এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০২২

একটি ভুল কথা,,,

 একটি ভুল কথা : বিয়েতে ‘কালেমা’ পড়ানো


তাবলীগের একজন সাথী আমাকে বলেছেন যে, একদিন গাশতে তিনি  এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ভাই কালেমা পড়তে জানেন? লোকটি অবাক করে দিয়ে অত্যন্ত আশ্চর্য স্বরে বলল, নাহ! আমি তো এখনও বিয়ে করিনি!!


বিয়ের আক্বদ পড়ানোকে অনেকে ‘কালেমা’ পড়ানো বলে। কিন্তু এই তাবলীগী সাথীর ঘটনা শুনে বুঝলাম, ‘কালেমা পড়ানোর আরো অর্থ আছে।


সাধারণত কালেমা বলতে ‘কালেমা তাইয়েবা’ অর্থাৎ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ বা ইসলামের বুনিয়াদী আক্বীদা সম্বলিত কয়েকটি কালেমাকেই বুঝায়। বিয়ের আক্বদের সময় এই ধরনের কোনো কালেমা পড়া বা পড়ানোর নিয়ম নেই। মাসনুন খুতবার পর স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে মেয়ে পক্ষের সম্মতিক্রমে খতীব ঈজাব বা প্রস্তাব দেন। ছেলে ‘কাবিলতু’ কিংবা কবুল করলাম শব্দ বলার সাথে আক্বদ পূর্ণ হয়ে ছেলেমেয়ে উভয়ে স্বামী-স্ত্রীতে পরিণত হয়ে যায়।


এখানে কালেমা পড়ানোর কোনো বিষয় নেই। তবে কাবিলতু বা কবুল করলাম শব্দটিকে যদি আরবী আভিধানিক অর্থে কালিমা বলা হয় তবুও তো এখানে পড়ানোর কিছু নেই। যেহেতু বিভ্রান্তির অবকাশ থাকে তাই বিয়ের আক্বদকে কালেমা পড়ানো না বলাই ভালো।


সবচেয়ে বড় কথা হল, দ্বীন সম্পর্কে কী পরিমাণ অজ্ঞতা ও উদাসীনতা থাকলে একজন মুসলমান কালেমা পড়াকে বিয়ের সময়ের বিষয় বলে মনে করতে পারে তা ভেবে দেখা উচিত এবং এ বিষয়ে আমাদের কোনো করণীয় আছে কি না তাও ভেবে দেখা কর্তব্য। 


[সূত্র : মাসিক আল কাউসার 

বর্ষ : ৬, সংখ্যা : ১১

যীকা'দাহ - ১৪৩১ || নভেম্বর - ২০১০]

কপি
পেস্ট

মদিনার আদব,,,,,,,, মুফতি দেলোয়ার ফেইসবুক ফরমান পেইজ

গতকাল বা'দ মাগরিব মেয়েকে কাঁধে নিয়ে প্রিয়তম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে সালাম পেশ করতে রওদ্বায়ে আত্বহারের কাছে গিয়েছিলাম। ভীড় ঠেলে প্রিয়তমের মাক্ববারার কাছাকাছি যেতেই আমি আর মেয়ে খুব মুহাব্বাতের সাথে সালাম পেশ করা শুরু করে দিই। এমন সময় হঠাৎ মেয়ের একটি প্রশ্নে আমি থমকে যাই! 


মেয়ে আমাকে খুবই কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করলো;

বাবা! সবাই ছবি তুলছে কেন? 

ভিডিও করছে কেন? 

এখানে কি ছবি তুলতে হয়? ভিডিও করতে হয়? 


 স্বাভাবিকভাবে মেয়ে আমার কাঁধে হওয়ায় সে উপর থেকে দেখতে পাচ্ছিলো; যতদূর চোখ যায় সবার হাতে মোবাইল আর মোবাইল। সত্যি বলতে মেয়ে প্রশ্নটি করার আগে থেকেই বিষয়টি আমাকে খুবই পীড়া দিচ্ছিলো। আমি নিজেও আশপাশে তাকিয়ে খোঁজার চেষ্টা করেছি যে মোবাইল হাতে নেই এমন ক'জন আছে। খুব অল্পসংখ্যককেই এমন পেয়েছি, যাদের হাতে মোবাইল নেই, যারা কেবলই দরুদ আর সালাম পাঠেই ব্যস্ত। 


রওদ্বার কাছে আসলেই তো চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হওয়ার কথা। আমাদের হৃদয়স্পন্দন প্রিয় মাদীনাওয়ালা তো এখানেই শুয়ে রয়েছেন। সেখানে আমাদের কী হলো! আমরা এখানে এসে ছবি তোলা আর ভিডিও করায় ব্যস্ত হয়ে যাই? 


আমাদের হাবীবের কাছে কি এই খবর পৌঁছে না? 


 হাজারো কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে কারা তাঁর দরবারে ভালোবাসার নাযরানা পেশ করতে এসেছেন, আর কারা ছবি আর ভিডিও নিয়েই সন্তুষ্ট থাকছে....


মাদীনায় আসার আগে মাদীনার আদব শিখে আসতে না পারলে, মাদীনায় আপনি ঠিকই আসবেন, কিন্তু এখান থেকে কিছু নিয়ে ফিরতে পারবেন না। আপনাকে রিক্তহস্তেই ফিরতে হবে।


#মাদীনা

#মাসজিদে_নববী

কপি
পেস্ট

কোম্পানির চাকরির বৈশিষ্ট্য,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

ইউনিফর্ম এর চাকরির বৈশিষ্ট্য 😢😢😢


১.ডিউটির শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই। 

২.বেতন আছে কিন্তু ভোগ করার সময় নেই। 

৩.পরিবার আছে কিন্তু সংসার নেই। 

৪.সন্তান আছে কিন্তু যত্ন নেই।

৫.আত্মীয় আছে কিন্তু যোগাযোগ নেই।

৬.ইচ্ছা আছে কিন্তু উপায় নেই। 

৭.ঈদ আছে কিন্তু ছুটি নেই। 

৮.কষ্ট আছে কিন্তু শেয়ার করার মতো 

ভালোবাসার মানুষ কাছে নেই।

৯.ব্যাথা আছে কিন্তু চিৎকার করার অধিকার নেই। 

১০.জীবনের চেয়েও সময়ের মূল্য বেশি দিতে হয়।

১১.ভালো না থেকেও ভালো থাকার অভিনয় করতে হয়।💔💔💔💔

কপি

পেস্ট 

বিনা পয়সায় ব্যবসা,,,,,, ফেইসবুক থেকে কপি করা

 বিনা পয়সার ব্যবসা !


খরখরে দুপুরবেলা। খড়্গপুর-হাওড়া লোকাল, ট্রেন চলেছে ঢুকুর-ঢুকুর। হালকা ভিড় আছে মোটামুটি, সবাই প্রায় ডেলি প্যাসেঞ্জার। কেউ ঢুলছে, কেউ গান ধরেছে। কিন্তু বেশিরভাগ যাত্রীই ঘাড়গুঁজে একমনে মোবাইলে লিপ্ত। বহির্জগৎ সম্পর্কে তাদের কোনো হঁশই নেই।

বালিচক ষ্টেশন ছাড়ানোর পর বছর কুড়ি-বাইশের একটি ছেলে উঠল কামরায়। শুষ্ক-রুক্ষ চেহারা, ছেঁড়া-ময়লা জামাপ্যান্ট। প্রথমে ভেবেছিলাম, কোনো ফেরিওয়ালা হবে হয়তো! কিন্তু ছেলেটির কাছে বিক্রয়যোগ্য কোনো সামগ্রীই ছিল না। তাহলে কি ভিখিরি?

ছেলেটি কিন্তু উঠেই একে একে যারা মোবাইল নিয়ে মশগুল, তাদের কাছে গেল। কিছু বলতে বা চাইতে হলো না। ঘাড় গুজে বসে থাকা মোবাইল-প্রেমীদের কাঁধে জাস্ট আলতো করে একটা টোকা! অমনি তাঁরা মোবাইল থেকে চোখ না তুলেই ছেলেটির হাতে দশটাকার নোট গুঁজে দিল!

ট্রেনে মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটি করলে আবার ট্যাক্স দিতে হয় নাকি? বলা যায় না! যা দিনকাল পড়েছে! কৌতূহল চাপতে না পেরে পাশে বসা এক মোবাইল-বিলাসীকে জিজ্ঞেস করলাম, “কিসের টাকা দিলেন ভাই?"

ভদ্রলোক বললেন, “আর বলবেন না দাদা! মোবাইলের চক্করে আজকাল যা হচ্ছে না! যার দেউলটি নামার কথা, সে চলে যাচ্ছে আন্দুল! মেচেদার লোক গিয়ে নামছে উলুবেড়িয়ায়। ছেলেটি রোজ দশটাকার বিনিময়ে আমাদের সজাগ করে দেয়! এই যে আজ আমি নামব কোলাঘাটে, নামা নিয়ে আমার আর কোনো চিন্তা নেই। সজাগ-মূল্য দশটাকা মিটিয়ে দিয়েছি। এবার যতই মোবাইলে ঢুকে থাকি না কেন, ছেলেটি ধাক্কা মেরে হলেও কোলাঘাটে নামিয়ে দেবেই দেবে আমাকে!” এই বলে দেঁতো হাসি মুখ নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে হাসতে লাগলেন, আর আমি অবাক হয়ে চেয়ে রইলাম ওনার দিকে। 

       কে বলে বাঙালির ব্যবসার বুদ্ধি নেই।


    --------------🤣🤣🤣-----------------..

কপি
পেস্ট

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়,,,,, মাছুম গাজী ফেইসবুক থেকে কপি

রিজিকের সর্বনিম্ন স্তরঃ টাকা, পয়সা, অর্থ, সম্পদ ।

সর্বোচ্চ স্তরঃ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা।

সর্বোত্তম স্তরঃ পুণ্যবান স্ত্রী ও পরিশুদ্ধ নেক সন্তান

পরিপূর্ণ স্তরঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি।

আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটা লিখিত।

আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না, একটিও বেশি না।

ধরেন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তায়ালা নিয়েছেন।

আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত আমার।

যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই ১ কোটি আয় করেই আমি মারা যাবো, হারাম উপায়ে হলেও ওই ১ কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!

আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল হয়েছে তখনই এটা নির্ধারিত যে সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি, কিনে নি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিজিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।

এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না। রিজিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।

...............

রিজিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!

কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিজিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তায়ালা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে।

আলহামদুলিল্লাহ্‌...

..............

কেউ কারোটা খাচ্ছে না, যে যার রিজিকের ভাগই খাচ্ছে।

আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তায়ালার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি।

আল্লাহ তা'আলা বলেন,

‘দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।’

(সুরা হুদ : আয়াত ৬)

‘যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিজিক দেবেন যা সে ধারণাও করতে পারবে না।’

(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)

আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের সকলকে সঠিক পথে রিজিক তালাশের তৌফিক দান করুন। আমীন.

কপি

কপি
পেস্ট

বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২২

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০/১০/২০২২

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(২০-১০-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বাংলাদেশকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন চুল্লি দেয়া হবে - প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বললেন রুশ পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক। 


* আওয়ামী লীগ কখনো বিএনপির সমাবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেনি - সংবাদ সম্মেলনে জানালেন ওবায়দুল কাদের। 


* চীনের মধ্যস্থতায় রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার - বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


* রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর জন্য নির্ধারিত চিকিৎসা ইউনিট স্থাপন করেছে সরকার - বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। 


* ক্ষমতা গ্রহণের ৪৫ দিনের মাথায় চাপের মুখে থাকা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসের পদত্যাগের ঘোষণা। 


* এবং আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সুপার ১২ তে জায়গা করে নিল শ্রীলংকা ও নেদারল্যান্ডস।

অভিনেতা মাছুম আজিজের সাক্ষাৎকার,,,, মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়

একবার এক টকশোতে অভিনেতা মাসুম আজিজকে প্রশ্ন করা হয়, "আপনি তো জীবনে অনেক পুরষ্কার লাভ করেছেন, এর মধ্যে কোনটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি গর্বিত করে?"

তিনি বললেন,

"একবার আমি গ্রামের বাড়িতে গিয়েছি, অনেক দূর থেকে এক বুড়ি মা আমার সাথে দেখা করতে আসলেন, তার হাতে ছিল একটি টিফিন ক্যারিয়ার, সেটি আমাকে দিয়ে বললেন,

" বাবা নাটকে সিনেমায় দেখি তুমি ভালো মত খেতে পাও না, দুঃখ কষ্টে দিনাতিপাত কর, আমি তোমার জন্য একটু মুরগির ছালুন রেঁধে এনেছি, তুমি খাও বাবা, আমি তোমার খাওয়া দেখতে চাই"

বুড়িমার রেঁধে আনা ঐ মুরগির ছালুন ছিল আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ পুরষ্কার "


বাংলাদেশ একজন কিংবদন্তীকে হারালো, পরপারে ভালো থাকবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুম আজিজ.........

কপি

পেস্ট 

নোবেল পুরস্কার ২০২২

 ⛲নোবেল পুরস্কার 2022👑


🔫চিকিৎসা বিজ্ঞানঃ সুভান্তে প্যাবো

জন্মস্থান ঃসুইডেন 


✈️পদার্থ বিজ্ঞান ঃমোট তিন জন

🟪অ্যালান আসপেক্ট

জন্মস্থান - ফ্রান্স 


🟪জন ক্লাউসার

জন্মস্থান - যুক্তরাষ্ট্র


🟪অ্যান্টর জেইলিঙ্গার

দেশ - অস্ট্রিয়া 


⚗️রসায়ন বিজ্ঞান ঃতিন জন 

🟪মর্টেন মেলডাল

দেশঃ ডেনমার্ক 


🟪ক্যাবোলিন আর বারতোজি

দেশ-যুক্তরাষ্ট্র


🟪কে ব্যারি শার্পলেস

দেশ-যুক্তরাষ্ট্র


📚📚সাহিত্য ঃঅ্যানি এর্নো

দেশ-ফ্রান্স


⚖️শান্তিতে ঃঅ্যালেস বেয়েলাৎস্কি

দেশ-বেলারুশ

কপি
পেস্ট

কিছু ইংরেজী প্রবাদ বাক্য

✪ As much as - যত দূর সম্ভব।

✪ Learn by heart - মুখস্থ করা।

✪ Aware of - সচেতন।

✪ Slow and steady - ধীরস্থির ব্যক্তি।

✪ Bad names - দুর্ব্যবহার।

✪ All in all - সর্বেসর্বা।

✪ So to say - বলতে কি।

✪ Common run - সাধারণ।

✪ Crying need - অতি প্রয়োজনে।

✪ Day dream - দিবাস্বপ্ন।

✪ Fair play - ন্যায় বিচার।

✪ Cats and dogs - মুষলধারে।

✪ Free and easy - সহজ-সরল।

✪ A gala day - আনন্দের দিন।

✪ Hard times - দুঃসময়।

✪ Hey day - সুসময়।

✪ Lose heart - নিরাশ হওয়া।

✪ Of course - অবশ্যই।

✪ A far cry - অনেক ব্যবধান।

✪ Come to life - জ্ঞান ফিরে পাওয়া।

✪ Open mind - খোলা মনে।

✪ Take over - দায়িত্ব নেয়া।

✪ To look to - নির্ভর করা।

✪ Out break - বিস্তার।

✪ At all cost - যে কোনো মূল্যে।

✪ Silver spoon - প্রাচুর্যে জন্ম।

✪ Safe and sound - নিরাপদে।

✪ Man of straw - অপদার্থ।

✪ Make good - ক্ষতিপূরণ করা।

✪ Equal to - সমান।

✪ Blow for blow - ইট-টির বদলে পাটকেল-টি।

ইসলামের হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস ,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভারতবর্ষের জমিনে বিখ্যাত একজন আল্লাহ ওয়ালা ছিলেন হযরত কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকী (রহমাতুল্লাহ আলাইহি)

 তিনি খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী রহিমাহুল্লাহর  শিষ্য এবং খলিফা ছিলেন। তার নামেই দিল্লীর বিখ্যাত কুতুব মিনার উৎসর্গ করা হয়।

উনার জন্ম-১১৭৩ সালে আউশ নামক জায়গায় , বর্তমানে কিরিগিজিস্তান।

উনি প্রিয় নবীজি মুহাম্মাদ (ﷺ) এর বংশধর ছিলেন।

 মৃত্যুর বেশ কয়েকদিন আগে খাদেম কে ডেকে বলেন,

'আমি মনে হয় আর বেশি দিন বাঁচবো না, দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে আল্লাহ তায়ালার কাছে চলে যাবো কিন্তুু যাওয়ার পূর্বে আমার দুইটা ওছিয়ত সম্পূর্ণরূপে পালন করার চেষ্টা করবা'

 

প্রথম ওছিয়ত-  “মৃত্যুর পর আমার জানাযা খুব দ্রুত সম্পন্ন করা। কেননা রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন 'মাইয়াতকে যত দেরি করে জানাজা দেওয়া হয় মাইয়াত তত কষ্ট পায়। তাই আমার জানাযা দ্রুত শেষ করা।”


দ্বিতীয় ওছিয়ত- “আমার জানাযা যে পরাবে অন্তত তার চারটি গুন থাকতে হবে।যদি কারও এই চারটা বৈশিষ্ট্য না থাকে তাহলে আমার লাশ কে মাঠের মধ্যেই রেখে যাওয়া এবং জানাযা না পরানো।”অবশ্য তিনি জানতেন এক জন লোকের মধ্যে এই চারটা বৈশিষ্ট্য অবশ্যই বিদ্যমান থাকবে। কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকী রহিমাহুল্লাহ আখিরাতের  পথে পাড়ি জমালেন। 

তার জানাযার দিন,গোটা ভারত বর্ষ থেকে বিখ্যাত বিখ্যাত আলেমগন আসলেন তার জানাযায় শরিক হওয়ার জন্য। সবার মধ্যে এক প্রকারের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হল যে কে তার জানাজা পড়াবে। 


কিন্তু তখনই তার খাদেম ফরমান করলেন চারটা বৈশিষ্ট্য গুনের সম্পন্ন হলেই তার জানাযা পরাতে পারবে কেও,তা হলো-

১.যে ব্যক্তি আসরের চার রাকাত ফরজের নামাযের আগের  চার রাকাত সুন্নত নামায কখনো ছাড়েনি। 

২.যে ব্যক্তি কখনো জবান দিয়ে মিথ্যা কথা বলে নি। 

৩.যে ব্যক্তি কখনো বেগানা নারীর দিকে তাকায় নি। 

৪.যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদের সালাত জীবনেও ত্যাগ করেনি। 

এই কঠিন চারটি গুণের কথা শুনে পুরো ময়দান স্তব্ধ হয়ে গেল। খাদেম অতঃপর বললেন- হুজুর বলেছেন যদি উপস্থিত লোকদের মধ্যে এই চারটা গুণের বৈশিষ্ট্য না থাকে তাহলে আমার লাশ এখানেই রেখে যাওয়া এবং জানাজার নামাজ সম্পন্ন না করা। 


পুরো নিস্তব্ধ ময়দানে হঠাৎ করে পিছনের কাতার হতে

একজন চাদর পরিহিত লোক আওয়াজ করে বললেন আমাকে একটু জায়গা করে দিতে মাইয়াতের সামনে যাওয়ার। তিনি মাইয়াতের সামনে গিয়ে চিৎকার করে বলতে লাগলেন-“একি করলেন আপনি, আমার এই গোপন চারটা গুনের কথা তো আমার স্ত্রীও জানতো না,কিন্তু আপনি সবার সামনে তা ফাঁস করে দিলেন।

আমি ভয় করি; আমার আমলগুলো প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় না জানি আমি ধ্বংস হয়ে যাই।"


উপস্থিত লোকবৃন্দ অধীর আগ্রহে সাথে দেখতে চাইলেন উনি কে! অতঃপর তিনি তার চাদর খুললেন 

সবাই দেখে অবাক হয়ে গেলেন যে তিনি দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা এবংমামলুক সালতানাতের সুলতান (শামসুদ্দিন আলতামাশ) যাকে আমরা ইলতুতমিশ নামেও চিনি।


একদিকে তিনি ভারতবর্ষ রাজত্ব করতেন অন্যদিকে এই  কঠিন চারটা গুণের একটিও তার ছোঁটে নি।

এমনি জীবন হয় আল্লাহ ওয়ালা মুত্তাকী বান্দাদের, 

যে সময় যে অবস্থাই হোক না কেন আল্লাহ তায়ালার নির্দিষ্ট হুকুম পালন থেকে তারা কখনোই বিরত থাকেন না।

কপি
পোস্ট

১২ মাসের ক্যালেন্ডার কি মানবজাতির সঙ্গে করা অন্যতম বড় স্ক্যাম?,,,,chinmoy ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১২ মাসের ক্যালেন্ডার কি মানবজাতির সঙ্গে করা অন্যতম বড় স্ক্যাম? আমার উত্তর হলো, হ্যাঁ। দেখুন, সময়, ঘড়ি, দিন, সপ্তাহ, মাস, বছর ~এই জিনিসগুলো ...