এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫

মেয়েরা ঘরে বসে ফেস না দেখিয়ে খুব সহজেই "নকশী" বা হস্তশিল্প/কারুকাজ সম্পর্কিত ভিডিও বানিয়ে টাকা ইনকাম করতে  পারে।

 মেয়েরা ঘরে বসে ফেস না দেখিয়ে খুব সহজেই "নকশী" বা হস্তশিল্প/কারুকাজ সম্পর্কিত ভিডিও বানিয়ে টাকা ইনকাম করতে  পারে। এতে তাদের গোপনীয়তা বজায় থাকবে এবং একসাথে নিজের কাজও প্রচার করা যাবে। নিচে কিছু ধাপে ব্যাপারটি ব্যাখ্যা করা হলো:


✅ ১. ভিডিওর ধরন ঠিক করুন


নকশী ভিডিও বলতে সাধারণত বোঝায়:


নকশীকাঁথা বানানোর ধাপ


হাতের কাজ বা এমব্রয়ডারি


ডিজাইনিং প্রসেস


কাপড় বা থ্রেড রিভিউ


আপনার টার্গেট ঠিক করুন: শেখানো, প্রোমোশন, বা সেল?


✅ ২. ফেস ছাড়াই ভিডিও রেকর্ড করার উপায়


ওভারহেড ক্যামেরা সেটআপ: একটি ট্রাইপড বা ফোন হোল্ডার ব্যবহার করে হাত ও কাজ দেখান।


হাত বা শুধু কাজ ফোকাসে রাখুন: ভিডিওতে শুধু হাত ও কাজের অংশ দেখান।


ভয়েস-ওভার বা টেক্সট ব্যবহার করুন: আপনি নিজে কথা বলতে না চাইলে ভিডিওর ওপর সাবটাইটেল বা ভয়েস-ওভার যোগ করতে পারেন।


✅ ৩. সহজ ভিডিও বানানোর টুলস


ফোন দিয়েই বানানো সম্ভব:


📱 CapCut (ফ্রি, অ্যান্ড্রয়েড/আইফোন)


📱 KineMaster


📱 InShot


📱 VN Editor


এগুলোতে:


ভিডিও কেটে ছোট করা যায়


টেক্সট বা সাবটাইটেল যোগ করা যায়


ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দেয়া যায়


ভয়েস-ওভার রেকর্ড করা যায়


✅ ৪. ভিডিওতে যা থাকলে ভালো হয়


কাজের ক্লোজ-আপ শট


প্রক্রিয়ার ধাপে ধাপে ভিডিও


সময় বাঁচানোর জন্য টাইম-ল্যাপ্স


ব্যাকগ্রাউন্ডে সফট মিউজিক


শেষে রেডি প্রোডাক্ট দেখানো


✅ ৫. কোথায় আপলোড করবেন?


📺 YouTube (দীর্ঘ ভিডিওর জন্য)


📱 Facebook Page / Group


📷 Instagram Reels


📱 TikTok (ছোট হাই-এনার্জি ভিডিওর জন্য)

#craftvideo #crafting #howtomake #onlineincome

রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫

যে সমস্ত কৃষক ভাই ও খামারি ভাই গবাদি পশু লালন পালন করেন তাদের জন্য আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট-------৷৷৷ কৃমির জীবনচক্র।

 যে সমস্ত কৃষক ভাই ও খামারি ভাই গবাদি পশু লালন পালন করেন তাদের জন্য আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট-------৷৷৷ কৃমির জীবনচক্র।।। 


🔍 জানেন কি, মাঠে থাকা নিরীহ শামুকটিই হতে পারে গরুর লিভারে কৃমি আক্রমণের মূল কারণ? 😟


🐌 কৃমির জীবনচক্রের একটা ধাপ ঘটে শামুকের দেহে—যেখানে গড়ে ওঠে অদৃশ্য এক ফাঁদ! আর এই ফাঁদে পড়েই আপনার গরু রোগাক্রান্ত হয়, দুধ ও ওজন কমে যায়, খরচ বাড়ে—লোকসানও হয়! 💔


📚 প্রতিবেদনটি জানাবে—

✅ কৃমির জীবনচক্রের প্রতিটি ধাপ

✅ শামুকের গোপন ভূমিকা

✅ খামারির সচেতনতা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা

✅ কিভাবে এড়াতে পারেন এই নিঃশব্দ শত্রুকে!


📖 জানুন, শিখুন—আপনার পশু ও পেশার সুরক্ষায় এক ধাপ এগিয়ে থাকুন।


📌 কি থাকছে এই প্রতিবেদনটিতে?

🐄 কৃমি কীভাবে আক্রমণ করে পশুকে

🐌 শামুকের অদৃশ্য কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

💉 ওষুধ প্রয়োগের সঠিক সময় ও মাত্রা

🛑 সাধারণ ভুল ও কীভাবে তা এড়ানো যায়

✅ সরকারের প্রচলিত সেবা ও পরামর্শ কেন্দ্র


👉 প্রতিবেদনটি পড়ে আপনার খামারের অভিজ্ঞতা বা প্রশ্ন কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না!

👍 লাইক, 💬 কমেন্ট এবং 📤 শেয়ার করে অন্য খামারিদেরও সচেতন করুন!


#কৃমিরজীবনচক্র #খামারিরসচেতনতা #গবাদিপশুরসুরক্ষা #শামুক_ও_সংক্রমণ #প্রাণিপালন

#LivestockAwareness #WormLifecycle #SnailHost #FarmersGuide #AnimalHealth 


গবাদি পশুতে কৃমির আক্রমণ প্রক্রিয়া, জীবনচক্র ও খামারীর সচেতনতা

প্রতিবেদক: মোস্তাফিজুর রহমান


🐄 ভূমিকা: কেন এই প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ?

বাংলাদেশের কৃষি ও অর্থনীতিতে গবাদি পশুর ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু কৃমি সংক্রমণ একটি নীরব ঘাতক, যা পশুর স্বাস্থ্য ও উৎপাদনশীলতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই প্রতিবেদনে আমরা কৃমির আক্রমণ প্রক্রিয়া, জীবনচক্র এবং খামারীদের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করব।


🧬 কৃমির জীবনচক্র ও আক্রমণ প্রক্রিয়া

কৃমি একটি পরজীবী, যা পশুর শরীরে প্রবেশ করে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে বাস করে। সাধারণত কৃমির ডিম পশুর মলের মাধ্যমে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেখান থেকে আবার পশুর শরীরে প্রবেশ করে। এই চক্রটি অব্যাহত থাকলে পশুর স্বাস্থ্য হ্রাস পায় এবং উৎপাদনশীলতা কমে যায়।


🚫 কৃমির প্রভাব ও চ্যালেঞ্জ

স্বাস্থ্যগত সমস্যা: কৃমি সংক্রমণে পশু দুর্বল হয়ে পড়ে, ওজন কমে যায় এবং দুধ ও মাংস উৎপাদন হ্রাস পায়।


অর্থনৈতিক ক্ষতি: কৃমির কারণে পশুর উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ায় খামারীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।


প্রতিরোধের অভাব: অনেক খামারী কৃমি সংক্রমণ সম্পর্কে সচেতন না হওয়ায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না।


🧬 গবাদিপশুর কৃমি আক্রমণের জীবনচক্র: খামারীর জন্য জানা অত্যন্ত জরুরি

🔬 ১. কৃমি কীভাবে গবাদিপশুর শরীরে প্রবেশ করে?

গবাদিপশুর শরীরে কৃমির আক্রমণ একটি নির্দিষ্ট জীবনচক্র অনুসরণ করে। এটি বুঝতে পারলে খামারিরা সময়মতো ওষুধ দিতে পারবেন এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবেন।


🔄 ২. কৃমির সাধারণ জীবনচক্র (বিশেষ করে ফ্লুক বা পরজীবী কৃমি):

উদাহরণস্বরূপ এখানে লিভার ফ্লুক (Fasciola gigantica)-এর জীবনচক্র বর্ণনা করা হলো, যেটি বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক ধরনের পরজীবী।


🧪 ধাপ ১: ডিম (Egg)

কৃমি আক্রান্ত পশুর মলের (বাঁঠা) সঙ্গে ডিম নির্গত হয় এবং তা পড়ে খোলা মাঠ, জলাশয় বা ঘাসে।


💧 ধাপ ২: লার্ভা পর্যায় (Miracidium)

জলীয় পরিবেশে ডিম ফুটে Miracidium নামে একটি লার্ভায় রূপ নেয়। এটি কিছুক্ষণের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির শামুক (Intermediate host) এর দেহে প্রবেশ করে।


🐌 ধাপ ৩: শামুকের মধ্যে বিকাশ

এই শামুক (বাংলাদেশে Lymnaea auricularia প্রজাতি বেশি দেখা যায়) হচ্ছে জীবনচক্রের মধ্যবর্তী বাহক। এর মধ্যে কৃমির লার্ভা ধাপে ধাপে বিকাশ লাভ করে –


Sporocyst


Redia


Cercaria


🌿 ধাপ ৪: শামুক থেকে মুক্ত হয়ে ঘাসে আক্রমণ

শামুকের দেহ থেকে Cercaria বের হয়ে ঘাস বা জলাশয়ের আশেপাশের পরিবেশে Encysted Metacercaria নামক দৃঢ় আবরণযুক্ত কৃমি হয়ে বসে থাকে।


🐄 ধাপ ৫: গবাদিপশুর দেহে প্রবেশ

পশু সেই ঘাস বা পানীয় খেলে Metacercaria পশুর শরীরে প্রবেশ করে এবং লিভারে গিয়ে পরিপক্ব কৃমি (Adult fluke) তে পরিণত হয়।


🔁 ধাপ ৬: আবার ডিম উৎপাদন

এই প্রাপ্তবয়স্ক কৃমি আবার ডিম উৎপাদন করে যা মলের মাধ্যমে বাইরে আসে। এভাবে জীবনচক্র ঘুরতে থাকে।


🐌 শামুকের ভূমিকা: ছোট প্রাণী, বড় ক্ষতি

🔴 শামুক না থাকলে এই জীবনচক্র অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

🔵 অর্থাৎ, শামুককে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে কৃমির বিস্তারও অনেক কমানো যায়।


বাংলাদেশে বর্ষাকালে এবং জলাবদ্ধ জায়গায় শামুকের সংখ্যা বাড়ে—সেইসঙ্গে কৃমির সংক্রমণও বৃদ্ধি পায়।


📌 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এক নজরে:

ধাপ কী ঘটে কোথায়

১ ডিম নির্গত পশুর মলে

২ লার্ভা পানিতে

৩ বিকাশ শামুকের মধ্যে

৪ ঘাসে পৌঁছানো Metacercaria

৫ পশুর দেহে প্রবেশ ঘাস বা পানি খাওয়ার মাধ্যমে

৬ পরিণত কৃমি পশুর লিভারে


🧠 খামারির সচেতনতার বিষয়:

✔️ জলাবদ্ধ এলাকা ও শামুকপ্রবণ মাঠে পশু না চরানো

✔️ নিয়মিত কৃমির ওষুধ প্রয়োগ

✔️ ঘাস সংগ্রহ করে কিছুক্ষণ শুকিয়ে খাওয়ানো

✔️ জলাশয় বা ঘাসে শামুকের উপস্থিতি থাকলে সেগুলো পরিষ্কার রাখা

✔️ স্থানীয় ভেটেরিনারি সার্জনের পরামর্শ নেয়া


🏛️ সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর: কৃমি প্রতিরোধে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে।


বেসরকারি সংস্থা: বিভিন্ন এনজিও ও খামারী সংগঠন কৃমি প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে।


🧪 ব্যবহারিক তথ্য

কোথায় যাবেন: নিকটস্থ প্রাণিসম্পদ অফিস বা পশু চিকিৎসকের কাছে।


কারা পাবেন: সকল খামারী ও গবাদি পশু পালনকারী।


শর্তাবলি: পশুর ওজন অনুযায়ী সঠিক মাত্রায় কৃমির ওষুধ প্রয়োগ করা উচিত।


🌟 সফল খামারীর উদাহরণ

মোঃ রফিকুল ইসলাম, নাটোর: তিনি নিয়মিত কৃমির ওষুধ প্রয়োগ করে তার খামারে দুধ উৎপাদন ৩০% বৃদ্ধি করেছেন। [সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ]


⚠️ সাধারণ ভুল ও পরামর্শ

ভুল: ওজন না মেপে কৃমির ওষুধ প্রয়োগ করা।


পরামর্শ: পশুর ওজন অনুযায়ী সঠিক মাত্রায় ওষুধ প্রয়োগ করুন এবং নিয়মিত পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন।


📊 বাস্তব প্রভাব বিশ্লেষণ

কৃমি সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে পশুর স্বাস্থ্য উন্নত হয়, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং খামারীরা আর্থিকভাবে লাভবান হন।


🔗 রিসোর্স ও সাহায্যের জায়গা

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর: dls.portal. gov.bd


কৃষি তথ্য সার্ভিস: ais. gov.bd


📣 প্রশ্ন আপনার জন্যঃ

🔸 আপনি কী আপনার খামারে শামুকের উপস্থিতি খেয়াল করেন?

🔸 কৃমির জীবনচক্র বুঝে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছেন তো?

একজন ম্যাচিউর নারীর মানসিকতা, চাওয়া-পাওয়া ও গভীর প্রেম: 

 একজন ম্যাচিউর নারীর মানসিকতা, চাওয়া-পাওয়া ও গভীর প্রেম: 


প্রেম—এটা কখনোই শুধুই "তোমাকে ভালোবাসি" বলা তিনটি শব্দের খেলা নয়।

ভালোবাসা একটা অনুভব, একধরনের আশ্রয়… যেটা একজন ম্যাচিউর মেয়ে খোঁজে খুব নিভৃতে, খুব গভীরভাবে।


একটা ম্যাচিউর মেয়ে প্রেমে পড়ে না চোখের চাহনিতে, স্ট্যাটাসে দেওয়া ভালোবাসার কবিতায় বা ঘন ঘন আসা ফোনকলের তীব্রতায়।

সে প্রেমে পড়ে এমন একজনের, যে তার নীরবতাকে ভাষা হিসেবে বুঝতে পারে। যে বুঝতে পারে, মেয়ে আজ চুপচাপ আছে—মানে হয়ত অনেক কিছু বলতে চায়, কিন্তু বলার মতো মনের জোরটা হারিয়ে ফেলেছে।


সে চায় একজন, যে “কী হয়েছে বলো তো” বলার আগে চিনে ফেলে, কিছু একটা ঠিক নেই।

সে চায় না প্রতিদিন তিনবার “ভালোবাসি” শুনতে। সে চায় একজন—যে প্রতিদিনের ছোট ছোট আচরণে বুঝিয়ে দেবে, ‘তুমি আছো বলেই আমি সম্পূর্ণ।’


একজন ম্যাচিউর মেয়ে জীবনের হালকা গল্পে নয়, গভীরতায় বিশ্বাস করে।

সে জানে প্রেম মানে শুধু একসাথে সিনেমা দেখা, কিংবা কফির টেবিলে হাত ধরা নয়। প্রেম মানে—একসাথে ঘাম ঝরিয়ে ভবিষ্যতের ছবি আঁকা, একে অপরের ভয়-দ্বিধা বুঝে নেওয়া, আর যত যন্ত্রণাই আসুক—হাতে হাত রেখে বলার সাহস রাখা, “চলো, পেছনে না তাকিয়ে এগিয়ে যাই।”


সে এমন একজনকে চায়—যার কাঁধে মাথা রাখলে সে নিজের ভাঙা পৃথিবীটা কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভুলে যেতে পারে।

যে বুঝবে—মেয়েটি কেবল প্রেমিকা নয়, সে কারো মেয়ে, কারো বোন, হয়তো কারো মা হবে একদিন; তার কাঁধে অনেক দায়িত্ব, অনেক বোঝা।

আর সেই বোঝার ভার ভাগ করে নিতে চায়—ভালোবাসা নামে এক মানুষ।


একজন ম্যাচিউর মেয়ের কাছে প্রেম মানে এমন একটা জায়গা, যেখানে সে দুর্বল হতে পারে, ভেঙে পড়তে পারে, কাঁদতে পারে… এবং জানে—ওর মানুষটা তখনও হাত ধরে বলবে, “তুমি ঠিক আছো, আমি আছি তো পাশে।”


সে খোঁজে এমন একজন পুরুষ, যে তার শরীরের প্রেমিক নয়, তার আত্মার বন্ধু হবে।

যে মুগ্ধ হবে মেয়েটির স্বপ্ন দেখে, তার চিন্তায় ডুবে যাবে, তার সাফল্যে গর্ববোধ করবে।

যে তাকে বদলাতে চাইবে না, বরং ঠিক যেমন সে আছে, সেভাবেই ভালোবাসবে—ভাঙা, ক্লান্ত, জেদি, কাঁদনভরা এক হৃদয় নিয়ে।


এই ভালোবাসা—ছোট ছোট বাক্যে, চোখের দৃষ্টিতে, ভরসার ছোঁয়ায় নিজেকে জানান দেয়।

এ প্রেমে প্রতিশ্রুতি থাকে না প্রচুর, কিন্তু থাকে একরাশ দায়িত্ব।

থাকে এমন বিশ্বাস, যা দিনশেষে একে অপরকে টেনে আনে ক্লান্ত পৃথিবীর ভিড় পেরিয়ে।


একজন ম্যাচিউর মেয়ে জানে—শুধু ভালোবাসা দিয়ে সংসার চলে না, কিন্তু ভালোবাসার অভাবে জীবন একসময় নিঃসঙ্গ মরুভূমি হয়ে যায়।

তাই সে চায় এমন একজনকে—যার সাথে সে শুধু প্রেম না, জীবনটাই ভাগ করে নিতে পারে।


ভালোবাসার কথা সবাই বলে, কিন্তু অনুভব করে কয়জন?

সে খোঁজে এমন একজন—যে প্রেমে না থেকেও প্রতিদিন প্রেম করে, যে পাশে না থেকেও তার ছায়ার মতো অনুভব করায়…

যে বলে না, "আমি তোমার," কিন্তু প্রতি মুহূর্তে প্রমাণ করে, "তোমার জন্যই আমি।"

❤️🌸

বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হচ্ছে কোটি টাকা কেজি!!!

 বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হচ্ছে কোটি টাকা কেজি!!!


বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ শুধু মাছ রপ্তানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মাছের শরীরের এমন কিছু মূল্যবান অংশ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার চেয়েও দামি। এই দামি অংশ বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হচ্ছে প্রতি কেজি কোটি টাকায়।


এই বিশেষ অংশটির নাম হচ্ছে পিটুইটারী গ্লান্ড! 


পিটুইটারী গ্লান্ড কী?


পিটুইটারী গ্লান্ড হলো মাছের মস্তিষ্কের নিচের অংশে থাকা এক ধরনের অতি ক্ষুদ্র গ্রন্থি, যা বিশেষ হরমোন নিঃসরণ করে। এই গ্লান্ড বিশেষ করে কার্প (Carp) ও ক্যাটফিশ (Catfish) জাতীয় মাছের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


এটার কাজ কী? কেন এত দামি?


বিশ্বব্যাপী ফিশ হ্যাচারিগুলোতে প্রজনন কার্যক্রমে এই গ্লান্ড থেকে নির্যাস বের করে ব্যবহার করা হয়। এটি প্রজননক্ষমতা বাড়াতে এবং ডিম ছাড়ানোর কাজে ব্যবহার হয়, যাকে বলে Induced Breeding।

এছাড়াও ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিতে নানা ধরনের গবেষণায় এই গ্লান্ড ব্যবহৃত হয়।


আন্তর্জাতিক বাজারে পিটুইটারী গ্লান্ডের চাহিদা ও মূল্য

 • প্রতি কেজি ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বিক্রি হয়, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৬ থেকে ৬৫ লাখ টাকা!

 • ২০২৩ সালে শুধুমাত্র চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে এই গ্লান্ডের চাহিদা ছিল প্রায় ১০০ টন, যার বাজার মূল্য ৩৫০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।


বাংলাদেশের সম্ভাবনা


বাংলাদেশের নদী, খাল, বিল, হাওর ও সমুদ্র উপকূলে প্রচুর পরিমাণে কার্প ও ক্যাটফিশ জাতীয় মাছ পাওয়া যায়, যেগুলোর পিটুইটারী গ্লান্ড বিশ্বমানের মানসম্পন্ন।

 • ২০২4 সালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৭.৫ টন পিটুইটারী গ্লান্ড রপ্তানি হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ২৭ মিলিয়ন ডলার।

 • সরকারের সহযোগিতায় যদি পরিকল্পিত সংগ্রহ ও রপ্তানি করা যায়, তবে বছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব।


রপ্তানি করতে চাইলে যা জানতে হবে

 • কোন মাছের গ্লান্ডের চাহিদা বেশি?

 • কীভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হয়?

 • রপ্তানির বৈধতা, লাইসেন্স ও প্রক্রিয়া কী?

 • কোন দেশে সবচেয়ে বেশি চাহিদা এবং মূল্য বেশি?


বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের পিটুইটারী গ্লান্ডকে পৌঁছে দিন, গড়ুন কোটি টাকার রপ্তানি সাম্রাজ্য!

 গল্পে গল্পে ইংরেজি শিখুন -❤️❤️Day- 012❤️❤️

 গল্পে গল্পে ইংরেজি শিখুন -❤️❤️Day- 012❤️❤️

গ্রামীণ কৃষি পরিবারের চিত্র

The scenario of rural agricultural family 


In (ভিতরে) a (একটি) quiet (নিঃশব্দ) village (গ্রাম), where (যেখানে) the (টি) sky (আকাশ) was (ছিল) always (সবসময়) wide (প্রশস্ত) and (এবং) the (টি) soil (মাটি) always (সবসময়) brown (বাদামি), lived (বাস করত) a (একটি) small (ছোট) family (পরিবার) of (এর) four (চারজন) — a (একজন) father (বাবা), mother (মা), and (এবং) two (দুই) children (শিশু)।

They (তারা) were (ছিল) poor (গরীব), but (কিন্তু) their (তাদের) hearts (হৃদয়) were (ছিল) full (ভরা) of (এর) love (ভালোবাসা)।

Their (তাদের) only (মাত্র) wealth (সম্পদ) was (ছিল) a (একটি) small (ছোট) piece (টুকরো) of (এর) land (জমি) and (এবং) their (তাদের) belief (বিশ্বাস) in (মধ্যে) hard (কঠোর) work (কাজ)।

The (টি) father (বাবা), Abdul Karim, was (ছিলেন) a (একজন) farmer (চাষি) — not (না) by (দ্বারা) choice (পছন্দ), but (বরং) by (মাধ্যমে) blood (রক্তসূত্রে)।

He (তিনি) woke up (ঘুম থেকে উঠতেন) every (প্রতিদিন) day (দিন) before (আগে) dawn (ভোর), washed (ধুতেন) his (তার) hands (হাত) with (সাথে) cold (ঠান্ডা) water (পানি), and (এবং) walked (হাঁটতেন) barefoot (খালি পায়ে) into (ভিতরে) the (টি) fields (ক্ষেত)।

The (টি) soil (মাটি) was (ছিল) his (তার) life (জীবন)। The (টি) sun (সূর্য) was (ছিল) his (তার) boss (মালিক)। The (টি) rain (বৃষ্টি) — both (উভয়) his (তার) blessing (আশীর্বাদ) and (এবং) fear (ভয়)।

His (তার) wife (স্ত্রী), Rahima, never (কখনোই না) complained (অভিযোগ করতেন না)।

She (তিনি) cooked (রান্না করতেন) rice (ভাত) with (সাথে) salt (লবণ) when (যখন) there (সেখানে) were (ছিল) no (না) vegetables (সবজি)।

She (তিনি) stitched (সেলাই করতেন) old (পুরনো) clothes (পোশাক) again (আবার) and (এবং) again (আবার), turning (পরিণত করে) tears (অশ্রু) into (মধ্যে) patches (জোড়া) and (এবং) pain (ব্যথা) into (মধ্যে) prayer (প্রার্থনা)।

Their (তাদের) son (ছেলে), Ibrahim, was (ছিল) only (মাত্র) 13 (তের) but (কিন্তু) worked (কাজ করত) like (মতো) a (একজন) grown (বড়) man (মানুষ)।

He (সে) plowed (চাষ করত) the (টি) land (জমি) beside (পাশে) his (তার) father (বাবা), carrying (বহন করত) sacks (বস্তা) of (এর) fertilizer (সার) on (উপর) his (তার) shoulders (কাঁধ) that (যা) were (ছিল) too (অত্যন্ত) small (ছোট) for (জন্য) the (টি) weight (ওজন) of (এর) his (তার) childhood (শৈশব)

 (And) তাদের (their) ছোট্ট (little) মেয়ে (daughter), ফাতেমা (Fatema),

লিখত (wrote) কবিতা (poems) আঙুলে (fingers) ধুলায় (dust) রাঙানো (stained) অবস্থায sitting under the neem tree বসে (sitting) নিমগাছের (neem tree) নিচে (under).


যখন (while) দেখত (watching) তার পরিবারকে (her family) জমির (land) সাথে যুদ্ধ (battle) করতে (to) খাবারের (food) জন্য।

এক বছর (One year), ফসল (crops) নষ্ট হয়ে যায় (failed)।

আকাশ (sky) বৃষ্টি (rain) দেয়নি (gave no)।

The land cracked.জমি (land) ফেটে গিয়েছিল (cracked)।

ক্ষুধা (hunger) এসেছিল (visited) একটি ভূতের (like a ghost) মতো।

 


তারা (they) তাদের (their) একমাত্র (only) গরুটি (cow) বিক্রি করল (sold)

চাল (rice) কিনতে (to buy)।

রাহিমা (Rahima) বিক্রি করল (sold) তার (her) সোনার (gold) কানের দুল (earring)

ঔষধের (medicine) জন্য (for)।


কিন্তু (but) একবারও (not once) তারা (they) ভিক্ষা করেনি (did beg 

এক সন্ধ্যায় (one evening), ইব্রাহিম (Ibrahim)

তার বাবাকে (his father) জিজ্ঞেস করল (asked),

"বাবা (Baba), আমরা কি (will we)

সবসময় (always) গরীব (poor) থাকব (be)?”


করিম (Karim) হেসে (smiled) তার (his)

মজবুত (calloused) হাত (hand) ছেলের (son’s) মাথায় (head) রাখলেন (placed)।

“হয়তো (maybe), আমার ছেলে (my son)।

কিন্তু (but) টাকায় (in money) গরীব (poor)

**— সততায় নয় (not in honesty), গর্বে নয় (not in pride)।”

 


সেই রাতে (that night), ফুটো (leaking)

টিনের ছাদের (tin roof) নিচে (under),


তারা সবাই (they all) একসাথে (together) বসে (sat)

এক বাটি (one bowl) চাল (rice) ভাগ করে খেল (shared)।


একটি (one) কেরোসিন বাতি (oil lamp),

আর (and) অসংখ্য গল্প (endless stories)।


কেউ কাঁদেনি (no one cried)।

কিন্তু (but) তাদের চোখ (their eyes) সব বলে দিচ্ছিল (said everything)।

 

বছর কয়েক পরে (years later), ইব্রাহিম (Ibrahim)

একটি বৃত্তি পায় (got a scholarship)


এবং (and) একজন কৃষি প্রকৌশলী (agricultural engineer) হয় (became)।


সে ফিরে আসে (he returned) একই (same) জমিতে (land),কোদাল (spade) নিয়ে নয় (not with),

জ্ঞান নিয়ে (with knowledge)।


অন্যান্য কৃষকদের (other farmers) শেখাতে (to teach)

কীভাবে (how to) ভালো ফসল (better crops) চাষ করতে হয় (to grow)।

 

জমি (land) একই রয়ে গেছে (remained the same)।

কিন্তু পরিবারটি? (But the family?)

তারা (they) ফুটে উঠেছিল (bloomed)

— ঠিক যেমন (like) বৃষ্টির পরে (after rain) ধানগাছ (rice plants)।

 

🟦 15 Important Words 

1. Stained (স্টেইনড) – দাগ লেগেছে

2. Cracked (ক্র্যাকড) – ফেটে গেছে

3. Ghost (ঘোস্ট) – ভূত

4. Beg (বেগ) – ভিক্ষা চাওয়া

5. Calloused (ক্যালাসড) – শক্ত হয়ে যাওয়া (মেহনতের কারণে)

6. Pride (প্রাইড) – গর্ব

7. Scholarship (স্কলারশিপ) – বৃত্তি

8. Engineer (ইঞ্জিনিয়ার) – প্রকৌশলী

9. Knowledge (নলেজ) – জ্ঞান

10. Bloomed (ব্লুমড) – প্রস্ফুটিত হওয়া / উন্নত হওয়া

11. Tin Roof (টিন রুফ) – টিনের ছাদ

12. Oil Lamp (অয়েল ল্যাম্প) – কেরোসিন বাতি

13. Earring (ইয়াররিং) – কানের দুল

14. Rice Plant (রাইস প্ল্যান্ট) – ধানগাছ

15. Dignity (ডিগনিটি) – সম্মান

 

🎯এইভাবে গল্পে গল্পে ইংরেজি শিখতে,পেজে মেসেজ দিন,নামমাত্র মূল্যে পাবেন একটি চমৎকার ই-বই(pdf) 🎯


পড়া শেষে Done বা Completed লিখতে ভুলবেন না। অন্যদের শেখার সুযোগ করে দি, শেয়ার করুন❤️❤️

ঢাকায় যারা থাকেন বা যাচ্ছেন তারা যে সব বিষয়ে সাবধান হবেন!'

 🔴 ঢাকায় যারা থাকেন বা যাচ্ছেন তারা যে সব বিষয়ে সাবধান হবেন!'


১.ফার্মগেটে হঠাৎ দেখতে পেলেন, কতগুলো মানুষ একজন মানুষ কে আঘাত করে চলেছে আর সে আপনাকে বলছে ভাই সাহায্য করেন,আপনি দয়া দেখাতে গিয়ে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলেই বিপদ হতে পারে,ওরা আপনাকে **** সব কিছু নিয়ে যেতে পারে, কারণ তারা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র


২.ওভার ব্রিজ এর উপর মহিলা কাঁদছে যে,সে যার সাথে দেখা করবে তার মোবাইলে কল দিতে হবে কিন্তু, তাঁর কাছে টাকা নেই বলবে আপনার মোবাইল দিয়ে সেই লোকের নাম্বারে মিসকল দিলেও সে ব্যাক করবে আপনি কল দিলেন তো ফাঁদে পড়লেন,ওরা নিরীহ মানুষ দেখে তাদের নম্বর সংগ্রহ করে ও পরবর্তীতে সেই নাম্বারে কল করে লোভনীয় প্রস্তাব দেয়, রাজী হলে আপনাকে তাঁদের আস্তানাতে নিয়ে ব্লাক মেইল করবে


৩.শাহবাগ, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী জ্যামে আটকে আছেন, নানা ধরণের লিফলেট যেমনঃ দুর্বলতা,রোগে, নানা লোভে আপনাকে ফাঁদে ফেলার ব্যবস্থা,

এমন বলে যে রুম ডেট এর ব্যবস্থা আছে


৪.রাস্তায় সুন্দর চোখ এর বোরকা আলি আপনার সাথে কথা বলতে চায়, প্রেমের প্রস্তাব নয়, কিন্তু ইসারা, যে আপনি ভাববেন একটু চেষ্টা করলে কাছে পাবেন, যদি তাই ভাবেন তবে ধরা পড়ার সম্ভাবনা শতভাগ আপনাকে তাঁদের আস্তানায় নিবে, তারপর আর কিছু আপনার করা লাগবে না, সব হারাবেন,মেয়ে দিয়ে ব্লাক মেইল করবে


৫.গাবতলি, সায়েদাবাদ, কিংবা সদরঘাট , মাওয়া, আরিচা, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে বসে আছেন, দেখলেন যে বাইরে তাস, লুডু ইত্যাদি খেলছে, কাছে গেলেন কি ফেঁসে গেলেন


৬.যাত্রাপথে অপরিচিত লোক এর সাথে মতবিনিময় করবেন খুবই কম,আপনি যে স্থানে যাবেন সে স্থান যেন আপনার পরিচিত


৭.রেলগাড়ির ছাঁদে চলাচল করা থেকে বিরত থাকবেন, কারণ এক দল ছেলে পাওয়া যায়, যারা রেলের ছাদের উপর থেকে ছিনতাই করে ছাদ থাকে ফেলে দেয়


৮.লঞ্চ এ কম যাত্রী থাকলে উঠবেন না


৯.যারা দ্রুত যাতায়াত এর জন্য স্পীড বোট এ যাতায়াত করবেন তারা টাকা বা মুল্যবান কিছু সাথে নিবেন না কারণ দেখা গিয়েছে যে, এক দল আছে যারা বোট ছাড়ার পর নির্জন স্থানে বোট ভিড়িয়ে ছিনতাই করে আপনাকে নামিয়ে দিতে পারে


১০.হেঁটে যেতে হলে বিভিন্ন বাসের মাঝখান দিয়ে যাওয়া অনুচিত কারণ নেশাখোর ওঁত পেতে থাকে ছিনতাই এর জন্য


এছাড়াও যাতায়াতের সময় এ জাতীয় অন্যান্য ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে,সচেতনতা সৃষ্টিতে শেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিন...🌬️

ধন্যবাদ💝


#সংগৃহীত

জরুরী সতর্কতা

 জরুরী সতর্কতা: 

আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা  COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও বিপজ্জনক। এটি সহজে শনাক্তও হয় না, তাই সবার মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি।


১. COVID-Omicron XBB এর নতুন উপসর্গগুলো:


i) কাশি নেই।

ii) জ্বর নেই।

বেশিরভাগ উপসর্গ হলো—

iii) অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।

iv) মাথাব্যথা।

v) গলাব্যথা।

vi) পিঠে ব্যথা।

vii) নিউমোনিয়া।

viii) ক্ষুধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।


২. এই ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং মৃত্যুহারও বেশি।


৩. উপসর্গগুলো খুব অল্প সময়েই মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং কখনও কখনও কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না দেখিয়েই অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে।


৪. তাই আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।


এই ভ্যারিয়েন্টটি নাসোফ্যারেঞ্জিয়াল (নাকের গভীর অংশ) অঞ্চলে পাওয়া যায় না, বরং সরাসরি ফুসফুসের “উইন্ডো” অংশে আঘাত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।


৫. কিছু রোগীর মধ্যে জ্বর বা ব্যথা না থাকলেও এক্স-রে করলে মৃদু নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া নাক দিয়ে নেয়া স্যাম্পলে (সোয়াব) পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসছে, যা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট (ফলস নেগেটিভ) এর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এ কারণে এই ভাইরাসকে ‘ধূর্ত’ বলা হচ্ছে।


এর মানে হলো— এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। এই কারণে COVID-Omicron XBB এত বেশি ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।


৬. যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গাতেও অন্তত ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, সঠিকভাবে মাস্ক পরুন, এবং নিয়মিত হাত ধুয়ে ফেলুন—even যদি কাশি বা হাঁচি না থাকে।


এই COVID-Omicron XBB "ওয়েভ" প্রথম COVID-19 মহামারির চেয়েও ভয়াবহ।


সতর্কতা, সচেতনতা ও বৈচিত্র্যময় সুরক্ষা ব্যবস্থাই আমাদের রক্ষা করতে পারে।


✅ দয়া করে এই বার্তাটি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।

✅ শুধুমাত্র নিজের কাছে রেখে দেবেন না।

✅ যত বেশি সম্ভব লোককে জানিয়ে দিন।


ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।

শুনতে মিষ্টি কোনও রূপকথার মতো লাগলেও এটা একেবারে সত্যি! পেঙ্গুইনরাও প্রেম করে

 শুনতে মিষ্টি কোনও রূপকথার মতো লাগলেও এটা একেবারে সত্যি! পেঙ্গুইনরাও প্রেম করে! 🐧💕


পেঙ্গুইন প্রেমে পড়লে প্রিয়জনকে যে জিনিসটি উপহার দেয়, তা হলো—একটি নিখুঁত নুড়ি পাথর। ঠিক যেন আমাদের ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে কেউ কাউকে আংটি দেয়, পেঙ্গুইনের ক্ষেত্রেও এই ছোট্ট নুড়িটি তাদের প্রেমের প্রতীক।


বিশেষ করে আডেলি এবং জেনটু প্রজাতির পুরুষ পেঙ্গুইন, তার প্রিয়তমার জন্য একটি সুন্দর, মসৃণ, গোল নুড়ি খুঁজে বের করে এবং সেটা তার পছন্দের সঙ্গীর সামনে রেখে দেয়। যদি নারী পেঙ্গুইন সেই পাথরটি গ্রহণ করে, তাহলে ধরে নেওয়া হয়—প্রস্তাব গ্রহণ করেছে! এরপর তারা একসঙ্গে বাসা তৈরি করতে শুরু করে।


পেঙ্গুইনদের বাসা হয় সাধারণত বরফ বা পাথুরে জায়গায়, আর নুড়ি দিয়ে তারা ডিম রাখার জন্য একটি উঁচু বাসা বানায়। এই বাসা ডিমকে ঠান্ডা বরফের পানির সংস্পর্শ থেকে রক্ষা করে। তাই নুড়ি শুধু প্রেমের প্রতীক নয়, বাসা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ উপাদানও বটে।


এই তথ্যটি শুধু ভাইরাল গল্প নয়—বিখ্যাত প্রাকৃতিক ইতিহাসবিদ Sir David Attenborough তাঁর ডকুমেন্টারি “The Life of Birds” ও “Frozen Planet”-এ পেঙ্গুইদের এই আচরণ তুলে ধরেছেন।


তাই কেউ যদি আপনাকে একটা সুন্দর পাথর উপহার দেয়, হালকা হেসে বলবেন— "তুমি কি তাহলে আমার পেঙ্গুইন?" 😄💖

#PenguinLove #NatureIsCute #পেঙ্গুইনেরপ্রেম

রসায়নের এক বিশেষ নিয়মে অবলোহিত আলো ফেলেই ক্যানসার কোষ নির্মুল করেছেন আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল।

রসায়নের এক বিশেষ নিয়মে অবলোহিত আলো ফেলেই ক্যানসার কোষ নির্মুল করেছেন আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল।


গল্পের নায়ক অ্যামিনোসায়ানিন নামের এক রঞ্জক। শরীরের ভেতর ছবি তুলতে হাসপাতালে হরহামেশাই এই রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।


যখন এই রঞ্জকের ওপর অবলোহিত আলো ফেলা হয়, এর পরমাণুগুলো উচ্চ কম্পাঙ্কে কাঁপতে থাকে। সেকেন্ডে এক ট্রিলিয়ন বার! পরমাণুর এই কম্পনেই ক্যানসারের কোষগুলো ছিঁড়ে যায়। তবে আশেপাশের সুস্থ কোষগুলোর কোনো ক্ষতি হয় না।


ল্যাবে এই পদ্ধতিতে মানবদেহে ৯৯% স্কিন ক্যানসার ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। ইঁদুরেরও টিউমার সেরে উঠেছে এই প্রক্রিয়ায়।


নেই কাটাছেঁড়ার ঝামেলা, নেই কেমোথেরাপির ঝুঁকি। আবার অ্যামিনোসায়ানিনও FDA কর্তৃক অনুমদিত। ফলে নিঃসন্দেহে ক্যানসার চিকিৎসায় বিল্পব এনে দিতে পারে এই পদ্ধতি।  বিজ্ঞানপ্রিয়।

বিবাহিত ব্যক্তিরা একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন) --------তাদের জন্য বেশি জরুরি------

 (বিবাহিত ব্যক্তিরা একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন)

--------তাদের জন্য বেশি জরুরি----------- 


সন্তান জন্মের পর আমাদের দেশের বেশীরভাগ স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কেই ভাটা পড়ে। ২ জন বা ৩ জন বাচ্চা হলে তো কথাই নেই। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক হয়ে যায় ভাইবোনের মতো। বাচ্চার পিছনে দৌড়ে দৌড়ে, সংসারের কাজ করে করে স্বামীর সাথে রোমান্টিক সম্পর্কের মুড আর থাকেনা। সম্পর্কে শুরু হয় তিক্ততা। 


১/এদিকে দেশীয় কালচারে বাচ্চা নিয়ে ঘুমানো প্রায় সব পরিবারেই দেখা যায়। বাচ্চার বয়স ৫/৬/৭ কিন্তু মা বাবার সাথে ঘুমায়। যেখানে আড়াই বা তিন হলেই বাচ্চাকে আলাদা করে দেয়া উচিত। কারণ এরপর বাচ্চারা বুঝতে পারে অনেক কিছুই। রাতে ঘুম ভেংগে সে মা-বাবাকে অপ্রস্তুত অবস্থায় দেখলে তার মনে যেমন প্রশ্নের উদ্রেক হবে, তেমনি উল্টোদিকে বাচ্চার সাথে একসাথে শোবার কারণে দাম্পত্যে বিঘ্ন তৈরি হয়। 


২/বাচ্চার বয়স আড়াই বা তিন হলেই তাকে আলাদা করে দিন। বাচ্চা কিন্তু কষ্ট পাবেনা, কষ্ট পাবেন আপনি, বাচ্চা দূরে সরে যাবে মনে হবে। কিন্তু না, আসলে বাচ্চা দূরে সরে যায়না। এটা বাচ্চার ভালোর জন্য, আপনাদের স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ভালো থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। 


৩/বাচ্চার জন্য আলাদা বিছানা রেডি করুন। ওর রুমটাকে ওর পছন্দ মতো সাজিয়ে দিন। রাতে গল্প শুনিয়ে বা বই পড়িয়ে ওকে ঘুম পাড়ান। ঘুমিয়ে গেলে চলে আসুন আপনার রুমে। ও আপনার অনুপস্থিতি টেরও পাবেনা। রাতে ও উঠতে পারে এই ভয় থাকলে একটা বেবি মনিটর কিনে নিন, দাম বেশি নয়। ওর মাথার কাছে মনিটর রেখে রিসিভার আপনার নিজের বালিশের কাছে রাখুন। রাতে উঠলে আপনি সাথে সাথে টের পাবেন, যেমনটা পেতেন আপনার সাথে ঘুমালে। আপনি তো জানেনই সকালে কখন উঠে। তার একটু আগে গিয়ে ওর সাথে শোবেন। ও ঘুম হতে উঠেও আপনাকে পাবে। রাতে যে আপনি ছিলেন না, তা ও বুঝবেইনা। 


৪/দ্বিতীয় সন্তান হলে বেশীরভাগ মায়েরা প্রথম সন্তানকে অবহেলা শুরু করে। সব আদর যেন ছোটজনের জন্য, অথচ সে আদরের কিছুই বোঝেনা। আর যে বোঝে সেই বড়জনকে কথায় কথায় ডাক দেয়া, বকা দেয়া চলতে থাকে। মাইর( পিটন) কথা তো বাদই দিলাম। স্বাভাবিকভাবেই তার মনে ছোট বাচ্চাটার প্রতি বিদ্বেষ সৃষ্টি হয়। ভাবে, ও না থাকলেই ভালো হতো, মা আদর করতো। অথচ মায়ের উচিত এই সময়ে বড়জনকে বেশি করে সময় দেয়া, আদর করা। বড়জনকে বোঝানো তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা একটুও কমেনি। আপনি আর আপনার স্বামী দুজনেরই দায়িত্ব এটা। 


৫/দু বাচ্চার মাঝে তুলনা করবেন না। কারণ তারা দুজনই সম্পুর্ন আলাদা মানুষ।  দুই বাচ্চার জন্য আলাদা নিয়ম বানাবেন না। একজনকে মোবাইল দেখিয়ে খাওয়াবেন, আরেকজনকে বলবেন খাওয়ার সময় নো ডিভাইস (মোবাইল), তাহলে তো হবেনা। দুজনের বেডটাইম যেন এক হয়। কোনো জিনিস কিনলে একজনের জন্য নয়, দুজনের জন্যই কিনবেন। 

ছোটটির বয়স যখন আড়াই হবে তখন ওকেও আলাদা করে দিন, বড়জনের সাথে। দুজন একসাথে ঘুমুবে বা একই রুমে দুটো বিছানায়। 


৬/দিনে এক হতে দেড়ঘন্টা আলাদা করে রাখুন যখন পরিবারের সবাই মিলে সময় কাটাবেন। হাসি আনন্দ করবেন। বাচ্চাদের সাথে স্বামী স্ত্রী একসাথে খেলবেন। নিজের পার্টনারের দিকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকাবেন। মেজাজ যদি বেশি খারাপ থাকে অকারণে, সরে যান প্রিয় মানুষগুলোর কাছ হতে তাদের আঘাত করার আগেই। আলাদা রুমে বা বারান্দা বা ছাদে গিয়ে মেডিটেশন করুন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন যে কারণে আপনার মেজাজ খারাপ তা কতটা যুক্তিযুক্ত। গভীর নিঃস্বাস নিন। মন খারাপকে ছড়িয়ে দিন বাতাসে। 


সংসার তৈরি হয় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে। সংসারের কাজ করতে করতে এই মানুষগুলোই যেন অবহেলিত না হয় সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই। ভালোবাসার সম্পর্কগুলো অটুট থাকুক। 

কলমে :আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ.

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...