এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৩ মে, ২০২৫

ভাইরালের যুগে শিক্ষক হয়ে আছি মহাবিপদে।

 ভাইরালের যুগে শিক্ষক হয়ে আছি মহাবিপদে।

শিক্ষকতা করার কারণে ছাত্রদেরকে কন্ট্রোল করার জন্য মাঝে মাঝে কিছু শব্দ একটু বেশি বলতে হয়।

যেমন ধরেন:—


🛎️ ছাত্ররা বেশি এলোমেলো করলে কিংবা ক্লাসে বসতে দেরি করলে বলতে হয়, "বসেন বসেন"

দুইবার "বসেন বসেন" বললেই তাহেরীর কথা মনে পড়ে যায়। ছাত্ররাও থাকিয়ে মুচকি হাসি দেয়! 🙂


🛎️ ক্লাসে কিছু বয়স্ক ছাত্র থাকে, এদেরকে আমি মাঝে মধ্যে "মুরুব্বী" বলে ডাক দেই। কিন্তু এখন মুরুব্বী বলতে গেলেই ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড বাজে, "মুরুব্বী মুরুব্বী উহু উহু উহু"


🛎️ বছরের শুরুতে নতুন অনেক ছাত্র গ্রাম থেকে আসার কারণে না বুঝে অনেক ভুল করে বসে, যদি ডাক দিয়ে বলি— এটা করলে কেন? ডান বাম থেকে আওয়াজ শোনা যায় "নতুন নতুন" বুজ্জেনা বুজ্জেনা।


🛎️ অনেক সময় ক্লাসে বসে ছাত্ররা দুষ্টামি করে, তাই মাঝে মধ্যে তাদেরকে ধমক দেয়ার জন্য বলতে হয়, "ওই কীরে..."কিন্তু এখন বলতে গেলে নিঃশব্দ ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড কানে বেজে ওঠে," ওই কীরে ! ওই কীরে! মধু মধু, আগুন আগুন, রসমালাই রসমালাই !

(কপি)

ইসলাম ধর্মমত অনুযায়ী, ইবলিশ শয়তানদের নেতা। 

 ইসলাম ধর্মমত অনুযায়ী, ইবলিশ শয়তানদের নেতা। এই শব্দের অর্থ চরম হতাশ।কুরআন অনুসারে, যখন ইবলিস আদমকে সেজদা করার আদেশ অমান্য করেছিল তখন তাকে জান্নাতের বাহিরে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। ইসলামি ধর্মতত্ত্বে ইবলিসকে এমন বৈশিষ্ট্য এবং কর্মের উদাহরণ হিসাবে বিবেচনা করা হয় যাকে আল্লাহ জাহান্নামে শাস্তি দিবেন। ইবলিসের উৎপত্তি ও প্রকৃতি সম্পর্কে দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। কুরআনের ব্যাখ্যা (তাফসির) এবং নবীদের গল্প (কিসাস আল-আম্বিয়া) ইবলিসের মূল কাহিনীকে আরও বিশদভাবে বর্ণনা করে।

ইবলিশ হলো আকৃতি বিহীন আগুন। তবে তার যেকোন রুপ ধারন করার ক্ষমতা আছে। এবং যে কোন মানুষের চিন্তা শক্তি ও নফসের উপরে বর করার ক্ষমতা আছে।


ইসলাম ধর্মে ইবলিসকে দুষ্ট জিন বলা হয়েছে। পবিত্র কুরআন এ উল্লেখ করা হয়েছে, যে যখন আল্লাহ আদম (আলাইহিস সালাম) কে সৃষ্টি করলেন এবং তিনি সকল ফেরেশতাদের বললেন আদমকে সিজদাহ্ করতে, তখন সকল ফেরেশতা সিজদাহ্ করলো। অথচ ইবলিস (শয়তান) সিজদাহ্ করলো না। ফলে সে অবিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হলো এবং আল্লাহ তাকে অভিশপ্ত করলেন।


কুরআনে বর্ণিত ইবলিশ শয়তানের কাহিনী- 


সুরা আল আরাফ (১১—৩৭):


আমি তো তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, অতঃপর তোমাদের আকৃতি দিয়েছি, অতঃপর ফেরেশতাদের নির্দেশ দিলাম আদমকে সাজদাহ করার জন্য। তখন ইবলিস ছাড়া সবাই সিজদা করল। সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হল না।

তিনি বললেন, “আমি যখন তোমাকে আদেশ দিলাম তখন কি তোমাকে নিবৃত্ত করল যে, তুমি সিজদা করলে না?” সে বলল, “আমি তার চেয়ে শ্ৰেষ্ঠ; আপনি আমাকে আগুন দিয়ে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে কাদামাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।”

তিনি বললেন, “তাহলে তুমি এখান থেকে নেমে যাও, এখানে থেকে অহংকার করবে, এটা হতে পারে না। সুতরাং তুমি বের হয়ে যাও, নিশ্চয় তুমি অধমদের অন্তর্ভুক্ত।”

সে বলল, “আমাকে সেদিন পর্যন্ত অবকাশ দিন ,যেদিন তারা পুনরুত্থিত হবে।”

তিনি বললেন, “নিশ্চয় তুমি অবকাশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।”

সে বলল, “আপনি যে আমাকে পথভ্রষ্ট করলেন, সে কারণে অবশ্যই অবশ্যই আমি আপনার সরল পথে মানুষের জন্য বসে থাকব।”

তারপর অবশ্যই আমি তাদের কাছে আসব তাদের সামনে থেকে ও তাদের পিছন থেকে, “তাদের ডানদিক থেকে ও তাদের বাম দিক থেকে এবং আপনি তাদের অধিকাংশকে কৃতজ্ঞ পাবেন না।”

তিনি বললেন, “এখান থেকে বের হয়ে যাও ধিকৃত,বিতাড়িত অবস্থায়। মানুষের মধ্যে যারাই তোমার অনুসরণ করবে, অবশ্যই অবশ্যই  আমি তোমাদের সবাইকে দিয়ে জাহান্নাম পূর্ণ করব।”

“আর হে আদম! আপনি ও আপনার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস করুন, অতঃপর যেথা হতে ইচ্ছা খান, কিন্তু এ গাছের ধারে –কাছেও যাবেন না, তাহলে আপনারা যালেমদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।”

তারপর তাদের লজ্জাস্থান, যা তাদের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল তা তাদের কাছে প্রকাশ  করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল এবং বলল, “পাছে তোমরা উভয় ফেরেশতা হয়ে যাও কিংবা তোমরা স্থায়ীদের অন্তর্ভুক্ত হও, এ জন্যেই তোমাদের রব এ গাছ থেকে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।”

আর সে তাদের উভয়ের কাছে শপথ করে বলল , “নিশ্চয় আমি তোমাদের শুভাকাংখীদের একজন।'

অতঃপর সে তাদেরকে প্রবঞ্চনার দ্বারা অধঃপতিত করল। এরপর যখন তারা সে গাছের ফল খেল, তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের কাছে প্রকাশ হয়ে পড়ল এবং তারা জান্নাতের পাতা দিয়ে  নিজেদেরকে আবৃত করতে লাগল। তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, “আমি কি তোমাদেরকে এ গাছ থেকে নিষেধ করিনি এবং আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয় শয়তান তোমাদের উভয়ের প্রকাশ্য শত্রু ?”

তারা বলল, “হে আমাদের রব আমরা নিজেদের প্রতি যুলুম করছি। আর যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং দয়া না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।“

তিনি বললেন, “তোমরা নেমে যাও, তোমরা একে অন্যের শক্র এবং যমীনে কিছুদিনের জন্য তোমাদের বসবাস ও জীবিকা রইল।”

তিনি বললেন, “সেখানেই তোমারা যাপন করবে এবং সেখানেই তোমরা মারা যাবে। আর সেখান থেকেই তোমাদেরকে বের করা হবে।”

আর স্মরণ করুন, যখন আমরা ফেরেশতাদের বললাম, আমাকে সিজদা করো, তখন ইবলিশ ছাড়া সকলেই সিজদা করলো ; সে অস্বীকার করলো ও অহংকার করলো। আর সে কাফেরদের অন্তর্ভুক্ত হলো।

আর আমারা বললাম, “হে আদম ! আপনি ও আপনার স্ত্রী  জান্নাতে বসবাস করুন এবং যেখান থেকে স্বাচ্ছন্দ্যে আহার করুন, কিন্তু এই গাছটির কাছে যাবেন না ; তাহলে আপনারা হবেন যালিমদের অন্তর্ভুক্ত।”

অতঃপর শয়তান সেখান থেকে তাদের পদস্থলন ঘটালো এবং তারা যেখানে ছিলো সেখান থেকে তাদের কে বের করলো। আর আমরা বললাম, ‘তোমরা একে অন্যের শত্রু রুপে নেমে যাও; এবং কিছু দিনের জন্য তোমাদের  ও জীবিকা রইল জমিনে।”

তারপর আদম তার রবের কাছ থেকে কিছু বাণী পেলেন। অতঃপর আল্লাহ্‌ তার তাওবা কবুল করলেন।নিশ্চয় তিনিই তাওবা কবুলকারী,পরম দয়ালু।


তথ্য সংগৃহীত ইন্টারনেট থেকে।

শুক্রবার, ২ মে, ২০২৫

ইসলামিক স্টোরি:  দাজ্জালের পিতা-মাতার ত্রিশ বছর পর্যন্ত দাম্পত্য জীবন কাটবে কিন্তু তাদের কোন সন্তান হবে না।

 ইসলামিক স্টোরি:

 দাজ্জালের পিতা-মাতার ত্রিশ বছর পর্যন্ত দাম্পত্য জীবন কাটবে কিন্তু তাদের কোন সন্তান হবে না। এরপর তাদের একটি ছেলে সন্তান হবে যার দাঁতগুলো হবে বড় বড়, দেহ হবে অস্বাভাবিক দীর্ঘকায় এবং হালকা গড়নের। তার নাসিকা মোরগের মত দীর্ঘ ও চিকন প্রকৃতির হবে।


দাজ্জাল কোথায় আছে এ নিয়ে মহিলা সাহাবি ফাতিমা বিনতে ক্বায়েস (রা.)বর্ণনা করেন, রাসূল (সা.) মসজিদে নামাজ শেষে মিম্বারে উঠে বললেন, ‘তামিম আদ-দারি ছিল একজন খ্রিস্টান। সে আমার কাছে আগমন করে ইসলাম গ্রহণ করেছে। সে একটি ঘটনা বর্ণনা করেছে, যা তোমাদের কাছে আমার বলা দাজ্জালের ঘটনার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। 


তামিম আদ-দারি বলেছে, কিছু লোককে সঙ্গে নিয়ে আমি একবার সমুদ্রভ্রমণে বের হই। একসময় ঝড়ের কবলে পড়ে দিকভ্রান্ত হয়ে যাই। এক মাস পর্যন্ত সমুদ্রের ঢেউ আমাদের নিয়ে খেলা করতে থাকে। 


পরিশেষে, ঢেউ পশ্চিম দিকের একটি দ্বীপে আমাদেরকে নিয়ে পৌঁছায়। তারপর আমরা ছোট ছোট নৌকায় চড়ে দ্বীপের অভ্যন্তরে প্রবেশ করি। সেখানে এক বিশেষ প্রাণীর সন্ধান পাই। প্রাণীটি স্থূল ও ঘনচুলবিশিষ্ট। কথোপকথনে সে জানাল, সে জাসসাসাহ অর্থাৎ সংবাদ সংগ্রহকারী গোয়েন্দা। বলল, তোমরা ওই ঘরের দিকে যাও সেখানে একজন তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। 


সেখানে আমরা দীর্ঘকায় এক মানবকে শিকলে বাঁধা অবস্থায় দেখতে পেলাম। এমন ভয়ংকর মানুষ আমরা ইতিপূর্বে আর কখনও দেখিনি। তার হাত দু’টিকে ঘাড়ের সঙ্গে একত্রিত করে হাঁটু এবং গোড়ালির মধ্যবর্তী স্থানে লোহার শিকল দ্বারা বেঁধে রাখা হয়েছে। 


সে শুরুতে আমাদের পরিচয় জানতে চায়। আমরা পরিচয় দিলে সে বলে, আমাকে তোমরা ‘বাইসান’ সম্পর্কে সংবাদ দাও। সেখানের খেজুর গাছগুলো কি এখনও ফল দেয়? আমরা জানাই, হ্যাঁ। সে বলে সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন গাছগুলোতে কোন ফল ধরবে না। 


এরপর সে বলল, আমাকে তাবরিয়া উপসাগর সম্পর্কে সংবাদ দাও। সেখানে কি এখনও পানি আছে? বললাম, প্রচুর পানি আছে। সে বলল, অচিরেই সেখানকার পানি শেষ হয়ে যাবে। সে আবার বলল, আমাকে যুগার কূপ সম্পর্কে সংবাদ দাও, সেখানে কি এখনও পানি আছে? বললাম, প্রচুর পানি রয়েছে। লোকেরা সে পানি দিয়ে চাষাবাদ করছে। আমাকে উম্মিদের নবি সম্পর্কে জানাও- সে প্রশ্ন করলে আমরা বলি, 


তিনি মক্কায় আগমন করে বর্তমানে মদিনায় হিজরত করেছেন। আরবরা কি তার সাথে যুদ্ধ করেছে? তার প্রশ্নের জবাবে আমরা বলি, হ্যাঁ। পার্শ্ববর্তী আরবদের উপর তিনি জয়লাভ করেছেন। ফলে তারা তাঁর আনুগত্য স্বীকার করে নিয়েছে। সে বলল, তার আনুগত্য করাই তাদের জন্য ভালো।


এরপর সে বলল, এখন আমার কথা শোনো- আমি হলাম দাজ্জাল। অচিরেই আমাকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। আমি বের হয়ে চল্লিশ দিনের ভেতরে পৃথিবীর সব দেশ ভ্রমণ করব। তবে মক্কা-মদিনায় প্রবেশ করা আমার জন্য নিষিদ্ধ থাকবে। 


এরপর রাসূল (সা.) হাতের লাঠি দিয়ে আঘাত করতে করতে বললেন, এটাই মদীনা, এটাই মদীনা, এটাই মদীনা।


অতঃপর রাসূল (সাঃ) সাহাবিদের লক্ষ্য করে বললেন, ‘তামিম আদ-দারির বর্ণনাটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। তার বর্ণনা আমার বর্ণনার অনুরূপ হয়েছে। 


বিশেষ করে মক্কা ও মদিনা সম্পর্কে। শুনে রাখো! সে আছে সিরিয়ার সাগরে (ভূমধ্যসাগরে) অথবা ইয়েমেন সাগরে। না! বরং সে আছে পূর্ব দিকে, সে আছে পূর্ব দিকে, সে আছে পূর্ব দিকে। এই বলে তিনি পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে দেখালেন।’


[ মুসলিম ]


দাজ্জালের ফিতনায় পড়ে দুর্বল ঈমানের মুমীন তাদের ঈমান হারাবে। ঠিক সে সময় দামেস্ক শহরের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এক মসজিদের সাদা মিনারের উপর ঈসা (আঃ) আকাশ থেকে অবতরণ করবেন। 


মুসলমানগণ তার পার্শ্বে একত্রিত হবে। তাদেরকে সাথে নিয়ে তিনি দাজ্জালের দিকে রওনা দিবেন। ফিলিস্তিনের লুদ্দ শহরের গেইটে দাজ্জালকে পাকড়াও 

করবেন। অতঃপর ঈসা (আঃ) তাকে একটি আঘাত করবেন, যাতে তার মৃত্যু হবে। আর মুসলমানদের হাতে ইহুদীরদল পরাজিত হবে, মুসলিমদের বিজয় হবে।


#islamic #islamicquotes #islamicpost #islam #photopost #দাজ্জাল #photochallenge

স্বামী হিসেবে আমার এখন কি করা উচিৎ? সব স্বামীরা পড়বেন একবার লেখাটা। ,,,,,,,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক( Inbox থেকে)

 স্বামী হিসেবে আমার এখন কি করা উচিৎ? সব স্বামীরা পড়বেন একবার লেখাটা।  

-৪ বছরের রিলেশনের পর বিয়ে হয়েছিল আমাদের। দুই বছর যেতে না যেতেই আমাদের ডিভোর্সের ব্যাপারে কথা চলছে। 


ডিভোর্সের কারণ তার ছেলে বেস্ট ফ্রেন্ড। বিয়ের আগে থেকে ওর বেস্ট ফ্রেন্ডকে আমি পজিটিভই নিতাম। বিয়ের পর একবছর পর্যন্তও পজিটিভ ছিল আমার কাছে। সবাই বলেনা যে ছেলে মেয়ে কখনো বেস্ট ফ্রেন্ড হতে পারেনা। যেটা হয় সেটা লুচ্চামি। আমি এটা আগে বিশ্বাস করতামনা। কিন্তু এখন… 

ওর আমি অনেক কেয়ার নিতাম, সম্মান করতাম, জীবনের থেকেও ভালোবাসতাম। সেজন্যই সে আমারে বিয়ে করেছে। 


আমি চাকুরী করি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে আর সে চাকুরী করে নার্সিং জবে একটা হাসপাতালে (সিক্রেট রাখলাম নাম)। তার বেস্ট ফ্রেন্ডকে নিয়ে আমি জেলাস হতামই মাঝে মাঝে। যখন দেখতাম ওরে নিয়ে সে পোস্ট দিতো, আমার কাছে প্রসংশা করতো। আমি একদিন সরাসরি বলছিলাম তোমার বেস্টফ্রেন্ড এর সাথে মেলামেশা আমার পছন্দ না। এসব নিয়ে ঝগড়া করে আমার সাথে যোগাযোগ ছিলোনা একমাস প্রায়। সে এমনভাবে তার ফ্রেন্ডকে নিয়ে বলতো যেন সে ফেরেশতা। ঝগড়ার পর অনেক রিকুয়েস্টের পর সব ঠিক হয়। মাঝে মাঝে তার বেস্ট ফ্রেন্ডের সাথে বাইকে ঘুরতে যেত এসব অবশ্য শেয়ারও করতো ডে পোস্টে। আমি ভাবছি যা করুক করুক। বিয়ের পর ঠিক করে নেবো। ওর বেস্ট ফ্রেন্ড আবার ওর কলেজ ফ্রেন্ড ছিলো। এখন জবও করে একসাথে। 


বিয়ের আগে একবার সে নার্সিং পরীক্ষার জন্য ঢাকায় গিয়েছিল। আমি বললাম কার সাথে যাচ্ছো। বলছিল তার বান্ধবীদের সাথে। তারপর অনেকদিনপর দেখতে পারি তার ফ্রেন্ডের একটি পিক ওর মেসেঞ্জারে। যেখানে সে ছেলের কাধে মাথা রেখে শুয়ে আছে ট্রেনে, কেবিনে কোলে শুয়ে আছে। এসব দেখে আমার পায়ের নিচে মাটি ছিলোনা বুঝতেছিলাম। তর্ক করছিলো মাথা কাধে রেখে, কোলে রেখে গেছে তো কি হইছে। আমাকে লজিক দেখাইলো ঘুম চলে আসায় এমনটা হতেই পারে পারে ব্লা ব্লা। তো আমি বললমাম তাহলে ঔসময় আমাকে মিথ্যা বলছিলা কেন বান্ধবীর সাথে যাচ্ছো। পরে সে স্বীকার করলো আর মাফ চাইলো আর এমন হবেনা। অনেক ভুল করছে ব্লা ব্লা। তারপর অনেক কিছুর পর বিয়ে হলো আমাদের। এখানে একটা ভালো লাগার ব্যাপার আছে। ওর ইচ্ছে ছিল খুব কম টাকায় কাবিন করে বিয়ে করবে। 


আমাদের দুজনের পরিবারই স্বাবলম্বী। কেউ থেকে কেউ কম না। তার কথাতেই এক লাখ টাকার নগদ কাবিনে আমাদের বিয়ে হলো। ওর ভালো দিকগুলোর শেষ নাই। একটাই সমস্যা ওর বেস্ট ফ্রেন্ড নিয়ে। ওর ফ্রেন্ডদের সাথে চলাফেরা আমার পছন্দ হয়না। সেজন্য আমাকে টক্সিক বলে, বলে আমি নাকি আপডেটেড না। 😅

জীবনে আমি ওর কোন কিছুর অভাব রাখিনি। অনেক ভালোবাসতাম। সে আমার খুব সখের, খুব প্রিয় মানুষ। তাই সবকিছু সহ্য করে মেনে নিয়ে চলতাম। ওর সাথে থাকলেই দুনিয়ার সব ভুলে যেতাম। কোনকিছু আর মনেই থাকতোনা। কিন্তু ১৫ দিনের মধ্যে দুটো ঘটনার কারণে আজ আমরা আলাদা হওয়ার পথে। ডিভোর্সের কথাবার্তা চলতেছে। ঘটনা দুটোই ওর বেস্ট ফ্রেন্ড নিয়ে। ওর ফ্রেন্ড ওরে কি গিফ্ট করছে জানেন? একটি ঘরি, ফেমিনিন ওয়াশ, পিংক লেডি সিক্রেট সোপ, ব্রা, প্যা*ডস। মানে ব্যাপারটা কেমন লাগবে একমাত্র আমার মত ছেলেরা বুঝবে। শুধু কল্পনা করুন আপনার বউকে তার ফ্রেন্ড এসব গিফট করেছে আর আপনি কি করতেন তখন। এসব নিয়ে অনেক ঝগড়া হইছে। সে বলে এসব দেওয়ায় কি এমন হইলো। এই কথা বলায় আমি হাত দিয়ে আ*য়না ভে* ঙে ফেলি। তারপর সে ঠান্ডা হলো আর সিদ্ধান্ত নিলো এগুলো ফেরত দিয়ে দিবে। বেশদিন হয়ে গেলো ফেরত দেয়নি। পরে আমি সব ফেলে দিছি। তাকে বুঝিয়ে বলছি ওর ফ্রেন্ডের সাথে যেন কোন যোগাযোগ না রাখে। অনেক বুঝিয়েছি। বলছে আর রাখবেনা। আমি বলছিলাম যদি দেখি তাহলে খবর আছে। সে সাথে সাথে চেইত্যা বলে কি খবর করবা? তালাক দিবা? সে বলে, ১০ লাখ কাবিন ডিজার্ব করি আর মাত্র ১ লাখে বিয়ে বসছি দেইখা তুমি স্বস্তা মনে করো আমাকে। আমি অবাক হয়ে গেলাম। কই থেকে কি বলে। শুধু একটাই বলছি আমাকে হারাবা সারাজীবনের জন্য আমার অবাধ্য হইলে। সে ও চুপ হয়ে যায়। চলতে লাগলো সুন্দরভাবেই। তার কয়েকদিন পর ওর বান্ধবীর বিয়েতে যায় সে। সেখানে আমি যাই বিয়ের দিন । সে একদিন আগে গেছে। ওর বান্ধবীর ভাইয়ের সাথে পরিচয়ে ফেবুতে যুক্ত হওয়া হয় আমার। বিয়েতে ওর ফ্রেন্ডরে দেখছিলাম। আমার বউকে দেখছি তাকে এড়িয়ে চলতে। 


বিয়ে থেকে আসার বেশ কয়েকদিন পরে বউয়ের বান্ধবীর ভাইয়ের আইডিতে গায়ে হলুদের একটা ভিডিও পাই। ভিডিওতে দেখতে পাই আমার বউকে পেছন থেকে পেটে টাইট করে জড়িয়ে ধরে শুন্যে রেখে গ*লায় আর মুখে হলুদ লাগাচ্ছে তার বেস্ট ফ্রেন্ড। অনেক ধৈর্য্য ধরে চুপ থেকে বাসায় যেয়ে ওর ফোন নেই জোর করে। বলে কি হইছে। বলছি চুপ করে দেখো। তারপর ওর ফ্রেন্ডরে ওর আইডি থেকে এই ভিডিওর লিং*ক দিয়ে বলি দোস্ত অনেক মজা হইছে ঐদিন তাইনা। সে বলে, দিনটা ভুলার মত না। তোর জামাই তো তোরে ঠিকমত খা**তে পারেনা। সাথে লজ্জার ইমোজি দিছে। ভিডিও কল দিছি আর আমাকে দেখেই কে*টে দিছে। 


এরপর থেকে যে ঝামেলা হইছে সেটা আর থামেনাই। ডিভোর্সের কথা বলছি আমি। আমারে ঔ ১ লাখ টাকার কথা শুনায়। রাগে বলছি আরো ৪ লাখ ম্যানেজ করে দিয়ে দিবোনে তোমারে। তাহলে ৫ লাখ কাবিন হবে। সেই থেকে মাফ চেয়েই যাচ্ছে। কিন্তু আমি এখন পাথর হয়ে গেছি এসবের জন্য। আর পারতেছিনা। কি সিদ্ধান্ত নিবো বুঝতেও পারছিনা। এক মাস হলো আলাদা হয়ে গেছি। ডিভোর্স দিবো দুই পরিবারই জানে। তারা আলোচনায় বসতে চাইছে অনেকবার। আমি বসিনাই। আমি এখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি। কি করবো বুঝতে পারছিনা।


- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক( Inbox থেকে)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০টির বেশি রিসার্চ সেন্টার আছে।

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০টির বেশি রিসার্চ সেন্টার আছে। এর মধ্যে একটি রিসার্চ সেন্টার আছে যার নাম Semiconductor Technology Research Centre! হতে পারতো এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় না শুধু দেশের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ সেন্টার। যদিও এর বয়স ৩০-৩৫ কিংবা তারও বেশি হবে তথাপি এটি এখনো এক বা দুই রুম বিশিষ্ট একটি সেন্টার। এর ইমপ্যাক্ট কি? এত বছরে এর গবেষণা আউটপুট কি? এত বছরেও এর কোন নিজস্ব ফ্যাকাল্টি, পোস্ট-ডক ও পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬টি রিসার্চ সেন্টারের মধ্যে এটিও নামকাওয়াস্তে জাস্ট একটা রিসার্চ সেন্টার। কোন ইম্পাক্টফুল রিসার্চ বলতে নাই। অথচ বর্তমান বিশ্বে এই সেমিকন্ডাক্টর রিসার্চ-এ যারা যত বেশি উন্নত সে তত উন্নত। তাইওয়ান এত উন্নত হয়েছে এর পেছনে রয়েছে সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি। আধুনিক প্রযুক্তির মেরুদণ্ড হিসেবে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প আজকের বিশ্বে এক অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, গাড়ি, চিকিৎসা যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়ও সেমিকন্ডাক্টরের উপস্থিতি অপ্রতিরোধ্য। সেমিকন্ডাক্টর হলো এমন এক ধরনের পদার্থ, যা নির্দিষ্ট শর্তে বিদ্যুৎ পরিবাহিত করে, এবং এগুলিই মাইক্রোচিপ ও ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের মূল উপাদান — আধুনিক ডিজিটাল বিপ্লবের ভিত্তি। সেমিকন্ডাক্টর শিল্প শুধুমাত্র প্রযুক্তির ভবিষ্যত নয়, বরং একটি জাতির প্রগতির প্রতীকও। যে দেশ এই শিল্পে নেতৃত্ব দেবে, তারই হবে আগামী দিনের নেতৃত্ব। ভিয়েতনাম এই খাতে তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে অথচ আমরা ব্যয় করছি ঝগড়াঝাটিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক রুম বিশিষ্ট এই সেন্টারটিরও কোন পোস্ট-ডক ফেলো নাই, নিজস্ব পিএইচডি ফেলো নাই। বাজেট নাই, কোন দিক নির্দেশনা নাই। 


এরপর আছে "Bose Centre for Advanced Study and Research in Natural Sciences"! কার নামে এটি? যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কোয়ান্টাম স্ট্যাটিস্টিক্সের জন্মস্থান হওয়ার গৌরব এনে দিয়েছেন, যার নামে একটি কোয়ান্টাম পার্টিকেল আছে, যার সাথে আইনস্টাইনের জড়িয়ে একটা তত্ত্ব আছে সেই সত্যেন বোসের নামে। এত বড় একজন বিজ্ঞানীর নামে সবচেয়ে অবহেলিত এক রুম বিশিষ্ট একটি গবেষণা সেন্টার বানিয়ে আমরা আসলে সত্যেন বোসকে অসম্মান করছি না আমরা যে কত বড় অথর্ব এবং অযোগ্য বিশ্বের কাছে আমরা সেটা প্রমান করছি? এরই মধ্যে বোস সেন্টারের বয়স ৫১ বছর। এইটার আউটপুট কি? তার আগে জানি এর আছে কি? বিজ্ঞান কারখানায় ১ রুমের একটা অফিস আর সেখানে আছে দুইজন কর্মকর্তা/কর্মচারী আর এর পরিচালক। কিছু ছাত্রকে ফেলোশিপ দিয়ে মাসে মাসে তাদের টাকার চেক দেওয়া। পরিচালককে প্রতিদিন এক গাদা স্বাক্ষর করা। এখানে না আছে ইন হাউস পোস্ট-ডক ফেলো, পিএইচডি ফেলো, না আছে নিজস্ব গবেষক। যাদেরকে ফেলোশিপ দেওয়া হয় তারা নিজ নিজ বিভাগে থেকেই গবেষণা করে। এখানে টাকা দেওয়া ছাড়া বোস সেন্টারের আর কোন কাজ নেই। অথচ এই কাজ রেজিস্ট্রার ভবনের কর্মকর্তারাই করতে পারতেন। এর জন্য "Bose Centre for Advanced Study and Research in Natural Sciences" নামক এত বড় একটা নাম দিয়ে সেন্টার করার কোন মানে আছে? 


এরপর আছে ইনস্টিটিউট অফ এনার্জি রিসার্চ যাকে এনার্জি পার্কও বলে। এর বয়স কমপক্ষে ৪০ বছর হবে। এই ৪০ বছরে এর গবেষণা ইমপ্যাক্ট যদি দেখেন আমি নিশ্চিত প্রায় শূন্য। কিছু পিএইচডি এবং গবেষণা পত্র হয়েছে যা গার্বেজ জার্নালে হয়ত প্রকাশিতও হয়েছে। কিন্তু আমি নিশ্চিত কোন ইম্পাক্টফুল কাজ গত ৪০ বছরে হয়নি। সোলার এনার্জির উপরে এর কাজ দিয়েই এই সেন্টারের যাত্রা শুরু কিন্তু সোলার এনার্জির উপর গবেষণায় তেমন কোন ইমপ্যাক্টফুল কাজ আজ পর্যন্ত হয়নি। হবে কিভাবে? এর কি নিজস্ব পোস্ট-ডক আছে? পিএইচডি ছাত্র আছে? নিজস্ব ফ্যাকাল্টি আছে? কোন একটি বিভাগ থেকে ১ জনকে এনে পরিচালক বানালেই কি গবেষনা হতে থাকবে? 


আর সেন্টারগুলোর নাম না হয় নাই বললাম। সবগুলোই নামকাওয়াস্তে। এতগুলো সেন্টার রাখার কি যুক্তি আছে? গত ১০ বছরে এই সেন্টারগুলোর কোনটি কি রিসার্চ করেছে তার একটা ডাটা নিয়ে ৫৬টি রিসার্চ সেন্টার থেকে ৬টি রিসার্চ সেন্টার রাখা যেতে পারে। আমরা সংখ্যার পেছনে আর কত দৌড়াবো? মানের পেছনে কেন দৌড়াই না? এতগুলো সেন্টার রাখা হয়েছে এতগুলো পরিচালক বানানোর জন্য। আমাদের দেশের মানুষেরা পদ পেতে খুব ভালোবাসে। তাই সবাই পদের পেছনে দৌড়ায়। পদ পেয়ে দুর্গন্ধ ছড়ানো ছাড়া এই পদের আর কোন কাজ আছে বলে আমি মনে করিনা। ভেবেছিলাম ৫ই আগস্টের পর পরিবর্তন আসবে। আসেনি। আর আসবে বলেও মনে হয় না। 


আজ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ভিসি সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ন্যূনতম ৫০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হবে। সেই টাকা দিয়ে আন্তর্জাতিক মানের বেতন ও বিশেষ সুবিধা দিয়ে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে তাদের অধীনে পোস্ট-ডক ও পিএইচডি ফেলো দিয়ে বিশ্বমানের গবেষণার পরিবেশ তৈরী করতে হবে। শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও উন্নত থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারতো। ক্যাম্পাসের পরিবেশ উন্নয়নে ব্যয় করতে পারতো। উন্নত বেতন দিয়ে রেজিষ্ট্রেরভবনের জন্য দক্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে ছাত্রছাত্রীবান্ধব প্রশাসন তৈরীতে ব্যয় করতে পারতো। শিক্ষকদের ভালো বেতন দিয়ে সকল প্রকার পার্ট টাইম নিষিদ্ধ করে শিক্ষকদের কেবল নিজ ক্যাম্পাসে থেকে আপন ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া ও গবেষণায় মনোনিবেশ করাতে সময় দিতে পারতো। মনে রাখতে হবে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোন দেশ উন্নত হতে পারেনি। এইটাই যদি জানি তবে এইটা করি না কেন?

বউয়ের প্রকারভেদ:

 এর আগে দিয়েছিলাম স্বামীর প্রকারভেদ। অনেকেই বলেছিলেন, বউয়েরটা কোথায়? তাই এবারে খুঁজে বের করেছি বউয়ের প্রকারভেদ:


১. লক্ষ্মী বউ: আবহমান বাংলার চিরায়ত আদর্শ ব‌উ আমাদের লক্ষ্মী বউ। এই বউ সুকুমার রায়ের ছড়ার সাপের মতোই: “করে নাকো ফোঁস ফাঁস, মারে নাকো ঢুঁশ ঢাঁশ, নেই কোনো উৎপাত, খায় শুধু দুধ ভাত!” লক্ষ্মী বউ অল্পতেই খুশি। জামাইয়ের কাছ থেকে তার কোনো বাড়তি ডিমান্ড নেই। সারাদিন বাসার টুকটাক কাজ করবে, ড্রয়িংরুম বেডরুম বারবার গোছাবে, গেস্ট আসলে হাসিমুখে তাদের আপ্যায়ন করবে, কাজের লোককে দিয়ে না করিয়ে অনেক কাজ নিজেই করে ফেলবে, রান্নাঘরে তার দক্ষতার ছাপ রাখবে এবং পরিশেষে স্বামীকে ব্যাপক ভালোবাসবে। লক্ষ্মী বউ দুর্লভ প্রজাতির, এদের দেখা আজকাল শুধু পুরনো বাংলা ছবি বা নাটকেই পাওয়া যায়। 


২. রাগী বা মেজাজী বউ: খ্যাঁচখ্যাঁচ, খিটপিট, কটমট শব্দগুলো এই বউয়ের জন্যই তৈরি হয়েছিল। সকালে উঠেই কাজের মহিলার সাথে খ্যাঁচখ্যাঁচ, এরপর বাচ্চাকে নিয়ে স্কুলে যেতে যেতে রিকশাওয়ালার সাথে এক প্রস্থ, স্কুল থেকে ফিরে আসার সময় হালকা বাজার সদাই করতে গিয়ে দোকানদারকেও একচোট। বাসায় ঢুকে বাচ্চাদের পড়াতে বসে তাদের ওপর দিয়েও সিডর বওয়াবেন রাগী বউ। দিনের শেষ ডোজটা বরাদ্দ জামাইয়ের জন্য, বাসায় ঢোকামাত্রই:


“কারেন্টের বিল দেয়া হয় না কয় মাস হুঁশ আছে?”


“সারাদিনতো বাসায় থাক না, আমার ওপর দিয়ে কি যায় বোঝো?”


“তোমার মা! উফফ্! অসহ্য একটা মহিলা!!”


“তাহলে আগে বলে দিলেই পারতে! ১৪ বছর সংসার করতে গেলে কেন?”


"তোমার ১৪ গুষ্টির ভাগ্য, আমার মতো বউ পেয়েছ!"


এদের স্বামীদের বউয়ের গঞ্জনা শুনতে শুনতে তাকে কিছু বলার ক্ষমতা কমতে কমতে একটা সময় চলেই যায়। খুবই অসহায় এদের জীবন।


৩. হস্তিনী বউ: হস্তিনী বউয়ের হাতি হয়ে ওঠার পেছনে তার স্বাস্থ্যের কোনো সম্পর্ক নেই। এই বউ ঘরে রাখা অনেকটা হাতি পালার মতো। মাসের শুরুতেই সে জামাইয়ের মানিব্যাগটিতে অধিকার স্থাপন করে তা অধিগ্রহণ করবে। খরচের ব্যাপারে সে হিসেবের ধার ধারবে না। মাসের মধ্যে ১৪ বার শপিংয়ে গিয়ে তার ক্ষান্তি নেই। হাতি যেমন গ্রামে হানা দিয়ে বনের ভেতরে শস্য নিয়ে যায়, তেমনি হস্তিনী বউ স্বামীর সংসারের টাকা সুন্দরভাবে বাবার সংসারে মানি লন্ডারিং করে দেবে।  


৪. সুন্দরী বউ: এই বউ সুন্দরী এবং এটাই তার সমস্যা। সুন্দরী বউ যদি বিনয়ী হয় তবেও সমস্যা, আর দেমাগী হলে তো কথাই নেই। সুন্দরী বউয়ের রূপের দেমাগ থাকলে পুরো শ্বশুরবাড়ি, বিশেষত ননদ ও জাকুলের সাথে ঠান্ডা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। আর যদি রূপ নিয়ে কোন গর্ব না-ও থাকে, তবুও অকারণে অনেক কথাই শুনতে হয়। পান থেকে চুন খসলেই রূপের কথা তুলে খোঁটা দেয়া হয়:


“হুঁ, সুন্দর বউ ঘরে নিয়ে আসছে। তাকে তো আবার কিছু বলা যাবে না!"


“বউ সুন্দর হলেই হয় না শুধু, সাথে সংসারের কাজকামও কিছু করতে হয়।"


“সারাজীবন কি রূপচর্চা করেই কাটবে?”


“রূপ ধুয়ে কি জল খাবে?” (স্বামীর উদ্দেশ্যে শ্বশুরবাড়ির লোকজন) 


৫. চিরযৌবনা বউ: তার বয়স হয়েছে, কিন্তু সৌন্দর্য্যে লেশমাত্র ছাপ পড়েনি। অন্যান্য মহিলারা যেখানে ফুলেফেঁপে উঠছেন, চামড়ায় ভাঁজ পড়ছে, সেখানে চিরযৌবনা বউ দিন দিন শুকাচ্ছেন, আরও সুন্দর হচ্ছেন! জামাইকে নিয়ে কোনো পার্টিতে গেলে লোকে তাদের দেখে বাবা মেয়ে ভাবছে – এমন ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়। চিরযৌবনা বউয়ের পরকীয়ার ব্যাপারে জামাইরা সাধু সাবধান!


৬. সন্দেহবাজ বউ: এই বউ শুধু জামাইকে সন্দেহ করে। সে কোথায় যায়, কি করে, কি খায়, কাদের সাথে ওঠাবসা করে সব খবর তার চাই। ৫ মিনিটের জন্য ফোন বিজি পেলেই তার কড়া জিজ্ঞাসা, “কার সাথে কথা বলছিলে?” ফোন দিয়ে সর্বদা স্বামীর খোঁজ খবর নিতে ভালোবাসেন। শার্টের কলারে চুল আর লিপস্টিকের দাগ খোঁজা তার রোজকার অভ্যাস। নিষ্পাপ স্বামীদের এমন বউরা প্রতিবাদী করে তোলেন। স্বামীরা ভাবেন – কিছু না করেই যখন এত কিছু শুনছি, তার চেয়ে ভালো কিছু করে তবে শুনি।  


৭. বৌ-মা: এই বউ 'বউ' কম, মা বেশি। সব সময় স্বামীর ওপর একটা গার্জিয়ানগিরি ফলানোর চেষ্ট‍া সে করবে। সারাক্ষণ এটা খাবে না, ওটা ধরবে না, বেশি বুঝো না তো – এসব বলবে এবং স্বামীকে সার্বক্ষণিক শাসনের ভেতরে রাখবে।  


৮. নিঃসঙ্গ বউ: এই বউয়ের স্বামী বিয়ে করে তাকে গ্রামের বাড়ি রেখে গেছে বা দেশের বাইরে গেছেন। নিঃসঙ্গ বউয়ের জীবন খুব কষ্টের। স্বামী কবে ফিরবেন – দিন গোনা যেন শেষ হয় না তার! দিনের মধ্যে অসংখ্যবার ক্যালেন্ডার দেখে! জামাইয়ের সাথে কথা বলতে যোগাযোগের কোনো মাধ্যমই বাদ দেন না। অনেক ক্ষেত্রে এমন বউরা প্রতারণার শিকার হন, যখন জামাই শহরে ও বিদেশে আরেকটি বিয়ে করে। অনেকে আবার স্বামীর অপেক্ষা সহ্য করতে না পেরে নিজেই পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে যান।


৯. আত্মকেন্দ্রিক বউ: নিজেকে নিয়েই পুরোটা সময় ব্যস্ত থাকেন আত্মকেন্দ্রিক বউ। বাসার রান্নাবান্নার পুরো দায়িত্বটা কাজের মেয়েকে বুঝিয়ে দিয়েছেন, আর ছেলেমেয়ের পড়াশোনা কোচিং সেন্টারকে। অবসর সময়টা কাজে লাগান টিভিতে সিরিয়াল দেখে আর রূপচর্চা করে। যৌথ পরিবারের ক্ষেত্রে বাড়ির অন্য বউদের মতো সংসারের কোনো কাজে কর্মে তার কোনো অংশগ্রহণ থাকে না। এর জন্য যে লোকে তাকে খারাপ ভাবছে তাতেও তার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এমন বউরা খুব বেশিমাত্রায় বহির্মুখী হন।  


১০. হাই স্ট্যাটাস বউ: এই বউ জামাইকে পদে পদে ও হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দেবে সে কোন ফ্যামিলির মেয়ে, সেখানে কি কি হতো, যা তার (স্বামীর) সংসারে হয় না। এই বউ সব সময় জামাইকে বলবে, বাটার ছাড়া কোনো দিন সে সকালে নাস্তা করে নাই, বিয়ের পর সে (স্বামী) যে চাকরিটা পেয়েছেন সেটাও তার বাবার কল্যাণে, ঘরের আসবাবপত্র সবই তার বাপের বাড়ি থেকে আসা ইত্যাদি ইত্যাদি।


১১. হতাশাগ্রস্থ বউ: এই বউয়ের আফসোস আর দুঃখের সীমা নেই। স্বামীর সংসারে এসে সে কিছুই পায়নি। কত শখ ছিলো বিয়ের পর সুইজারল্যান্ড যাবে, প্রতি মাসে একট নতুন শাড়ি হবে, নিজের একটা ফ্ল্যাট হবে, ছেলেমেয়েরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়বে, আরো কত কি! উঠতে বসতে স্বামী বেচারাকে সেইসব হতাশামাখা বাণী শুনতে হয়। 


১২. হিংসুটে বউ: হিংসুটে বউয়ের সবকিছুতেই হিংসে, সবার সাথেই হিংসে। এই বউকে তার জামাই আর্থিক বা মানসিকভাবে কোনকালেও সুখী করতে পারবে না। আর বউয়ের নজর শুধু কার বউ ৭০ হাজার টাকা দিয়ে শাড়ি কিনলো, জা ননদরা কে কি করল! সারাদিন শুধু এইসব নিয়েই আলোচনা আর ফিসফাস। 


১৩. প্যাঁচালো বউ: এই বউ সংসারে অশান্তি বয়ে আনেন – তার কথাবার্তা, আচার আচরণ, কূটচাল আর কুটনামির স্বভাব দিয়ে। স্বামীর কানে শ্বাশুড়ির নামে বদনাম করেন আর শ্বাশুড়ির সামনে ছেলের। ‘এর কথা ওকে’ আর ‘ওর কথা একে’ বলে বেড়ানো তার স্বভাব। কথা ছড়ানোর সময় দু চার পরত রং মাখাতেও ছাড়েন না প্যাঁচালো বউ।


১৪. পানসে বউ: কোনো কিছুর প্রতিই এই বউয়ের বিশেষ কোন আগ্রহ দেখা যায় না। স্বামী অনেক শখ করে তার জন্য কিছু একটা করলে বা উপহার দিলেও “হ্যাঁ, সুন্দর” ব্যাস এটুকু বলেই শেষ। এই সামগ্রিক আগ্রহের ‍অভাবে শুধু স্বামী নয়, সন্তানদের সাথেও পানসে বউয়ের একটা দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তাকে কেউ ঘাঁটায় না, সেও কাউকে ঘাঁটায় না। 


১৫. বাপের বাড়ি প্রিয় বউ: বছরের মধ্যে ১০ মাসই এই বউ বাপের বাড়ি থাকেন! কদাচিৎ শ্বশুড়বাড়িতে গিয়ে তাদের কুশলাদি জেনে আসেন। বউয়ের কারণে জামাইকেও অনেকটা সময় শ্বশুরবাড়িতে কাটাতে হয়। সাধারণত নিজের মা বাবার পরামর্শেই তিনি এমনটা করেন।


১৬. ঘরজামাইয়ের বউ: ঘরজামাই যেমন দুর্বলচিত্তের, তার স্ত্রী ঠিক ততোটাই শক্ত ও কড়া মানসিকতার। ঘরের বাজার সদাই থেকে শুরু করে বাচ্চাকে স্কুলে আনা নেওয়া সবই তিনি ঘরজামাইকে দিয়ে করান। আর মুহূর্তে মুহূর্তে মনে করিয়ে দিতে ভোলেন না – এই বাড়িটা কার বাবার!  


১৭. সেলিব্রিটির বউ: সেলিব্রিটিদের বউ দু ধরনের হন। যদি বউ নিজেও সেলিব্রিটি হন, তবে স্বামীর সার্বক্ষণিক নারীসঙ্গ তাকে তেমন একটা প্রভাবিত করে না। কারণ তিনি নিজেও পুরুষসঙ্গে আসক্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু বউ যদি সাধারণ হন, তবে এগুলো সহ্য করা খুব কষ্টের হয়ে যায়। স্বামীর বেপরোয়া জীবন নিয়ে কিছু বলার ক্ষমতা কমতে কমতে একটা সময় চলেই যায়।


১৮. কর্মজীবী বউ: কর্মসূত্রে অনেকটা সময়ই বাসার বাইরে থাকতে হয় কর্মজীবী বউকে। আর তাই বাচ্চার দেখভাল সহ সাংসারিক নানা কাজে খুব কমই সময় দিতে পারেন। অধিকাংশ পরিবারেই বিষয়টিকে অত্যন্ত নেগেটিভভাবে নেয়া হয়। স্বামীর সমস্যা না থাকলেও সমস্যা থাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে। সেই চাপে অনেক সময় কর্মজীবী বউদের চাকরী ছেড়ে সংসারমুখী হতে হয়। আর শক্ত মানসিকতার অনেকে দীর্ঘদিন লড়াই চালিয়ে হয় জয়ী হন, নতুবা শেষ পন্থা হিসেবে সেপারেশনে চলে যান। 


১৯. তিড়িং বিড়িং বউ: এই বউ সবকিছুতেই খুব উৎফুল্ল গোছের। বিয়ের পরে সমাজ যে ধরনের গাম্ভীর্য আশা করে তার অনেক কিছুই এর মধ্যে অনুপস্থিত। সাধারণত কমবয়সী মেয়েরা বউ হয়ে ঘরে এসে তাদের বয়সী কোনো দেবর/ননদ পেলে এমনটা হয়ে থাকে। সাংসারিক রীতি রেওয়াজ বজায় রেখেই চলে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক। এমন বউরা বেশ খোলা মন এবং বিস্তৃত চিন্তার অধিকারী হয়ে থাকেন।  


২০. ভাবী বউ: এই বউ প্রচলিত ‘ভাবী কালচার’ এর মধ্যে বসবাস করেন। বাচ্চার স্কুল বা কোচিং হোক, ‍পাশের বাসার গৃহিণী হোক কিংবা হোক না কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান – ভাবী কালচার চলছে চলবে! কোন ভাবীর জামাই কত হাজার টাকার শাড়ি কিনে দিল, কোন ভাবীর বাচ্চা কয়টা কোচিং করে, কোন সিরিয়ালে কোন নায়ক নায়িকা হাত ধরে কি বলেছে, কার শ্বাশুড়ির আচরণে কি সমস্যা, কার বুয়া কার হাত ধরে ভেগেছে – আলোচনার কি আর শেষ আছে? 


২১. কাঁঠালের আঠা/এঁটেল বউ: স্বামী তাকে নির্যাতন করে, মারধর করে, শারীরিক/মানসিক হেন কোনো যন্ত্রণা নেই যা শ্বশুরবাড়ির লোকজন দেয়নি – তবু সন্তানের জন্য বা লোকলজ্জার ভয়ে সংসার ধরে রেখেছেন বা রাখছেন এই বউ। অত্যাচার সইতে না পেরে শতবার বাপের বাড়ি গিয়েছেন, আবার ফিরেছেন। লক্ষ্মী বউয়ের মতই ইনিও এক অর্থে আবহমান বাংলার চিরাচরিত বউ।


#সংগৃহীত #স্বপ্নকুটির_A_House_of_Love

প্রোস্টেট ক্যান্সার সচেতনতা

 ⭕প্রোস্টেট ক্যান্সার সচেতনতা


 প্রোস্টেট ক্যান্সার পুরুষদের সবচেয়ে সাধারণ ক্যান্সারের ধরনগুলির মধ্যে একটি এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের পরে পুরুষদের ক্যান্সারের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ।


তথ্য অনুসারে, ৯ জনের মধ্যে ১ জন পুরুষ তাদের জীবদ্দশায় প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সচেতনতা মাস অপরিহার্য. এটি পুরুষদের উপসর্গ শনাক্ত করতে শিক্ষিত করবে এবং তাদের ডাক্তারদের সাথে আলোচনা করতে এবং অসংখ্য জীবন বাঁচাতে উৎসাহিত করবে।


⭕প্রোস্টেট ক্যান্সার কী?


প্রোস্টেট ক্যান্সার হয় যখন শরীরের কোষগুলি নিয়ন্ত্রণের বাইরে বাড়তে শুরু করে। অনেক কারণ এই বৃদ্ধির জন্য দায়ী যেমন ডিএনএ মিউটেশন, জেনেটিক ডিসঅর্ডার বা লাইফস্টাইল ফ্যাক্টর। এই বৃদ্ধি আমাদের শরীরের যেকোনো অংশে হতে পারে এমনকি শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। প্রোস্টেট ক্যান্সার হয় যখন প্রোস্টেট গ্রন্থির কোষগুলি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। প্রোস্টেট গ্রন্থি একটি ছোট আখরোট আকৃতির গ্রন্থি। এটি সেমিনাল তরল তৈরি করে যা শুক্রাণুকে পুষ্ট করে এবং পরিবহন করে। প্রোস্টেট গ্রন্থি নীচে অবস্থিত থলি এবং মলদ্বারের সামনে।


সাধারণত, প্রোস্টেট ক্যান্সার ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়, এবং এটি গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে না, তবে এটি রক্ত ​​​​বা লিম্ফ নোডের মাধ্যমে হাড়ের মতো শরীরের অন্যান্য অংশে ভ্রমণ করতে পারে এবং তাদের বৃদ্ধি করতে পারে, যার ফলে মারাত্মক ক্ষতি হয়। যদিও কিছু ধরণের প্রোস্টেট ক্যান্সার খুব ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং শুধুমাত্র ন্যূনতম চিকিত্সার প্রয়োজন হয়, কিছু অন্যান্য আক্রমণাত্মক হতে পারে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। অন্য যেকোনো ক্যান্সারের মতো, প্রোস্টেট ক্যান্সারের ক্ষেত্রে সফল চিকিৎসার চাবিকাঠি হল প্রাথমিক সনাক্তকরণ।


⭕প্রোস্টেট ক্যান্সারের লক্ষণগুলি


প্রোস্টেট ক্যান্সারের লক্ষণ প্রাথমিক পর্যায়ে দেখা যায় না। এটি লক্ষ করা গুরুত্বপূর্ণ যে প্রোস্টেট ক্যান্সারের বেশিরভাগ উপসর্গ এবং একটি বর্ধিত প্রোস্টেট গ্রন্থি একই রকম হতে পারে। অতএব, নিম্নলিখিত উপসর্গগুলির মধ্যে কোনটি বিদ্যমান থাকলে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করার পরামর্শ দেওয়া হয়:


প্রস্রাব বা বীর্যে রক্ত।ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রবণতা এবং প্রস্রাবের সময় ব্যথা।নিম্ন শ্রোণী অঞ্চলে নিস্তেজ ব্যথা।ইরেক্টাইল ডিসফাংশন।হাড় বা পিঠের নিচের অংশে ব্যথা।ব্যাখ্যাতীত ওজন এবং ক্ষুধা হ্রাস।


⭕প্রোস্টেট ক্যান্সারের কারণ


প্রোস্টেট ক্যান্সারের সঠিক কারণ এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। গবেষণা ব্যাপকভাবে পরিচালিত হচ্ছে, কিন্তু এটি কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ নিয়ে আসতে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু প্রোস্টেট ক্যান্সারের সাথে যুক্ত বেশ কিছু ঝুঁকির কারণ রয়েছে।


ঝুঁকির কারণ বয়স প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি আপনার বয়সের সাথে বৃদ্ধি পায়। 

রেস: যে কারণে এখনও বৈজ্ঞানিকভাবে পাওয়া যায়নি, আফ্রিকান আমেরিকানদের প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেশি। তাদের প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা সাধারণ জনগণের তুলনায় ১.৫ গুণ বেশি এবং এর কারণে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা দুই গুণ বেশি।পারিবারিক ইতিহাস: আপনার পরিবারের কোনো সদস্যের এটি থাকলে আপনার প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ২ থেকে ৩ গুণ বেশি।

জিন: যদি আপনার পরিবারে জিনের ইতিহাস থাকে যেমন BRCA1 বা BRCA2 যা ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ায় বা আপনার যদি স্তন ক্যান্সারের একটি শক্তিশালী পারিবারিক ইতিহাস থাকে তবে আপনার প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

স্থূলতা: স্থূল পুরুষদের পর্যায় ৩ বা পর্যায় ৪ প্রোস্টেট ক্যান্সার নির্ণয়ের সম্ভাবনা বেশি।


⭕প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ


প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধের কোন সুনির্দিষ্ট উপায় নেই। কিছু ঝুঁকির কারণ যেমন জাতি, জেনেটিক মিউটেশন আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। কিন্তু কিছু কারণ প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে। আপনি যদি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন তাহলে এই বিষয়গুলো অনুসরণ করলেও আপনার উপকার হবে। এইগুলো:


ফল এবং সবজি পূর্ণ একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য নির্বাচন করুন।পরিপূরকগুলির চেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া।স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা।প্রোস্টেট ক্যান্সারের উচ্চ ঝুঁকিযুক্ত পুরুষরা তাদের ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করার পরে 5- আলফা-রিডাক্টেস ইনহিবিটর নিতে পারেন।


⭕প্রস্টেট ক্যান্সার চিকিত্সা


প্রোস্টেট ক্যান্সারের জন্য চিকিত্সা একটি জটিল প্রক্রিয়া হতে পারে কারণ কিছু ক্যান্সার খুব ধীর গতিতে বৃদ্ধি পায় যে চিকিত্সার প্রয়োজন নাও হতে পারে, আবার কিছু কিছু দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে এবং জীবন-হুমকি হতে পারে। চিকিত্সা নির্ভর করবে আপনার ক্যান্সারের পর্যায় এবং গ্রেড, ঝুঁকির বিভাগ, বয়স, স্বাস্থ্য এবং চিকিত্সা সম্পর্কিত আপনার ব্যক্তিগত পছন্দের মতো বিষয়গুলির উপর।


আপনি চিকিত্সা শুরু করার আগে একটি দ্বিতীয় মতামত পেতে সবসময় পরামর্শ দেওয়া হয়। চিকিত্সার অনেকগুলি বিকল্প উপলব্ধ রয়েছে এবং সেইজন্য প্রক্রিয়াটির তাত্ক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করা একটি অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।


⭕প্রোস্টেট ক্যান্সার সচেতনতা জন্য প্রয়োজন


প্রোস্টেট ক্যান্সারের পাঁচ বছরের বেঁচে থাকার হার ৯৯ শতাংশের বেশি, যা দেখায় যে এটি প্রাথমিকভাবে নির্ণয়ের মাধ্যমে বেশিরভাগই নিরাময়যোগ্য। তবে এই প্রতিবেদনটি প্রোস্টেট ক্যান্সারকে হালকাভাবে নেওয়ার জন্য নয় কারণ ক্যান্সারকে উপেক্ষা করলে এটি মেটাস্টেসাইজিং এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতি বিপজ্জনক হতে পারে। খুব দেরি হওয়ার আগে লক্ষণগুলিকে তাড়াতাড়ি চিনতে এবং সঠিকভাবে নির্ণয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ প্রোস্টেট ক্যান্সারের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন প্রায় ৮৮ জন পুরুষ মারা যায়। এই সংখ্যাগুলি রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতার প্রয়োজনীয়তার উপর আলোকপাত করে, যার জন্য সারা বিশ্বে ক্যান্সার সংস্থাগুলি সেপ্টেম্বরকে প্রোস্টেট ক্যান্সার সচেতনতা মাস হিসাবে পালন করছে।


ডাঃ মাহমুদ-উর-রহমান মাসুদ 

ইউরোলজিস্ট 

ল্যাপারো- এন্ডোসকপিক ও রিকন্সট্রাক্টিভ সার্জন

বাঙালির বহুমাত্রিক বিনোদনের এক রসালো উপকরণ পাওয়া যায় পাবলিক টয়লেটে। 

 বাঙালির বহুমাত্রিক বিনোদনের এক রসালো উপকরণ পাওয়া যায় পাবলিক টয়লেটে। এই ‘টয়লেট’ শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ একাধিক। এর মধ্যে গণব্যবহৃত সুপ্রচলিত শব্দ-পায়খানা।  এই শব্দটি নিয়ে নজরুল ব্যঙ্গ করে বলেছেন, ওটির নাম হওয়া উচিত ছিলো, ‘যায়খানা’। কারণ ওখানে খানা যায়, খানা পাওয়া যায় না!


 যাই হোক, বাংলা অভিধান বলে, ‘পায়খানা’ শব্দটি ফারসি-‘পায়েখানাহ্’ শব্দ থেকে এসেছে। কিন্তু আমার কেন যেন মনে হয়, ‘পায়ু’ শব্দটির সঙ্গে ‘পায়খানা’-এর কোথায় যেন মিল আছে এবং তাতে কেবল ধ্বনিগত নয়, অর্থগত ও ভাবগত মিলও আছে। পায়ু মানে তো গুহ্যদ্বার- প্রাণীদেহের কঠিন বর্জ্য নির্গত হওয়ার পথ। তাই ব্যাকরণসিদ্ধ না হলেও আমার কেন যেন মনে হয় সেই পায়ু থেকেই পায়খানা শব্দটির জন্ম।


পায়ুপথে মানবদেহের দুর্গন্ধময় যে কঠিন বর্জ্য বের হয় তার সর্বপরিচিত নাম- ‘গু’। এর যে প্রতিশব্দ এই মুহূর্তে মনে পড়ছে তা হলো : বিষ্ঠা, মল, পুরীষ। এগুলো সংস্কৃত শব্দ। পায়খানাকেও আমরা মলের প্রতিশব্দ হিসেবেও ব্যবহার করি। ইতর প্রাণীর মলের আবার অন্য নাম। পাখির মলকে গ্রামের মানুষ ‘বিষ্ঠা’ বলে। আর পশুর মলকে বলে ‘ল্যাদা’। বিট ক্ষুদ্রার্থে আর ল্যাদা বৃহদার্থে ব্যবহৃত হয়। তবে গরুর মলকে বলা হয় গোবর। রস করে ছাগলের মলকে বলা হয়, ছাগলের বড়ি বার নাদি! 


মলত্যাগের স্থানকে শিক্ষিত-ভদ্রলোকেরা সুন্দর-সুন্দর নামে ডাকে-টয়লেট, বাথরুম, শৌচাগার, প্রসাধনকক্ষ ইত্যাদি। কিন্তু বিদ্যালয় বা হিমালয়ের মতো কেউ তাকে মলালয় বা বিষ্ঠালয় বলে না।


পাবলিক টয়লেটকে আমরা বাংলায় বলি, গণশৌচাগার। এই গণশৌচাগার এদেশে কেবল অপরিচ্ছন্ন, দুর্গন্ধময় এবং ব্যবহার অযোগ্যই থাকে না, তাতে মজার মজার ‘বাণী’ও লেখা থাকে। এসব ‘বাণী’ কোনো কথাশিল্পী বা মহাজনরা লেখেন, তা আমরা জানি না। কিন্তু তাতে পাওয়া যায়, বাঙালির রসবোধের পরিচয়। সাধারণ বাঙালি যে এতো চিন্তাশীল, রসিক ও শিল্পগুণসম্পন্ন কথাসরিৎসাগর, তার সরস পরিচয় পাওয়া যায় গণশৌচাগারের দেয়াল ও দরোজার দিকে তাকালে।


: ভোগে নয়, ত্যাগেই শান্তি! : ডানে দেখুন। ডানে লেখা ছিলো...বামে দেখুন। বামে লেখা...পেছনে দেখুন। পেছনে লেখা...ওপরে দেখুন। ওপরে লেখা ছিলো... ঐ মিয়া, টয়লেটে বইয়া এতো মোচড়া-মুচড়ি করেন ক্যান? 


: আপনার হাগু আপনার সম্পদ। দয়া করে অন্য কারো জন্য ফেলে যাবেন না।


 : আপনার ত্যাগকৃত মল কোনো শিল্পকর্ম নয়। তাই অন্যকে প্রদর্শনের জন্য রেখে যাবেন না।


 : ওগো মহাজ্ঞানী, মুতিয়া লইও পানি।


 : তুই যে লাটের বেটাই হইস না ক্যান... আমার সামনে আইলে তোর পাজামার গিট্টু খোলা লাগবোই।


 : হাই-কমোড ঠিকমতো ব্যবহার করতে না পারায় একটি দরোজায় লেখা ছিলো : আপনি যদি পা ঝুলাইয়া বসিয়া এই লেখা স্বাচ্ছন্দ্যে পড়িতে পারেন, তবে আপনি সঠিক অবস্থানেই বসিয়াছেন। 


: টয়লেট কি তোর বাপের? ঢুকলে আর বাইর হইতে মন চায় না! 


: যাহা ফেলিয়া যাইতেছেন তাহা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত সম্পদ হইলে সঙ্গে করিয়া নিয়া যান। না হইলে এক বদনা পানি ঢালিয়া যান। 


:ওহে মহাজ্ঞানী, কর্ম করিয়া ঢালিও পানি। যে সবে হাগিয়া প্যানে না দেয় পানি/সে সবে কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।/হাগার জন্য সবাই বাঁচে, হাগায় নেইকো পাপ,/হেগেছে আমার ঠাকুরদাদা, হেগেছে আমার বাপ। 


টয়লেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট আসছে।।। 


😅😅😅

ডা: সাইদ

লালমনিরহাটের এক অজপাড়াগাঁয়ে ছিল পুরনো এক ডিসপেনসারি।

 লালমনিরহাটের এক অজপাড়াগাঁয়ে ছিল পুরনো এক ডিসপেনসারি। বহু বছর আগে সেখানে রফিক সাহেব নামে এক ডাক্তারবাবু কাজ করতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত দয়ালু আর রোগীদের জন্য নিজের জীবন বাজি রাখতেও রাজি ছিলেন। কিন্তু এক ভয়াবহ কলেরার মহামারীর সময় রোগীদের সেবা করতে গিয়ে নিজেই সেই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

তারপর থেকে গ্রামের মানুষজন ঐ ডিসপেনসারিতে আর যেত না। তাদের বিশ্বাস ছিল, ডাক্তার রফিক সাহেবের আত্মা ওখানে আজও ঘুরে বেড়ায়। রাতের অন্ধকারে নাকি শোনা যেত তাঁর ক্লান্ত পায়ের শব্দ, আর ভেসে আসত চাপা কাশির আওয়াজ। কেউ কেউ তো আবছা আলোয় তাঁর ছায়া দেখতেও পেয়েছে বলে দাবি করত, হাতে পুরোনো দিনের একটা ব্রিফকেস।

একদিন গভীর রাতে, গ্রামের এক বৃদ্ধা রহিমার হঠাৎ বুকে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হলো। গ্রামে আর কোনো ডাক্তার ছিল না, আর বর্ষার রাতে শহরে যাওয়াও ছিল অসম্ভব। বাধ্য হয়ে রহিমার ছেলে কাশেম সেই পুরনো ডিসপেনসারির দিকে রওনা হলো, মনে ভয় আর desperation দুটোই কাজ করছিল।

ডিসপেনসারির দরজা ছিল বহু বছর ধরে বন্ধ, মরচে ধরে গিয়েছিল কড়া। কাশেম ধাক্কা দিতেই ক্যাঁচ করে দরজা খুলে গেল। ভেতরে ঘুটঘুটে অন্ধকার আর স্যাঁতস্যাঁতে গন্ধ। কাশেম টর্চলাইট জ্বালালো। ভাঙা চেয়ার, ধুলো জমা টেবিল, আর ওষুধের খালি শিশি-বোতল ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। হঠাৎ কাশেমের মনে হলো যেন কেউ তার পেছনে দাঁড়িয়ে আছে।

সে চমকে ঘুরে তাকালো, কিন্তু অন্ধকারে কিছুই দেখতে পেল না। তবে একটা ঠান্ডা বাতাস তার গা ছুঁয়ে গেল, আর সেই চাপা কাশির শব্দটা যেন আরও কাছে ভেসে এলো। কাশেমের গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেল। সে কোনোমতে বললো, "কে... কে ওখানে?"

সঙ্গে সঙ্গে আবছা আলোয় কাশেম দেখলো, দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছেন এক ব্যক্তি। পুরোনো দিনের ঢিলেঢালা কোট পরা, হাতে একটা মলিন ব্রিফকেস। মুখটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না, তবে মনে হলো যেন ক্লান্ত আর বিষণ্ণ।

আগন্তুক মৃদু স্বরে বললেন, "কী হয়েছে? কার শরীর খারাপ?"

কাশেম ভয়ে ভয়ে সব কথা খুলে বললো। শুনে ডাক্তারবেশী সেই লোকটি বললেন, "চলো আমার সাথে।"

ভেতরের একটা পুরনো ঘরে ডাক্তার তাকে নিয়ে গেলেন। সেখানে একটা ভাঙা টেবিলের ওপর কিছু পুরোনো দিনের যন্ত্রপাতি আর ওষুধের শিশি রাখা ছিল। ডাক্তার সেই আলো আঁধারিতেই রহিমার রোগের লক্ষণ শুনলেন, তারপর ব্রিফকেস থেকে একটা পুরোনো শিশি বের করে কিছু ওষুধ দিলেন।

কাশেম অবাক হয়ে বললো, "এটা কী ওষুধ?"

ডাক্তার বললেন, "বিশ্বাস রাখো। এতেই কাজ হবে।"

কাশেম সেই ওষুধ নিয়ে বাড়ি ফিরে এলো এবং তার মাকে খাওয়ালো। আশ্চর্য ব্যাপার হলো, কিছুক্ষণ পরেই রহিমার যন্ত্রণা কমতে শুরু করলো, আর সকালের দিকে সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলো।

পরের দিন কাশেম আবার সেই ডিসপেনসারিতে গেল ডাক্তার সাহেবকে ধন্যবাদ জানাতে। কিন্তু গিয়ে দেখলো, দরজা যেমন বন্ধ ছিল তেমনই আছে, বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই যে রাতে কেউ ভেতরে ছিল। ভেতরে ঢুকে কাশেম সেই ঘরটা খুঁজে বের করলো, কিন্তু সেখানে কোনো যন্ত্রপাতি বা ওষুধের শিশি কিছুই দেখতে পেল না। শুধু ধুলো আর মাকড়সার জাল।

গ্রামের পুরনো লোকেরা শুনে বললো, রাতে কাশেম যাকে দেখেছিল, তিনি আর কেউ নন, সেই ভুতুরে ডাক্তার রফিক সাহেব। আজও তিনি রোগীদের কষ্ট সহ্য করতে পারেন না, তাই রাতের অন্ধকারে এসে সেবা করে যান। সেই ঘটনার পর থেকে গ্রামের মানুষজনের ভয় কিছুটা কমেছিল। তারা বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল, ডাক্তার রফিক সাহেবের আত্মা হয়তো এখনও ঐ ডিসপেনসারিতেই আছে, নীরবে মানুষের সেবা করে চলেছে। তবে রাতের অন্ধকারে একা সেই পুরনো ডিসপেনসারির কাছে ঘেঁষতে আজও তাদের গা ছমছম করে।


collect from bhoutik duniya


NOTE : THIS POST IS COPYRIGHT PROTECTED ©️

Don’t try to copy without permission.. 

otherwise Facebook community can take actions.

গাধা, কুমির আর কাকের গল্প 

 গাধা, কুমির আর কাকের গল্প 

 

গ্রীষ্মের একদিন, নদীটি প্রায় শুকিয়ে গিয়েছিল। নদীর মাঝখানে কাদায় আটকে ছিল এক কুমির। হাঁফাতে হাঁফাতে সে চেষ্টা করছিল বাঁচতে, কিন্তু কিছুতেই বের হতে পারছিল না।

 

নদীর ধারে ঘাস খাচ্ছিল একটি গাধা। হঠাৎ সে দেখতে পেল কুমিরটি কাদায় ছটফটাচ্ছে। মায়ায় পড়ে গাধা এগিয়ে গেল।

 

কুমির কাতর গলায় বলল, "দয়া করো, আমাকে বাঁচাও! আমি মরে যাচ্ছি!"

 

গাধার মন নরম হলো। সে একটি বড় শুকনো ডাল এনে কুমিরের দিকে বাড়িয়ে দিল। কুমির সেটি ধরে ধীরে ধীরে নিজেকে টেনে মাটির শক্ত জায়গায় তুলল।

 

কিন্তু মাটি ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে কুমিরের চোখে ঝলসে উঠল লোভ। সে সুযোগ বুঝে গাধার দিকে লাফিয়ে পড়ল, তাকে ধরে খাবার জন্য!

 

আতঙ্কে গাধা দৌড়াতে লাগল, কিন্তু কুমিরের শক্ত চোয়াল থেকে ছুটে পালানো কঠিন ছিল।

 

ঠিক তখনই কাছের গাছ থেকে উড়ে এল একটি কাক। কাকটি চিৎকার করে বলল, "তুমি কি ভুলে গেলে — যে তোমাকে বাঁচালো, তার প্রতি এভাবে প্রতিদান দিতে নেই?"

 

কুমির একটু থমকালো। সেই ফাঁকে কাক গাধার কানে ফিসফিস করে বলল, "ঝাঁকি দাও, আর দৌড়াও! আমি বিভ্রান্ত করি!"

 

কাক দ্রুত কুমিরের চোখের সামনে পাখা নাচিয়ে উড়তে লাগল। গাধা জোরে ঝাঁকি মেরে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল এবং ছুটে অনেক দূরে নিরাপদে গিয়ে দাঁড়াল।

 

সেখানে দাঁড়িয়ে গাধা চিৎকার করে বলল, "জীবন দিয়ে তুমি লোভ দেখালে! এখন একা পড়ে থাকো তোমার কাদার মধ্যে!"

 

কুমির হতাশ হয়ে নদীর পাশে পড়ে রইল। আর গাধা আর কাক মিলে দূরের সবুজ বন ধরে এগিয়ে গেল নতুন জীবনের পথে।


  গল্পের শিক্ষা:

"বিপদ বা অসহায়তা দেখলেই চট করে সাহায্য করতে নেই। আগে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়। সবকিছু বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়াই সত্যিকারের বুদ্ধিমানের কাজ।"

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...