এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ২৬-০৭-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ২৬-০৭-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


* উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩ --- নিহতদের জন্য দেশজুড়ে বিশেষ দোয়া 


* ২০২৪ সালের গণবিক্ষোভে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা --- আল জাজিরার অনুসন্ধান প্রতিবেদনে প্রকাশ 


* দেশের স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে অপপ্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা 


* আগামী ৫ই আগস্টের মধ্যে জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র আদায় করা হবে --- সুনামগঞ্জে সমাবেশে বললেন এনসিপি আহবায়ক 


* গাজায় প্রতি তিন জনে একজন তীব্র অনাহারে ভুগছে --- জাতিসংঘের উদ্বেগ --- অবিলম্বে ত্রাণ প্রবেশে অনুমতি দিতে ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাজ্য, জার্মানী ও ফ্রান্সের আহ্বান 


* কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্ত সংঘর্ষে ১৬ জনের প্রাণহানি --- নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির আহ্বান নমপেনের 


* এবং জিম্বাবুয়ের হারারাতে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের ফাইনালে আজ দক্ষিণ আফ্রিকার মোকাবেলা করবে নিউজিল্যান্ড

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ২৫-০৭-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ২৫-০৭-২০২৫


আজকের শিরোনাম


* মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে নিহতদের স্মরণে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় শোক প্রস্তাব গৃহীত --- রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাবেন আত্মদানকারী দুই শিক্ষক। 


* সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে একটি নতুন বেতন কমিশন গঠন --- প্রতিবেদন জমা দিতে হবে ছয় মাসের মধ্যে।


* ফৌজদারি কার্যবিধি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫ উপদেষ্টা পরিষদে নীতিগতভাবে অনুমোদন। 

 

* ১৫ বছরে আওয়ামী সন্ত্রাসে নিহতদের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার।

 

* বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু --- আহতদের চিকিৎসা দিতে চীনের বিশেষজ্ঞ দল এখন ঢাকায়।   


* তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্কিত রায় প্রদানকারী সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে কারাগারে প্রেরণ।

 

* জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আসন্ন অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিবে ফ্রান্স। 


* এবং ঢাকায় তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশকে ৭৪ রানে হারিয়েছে পাকিস্তান।

বিজ্ঞানও আল কুরআনের বিধানের নির্ভুল ব্যাখ্যা 

 একজন ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ (যিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিতও ছিলেন) খোলাখুলি বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে মুসলিম নারীর চেয়ে পবিত্র ও বিশুদ্ধ নারী অন্য কোন ধর্মে নেই।

পুরো ঘটনাটি ঘটেছিল যখন আলবার্ট আইনস্টাইন ইনস্টিটিউটের (Albert Einstein Institution) সাথে যুক্ত একজন ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ, ইহুদি পেশাদার রবার্ট, তাঁর ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। যার একমাত্র কারণ ছিল, কুরআনে উল্লেখিত তালাক প্রাপ্তা নারীর ইদ্দতের আদেশ সম্পর্কিত আয়াত এবং ইদ্দতের জন্য তিন মাসের সীমা নির্ধারণের পেছনের রহস্য ও হিকমত সম্পর্কে অবগতি।


আল্লাহ তায়ালা কোনো তালাক প্রাপ্তা নারীকে দ্বিতীয় বিয়ের পূর্বে তিন মাসের একটি গ্যাপ রাখতে বলেছেন। তিনি পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেন,

وَٱلْمُطَلَّقَٰتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلَٰثَةَ قُرُوٓءٍۚ

অর্থাৎ 'তালাকপ্রাপ্তা নারীরা তিন মাসিক পর্যন্ত অপেক্ষা করবে' (সূরা আল-বাকারাহ ২২৮:২)

এই আয়াতটি একটি আধুনিক বিজ্ঞান ডিএনএ এর উদ্ভাবনের রাস্তা সুগম করেছে এবং দেখা গেছে যে একজন পুরুষের শুক্রাণুতে থাকা প্রোটিন অন্য পুরুষের থেকে ৬২% পৃথক ও ভিন্ন থাকে।


আর একজন নারীর শরীর একটি কম্পিউটারের মত। যখন একজন পুরুষ তার সাথে ইন্টারকোর্স করে তখন সেই নারীর শরীর সব ব্যাকটেরিয়াকে শোষণ করে এবং তার শরীরে তা ধারণ করে।


অতএব, বিবাহ বিচ্ছেদের পরপরই, যদি একজন মহিলা অন্য পুরুষকে বিয়ে করেন বা একই সাথে বেশ কয়েকজনের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে, তাহলে তার শরীরে বিভিন্ন ধরণের ডিএনএ জমা হয় যা বিপজ্জনক ভাইরাসের রূপ নেয় এবং মারাত্মক রোগ সৃষ্টির কারণ হয়।


বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখে যে, প্রথম মাসিক আসার পর একজন মহিলার শরীর থেকে ৩২% থেকে ৩৫% পর্যন্ত প্রোটিন শেষ হয়ে যায়, এবং দ্বিতীয় মাসিক আসার পর তার শরীর থেকে ৬৭ থেকে ৭২% ডিএনএ ধ্বংস হয়ে যায়। এবং তৃতীয় মাসিকের পর ৯৯.৯% পর্যন্ত প্রোটিন নির্মূল হয়ে যায়। এরপর জরায়ু আগের ডিএনএ থেকে সম্পন্নরূপে পরিষ্কার হয়ে যায় এবং কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই নতুন ডিএনএ গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত থাকে।

একজন গণিকা অনেক পুরুষের সাথে সঙ্গম করে, যার ফলে বিভিন্ন পুরুষের ব্যাকটেরিয়া তার জরায়ুতে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ধরণের ডিএনএ তার মধ্যে জমা হয়ে সে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।


বিধবা মহিলার ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান হলো, তার ইদ্দত তালাকপ্রাপ্ত মহিলার চেয়ে বেশি অর্থাৎ ৪ মাস ১০ দিন। এর কারণ হলো দুঃখ ও দুশ্চিন্তার কারণে তার শরীর থেকে প্রাক্তন ডিএনএ দ্রুত শেষ হয় না, এটি শেষ হতে আগের চেয়ে বেশি সময় লাগে, আর এ জন্য মহিলাদের ইদ্দত চার মাস দশ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,

وَٱلَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَٰجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًاۖ

অর্থাৎ 'তোমাদের মধ্য হতে যারা স্ত্রীদেরকে রেখে মারা যাবে সে অবস্থায় স্ত্রীরা নিজেদেরকে চার মাস দশ দিন বিরত রাখবে।' (আল-বাকারাহ, ২৩৪)


এই সত্যের মুখোমুখি হয়ে, একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ভিন্ন স্থানে গবেষণা পরিচালনা করেন। এক. আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মুসলমানরা যে মহল্লায় থাকেন, সেই সব নারীর ভ্রূণের মধ্যে মাত্র একজন স্বামীর ডিএনএ পাওয়া গেছে। দুই. অন্য মহল্লা যেখানে আসল আমেরিকান মহিলারা থাকেন, তাদের ভ্রূণের মধ্যে একাধিক অর্থাৎ দুই বা তিন জনের বেশি পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গেছে।


অতঃপর যখন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তার নিজ স্ত্রীর ভ্রূণ ​​পরীক্ষা করলেন, তখন তিনি একটি মর্মান্তিক সত্য দেখতে পান যে, তার স্ত্রীর মধ্যে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ডিএনএ আছে। যার অর্থ হলো তার স্ত্রী তার সাথে প্রতারণা করছিল এবং তার তিন সন্তানের মধ্যে কেবল মাত্র একজন ছিল তার নিজ সন্তান, বাকিরা ছিল অন্য পুরুষ থেকে।


ডাক্তার তখন নিশ্চিত হন যে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা নারীদের নিরাপত্তা এবং সমাজের সম্প্রীতির নিশ্চয়তা দেয়। এবং এই বিষয়েও নিশ্চিত হন যে, একমাত্র মুসলিম নারীরাই পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন, বিশুদ্ধ ও সতী।

والله ورسوله اعلم عزوجل وصل الله عليه وسلم

ইসলামে একজন মহিলার জন্য এক‌ই সময়ে একাধিক বিয়ে বা একাধিক স্বামী রাখার অনুমতি দেয়া হয়নি কেন!


অবশেষে বিজ্ঞানও আল কুরআনের বিধানের নির্ভুল ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হলো।


Opekkha : অপেক্ষা

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫

বর্ষাকালে ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের চিকিৎসা। ★★★★★★★

 বর্ষাকালে ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের চিকিৎসা।

★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★


বর্ষাকালে ডায়াবেটিস রোগীদের পায়ের যত্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর্দ্রতা এবং স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা হলো:


১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা‌🍀


 * প্রতিদিন হালকা গরম জল এবং মৃদু সাবান দিয়ে পা পরিষ্কার করুন। পা ধোয়ার সময় অতিরিক্ত গরম জল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

 * পা ধোয়ার পর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে সম্পূর্ণ শুকিয়ে নিন, বিশেষ করে আঙুলগুলোর ফাঁকে। ভিজে থাকলে ফাঙ্গাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 * অ্যান্টিফাঙ্গাল পাউডার ব্যবহার করতে পারেন, বিশেষ করে আঙুলের ফাঁকে।


২. পা পরীক্ষা করা:🌲


 * প্রতিদিন আপনার পা পরীক্ষা করুন। কোনো কাটাছেঁড়া, ফোস্কা, লালচে ভাব, ফোলা বা অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কিনা লক্ষ্য করুন। যদি দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়, তাহলে পরিবারের অন্য কারো সাহায্য নিন।

 * নখের চারপাশেও খেয়াল রাখুন, কারণ ছত্রাক সংক্রমণ বা ইনগ্রোন নখ হতে পারে।


৩. সঠিক জুতো ও মোজা:👢

 * বৃষ্টিতে বাইরে বের হলে পা ভেজানো থেকে বিরত থাকুন। ওয়াটারপ্রুফ জুতো পরুন।

 * ভেজা জুতো বা মোজা বেশিক্ষণ পরে থাকবেন না। জুতো ভিজে গেলে দ্রুত পরিবর্তন করুন এবং শুকিয়ে নিন।

 * মোজা হিসেবে সুতির বা উলের মোজা বেছে নিন যা আর্দ্রতা শোষণ করে। সিন্থেটিক মোজা পরিহার করুন।

 * মোজা প্রতিদিন পরিবর্তন করুন এবং পরিষ্কার মোজা পরুন।

 * আঁটসাঁট জুতো বা মোজা পরবেন না যা রক্ত ​​সঞ্চালনে বাধা দেয়।


৪. ত্বকের যত্ন:🧴

 * পা শুষ্ক থাকলে লোশন বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন, তবে আঙুলগুলোর ফাঁকে লোশন লাগানো থেকে বিরত থাকুন।

 * পায়ের তালুর ফাটা রোধ করতে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার লাগাতে পারেন।


৫. নখের যত্ন:⚔️

 * নখ সোজা করে কাটুন, কোণা করে কাটবেন না। এতে ইনগ্রোন নখের ঝুঁকি কমে।

 * নখ কাটার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন যাতে কোনো আঘাত না লাগে। প্রয়োজনে একজন পডিয়াট্রিস্ট বা অভিজ্ঞ ব্যক্তির সাহায্য নিন।


৬. খালি পায়ে হাঁটা পরিহার:🥾

 * বাড়ির ভেতরে বা বাইরে কখনোই খালি পায়ে হাঁটবেন না, বিশেষ করে বর্ষাকালে। এতে আঘাত বা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।


৭. রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ:🍟

 * রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ রক্তে শর্করা পায়ের স্নায়ুর ক্ষতি করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।


৮. নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ:🩺

 * পায়ে কোনো অস্বাভাবিকতা দেখলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 * নিয়মিত পডিয়াট্রিস্টের কাছে পায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান।


বর্ষাকালে এই সতর্কতাগুলো মেনে চললে ডায়াবেটিস রোগীরা পায়ের জটিলতা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবেন।

মহাবিশ্বের সবচেয়ে শীতলতম স্থানের খোঁজে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা!

 # মহাবিশ্বের সবচেয়ে শীতলতম স্থানের খোঁজে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা!


 


 


 


লেখক: সিরাজুর রহমান


 


আমাদের পৃথিবীর বুকে লুকিয়ে থাকা সবচেয়ে ঠাণ্ডা বা শীতলতম স্থান হচ্ছে দক্ষিণ মেরুর অ্যান্টার্কটিকার পূর্ব মালভূমি অঞ্চল। এই শীতল স্থানের গড় তাপমাত্রা হচ্ছে প্রায় –৯৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গত ২০২৩ সালে বিজ্ঞানীদের এক পর্যবেক্ষণে তা –৯৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গিয়েছিল। এই তীব্র মাত্রার শীতল পরিবেশে প্রাণী ও উদ্ভিদের অস্তিত্ব টিকে থাকার কোন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে এটিই কিন্তু আমাদের সোলার সিস্টেমের একমাত্র সবচেয়ে ঠান্ডা স্থান নয়।


 


 


অনেকে মনে করেন যে, সূর্য বা অন্য কোন নক্ষত্র থেকে সবচেয়ে দূরের বস্তু বা গ্রহেই হয়ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করে। যেমন, আমাদের সোলার সিস্টেমের শেষের অংশ কুইপার বেল্টে অবস্থিত বামন গ্রহ প্লুটোর (A dwarf planet) পৃষ্ঠতলের গড় তাপমাত্রা হচ্ছে কিনা প্রায় (~৪১ কেলভিন) বা –২৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, দূরবর্তী প্লুটোর থেকেও বেশি ঠান্ডা অঞ্চল বা স্থান কিনা আমাদের অনেক কাছেই চাঁদের বুকে লুকিয়ে রয়েছে।


 


 


গত ২০০৯ সালে NASA-এর Lunar Reconnaissance Orbiter মিশনের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন যে, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত কিছু চির-অন্ধকার গর্ত, যেমন হারমাইট ক্র্যাটার (Hermite Crater)-এ সূর্যের আলো কখনোই পৌঁছাতে পারেনি। এই গর্তগুলোর অভ্যন্তরে রেকর্ড করা তাপমাত্রা হতে পারে প্রায় –২৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা (~২৬ কেলভিন)। যা কিনা নিশ্চিতভাবেই প্লুটোর থেকেও অনেক বেশি শীতল স্থান বলা চলে।


 


 


বিজ্ঞানীদের দীর্ঘ মেয়াদি গবেষণা অনুযায়ী আমাদের সোলার সিস্টেমের সবচেয়ে শীতল ও রহস্যময় অঞ্চল হচ্ছে ওর্ট ক্লাউড (Oort Cloud)। এটি সূর্য থেকে হয়ত প্রায় ২,০০০–১,০০,০০০ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট (AU) পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে থাকতে পারে। এখানে গড় তাপমাত্রা হতে পারে প্রায় (~৪.১৫ কেলভিন) বা –২৬৮.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা মহাবিশ্বের কসমিক ব্যাকগ্রাউন্ড বিকিরণের (~২.৭ কেলভিন) নিচে বা হাইড্রোজেনের ফ্রিজিং পয়েন্টের প্রায় কাছাকাছি।


 


 


তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো যে, সৌরজগতের বাহিরে আমাদের চীরচেনা আকাশগঙ্গা ছায়াপথের ভেতরই এমন এক অতি রহস্যময় স্থান রয়েছে, যাকে এখন পর্যন্ত প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান সবচেয়ে শীতল বা তীব্র মাত্রায় ঠান্ডা অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন বুমেরাং নীহারিকা (Boomerang Nebula)। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৫,০০০ আলোকবর্ষ দূরে, Centaurus নক্ষত্রপুঞ্জে অবস্থিত।


 


 


এটি একটি proto-planetary nebula এবং যার কেন্দ্রে একটি মৃতপ্রায় তারা তার বাইরের গ্যাস স্তর বিপুল বেগে ছুঁড়ে ফেলছে। ফলে নীহারিকাটির অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা পৌঁছে গেছে প্রায় –২৭২.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মূলত ১৯৯৫ সালে NASA-এর হাবল টেলিস্কোপ ও মাইক্রোওয়েভ ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন বিজ্ঞানীরা এবং পরবর্তীতের ALMA (Atacama Large Millimeter/submillimeter Array) থেকেও এটি নিশ্চিত করেন তাঁরা।


 


 


বুমেরাং নীহারিকা (Boomerang Nebula) প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৮০ সালে। দুইজন অস্ট্রেলিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী Keith Taylor ও Mike Scarrott চিলির লাস ক্যাম্পানাস অবজারভেটরি থেকে আকাশ পর্যবেক্ষণের সময় এই বিশেষ আকৃতির অতিশীতল নীহারিকাটি শনাক্ত করেন। তবে এটিকে প্রথমে এর অদ্ভুত, বুমেরাং-এর মতো গঠন দেখে এমন নাম দেওয়া হয়েছিল বুমেরাং নেবুলা। 


 


 


পরিসরে বলা যায়, প্রায় ৯৩ বিলিয়ন লাইট ইয়ারের অধিক দুরুত্বব্যাপী বিস্তৃত এই সুবিশাল মহাবিশ্বে আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথের বাহিরে অন্য কোন আজানা স্থানে হয়ত লুকিয়ে রয়েছে বুমেরাং নীহারিকার চেয়েও আল্ট্রা সুপার এক্সট্রিম কোল্ড বা অতিশীতল স্থান। যা বর্তমানে প্রচলিত থাকা উচ্চ প্রযুক্তি স্পেস টেলিস্কোপ দ্বারা খুঁজে পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে বা এতটা উচ্চ পর্যায়ের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা মানবজাতি এখনো পর্যন্ত হয়ত অর্জন করেনি।


 


 

## তথ্যসূত্র / References:


 


NASA - Lunar Reconnaissance Orbiter, NASA Goddard (Boomerang Nebula), ALMA Observatory Data, ESO (European Southern Observatory), The Planetary Society, BBC Science Focus and Wikipedia

##  

##  

## লেখক পরিচিতি:


সিরাজুর রহমান

শিক্ষক ও লেখক

সিংড়া, নাটোর, বাংলাদেশ

[sherazbd@gmail.com](mailto:sherazbd@gmail.com)

New Plug in Quran V-3

 Welcome to Jaforsadek Online Shop Community


৳ 0 


New Plug in Quran V-3


*ঘরকে বরকতময় করতে প্লাগ ইন কুরআন।


হাদিয়াঃ


৳1480


   


৳1290 /1Pcs


ORDER NOW


 01841141108


 


 01715503403


DESCRIPTIONREVIEWSHIPPING INFO


***ঘরকে বরকতময় করতে প্লাগ ইন কুরআন।


***ঘরকে অদৃশ্য/ অশুভ শক্তির উপদ্রুপ থেকে রক্ষা করতে প্লাগ ইন কুরআন।


***অগণিত সওয়াবের জন্য প্লাগ ইন কুরআন।


***রাতে ড্রিম লাইট এর জন্য প্লাগ ইন কুরআন।


পণ্যটি সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন-


01715503403 //  01841141108


কোনো ঘরে যদি নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করা হয়, তাহলে সেই ঘরে মহান আল্লাহ বারাকাহ দান করেন। এটি এমন একটি ডিভাইস যেটি ইলেকট্রিক সকেটের সাথে প্লাগ করলেই কুরআন তেলাওয়াত শুরু করবে এবং ড্রিম লাইট হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। 


১ বছরও যদি প্লাগ থেকে খোলা না হয় ১ বছর পর্যন্ত কোরআন তেলাওয়াত চলতেই থাকবে।


রাতে ঘুমানোর সময় তেলাওয়াতের সাউন্ড কম/বেশি এডজাস্ট করে তেলাওয়াত ছেড়ে এবং ড্রিম লাইটের আলো কম/বেশি এডজাস্ট করে ঘুমিয়ে পড়ুন। এই কুরআন তেলাওয়াত সকল অদৃশ্য/অশুভ শক্তি থেকে আপনার ঘরকে সারারাত পাহারা দেবে ইনশাল্লাহ।


ঘুম থেকে উঠে আনপ্লাগ করুন।



ব্যবহার বিধি:


পাওয়ার অন পদ্ধতি 


ডিভাইসটি কারেন্টের প্লাগের সাথে সংযুক্ত হওয়ার সাথে সাথে নিজে নিজেই অন হয়ে যাবে। তারপরে ৪ নাম্বার বাটনের ১-৭ নাম্বার অডিও বাজবে। যথাক্রমে সুরা বাকারাহ, রুক-ইয়া, সুরা ইয়াসীন, সুরা কাহাফ, সুরা, মুল্ক, সুরা, আর রাহমান ও দোয়া-ই কুনুত।


ডাবল প্রেস: আপনি যে অডিও টি শুনতেছেন সেটি ১০ বার রিপিট শোনতে চাইলে ৫টি বাটনের যে কোন একটি বাটনে ডাবল প্রেস করুন।


১ নাম্বার বাটন

শর্ট প্রেস: বার বার শর্ট প্রেস করলে ড্রিম লাইট এর আলো ৫টি লেভেলে কমবে ও বাড়বে। লং প্রেস: ১ নাম্বার বাটনের লং প্রেস-এ ১০টি সুরার মাশক আছে। প্রতিটা সুরা ২ জন ক্বারী পড়াবে। প্রতি ২ সেকেন্ড চাপ দিয়ে ধরে রাখলে একটার পর একটা সুরা বাজবে। এই ভাবে ১০টি সুরা শেষ হয়ে নিজে নিজে সম্পূর্ণ কুরআনের ১১৪ টি সুরা বাজবে।


২ নাম্বার বাটন 

শর্ট প্রেস: বার বার শর্ট প্রেস করলে ৫টি লেভেলে সাউন্ড বাড়বে ও ৫টি লেভেলে সাউন্ড

কমতে কমতে অফ হয়ে যাবে।

লং প্রেস: ২ নাম্বার বাটনে ৪৩টি সুরা আছে। প্রতি ২ সেকেন্ড চাপ দিয়ে ধরে রাখলে সুরা দুহা থেকে নাস পর্যন্ত ক্বারী আহমাদ বিন | ইউসুফ আল আযহারী, ক্বারী নাজমুল হাসান ও ক্বারী এ কে এম ফিরোজ এর কন্ঠে সুমধুর তেলাওয়াত বাজবে। এই ভাবে


সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

হ্যালোব্লু মাসিক পণ্যের ইতিহাস  - পিরিয়ড হিস্টরি ট্রিবিউট

 মেরি বিট্রিস ডেভিডসন কেনার একজন আফ্রিকান-আমেরিকান উদ্ভাবক ছিলেন, যিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেছেন। তিনি স্যানিটারি বেল্ট সহ বেশ কয়েকটি উদ্ভাবনের জন্য পরিচিত, যা মাসিকের সময় মহিলাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস ছিল। 

17 মে, 1912 সালে মেরি বিট্রিস ডেভিডসন কেনার নর্থ ক্যারোলিনার মনরুতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন স্ব-শিক্ষিত উদ্ভাবক এবং তার কাজ দৈনন্দিন জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য এনেছিল। 

কেনার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে:

স্যানিটারি বেল্ট: এই উদ্ভাবনটি মাসিকের সময় মহিলাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস ছিল। 

টয়লেট পেপার ধারক: এটি টয়লেট পেপারকে আরও সহজে ব্যবহারযোগ্য করে তোলে। 

অন্যান্য উদ্ভাবন: তিনি আরও বেশ কিছু উদ্ভাবন করেছেন, যার মধ্যে কিছু দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহারের জন্য ছিল। 

কেনার বর্ণবাদ এবং লিঙ্গ বৈষম্যের মুখোমুখি হয়েছিলেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও, তিনি তার উদ্ভাবনী কাজ চালিয়ে যান। তার কাজ আজও মহিলাদের জীবনকে উন্নত করতে সহায়তা করে..


২০০৬): মহিলাদের হাইজিনের আনসাং হিরো


সে কে ছিল?


পুরো নাম: মেরি বিট্রিস ডেভিডসন কেনার


জন্ম: মে ১৭, ১৯১২ - মনরো, উত্তর ক্যারোলিনা, ইউএসএ


মারা যান:


১৩ই জানুয়ারি, ২০০৬ ওয়াশিংটন, ডিসি


পেশা: আবিষ্কারক এবং ফুলবাদক


পরিচিত: নিয়ন্ত্রণযোগ্য স্যানিটারি বেল্ট আবিষ্কার, আধুনিক স্যানিটারি প্যাড এর অগ্রদূত।


মেরি আবিষ্কারকদের পরিবার থেকে এসেছে:


তার বাবা একটি পোশাক চাপার পেটেন্ট করেছেন।


তার দাদা ট্রেন সিগন্যাল লাইট আবিষ্কার করেছিলেন।


তার বোন, মিলড্রেড ডেভিডসন অস্টিন স্মিথও একটি পেটেন্ট ছিল।


শিক্ষা ও প্রারম্ভিক জীবন


একটি সৃজনশীল ঘরে বেড়ে উঠেছিলাম এবং ৬ বছর

বয়সে আবিষ্কার শুরু করেছিলাম।


কিশোর হিসেবে প্রায়ই ইউএস পেটেন্ট অফিস পরিদর্শন করি।


১৯৩১ সালে ডানবার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে স্নাতক।


হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছিলাম, কিন্তু আর্থিক কষ্টে চলে গিয়েছিলাম।


WWII চলাকালীন ফেডারেল সরকারের সাথে সহ বিভিন্ন কাজ করেছি।


পরে একজন পেশাদার ফুলবাজ হয়ে গেলাম।


তার সবচেয়ে বিখ্যাত বিনিয়োগ: দ্য স্যানাইটারি বেল্ট


14 পেটেন্ট: ইউএস পেটেন্ট #২,৩২৯,৮৪০ (1957 সালে প্রদত্ত)


মূলত ১৯২০ সালে ধারণা করা হয়েছিল, কিন্তু ১৯৫৬ সালে পেটেন্ট ফাইল করার সামর্থ্য ছিল।


স্যানিটারি বেল্ট ছিল:


ফুটো প্রতিরোধ করতে আর্দ্রতা-প্রুফ ন্যাপকিন পকেট


আরামের জন্য নিয়ন্ত্রণযোগ্য ইলাস্টিক স্ট্র্যাপ

আরামের জন্য নিয়ন্ত্রণযোগ্য ইলাস্টিক স্ট্র্যাপ


একটি নকশা যা অস্বস্তিকর পিন বা হুকের প্রয়োজন দূর করে দিয়েছে


71


ঋতুস্রাব স্বাস্থ্যবিধিতে একটি বৈপ্লবিক অগ্রগতি এমন একটি সময়ে যখন ঋতুস্রাব নিষিদ্ধ হিসাবে বিবেচনা করা হত।


বর্ণবাদী বিচ্ছেদ


একটি কোম্পানী একবার তার আবিষ্কার তৈরিতে আগ্রহী ছিল।


কিন্তু যখন তারা আবিষ্কার করলো যে সে কালো, তারা প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে।


নকশা পেটেন্ট করা সত্ত্বেও, তিনি তার জীবদ্দশায় এটি বাণিজ্যিকীকরণ করতে পারেন নি।


তার পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, এবং নকশাটি পরে ক্রেডিটের দ্বারা ক্রেডিট বা ক্ষতিপূরণ ছাড়াই কপি করা হয়েছিল


*অন্যান্য বিনিয়োগ (১৯৫৬-১৯৮৭)


মেরি কেনারের পাঁচটি পেটেন্ট রয়েছে, সেই সময়ে মার্কিন ইতিহাসে একজন আফ্রিকান-আমেরিকান মহিলাকে সর্বোচ্চ নম্বর দেওয়া হয়েছিল:

টয়লেট টিস্যু হোল্ডার (পেটেন্ট #৪,১৪৩,৭৯৬ -১৯৮২)


টয়লেট পেপার শেষে সহজ অ্যাক্সেস নিশ্চিত করা হয়েছে।


ওয়াকার ট্রে এবং পকেট সংযুক্তি (1959)


71


তার বোনকে সাহায্য করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যার মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস ছিল।


মাউন্টেড ব্যাক ওয়াশার (১৯৮৭)


মানুষকে সাহায্য ছাড়াই স্নানাগারে তাদের পিঠ ধুতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।


শাওয়ার ওয়াল সংগঠক


টয়লেট্রিজ শুষ্ক এবং সহজলভ্য রাখার জন্য একটি জল-প্রতিরোধক তাক ব্যবস্থা।


স্যানিটারি বেল্ট (১৯৫৭)


তার সবচেয়ে বিখ্যাত এবং প্রভাবশালী আবিষ্কার।


মহিলাদের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব


কেনারের আবিষ্কার ভিত্তি স্থাপন করেছে:


আধনিক স্যানিটারি প্যাড সাথে আঠালো, ডানা, এবং

কেনারের আবিষ্কার ভিত্তি স্থাপন করেছে:


আধুনিক স্যানিটারি প্যাড সাথে আঠালো, ডানা, এবং আরামদায়ক বৈশিষ্ট্য


উন্নত স্বাস্থ্যবিধি এবং বিশ্ব জুড়ে নারীদের মর্যাদা


অপরিশোধিত মাসিক অভ্যাসের কারণে সৃষ্ট সংক্রমণ প্রতিরোধ


ঋতুস্রাবকে আরো পরিচালিত, নিরাপদ এবং বিচক্ষণ করে তুলছে


স্ট্রাগল এবং লিগ্যাসি


সে কখনো ধনী হয়নি বা তার জীবদ্দশায় ব্যাপক স্বীকৃতি লাভ করেনি।


তবুও তার অবদান বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ নারীর জীবন উন্নত করেছে।


তার গল্প লিঙ্গ, জাতি এবং উদ্ভাবনের সংঘর্ষের প্রতীক।


তিনি অসাধারণ স্থিতিস্থাপকতা দেখিয়েছেন, প্রত্যাখ্যান এবং বর্ণবাদের মুখোমুখি হওয়ার পরেও আবিষ্কার অব্যাহত রেখেছেন।


কেন সবার তাকে জানা উচিত


তার স্যানিটারি বেল্ট খাতসার পণ্যের জন্য পথ তৈরি

তিনি কালো আবিষ্কারক, মহিলা উদ্যোক্তা এবং সমাজ সংস্কারকদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছেন।


তিনি সৃজনশীলতা এবং দৃঢ়তার মাধ্যমে সামাজিক নিষিদ্ধকরণ এবং পদ্ধতিগত বর্ণবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।


তার প্রাপ্য কৃতিত্ব না পাওয়া সত্ত্বেও, তার আবিষ্কার নীরবে জনস্বাস্থ্যকে রূপান্তরিত করে।


টাইমলাইন স্ন্যাপশট


ইয়ারমিলেস্টোন 1912 মনরোতে জন্ম, NC1920sConceptualized স্যানিটারি বেল্ট 1956Filed প্রথম পেটেন্ট 1957Sanitary বেল্ট পেটেন্ট মঞ্জুর 1959 পেটেন্ট ওয়াকার ট্রে1982 টয়লেট পেপার হোল্ডার পেটেন্ট 1987 মাউন্টেড ব্যাক ওয়াশার পেটেন্ট 2006 ওয়াশিংটন, ডিসিতে মারা গেছে


*সংযোগ


মেরি বিট্রিস ডেভিডসন কেনার হয়তো পরিবারের নাম নাও হতে পারে, কিন্তু তিনি নারীবাদী স্বাস্থ্যবিধি এবং দৈনিক স্বাস্থ্য সেবা উদ্ভাবনে একজন পথিকৃত। তার গল্প একটি অনুস্মারক যে সমাজে সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান কিছু আসে তাদের কাছ থেকে যারা পর্দার অন্তরালে থাকে - খ্যাতি বা ভাগ্য ছাড়া, কিন্তু গভীর উদ্দেশ্য এবং

দূরদর্শিতার সাথে।


উৎস (ব্যবহৃত ও যাচাইকৃত)


লেমেলসন-এমআইটি আবিষ্কারক আর্কাইভ


উইকিপিডিয়ার - মেরি কেনার


সায়েন্স মিউজিয়াম ইউকে


হ্যালোব্লু মাসিক পণ্যের ইতিহাস


 - পিরিয়ড হিস্টরি ট্রিবিউট

:

Gaaner Feriwala

গর্ভকালীন সময়ে হোমিও চিকিৎসা বনাম এ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা। 

 গর্ভকালীন সময়ে হোমিও চিকিৎসা বনাম এ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা। 

মহিলারা গভর্ধারণ করলে আর রক্ষা নাই । গাইনী ডাক্তাররা তাদেরকে পায়খানা, প্রস্রাব, রক্ত, এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম, এমআরআই, সিটিস্ক্যান ইত্যাদি ইত্যাদি এক বস্তা টেস্ট করতে দিবেন । কিন্তু কেন ? গভর্ধারণ করা কি কোন অপরাধ ? ববরর্তার একটা সীমা থাকা দরকার ! তারপর দিবে এক বস্তা ঔষধ / ইনজেকশান / ভ্যাকসিন, মাসের পর মাস খেতে থাক ! কেন ? এখন আমরা তো সবাই স্বচক্ষেই দেখি, জিওগ্রাফী / ডিসকভারী টিভি চেনেলগুলোতে, গরু-ছাগল-হরিণ-বাঘ-সিংহ-হাতি সবাই গর্ভধারণ করছে এবং সুস্থ-সুন্দর বাচ্চা জন্ম দিচ্ছে । কই, তাদের তো গাইনী ডাক্তারদের কাছেও যেতে হয় না, এক বস্তা টেস্টও করতে হয় না, মাসকে মাস ঔষধও খেতে হয় না কিংবা সিজারিয়ান অপারেশানও লাগে না । হাস্যকর কিছু বললাম ? না, আসলে আত্মিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে আমরা ভিন্ন হলেও জৈবিক দিক দিয়ে কিন্তু পশু-পাখিদের সাথে আমাদের কোন পার্থক্য নাই ।

এবার আসা যাক গর্ভকালীন সময়ে ঔষধ খাওয়া প্রসংগে । অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে গর্ভবতীদেরকে ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রণ, ফলিক এসিড ইত্যাদি খাওয়ানো হয় বস্তায় বস্তায় । তাদের সমস্ত ঔষধই এতবেশী ক্ষতিকর সাইড-ইফেক্টযুক্ত যে, তারা সেগুলো গর্ভবতীদের খাওয়াতে সাহস পায় না । ফলে তারা এসব ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রণ, ফলিক এসিড ইত্যাদি খাওয়াতে থাকে জম্মের মতো । যেহেতু তারা এগুলোকে গর্ভবতীদের জন্য নিরাপদ মনে করে থাকেন । তবে এসব ঔষধের কারণে গর্ভবতী ও গর্ভস্থ শিশুর কি কি ক্ষতি হয়, তা জানার কোন উপায় নেই । কারণ প্রথমত বড় বড় ঔষধ কোম্পানীগুলো সাধারণত তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থের কারণে ঔষধের ক্ষতিকর দিকটি প্রকাশ করে না । দ্বিতীয়ত তাদের এসব ঔষধ যেহেতু ইদুঁর-বাদর-খরগোস-গিনিপিগের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আবিষ্কার করা হয় ; কাজেই কোন ঔষধ ইদুঁর-বাদর-খরগোস-গিনিপিগের ক্ষতি করে না বলে মানুষেরও ক্ষতি করবে না- এমনটা বলা যাবে না । তাছাড়া বস্তা বস্তা ক্যালশিয়াম খাওয়া যে কিডনীতে পাথর ( Renal calculus ) হওয়ার একটি মূল কারণ, এটা আমরা অনেকেই জানি । এসব ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রণ ইত্যাদি যেহেতু আমাদের দৈনন্দিন খাবারেই যথেষ্ট পরিমাণে থাকে, কাজেই ট্যাবলেট, ক্যাপসুল ইত্যাদি ঔষধ আকারে বস্তা বস্তা খেলে তাতে শরীরে এসব উপাদানের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্ঠি হওয়াই স্বাভাবিক । এসব ভারসাম্যহীনতার কারণেই সম্ভবত গভবতী মায়েদের পেটের পানির ( placenta fluid ) পরিমাণ কমে যায়, ঠিকমতো প্রসব ব্যথা উঠতে চায় না । ফলে সিজারিয়ান অপারেশনের ( Cesarean operation ) সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে । এসব ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রণ, ফলিক এসিড ইত্যাদি বস্তায় বস্তায় খাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশী নগদ যে ক্ষতিটি প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়, তাহলো এতে অধিকাংশ মহিলাই ভীষণ রকমে মোটা (obese ) হয়ে যান । আর এখনকার সকল চিকিৎসা বিজ্ঞানীই একমত যে, মোটা মানুষরা ( এযুগের প্রধান প্রধান ঘাতক রোগ ) ক্যানসার, হৃদরোগ ( heart disease ), হাঁপানী, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট এটাক, জয়েন্টে ব্যথা ( Arthritis ) ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হয় বেশী হারে ।


সে যাক, হোমিও চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা গর্ভকালীন সময়ে বাধ্যতামূলকভাবে কোন ( ভিটামিন, আয়রণ, ক্যালশিয়াম জাতীয় ) ঔষধ খাওয়ানোর পক্ষপাতী নন । বিশেষত যাদের হজমশক্তি ভালো আছে এবং মাছ-গোশত-শাক-সবজি-ফল-মূল ইত্যাদি কিনে খাওয়ার মতো সামর্থ আছে, তাদের কোন ( ভিটামিন জাতীয় ) ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন নাই । তবে যে-সব গর্ভবতী মায়েরা শরীরিক-মানসিক দুর্বলতা, রক্তশূণ্যতা ইত্যাদিতে ভোগছেন, অথবা যারা অভাব-অনটনের কারণে প্রয়োজনীয় পুষ্ঠিকর খাবার-দাবার কিনে খেতে পারেন না কিংবা যারা পুষ্ঠিকর খাবার কিনে খেতে পারলেও শারীরিক ত্রুটির কারণে সেগুলো যথাযথভাবে শরীরে শোষিত ( absorption ) হয় না, তাদেরকে ক্যালকেরিয়া ফস ( Calcarea phos ), ফেরাম ফস ( Ferrum phos ), ক্যালি ফস ( Kali phos ), লিসিথিন ( Lecithinum ) ইত্যাদি হোমিও ভিটামিন / টনিক জাতীয় ঔষধগুলো নিম্নশক্তিতে ( 6X ) অল্প মাত্রায় খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন । এই ঔষধগুলি মানব শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয় ক্যালশিয়াম, আয়রণ, পটাশিয়াম এবং ফসফরাস সরবরাহ করে থাকে । পাশাপাশি এই ঔষধগুলো আমাদের শরীরকে এমনভাবে গড়ে তোলে যাতে আমাদের শরীর নিজেই তার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্ঠিকর উপাদানগুলো আমাদের দৈনন্দিন খাবার থেকে শোষণ করার / গ্রহন করার যোগ্যতা লাভ করে ।

গর্ভকালীন সময়ে খেলে এই ঔষধগুলো আপনার গভর্স্থ সন্তানের হাড় ( bone ), দাঁত ( teeth ), নাক ( nose ), চোখ ( eye ), মস্তিষ্ক ( brain ) ইত্যাদির গঠন খুব ভালো এবং নিখুঁত করতে সাহায্য করবে এবং আপনার সন্তান ঠোট কাটা ( harelip ), তালু কাটা ( cleft palate ), হাড় বাঁকা ( rickets ), খোঁজা ( epicene ), বামন ( dwarfish ), পিঠ বাঁকা ( Spina bifida ), বুদ্ধি প্রতিবন্ধি ( autism ), হৃদরোগ, চর্মরোগ, কিডনীরোগ প্রভৃতি দোষ নিয়ে জন্মনোর হাত থেকে রক্ষা পাবে । এই জন্য যাদের বংশে শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্দ্বি শিশু জন্মের ইতিহাস আছে, তাদের গর্ভকালীন সময় এই ঔষধগুলো অবশ্যই খাওয়া উচিত । ভিটামিন জাতীয় এই হোমিও ঔষধগুলো গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যের এত চমৎকার যত্ন নেয় যে, এগুলো বেশ কয়েক মাস খেলে তাদের উচ্চ রক্তচাপ ( hypertension ), হাঁপানী ( asthma ), ডায়াবেটিস ( diabetes ), মাথাব্যথা, বমিবমিভাব, ছোটখাট জ্বর-কাশি, খিচুঁনি ( eclampsia ) ইত্যাদি রোগ এমনিতেই সেরে যায় । অন্যদিকে যাদের উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানী, ডায়াবেটিস, খিচুঁনি, ধনুষ্টংকার ইত্যাদি রোগ নাই, তারাও এই ঔষধ তিনটি খাওয়ার মাধ্যমে সে-সব রোগে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পারবেন ।


ঔষধ চারটি একসাথে খাওয়া উচিত নয় ; বরং একটি একটি করে খাওয়া উচিত । যেমন- ক্যালকেরিয়া ফস সাত দিন, তারপর ফেরাম ফস সাত দিন, তারপর ক্যালি ফস সাত দিন, তারপর লিসিথিন সাতদিন – এইভাবে চক্রাকারে একটির পর একটি করে খান । সাধারণত 1X, 3X, 6X, 12X ইত্যাদি নিম্নশক্তিতে খাওয়া উচিত ; যেটি মার্কেটে পাওয়া যায় । ৫ টি বড়ি করে সকাল-বিকাল রোজ দুইবার করে খান । প্রয়োজন মনে করলে গর্ভকালীন পুরো দশ মাসই খেতে পারেন এবং সন্তানকে স্তন্যদানকালীন দুই বছরও খেতে পারেন । তবে মাঝে মধ্যে সাতদিন বা পনের দিন মধ্যবর্তী বিরতি দিয়ে খাওয়াও একটি ভালো রীতি । সহজ, আরামদায়ক এবং সিজারিয়ানমুক্ত ডেলিভারির জন্য কলোফাইলাম ( Caulophyllum thalictroides ) ঔষধটি ( ৩, ৬, ১২ ইত্যাদি নিম্নশক্তিতে ) প্রসবের দুইমাস পূর্ব ( অর্থাৎ‍ আট মাস ) থেকে ( ৫ বড়ি করে ) রোজ একবার করে খেয়ে যান । এটি গর্ভ রক্ষার অর্থাৎ গর্ভস্থ শিশুকে রক্ষার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ । এটি গর্ভস্থ শিশুর চারদিকে পানির ( placenta fluid ) পরিমাণ সঠিক মাত্রায় বজায় রাখে এবং পানির পরিমাণ কমতে দেয় না, ফলে অধিকাংশ শিশু সিজারিয়ান অপারেশন ছাড়াই স্বাভাবিক পথে ( vaginal route ) জন্ম নিয়ে ‍থাকে । এমনকি যাদের কোমরের বা তলপেটের ( pelvic cavity ) গঠন ভালো নয় বলে ডাক্তাররা সিজার করতে বলে, তাদেরও দেখেছি শিশু এবং মায়ের কোন ক্ষতি ছাড়াই নরমাল ডেলিভারি হয়ে যায় । তাছাড়া অতীতে যাদের সিজার হয়েছে, তারাও কলোফাইলাম খেয়ে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে সন্তান জন্ম দিতে পারেন, নিজের এবং শিশুর কোন ক্ষতি ছাড়াই ।


কলোফাইলাম গর্ভপাতেরও ( abortion ) একটি উত্তম ঔষধ, যাতে ভুয়া প্রসব ব্যথা দেখা দিলে এটি প্রয়োগ করতে হয় । যাদের প্রতিবারই ( তৃতীয় ‍মাস, পঞ্চম মাস ইত্যাদি ) একটি নির্দিষ্ট সময়ে গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়, তারা সেই নির্দিষ্ট সময়ের একমাস পূর্ব থেকেই অগ্রিম এই ঔষধটি খাওয়া শুরু করতে পারেন । অন্যদিকে ডেলিভারির জন্য খাওয়াবেন পালসেটিলা ( Pulsatilla pratensis ) নামক ঔষধটি । যদি ডেলিভারি ডেট অতিক্রান্ত হওয়ার পরও ব্যথা না ওঠে অথবা প্রসবব্যথা কম ওঠে অথবা ব্যথা একবার আসে আবার চলে যায়, তবে পালসেটিলা ( Pulsatilla pratensis ) নামক হোমিও ঔষধটি আধা ঘণ্টা পরপর খাওয়াতে থাকুন । এটি প্রসব ব্যথাকে বাড়িয়ে দিয়ে তাড়াতাড়ি প্রসব কাজ সমাধা করার ব্যাপারে একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ । এমনকি ডাক্তাররা যদি সিজারিয়ান অপারেশান করার জন্য ছুড়িতে ধার দিতে থাকে, তখনও আপনি পালসেটিলা খাওয়াতে থাকুন । দেখবেন ছুড়ি ধার হওয়ার পূবেই বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হয়ে গেছে । মনে রাখবেন, নরমাল ডেলিভারির কষ্ট থাকে দুয়েক দিন, কিন্তু সিজারিয়ান অপারেশানের কষ্ট দুয়েক বছরেও যায় না । ক্ষেত্রবিশেষে অপারেশানের কষ্ট সারাজীবনই ভোগ করতে হয় । শুধু তাই নয়, সন্তানের পজিশন যদি ঠিক না থাকে, তবে পালসেটিলা তাও ঠিক করতে পারে । শিশুর মাথা যদি উপরের দিকে অথবা ডানে-বামে ঘুরে থাকে, তবে দুয়েক মাত্রা পালসেটিলা খাওয়ালেই দেখবেন শিশুর মাথা ঘুরিয়ে অটোমেটিকভাবে নীচের দিকে নিয়ে এসেছে ।


★তবে হাজারে একজনের সিজার প্রয়োজন হতেই পারে। তখন অবশ্যই সিজারে যেতে হবে। কিন্তু গনহারে সিজার কখনই কাম্য নয়।

গরুর মাংসের কালা ভুনা রেসিপি ⸻

 গরুর মাংসের কালা ভুনা রেসিপি



📝 উপকরণ

 • গরুর মাংস (চর্বিযুক্ত হলে ভালো) – ১ কেজি

 • পেঁয়াজ – ৫ কাপ (অতিরিক্ত পেঁয়াজই কালা ভুনার আসল কৌশল)

 • আদা বাটা – ৩ টেবিল চামচ

 • রসুন বাটা – ৩ টেবিল চামচ

 • শুকনা মরিচ গুঁড়া – ২ টেবিল চামচ

 • ধনে গুঁড়া – ২ টেবিল চামচ

 • জিরা গুঁড়া – ১ টেবিল চামচ

 • হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ

 • গরম মসলা গুঁড়া – ১ চা চামচ (শেষে)

 • দারুচিনি – ২ টুকরো

 • এলাচ – ৪টি

 • লবঙ্গ – ৪টি

 • তেজপাতা – ২টি

 • কাঁচা মরিচ – ১০-১২টি (চেরা)

 • সরিষার তেল – ১ কাপ (অথবা রিফাইনড তেল, তবে সরিষা তেলে আসল স্বাদ)

 • লবণ – স্বাদমতো

 • পানি – প্রয়োজনমতো

 • ধনেপাতা – সাজানোর জন্য

 • ভাজা পেঁয়াজ (বারিস্তা) – ১ কাপ (শেষে)



🍳 প্রণালি


✅ ১. মাংস মেরিনেট

মাংস ধুয়ে লবণ, হলুদ, আদা-রসুন বাটা, শুকনা মরিচ, ধনে, জিরা দিয়ে মাখিয়ে অন্তত ১ ঘণ্টা মেরিনেট করুন। বেশি সময় থাকলে ফ্রিজে রেখে দিন – এতে মাংসে মশলা ভালোভাবে ঢুকবে।


✅ ২. পেঁয়াজ ভাজা (বারিস্তা)

প্রথমে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ধৈর্য ধরে ধূসর বাদামি (গোল্ডেন-ব্রাউন) হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। অর্ধেক বের করে রাখুন – শেষে গার্নিশে দেবেন।


✅ ৩. মাংস কষানো

বাকি ভাজা পেঁয়াজের সাথে দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা ফোড়ন দিন। মেরিনেট করা মাংস ঢেলে দিন। মাঝারি-নিম্ন আঁচে ২০-২৫ মিনিট ধরে নাড়তে নাড়তে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। পানি বের হবে, কিন্তু তেল ছাড়া পর্যন্ত কষাতে থাকুন।


✅ ৪. মাংস সিদ্ধ করা

মাংস শক্তি অনুযায়ী অল্প গরম পানি দিন, ঢেকে রাখুন এবং মাংস নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। চাইলে প্রেসার কুকারে ৩-৪ সিটি দিতে পারেন।


✅ ৫. কালা ভুনা করা

মাংস নরম হলে ঢাকনা খুলে আঁচ বাড়িয়ে দিন। নাড়তে থাকুন যতক্ষণ পর্যন্ত মাংস কালো-বাদামী রঙে তেল ছেড়ে আসবে। মসলা গাঢ় হয়ে গেলে গরম মসলা গুঁড়া ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ৫ মিনিট আর ভুনুন।


✅ ৬. পরিবেশন

পাত্রে তুলে উপরে ভাজা পেঁয়াজ (বারিস্তা) ও ধনেপাতা ছড়িয়ে গরম গরম ভাত, খিচুড়ি, পোলাও বা পরোটার সাথে পরিবেশন করুন।



✅ আসল কালা ভুনার টিপস


✔️ বেশি পেঁয়াজ কুচি দিন – পেঁয়াজই কালা ভুনার আসল বেস তৈরি করে।

✔️ ধৈর্য ধরে কষাবেন – মাংস যতক্ষণ তেল না ছাড়ে, আসল স্বাদ আসবে না।

✔️ চর্বিযুক্ত মাংস ব্যবহার করলে স্বাদ ও টেক্সচার অনেক ভালো হয়।

✔️ সরিষার তেল ব্যবহারে ঘ্রাণ ও ট্রাডিশনাল স্বাদ倍 হয়।

কষ্টিকাম এর রোগী চেনার উপায়,,,,,

 ★★★★কষ্টিকাম এর রোগী চেনার উপায়


★★★★:------


★ রাতে পা স্থির রাখতে পারে না। পা নাড়ে।


★ শরীরের বিভিন্ন অংশে বাত, ছিঁড়ে ফেলার মত যন্ত্রণা। গরমে ভাল থাকে।


★ একাঙ্গীক পক্ষাঘাত বা সিঙ্গল মাসল প্যারালাইসিস।বিশেষ করে ডান দিকের প্যারালাইসিস।


★ স্বরযন্ত্র, জিভ, চোখের পাতা, হাত-পা, মুখ, মূত্রযন্ত্রের পক্ষাঘাত। স্বর ভঙ্গ। 


★ হাঁচি কাশি দিতে গেলে অসাড়ে মূত্র বেরিয়ে আসে।মুত্র ধারণে অক্ষম। 


★ প্রথম রাতে শিশুদের বিছানায় প্রস্রাব করার স্বভাব।


★ চর্মরোগ চাপা পড়ে পক্ষাঘাত।এজন্য চর্মরোগে মলম লাগানো থেকে বিরত থাকা উচিত। রোগীরা এই বিষয়টা বোঝেনা। 


★ ঋতুস্রাব কেবলমাত্র দিনের বেলায় দেখা যায়। রাতে বন্ধ থাকে।


★ দিনে কাশি কম থাকে। ঠান্ডা পানি পান করলেই কাশি কমে যায়। এটা একটা অদ্ভুত লক্ষণ। 


★ মিষ্টি দ্রব্যে অরুচি।


★ মেটেরিয়া মেডিকায় লেখা থাকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মলত্যাগ করতে পারে কিন্তু বসলে পারে না। মূল ব্যাপার হল মেরুদণ্ড সোজা করে বসলেও মলত্যাগ করতে পারে। 


★ শরীরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গে, গলায় আঁচিল।


★ শুকনো পরিষ্কার আবহাওয়ায় রোগীর কষ্ট বাড়ে অথচ বাজে মেঘলা ভিজে আবহাওয়ায় রোগী বেশ ভাল বোধ করে। এটাও একটা অদ্ভুত লক্ষণ। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অদ্ভুত লক্ষণের বেশি মূল্যায়ন করতে হয়। 


★ শিশুর হাঁটাচলা ও অনুধাবন শক্তির খর্বতা। দেরিতে শেখে,


★ অন্যের প্রতি দরদী।প্রচন্ড রকমের প্রতিবাদী, প্রতিবাদ না করে থাকতে পারেনা। লিডারশিপ নিতে পারে। নিজের গোত্রের কোনো অসুবিধা হলে, তাকে রক্ষা করতে নিজে ঝাপিয়ে পড়ে। 


******কষ্টিকামের আগে ও পরে ফসফরাস ব্যবহার করা হয় না।******

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...