এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

সংসারের টুকিটাকি কিছু  টিপস জেনে নিন-

  সংসারের টুকিটাকি কিছু  টিপস জেনে নিন-


১। সাদা মোজা ধোয়ার জন্য গুড়া সাবানের সঙ্গে ১ চা চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে নিন। এতে মোজা যেমন সাদা হবে তেমনি মোলায়েম থাকবে।


২। ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়ার সময় ওয়াশিং পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ বরিক পাউডার মিশিয়ে দিন। এতে ধোয়ার পর কাপড় সব একসঙ্গে জট পাকাবে না।


৩। সাদা কাপড় থেকে হালকা কোন দাগ তোলার জন্য কাপড় ধোয়ার পর ২টি পাতি লেবুর রস আধা বালতি পানিতে মিশিয়ে ভিজা কাপড় ডুবিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর তুলে না নিংড়ে মেলে দিন।


৪। বলপেনের দাগ কাপড় থেকে তুলতে চাইলে কাচা মরিচের রস ঘষে ঘষে দাগের ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর গুঁড়া সাবান দিয়ে কাপড় ধুয়ে নিন। দাগ চলে যাবে।


৫। তেল চিটচিটে তাক বা কাঠের র‍্যাক পরিষ্কার করা জন্য ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মসলিনের কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে মুছে নিন। তাকগুলো চমৎকার হয়ে উঠবে।


৬। ওয়াশ বেসিন বা সিল্ক বেসিন পরিষ্কার করার জন্য খানিকটা ফ্ল্যাট সোডা যেমন কোক-পেপসি ইত্যাদি ঢেলে দিন। ৫ মিনিট পর মুছুন। দেখুন কেমন নতুনের মত চকচকে হয়ে উঠেছে।


৭। হাঁড়ি-পাতিল থেকে পোড়া ও কালো দাগ তোলার জন্য সিরিষ কাগজে গুঁড়া সাবান লাগিয়ে ঘষুন। তারপর ধুয়ে নিন। পোড়া দাগ চলে যাবে।


৮। পুরোনো হাঁড়ি থেকে তেল কালির দাগ তোলার জন্য চা পাতা বা কফি দিয়ে ঘষুন। দেখবেন দাগ চলে যাবে।


৯। মশা, মাছি ও পিপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘর মোছার পানিতে সামান্য ডিজেল মিশিয়ে নিন। উপদ্রব বন্ধ হয়ে যাবে।


১০। ঘরের মেঝে বা যেকোন মোজাইক পরিষ্কার করার জন্য পানিতে কেরোসিন মিশিয়ে নিন ও এই পানি দিয়ে ঘর মুছে নিন। এতে মেঝে চকচক করবে।


১১। রান্নাঘরের কেবিনেট বা কাউন্টার যদি মার্বেল পাথরের হয় তাহলে পরিষ্কার করার জন্য খাবার সোডা পানিতে গুলে রাতে লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানিতে সাদা সিরকা মিশিয়ে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব দাগ চলে যাবে।


১২। রান্নাঘর থেকে পোড়া বা যেকোন গন্ধ দূর করতে চাইলে একটি পাত্রে কিছুটা সিরকা চুলায় চাপান। শুকান অবধি জ্বাল করুন।


১৩। বারান্দা বা জানালার গ্রিল পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। তারপর আধা কাপ কেরোসিন তেলের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ তুলোয় দিয়ে লাগিয়ে নিন। এতে গ্রিলে ময়লা বা জং লাগবে না।


১৪। বাসনকোসনে কোন কিছুর কষ লাগলে টক দই বা দুধের সর দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিলে দাগ দূর হয়ে যাবে।


১৫। চিনেমাটির পাত্রে দাগ পড়লে লবণ পানি দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করা যায়।


১৬। নারকেল ভাংগার পূর্বে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নারকেলটি সমান দু'ভাগে ভেঙে যাবে।


১৭। সেদ্ধ ডিমের খোসা তাড়াতাড়ি এবং ভাল ভাবে ছাড়াতে চাইলে ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


১৮। পাটালী গুড় শক্ত রাখতে চাইলে গুড়টি মুড়ির মাঝে রাখুন।


১৯। আদা টাটকা রাখার জন্য বালির মাঝে রেখে দিন।


২০। ঘি-এ সামান্য লবণ মিশিয়ে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।


২১। বিস্কুট টাটকা এবং মচমচে রাখার জন্য কৌটার মাঝে এক চামুচ চিনি অথবা ব্লটিং পেপার রেখে দিন।


২২। অপরিপক্ক লেবু থেকে রস পাওয়ার জন্য ১৫মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


২৩। রান্না তাড়াতাড়ি করার জন্য মসলার সাথে ক'ফোটা লেবুর রস মিসিয়ে দিন, দেখবেন সবজি তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।


২৪। সবজির রঙ ঠিক রাখতে ঢাকনা দিয়ে জ্বাল না দেয়াই ভালো। আর কিছু সবজি আছে যেগুলো সামান্য সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও রান্নার পরও রঙ ঠিক থাকে।


২৫। কড়াইতে গরম তেলে কিছু ভাজার সময়, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবন দিল। তাহলে আর তেল ছিটবেনা।


২৬। খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।


২৭। চিনেবাদাম ও কাজুবাদাম তেলে ভেজে পরে রান্নায় ব্যবহার করুন। খাবারের স্বাদ বাড়বে।


২৮। সেমাই বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে অনেকে বাদাম ব্যবহার করেন। বাদামে যদি তেল মেখে পরে তাওয়ায় ভাজেন তাহলে তেল কম লাগবে। নয়তো শুকনো ভাজতে গেলে তেল বেশি লাগবে।


২৯। ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুলের রস বা লেবুর রস দিয়ে দিন। তাহলে খাওয়ার সময় গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।


৩০। কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম হয়, তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কর্নফ্লাওয়ার।


৩১। অনেক সময়ই তাড়াতাড়ি স্যুপ রান্না করতে গিয়ে তা পাতলা হয়ে যায়। তখন দুটো আলু সেদ্ধ করে স্যুপে মিশিয়ে ফোটালে স্যুপ ঘন হবে।


৩২। আলু ও ডিম একসঙ্গে সেদ্ধ করুন। দুটো দুই কাজে ব্যবহার করলেও সেদ্ধ তাড়াতাড়ি হবে।

পেস্তা বাদাম "

 "পেস্তা বাদাম "

পেস্তাবাদাম, যা সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের জন্য আদর্শ স্ন্যাকস। ফালাক ফুডের পেস্তাবাদাম শতভাগ প্রাকৃতিক এবং উচ্চ মানসম্পন্ন। এটি প্রোটিন, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস, যা শরীরের সুস্থতা ও শক্তি বজায় রাখতে সহায়ক।


পেস্তাবাদামের পুষ্টিগুণ:

প্রোটিন, ফাইবার এবং ভিটামিন বি৬ সমৃদ্ধ।

হার্ট ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

আমরা আপনাদের জন্য পেস্তাবাদাম সরাসরি নিয়ে এসেছি বাইরের দেশ থেকে ইম্পোট করে।ভেজাল মুক্ত, দাগহিন পেস্তাবাদাম পেয়ে যাবেন এখন আমাদের টিউলিপ এ। 


অর্ডার করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 


 ☎️📞📱     01829-427716 


🏢আমাদের ঠিকানা: মাইপাড়া বাজার, পুঠিয়া, রাজশাহী । 


♻️সর্বোচ্চ মানের Imported-Essential Product 

পেতে 

    "Tulip ~ Commodities" এর সাথেই থাকুন,

 ধন্যবাদ।

মুগডাল"

 "মুগডাল"

সাধারণটি বাজারে দুই প্রকার মুগ ডাল পাওয়া যায়, একটা খোসা ছাড়া হলুদ রঙের আর একটি খোসা সমেত সবুজ রঙের। এই ডাল খুব সহজে হজম হয়ে যায়, যারা নিজেদের ওজন নিয়ে খুবই সতর্ক, তাদের জন্য এই ডাল অবশ্যই কাজ করে। এই ডাল প্রোটিন, প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড, ফাইবার ও ভিটামিন বি১ -এ ভরপুর।


মুগ ডালের উপকারিতা:

– ওজন কমাতে সাহায্য করে।

– গর্ভবতী মহিলাদের জন্য মুগডাল খুবই উপকারী।

– শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কম করতে সাহায্য করে মুগ ডাল।


ইম্পোর্টেড মুগ ডাল সেরা গুনগত মানসম্পন্ন এই প্রডাক্ট পাচ্ছেন আপনার হাতের নাগালে থাকা কোম্পানি "Tulip Commodities" এ। 


আমরা এরকম  পণ্য বিশ্বের উল্লেখযোগ্য দেশগুলো থেকে সরাসরি Import করে থাকি। 


অর্ডার করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 


 ☎️📞📱    01829-427716  


🏢আমাদের ঠিকানা: মাইপাড়া বাজার, পুঠিয়া, রাজশাহী । 


♻️সর্বোচ্চ মানের Imported-Essential Product 

পেতে 

    "Tulip ~ Commodities" এর সাথেই থাকুন,

 ধন্যবাদ।

আইনস্টাইনের প্রেমের চিঠি আকবার হোসেন প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪, 

 আইনস্টাইনের প্রেমের চিঠি

আকবার হোসেন

প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪, 

বিজ্ঞানের কিংবদন্তি আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রেমের চিঠি নিলামে উঠেছে। মহান এ বিজ্ঞানীর প্রেমিক-মনের অনেক কিছু উন্মুক্ত হয়েছে ইতিমধ্যে। লিখেছেন আকবার হোসেন


আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫) বিজ্ঞানের এক মহাতারকা। নিজের জীবদ্দশায় তিনি বেশ কয়েকটি যুগান্তকারী গবেষণা প্রকাশ করেন। এর মধ্যে ‘আপেক্ষিক তত্ত্ব’ তাকে বিখ্যাত করে তুলেছিল। যার ঠিক ১২ বছর পর আইনস্টাইন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। কিন্তু এসব অর্জন করার শক্তি, অনুপ্রেরণা ও সময় তিনি কোথায় পেলেন? ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে বিজ্ঞান, প্রেম এবং কফি তৈরি এই তিন আইনস্টাইনের জীবনের মূল রসায়ন। বিজ্ঞানের ইতিহাসবিদ এবং জেনার ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর জিওএনথ্রোপোলজির অধ্যাপক ইয়ুর্গেন রেন ২০০৫ সালে ‘আমি রবিবারে ঠোঁটে তোমাকে চুমু দেব’ বইয়ে আইনস্টাইন এবং তার প্রথম স্ত্রী মিলেভা মেরিকোর মধ্যে ১৮৯৭ এবং ১৯০৩ সালে প্রেমের চিঠির একটি সংগ্রহ প্রকাশ করেন। চিঠির এই সংগ্রহ ১৯৮৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত ‘আলবার্ট আইনস্টাইনের সংগৃহীত কাগজপত্র’ বইয়ের একটি অংশ। যা রেন ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত সহ-সম্পাদনা করেছিলেন। তিনি বলেন, চিঠিগুলো তখন কেবল  আবিষ্কৃত হয়েছে, আমার কাজ ছিল সেগুলো পড়া, সেগুলোর ওপর মন্তব্য করা এবং সেগুলোকে ঐতিহাসিকভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা। তিনি ডয়চে ভেলেকে বলেন, এটি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। কারণ এসব চিঠি কেবল প্রেমের সাক্ষ্য ছিল না বরং আইনস্টাইনের সবচেয়ে সৃজনশীল পর্যায়ের বৈজ্ঞানিক উপাদানও ছিল, যা তিনি তার বান্ধবী এবং পরবর্তী স্ত্রীর সঙ্গে নিবিড়ভাবে আলোচনা করেন।


বিজ্ঞান এবং প্রেম


চিঠিগুলো শুধু তরুণ আলবার্ট আইনস্টাইনের আবেগময় জগতের একটি অন্তর্দৃষ্টিকে উপস্থাপন করে না। ঘটনাচক্রে সেগুলো তার বৈজ্ঞানিক তত্ত্বগুলোর বিকাশেরও সাক্ষ্য দেয়। আইনস্টাইন এবং এক তরুণ সার্বিয়ান নারী মিলেভা মেরিক ১৮৯৬  সালে জুরিখের পলিটেকনিকামে দেখা করেন। তখন মেরিকোর বয়স ছিল ২০ এবং আইনস্টাইনের বয়স ১৭। মিউনিখের গ্রামার স্কুল থেকে ড্রপ আউট করার পর আইনস্টাইন সুইজারল্যান্ডে তার এ-লেভেল সম্পন্ন করেছিলেন। আর মেরিকো  ভোজভোডিনা থেকে আসেন। যা তখন অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যের অংশ। জাগরেবের একটি ছেলেদের ব্যাকরণ স্কুলে পড়াশোনা করেছেন এরপর জুরিখে পদার্থবিদ্যা অধ্যয়ন করেন। তিনি ছিলেন পদার্থে অধ্যয়নরত তার সময়ের একমাত্র নারী এবং প্রথম সার্বিয়ান। আইনস্টাইন সম্ভবত সেই সময়ের জীবনকে উপভোগ করেছিলেন। সেই সময়ে তিনি জার্মান দার্শনিক আর্থার শোপেনহাওয়ার-এর লেখা গোগ্রাসে গিলছিলেন এবং বুর্জোয়াবিরোধী মনোভাব পোষণ শুরু করেন। মেরিকো এবং অ্যালবার্টের মধ্যে একটি বিশেষ ধরনের ভালোবাসা তৈরি হয় এবং যা বাড়তে থাকে। রেন বলন, আইনস্টাইন নিজের বৈজ্ঞানিক জীবনের সঙ্গে নিজের প্রেমের জীবনকে একত্র করতে সক্ষম হয়েছিলেন। রেন বলেন, তারা আক্ষরিক অর্থে সবকিছু সম্পর্কে কথা বলতে পারতেন! মিলেভা স্পষ্টতই গাণিতিক বিষয়ে অ্যালবার্টের সমতুল্য ছিলেন। যে কারণে বিশেষজ্ঞরা এখনো আপেক্ষিকতা তত্ত্বের বিকাশে মিলেভার অবদান সম্পর্কে অনুমান করে থাকেন। আইনস্টাইন তার মিলেভাকে ১৯০১ সালের দিকে লিখেছিলেন, ‘প্রিয় ডক্সারল, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমার প্রিয় কুমারী... শেষবার যখন আমাকে তোমার প্রিয় ছোট্ট মানুষটিকে আমার কাছে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, প্রকৃতি যেমন দিয়েছিল, চুম্বন করেছিল তখন কত সুন্দর ছিল। আমি এটার জন্য সবচেয়ে আন্তরিক, আপনি প্রিয় আত্মা! যাই হোক ‘ডক্সারল’ দক্ষিণ জার্মান উপভাষায় পুতুল।


চিঠিপত্রের হিসাবে ছয় বছর আলবার্ট এবং মিলেভার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মিলেভা অল্প বয়সে প্রেমে পড়েন। ১৯০১ সালে গর্ভবতী হন এবং একটি সন্তানের জন্ম দেন। ১৯০৩ সালে তাদের বিয়ে হয়। সংসার জীবনে তারা তিনটি সন্তানের জন্ম দেন। তাদের সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯১৮ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এরপর আইনস্টাইন চিঠিতে লেখেন, আপনি আমার সঙ্গে সমস্ত ব্যক্তিগত সম্পর্ক ত্যাগ করুন। আইনস্টাইন ১৯১৪ সালে ওই চিঠিতে স্পষ্ট করে বলেন, আমার কাছ থেকে কোনো স্নেহ আশা করার অধিকার আপনার নেই বা আমাকে কোনোভাবেই তিরস্কার করবেন না। তাদের বিচ্ছেদের নিষ্পত্তিতে আইনস্টাইন বলেন, যদি নোবেল পুরস্কার পান তাহলে সেখান থেকে অর্থের ভাগ দেবেন মেরিকোকে।


চুলের ব্রাশ


ডয়চে ভেলে তাদের প্রতিবেদনে আরও জানাচ্ছে, গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে আইনস্টাইনকে তার বার্লিনে বসবাসরত বছরগুলোতে জর্জরিত করেছিল। জুরিখ এবং প্রাগে থাকার পর তিনি ১৯১৪ থেকে শুরু করে স্প্রিতে বসবাস করেন। ১৯৩৩ সালে নাৎসি জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। বার্লিনে থাকাকালে তার কাজিন একজন অভিনেত্রী এবং আবৃত্তিকার এলসা লোভেন্থাল  অসুস্থ আইনস্টাইনের যতœ নেন। তাদের সম্পর্ক অনেক গভীরে চলে যায়। মিলেভার সঙ্গে বিচ্ছেদের অল্প সময় পর আলবার্ট তাকে বিয়ে করেন। তবে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল ঝগড়ার। উদাহরণস্বরূপ, এলসা আইনস্টাইনের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সমালোচনা করতেন। তিনি তাকে একটি চুলের ব্রাশ উপহার দেন। এবং লিখে ছিলেন, যদি আমি আপনার জন্য খুব অপ্রীতিকর হয়ে থাকি, তাহলে এমন একজন বন্ধুকে খুঁজে বের করুন যিনি নারীর রুচির সঙ্গে যান। কিন্তু আমি আমার স্বাধীনতা রক্ষা করব। তবে এসব আচরণ নারীর ওপর তার প্রভাবকে হ্রাস করে বলে মনে হয় না। বরং উল্টো ঘটনা ঘটে। তিনি যেখানে যেতেন, নারীরা তাকে ঘিরে ধরত।  বক্তৃতা দিতে অনেক ঘন ঘন সফরে বের হলে আইনস্টাইন প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তেন। এমনকি এটাও শোনা যায় যে বার্লিনে তার একজন উপপতœী ছিল। যেমনটি আইনস্টাইনের জীবনীকার আরমিন হারম্যান লিখেছেন, এলসার সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়ে। আইনস্টাইনের প্রেমপত্রের মুখবন্ধে হারমান উল্লেখ করেন, বিয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চাপ ছিল আইনস্টাইনের দিক থেকে। আইনস্টাইন নারীসুলভ সবকিছুর প্রতি প্রবলভাবে আকৃষ্ট ছিলেন।


শৈশবের ভালোবাসা


পরে আরও জানা যায় যে আইনস্টাইনের প্রথম বান্ধবী ছিলেন ম্যারি উইনটেলার। যার সঙ্গে সম্পর্ক যৌবনের প্রথম দীক্ষা নেওয়ার চেয়ে বেশি কিছু ছিল। আইনস্টাইন করুণভাবে লিখেছিলেন সেই চিঠিতে, যখন আমি আপনার চিঠি পড়ি, তখন মনে হয়েছিল যে আমার কবর খোঁড়া হচ্ছে।  আমি যে সামান্য সুখ রেখেছিলাম তা ধ্বংস হয়ে গেছে, যা অবশিষ্ট রয়েছে তা কর্তব্যের নির্জন জীবন। আইনস্টাইন তার প্রথম স্ত্রী মিলেভা, দ্বিতীয় স্ত্রী ও চাচাতো বোন এলসা বা তার অনেক উপপতœীর কাউকে এমন নাটকীয় এসব বাক্য সম্বোধন করেননি। আর ওই চিঠি তিনি লিখেছিলেন তার শৈশবের প্রিয়তমা ম্যারিকে। আইনস্টাইন তার হাই স্কুল ডিপ্লোমা অর্জনের সময় কিশোর বয়সে যার সঙ্গে এক বছর প্রেম করেন। তবে এ প্রেম  স্বল্পস্থায়ী ছিল এবং শিগগিরই তার প্রিয়জন হিসেবে মেরিকোর আবির্ভাব ঘটে। মিষ্টি কিন্তু ছটফটে স্বভাবের মারির সঙ্গে আইনস্টাইনের বুদ্ধিমত্তার মস্ত ফারাক ছিল। জুরিখে এসে আইনস্টাইন চিঠি লেখালেখি বন্ধ করার প্রস্তাব দিয়ে প্রেমে বিচ্ছেদ ঘটান। যদিও জানা যায়, শুরুর দিকে জুরিখে এসে প্রথম কিছু দিন নিজের জামাকাপড় মারিকে ডাকে পাঠাতের আইনস্টাইন। সেসব ধুয়ে আবার ডাকে ফেরত পাঠাতেন মারি। এর প্রত্যুত্তরে ধন্যবাদও দিতেন না আইনস্টাইন। যার কারণে আক্ষেপ করে মারি লেখেন, ‘চোখে শুধু খুঁজে মরি তোমার হাতে লেখা দু-একটি বাক্য। কিন্তু পাওয়ার মধ্যে পাই তোমার হাতে লেখা ওই ঠিকানাটুকু।’


প্রথম চিঠি


প্রেমিকা মারির বোন আনা তখন আইনস্টাইনকে বর্ণনা করেছেন এ ভাবে, ‘ওর দারুণ রসবোধ ছিল। আর সময়-সময় আলবার্ট প্রাণভরে হাসত।’ সেই সময়ে আরেক নারীর বর্ণনায় আইনস্টাইন ছিলেন এমন, ‘মেয়েদের মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো পুরুষালি চেহারা ছিল ওর। ঢেউ খেলানো কালো চুল, অভিব্যক্তিপূর্ণ চোখ ও চাহনি, চওড়া কপাল আর খোশমেজাজি স্বভাব। ওর মুখের নিচের অংশ কোনো ইন্দ্রিয়াসক্ত পুরুষের, যার জীবনের প্রতি টানের অভাব নেই।’ মারি নতুন বছরে আলবার্টের মাকে শুভেচ্ছা কার্ড পাঠালে তিনি উষ্ণতার সঙ্গে জবাব দিলেন, ‘তোমার ছোট্ট চিঠি, স্নেহের মারি, আমাকে ভীষণ আনন্দ দিয়েছে।’ সেই বছরের বসন্তে বাড়ি ফিরে আলবার্ট মারিকে তার প্রথম প্রেমপত্র লেখেন। ‘প্রিয়তমা, অনেক অনেক ধন্যবাদ তোমার ছোট্ট মিষ্টি চিঠির জন্য, যা আমাকে অশেষ আনন্দ দিয়েছে। ওই টুকরো কাগজ বুকে ধরে কী যে একটা অনুভূতি হলো! কারণ ওই পাতায় দুটি প্রিয় চোখ তোমার দৃষ্টি ফেলেছে আর ওর ওপর তোমার নরম হাত দুটি চলাফেরা করেছে। এত দিনে টের পাচ্ছি, ছোট্ট দেবদূতি আমার, মন কেমন করা আর মিলনাকাক্সক্ষা কী বস্তু! তবে বিরহ যত না বেদনা আনে তার চেয়ে ঢের বেশি সুখ আনে প্রেম...। মা তোমাকে না চিনেই ভালোবেসে ফেলেছেন। শুধু তোমার দুটো মিষ্টি চিঠি তিনি পড়েছেন। মা খুব হাসাহাসি করেন আমাকে নিয়ে, কারণ আমি আর আগের মতো অন্য মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট হই না। আমার কাছে সারা জগতের থেকেও তোমার মূল্য অনেক বেশি এখন।


নিলাম


আইনস্টানের প্রেমের এসব চিঠি ২০১৮ সালে প্রকাশিত হওয়ার আগে দীর্ঘদিন ধরে সুইজারল্যান্ডের বার্নিশেস হিস্টোরিচেস মিউজিয়ামে রাখা হয়েছিল। শতাব্দীর বিশেষ প্রতিভা আলবার্ট আইনস্টাইনকে দেখা গেছে প্রেমকে মহিমান্বিত করতে। তিনি লিখেছেন, ‘কী অসীম সুখের অনুভূতি’, ‘আমরা একসাথে এক আত্মা’। অথবা তিনি লিখেছেন, ‘ভালোবাসা আমাদের মহান এবং ধনী করে এবং কোনো দেবতা আমাদের থেকে তা কেড়ে নিতে পারে না।’ আইনস্টাইনের প্রেমের চিঠিগুলো পদার্থবিদ বিজ্ঞান, বন্ধুত্ব এবং নারীকে ভালোবাসার এক অনন্য দলিল। তিনি কেবল সর্বজনীনভাবে প্রশংসিত প্রতিভা ছিলেন না। তার জীবনে অনেক জটিল প্রেমের গল্পও ছিল। তার প্রথম স্ত্রী মিলেভার চিঠিপত্রসহ  ‘আইনস্টাইন লাভ লেটারস’ গত বুধবার লন্ডনের ক্রিস্টি’স-এ নিলাম করা হয়। যার দর উঠেছে ৫৬২,০০০ ডলার।


সোর্স দেশ রুপান্তর

ব্রিক ইনফরমেশন

 ব্রিক ইনফরমেশন🧱

=============

কন্সট্রাকশান সাইটে কাজ করার ক্ষেত্রে এসব গুরত্বপূর্ণ তথ্য খুবই কাজে দেয়। এছাড়াও বিভিন্ন চাকুরীর পরীক্ষা/ভাইভা এর জন্যেও গুরুত্বপূর্ণ। 


🧱প্রথম শ্রেনী ইটের ওজন কত ?

উওরঃ ৮.২৫ পাউন্ড বা ৪.১২ সের আথবা ৩.৭১ কেজি 


🧱প্রথম শ্রেনী একটি ইট কতটুকু পানি শোষণ করতে পারে ?

উওরঃ নিজের ওজনের ১/৫ থেকে ১/৬ অংশ পরিমাণ পানি শোষণ করতে পারে ?


🧱কাজের পৃর্বে ইট কত ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হয় ?

উওরঃ ১২ ঘন্টা ( ২৪ ঘণ্টা হলে ভালো হয়।) ।


🧱১০০০ টি ইট তৈরি করতে কি পরিমাণ কাঁদা মাটির দরকার হয় ?

উওরঃ প্রায় ১০০ ঘনফুট বা cft ।


🧱ব্রিক ওয়াল গাঁথুনিতে কি পরিমাণ পানি লাগে ?

উওরঃ ১০ ইঞ্চির ক্ষেত্রে প্রতি ঘনফুটের জন্য ১২ লিটার পানি দরকার এবং ৫ ইঞ্চির ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুটের জন্য ৪ লিটার পানি দরকার ।


🧱প্রথম শ্রেনী ইটের ফিল্ড টেস্ট কিভাবে করা যায়?

উওর: প্রথম শ্রেনী ইটের ফিল্ড টেস্টর নাম T টেস্ট অথৎ ২টি ইটকে T আকারে করে ৫/৬ ফিট উপর থেকে ফেললে ভাঙেবে না।


🧱ইট পোড়ানো হয় কেন ?

উওরঃ ইট পোড়ানোর ফলে ইহা শক্ত হয়, সহজে ভাঙ্গেনা এবং পানিতে গলেনা ও লালচে রঙ সৃষ্টি করে 


🧱১০০ ফুট এইজিং এর জন্য কত গুলো ইট লাগবে ?

উত্তরঃ ২৫০ হতে ২৭০ টি ।


🧱১০০ ফুট সলিং এর জন্য কত গুলো ইট প্রয়োজন ?

উওরঃ ৩০০ থেকে ৩৩৬ টি ইট ।


🧱১০০ বর্গফুট হেরিং বোন বন্ডের জন্য কত গুলো ইট লাগবে ?

উওরঃ ৫০০ হতে ৫৫০ টি ইট লাগবে ।


🧱১০০ sft ৫ ইঞ্চি ওয়ালের জন্য কত গুলো ইট লাগবে ?

উওরঃ ৪৮০ থেকে ৫০০ টি ইট লাগবে


🧱১০০ cft ১০ ইঞ্চি ওয়ালের জন্য কত গুলো ইট লাগবে ?

উওরঃ ১০৮০ টি ইট লাগবে ।


🧱১০০ cft খোয়া তৈরিতে কত গুলো ইট লাগবে ?

উওরঃ ১০৫০ টি ইট লাগবে ।


#naeemcivilnote #brick #engineering #construction #BD #100k #100mileschallenge

এলাচ(Cardamom)"

 "এলাচ(Cardamom)"

 এটি মসলা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সুগন্ধি গাছ। এলাচকে বলা হয় মসলার রানী। এলাচ সুগন্ধিযুক্ত একটি মসলা। খাবারে অতিরিক্ত স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় এলাচ। রান্নার স্বাদ বাড়ানো ছাড়া ও এর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা।

 

কেন  খাবেন টিউলিপ এর এলাচ?

• বাছাই করা এলাচ

• রান্নায় আনবে পারফেক্ট স্বাদ, সুগন্ধ ও তৃপ্তি

• অনেকদিন সংরক্ষণ করতে পারবেন

• শতভাগ নিরাপদ ও বিশুদ্ধ


অর্ডার করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 


 ☎️📞📱      01829-427716 


🏢আমাদের ঠিকানা: মাইপাড়া বাজার, পুঠিয়া, রাজশাহী । 


♻️সর্বোচ্চ মানের Imported-Essential Product 

পেতে 

    "Tulip ~ Commodities" এর সাথেই থাকুন,

 ধন্যবাদ।

মাতৃভূমি অনুরাগী কাজী নজরুল ইসলাম।

 মাতৃভূমি অনুরাগী কাজী নজরুল ইসলাম।

তার অসংখ্য সংগীত বিভাগের মধ্যে ছয় ঋতু  নিয়ে একটি সংগীত পরিবেশন  করেছেন মাতৃভূমি রুপ বর্ণনায়।

প্রকৃতির বুকে নিঃশব্দে যে প্রেমের লীলা চলে তার ঐ রূপ দর্শণে  বিভোর কবি—গেয়ে উঠলেন:—


      একি অপরূপ রূপে মা তোমারে

             হেরুনী পল্লী  জননী

                    ফুলেও ফসলে কাদামাটি জলে

                            ঝলমল করে লাবণী।

                                     হেরুনি পল্লী জননী ।


প্রকৃতির বৈচিত্র রূপ রূপায়ণে যে বিস্ময়কর ভাষা নির্মাণ কৌশল এবং ছন্দের সহস্র দল পদ্মের উপর তার কাব্য বাণীর চঞ্চল লীলা পদচারণা  সৌন্দর্য কল্পনায় নতুন সাহিত্য সাধনার অনুপ্রেরণা ও সাহস যোগায় বিস্মীতির অন্তরালে বিরল প্রতিভাবান কবির সাহিত্য সৃষ্টি আমাদের মুগ্ধ করে। মাতৃভূমির মাতৃভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভক্তিও গভীর অনুরাগের পরিচয় পাওয়া যায়।

মেঘ বিহীন খর বৈশাখে উত্তপ্ত দগ্ধ কাতর বসুন্ধরা চাতকের কাছে আর্জি বৃষ্টি পাওয়ার জন্য। 


   রৌদ্রতাপ্ত বৈশাখে তুমি 

        চাতকের সাথে চহো জল 

              আম কাঁঠালের মধুর গন্ধে 

                     জ্যৈষ্ঠ মাতায় তরুতল 

                           ঝঞ্ঝার সাথে প্রান্তরে মাঠে 

                                 কভু খেল লয়ে অসনী।

                                         হেরুনি পল্লী জননী।


প্রকৃতির সৃষ্ট ও সৌন্দর্য কবি মুগ্ধ, তাঁর কল্পনায় রোমান্টিক ভাবা বেগের লালিত শ্যামলী বাংলার স্বরসতা /কমলতা /পূর্ণশ্রী ও স্নিগ্ধ লাবণ্য তার কাব্য লক্ষীর কাননে বিকশিত। শীতের শেষে বসন্তের আগমনী সংগীতটির ভূমিকা পাঠক বৃন্দ কে আকৃষ্ট করে।।


    শীতের শূন্যে মাঠে ফেরো তুমি 

         উদাসী বাউলের সাথে মা

               ভাটিয়ালি গাও মাঝিদের সাথে 

                    কীর্তন শোন  রাতে মা

                        ফাগুনের রাঙা ফুলের আবিরে

                              রাঙাও নিখিল ধরণী ।

                                    হেরুনী পল্লী জননী।।

রসুন(Garlic) "

 "রসুন(Garlic) "

রসুন আমাদের দৈনন্দিন খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তরকারি সুস্বাদু করার জন্য অন্যান্য পেঁয়াজ, মরিচের সাথে রসুন ও ব্যবহার করা হয়। রসুন সাধারণত মশলা হিসেবে ব্যবহার হলেও প্রাচীনকাল থেকে রসুন ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।


রসুনের উপকারিতা :-

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

 ২. রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বাড়ায়।

৩. পুরুষের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

৪. হৃৎপিণ্ডের শক্তিবর্ধক।

:৫. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

 ৬. ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধ।

 ৭. কোষের ক্ষতিরোধ করে।


 ইম্পোর্টেড রসুন,সেরা গুনগত মানসম্পন্ন এই প্রডাক্ট পাচ্ছেন আপনার হাতের নাগালে থাকা কোম্পানি "Tulip Commodities" এ। 


আমরা এরকম মসলাজাতীয় পণ্য বিশ্বের উল্লেখযোগ্য দেশগুলো থেকে সরাসরি Import করে থাকি। 


অফলাইনে ডিলার পয়েন্টে, এবং অনলাইনে কাস্টমার পর্যায়ে আমরা এই পণ্যগুলো সরবরাহ করছি। 


অর্ডার করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 


 ☎️📞📱     01829-427716 


🏢আমাদের ঠিকানা: মাইপাড়া বাজার, পুঠিয়া, রাজশাহী । 


♻️সর্বোচ্চ মানের Imported-Essential Product 

পেতে 

    "Tulip ~ Commodities" এর সাথেই থাকুন,ধন্যবাদ।

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

 ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব


মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট

এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট্ঁ

ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি


তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট

এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)

= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি


আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই

আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি


সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪

অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭


সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল

= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি

= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)


বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল

= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি


খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল

= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি

= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)


রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)

= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)

= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি

= ২.০৮২ টন


আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব

ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়

এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে


মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট

এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট


আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে


৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান

= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১

= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১

= ১২০+১

= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)

= ৩৬৩০ ফিট


৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান

= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১

= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১

= ৭২+১

= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)

= ৩৬৫০ ফিট


মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট

=৭২৮০ ফিট


রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)

= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)

= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)


মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি

= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি

= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)

= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)।


আরও জানতে কমেন্ট করতে থাকুন।

সফলতার ১৫ সূত্রঃ

 সফলতার ১৫ সূত্রঃ


১. আজ থেকে পাঁচ বছর পর আপনি কোথায় যাবেন তা নির্ভর করবে এখন আপনি কী ধরনের বই পড়ছেন, কোন ধরনের মানুষের সাথে মেলামেশা করছেন সেটার উপর।

২. এডিসন বলেন, সাফল্য হলো৭ইই7 ৯৫% কঠোর পরিশ্রম আর ৫% অনুপ্রেরণার ফল।

৩. যে ব্যক্তি পড়তে পারে কিন্তু পড়ে না আর যে ব্যক্তি পড়তে পারে না দুই-ই সমান।

৪. ফার্স্ট ইমপ্রেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোন কথা বলার আগেই একজনের সাথে সাক্ষাত হওয়ার তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই তার সম্পর্কে একটা ধারণা হয়ে যায়। We never get a 2nd chance to make the first impression.

৫. আপনি কী অর্জন করেছেন, সাফল্য মাপার মানদন্ড সেটা নয় বরং আপনি পরে যাওয়ার পর কতবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেটা।

৬. পরাজয়ের ভয়, পরাজয়ের চেয়েও খারাপ।

৭. একটা পরাজয় আরো পরাজয়ের জন্ম দেয়। কারণ প্রত্যেকটা পরাজয়ের সাথে ব্যক্তি তার আত্ম-মূল্য হারিয়ে ফেলে যেটা পরবর্তী পরাজয়ের কারণ।

৮. পরাজিতরা কোন কিছু ঘটার অপেক্ষায় থাকে। তারা কখনই কোন কিছু ঘটাতে পারে না।

৯. যে সবকিছু তৈরি পেতে চায়, সে জীবনে কিছু করতে পারে না। সফল ও ব্যর্থ উভয়ের দিনই ২৪ ঘন্টায়।

১০. NO মানে একেবারে না নয়। NO = Next Opportunity.

১১. বাহ্যিক সাফল্য আচরণের উপর নির্ভর করে। যদি আপনি নিজেকে চরিত্রবান, সাহসী, সৎ বলে বিশ্বাস করেন তাহলে এগুলো আপনার আচরণে প্রতিফলিত হবে।

১২. জয়ী হতে হলে কী কী করতে হবে বিজয়ীরা সেটার উপর গুরুত্ব দেয়। আর বিজিতরা যা যা পারে সেটার উপর গুরুত্ব দেয়।

১৩. আপনি সবসময় যা করে এসেছেন, এখনও যদি সেটাই করেন তাহলে সবসময় যা পেয়েছেন, এখনও তাই পাবেন।

১৪. সম্পর্ক তৈরি করা একটা প্রক্রিয়া, প্রচেষ্টার ফলাফল। কোন  আকষ্মিক ঘটনা না।

১৫. আপনার ইচ্ছা শক্তি আপনার ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করবে।

চেষ্টাই নিয়তি পাল্টে দিতে পারে। স্বপ্নপুরণে শুধু আবেগ নয় বেগ দরকার। সাথে বিনয়ী মনোভাব, শেখার তাড়না ও প্রেরণা দরকার।


সংগৃহীত

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...