এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২২
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ ০৮/১০/২০২২ বাংলাদেশ বেতার
বাংলাদেশ বেতারের সকাল ৭টার সংবাদ
(০৮-১০-২০২২)
আজকের শিরোনাম -
* টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
* মধুমতী নদীর ওপর দেশের প্রথম ছয় লেনের দৃষ্টিনন্দন সেতু চালু হচ্ছে আগামী সোমবার - উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
* বিএনপি হচ্ছে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের অভিন্ন প্লাটফর্ম - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
* নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন নির্বাচন কমিশন।
* এ বছর যৌথভাবে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হলেন ইউক্রেন, রাশিয়া ও বেলারুশের মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠন।
* এবং ঢাকায় এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়া কাপ ফুটবলের বাছাই পর্বে ভুটানকে দুই-শূণ্য গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
কাজী নির্জনের ফেইসবুক থেকে নেওয়া
মাঝরাতে ছেলেটা আমাকে মেসেজ দিয়ে বললো " ২৫ ডজন চুড়ি, ০৫ টা শাড়ি, ০৫ টা থ্রি পিছ, ০৫ জোড়া জুতা আরো অনেক কিছু অর্ডার করতে চাই। আপনি কি ঠিকমতো পৌঁছে দিতে পারবেন? "
আমি অবাক হয়ে গেলাম। সবেমাত্র কিছুদিন আগে থেকে শুরু করেছি আমার অনলাইনের এই ছোট্ট বিজনেস। কিছু কিছু গ্রুপের মধ্যে টুকটাক পোস্ট করি। কিন্তু এই লোকটা যে পরিমাণ লিস্ট দিয়েছে তাতে কমপক্ষে ত্রিশ হাজার টাকার শপিং হবে।
আমি বললাম " ভাইয়া সবটাই যোগাড় করে দিতে পারবো, আপনার কবে নাগাদ লাগবে? "
" আমার হাতে বারো দিন সময় আছে, আপনি সেই বারো দিনের মধ্যে সংগ্রহ করবেন। সবকিছু হিসাব করে দামটা বলেন। আমি আপনাকে টাকা পাঠিয়ে দেবো। "
এবার আরেকটু ভাবনা বেড়ে গেল। এতগুলো টাকা তিনি অগ্রিম দিতে চাইছেন। একদিকে যেমন ভাবছি, অন্যদিকে তেমন আনন্দ হচ্ছে। চোখ ভর্তি ঘুম ছিল, সব ঘুম হারিয়ে গেছে। আবার হঠাৎ করে মনে হলো কেউ ফাজলামো করে না তো। এমনও হতে পারে যে সবকিছু বলে তারপর আর নিবে না।
বললাম " ঠিক আছে ভাইয়া, আমি আপনাকে সম্পুর্ন খরচের লিস্ট দিচ্ছি। "
" ঠিক আছে তাড়াতাড়ি করবেন, গার্লফ্রেন্ডের জন্মদিন উপলক্ষে গিফট করবো। "
আমি সবকিছুর হিসাব করলাম। কিছু কিছুর দাম জানা নেই সেগুলোও জেনে ও আনুমানিক ভাবে হিসাব দিলাম। সবমিলিয়ে মোট তেত্রিশ হাজার সাতশো সত্তুর টাকা হলো।
লোকটা আমার বিকাশ নাম্বার নিয়ে পঁচিশ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিলেন। তারপর মেসেজ দিয়ে বললেন " বাকিটা আগামীকাল দেবো, আজকে আর পাঠানো যাবে না। আপনি সবগুলো সংগ্রহ করার ব্যবস্থা করবেন। "
" ঠিক আছে ভাইয়া, কিন্তু ঠিকানা? "
" ঠিকানা দেবো, আগে সংগ্রহ করেন। তাছাড়া লিস্টে আরো কিছু এড হতে পারে। আপনি সব সংগ্রহ করে আমাকে বলবেন। আর আমি পঁচিশটা চিরকুট দেবো, আপনি সেগুলো আলাদা আলাদা কাগজে লিখবেন। "
" ঠিক আছে। "
" আরেকটা কথা, আমার পরিচিত একজনের কাছ থেকে আপনার কথা জেনেছি। তাই আপনার কাছে সব অর্ডার দিলাম। তাছাড়া আমিও খুলনার মানুষ, আপনি আমি একই শহরের মানুষ। "
" কে সে? "
" তেমন কেউ না, বাদ দেন। "
" আচ্ছা। "
লোকটা শুভরাত্রি বলে অফলাইন হয়ে গেল। আমি আমার আইডি দিয়ে তার আইডির ভিতর গেলাম। অনেকটা কৌতূহল নিয়েই গেলাম। যিনি তার প্রিয়জনের জন্মদিনে এতকিছু দিচ্ছেন তার প্রতি কৌতূহল হতেই পারে।
অনেক পোস্ট আর পিকচার আপলোড দেখলাম। একটা মেয়ের হাতে হাত রেখে, পিছন থেকে ও মেয়েটা হিজাব পরিধান করা অবস্থায় কিছু ছবি আছে। বুঝতে পারলাম এটাই সেই মেয়ে। সম্ভব বারো দিন পরে তার তার পঁচিশতম জন্মদিন।
এদিকে আমি তেইশ বছরের হয়েও আজ পর্যন্ত কোনো মনের মতো কাউকে পেলাম না। অনেক ছেলে প্রপোজ করেছে কিন্তু তাদের কারো প্রতি নিজের দিক থেকে অনুভূতি আসেনি।
পরদিন সকালে দুটো বান্ধবীকে নিয়ে মার্কেটে গেলাম। প্রায় চার ঘন্টা ঘোরাঘুরি করে ৮০℅ কেনাকাটা হয়ে গেল। কিছু কসমেটিকস বাকি আছে সেগুলো বসুন্ধরা অথবা যমুনা ফিউচার পার্কে গিয়ে নিতে হবে।
সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে আরো দশ হাজার টাকা বিকাশে এলো৷ ১২৩০ টাকা বেশি এসেছে। একটু পরে সেই লোকটা মেসেজ দিয়ে বললো,
" আপনি সবকিছু কিনে ফেলুন। পরশু আমার অফিস বন্ধ, সেদিন আমি চিরকুট লিখে দেবো। আপনি এরমধ্যে কিনে নিয়ে সবকিছু আলাদা আলাদা প্যাকেট করবেন। "
" ভাইয়া, যেগুলো প্রিন্ট ডিজাইন করার জন্য দিয়েছেন সেগুলো তিনদিন পরে পাবো! "
" সমস্যা নেই হাতে তো সময় আছে। "
" আপনি কিছু টাকা বেশি দিয়েছেন। "
" ওটা আপনার আলাদা প্যাকেট করার জন্য। "
" ওকে, তাহলে আপনি দ্রুত চিরকুটের জন্য লেখা পাঠিয়ে দেন। আমি আজকে রঙিন কাগজ নিয়ে এসেছি। "
" খুব ভালো, খুব ভালো। "
ছেলেটা অতিরিক্ত কোনো কথা বলে নাই। আমার নামটাও জিজ্ঞেস করেনি। অবশ্য সে নাকি আমার পরিচিত কাউকে চিনে, তাই হয়তো নাম জানে। আমি সবকিছু সামনে নিয়ে আমার কতো টাকা লাভ হবে সেই হিসাব করতে লাগলাম।
শুক্রবার রাতে তিনি পঁচিশটা চিরকুটে লেখার জন্য আলাদা আলাদা বাক্য লিখে দিলেন। আমি সবগুলো পড়ার পরে মুগ্ধ হয়ে রইলাম। মেয়েটাকে অনেক ভালোবাসে সেটা আবারও চোখের সামনে জীবন্ত মনে হলো।
রাত দুইটা পর্যন্ত বসে বসে সবগুলো চিরকুট লেখা শেষ করলাম। মাঝে মাঝে পাতা ছিঁড়তে হয়েছে। কাটাকাটি হয়েছে, বা দু একটা লাইন বাঁকা হয়ে গেছে এরকম কিছু দেইনি। এতো সুন্দর মানের লেখার মধ্যে কাটাকুটি আর বাঁকা লাইন মানায় না।
তিনদিনের মধ্যে তার সবকিছু আমি সংগ্রহ করে ফেললাম। প্যাকিং কমপ্লিট করে তাকে মেসেজ দিয়ে কনফার্ম জানিয়ে দিলাম। কিন্তু লোকটা অনলাইনে ছিল না।
পরদিন সারাদিন পেরিয়ে গেল তবুও তাকে অনলাইনে দেখতে পেলাম না। ভাবলাম হয়তো কাজের চাপে ব্যস্ত আছে। আমি সবকিছু রেডি করে রাখলাম যেন সে ঠিকানা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে পাঠিয়ে দিতে পারি।
আমরা চার বান্ধবী মিলে একসঙ্গে থাকতাম। তিনজন একই ডিপার্টমেন্টে পড়ি আর বাকি আরেকজন অন্য ডিপার্টমেন্টে কিন্তু একই কলেজে। পরদিন কলেজ থেকে ফেরার সময় আমার রুমমেট ইরা বললো
" কিরে নওশিন, তোর সেই কেয়ারিং বয়ফ্রেন্ডের কোনো খোঁজ পেলি? মেসেজ করেনি আর? "
" নাহ করেনি, গতকাল থেকে তার কোনো পাত্তা নেই। কি হয়েছে কে জানে? যে নাম্বার দিয়ে টাকা পাঠিয়েছে সেই নাম্বারে আজকে কল দেবো ভাবছি। "
" বিকাশ নাম্বার? "
" হ্যাঁ। "
" কিন্তু সেটা যদি কোনো দোকানের নাম্বার হয়? "
" মনে হয় তার পারসোনাল নাম্বার, কারণ প্রথম রাতে সে প্রায় রাত দুইটার দিকে টাকা পাঠিয়েছে। তখন তো শহরের মধ্যে দোকান খোলা থাকার কথা নয়! "
" হতেও তো পারে তাই না? "
" তবুও চেষ্টা তো করবো যোগাযোগ করার। সম্ভবত সাতদিন পরে তার গার্লফ্রেন্ডের জন্মদিন। প্রথম রাতে বারো দিন বলেছিল, অলরেডি পাঁচ দিন পেরিয়ে গেছে। "
বাসায় ফিরে ওই নাম্বারে কল দিলাম কিন্তু নাম্বার বন্ধ। এরপর থেকে যখনই মোবাইল হাতে নিতাম কিংবা তার কথা মনে পড়তো তখনই কল দিতাম। কিন্তু তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারলাম না। অনলাইনেও আর পেলাম না কয়েকদিন।
আরো চারদিন পরে রাতে তার আইডির পাশে সবুজ বাতি দেখতে পেলাম। আমি সঙ্গে সঙ্গে তাকে মেসেজ দিলাম কিন্তু সিন করলো না। তারপর কিছু না ভেবেই মেসেঞ্জারে কল দিলাম, এবং রিসিভ করলো।
আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে বললাম,
" আপনি কেমন আছেন? এতদিন কোথায় ছিলেন? "
লোকটার কণ্ঠ শুনে আমি অবাক হলাম। খুব সান্ত কণ্ঠে তিনি বললেন,
" আমি ভালো আছি, আপনি? "
" আলহামদুলিল্লাহ ভালো, আপনার কোনো খোঁজ নেই। আমি সবকিছু রেডি করে বসে আছি। "
" আপনার জন্মদিন কবে? "
" আরো প্রায় দু’মাস পরে, কেন? "
" সবগুলো জিনিস আপনি রেখে দিন। আসলে আমি যার জন্য অর্ডার করেছিলাম সে মা!রা গেছে। সেদিন আপনার সঙ্গে শেষ যেদিন কথা হয়েছে তার পরদিন সকালে ওর এক্সিডেন্ট হয়। তিনদিন অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করে তারপর পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে। "
তিনি কলটা কেটে দিলেন, আমি যেন বিশ্বাস করতে পারছি না। শুধু চোখের সামনে আবছায়া হয়ে ভেসে আসে একটা প্রতিচ্ছবি। জীবন ও মরনের মাঝখানে যার বসবাস।
সমাপ্ত।।।
শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০২২
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম
অডিও সিডি ও ক্যাসেটের মূল্য এখন বেশি কেন?
২০০০ সালে ১ ভরি সোনার দাম ছিল ৬৫০০ টাকা, আজ প্রায় ৭০/৭২ হাজার।
গরুর মাংস ছিল ৪০-৬০ টাকা। একটা লাক্স সাবানের দাম ছিল ১২/১৪ টাকা, টুথপেষ্ট ছিল ৩০-৪০ টাকার ভিতর। একটা সিগারেটের দাম ছিল ২/৪ টাকা। এসব জিনিসের বর্তমান দাম কি উল্লেখ করতে হবে?
ক্যাসেটের দাম ছিল ৩৫ টাকা। আপনি কি জানেন বাংলাদেশের শেষ অডিও ক্যাসেট কোনটা?
জানেন না। আমিও জানিনা। কোন কোম্পানিও জানেনা। ২০০৯ সালে চুপিসারেই হয়তো কোন একটা এলবাম কোন একটা কোম্পানি থেকে বের হয় যা আর কেউ সেইসময়ে খোঁজ রাখেনি।
কেন খোঁজ রাখেনি? শৈশব, কৈশোর ক্যাসেটের ফিতায় গান শুনে যার দিন কাটতো, তার দিন তখন কেটেছে মেমোরি কার্ডে কিংবা ভিসিডি প্লেয়ারে ৩০ টাকায় "বেস্ট অফ আসিফ" এর সারাজীবনের গান নিয়ে একটা এমপিথ্রি কিনে।
২০০৯ সালে ক্যাসেট বন্ধ হলেও ২০০২/০৩ সালের পর থেকেই কিন্তু মূলত ভালো এলবাম বের হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৬/০৭ সালের দিকে চলে আসে মেশিন দিয়ে বানানো গান। অনেক নামীদামী শিল্পীও গান থেকে সরে অন্য পেশায় যেতে বাধ্য হয়েছে। সেইসময়ে বিভিন্ন সিডি ক্যাসেট কোম্পানিতে হাজার হাজার কপি থরে থরে পড়ে ছিল।
এসব কোম্পানিগুলো ক্যাসেট কেজি দরে বিক্রি করে সিডি উঠিয়েছে। যখন এমপিথ্রি ও মেমোরি কার্ডের আগ্রাসনে সিডিও শেষ, তখন সেইসব কোম্পানিগুলিও ধীরে ধীরে ব্যবসা পরিবর্তন করেছে। অনেক বড় কোম্পানিটিও মোবাইলের যন্ত্রপাতি বিক্রি করা শুরু করে।
ক্যাসেট বন্ধ হয়ে গেলেও নতুন যে এলবামই বাজারে আসছিল, সেই এলবামই সিডি আকারেই আসছিল। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে আমি যখন "আবার" এলবাম বের করি। তখনই আমি সিলভার ডিস্ক করতে পারিনি। তার ২ মাস আগেই বাংলাদেশের সর্বশেষ মেশিনটিই নষ্ট হয়ে যায়।
এখন আমরা যে সিডি হাতে পাই তা কিন্তু ২০১০ সালের আগের। অডিও বাজারের অস্থিরতায় কোন কোম্পানি পুরাতন কোন এলবামের সিডি নতুন করে বের করেনি।
বেশিরভাগ হিট অডিও ক্যাসেট বের হয়েছে ২০০০ সালের আগে। এর পরে একাধিক হিট এলবাম বের হলেও তার যতটা না ক্যাসেট বের হয়েছে, তার চেয়ে সিডি বের হয়েছে বেশি। সিডির ক্রেতা বেশি না হলেও দরিদ্র.কম কিংবা ১০০ টাকায় মেমোরি কার্ডে গান ভরাটাই ছিল সবচেয়ে বেশি।
সেইসময়কার কিছু দোকানি ২/৪ বছর আগেও বেঁচে যাওয়া কিছু সিডি ক্যাসেট রেখে দিয়েছিল। অধিক দামের আশায় কিন্তু রাখেনি, বিক্রি হয়নি বলেই রেখেছে।
আমি আমার সংগ্রহ বাড়াতে নিজের পেশার খাতিরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় যখনই গিয়েছি, সেসব জেলার সিডি ক্যাসেটের দোকান খুঁজে বের করেছি। দোকান না পেলেও কারা ব্যবসা করতেন তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি। আমার আগ্রহ দেখে কেউ কেউ তখনই ৩৫ টাকার ক্যাসেট ১০০ টাকাতেও বিক্রি করেছে আমার কাছে। ২০১৬ সালে এলিফ্যান্ট রোডের এক দোকানির কাছ থেকে ২৬টা ক্যাসেট কিনেছিলাম ১৩ হাজার টাকা দিয়ে।
এগুলো আসলে নেশা। সামর্থ্যেরও ব্যাপার। তবে সবাই যে আমার মতো বেশি দামে কিনেছে তা নয়। কেউ সম্পূর্ণ দোকানের সব ক্যাসেট নামমাত্র মূল্যে কিনেছে। আমি গড়ে কিনিনি। সবসময় বাছাই করেই কিনেছি। আমি খুলনাতে থাকি। ঢাকার সাথে খুলনার পার্থক্য অনেক। ঢাকার সব জিনিস খুলনাতে আসেনা।
আমি ক্যাসেট থেকে গান রেকর্ড করার উদ্দেশ্যেই বেশিরভাগ ক্যাসেট কিনেছি। নিজের জন্য ১/২ কপি রেখে অতিরিক্ত কপি বিক্রি করে দেই। অনেকে ২০২২ সালে এসেও ইন্টেক ক্যাসেট ও সিডি খোঁজেন। এখনো যেসব ক্যাসেট ইন্টেক থাকে, তা মূলত একেবারে শেষদিকের অবিক্রীত ক্যাসেট। এসব ক্যাসেটের কভার, প্লাস্টিক থেকে শুরু করে রেকর্ডিং কোয়ালিটি হয় জঘন্য। একটা এলবাম যত বেশি কপি হবে, শেষ দিকে তার সাউন্ড ততই খারাপ হবে। এর কারণ, কোম্পানিগুলো ১/২ লক্ষ কপির পরে আর মাস্টার ক্যাসেট ব্যবহার করেনি ক্যাসেট রেকর্ডিং এর জন্য। তাহলে ভাবুন, প্রথমদিকের বের হওয়া ক্যাসেট নিশ্চয়ই কোন দোকানি এখনো ইন্টেক অবস্থায় রাখেনি! আমি দোকানিদের ব্যবহৃত কপি ম্যানেজ করার চেষ্টা করতাম।
ক্যাসেট সিডি কিনে আনলে তা সাথে সাথে বিক্রি হয়না। বছরের পর পর বছর এসবের পিছনে টাকা লগ্নি করে রাখতে হয়, এর জন্য ঘরে বড় একটা জায়গা নষ্ট হয়। কিছু ক্যাসেট আছে যার ২য় কপিই পাওয়া কপালের ব্যাপার।
এখন আপনি যদি সেইসব কপি এখনো ৩৫ টাকাতে কেনার আশা করেন, সেটা কতটা বাস্তবসম্মত? হ্যাঁ, আপনার সামর্থ্য নেই, তার জন্য কি করার আছে? আপনি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া জিনিস সেই আমলের দামে কিনতে চাইবেন, সেটা একপ্রকার হাস্যকর ব্যাপার।
তবে সবাই একই দামে কিনেনা এসব। আমার জানামতে ২ জন ব্যবসায়ী ৫ টাকা করেও ক্যাসেট কিনেছে কিছুদিন আগে। এটাই কপাল।
অনেকেই বলে হ্যাঁ ভাই, আমারও অনেক ছিল। মা ফেলে দিয়েছে, কোথায় রেখেছি জানিনা ইত্যাদি ইত্যাদি। আসলেই আপনার যদি কলিজার টুকরো হতো এগুলো, তাহলে কি ফেলে দিতে পারতেন? আসল কথা হলো, আপনার সাথে তখন ক্যাসেটের গ্যাপ হয়েছিল অনেক। আপনি ভেবেছিলেন সব জিনিস সিডিতেই পাবো নয়তো ইউটিউবে পাবো। এতোসহজ নয়। ইউটিউবে সব থাকেনা। ইউটিউবে যারা অডিও গান শোনে, তারা গানের সাউন্ড কোয়ালিটি নিয়ে ভাবেনা।
বাংলাদেশের ৯৫% শিল্পীর কাছে তাদের নিজেদেরই এলবামের ক্যাসেট বা সিডির কপি পাবেন না।
বাংলাদেশের কোন ক্যাসেট কোম্পানির কাছে তাদের প্রকাশিত সব এলবামের স্যাম্পল কপিও পাবেন না। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কোম্পানি আমাকে ডেকে বলেছিল "আপনার কাছে আমাদের অনেক এলবাম দেখেছি যা আমাদের কাছে নেই। যদি সেগুলো দিতেন???"
বাংলাদেশে ৯০ সালে একটা কনসার্টের টিকিটের দাম ছিল ১০০/২০০ টাকা। এখনো কিন্তু তাই। বাংলাদেশে গানের জিনিস ও গানের মানুষের দাম বাড়েনা!
বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২২
দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র
💥 দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র
ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান করার জন্য আমরা দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে থাকি। আর একটি দোকান ভাড়ার নিতে হলে আমাদের একটি চুক্তিপত্র করতে হয়। যাতে করে কোনো প্রকার সমস্যা না হয় ভবিষ্যতে।
দোকান ঘর ভাড়ার চুক্তিপত্র তৈরি করার নিয়ম ও নমুনা ফাইল দেখানো হলো:-
১ম পক্ষ (মালিক)
মোঃ ………………………………,
পিতা ……………………..,
সাকিন-……………….,
ডাকঘর-………………., থানা-……………….,
জেলা-…………….,
জাতি-……………….,
জাতীয়তা-………………….।
২য় পক্ষ (ভাড়াটিয়া) মোঃ …………………, পিতা-…………….., পেশা-……………….,
সাকিন-…………………,
ডাকঘর- …………………….,
থানা-……………,
জেলা-…………..,
জাতি-……………,
জাতীয়তা-……………..।
কষ্য দোকান ঘর ভাড়ার চুক্তিপত্র দলিল লেখার উদ্দেশ্যে বর্ণিত হইতেছে যে, ১ম পক্ষের নিজ নামে বরাদ্দকৃত
……………………..কাঁচাবাজারের…………….নং দোকান ঘরটি ২য় পক্ষ মোঃ………………….,
পিতা-…………………,
পেশা- ……….,
সাকিন-……………….,
ডাকঘর- ……………,
থানা-……………,
জেলা- …………,
জাতি- ………….,
জাতীয়তা- বাংলাদেশি ব্যবসার উদ্দেশ্যে ভাড়া লইবার ইচ্ছা প্রকাশ করিলে উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে নিম্ন লিখিত শর্ত সাপেক্ষে চুক্তি সম্পাদন করা হইল।
✅ শর্তাবলীঃ
১. দোকান ঘরের জামানত ….,০০০/- (…….. হাজার) টাকা ২য় পক্ষ ১ম পক্ষকে প্রদান করিলেন । যাহা মেয়াদান্তে সমন্বয় পূর্বক ফেরৎযোগ্য ।
২. উক্ত দোকান ঘরের ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ ……. (……) বছর । অর্থাৎ …/…./২০১৯ ইং হইতে …/…/২০… ইং তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
৩. দোকান ঘরের মাসিক ভাড়া ………/- (……….) টাকা নির্ধারণ করা হইল । প্রতি মাসের ভাড়া পরবর্তী মাসের ৫ (পাঁচ) তারিখের মধ্যে পরিশোধ করিতে হইবে ।
৪. অত্র দোকান ঘরে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিল, ব্যবসায়িক কর ও ট্রেড লাইসেন্স ২য় পক্ষ এবং জমির খাজনা ১ম পক্ষ বহন করিবেন ।
৫. ২য় পক্ষ কোনো অবস্থাতেই অন্য কাহারো নিকট ভাড়াটিয়া দোকান ঘর ভাড়া বা হস্তান্তর করিতে পারিবেন না এবং ২য় পক্ষের দ্বারা মূল দোকান ঘরের কোনো ক্ষতি সাধন হইলে তাহার ক্ষতিপূরণ ২য় পক্ষ দিতে বাধ্য থাকিবে।
৬. ভাড়াটিয়া দোকান ঘরের যাবতীয় সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজ ২য় পক্ষ তার নিজ দায়িত্বে বহন করিবে।
৭. মেয়াদ মধ্যে কোনো পক্ষ অত্র চুক্তিপত্র বাতিল করিতে চাহিলে অপরপক্ষকে কমপক্ষে ৩ (তিন) মাস পূর্বে লিখিতভাবে জানাইতে হইবে।
৮. ২য় পক্ষ ভাড়াটিয়া দোকান ঘরে কোনো অবস্থাতেই কোন প্রকার অবৈধ মালামাল সংরক্ষন অথবা ব্যবসা করিতে পারিবেন না। এরূপ করিলে ২য় পক্ষ দায়ী ও দন্ডনীয় হইবেন এবং অত্র ভাড়াটিয়া চুক্তিপত্র বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
৯. মেয়াদান্তে ২য় পক্ষ পূনরায় উক্ত দোকান ঘর ভাড়া নিতে চাহিলে উভয় পক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে তাহা নবায়নযোগ্য।
আমারা উভয় পক্ষ উপরের উল্লেখিত শর্তাবলী নিজে পড়িয়া ও ইহার মর্ম উপলব্ধিপূর্বক স্বেচ্ছায়, স্বঙ্গানে ও অন্যেও বিনা প্ররোচনায় স্বাক্ষীগণের সম্মুখে নিজ নিজ নাম সহি করিয়া চুক্তিপত্র সম্পাদন করিলাম।
১ম পক্ষের (মালিক) স্বাক্ষর ২য় পক্ষের (ভাড়াটিয়া) স্বাক্ষর
(০১)…………………… (০১)……………………
সাক্ষীগণের স্বাক্ষর
(০১)……………………
(০২)……………………
(০৩)……………………
বাংলাদেশ রেলওয়ে ফেইসবুক থেকে নেওয়া
১০৭ বছর আগের ৪শ ফুট রেলব্রিজে থেমে যায় ১৯ জোড়া ট্রেন!
পাবনা (ঈশ্বরদী): ১০৭ বছর আগের সেই ব্রিটিশ আমলের কথা। ইটের মাঝে চুন-সুড়কি, ভাতের মাড় দিয়ে গাঁথুনি, ৪শ ফুট লম্বা ১৫টি পিয়ারের গার্ডার রেলব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
বর্তমানে ওই গার্ডার রেলব্রিজে ট্রেনগুলো ওঠার আগে শূন্য কিলোমিটারে থামানো হয়। অতঃপর উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের ১৯ জোড়া ট্রেন এসে থেমে যায়।
নিরাপদেই অব্যাহত রয়েছে ট্রেন চলাচল। তবে গার্ডার ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ না হলেও পুরোনো হয়ে গেছে, সেকারণে সংস্কার করতে হবে।বন্যার পানি কমে গেলে চলমান কাজ শুরু হবে।
শত বছর অতিবাহিত হওয়ায় গার্ডার ব্রিজে গাঁথুনির চুন-সুড়কির যে গুণাগুণ ছিল তা নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে লোহার গার্ডারের নিচে ঢালাই করা বেডব্লকে ফাটল, পিয়ার নড়বরে হওয়াতে ট্রেন চললে ব্রিজটি কাঁপতে থাকে। অচিরেই সংস্কার কাজটি শুরু হওয়া দরকার বলে মনে করেন সচেতন মহল।
এদিকে ভ্রমণপ্রিয় ট্রেনযাত্রী যেন আতঙ্কিত না হয়, যার কারণে ট্রেন চালক ওপিটিতে স্বাক্ষরের পর ৮৫ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন না চালিয়ে ১০ কিলোমিটার গতিতে গার্ডার ব্রিজ অতিক্রম করে।
শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের আওতায় পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের ঈশ্বরদী-ঢাকা রেলপথের বড়ালব্রিজ-দিলপাশার স্টেশনের ২৫ নাম্বার বাউজান ব্রিজে সরেজমিন গিয়ে এ চিত্র দেখা যায়।
ঝুঁকিপূর্ণ অস্বীকার করে পাকশী প্রকৌশলী বিভাগের দাবি, ব্রিজটি পুরোনা তাই সংস্কার করা হবে, সংস্কারের আগে ব্রিজটি ডেডস্টপ ঘোষণা করা হয়েছে। টেন্ডারও হয়ে গেছে। তাই ট্রেনগুলো ধীর গতিতে পারাপার করা হয়।
শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ঈশ্বরদী-ঢাকা রুটে গার্ডার ব্রিজের ১৪টি পিয়ারের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দুটি পিয়ারের সংস্কার কাজ হয়েছে। বাকি ১২টা পিয়ারের কাজ বাদ রয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি দেড় বছরের মধ্যে সংস্কারের কাজ শেষ করার কথা। ব্রিজের দুইপাশে ট্রেন থামানোর জন্য দিন রাত্রিতে ছয়জন শ্রমিক নিয়োগ করা রয়েছে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিয়োগকৃত পোর্টারের দায়িত্বে থাকা জহুরুল ইসলাম সরকার জানান, বর্ষার আগে কাজ শুরু হয়েছিল। ওই সপ্তাহেই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। কারণ ব্রিজের নিচে বন্যার পানি জমে যায়। ট্রেন থামানোর জন্য ছয়জন রয়েছে। রাতে চারজন দিনে দুইজন দায়িত্ব পালন করছেন। ট্রেন পার করতে পাঁচ মিনিট সময় লাগে। ট্রেনের চালক ওপিটিতে স্বাক্ষর করে অর্ধেকটা নিজের কাছে রাখেন অর্ধেকটা আমাদের দিয়ে যায়।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী শিপন আলী বাংলানিউজকে জানান, ব্রিটিশ আমলে প্রকৌশলীরা ইট, বালু, সিমেন্টের বদলে চুন-ইটের সুড়কি, ভাতের মাড় দিয়ে নির্মিত করেছিল ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ রেলরুটে কয়েকটি গার্ডার ব্রিজ। একশ বছর অতিবাহিত হওয়ায় চুন-সুড়কির গুণ নষ্ট হয়ে গেছে।
এছাড়া ব্রিজে সংস্কার কাজ শুরুর কয়েকদিনের মাথায় বন্যার পানিতে ব্রিজের গোড়া তলিয়ে যাওয়াতে সংস্কার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচলকারী আন্তঃদেশীয় দুইজোড়া মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং ১৮ জোড়া আন্তঃনগর, মেইল ও লোকাল এবং ট্রেন ঝুঁকি নিয়ে ৮৫ কিলোমিটার গতিতে চলাচল না করে ১০ কিলোমিটার গতিতে অতিক্রম করছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের প্রকৌশলী-২ বীরবল মণ্ডল বাংলানিউজকে জানান, প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে টেন্ডারের মাধ্যমে ঈশ্বরদী-ঢাকা রেলপথের বড়ালব্রিজ-দিলপাশার স্টেশনের মাধামাঝি ২৪ নাম্বার বাউজান ব্রিজে দেড় বছর মেয়াদে কাজটি শুরু হয়। কাজটি শুরু হওয়ার কয়েকদিনের মাথায় বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় ব্রিজ এলাকা। এতে বন্ধ হয়ে যায় শতবর্ষের রেলওয়ের গার্ডার ব্রিজের সংস্কার কাজ।
পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে প্রকৌশলী বীরবল মণ্ডল আরও বলেন, বাউজান গার্ডার ব্রিজটিতে যেটুকু ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, সেটা সংস্কার করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পুরোনো রেলওয়ে ব্রিজ দিয়ে ২৫ টনের এক্সেল লোড নেওয়ার কার্যক্ষমতা নেই যে সব ব্রিজের। সেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ। আর শতবর্ষের যে সব পুরোনা রেল ব্রিজগুলো রয়েছে, রেল মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ধীরে ধীরে সেগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে পাকশী রেলওয়ে প্রকৌশলী বিভাগ। যে ব্রিজটি আমরা সংস্কার দরকার জরুরি মনে করছি সেগুলো কাজ আগে করছি।
তিনি আরও বলেন, মানুষ এখন ট্রেনমুখী। আর কেউ সড়কপথে দরকার ছাড়া চড়তেই চায় না। যদি ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হতো, ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটতো! এই রেলরুটে কেউ ট্রেনে যাতায়াতই করতো না। বিষয়টি এরকম। টেন্ডারের মেয়াদ এখনো রয়েছে, তবে আগামী এক মাসের মধ্যে সংস্কার কাজ শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী আসাদুল হক বাংলানিউজকে জানান, বর্তমান সরকারের দৃশ্যমান উন্নয়নে রেলওয়েতে অনেক বেশি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। পাকশী রেলওয়ে বিভাগে ব্রিটিশ আমলের পুরাতন যে ঝুঁকিপূর্ণ রেলব্রিজ রয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রেলপথ মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দিয়েছেন, নিরাপদে ট্রেন চলাচলের জন্য সব পুরোনো রেলব্রিজ সংস্কার করতে হবে। আমরা ধীরে ধীরে সব ব্রিজগুলো পরিদর্শন করে কিছু রেলব্রিজকে চিহ্নিত করেছি। ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি রেল ব্রিজের কাজ শেষ হয়েছে ইতোমধ্যে। আর চলতি বছরে কয়েকটি রেলব্রিজের সংস্কারের কাজ শুরু হবে। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ রেলব্রিজ থাকবে না বলে জানিয়েছেন ওই রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী।
জানা যায়, ঈশ্বরদীর পাকশী পদ্মা নদীর ওপরে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মিত হওয়ার পরপর ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ রেলরুটে ১৯১৫-১৬ সালে (সারাঘাট) ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করতো। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতার আসার পর ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের রেল যোগাযোগ চালু হয়। পরে ব্রডগেজ-মিটারগেজ রেললাইন নির্মিত হয়। পরে ধীরে ধীরে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে কলকাতাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এই রুট দিয়ে ২২ জোড়া ট্রেন প্রতিদিন চলাচল করে।
সূত্র - বিডিনিউজ২৪
B R T I
ফিংগার প্রিন্টের জনক ফেইসবুক থেকে নেওয়া
ফ্রিঙ্গার প্রিন্টের জনক বাংলাদেশী বিজ্ঞানী কাজি আজিজুল হক
কাজি আজিজুল হকের পারিবারিক নাম কাজি সৈয়দ আজিজুল হক। তিনি জন্মেছিলেন ১৮৭২ সালে। ব্রিটিশ ভারতের খুলনা জেলার ফুলতলার পয়োগ্রাম কসবায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজের গণিতের ছাত্র ছিলেন।
আঙুল ছাপ আবিষ্কার
সম্পাদনা
১৮৯২ সালে তিনি কাজ শুরু করেন কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংয়ে। তখন অ্যানথ্রোপমেট্রি (মানবদেহের আকৃতি) পদ্ধতিতে অপরাধীদের শনাক্ত করার কাজ চলত। গণিতের ছাত্র এবং সদ্য সাব-ইন্সপেক্টর পদে চাকরি পাওয়া আজিজুল হক অক্লান্ত চেষ্টার ফলে তিনি যে পদ্ধতি উদ্ভাবন বা আবিষ্কার করলেন, তা-ই ‘হেনরি সিস্টেম’ বা ‘হেনরি পদ্ধতি’ নামে পরিচিত হলো] কাজের পুরস্কার হিসেবে আজিজুল হককে দেওয়া হয়েছিল ‘খান বাহাদুর উপাধি’, পাঁচ হাজার টাকা এবং ছোটখাটো একটা জায়গির। চাকরিতে পদোন্নতি পেয়ে হয়েছিলেন পুলিশের এসপি।
মৃত্যু
সম্পাদনা
অবিভক্ত ভারতের চম্পারানে (বর্তমানে ভারতের বিহার রাজ্যের একটি জেলা যা উত্তর চম্পারান নামে পরিচিত) কাটে তার জীবনের শেষ দিনগুলো।[১] সেখানেই তিনি ১৯৩৫ সালে মারা যান। বিহারের মতিহারি স্টেশনের অনতিদূরে তার নিজের বাড়ি ‘আজিজ মঞ্জিল’-এর সীমানার মধ্যে তাকে সমাহিত করা হয়। ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের পর তার পরিবারের অন্য সদস্যরা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা আজকের বাংলাদেশে চলে আসেন। মরহুম আজিজুল হকের পুত্র আসিরুল হক পুলিশ বিভাগের ডিএসপি হয়েছিলেন। তার দুই বিখ্যাত নাতি ও নাতনি হচ্ছেন যথাক্রমে ইতিহাসের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ (১৯২২-২০১৪) এবং শহীদ জায়া বেগম মুশতারী শফী (১৯৩৮-২০২১)।
মৌলিক গবেষণা
সম্পাদনা
২০০১ সালে প্রকাশিত কলিন বিভান তার ফিঙ্গারপ্রিন্টস গ্রন্থে তার গবেষণার মৌলিকত্ব সম্পর্কে লিখতে গিয়ে জানাচ্ছেন, অ্যানথ্রোপমেট্রিক পদ্ধতি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আজিজুল হক ভয়ানক অসুবিধার সম্মুখীন হন। ফলে নিজেই হাতের ছাপ তথা ফিঙ্গারপ্রিন্টের শ্রেণীবিন্যাসকরণের একটা পদ্ধতি উদ্ভাবন করে সে অনুযায়ী কাজ করতে থাকেন। তিনি উদ্ভাবন করেন একটা গাণিতিক ফর্মুলা। ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙুলের ছাপের ধরনের ওপর ভিত্তি করে ৩২টি থাক বানান। সেই থাকের ৩২টি সারিতে সৃষ্টি করেন এক হাজার ২৪টি খোপ। বিভান আরও জানাচ্ছেন, ১৮৯৭ সাল নাগাদ হক তার কর্মস্থলে সাত হাজার ফিঙ্গারপ্রিন্টের বিশাল এক সংগ্রহ গড়ে তোলেন। তার সহজ-সরল এই পদ্ধতি ফিঙ্গারপ্রিন্টের সংখ্যায় তা লাখ লাখ হলেও শ্রেণীবিন্যাস করার কাজ সহজ করে দেয়।
সম্মাননা
সম্পাদনা
ব্রিটেনের ‘দ্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট সোসাইটি’ ফেন্সির উদ্যোগে চালু করেছে ‘দ্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট সোসাইটি আজিজুল হক অ্যান্ড হেমচন্দ্র বোস প্রাইজ’। যাঁরা ফরেনসিক সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সবিশেষ অবদান রাখবেন, এ পুরস্কার দেওয়া হবে তাদেরই।
উইকিপিডিয়া
বাংলাদেশ বেতার সকল সাতটার সংবাদ শিরোনাম 06/10/2022
বাংলাদেশ বেতারের সকাল ৭টার সংবাদ
(০৬-১০-২০২২)
আজকের শিরোনাম -
* বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ‘শারদীয় দুর্গাপূজা’- ধর্মকে ব্যবহার করে কেউ যাতে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে না পারে সেজন্য সকলকে সজাগ থাকার আহবান রাষ্ট্রপতির ।
* সদ্য সমাপ্ত যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে আজ গণভবনে সংবাদ সম্মেলন আহবান করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
* বিভীষিকাময় পরিস্থিতির কারণে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি জামায়াতের শাসনামল ইতিহাসের পাতায় চিহ্নিত হয়ে থাকবে - বললেন সজীব ওয়াজেদ জয়।
* গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নস্যাৎ করে যাদের রাজনীতি শুরু, তাদের মুখে অসাম্প্রাদায়িক বাংলাদেশের কথা শোভা পায় না - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।
* রাশিয়ার সঙ্গে একীভুত ইউক্রেনের ৪টি অঞ্চলের পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার অঙ্গীকার দেশটির প্রেসিডেন্টের ।
* এবং সিলেটে এশিয়া কাপ নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে আজ বাংলাদেশ- মালয়েশিয়ার এবং পাকিস্তান-থাইল্যান্ডের মোকাবেলা করবে ।
গলায় মাছের কাঁটা বিধলে করনিয়
বেশ কিছু ঘরোয়া উপায় আছে, যা মাছের কাঁটা দূর করবে সহজেই। ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে মাছের কাঁটা নামানো যায় চলুন জেনে নেয়া যাক-
>> অনেক সময় ঠাণ্ডা পানি, ভাতের দলা মুখে দিলে কাঁটা নেমে যায়।
>> লবণ কাঁটা নরম করতে সাহায্য করে। তবে শুধু লবণ না খেয়ে পানিতে মিশিয়ে তারপর খান। এই পানির ফলে সহজেই কাঁটা নেমে যাবে।
>> পানির সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে নিন। ভিনেগার গলায় বিঁধে থাকা মাছের কাঁটাকে সহজেই নরম করতে পারে। তাই পানির সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে খেলে কাঁটা সহজেই নেমে যায়।
>> গলায় কাঁটা বিঁধলে দেরি না করে অলিভ অলিভ অয়েল খেয়ে নিন। অলিভ অয়েল অন্য তেলের তুলনায় বেশি পিচ্ছিল। তাই গলা থেকে কাঁটা পিছলে নেমে যাবে সহজেই।
>> গলায় কাঁটা আটকালে হালকা গরম পানিতে একটু লেবু চিপে নিয়ে খান। লেবুর অ্যাসিডিক ক্ষমতা কাঁটাকে নরম করে দিতে পারবে। ফলে গরম পানিতে একটু লেবু দিয়ে খেলে কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে সহজেই।
সাকিব খান কে ভায়রাল না করে জসিম সাহেব কে ভায়রাল করুন
কিছুক্ষণ আগে রামপুরা রোড দিয়ে গাড়ি চালিয়ে আবুল হোটেলের সামনেই অফিসে আসছিলাম । মালিবাগের আবুল হোটেলের সিগন্যালে এসে হঠাৎ খেয়াল করলাম একজন ট্রাফিক পুলিশ ( কনস্টেবল ) হাসি মুখে আমাকে থামার জন্য হাত তুললেন যাতে অন্য দিকের গাড়ি যেতে পারে । আমি থেমে গেলাম ॥
ব্যাপারটা এখানেই শেষ নয় । তার মুখের হাসি দেখে আমি তো অবাক । দেখলাম, সব যানবাহন এমন কি রিক্সাওয়ালাকে থামানোর সময়ও তিনি হেসে হেসে সংকেত দিচ্ছেন । আমি তার হাসি দেখে বিস্মিত হলাম । তাকে ডাকলাম কাছে । আমার পরিচয় দিলাম । সে মহাখুশী । Salute দিল হাসতে হাসতে । আমিও তাকে Salute করলাম । আসলে সে Salute পাওয়ার যোগ্যই বটে । এমন একজনকে Salute দিতে আমিও রাজি ॥
আমি তাকে জিজজ্ঞাসা করলাম ,” আপনি সব সময় হাসি মুখে ডিউটি করেন ?” জসীম সাহেব উত্তরে জানালো ,” জ্বী স্যার ..। জনগনকে হাসি মুখে কথা বললে , সিগনাল দিলে তারা আমাক ভালবাসে , সম্মান করে । সরকারী কর্মচারীরা জনগনের সাথে হাসি মুখে কথা বলতে চায় না । কিন্তু সবাইকে তো একদিন চলেই যেতে হবে …।”
আজ মনে হল , জসিম সাহেবের মত লক্ষ মানুষ দরকার যারা সরকারী কর্মচারী হবে । জসিম সাহেবকে বানাতে হবে সেসব নব নিয়োগ প্রাপ্ত সরকারী কর্মচারীদের ১ দিনের প্রশিক্ষক । তিনি শিখাবেন কি করে হেসে হেসে কথা বলতে হয় জনগনের সাথে ।
ছবিটি তার অনুমতি নিয়ে তুলেছি । বলেছি Facebook দিব আজকের ঘটনা । সে সম্মতি দিয়ে আবার Salute দিল সিগন্যাল ছেড়ে ..। আসুন তাকে পরিচিত করি সবার কাছে সবাইকে তার বিষয়টি শেয়ার করে ॥
দেশের অনেক আগাছারা শিখুক তার কাছ থেকে । সাকিব খানকে ভাইরাল না করে জসিম সাহেবকে করুন ।
©️Bazlul Kabir Bhuiyan .
Join our facebook group: Deshi Biker
১২ মাসের ক্যালেন্ডার কি মানবজাতির সঙ্গে করা অন্যতম বড় স্ক্যাম?,,,,chinmoy ফেইসবুক থেকে নেওয়া
১২ মাসের ক্যালেন্ডার কি মানবজাতির সঙ্গে করা অন্যতম বড় স্ক্যাম? আমার উত্তর হলো, হ্যাঁ। দেখুন, সময়, ঘড়ি, দিন, সপ্তাহ, মাস, বছর ~এই জিনিসগুলো ...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...
-
🌿রোগী কী খেতে ভালোবাসে বা অপছন্দ করে — সেখানেও লুকিয়ে থাকতে পারে গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ক্লু! 💡 ইচ্ছা–অনিচ্ছার মাধ্যমেই মিলতে পারে সঠি...