এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫

আমাদের ‘খিচুড়ি’ ইতিহাস। 

 আমাদের ‘খিচুড়ি’ ইতিহাস। 


খিচড়ি, ভাত এবং ডালের মিশ্রণে আমাদের সহজ পাচক এবং প্রিয় খাবার। আমাদের প্রাচীন ভারতে এর সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। যার উল্লেখ মহাভারত এবং বৈদিক সাহিত্যে গুলিতে উল্লেখ রয়েছে এবং মনে করা হয় এটি বহু শতাব্দী ধরে আমাদের একটি প্রধান খাদ্য হিসেবে বিবেচিত ছিল। যার বিভিন্ন আঞ্চলিক বৈচিত্র্যে মধ্যে দিয়ে বিকশিত হয়েছে। এটি মূলত ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান সহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে অন্যতম একটি জনপ্রিয় খাবার। প্রধানত চাল এবং ডাল দিয়ে সাধারণ খিচুড়ি ভাত রান্না করা হয়। তাছাড়া বজরা, মুগডাল এবং  সাবুদানা সহ অন্যান্য ডালের ব্যবহারও লক্ষ্য করা যায় এতে। আমাদের ভারতে অঞ্চলভেদে খিচুড়ির বিভিন্ন আঞ্চলিকরূপ পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। 


"খিচড়ি" শব্দটি সংস্কৃত শব্দ "খিচ্চা" থেকে এসেছে, যার অর্থ ভাত এবং ডাল জাতীয় খাবার। মহাকাব্য মহাভারতে এই খাবারটির উল্লেখ পাওয়া যায়, এমনকি বৈদিক সাহিত্যেও, দুধ, দই এবং তিলের মতো বিভিন্ন উপাদানের সাথে ভাত মিশিয়ে ‘কৃষার্ণ’ তৈরি করা হত। প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ থেকে জানা যায়, ১২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দেও ভাত এবং ডাল একসাথে খাওয়া হত। অঞ্চলভেদে শব্দটির তৃতীয় ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ ও ব্যবহারে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। 


বাঙালি পরিমণ্ডলে খিচুড়ি উচ্চারণ করা হলেও কোথাও কোথাও ‘খিচুরি’ বলতে শোনা যায়। হিন্দীভাষীরা ‘ড়’ এবং উর্দুভাষীরা ‘র’ ব্যবহার করে থাকেন খিচুড়ি উচ্চারণে। ১২০০-১৮০০ সালের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে বাংলায় খিচুড়ির আবির্ভাব। হালে ডালকে গরিবের আমিষ বলা হলেও প্রথমদিকে ডাল ছিল উচ্চশ্রেণীর খাদ্য। “খিচুড়ির চার ইয়ার – ঘি-পাঁপড়-দহি -আচার” কথাটি চালু থাকলেও বাঙালি মানেই খিচুড়ি পাঁপড়। তবে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে রন্ধনপটীয়সীরা বলেছেন “দই দিয়ে খিচুড়ি খাইতে মন্দ লাগে না”। ঠিক তাই আমারও তাই মনে হয়। মনসামঙ্গল কাব্যে স্বয়ং শিব যে খাবারটি খাবার আবদার পার্বতীর কাছে জানিয়েছিলেন, তা হল খিচুড়ি।


পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দিরে প্রসাদ হিসেবে ভক্তদের যে খিচুড়ি বিতরণ করা হয়, তা লোকমুখে সংক্ষেপে “জগা- খিচুড়ি” নামে পরিচিত। যা কথ্যভাষায় আবার তালগোল পাকানোর প্রতিশব্দ। কাশ্মীরি পণ্ডিতেরা যক্ষদেবতা কুবেরকে খিচুড়ি ভোগ উৎসর্গ করেন, যার নাম “খেতসিমাভাস”। তামিলনাড়ুতে খিচুড়িকে “পোঙ্গল” বলে। রাজস্থানে যে হাল্কা খিচুড়ি রান্না হয় , তাকে “তেহরি” বলে। মহারাষ্ট্রে খিচুড়ির সাথে মেশানো হয় সরষে দানা। মহামুনি চরক বলেছেন খিচুড়ি, পোলাও এর থেকে কিছু কম গুণাগুণ যুক্ত নয়। তাই আজও খিচুড়ির একটা আলাদাভাবে “নান- ক্যান- বিট” ব্যাপার আছে বইকি!! আর জিহ্বার জল আনার জন্য অনায়াসে দায়ী করা যায় আমাদের খিচুড়িকে।


রন্ধনসম্পর্কীয় উদ্ভাবনের জন্য পরিচিত মুঘলরা খিচুড়িকে নতুন রূপ এবং স্বাদ দিয়েছে। মুঘল সম্রাট আকবর, এক যুদ্ধ জয়ের পর এই খিচুড়ি যুবরাজ সেলিমকে পরিবেশন করেছিলেন বলে জানা যায় এবং তিনি একে "লাজিজান" (সুস্বাদু) নাম দিয়েছিলেন। খিচড়ি বহুমুখী একটি খাবার যার বিভিন্ন আঞ্চলিক স্বাদ এবং উপাদানের সাথে মিশে তৈরি হয়ে থাকে।  উদাহরণস্বরূপ, গুজরাটে, খিচুড়ি এক বাটি হালকা মশলাদার কড়ি (দই-ভিত্তিক তরকারি) দিয়ে খাওয়া হয়, অন্যদিকে তামিলনাড়ুতে, ‘ভেন পোঙ্গাল’ প্রচুর পরিমাণে ঘি দিয়ে তৈরি করা হয়। হিমাচলি সংস্করণটি কিডনি বিন এবং ছোলা দিয়ে পরিপূর্ণ, এবং কর্ণাটকের বিসি বেলে হুলিয়ান্নায় রয়েছে তেঁতুল, গুড়, মৌসুমি সবজি, কারি পাতা, শুকনো নারকেল এবং কাপোকের কুঁড়িগুলির মতো সুস্বাদু সংযোজন।  খিচুড়ি কয়েকটা ভাগে বিভক্ত করা যায় যেমন নরম খিচুড়ি, ভুনা খিচুড়ি, মাংস খিচুড়ি, নিরামিষ খিচুড়ি ইত্যাদি।


বর্ষা, বাঙালি এবং খিচুড়ির মধ্যে একটি অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক আছে। বৃষ্টিদিনে আমরা বাঙালিরা খিচুড়ি খেতে খুবই পছন্দ করি। এর সঙ্গে যদি ইলিশ ভাজা কিংবা বেগুনি হয় তবে তা ভোজনরসিক বাঙালির কাছে নির্ঘাত অমৃত সমান। বাঙালির ঘরে খিচুড়ি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা হয় প্রচুর।  কখনও মাংস দিয়ে, কখনও মাছ দিয়ে বা কখনও সবজি সহযোগে। বাঙালির এই তালিকায় রয়েছে, মুগ ডালের খিচুড়ি, সবজি খিচুড়ি, মুসুর ডালের খিচুড়ি, গমের খিচুড়ি, সাবুর খিচুড়ি, মাংসের খিচুড়ি, ডিমের খিচুড়ি, মাছের খিচুড়ি, ভুনা খিচুড়ি এবং কাউনের খিচুড়ি।


সাধারণ এক থাল খিচুড়িতে প্রায় ১৭৭ ক্যালরি শক্তি, ৩২.৩ গ্রাম শর্করা, ৮.৪ গ্রাম প্রোটিন, ১.৫ গ্রাম চর্বি থাকে। এছাড়াও ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, আয়রন এবং ফাইবার বা আঁশ রয়েছে। যেহেতু খিচুড়ি তৈরিতে একেক ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হয় তাই ভিন্ন ভিন্ন উপাদানের উপস্থিতির কারণে বিভিন্ন ধরনের উপকারী ভূমিকা পালন করে। সবজি খিচুড়িতে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং বেশ কিছু খনিজ থাকে যা হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। মুগ ডালের খিচুড়ি দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখায় ওজন কমাতে পরোক্ষভাবে সাহায্য করে। কাওনের খিচুড়ি প্রোটিন, ফাইবার, ফসফরাস এবং অ্যামাইনো অ্যাসিডে পরিপূর্ণ। সাবুদানা খিচুড়িতে কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়ামসহ একাধিক খনিজ রয়েছে।


বেশ সহজপাচ্য এবং শক্তিদায়ক বলে অসুস্থ এবং দুর্বল মানুষকে খিচুড়ি খেতে দেওয়া হয়। বাচ্চাদের পেটে সহজে শক্ত খাবার হজম হয় না বলে তাদেরকে খুব নরম খিচুড়ি খেতে দেওয়া হয়। খিচড়ি অন্যান্য দেশেও খাবারের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, যেমন মিশরের কোশারি, ছোলা এবং মুচমুচে পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি ভাত এবং বাদামি মসুর ডালের খাবার। ব্রিটিশ রাজত্বকালে ব্রিটিশরা খাবারটি পরিবর্তন করে, মসুর ডালের পরিবর্তে ধোঁয়াটে মাছ এবং শক্ত-সেদ্ধ ডিম ব্যবহার করে, কেজরি তৈরি করে। 

 

আধুনিক তাৎপর্য হিসেবে খিচড়ি আমাদের ভারতে একটি জনপ্রিয় এবং আরামদায়ক খাবার হিসেবে বিবেচিত, যা প্রায়শই প্রধান খাদ্য হিসেবে অথবা মন্দিরে প্রসাদ হিসেবে পরিবেশন করা হয়।  ২০১৭ সালে, ভারত সরকার খিচুড়ির সবচেয়ে বেশি পরিবেশনের জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড স্থাপন করেছিল, যা ভারতীয় রন্ধনসম্পর্কীয় ঐতিহ্যের সারমর্মকে মূর্ত করে তুলে।


By Chef Moonu

👇

#chefmoonuskitchen  #moonuandco  #travellermoonu  #thefoodietraveller  #kolkatablogger  #kolkatafood  #chefmoonu  #kolkata  #foodlovers  #foodblogger  #CulinaryJourney #bengalifood #foodculture #WestBengal

বিনা আঘাতে শব্দ করা ঢোল - একটি জাপানি লোককথা

 বিনা আঘাতে শব্দ করা ঢোল - একটি জাপানি লোককথা


এক দেশে ছিল এক অদ্ভুত নিয়ম।


এই নিয়ম অনুযায়ী, যারা বার্ধক্যে উপনীত হয়ে কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়তেন, তাদের পাহাড়ে ফেলে আসতে হতো।


রাজা মনে করতেন, বয়স্কদের যত্ন নেওয়ার বোঝা কমালে সাধারণ মানুষের জীবন সহজ হয়ে যাবে।


এই কঠোর নিয়ম চালু থাকাকালীন এক পিতা-পুত্র খুব ভালোবাসতেন একে অপরকে।


সময় গড়িয়ে গেল। পিতার বয়স হয়ে গেল, তিনি আর কাজ করতে পারতেন না।


দেশের নিয়ম অনুযায়ী, ছেলেকে বাধ্য হয়ে তাঁকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে।


কিন্তু বাবাকে ছেড়ে থাকতে পারার কথা ছেলে ভাবতেই পারছিল না।


তবু, শাস্তির ভয়ে সে বাবাকে কাঁধে নিয়ে পাহাড়ের দিকে রওনা দিল।


পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে তার মন কেঁদে উঠল।


শেষ পর্যন্ত বাবাকে সেখানে রেখে আসতে পারল না।


সে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে এল এবং বাড়ির পিছনে লুকিয়ে রাখল।


চুপিচুপি খাবার এনে তাঁকে খাওয়াতে লাগল।


একদিন রাজা তাঁর প্রজাদের বুদ্ধি পরীক্ষা করতে চাইলেন।


তিনি ঘোষণা করলেন, "যে ছাই দিয়ে বোনা দড়ি এনে দিতে পারবে, সে পুরস্কৃত হবে!"


লোকজন অবাক হয়ে গেল। ছাই দিয়ে কি কখনও দড়ি তৈরি করা সম্ভব?


ছেলেও এই ধাঁধার কথা শুনে বাবাকে বলল।


বাবা বললেন, "একটা দড়ি নিয়ে বড় পাত্রে পেঁচিয়ে রাখো, তারপর সেটা জ্বালিয়ে দাও।"


ছেলে বাবার কথা মতো কাজ করল।


দড়ি পুড়ে গেল, কিন্তু তার ছাই ঠিক আগের মতো দড়ির আকারেই থেকে গেল।


সে সেটি রাজাকে দেখাল এবং পুরস্কার জিতল।


এক মাস পর, রাজা দ্বিতীয় পরীক্ষার আয়োজন করলেন। তিনি একটি কাঠের ডাল দিলেন এবং বললেন, "এর শিকড় আর আগার পার্থক্য খুঁজে বের করো!"


ডালের দু’প্রান্ত দেখতে একই রকম ছিল, তাই কেউই এর উত্তর খুঁজে পেল না।


ছেলে কাঠের ডালটি বাড়িতে এনে বাবাকে দেখাল। বাবা বললেন, "ডালটি পানিতে রাখো। যেটি বেশি ডুবে যাবে, সেটি গোড়া, আর যেটি ভেসে থাকবে, সেটি আগা।"


ছেলে বাবার উপদেশ মতো কাজ করল এবং রাজাকে দেখিয়ে আবারও পুরস্কার জিতল।


এরপর রাজা আরও কঠিন এক ধাঁধা দিলেন। তিনি বললেন, "একটি ঢোল তৈরি করো, যা কোনো আঘাত ছাড়াই শব্দ করবে!"


সবার মাথা ঘুরে গেল। কেউই এমন ঢোল বানানোর উপায় খুঁজে পেল না। ছেলে আবার বাবার শরণাপন্ন হল।


বাবা বললেন, "ঢোল তৈরি করো, তার ভেতরে একটি মৌমাছির চাক রাখো।"


ছেলে বাবার নির্দেশ মতো ঢোল বানিয়ে রাজাকে দিল।


রাজা ঢোলটি হাতে নিয়ে নাড়ালেই এর ভেতরের মৌমাছিরা ওড়ে, ফলে ঢোলে শব্দ হয়!


রাজা বিস্মিত হয়ে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমি কীভাবে এত কঠিন প্রশ্নের উত্তর পেলে?"


অভিজ্ঞতার মূল্য

ছেলে বলল, "রাজামশাই, আমার নিজের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আমার বৃদ্ধ বাবাই সব উত্তর দিয়েছেন।"


ছেলের কথা শুনে রাজা খুবই নরম হয়ে গেলেন। তিনি উপলব্ধি করলেন, জীবনের কঠিন সমস্যার সমাধান বের করতে অভিজ্ঞতা সবচেয়ে মূল্যবান।


রাজা সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করলেন, "আজ থেকে আর কোনো বৃদ্ধকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে না!" এরপর থেকে সকল বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা পরিবারের সঙ্গেই আনন্দে থাকতে লাগলেন।


মূল্যবান শিক্ষা

বিনা আঘাতে শব্দ করা ঢোলের কাহিনি আমাদের শেখায়, অভিজ্ঞতা অমূল্য। বয়স্করা আমাদের জীবনের আশীর্বাদ। তাদের যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্বই নয়, বরং এটা আমাদের সৌভাগ্য।


একজন মা গর্ভ থেকে জন্ম দেন, আর বাবা নিজের কাঁধে তুলে মানুষ করেন। তারা জীবন্ত ঈশ্বর! 🙏🏻🙏🏻

ভালো লাগলে  পেজটিকে ফলো করতে ভুলবেন না !

 #niosnews #motivationalstories #InspirationalStory #motivationalsotry #motivationalwords #motivationalpost #inspiration #inspirationalquotes #motivation #inspirational #motivationalquotes #motivationalstory

বড় হয়ে যাওয়া যোনি টাইট করুন সহজ ঘরোয়া উপায়ে! লজ্জা নয় জানতে হবে!

 ✅ বড় হয়ে যাওয়া যোনি টাইট করুন সহজ ঘরোয়া উপায়ে! লজ্জা নয় জানতে হবে!

অনেকেই এই পোস্টটিকে হয়ত খারাপ দৃষ্টিতে দেখবেন কিন্তু তা করা ঠিক হবে না কারণ এটি শিক্ষামূলক পোস্ট এবং আপনাদের অনেকের উপকারের কথা চিন্তা করেই আজকে এই পোস্টটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হল।


সহবাসের সময় যদি নারী পুরুষ উভয়ই আনন্দ না পান তাহলে সহবাস করার সকল মজাই বিফলে চলে যেতে পারে। নারীর কাছে যেমন পুরুষের শক্ত লম্বা এবং মোটা যৌনাঙ্গ সমাদৃত তেমনি পুরুষও চায় মাঝারি স্তনের টাইট যোনির মেয়ের সাথে সহবাস করতে। কিন্তু বাচ্চা জন্মের পর অনেক মেয়েরই যোনিপথ বড় হয়ে যেতে পারে যা অনেক সময় সম্পর্ক বিচ্ছেদের কারন হয়ে দাড়ায়। 


কারন মেয়েরা যখন গর্ভবতী হয় সেসময় প্রায় অনেক দিন পুরুষ সহবাস করতে পারে না। যে কারনে সে অপেক্ষা করতে থাকে বাচ্চা হওয়া পর্যন্ত আর তারপর যদি স্ত্রীর যোনিপথ বড় বা ঢিলা হয়ে যায় তাহলে সে পুরুষ মজা পায় না। আমাদের দেশে অনেক মেয়েই এই সমস্যায় ভুগছেন কিন্তু লোক লজ্জার কারনে মুখ ফুটে বলতে পারছেন না আবার এই সমস্যায় পড়ে স্বামী সংসার হারানোর উপক্রম হয়েছেন।


✅ কীভাবে ঘরে বসেই টাইট করবেন নিজের যোনিপথঃ

আমলকীর সিরাপঃ আমাদের দেশের খুবই পরিচিত একটি ফল আমলকী। দামে কম সহজলভ্য এই ফলটি যোনিপথ টাইট করার জন্য বাইরের দেশগুলোতে মেয়েদের যোনিপথে ব্যাপক পরিমানে ব্যবহার করা হয়। আমলকী ফল কিনে এনে অথবা সংগ্রহ করে পানিতে সিদ্ধ করুন। 


যখন আমলকী পানিতে গলে পানিটি পুরু হয়ে আসবে তখন মিশ্রণটি বোতলে সংগ্রহ করুন। এরপর যখনই মেয়েরা গোসল করতে যাবেন সিরাপটি যোনিপথের ভেতরে এবং বাইরে ম্যাসেজ করুন। প্রায় এক মাস এই নিয়ম অনুসরন করলে যোনিপথ টাইট হয়ে আসবে।


কেগেল ব্যায়ামঃ এই ব্যায়াম অনুসরন করে অনেক মেয়েই জীবনে সুখ ফিরে পেয়েছে। বলা হয়ে থাকে যে বাচ্চা হওয়ার পর নিয়মিত এই ব্যায়াম করলে যোনিপথ ঠিক কুমারী মেয়ের মত টাইট হয়ে যায়। এই ব্যায়ামটিতে কুঁচকির মাংসপেশি বারবার সংকোচিত এবং প্রসারিত করা হয়। 


কুঁচকি ১০ সেকেন্ডের জন্য সংকোচিত করে ছেড়ে দিতে হয় আবার ১০ সেকেন্ডের জন্য সংকোচিত করতে হয় এভাবে প্রায় ১৫ বার পদ্ধতিটি রিপিট করুন। দিনে বিরতি দিয়ে দিয়ে ১০০-২০০ বার কেগেল ব্যায়াম করতে পারেন। প্রসাব করার সময়ও এই ব্যায়ামটি করতে পারেন। প্রসাব করার সময় পেশি সংকোচিত করে ৫ সেকেন্ডের জন্য প্রসাব আটকে রাখুন তারপর ছেড়ে দিন।


সুস্থ খাদ্যাভ্যাসঃ কেগেল ব্যায়ামের সাথে সাথে খাবারে বেশি পরিমানে ফল এবং শাক-সবজি থাকাটাও খুবই জরুরী। এর ফলে ঢিলে হয়ে যাওয়া যোনিপথ খুব তারাতারি পুরনো রুপ ফিরে পায়।

শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫

বোরো  ধানের জমিতে সার প্রয়োগ

 #বোরো  #ধানের জমিতে সার প্রয়োগ

========================

সাধারণভাবে ১৫০ দিনের নিচে স্বল্প মেয়াদি জাত যেমন- ব্রি ধান২৮, ব্রি ধান৪৫, ব্রি ধান৭৪, ব্রি ধান৮১, ব্রি ধান ৮৪, ব্রি ধান৮৬, ব্রি ধান৮৮ ব্রি হাইব্রিড ধান৩, ব্রি হাইব্রিড ধান৫ বা বিনা ধান-১০ এবং বিনা ধান-১৮ এর ক্ষেত্রে------


🌾🌾 বিঘাপ্রতি অর্থাৎ প্রতি ৩৩ শতকে সারের মাত্রা ইউরিয়া ৩৫ কেজি, টিএসপি বা ডিএপি ১২ কেজি, এমওপি ২০ কেজি, জিপসাম বা গন্ধক ১৫ কেজি, দস্তা (মনোহাইড্রেট) ১.৫ কেজি।🌾🌾


 🌾 ১৫০ দিনের বেশি দীর্ঘমেয়াদি জাত যেমন- ব্রি ধান২৯, ব্রি ধান৫০, ব্রি ধান৫৮ বা ব্রি ধান৬৯, ব্রি ধান৮৯ এর ক্ষেত্রে---------


🌾🌾 বিঘাপ্রতি অর্থাৎ প্রতি ৩৩ শতকে সারের মাত্রা ইউরিয়া ৪০ কেজি, টিএসপি বা ডিএপি ১৩ কেজি, এমওপি ২২ কেজি, জিপসাম ১৫ কেজি, দস্তা ১.৫ কেজি। হাওর অঞ্চলের জাতের ক্ষেত্রে প্রতি ৩৩ শতকে সারের মাত্রা ইউরিয়া ২৭ কেজি, টিএসপি বা ডিএপি ১২ কেজি, এমওপি ২২ কেজি, জিপসাম ৮ কেজি, দস্তা ১.৫ কেজি।🌾🌾


 🌾 তবে টিএসপির বদলে ডিএপি সার ব্যবহার করলে বিঘাপ্রতি ৫ কেজি ইউরিয়া সার কম প্রয়োগ করতে হবে।


🌾 টিএসপি বা ডিএপি, এমওপি, জিপসাম ও দস্তা সারের পুরোটাই শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে দস্তা ও টিএসপি একসাথে না মিশিয়ে পৃথকভাবে প্রয়োগ করতে হবে।


🌾 ইউরিয়া সারকে সমান তিন ভাগে ভাগ করে প্রয়োগ করতে হবে।


 🌾 স্বল্পমেয়াদি জাতের ক্ষেত্রে ১ম কিস্তি চারা রোপণের ১৫-২০ দিন পর, ২য় কিস্তি চারা রোপণের ৩০-৩৫ দিন পর এবং শেষ কিস্তি কাইচথোড় আসার ৫-৭ দিন আগে।


🌾 দীর্ঘমেয়াদি জাতের ক্ষেত্রে ১ম কিস্তি শেষ চাষের সময়, ২য় কিস্তি চারা রোপণের ২০-২৫ দিন পর অর্থাৎ গোছায় কুশি দেখা দিলে এবং শেষ কিস্তি কাইচথোড় আসার ৫-৭ দিন আগে।


🌾 জমিতে পর্যাপ্ত জৈব সার ব্যবহার করতে হবে। জৈব সারের সাথে রাসায়নিক সার সমন্বয় করে ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় ও ভালো ফলন হয়। 


🌾  জমিতে বছরে একবার হলেও বিঘাপ্রতি ৭০০ থেকে ৮০০ কেজি জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে।


🌾 আমন মৌসুমে যে জমিতে জৈব সার ব্যবহার করা হবে সে জমিতে বোরো মৌসুমে ইউরিয়া সার নির্ধারিত মাত্রার তিন ভাগের এক ভাগ কম ব্যবহার করতে হবে।


 🌾 টিএসটি ও এমওপি সার অর্ধেক মাত্রায় ব্যবহার করলেও আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাবে। এছাড়া ধান কাটার সময় গাছের গোড়া থেকে ১০-১২ ইঞ্চি ওপরে কেটে নাড়া মাটিতে মিশিয়ে দিলে পটাশ সারের পরিমাণ তিন ভাগের এক ভাগ কম লাগে।


🌾 দস্তা বা জিঙ্ক সালফেট সার ফসলচক্রের কোন একটিতে ব্যবহার করলে তা পরবর্তী দুই ফসলের জন্য ব্যবহার না করলেও চলবে। 


🌾 বেলে মাটিতে চার কিস্তিতে ইউরিয়া সার ব্যবহার করাই ভালো। জমিতে ছিপছিপে পানি থাকা অবস্থায় ইউরিয়া সার সমভাবে ছিটানোর পর হাতড়িয়ে বা নিড়ানি দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে পারলে ভালো ফলন আশা করা যায়।


 🌾 ইউরিয়া সারের অপচয়রোধে এবং ইউরিয়া সারের কার্যকারিতা বাড়াতে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে। এজন্য এক মৌসুমে প্রতি চারটি গোছার জন্য ২.৭ গ্রাম ওজনের একটি মেগাগুটি প্রয়োগ করলেই যথেষ্ঠ। 


🌾 যদি কোনো কারণে গন্ধক বা দস্তা ব্যবহার করা না হয় তাহলে গাছের গন্ধক বা দস্তার অভাবজনিত লক্ষণ বুঝে সার দিতে হবে।

পারফেক্ট মিষ্টি দই রেসিপি

 পারফেক্ট মিষ্টি দই রেসিপি


মিষ্টি দই তৈরি করা খুব সহজ, তবে নিখুঁত টেক্সচার ও স্বাদ পাওয়ার জন্য কিছু কৌশল মেনে চলতে হয়। 


উপকরণ:


দুধ – ১ লিটার (ফুল ফ্যাট দুধ হলে ভালো হয়)


চিনি – ১৫০-২০০ গ্রাম (স্বাদ অনুযায়ী)


টক দই – ২ টেবিল চামচ (অথবা আগের বানানো মিষ্টি দই)


এলাচ – ২টি (ঐচ্ছিক)


জল/গুঁড়া দুধ – ২ টেবিল চামচ (দইয়ের ঘনত্ব বাড়াতে চাইলে)


প্রস্তুত প্রণালী:


1. দুধ জ্বাল দেওয়া:


দুধ একটি পাত্রে মাঝারি আঁচে বসান।


দুধ ফুটে উঠলে আঁচ কমিয়ে দিয়ে নাড়তে থাকুন, যেন দুধ তলায় না লাগে।


১০-১৫ মিনিট ধরে জ্বাল দিন, যতক্ষণ না দুধ কিছুটা ঘন হয়ে আসে।


2. চিনি ক্যারামেল করা (পারফেক্ট স্বাদের জন্য):


আলাদা একটি পাত্রে ৫০ গ্রাম চিনি দিন এবং কম আঁচে ক্যারামেল করুন।


চিনি গলে গেলে তাতে দুধ ঢেলে দিন এবং ভালোভাবে মিশিয়ে দিন।


বাকি চিনি যোগ করে নাড়তে থাকুন, যতক্ষণ না সব মিশে যায়।


3. দুধ ঠান্ডা করা:


দুধ ঘন হয়ে গেলে সেটিকে ৪০-৪৫°C পর্যন্ত ঠান্ডা হতে দিন (হালকা গরম অনুভূত হবে, বেশি গরম হলে দই ভালো জমবে না)।


4. দই বসানো:


ঠান্ডা হওয়া দুধে টক দই বা আগের বানানো দই মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়িয়ে নিন।


মিশ্রণটি একটি মাটির হাঁড়ি বা গ্লাসের বাটিতে ঢেলে দিন।


ঢাকনা দিয়ে ঢেকে গরম জায়গায় ৬-৮ ঘণ্টা (শীতকালে ১০-১২ ঘণ্টা) রেখে দিন।


5. ফ্রিজে রাখা ও পরিবেশন:


দই ভালোভাবে জমে গেলে ফ্রিজে রেখে দিন ২-৩ ঘণ্টা।


ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন!


পরামর্শ:


✔ দই যেন ভালোভাবে জমে, তার জন্য মাটির হাঁড়িতে সেট করলে সবচেয়ে ভালো হয়।

✔ শীতকালে দই দ্রুত বসাতে চুলার পাশে বা ওভেনের ভেতর রাখলে ভালো ফল পাবেন।

✔ ক্যারামেলাইজড চিনির কারণে দইয়ের রং সুন্দর হয় ও স্বাদ বাড়ে।


এইভাবে তৈরি করলে দই একদম বাজারের মতো পারফেক্ট হবে! চেষ্টা করে দেখুন, আর কেমন হলো জানাবেন!

Cp

১ কেজি চাল দিয়ে মুরগির কাচ্চি বিরিয়ানি রেসিপি (৬-৭ জনের জন্য)

 ১ কেজি চাল দিয়ে মুরগির কাচ্চি বিরিয়ানি রেসিপি (৬-৭ জনের জন্য)


এটি কাচ্চি বিরিয়ানির স্টাইলে মুরগি দিয়ে তৈরি হবে, যেখানে মাংস মেরিনেট করে সরাসরি দমে রান্না করা হবে।


---


উপকরণ:


চাল ও মাংস:


বাসমতি/কালোজিরা চাল – ১ কেজি


মুরগি (বড় টুকরা) – ১.৫ কেজি


পেঁয়াজ কুচি – ৩০০ গ্রাম (ভাজা পেঁয়াজ)


টক দই – ২৫০ গ্রাম


আদা বাটা – ৫০ গ্রাম


রসুন বাটা – ৫০ গ্রাম


কাঁচা মরিচ – ৮-১০ টি


লবণ – পরিমাণমতো


মসলা ও অন্যান্য:


হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ


ধনে গুঁড়া – ১ চা চামচ


জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ


গরম মসলা গুঁড়া – ১ চা চামচ


শুকনা মরিচ গুঁড়া – ১ চা চামচ


তেজপাতা – ২ টি


দারচিনি – ২ টুকরা


লবঙ্গ – ৫-৬ টি


এলাচ – ৫-৬ টি


জয়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া – ½ চা চামচ


কেওড়া জল – ২ টেবিল চামচ


গোলাপ জল – ১ টেবিল চামচ


দুধ – ১ কাপ


ঘি – ১০০ গ্রাম


সয়াবিন তেল – ২০০ মি.লি.


ভাত সিদ্ধের জন্য:


পানি – পরিমাণমতো


লবণ – ২ টেবিল চামচ


তেজপাতা – ১ টি


দারচিনি – ১ টুকরা


---


প্রস্তুত প্রণালী:


Step 1: মাংস মেরিনেশন


১. একটি বড় পাত্রে মুরগির মাংস নিয়ে তাতে টক দই, আদা-রসুন বাটা, ধনে-জিরা গুঁড়া, শুকনা মরিচ গুঁড়া, গরম মসলা, লবণ, হলুদ, কেওড়া জল, গোলাপ জল ও সামান্য তেল দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন।

২. এতে ৫০ গ্রাম ঘি, দুধ ও ভাজা পেঁয়াজ (আধা পরিমাণ) মিশিয়ে নিন।

৩. ১-২ ঘণ্টা ঢেকে রেখে মেরিনেট করুন।


Step 2: চাল রান্না করা


১. ফুটন্ত পানিতে লবণ, তেজপাতা, দারচিনি দিয়ে চাল ৭০% সিদ্ধ করে নিন।

২. চাল ছেঁকে পানি ঝরিয়ে আলাদা করে রাখুন।


Step 3: দমে দেওয়া


১. হাঁড়ির তলায় সামান্য ঘি ও কিছু ভাজা পেঁয়াজ দিন।

২. মেরিনেট করা মুরগি নিচে বিছিয়ে দিন।

৩. এর ওপর আধা সেদ্ধ করা চাল বিছিয়ে দিন।

৪. চালের ওপরে ঘি, কাঁচা মরিচ, কেওড়া জল, গোলাপ জল, বাকি ভাজা পেঁয়াজ ছিটিয়ে দিন।

৫. ঢাকনা বন্ধ করে চারপাশে আটকে দিন (আটা দিয়ে সিল করলে ভালো হয়)।

৬. প্রথমে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে এবং পরে ৩০-৩৫ মিনিট একদম কম আঁচে দমে রাখুন।


বি: দ্র: রেসিপি পছন্দ না হলে নিজের মত করে করবেন


একজন পুরুষ কেমন স্ত্রী অপছন্দ করে?

 ◑ একজন পুরুষ কেমন স্ত্রী অপছন্দ করে?


• অভিযোগকারিণী নারী : যে নারী সমস্যা ও জটিলতা সৃষ্টি করতেই থাকে। যখন স্বামী ঘর থেকে বেরোয়, তখন সে রাগ করে; যখন স্বামী ঘরে ফিরে আসে, তখনও রাগ করে। একটা দিনও তার কারণে ঝগড়া ছাড়া যায় না।


• প্রশ্নকারী নারী : যে নারী সব সময় তার স্বামীর পেছনে লেগে থাকে প্রশ্ন নিয়ে—কী চিন্তা করছেন? কী কাজে ব্যস্ত? আপনি বদলে যাচ্ছেন? কখন আমরা ঘুরতে যাব? এমন নারী সব সময় কিছু না কিছু বলতে থাকবেই আর স্বামীর স্নায়ুতে আঘাত করে করে স্বামীর ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে থাকবে। যদিও স্বামী ক্লান্তও হয়ে পড়ে তার কথা শুনতে শুনতে, অথবা কাজে ব্যস্তও থাকে, তবুও সে তার কথা থামাবে না।


• হঠকারী নারী : যে নারী সব সময় তার স্বামীর সামনে হঠকারিতা করতে থাকে। কখনো স্বামীর কথা শুনে না। স্বামীর কোনো কথা-আদেশের অনুসরণ করে না; বরং তার উলটোটা করে। সে তার অভিমতের ওপরই সব সময় দৃঢ় থাকে। খুব কমই তার স্বামীর কথায় তার মন ভেজে।


• উদাসীন নারী : যে নারী নিজের খেয়াল রাখে না, নিজের কাপড়-চোপড়ের খেয়াল রাখে না, বাড়ির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার খেয়াল রাখে না।


• সংশংয়বাদী নারী : যে নারী নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারে না। সব সময় মনে করে তার স্বামী অন্য কোনো নারীর পেছনে লেগে আছে বা তাকে ছাড়া অন্য কোনো নারীকে নিয়ে ভাবছে।


এরপর সে তার স্বামীর পেছনে পড়ে যে, তার সন্দেহ ঠিক না ভুল। সে তালাশ করে তার স্বামীর পকেটে, স্বামীর অফিসের কাগজপত্রের ভেতরে বা তার ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে তার সংশয়ের অনুকূলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় কি না।


• আদবহীন নারী : যে নারী ইসলাম ও শরিয়তের কোনো আদব ও নিয়মের ধার ধারে না, যা ইচ্ছে পরে, যেমন ইচ্ছে তেমন আচরণ করে।


• ধোঁকায় পড়ে থাকা নারী : যে নারী তার আশপাশের লোকদের সামনে অহংকার করে বেড়ায়। অন্যদের সামনে ভাব নেয় যে, তাকে বিয়ে করার মতো কোনো পুরুষ পৃথিবীতে নেই।


• মিথ্যাবাদী নারী : মিথ্যাবাদী নারী হচ্ছে সবচেয়ে বিপজ্জনক নারীদের এক প্রকার।


• দাম্ভিক নারী : যে কেবল নিজের প্রতিই আগ্রহী। যদি স্বামী ঘরে থাকে, তাহলে কেবল তার সাথেই স্বামীকে সময় কাটাতে হবে।


• বাচাল নারী : যে নারী বাচাল, তাকে নিয়ে পুরুষ খুবই ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে পড়ে।


• ছোট-বড় যেকোনো অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখানো নারী : সব সময় ছোট-বড় যেকোনো কারণে রাগে ফুঁসে ওঠে বা কাঁদতে শুরু করে।


• অতিরিক্ত অভিযোগ শোনা অপছন্দ করে পুরুষ : যে নারী এখন একটা অভিযোগ নিয়ে আসে, একটু পর আরেকটা অভিযোগ নিয়ে আসে স্বামীর মানসিক সমর্থন পাওয়া পর্যন্ত।


• যে নারী পুরুষের সম্মান খর্ব করে সে নারীকে সে অপছন্দ করে। পুরুষের সম্মানে ঘা দেওয়া খুবই সহজ; কিন্তু এ আঘাতের চিকিৎসা করা খুবই কঠিন।


• এমন স্ত্রী যে তার স্বামীর হাল-অবস্থার কোনো কেয়ার করে না। এ নারী স্বামীর কাছে কেবল খারাপ সংবাদ বা পারিবারিক সমস্যা নিয়েই হাজির হয়। ঘরে আসার সাথে সাথে বা ঘুমানোর সময় এসে এসবের ফিরিস্তি খুলে বসে।... তার স্বামী চিন্তিত থাকে, আর সে এক গালে হাসতে থাকে বা স্বামীর নিন্দা করে, তাকে ধমকাতে থাকে।


• বাজারমুখী নারী : যে নারী সব সময় বাজারে গিয়ে কেনাকাটা করতে থাকে আর কখনো সে এটাতে পরিতৃপ্ত হয় না।


• গিবতকারী নারী : যে নারী সব সময় গিবত আর ঝগড়া নিয়ে পড়ে থাকে।


• যে নারী স্বামীর ছাড় দেওয়াকে দুর্বলতা মনে করে : যখন স্ত্রীর গলার আওয়াজ উঁচু হয়, তখন স্বামী চুপ করে সবর করে। কিন্তু এ প্রকারের নারী মনে করে তার স্বামী দুর্বল। এমন সব নারী কোনো স্বামীর পছন্দ নয়।


কোন কোন পয়েন্ট প্রাসঙ্গিক?

জৈব বালাই ব্যবস্থাপনার সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা সমূহ।

 

জৈব বালাই ব্যবস্থাপনার সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা সমূহ।

ফসলের সুরক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বালাইনাশক (pesticide) ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। সাধারণত, এগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: জৈব বালাইনাশক (biopesticides) এবং রাসায়নিক কীটনাশক (chemical pesticides)। এদের মধ্যে জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

জৈব বালাইনাশকের সংজ্ঞা ও ধরন:

জৈব বালাইনাশক হলো প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রস্তুত কীটনাশক, যা ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, ভাইরাস, উদ্ভিদ নির্যাস এবং অন্যান্য জীবিত বা জৈব উপাদান থেকে তৈরি হয়ে থাকে।

জৈব বালাইনাশকের প্রধান ধরন তিনটি:

১. মাইক্রোবিয়াল বালাইনাশক – ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক বা অন্যান্য জীবাণু থেকে তৈরি।


যেমন: Bacillus thuringiensis (Bt) ব্যাকটেরিয়া, যা শুঁয়োপোকা দমনে ব্যবহৃত হয়।

২. বোটানিকাল বালাইনাশক – উদ্ভিদের নির্যাস থেকে তৈরি।


যেমন: নিম পাতা /তেল, তামাক পাতা, পেঁয়াজ-রসুনের নির্যাস, ছাই, মরিচের গুঁড়ো, পেপারমিন্ট তেল ইত্যাদি।

৩. বায়োকন্ট্রোল এজেন্টস – শত্রু পোকা দমনকারী উপকারী পোকা বা জীবাণু।


যেমন: Trichogramma পরজীবী বোলতা, যা ক্ষতিকর পোকার ডিম ধ্বংস করে।

* এ ছাড়া বিভিন্ন প্রকার ফাঁদ: বালাইনাশক সরাসরি গাছে প্রয়োগ না করে বিভিন্ন প্রকার ফাঁদ স্থাপন করে শত্রু পোকা দমন করা।


যেমন: ফেরমন ফাঁদ, বিষ টোপ, হলুদ আঠা।

* এ ছাড়া ফ্রুট ব্যাগিং করে ফলের মাছি পোকা দমন অত্যান্ত কার্যকারী একটি পদ্ধতি।

জৈব বালাইনাশক ব্যবহারে সুবিধা:

* এটা পরিবেশ বান্ধব: জৈব বালাইনাশক সাধারণত প্রাকৃতিক উৎস থেকে তৈরি হয়, তাই এগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।

* জৈব বালাইনাশক মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য নিরাপদ: জৈব বালাইনাশক রাসায়নিক কীটনাশকের তুলনায় মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর নয়। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে জৈব বালাইনাশকের বিকল্প নেই।

* মাটির উর্বরতা রক্ষা করে: জৈব বালাইনাশক মাটির প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখে এবং উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

* উপকারী পোকামাকড়ের ক্ষতি করে না: জৈব বালাইনাশক সাধারণত নির্দিষ্ট কীটপতঙ্গকে লক্ষ্য করে, তাই উপকারী পোকামাকড়ের ক্ষতি করে না।

* দীর্ঘমেয়াদী উপকার: জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের ফলে কীটপতঙ্গের মধ্যে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কম।

সীমাবদ্ধতা সমূহ:

* ধীর কার্যকারিতা: জৈব বালাইনাশক রাসায়নিক কীটনাশকের তুলনায় ধীরে কাজ করে।

* সংরক্ষণ ও ব্যবহার জটিল: জৈব বালাইনাশক সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা কিছুটা জটিল হতে পারে।

* খরচ বেশি: কিছু জৈব বালাইনাশকের দাম রাসায়নিক কীটনাশকের তুলনায় বেশি হতে পারে।

* কার্যকরিতা কম: কিছু ক্ষেত্রে জৈব বালাইনাশক রাসায়নিক কীটনাশকের মতো কার্যকর নাও হতে পারে।

পরিশেষে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে জৈব বালাইনাশকের বিকল্প নেই। তাই এই দিকে আমাদের মনোযোগী হতে হবে।

সকাল ৭ টার সংবাদ  তারিখ ২১-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭ টার সংবাদ 

তারিখ ২১-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


অন্তর্বর্তী সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কোনো দাবির কারণে ভোট পিছিয়ে দেওয়া হবে না - বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


দ্রুত বিচারের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সংশোধন আইন উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন - বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড।


সংস্কার উদ্যোগ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ শুরু - প্রথম দিনে অংশ নিলো এলডিপি। 


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে সংস্কার প্রস্তাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী - রবিবার মতামত জমা দেবে বিএনপি।


এখন থেকে ঢাকায় নিজস্ব হাইকমিশন থেকে বাংলাদেশিদের ভিসা দেবে অস্ট্রেলিয়া।


আগামী মাসের মাঝামাঝি দেশে ফিরবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।


দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আটজন বেকসুর খালাস।


গাজায় সর্বশেষ ইসরাইলী হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১০-এ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২০-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দ্রুত বিচারের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সংশোধন আইন উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন --- বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড।


সংস্কার উদ্যোগ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ শুরু --- আজ প্রথম দিনে অংশ নিলো এলডিপি।


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার প্রস্তাবে রোববার মতামত জমা দেবে বিএনপি --- আজ জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।


এখন থেকে ঢাকায় নিজস্ব হাইকমিশন থেকে বাংলাদেশিদের ভিসা দেবে অস্ট্রেলিয়া।


আগামী মাসের মাঝামাঝি দেশে ফিরবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।


দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আটজন বেকসুর খালাস।  


গাজায় আজ ভোর থেকে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৯৫ ফিলিস্তিনি নিহত।


এবং এএফসি এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাই পর্বে অংশ নিতে ভারতের শিলং পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...