এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

হ্যালোব্লু মাসিক পণ্যের ইতিহাস  - পিরিয়ড হিস্টরি ট্রিবিউট

 মেরি বিট্রিস ডেভিডসন কেনার একজন আফ্রিকান-আমেরিকান উদ্ভাবক ছিলেন, যিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেছেন। তিনি স্যানিটারি বেল্ট সহ বেশ কয়েকটি উদ্ভাবনের জন্য পরিচিত, যা মাসিকের সময় মহিলাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস ছিল। 

17 মে, 1912 সালে মেরি বিট্রিস ডেভিডসন কেনার নর্থ ক্যারোলিনার মনরুতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন স্ব-শিক্ষিত উদ্ভাবক এবং তার কাজ দৈনন্দিন জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য এনেছিল। 

কেনার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে:

স্যানিটারি বেল্ট: এই উদ্ভাবনটি মাসিকের সময় মহিলাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস ছিল। 

টয়লেট পেপার ধারক: এটি টয়লেট পেপারকে আরও সহজে ব্যবহারযোগ্য করে তোলে। 

অন্যান্য উদ্ভাবন: তিনি আরও বেশ কিছু উদ্ভাবন করেছেন, যার মধ্যে কিছু দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহারের জন্য ছিল। 

কেনার বর্ণবাদ এবং লিঙ্গ বৈষম্যের মুখোমুখি হয়েছিলেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও, তিনি তার উদ্ভাবনী কাজ চালিয়ে যান। তার কাজ আজও মহিলাদের জীবনকে উন্নত করতে সহায়তা করে..


২০০৬): মহিলাদের হাইজিনের আনসাং হিরো


সে কে ছিল?


পুরো নাম: মেরি বিট্রিস ডেভিডসন কেনার


জন্ম: মে ১৭, ১৯১২ - মনরো, উত্তর ক্যারোলিনা, ইউএসএ


মারা যান:


১৩ই জানুয়ারি, ২০০৬ ওয়াশিংটন, ডিসি


পেশা: আবিষ্কারক এবং ফুলবাদক


পরিচিত: নিয়ন্ত্রণযোগ্য স্যানিটারি বেল্ট আবিষ্কার, আধুনিক স্যানিটারি প্যাড এর অগ্রদূত।


মেরি আবিষ্কারকদের পরিবার থেকে এসেছে:


তার বাবা একটি পোশাক চাপার পেটেন্ট করেছেন।


তার দাদা ট্রেন সিগন্যাল লাইট আবিষ্কার করেছিলেন।


তার বোন, মিলড্রেড ডেভিডসন অস্টিন স্মিথও একটি পেটেন্ট ছিল।


শিক্ষা ও প্রারম্ভিক জীবন


একটি সৃজনশীল ঘরে বেড়ে উঠেছিলাম এবং ৬ বছর

বয়সে আবিষ্কার শুরু করেছিলাম।


কিশোর হিসেবে প্রায়ই ইউএস পেটেন্ট অফিস পরিদর্শন করি।


১৯৩১ সালে ডানবার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে স্নাতক।


হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছিলাম, কিন্তু আর্থিক কষ্টে চলে গিয়েছিলাম।


WWII চলাকালীন ফেডারেল সরকারের সাথে সহ বিভিন্ন কাজ করেছি।


পরে একজন পেশাদার ফুলবাজ হয়ে গেলাম।


তার সবচেয়ে বিখ্যাত বিনিয়োগ: দ্য স্যানাইটারি বেল্ট


14 পেটেন্ট: ইউএস পেটেন্ট #২,৩২৯,৮৪০ (1957 সালে প্রদত্ত)


মূলত ১৯২০ সালে ধারণা করা হয়েছিল, কিন্তু ১৯৫৬ সালে পেটেন্ট ফাইল করার সামর্থ্য ছিল।


স্যানিটারি বেল্ট ছিল:


ফুটো প্রতিরোধ করতে আর্দ্রতা-প্রুফ ন্যাপকিন পকেট


আরামের জন্য নিয়ন্ত্রণযোগ্য ইলাস্টিক স্ট্র্যাপ

আরামের জন্য নিয়ন্ত্রণযোগ্য ইলাস্টিক স্ট্র্যাপ


একটি নকশা যা অস্বস্তিকর পিন বা হুকের প্রয়োজন দূর করে দিয়েছে


71


ঋতুস্রাব স্বাস্থ্যবিধিতে একটি বৈপ্লবিক অগ্রগতি এমন একটি সময়ে যখন ঋতুস্রাব নিষিদ্ধ হিসাবে বিবেচনা করা হত।


বর্ণবাদী বিচ্ছেদ


একটি কোম্পানী একবার তার আবিষ্কার তৈরিতে আগ্রহী ছিল।


কিন্তু যখন তারা আবিষ্কার করলো যে সে কালো, তারা প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে।


নকশা পেটেন্ট করা সত্ত্বেও, তিনি তার জীবদ্দশায় এটি বাণিজ্যিকীকরণ করতে পারেন নি।


তার পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, এবং নকশাটি পরে ক্রেডিটের দ্বারা ক্রেডিট বা ক্ষতিপূরণ ছাড়াই কপি করা হয়েছিল


*অন্যান্য বিনিয়োগ (১৯৫৬-১৯৮৭)


মেরি কেনারের পাঁচটি পেটেন্ট রয়েছে, সেই সময়ে মার্কিন ইতিহাসে একজন আফ্রিকান-আমেরিকান মহিলাকে সর্বোচ্চ নম্বর দেওয়া হয়েছিল:

টয়লেট টিস্যু হোল্ডার (পেটেন্ট #৪,১৪৩,৭৯৬ -১৯৮২)


টয়লেট পেপার শেষে সহজ অ্যাক্সেস নিশ্চিত করা হয়েছে।


ওয়াকার ট্রে এবং পকেট সংযুক্তি (1959)


71


তার বোনকে সাহায্য করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যার মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস ছিল।


মাউন্টেড ব্যাক ওয়াশার (১৯৮৭)


মানুষকে সাহায্য ছাড়াই স্নানাগারে তাদের পিঠ ধুতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।


শাওয়ার ওয়াল সংগঠক


টয়লেট্রিজ শুষ্ক এবং সহজলভ্য রাখার জন্য একটি জল-প্রতিরোধক তাক ব্যবস্থা।


স্যানিটারি বেল্ট (১৯৫৭)


তার সবচেয়ে বিখ্যাত এবং প্রভাবশালী আবিষ্কার।


মহিলাদের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব


কেনারের আবিষ্কার ভিত্তি স্থাপন করেছে:


আধনিক স্যানিটারি প্যাড সাথে আঠালো, ডানা, এবং

কেনারের আবিষ্কার ভিত্তি স্থাপন করেছে:


আধুনিক স্যানিটারি প্যাড সাথে আঠালো, ডানা, এবং আরামদায়ক বৈশিষ্ট্য


উন্নত স্বাস্থ্যবিধি এবং বিশ্ব জুড়ে নারীদের মর্যাদা


অপরিশোধিত মাসিক অভ্যাসের কারণে সৃষ্ট সংক্রমণ প্রতিরোধ


ঋতুস্রাবকে আরো পরিচালিত, নিরাপদ এবং বিচক্ষণ করে তুলছে


স্ট্রাগল এবং লিগ্যাসি


সে কখনো ধনী হয়নি বা তার জীবদ্দশায় ব্যাপক স্বীকৃতি লাভ করেনি।


তবুও তার অবদান বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ নারীর জীবন উন্নত করেছে।


তার গল্প লিঙ্গ, জাতি এবং উদ্ভাবনের সংঘর্ষের প্রতীক।


তিনি অসাধারণ স্থিতিস্থাপকতা দেখিয়েছেন, প্রত্যাখ্যান এবং বর্ণবাদের মুখোমুখি হওয়ার পরেও আবিষ্কার অব্যাহত রেখেছেন।


কেন সবার তাকে জানা উচিত


তার স্যানিটারি বেল্ট খাতসার পণ্যের জন্য পথ তৈরি

তিনি কালো আবিষ্কারক, মহিলা উদ্যোক্তা এবং সমাজ সংস্কারকদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছেন।


তিনি সৃজনশীলতা এবং দৃঢ়তার মাধ্যমে সামাজিক নিষিদ্ধকরণ এবং পদ্ধতিগত বর্ণবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।


তার প্রাপ্য কৃতিত্ব না পাওয়া সত্ত্বেও, তার আবিষ্কার নীরবে জনস্বাস্থ্যকে রূপান্তরিত করে।


টাইমলাইন স্ন্যাপশট


ইয়ারমিলেস্টোন 1912 মনরোতে জন্ম, NC1920sConceptualized স্যানিটারি বেল্ট 1956Filed প্রথম পেটেন্ট 1957Sanitary বেল্ট পেটেন্ট মঞ্জুর 1959 পেটেন্ট ওয়াকার ট্রে1982 টয়লেট পেপার হোল্ডার পেটেন্ট 1987 মাউন্টেড ব্যাক ওয়াশার পেটেন্ট 2006 ওয়াশিংটন, ডিসিতে মারা গেছে


*সংযোগ


মেরি বিট্রিস ডেভিডসন কেনার হয়তো পরিবারের নাম নাও হতে পারে, কিন্তু তিনি নারীবাদী স্বাস্থ্যবিধি এবং দৈনিক স্বাস্থ্য সেবা উদ্ভাবনে একজন পথিকৃত। তার গল্প একটি অনুস্মারক যে সমাজে সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান কিছু আসে তাদের কাছ থেকে যারা পর্দার অন্তরালে থাকে - খ্যাতি বা ভাগ্য ছাড়া, কিন্তু গভীর উদ্দেশ্য এবং

দূরদর্শিতার সাথে।


উৎস (ব্যবহৃত ও যাচাইকৃত)


লেমেলসন-এমআইটি আবিষ্কারক আর্কাইভ


উইকিপিডিয়ার - মেরি কেনার


সায়েন্স মিউজিয়াম ইউকে


হ্যালোব্লু মাসিক পণ্যের ইতিহাস


 - পিরিয়ড হিস্টরি ট্রিবিউট

:

Gaaner Feriwala

গর্ভকালীন সময়ে হোমিও চিকিৎসা বনাম এ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা। 

 গর্ভকালীন সময়ে হোমিও চিকিৎসা বনাম এ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা। 

মহিলারা গভর্ধারণ করলে আর রক্ষা নাই । গাইনী ডাক্তাররা তাদেরকে পায়খানা, প্রস্রাব, রক্ত, এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম, এমআরআই, সিটিস্ক্যান ইত্যাদি ইত্যাদি এক বস্তা টেস্ট করতে দিবেন । কিন্তু কেন ? গভর্ধারণ করা কি কোন অপরাধ ? ববরর্তার একটা সীমা থাকা দরকার ! তারপর দিবে এক বস্তা ঔষধ / ইনজেকশান / ভ্যাকসিন, মাসের পর মাস খেতে থাক ! কেন ? এখন আমরা তো সবাই স্বচক্ষেই দেখি, জিওগ্রাফী / ডিসকভারী টিভি চেনেলগুলোতে, গরু-ছাগল-হরিণ-বাঘ-সিংহ-হাতি সবাই গর্ভধারণ করছে এবং সুস্থ-সুন্দর বাচ্চা জন্ম দিচ্ছে । কই, তাদের তো গাইনী ডাক্তারদের কাছেও যেতে হয় না, এক বস্তা টেস্টও করতে হয় না, মাসকে মাস ঔষধও খেতে হয় না কিংবা সিজারিয়ান অপারেশানও লাগে না । হাস্যকর কিছু বললাম ? না, আসলে আত্মিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে আমরা ভিন্ন হলেও জৈবিক দিক দিয়ে কিন্তু পশু-পাখিদের সাথে আমাদের কোন পার্থক্য নাই ।

এবার আসা যাক গর্ভকালীন সময়ে ঔষধ খাওয়া প্রসংগে । অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে গর্ভবতীদেরকে ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রণ, ফলিক এসিড ইত্যাদি খাওয়ানো হয় বস্তায় বস্তায় । তাদের সমস্ত ঔষধই এতবেশী ক্ষতিকর সাইড-ইফেক্টযুক্ত যে, তারা সেগুলো গর্ভবতীদের খাওয়াতে সাহস পায় না । ফলে তারা এসব ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রণ, ফলিক এসিড ইত্যাদি খাওয়াতে থাকে জম্মের মতো । যেহেতু তারা এগুলোকে গর্ভবতীদের জন্য নিরাপদ মনে করে থাকেন । তবে এসব ঔষধের কারণে গর্ভবতী ও গর্ভস্থ শিশুর কি কি ক্ষতি হয়, তা জানার কোন উপায় নেই । কারণ প্রথমত বড় বড় ঔষধ কোম্পানীগুলো সাধারণত তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থের কারণে ঔষধের ক্ষতিকর দিকটি প্রকাশ করে না । দ্বিতীয়ত তাদের এসব ঔষধ যেহেতু ইদুঁর-বাদর-খরগোস-গিনিপিগের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আবিষ্কার করা হয় ; কাজেই কোন ঔষধ ইদুঁর-বাদর-খরগোস-গিনিপিগের ক্ষতি করে না বলে মানুষেরও ক্ষতি করবে না- এমনটা বলা যাবে না । তাছাড়া বস্তা বস্তা ক্যালশিয়াম খাওয়া যে কিডনীতে পাথর ( Renal calculus ) হওয়ার একটি মূল কারণ, এটা আমরা অনেকেই জানি । এসব ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রণ ইত্যাদি যেহেতু আমাদের দৈনন্দিন খাবারেই যথেষ্ট পরিমাণে থাকে, কাজেই ট্যাবলেট, ক্যাপসুল ইত্যাদি ঔষধ আকারে বস্তা বস্তা খেলে তাতে শরীরে এসব উপাদানের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্ঠি হওয়াই স্বাভাবিক । এসব ভারসাম্যহীনতার কারণেই সম্ভবত গভবতী মায়েদের পেটের পানির ( placenta fluid ) পরিমাণ কমে যায়, ঠিকমতো প্রসব ব্যথা উঠতে চায় না । ফলে সিজারিয়ান অপারেশনের ( Cesarean operation ) সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে । এসব ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রণ, ফলিক এসিড ইত্যাদি বস্তায় বস্তায় খাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশী নগদ যে ক্ষতিটি প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়, তাহলো এতে অধিকাংশ মহিলাই ভীষণ রকমে মোটা (obese ) হয়ে যান । আর এখনকার সকল চিকিৎসা বিজ্ঞানীই একমত যে, মোটা মানুষরা ( এযুগের প্রধান প্রধান ঘাতক রোগ ) ক্যানসার, হৃদরোগ ( heart disease ), হাঁপানী, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট এটাক, জয়েন্টে ব্যথা ( Arthritis ) ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হয় বেশী হারে ।


সে যাক, হোমিও চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা গর্ভকালীন সময়ে বাধ্যতামূলকভাবে কোন ( ভিটামিন, আয়রণ, ক্যালশিয়াম জাতীয় ) ঔষধ খাওয়ানোর পক্ষপাতী নন । বিশেষত যাদের হজমশক্তি ভালো আছে এবং মাছ-গোশত-শাক-সবজি-ফল-মূল ইত্যাদি কিনে খাওয়ার মতো সামর্থ আছে, তাদের কোন ( ভিটামিন জাতীয় ) ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন নাই । তবে যে-সব গর্ভবতী মায়েরা শরীরিক-মানসিক দুর্বলতা, রক্তশূণ্যতা ইত্যাদিতে ভোগছেন, অথবা যারা অভাব-অনটনের কারণে প্রয়োজনীয় পুষ্ঠিকর খাবার-দাবার কিনে খেতে পারেন না কিংবা যারা পুষ্ঠিকর খাবার কিনে খেতে পারলেও শারীরিক ত্রুটির কারণে সেগুলো যথাযথভাবে শরীরে শোষিত ( absorption ) হয় না, তাদেরকে ক্যালকেরিয়া ফস ( Calcarea phos ), ফেরাম ফস ( Ferrum phos ), ক্যালি ফস ( Kali phos ), লিসিথিন ( Lecithinum ) ইত্যাদি হোমিও ভিটামিন / টনিক জাতীয় ঔষধগুলো নিম্নশক্তিতে ( 6X ) অল্প মাত্রায় খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন । এই ঔষধগুলি মানব শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয় ক্যালশিয়াম, আয়রণ, পটাশিয়াম এবং ফসফরাস সরবরাহ করে থাকে । পাশাপাশি এই ঔষধগুলো আমাদের শরীরকে এমনভাবে গড়ে তোলে যাতে আমাদের শরীর নিজেই তার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্ঠিকর উপাদানগুলো আমাদের দৈনন্দিন খাবার থেকে শোষণ করার / গ্রহন করার যোগ্যতা লাভ করে ।

গর্ভকালীন সময়ে খেলে এই ঔষধগুলো আপনার গভর্স্থ সন্তানের হাড় ( bone ), দাঁত ( teeth ), নাক ( nose ), চোখ ( eye ), মস্তিষ্ক ( brain ) ইত্যাদির গঠন খুব ভালো এবং নিখুঁত করতে সাহায্য করবে এবং আপনার সন্তান ঠোট কাটা ( harelip ), তালু কাটা ( cleft palate ), হাড় বাঁকা ( rickets ), খোঁজা ( epicene ), বামন ( dwarfish ), পিঠ বাঁকা ( Spina bifida ), বুদ্ধি প্রতিবন্ধি ( autism ), হৃদরোগ, চর্মরোগ, কিডনীরোগ প্রভৃতি দোষ নিয়ে জন্মনোর হাত থেকে রক্ষা পাবে । এই জন্য যাদের বংশে শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্দ্বি শিশু জন্মের ইতিহাস আছে, তাদের গর্ভকালীন সময় এই ঔষধগুলো অবশ্যই খাওয়া উচিত । ভিটামিন জাতীয় এই হোমিও ঔষধগুলো গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যের এত চমৎকার যত্ন নেয় যে, এগুলো বেশ কয়েক মাস খেলে তাদের উচ্চ রক্তচাপ ( hypertension ), হাঁপানী ( asthma ), ডায়াবেটিস ( diabetes ), মাথাব্যথা, বমিবমিভাব, ছোটখাট জ্বর-কাশি, খিচুঁনি ( eclampsia ) ইত্যাদি রোগ এমনিতেই সেরে যায় । অন্যদিকে যাদের উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানী, ডায়াবেটিস, খিচুঁনি, ধনুষ্টংকার ইত্যাদি রোগ নাই, তারাও এই ঔষধ তিনটি খাওয়ার মাধ্যমে সে-সব রোগে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পারবেন ।


ঔষধ চারটি একসাথে খাওয়া উচিত নয় ; বরং একটি একটি করে খাওয়া উচিত । যেমন- ক্যালকেরিয়া ফস সাত দিন, তারপর ফেরাম ফস সাত দিন, তারপর ক্যালি ফস সাত দিন, তারপর লিসিথিন সাতদিন – এইভাবে চক্রাকারে একটির পর একটি করে খান । সাধারণত 1X, 3X, 6X, 12X ইত্যাদি নিম্নশক্তিতে খাওয়া উচিত ; যেটি মার্কেটে পাওয়া যায় । ৫ টি বড়ি করে সকাল-বিকাল রোজ দুইবার করে খান । প্রয়োজন মনে করলে গর্ভকালীন পুরো দশ মাসই খেতে পারেন এবং সন্তানকে স্তন্যদানকালীন দুই বছরও খেতে পারেন । তবে মাঝে মধ্যে সাতদিন বা পনের দিন মধ্যবর্তী বিরতি দিয়ে খাওয়াও একটি ভালো রীতি । সহজ, আরামদায়ক এবং সিজারিয়ানমুক্ত ডেলিভারির জন্য কলোফাইলাম ( Caulophyllum thalictroides ) ঔষধটি ( ৩, ৬, ১২ ইত্যাদি নিম্নশক্তিতে ) প্রসবের দুইমাস পূর্ব ( অর্থাৎ‍ আট মাস ) থেকে ( ৫ বড়ি করে ) রোজ একবার করে খেয়ে যান । এটি গর্ভ রক্ষার অর্থাৎ গর্ভস্থ শিশুকে রক্ষার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ । এটি গর্ভস্থ শিশুর চারদিকে পানির ( placenta fluid ) পরিমাণ সঠিক মাত্রায় বজায় রাখে এবং পানির পরিমাণ কমতে দেয় না, ফলে অধিকাংশ শিশু সিজারিয়ান অপারেশন ছাড়াই স্বাভাবিক পথে ( vaginal route ) জন্ম নিয়ে ‍থাকে । এমনকি যাদের কোমরের বা তলপেটের ( pelvic cavity ) গঠন ভালো নয় বলে ডাক্তাররা সিজার করতে বলে, তাদেরও দেখেছি শিশু এবং মায়ের কোন ক্ষতি ছাড়াই নরমাল ডেলিভারি হয়ে যায় । তাছাড়া অতীতে যাদের সিজার হয়েছে, তারাও কলোফাইলাম খেয়ে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে সন্তান জন্ম দিতে পারেন, নিজের এবং শিশুর কোন ক্ষতি ছাড়াই ।


কলোফাইলাম গর্ভপাতেরও ( abortion ) একটি উত্তম ঔষধ, যাতে ভুয়া প্রসব ব্যথা দেখা দিলে এটি প্রয়োগ করতে হয় । যাদের প্রতিবারই ( তৃতীয় ‍মাস, পঞ্চম মাস ইত্যাদি ) একটি নির্দিষ্ট সময়ে গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়, তারা সেই নির্দিষ্ট সময়ের একমাস পূর্ব থেকেই অগ্রিম এই ঔষধটি খাওয়া শুরু করতে পারেন । অন্যদিকে ডেলিভারির জন্য খাওয়াবেন পালসেটিলা ( Pulsatilla pratensis ) নামক ঔষধটি । যদি ডেলিভারি ডেট অতিক্রান্ত হওয়ার পরও ব্যথা না ওঠে অথবা প্রসবব্যথা কম ওঠে অথবা ব্যথা একবার আসে আবার চলে যায়, তবে পালসেটিলা ( Pulsatilla pratensis ) নামক হোমিও ঔষধটি আধা ঘণ্টা পরপর খাওয়াতে থাকুন । এটি প্রসব ব্যথাকে বাড়িয়ে দিয়ে তাড়াতাড়ি প্রসব কাজ সমাধা করার ব্যাপারে একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ । এমনকি ডাক্তাররা যদি সিজারিয়ান অপারেশান করার জন্য ছুড়িতে ধার দিতে থাকে, তখনও আপনি পালসেটিলা খাওয়াতে থাকুন । দেখবেন ছুড়ি ধার হওয়ার পূবেই বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হয়ে গেছে । মনে রাখবেন, নরমাল ডেলিভারির কষ্ট থাকে দুয়েক দিন, কিন্তু সিজারিয়ান অপারেশানের কষ্ট দুয়েক বছরেও যায় না । ক্ষেত্রবিশেষে অপারেশানের কষ্ট সারাজীবনই ভোগ করতে হয় । শুধু তাই নয়, সন্তানের পজিশন যদি ঠিক না থাকে, তবে পালসেটিলা তাও ঠিক করতে পারে । শিশুর মাথা যদি উপরের দিকে অথবা ডানে-বামে ঘুরে থাকে, তবে দুয়েক মাত্রা পালসেটিলা খাওয়ালেই দেখবেন শিশুর মাথা ঘুরিয়ে অটোমেটিকভাবে নীচের দিকে নিয়ে এসেছে ।


★তবে হাজারে একজনের সিজার প্রয়োজন হতেই পারে। তখন অবশ্যই সিজারে যেতে হবে। কিন্তু গনহারে সিজার কখনই কাম্য নয়।

গরুর মাংসের কালা ভুনা রেসিপি ⸻

 গরুর মাংসের কালা ভুনা রেসিপি



📝 উপকরণ

 • গরুর মাংস (চর্বিযুক্ত হলে ভালো) – ১ কেজি

 • পেঁয়াজ – ৫ কাপ (অতিরিক্ত পেঁয়াজই কালা ভুনার আসল কৌশল)

 • আদা বাটা – ৩ টেবিল চামচ

 • রসুন বাটা – ৩ টেবিল চামচ

 • শুকনা মরিচ গুঁড়া – ২ টেবিল চামচ

 • ধনে গুঁড়া – ২ টেবিল চামচ

 • জিরা গুঁড়া – ১ টেবিল চামচ

 • হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ

 • গরম মসলা গুঁড়া – ১ চা চামচ (শেষে)

 • দারুচিনি – ২ টুকরো

 • এলাচ – ৪টি

 • লবঙ্গ – ৪টি

 • তেজপাতা – ২টি

 • কাঁচা মরিচ – ১০-১২টি (চেরা)

 • সরিষার তেল – ১ কাপ (অথবা রিফাইনড তেল, তবে সরিষা তেলে আসল স্বাদ)

 • লবণ – স্বাদমতো

 • পানি – প্রয়োজনমতো

 • ধনেপাতা – সাজানোর জন্য

 • ভাজা পেঁয়াজ (বারিস্তা) – ১ কাপ (শেষে)



🍳 প্রণালি


✅ ১. মাংস মেরিনেট

মাংস ধুয়ে লবণ, হলুদ, আদা-রসুন বাটা, শুকনা মরিচ, ধনে, জিরা দিয়ে মাখিয়ে অন্তত ১ ঘণ্টা মেরিনেট করুন। বেশি সময় থাকলে ফ্রিজে রেখে দিন – এতে মাংসে মশলা ভালোভাবে ঢুকবে।


✅ ২. পেঁয়াজ ভাজা (বারিস্তা)

প্রথমে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ধৈর্য ধরে ধূসর বাদামি (গোল্ডেন-ব্রাউন) হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। অর্ধেক বের করে রাখুন – শেষে গার্নিশে দেবেন।


✅ ৩. মাংস কষানো

বাকি ভাজা পেঁয়াজের সাথে দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা ফোড়ন দিন। মেরিনেট করা মাংস ঢেলে দিন। মাঝারি-নিম্ন আঁচে ২০-২৫ মিনিট ধরে নাড়তে নাড়তে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। পানি বের হবে, কিন্তু তেল ছাড়া পর্যন্ত কষাতে থাকুন।


✅ ৪. মাংস সিদ্ধ করা

মাংস শক্তি অনুযায়ী অল্প গরম পানি দিন, ঢেকে রাখুন এবং মাংস নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। চাইলে প্রেসার কুকারে ৩-৪ সিটি দিতে পারেন।


✅ ৫. কালা ভুনা করা

মাংস নরম হলে ঢাকনা খুলে আঁচ বাড়িয়ে দিন। নাড়তে থাকুন যতক্ষণ পর্যন্ত মাংস কালো-বাদামী রঙে তেল ছেড়ে আসবে। মসলা গাঢ় হয়ে গেলে গরম মসলা গুঁড়া ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ৫ মিনিট আর ভুনুন।


✅ ৬. পরিবেশন

পাত্রে তুলে উপরে ভাজা পেঁয়াজ (বারিস্তা) ও ধনেপাতা ছড়িয়ে গরম গরম ভাত, খিচুড়ি, পোলাও বা পরোটার সাথে পরিবেশন করুন।



✅ আসল কালা ভুনার টিপস


✔️ বেশি পেঁয়াজ কুচি দিন – পেঁয়াজই কালা ভুনার আসল বেস তৈরি করে।

✔️ ধৈর্য ধরে কষাবেন – মাংস যতক্ষণ তেল না ছাড়ে, আসল স্বাদ আসবে না।

✔️ চর্বিযুক্ত মাংস ব্যবহার করলে স্বাদ ও টেক্সচার অনেক ভালো হয়।

✔️ সরিষার তেল ব্যবহারে ঘ্রাণ ও ট্রাডিশনাল স্বাদ倍 হয়।

কষ্টিকাম এর রোগী চেনার উপায়,,,,,

 ★★★★কষ্টিকাম এর রোগী চেনার উপায়


★★★★:------


★ রাতে পা স্থির রাখতে পারে না। পা নাড়ে।


★ শরীরের বিভিন্ন অংশে বাত, ছিঁড়ে ফেলার মত যন্ত্রণা। গরমে ভাল থাকে।


★ একাঙ্গীক পক্ষাঘাত বা সিঙ্গল মাসল প্যারালাইসিস।বিশেষ করে ডান দিকের প্যারালাইসিস।


★ স্বরযন্ত্র, জিভ, চোখের পাতা, হাত-পা, মুখ, মূত্রযন্ত্রের পক্ষাঘাত। স্বর ভঙ্গ। 


★ হাঁচি কাশি দিতে গেলে অসাড়ে মূত্র বেরিয়ে আসে।মুত্র ধারণে অক্ষম। 


★ প্রথম রাতে শিশুদের বিছানায় প্রস্রাব করার স্বভাব।


★ চর্মরোগ চাপা পড়ে পক্ষাঘাত।এজন্য চর্মরোগে মলম লাগানো থেকে বিরত থাকা উচিত। রোগীরা এই বিষয়টা বোঝেনা। 


★ ঋতুস্রাব কেবলমাত্র দিনের বেলায় দেখা যায়। রাতে বন্ধ থাকে।


★ দিনে কাশি কম থাকে। ঠান্ডা পানি পান করলেই কাশি কমে যায়। এটা একটা অদ্ভুত লক্ষণ। 


★ মিষ্টি দ্রব্যে অরুচি।


★ মেটেরিয়া মেডিকায় লেখা থাকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মলত্যাগ করতে পারে কিন্তু বসলে পারে না। মূল ব্যাপার হল মেরুদণ্ড সোজা করে বসলেও মলত্যাগ করতে পারে। 


★ শরীরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গে, গলায় আঁচিল।


★ শুকনো পরিষ্কার আবহাওয়ায় রোগীর কষ্ট বাড়ে অথচ বাজে মেঘলা ভিজে আবহাওয়ায় রোগী বেশ ভাল বোধ করে। এটাও একটা অদ্ভুত লক্ষণ। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অদ্ভুত লক্ষণের বেশি মূল্যায়ন করতে হয়। 


★ শিশুর হাঁটাচলা ও অনুধাবন শক্তির খর্বতা। দেরিতে শেখে,


★ অন্যের প্রতি দরদী।প্রচন্ড রকমের প্রতিবাদী, প্রতিবাদ না করে থাকতে পারেনা। লিডারশিপ নিতে পারে। নিজের গোত্রের কোনো অসুবিধা হলে, তাকে রক্ষা করতে নিজে ঝাপিয়ে পড়ে। 


******কষ্টিকামের আগে ও পরে ফসফরাস ব্যবহার করা হয় না।******

রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫

মাদরাসা থেকে ফাজিল-কামিল করে ৪৯ তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫ এ আবেদন করতে গিয়ে শূন্য পদ ভিত্তিক বিষয় খুঁজে পাচ্ছেন না?বা বিষয় আসছে না?

 🛑 মাদরাসা থেকে ফাজিল-কামিল করে ৪৯ তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫ এ আবেদন করতে গিয়ে শূন্য পদ ভিত্তিক বিষয় খুঁজে পাচ্ছেন না?বা বিষয় আসছে না?



আবেদন করুন এভাবে :


 বিসিএস পরীক্ষার আবেদনের প্রধান পাতা (Home Page) এ যান।আপনার দাখিল পরীক্ষার বোর্ড,রোল নম্বর,রেজিষ্ট্রেশন নম্বর এবং পরীক্ষার বছর সিলেক্ট করুন।

 এরপর Next বাটনে ক্লিক করুন।


পরের পাতায় আসার পর :


আপনার জন্মতারিখ,জন্ম মাস,জন্ম বছর বাছাই করুন।

GENDER সিলেক্ট করুন। MALE/FEMALE। কোটা সিলেক্ট করুন।আপনার বর্তমান বৈবাহিক অবস্থা সিলেক্ট করুন।

আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা লিখুন। বিসিএস পরীক্ষার কেন্দ্র সিলেক্ট করুন। (DHAKA)

 Next বাটন ক্লিক করুন। 


পরের পাতায় আসার পর :


আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরগুলো পূরণ করুন :


HSC Result এর ঘরে আপনার আলিম পরীক্ষার রোল নম্বর,রেজিষ্ট্রেশন নম্বর,বোর্ড,জিপিএ,পরীক্ষার বছর সিলেক্ট করুন। 


Graduation এর ঘরে :


⚠️ এটিই আপনাদের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ :


▪️ পরীক্ষার ধরনের ঘরে Others সিলেক্ট করুন 


▪️ এরপর Fazil (Pass) লিখে দিন


🔴 বিষয়ের ঘরে :⚠️ এটি আপনাদের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। 


🔹 বিষয়ের ঘরে Others সিলেক্ট করে BTIS,BA,BSS,BBS,BSC ইত্যাদি লিখবেন না।এগুলো আপনার ফাজিল (পাস) এর বিষয় নয়।এগুলো গ্রুপ।


🔸 আপনার ফাজিল (স্নাতক) পাস এর রেজিষ্ট্রেশন কার্ডের ভিতরে আপনার ফাজিল (স্নাতক) পাস ৩য় বর্ষের ৩ পত্র বিশিষ্ট ৩০০ নম্বরের যে দুটি বিষয়ের নাম লেখা আছে,ওই দুটি বিষয়ই আপনার ফাজিল (স্নাতক) পাস কোর্সের বিষয়। 


যদি আপনার রেজিষ্ট্রেশন কার্ডে ৩০০ নম্বরের Islamic Studies উল্লেখ করা থাকে,কেবলমাত্র তখনই আপনি বিষয় ভিত্তিক পদের জন্য Islamic Studies বিষয় পাবেন।


▪️ এরপর প্রতিষ্ঠানের ঘরে Islamic Arabic University সিলেক্ট করুন। 


এরপর ফাজিলের সিজিপিএ এবং কোর্সের মেয়াদের ঘরে ৩ বছর সিলেক্ট করুন। 


⚠️ শুধুমাত্র ৩ বছর মেয়াদী ফাজিল (স্নাতক) পাস কোর্সের ঘর পূরণ করলে বিষয় পাওয়া যাবে না। এই জন্য আপনাকে Master’s এর ঘর পূরণ করতে হবে। 


Master’s এর ঘরে গিয়ে আপনি আপনার ২ বছর মেয়াদী কামিল (স্নাতকোত্তর) এর যাবতীয় তথ্য পূরণ করুন।


এবার পদভিত্তিক বিষয় হিসেবে Islamic Studies (131) দেখতে পাবেন।ওখানে ক্লিক করুন।


এভাবে পূরণ করলে আপনি পদ ভিত্তিক বিষয়ের জায়গায় ইসলামী শিক্ষা বা Islamic Studies পাবেন ইন শা আল্লাহ

শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫

A" দ্বারা শুরু হওয়া ৫৯ টি হোমিওপ্যাথিক গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের *ঘামের* লক্ষন 

 "A" দ্বারা শুরু হওয়া ৫৯ টি হোমিওপ্যাথিক গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের *ঘামের* লক্ষন 

*কেন্ট*, *বোরিক*, *অ্যালেন*, *ফ্যারিংটন*, *ক্লার্ক* প্রমুখ লেখকদের রেফারেন্স অনুযায়ী:


১. *Aconitum Napellus (অ্যাকোনাইট)*

- হঠাৎ ভয় বা আতঙ্কে ঠান্ডা ঘাম।

- হাতের তালুতে ঠান্ডা ঘাম।

- ঘাম সাধারণত শরীরের যে পাশে শোয়, সেই পাশে বেশি হয়।

*সূত্র*: Kent, Boericke


২. *Aethusa Cynapium (এইথুসা)*

- বমির সময় কপালে ঠান্ডা ঘাম।

- শিশুদের মধ্যে দুধ হজম না হলে দুর্বলতা ও ঘাম দেখা যায়।

*সূত্র*: Allen, Boericke


৩. *Agaricus Muscarius (আগারিকাস)*

- অতিরিক্ত ঘাম, বিশেষ করে চুলকানি ও জ্বালার সাথে।

- ত্বকে জ্বালা ও গরম অনুভূতির সাথে ঘাম।

*সূত্র*: Kent, Farrington


৪. *Agnus Castus (অ্যাগনাস)*

- যৌন দুর্বলতার সাথে ঠান্ডা ঘাম।

- মানসিক অবসাদের সাথে দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম।

*সূত্র*: Allen, Boericke


৫. *Allium Cepa (অ্যালিয়াম সিপা)*

- সর্দি ও চোখে পানি পড়ার সাথে ঘাম।

- গরম ঘাম, নাক দিয়ে ঝাঁঝালো স্রাবের সাথে।

*সূত্র*: Clarke, Boericke


৬. *Aloe Socotrina (অ্যালো)*

- সকালে দুর্বলতার সাথে ঘাম।

- পাতলা পায়খানা ও পেটের গড়গড় শব্দের সাথে অতিরিক্ত ঘাম।

*সূত্র*: Boericke, Allen


৭. *Alumina (অ্যালুমিনা)*

- সাধারণত ঘাম কম হয়।

- ত্বক শুষ্ক, ঘামহীন; মাঝে মাঝে অল্পমাত্রায় রাতের ঘাম।

*সূত্র*: Kent, Clarke


৮. *Ammonium Carbonicum (অ্যামোনিয়াম কার্ব)*

- রাতে বিশেষ করে মাথায় ঘাম।

- ঘামে দুর্গন্ধ থাকতে পারে।

 *সূত্র*: Boericke, Farrington


৯. *Ammonium Muriaticum (অ্যামোনিয়াম মিউর)*

- রাতের বেলায় মাথা ও বুকে ঘাম।

- বাতজনিত ব্যথার সাথে ঘাম।

*সূত্র*: Allen, Boericke


১০. *Anacardium Orientale (অ্যানাকার্ডিয়াম)*

- মানসিক দ্বন্দ্ব বা পরীক্ষার ভয় থেকে ঘাম।

- হালকা ঘাম, ঠান্ডা অনুভূতির সাথে।

*সূত্র*: Kent, Boericke


১১. *Antimonium Crudum (অ্যান্টিমোনিয়াম ক্রুডাম)*

- রাতে মাথা ও মুখে ঘাম।

- গরমে ঘামে বৃদ্ধি হয়।

*সূত্র*: Boericke, Farrington


১২. *Antimonium Tartaricum (অ্যান্টিমোনিয়াম টারটারিকাম)*

- দুর্বলতা ও ঘামের সাথে শ্বাসকষ্ট।

- সামান্য পরিশ্রমেই ঘাম, তাতে আরাম পায় না।

*সূত্র*: Kent, Allen


১৩. *Apocynum Cannabinum (অ্যাপোসাইনাম)*

- অতিরিক্ত ঘাম, মুখে ঠান্ডা ঘাম — হৃদরোগ বা ফুসফুসে পানি জমায়।

- ঘাম হলুদ ও দগদগে, হাঁপানির রোগীদের মাঝে দেখা যায়।

*সূত্র*: Allen, Clarke


১৪. *Apis Mellifica (অ্যাপিস)*

- গরমে ঘাম বাড়ে, বিশেষ করে দুপুরে।

- মুখে ও মাথায় ঘাম, কখনো ঠান্ডা ও শীতল ঘাম হয়।

*সূত্র*: Boericke, Kent


১৫. *Argentum Nitricum (আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম)*

- মানসিক উত্তেজনা ও দুশ্চিন্তায় ঘাম।

- হাত-পা ঘামে, সাথে কম্পন থাকে।

*সূত্র*: Kent, Allen


১৬. *Arnica Montana (আর্নিকা)*

- রাতে বিছানায় শুয়ে ঘামে, ঘাম ঘুমকে ভেঙে দেয়।

- আঘাতের পর শরীর ঠান্ডা ঘামে ভিজে যায়।

*সূত্র*: Boericke, Clarke


১৭. *Arsenicum Album (আর্সেনিকাম এলবাম)*

- ভোরে ঘাম, দুর্বলতা নিয়ে ও

- গরমে ও রাতে ঘামে বৃদ্ধি, বিশেষ করে বুকে ও মুখে।

*সূত্র*: Kent, Boericke


১৮. *Asafoetida (আসাফোইটিডা)*

- অতিরিক্ত ঘাম, মানসিক উত্তেজনার সাথে।

- দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম, মানসিক চাপ কমায়।

*সূত্র*: Boericke


১৯. *Aurum Metallicum (অরাম মেটালিকাম)*

- ঠান্ডা ঘাম, বিষণ্নতা ও আত্মহত্যার প্রবণতার সাথে।

- রাতে ঘাম বৃদ্ধি, হৃদরোগের সাথে।

*সূত্র*: Kent, Farrington


২০. *Aconitum Lycotonum (অ্যাকোনাইটাম লাইকোটোনাম)*

- হাতের তালুতে ঘাম।

*সূত্র*: KnowHomoeopathy


২১. *Aesculus Hippocastanum (এসকিউলাস হিপোকাস্টানাম)*  

- ঘাম খুব একটা হয় না।  

- মলদ্বারে ব্যথার সাথে ক্লান্তি; অতিরিক্ত কষ্টে মাথায় ঘাম হতে পারে।  

*সূত্র:* Boericke


২২. *Aethusa Cynapium (এইথুসা)*  

- শিশুরা দুধ হজম না করলে কপালে ঠান্ডা ঘাম।  

- বমির সাথে তীব্র দুর্বলতা ও ঘাম।  

*সূত্র:* Allen, Farrington


২৩. *Ailanthus Glandulosa (আইল্যান্থাস)*  

- গরম ও ঘামে বেশি কষ্ট।  

- ঘামের সাথে বিষাক্ত গন্ধ।  

*সূত্র:* Clarke


২৪. *Aletris Farinosa (অ্যালেট্রিস ফারিনোসা)*  

- দুর্বলতা, রক্তাল্পতা ও ঘাম।  

- গর্ভবতী নারীর অতিরিক্ত ঘাম দেখা যায়।  

*সূত্র:* Boericke


২৫. *Allium Sativum (অ্যালিয়াম স্যাটিভাম)*  

- গ্যাস ও বদহজমে ঘাম হয়।  

- ঘামে দুর্গন্ধ থাকে।  

*সূত্র:* Clarke


২৬. *Aloes Socotrina (অ্যালো)*  

- সকালে পায়খানার সময় মুখে ঘাম।  

- পেট গড়গড় শব্দ, পায়খানার সাথে হালকা ঘাম।  

*সূত্র:* Kent, Boericke


২৭. *Alstonia Scholaris (অ্যালস্টোনিয়া)*  

- জ্বরোত্তর দুর্বলতা, ঘামে শরীর ভিজে যায়।  

- পাতলা পায়খানা ও ঘামের সংযোগ।  

*সূত্র:* Boericke


২৮. *Ammoniacum (অ্যামোনিয়াকাম)*  

- সাইনাস বা বাত ব্যথায় কপালে ঘাম।  

*সূত্র:* Allen


২৯. *Ammonium Bromatum (অ্যামোনিয়াম ব্রোমাটাম)*  

- গলায় কফ জমে ঘাম হয়।  

- ঘামে আরাম পায় না।  

*সূত্র:* Boericke

 ৩০. *Amygdalus Persica (অ্যামিগডালাস পার্সিকা)*  

- বমি, পেট খারাপ ও শিশুদের ঘামের ওষুধ।  

*সূত্র:* Clarke


৩১. *Anagallis Arvensis (অ্যানাগ্যালিস)*  

- চর্মরোগে ঘাম বাড়ে।  

- চুলকানির সাথে ঘাম দেখা যায়।  

*সূত্র:* Boericke


৩২. *Anemone Pulsatilla Nigricans (পালসেটিলা)*  

- দিনের বেলায় ঘাম, রাতের ঘাম কম।  

- গরমে ঘামে কষ্ট পায় না। ঠান্ডা চায়।  

*সূত্র:* Kent, Boericke


৩৩. *Angustura Vera (অ্যাঙ্গুস্তুরা)*  

- হাত-পায়ে কাঁপুনি ও ঘাম।  

- বাত রোগে ঘামের পর বৃদ্ধি।  

*সূত্র:* Allen


৩৪. *Antimonium Arsenicosum (অ্যান্টিমোনিয়াম আর্সেনিক)*  

- শ্বাসকষ্টের সাথে ঠান্ডা ঘাম।  

*সূত্র:* Clarke


৩৫. *Antimonium Sulphuratum Auratum*  

- ত্বকে ঘাম ও ফুসকুড়ির সংযোগ।  

- বাত রোগে ঘাম।  

*সূত্র:* Boericke


৩৬. *Anthracinum (অ্যানথ্রাসিনাম)*  

- ঘন ঘন ঘাম; বিষাক্ত সংক্রমণে ঘাম দেখা দেয়।  

*সূত্র:* Clarke


৩৭. *Apis Mellifica (অ্যাপিস)*  

- গরম ও দুপুরে ঘাম বেড়ে যায়।  

- মুখ ও মাথায় ঘাম।  

*সূত্র:* Kent, Boericke


৩৮. *Apocynum Cannabinum (অ্যাপোসাইনাম)*  

- হৃদপিণ্ড ও কিডনি সমস্যায় মুখে ঠান্ডা ঘাম।  

*সূত্র:* Boericke, Allen


৩৯. *Aralia Racemosa (আরালিয়া)*  

- হাঁপানির সময় ঠান্ডা ঘাম পড়ে।  

- রাতের বেলা ঘাম, শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এমন অনুভূতি।  

*সূত্র:* Boericke


৪০. *Aristolochia (অ্যারিস্টোলোকিয়া)*  

- তীব্র ঘাম, মুখ ও মাথা।  

- বিষক্রিয়ায় কণ্ঠনালীতে ঘাম।  

*সূত্র:* Clarke

 ৪১. *Arnica Montana (আর্নিকা)*  

- আঘাতের পর ঘাম পড়ে, শুয়ে ঘাম বেড়ে যায়।  

*সূত্র:* Kent


৪২. *Arsenicum Album (আর্সেনিক)*  

- দুর্বলতা ও বিষাদে ঘাম।  

- ঠান্ডা ঘাম, রাত ১টা থেকে ৩টা।  

*সূত্র:* Kent, Allen


৪৩. *Artemisia Vulgaris (আর্টেমিসিয়া)*  

- খিঁচুনির পর মাথায় ঘাম।  

- মৃগীরোগে ঘামের সাথে তন্দ্রা।  

*সূত্র:* Clarke


৪৪. *Asafoetida (আসাফোইটিডা)*  

- হিস্টিরিয়ায় ঠান্ডা ঘাম পড়ে।  

- মানসিক উত্তেজনায় ঘাম বৃদ্ধি।  

*সূত্র:* Boericke


৪৫. *Asarum Europaeum (অ্যাসারাম)*  

- অতিসংবেদনশীলতায় ঘাম, বিশেষ করে কানে শব্দে।  

*সূত্র:* Kent


৪৬. *Asclepias Tuberosa (অ্যাসক্লেপিয়াস)*  

- ঠান্ডা ঘাম, বুকে চাপ ও শ্বাসকষ্টে।  

*সূত্র:* Clarke


৪৭. *Asclepias Syriaca (অ্যাসক্লেপিয়াস সিরিয়াকা)*  

- ঘাম দ্বারা পানি নিঃসরণ বাড়ে, এডিমা কমে।  

*সূত্র:* Boericke


৪৮. *Asterias Rubens (অ্যাস্টেরিয়াস রুবেন্স)*  

- স্তন ক্যান্সারে রাতের বেলা মাথায় ঘাম।  

*সূত্র:* Clarke


৪৯. *Atropa Belladonna (বেলাডোনা)*  

- হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে গরম ঘাম।  

- মাথায় ঘাম, ত্বক গরম।  

*সূত্র:* Kent, Boericke


৫০. *Aurum Metallicum (অরাম মেট)*  

- ঠান্ডা ঘাম; বিষণ্নতার সাথে ঘাম।  

- হৃদযন্ত্রের দুর্বলতায় রাতের ঘাম।  

*সূত্র:* Farrington, Allen


৫১.Acidum Nitricum(এসিড নাইট)

---


*ঘামের লক্ষণ (Sweat Symptoms) of Acidum Nitricum:*


1. *রাত্রে ঘাম*  

   - ঘাম সাধারণত *রাতে বেশি হয়*।  

   *(Boger’s Synoptic Key, p. 375)*


2. *ঘামে টক গন্ধ*  

   - ঘামে টক বা তীব্র গন্ধ থাকে, যা কাপড় নষ্ট করে ফেলে।  

   *(Kent’s Materia Medica)*


3. *ঘামে জ্বালা ভাব*  

   - ঘামে শরীরে জ্বালা বা চুলকানি হতে পারে।  

   *(Allen’s Encyclopedia)*


4. *পায়ে ও বগলে ঘাম*  

   - পা ও বগলের অংশে ঘাম বেশি হয়।  

   *(Farrington's Clinical Materia Medica)*


5. *ঘাম সহজে হয় না*  

   - কোনো-কোনো ক্ষেত্রে রোগী ঘামতে *কঠিনতা অনুভব করে* (anhidrosis)।  

   *(Nash's Leaders in Homoeopathic Therapeutics)*


Dr. Md. Selim Uddin, DHMS; BSc; MPH( UCTC)

ইমাম উদ্দিন চাচার ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মুসলিম শুন্য পৃথিবীর দিকে বিশ্বব্যবস্থার গোপন ষড়যন্ত্রের প্রকাশ্য কার্যক্রম চলছে।

এদিকে মুসলিমরা সুন্নত যায়েজ নিয়ে ধন্দে লিপ্ত।


পশ্চিমা বিশ্ব আজকের দুনিয়াকে নিয়ে যে স্বপ্ন আঁকছে, তার সবচেয়ে ভয়ংকর অংশটা হলো—

একটা মুসলিম-শূন্য পৃথিবী।

তারা আগামী পাঁচশো বছর পর এই দুনিয়াকে এমন এক জায়গায় নিতে চায়, যেখানে না থাকবে ইসলামী আহকাম, না থাকবে মুসলিম পরিবার, না থাকবে খিলাফাহর ছায়া, না থাকবে আল্লাহর কালিমার প্রতিধ্বনি।

থাকবে শুধু বস্তুবাদ, উলঙ্গতা আর গ্লোবাল কুফরী শাসন।


এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তাদের মিশন সুপরিকল্পিত—

তারা মুসলিমদের আগামী প্রজন্মকে ধ্বংস করতে চায়।

যুদ্ধ নয়, বরং গোপন যুদ্ধ।

বুলেট নয়, বরং নীতি আর নিয়ম দিয়ে ধ্বংস।

সেটার স্তরগুলো এতটাই সূক্ষ্ম আর চালাকিপূর্ণ, যেগুলো অনেক মুসলিম টেরও পাচ্ছে না—


১. সরাসরি শিশু হত্যা:

জাতিসংঘ আর এনজিওর মুখোশে তারা মুসলিম দেশগুলোতে চালায় জন্মনিয়ন্ত্রণ ক্যাম্পেইন।

অলিগলিতে বিতরণ করে জন্মরোধী ওষুধ, ইনজেকশন, ক্যাম্প।

অবিবাহিত তরুণ-তরুণীদের জন্য বিলিয়ে দেয় ফ্রি কনডম, প্রমোট করে যিনা—তারপর গর্ভবতী হলে বলবে "এটা তোমার শরীর, বাচ্চা রাখতে বাধ্য না!"

ফলাফল?—হাজার হাজার গর্ভপাত, মুসলিম শিশুদের নিঃশব্দে হত্যা।


২. দেরিতে বিয়ে করানো:

বিয়ে এখন "ক্যারিয়ার", "সেটেল", "নিজেকে গড়ো"—এসব ভুয়া কথা দিয়ে পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

১৮-২০ বছরের যুবকদের বলছে— "এখনো ছোট",

আর ৩০ পেরিয়ে গেলে বলে— "এখন বুড়া"।

এই দুই চাপের মাঝে পড়ে, মুসলমানেরা বিয়েতে দেরি করে,

বাচ্চার সংখ্যা কমে যায়, অনেকেই নিঃসন্তান থেকে যায়।


৩. সিজার দিয়ে সন্তান ধারণ ক্ষমতা কমানো:

সিজার এখন যেন ব্যবসা নয়, বরং এক জাতীয় অস্ত্র!

একবার সিজার—তারপর দ্বিতীয়, তৃতীয় বাচ্চায় ঝুঁকি,

চতুর্থ-চলতে চলতে ডাক্তারের নিষেধ— "আর সন্তান নেওয়া যাবে না!"

অথচ ইসলামে একজন নারী মা হতেন দশ-পনেরো সন্তানের!

আমার বাবা-মায়ের সন্তান ১৪ জন 

আমার অধিনস্ত এখন আছে ১৩ সদস্যের পরিবার আলহামদুলিল্লাহ। 

মাত্র ২ বছরে আল্লাহ তাআলা আমাকে ৫জন থেকে ১৩জন সদস্যের পরিবার দান করেছেন। 

আগামী ২০ বছর যদি হায়াত পাই তাহলে আল্লাহ চাইলে আরো ২০/৩০ জন উত্তরসূরী রেখে যাবো ইনশাআল্লাহ। 


আজ সে জায়গায় ২ সন্তানেই কনট্র্যাক্ট শেষ!


এই হল তাদের পলিসি—মুসলিম জন্ম রেট কমাও।

বিয়েতে বিলম্ব, সন্তান নিতে ভয়, ক্যারিয়ারে ব্যস্ততা, ব্যথায় সিজার—

সব কিছুই আসলে একটি জাতিকে ভবিষ্যৎহীন করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র।


এখন প্রশ্ন হলো—তুমি কী করবে?


তুমি যদি চুপ করে বসে থাকো, এই ব্যবস্থা তোমার সন্তানদেরও গিলে খাবে।

এখনই সময় ফেরা—

শরীয়তের পথে, সুন্নতের বিয়েতে, সন্তান নেয়ার আগ্রহে,

একটি বড়, শক্তিশালী মুসলিম পরিবার গড়ে তোলার লক্ষ্যে।

এটাই ভবিষ্যতের জিহাদ।

এটাই মুসলিম জাতির পুনর্জাগরণ।


শক্তিশালী মুসলিম পরিবার গঠন করতে একাধিক স্ত্রীর বিকল্প নেই। মুসলিম প্রজন্ম বাঁচাতে হলে, এখনই ঘুম ভাঙাও।

ঘরেই গড়ে তুলো ইসলামী সৈনিক—

যারা একদিন খি লা ফা হ কায়েম করবে ইনশা আল্লাহ।

Mamunurrashid Qasemee 

Md Enamul Haque Masud

শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ২৪-০৭-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ২৪-০৭-২০২৫


আজকের শিরোনাম


* মতপার্থক্য ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য আরও দৃশ্যমান করার আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা।


* মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা গোপন করার কোনো উদ্দেশ্য সরকারের নেই --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


* প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে --- জানালেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি।


* ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক বিদেশী গণমাধ্যম নীতিমালা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।  


* স্থগিত হওয়া এইচ.এস.সি ও সমমানের পরীক্ষার নতুন সূচি প্রকাশ --- ২২ ও ২৪শে জুলাইয়ের পরীক্ষা যথাক্রমে ১৭ এবং ১৯শে আগষ্ট। 


* গাজায় তীব্র খাদ্য সঙ্কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছে একশোর বেশি আন্তর্জাতিক সাহায্য ও মানবাধিকার সংস্থা। 


* এবং ঢাকায় হোয়াইট ওয়াশের লক্ষ্য নিয়ে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে আজ পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

রাত ৮টা ৩০মিনিটের সংবাদ তারিখ ২৩-০৭-২০২৫

 রাত ৮টা ৩০মিনিটের সংবাদ

তারিখ ২৩-০৭-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


মতপার্থক্য ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য আরও দৃশ্যমান করার আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা।


মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা গোপন করার কোনো উদ্দেশ্য সরকারের নেই --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে --- জানালেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি।


বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক হ্রাস করবে যুক্তরাষ্ট্র -- আশাবাদ অর্থ উপদেষ্টার।


স্থগিত হওয়া এইচ.এস.সি ও সমমানের পরীক্ষার নতুন সূচি প্রকাশ করলো আন্ত:শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।


নির্বাচিত হলে দেশের সকল ধর্মের ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষকে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে বিএনপি --- বলেছেন দলটির মহাসচিব।


জাপানের সঙ্গে ব্যাপক বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট --- রপ্তানি ও বিনিয়োগে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত।


এবং আগামীকাল ঢাকায় তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ২৩-০৭-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ২৩-০৭-২০২৫


আজকের শিরোনাম :


* দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে চারটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক --- ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য আরও বেশি দৃশ্যমান করার আহ্বান।


* মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ এ।


* বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতের স্মরণে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করেছে জাতি।


* মাইলস্টোন শিক্ষার্থীদের দাবি যুক্তিসঙ্গত বলে মনে করে সরকার, আহতদের সব ধরণের সহায়তা দেয়া হচ্ছে --- জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।


* আগামীকালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত।


* প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ব্যক্তি দলীয় প্রধানের পদে থাকবেন না মর্মে একমত হয়েছে  তিন-চতুর্থাংশ রাজনৈতিক দল --- বললেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি।


* ইউনেস্কো থেকে সরে আসার ঘোষণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র 


* এবং প্রথমবারের মত পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...