এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

মাত্র ৭ দিনে চীনের ৬,০০০ কিলোমিটার রোড ট্রিপ!

 মাত্র ৭ দিনে চীনের ৬,০০০ কিলোমিটার রোড ট্রিপ!

ভাবছেন কীভাবে সম্ভব? চলুন শুরু করি চায়না ভ্রমণের ছোট্ট কিন্তু দারুণ অভিজ্ঞতার গল্প—


চীনের সবচেয়ে সুন্দর তিনটি শহর ঘুরেছি মাত্র এক সপ্তাহে:

চায়না ভিসা সহজ!

আজকাল চীনের ভিসা খুব সহজে পাওয়া যায়।

 • যদি আপনার কোনো চাইনিজ সেলার থাকে, তাহলে ইনভাইটেশন নিয়ে মাত্র ৮,০০০ টাকায় নিজে নিজেই ভিসা করে নিতে পারবেন।

 • ইনভাইটেশন না থাকলে, ভালো কোনো এজেন্সির সাহায্যে ১০-১৫ হাজার টাকায় ট্যুরিস্ট বা বিজনেস ভিসা পাওয়া সম্ভব।


আমার ভ্রমণ প্ল্যান ছিল এমন:

১. গুয়াংজু – ৩ রাত

 • চীনের শপিং হাব!

 • বায়ি ইউন মার্কেট, ফ্যাব্রিক মার্কেট, ইলেকট্রনিকস সিটি

 • দারুন ফুড এবং ট্র্যাডিশনাল চাইনিজ এক্সপেরিয়েন্স


২. বেইজিং – ২ রাত

 • ইতিহাস আর সংস্কৃতির শহর

 • গ্রেট ওয়াল অব চায়না – এক কথায় অসাধারণ

 • ফোরবিডেন সিটি ও তিয়েনআনমেন স্কয়ার


৩. ঝংজিয়াজি – ২ রাত

 • প্রকৃতির এক অনন্য স্বর্গ

 • ঝংজিয়াজি ন্যাশনাল ফরেস্ট পার্ক – যেটা “অ্যাভাটার মাউন্টেন” নামেও পরিচিত

 • গ্লাস ব্রিজ – বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ও উঁচু কাঁচের সেতু


চায়না ট্রাভেলের জন্য দরকারি কিছু অ্যাপ:

 • Baidu Maps / Gaode Maps (গুগল ম্যাপ চলে না)

 • WeChat – চায়নার সবকিছুই এই অ্যাপে

 • Dianping – খাবার ও রেস্টুরেন্ট খুঁজতে

 • Ctrip / Trip.com – টিকিট, হোটেল, বুকিং জন্য

 • Translation App – চাইনিজ ভাষা বুঝতে Google    

             Translate (অফলাইন ভার্সন রাখতে হবে)


চীনা মাটিতে পা রাখার প্রথম ২৪ ঘণ্টার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা!


✈️ রাত ৩টার দিকে পৌঁছালাম গুয়াংজু এয়ারপোর্টে।

ইমিগ্রেশন টার্মিনালে পৌঁছেই দেখি কঠিন জেরা চলছে! দুজনকে সরাসরি সন্দেহ করে নিয়ে গেল ভিতরের রুমে।

আমার কাছে শুধু দুইটা প্রশ্ন—

– কেন এসেছেন?

– কত ডলার এনেছেন?


আমি বললাম: “ঘুরতে এসেছি, আনছি ৩৫০০ ডলার।”

ভদ্রলোক আর কিছু না বলেই সিল দিয়ে দিল—“Welcome to China”!



রোমিং প্যাকেজ বিপদে ফেলল!

বাংলালিংকের রোমিং একেবারে ফালতু! কাজ করেই না।

এয়ারপোর্টের ওয়াইফাই দিয়ে DiDi অ্যাপ দিয়ে ডেকে নিলাম ট্যাক্সি—১২০ ইয়ানে ৪ জনে পৌঁছালাম Sanyuanli এরিয়ায়।



হোটেলে ঠাঁই নাই!

সকাল ৬টায় পৌঁছালাম Burman Hotel– কিন্তু রুম ফ্রি না!

বলল ২টার আগে রুম ফাঁকা হলে দিবে, না হলে অপেক্ষা।

ইশ! যদি আগের রাতেই বুক করতাম, তাহলে ঘুমিয়ে সারাদিন ঘুরতে পারতাম!



সময়টা নষ্ট করিনি!

এই ফাঁকে চলে গেলাম:

Laos, Cambodia, Vietnam এম্বাসি দেখতে – সবই এক বিল্ডিংয়ে: Ellen Garden Hotel।



সন্ধ্যায় চীনের সৌন্দর্য

রুম পেলাম, ঘুম দিলাম আর সন্ধ্যায় মেট্রো ধরে চলে গেলাম Canton Tower– চারপাশের ভিউ এক কথায় অসাধারণ!

রাত ১০টা পর্যন্ত ক্যান্টন টাওয়ারে কাটিয়ে, ২০ ইয়ানে খেলাম:

রূপচাঁদা ফ্রাই + ভাত + ডাল + সবজি – Radhuni Bangla Restaurant

রাত ১২টা পর্যন্ত মেট্রো চলে – একদম চিন্তার বাইরে!



পরদিন সকাল:

ঘুম থেকে উঠে রওনা হলাম Dasha Tou Wholesale Electronics Market–

চীনের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের জান্নাত! ৪-৫ ঘণ্টা ধরে ঘুরলাম, তারপর খাইলাম চাইনিজ খাবার—জঘন্য স্বাদ!

বাধ্য হয়ে চলে গেলাম Huimin Street Food Market (হুইমিন) – দারুণ হালাল স্ট্রিট ফুড!


শেষ বিকেলে পার্ল নদীর পাড়ে বসে লোকালদের সাথে ফিশিং,

রাতটা শেষ করলাম Lotus Mall-এ কিছু শপিং করে। 


পরের পার্ট আসবে শীগ্রই….


নোট: পুরো চায়না সিরিজ দেখে আসতে পারেন আমার ইউটিউব চ্যানেলে Travel With Alomgir থেকে। অনেক অজানা তথ্য পেয়ে যাবেন এবং চায়না ভ্রমণের একটি কমপ্লিট গাইডলাইন পাবেন। 


#ChinaTrip #GuangzhouTravel #BeijingGreatWall #Zhangjiajie #RoadTripChina

ব্যস্ততা এলেই নিজেকে বলি, এই ব্যস্ততা ফুরালে তারপর অখণ্ড অবসর। তখন শখের এটা পূরণ করবো, ওটা করবো। উড়বো-ঘুরবো, সুন্দর দিন কাটাবো। অথচ এক ব্যস্ততা ফুরাতেই আরও তিন ব্যস্ততা হাজির হয়। জীবন যত সামনে যাচ্ছে তত জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। 

 ব্যস্ততা এলেই নিজেকে বলি, এই ব্যস্ততা ফুরালে তারপর অখণ্ড অবসর। তখন শখের এটা পূরণ করবো, ওটা করবো। উড়বো-ঘুরবো, সুন্দর দিন কাটাবো। অথচ এক ব্যস্ততা ফুরাতেই আরও তিন ব্যস্ততা হাজির হয়। জীবন যত সামনে যাচ্ছে তত জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। আড্ডার সময়, গল্পের আসর আর জমছে না। সামনের দিনগুলো ব্যস্ততায় মুড়িয়ে আবেগি সম্পর্কগুলো স্বাভাবিকতা হারাচ্ছে। কৃত্রিমতার চাদরে গুটিয়ে যাচ্ছে মানুষ। পারস্পরিক কথা হচ্ছে মেপে মেপে, আচরণ করছে হিসেব করে এবং মিলিত হচ্ছে স্বার্থের বাটখারায় পা দিয়ে, দিয়ে।  


প্রাত্যহিক জীবনের অনেক ব্যস্ততার অনেকাংশই অপচয়। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশের একভাগ অকাজেই চলে যাচ্ছে। যে ব্যস্ততায় মানুষের দিন ফুরাচ্ছে সেখানে নিজেকে জানার কিংবা চেনার সামান্যতম চেষ্টা পর্যন্ত নাই। সব অপরের জন্য! কমবেশি সঞ্চয় করা যাবে, কী কী ভোগ করা যাবে, কাকে কাকে ঠকানো যাবে এবং কোথায় কোথায় জয়ী হওয়া যাবে সেই দ্বন্দ্বে মানুষ তার নিজস্ব স্বকীয়তা হারাচ্ছে। ব্যস্ততায় মানুষের ভেতরের স্বাভাবিক নির্মলতা, মনের পবিত্রতা খুইয়েছে। শখের জীবন অসুখেই লগ্নি করছে। 


অভাব সামনে দাঁড়ালেই মনে মনে ভাবি এবার উৎরে গেলে সামনের দিনগুলো খুব স্বাচ্ছন্দ্যে যাবে। সব দুঃখ মুছে যাবে। নিজের সব শখ পূরণ করবো, প্রিয়জনের চাওয়া মিটিয়ে দেবো। অথচ যত সামনে চলি তত অভাব বাড়ে । যে দিন যায় সে দিন ভালো যায়। শখের সাথে বাস্তবতার সমন্বয় বড্ড জটিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আয় বাড়ছে কিন্তু অভাব কমছে না। চাহিদা শাখাপ্রশাখায় বিস্তার করছে। দ্রব্যমূল্য ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াচ্ছে।ভালোভাবে থাকার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাচ্ছে। একটি চাহিদা মিটতেই বহু চাহিদা সমাজ বাস্তবতায় সামনে আনছে। 


আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার অনেকাংশেই গরিবের ঘোড়া রোগ ভর করছে। আমরা অযাচিত-অপ্রাসঙ্গিক অনেক কিছুই কামনা করছি। ভোগের খতিয়ান দীর্ঘায়িত হচ্ছে। মানসিকতার দৈন্য, রুচির দুর্ভিক্ষ এবং আভিজাত্যের খোলসের অসুস্থতা আমাদের নৈমিত্তিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে। দিন দিন যেন খেই হারিয়ে চলছি। সাধ্য এবং সাধের মিলন ঘটছে কিঞ্চিৎ! যেন এক অসুখী আগামীর দিকে আমাদের অগ্রযাত্রা অবিরাম হয়েছে। দিনশেষে ডায়েরিতে ভালো আছি’- লিখতে পারছি না। হাসি মুখে বলতে বাধ্য হচ্ছি ভালো আছি! পরক্ষণেই নিজেকে জিজ্ঞেস করছি, আমি কী আসলেই ভালো আছি?


শৈশব এবং কৈশোর কালই জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়। গোটা যৌবন সংগ্রামের। অপরের শখ পূরণের জন্য ব্যয় করতে হয়। আমরা আশায় থাকি, এই বুঝি দুঃখ ফুরিয়ে, সুখ এলো বলে। সব শখেরা জীবন পেলো। কতক মেলে আর কতক অধরাই থেকে যায়। তবুও আমরা আশায় থাকি, রাত পোহাবে, ভোর আসবে। জীবনের এই গোলকধাঁধায় বহু জীবনের সাঁঝ নামে। আবার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে বায়ু দিক পরিবর্তন করে। একটা সুযোগ পেলেই জীবন স্থির হয়ে যাবে! ভাগ্য কাকে, কখন, কোথায় টেনে নেয়, তা কে জানে? অপেক্ষায় অপার হয়ে বসে থাকি!

এথেন্সের গলিতে হারিয়ে গেলো চাঁদপুরের রুনা

 এথেন্সের গলিতে হারিয়ে গেলো চাঁদপুরের রুনা 


গ্রীসের রাজধানী এথেন্স। সূর্যের কোমল আলো শহরের প্রাচীন স্থাপত্যের দেয়ালে দেয়ালে খেলা করে। দিনের ব্যস্ততায় শ্রমজীবী মানুষ ছুটছে আপন লক্ষ্যের দিকে। কেউ যাচ্ছেন নির্মাণ কাজে, কেউবা আবার দোকানে অথবা ক্লিনিং কোম্পানিতে। পরিশ্রমের ঘামে ভেজা এ শহরের অলিগলিতে হাজারো স্বপ্ন নিয়ে বাস করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তাদেরই একজন ছিলেন রুনা আক্তার। বয়স ছত্রিশ। জন্মস্থান চাঁদপুরের সবুজ ঘেরা নদী ও খাল-বিল ঘেরা এক গ্রামে। জীবন-সংগ্রামে ভাগ্যের খোঁজে স্বামী রিপন মিয়ার হাত ধরে নারায়ণগঞ্জ থেকে উড়ে এসেছিলেন সুদূর গ্রিসে। স্বপ্ন ছিল, বিদেশের মাটিতে নিজের একটি শান্তিময় জীবন গড়ে তোলার। কিন্তু জীবন তার জন্য যে গল্প লিখেছিল, তা ছিল ভিন্ন। 


গ্রিসের মাটিতে বহু দেশের মানুষের সমাগম, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতির মিলনস্থল এটি। এখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি শক্তিশালী কমিউনিটি রয়েছে। নির্মাণকাজ থেকে শুরু করে ক্লিনিং সার্ভিস, রেস্তোরাঁ ব্যবসাসহ নানান কাজে নিজেদের শ্রম ও মেধার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন তারা। বিদেশ বিভুঁইয়ের প্রতিদিনের কঠোর পরিশ্রমের মধ্যেও তারা নিজেদের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ আঁকড়ে ধরে রাখেন। সেই প্রবাসী জীবনেই যুক্ত হয়েছিলেন রুনা আক্তার।


এথেন্সের কিপসেলি এলাকার তেনেদু স্ট্রিট। রুনা এখানকার একটি ক্লিনিং কোম্পানিতে কাজ করতেন। জীবন চলছিল কষ্টের মধ্যেও সুন্দর। একই কোম্পানিতে কাজ করতেন ৪০ বছর বয়সী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সেলিম আহমেদ ওরফে শান্ত। একই কাজে যুক্ত থাকায় ধীরে ধীরে দুজনের পরিচয় ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয়। একপর্যায়ে তাদের মাঝে গড়ে ওঠে গভীর এক প্রেমের সম্পর্ক। 


রুনার স্বামী রিপন তখন দীর্ঘদিন ধরে বেকার, তাদের পরিবার আর্থিক সংকটে ভুগছিল। এমন সময় সহকর্মী শান্তকে তাদের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়। গত কয়েক মাসে শান্ত'র কাছ থেকে প্রায় বিশ হাজার ইউরো ধার নেন রুনা ও রিপন দম্পতি। শান্ত অর্থনৈতিক সাহায্য দিতে গিয়ে কখনো ভাবেনি তার এই আবেগ একদিন রক্তাক্ত পরিণতিতে গিয়ে শেষ হবে।


রুনা শান্তকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি শীঘ্রই স্বামী রিপনের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করবেন এবং শান্ত'র সঙ্গেই জীবন শুরু করবেন। কিন্তু দিন যেতে যেতে রুনা তার সিদ্ধান্ত পাল্টে ফেলেন। তিনি বুঝতে পারেন শান্ত'র সঙ্গে সম্পর্ক ভুল। রিপনের সঙ্গে নতুনভাবে জীবন শুরু করার চেষ্টা করেন রুনা। 


ধীরে ধীরে শান্ত'র সঙ্গে যোগাযোগ এড়িয়ে যেতে থাকেন রুনা। এই প্রত্যাখ্যান শান্তর জন্য ছিল অসহনীয়। রাগ, ক্ষোভ ও হতাশায় শান্ত নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেন না। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করায় ক্ষুব্ধ শান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন। 


২০২২ সালের ২৮ আগস্ট। সূর্যের শেষ আলো তখনো এথেন্সের কিপসেলি এলাকার তেনেদু স্ট্রিটের দালানগুলোর দেয়ালে কমলা রঙের মায়াবী ছবি আঁকছিল। প্রাচীন ইতিহাসের শহর এথেন্সে প্রতিদিনের মতো আজও ব্যস্ত জীবনের মাঝ থেকে কিছুটা শান্তির আশায় মানুষজন ঘরে ফেরার জন্য প্রস্তুতি নেয়। এদিকে শান্তর মন অশান্ত হয়ে গিয়েছিলো। শান্ত রুনার বাসার সামনে গিয়ে তাকে ফোনে নিচে নামতে বলেন। জরুরি কিছু কথা বলার কথা শুনে রুনা বাসার নিচে নেমে আসেন।


রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শান্ত'র চোখে ছিল অসংখ্য প্রশ্ন। প্রথমেই শান্ত জানতে চান, রুনা তার স্বামী রিপনকে আসলেই ছেড়ে দিতে চান কি না। রুনা সেদিন স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তিনি কখনোই রিপনকে ছাড়বেন না। শান্তকে তাদের জীবন থেকে দূরে সরে যেতে বলেন। এই কথায় শান্ত তার দেওয়া কুড়ি হাজার ইউরো ফেরত চাইলে রুনা সাফ জানিয়ে দেন, তিনি কোনো টাকা ফেরত দিতে পারবেন না। 


তীব্র বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে শান্ত তার কোমরে লুকিয়ে রাখা ধারালো ছুরি বের করে (রুনাকে শায়েস্তা করার জন্য শান্ত এথেন্সের ওমোনিয়া স্কয়ারের কাছের এক দোকান থেকে আগেই তীক্ষ্ণ এ ছুরিটি কিনে আনেন)। এক নিমিষেই তিনি ছুরিটি বসিয়ে দেন রুনার পেটে। রক্তে ভেসে যায় তেনেদু স্ট্রিটের পিচঢালা রাস্তা। স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান রুনা।


পুলিশ গ্রেপ্তার করে শান্তকে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শান্ত নিজেই খুনের কথা স্বীকার করেন। এই ঘটনায় হতবিহ্বল হয়ে পড়ে পুরো বাংলাদেশ কমিউনিটি। নেমে আসে বিষাদের ছায়া। কমিউনিটির নেতারা এগিয়ে এসে রুনার মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেন। বিশেষ করে তার কিশোরী মেয়ে মনিফা আকুল হয়ে অপেক্ষায় থাকে শেষবারের মতো তার মায়ের মুখটি দেখার জন্যে। অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২২ অক্টোবর রুনার মরদেহ পৌঁছে তার নিজ বাড়ি চাঁদপুরে।


আজও এথেন্সের তেনেদু স্ট্রিটে সন্ধ্যা নামলে রুনার কথা মনে করেন অনেকে। প্রবাসের কঠোর জীবনের মাঝে ভালোবাসা, ভুল বোঝাবুঝি আর ট্র্যাজেডির এক মর্মান্তিক অধ্যায় হিসেবে রচনা হলো রুনা নামে মেয়েটির গল্প।

তুলসী চাষের পদ্ধতি:

 তুলসী চাষের পদ্ধতি:🌿🌿🪴


১. জমি বা মাটির প্রস্তুতি:


তুলসী গাছ হালকা দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো হয়।


মাটি ঝুরঝুরে ও পানি নিষ্কাশন ভালো হতে হবে।


জমিতে আগাছা পরিষ্কার করে, মাটি নরম করে, ভালোভাবে চাষ দিতে হবে।


প্রয়োজনমতো গোবর সার বা কম্পোস্ট মিশিয়ে নিতে হবে।


২. বীজ বপন:


তুলসী বীজ খুব ছোট হয়, তাই বপনের আগে বীজ হালকা পানিতে ভিজিয়ে নিলে দ্রুত অঙ্কুরিত হয়।


বীজগুলো মাটিতে ছিটিয়ে ছড়িয়ে দিন এবং হালকা মাটি দিয়ে ঢেকে দিন (গভীর করে পুঁততে হবে না)।


ছায়াযুক্ত জায়গায় রাখুন এবং হালকা জল ছিটিয়ে দিন।


৩. সঠিক সময়:


তুলসী চাষের জন্য বসন্তকাল (ফাল্গুন-চৈত্র) বা বর্ষা মৌসুম (আষাঢ়-শ্রাবণ) সবচেয়ে ভালো সময়।


তাপমাত্রা ২০-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে সবচেয়ে ভালো হয়।


৪. সেচ (পানি দেয়া):


প্রথমদিকে প্রতি দিন হালকা পানি দিতে হবে।


পরে গাছ বড় হলে সপ্তাহে ২-৩ বার জল দিলেই চলবে।


পানি জমে থাকলে গাছ পচে যেতে পারে, তাই ড্রেনেজ ভালো রাখতে হবে।


৫. সার প্রয়োগ:


প্রতি ৩০-৪০ দিনে একবার করে জৈব সার বা কম্পোস্ট দিলে ভালো হয়।


রাসায়নিক সার কম ব্যবহার করাই ভালো।


৬. আগাছা নিয়ন্ত্রণ:


নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করতে হবে, নাহলে তুলসীর বাড়তে সমস্যা হবে।


৭. রোগ-বালাই:


তুলসী গাছে সাধারণত বেশি রোগ হয় না। তবে বেশি পানিতে গাছ পচে যেতে পারে।


যদি পোকা লাগে, তাহলে নিমতেল স্প্রে করলে প্রাকৃতিকভাবে পোকা দূর হয়।


৮. কাটাই ও সংগ্রহ:


বীজ বোনার ২-৩ মাস পরে গাছ ফুল দেয় এবং বীজ হয়।


পাতাগুলো ২ মাস পর থেকেই সংগ্রহ করা যায়।


বীজ সংগ্রহ করতে চাইলে গাছ পুরো শুকাতে দিতে হবে, তারপর শুকনো ফুল থেকে বীজ সংগ্রহ করতে হবে।


---

♦️*ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন  আমাদের সাথে,ধন্যবাদ।

মেক্সিকো ভ্রমণে গেছেন এক পর্যটক। ঘুরতে ঘুরতে তিনি গেলেন সমুদ্রের পাড়ে। সেখানে জেলেদের মাছ ধরা দেখে তিনি দারুণ মজা পেলেন। তাদের কাছে গিয়ে পর্যটক বললেন, "আচ্ছা, প্রতিদিন মাছ ধরতে আপনাদের কত সময় লাগে?”

 মেক্সিকো ভ্রমণে গেছেন এক পর্যটক। ঘুরতে ঘুরতে তিনি গেলেন সমুদ্রের পাড়ে। সেখানে জেলেদের মাছ ধরা দেখে তিনি দারুণ মজা পেলেন। তাদের কাছে গিয়ে পর্যটক বললেন, "আচ্ছা, প্রতিদিন মাছ ধরতে আপনাদের কত সময় লাগে?”


“বেশিক্ষণ না!” জেলেদের ঝটপট জবাব।


“তাহলে আপনারা বেশি সময় ধরে আরো বেশি মাছ ধরেন না কেন?” পর্যটক প্রশ্ন করেন।


"আমরা যে মাছে ধরি তাতে আমাদের প্রয়োজন মিটে যায়।" জেলেরা জাল টেনে তুলতে তুলতে বলেন।


“তাহলে মাছ ধরার পর বাকি সময়টা আপনারা কী করেন?” পর্যটক জানতে চান।


জেলেরা উত্তর দেয়, “আমরা ঘুমাই, বাচ্চাদের সাথে খেলা করি, স্ত্রীর সাথে খাই, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই, মজা করি, হাসি, গলা ছেড়ে গান গাই, জীবনকে উপভোগ করি।"


পর্যটক তাদেরকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, “আমি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছি। আমি আপনাদেরকে বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করতে পারি। আপনারা আরও বেশি সময় নিয়ে মাছ ধরবেন, বাড়তি মাছগুলো বিক্রি করে মাছ ধরার বড় নৌকা কিনবেন।"


“তারপর?” জেলেদের প্রশ্ন।


“আপনারা বড় নৌকার সাহায্যে আগের চেয়ে অনেক বেশি মাছ ধরবেন, বেশি আয় করবেন। সেটা দিয়ে আরও বড় কয়েকটা নৌকা কিনবেন। একসময় মাছ ধরার নৌবহর বানিয়ে ফেলবেন। তখন মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ বিক্রি না করে সরাসরি মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরির সাথে বেচাকেনা করবেন। এক সময় নিজেরাই মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরি খুলে বসবেন। তারপর অনেক ধনী হয়ে গ্রাম ছেড়ে মেক্সিকোর বড় কোনো শহর, আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেস বা নিউ ইয়র্কে চলে যাবেন। সেখান থেকে আপনারা মেগা প্রজেক্ট চালু করবেন।" পর্যটক বলতে থাকেন।


“এসব করতে আমাদের কত সময় লাগবে?” জেলেরা জানতে চায়।


“কুড়ি পঁচিশ বছর তো লাগবেই।” একটু ভেবে জবাব দেন পর্যটক।


"তারপর?" জেলেদের চোখে কৌতূহল।


লোকটা হেসে বলেন, “ব্যবসায় যখন আরও বড় হবে তখন আপনারা শেয়ার বাজারে যাবেন, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করবেন।”


“মিলিয়র ডলার! ধরুন পেলাম মিলিয়ন ডলার। কিন্তু, তারপর?” জেলেরা অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।


পর্যটক তখন কিছুটা বিরক্তি নিয়ে জবাব দেন, “আপনারা তখন অবসরে যাবেন। শান্ত গ্রামে ফিরে এসে সমুদ্রের ধারে ঘুমাবেন, বাচ্চাদের সাথে খেলা করবেন, বৌয়ের সাথে খাবার খাবেন, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবেন, মজা করবেন।"


জেলেরা উদাসভাবে বলেন, “সেই কাজটাই তো আমরা এখন করছি! তাহলে বিশ পঁচিশ বছরের কষ্ট করতে যাব কেন?"

অতৃপ্ত অতৃপ্ত আত্মা

আজকে আলোচনা করবো সাইসমিক জোন কো-ইপিচিয়েনট নিয়ে:

 **আজকে আলোচনা করবো সাইসমিক জোন কো-ইপিচিয়েনট নিয়ে:**


আমরা হয়তো বা অনেকে জানিনা যে কতো এটা  গুরুত্ববহ একটা টার্ম, এটা শুধু যে ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার দের জানতে হবে তা কিন্ত নয়,এটা সবার জানা প্রয়োজন


**প্রথমে বলবো সাইসমিক রিস্ক জোন কি?**


ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাগুলোকে সিসমিক রিস্ক জোন (Seismic risk zone) বলে। ১৯৮৯ সালে ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় সম্বলিত মানচিত্র তৈরি করে। এ মানচিত্রে বাংলাদেশকে তিনটি প্রধান বলয়ে ভাগ করা হয়। ... আর এ বলয়গুলোকে একসাথে বলা হয় 'সিসমিক রিস্ক জোন'


যদি ও বা BNBC-2020 তে এটা কে এর মাত্রার উপর ভিক্তি করে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে যা


1-Low


2-Moderate


3-Severe


4-Very Severe


মূলত সসম্ভাব্য  রিটার্ন পিরিয়ড এর উপর নির্ভর করে ৪ টা জোনে ভাগ করা হয়েছে


যা


1-0.12


2-0.20


3-0.28


4-0.36


আর এই রিটার্ন পিরিয়ড হিসেবে  ২৪৭৫ বছর হিসাব করা হয়..


জোন-১ :বরিশাল, খুলনা,যশোর


জোন-২ এ নোয়াখালী, ঢাকা,পাবনা,


জোন-৩ এ:বি -বাড়িয়া,সিরাজগঞ্জ, Chittagong


জোন-৪ এ:সিলেট, ময়মনসিংহ, কুড়িগ্রাম।


#civilengineer #নির্মানউপদেষ্ঠা

#construction #curing #engineering

#build #ইমারত_নকশা_ঘর 

#নকশাঘর #প্ল্যান #ডিজাইন 

#ড্রয়িং #সয়েলটেস্ট

#planning #design 

#materials #construction  #work #মাটি #ডুপ্লেক্স #বাড়ি #আবাসিক #হাউজিং #সিমেন্ট #ইট #বালু #টাইলস #ঠিকাদার

লবণ যদি নষ্ট হয়ে যায়, কে করবে তার পরিশোধন।।৷৷

 লবণ যদি নষ্ট হয়ে যায়, কে করবে তার পরিশোধন?


একজন তরুণ গ্রামের যুবক তাঁর সম্প্রদায়ের একজন শালীন, ধার্মিক ও সজ্জন মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের মাত্র এক বছর পার হয়েছে, হঠাৎ একদিন এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের সাথে তীব্র ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। রাগের বশে ঐ আত্মীয়কে মা*রধর করে ফেলেন।


গ্রামের রীতিনীতি অনুযায়ী, এর পর তাঁকে গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে হয়। স্ত্রীকে সাথে নিয়ে তিনি দূরবর্তী এক অজানা অঞ্চলের গ্রামে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। নতুন পরিবেশে তিনি জীবন গুছিয়ে নিতে থাকেন।


প্রতিদিনের মতো তিনি গ্রামের মোড়লের আসরে যেতেন, গল্প করতেন, পরামর্শ নিতেন। একদিন, হঠাৎ মোড়ল তাঁর বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় প্রথমবারের মতো তাঁর স্ত্রীকে দেখতে পান—একজন শালীন, রূপবতী ও গম্ভীর নারীর সম্মোহনী দৃশ্য।


ঐ মুহূর্তেই মোড়লের অন্তরে কামনা জেগে ওঠে। লালসার শিকারে পরিণত হয়ে, এক অশুভ পরিকল্পনা আঁটেন—কীভাবে যুবককে কিছুদিনের জন্য দূরে পাঠিয়ে, সুযোগ বুঝে তাঁর স্ত্রীকে নিজের করে নেওয়া যায়।


কয়েকদিন পর আসরে মোড়ল এক আলোচনা তুললেন:


"শুনেছি এক জায়গায় দারুণ চারণভূমি আছে। কিছু লোক পাঠিয়ে যাচাই করতে চাই।"


তিনি চারজন লোক বাছাই করলেন, যার মধ্যে যুবকও ছিল।


কয়েকদিনের যাত্রা নির্ধারিত হলো, আর তারা রওনা দিল।


রাতে, মোড়ল চুপিচুপি যুবকের বাড়ির দিকে এগোলেন। অন্ধকারে দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে শব্দ করে ফেলেন। স্ত্রীর ঘুম ভেঙে যায়।


ভয় পেয়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "কে ওখানে?"


মোড়ল নিজের পরিচয় দিলেন।


স্ত্রী বললেন, "এত রাতে? সব ঠিক আছে তো?"


মোড়ল নিজের আসল উদ্দেশ্য প্রকাশ করলেন:


"তোমায় দেখার পর থেকে মনে শান্তি নেই। তোমায় চাই; আমাকে সঙ্গ দাও।"


মহিলাটি অত্যন্ত ধীরস্থির কণ্ঠে বললেন:


"ভালবাসা চাইলে ঠিক আছে, তবে আগে আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিন। যদি ঠিক উত্তর দিতে পারেন, তবে আপনার ইচ্ছা পূর্ণ হবে।"


মোড়ল খুশি হয়ে বললেন, "বলুন!"


তিনি জিজ্ঞেস করলেন:


"যেমন মাংস নষ্ট না হয় বলে আমরা লবণ ব্যবহার করি, তবে যদি লবণ নিজেই নষ্ট হয়ে যায়… তাহলে কে তা পরিশোধন করবে?"


মোড়ল গভীর চিন্তায় ডুবে গেলেন।


একদিন, একরাত পেরিয়ে গেল, কিন্তু তিনি কোনো উত্তর খুঁজে পেলেন না।


পরদিন আসরে তিনি সকলকে প্রশ্নটি করলেন, কিন্তু কারো কাছ থেকেই সন্তোষজনক উত্তর এল না।


এক কোণে বসে থাকা এক বৃদ্ধ নীরবে তাকিয়ে ছিলেন।


মোড়ল তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন,


"আপনি কিছু বলছেন না কেন?"


বৃদ্ধ উত্তর দিলেন:


"কারণ, এটা কেবল একটা প্রশ্ন নয়; এটা যুগের যুগের জ্ঞানভাণ্ডার থেকে আসা একটি বার্তা।


তিনি আপনাকে অপমান করতে পারতেন, কিন্তু অপমানের বদলে আপনার বিবেক জাগিয়ে দিলেন।"


তারপর তিনি ব্যাখ্যা করলেন:


"মাংস নষ্ট হলে লবণ তা রক্ষা করে। কিন্তু যদি লবণ নিজেই পচে যায়, তবে তাকে কে রক্ষা করবে?


অর্থাৎ,


সাধারণ মানুষ ভুল করলে নেতারা তাদের সঠিক পথে ফেরান, কিন্তু যদি নেতা নিজেই বিপথগামী হয়, তবে জাতিকে কে রক্ষা করবে?"


মোড়ল লজ্জায় মাথা নিচু করলেন, চোখ ভরে এল অশ্রুতে।


যদি পিতা বিপথে যায়—কে সন্তানের পথ দেখাবে?

যদি শিক্ষক পথ হারায়—কে জ্ঞানের আলো ছড়াবে?

যদি নেতা পথভ্রষ্ট হয়—কে জাতিকে রক্ষা করবে?


স্মরণ রাখো—

জ্ঞানীদের সঙ্গ গ্রহণ করো।

মূর্খদের সঙ্গ কেবল হৃদয় নষ্ট করে না,

পুরো প্রজন্মকেও ধ্বংস করে দেয়।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ‘নিউরো মেডিসিন’ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের যোগাযোগ নামবারসহ সকল তথ্য! 

 বাংলাদেশের জনপ্রিয় ‘নিউরো মেডিসিন’ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের যোগাযোগ নামবারসহ সকল তথ্য! 


১. সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ রফিকুল ইসলাম

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, এমডি (নিউরো মেডিসিন) পিএইচডি মেডিসিন (জাপান), এমফিল নিউট্রিশন (পিএইচডি) টিডি

সহযোগী অধ্যাপক, নিউরো মেডিসিন ও মেডিসিন স্পেশালিটিজ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতাল, ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: প্লটঃ ২৯-৩০, ব্লক-খ, রোড-০১, সেকশন-৬, মিরপুর-১০ গোলচক্ত্বর, ঢাকা-১২১৬। (মিরপুর ফায়ার সার্ভিসের বিপরীতে)

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


২. সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মাহমুদুল ইসলাম

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস (ডিএমসি), এমডি (নিউরোমেডিসিন)

সহযোগী অধ্যাপক ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতাল।

চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ী-১ ও ৩, রোড-২, ব্লক-বি, মিরপুর-১০, ঢাকা । (মিরপুর ১০ নং গোলচক্ত্বর এর উওর পার্শ্বে)

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


৩. অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ সেলিম শাহী

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস (ঢাকা) বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোমেডিসিন) মাথাব্যথা, মেরুদণ্ড (স্পাইন) এপিলেপসি, স্ট্রোক। অধ্যাপক (নিউরোলজি) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড হাসপাতাল, ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ী-০২, রোড-০৬, ব্লক-এ, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬। (ইনডোর স্টেডিয়ামের পূর্ব পার্শ্বে)

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


৪. সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ এনায়েতুল ইসলাম 

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্

এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোলজি)

সহকারী অধ্যাপক (নিউরোলজি বিভাগ) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালস শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: ১,২,৩, বিএনএসবি ভবন, কলওয়ালাপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬ । (সনি সিনেমা হলের বিপরীতে)

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


ডাঃ মাহমুদ-উন-নবী 

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, বিসিএস, এমপিএইচ এমডি (নিউরো মেডিসিন) বিএসএমএসইউ (পিজি হাসপাতাল)

চেম্বারের ঠিকানা: প্লট-১০, রোড-৪/৫, ব্লক-বি, সেকশন-১২, কালশী রোড, ঢাকা-১২১৬।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


৫. ডাঃ প্রভাত কুমার সরকার

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস (ডিএমসি), এমডি (নিউরোলজি) বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমসিপিএস (মেডিসিন) নিউরোমেডিসিন এবং মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট এবং হাসপাতাল, ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: রোড-১, মিরপুর ১০ গোলচত্বর, ঢাকা ১২১৬।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


৬. সহকারী অধ্যাপক ডাঃ এম এ মোমেন খান

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, এমডি (নিউরোমেডিসিন) বিএসএমএমইউ, এফআইএনএস (ইন্ডিয়া) ফেলো, নিউরোইন্টারভেনশন এন্ড স্ট্রোক ম্যাক্স ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স (নিউ দিল্লি) সহকারী অধ্যাপক, নিউরোমেডিসিন বিভাগ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল, ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি ৫১-৫৪, রোড ০১ এবং ০২, ব্লক-ডি, শহীদবাগ, মিরপুর-১২, ঢাকা।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


৭. ডাঃ আনিস আহমেদ

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, এমডি (নিউরোমেডিসিন), এফ, আই, এন, আর (সুইজারল্যান্ড) কনসালট্যান্ট ডিপার্টমেন্ট অব নিউরোলজি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি।

চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি ২৩, ২৪ এবং ২৬, লেক ড্রাইভ রোড, সেক্টর ০৭ উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


৮. সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আরিফুল ইসলাম

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি (নিউরোলজি), বিএসএমএমইউর নিউরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউ সায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতাল, ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: ৪৬৪/এইচ, ইসলাম টাওয়ার (৩য় তলা) ডিআইটি রোড, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা। (বিটিভি ভবনের বিপরীতে) ইউলুপ ব্রিজের পাশে, হাতিরঝিল শুরু।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


৯. ডঃ শাহাদাত হোসেন

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি (নিউরোমেডিসিন) বিএসএমএমইউ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালস সিসিডি (বারডেম) এমআরসিপি (পাসেস মেডিসিন) নিউরোমেডিসিনে ইউকে বিশেষজ্ঞ।

চেম্বারের ঠিকানা: ব্যাংক কলোনি, আরিচা রোড (পাকিজা প্রিন্টের পশ্চিম পাশে) সাভার, ঢাকা।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


১০. সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ কাজী আবদুল্লাহ-আল-মামুন

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন) এমডি (নিউরোলজি), এমএসিপি (ইউএসএ) সহযোগী অধ্যাপক, নিউরোমেডিসিন বিভাগ ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

চেম্বারের ঠিকানা: ২/১ রিং রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


১১. ডাঃ বজলুর রশীদ (সুমন)

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, এমডি (নিউরোলজি) স্নায়ুবিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞ এবং মেডিসিন কনসালট্যান্ট নিউরোলজিস্ট ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড হাসপাতাল, ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: জেএইচএ-২৮/৮, মহাখালী (টিবি গেট), ঢাকা-১২১২।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


১২. ডাঃ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এবিএম সৈয়দ হোসেন

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস (ঢাকা), ডিসিএন (লন্ডন) ট্রেন ইন নিউরোলজি (পশ্চিম জার্মানি) ট্রেন ইন আইএনটি মেডিসিন (পাকিস্তান) প্রাক্তন উপদেষ্টা বিশেষজ্ঞ মেডিসিন এবং নিউরো মেডিসিন-সিএমএইচ, ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: ৭৪জি /৭৫, ময়ূর স্কয়ার, নিউ এয়ারপোর্ট রোড, ঢাকা ১২১৫।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


১৩. ডাঃ কর্নেল গোলাম কাউনাইন

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এফসিপিএস (মেডিসিন), নিউরোলজিতে এফসিপিএস (নিউরোলজি) ফেলোশিপ, এনইউএইচ, (সিঙ্গাপুর) নিউরোলজিস্ট, হেড অব নিউরোলজি কম্বাইন্ড মিলিটারি হাসপাতাল, ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: ৭৪জি /৭৫, ময়ূর স্কয়ার, নিউ এয়ারপোর্ট রোড, ঢাকা ১২১৫।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


১৪. ডাঃ এ.বি.এম. রকিবুল হাসান (রাকিব)

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস (ডিইউ), এমএস (ইন-কোর্স) এমসিজিপি, ডিএমইউ (আল্ট্রা), বিসিএস (স্বাস্থ্য) সিনিয়র মেডিকেল অফিসার। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, শিবচর, মাদারীপুর। এক্স মেডিকেল অফিসার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, মিটফোর্ড হাসপাতাল, ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও দারুল উলূম মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, মিরপুর-১৩, ঢাকা-১২১৬।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


১৫. সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মাহমুদুল হক মোর্শেদ

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমএস (নিউরোসার্জারি) সহকারী অধ্যাপক (নিউরোসার্জারি বিভাগ) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

চেম্বারের ঠিকানা: প্লট-২৯, রোড-০১, কালওয়ালাপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


১৬.ডাঃ খায়ের মুহাম্মদ সোবহান (গনিক)

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস; বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি, (নিউরোলজি) কনসালটেন্ট নিউরোলজিস্ট, নিউরোমেডিসিন ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল।

চেম্বারের ঠিকানা: মিরপুর-১৪, বাসস্ট্যান্ড, কচুক্ষেত রোড, (বেসিক ব্যাংকের বিপরীতে)।

ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)


১৭.ডাঃ রুহুল আমিন খান

নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন), নিউরোমেডিসিন এবং কার্ডিওলজি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ জাতীয় হার্ট ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকায় উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

চেম্বারের ঠিকানা: মিরপুর অরিজিনাল ১০, ইনডোর স্টেডিয়ামের বিপরীতে, ঢাকা, ১২১৬।

ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

সিরিয়ালের জন্য কল করুন - ০১৭৪০৪৮৬১২৩ (সকাল ১০:০০ টা হতে সন্ধ্যা ০৭:০০ টা, শুক্রবার ব্যাতিত)

গল্প ডার্ক এঞ্জেলিনা

 আসসালামু আলাইকুম। 

বহু বছর আগের ঘটনা। তখন আমি ক্লাস 4এ পড়তাম।আব্বু রিসেন্ট ট্রান্সফার হয়ে গেছিল অনেক দূরে প্রায়(300/400)k.m.।আম্মু রাতে একা ঘুমাতে ভয় পেত। যদিও সাথে আমার ছোট বোন থাকতো,,, তার পরও আমি আম্মুর সাথে থাকা শুরু করলাম।একদিন মাঝরাতে আম্মু নুপুরের শব্দ পেল,,,আম্মুর রুম থেকে বের হলেই ডাইনিং রুম।শব্দটা ঠিক পাশের রুম থেকে ডাইনিং রুম পর্যন্ত আবার কখনো ড্রয়িং রুম থেকেও শোনা যাচ্ছিল।মনে হচ্ছিল আওয়াজটা কখনো জোরে কখনো আস্তে এমনকি আম্মুর এমনও মনে হল তার রুমেই কেউ একজন নুপুর পরে হাঁটছে,,, সেদিন আম্মু সারারাত ঘুমাতে পারিনি। সকালে আমাকে ঘটনা বলল, আমি কিছু শুনতে পেরেছিলাম কিনা? আমার ঘুম অনেক বেশি গভীর তাই আমি কিছুই টের পাই না ঘুমের মধ্যে,,, ঠিক তার পরের দিন রাতে শুয়ে আছি হঠাৎ আমার দাঁতে ব্যথা শুরু হয়। কোন একটা দাঁত নড়তে ছিল,,,আমি তখন আস্তে করে বিছানা ছেড়ে উঠে গিয়ে ডাইনিং রুমের কাছে বেসিনে গিয়ে দাঁতটা নিজেই উঠাই।বেসিন থেকে ডানদিকে ড্রয়িং রুম টা দেখা যায়।  ড্রয়িং রুমের জানলাটা থাই গ্লাস ছিল। পর্দা ও সরানো ছিল রাস্তার ল্যাম্পপোস্টের আলোতে রুমের সবকিছু আবছা দেখা যায়। একবার মনে হলো জানালার কাছে কেউ একজন বসে আছে। এখন বাসায় এক রুমে আমি আম্মু আর আমার বোন ছিল, পাশের রুমে নানী কিন্তু ড্রয়িং রুম ফাঁকাই ছিল সেখানে কে থাকবে? আমার কেমন জানি অদ্ভুত লাগতে ছিল,,,মনে হচ্ছে জমে যাচ্ছি। এদিকে দাঁতের র*ক্ত পড়া বন্ধ হয় না। তারপরেও সেখান থেকে দৌড়দিয়ে আম্মুর রুমে চলে আসি।এবার রুমে লাইট জ্বালিয়ে বাথরুমে চলে যাই কুলকুচি করতে। তখন আম্মু উঠে পড়ে আর জিজ্ঞেস করে এত রাতে আমি কি করছি,,, তখন বললাম আম্মু দাঁতটা নড়তে ছিল তাই তুলে ফেললাম,,, কিন্তু ড্রয়িং রুমের ঘটনা জানাইনি কারণ আম্মু ভয় পেত,,,পরের দিন আম্মুকে জানালাম আমার কথায় কোনো গুরুত্ব দিল না😑,,, এরপর থেকে ড্রয়িং রুমে যেতে আমার ভয় লাগতো কারণ রুমটা সারাদিনই ফাঁকা,,,রাতেও ফাঁকা।কেউ খুব একটা যেতনা,,,! আমিই দিনের বেলা খেলা করতাম🙂 এরপরেও আম্মু কিছুদিন গভীর রাতে নুপুরের শব্দ পায় তাই নিজেই শোয়ার আগে কিছু দোয়া পড়ে নিতো আমাকেও পড়ে ফুঁ দিত,,,এর পর আর তেমন আওয়াজ পায় নি।কিন্তু আমি যখন ক্লাস 8,9এ রাত জেগে পড়তাম তখন নুপুরের শব্দ ২/৩বার শুনতে পেয়েছিলাম কিন্তু প্রায়ই রাত ১টার দিকে ফুলের সুবাস পাওয়া যেত যদিও এটা নিয়ে তখন এতো ভাবি নি🫤


,,,


#Dark_Angelina

গল্প- ডেথ_থেরাপি (১ম পর্ব) লিখা- নিশান_হাসিব_শান্ত।

 সোহরাওয়ার্দীর এক কোণে একা বসে আছি। পাশেই একটা ছেলে আর একটা মেয়ে ভীষণ ঝগড়া করতেছিলো। ছেলেটা কাঁদছিলো আর চিল্লাচ্ছিলো এটা বলে যে, "অন্য কোথাও বিয়ে বসবি তো আমায় ভালোবাসছিলি কেনো? এতো কথা  দিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকাচ্ছিস কেনো এখন"। 

মেয়েটা উত্তরে বললো, "এটা পরিস্থিতি, আমার কিছু করার নেই"। 

ছেলেটা রিপ্লে দিলো, " আগে তো কসম করতি পরিস্থিতির দোহাই দিবি না"! 


আমি সবটা শুনে তাদের কাছে গেলাম। 

জিগ্যেস করলাম, "নাম কি"? 

একজন বললো পূর্ণ আরেজন বললো আমি সমুদ্র। 

আমি বললাম, "সমুদ্র শূন্য থাকলে মানায় না, পূর্ণতাতেই থাকুক"। 

তারপর পকেট থেকে একটা এক হাজার টাকার নোট বের করে তাদের সামনে রাখলাম। দুইজনই খুব মনোযোগ দিয়ে তাকিয়ে আছে। মেয়েটাকে জিগ্যেস করলাম, এটার মূল্য কতো? মেয়েটা উত্তর দিলো, "পাগল-টাগল হইছেন নাকি? দেখাই তো যাচ্ছে, এক হাজার টাকা"।

আমি বললাম, এই একটা নোট আপনি যদি ওরে দিন, তাহলে এই টাকাটার মূল্য কতো? 

মেয়েটা বললো, এক হাজার। 

এবার প্রশ্ন করলাম, "এই টাকাটা দুজনকে দিলে এটার মূল্য কতো"? 

এবার মেয়েটা বললো, পাঁচশো টাকা। 

জিজ্ঞেস করলাম, তিনজনকে দিলে?

বললো, তিনশো তেত্রিশ টাকা।

তারপর বললাম, নিজেকে এমন করে ভাগ করবেন না, এক স্থানে রাখুন তাহলেই সঠিক মূল্যটা পাবেন। 

তারপর মেয়েটা বললো, ভাইয়া ও তো আমার যোগ্য না। 

উত্তর দিলাম, যোগ্যতাকে ভালোবাসলে আপনি ওর সাথে সম্পর্ক জড়িয়েছিলেন কেনো? আপনি হোয়াইট হাউজের চেয়ারটাকে আই লাভ ইউ বললেই পারতেন! আচ্ছা বাদ দিন। এবার পকেট থেকে এক টাকার একটা কয়েন বের করলাম। এবার বললাম, এটা কতো? 

মেয়েটা বললো, এক টাকা। 

আমি হাজার টাকার নোটটা আর এক টাকার কয়েনটা মেয়েটার সামনে রেখে বললাম, এখানে থেকে আপনি একটা নিবেন আর আমি একটা। মেয়েটা বললো, আমি তো চাইবো হাজার টাকাটা নিতে। 

আমি হাসলাম, বললাম নিয়ে যান। 

মেয়েটা বললো, আপনি হাসছেন! আপনার আফসোস হচ্ছে না? দুটোতে কতো তফাৎ জেনেও আপনি কয়েনটা নিবেন! 

আমি বললাম, এই নোটটার সাথে এরকম আরও চারটা থাকলেও আমি এক টাকার কয়েনটাই নিতাম। 

জিজ্ঞেস করলো, "কেনো"?

বললাম যে, এটা আমার লাকি কয়েন, আর স্পেশাল কিছুর মূল্য অন্য কোনোভাবেই হয় না। এখন আমি যদি ভাবতাম এই কয়েনটা আমার কাছে কিছুই না তাহলে আমিও হাজার টাকাটাই নিতাম আর বলতাম কয়েনটা আমার যোগ্য না, আমিও তফাৎ বলতাম। কিন্তু ওটাই আমার কাছে স্পেশাল। আর ওটার চাইতে এটাই কাছে রাখা সহজ, কারণ হাজার টাকার জন্য কেউ আমার গলায় ছুরিও ধরতে পারে কিন্তু এক টাকার জন্য, নো চান্স! খুব দামী কিছুর কাছে যেতে গেলে দেখবেন সেটা সাঁই করে অন্যের হাতে চলে গেছে।

মেয়েটা বললো, ভাইয়া বুঝে গেছি।

জিজ্ঞেস করলাম,"কী বুঝে গেলেন"? 

স্পেশাল কিছুর যোগ্যতা লাগে না, আর কোনোভাবে মূল্যও হয় না। 

এবার মেয়েটা যে ছেলেটার সাথে ঝগড়া করতেছিলো সে ছেলেটার দিকে তাকিয়ে বললো, " চলো পালাবো, দূরে কোথাও চলে যাবো, দুনিয়ার আর কিছু লাগবো না আমার, মরণেও দিনও তুমি পাশে থাকবা, হ্যাঁ"?

এতোক্ষণ ছেলেটা চুপ করে দাঁড়িয়ে আমার কথা শুনতেছিলো, এবার সে আমায় জড়িয়ে ধরে বললো, ধন্যবাদ ভাই, আজীবন কৃতজ্ঞতা। 

ওরা চলে যাচ্ছিলো, ডাক দিলাম। 

জিজ্ঞেস করলাম, পালাবেন? 

মেয়েটা বললো, হ্যাঁ। 

বললাম যে, আমি কিন্তু বলেছি এই এক টাকার ওই কয়েনটার বিপরীতে আরও হাজার টাকার চারটা থাকলেও আমি ওটাই নিতাম। এই নিন আরও চারটা পাবেন, শোধ করে দিলাম। 

বললো যে, ভাইয়া লাগবেনা, এমনিতে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ আজীবন। 

বললাম রেখে দে বইন, দূরে যাচ্ছিস, কাজে লাগবে। 

ওরা দুজনেই শব্দহীন কেঁদে দিলো।

যাওয়ার সময় মুচকি হেসে পিছনে তাকিয়ে শেষবার জিজ্ঞেস করলো, ভাইয়া বলেছিলে আরও চারটা থাকলে এটাই নিতা, তবে যদি নয়টা বা নিরান্নবইটা কিংবা নয়শো নিরানব্বইটা থাকতো? 

উত্তর দিলাম, সেটা নেই আমার আপাতত আমার কাছে তাহলে সেগুলোর বিপরীতেও আমি আমার স্পেশাল লাকি কয়েনটাই চাইবো। 

মেয়েটা বললো, ভাইয়া আমাদের কিন্তু আবার দেখা হবে একদিন, সেদিন তোমার কাছে নয়শো নিরানব্বইটা থাকবে তোমার বোন সে দোয়া রেখে যাচ্ছে, আর তোমার বোন কিন্তু তোমার কাছে লাকি কয়েনটা রেখে গেছে, মনে রাইখো। 

মুচকি হাসলাম, ভালোবাসা সুন্দর, আমৃত্যু পাশে থাকাটা সুন্দর, আমার স্পেশাল কয়েনটার চেয়েও আরও অনেক অনেক বেশি দামী, সবচেয়ে দামী।

সমুদ্র আমায় জিজ্ঞেস করলো 'ভাইয়া আপনার নামটা'?

-মাহতাব। 

তারপর পূর্ণ মেয়েটা আমায় জিগ্যেস করলো মাহতাব ভাইয়া আপনার কি কেউ আছে খুব স্পেশাল? 

-আছে, ভীষণ স্পেশাল। 

-নাম কি? 

-অনিন্দিতা। (গম্ভীর স্বরে)

-সুন্দর নাম তো, নামের মতোই নিশ্চয় সে অনেক সুন্দর। 

-কতোটা সুন্দর বর্ণনা করা মুশকিল, তবে প্রচন্ড মায়াবী যার চোখে তাকালে স্বয়ং সময় থেমে যায়। যার ললাটে তাকালে আকাশের নীলও ফ্যাকাসে লাগে। যার ঠোঁটে তাকালে পাহাড়ের সবুজ রঙ হারায়। যার চুলে তাকালে আকাশের মেঘ হাওয়া হয়ে যায়। আর যার পুরো মুখে দেখলে মনে হয় এই বুঝি চাঁদ জ্যোৎস্না ছড়ানো ছেড়ে দিয়ে অনিন্দিতাকে নিয়ে আকাশে বসিয়ে দিবে। 

-বাহ অপরূপা। 


এরপর যাওয়ার সময় সমুদ্র বললো ভাইয়া আপনার নাম্বারটা দিবেন? কখনও আবার সমস্যা হলে ডাকতে পারবো কি? 

-অবশ্যই, নাও তাহলে। 

সমুদ্র আর পূর্ণ চলে গেলো। পূর্ণতা বহাল থাকুক অনন্তকাল। ভালোবাসা দেখতেও সুন্দর। 

ঠিক পরেরদিন সমুদ্র ফোন করলো। জানালো, 'ভাইয়া আমরা বিয়ে করেছি'। 

-ভালো খবর। তা কোনো অসুবিধা? 

-জ্বি ভাইয়া একটা অসুবিধা আছে। 

-কি? 

-বাসা খুঁজে পাচ্ছিনা। আর পূর্ণর বাবা আর ভাইয়েরা ওর ফোনে ম্যাসেজ দিছে। আমাদের পেলে টুকরো করে ফেলবে। 

-এক্ষুণি সিম সব অফ করো, আমার ফেসবুক একাউন্ট দিচ্ছি, কারও থেকে কোনো একটা ওয়াইফাই নিয়ে কানেক্ট করে ওখানে নক করো আমায়। 

-আচ্ছা ঠিকাছে ভাইয়া। 


তারপর আমার একাউন্ট নিয়ে কিছুক্ষণ পর সমুদ্র আমায় ম্যাসেঞ্জারে নক করলো। আমি লোকেশনে গিয়ে দেখা করলাম। ওখান থেকে ওদের নিয়ে চলে গেলাম কুমিল্লার বুড়িচংয়ের ছয়গ্রাম এলাকায়। ভারতের বর্ডার ঘেষা গ্রাম। বাংলাদেশের শেষ সীমানার একটি স্থান। ওখানে আমার খুব পরিচিত একজন আছে বিডি ফুড কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর। উনার কাছে গিয়ে সমুদ্রর জন্য মার্কেটিং এসআরের একটা চাকরি নিয়ে দিলাম। উনি বাসা ঠিক করে দিলো। চারদিক পাকা দালানের বর্ডারের ভেতরে উনার বড় ভাইয়ের একটা পাকা ভবন, বাইরে থেকে দেখতে পরিত্যক্ত ভূতের বাড়ির মতো হলেও ভেতরে মোটামুটি আভিজাত্যপূর্ণ। উনার বড় ভাইয়েরা এখানে থাকেনা, আসেও না, শহরে থাকে বহুবছর ধরে। তারপর ওদের সংসারের টুকিটাকি গুছানোর জন্য আমি আরও কিছু টাকা সমুদ্রের হাতে দিয়ে চলে আসি। আসার সময় দেখলাম ছেলেটা কৃতজ্ঞচিত্তে ছলছল চোখ নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। 


দুদিন পর থানা থেকে আমায় ফোন করে থানায় যেতে বলে। আমি যাই সেখানে। তারপর সমুদ্রের ব্যাপারে জিগ্যেস করে বলে ওদের ফোন সুইসড অফ হবার পূর্বে আপনার সাথে কথা হয়েছিলো, আপনি কিছু জানেন? 

আমি না জানার ভঙ্গিমা করে বললাম, 'নাম্বারটা দেখি তো'। 

নাম্বার দেখানোর পর আমি বললাম, "ও হ্যাঁ স্যার ওইদিন এই নাম্বারটা থেকে আমার ফোনে কল আসছিলো কিন্তু রং নাম্বার ছিলো, আমি চিনিনা পরে গালাগালি করে ফোন কেটে দিছিলাম"। 

তারপর তারা আমায় জোরাজোরি করেনি, ছেড়ে দিয়েছিলো। কিন্তু পাশে দাঁড়ানো পূর্ণর বাবা আর ভাইয়েরা খুব জোর সন্দেহ করতে থাকে। থানা এরিয়া থেকে আমি বের হয়ে তিনটে মোড় ঘুরতেই দেখি পূর্ণর বাবা আর ভাইয়েরা আমার পথ আটকে দাঁড়ালো। আমি কিছু বলতে যাবো আগেই আমার মুখ বন্ধ করে বেঁধে পূর্ণর মেজো আংকেলের গাড়িতে তুলে আমায় নিয়ে গেলো একটা ভাঙ্গা বাড়িতে। ওখানে বেধে আমায় সিনেমাটিক স্টাইলে মারতে লাগলো আর বারবার জিগ্যেস করতেছিলো, 'যা জানিস বল'। আমি প্রতিবারই বলতে লাগলাম, "আমি কিছুই জানিনা"।

লাস্ট আমায় বাঁধা থেকে ছেড়ে দিলো। পরে আমি বললাম, "দেখেন আমি যা কিছু বুঝেছি, আপনারা মেয়ের জন্য অন্য কোনো ছেলে পছন্দ করলে সে যে ভালো হতো তার কোনো গ্যারান্টি আছে কি? মানুষ বাঁচেই বা কদিন আপনাদের মেয়ে যার সাথেই গেছে আপনাদের পছন্দ না হলেও মানুষটা তো তার নিজের পছন্দের, অপছন্দের কাউকে সাথে নিয়ে একটা জীবন জোর করে কাটাই দেওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জুলুম নয় কি?" 

একথা শুনার পর পূর্ণর বড় ভাই বললো, "আমার বোন আর বোন জামাইকে তো আমরা ঠিকই মেনে নেবো, কিন্তু যদি কখনও জানতে পারি তুই কোনোভাবে জড়িত ছিলি তাহলে সেদিন তোর খবর করে ছাড়বো"। 

এটা বলে ওরা চলে যায়, আমি রক্তাক্ত মুখ নিয়ে মুচকি হাসতে থাকি। 


হঠাৎ ইশরাক থামিয়ে দিয়ে বললো মাহতাব ভাই আপনি কাহিনীতে আগে চলে গেছেন!

-কতো আগে?

-দুই বছর আগে। আপনি দুই হাজার বিশ সালে চলে গেছেন। 

-আমার কোথায় থাকার কথা? 

-ভাই অনিন্দিতায়, শুরু থেকে, আঠারো সালে। 


চলবে...


গল্প- ডেথ_থেরাপি (১ম পর্ব)


লিখা- নিশান_হাসিব_শান্ত।


#লিখালিখি

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...