এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪

২০টি দেশের সর্বকালের ২০টি সেরা সিনেমা,,,,,,

 ২০টি দেশের সর্বকালের ২০টি সেরা সিনেমা


1. United States: The Godfather (1972)

    =শক্তিশালী গল্পে পারিবারিক সম্পর্ক আর   অপরাধের রাজনীতি।


2. India: Pather Panchali (1955)

    =গ্রামবাংলার জীবন আর সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি।


3. Japan: Seven Samurai (1954)

    = সাহসিকতার গল্পে জাপানি সংস্কৃতির উদাহরণ।


4. France: Amélie (2001)

    =এক মেয়ের সুন্দর ও মজার জীবনের গল্প।


5. Italy: La Dolce Vita (1960)

    =জীবনের মিষ্টি আর তিক্ততার ফ্যাশনেবল গল্প।


6. United Kingdom: Lawrence of Arabia (1962)

    =মরুভূমির এক বিস্ময়কর ইতিহাস।


7. Germany: Metropolis (1927)

    =ভবিষ্যতের শহর আর মানুষের সংগ্রাম।


8. Russia: Battleship Potemkin (1925)

    = বিপ্লবের শক্তি আর মানুষের একতার প্রতীক।


9. China: Raise the Red Lantern (1991)

    =একটি প্রাসাদে মহিলাদের জীবনের শ্বাসরুদ্ধকর গল্প।


10. South Korea: Parasite (2019)

    =ধনী-গরিবের জীবনকে এক অদ্ভুত মোড়ে দেখানো হয় এখানে।


11. Brazil: City of God (2002)

    =অপরাধে ভরা এক শহরের জীবনের বাস্তব চিত্র।


12. Mexico: Pan's Labyrinth (2006)

    =বাস্তব আর কল্পনার মিশেলে এক অনন্য গল্প।


13. Iran: A Separation (2011)

    =সম্পর্ক আর নৈতিকতার কঠিন প্রশ্ন।


14. Sweden: The Seventh Seal (1957)

    =জীবন আর মৃত্যুর গভীর এক দার্শনিক প্রশ্ন।


15. Australia: Mad Max: Fury Road (2015)

    =গতির সাথে জীবনের যুদ্ধ।


16. Spain: The Spirit of the Beehive (1973)

    =একটি শিশুর দৃষ্টিতে যুদ্ধের প্রভাব।


17. Turkey: Once Upon a Time in Anatolia (2011)

    =রহস্যময় এক গল্প, যা ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় অদ্ভুত এক সত্য।


18. Denmark: The Hunt (2012)

    =মিথ্যার জালে আটকা পড়া মানুষের গল্প।


19. Poland: Ida (2013)

    =নিজের পরিচয় খোঁজার গল্প।


20. Argentina: The Secret in Their Eyes (2009)

    =প্রেম আর প্রতিশোধের সুন্দর এক মিশ্রণ।


আপনি কয়টা দেখেছেন?

একটা বয়স পেরিয়ে মানুষ বুঝে যায়...

 একটা বয়স পেরিয়ে মানুষ বুঝে যায়...

কারও সাথে অকারণ তর্কে যাওয়াটা বোকামি। কেউ যদি বলে "পৃথিবী গোল নয় লম্বা", তাতেই সায় দিয়ে হেসে চলে আসাটা বরং বেশি দরকারি। একটা বয়সের পর আপনি বুঝে যাবেন,কেউ কারও ভাবনা-চিন্তা বা মতামত আসলে বদলায় না, অন্তত তর্ক করে আপনি তা বদলাতে পারবেন না। তাই চুপ করে হাসিমুখে নিজের কাজ করে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। একটা বয়সের পেরিয়ে আপনি বুঝে যাবেন, বাইরের লোক তো ছেড়েই দিলাম, আপনার খুব কাছের মানুষজনও আসলে আপনার মনের মতো হবে না। আপনি যেমন করে তাদের ভালোবাসা চান, তারা তেমন করে আপনাকে কখনোই ভালোবাসবে না, আপনাকে তেমন করে গুরুত্ব দেবে না। আসলে সব মানুষই নিজের ইচ্ছে, বিবেচনা, ভাবনা ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলে, আর এটাই বাস্তব। প্রত্যেকটা মানুষের বিচার, বিবেক আর বিবেচনাবোধ আলাদা— এটাই কঠিন সত্যি। আপনার মতামত, আপনার চিন্তা- ভাবনা, আপনার জীবনবোধ, আপনার অনুভব একান্তই আপনার নিজস্ব, আর কারো তা নিয়ে ভাববার বা বোঝবার দায় নেই। একথা যত সহজে বুঝবেন, তত আঘাত কম পাবেন। একটা বয়সের পর মানুষ বুঝে যায়, মানুষের কাছে বেশি ভালো হওয়ার চেষ্টা করে,কারো প্রতি বেশি আপনতা দেখিয়ে, বেশি কর্তব্য করে বা কাউকে বেশি ভালোবেসে সবসময় নিজেকে কারো কাছের মানুষ, কারো নিজের মানুষ,কারো ভরসার মানুষ তৈরি করা যায় না। মানুষ আপনাকে ঠিক ততটুকুই ভালোবাসবে, ততটুকুই গুরুত্ব দেবে, ততটুকুই সম্মান বা অগ্রাধিকার দেবে— যতটা তার নিজের জীবনে আপনার প্রয়োজন,গুরুত্ব বা স্বার্থ থাকবে। তার বেশি একচুলও নয়। তাই একটা বয়সের পর আপনি বুঝবেন—কারো জন্য কোনো কিছুই বেশি করে বা আগ বাড়িয়ে বেশি ভালোমানুষি দেখিয়ে আসলে কোনো লাভ হয় না। তাই তখন আপনি ঠিক যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু করতে শিখে যাবেন। একটা বয়সের পর আর কারো উপর কিছু চাপিয়ে দিতে ইচ্ছে করবে না,নিজেকেও সবরকম চাপমুক্ত,ভারমুক্ত রাখতে ইচ্ছে করবে। কারো কাছে কোনোকিছু আশা করে কোনো লাভ হয় না— একটা বয়স তা ভালোভাবেই বুঝিয়ে দিয়ে যায়। তখন নিজের হাতে,নিজের ক্ষমতার মধ্যে যেটুকু আছে শুধু সেটুকু করে মানুষকে ভালো থাকার চেষ্টা করে যেতে হয় অবিরাম,আর বাকিটা ঈশ্বরের উপর ছেড়ে দিতে হয়। একটা বয়সের পর কে আপনার সম্পর্কে কী ভাবলো,আপনাকে নিয়ে কী মন্তব্য করল,আপনাকে কে কী বলল না বলল —কিছুই আর তেমন যায় আসে না। একটা বয়সের পর আপনি বুঝে যাবেন প্রত্যেকটা মানুষ তার নিজের জীবনের গন্ডী,নিজের মনোভাব,নিজের স্বভাব,দৃষ্টিভঙ্গি বা শিক্ষা অনুযায়ী চিন্তা-ভাবনা করে। কারো চিন্তা-ভাবনা আপনাকে নয়,বরং সেই লোকটিকে চেনায়। তাই একটা বয়সের পর আপনি নিজে এবং যাদের আপনার ব্যক্তিগত জীবনে গুরুত্ব আছে তারা ছাড়া পৃথিবীর আর কেউ আপনাকে নিয়ে কী ভাবছে তা অর্থহীন হয়ে যায়। একটা বয়সের পর মানুষ আর সকলের সঙ্গে একটা বিরাট দূরত্ব তৈরি করে নেয়। এমনকি অনেক লোকজনের মধ্যে থাকলেও আসলে তাদের সকলের আর তার নিজের মধ্যে এমন এক বিরাট বড় খাদ,বিরাট এক শূন্যতা তৈরি হয়ে যায় যা আর পার করা যায় না। চারপাশের মানুষের প্রতি গভীর নিরাশা আর বহুকালের জমা ক্ষোভ, অভিমান এই বিরাট দুর্ভেদ্য গহ্বর টা তৈরি করে। একটা বয়সের পর মানুষ বুঝে যায়— পৃথিবীর কারো কাছে তার আর চাওয়া- পাওয়ার কিছু বাকি নেই। একটা সময় পর রাগ, ক্ষোভ, বিরক্তি, অভিমানও হারিয়ে যায়। একটা বয়স ধীরে ধীরে মানুষকে নির্বিকার তৈরি করে,শান্ত হতে শেখায়, নিরুত্তাপ হতে শেখায়। কারো সাথে দেখা করার তাগিদ,কথা বলার তেমন উৎসাহ আর থাকে না। তখন তার একমাত্র প্রিয় বন্ধু,তার একমাত্র কাছের মানুষ সে নিজে। সে নিজেকে ভালোবাসতে শেখে,নিজেকে সময় দিতে শেখে,নিজের গভীরে ডুব দিতে শেখে। অন্য কোনোকিছুই আর তাকে তেমন আনন্দ দেয়না তখন,উৎসাহ দেয় না। কিছুই আর যেন তেমন টানে না তাকে। তখন শুধু নিজের মতো করে ভালো থাকতে পারা,নিজের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানো আর মনের অপরিসীম শান্তি ছাড়া তার বোধহয় আর চাওয়ার কিছুই থাকে না।

নাস্তা কিংবা রান্না—টমেটো সস ছাড়া কি জমে? ঘরে বানান নিরাপদ, মজাদার, আর পুষ্টিকর টমেটো সস একদম সহজে...

 🌿নাস্তা কিংবা রান্না—টমেটো সস ছাড়া কি জমে? ঘরে বানান নিরাপদ, মজাদার, আর পুষ্টিকর টমেটো সস একদম সহজে...


📜 টমেটো সস রেসিপি


📝 উপকরণ:


● টমেটো – ৫০০ গ্রাম


● পেঁয়াজ কুচি – ১টি মাঝারি (ঐচ্ছিক)


● রসুন বাটা – ১ চা চামচ


● সাদা ভিনেগার – ২ টেবিল চামচ


● চিনি – ২ টেবিল চামচ


● লবণ – ১ চা চামচ


● গোলমরিচ গুঁড়ো – ১/২ চা চামচ


● দারচিনি – ১ টুকরো


● এলাচ – ২টি


● লবঙ্গ – ২টি


● পানি – ১/৪ কাপ


👩‍🍳 প্রস্তুত প্রণালী:


ধাপ ১: টমেটো প্রস্তুত করুন:


● টমেটো ধুয়ে টুকরো করে নিন।


ধাপ ২: টমেটো সিদ্ধ করুন:


● একটি পাত্রে টমেটো, দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ এবং পানি দিন।


● ঢেকে মাঝারি আঁচে টমেটো নরম হওয়া পর্যন্ত সিদ্ধ করুন।


ধাপ ৩: পিউরি তৈরি করুন:


● সিদ্ধ টমেটো ঠান্ডা করে মসলা আলাদা করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।


ধাপ ৪: সস রান্না করুন:


● একটি প্যান গরম করে তাতে রসুন বাটা ও পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিন।


● টমেটোর পিউরি যোগ করুন এবং লবণ, চিনি, গোলমরিচ গুঁড়ো দিন।


● সস ঘন হওয়া পর্যন্ত নাড়াচাড়া করুন।


ধাপ ৫: ভিনেগার যোগ করুন:


● রান্না শেষে ভিনেগার যোগ করে আর ২ মিনিট নাড়ুন।


ধাপ ৬: সংরক্ষণ করুন:


● ঠান্ডা হলে পরিষ্কার বোতলে ভরে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।


📌 টিপস:


● টমেটো নির্বাচন: রসালো এবং পাকা টমেটো ব্যবহার করুন যাতে সস বেশি মজাদার হয়।


● ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ: সস ঘন করতে চাইলে অল্প সময় বেশি জ্বাল দিন।


● স্বাদ বাড়াতে: মিষ্টি পছন্দ হলে চিনির পরিমাণ বাড়াতে পারেন।


● সংরক্ষণ: সস ১-২ সপ্তাহ ফ্রিজে ভালো থাকে।


এই টমেটো সস রেসিপি ঘরোয়া খাবারের স্বাদ বাড়াবে এবং স্ন্যাকস বা ভাজাপোড়ার সাথে দারুণ জমবে।

© পোস্ট 

- ছবি গুগল থেকে নেওয়া

 #viralreels  #reelsvideo  #mehedirussell  #followers  #viralshorts  #tips  #love  #reelsfypシ  #রেসিপি  #প্রয়োজনীয়_কিছু_টিপস  #সস 

 #টমেটো #টমেটো

চুলায় এবংওভেনে পাউন্ড কেক রেসিপি/ ভেনিলা কেক

 🔺চুলায় এবংওভেনে পাউন্ড কেক রেসিপি/ ভেনিলা কেক


খুব সহজে দোকানের মত নরম এবং সুস্বাদু পাউন্ড কেক কিভাবে বানাবেন?  তাও আবার বাটার এর ঝামেলা ছাড়া। আসুন জেনে নিই। রেসিপিটি হুবহু ফলো করলে আপনার কেকও হবে পারফেক্ট। 


🔺যা যা লাগবে:

 

২/৩ কাপ ময়দা

২ টে চামচ কর্নফ্লাওয়ার

১ চা চামচ বেকিং পাওডার

১ টে চামচ গুড়া দুধ

২ টা ডিম

২/৪ কাপ চিনি

৩-৪ ফুটা ভ্যানিলা এসেন্স

সামান্য লবণ

১/২ কাপ তেল

সামান্য বাদাম কুচি


🔺রান্নার নির্দেশ

1

প্রথমে ময়দা গুড়া দুধ কর্নফ্লাওয়ার বেকিং পাওডার একটা চালুনি দিয়ে চেলে নিব,


2

দ্যান একটা বড় বাটিতে ২ টা ডিম ফেটে নিব সাথে চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিব, বা বিট করে নিব,


3

দ্যান তাতে তেল আর লবণ দিয়ে আবার ও বিট করব,


4

দ্যান চেলে রাখা শুকনো উপকরন অর্ধেক ডিমের মিশ্রন এ দিয়ে আবার ও বিট করব,দ্যান বাকি গুলো দিয়ে আবার ভালো করে বিট করে নিব,


5

এবার ৬ ইঞ্চি সাইজের একটা কেকের মোল্ড এ তেল ব্রাশ করে একটা কাগজ বিচিয়ে দিব,দ্যান ব্যাটার ডেলে দিব,একটা কাটি দিয়ে নেড়ে দিয়ে বাবল গুলো শরিয়ে নিব,দ্যান হাতের আঙ্গুল পানি দিয়ে ভিজিয়ে মাঝবরাবর একটা দাগ দিয়ে দিব,আর বাদাম কুচি ছিটিয়ে দিব,


6

দ্যান প্রি হিট ইলেক্টিক ওভেনে 160 ডিগ্রি সেঃ

৪০/৪৫ মিনিট এ কেক বেক করে নিব।ব্যাস হয়ে যাবে পাউন্ড কেক,


7

চুলায় বানানোর জন্য একটি বড় পাত্র আগে ৫ মিনিট চুলায় দিয়ে প্রিহিট করে নিতে হবে। এর ভিতরে একটি স্টেন্ড বসিয়ে তার উপর কেক এর মোল্ড বসিয়ে ঢাকনা দিয়ে বেক করতে হবে ৪৫/৫০? মিনিট।


রেসিপি ভালো লাগলে শেয়ার করে রাখুন আপনার টাইমলাইনে। ইউনিক ও নতুন নতুন রেসিপি পেতে আমার পেইজে নিয়মিত লাইক কমেন্ট ও ফলো দিয়ে পাশে থাকুন। ❤️


PC

#poundcake #vanillacake #vanillacakerecipe #cakerecipes #cake #viral #HomeCooked #goodfood #highlightseveryonefollowers #highlightseveryone #highlightsシ゚ #Bangladesh #goodfood #waziskitchen

গুঁড়ো দুধের রসগোল্লা বানানোর পদ্ধতি

 🌿 গুঁড়ো দুধের রসগোল্লা বানানোর পদ্ধতি:❤️


🍁☘️ উপকরণ:

২০০ গ্রাম গুঁড়ো দুধ

১/২ কাপ লেবুর রস বা ভিনেগার

১ কাপ চিনি

৪ কাপ জল

১/২ চা চামচ এলাচ গুঁড়া


🍁☘️ প্রণালী:

🌿 1. একটি পাত্রে গুঁড়ো দুধ ও জল মিশিয়ে গরম করুন। দুধ ফুটে উঠলে তাতে লেবুর রস যোগ করুন। হালকা নেড়ে ছানা বানিয়ে ফেলুন।


🌿 2. একটি পরিষ্কার কাপড়ে ছানা ছেঁকে নিন এবং ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন যাতে লেবুর টক স্বাদ চলে যায়। কিছুক্ষণ ঝুলিয়ে রাখুন।


🌿 3. ছেঁকা ছানা গুলো একটি পাত্রে নিন এবং ভালো করে মসৃণ মণ্ড তৈরি করুন। 


🌿 4. মণ্ড থেকে ছোট ছোট গোল আকারের বল তৈরি করুন।


🌿 5. একটি পাত্রে ২ কাপ জল ও ১ কাপ চিনি গরম করুন। এলাচ গুঁড়ো ছড়িয়ে মিশিয়ে দিন। চিনির সিরা তৈরি হলে এতে গোল্লা গুলি ফেলে দিন।


🌿 6. মাঝারি আঁচে গোল্লাগুলিকে ১৫-২০ মিনিট সিদ্ধ হতে দিন। তারা সাইজে বড় হবে।


🌿 7. রসগোল্লাগুলি ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২০-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২০-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতেও ডি-এইট সহযোগিতা এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ - কায়রোতে ডি-এইট শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে বললেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।


গাজায় ইসরাইলি বর্বরতা বন্ধে সম্মিলিত পদক্ষেপের আহ্বান জানালেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি – সংবাদ সম্মেলনে বললেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের পতন হওয়ায় দ্য ইকোনমিস্টের বর্ষসেরা দেশের স্বীকৃতি পেলো বাংলাদেশ।


এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও তার পরিবারের সদস্যদের ১২৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ  করার নির্দেশ আদালতের।


চালকদের অসচেতনতায় নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না শব্দদূষণ – চলতি মাসেই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা আইনে রূপান্তর।


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা সংলাপে বসতে প্রস্তুত রাশিয়া - বললেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা সংলাপে বসতে প্রস্তুত রাশিয়া - বললেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।


কিংসটাউনে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এখন ব্যাট করছে বাংলাদেশ।

গল্পে গল্পে ইলেকট্রিক্যাল টাইমার নিয়ে আড্ডা:-

 গল্পে গল্পে ইলেকট্রিক্যাল টাইমার নিয়ে আড্ডা:-


টাইমার এর নাম আমরা সবাই শুনেছি এবং এটি নিয়ে কাজ করার সৌভাগ্যও অনেকের হয়েছে। তবে একটু ভিন্ন ফ্লেভারে আজ জেনে নিব টাইমার মহাশয়ের গল্প।


নাম শুনেই আন্দাজ করা যাচ্ছে এই ডিভাইসটির সাথে সময়ের খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তার আগে আপনাদের একটা ছোট গল্প শুনাব। কামাল বাবু খুব অলস প্রকৃতির মানুষ। যখন সন্ধ্যা হয় অন্ধকারেই শুয়ে থাকবেন কিন্তু কষ্ট করে লাইটের সুইচটা দিবেন না।


আবার যখন সকাল হবে কষ্ট করে লাইটের সুইচটা অফ করতে পর্যন্ত জড়তা অনুভব করেন। কি আলসে লোকরে বাবা!!!! কাকাবাবুর ছেলে আবার ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। সে অটোমেশন সিস্টেমের সাহায্যে একটি নির্দিষ্ট সময়ে লাইট অন এবং অফ হওয়ার বন্দোবস্ত করে দিল। এ কাজে সে ব্যবহার করল টাইমার।


টাইমার হলো একধরনের টাইম সুইচিং ডিভাইস যা বৈদ্যুতিক সার্কিট, ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসকে টাইম সেটিং এর মাধ্যমে (অন/অফ) নিয়ন্ত্রন করে থাকে। যেমনটি কামাল কাকার ছেলে করেছিল। সে টাইমার দিয়ে বাতিটির বৈদ্যুতিক সার্কিটকে রিলের সাহায্যে একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নিয়ন্ত্রণ করেছিল।


এটি কয় পিনের হয়?


টাইমার বিভিন্ন পিনের হয়ে থাকে যেমন ৫ পিন, ৮ পিন, ১১ পিন এবং ১৪ পিন ইত্যাদি। এটা বিভিন্ন ভোল্টেজেরও হয়ে থাকে যেমন AC/DC 12V, AC/DC 24V, AC/DC 48V, AC/DC 110V এবং AC 220V ইত্যাদি। কয়েল ভোল্টেজের জন্যে অন্য পিন গুলি থাকবে NO এবং NC হিসাবে।


এখানে NO= Normally Open, NC= Normally Closed বুঝানো হয়েছে।


অর্থাৎ মূল সংজ্ঞা ভূলে গেলেও গল্পটি মনে থাকলেও আপনি সহজেই বিষয়বস্তুটিকে ব্যাখা করতে সক্ষম হবেন। আমার ই-বুক এর আসল ট্রিক্স কিন্তু এটাই।


অনেক সদ্য পাস করা ডিপ্লোমা/বিএসসি নবীন ভাইয়েরা চিন্তিত থাকেন ভাইবা নিয়ে। ব্যাসিক ত ভূলে গেছি! আবার অনেক সিনিয়র ভাই প্রফেশনাল কাজে মনে হয়, "ইশ! যদি আবার থিওরিটা জাবর কাটা যেত?!''


আপনাদের জন্য আমার ১০টি স্পেশাল ই-বুকঃ


ই-বুক ১ঃ ইলেকট্রিক্যাল যখন এ বি সি এর মত সহজ


ই-বুক ২ঃ সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্ত


ই-বুক ৩ঃ ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা


ই-বুক ৪ঃ পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডা


ই-বুক ৫ঃ চা এর আড্ডায় পি এল সি


ই-বুক ৬ঃ ট্রান্সফরমার মহাশয়ের খুটিনাটি


ই-বুক ৭ঃ DC circuit নিয়ে মজার বই


ই-বুক ৮ঃ ইলেকট্রনিক্স এত মধুর কেন?


ই-বুক ৯ঃ Mr Generator এর খুটিনাটি


ই-বুক ১০ঃ Telecommunication এর ম্যাজিক 


শুভেচ্ছামূল্যের বিনিময়ে ১০টি ইবুক পেতে ইনবক্সে নক দিয়ে ইমেইল আইডি শেয়ার করুন অথবা What's app +8801741994646

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

সুজির লুচি রেসিপি বানিয়ে নিন সহজ পদ্ধতি

 সুজির লুচি রেসিপি বানিয়ে নিন সহজ পদ্ধতিতে 👍

বাঙালি হয়ে লুচির লোভ সামলানো কিন্তু খুবই মুশকিল গতানুগতিকভাবে লুচি না বানিয়ে একটু নতুন পদ্ধতিতে সুজির লুচি বানিয়ে নিতে হলে অবশ্যই এই সুজির লুচি রেসিপিটি দেখে নিতে হবে।


সুজির লুচি  উপকরণ:

১ কাপ সুজি (১৫০ গ্রাম)

৩ কাপ জল

২ কাপ (২৫০ গ্রাম) ময়দা

১ চা চামচ আজয়াইন

২ চা চামচ তেল

১ চা চামচ ঘি

১/২ চা চামচ হিং

স্বাদমতো নুন

 ১ চা চামচ চিনি

তেল

ময়দা

তেল


সুজির লুচি রান্নার পদ্ধতি:


১. সুজির লুচি বানানোর জন্য প্রথমে নিয়ে নিতে হবে ১ কাপ সুজি (১৫০ গ্রাম)। এবার এর মধ্যে ৩ কাপ জল গরম করে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।


নোট- এখানে সুজি আর জলের পরিমাণটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১:৩ অনুপাতে এই সুজি এবং জল মিশিয়ে নিতে হবে।


২. সুজি টা খুব সুন্দর করে মেশানো হয়ে গেলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঢেকে রেখে দিতে হবে।


৩. এবার একটি পাত্রে ওই একই কাপের ১.৫ কাপ ময়দা নিয়ে নিতে হবে। এবার এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ১ চা চামচ আজয়াইন (এটি দেওয়ার সময় হাতে একটু ঘষে দেবেন তাহলে এর গন্ধটা সুন্দরভাবে বের হয়)।


নোট যাদের গ্যাস অম্বলের সমস্যা থাকে তাদের এইভাবে লুচি রান্না করে খেলে অতটা সমস্যা হয় না।


৪. এবার একটি ছোট প্যান এ ২ চা চামচ সাদা তেল, ১ চা চামচ ঘি, 1/২ চামচ হিং নিয়ে ভালো করে গরম করে নিতে হবে। হিং থেকে সুন্দর গন্ধ বেরোনো শুরু হলে এই মিশ্রণ ময়দার মধ্যে দিয়ে নিতে হবে।


নোট- এইভাবে ময়দা মায়ান দিলে লুচি অনেকক্ষণ খাস্তা থাকে।


৫. এরপর ময়দার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে সামান্য নুন এবং ১ চা চামচ চিনি। যেহেতু তেলটা গরম ছিল তাই প্রথমে একটি চামচ দিয়ে ময়দার সাথে এটা ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে, এর পরে হাত দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। (মেশানোর সময় চেষ্টা করবেন যাতে কোনরকম ডেলা না থাকে, যদি দেখেন ময়দা গুলো হাতে চাপলে হালকা হালকা লেগে যাচ্ছে তখন বুঝতে হবে ঠিকমত ময়ান দেওয়া হয়ে গেছে)।


৬. এবার যে সুজিত ভেজানো ছিলো সেটা ময়দার মধ্যে দিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এই সময় হাতে সুজি লেগে যাবে সে ক্ষেত্রে আরো ১ কাপ ময়দা দিয়ে মেখে নিতে হবে। ময়দা নরম করে মাখা হয়ে গেলে এর ওপরে আরো সামান্য একটু তেল দিয়ে ভালো করে ঠেসে মেখে এটাকে ঢেকে রাখতে হবে প্রায় ৫ থেকে ৭ মিনিট।


নোট- আপনারা ময়দার ওপরে সামান্য তেল দিয়েও রাখতে পারেন।


৭. ময়দা দু'ভাগ করে ছোট ছোট করে লেচি কেটে নিতে হবে এবং বেলার সুবিধার জন্য একটু গোল করে নিতে হবে। এবার খুব সামান্য ময়দা ছড়িয়ে ছোট ছোট করে রেখা লেচি গুলিকে বেলে নিতে হবে (আপনারা চাইলে সামান্য তেল দিও ব্যবহার করতে পারেন) বেলার সময় খেয়াল রাখবেন এটা যেন খুব পাতলা না হয় আবার খুব মোটাও না হয়।


৮. এবার একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে নিয়ে গরম করে নিতে হবে (তেল যেন খুব বেশি গরম না হয় মাঝারি থেকে একটু বেশি গরম হলেই হবে)। এবার এর মধ্যে একে একে লুচি গুলি দিয়ে ভেজে নিতে হবে।


৯. প্রথমে লুচি গুলো দেয়ার পর ৩ থেকে ৪ সেকেন্ড অপেক্ষা করে একটি জালি দিয়ে হালকা হালকা করে সবদিক টা চাপলে দেখবেন লুচি গুলো বলের মত ফুলে উঠবে। এক দিকটা ভাজা হয়ে গেলে উল্টে অপরদিকটাও ভেজে নিতে হবে।


১০. ভাজা হয়ে গেলে এটাকে একটি জালির সাহায্যে তুলে একটা পেপার টাওয়াল এর ওপরে রেখে দিতে হবে তাতে অতিরিক্ত তেলটা পেপারে টেনে নেবে। এখানে লুচি বেলার ৩০ সেকেন্ড পরে আপনারা লুচিগুলো ভেজে নেবেন সেক্ষেত্রে লুচি গুলো খুব ভালোভাবে ফুলবে।


গরম গরম এই ফুলকো সুজির লুচি  পরিবেশন করুন ছোলার ডাল বা আলুর দমের সাথে।

অনেক বছর আগের ঘটনা, একবার এক চাষী তার বাড়ির উঠোনে বসে বিশ্রাম করছিলেন। এমন সময় তার একমাত্র ছেলে ছুটে আসে এবং বাবাকে খবর দেয়, যে রাস্তার ধারের পুকুরে একটি ছেলে ডুবে যাচ্ছে।

 অনেক বছর আগের ঘটনা, একবার এক চাষী তার বাড়ির উঠোনে বসে বিশ্রাম করছিলেন। এমন সময় তার একমাত্র ছেলে ছুটে আসে এবং বাবাকে খবর দেয়, যে রাস্তার ধারের পুকুরে একটি ছেলে ডুবে যাচ্ছে। শুনে চাষী তৎক্ষণাৎ পুকুরের কাছে পৌঁছায়। গিয়ে দেখে তার ছেলের বয়সী একটি ছেলে জলে হাবুডুবু খাচ্ছে। 


পোশাক পরিচ্ছদ দেখে কোন শহরের ধনীর দুলাল বলে মনে হচ্ছে। সাথে বেশ কিছু বন্ধু বান্ধব থাকলেও তারা সাঁতার না জানায় পারে দাঁড়িয়ে বন্ধুর সাহায্যের জন্য চিৎকার করছে। চাষী আর একমুহূর্ত সময় নষ্ট না কোরে জলে ঝাপিয়ে পরে এবং ছেলেটিকে উদ্ধার করেন।


এই ঘটনার দিন দুয়েক পর হঠাৎ একদিন গ্রামের পথে ধুলো উড়িয়ে এক ঘোড়ায় টানা সুসজ্জিত গাড়ি, আগে পিছু অস্ত্রধারী অশ্বারোহী নিয়ে চাষীর বাড়ির সামনে এসে থামলো।


চাষী কিছুটা ভয় পেয়েছিল বৈকি। এরপর গাড়ি থেকে যে ব্যক্তি নেমে এলেন তার ব্যক্তিত্ব তার ঐশ্বর্যের পরিচয় বহন করে কিন্তু তার মুখের স্মিত হাসি চাষীকে কিছুটা আস্বস্ত করেন। 


তিনি স্মিত হেসে বলেনঃ--- "আপনি সেই মহানুভব যিনি আমার একমাত্র ছেলের জীবন বাঁচিয়ে ছিলেন?" 


কৃষক মৃদু হেসে বললেনঃ--- "আজ্ঞে হ্যা।" 


সেই ব্যক্তি এরপর গরিব চাষীর হাত ধরে অশ্রু সজল চোখে বলেনঃ--- "আপনার ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না। তবু বলুন আমি আপনার জন্য কি করতে পারি?" 


চাষী প্রথমে কিছু নিতে রাজি হয় না, শেষ মেষ অনেক অনুরোধের পর বলেনঃ--- "দেখুন আমার সেই ক্ষমতা নেই যে আমার ছেলেকে ভালো স্কুলে পড়াই। তাই যদি আপনি ওর একটা ভালো স্কুলে পড়ার ব্যবস্থা করেদেন তাহলেই আমি চির কৃতজ্ঞ থাকবো আপনার কাছে।" 


এই শুনে সেই ভদ্রলোক হেসে বললেনঃ--- "ঠিক আছে এই যদি আপনার ইচ্ছা হয় তবে আজ থেকে আপনার ছেলে আমার ছেলের সাথে একসাথে পড়াশুনো করবে, এবং ওকে আমি আমার বাড়িতে রেখে পড়াবো।"


এরপর অনেক বছর কেটে গেছে। চাষীর ছেলে আর ধনী দুলালের বন্ধুত্ব সময়ের সাথে আরো গভীর হয়েছে। দুজনেই অত্যন্ত মেধাবী, যদিও দুজনের পছন্দ ছিল সম্পূর্ন আলাদা। ধনীর দুলালের আকর্ষণ রাজনীতি, আর তার বন্ধুর চিকিৎসা বিজ্ঞান। স্নাতক হবার পর একজন মন দেয় অণুজীব নিয়ে গবেষণায়, আর একজন রাজনীতিতে।


গবেষক বন্ধুর এক একটা গবেষণা পত্র যখন চিকিৎসা দুনিয়ায় আলোড়ন ফেলছে। তখন আর এক বন্ধুর নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা আকৃষ্ট করছে ইংল্যান্ডের যুব সমাজকে।


এর মধ্যেই সেই রাজনীতিবিদ বন্ধু এক গভীর অসুখে আক্রান্ত হয়। অনেক বড় বড় চিকিৎসক যখন ব্যর্থ হয় ফিরে যায়, তখন সেই গবেষক বন্ধু এগিয়ে আসে।


দিন রাত এক করে নিজের তৈরি ওষুধে চিকিৎসা করতে থাকেন নিজের বন্ধুর। এবং সম্পূর্ন সুস্থ করে তোলেন নিজের প্রাণাধিক প্রিয় বন্ধুকে। কারণ তাকে ছাড়া তো আধুনিক বিশ্বের ইতিহাস লেখাই অসম্পূর্ন থাকতো।


জানেন এই দুজন কারা? 


সেই চাষীর ছেলে হলেন বিশ্ববন্দিত বিজ্ঞানী, পেনিসিলিনের আবিস্কারক স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং।


আর তার বন্ধুটি হলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।


বন্ধুত্বের কোনো শেষ নেই। বন্ধুত্ব, এক অমূল্য সৃষ্টি। বন্ধু ছাড়া জীবন সত্যিই অসম্পূর্ণ।

মাগো ওরা বলে – আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

 মাগো ওরা বলে

– আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ


“কুমড়ো ফুলে-ফুলে,

নুয়ে প’ড়েছে লতাটা,

সজনে ডাঁটায়

ভরে গেছে গাছটা,

আর আমি

ডালের বড়ি শুকিয়ে রেখেছি।

খোকা তুই কবে আসবি ?

কবে ছুটি?”


চিঠিটা তার পকেটে ছিল

ছেঁড়া আর রক্তে ভেজা।


“মাগো, ওরা বলে

সবার কথা কেড়ে নেবে।

তোমার কোলে শুয়ে

গল্প শুনতে দেবে না।

বলো, মা, তাই কি হয়?

তাইতো আমার দেরি হচ্ছে।

তোমার জন্য

কথার ঝুড়ি নিয়ে

তবেই না বাড়ি ফিরবো।


ল‍ক্ষী মা,রাগ ক’রো না,

মাত্রতো আর ক’টা দিন।”

“পাগল ছেলে,”

মা পড়ে  আর হাসে,

“তোর ওপরে রাগ করতে পারি!”

নার০কেলের চিড়ে কোটে,

উরকি ধানের মুড়কি ভাজে,

এটা-সেটা আরও কত কী!

তার খোকা যে বাড়ি ফিরবে!

ক্লান্ত খোকা!


কুমড়ো ফুল

শুকিয়ে গেছে,

ঝ'রে পড়েছে ডাঁটা,

পুঁই লতাটা নেতানো-

“খোকা এলি?”

ঝাপসা চোখে মা তাকায়

উঠানে-উঠানে

যেখানে খোকার শব

শকুনীরা ব্যবচ্ছেদ করে।


এখন

মা’র চোখে চৈত্রের রোদ

পুড়িয়ে দেয় শকুনীদের।

তারপর

দাওয়ায় ব’সে

মা আবার ধান ভানে,

বিন্নি ধানের খই ভাজে,

খোকা তার

কখন আসে!  কখন আসে!


এখন

মার চোখে শিশির-ভোর

স্নেহের রোদে ভিটে ভ’রেছে।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...