এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

অঙ্গভিত্তিক আঁচিলের হোমিও ঔষধঃ---

 🌻👉 অঙ্গভিত্তিক আঁচিলের হোমিও ঔষধঃ---


🎯 মুখে আঁচিল -নাইট্রিক এসিড,

কস্টিকাম,ক্যালকেরিয়া কার্ব,থুজা।

🎯 জিহ্বায় আঁচিল -অরাম মিউর ন্যাট।

🎯 হাতে আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব,ল্যাকেসিস, লাইকোপোডিয়াম, নাইট্রিক অ্যাসিড, রাস টক্স। 

🎯 মুখের কোনে আঁচিল-কন্ডুরাঙ্গো।

🎯 চোখের পাতায় আঁচিল -নাইট্রিক এসিড,ডালকামারা,ক্যালকেরিয়া কার্ব,থুজা।

🎯 চোখের নিচে আঁচিল -সালফার।

🎯 নাকে আঁচিল -থুজা, কস্টিকাম।

🎯 দাড়িতে, থুতনিতে আঁচিল-লাইকোপোডিয়াম। 

🎯 ঘাড়ে আঁচিল -ক্যালকেরিয়াকার্ব, নাইট্রিক অ্যাসিড। 

🎯 বাহুতে আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব,কস্টিকাম, নাইট্রিক এসিড, সালফার। 

🎯 নখের ধারে আঁচিল -কস্টিকাম। 

🎯 ভ্রুতে আঁচিল -কস্টিকাম,থুজা,নাইট্রিক এসিড।

🎯 হাতের তালুতে আঁচিল -নেট্রাম মিউর, এনাকার্ডিয়াম। 

🎯 আঙ্গুলে অসংখ্য আঁচিল -নেট্রাম মিউর, ক্যালকেরিয়া কার্ব, কস্টিকাম,ল্যাকেসিস, নাইট্রিক এসিড, থুজা, সালফার। 

🎯 বৃদ্ধাঙ্গুলে আঁচিল -ল্যাকেসিস,নেট্রাম মিউর।

🎯 লিঙ্গ ত্বকে, লিঙ্গ মুখে, ভিতরে আঁচিল -সিনাবেরিস,ইউক্যালিপ্টাস,নাইট্রিক অ্যাসিড, অ্যাসিড  ফস, থুজা,মেডোরিনাম।

🎯 মলদ্বারে, পেটে ও উরুতে আঁচিল -নেট্রাম সালফ,নাইট্রিক এসিড,থুজা।

🎯 ক্রনিক বা পুরাতন আঁচিল -কষ্টিকাম, নেট্রাম মিওর সালফার, থুজা।

 🎯 শক্ত বা কঠিন আঁচিল -এন্টিম ক্রুড, নাইট্রিক এসিড, গ্রাফাইটিস, থুজা, সালফার, ক্যাল্কেরিয়া ফ্লোর।

🎯 বৃহদাকার আঁচিল -কস্টিকাম, নাইট্টিক এসিড,সিপিয়া,থুজা।

🎯 ক্ষুদ্রাকার আঁচিল -ক্যালকেরিয়া কার্ব, নাইট্রিক অ্যাসিড, থুজা, ল্যাকেসিস, রাস টক্স, সালফার,সার্সাপ্যারিলা।

🎯 প্রদাহিত আঁচিল -এমন কার্ব,নাইট্রিক এসিড,কস্টিকাম।

🎯 রক্তস্রাব প্রবণ আঁচিল -নাইট্রিক এসিড।

🎯 ক্ষুদ্রাকার, ডুমুরের মতো নিরেট, সূচালো আঁচিল -কস্টিকাম।

🎯 বৃহৎ দানাযুক্ত, ডুমুরের মতো বা ফুলকপির মত, রক্তবর্ণ আঁচিল -থুজা,নাইট্রিক এসিড।


⚠️তবে রুগীতে মেডিসিন প্রয়োগের পূর্বে অবশ্যই পূর্ণাঙ্গ রোগীলীপির  প্রয়োজন।


🎀 গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটি শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন। 


🎀 প্রয়োজনে যোগাযোগঃ

     ইভা হোমিও হল।

    মোবাঃ০১৭২৬৬৯৯২৩৩

#fbviralpost2025シ #highlightseveryone #fbhomeo #foryoupageシ #homeopathy #Dr #treatment

রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

উকুনে-বুড়ির কথা উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

 উকুনে-বুড়ির কথা

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী


এক যে ছিল উকুনে-বুড়ি, তার মাথায় বড্ড ভয়ানক উকুন ছিল। সে যখন তার বুড়োকে ভাত খেতে দিতে যেত তখন ঝরঝর করে সেই উকুন বুড়োর পাতে পড়ত। তাইতে সে একদিন রেগে গিয়ে, ঠাঁই করে বুড়িকে ঠেঙার বাড়ি মারলে। তখন বুড়ি ভাতের হাঁড়ি আছড়ে গুঁড়ো করে রাগের ভরে সেই যে নদীর ধার দিয়ে চলে গেল, আর তাকে বুড়ো ডেকে ফিরাতে পারলে না। নদীর ধারে এক বক বসে ছিল, সে উকুনে-বুড়িকে দেখে বললে, 'উকুনে-বুড়ি, কোথা যাস?'

উকুনে-বুড়ি বললে—

স্বামী মারলে, রাগে তাই

ঘর-গেরস্তি, ফেলে যাই।

বক বললে, 'তোর স্বামী মারলে কেন? কি হয়েছে?'

উকুনে-বুড়ি বললে, 'আমার মাথা থেকে তার পাতে উকুন পড়েছিল।'

বক বললে, 'কেন উকুন তো বেশ লাগে! তার জন্যে মারলে কেন? তুই আমার বাড়ি চল। শুনেছি তুই খুব ভালো রাঁধিস।' তাইতে উকুন-বুড়ি বকের বাড়িতে রাঁধুনি হল। তার রান্না বকের বেশ ভালো লাগত, আর পাতে উকুন পড়লে তো সে খুব খুশিই হত।

তখন, একদিন হয়েছে কী—বক এনেছে একটা মস্ত শোল মাছ। এনে সে উকুন-বুড়িকে বললে, 'উকুন-বুড়ি, মাছটা বেশ করে রাঁধ।'

বলে সে আবার নদীর ধারে চলে গেল। উকুনে-বুড়ি মাছ রাঁধতে লাগল। রাঁধতে-রাঁধতে বেচারা মাথা ঘুরে কখন কড়ার মধ্যে পড়ে গিয়েছে কেউ জানতে পারেনি।

বক এসে দেখলে, উকুনে-বুড়ি পুড়ে মরে আছে। দেখে তার এমনি দুঃখ হল যে, সে নদীর ধারে গিয়ে মুখ ভার করে বসে রইল, সাতদিন কিছু খেল না।

নদী বললে, 'ভালোরে ভালো, সাতদিন ধরে এমন করে বসে আছে, খায়-দায়নি!

এর হল কি? হ্যাঁ ভাই বক, তোর হয়েছে কি ভাই?' বক বললে, 'আরে ভাই, সে কথা বলে কি হবে? আমার যা হবার তা হয়েছে।'

নদী বললে, 'ভাই, আমাকে বলতে হবে।'

বক বললে, 'যদি বলি, তবে কিন্তু তোর সব জল ফেনা হয়ে যাবে।'

নদী বললে, 'হয় হবে, তুই বল।'

তখন বক বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল।

অমনি ফ্যান-ফ্যান করে দেখতে-দেখতে নদীর জল ফেনিয়ে সাদা হয়ে গেল।

সেই নদীতে এক হাতি রোজ জল খেতে আসে। সেদিন সে জল খেতে এসে দেখে, একি কাণ্ড হয়ে আছে।

হাতি বললে, 'নদী, তোর একি হল? তোর জল কী করে ফেনা হয়ে গেল? 

নদী বললে, 'তা যদি বলি, তবে কিন্তু তোর লেজটি খসে পড়ে যাবে।'

হাতি বললে, 'যায় যাবে, তুই বল।' তখন নদী বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল।

অমনি ধপাস করে হাতির লেজটা খসে পড়ে গেল!

তারপর হাতি গাছতলা দিয়ে যাচ্ছে, গাছ তাকে দেখে বললে, 'বাঃ রে, তোর একি হল? লেজ কোথায় গেল?'

হাতি বললে, 'তা যদি বলি,, তবে কিন্তু তোর পাতাগুলি সব এক্ষুনি ঝরে পড়বে।' 

গাছ বললে, 'পড়ে পড়ুক, তুই বল।' 

তখন হাতি বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল,

হাতির লেজ খসে পড়ল। 

অমনি ঝর-ঝর করে গাছের সব পাতাগুলি ঝরে পড়ে গেল। সেই গাছে এক ঘুঘুর বাসা ছিল সে তখন খাবার খুঁজতে গিয়েছিল। ফিরে এসে দেখে, ওমা একি হয়েছে। 

ঘুঘু বললে, 'গাছ, তোর একি হল? তোর পাতা সব কোথায় গেল?'

গাছ বললে, 'তা 'তা যদি বলি, বলি, তবে কিন্তু তোর চোখ কানা হয়ে যাবে।'

ঘুঘু বললে, 'যায় যাবে, তুই বল।' তখন গাছ বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,

বক সাতদিন উপোস রইল,

নদীর জল ফেনিয়ে গেল,

হাতির লেজ খসে পড়ল,

গাছের পাতা ঝরে পড়ল।

অমনি টস্ করে ঘুঘুর একটা চোখ কানা হয়ে গেল।

কানা চোখ নিয়ে ঘুঘু মাঠে চরতে গিয়েছে, তখন রাজার বাড়ির রাখাল তাকে দেখে বললে, 'সে কি রে ঘুঘু, তোর চোখ কী হল?'

ঘুঘু বললে, 'তা যদি বলি, তবে কিন্তু তোমার হাতে তোমার লাঠিটা আটকে যাবে।'

রাখাল বললে, 'যায় যাবে, তুই বল।' তখন ঘুঘু বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো,

বক সাতদিন উপোস রইল,

নদীর জল ফেনিয়ে গেল, 

হাতির লেজ খসে পড়ল, 

গাছের পাতা ঝরে পড়ল,

ঘুঘুর চোখ কানা হল।

অমনি চটাস করে রাখালের লাঠি তার হাতে আটকে গেল। সে কত হাত ঝাড়লে, কিছুতেই তাকে ফেলতে পারলে না। যখন গোরু নিয়ে সে রাজার বাড়িতে ফিরে এসেছে, তখনো সে হাত ঝাড়ছে।

রাজার বাড়ির দাসী ভাঙা কুলোয় করে ছাই ফেলতে যাচ্ছিল। সে রাখালকে দেখে বললে, 'দূর হতভাগা! অমনি করে হাত ঝাড়ছিস কেন? কী হয়েছে তোর হাতে?' রাখাল বললে, 'সে কথা যদি বলি, তবে কিন্তু আর ঐ কুলোখানা তোমার হাত থেকে নামাতে পারবে না, সেখানা তোমার হাতেই আটকে থাকবে।' 

দাসী বললে, 'ঈস! আচ্ছা থাকবে থাকবে, তুই বল।' তখন রাখাল বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল, 

হাতির লেজ খসে গেল, 

গাছের পাতা ঝরে পড়ল, 

ঘুঘুর চোখ কানা হল, 

রাখালের হাতে লাঠি আটকাল।

অমনি দাসী 'ওমা! এ কি গো। কী হবে গো!' বলে কাঁদতে লাগল। সে অনেক করেও কুলো হাত থেকে নামাতে পারলে না। শেষে রাখাল-ছোকরাকে গাল দিতে দিতে ঘরে গেল। ঘরে গিয়ে দাসী হাত থেকে আর কুলো নামাচ্ছে না। রানী তখন থালা হাতে করে রাজার জন্যে ভাত বাড়ছিলেন। দাসীকে দেখে তিনি হেসে বললেন, 'দাসী তোর হয়েছে কী? কুলোটা হাত থেকে নামাচ্ছিসনে কেন?'

দাসী বললে, 'তা যদি বলি রানীমা, তবে কিন্তু ঐ থালাখানা আর আপনার হাত থেকে নামাতে পারবেন না, ওখানা আপনার হাতে আটকে যাবে।'

রানী বললেন, 'বটে! আচ্ছা বল দেখি কেমন আটকায়।'

তখন দাসী বললে—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল, 

হাতির লেজ খসে পড়ল, 

গাছের পাতা ঝরে পড়ল, 

ঘুঘুর চোখ কানা হল, 

রাখালের হাতে লাঠি আটকাল, 

দাসীর হাতে কুলো আটকাল।

অমনি রানীর হাতে থালাখানি আটকে গেল, কিছুতইে তিনি আর তা নামাতে পারলেন না। তখন আর কি করেন? আর একখানা থালায় করে রাজামশাইয়ের জন্যে ভাত বেড়ে নিয়ে চললেন।

রাজামশাই তাঁকে দেখেই বললেন, 'রানী, ঐ থালাখানা হাতে করে রেখেছ যে?' 

রানী বললেন, 'তা যদি বলি, তবে কিন্তু আর তুমি এখান থেকে উঠে যেতে পারবে না, তুমি ঐ পিঁড়িতে আটকে থাকবে।'

শুনে রাজা হো-হো করে হাসলেন, তারপর বললেন, 'আচ্ছা তাই হোক, তুমি বল।' তখন রানী বললেন—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল, 

হাতির লেজ খসে পড়ল, 

গাছের পাতা ঝরে পড়ল, 

ঘুঘুর চোখ কানা হল, 

রাখালের হাতে লাঠি আটকাল, 

দাসীর হাতে কুলো আটকাল,

রানীর হাতে থালা আটকাল।

বলতে-বলতেই তো রাজামশাই পিঁড়িতে খুব ভালোমতোই আটকে গেলেন। কত টানাটানি করলেন, কিছুতেই উঠতে পারলেন না। চাকরদের ডাকলেন, তারাও কিছু করতে পারল না। তখন সেই পিঁড়িসুদ্ধ তাঁকে চারজনে ধরাধরি করে এনে সভায় বসিয়ে দিলে!

তা দেখে সভার লোকদের তো ভারি মুশকিলই হল। তাদের ভয়ানক হাসি পাচ্ছে। তারা হাসি থামাতে পারছে না, হাসতেও পারছে না, পাছে রাজামশাই রাগ করেন।

কেউ ভয়ে জিগগেস করতেও পারছে না রাজামশাইয়ের কি হয়েছে।

তখন রাজামশাই নিজেই বললেন, 'তোমরা বুঝি জানতে চাচ্ছ, আমি পিঁড়িতে কী

করে আটকে গেলাম।'

তারা হাত জোড় করে বললে, হ্যাঁ, মহারাজ।'

রাজা বললেন, 'তা যদি বলি, তবে তোমরাও যে যার জায়গায় আটকে যাবে।'

তারা বললে, 'মহারাজ যদি আটকালেন, তবে আমরা আর বাকি থাকি কেন?'

তখন রাজা বললেন—

উকুনে-বুড়ি পুড়ে মোলো, 

বক সাতদিন উপোস রইল, 

নদীর জল ফেনিয়ে গেল, 

হাতির লেজ খসে পড়ল, 

গাছের পাতা ঝরে পড়ল, 

ঘুঘুর চোখ কানা হল, 

রাখালের হাতে লাঠি আটকাল, 

দাসীর হাতে কুলো আটকাল, 

রানীর হাতে থালা আটকাল, 

পিঁড়িতে রাজা আটকাল।

বলতেই আর তারা যাবে কোথায়। এমনি করে তারা তক্তাপোশে আটকে গেল যে, আর তাদের উঠবার সাধ্য নেই।

ভাগ্যিস সেই দেশে এক খুব বুদ্ধিমান নাপিত ছিল, নইলে মুশকিল হয়েছিল আর কী। নাপিত এসে বললে, 'শিগগির ছুতোর ডাক।'

তখন ছুতোর এসে পিঁড়ি কেটে রাজামশাইকে ছাড়ালে, আর তক্তাপোশ কেটে সভার লোকদের ছাড়ালে। একটু একটু কাঠ তবু সকলের গায়ে লেগে ছিল, সেটুকু চেঁচে তুলে দিল। রানীর হাতের থালা, দাসীর হাতের কুলো আর রাখালের হাতের লাঠিও কেটে ফেলে দেওয়া হল।

Fatty liver★এর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

 ⛔Fatty liver★এর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ⛔


1.★Chelidonium Majus– লিভারের ডান পাশে ব্যথা, ত্বক হলুদাভ।  লিভারের ভিতর দিয়ে পিঠ পর্যন্ত সুচ ফোটানোর মত ব্যথা বোধ হয়। জিব্বায় হলদে ময়লা থাকে এবং জিহ্বায় দাঁতের দাগ পড়ে। দুধ খেতে পছন্দ করে বিশেষ করে গরম দুধ। 


2. ★Carduus Marianus– লিভারের ফ্যাটি অবস্থা, হজমে সমস্যা । লিভারের স্থানে টাটানি ও ব্যথা উৎপন্ন হয়। লিভার স্থানে চাপ দিলে ব্যথা অনুভব হয়। মুখের স্বাদ তিতা, গা বমি বমি করে, উদগার উঠে। সাথে পায়খানা কষা। 


3.★ Lycopodium – পেট ফোলা, ডান দিকে গ্যাস। মিষ্টি এবং গরম খাবার প্রচন্ড পছন্দ।  রাগী এবং প্রতিবাদ করা স্বভাবের। কৃপণ খুব হিসাব করে চলে। 


4. ★Phosphorus – লিভার দুর্বলতা, ক্ষুধামান্দ্য । শীতকাতর এবং ঠান্ডা খাবার খুব পছন্দ করে। ঠান্ডা  পানি খাওয়ার কিছুক্ষণ পর বমি করে দেয়। প্রচন্ড সহানুভূতিশীল, প্রাণীর প্রতি খুব দয়া মায়া। 


5. ★Nux Vomica – মদ্যপান, অনিয়মিত খাওয়া, হজমে সমস্যা।রাত জাগা, মানসিক পরিশ্রম করা। সেডেন্টারি লাইফ লিড করা। প্রচন্ড বদ রাগী গালিগালাজ করে। 

6. ★Cholesterinum

-রোগীর লিভার অত্যন্ত বড়। লিভারে রক্ত সঞ্চয় হয়। প্রাথমিক অবস্থায় তেমন কোন ব্যথা থাকে না। দ্বিতীয় অবস্থায় জ্বালা জনক ব্যথা হয়। 

-হাঁটার সময় ব্যাথার কারণে রোগী পেটে হাত দিয়ে চেপে ধরে।এটা লিভার ক্যান্সারেও ব্যবহার করা হয়। 


7.★Merc sol

-এটা লিভার প্রদাহের উৎকৃষ্ট ঔষধ। লিভার বড় ও শক্ত হয়ে ব্যথা হয়। 

-রোগী ডানপাশ চেপে শুতে পারেনা। 

-জিহ্বা আর্দ্র, থলথলে , দাঁতের ছাপ যুক্ত। 

-নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ, মুখে লালা জমে। প্রচুর পানির পিপাসা। 


8.★Bryonia alb

-রোগীর লিভার স্থানে সূচ ফোঁটানো ব্যথা,ফোলা,জ্বালা,টাটানি ব্যথা।

-পেট চাপলে বা নিঃশ্বাস নিলেও ব্যথার বৃদ্ধি। মুখে তিতা স্বাদ। 

-ডান স্ক্যাপুলার নিচে ব্যাথা।রোগীর মল অত্যন্ত শক্ত, পোড়া  ইটের ঝামার মত কঠিন। 

-পানির পিপাসা প্রচুর, অনেকক্ষণ পর পর ঘটি ভরে পানি পান করে। 


★ ★এছাড়া লক্ষণ ভিত্তিক যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

এই ৪টি দোয়া পড়ো! ইনশা'আল্লাহ্ তোমার চেহারার নূর ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। nur islam ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এই ৪টি দোয়া পড়ো! ইনশা'আল্লাহ্ তোমার চেহারার নূর ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।

নূর (আধ্যাত্মিক আলো) ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কিছু দো'আ:🤲


(1)নূরের দো'আ

নিয়মিত পড়বে, বিশেষ করে নামাজের পরঃ

আরবি:

اللهم اجعل في قلبي نورا، وفي لساني نورا، وفي بصري نورا، وفي سمعي نورا، ومن فوقي نورا، ومن تحتي نورا، وعن يميني نورا، وعن شمالي نورا ومن أمامي نورا، ومن خلفي نورا، واجعل لي نورا


উচ্চারণ (বাংলায়):

আল্লাহুম্মাজ'আল ফি ক্বালবি নূরান, ওয়া ফি লিসানি নূরান, ওয়া ফি বসরি নূরান, ওয়া ফি সাম'ই নূরান, ওয়া মিন ফাওক্কি নূরান, ওয়া মিন তাহতি নূরান, ওয়া 'আন ইয়ামিনী নূরান, ওয়া 'আন শিমালী নূরান, ওয়া মিন আমামী নূরান, ওয়া মিন খালফী নূরান, ওয়াজ'আল লি নূরান।


অর্থ:

"হে আল্লাহ! আমার হৃদয়ে আলো দাও, আমার জিহ্বায় আলো দাও, আমার চোখে আলো দাও, আমার কানে আলো দাও, আমার ওপর আলো দাও, আমার নিচে আলো দাও, আমার ডানে আলো দাও, আমার বামে আলো দাও, আমার সামনে আলো দাও, আমার পেছনে আলো দাও এবং আমার জন্য আলো দাও।" (সহিহ মুসলিম: 763)📚


(2) ভেতর ও বাহিরের সৌন্দর্যের দো'আ

আরবি:

اللهم كما حسنت خلقي فحسن خلقي

উচ্চারণ (বাংলায়):

আল্লাহুম্মা কামা হাস্সানতা খালক্বী ফাহাস্সিন খুলুক্বী।


অর্থ:

"হে আল্লাহ! যেমন তুমি আমার রূপ সুন্দর করেছো, তেমনি আমার চরিত্রও সুন্দর করে দাও।"

(সুনান আবু দাউদ: 4022)📚


সৌন্দর্য ও আকর্ষণের জন্য কুরআনের আয়াত

সূরা ইউসুফ (১২:৪):


إذ قَالَ يُوسُفُ لِأَبِيهِ يَأْبَتِ إِنِّي رَأَيْتُ أَحَدَ عَشَرَ كَوْكَبًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ رَأَيْتُهُمْ لِي سَجِدِينَ


সূরা ইউসুফ নিয়মিত পড়া, বিশেষ করে ৪ নম্বর আয়াত, সৌন্দর্য ও আকর্ষণ বৃদ্ধি করে।


(4) দীপ্তি ও উজ্জ্বলতার সাধারণ দো'আ


আরবি:

اللهم نور وجهي بنورك يوم تبيض وجوه وتسود وجوه


উচ্চারণ (বাংলায়):

আল্লাহুম্মা নাওয়ির ওয়াজহী বিনূরিক ইয়াওমা তাবইয়াদ্দু উজুহু ওয়া তাসওয়াদ্দু উজুহ।


অর্থ:

"হে আল্লাহ! সেই দিনে আমার মুখ তোমার আলো দিয়ে উজ্জ্বল করে দাও, যেদিন কিছু মুখ উজ্জ্বল হবে আর কিছু মুখ কালো হয়ে যাবে।"


🌺নূর ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির অতিরিক্ত আমল:

তাহাজ্জুদ: রাতের শেষ ভাগে নামাজ পড়লে মুখে নূর আসে।

দরূদ শরীফ: রাসূল এর উপর দরূদ পাঠ করলে ভেতর-বাহিরে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

ওযু: সর্বদা ওযুর অবস্থায় থাকলে মুখে নূর আসে।


আল্লাহ তোমাকে দুনিয়া ও আখেরাতে নূর ও সৌন্দর্য দান করুন!

কমেন্টে "আমীন" লিখো


ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!


#islamicpost #islamic #dua #viral

বিজ্ঞানের মজার মজার অবাক করা তথ্যকোষ,,,, নুসরাত nusrat ফেইসবুক থেকে নেওয়া 😳

 #বিজ্ঞানের মজার মজার অবাক করা তথ্যকোষ,,,,😳


🔘দুনিয়ার সব পিপড়ার 🐜মোট ওজন, সব মানুষের মোট ওজনের চেয়ে বেশী।😂😱😱


🔘পেঙ্গুইন একটি পাথর উপহার দিয়ে প্রেমের প্রস্তাব দেয়😊। এরা সাধারনত এক সঙ্গীতেই জীবন কাটিয়ে দেয়।😱😱


🔘কোনদিন দাড়ি না কাটলে বা না  ছাটলে সেটা বুড়ো বয়সে ৩ ফুট লম্বা হয়।😜


🔘চেঙ্গিস খানের বংশবিস্তার এমন বিশাল ছিল যে গড় হিসাবে আমাদের প্রতি ২০০ জনের মধ্যে একজন তার আত্মীয়।😂😂😂


🔘কম্পিউটার প্রিন্টার এর কালির দাম পেট্রোল এর প্রায় এক হাজার গুন বেশী।😱


🔘মশার দাত আছে। যদিও মশা কামড়ায় না। হুল ফোটায়।


🔘স্ট্রবেরী (Strawberry) ফল যার বীজ ফলের বাইরে থাকে ।😱


 🔘ফুটবল খেলোয়াড় একটি ম্যাচে গড়ে ১২ কি মি দৌড়ায়।😂😱


🔘মাথা না ঘুরিয়েই পেছনে দেখতে পায় – খরগোশ ও টিয়া পাখি।😱😱


🔘মুল টাইটানিক জাহাজটি বানাতে খরচ হয়েছিল ৭০ লক্ষ ডলার😊। ওদিকে টাইটানিক সিনেমা বানাতে খরচ হয়েছে ২০ কোটি ডলার।😜😱


🔘রেগে গেলে জলহস্তির ঘামের রঙ লাল হয়ে যায়।😱


🔘পেয়াজ ছোলার সময় চুইং গাম চিবালে চোখ জ্বলবে না।😉 (try it)


🔘তাইওয়ানের একটি কোম্পানী গম দিয়ে খাবার থালা (প্লেট) বানায়। অর্থাৎ আপনি খাবার খাওয়ার পরে প্লেটও খেয়ে ফেলতে পারবেন।😜😂


🔘জিরাফ পানি ছাড়া উটের চেয়ে বেশীদিন চলতে পারে।


🔘বাইরের ধুলা বালি ঘরে না আসলে, আপনার ঘরের বেশীর ভাগ ধুলা বা ময়লা আসে আপনার মৃত চামড়া (কোষ) থেকে।😱


🔘বিশ্বের সবচেয়ে বেশী বিমান আছে যে বাহিনীর কাছে তা হল আমেরিকার বিমান বাহিনী। এর পরের অবস্থানে রয়েছে আমেরিকার নৌ-বাহিনী। হ্যা, নৌ- বাহিনী।


🔘স্টারফিশ এক মাত্র প্রানী যে তার পাকস্থলী উলটে দিতে পারে।😱😱


🔘ইসরাইলের ডাকটিকিটের পেছনে যে আঠা থাকে সেটা “কশার” সার্টিফিকেট প্রাপ্ত। কশার = ইহুদী ধর্মের হালাল😱


🔘আমেরিকার ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরী ভবনটি প্রতি বছর এক ইঞ্চি করে মাটিতে দেবে যাচ্ছে। এর কারন হল লক্ষ বইয়ের ওজন। ইঞ্জিনিয়ারেরা ভবনটি বানানোর সময় বইয়ের ওজনের কথা চিন্তা করেনি।😱😱


🔘মৃত্যদন্ড কার্যকর করার ইলেকট্রিক চেয়ার আবিস্কার করেছিলেন একজন ডেন্টিস্ট মানে দাঁতের ডাক্তার😱


🔘একজন ৭৫ বছর বয়সের মানুষ স্বাভাবিকভাবে মোট ২৩ বছর ঘুমিয়েছে ।😱


🔘তিমি মাছের জিহ্বার ওজন একটি হাতির চেয়ে বেশী।😂😱


🔘যেটাকে ইংরেজিতে “ফ্রেঞ্চ কিস” বলে - সেই একই জিনিস ফ্রান্সে “ইংলিশ কিস” নামে পরিচিত। কেউই নিজের ঘাড়ে দোষ নিবে না।😜😭


🔘প্রতি তিন সেকেন্ডে বিশ্ব ৯ টি শিশু জন্মায়। ওদিকে প্রতি তিন সেকেন্ডে মারা যায় ৪ জন। অর্থাৎ, প্রতি তিন সেকেন্ডে বিশ্বের জনসংখা বাড়ে ৫ জন। তার মানে, আপনি এই দুটি লাইন পড়ার ভেতরেই বিশ্বের জনসংখা ৫-৭ জন বেড়ে গেছে।😂😱😱


🔘পৃথিবী যদিও নিজ অক্ষে ঘন্টায় ১০০০ মাইল বেগে ঘোরে, কিন্তু অবিশ্বাস্য গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে চলে, ঘন্টায় প্রায় ৬৭০০০ মাইল বেগে😱


🔘শিশু বয়সে মানুষের শরীরে ৩০০ হাড় থাকে, বড় হলে কিছু হাড় জোড়া লেগে হাড়ের সংখা হয় ২০৬।


🔘একটি সাধারন পেন্সিল দিয়ে ৫ কিলো মিটারেরও বেশী লেখা যায়।😳


🔘মানুষের শরীরের চার ভাগের এক ভাগ হাড় থাকে দুই পায়ের পাতায়।😳


🔘শব্দের চেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন প্রথম আবিস্কার – চাবুক।


🔘কোকা কোলার রঙ আসলে সবুজ। এটাকে বাড়তি রঙ মিশিয়ে কালো করা হয়।


🔘আফ্রিকার মাতামী উপজাতীর মধ্যে মানুষের মাথার খুলি দিয়ে ফুটবল খেলার প্রচলন আছে।😳


🔘মানুষের উরুর হাড় কংক্রিটের চেয়েও শক্ত।😳


🔘তেলাপোকার মাথা কেটে ফেললেও এটা কয়েকদিন বাঁচে। এর পরে না খেতে পেরে মারা যায়।😭


🔘চোখ খোলা রেখে হাঁচি দেওয়া যায় না। খবরদার, চেস্টাও করবেন না। চোখ খুলে বেরিয়ে যেতে পারে।😂


🔘১৩৮৬ সালে ফ্রান্সে , একটি শিশুকে হত্যা করার অপরাধে একটি শুকরকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল।😭


🔘প্রত্নতত্ববিদেরা ৯০০০ বছর পুরাতন চুইংগাম খুঁজে পেয়েছেন।😜


🔘বিজ্ঞানীরা অনুসরন করে দেখতে পায় যে, প্রজাপ্রতি ৫০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরে যেতে পারে।😱


🔘এক পাউন্ড মধু উৎপন্ন করার জন্য একটি মৌমাছিকে ২০ লক্ষ ফুলের🌹 কাছে যেতে হয়।😱😱


🔘প্রাচীন জাপানে একমাত্র অন্ধ ব্যক্তিরাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ম্যাসাজ করার অনুমতি পেত।


🔘আঙ্গুলের ছাপের মতন জিহ্বার ছাপও প্রত্যেকের আলাদা।


🔘আপনার পুর্বের ২৫ পুরুষ পর্যন্ত আত্মীয় হিসাব করলে আপনার মোট আত্মীয়র সংখা তিন কোটি ছাড়িয়ে যাবে।👈😂😂😂


🔘আধুনিক মহাশুন্যযানে চড়ে বিশ্বের সবচেয়ে কাছের তারাতে যেতে লাগবে ৭০ হাজার বছর।😁😱😱


🔘উল্কাপাতের ফলে সব ডাইনোসার মারা গেল😭। অথচ সেই আমলের প্রানী কুমির, কচ্ছপ বেঁচে রইল।😒


🔘মধু একমাত্র খাবার, যেটা পঁচে না।😌


🔘এস্কিমোদের (বরফের অঞ্চলের অধিবাসী) ভাষাতে “বরফ” শব্দটির শতাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে। কিন্তু ওদের ভাষাতে – “হ্যালো” বলার মতন কোন শব্দ নেই।

  


🔘আইনেস্টাইন কখনো মোজা পড়তেন না।👢


🔘মানুষ ঘুমের ভেতর সারা জীবনে একবার হলেও হেঁটে থাকে।


🔘উটপাখির চোখ তার মাথার ঘিলুর চেয়ে বড়।😱


🔘সিগারেট লাইটার আবিস্কার হয়েছে দিয়াশলাই এর আগে।


🔘বিশ্বের সবচেয়ে বড় চাকুরীদাতা হচ্ছে ভারতীয় রেলওয়ে যেখানে ১৬ লক্ষ লোক কাজ করে।😱😱


🔘জন্মানোর পরে শিশুরা রঙ দেখতে পায় না। এর পরে আস্তে আস্তে রঙ দেখা শেখে। চেনে আরো পরে।😱


🔘গ্রীক জাতীয় সঙ্গীত ১৫৮ লাইন।😂


🔘১৫ শতাব্দীর আগের, লেখাতে কোন দাড়ি, কমা ইত্যাদি থাকত না।😱


🔘বিশ্বের সবচেয়ে বড় বীজ় হচ্ছে – নারিকেল।😜


🔘আপেলের বীজে সায়নাইড (সবচেয়ে মারাত্মক বিষ) রয়েছে।😬😭


🔘সারা বিশ্ব একবার ঘুরে আসতে পারে এমন লম্বা মাকড়শার জালের ওজন হবে মাত্র এক পাউন্ড।😱😱


🔘চীন দেশের সবাই যদি একবার, একসাথে ৩/৪ ফুট উপর থেকে মাটিতে লাফ দিয়ে পড়ে তাহলে পৃথিবী তার কক্ষপথ থেকে সরে যাবে।😂😂


🔘সবচেয়ে ছোট যুদ্ধ হয় ১৮৯৬ সালে ব্রিটেন ও জাঞ্জিবার এর মধ্যে – মাত্র ৩৮ মিনিট।😱


🔘নিজেই নিজেকে সুরসুরি দেওয়া যায় না – এটা চেস্টা করতে পারেন।😜


🔘মানুষের ফুসফুস প্যাঁচানো বা কোকড়ানো। এটাকে ছড়িয়ে মাদুরের মতন বিছিয়ে দিলে এটি প্রায় একটি টেনিস কোর্টের সমান বড় হবে।😱


🔘কুকুরের শ্রবণ শক্তি অসাধারণ। আমরা যেই শব্দটা ১০ ফুট দূর থেকে শুনতে পাই সেই শব্দটা কুকুর ১০০ ফিট দূর থেকেও শোনে।😱


🔘সবচেয়ে বেশী মানুষের মৃত্যু ঘটায় যে প্রানী – মশা ।😭😭


🔘বিশ্বের সব মানুষকে যদি (অনুপাত ঠিক রেখে) ১০০ জনে নামিয়ে আনতে পারেন। তাহলে এর মধ্যে ৫৭ জন এশিয়ান, ২১ জন ইউরোপিয়ান, ১৪ জন আমেরিকান ও ৮ জন আফ্রিকান পাবেন। আর নিজের কম্পিউটার আছে এমন লোক পাবেন মাত্র ১ জন।😊


🔘হাতি পায়ের আঙ্গুলের উপরে ভর করে হাঁটে কারণ তাদের পাতার পেছনের অংশটিতে কোন হাড় নেই, শুধুই চর্বি।😱


🔘জন্মের পর থেকেই আমাদের চোখের আকার একই আছে। কিন্তু নাক ও কান বড় হচ্ছে, বেড়েই চলছে।😱


🔘শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী মাংশপেশী – জিহবা।👅


🔘সাদা ভাল্লুকের লোম সাদা নয় বরং স্বচ্ছ। আলোর প্রতিফলনের জন্য এটাকে আমরা সাদা দেখি।😱


🔘নীল তিমির রক্তের নালী এত মোটা যে এর মধ্যে দিয়ে একজন মানুষ সাঁতার কাটতে পারে।😂😂


🔘যারা বাম হাতে কাজ করে অভ্যস্ত তারা একটি বোতলের মুখ পেঁচিয়ে সহজে খুলতে পারে।😌


🔘কী-বোর্ডের উপরের লাইনেই সব অক্ষর রয়েছে, এমন সবচেয়ে বড় ইংরেজী শব্দ Typewriter।😌


🔘শিশুদের হাঁটুতে বাটি/ টুপি থাকে না। এটা গজায় ২ বছর বয়সের পরে।


🔘আধুনিক মহাশুন্যযানে চড়ে বিশ্বের সবচেয়ে কাছের তারাতে যেতে লাগবে ৭০ হাজার বছর।😱😱


🔘উটের চোখের পাতা তিনটি।✨


🔘টাকা আসলে এক ধরনের তুলা দিয়ে তৈরি,,,,কাগজ নয়।


🔘পাকস্থলীর ভেতরে, প্রতি ১৫ দিনে, নতুন আবরণ তৈরি হয়। তা না হলে পাকস্থলী নিজেই নিজেকে হজম করে ফেলত। হজম করার কিছু না পেলে পাকস্থলী নিজেকেই হজম করা শুরু করে।😂


🔘হাঁসের ডাকের প্রতিধ্বনি (echo) হয় না।😌


🔘চকলেট কুকুরের শরীরের জন্য এত ক্ষতিকর যে এটা একটি কুকুরকে মেরেও ফেলতে পারে।😭


🔘মানুষের মতন কুকুর বেড়ালও ডান-হাতি বা বাম-হাতি হয়।😊


🔘নকল চার্লী চ্যাপলিন সাজার প্রতিযোগীতায় গোপনে অংশ নিয়ে চার্লী চ্যাপলিন নিজেই ৩য় স্থান অধিকার করেন।


🔘লাইব্রেরী থেকে সবচেয়ে বেশী চুরি হওয়ার রেকর্ড করেছে যে বইটি - Guinness Book of Records।😂😂


🔘গুহা থেকে বের হবার সময় বাদুড় সব সময় বায়ে যায়। কখনো ডানে নয়।😱


🔘ব্রিটিশ পার্লামেণ্টে স্পিকার এর কথা বলার অনুমতি নেই।😂


🔘ডিনামাইট তৈরির একটি উপাদান – বাদাম। লিপস্টিক তৈরির একটি উপাদান – মাছের আঁশ।😱


🔘বাঘের শুধু লোমই নয়, চামড়াও ডোরা কাটা।😱😱


🔘গরম পানি, ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে বরফ হয়।😱


🔘উটের দুধ জমে দই হয় না।


🔘মানুষের ব্রেনের ৮০% ই পানি।😱


🔘হাতের নখ, পায়ের নখের চেয়ে ৪ গুন দ্রুত বাড়ে।😱


🔘ডলফিন একই সাথে ঘুমাতে ও সাঁতার কাটতে পারে।😱😱


🔘গ্যালিভার্স ট্রাভেল (লিলিপুটের গল্প) গল্পে, মঙ্গল গ্রহের দুটি উপগ্রহ, এর আকার, দুরত্ব ইত্যাদি বিষয়ে সঠিক বর্ননা রয়েছে। লেখক জনাথন সুইফট এই সঠিক বর্ননা করেন উপগ্রহ দুটি আবিস্কার হবার প্রায় ১০০ বছর আগে।😱😎


🔘একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের শরীরে ২ থেকে ৯ পাউন্ড পর্যন্ত ব্যাকটেরিয়া থাকে।😂😱😱


🔘দুনিয়ার সব সমুদ্রে মোট যত গ্লাস পানি আছে – তার চেয়ে বেশী সংখক পরমানু আছে এক গ্লাস পানিতে।😂😱😱


🔘মানুষ প্রাচীন কাল থেকে ঘোড়ায় চড়লেও – পা দানি আবিস্কার করতে হাজার বছরের বেশী সময় লেগেছে।😱


🔘আপনার শরীরের পুরাতন কোষ মরে যায়, নতুন কোষ জন্মায়। এভাবে প্রতি সাত বছর পরে শরীরের পুরাতন কোন কোষই আর অবশিষ্ট থাকে না। সবই নতুন কোষ। এর মানে, যুক্তিগত ভাবে, ৭ বছর আগের আপনি আর এই আপনি এক নন।😱😱


🔘গঠন প্রনালী ও কার্য প্রনালীর দিক দিয়ে বিচার করলে গাছ মানুষের ফুসুফুসের ঠিক বিপরীত ।😱


🔘ছাগলের চোখের মনি আয়তকার (চারকোনা)।😱


#𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅

শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

মূল্যবান ভেষজ পারিজাত বা মান্দার গাছের ১৪টি ঔষধি ব্যবহার

 মূল্যবান ভেষজ পারিজাত বা মান্দার গাছের ১৪টি ঔষধি ব্যবহার

==========================================

পারিজাত বা মান্দার বা মাদার হচ্ছে কাঁটাযুক্ত একটি উদ্ভিদ। এদের বসন্তে লাল ফুল ফোটে। গ্রামাঞ্চলে কৃষকগণ বেড়ার কাজে মান্দার গাছ ব্যবহার করেন। এই গাছের ভেষজ গুণ রয়েছে এবং রোগ প্রতিকারে কাজে লাগে। নিম্নে সেসব বর্ণনা করা হলো।


প্রথমে জ্ঞাতব্য বিষয় হলো এই পারিজাত বা মান্দার গাছ রক্তবহ স্রোতের বিকারজনিত রোগে উপকার দশায়। তবে রসবহ স্রোত দূষিত হলে রক্তবহ স্রোত দূষিত হবে সেটা স্বাভাবিক, কিন্তু অন্য কারণেও রক্তবহ স্রোত দূষিত হতে পারে, তবে পরে অন্যান্য স্রোতকেও দূষিত করে।


১. উদক মেহে: এই মেহরোগে প্রস্রাবের পরিমাণ বেশি হয়, তবে একটু ঘোলাটে, অনেক সময় পিচ্ছিলও হয়, কিন্তু প্রস্রাবে গন্ধ থাকে না। এদের আর একটি বাহ্য লক্ষণ হবে, তালু বা মুখ গহ্ববের উপরের অংশটা শুকনো হতে থাকে। ক্লোম অর্থাৎ পিপাসার স্থানটাও শুষ্ক হতে থাকে। এই রোগাগ্রস্ত ব্যক্তির আরও একটি বিশেষ লক্ষণ হবে শোনা বা জানা কথা হঠাৎ মনে না আসা। তাঁদের ক্ষেত্রে ২ চা চামচ এই গাছের ছালের রস ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে একবার করে খেতে হবে, যদি দেখা যায় উল্লেখযোগ্য উপকার হচ্ছে না, তখন দু'বেলা খেতে হবে।


২. শিশুদের পু'য়ে লাগা বা রিকেট: যাকে আমরা চলতি কথায় রিকেট বলি। এইসব শিশুর মুখ থাকবে টুলটুলে, কিন্তু শরীরের অন্যান্য অংশটা যেন পাকিয়ে গেছে বা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে গাছের মূলের ছালের রস ১০ থেকে ১৫ ফোঁটা একটু দধের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে দিতে হবে।


৩. ক্রিমি রোগ: এই পারিজাত বা মাদার প্রধানভাবে কাজ করে রক্তজ ক্রিমির ক্ষেত্রে। এই রক্তজ ক্রিমি বহুরোগ সৃষ্টির কারণ হয়। এ ভিন্ন পাশ্চাত্য চিকিৎসকগণের মতেও E. N.T. এলাকায় বহু রোগের সৃষ্টি হয়। এটার মধ্যে অনেকগুলি রক্তজ ক্রিমির উপদ্রবে সৃষ্ট, যেক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, অথচ শিরঃপীড়ায় কাতর, সেক্ষেত্রে এই গাছের পাতার রস ৪ চা চামচ একটু গরম করে খাওয়াতে হবে, তবে বদ্ধ বৈদ্যগণ সাধারণ ক্রিমিতেও এই রস ব্যবহার করেন। এটা সুশ্রুতের উত্তরতন্ত্রের ৫৪ অধ্যায়ে বলা আছে।


৪. ধাতু দৌর্বল্যে: ধাতু দৌর্বল্যের একটা উপসর্গ আছে, যাকে বলা যায় বিশিষ্ট লক্ষণ, এদের স্বপনদোষ হলে ভোরের দিকেই হবে, আর উত্তেজনা সেটাও সেই ভোরবেলায়। এক্ষেত্রে এর পাতার রস ৩ থেকে ৪ চা চামচ একটু গরম করে, সকালবেলা একটু দুধে মিশিয়ে, তার সঙ্গে দুই বা এক দানা কপূর দিয়ে খেতে হবে। কপূর বেশি দিলে কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য আসবে, তাই সামান্যই দিতে হয়, এর দ্বারা ঐ অসুবিধাটা চলে যাবে।


৫. মধ্যকোষ্ঠ রোগ: এর বর্ণনা করতে গেলে এইটাই


বলতে হবে যে, ৪ থেকে ৬টা সন্দেশ খেলেই কোষ্ঠবদ্ধতা এসে গেল, আবার একমুঠো বাদাম, কিসমিস খেলো তো বেশি খুলে গেল, এই যাঁদের পেটের অবস্থা, তাঁদেরকে প্রাচীন বৈদ্যগণ বলেছেন এরা মধ্যকোষ্ঠ রোগের রোগী। এদের ক্ষেত্রে এই গাছের পাতার রস এবেলা ২ চা চামচ এবং ওবেলা ২ চা চামচ একটু গরম করে জলসহ খেতে হবে, এর দ্বারা মধ্যকোষ্ঠর সমস্যা থাকবে না। তবে এটা যদি অর্শ রুগিদের দেখা যায় তাহলে প্রতিকার অবশ্য হবে।


৬. মূত্রকৃচ্ছতা রোগ (Strangury): এই কৃষ্ণতার কারণ থাকে অন্য; যাকে বর্তমান যুগে বলা হচ্ছে বি-কোলাই ইনফেকশন। এর সঙ্গে একটু জ্বরও থাকে; এক্ষেত্রে ঐ ক্রিমিই তো এই রোগের কারণ; যার জন্য প্রস্রাব পরীক্ষা করা হয়, তাই পারিজাত বা মান্দার পাতার রস ১ চা চামচ অল্প জল মিশিয়ে একটু গরম করে সকালের দিকে একবার ও বিকালের দিকে একবার খাওয়ালে ঐ ব্যাকটিরিয়াগুলি অর্থাৎ ক্রিমিগুলো ধবংস হয়ে রোগ নিরাময় হবে।


৭. ঋতু দর্শনে: খুবই অল্প বয়সে যাদের মাসিক হয়েছে; ভাল যে হয় তাও নয়, এদিকে শরীরে ভারবাধ হয়, মাসিকের রক্ত একটু দেখা গেল, আবার বন্ধ হয়ে গেল, কিন্তু যন্ত্রণা খুবই হচ্ছে এক্ষেত্রে এই গাছের পাতার রস ৩ থেকে ৪ চা চামচ একটু গরম করে ঐ মাসিকের সময় অর্থাৎ চলাকালে ২ থেকে ৩ দিন খেলে কোনো কষ্ট থাকবে না। তবে এক মাসে সেরে না গেলেও ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে ঐ যন্ত্রণাভোগের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়


৮. অকালে মাসিক বন্ধ হওয়ার উপদ্রব: মাসিক ঋতু বন্ধ হওয়ার সময় হয় নি, অথচ মাসে মাসে অতিরিক্ত স্রাব হচ্ছে। সকল চিকিৎসকের অনুমান এটা বন্ধ হওয়ার পূর্ব লক্ষণ, কিন্তু এই অধিক স্রাব থাকবে না যদি এই ঋতুকালে ৩ থেকে ৪ দিন এই পারিজাত পাতার রস ২ চা চামচ একটু গরম করে প্রতিদিন সকালে ও বিকালে দু'বার খাওয়াতে হবে। এইভাবে ব্যবহার করলে ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে তাঁর স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে; তবে স্বাভাবিকভাবে যখন বন্ধ হওয়ার তখন হবে।


৯. মাসিক ঋতুর স্বল্প স্রাব: ঋতু দর্শন হয়েছে বটে, কিন্তু স্রাব ভালো হয় না, তার সঙ্গে ছুঁচ বেঁধানো যন্ত্রণা, এরা কিন্তু প্রায়ই একটু কৃশ হয়; প্রতি মাসেই যন্ত্রণা নিবারক কিছু ঔষধ খেতে হয়। এক্ষেত্রে এই গাছের পাতার রস ২ চা চামচ করে ঐ তিন থেকে চার দিন খেতে হবে এর দ্বারা ঐ যন্ত্রণার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে, তবে স্রাব ভালো হওয়া না হওয়া সেটা নির্ভর করে শরীর ভালো মন্দের উপরে। এসব রুগীর প্রায়ই অর্শ থাকে দেখা যায়। তবে সেটা ভিতরের আবর্তনীতে, মলদ্বারের মুখের কাছটায় নয়।


১০. স্তনে দুধের অভাব: সবই ভরপুর, কিন্তু দুধের অভাবে সন্তান হা হা করছে এক্ষেত্রে পারিজাত বা মান্দার পাতার রস ২ চা চামচ আর ঝুনো নারকেলের দুধ ৪ থেকে ৫ চা চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে, কয়েকদিন সকালের দিকে খেলে স্তনে দুধের অভাব থাকবে না।


১১. অববাহুক রোগ (Stiffness of ankle joint): হাত ঘুরাতেও পারা যাচ্ছে না, আবার উচুতেও তোলা যাচ্ছে না, আর পিঠ চুলকোবারও উপায় নেই, এই রকম সমস্যা হলো অববাহুক রোগের লক্ষণ। এই রোগে এই গাছের মূলের ছালের রস শায়িত অবস্থায় নাকে অর্থাৎ নাসাছিদ্রে টোপ ফেলা, সেটা যাতে গলা দিয়ে নেমে যায়, সেইটা করতে হবে। এই রকম অন্তত: ৩০ থেকে ৪০ ফোঁটা প্রতিদিন নাসাপান করলে কয়েকদিনের মধ্যেই অববাহুক রোগের উপশম হবে বোঝা যাবে।


১২. নতুন জ্বরে: চোখ মুখ ঝামরে জ্বর; যাকে বলা হয়


শরীর রসস্থ হয়ে জ্বর হয়েছে, সেক্ষেত্রে এই গাছের ছালের রস এক চা চামচ একটু জল মিশিয়ে ও গরম করে সকালে ও বিকালে দুইবার একটু মধু মিশিয়ে খেতে হবে। এর দ্বারা দু'দিনের মধ্যে জ্বর ছেড়ে যাবে।


১৩. রক্ত আমাশয়: এই গাছের ছালের রস এক বা দুই চা চামচ একটু গরম করে ২ থেকে ৪ চা চামচ দুধ মিশিয়ে ২ থেকে ৩ দিন খেলে রক্তামাশয় সেরে যাবে।


১৪. বাঘি হলে: কু'চকির এদিক বা ওদিক যে দিকেই হোক, আর যে কারণেই হোক, পারিজাত বা মান্দার পাতা বেটে, অল্প গরম করে ওখানে লাগাতে হবে। দুই দিনের মধ্যে ওর টাটানি ও ব্যথাটাও চলে যাবে।


রাসায়নিক গঠন:


(a) Poisonous alkaloids.


(b) Saponin.


(c) Waxy materials.


সতর্কীকরণ: ঘরে প্রস্তুতকৃত যে কোনো ভেষজ ওষুধ নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করুন।


তথ্যসূত্রঃ


১. আয়ূর্বেদাচার্য শিবকালী ভট্টচার্য, চিরঞ্জীব বনৌষধি খন্ড ১, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ১৩৮৩, পৃষ্ঠা, ১০৪-১০৭।

সম্পত্তি বণ্টনের নিয়ম বাংলাদেশের মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) প্রযোজ্য হয়, তবে হিন্দু, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য আলাদা আইন আছে।,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সম্পত্তি বণ্টনের নিয়ম বাংলাদেশের মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) প্রযোজ্য হয়, তবে হিন্দু, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য আলাদা আইন আছে। 


মুসলিম উত্তরাধিকার (ফারায়েজ) আইনে সম্পত্তি বন্টনের ক্ষেত্রে ৩টি প্রধান শ্রেণী রয়েছে:


——-

১. অংশীদারগণ (Sharers / জবিউল ফুরুজ)এঁরা হলেন সেই সকল ওয়ারিশ যাদের জন্য পবিত্র কোরআনে সুনির্দিষ্ট অংশ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রথমে এঁদের অংশ বন্টন করা হয়। এঁদের সংখ্যা ১২ জন (৪ জন পুরুষ ও ৮ জন মহিলা)।


গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজনের অংশ:

স্বামী: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে, তবে স্বামী পাবেন ১/৪ অংশ। সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকলে পাবেন ১/২ অংশ।

স্ত্রী: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে, তবে স্ত্রী (একজন বা একাধিক) পাবেন ১/৮ অংশ। সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকলে পাবেন ১/৪ অংশ।

পিতা: পুত্র বা পুত্রের সন্তান থাকলে পাবেন ১/৬ অংশ।

কন্যা: একজন হলে ১/২ অংশ। একাধিক হলে সবাই মিলে ২/৩ অংশ। যদি পুত্র থাকে, তবে পুত্র ও কন্যার অনুপাত হবে ২:১।

মাতা: পুত্র বা পুত্রের সন্তান বা দুই বা ততোধিক ভাই-বোন থাকলে পাবেন ১/৬ অংশ। অন্যথায় পাবেন ১/৩ অংশ।


——-

২. অবশিষ্টাংশ ভোগীগণ (Residuaries / আসাবা)অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ দেওয়ার পর যদি কোনো সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকে, তবে এই শ্রেণীর ওয়ারিশগণ সেই সম্পত্তি পাবেন।


এঁরা হলেন মৃত ব্যক্তির সাথে রক্ত সম্পর্কীয় নিকটাত্মীয়।

পুত্র-কন্যা একসাথে থাকলে, কন্যাকে অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি পুত্ররা পান এবং পুত্র-কন্যার অনুপাত হয় ২:১।


——-

৩. দূর সম্পর্কের আত্মীয়গণযদি উপরের দুই শ্রেণীর কোনো ওয়ারিশ না থাকে, তবে দূর সম্পর্কের আত্মীয়রা সম্পত্তি পান।


সম্পত্তি বণ্টনের প্রক্রিয়া (সারসংক্ষেপ)সম্পত্তি বন্টন সাধারণত নিম্নোক্ত ধাপ অনুসরণ করে:

১। প্রথমেই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে পাওনা পরিশোধ করা হয়:

* মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফনের খরচ।

* ঋণ পরিশোধ।

* যদি উইল (মৃত্যুর আগে করা) থাকে, তবে তা কার্যকর করা (তবে উইলের পরিমাণ মোট সম্পত্তির ১/৩ ভাগের বেশি হতে পারবে না এবং ওয়ারিশদের অনুকূলে উইল করা যায় না)।


২। অবশিষ্ট সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বন্টন:

* প্রথমে অংশীদারদের (Sharers) নির্ধারিত অংশ প্রদান করা হয়।

* অংশীদারদের অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি (যদি থাকে) অবশিষ্টাংশ ভোগীগণের (Residuaries) মধ্যে বন্টন করা হয়।


গুরুত্বপূর্ণ সাম্প্রতিক পরিবর্তন বর্তমানে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ভাগ করার জন্য বণ্টননামা দলিল (Partition Deed) রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই পরিবর্তনটি জটিলতা ও প্রতারণা বন্ধের জন্য আনা হয়েছে।


পরামর্শ: যেহেতু উত্তরাধিকার আইন খুবই জটিল এবং প্রতিটি ব্যক্তির পারিবারিক কাঠামোর উপর নির্ভর করে, তাই আপনার নির্দিষ্ট সম্পত্তির বন্টন জানার জন্য একজন আইনজীবী বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে ভালো।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৬-১২-২০২৫ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৬-১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দীর্ঘ ১৮ বছর পর বাবা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান 

মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের  পথে তারেক রহমান 

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভোটার হতে আইনগত কোন বাধা নেই --- জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন 

 তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে --- বললেন দলের মহাসচিব 

 সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মানবিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়তে কাজ করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী --- বলেছেন দলের আমির * চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে দুটি লঞ্চের সংঘর্ষে  চারজন নিহত --- দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য অনুদান ঘোষণা সরকারের

সিরিয়ার হোমস প্রদেশে একটি মসজিদে বোমা হামলায় নিহত অন্তত ছয়জন 

এবং সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টির পর্দা উঠলো আজ --- উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে ৮ উইকেটে হারালো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

অ্যালক্সানাম (Alloxanum) – সংক্ষিপ্ত ব্যবহারবিধি..

 অ্যালক্সানাম (Alloxanum) – সংক্ষিপ্ত ব্যবহারবিধি..


🍶 (Alloxanum) একটি গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ, যা মূলত ডায়াবেটিস মেলিটাস ও এর জটিলতা—বিশেষ করে -


🚼 অতিরিক্ত তৃষ্ণা,


🚮 ঘন ঘন প্রস্রাব, 


♿️ দুর্বলতা, নিউরোপ্যাথি ও প্যানক্রিয়াসের বিভিন্ন রোগ জনিত দুর্বলতা–তে ব্যবহৃত হয়।


হোমিওপ্যাথিতে একে অনেক সময় “Diabetes-এর Homoeopathic Insulin” বলা হয়🎓💖


🆘 এটি ইউরিক অ্যাসিডের ডেরিভেটিভ


[ডেরিভেটিভ হলো এমন পদার্থ, যা অন্য একটি মূল পদার্থ থেকে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে উৎপন্ন করা হয়।Alloxan হলো একটি রাসায়নিক পদার্থ, যা Uric acid (ইউরিক অ্যাসিড) থেকে উৎপন্ন একটি derivative। এটি মূলত গবেষণাগারে প্রাণীদের মধ্যে কৃত্রিমভাবে ডায়াবেটিস সৃষ্টি করতে ব্যবহৃত হয়।]


❌ মাদার টিঙ্কচার (Q) ব্যবহার করা হয় না (বিষাক্ত হবার কারণে)💔


♨️  ব্যবহৃত শক্তি: 6C, 30C, 200C, 1M..etc


📛 মূখ্য ক্রিয়া (Sphere of Action)


🧠  Pancreas (β-cells)


🩸 Blood sugar regulation


🚽 Urinary system (Polyuria)


🔥 Nerves (Diabetic neuropathy)


➡️ ইনসুলিন নিঃসরণে উদ্দীপক ভূমিকা


➡️ প্রাকৃতিকভাবে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ


➡️ ডায়াবেটিসজনিত দুর্বলতা ও ক্লান্তি হ্রাস


✴️ প্রধান ক্লিনিক্যাল ইন্ডিকেশন


💠 Diabetes Mellitus (Type-2 প্রধানত)


💠 Excessive thirst (Polydipsia)


💠 Frequent urination (Polyuria)


💠 Increased appetite (Polyphagia)


💠 Sugar in urine


💠 Diabetic neuropathy (burning, numbness)


💠 Diabetic nephropathy 

(albumin, creatinine ⬆️)


💠 Pancreatic weakness


💠 Juvenile diabetes (supportive)


💠 ➡️ ডায়াবেটিসের 3P (Polyuria, Polydipsia, Polyphagia)-এর ক্লাসিক ঔষধ..


 🌐 বিভিন্ন শক্তি ও ব্যবহার

শক্তি

ব্যবহার

🍶6C

প্রারম্ভিক ডায়াবেটিস, প্যানক্রিয়াস দুর্বলতা, পলিউরিয়া

🍶30C

Type-2 DM, 3P symptoms, দুর্বলতা (সবচেয়ে ব্যবহৃত)

🍶200C

ক্রনিক কেস, নিউরোপ্যাথি, নেফ্রোপ্যাথি

1M

পুরনো জটিল কেস, নার্ভ ড্যামেজ, অন্ধত্বের ঝুঁকি

🔹 গুরুত্বপূর্ণ কম্বিনেশন (সংক্ষেপ)

Type-2 DM:

Syzygium jambo, Gymnema,


Neuropathy:

Acid Phos, Zincum met 


Nephropathy:

Serum anguillae,Apocynum 


Type-1 (Insulin সহ):

 Pancreatinum, Uranium nitricum 


🔇 সতর্কতা (Very Important)


⚠️ এলোপ্যাথিক ডায়াবেটিস ঔষধ/ইনসুলিন চলমান থাকলে অবশ্যই চিকিৎসককে খেয়াল রাখতে হবে

⚠️ সুগার নিয়মিত মনিটর করা জরুরি

⚠️ গর্ভাবস্থায় শুধুমাত্র অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ব্যবহারযোগ্য

⚠️ ডায়েট ও ব্যায়াম অপরিহার্য


📚 রেফারেন্স (Authentic Homoeopathic Sources)


🔰 Dr. J.H. Clarke

📘 A Dictionary of Practical Materia Medica

➡️ Vol-1, Page 154–155

(Alloxan – Diabetes, Polyuria, Pancreatic action)


🔰 William Boericke

📘 Pocket Manual of Homoeopathic Materia Medica

➡️ Page 52

(Alloxan – Diabetes, sugar in urine, excessive thirst)


 🔰Burnett, J.C.

📘 Diseases of the Liver & Pancreas

➡️ Page 217–219

(Alloxan in Diabetes & Pancreatic disorders)


 🔰H.C. Allen

📘 Keynotes & Characteristics

➡️ Page 48

(Alloxan – marked polyuria & diabetes)


🔰 Murphy, Robin

📘 Lotus Materia Medica

➡️ Vol-1, Page 108

(Alloxanum – diabetic weakness, neuropathy)


AimZ Academy-এইমস একাডেমী   #কোয়ালিটি_মানেই_এইমস #অথোরাইজড_ডিস্টিবিউটর #homoeopathy #aimz #folliculinum_30_200 Aimz Int Homoeo Hall

ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত কিছু ইংরেজি শব্দ

 Religion – (রিলিজিয়ন) – ধর্ম

Islam – (ইসলাম) – ইসলাম ধর্ম

Muslim – (মুসলিম) – মুসলমান

Allah – (আল্লাহ) – সৃষ্টিকর্তা

Qur’an – (কুরআন) – পবিত্র গ্রন্থ

Prophet – (প্রফেট) – নবী

Muhammad (PBUH) – (মুহাম্মদ) – শেষ নবী

Messenger – (মেসেঞ্জার) – রাসূল

Faith – (ফেইথ) – ঈমান

Belief – (বিলিফ) – বিশ্বাস

Shahada – (শাহাদা) – ঈমানের ঘোষণা

Salah – (সালাহ) – নামাজ

Prayer – (প্রেয়ার) – প্রার্থনা

Mosque – (মসজিদ) – মসজিদ

Imam – (ইমাম) – নামাজের নেতা

Azan – (আজান) – নামাজের ডাক

Wudu – (ওজু) – অজু

Fasting – (ফাস্টিং) – রোজা

Sawm – (সাওম) – রোজা রাখা

Ramadan – (রামাদান) – রোজার মাস

Zakat – (যাকাত) – দান

Charity – (চ্যারিটি) – দান

Hajj – (হজ) – হজ

Pilgrimage – (পিলগ্রিমেজ) – তীর্থযাত্রা

Kaaba – (কাবা) – কাবাঘর

Mecca – (মক্কা) – পবিত্র নগরী

Medina – (মদিনা) – পবিত্র শহর

Qibla – (কিবলা) – নামাজের দিক

Minbar – (মিম্বর) – খুতবার স্থান

Khutbah – (খুতবা) – জুমার ভাষণ

Hadith – (হাদিস) – নবীর বাণী

Sunnah – (সুন্নাহ) – নবীর আদর্শ

Shariah – (শরিয়াহ) – ইসলামি আইন

Fiqh – (ফিকহ) – ইসলামি বিধান

Ummah – (উম্মাহ) – মুসলিম সমাজ

Dua – (দুয়া) – প্রার্থনা

Dhikr – (জিকির) – আল্লাহ স্মরণ

Tasbih – (তাসবিহ) – জিকিরের দানা

Tawhid – (তাওহীদ) – আল্লাহর একত্ব

Akhirah – (আখিরাহ) – পরকাল

Angel – (এঞ্জেল) – ফেরেশতা

Devil – (ডেভিল) – শয়তান

Sin – (সিন) – গুনাহ

Reward – (রিওয়ার্ড) – সওয়াব

Punishment – (পানিশমেন্ট) – শাস্তি

Heaven – (হেভেন) – জান্নাত

Hell – (হেল) – জাহান্নাম

Judgement Day – (জাজমেন্ট ডে) – কেয়ামত

Life – (লাইফ) – জীবন

Death – (ডেথ) – মৃত্যু

Halal – (হালাল) – বৈধ

Haram – (হারাম) – অবৈধ

Halal Food – (হালাল ফুড) – বৈধ খাদ্য

Cleanliness – (ক্লিনলিনেস) – পবিত্রতা

Purity – (পিউরিটি) – শুদ্ধতা

Modesty – (মডেস্টি) – শালীনতা

Hijab – (হিজাব) – পর্দা

Nikah – (নিকাহ) – বিবাহ

Marriage – (ম্যারেজ) – বিয়ে

Family – (ফ্যামিলি) – পরিবার

Parents – (প্যারেন্টস) – বাবা-মা

Respect – (রেসপেক্ট) – সম্মান

Kindness – (কাইন্ডনেস) – দয়া

Patience – (পেশেন্স) – ধৈর্য

Honesty – (অনেস্টি) – সততা

Truth – (ট্রুথ) – সত্য

Justice – (জাস্টিস) – ন্যায়বিচার

Equality – (ইকুয়ালিটি) – সমতা

Knowledge – (নলেজ) – জ্ঞান

Education – (এডুকেশন) – শিক্ষা

Book – (বুক) – কিতাব

Guidance – (গাইডেন্স) – পথনির্দেশ

Mercy – (মার্সি) – দয়া

Forgiveness – (ফরগিভনেস) – ক্ষমা

Peace – (পিস) – শান্তি

Brotherhood – (ব্রাদারহুড) – ভ্রাতৃত্ব

Community – (কমিউনিটি) – সমাজ

Responsibility – (রেসপনসিবিলিটি) – দায়িত্ব

Obedience – (ওবিডিয়েন্স) – আনুগত্য

Worship – (ওয়ারশিপ) – ইবাদত

Creator – (ক্রিয়েটর) – স্রষ্টা

Creation – (ক্রিয়েশন) – সৃষ্টি

World – (ওয়ার্ল্ড) – দুনিয়া

Hereafter – (হিয়ারআফটার) – পরকাল

Blessing – (ব্লেসিং) – নিয়ামত

Test – (টেস্ট) – পরীক্ষা

Destiny – (ডেস্টিনি) – তাকদীর

Trust – (ট্রাস্ট) – আমানত

Gratitude – (গ্রাটিটিউড) – কৃতজ্ঞতা

Thankfulness – (থ্যাঙ্কফুলনেস) – শুকর

Lawful – (লফুল) – বৈধ

Unlawful – (আনলফুল) – অবৈধ

Guidance Book – (গাইডেন্স বুক) – পথনির্দেশের গ্রন্থ

Leader – (লিডার) – নেতা

Follower – (ফলোয়ার) – অনুসারী

Humanity – (হিউম্যানিটি) – মানবতা

Ethics – (এথিক্স) – নৈতিকতা

Moral – (মোরাল) – নৈতিক

Discipline – (ডিসিপ্লিন) – শৃঙ্খলা

Submission – (সাবমিশন) – আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ


#vocabulary #learnenglish0

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...