এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৬ মার্চ, ২০২৪

এবার সমুদ্র বন্দর চিটাগাং পোর্ট দিয়ে প্রথম বারের মতো মালায়েশিয়া তে বেগুন ও কাঁচামরিচ এক্সপোর্ট হল...,,,,ফেইসবুক ৎেকে নেওয়া

 এবার সমুদ্র বন্দর চিটাগাং পোর্ট দিয়ে প্রথম বারের মতো মালায়েশিয়া তে বেগুন ও কাঁচামরিচ এক্সপোর্ট হল...


এতদিন এই সবজি বা মরিচ গুলা রপ্তানি হত কার্গো বিমানে করে... যা ছিল অনেক কস্টলি। সমুদ্র বন্দর চিটাগাং দিয়ে রপ্তানির ফলে এই কস্টিং কমে আসবে ১০ ভাগের এক ভাগে...


যদি অপেনলি বলি আগে যেখানে বাই এয়ারে করে পাঠাতে কেজি প্রতি খরচ পড়ত ১০০ টাকার বেশি, সেখানে সমুদ্র বন্দর দিয়ে পাঠাতে খরচ পড়বে ১০ টাকার মধ্যে...


অর্থ্যাৎ কস্টিং কমবে অনেক বেশী... আর কস্টিং কমে যাওয়াতে মালায়েশিয়াতে বাংলাদেশী সবজির ডিমান্ড ও বেড়ে যাবে অনেক বেশী।


আমি আমার অনেক লেখাই বলেছি সবজি এক্সপোর্ট এর জন্য মালায়েশিয়া আমাদের বেস্ট চুজিং একটা কান্ট্রি, এখানে অধিকাংশ বাংলা ভাষাভাষীর মানুষের বসবাস... এছাড়া আছে বেশি এশিয়ান।


আর এশিয়ানরা আমাদের সবজি পছন্দ ও করে ভালো।


এছাড়া বাই এয়ারে  বিভিন্ন সবজি মিলায়ে যেখানে এক-দুই টন রপ্তানি করা যেত, সেখানে বাই সি তে ২৫ টন পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের সবজি দিতে পারছি।


এ পর্যন্ত মালায়েশিয়া তে সমুদ্র বন্দর দিয়ে তরমুজ থেকে শুরু করে.. আলু, বাঁধাকপি, ওলকপি, ফুলকপি,কাঁচ কলা , টমেটো সহ নতুন দুই এক ধরনের সবজি রপ্তানি হয়েছে... হচ্ছে ।


আর বাই এয়ারের কথা কি বলব... এয়ারে করে প্রায় সব ধরনের সবজিই রপ্তানি হয়, তবে ঐ যে বললাম কস্টিং বেশি।


আর কস্টিং বেশি হলে চাহিদা ও কম থাকে।


এখানে যদি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কথা বলি তারা মধ্যপ্রাচ্যের দেশে সবচেয়ে বেশী পরিমাণে সবজি রপ্তানি করে থাকে কারন মুন্দ্রা পোর্ট থেকে তাদের দুবাইতে জাহাজ পৌঁছাতে চার-পাঁচ দিন সময় লাগে... ঠিক যেমন আমাদের ক্ষেত্রে মালায়েশিয়ার পোর্ট কেলাং


অথচ  মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুবাইতে বেশীরভাগ বাংলাদেশীরা করছে সবজি, ফল মূলের ব্যবসা... শুধু মাত্র সমুদ্র বন্দর দিয়ে রপ্তানি করতে পারায় বাংলাদেশী ব্যবসায়ী হয়েও দেশ থেকে সবজি নিতে পারেন না।


এমন ভাবে মালায়েশিয়া ও আমাদের জন্য সুযোগ.. সেখানে আমরা কম সময়ে জাহাজ পৌঁছাতে পারি। তাই মালায়েশিয়া নিয়ে ভাবতে পারেন যে কেউ।


আমি আবার ও বলি মালায়েশিয়া এমন একটা দেশ যেখানে আমাদের জন্য সুযোগ অনেক বেশী।


দেশের_রপ্তানী বাড়বে আগামী


imranhossen

Exporter & International Market Researcher


imranexporter

Eggplants

কৃষিই_সমৃদ্ধি

একটা মজার গল্প ১৮+ ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 বন্ধুর স্ত্রীঃ =- আপনার বন্ধু তো

বাড়িতে নেই। আপনি অন্যদিন আসুন।

আমি=- আমার যে অন্যদিন আসলে চলবে

না।

বন্ধুর স্ত্রী:=- ওনিতো বাসায় নেই,

শহরের বাইরে গেছেন কয়েকদিন পর

আসবেন।

আমি=- কিন্তু আমার যে কাল জাতীয়

হাই জাম্প প্রতিযোগিতা, কোন

থাকার জায়গা নেই..সাথে তেমন

টাকাও নেই যে হোটেলে থাকবো...

বলেই করুণ দৃষ্টি নিয়ে থাকলাম।

বন্ধুর বউ=- স্বামীর বন্ধু, জাতীয়

পর্যায়ে খেলাধুলায় অংশ গ্রহন করতে

এসেছে, থাকার জায়গা নেই ভেবে

শেষে থাকতে দিতে রাজী হলেন।

.

রাতে খাবার দাবার শেষ করে

ঘুমানোর সময় পড়লেন বিপদে। এক রুম, এক

খাট, কি করে দু'জনে ঘুমান?

..

ভদ্র মহিলা একবার চিন্তা করলেন

নিচে শুতে দিবেন, আবার ভাবলেন

স্বামীর বন্ধুকে কি করে নিচে শুতে

দেন। নিজে নিচে শু'লে ঠান্ডা

লেগে যায়, ইত্যাদি ভেবে দু'জনেই

উপরে শোবার সিদ্ধান্ত নিলেন।

খাটের মাঝ খানে একটা কোলবালিশ

দিয়ে ভদ্র মহিলা বললেন-

.

বন্ধুর স্ত্রীঃ=- দেখুন আমাদের এই

একটাই খাট, এখানেই আমাদের রাত

কাটাতে হবে। সুতরাং এই বালিশটা

হলো আমাদের দেয়াল, এর এই পাশে

আসা যাবে না।

.

আমি ঃ=- স্বলজ্জিত ভাবে মাথা নেড়ে

শুয়ে পড়লাম ।

সকালে ঘুম থেকে উঠে, ভদ্র মহিলা

ব্রেক ফাস্ট বানালেন।

আমি স্নান সেরে এসে ব্রেকফাস্ট

টেবিলে বসলাম। ভদ্র মহিলা

ব্রেকফাস্ট দিতে দিতে বললেন-

বন্ধুর স্ত্রী =- আপনি যেন কেন

এসেছেন? মিটিমিটি হেসে টিপ্পনী

কেটে কথাটা বললেন।

.

আমি=- জাতীয় হাই জাম্প

প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করতে।

দোয়া  করবেন যেন

জয়ী হতে পারি।

বন্ধুর স্ত্রী = মুখে ভেংচি কেটে

বললেন- যে রাতের বেলা একটা

মামুলি কোল বালিশ টপকিয়ে আসতে

পারে না, সে হাই জাম্পে জয়ী হবে।

😀?

😂😂# 


নিয়মিত মজার সব গল্প পড়তে পেইজটি ফলো দিয়ে রাখুন 😍

একটা মজার গল্প ১৮+ ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

আমন ধানের লাল চাল,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔰গ্রীন এগ্রো নিয়ে এসেছে আপনাদের জন্য আমন ধানের লাল চাল  ও  দেশি গমের  লাল আটা


✋ উপকারিতা ঃ

উচ্চ ডায়াবেটিস কমাতে লাল চাল 

ওজন কমাতে লাল চাল 

হাটের সুস্থতায় লাল চাল 

হাড় মজবুত করতে লাল চাল 

বয়সের ছাপ রোধ করতে লাল চাল 

ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায় 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।


✅ প্রতিদিন ১ কাপ লাল চালের ভাত খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৬০ ভাগ পর্যন্ত কমে। লাল চালের ভাতে ক্ষুধা কম লাগে। লাল চালের ভাত খেলে আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ফাইবারের ১০ ভাগ পূরণ হয়।


✋ লাল আটা কেন খাবেনঃ

১. লাল আটার অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

২. ডায়াবেটিস রোগী ও স্থুল রোগীর রক্তে চিনি ও শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. লাল আটা আঁশ রক্তে ক্ষতিকারক ফ্যাট কমায় ও উপকারি ফ্যাট বাড়ায়।

৪. লাল আটা ক্ষুধা প্রশমিত করে ও অতিরিক্ত ওজন কমায়।

৫. লাল আটায় রয়েছে থায়ামিন যা স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে। (হাত ও পায়ের নার্ভ সচল রাখে)।

৬. পরির্পূণ পুষ্টি সমৃদ্ধ আঁশযুক্ত গমের আটা সুস্বাস্থের জন্য অপরির্হায।

৭. লাল আটায় লিগনান নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৮. লাল আটা হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারি।

৯.  লাল আটা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

১০. লাল আটায় প্রচুর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।


আইটেম সমূহ ঃ 

১) লাল চাল ( আমন)

২) লাল চাল ( বিরই)

৩) লাল বোরো ( টেপা বোরো)

৪)লাল বিন্নি

৫)সাদা বিন্নি

৬)কালো বিন্নি

৭)ব্ল্যাক রাইস 

৮)কাউন চাল

৯)লাল বাসমতি 

১০)বাংলা মতি ফুল ফাইবার 

১১) লাল আটা


🔰 সুগন্ধি চাল : 

১২) বাশফুল 

১৩)জামাই আদুরি " তুলসী মালা সুগন্ধি চাল "

১৪) বাশফুল

১৫) বাদশাভোগ


🔰 ডাল :

১৬) ফেলন ডাল 

১৭) মাসকলাই ডাল

১৮) রাজমা

১৯ ) কাবলি বুট 

২০) সবুজ মুগ ডাল


🔰 অন্নান্য :

যবের ছাতু 

যবের আটা 

লাল চিড়া 

আখের লাল চিনি  

চিয়া সিডস 


🔰 গ্রিন এগ্রো 

" আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক "


আমরা পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে থাকি প্রয়োজনে

০১৮৪১-১৭২৭৭০ ( WhatsApp)


মাটি শোধন করে ফলন বৃদ্ধির সেরা সমাধান বায়োলিড: আপনার ফসলের জন্য জৈব সমাধান

 মাটি শোধন করে ফলন বৃদ্ধির সেরা সমাধান


বায়োলিড: আপনার ফসলের জন্য জৈব সমাধান!


মাটি শোধন করে এবং ফলন বৃদ্ধি করে, যা আপনাকে আরও ভাল ফসল উৎপাদনে সাহায্য করে । বায়োলিড একটি জৈব বালাইনাশক যা আপনার ফসলকে ক্ষতিকর পোকামাকড় এবং রোগ থেকে রক্ষা করার জন্য প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে।


বায়োলিড ব্যবহারের সুবিধা:


মাটি শোধন করে: বায়োলিড মাটিতে বসবাসকারী ক্ষতিকর জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

মাটিতে জৈব পদার্থ বৃদ্ধি করে: এটি মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, যা মাটির গঠন এবং পানি ধরে রাখার ক্ষমতা উন্নত করে।

ফলন বৃদ্ধি করে: বায়োলিড ব্যবহারে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

পরিবেশবান্ধব: এটি একটি পরিবেশবান্ধব পণ্য যা মানুষ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।


বায়োলিড ব্যবহার করে আপনি যেসব সমস্যার সমাধান করতে পারেন:


নেমাটোড দমন করে: বায়োলিড নেমাটোডের মতো ক্ষতিকর পোকামাকড় দমন করে ।


বায়োলিড কোথায় ব্যবহার করবেন :

বায়োলিড সকল ধরণের ফসলের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি বিশেষভাবে ধান, শাকসবজি, ফল, এবং পাটের জন্য উপকারী।


মূল্য: ৩৫০ টাকা (৫০০ গ্রাম)


🔥🔥অফার: ১ কেজি বা তার অধিক নিলে কুরিয়ার চার্জ একদম ফ্রী!🔥🔥


আজই বায়োলিড ব্যবহার করে আপনার ফসলকে রক্ষা করুন এবং উন্নত ফলন পান!


আরও তথ্যের জন্য আমাদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করুন।


যোগাযোগ করুনঃ ০১৮৪৪-৯০৮৫৪১


বায়োলিড আপনার ফসলের জন্য সেরা বন্ধু!


মসলাই রান্নার প্রাণ।  মসলায় বাড়ে ঘ্রাণ,আর আনে স্বাদ।

 #কোন_রান্নায়_কীভাবে_দেবেন_মসলা.


মসলাই_রান্নার_প্রাণ। 


মসলায় বাড়ে ঘ্রাণ,আর আনে স্বাদ।


ঘরেই বানানো হয় অনেক রকম রান্না।  কোন ধরনের রান্নায় কোন উপকরণ লাগবে আর একই উপকরণ কখন কীভাবে ব্যবহার করে ভিন্নতা আনা যায়, 


#চলুন_জেনে_নেওয়া_যাক.


#পেঁয়াজ_রসুন_আদা:


🌹মাংসে ঘন ঝোল রাখতে হলে রান্নায় দিন পেঁয়াজ বাটা। 

পাতলা ঝোলের জন্য পেঁয়াজকুচি।


🌹রেজালা কিংবা একটু মিষ্টি স্বাদের রান্না করতে হলে পেঁয়াজের বেরেস্তা বেটে দিন।


🌹মাংসে বেশি ঝাল হয়ে গেলে পেঁয়াজের বেরেস্তাবাটা যোগ করে জ্বাল দিয়ে নিতে পারেন।


🌹মাংস কষানোর সময় রসুন না দিয়ে পরে দিন। রসুনের ঘ্রাণটা পাওয়া যাবে বেশ।


🌹কেবল কুচি করে বা বেটেই নয়, মাংসের ঝোলজাতীয় রান্নায় আস্ত রসুন বা রসুনের কোয়াও দিতে পারেন।


🌹মাংস দিয়ে সালাদ করতে চাইলে তাতে রসুনকুচি কিংবা শুকনা রসুনের গুঁড়া যোগ করুন। রোদে বা ওভেনে রসুন শুকিয়ে নেওয়া যায়।


 #গরম_মসলা


🌹গোটা গরম মসলা ব্যবহার করলে রান্নার শুরুতে তেলে ভেজে  দিতে পারেন। এরপর যোগ করতে হবে মাংস ও অন্যান্য উপকরণ।


🌹গরম মসলার গুঁড়া ব্যবহার করলে মাংস নামানোর খানিকক্ষণ আগে ছড়িয়ে দিন। রংটা সুন্দর হবে।


🌹শুকনা মরিচ মাংস কষানোর সময়ই দিয়ে দিন।


#পাতা_ও_মরিচ


🌹কাঁচা মরিচ দিন রান্নার শেষে। শুকনা মরিচ মাংস কষানোর সময়ই দিয়ে দিন।


🌹ধনেপাতা, বেসিলপাতা প্রভৃতি রান্না নামানোর খানিক আগে দিয়ে দিন।


🌹কাবাব-কোর্মা-বিরিয়ানি-আচারি মাংস,কাবাবে তারা মসলা, কাবাব চিনি, পিপুল আর গরম মসলার গুঁড়া দিতে পারেন। ঘ্রাণ হবে দারুণ। কাবাব চিনি দিলে হালকা ঝাঁজও আসবে।


🌹মাংস দিয়ে বিরিয়ানি করতে হলে চাই শাহি জিরা।


🌹আচারি মাংসে দিন পাঁচফোড়ন।


🌹সাদা কোর্মা রাঁধলে হলুদ বা মরিচ দেবেন না।


🌹রেজালায় মরিচগুঁড়া দেওয়া যাবে।


#ভিন্ন_স্বাদ_পেতে


🌹বাড়তি স্বাদ আনতে পোস্তদানা যোগ করতে পারেন। এতে ঝোলটাও ঘন হবে।


🌹জায়ফল, জয়ত্রী, বড় এলাচি দেশীয় ও ভারতীয় রান্নার স্বাদে আনবে ভিন্নতা।


 এগুলো গুঁড়া হিসেবে ব্যবহার করা যায়। জায়ফল-জয়ত্রী বেটে দিতে পারেন, বড় এলাচি বা কালো এলাচি দিতে পারেন আস্ত।


🌹স্বাদের ভিন্নতা আনতে যোগ করতে পারেন তারা মসলা, গোটা কিংবা গুঁড়া।


(তারা মসলা, গরম মসলা, গোলমরিচ, পিপুল আনে সুঘ্রাণ।)


🌹ঝাঁজালো পদ রাঁধতে চাইলে শর্ষেও কাজে লাগাতে পারেন।


🌹সুস্বাদু মাংসের পদ রান্নার প্রথম শর্তই হলো মসলায় ভালোভাবে মাংস কষানো।


🌹কাটা মসলায় মাংস রাঁধলে কোনো বাটা মসলা দেবেন না। কেবল কাটা বা কুচি করা মসলা দেবেন।


যদি টিপস্ গুলো আপনাদের একটু ও উপকারে আশে তবে আপনার ওয়ালে শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন সবার আগে আমার পোস্ট পেতে পোস্টে কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ইনশাআল্লাহ আরও সুন্দর সুন্দর টিপস অথবা রেসিপি নিয়ে আসবো আপনাদের জন্য। সবার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভ কামনা রইলো। 



ভবনের ফাটল নিয়ে কিছু কথা মনোযোগ সহকারে পড়ুন,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভবনের ফাটল নিয়ে কিছু কথা

মনোযোগ সহকারে পড়ুন 📝📝

“আমার ভবনের কয়েকটি জায়গায় ক্র্যাক দেখা দিয়েছে। কি করি বলুন তো? আচ্ছা ক্র্যাক কেন হয়?” এরকম প্রশ্ন প্রকৌশলীদেরকে প্রায়ই শুনতে হয়। এই প্রশ্ন করাটা যেমন সহজ কিন্তু এর উত্তর দেওয়াটা তেমনি কঠিন। ইংরেজিতে ক্র্যাক (Crack) শব্দের বাংলায় অর্থ করলে দাঁড়ায় ‘ফাটল বা চিড়’। আর এই ক্র্যাক যদি কোন ভবনে দেখা দেয় তাহলে মাথা ফাটাফাটি থেকে শুরু করে সম্পর্কের চিড়ও ধরতে দেখা  যায়। বাড়ির মালিক এবং প্রকৌশলীদের তখন ঘুম হারাম হবার যোগার। আসলে যেকোন ভবনেই বিভিন্ন ধরনের ফাটল দেখা দিতে পারে। তবে সব ফাটল দেখেই দুশ্চিন্তায় পড়বার কোন কারণ নেই। ফাটল টা দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন এটা আসলে কোন ধরণের ফাটল।

 ফাটল সাধারণত দুই ধরণের হতে পারেঃ ১) কাঠামোগত ফাটল, ২) অকাঠামোগত ফাটল।

১) কাঠামোগত ফাটলঃ

যদি কোন ভবনের বীম, কলাম, ছাদ কিংবা কঙ্ক্রীট দেওয়ালের মধ্যে ফাটল দেখা দেয়  তাকে প্রকৌশলীরা কাঠামোগত ফাটল (Structural Cracks) বলে থাকেন। এই ধরণের ফাটল যেকোন ভবনের জন্য ঝুকির কারন।  প্রকৌশলীরা সাধারণত কাঠামগত ফাটলের জন্য  ক) নকশাজনিত ত্রুটি ও খ) নির্মানজনিত ত্রুটি এই দুই ধরণের কারনগুলো কে দায়ী করে থাকেন। নিচে এই ত্রুটিদ্বয়ের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়া হলঃ

ক) নকশাজনিত ত্রুটিঃ

স্থপতি যে নকশা প্রণয়ন করেছেন কাঠামো প্রকৌশলী সেটিকে সঠিকভাবে মুল্যায়ন করে ভবনের কাঠামোগত আচরণ যদি বুঝতে না  পারেন।  ভবনের উপর আগত লোড ধরার ক্ষেত্রে ত্রুটি, সঠিকভাবে পার্শ্বিয় লোড (যেমনঃ বাতাস, ভুমিকম্প) ধরার ক্ষেত্রে ত্রুটি এবং ভবনটি কি কাজে ব্যবহৃত হবে সে সম্পর্কে ধারণা না থাকলে ভবনটিকে সঠিকভাবে মুল্যায়ন করে কাঠামোগত নকশা প্রণয়ন করা সম্ভব হয়না । অনেকসময় দেখা যায় যে, বাড়ির মালিক প্রকৌশলী বা স্থপতি কে ভবনের ব্যবহারের বিষয়টি একভাবে বলছেন আর বাস্তবে ব্যবহার করছেন আরেক ভাবে। যেমন বাড়ির মালিক হয়ত ভবনের নকশা প্রণয়নের সময় বলেছেন যে, ভবনটি বাসাবাড়িতে মানুষ থাকার জন্য ব্যবহৃত হবে কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল ভবনটি গার্মেন্টস, ব্যাংক বা অফিসের কাজে ভাড়া দিয়ে দিচ্ছেন। এই সমস্ত ত্রুটির কারনে অতিরিক্ত লোড বীম-কলাম কে বহন করতে হয়। ফলে বীমের মধ্যে ফ্লেক্সারাল ক্র্যাক বা সিয়ার ক্র্যাক এবং কলামের মধ্যে বাঁকলিং জনিত ক্র্যাক দেখা দেয়।

ভবনের ফিনিশিং কাজ করার সময় বাড়ির মালিক দামী-দামী টাইলস, বাথরুম বা কিচেনের স্যানিটারি মালামাল এবং ইলেক্ট্রিক্যাল সুইচ-সকেট ব্যবহার করেন। কিন্তু বাড়ি তৈরী করার আগে যে মাটি পরীক্ষা করা প্রয়োজন সেদিকে নজর দেন না। যে মাটির উপর এত বিশাল ভবনটি দাড়িয়ে থাকবে সেই মাটি পরীক্ষা করতে যে অর্থের প্রয়োজন তা ভবনের নির্মান খরচের তুলনায় খুবই কম। কিন্তু এই পরীক্ষার ফলাফলটি যদি হাতে না থাকে বা পরীক্ষাটি যদি সঠিক জায়গা থেকে না করা হয়ে থাকে তাহলে মাটির বিয়ারিং ক্যাপাসিটি, সেটেলমেন্ট এবং অন্যান্য গুনাগুন সম্পর্কে ধারনা করতে পারা যায় না। সুতরাং সেই ভবনটিতে সঠিক ভিত্তি-প্রস্তরের পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব হয় না। ফলে মাটি উক্ত ভবনের চাপ সহ্য করতে না পেরে নিচে দেবে যেতে পারে। এতে করে ভবনে ফাটল দেখা দিতে পারে।


ভবনের বীম, কলাম, ছাদ কিংবা কঙ্ক্রীট দেওয়ালের মধ্যে ব্যাবহৃত রডের ডিটেইলিং ঠিকমত না করলে ভুমিকম্প বা বাতাসের জন্য সৃষ্ট অতিরিক্ত লোডের কারনে ভবনের ফাটল দেখা দিতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, স্থপতি বা বাড়ির মালিক ভবনের স্ট্রাকচারাল নকশা প্রণয়নের সময় ফ্ল্যাট প্লেট বা ফ্ল্যাট স্লাব- এ নকশাটি প্রণয়ন করার জন্য এবং চিকন সাইজের কলাম দেয়ার জন্য প্রকৌশলীকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। কিন্তু বাংলাদেশের বিল্ডিং কোডে স্পষ্ট করে বলে দেয়া হয়েছে যে, ভুমিকম্পপ্রবন এলাকাতে বীম-কলাম পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত এবং সেই কলামের সর্বনিম্ন মাপ হবে ১২ ইঞ্চি। কাঠামো প্রকৌশলী যদি তার বিল্ডিং কোডের বাইরে কিছু না করতে চান, তখন দেখা যায় বাড়ির মালিক অন্য কোন প্রকৌশলী কে দিয়ে নকশা প্রণয়ন করিয়ে থাকেন। এটি নৈতিকতার প্রশ্নের সাথে জড়িত। সব পেশায় নৈতিক ও অনৈতিক বিষয়টি আছে। সুতরাং নৈতিকতার প্রশ্নে আপোস করলে অর্থ্যাৎ বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ না করলে ভবনে কোন না কোন সময় ফাটল সৃষ্টি হতে পারে।

'অমুক ইঞ্জিনিয়ার ছয় তলা বিল্ডিং এত টন রড দিয়ে ডিজাইন করেছে আপনিও এই ভবনটি এত টন রড দিয়ে ডিজাইন করে দেন। অমুক ইঞ্জিনিয়ার আরেকটি ছয়তলা বিল্ডিং এর জন্য পাইল দেয় নাই আপনি এতটুকু বিল্ডিং এর জন্য পাইল দিলেন।', অনেকসময় প্রকৌশলীদের এইসব কথা শুনতে হয়। মানুষের হাতের রেখা যেমন ভিন্ন ভিন্ন তেমনি বিভিন্ন জায়গাতে নির্মিত বিভিন্ন ধরনের ভবন ও মাটি ভিন্ন ভিন্ন। সুতরাং একটি ভবন এর সাথে অন্য ভবন এর তুলনা পুরোপুরি চলে না। বিল্ডিং কোডের নিয়মানুযায়ী ব্যালেন্সড স্টীল রেশিও বা রডের সাম্যতার অনুপাতের বেশি রড ব্যবহার করা ঠিক নয়। সুতরাং প্রকৌশলীগণ সাধারণত বেশি পরিমাণ রড ব্যবহার করতে চায় না। কিন্তু লোডের কারণে কোন বীমের ডিফ্লেকশন বা কলামের বাকলিং ঠেকানোর জন্য তার সাইজ বাড়ানোর প্রয়োজন হয়। স্থাপত্যের কারণের যদি সাইজ না বাড়িয়ে রডের পরিমান বাড়ানো হয় তবে সেটার কারণে ডিফ্লেকশন কমানো সম্ভব হবে না। ফলে ভবনে ফাটল ধরতে পারে।

 বীম ও ছাদের সংযোগস্থলে ছাদের মধ্যে কর্ণার রড ব্যাবহার না করলে ছাদে টরশোন জনিত মোমেন্ট সৃষ্টি হয়। যার কারনে ছাদে ফাটল দেখা দেয়।


খ) নির্মানজনিত ত্রুটি:

নির্মানজনিত ত্রুটির কারনেও অনেক সময় ভবনে ফাটল দেখা দেয়। যেমনঃ ক) বীম ও কলামের সংযোগস্থলে যদি রডের পরিমান বেশী থাকে তাহলে অনেক সময় কঙ্ক্রীট ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনা, খ)  ছাদে-বীমে-কলামে যদি রডের  ক্লিয়ার কভার কম হয় তাহলে বাতাসে জলীয় বাষ্প বা মাটির অভ্যন্তরের পানি আস্তে আস্তে কঙ্ক্রীটের ভিতর ঢুকে রডে মরিচা ধরতে সাহায্য করে, গ) কঙ্ক্রীটে যদি ব্লিডিং বা সেগ্রেগেশন হয় তাহলে কঙ্ক্রীটের সিমেন্ট-বালি ও খোয়া আলাদা হয়ে যায়।  এই সমস্ত কারণে কাঠামোতে ফাটল দেখা দিতে পারে।

কোন ভবনের ঠিক পাশে যদি ভিত্তি তলের নিচ পর্যন্ত  বেজমেন্ট নির্মানের জন্য মাটি কাটা হয়, তাহলে ওই ভবনের ভিত্তি তলের নিচ হতে মাটিসহ




আধুনিক পদ্ধতিতে কাঁকরোল চাষ।,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আধুনিক পদ্ধতিতে কাঁকরোল চাষ।


কাঁকরোল ( Teasel gourd ) এক ধরনের কুমড়া গোত্রীয়

লতানো প্রকৃতির গুল্ম জাতীয় গাছ। কাঁকরোল মূলত গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে বাংলাদেশে চাষ হয়ে থাকে। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, ভিটামিন-বি, শ্বেতসার ও খনিজ পদার্থ ক্যারোটিন আছে। এই সবজির বাজার মূল্যও তুলনামূলক বেশি।


কাঁকরোলের ক্ষেত্রে স্ত্রী ও পুরুষ ফুল পৃথক গাছে জন্মে থাকে অর্থাৎ স্ত্রী ও পুরুষ গাছ আলাদা। গাছ দেখে সাধারাণত চেনা যায় না কোনটি স্ত্রী ও কোনটি পুরুষ গাছ। ফুল ফোটার পর ফুল দেখে চিনতে হয়। স্ত্রী ফুলের ক্ষেত্রে ফুল মাইকের মতো ফুটে। ফুলের পাপড়ির রং ঘিয়া থেকে সাদাট এবং মাঝখানে খয়েরি রঙের হয়ে থাকে। পুরুষ ফুলের বোটার ওপরে কোনো ফুলের গঠন বা ডিম্বাশয় থাকে না, স্ত্রী ফুলে তা থাকে।


কাঁকরোলের জাত:


বাংলাদেশে স্থানীয় জাতের বেশ কিছু কাঁকরোল চাষ করা হয়। জাতগুলোর মধ্যে – আসামি, মণিপুরি, মুকুন্দপুরি, মধুপুরি আলমী, টেম্পু, সবুজ টেম্পু ইত্যাদি অন্যতম।


আসামিঃ

এই জাতের কাঁকরোলের ফলগুলো গোলাকার, খাটো এবং খেতে সুস্বাদু।


মণিপুরিঃ

এই জাতের কাঁকরোলের ফল দেখতে একটু লম্বাটে ও চিকন। তবে ফলন অন্যান্য জাতের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।


মাটি:


কাঁকরোল চাষের করার জন্য দোঁআশ ও এটেল দোআঁশ মাটি উত্তম। তবে জৈব সার প্রয়োগ করে অন্য মাটিতেও কাঁকরোল চাষ করা যেতে পারে।


বপনের সময়ঃ আমাদের দেশে এপ্রিল থেকে মধ্য জুন সময় পর্যন্ত কাঁকরোলের বীজ (মোথা) বপনের উত্তম সময়।


চারা তৈরি:


বীজ থেকে কাঁকরোলের চারা তৈরি করা যায়। কিন্তু তা না করাই ভালো। কেননা বীজ থেকে মাত্র ৫০% চারা গজাতে পারে। তাছাড়া বীজ থেকে গজানো চারার বেশির ভাগ গাছই পুরুষ গাছ হয়ে থাকে। এছাড়াও বীজ থেকে গজানো গাছের ফলন কম হয় এবং জাতের গুনাগুণ ঠিক থাকে না। সেজন্য কন্দ বা মোথা থেকে কাঁকরোলের চারা তৈরি বা বংশবিস্তার করা হয়। গাছের আগা কেটে বালি বা মাটির মধ্যে ছায়া জায়গায় পুঁতে দিলে ১০-১৫ দিনের মধ্যে চারা হয়। কাটিং এর গোড়ায় রুটিং হরমোন লাগিয়ে দিলে দ্রুত শিকড় গজায়। তবে এতো ঝামেলা না করে জমিতে মাদা তৈরি করে সরাসরি কন্দমুল লাগানো উত্তম।


জমিতে বেড বা মাদা তৈরী এবং কন্দমুল রোপণ:


বেড তৈরির ক্ষেত্রে প্রস্থ নিতে হবে ২ মিটার ও জমির দৈঘ্য অনুযায়ী লম্বা করতে হবে। দুই বেডের মাঝে নালার প্রস্থ ও গভীরতা হবে যথাক্রমে ৩০ সেমি এবং ২০ সেমি। প্রতিটি বেডে ২ টি করে সারি রাখতে হবে। বেডে সারি থেকে সারির দূরত্ব হবে ২ মিটার। প্রতিটি সারিতে ৬০x৬০x৬০ সেমি আকারের গর্ত মাদা তৈরী করে নিতে হবে।


মাদায় ৪-৬ সেমি গভীরে কন্দমুল পুঁততে হবে। তারপর মাটি দিয়ে মাদা ঢেকে তার ওপর খড় বিছিয়ে দিতে হবে যাতে মাদার মাটি শুকিয়ে না যায়। প্রয়োজনে ২/১ দিন পর পর ঝাঁঝরি দিয়ে মাদায় সেচ দিতে হবে। রস না থাকলে কন্দ গজাবে ন আর বেশি রস থাকলে কন্দ পচে যাবে। মোথা লাগানোর সময় পুরুষ ও স্ত্রী মোথার অনুপাত ঠিক রেখে লাগাতে হবে। সেজন্য ৯ টি স্ত্রী মোথা লাগানোর পর ১ টি পুরুষ মোথা লাগাতে হবে। পুরুষ গাছে স্ত্রী গাছের তুলনায় দেরিতে ফুল আসে। তাই স্ত্রী গাছের মোথা লাগানোর ১৫-২০ দিন আগে পুরুষ গাছের মোথা লাগাতে হবে।


রোপণ দূরত্ব:


সারি থেকে সারির দূরত্ব হবে ২ মিটার ও গাছ থেকে গাছের দূরত্ব হবে ২ মিটার। আবার মাদা থেকে মাদার দূরত্ব হবে ২.৫ মিটার।


সার ব্যবস্থাপনা:


সারের নাম শতক প্রতি সার


পঁচা গোবর ৯৬০ গ্রাম


ইউরিয়া ৮০০ গ্রাম


টি এস পি ৮০০ গ্রাম


এম ও পি ৪০০ গ্রাম


জিপসাম ৪০০ গ্রাম


প্রয়োগ পদ্ধতি:


* গোবর সার জমির তৈরির সময় ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিন। 


* সম্পূর্ণ টিএসপি, অর্ধেক এমওপি এবং সম্পূর্ণ জিপসাম চারা লাগানোর ১৫ দিন আগে মাদার মাটির সাথে মিশিয়ে দিন।


* ইউরিয়া ও বাকি অর্ধেক এমওপি সার সমান ৩ ভাগে মোথা লাগানোর ২০, ৪০ এবং ৬০ দিন মাদার মাটির সাথে মিশিয়ে দিন। ডিএপি প্রয়োগ করলে টিএসপি সার প্রয়োগ করবেন না। প্রতি কেজি ডিএপি সার প্রয়োগে ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া কম দিন।


* মাটি অধিক অম্লীয় হলে হেক্টরপ্রতি ৮০-১০০ কেজি ডলোচুন শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিন। মাটির উর্বরতা বা মাটি পরীক্ষা করে সার দিলে মাত্রা সে অনুপাতে কম বেশি করুন।


পরিচর্যা:


কাঁকরোলের গাছ ১০ -১৫ সেন্টিমিটার লম্বা হলে এর গোড়ায়  বাশেঁর কুঞ্চি বা কাটি পুঁতে দিতে হবে। এছাড়া গাছ ৫০ সেন্টিমিটার লম্বা হলে মজবুত করে মাচা তৈরি করে দিতে হবে।


পরাগায়নঃষ:


 কাকরোলে প্রাকৃতিকভাবে পরাগায়ন খুব কম হয়। তাই ভালো ফলনের জন্য কাকরোল ফুলের কৃত্রিম পরাগায়ন করতে হয়। ফুলের কৃত্রিম পরাগায়ন পদ্ধতি নিম্নরূপ-


সকাল ৬ টার দিকে সদ্য ফোটা পুরুষ ফুল বোটাসহ কেটে নিয়ে সতেজ রাখার জন্য ফুলগুলোর বোটা পানির ভেতর ডুবিয়ে ছায়াযুক্ত স্থানে রেখে দিতে হবে।

এরপর পুরুষ ফুলের পুংকেশর ঠিক রেখে পাঁপড়িগুলো ছিঁড়ে ফেলতে হবে। এতে কৃত্রিম পরাগায়নের কাজ সহজ হবে।

তারপর স্ত্রীফুলের গর্ভমুন্ডের ওপর পুরুষ ফুলের পুংকেশর বা পরাগধানির রেণু বা হলদে গুড়া খুব আস্তে আস্তে ২-৩ বার স্পর্শ করাতে হবে। এই কাজটি স্ত্রী ফুল ফোটার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই করতে হবে। এর ফলে গর্ভমুণ্ডে রেনু আটকে যাবে ও পরাগায়ন হবে। সাবধনতা অবলম্বন করলে ১ টি পুরুষ ফুল দিয়ে ৬-৭ টি স্ত্রী ফুলে কৃত্রিম পরাগায়ন সম্ভব।


রোগবালাই ও পোকামকড় দমন:


কাঁকরোল ক্ষেতে জাবপোকা, মাছিপোকা ও বিছাপোকা গাছের পাতা, ফুল ও ফল নষ্ট করে ফেলে। এছাড়া কচি কাণ্ডের রস শুষে নেয়।


এসব পোকার আক্রমণ হলে প্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে।


তবে চারা ঢলে পড়া,পাউডারি মিলডিউ ও মোজাইক হলে কচি গাছের গোড়া পচে যায়।  চারা ঢলে পড়া বোগের ক্ষেত্রে আক্রান্ত গাছ তুলে পুতে বা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।


প্রথম ২টি ছত্রাকজনিত এবং শেষেরটি ভাইরাসজনিত রোগ।


সতর্কতাঃ 


বালাইনাশক/কীটনাশক ব্যবহারের আগে বোতল বা প্যাকেটের গায়ের লেবেল ভালো করে পড়ুন এবং নির্দেশাবলি মেনে চলুন। ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা পোষাক পরিধান করুন। ব্যবহারের সময় ধূমপান এবং পানাহার করা যাবেনা। 


ফলনঃ জাতভেদে শতক প্রতি ফলন ৯৫ -১০০কেজি।


সংগ্রহঃ কচি অবস্থায় সংগ্রহ করা উচিত। ফুল ফোটার ১০-১২ দিন পর কাঁকরোল সংগ্রহের উপযোগী হয়। কাঁকরোল এমন পর্যায়ে সংগ্রহ করা উচিত যখন ফলটি পূর্ণ আকার প্রাপ্ত হয়েছে কিন্তু পরিপক্ক হয়নি।



দেশের ফেসবুকে গত দু দিন মুকেশ আম্বানির ছেলের বিয়ে নিয়ে আলাপ। ত‌র্ক, বিত‌র্ক, ট্রল।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 দেশের ফেসবুকে গত দু দিন মুকেশ আম্বানির ছেলের বিয়ে নিয়ে আলাপ। ত‌র্ক, বিত‌র্ক, ট্রল। 


এই আলোচনার মধ্যেই ভারতের একজন মুসলমান ধনকুবেরে গল্প টা আবার বলি।


অল্প কয়েক দশক আগেই  ভারতের শী‌র্ষ ধনী ছিলেন একজন মুসলমান। শুধু ভারত না, পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ধনী ছিলেন  ভাবা হয়।

 

ভদ্রলোক হায়দারাবাদের সপ্তম নিজাম মীর ওসমান আলী। 


১৯৩৭ সালের ২২ শে ফেব্রুয়ারী টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ ছিল তাকে নিয়ে *।  ম্যাগাজিনটির সেই প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে বলা হয় মীর ওসমান আলী পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ধনী ছিলেন।

 

সে সময়ে তাঁর সম্পদ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপির ২ শতাংশ। পৃথিবীর সবচেয়ে দামী হীরা ছিল তাঁর ব্যক্তিগত কোষাগারে। 


বৃৃটিশ দের কাছ থেকে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন ভাবে ভারতের শাসক রা তাঁর সম্পত্তি কুক্ষিগত করে। নিয়ম কানুন বসিয়ে সম্পত্তির উপর সরকারী নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেন।

 

তাছাড়া  ওসমান আলী উত্তরাধিকাররাও তার মতো যোগ্য ছিলেন না।  ছেলে কে বিয়ে দিয়েছিলেন অটোমানের শেষ রাজার মেয়ের সাথে। হয়তো ভেবেছিলেন দুই সাম্যজ্যের উপরাধিকার রা মিলে নতুন সমাজ্য তৈরি করবে। কিন্তু বিয়ে টা টেকে নি।


পরে ছেলেকে উত্তরাধিকারী না করে নাতি কে উত্তরাধিকার করেছিলেন। কিন্তু নাতি ও যোগ্য ছিলেন না। ৮ম নিজাম মুকাররম জাহ ছিলেন বেহিসাবী। দাদার সব সম্পত্তি খুইয়েছিলেন ভুল বিনিয়োগ আর ডিভো‌র্স স্যাটেলমেন্ট করতে গিয়ে।

 

গত বছরের শুরুর দিকে তিনি মারা যান। মৃত্যুর আগ দিয়ে অ‌র্থনৈতিক অবস্থা বেশ খারাপ ছিল। থাকতেন দু রুমের একটি ফ্লাটে।

 

খোদাতাআলা হয়তো মানুষ দের কে টাকা পয়সা দিলে যোগ্য সন্তান দেন না।



সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০৬-০৩-২০২৪,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০৬-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:


দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সমাপ্ত - সমাপনী ভাষণে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রেখে দেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে - বিদেশিদের কাছে নালিশ করে কোন লাভ হবে না।


ওআইসি বিশেষ সম্মেলনে গাজা সংঘাত অবসানে সম্ভাব্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। 


প্রান্তিক জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের গ্রামে যাওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর। 


মিথ্যা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জেলা প্রশাসকদের সহায়তা চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


আসন্ন রমজান ও পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য, আইন-শৃঙ্খলাসহ সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।


বিশ্ব জুড়ে মেটার সার্ভারে ত্রুটির কারণে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর আবারও সচল।


আজ  সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

কাজী সব্যসাচী নজরুলের একমাত্র ছেলে যিনি বাবার মৃত্যু দেখেছেন,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কাজী সব্যসাচী নজরুলের একমাত্র ছেলে যিনি বাবার মৃত্যু দেখেছেন


বিদ্রোহী কবির তিন ছেলে তার আগেই মারা গিয়েছিলেন, শুধু ৩য় সন্তান কাজী সব্যসাচী মারা গিয়েছিলেন বাবার পরে। তাদের বংশধরেরা কোথায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে এছেন এখন? কেমন আছেন তারা?


বিদ্রোহের কবি, প্রেমের কবি কাজী নজরুল মানুষ হিসেবে ছিলেন সকল জাত-পাত, সাম্প্রদায়িকার উর্ধ্বে। মানুষে মানুষে ধর্মীয় কারণে যে ভেদাভেদ সেটাকে তিনি জীবনে খুব একটা পাত্তা দেননি। তার সৃষ্টি কর্মেও ধর্মীয় পরিচয়কে বারবার তুচ্ছ জ্ঞান করে মানবতার জয়গান গাইতে দেখা গেছে। সাহিত্যের বাইরে বাস্তব জীবনেও তিনি তার প্রমাণ রেখে গেছেন।


১৯২৪ সালে নজরুলের সঙ্গে বিয়ে হয় কুমিল্লার কান্দির পাড়ের কন্যা আশালতা সেনগুপ্তের। বিয়ের আগে বা পরে স্ত্রীকে নজরুল ইসলাম ধর্মে অন্তরিত করেননি। তাই যে- ইসলামি প্রথা মেনে মুসলমানের সঙ্গে মুসলমানের বিয়ে  হয় নজরুলের ক্ষেত্রে সেই প্রচলিত রীতি পালন করা হয়নি। 'আহলে হাদিস' মতে এক বৈবাহিক চুক্তি অনুসারে নজরুলের বিয়ে হয়। তাতে ধর্ম বদলের প্রয়োজন হয়নি।


আশালতার বিধবা মা গিরিবালা দেবী মেয়েকে নিয়ে কলকাতায় চলে আসেন। ১৯২৪ সালের ২৪ এপ্রিল কলকাতায় মেয়ের বিয়ে দেন নজরুলের সঙ্গে। মুসলমান পরিবারে জন্ম নেওয়া প্রায় বাউণ্ডুলে চাকরিহীন, বাসস্থানহীন , ব্রিটিশ সরকারের কুনজরে পড়ে জেলখাটা এক কবির সঙ্গে একমাত্র  মেয়ের বিয়ে দিতে তাঁর সংস্কারে বাধেনি। নজরুলের প্রতি কতটা গভীর স্নেহ থাকলে এমন করে সংস্কারের পুরোনো শৃঙ্খলা ভেঙে ফেলা যায় বিধবা গিরিবালা তাঁর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। আর এ ঘটনা ঘটেছে সেই বাঙালী সমাজের সেই কালে যখন ধর্ম নিয়ে, জাত-পাত নিয়ে নানা টানাপোড়ন নতুন করে  মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে ভারতীয় রাজনীতির প্রশ্রয়েই।


বিয়ের পর আশালতার ঘরে নজরুলের ৪ সন্তান জন্ম নেয়। সবাই ছিলেন ছেলে এবং এর মাঝে প্রথম ২ জনই খুব অল্প বয়সে মারা যান। সন্তানদের নাম যথাক্রমে: 


(১) কাজী কৃষ্ণ মুহাম্মদ, 

(২) কাজী অরিন্দম খালেদ (বুলবুল), 

(৩) কাজী সব্যসাচী এবং 

(৪) কাজী অনিরুদ্ধ। 

প্রথম সন্তান কৃষ্ণ মুহাম্মদ জন্মের কয়েক মাস পরেই মারা যান। দ্বিতীয় সন্তান বুলবুল বেঁচে ছিলেন প্রায় ৩ - ৪ বছর। বুলবুল মারা যাওয়ার পর সন্তান হারানোর শোকে নিচের গানটি লিখেছিলেন কবি- ‘ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি; করুণ চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি’।


তৃতীয় সন্তান কাজী সব্যসাচী: তিনি ছিলেন ভারতের একজন নামকরা আবৃত্তিকার। কাজী সব্যসাচী কাজী নজরুল ইসলামের জীবিত সন্তানদের মধ্যে বড় ছিলেন। ১৯৬০-৭০ এর দশকে তিনি আবৃত্তিকার হিসেবে বিখ্যাত হয়ে উঠেন। ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর পিতার বিখ্যাত “বিদ্রোহী” কবিতাটির আবৃত্তি প্রথম রেকর্ড করেন। ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার “কাজী সব্যসাচী স্মৃতি পুরস্কার” নামে আবৃত্তিতে পুরস্কার দিয়ে আসছে। একজন বাংলাদেশী ও একজন ভারতীয়কে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। 


পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জাতীয় কবি

কাজী সব্যসাচী বিয়ে করেন উমা কাজীকে। ১৯৭২ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবিকে সপরিবারে বাংলাদেশে আনা হয়। ধানমন্ডির ২৮ নম্বর রোডে (বর্তমান নজরুল ইন্সটিটিউট সংলগ্ন) 'কবি ভবন'-এ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁরা বসবাস শুরু করেন। কাজী সব্যসাচী ব্যবসার কাজে কলকাতায় থেকে গেলেও উমা কাজী অসুস্থ কবিকে দেখাশোনা করার জন্য ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। 


সব্যসাচী ও উমার সংসারে ছিলো তিন সন্তান। 


(১) সবার বড় মেয়ে খিলখিল কাজী, একজন নজরুল সংগীত শিল্পী ও সাংগঠক, কাজী নজরুল ইসলামের গান গুলোর মূল স্বরলিপি সংরক্ষণে তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে ২০১৩ সালে নজরুল ইন্সটিটিউট নজরুল পদকে ভূষিত করে।

(২) তারপর দ্বিতীয় মেয়ে মিষ্টি কাজী এবং 

(৩) সবার ছোট ছেলে বাবুল কাজী। 

কাজী সব্যসাচী ১৯৭৯ সালের ২ মার্চ কোলকাতায় মারা যান। আর উমা কাজী মারা যান এ বছর ১৫ জানুয়ারী।  


কাজী অনিরুদ্ধ: কবির চতুর্থ সন্তান, জীবিতদের মধ্যে দ্বিতীয়। প্রখ্যাত গিটারবাদক কাজী অনিরুদ্ধ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র। তিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতনামা সঙ্গীতজ্ঞ। তিনি কবির সৃষ্ট অমর সুর সম্পদ সংরক্ষণের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। নজরুলের দুষ্প্রাপ্য লুপ্ত, অর্ধলুপ্ত গানের সুর উদ্ধার, স্বরলিপি প্রণয়ন ও প্রকাশের মাধ্যমে কবির সৃষ্টিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করেন। কাজী অনিরুদ্ধ'র সহধর্মিণীর নাম কল্যাণী কাজী। কল্যাণী কাজী নিজেও একজন সঙ্গীত শিল্পী। অনিরুদ্ধের সঙ্গে তার বিয়ে হয় ১৯৫২ সালে। তিনি লেখালেখিও করতেন। তাদেরও তিন সন্তান। যথাক্রমে, 


(১) বড় ছেলে কাজী অনির্বাণ, 

(২) দ্বিতীয় ছেলে কাজী অরিন্দম (সূবর্ণ) এবং 

(৩) সবার ছোট মেয়ে কাজী অনিন্দিতা। 

বড় ছেলে কাজী অনির্বাণ নিজে একজন পেইন্টার। কলকাতায় একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা পরিচালনা করেন তিনি। অনির্বাণের স্ত্রী সোমা মুখার্জি। তাদের দুই সন্তান, 


(১) অংকন এবং 

(২) ঐশ্বরিয়া। 

দ্বিতীয় পুত্র অরিন্দম (সূবর্ণ) একজন গিটার বাদক। তিনি কলকাতায় থাকেন। অরিন্দমের স্ত্রী সুপর্ণা ভৌমিক। তাদের দুই সন্তান, 


(১) অভিপ্সা ও 

(২) অনুরাগ। 

কাজী অনিরুদ্ধ’র ছোট মেয়ে অনিন্দিতা একাধারে নজরুল ও রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী। সাংবাদিকতা দিয়ে পেশা জীবনের শুরু হলেও বর্তমানে ভারতের টিভি চ্যানেল ‘তারা মিউজিক'-এর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'আজ সকালের আমন্ত্রণ'-এর উপস্থাপনা করেন। অনিরুদ্ধ পরিবার কোলকাতায় থাকেন। 


কবির জীবদ্দশাতেই ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৪৩ বছর বয়সে কবির কনিষ্ঠ পুত্র অনিরুদ্ধ কোলকাতায় মারা যান। শুধুমাত্র কাজী সব্যসাচী বাবা নজরুল ইসলামের মৃত্যুর পর ১৯৭৯ সালে মারা যান।


তথ্যসূত্র: 


১) কবি নজরুলের প্রেম ও পারিবারিক জীবনের কিছু কথা: জিয়াদ আলি

২) বেড়ে উঠেছি নজরুল পরিবারে: খিলখিল কাজী

৩) ঢাকায় নজরুলের তিন প্রজন্ম: তাসলিমা তামান্না

সূত্র:- এক সাথে


সৌজন্যে – অশোক পাল


চলতি পথে ...(পর্ব:১০৮) নানা সবুজ বৃক্ষরাজি প্রকৃতিকে করে তুলেছে প্রাণবন্ত, শোভাময়।

 চলতি পথে ...(পর্ব:১০৮) নানা সবুজ বৃক্ষরাজি প্রকৃতিকে করে তুলেছে প্রাণবন্ত, শোভাময়। এমনই একটি দৃষ্টিনন্দন শোভাবর্ধক গাছ মেক্সিকান "উইপ...