এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২

কোন রোগের জন্য কোন টেস্ট

কোন রোগের জন্য কি টেষ্ট করা হয়ঃ

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

🔴CBC যে যে রোগে করা হয়ঃ

"""''''''''""""""""""""""'"''"'""""'''''''''"

⏩জ্বর হলে কি কারণে হচ্ছে তার ধারণা নেয়ার জন্য।অনেক সময় blood culture করতে হয়।

⏩শরীরে রক্তের পরিমাণ কেমন আছে জানার জন্য।

⏩রক্তের ঘাটতি থাকলে সেটা আয়রণ বা ভিটামিনের অভাবে হচ্ছে কিনা জানার জন্য।

⏩শরীরে এলার্জি কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।

⏩রক্তে ইনফেকশন বা প্রদাহ কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।

⏩রক্ত জমাট বাধার উপাদান কি পরিমাণ আছে তা জানা যায়।

⏩ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে কিনা তার ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।

🔵Urine R/E প্রস্রাব টেস্ট যে যে কারনে করা হয়ঃ

""'''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""

👉ইনফেকশন আছে কিনা,থাকলে সিভিয়ারিটি কতটুকু

👉ডায়াবেটিস আছে কিনা

👉প্রোটিন যায় কিনা

👉রক্ত যায় কিনা

👉কিডনীতে পাথর আছে কিনা

🔴RBS-Random Blood Sugar: ডায়াবেটিস আছে কিনা তার ধারণা করার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।

🔵Serum Creatinine:যেইসব রোগীর কিডনীর সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হয় এ টেস্ট তাদের করা হয়।(প্রেশার ও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বাধ্যতামূলক টেস্ট। ব্যথার ঔষধ দেয়ার আগেও এটেস্ট করা উচিত)

🔴Lipid profile: রক্তে চর্বির পরিমাণ বুঝার জন্য এটা করা হয়।হার্টের ও প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর জন্য এটা খুব জরুরি।

🔵Serum Bilirubin: জন্ডিস আছে কিনা দেখা হয়।একদম প্রাথমিক টেস্ট।জন্ডিস হয়ে গেলে আরো টেস্ট করতে হয়।

🔴SGPT/SGOT: লিভারের কন্ডিশন বুঝার জন্য এটা করা হয়।লিভার কতটুকু এনজাইম উৎপন্ন করছে তা দেখা হয়।

🔵Serum Electrolyte: রক্তে খনিজের পরিমাণ জানার জন্য এটা করা হয়।শরীর দূর্বল লাগলে,বেশীবমি, ডায়রিয়া এসব ক্ষেত্রে এ পরীক্ষা করা হয়।

🔴HBsAG: জন্ডিস এবং লিভার কন্ডিশন বুঝার জন্য এ পরিক্ষা করা হয়। 

🔵HBA1c: ডায়বেটিস বা রক্তে গ্লুকোজ নির্ণয়ের জন্য করা হয়।

🔵LFT: লিভারের সমস্যা বুঝতে এ পরিক্ষা করা হয়।

🔴BT CT: রক্তরােগের ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।

🔵Via Test: সার্ভিক্সের ইনফেকশন বা ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।

🔴TSH: Thyroid stimulating hormone এই পরিক্ষা হরমন নির্ণয়ের জন্য করা হয়।

🔵EcG: হৃদরােগের অবস্থা বুঝার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।

🔴ChestX-ray: বুকের ও হার্টের কন্ডিশন বুঝার জন্য করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

একটা ইন্টারেস্টিং গল্প

একটা ইন্টারেস্টিং গল্প বলি . . .


আমাদের শরীর যদি একটা ছোট্ট শহর হয় তবে এই শহরের প্রধান মাস্তান হচ্ছে কোলেষ্টেরল। এর সাথে কিছু সাঙ্গ পাঙ্গ আছে তবে প্রধান সহযোগী ট্রাইগ্লিসারাইড। এদের কাজ হচ্ছে রাস্তায় রাস্তায় মাস্তানি করা, মেয়েদের টিজজ করা এসব। হৃৎপিন্ড হলো এই শহরের প্রাণকেন্দ্র। শহরের সব রাস্তাগুলো এসে মিশেছে প্রাণকেন্দ্রে এসে। 

.

মাস্তানের সংখ্যা বেশী হলে কি হয় আপনারা সবাই জানেন। এরা সব রাস্তাগুলো ব্লক করে দিয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্র অচল করে দিবে। আপনিও তখন পটল তুলবেন। না তুললেও মাস্তানদের ধর্মঘটে প্রায়ই আপনার প্রিয় শহরে এমন কিছু ঘটবে যে আপনি বেঁচেও মৃতপ্রায় হয়ে থাকবেন। বিয়েতে হাতের রিং তখনও হয়ত হাতেই আছে সাাথে হার্টেও রিং পড়তে হবে!

.

আমাদের শরীর নামক শহরে কি পুলিশ নেই? যারা মাস্তানদের ক্রসফায়ার করবে,

অথবা জেলে ভরবে।

হ্যাঁ, আছে। তার নাম এইচ ডি এল।

ও পাড়ায় পাড়ায় মাস্তানী করা এসব মাস্তানদের রাস্তা থেকে তুলে এনে জেলে ভরে রাখে। জেলখানা চিনেন তো? লিভার বা কলিজা হল জেলখানা । লিভার এইগুলোকে বাইল সল্ট বানিয়ে শহরের পয়নিষ্কাশন লাইনের মাধ্যমে (পায়খানার সাথে) শহর থেকে বের করে দেয়। কি অদ্ভুত শাস্তি মাস্তানদের!

.

খুব মজা লাগছে তাই না?

এইচ ডি এল কে বন্ধু বন্ধু লাগছে তাই না? 

পুলিশের ছোট ভাই লিটল ডি এল বা সংক্ষেপে এল ডি এল আবার রাজনীতিবিদ। সে লবিং করে জেলখানা থেকে কোলেষ্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইড রুপী মাস্তানদের তুলে এনে আবার রাস্তায় বসিয়ে দেয়। তাদের মাতলামো তে পুরো শরীরে জ্যাম লেগে যায়। আর এলডিএল মুখ টিপে টিপে হাসে।

এইচ ডি এল হায় হায় করে দৌড়ে আসে। কিন্তু সে এলডিএল আর মাস্তানদের যৌথ শক্তির সাথে পেরে ওঠেনা। পুলিশের সংখ্যা যত কমে মাস্তানরা ততই উল্লসিত হয়। শহরের পরিবেশ হয়ে ওঠে অস্বাস্থ্যকর।

এমন শহর কার ভালো লাগে বলুন?

.

আপনি মাস্তানদের কমিয়ে পুলিশ বাড়াতে চান?

তবে হাঁটুন।

আপনার প্রতি কদমে এইচডিএল (পুলিশ) বাড়বে, এলডিএল (লবিং করা রাজনীতিবিদ) কমবে, মাস্তান (কোলেষ্টেরল) কমবে! আপনার শহর (শরীর) প্রানচাঞ্চল্য ফিরে পাবে।

আপনার প্রানকেন্দ্র (হার্ট) মাস্তানদের অবরোধ (হার্ট ব্লক ) থেকে বাঁচবে। 

আর শহরের প্রানকেন্দ্র (হার্ট) বাঁচা মানে আপনিও বাঁচবেন . . .


Lets_walk

@সংগৃহীত 

কামিনী রায়

আজ (২৭ সেপ্টেম্বর) প্রথিতযশা বাঙালি কবি, সমাজকর্মী এবং নারীবাদী লেখিকা কামিনী রায়'র মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা।


তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারতের প্রথম মহিলা স্নাতক ডিগ্রিধারী ব্যক্তিত্ব। কোলকাতার বেথুন কলেজ থেকে তিনি ১৮৮৬ সালে সংস্কৃত ভাষায় সম্মানসহ স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।


কামিনী রায় ১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর বরিশালের বাকেরগঞ্জের বাসণ্ডা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা চন্ডীচরণ সেন একজন ব্রাহ্মধর্মাবলম্বী, বিচারক ও ঐতিহাসিক লেখক ছিলেন। 

 

কামিনী রায় ছোটবেলা থেকেই ছিলেন মেধাবী,ভাবুক ও কল্পনাপ্রবণ। তিনি মাত্র আট বছর বয়সে কবিতা লিখতে শুরু করেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'আলো ও ছায়া' প্রকাশিত হয়। তিনি সেসময় 'জনৈক বঙ্গমহিলা' ছদ্মনামে লিখতেন। 


তাঁর লেখা কাব্যের মধ্যে 'নির্মাল্য', 'পৌরাণিকা', 'মাল্য ও নির্মল্য', 'দীপ ও ধুপ', 'জীবন পথে' ও 'শ্রাদ্ধিকী' উল্লেখযোগ্য। অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত 'মহাশ্বেতা' ও 'পুণ্ডরীক' তার দুটি প্রসিদ্ধ দীর্ঘ কবিতা। এছাড়াও ১৯০৫ সালে তিনি শিশুদের জন্য 'গুঞ্জন' নামের কবিতা সংগ্রহ ও 'বালিকা শিক্ষার আদর্শ' নামের প্রবন্ধ গ্রন্থ রচনা করেন। 


১৯২৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কামিনী রায়কে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক প্রদান করে। 


তিনি ১৯৩০ সালে বঙ্গীয় লিটারারি কনফারেন্সের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।


সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি সাংস্কৃতিক ও জনহিতকর, বিশেষত নারীকল্যাণমূলক কাজ করতেন। 


তিনি ১৯২২-২৩ সালে নারীশ্রমিক তদন্ত কমিশনের অন্যতম সদস্য, ১৯৩০ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনে সাহিত্য শাখার সভানেত্রী ও ১৯৩২-৩৩ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সহসভাপতি ছিলেন।


সাহিত্যে অসাধারণ অবদানের জন্য ১৯২৯ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'জগত্তারিণী পদক' লাভ করেন। 


১৯৩৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কামিনী রায় পরলোকগমন করেন। 

পাশাপাশি দুই মসজিদ নির্মাণ করার নিয়ম

পাশাপাশি দুই মসজিদ নির্মানের বিধানঃ


বর্তমান যুগে কোন মসজিদের মোকাবেলায় তার কাছাকাছি অন্য মসজিদ নির্মাণ করা হলে এবং এর পেছনে যদি মুসলমানদের বিভক্তিকরণ ও পূর্বতন মসজিদের মুসল্লী হ্রাস প্রভৃতি অসৎ নিয়ত থাকে, তবে এতে মসজিদ নির্মাতার সওয়াব তো হবেই না, বরং বিভেদ সৃষ্টির অপরাধে সে গুনাহগার

হবে। কিন্তু এ সত্ত্বেও শরীয়ত মতে সে জায়গাটিকে মসজিদই বলা হবে

এবং মসজিদের আদব ও হুকুমগুলো এখানেও প্রযোজ্য হবে ! একে ধ্বংস করা কিংবা আগুন লাগিয়ে ভস্ম করা জায়েয হবে না। এ ধরনের মসজিদ নির্মাণ মূলতঃ গুনাহের কাজ হলেও যারা এতে নামায আদায় করবে, তাদের নামাযকে অশুদ্ধ বলা যাবে না। এ থেকে অপর একটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে যায় যে, কেউ যদি জিদের বশে বা লোক দেখানোর উদ্দেশে সুরাআত্-তা কোন মসজিদ নির্মাণ করে, তবে যদিও মসজিদ নির্মাণের সওয়াব সে পাবে না বরং গুনাহ্গার হবে; কিন্তু একে আয়াতে উল্লেখিত ‘মসজিদে যিরার’ বলা যাবে না। অনেকে এ ধরনের মসজিদকে ‘মসজিদে যিরার নামে অভিহিত করে থাকে। কিন্তু তা ঠিক নয়। তবে একে ‘মসজিদে যিরার এর মত’ বলা যায়। তাই এর নির্মাতাকে এ প্রচেষ্টা থেকে নিবৃত রাখা যেতে পারে। যেমন, হযরত ওমর ফারূক (রাঃ) এক আদেশ জারী করেছিলেন যে, এক মসজিদের পার্শ্বে অন্য মসজিদ নির্মাণ করবে না,যাতে পূর্বতন মসজিদের জামাআত ও সৌন্দর্য হ্রাস পায়। –(কাশাফ)

[তাফসীরে মাআরেফুল ক্বোরআন- পৃ: ৫৯২-৫৯৩, সূরা তাওবা এর ১০৮ নং আয়াতের তাফসীর]


এক মসজিদ থেকে অন্য মসজিদের দূরত্ব : 

যদি কোনো মসজিদে মুসল্লিদের স্থান সংকুলান না হয়, তাহলে আরেকটি মসজিদ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে সতর্কতা হলো, এতটুকু দূরত্বে মসজিদ নির্মাণ করবে, যাতে এক ইমামের কিরাতের সঙ্গে অন্য মসজিদের ইমামের কিরাত সাংঘর্ষিক না হয়। তবে উভয় মসজিদের মাঝখানে যদি কেবল একটি দেয়াল থাকে, তবু উভয় স্থানে পৃথক জামাত আদায় করা বৈধ। (ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া : ১৪/৪১০)


মসজিদে জেরার বা জেদবশত মসজিদ নির্মাণ : 

মসজিদে জেরারের সংজ্ঞা হলো, যে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে লোক দেখানোর জন্য, লৌকিকতা প্রদর্শনের জন্য বা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কিংবা অপবিত্র ও অবৈধ অর্থে যেটি নির্মাণ করা হয়েছে, শরিয়ত মতে তা মসজিদে জেরারের অন্তর্ভুক্ত (মাদারেকুত তানজিল : ২/১১১)। তবে হ্যাঁ, স্বাভাবিক নিয়ম মেনে, ওয়াক্ফ করে এক মসজিদের পাশে অন্য মসজিদ নির্মাণ করা হলে অনুচিত হলেও সেখানে নামাজ আদায় বৈধ। (তানবিরুল আবসার : ৪/৩৫১-৩৫২) 

অনুগল্প অতীত

আমার যখন বিয়ে হয় তখন আমি কেবল দশম শ্রেনির ছাত্রী। আমার বাবা ছিলো না, এমন না যে সে অন্যত্র ছিলেন বা বিয়ে করছেন। যখন আমি দ্বিতীয় শ্রেনিতে পড়ি তখন সে স্টোক করে মারা যান। আমরা ছিলাম চার বোন। আমার বড় তিন জন। আমার মা বড় তিন জনকে বিয়ে দিয়ে মা*রা গেলেও আমার কোনো ব্যাবস্থাই তিনি করে যেতে পারেন নি। বাবার মৃত্যুর পড়ে বোনেরা যতটুকু আদর ভালোবাসা দিতো, মা মারা যাওয়ার পর তা যেনো কর্পুরের মতো উবে যায়। তখন শুরু হয়েচিলো আমার জিবনের চরম খেলা। মাসের দশ দিন এক বোনের বাড়ি তো বাকি দশ দিন আরেক জনের বাড়ি। না তাদের বাড়িতে আমি নাইয়োর যেতাম না। তাদের ছেলে মেয়ে লালন পালনের জন্য, সংসারের ভারি কাজ গুলো করানোর জন্য তাদের বাড়িতে থাকতাম। বিনিময়ে তারা হয়তো আমার হাত খরচ টা চালাতো। এমনি একদিন বিকেলে যখন স্কুল থেকে ফিরেছি, আমার বড় বুবু রুবি আমার হাতে একটা শাড়ি দিয়ে বললো যাতো এইটা পড়ে আয়। 

বুবু আমি তো শাড়ি পড়বার পারি না। 

আইচ্ছা দারা তোরে আমি পড়াই দেই, মাজার বুবুর কথা শুনে পিছনে তাকালাম। 

আমি শাড়ি পরমু কেন বুবু। আইজকা কি বাড়িত কনো অনুষ্ঠান নাকি। তখন আমার সেজো বুবু বলে কেন রে রুমি আইজকা তোর বিয়া। 

রুবি বুবু মেজো বুবুকে তাগাদা দিয়ে বললো যা হালিমা ওরে তারাতাড়ি রেডি করা মেহমান রা সেই কহন থেইকা বইসা আছে। 

বোনেদের কথায় আমার মুখটা চুপসে গিয়েছিলো৷ বুক ভরা সব স্বপ্ন ভেঙ্গে যেনো চুরমার হয়ে যাচ্ছিলো। চাইলেও সেই দিন মুখ ফুটে বলতে পারি নি আমি বিয়ে করবো না বুবু। আমি পড়তে চাই । 

হালিমা বুবু আমাকে সুন্দর করে শাড়ি পড়িয়ে হাতে শরবতের ট্রেটা দিয়ে বলেছিলো যা হেদের আপ্যায়ন কর। যাইয়া সুন্দর কইরা ছালাম দিবি। বুল যেনো না হয়। 

বোনের কথায় সে দিন শুধু ঘাড় নারিয়ে স্বিকার করেছিলাম।

এরপর সব ঘটনা কেমন দ্রুতই ঘটে গেলো। ছেলের বোন আমার হাটা দেখলো, মাথার চুল খুলে দেখলো। আমার কোমর ছাওয়া চুল দেখে সেইদিন পাত্রের বোন আমাকে পছন্দ করেছিলো। পাত্রের কাকি যখন বলরো তা রান্না কেমন পারো, তখন আমার বোন জামাই বলেছিলো আমার শালি একদম খাসা সোনার টুকরা। সব রানবার পারে। পিঠা পায়েস, কসা মাংস সব। আমাগো বাড়ির রান্দন তো ওই করে। 

আমি তখনো পাত্রের দিকে তাকিয়ে দেখিনি। 

মাগড়িবের কিছু পড়ে আমার আর জামিলের বিয়ে পড়ানোর জন্য কাজি আসে। কাজি যখন কবুল বলতে বলে তখন আমি জিবনের হিসাব মিলাতে ব্যাস্ত। আমার জিবনটা এমন কেনো। 

বোনের নিম্ন সরের ধমকে আমার হুশ হয়। 

এই রিমি কবুল বলস না ক্যান? 

ধীরে ধীরে তিন বার কবুল বলে দেই। 

আমার জন্য যে এরা এতটুকুই করেছে নেটাই তো অনেক। 

বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে বোনেরা খুব সুন্দর করে বুজিয়ে বলে দেয় স্বামির সাথে কি করতে হবে। তার সব কথা যেনো মেনে চলি। কোনো প্রতিবাদ যেনো না করি।

কাঠের পুতুলের মতো আমি শুধু শুনেছিলাম। 

স্বামী মানে আমার কাছে তখন বিষাক্ত কিছু। কিন্তু আমার ধারনা সম্পূর্ণ ভুল প্রমানিত হয়। যখন সে রুমে ডুকেই বলে, একি তুমি এখনো এই সব ভারী কাপড় পড়ে আছো কেন। যাও চেন্জ করে আসো। 

তার দিকে পূর্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেকেছিলাম সেই প্রথম বার। 

ওভাবে তাকিয়ে আছো কেন, অনেক দেখতে পাবে আমায়। তোমার ব্যাক্তিগত সম্পত্তি আমি, কেউ কেড়ে নিবে না। এখন যাও তাড়াতিড়ি ফ্রেশ হয়ে এসো। 

সেই দিন থেকেই বদলাতে শুরু করেছিলো আমার জিবনের মরিচীকা ধরা চাঁকা।  

ধীরে ধীরে সেই শ্যামপুরুষের ভালোবাসায় আটকা পড়ি আমি। আমাদের মধ্যে বন্ধু, প্রেম, ভালোবাসা সবি তৈরি করে দিয়েছিলেন উপড়ওয়ালা। বড্ড পাগল ছিলো আমার জন্য।

বিয়ের রাতে যেখানে সব পুরুষ নিজের চাহিদা মিটাতে ব্যাস্ত থাকে সেখানে জামিল আমার রেজাল্ট শিট গুলো দেখে বলেছিলো তুমি তো অনেক মেধাবী ছাত্রী। তুমি কি আরো পড়তে চাও। 

ছোট করে হু বলতেই তিনি ব্যাস্ত হয়ে পড়েন ঢাকার উত্তরা ক্যান্টমেন্ট স্কুলে আমার এডমিশনের জন্য। সে দিন সারা রাত সে ল্যাপটপে বসে ছিলেন। যেখানে আমি পড়াশোনার সব স্বপ্ন ছেড়ে দিয়ে ছিলাম সে যেনো নতুন করে আমাকে বাচতে শিখালো। 

নতুন এক ভোর উপহাড় দিয়েচিলো সে আমায়। 

সে আমকর জন্য এতটাই পাগল ছিলো যে কখনো এক দিনের বেশি আমি আমার বাড়িতে থাকতে পারি নি। আমার সব বিষয়ে তার এতো বেশি খেয়াল ছিলো যা কখনো বলে বুঝানো যাবে না। আমার চুলে নিয়ম করে তেল দিয়ে দিতেন। রাতে বাসায় ফিরে চুল বেনুনী করে দিতেন। 

তার ছোয়ায়ই আমি গ্রাম্য রিমি থেকে তৈরি হয়েছি আজকের এই প্রতিবাদি রিমি। 

লেবার পেইন নিয়ে এই সবি ভাবছিলাম আমি। মানুষটার মুখ একদম শুকিয়ে গেছে যেনো আমার না তারি ব্যাথা করছে। আমার চাইতে বেশি ছটফট জামিল ই বেশি করছে। 

একবার আমার কাছে আসছে তো একবার নার্সের কাছে যাচ্ছে। 

নার্স যখন জানালো বেবি নরমালে হবেনা, তখন জামিলের মুখে আধার নেমে এসেছে যেনো। ডক্টরের কাছে রিকোয়েস্ট করে সেও আমার সঙ্গে অটিতে ছিলো। ওটির প্রতিটা মূহুর্ত সে ছটফট করে কাটিয়েছে। এর পর আসে সেই কাক্ষিত সময় যখন আমার মেয়ে জন্ম হয়।

আমার মেয়ে যখন চিৎকার করে কাদছিলো তখন জামিল আমাকে আর মেয়েকে জড়িয়ে ধরে বললো, তুমি আমার জীবনের শ্রেষ্ট সম্পদ উপহার । তোমাকে হারানোর ভয় আমাকে কুরে করে শেষ করে দিচ্ছিলো। 

                 

             ----------------সমাপ্ত------------------------

জমজম কূপের পানির রহস্য

জান্নাত থেকে আসছে 

জমজম কূপের পানি!

২৪ জন ডুবুরি জম জম কূপের তলদেশে গিয়ে নিয়ে এলেন অজানা তথ্য!!

আল্লাহ পাকের কুদরত দেখে অবাক বিজ্ঞানীরা !

ষাটের দশকের কথা। তখন ছিল বাদশাহ্ খালেদের

শাসনামল। ওই সময় আধুনিক যন্ত্রপাতির দিয়ে পরিষ্কার কারার ব্যবস্থা করা হয়েছিল জম জম কূপটি। 

জম জম কূপটি পরিষ্কারের কাজ তত্বাবধান করেন প্রকৌশলী "ইয়াহইয়া কোশক"

তার প্রদত্ত বিবরণ থেকে বলা যায়, বড় ধরনের কয়েকটি পাথরের তলদেশ থেকে প্রবল বেগে পানি উৎসারিত হচ্ছে। সবচাইতে বড় পাথরের উপর স্পষ্ট আরবী হরফে “বিসমিল্লাহ্” কথাটি উৎকলিত রয়েছে। 

রাসুলুল্লাহর (সাঃ) এর দাদা আবদুল মুত্তালিব-এর সময় কূপের গভীরতা ছিল মাত্র ১৪ ফুট। খলিফা মামুনুর রশীদের আমলে পুনরায় খনন করা হয় এই জম জম কূপ।

এ সময় পানির নিঃসরণ খুব বেড়ে গিয়েছিল। এমনকি কূপের বাইরে পানি উপচে পড়া শুরু করেছিল। দীর্ঘ

কয়েক শতাব্দী পর সৌদি সরকার আধুনিক মেশিনের

সাহায্যে কূপ পুনঃখনন করেন।

২৪ জন ডুবুরি কূপের তলদেশে গিয়েছিলেন তা পরীক্ষা- নিরীক্ষা করার জন্য। 

ডুবুরিরা দেখেন, সেখানে রং-বেরংয়ের মাটির স্তর জমাট বেঁধে আছে।আর অবিরাম নির্গত পানিকে পরিশোধন করছে। তারা আল্লাহর এ কুদরত দেখে বিস্মিত হয়ে যান!

বর্তমানে জম জম কূপের গভীরতা ৫১ ফুট।

এক নজরে জম জম কূপঃ

▪️আল্লাহ তাআলার অসীম কুদরতে ৪০০০ বছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল।

▪️ভারী পানি উত্তোলনের মোটরের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০

লিটার পানি উত্তোলন করার পরও পানি ঠিক সৃষ্টির

সূচনাকালের ন্যায়।

▪️পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি, জন্মায়নি কোন ছত্রাক

বা শৈবাল।

▪️সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে, মাত্র ১১ মিনিটেই

আবার পূর্ণ হয়ে যায় কূপটি।

▪️এই কূপের পানি কখনও শুকায়নি, সৃষ্টির পর থেকে একই রকম আছে এর পানি প্রবাহ, এমনকি হজ্ব মউসুমে ব্যবহার ক’য়েক গুন বেড়ে যাওয়া সত্বেও এই পানির স্তর কখনও নিচে নামে না।

▪️সৃষ্টির পর থেকে এর গুনাগুন, স্বাদ ও এর মধ্যে বিভিন্ন উপাদান একই পরিমানে আছে।

▪️এই কূপের পানির মধ্যে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সল্ট এর পরিমান অন্যান্য পানির থেকে বেশী, এজন্য এই পানি শুধু পিপাসা মেটায় তা না, এই পানি ক্ষুধাও নিবারণ করে।

▪️এই পানিতে ফ্লুরাইডের পরিমান বেশী থাকার কারণে

▪️এতে কোন জীবানু জন্মায় না ।

▪️এই পানি পান করলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।

#সুবহানআল্লাহ। 

০১ আল ফাতিহা, সূচনা (الفاتحة),

 সূরা আল ফাতিহা (الفاتحة), আয়াত: ১


সূরা আল ফাতিহা (الفاتحة), আয়াত: ১


بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

সূরা আল ফাতিহা (الفاتحة), আয়াত: ২


ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ

উচ্চারণঃ আল হামদুলিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন।

অর্থঃ যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
সূরা আল ফাতিহা (الفاتحة), আয়াত: ৩

ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ

উচ্চারণঃ আররাহমা-নির রাহীম।

অর্থঃ যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

সূরা আল ফাতিহা (الفاتحة), আয়াত: ৪

مَٰلِكِ يَوْمِ ٱلدِّينِ

উচ্চারণঃ মা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন।

অর্থঃ যিনি বিচার দিনের মালিক।
সূরা আল ফাতিহা (الفاتحة), আয়াত: ৪

مَٰلِكِ يَوْمِ ٱلدِّينِ

উচ্চারণঃ মা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন।

অর্থঃ যিনি বিচার দিনের মালিক।


সূরা আল ফাতিহা (الفاتحة), আয়াত: ৫

إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

উচ্চারণঃ ইয়্যা-কা না‘বুদুওয়া ইয়্যা-কা নাছতা‘ঈন।

অর্থঃ আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
সূরা আল ফাতিহা (الفاتحة), আয়াত: ৭

صِرَٰطَ ٱلَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ ٱلْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا ٱلضَّآلِّينَ

উচ্চারণঃ সিরা-তাল্লাযীনা আন‘আমতা ‘আলাইহিম । গাইরিল মাগদূ বি ‘আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন।

অর্থঃ সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।



বিদায় রানী এলিজাবেথ,, ভবঘুরে ফেইসবুকে

বিদায় লুটেরা রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ

=======================


১৭৫৭ সালে অপরিনামদর্শী সিরাজউদ্দৌলার পতনের আগ পর্যন্ত সুবা বাংলা ছিল গোটা দুনিয়ার মধ্যে ঐশ্বর্যশালী সুখী মানুষের একটি দেশ। তখনকার আমলের অনেক ইউরোপিয়রাই বলেছেন, বাংলার মানুষের খাবার থালায় কম করেও তিন ধরনের পদ থাকতোই। ঘি, মাখন খাওয়ার বিষয়টা তাদের জন্য ছিলো সাধারণ। তাদের গায়ে যে পোষাক ছিল তা ইউরোপিয়ানদের কাছে ভাবনারও অতীত, ঈর্ষণীয়। তখনকার আমলে বাংলার পন্য নিয়ে বাংলার বণিকরা পূর্বদেশ মানে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত পৌছে যেতো। পরবর্তীতে 

নবাবের পতনের হলে তিন দফা নতুন নবাব প্রতিস্থাপনের পর মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও ওড়িশার খাজনা উঠানোর বিষয়টি মাত্র লাখ দেড়েক রূপিতে কিনে নেন রবার্ট ক্লাইভ। এরপর রবার্ট ক্লাইভ হিসাব করে দেখান, দেড় লাখ রূপি দেবার পরও কোম্পানির প্রায় ১৬ লাখ রূপি। বাস্তবে সেটি কোটি রূপিতে ছাড়িয়ে যায়।


এরপর থেকেই ফসলে, পন্যে উদ্বৃত্ত একটি জনপদ হয়ে যায় স্রেফ শশ্মান ঘাট। সব থেকে বেশি সংকটে পড়ে ঢাকা। ব্রিটিশদের অত্যাচার আর লুন্ঠনে একটা বাণিজ্যিক শহর পরিনত হয়ে যায় গোরস্তানে। কোম্পানির হাতে রাজস্ব উত্তোলনের দায়িত্ব থাকায় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাত্রাতিরিক্ত রাজস্ব উত্তোলন শুরু হয়। 


বাংলা ১১৭৬ সাল আর ১৭৭০ ইংরেজি। সিরাজের পতনের মাত্র ১৩ বছরের মাথায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা যায়। সোনার বাংলা একটি কবরস্থানে পরিণত হয়। এই দুর্ভিক্ষে প্রায় ১ কোটি লোক মারা যায়। সেটা ছিলো এটা দুনিয়ার নিকৃষ্টতম দুর্ভিক্ষের মধ্যে অন্যতম। সে দুর্ভিক্ষের কারণ ছিলো না যে ফসল উৎপাদন কম হয়, দুর্ভিক্ষের কারণ ছিলো সে বছরের মাত্রাতিরিক্ত খাজনা আদায়। যে বছর দুর্ভিক্ষ হলো তার আগের বছর আদায়কৃত রাজস্ব ছিল দেড় কোটি রূপি। আর যে বছর দুর্ভিক্ষ হলো সে বছর আগের বছরের তুলনায় ৫ লাখ ২২ হাজার রূপি বেশি আদায় হয়েছিল।


তত্কালীন সময়ে ঢাকার মসলিনের কদর ছিল আকাশ ছোঁয়া। আর ব্রিটেন থেকে কোম্পানি কলের তৈরি কাপড় আনলেও সেটা এখানে চলত না। তারপর তারা আমাদের মসলিন উৎপাদনকারী তাঁতীতের হাতের আঙ্গুল পর্যন্ত কেটে দেয়া শুরু করে যাতে তারা মসলিন বুনতে না পারে। 


গোটা মুঘল আমলে সুবা বাংলা ১৯টি, পরে ৩৪টি ছোট ছোট নবাব ও রাজাদের অধীনে শাসন হয়েছে। সেই শাসনের বেশিরভাগ সময় মুঘল শাসনের বিষয়টি অনেক আলগা ছিল। বাংলা মুঘল শাসনের অধীনে ছিল ২৩০ বছর। এই ২৩০ বছরে বাংলায় দুর্ভিক্ষ হয়নি। ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে মীর কাশিম হেরে যাবার পর দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশার দেওয়ানী কিনে নেয় কোম্পানি। এরপর মাত্র ৬ বছরের মাথায় ১৭৭০ সালে বা বাংলা ১১৭৬ সনে দুর্ভিক্ষ হয় যাতে মারা যায় প্রায় ১ কোটি মানুষ। এই ইতিহাস নির্মম, ভয়াবহ উপনিবেশিক শোষনের ফলাফল।


কোম্পানির শাসন ও ব্রিটেনের শাসনের মধ্যে তারা কত লোককে জোরপূর্ব দাস বানিয়েছে সেই হিসাবটা নতুন করে নেয়া আমাদের খুব দরকার, আজ না পারি, একদিন আমাদের প্রজন্ম নিবে আশা করি। 


১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ সময়ের দিকে যে দুর্ভিক্ষ হয় তাতে বাংলার প্রায় ৩০ লক্ষ লোক না খেয়ে মারা যায়। এই দুর্ভিক্ষ‌ও কিন্তু ফসল উৎপাদন কম হয়েছিল সে কারণে হয়নি, বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাংলা থেকে সব খাদ্য শস্য ব্রিটেনে নিয়ে মজুদ করা হচ্ছিলো বলেই হয়েছিলো। যুদ্ধে যেখানে মাত্র ৪০ হাজার ব্রিটিশ সৈন্য লড়ছিলো সেখানে ভারতীয় সৈন্য ছিল প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার। ভারতীয়রা অকাতরে মরেছেও সে যুদ্ধের ময়দানে। 

দুর্ভিক্ষের অশনি সংকেত বেজে উঠার আগে বিষয়টি তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী চার্চিলকে জানানো হয়েছিল, তখন রাজা ছিলেন ষষ্ট জর্জ, মানে দ্বিতীয় এলিজাবেথের বাবা। চার্চিল নিকৃষ্ট উত্তর দিয়েছিল। 

একটা সোনার দেশকে মৃতপুরি বানালো যে ব্রিটেন, ব্রিটেন উপনিবেশবাদ, তারই প্রতীকী চিহ্ন বহন করতেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। 


দ্বিতীয় এলিজাবেথ মারা গেছেন। পরিণত বয়সেই মারা গেছেন। আমরা মানি, যে কোনো মৃত্যুই বেদনাদায়ক কিন্তু রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে পূর্ববঙ্গের মানুষের শোকটা ভিন্ন রকম, যা রক্তের সাথে বেঈমানি মিশ্রিত। 


ইতিহাস মরে না। বাহাদুর শাহ পার্ক নামে ঢাকায় যে পার্কটা আছে ওখানে ১৮৫৭ সালে ভারতের প্রথম স্বাধীনতাকার্মী বিপ্লবীদের লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। আর সিরাজউদ্দৌলার লাশ শহরে টেনে হিঁচড়ে নেয়া হয়েছিল। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ডকুমেন্ট নাড়াচাড়া করলে অপ্রকৃস্থ হয়ে যেতে হয়! মানুষ কি করে এতো পিচাশ প্রকৃতির হয়! তখনকার আমলে ব্রিটিশ শোষণ থেকে মুক্তি পাবার লক্ষ্যে অকাতরে জীবন দিয়েছেন তরুন যুব শ্রমিক কৃষকের দল। সেই বিপ্লবীদের বৃহত্তম অংশটি ছিলো বাংলাদেশের। আমাদের পূর্বপুরুষ তাদের জীবন বাজি রেখে, ভয়াবহ ইন্টারোগেশনের সামনে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছে। আর আমরা আজ সেই ঔপনিবেশিক শোষনের পদ চিহ্নের মৃত্যুর কথা জেনে কাঁদতে পারি নি বলে দুঃখিত! আমাদের সেই মহান লড়াকু পুর্বপুরুষদের আত্মদানের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা সম্ভব নয় তাই। 

আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের জেলগুলোতে থাকা আমাদের বিপ্লবীদের দীর্ঘশ্বাস বাংলার আকাশে বাতাসে ঘুরে বেড়ায়। যে রক্তের গন্ধ পায় প্রকৃতি কেতাদুরস্ত ফ্যাশনাবেল প্রজন্ম সে রক্ত দিয়ে পান করুক স্কচ হুইস্কি, জনি ওয়াকার রেডলেভেল! 


বলি, কোহিনূর চুরি আর হাজার বছরের মুসলিম আবাস ফিলিস্তিনের দূর্দশার নেপথ্যে কারা? কারা শত শত বছর এই পৃথিবীর মানুষের রক্ত শুষে নিতে পানপাত্র ভরেছে? 

তাই বিদায়, বিদায় রাক্ষুসী লুটেরা রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ, বিদায়....

সংগৃহীত 

কক্সবাজারের নামকরণ যেভাবে করা হয়েছে

কক্সবাজার এর নামকরণ যেভাবে হল ৷ মেহগনি গাছের শীতল ছায়াঘেরা লাল টিনের ঐতিহাসিক এই "বাংলোবাড়িটি" ইংরেজ ক্যাপ্টেন ‘হিরাম কক্স’- এর বাংলো, যার বয়স এখন ২২০ বছর।যাঁর নামে এখন এই কক্সবাজার জেলা৷ 

১৭৮৪ সালের দিকে আরাকান দখল করে নিয়েছিলেন বার্মার রাজা বোধাপায়া। রাজার আক্রমণ থেকে বাঁচতে প্রায় ১৩ হাজার আরাকানি এদিকে চলে আসে, আশ্রয় নেয় পালংকীতে। বলে রাখি, কক্সবাজারের প্রাচীন নাম কিন্তু পালংকী। সমুদ্র ও জঙ্গলঘেরা পালংকীতে আশ্রিত লোকজনকে পুনর্বাসনের জন্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ক্যাপ্টেন হিরাম কক্সকে সেখানে নিয়োগ দিয়েছিল। হিরাম কক্স পালংকী এলাকায় প্রতিষ্ঠা করেন একটি বাজার। প্রথম প্রথম এ বাজার ‘কক্স সাহেবের বাজার’ নামে পরিচিত ছিল। পর্যায়ক্রমে ‘কক্স-বাজার’ এবং ‘কক্সবাজার’ নামের উৎপত্তি ঘটে। জায়গাটি ‘প্যানোয়া’ নামেও পরিচিত। ‘প্যানোয়া’ শব্দের অর্থ ‘হলুদ ফুল’। তখন কক্সবাজার হলুদ ফুলের রাজ্য ছিল।

হিরাম কক্স তো দায়িত্ব নিয়েছিলেন শরণার্থী পুনর্বাসনের। কিন্তু তাঁকে তো রাত যাপন করতে হবে, করতে হবে দাপ্তরিক কাজ! এ জন্যই রামুতে নির্মিত হয় এই বাংলোবাড়ি।

ইংরেজ ক্যাপ্টেন কক্স সাহেবের বাংলো।

বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

এলার্জির প্রাকৃতিক সমাধান

চলুন, এলার্জি প্রতিরোধে কিছু ভেষজ ঔষধের ব্যবহার দেখে নিই- নিম পাতা নিম পাতা ত্বকের যে কোনো সমস্যা সমাধানে অনেক কার্যকর। নিম পাতা সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলে খোসপাঁচড়া চলে যায়। পোকামাকড় হুল ফোটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষতস্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হয়। ব্যবহার: নিমপাতা রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এক চা চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ নিমপাতার গুঁড়ো এবং ১ চা চামচ ইসবগুলের ভুষি ১ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ১/২ ঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাতে শোয়ার আগে খান। ইনশা’আল্লাহ এলার্জির সমস্যা দূর হয়ে যাবে। 

তুলসী পাতা কর্পূর সমৃদ্ধ তুলসী পাতা ত্বকের যেকোন ধরণের জ্বালাপোড়া ও চুলকানি কমাতে সহায়তা করে। তুলসির কাঁচা পাতার রস বা বিচির থেতলানের পর রস কিছুটা গরম করে সংক্রমিত জায়গায় লাগালে এলার্জি ভালো হয়। অথবা খানিকটা আদা ও তুলসি পাতা পানিতে ফুটিয়ে তাতে এক কাপ মধু মিশিয়ে দিনে ৪ থেকে ৫ বার খেলেও উপকার পাবেন।

 কলা অ্যালার্জির প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে কলা খেলে অ্যালার্জির বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। কলার চামড়ায় প্রচুর পরিমাণে ফ্যাটি উপাদান বিদ্যমান, যা ত্বককে ময়েশ্চারাইজড্ করে তোলে। ব্রণ দূর করার জন্যও কলার চামড়া ব্যবহার করা হয়। 

লেবু লেবুর রস মেশানো পানি এবং মধু শরীরের জন্য ভারি উপকারি ডিটক্সিফাইং পানীয়। এটি নিয়মিত পান করলে শরীরের টক্সিক পদার্থগুলো বের হয়ে আসবে এবং অ্যালার্জির সমস্যা কমে যাবে। বিশেষ করে লেবুর ভোলাটাইল তেল শরীরের যেকোন রকমের চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে। লেবু টুকরা করে কেটে নিয়ে চুলকানির স্থানে কিছুক্ষণ ঘষুন, চুলকানি কমে যাবে।

 গ্রিন টি গ্রিন টি-তে বিদ্যমান এন্টি-অক্সিডেন্ট, এন্টি-হিস্টাসিন এলার্জিক প্রতিক্রিয়া হ্রাস করতে সাহায্য করে। এটি চোখে লাল ভাব, র‌্যাশ বেরোনো ইত্যাদি প্রতিরোধ করে। কফি, কোমল পানীয় ইত্যাদির অভ্যাস পরিহার করুন। এর পরিবর্তে দৈনিক দু-তিন বার গ্রিন টি খান। 

আদা আদা গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল এবং অ্যালার্জির সমস্যা প্রতিরোধ করে। বমি ভাব, মাথা ঘোরানো, হজমের সমস্যা এমনকি ডায়রিয়া নিরাময়েও আদা খুব উপকারি। খানিকটা আদা কুঁচি কুঁচি করে কেটে গরম পানিতে ফুটিয়ে তাতে মধু মিশিয়ে নিয়মিত খান, এলার্জির বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি পাবেন।

 অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অ্যাপেল সিডার ভিনেগারে বিদ্যমান অ্যাসিটিক অ্যাসিড এলার্জেনের সংক্রমণকে প্রতিরোধ করে। ১ গ্লাস পানিতে ২ চামচ ভিনেগার মিশিয়ে নিয়মিত পান করলে এলার্জি সমস্যা দূর হয়। ব্রোমেলিন ব্রোমেলিন শরীরে প্রদাহ জনিত প্রতিক্রিয়া কমায়। নিয়মিত ব্রোমেলিনসমৃদ্ধ খাবার খান, এলার্জির সমস্যা লাঘব হবে।

 উৎস: আনারস জিংক জিংকসমৃদ্ধ খাবারে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্টস্ থাকে যা এলার্জেনের প্রতিক্রিয়া হ্রাস করতে সহায়ক। ওয়েস্টার মাশরুম জিংকের সবচেয়ে ভালো উৎস। মিষ্টি কুমড়ার বীজ, শিম বীজ, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ ইত্যাদিতেও প্রচুর পরিমাণে জিংক রয়েছে। প্রাণিজ জিঙ্কের প্রধান উৎস হল মুরগীর মাংস। এলার্জি থেকে বাঁচতে নিয়মিত জিংকসমৃদ্ধ খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলুন। ক্যারোটিনয়েড ক্যারোটিনয়েড হলো উদ্ভিদের মধ্যস্থিত রঞ্জক বা রঙিন পদার্থ। এসবের মধ্যে ক্যারোটিন, বিটা ক্যারোটিন, লুটিন, লাইকোপেন, ক্রিপটোজেন্থিন এবং জিজেন্থিন থাকে যা এলার্জিক প্রতিক্রিয়ায় ভালো কাজ করে। উৎস: সবুজ, হলুদ অর্থাৎ রঙিন শাক-সবজি (যেমন- গাজর, মিষ্টি কুমড়া, হলুদ, পালংশাক, ডাটা শাক ইত্যাদি)।


অনন্তমূল অনন্তমূল এক ধরনের লতানো উদ্ভিদ। এতে প্রচুর পরিমাণে স্টেরল, টার্পিন, লুপিয়ল, স্যাপোনিন ও ট্যানিন বিদ্যমান, যা এলার্জেন প্রতিরোধক। এছাড়া গাছের পাতায় ও শিকড়ে টাইলোফিরিন থাকে যা এলার্জিজনিত শ্বাসনালীর প্রদাহসহ অ্যাজমার প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। ব্যবহারবিধি: ১-৩ গ্রাম মূল অথবা গাছের চূর্ণ দিনে দু’বার খাবারের পর খেলে খোস পাঁচড়া , কুষ্ঠরোগ, শ্বেতি, চুলকানিসহ সব ধরনের চর্মরোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। শরীরের প্রদাহ ও ব্রণে অনন্তমূল পেস্টের মতো তৈরি করে কুমুম গরম পানি মিশিয়ে প্রলেপ দিলে দ্রুত উপশম হবে, ইনশা’আল্লাহ। অথবা ৩ গ্রাম অনন্তমূল বেটে খানিকটা সৈন্ধবলবণ মিশিয়ে শরবতের মতো প্রতিদিন দু’বার খান। একজিমা ও হাঁপানির সমস্যা থাকলে তা সেরে যাবে। ইউক্যালিপটাস তেল মাথা যন্ত্রণা, নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদির প্রতিকারে এক বাটি গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল নিয়ে তার ভাঁপ নিন। এতে নাক বন্ধ হওয়া, নাকের ভিতরে অ্যালার্জির কারণে কোনো প্রদাহ থাকলে তা থেকেও রেহাই মেলে। দুগ্ধজাত পদার্থ খাওয়ার পাতে টক দই, ছানা ইত্যাদি দুগ্ধজাত খাদ্য রাখুন। এদের প্রোবায়োটিক উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। ফলে ধুলোবালির কারণে এলার্জেনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির আশঙ্কা কমে। ঘি এক চামচ খাঁটি ঘি তুলোয় নিয়ে চুলকানির জায়গায় লাগান, আরাম পাবেন। নিয়মিত ঘি খেলেও ঠান্ডা লাগা বা এলার্জির প্রবণতা কমবে। দ্রুত ফল পেতে, ৫ থেকে ৭ ফোঁটা ঘি নারিকেল কোরায় মিশিয়ে খান। অলিভ অয়েল অলিভ অয়েলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ভিটামিন ই যা ত্বককে এলার্জেনের প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করে। ব্যবহার: খানিকটা গরম পানিতে এক কাপ এক্সট্রা ভার্জিন অয়েল, এক কাপ নারকেল তেল ও চার টেবিল চামচ মোম নিন। এরপর এতে আট ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল যোগ করুন। তৈরিকৃত মলমটি প্রতিদিন আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। অ্যালোভেরা অ্যালোভেরাতে প্রচুর পরিমাণে মশ্চারাইজিং ক্ষমতা রয়েছে। চুলকানির জায়গায় এক টুকরা অ্যালোভেরা কেটে ঘষুন, চুলকানি চলে যাবে। অ্যালার্জির কারণে মাঝে মাঝে ত্বকে লালচে দাগ দেখা যায়। এ দাগ দূর করতে গোসলের পানিতে অ্যালোভেরার রস মিশিয়ে ত্বকে লাগান। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস্ অনেক সময় পাকস্থলীতে প্রোটিনের আধিক্য হলেও অ্যালার্জির প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। তাই, এলার্জি প্রতিরোধে নিয়মিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-সমৃদ্ধ খাবার খান। উৎস: কাঁচা মরিচ, বাঁধাকপি, আলু, বাতাবি, টমেটো, পেয়ারা, কামরাঙ্গা ইত্যাদি। শসা এবং গাজরের রস তাৎক্ষণিক এলার্জির সমস্যা দূরীকরণে শসা এবং গাজরের রস দারুণ উপকারি। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-এলার্জিক উপাদান বিদ্যমান, যা দেহ কোষগুলোকে এলার্জেনের প্রতিক্রিয়া রুখতে সাহায্য করে। ক্যাস্টর অয়েল ক্যাস্টর অয়েল শুধুমাত্র আপনার চুলের সমস্যায় নয়, এলার্জির অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া প্রতিরোধেও সহায়ক। তাই নিয়ম করে প্রতিদিন সকালে এক কাপ পানিতে ৫-১০ ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে খান। আপনার শিশুকে ছোট থেকেই সব ধরনের খাবার, ফল ও সবজি খাওয়ানোর অভ্যাস করুন। এর ফলে সে খাদ্যজাত এলার্জির হাত থেকে মুক্ত থাকবে। 

ব্যবসায় সঠিকভাবে ব্যবসার লক্ষ্য নির্ধারণ করা

 ব্যবসায় সঠিকভাবে ব্যবসার লক্ষ্য নির্ধারণ করা ব্যবসা শুরু করার পর শুধু প্রতিদিন বিক্রি করলেই হবে না, ব্যবসাটি কোথায় যেতে চায় সেটাও ঠিক কর...