এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫

কিছু গোপন সত্য যা ধনী লোকেরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না…

 ♦কিছু গোপন সত্য যা ধনী লোকেরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না…

আমরা এমন এক দুনিয়ায় বাস করি, যেখানে নিয়ম-কানুনগুলো ধনীরা তৈরি করে, আর সেটা চলে তাদের স্বার্থে। মিডিয়া, শিক্ষাব্যবস্থা, এমনকি আর্থিক পরামর্শগুলোও এমনভাবে গড়া, যাতে আপনি সীমাবদ্ধ থাকেন এবং ধনীরা আরও এগিয়ে যায়। কিন্তু এখন সময় এসেছে সেই পর্দা সরানোর। জেনে নিন এমন ১২টি কঠিন সত্য, যা ধনীরা চান না আপনি জানুন:


১. কঠোর পরিশ্রম নয়, কৌশলই মূল:

ধনীরা অন্যের সময়, ট্যালেন্ট এবং অর্থ ব্যবহার করে ব্যবসা দাঁড় করায়। চাকরির পরিশ্রমে আপনি কেবল অন্যের স্বপ্ন পূরণ করেন, নিজের নয়।


২. অর্থ খারাপ নয়, এটা একটি শক্তিশালী হাতিয়ার:

আপনাকে বলা হয় ‘অর্থ লোভের জন্ম দেয়’, অথচ ধনীরা জানে—সঠিকভাবে ব্যবহৃত অর্থ ক্ষমতা এনে দেয়। তারা এটিকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যম হিসেবে দেখে।


৩. সঞ্চয় নয়, বিনিয়োগে ভবিষ্যৎ:

ব্যাংকে টাকা রেখে আপনি হারান মূল্য (ইনফ্লেশনের কারণে)। ধনীরা স্টার্টআপ, রিয়েল এস্টেট, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে সম্পদ বাড়ায়।


৪. শিক্ষা নয়, সিস্টেম গেম:

প্রথাগত শিক্ষা আপনাকে কর্মচারী বানায়। ধনীরা ফাইনান্স, ট্যাক্স, লিগ্যাল স্ট্রাকচার শিখে নিজের জন্য সিস্টেম বানায়, যেখানে অর্থ তাদের জন্য কাজ করে।


৫. কর ফাঁকি নয়, কর পরিকল্পনা:

ধনীরা কর আইনের ফাঁকফোকর জানে, কর কমানোর বৈধ পদ্ধতি জানে। তারা কর দেয় কম, কারণ তারা ইনকামের বদলে অ্যাসেট ও কোম্পানির মালিক।


৬. ঋণ ভয় নয়, একটি শক্তিশালী অস্ত্র:

তারা ভালো ও খারাপ ঋণের পার্থক্য জানে। খারাপ ঋণ আপনাকে নিঃস্ব করে, ভালো ঋণ দিয়ে তারা সম্পদ কেনে যা আবার আয় এনে দেয়।


৭. ভোগ নয়, সম্পদে বিনিয়োগ:

ধনীরা টাকা খরচ করে এমন জিনিসে যা ভবিষ্যতে আয় দেয়—যেমন প্রপার্টি, শেয়ার, ব্যবসা। আপনি যখন iPhone কিনেন, তারা সেই কোম্পানির শেয়ার কেনে।


৮. প্রতিভা নয়, নেটওয়ার্কই শক্তি:

সফল মানুষেরা একে অপরকে টেনে তোলে। ধনীরা জানে—"Your network is your net worth"। তারা সেই পরিবেশে থাকে যেখানে সুযোগ তৈরি হয়।


৯. সময় নয়, স্বাধীনতা মূল লক্ষ্য:

তারা নিজের সময় বিক্রি করে না, বরং অন্যের সময় কিনে নেয় (কর্মী, সিস্টেম, অটোমেশন)। এভাবেই তারা ফ্রিডম পায়।


১০. বাজার নয়, বাজার নিয়ন্ত্রণ:

ধনীরা ভেতরের খবর, ডেটা, অ্যালগরিদম ব্যবহার করে শেয়ার বাজারে প্রভাব ফেলে। তারা ‘গেম’ খেলে, আপনি খেলেন ‘নিয়ম’ মেনে।


১১. ব্যর্থতা নয়, শেখার ধাপ:

ধনীরা ব্যর্থতায় ভয় পায় না, বরং তা থেকে শেখে। কিন্তু সমাজ আপনাকে শেখায় ব্যর্থতা মানেই শেষ, যাতে আপনি কখনও শুরু না করেন।


১২. অজ্ঞতা নয়, জ্ঞানই শক্তি:

ধনীরা চায় আপনি ফাইনান্স, ইনভেস্টমেন্ট ও বিজনেস সম্পর্কে কম জানেন। কারণ জ্ঞানই মুক্তির পথ—এবং তারা চায় আপনি কন্ট্রোলে থাকুন।


আপনার করণীয় কী?


✅ আর্থিক শিক্ষা নিন – ফাইনান্স, ইনভেস্টমেন্ট, ট্যাক্স ও ব্যবসা শিখুন।

✅ অ্যাসেট তৈরি করুন, লায়াবিলিটি নয় – যা আয় আনে, তাতে বিনিয়োগ করুন।

✅ নেটওয়ার্ক তৈরি করুন – সফলদের সঙ্গে মিশুন, শেখার চেষ্টা করুন।

✅ ঝুঁকি নিন, কিন্তু হিসেব করে – রিস্ক নেওয়াই সফলতার রাস্তা, কিন্তু সেটা যেন ব্লাইন্ড না হয়।

✅ সময়কে প্রাধান্য দিন – ফোকাসড থাকুন, মূল্যহীন জিনিসে সময় ব্যয় করবেন না।


শেষ কথা:

আপনি যদি গরীব পরিবারেও জন্ম নিয়ে থাকেন, তবুও এই সত্যগুলো জানলে এবং কাজে লাগালে আপনি অর্থ, সময় এবং জীবনের উপর নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন। ধনীরা এই জ্ঞান গোপন রাখে কারণ তারা জানে—জ্ঞানই মুক্তির চাবিকাঠি।


এখনই সময় নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার।

কাঠবডি দোতলা লঞ্চ। 

 কাঠবডি দোতলা লঞ্চ। 


ঢাকা বরিশাল যোগাযোগ ব্যবস্থায় সময়ের অনিয়মিতর কারনেই বাষ্পচালিত ইস্টিমারের উপর একসময় যাত্রী সাধারনরা আস্তা হারিয়ে ফেলছিলো। দোতলা কাঠবডি লঞ্চের আবির্ভাব ঘটতে থাকে পঞ্চাশের মাঝামাঝি থেকে ষাটের দশকে। লঞ্চ গুলো ঢাকার উদ্দেশ্যে বিকেল পাচটায় বরিশাল পদ্মাবতী ঘাট থেকে রওনা হতো।  কিছু লঞ্চ চাঁদপুর পট্টি মুন্সিগঞ্জ ঘাট দিত। যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ব্যবসায়িদের মধ্যে ব্যবসা সম্প্রসারণের একটা নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে শুরু করেছিলো। ডাব পান মাছ তরকারির চকবাজারের তৈজসপত্র কাপড় চুড়ি ফিতা আলতা ইত্যাদির পাইকারি খুচরায় বেশ ভালোই লাভবান হতে ছিলো বরিশাল।  সুবাদে বেশ কিছু ঢাকা মুনশিগঞ্জ বিক্রমপুর নারায়নগঞ্জের ইত্যাদি আঞ্চলের মানুষ বরিশালে স্থানীয় হতে শুরু করেছিলো। 

এক কথায় বলা যায়, বরিশাল চকবাজার আর ঢাকা চকবাজারের সেতু বন্ধনই ছিলো দোতলা কাঠবডি লঞ্চ। 

বিউটি অব বিক্রমপুর, ইলিয়টগঞ্জ, মারী, বসুন্ধরা, সৈয়দ,  সাহারুন্নেছা, মেহেরুন্নেছা ইত্যাদি ছিলো উল্লেখযোগ্য। ষাটের দশকে দুআনার গরুর গোস আর দুআনার ভাত, ডাল ফ্রী। ভাড়া আটআনা বারো আনা। প্রথম শ্রেণির কেবিনে নারকেলের সোবলার গদি আর শক্ত একটা বালিস কোনরকম একজন শুয়া যেত। দোতলার পিছনে ২য় শ্রেণি, ঐ একই কায়দার। ভাড়া প্রথম শ্রেণি কেবিন ১০০ টাকা সিট হলে ২য় শ্রেণি ১০০ প্রতি টি সিট। পাতার হাটের গান্ধী বাবুর বিউটি অব পাতারহাট নামে একটি কাঠবডি দোতলা লঞ্চ চলতো। বিউটি সিনেমা হলের মালিক কামাল চৌধুরী, বরিশাল চকবাজারের মোহন মিয়াদের "সাকু" ভোলার আলতাফ মিয়াদের সঞ্চিতা, পল্টনের মেট্রোপলিটান হোটেল মালিকদের " রাজহাংস"  কালাম চেয়ারম্যান, এরা বরিশালের বাসিন্দা না হলেও কাঠবডি লঞ্চ দিয়ে এরা বরিশালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কন্ট্রাক্টর পৌরচেয়ারম্যান গোলাম মাওলা  বরগুনা পাথরঘাঠা বাগেরহাট ইত্যাদি প্রতান্ত আঞ্চল কে একতলা লঞ্চ দিয়ে শুরু করে ঢাকা পর্যন্ত যোগাযোগের মধ্যে রেখেছিলেন। তার একটা ডে সার্ভিস ছিলো শুরভী, রেজভি। সেই এম এল বরিশাল থেকে ১২ টায় ছেড়ে হিজলা মুলাদি সহ বহু লোকাল ঘাট ধরে সদরঘাটে পৌছতো পরের দিন প্রতুষে। চিড়া নারকেলের কথা কিন্তু ভুলে যাইনি, মনে আছে তো।


© মনোয়ার রহমান

তরুণদের মধ্যে হার্ট এটাক বাড়ছে। হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমানোর গবেষণায় প্রমাণিত ৭টি উপায়ঃ

 তরুণদের মধ্যে হার্ট এটাক বাড়ছে। হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমানোর গবেষণায় প্রমাণিত ৭টি উপায়ঃ


✅ ১. ধূমপান বন্ধ করুন


তামাকের ধোঁয়ায় থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ হৃদপিণ্ড ও রক্তনালির কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। এটি অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস বাড়ায়, যা সরাসরি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি তৈরি করে।


✅ ২. অন্যের ধূমপানের ধোঁয়াও এড়িয়ে চলুন


প্যাসিভ স্মোকিং বা অন্যের ধোঁয়ার সংস্পর্শেও হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।


✅ ৩. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখুন


বিশেষ করে LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) বেড়ে গেলে ধমনিতে ব্লক তৈরি হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাদ্যাভ্যাস ও প্রয়োজনে ওষুধে তা নিয়ন্ত্রণ করুন।


✅ ৪. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন


উচ্চ রক্তচাপ হৃদপিণ্ডের গঠন পরিবর্তন করে এবং কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। স্বাস্থ্যকর খাবার, ব্যায়াম ও প্রয়োজনে ওষুধে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।


✅ ৫. মানসিক চাপ কমান


গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপ হৃদরোগের অন্যতম কারণ। রিলাক্সেশন, মেডিটেশন ও সময়মতো বিশ্রাম অত্যন্ত জরুরি।


✅ ৬. নিয়মিত শরীরচর্চা করুন


CDC অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম করা উচিত।


✅ ৭. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন


গবেষণায় দেখা গেছে, কোমরের পরিমাপ বেশি হলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই সুস্থ ওজন বজায় রাখার চেষ্টা করুন।


একটু খেয়াল রাখলেই হয়তো একটি তরতাজা প্রাণ আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবে। 


ধন্যবাদ,

সাব্বির আহমেদ

#SabbirAhmed

সন্তানের জন্য লেখা অসাধারন এক চিঠি।

 "সন্তানের জন্য লেখা অসাধারন এক চিঠি।

—————————————————————

প্রিয় সন্তান,

আমি তোমাকে ৩ টি কারনে এই চিঠিটি লিখছি...


১। জীবন, ভাগ্য এবং দুর্ঘটনার কোন নিশ্চয়তা নেই, কেউ জানে না সে কতদিন বাঁচবে।

২। আমি, যদি আমি তোমাকে এই কথা না বলি, অন্য কেউ বলবে না।

৩। যা লিখলাম, তা আমার নিজের ব্যক্তিগত তিক্ত অভিজ্ঞতা- এটা হয়তো তোমাকে অনেক অপ্রয়োজনীয় কষ্ট পাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।


জীবনে চলার পথে এগুলো মনে রাখার চেষ্টা কোরো: -

 

যারা তোমার প্রতি সদয় ছিল না, তাঁদের উপর অসন্তোষ পুষে রেখোনা। কারন, তোমার মা এবং আমি ছাড়া, তোমার প্রতি সুবিচার করা কারো দায়িত্বের মধ্যে পড়েনা। আর যারা তোমার সাথে ভালো ব্যবহার করেছে - তোমার উচিত সেটার সঠিক মূল্যায়ন করা এবং কৃতজ্ঞ থাকা। 


তবে তোমার সতর্ক থাকতে হবে এজন্য যে, প্রতিটি মানুষেরই প্রতি পদক্ষেপের নিজ নিজ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। একজন মানুষ আজ তোমার সাথে ভালো- তার মানে এই নয় যে সে সবসময়ই ভালো থাকবে। কাজেই খুব দ্রুত কাউকে প্রকৃত বন্ধু ভেবোনা।


জীবনে কিছুই কিংবা কেউই "অপরিহার্য" নয়, যা তোমার পেতেই হবে। একবার যখন তুমি এ কথাটির গভীরতা অনুধাবন করবে, তখন জীবনের পথ চলা অনেক সহজ হবে - বিশেষ করে যখন বহুল প্রত্যাশিত কিছু হারাবে, কিংবা তোমার তথাকথিত আত্মীয়-স্বজনকে তোমার পাশে পাবেনা। 

 

জীবন সংক্ষিপ্ত। আজ তুমি জীবনকে অবহেলা করলে, কাল জীবন তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে। কাজেই জীবনকে তুমি যতো তাড়াতাড়ি মূল্যায়ন করতে শিখবে, ততোই বেশী উপভোগ করতে পারবে। 


ভালবাসা একটি ক্ষণস্থায়ী অনুভূতি ছাড়া কিছুই নয়। মানুষের মেজাজ আর সময়ের সাথে সাথে এই অনুভূতি বিবর্ণ হবে। যদি তোমার তথাকথিত কাছের মানুষ তোমাকে ছেড়ে চলে যায়, ধৈর্য্য ধরো, সময় তোমার সব ব্যথা-বিষন্নতা কে ধুয়ে-মুছে দেবে। কখনো প্রেম-ভালবাসার মিষ্টতা এবং সৌন্দর্য্যকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেনা, আবার ভালবাসা হারিয়ে বিষণ্ণতায়ও অতিরঞ্জিত হবে না।


অনেক সফল লোক আছেন যাদের হয়তো উচ্চশিক্ষা ছিলনা- এর অর্থ এই নয় যে তুমিও কঠোর পরিশ্রম বা শিক্ষালাভ ছাড়াই সফল হতে পারবে! তুমি যতোটুকু জ্ঞানই অর্জন করোনা কেন, তাই হলো তোমার জীবনের অস্ত্র। কেউ ছেঁড়া কাঁথা থেকে লাখ টাকার অধিকারী হতেই পারে, তবে এজন্য তাকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে।


আমি আশা করি না যে, আমার বার্ধক্যে তুমি আমাকে আর্থিক সহায়তা দিবে। আবার আমিও তোমার সারাজীবন ধরে তোমাকে অর্থ সহায়তা দিয়ে যাবনা। যখনি তুমি প্রাপ্তবয়স্ক হবে, তখনি আমার অর্থ-সহায়তা দেবার দিন শেষ। তারপর, তোমাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে- তুমি কি পাবলিক পরিবহনে যাতায়াত করবে, নাকি নিজস্ব লিমুজিন হাঁকাবে; গরীব থাকবে নাকি ধনী হবে। 


তুমি তোমার কথার মর্যাদা রাখবে, কিন্তু অন্যদের কাছে তা আশা করোনা। মানুষের সাথে ভালো আচরন করবে, তবে অন্যরাও তোমার সাথে ভালো থাকবে- তা প্রত্যাশা করবেনা। যদি তুমি এটি না বুঝতে পারো, তবে শুধু অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণাই পাবে। 


আমি অনেক বছর ধরে লটারি কিনেছি, কিন্তু কখনও কোন পুরষ্কার পাইনি। তার মানে হলো এই যে- যদি তুমি সমৃদ্ধি চাও তবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। বিনামূল্যে কোথাও কিছু জুটবে না। 

 

তোমার সাথে আমি কতোটা সময় থাকবো- সেটা কোন ব্যাপার না। বরং চলো আমরা আমাদের একসাথে কাটানো মুহুর্তগুলো উপভোগ করি মূল্যায়ন করি। 

——————

“ভালোবাসা সহ!"

(সংগ্রহীত)

টমাস বাটার স্বপ্ন আজ সারা বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষের পায়ে"

 "টমাস বাটার স্বপ্ন আজ সারা বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষের পায়ে"


বাটা – নামটি শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে মানসম্পন্ন আর টেকসই জুতার ছবি। তবে এই বিখ্যাত কোম্পানির যাত্রা শুরু হয়েছিল একদম সাদামাটা ভাবে।


শুরুটা ১৮৯৪ সালে চেক প্রজাতন্ত্রের (তৎকালীন অস্ট্রো-হাঙ্গেরি) একটি ছোট শহর Zlín-এ, তিন ভাইবোন – টমাস বাটা, অ্যানা বাটা এবং অ্যান্টনিন বাটা – মাত্র ৮০০ ডলার পুঁজি নিয়ে শুরু করেন একটি ছোট জুতা কারখানা। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল সস্তা কিন্তু টেকসই জুতা তৈরি করা, যেন সাধারণ মানুষ সহজে কিনতে পারে।


টমাস বাটার দূরদর্শী নেতৃত্বে কোম্পানি দ্রুত বাড়তে থাকে। তিনি আধুনিক উৎপাদন পদ্ধতি, মেশিন ব্যবহার এবং শ্রমিকদের ভালো জীবনযাত্রার দিকে মনোযোগ দেন।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বাটা সেনাবাহিনীর জন্য বড় পরিমাণে জুতা সরবরাহ করে এবং বিপুল লাভ করে।


১৯২০-এর দশকে বাটা ইউরোপ ছাড়িয়ে বিভিন্ন মহাদেশে কারখানা ও দোকান স্থাপন শুরু করে। ১৯৩১ সালে ভারত এবং পরে পাকিস্তান, বাংলাদেশসহ অনেক দেশে বাটা বিস্তৃত হয়।


১৯৬২ সালে বাটা বাংলাদেশের টঙ্গীতে তাদের প্রথম কারখানা স্থাপন করে। তখন থেকেই এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় জুতা ব্র্যান্ড হয়ে ওঠে।


বর্তমানে বাটা বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশে ব্যবসা করে এবং তাদের জুতা বিক্রির সংখ্যা বছরে কয়েক কোটি। ১২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাটা বিশ্বজুড়ে মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে রয়েছে।


টমাস বাটা শুধু একজন ব্যবসায়ী নন, তিনি ছিলেন এক মহান দূরদর্শীতা সম্পন্ন মানুষ । তার স্বপ্ন আর কঠোর পরিশ্রমই আজকের এই বিশাল বাটার ভিত্তি।

গ্রেডেশন টেস্ট এর বিস্তারিতঃ

 গ্রেডেশন টেস্ট এর বিস্তারিতঃ

=================

গ্রেডেশন টেস্ট হল নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত উপকরণ যেমন বালি, পাথর, বা কংক্রিটের উপাদানগুলোর আকারের বন্টন (particle size distribution) নির্ধারণের একটি পরীক্ষা। এটি নিশ্চিত করে যে উপকরণটি নির্মাণে ব্যবহারের জন্য মানসম্মত কি না।


নিচে গ্রেডেশন টেস্টের বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করা হলো:


গ্রেডেশন টেস্টের উদ্দেশ্যঃ

কংক্রিট বা রাস্তার কাজের জন্য উপযুক্ত উপকরণ নির্বাচন করা।

উপকরণের আকারের বন্টন সঠিক কি না তা যাচাই করা।

কংক্রিট, অ্যাসফাল্ট মিক্সচার বা রাস্তার স্তরে উপকরণের 

কার্যকারিতা নিশ্চিত করা।

মিক্স ডিজাইনের জন্য উপকরণের আকার নির্ধারণ।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি


সিভ সেট (Sieve Set): বিভিন্ন আকারের জালের (mesh) চালনি।

ওজন মাপার যন্ত্র: উপকরণের ওজন সঠিকভাবে মাপার জন্য।

মেকানিক্যাল শেকার: চালনিগুলোতে উপকরণ ঝাঁকানোর জন্য।

ওভেন: উপকরণ শুকানোর জন্য।

ট্রে এবং ব্রাশ: পরীক্ষার সময় পরিষ্কার করার জন্য।


পরীক্ষার প্রক্রিয়াঃ

১. নমুনা প্রস্তুত করা

উপকরণ শুকনো এবং নির্দিষ্ট ওজনের (সাধারণত ৫০০ গ্রাম থেকে ৫ কেজি)।

ওভেনে শুকিয়ে আর্দ্রতা সরিয়ে নেওয়া হয়।


২. চালনি (Sieve) সেটআপ করা

চালনিগুলো আকার অনুযায়ী সাজানো হয়, যেখানে বড় গর্ত উপরে এবং ছোট গর্ত নিচে।

সাধারণ চালনিগুলোর আকার:

40 mm, 20 mm, 10 mm, 4.75 mm, 2.36 mm, 1.18 mm, 600 µm, 300 µm, 150 µm।


৩. উপকরণ ঝাঁকানো (Sieving Process)

শুকনো উপকরণ সিভ সেটের উপরে রাখা হয়।

মেকানিক্যাল শেকার বা হাতে চালনিগুলো ঝাঁকানো হয় (সাধারণত ১০-১৫ মিনিট)।


৪. চালনিতে থাকা উপকরণের ওজন মাপা

প্রতিটি চালনিতে আটকে থাকা উপকরণ আলাদা করে ওজন করা হয়।

নিচের ট্রেতে জমা হওয়া উপকরণেরও ওজন নেওয়া হয়।


৫. আকারের বন্টন নির্ধারণ

প্রতিটি চালনিতে থাকা উপকরণের ওজন শতাংশ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।

গ্রাফে আকারের বন্টন প্রদর্শন করা হয়।


গ্রেডেশন টেস্টের ফলাফল নির্ধারণঃ

১. কিউমুলেটিভ শতাংশ গণনা

প্রতিটি চালনিতে জমা হওয়া উপকরণের ওজনের শতকরা হার নির্ণয় করা হয়।

কিউমুলেটিভ পার্সেন্টেজ ফাইনার (Cumulative Percentage Finer) বের করা হয়।


২. গ্রাফ তৈরি

x-অক্ষ: চালনির আকার (log scale)।

y-অক্ষ: কিউমুলেটিভ শতাংশ।


৩. গ্রেডেশন অনুযায়ী শ্রেণিবিন্যাস

ওয়েল গ্রেডেড: সব আকারের কণার সুষম মিশ্রণ।

পুয়ারলি গ্রেডেড: কিছু নির্দিষ্ট আকারের কণার আধিক্য।

গ্যাপ গ্রেডেড: কিছু আকার সম্পূর্ণ অনুপস্থিত।


গ্রেডেশন টেস্টের ধরণঃ

কোর্স এগ্রিগেটের জন্য: পাথর বা বড় কণার উপকরণ।

ফাইন এগ্রিগেটের জন্য: বালি বা ছোট কণার উপকরণ।

ফুলার গ্রেডেশন (Fuller’s Curve): মিক্সচারের আদর্শ আকার নির্ধারণ।


গ্রেডেশন টেস্টের ব্যবহার ও মানদণ্ডঃ

রাস্তা নির্মাণ:

উপকরণ সঠিকভাবে কমপ্যাক্ট এবং স্থিতিশীল হওয়া নিশ্চিত করা।

কংক্রিট:

ফাঁকা স্থান (voids) কমানো এবং শক্তি বৃদ্ধি করা।

ড্রেনেজ উপকরণ:

পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা।


সুবিধাঃ

মিক্স ডিজাইন সঠিকভাবে নির্ধারণ।

উপকরণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।

নির্মাণ কাজের গুণগত মান বাড়ানো।


সীমাবদ্ধতাঃ

সময়সাপেক্ষ এবং সতর্কভাবে করতে হয়।

মেকানিক্যাল শেকার না থাকলে নির্ভুলতা কমে যেতে পারে।


#naeemcivilnote #test #engineering #construction #everyoneシ゚ #effective #students

চলুন আজ গল্প করি এক সাহসী ছাগল জাত নিয়ে—স্প্যানিশ ছাগল।

 চলুন আজ গল্প করি এক সাহসী ছাগল জাত নিয়ে—স্প্যানিশ ছাগল।

না, ওরা স্প্যানিশ গিটার বাজায় না, কিন্তু ওদের জীবনে এক ছন্দ আছে।

⛰️ কঠিন পরিবেশ, কাঁটাঝোপের খাদ্য, জলবায়ুর দাপট—সব কিছুর মাঝেই ওরা বাঁচে, বেড়ে ওঠে, আর আপনাকে দেয় ‍মাংস আর মুক্তির স্বপ্ন।


🐐 কোথা থেকে এলো স্প্যানিশ ছাগল?

এই জাতের জন্ম স্পেনে, কিন্তু তারপরে এটি আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে এমন এক রূপ ধারণ করে, যাকে আজ আমরা বলি “স্প্যানিশ মিট গোট”।

এরা দেখতে আকর্ষণীয় না হলেও, এদের রয়েছে এক অতুলনীয় সহনশীলতা ও টিকে থাকার ক্ষমতা।


🌾 খেতে কেমন লাগে?

আপনি যদি ভাবেন ছাগলের পেছনে হাজার টাকার খাবার খরচ করতে পারবেন না, তাহলে স্প্যানিশ ছাগল আপনার জন্য।

ওরা ঝোপঝাড়, আগাছা, এমনকি কাঁটাগাছও খায়!

সেইসাথে খুব বেশি যত্নও চায় না। অন্য জাতের ছাগল যেখানে অসুস্থ হয়ে পড়ে সামান্য আবহাওয়ার পরিবর্তনে, স্প্যানিশ ছাগল সেখানে দিব্যি মাথা উঁচু করে ঘুরে বেড়ায়।


⚖️ ওজন ও আকৃতি

প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ছাগল (বাকরী): ৭০–৮৫ কেজি


প্রাপ্তবয়স্ক নারী ছাগল (মাদি): ৫০–৬০ কেজি


শিশু খাসি বা বাচ্চা সাধারণত ৪–৬ মাস বয়সে বাজারজাত করা যায়, তখন ওজন থাকে ২০–৩০ কেজির মধ্যে।


🍼 দুধ? সামান্যই...

এ জাত দুধের জন্য নয়, বরং মাংসের জন্য।

দিনে গড়ে ২০০–৩০০ মিলি দুধ দেয়, সেটিও শুধু বাচ্চার খোরাক হিসেবে।


👶 প্রজনন ও গর্ভধারণকাল

স্প্যানিশ ছাগলের প্রজননক্ষমতা চমৎকার।


গর্ভকাল: ১৪৫–১৫০ দিন


বছরে দুইবার বাচ্চা দিতে সক্ষম


একবারে ১–৩টি বাচ্চা হয়


বাচ্চা প্রতিপালনে মা ছাগলের মায়ের মতো যত্ন থাকে


🏷️ দাম ও কোথায় পাবেন?

বাংলাদেশে এখনও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েনি, তবে কিছু উন্নত খামার—যেমন রুরাল ফার্মস, জয় ফার্ম, বা ব্রিডিং হাউস—কিছু পরিমাণে এই জাত আমদানি করেছে।


দাম:


বাচ্চা (৩–৪ মাস): ৮,০০০–১৫,০০০ টাকা


প্রাপ্তবয়স্ক: ২০,০০০–৪০,০০০ টাকা


উন্নত প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন পুরুষ: ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে


🌟 কেন আপনি এই জাত নির্বাচন করবেন?

✅ কম খরচে বড় লাভ

✅ রুক্ষ এলাকায় সহজে পালনযোগ্য

✅ স্বল্প যত্নে দ্রুত বাড়ে

✅ বাজারে মাংসের চাহিদা অনেক


💡 আপনার জন্য একটুখানি পরামর্শ

যদি আপনার বাড়িতে একটু জায়গা থাকে, কিংবা গ্রামে থাকেন এবং ইনকাম বাড়াতে চান, তবে স্প্যানিশ ছাগল হতে পারে আপনার সবচেয়ে ভালো বন্ধুর মতো।

খাবারে সাশ্রয়, রোগপ্রতিরোধে শক্তিশালী, আর বাজারে চাহিদা—সব মিলিয়ে এটি নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এক স্বর্ণ সুযোগ।

ধনী হতে চাইলে  ইলন মাস্কের পরামর্শ

 #ইলন মাস্কের পরামর্শ।

ধনী হতে চাইলে জীবনে ইতিবাচক চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের বিকল্প নেই। এর পাশপাশি কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। জেনে নিন কী কী-


আয়ের একাধিক রাস্তা খুঁজুন


অর্থ উপার্জনের জন্য শুধু একটি নির্দিষ্ট কাজকে প্রাধান্য দেবেন না। ধরুন, চাকরির পাশাপাশি ছোটখাট ব্যবসা শুরু করুন। যা আপনাকে আরও উপার্জনে সহায়তা করবে।


উচ্চকাঙ্খী মানুষের সঙ্গে আড্ডা দিন


উচ্চাকাঙ্খী মানুষদের সঙ্গে মেলামেশা করুন। এতে নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আরও বাড়বে। ফলে লক্ষ্য পূরে আরও এগিয়ে যেতে পারবেন।


বড় বিষয় নিয়ে চিন্তা করুন


ছোটখাট বিষয় নিয়ে চিন্তা না করে বরং সব সময় বড় বিষয় নিয়ে ভাবুন। আপনার স্বপ্নপূরণের ক্ষেত্রে কী কী করণীয় সে বিষয়ে চিন্তার পরিধি আরও বাড়ান।


বিনিয়োগ করুন


বিভিন্ন কাজে অর্থ বিনিয়োগ করার মাধ্যমেও আপনি ভবিষতে অর্থ সঞ্চয় করতে পারবেন। যা এক সময় আপনার ধনী হওয়া স্বপ্ন পূরণ করবে। যদিও বিনিয়োগে ঝুঁকি থাকে লস হওয়ার, তবে সাফল্য পেতে হলে তো ঝুঁকি একটু নিতেই হবে!


মিতব্যায়ী হন


অর্থ সঞ্চয়ের একমাত্র উপায় হলো মিলব্যায়ীতা। আপনি যতটা বুঝে শুনে কম খরচ করতে পারবেন, ততই অর্থ জমাতে পারবেন। তাই বাজেট করে চলুন। বিশ্বের যত ধনী ব্যক্তি আছেন, তারাও প্রয়োজন ছাড়া বেশি অর্থ ব্যায়ে বিশ্বাসী নন।


সকালে ঘুম থেকে উঠুন


ধনী হতে চাইলে জীবনধারাও সঠিক ও সুস্থ রাখতে হবে। এজন্য সকালে ঘুম থেকে উঠুন দ্রুত, এরপর করুন শরীরচর্চা।


মনে রাখবেন, সুষ্ঠু জীবনযাত্রার মাধ্যমে আপনি যেমন শরীরকে সুস্থ রাখতে পারবেন, ঠিক তেমনই মনকেও লক্ষ্য পূরণে কাজ করার জন্য উৎসাহী করতে পারবেন।


লক্ষ্য নির্দিষ্ট করুন


ধনী হওয়ার স্বপ্নপূরণের ক্ষেত্রে আপনার লক্ষ্য নির্দিষ্ট করুন। আর সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যান নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে। আপনার লক্ষ্য যতটা বাস্তবাদী হবে, ততটাই আপনি সফলতার পথে এগিয়ে যাবেন।


ঋণ পরিশোধ করুন


ধনী ব্যক্তিরাও তাদের ঋণ পরিশোধের বিষয়ে খুব সতর্ক থাকেন। যত দ্রুত সম্ভব ঋণের বোঝা হালকা করুন। না হলে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে।


আরাম-আয়েশ ত্যাগ করুন


ধনী হতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ধনী ব্যক্তিরা সর্বদা কাজ নিয়ে ভাবেন, এজন্য তারা আরাম-আয়েশের জীবন পছন্দ করেন না।


সংগৃহীত

Chatgaiya Nezam 

#এসোসত্যবলারঅভ্যাসকরি #chatgaiyanezam #BNPMediaCell #allfollowers

ঘরে তৈরি নোগাট বার তৈরির রেসিপি-

 ঘরে তৈরি নোগাট বার তৈরির রেসিপি-


উপকরণ:

 * ১ কাপ চিনি

 * ১/২ কাপ মধু

 * ১/৪ কাপ জল

 * ২ টি ডিমের সাদা অংশ

 * ১ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স

 * ১/২ কাপ বাদাম (কাজুবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তা ইত্যাদি)

 * ১/২ কাপ শুকনো ফল (কিশমিশ, খেজুর, এপ্রিকট ইত্যাদি)

 * ১ চিমটি লবণ


প্রস্তুত প্রণালী:

১.  প্রস্তুতি:

* একটি বেকিং ট্রেতে পার্চমেন্ট পেপার বিছিয়ে নিন।

* বাদাম ও শুকনো ফলগুলো ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন।


২.  সিরার প্রস্তুতি:

* একটি মাঝারি আকারের সসপ্যানে চিনি, মধু ও জল মিশিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করুন।

* মিশ্রণটি ক্রমাগত নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না চিনি পুরোপুরি গলে যায়।

* মিশ্রণটি ফুটে উঠলে, একটি ক্যান্ডি থার্মোমিটার ব্যবহার করে তাপমাত্রা ১১৮-১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২৪৪-২৪৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) পর্যন্ত পৌঁছানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। যদি ক্যান্ডি থার্মোমিটার না থাকে, তাহলে অল্প একটু সিরা ঠান্ডা জলে ফেলে দেখুন, এটা নরম বলের মতো হলে বুঝবেন সিরা তৈরি।


৩.  ডিমের সাদা অংশ ফেটানো:

* একটি পরিষ্কার পাত্রে ডিমের সাদা অংশ ও লবণ নিয়ে ইলেকট্রিক বিটার দিয়ে ফোম তৈরি হওয়া পর্যন্ত ফেটিয়ে নিন।

* ডিমের সাদা অংশ ফোম হয়ে গেলে, গরম সিরা ধীরে ধীরে ডিমের সাদা অংশের সাথে মেশান, ক্রমাগত বিট করতে থাকুন।

* মিশ্রণটি ঘন ও চকচকে হওয়া পর্যন্ত বিট করতে থাকুন।


৪.  নোগাট তৈরি:

* মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স, বাদাম ও শুকনো ফল মিশিয়ে নিন।

* মিশ্রণটি দ্রুত পার্চমেন্ট পেপার বিছানো বেকিং ট্রেতে ঢেলে দিন।

* স্প্যাচুলা বা হাতে সামান্য তেল মাখিয়ে মিশ্রণটি সমানভাবে ছড়িয়ে দিন।


৫.  ঠান্ডা করা ও কাটা:

* নোগাট বারটি ঘরের তাপমাত্রায় কমপক্ষে ২-৩ ঘন্টা বা সারারাত ঠান্ডা হতে দিন।

* ঠান্ডা হয়ে গেলে, ধারালো ছুরি দিয়ে পছন্দসই আকারে কেটে নিন।


৬. পরিবেশন:

* ঘরে তৈরি নোগাট বার পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।

কিছু টিপস:

 * বাদাম ও শুকনো ফলগুলো হালকা করে ভেজে নিলে স্বাদ আরও ভালো হয়।

 * নোগাট বারগুলো এয়ারটাইট পাত্রে সংরক্ষণ করুন।

 * আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও শুকনো ফল ব্যবহার করতে পারেন।

 * আপনি যদি চান তাহলে চকোলেট গলিয়ে নোগাট বারের উপরে ছড়িয়ে দিতে পারেন।


এই সহজ রেসিপি অনুসরণ করে আপনি ঘরেই সুস্বাদু নোগাট বার তৈরি করতে পারবেন। উপভোগ করুন!

সফদার ডাক্তার 

 সফদার ডাক্তার মাথাভরা টাক তার

খিদে পেলে পানি খায় চিবিয়ে,

চেয়ারেতে রাতদিন বসে গোণে দুই-তিন

পড়ে বই আলোটারে নিভিয়ে।

ইয়া বড় গোঁফ তার, নাই যার জুড়িদার

শুলে তার ভুঁড়ি ঠেকে আকাশে,

নুন দিয়ে খায় পান, সারাক্ষণ গায় গান

বুদ্ধিতে অতি বড় পাকা সে।


রোগী এলে ঘরে তার, খুশিতে সে চারবার

কষে দেয় ডন আর কুস্তি,

তারপর রোগীটারে গোটা দুই চাঁটি মারে

যেন তার সাথে কত দুস্তি।


ম্যালেরিয় হলে কারো নাহি আর নিস্তার

ধরে তারে কেঁচো দেয় গিলিয়ে,

আমাশয় হলে পরে দুই হাতে কান ধরে

পেটটারে ঠিক করে কিলিয়ে।

কলেরার রোগী এলে, দুপুরের রোদে ফেলে

দেয় তারে কুইনিন খাইয়ে,

তারপর দুই টিন পচা জলে তারপিন

ঢেলে তারে দেয় শুধু নাইয়ে।


ডাক্তার সফদার, নাম ডাক খুব তার

নামে গাঁও থরথরি কম্প,

নাম শুনে রোগী সব করে জোর কলরব

পিঠটান দিয়ে দেয় লম্ফ।

একদিন সককালে ঘটল কি জঞ্জাল

ডাক্তার ধরে এসে পুলিশে,

হাত-কড়া দিয়ে হাতে নিয়ে যায় থানাতে

তারিখটা আষাঢ়ের উনিশে।


কবিতাটি পড়ার আগে তার সম্পর্কে একটু জেনে নেই। 

চল্লিশের দশকে লেখা কবিতাটি গ্রামের পাঠশালায় পড়ে শিখে আজ অনেকেই শহরের শিক্ষক হয়েছেন, তবুও জানা হলোনা সেই সফদার ডাক্তারের স্রষ্টা কে।কার কলম থেকে নিঃসৃত এই কাব্যরস।জ্বি হ্যা তিনি কবি হোসনে আরা।অনেকেই চেনেন না। তিনিও আজ আর নেই। কিন্তু কবিতাটি থাকবে বহুকাল। প্রজন্ন থেকে প্রজন্মের চীরচেনা সফদার ডাক্তার -

#collected

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...