বেন্ডাজিম (2gm/L) ছত্রাকনাশক।


➡️২.মরিচের থ্রিপস পোকার জন্য স্পিনোসাইড বা ইমিডাক্লোরোপিড (1ml/L) কীটনাশক। 


➡️৩. মাকড় দমনে এবামেকটিন (1ml/L) গ্রুপের জন্য কীটনাশক বা সালফার (2gm/L) গ্রুপের মাকড়নাশক।


➡️৪. মরিচের সাদা মাছি পোকা দমনের জন্য ইমিডাক্লোরোপিড (1ml/L) বা এসিটামিপ্রিড গ্রুপের  কীটনাশক। 


➡️৫.পাতা,ফুল,পত্রবৃন্ত, বৃন্ত পচা রোধের জন্য ম্যানকোজেব বা কার্বেন্ডাজিম (2gm/L) গ্রুপের ছত্রানাশক। 


➡️৫. মরিচ গাছের কান্ড পঁচা রোধের জন্য কপার- অক্সিক্লোরাইড গ্রুপ (2gm/L) বা কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক।


➡️৬.গোড়া পঁচা রোধের জন্য কপার- অক্সিক্লোরাইড (2gm/L) গ্রুপের ছত্রাকনাশক।


➡️৭. ছত্রাকের কারণে মরিচ গাছ ঢলে পড়লে কার্বেন্ডাজিম (2gm) গ্রুপের ছত্রাকনাশক।


➡️৮.ব্যাকটেরিয়ার কারণে মরিচ গাছ ঢলে পড়লে স্টেপটোমাইসিন (0.2gm/L) বা বিসমার্থিওজল বা ক্লোরো আইসো ব্রোমাইন সায়ানুয়িক এসিড গ্রুপের ব্যাকটেরিয়ানাশক( কোম্পানি অনুযায়ী বিভিন্ন মাত্রা হতে পারে)।


➡️৯. ফুল,ফল বৃদ্ধির জন্য চিলেটেড জিংক (1gm/L) + সলুবোর বোরন (2gm/L) বা Nitrobenzene গ্রুপের (ফ্লোরা 2ml/L) মাইক্রোনিউট্রিয়েন।


➡️বি:দ্র:- আবহাওয়া ও তাপমাত্রার তারতম্য ভেদে স্প্রে সিডিউল এর পরিবর্তন হতে পারে। এজন্য নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ রাখতে পারেন।

কাঠের হিসাবঃ - চেরাই কাঠ ও গোল কাঠ হিসাবের সহজ পদ্ধতিঃ-

 কাঠের হিসাবঃ - চেরাই কাঠ ও গোল কাঠ হিসাবের সহজ পদ্ধতিঃ-


কাঠের হিসাব:- 


কাঠের হিসাব করা অনেক সহজ। কাঠ মাপার হিসাবকে অনেকে কঠিন মনে করে। কিন্ত কাঠ মাপার হিসাব একদম সহজ। শুধু কয়েকটি কথা মনে রাখলেই চলবে।


আপনি যদি কাঠের মাপ না জানেন তাহলে কাঠ ব্যবসায়ী আপনাকে ভুলভাল হিসাব দিয়ে আপার থেকে বেশি টাকা নিয়ে নিতে পারে। অনেক কাঠ ব্যবসায়ী এরকমটা করে থাকে। ব্যবসায়ীরা এই চিটিং সহজেই করতে পারে, কারণ বেশিরভাগ মানুষ কাঠের হিসাব করতে পারেনা। তাই কাঠ ব্যবসায়ী যত কিউবিক ফিট (কেবি) বলে, মানুষ বিশ্বাস করে ততকিউবিক ফিট (কেবি) টাকা দিয়ে আসে। ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের এই অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আপনি যদি একটু সচেতন হতেন তাহলে আপনার থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিতে পারত না। আজকে আমরা জানবো কিভাবে চেড়াই কাঠ ও গোল কাঠের হিসাব করতে হয়। আর কথা না বাড়িয়ে জেনে নেয়া যাক কাঠের হিসাব কিভাবে করতে হবে।


☀️চেরাই কাঠের মাপ:- 


চেরাই কাঠ পরিমাপ করা একদম সহজ। আপনি দুইটি সূত্র মুখস্ত রাখতে পারলেই চেড়াই কাঠ ও গোল কাঠের হিসাব করতে পারবেন। চেড়াই কাঠ পরিমাপের জন্য একটি সূত্র এবং গোল কাঠ পরিমাপ করার জন্য একটি সূত্র।


উপরের ছবিটি লক্ষ্য করুণ এবং বুঝার চেষ্টা করুন। এখানে দৈর্ঘ্য ১০০ ফিট, প্রস্থ ১৪ ইঞ্চি এবং উচ্চতা বা পুরত্ব ২ ইঞ্চি রয়েছে। এখন সবগুলোকে গুণ করে ১৪৪ দিয়ে ভাগ করলে বের হয়ে যাবে এখানে কত কিউবিক ফুট বা ঘন ফুট কাঠ রয়েছে। এখন আসুন বাস্তবে হিসেব করে দেখি এখানে কতটুকু কাঠ রয়েছে।


(একটি জিনিস সব সময় মনে রাখতে হবে, দৈর্ঘ্য হবে ফুটে এবং প্রস্থ ও উচ্চতা বা পুরত্ব হবে ইঞ্চিতে, নাহয় হিসেব মিলবে না।)


সূত্র: (দৈর্ঘ্য  × প্রস্থ × পুরত্ব ) ÷ ১৪৪ = কিউবিক ফিট বা কেবি


(দৈর্ঘ্য ১০০ ফুট × প্রস্থ ১৪ ইঞ্চি × পুরত্ব ২ ইঞ্চি ) ÷ ১৪৪


বা (১০০ × ১৪ × ২) ÷ ১৪৪


বা ২৮০০ ÷ ১৪৪


২৮০০ কে ১৪৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ১৯.৪৪ কিউবিক ফিট বা কেবি প্রায়।


অর্থাৎ ১৯.৪৪ কিউবিক ফিট বা কেবি কাঠ রয়েছে এখানে।


☀️গোল কাঠের হিসাব:- 


উপরের ছবিটি লক্ষ্য করুণ এবং বুঝার চেষ্টা করুন।


এখানেও একটি জিনিসি মনে রাখতে হবে, দৈর্ঘ্য হবে ফুটে এবং গোলবেড় হবে ইঞ্চিতে।


সূত্র:( দৈর্ঘ্য × গোলবেড়ি × গোলবেড়ি) ÷ ২৩০৪ = কিউবিক ফিট বা কেবি


(দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট × ২০ ইঞ্চি × ২০ ইঞ্চি) ÷ ২৩০৪


বা ( ৪০ × ২০ × ২০ ) ÷ ২৩০৪


বা  ১৬,০০০ ÷ ২৩০৪


এবার ১৬,০০০ কে ২৩০৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ৬.৯৪ ।


অর্থাৎ ৬.৯৪ কিউবিক ফিট বা কেবি কাঠ আছে


বি:দ্র: গাছ যদি একদিকে মোটা ও অপরদিকে চিকন হয় তাহলে মাঝামাঝি গোলবেড়ির মাপ নিতে হবে বা মোটা অংশে একটি মাপ, মাঝে একটি মাপ এবং চিকন অংশে একটি মাপ নিয়ে গড় করতে হবে। যেমন: মোটা অংশ ৪০ ইঞ্চি, মাঝে ২০ ইঞ্চি এবং চিকন অংশ ১৪ ইঞ্চি মোট ৭৪ ইঞ্চি। অর্থাৎ ৪০+২০+১৪ = ৭৪ ইঞ্চি। এই ৭৪ ইঞ্চিকে ৩ দিয়ে ভাগ করে গড় বেড় করলে হবে ২৪.৬৭ ইঞ্চি।

গোবর দিয়ে কম্পোস্ট সার তৈরী পদ্ধতি

 গোবর দিয়ে কম্পোস্ট সার তৈরী পদ্ধতি। 


গরুর মলমূত্র একত্রে মিশিয়ে ও পচিয়ে যে সার তৈরি করা হয় তাই গোবর সার। এই সার দেশের কৃষকের কাছে অত্যন্ত পরিচিত ও উন্নতমানের সার। এত অধিক পরিমাণ জৈব সার অন্য কোনো গৃহপালিত পশুপাখি থেকে পাওয়া যায় না। 


তৈরি পদ্ধতি: 


দেশী গরুর কাঁচা গোবর দুই থেকে তিন ফুট চওড়া করে পিরামিড শেপে ম্যাক্সিমাম দুই আড়াই ফুট উচ্চতায় যতোটা খুশি লম্বা করে ছায়া জায়গায় রাখতে হবে। এবার একটা বাঁশ নিয়ে ঐ গোবরের স্তুপে গর্ত করে দিন এক দেড় ফুট ছাড়া ছাড়া। ঐ গর্তেই গোমূত্র, কিছু পানি, কম্পোস্টিং ব্যকটেরিয়া কালচার বা খাঁটি গুড় গোলানো পানি দিয়ে দিন। গোবর টা সবসময়ই ভেজা ভেজা অবস্থায় রাখবেন। প্রয়োজনে এই গোবরের স্তুপের উপর হালকা করে খড় দিয়ে রাখতে পারেন। এছাড়াও এই গোবরের উপর কুইন্টাল প্রতি চার পাঁচ কেজি সরিষার/ তিল/ বাদাম খৈল ছড়িয়ে দিতে পারেন, এর সাথে মিশিয়ে নিন কুইন্টাল প্রতি দুই তিন কেজি সৈন্ধব লবন, এক দুই কেজি ফিটকিরি, এক কেজি চুন। এর সাথে মেশাতে পারেন যেকোনো মিষ্টি ফলের এনজাইম এটাকে আরো সুন্দর আর তাড়াতাড়ি বানাতে পারে। 


পনেরো দিন পর এই গোবরের স্তুপকে কোদাল দিয়ে নাড়াচাড়া করে আবার একই রকম ভাবে রেখে দিন। দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে ঝুরো ঝুরো কম্পোস্ট সার তৈরী হয়ে যাবে, যদি কোনো কারণে কম্পোস্ট দেরীও হয় ম্যাক্সিমাম তিন মাস সময় লাগবে সার তৈরি করতে। 


এই প্রসেসের গোবর সার সর্বোত্তম কোয়ালিটির হয় কারন এটি কোল্ড প্রসেসে তৈরী হয়, এতে অর্গানিক কার্বনের পরিমাণ প্রায় ৫৬% পর্যন্ত হতে পারে, কোল্ড প্রসেসে তৈরী হয়ে থাকে বলে সমস্ত ভালো ব্যকটেরিয়া এতে জীবন্ত অবস্থায় থাকে। 


মাটির উর্বরতা ফিরিয়ে আনতে এই সার খুব কার্যকরী। বাড়িতে গরু থাকলে গোবর ফেলে না রেখে এভাবে কম্পোস্ট করে ব্যবহার করুন।

(Collected) 

#Agricultural #agro #farmlife #farm #farmer #villagelife #food #Bangladesh

রেসিপি পোষ্ট - আমলকী র হজমি গুলি,,,

 রেসিপি পোষ্ট - আমলকী র হজমি গুলি

উপকরণ:

বড় আমলকী ১২-১৫ টা 

আদার রস ১/২ চা চামচ বা আদা গুড়ো ১/৪ চা চামচ

গোলমরিচ ৮-১০ দানা

শুকনো লঙ্কা ১ -২ টো 

জিরে - ১ চা চামচ

ধনে - ১ চা চামচ

আমচুর - ১চা চামচ

চাট মশলা -১/২ চা চামচ

বিট নুন - স্বাদ মতো 

গুড় পাউডার - ঘরের কাপের দেড় কাপ ( মিষ্টি মিষ্টি চাইলে দুই কাপ )

মৌরি -১/২ চা চামচ (অপশনাল) 

আইসিং সুগার বা গুড়ো চিনি -১ চা চামচ

পাতি লেবু -২ টো 


পদ্ধতি:

প্রথমে আমলকী সিদ্ধ করে বীজ বের করে বাকিটাকে একটু বিটনুন দিয়ে পেস্ট করে নিন। মৌরি, আমচুর ছাড়া বাকি মশলা ড্রাই রোস্ট করে গুড়ো করে নিন। মৌরি আলাদা গুড়ো করবেন।  লেবুর রস ছেঁকে নিন। এবারে কড়াইতে আমলকীর পাল্প, গুড়ের পাউডার দিয়ে একটু পাক দিন। ক্রমাগত নাড়তে থাকুন যেন গুড় পুড়ে না যায়। গুড় মিশে গিয়ে পাল্প একটু ঘন হয়ে এলে লেবুর রস, আদার রস আর বিটনুন দিন। আধ চামচ রেখে বাকি মশলা টা দিন, চাট মশ্লা, অর্ধেক টা আমচুর, দিন। ভালো করে মিশিয়ে ঢিমে আঁচে আরেকটু নাড়তে থাকুন। যখন দেখবেন জিনিসটা হালকা গোল্লা মতো করা যাচ্ছে নামিয়ে নিন, ঠান্ডা হলে এটা আরো শক্ত হয়। তাই একদম শক্ত পাক করবেন না । এবার বেঁচে  থাকা গুড়ো করা মশলা, মৌরি গুড়ো, আমচুর, বিট নুন আর আইসিং সুগার মিশিয়ে একটা পাউডার বানিয়ে একটা প্লেটে ছড়িয়ে দিন। এবারে ওই পাল্প টা হালকা ঠান্ডা হলে তার থেকে ছোটছোট গোল্লা পাক দিয়ে ওই প্লেটের পাউডার মিক্সের মধ্যে রাখুন। পরে আরো ঠান্ডা হলে ভালো করে পাউডার শুদ্ধ একটা বক্স রেখে দিন।

মসলার পরিমাপ নিজের স্বাদ মতো কমাতে পারেন। কেউ বানালে জানাবেন কেমন লাগলো। 

#paanta2pasta

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...