এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪

পল্লব কীর্ত্তনীয়া ওয়াল থেকে

 সঙ্গীতশিল্পী ইমনকে আমি চিনি না। গান শুনেছি। তাঁর গানে তিনি বহুবার আমাদের গর্বিত করেছেন। সম্প্রতি তাঁর কোনো অনুষ্ঠানে ‘বাংলা গান শুনব না’ বলে একজন দর্শক দাবি জানানোর প্রত্যুত্তরে কড়া ভাষায় তিনি দুচার কথা শুনিয়ে দিয়েছেন। বেশ করেছেন।


এই বাংলায় বাংলা ভাষার দুর্দশা চোখে দেখা যায় না। আমাদের ছেলেমেয়েরা  বাংলায় কথা বলার চেয়ে হিন্দী বা ইংরেজিতে কথা বলায় স্বচ্ছন্দ শুধু নয় তারা সেটাতে শ্লাঘা বোধ করে। যখন বাংলায় তারকাদের কোনো সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়  কতটুকু বাংলা তাঁরা বলেন। নিজের ভাষায় ভালো করে কথা বলতে পারছেন না এ নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবিত কিংবা লজ্জিত নন তাঁরা, সেটাই তাঁদের কাছে স্বাভাবিক। বাংলা  লালু-পাঁচু, সাধারণদের ভাষা। যাঁরা তারকা, যাঁরা অভিজাত তাঁদের বাংলায় বেশি কথা বললে অবনমন হয়! আমার মেডিকেল কলেজের বাঙালী সহপাঠীদের দেখেছি। তারা সবসময় আন্তর্জাতিক! সোস্যাল মিডিয়ায় ভুলেও একবর্ণ বাংলা লেখে না কেউ। আমার ভারি জানতে ইচ্ছে করে এরা ঘুমিয়েও কি ইংরেজি বা হিন্দীতে স্বপ্ন দেখে?


আমি আমার অনেক অবাঙালী রোগীকে দেখেছি হিন্দীতে কথা বলেন। আমি হিন্দী ভালো বুঝি না বলাতে তখন বাংলায় কথা বলেন। অনেকে আবার দশ বছর বাংলায় বসবাস করছেন কিন্তু কাজ চালানোর মত বাংলা শেখার চেষ্টাটুকুও করেন না। অর্থাৎ তাঁর সঙ্গে কমিউনিকেট করতে হলে আপনাকে হিন্দী বলতেই হবে। এ জিনিষ ভরতবর্ষের অন্য কোনো প্রদেশ কেন পৃথীবীর আর কোথাও কল্পনা করা যায়?


কীভাবে প্রতিদিন আমরা বাংলা ভাষাকে ভুলে যাচ্ছি একটু চোখ মেললেই বোঝা যায়। আরজিকর আন্দোলনে একটা জনপ্রিয় শ্লোগানের শেষটুকু ছিল ‘লজ্জা করো প্রশাসন‘, কিংবা দেখবেন এখন অনেকেই ‘আমাকে ভোট দিন‘-এর বদলে বলে, ‘আমাকে ভোট করুন’! দেখলাম ইউটিউবে এক চ্যানেলের সঞ্চালিকা বলে চলেছেন, ‘প্রমাণ সিবিআই-এর হাতে এসে লেগেছে’। এগুলো আসলে হিন্দীর একেবারে আক্ষরিক অনুবাদ। এটা বেশ চলছে এখন। এরকম অজস্র উদাহরণ দেওয়া যায় যা থেকে বোঝা যায় কীভাবে আমরা বাংলা ভাষার বলাৎকার করছি। আর হিন্দীভাষীরা যেভাবে বাংলা বলেন সেটাকে অনুকরণ করে শ্লাঘা বোধ করছি। বিজ্ঞাপনেও মাঝে মাঝে এরকম ভাষার প্রয়োগ আজকাল তাই চোখে পড়ে। কারণ এটা লোকে নিচ্ছে। নিজের মাতৃভাষাকে এভাবে ধর্ষণ করা যায়? অন্য কোন ভাষাার কেউ করবে?


ইমন আপনি আমাকে গর্বিত করেছেন। আমি টুপি খুলে আপনাকে নমষ্কার করছি। আর প্রশ্ন করছি শাসকপক্ষকে কেন বাংলা একমাত্র রাজ্য যেখানে ইংরেজি বা হিন্দি মাধ্যমের ইস্কুলে বাংলা না শিখে দিব্যি পাশ করে বেরিয়ে যাওয়া যায? কেন বাংলার সব স্কুলে বাংলা ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হবে না? কেন এই বাংলায় সরকারী চাকরীর ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার একটা বাধ্যতামূলক পরীক্ষা থাকবে না? এখানে  উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলা ভাষাকে প্রসারিত করার চেষ্টা হবে না কেন? এসব করলেই দেখবেন বাংলা ভাষার মর্যাদা কেমন বেড়ে যাচ্ছে। বাংলা মিডিয়ম স্কুলগুলোর গুরুত্ব কমছে না একটুও। আমরাও বাংলা ভাষাকে মায়ের ভাষা বলে ভালোবাসতে, আদর করতে, যত্ন নিতে শিখছি। বাংলা ভাষার জন্য গর্বিত হতে শিখছি।


অন্য কোনো ভাষাকে আমি কিন্তু ছোট করছি না। প্রত্যেকের কাছে তাঁর মাতৃভাষা সমান আদরের। কিন্তু এই বাংলায় বাংলা ভাষার অনাদর, অবহেলা, অপমান সইতে পারিনা।


তারকা, অভিজাত, অতিশিক্ষিত বাঙালীদের বলি বাংলায় কথা বললে, কিংবা বাংলায় সই করলে বা দরখাস্ত লিখলে হীনমন্যতায় ভোগেন বুঝি? ভুগবেন না। কারণ বাংলায় আজন্ম বেড়ে উঠে অন্য ভাষায় কথা বলতে পারা যতটা গৌরবের মাতৃভাষায় কথা কইতে বা লিখতে না জানাটা তার চেয়ে ঢের বেশি লজ্জার!


ইমন আপনি ভালো থাকুন।


__ পল্লব কীর্ত্তনীয়া ওয়াল থেকে

প্রফুল্লচন্দ্র রায়,ইউনিভার্সিটি অভ এডিনবরায় অধ্যয়নরত,২৪ বছর বয়সী একজন তরুণ মাত্র, যে-ছাত্র,আরও বেশ ক'বছর পরে জগদ্বিখ্যাত একজন বিজ্ঞানী হয়ে উঠবেন

 ১৩৯ বছর আগের পৃথিবী। ------

তখনও বিশ্বযুদ্ধ হয়নি একটিও। ------

মানুষ চাঁদে যাওয়ার যোগ্য হবে এর আরও ৮৪ বছর পরে। এম্পায়ার এস্টেট বিল্ডিং নির্মিত হতে আরও ৪৫ বছর। নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মাতে আরও ৩৩ বছর লাগবে,মাইকেল জ্যাকসনের প্রয়োজন ৭৩ জগদ্বিখ্যাত আবিষ্কার পেনিসিলিন উদ্ভাবিত হবে এর আরও ৪৩ বছর পরে।


এর উদ্ভাবক আলেকজান্ডার ফ্লেমিং-ই মাত্র ৪ বছরের শিশু তখন,খেলছেন স্কটল্যান্ডের বাড়িতে এবং,ওসময়,

ওই স্কটল্যান্ডেই,আরও বেশ ক'বছর পরে ভারতবর্ষ থেকে পড়তে আসা একজন রসায়নবিদ্যার ছাত্র,

প্রফুল্লচন্দ্র রায়,ইউনিভার্সিটি অভ এডিনবরায় অধ্যয়নরত,২৪ বছর বয়সী একজন তরুণ মাত্র,

যে-ছাত্র,আরও বেশ ক'বছর পরে জগদ্বিখ্যাত একজন বিজ্ঞানী হয়ে উঠবেন।



হ্যাঁ,ছবিটি সেই বছরই তোলা,১৩৯ বছর আগে,১৮৮৫ সালে। অক্টোবরের ১০ তারিখে।


ছবিটিকে "বিশ্ব-নারীর ক্ষমতা ও জ্ঞানের আদর্শ ছবি" বলা হয়। শিরোনাম-women in medicine.ছবিতে ৩ জন তরুণীকে দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসাশাস্ত্রের ছাত্রী। তাঁদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মার্কিনদেশের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়া শহরের women's medical college of philadelphia'য় তোলা হয়েছিলো ছবিটি।


ছবিটিকে বৈশ্বিক ছবি বলার কারণ-ছবির তিন ছাত্রী পৃথিবীর সুদূরবর্তী এশিয়ার তিন ভিন্ন দেশের মানুষ। ছবির বাঁয়ে,বসা-ডাক্তার আনন্দাবাই জোশী,ভারতের সেরানিসোরের "কল্যাণ" মাঝখানে,দাঁড়ানো-ডাক্তার কেই ওকামি,জাপানের টোকিওর এবং ডানে,

বসা-ডাক্তার তাবাত এম.ইসমবুলী সিরিয়ার দামেস্কের,অধিবাসী। 


ওই সময়ে,পড়তে এবং ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছেয় পৃথিবীর প্রায় উল্টোপিঠের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেওয়াটা,এক শব্দে-অকল্পনীয়! এখনকার মানবাধিকারের মডেল যে-দেশটিতে,নারীদের ভোটাধিকার পেতে লেগে যাবে এই ছবিটির পরের আরও ৩৫ বছর! অহ্!


আপনারা,মানবেতিহাসের তিনজন শ্রেষ্ঠতম মেধাবী ও জেদি জিনিয়াস মস্তিষ্কের নারীকে দেখতে পাচ্ছেন,

তাঁদের স্ব-স্ব দেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরনে,যাঁরা তৎকালীন সমাজের "বলতে গেলে এখনকারও" সমস্ত সাম্প্রদায়িকতা,কুসংস্কার,তাচ্ছিল্য,প্রতিবন্ধকতা ভেঙে দিয়ে ও ডিঙিয়ে,নিজেদের জ্ঞান ও ক্ষমতাকে,জগতের ও জীবনের সর্বোচ্চ শিখরে তুলে নিয়েছিলেন।


অজানাকে জানার উদ্দেশ্যে তাঁরা পাড়ি দিয়েছিলেন সাত সমুদ্র তেরো নদী। আপনি কী করছেন?


---- সংগৃহীত

মনিরুল ইসলাম স্যারের মেসেজ ১০/১২/২০২৪

 ★আলহামদুলিল্লাহ 

আমাদের শাওন সরদার ভাই আজকে এক গাড়ি ভুসি বিক্রি করেছে। 

শাওন ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 

এভাবে চেষ্টা চালান ভাই দেখবেন আপনিও ভালো কিছু করতে পারবেন আপনার এরিয়ায়।

★সকল ভাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি ভাই আপনারা সকলেই কিন্তু আমার ভাইয়ের মতো শুধু রক্তের সম্পর্কের ভাই হলে সবাই আপন ভাই হয় না। 

আপনারা যে যেখানে আছেন সেখান থেকে চেষ্টা করেন ভুসি ভোগ বিক্রি করার জন্য। 

দেখবেন আমাদের সকল ভাই যদি সর্বনিম্ন এক গাড়ি করে ভুসি বিক্রি করে আমাদের সেলস টা অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

★সকল ভাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি ভাই আপনারা সকলেই কিন্তু আমার ভাইয়ের মতো শুধু রক্তের সম্পর্কের ভাই হলে সবাই আপন ভাই হয় না। 

আপনারা যে যেখানে আছেন সেখান থেকে চেষ্টা করেন ভুসি ভোগ বিক্রি করার জন্য। 

দেখবেন আমাদের সকল ভাই যদি সর্বনিম্ন এক গাড়ি করে ভুসি বিক্রি করে আমাদের সেলস টা অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

★আপনাদের ইচ্ছায় এবং আগ্রহ এবং তার সাথে আপনাদের কঠোর পরিশ্রম আমাদেরকে ভালো এক জায়গায় নিয়ে যাবে আপনারা ছাড়া কোনভাবেই এগুলো সম্ভব না ভালো থাকবেন সকল ভাই।

★অনেক ভাই চিন্তা করছেন সেলফি হচ্ছে না টেনশনে পড়ে গেছেন রফিকুল ভাই ফিরোজ ভাই টেনশন করেন না চেষ্টা করেন দেখবেন আপনারা অনেক ভালো কিছু করতে পারবেন। 

আমাদের ট্রেড মার্কেটিং এ যে সকল ভাই আছে সম্পূর্ণ ট্রেড মার্কেটিং মিলিয়ে আপনারা কারো থেকে কোন অংশে কম না।

★আব্দুল বারিক আবু হানিফ যদি বিক্রি করতে পারে আপনারা কেন পারবেন না আপনারাও পারবেন ভালোমতো কাজ করেন ভাই টেনশন করেন না।

প্রণাম কবিগুরু ** কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর                         —- দান ( কবিতা )

 প্রণাম কবিগুরু

** কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

                        —- দান ( কবিতা )

      ( দান < বিচিত্রিতা < কবিতা ও গান < রবীন্দ্র-রচনাসমগ্র )


        ‘বিচিত্রিতা’-কাব্যের  ‘দান’-কবিতার ছবিটি  সুনয়না দেবীর আঁকা,  আবেশময়ী এক নারী প্রস্ফুটিত পুষ্পসহ  একটি পল্লবের দিকে মুগ্ধ বিস্ময়ের দৃষ্টিতে চেয়ে আছে ।  কবির চোখে ধরা পড়েছে  এই নারী যেন রাত্রির শেষের তরুনী উষা,  চোখে তার নব জাগরণের বিস্ময় ।


        রাত্রি শেষে  উষা জেগে উঠে দেখে যে তার শয্যায় তারই উদ্দেশে ফুলের ডালি কোন্ প্রেমিক রেখে গেছে ।  উষার অজ্ঞাতে সুপ্তি ঢাকা রাতে শুভ্র আলোর স্মরণে ফুলকে বাণীময় করেই অর্ঘ্য রেখে গেছে ।  এই প্রেম নিবেদনের প্রত্যুত্তরে স্তব্ধ মৌনী উষা কিছু বলুক —- কবি তা চান । —-


                    “ তোমার পাখির গানে

                                পাঠাও  সে-অলক্ষ্যের পানে

                                          প্রতিভাষণের বাণী,

                বলো তারে-- হে অজানা, জানি আমি জানি,

                               তুমি ধন্য,  তুমি প্রিয়তম,

                                          নিমেষে নিমেষে তুমি চিরন্তন মম ।”


                                 ———-  ০  ———-


                                      হে উষা তরুণী,

                নিশীথের সিন্ধুতীরে নিঃশব্দের মন্ত্রস্বর শুনি

                যেমনি উঠিলে জেগে, দেখিলে তোমার শয্যাশেষে

                                      তোমারি উদ্দেশে

                            রেখেছে ফুলের ডালি

                                            শিশিরে প্রক্ষালি

                কোন্‌ মহা-অন্ধকারে কে প্রেমিক প্রচ্ছন্ন সুন্দর ।

                                      তোমারে দিয়েছে বর

                            তোমার অজ্ঞাতে

                                          সুপ্তিঢাকা রাতে,

                            তব শুভ্র আলোকেরে করিয়া স্মরণ

                                          আগে হতে করেছে বরণ ।

                            নিজেরে আড়াল করি

                                    বর্ণে গন্ধে ভরি

                                                 প্রেমের দিয়েছে পরিচয়

                                                          ফুলেরে করিয়া বাণীময় ।

 


                মৌনী তুমি,  মুগ্ধ তুমি,  স্তব্ধ তুমি,  চক্ষু ছলোছলো —-

                                      কথা কও,  বলো কিছু বলো,

                            তোমার পাখির গানে

                                      পাঠাও সে-অলক্ষ্যের পানে

                                                     প্রতিভাষণের বাণী,

                     বলো তারে —- হে অজানা,  জানি আমি জানি,

                                    তুমি ধন্য,  তুমি প্রিয়তম,

                                                  নিমেষে নিমেষে তুমি চিরন্তন মম ।

কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত সম্পর্কে  চমৎকার একটি ঘটনা,,,,

 💢 কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত সম্পর্কে  চমৎকার একটি ঘটনা।💢


💎 🖋একজন লোক ছিল, যে সার্বক্ষণিক কোরআন তেলাওয়াতের রত থাকত। কিন্তু সে কোরানের কোন আয়াত মুখস্ত করতো না, তার ছোট্ট সন্তানটি একদিন তাকে জিজ্ঞেস করল যে, বাবা... তুমি কোরআন মুখস্থ না করে শুধু শুধু তেলাওয়াত করে কি লাভ...? বাবা তাকে বললো ঠিক আছে তোমাকে বলছি শুনো...


💎 আচ্ছা তার আগে বলো তুমি কি কোন ছিদ্রযুক্ত পাত্র দ্বারা কোথাও থেকে পানি ভর্তি করে আনতে পারবে...? ছেলেটি বলল ছিদ্র যুক্ত পাত্র দিয়ে পানি ভর্তি করে আনা কিভাবে সম্ভব..?! বাবা বললো, চেষ্টা করে দেখো, বাবা তার হাতে একটি ছিদ্রযুক্ত পাত্র দিল, যে পাত্রটি দেয়া হয়েছে তা ব্যবহার করা হতো কয়লা বহন করার কাজে।


💎 অতএব, বালক উক্ত পাত্রটি হাতে নিয়ে সমুদ্রের দিকে অগ্রসর হল এবং সে চেষ্টা করতে লাগল পাত্রটি ভর্তি করে তার বাবার কাছে দ্রুত ফিরে আসার।


💎 কিন্তু সে ব্যর্থ হলো। কারণ, পাত্রটি ছিল ছিদ্র যুক্ত, আর কোন ছিদ্রযুক্ত পাত্রে পানি না থাকাটাই স্বাভাবিক।


💎 অতঃপর সে তার বাবাকে বলল না এভাবে সম্ভব নয়।


💎 বাবা তাকে বললো দ্বিতীয়বার চেষ্টা করে দেখো।


💎 সে তাই করলো, কিন্তু সে পানি ভর্তি পাত্র আনতে অ-সফল হল সে এভাবে তিন থেকে পাঁচ বার চেষ্টা করেও সফল হলো না অ-সফল হল।


💎 শেষ পর্যন্ত সে হাঁপিয়ে উঠলো, অতঃপর তার বাবাকে বললো, এ পাত্র পানি দ্বারা ভর্তি করা কখনও সম্ভব নয়। এবার তার বাবা তাকে বলল তুমি কি পাত্রটিতে কিছু অনুভব করতে পেরেছ?


💎 তখন ছেলেটি পাত্রের দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকালো, এবং বললো হাঁ পাত্রটি কয়লার গুরুতে ময়লাযুক্ত ছিল কিন্তু এখন সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে গেছে।


💎 অতঃপর বাবা তার ছেলেকে বললো, এভাবে কোরআন তোমার অন্তরকে পরিষ্কার করে দেবে, এই পৃথিবী এবং এই পৃথিবীর কার্যকলাপ তোমার আমার অন্তরকে কয়লা যুক্ত করে ফেলেছে। কোরআনে কারীম হচ্ছে সাগরের পানির মতো, যা তোমার-আমার অন্তরকে পরিষ্কার করে দেবে, যদিওবা তুমি কুরআনে কারীম থেকে কোন আয়াতই মুখস্থ না করো।


💎 এমন যেন না হয় যে, তোমার হিফজ বা মুখস্থ শক্তির অপারগতাকে ইবলিশ শয়তান কাজে লাগিয়ে তোমাকে পবিত্র কুরআনের তেলাওয়াত থেকে দূরে সরিয়ে দিতে সফলকাম হয়।


💎 তেলাওয়াতের ছাওয়াব স্বতঃসিদ্ধ ভাবে প্রমাণিত ছিল, আছে, এবং ভবিষ্যতেও অটল থাকবে। কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী।


💎 হযরত উসমান রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, خيركم من تعلم القرآن وعلمه


💎 তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি যিনি কোরআনে কারীম শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।


💎 অন্য আরেকটি হাদীসে বলা হয়েছে, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাম বলেছেন।

" مَنْ قَرَأَ حَرْفًا مِنْ كِتَابِ اللَّهِ فَلَهُ بِهِ حَسَنَةٌ ، وَالْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا ، لَا أَقُولُ الم حَرْفٌ ، وَلَكِنْ أَلِفٌ حَرْفٌ وَلَامٌ حَرْفٌ وَمِيمٌ حَرْفٌ "


💎 যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়, প্রতিটি নেকি দশটি নেকি সমান, আমি বলিনা যে আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ বরং "আলিফ" একটি হরফ, "লাম" একটি হরফ, "মীম" একটি হরফ।


🔸 আমি আপনি ঘটনাটি থেকে যে শিক্ষা অর্জন করলাম, তা আপনার প্রিয় মানুষগুলো কে লাইক, কমেন্স ও শেয়ার করুন, যাতেকরে তারাও এ ঘটনাটি থেকে শিক্ষা লাভ করতে পারে। 🔸


🖋

সঙ্গীতজ্ঞ শচীন দেববর্মণের মত সম্মান আর কোনও বাঙালি পাননি!

 বোম্বেতে বোধহয় গায়ক,সঙ্গীতজ্ঞ শচীন দেববর্মণের মত সম্মান আর কোনও বাঙালি পাননি! কিন্তু মানুষটার মন চিরকাল কলকাতার জন্য ছটফট করত। বলতেন দূর যে দেশে গঙ্গা নাই- সেটা আবার দেশ নাকি! যখন ফিল্মিস্তানের কাজ করতেন দুটো করে টাকা পকেটে নিয়ে যেতেন। পরবর্তী কালে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করেছেন তখনও দু'টাকা ও দুই লক্ষ টাকার টাকার মধ্যে বিশেষ প্রভেদ ছিল না। এক মন উদাস করা সন্যাসী গায়ক ও সঙ্গীতজ্ঞ,সংসার ,বিবাহ সবকিছু সামলেও  যাঁর জীবনের প্রথম ও শেষ প্রেম বোধহয় গান!

ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


রাজ পরিবারের ছেলে শচীন দেববর্মণ ,মানুষ হয়েছেন সেই রকম স্টাইলে। সেন্ট জেভিয়ার্সের ছাত্র, টেনিস খেলতেন কলকাতার সাউথ ক্লাবে। মান্না দে'র কাকা কৃষ্ণচন্দ্রের কাছে গান শিখেছেন পরে ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। তাঁর গানের প্রথম দিকে দুজনের প্রভাব ছিল। কিন্তু সীমাহীন টান ছিল রবীন্দ্রনাথের গানের প্রতি। এক দিন মেঘলা দুপুর শচীন কর্তা একা একা হারমোনিয়াম নিয়ে গুনগুন করছেন। সেই সময়ে  কাজী নজরুল ইসলাম আসলেন। দরজা থেকে বললেন " আরে মুখটা তো বেশ করেছো শচীন, দাঁড়াও একটা কাগজ পেন্সিল দাও"।  মিনিট পনেরো সময় নিলেন নজরুল ইসলাম লিখে ফেললেন একটা গান। সুর বসাতে ঘন্টা খানেক সময় লাগল। পরদিন রেকর্ডিং হল প্রচণ্ড হিট গান ' মেঘলা নিশি ভোরে,মন যে কেমন করে'।


অন্য একবার-  চিত্র পরিচালক তপন সিংহ বম্বেতে গিয়ে দেখলেন শচীন কর্তা একটা সুর করছেন। তপন সিংহ কে বললেন " শোনো তো একটা গানের সুর করছি - কী রকম লাগছে? লতা গাইবে। শোনালেন বিখ্যাত সেই গান : ' মেঘছায়ে আঁধি রাত'। শচীন দেববর্মণের দরদি কণ্ঠ মল্লার ঘেঁসা সুর। তপন সিংহ বললেন চমৎকার হয়েছে। কর্তা উত্তরে জানালেন" আরে রাম রাম - একি আমার নিজের! সবই রবীন্দ্রনাথের কৃপায়।

 ধ্রুবতারাদের খোঁজে 


বোম্বেতে তপন সিংহ একবার দিলীপকুমার কে কোনও প্রয়োজনে টেলিফোন করে পেলেন না । সায়রাবানু ফোন ধরে  জানালেন দিলীপকুমার হায়দরাবাদ গিয়েছেন পরশু ফিরবেন। প্রায় সাথে সাথেই বললেন দাদা শুনেছেন শচীনদার স্ট্রোক হয়েছে। বম্বে হসপিটালে ভর্তি  শচীন কর্তা।  হাসপাতালে গিয়ে তপন সিংহ দেখলেন শচীন কর্তার বাঁদিক পক্ষঘাতে অচল। করুণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। কথা জড়িয়ে যাচ্ছে, বললেন " তপন আর কিছু চাই না - যদি একটু গুনগুন করে গান গাইতে পারতাম"।


কর্তাকে উৎসাহ দিয়ে স্নেহের তপন বললেন নিশ্চয়ই পারবেন। বড়ে গোলাম আলি সাহেব একটা স্ট্রোকের পরেও গান গেয়েছেন। আমি নিজের কানে সেই গান শুনেছি শচীনদা। কিন্তু মৃত্যু বোধহয় চলে নিজের খেয়ালে। বোম্বে থেকে কলকাতায় ফিরেছেন, কিছুদিন পরে তপন সিংহ খবর পেলেন শচীন দেববর্মণ চলে গেছেন না ফেরার দেশে সেদিন ছিল ৩১ অক্টোবর ১৯৭৫ । ভারতের সংগীতের আকাশ থেকে খসে পড়ল উজ্জ্বল এক নক্ষত্র। বোধহয় শেষ হল সংগীতের একটি অধ্যায়। দেশ হারালো এক কৃতী সন্তানকে।

 ধ্রুবতারাদের খোঁজে 



পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার, মনে পড়ে,তপন সিংহ

কম্পাস বা দিক নিরদেশক যন্ত্র ছাড়াও পূর্ব পশ্চিম দিক নির্ধারণ করা সম্ভব যেভাবে

 > কম্পাস বা কম্দিপাসক নির্দেশক যন্ত্র ছাড়াও উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম দিক নির্ধারণ করা সম্ভব। প্রাচীনকালের একটি সহজ পদ্ধতি হলো ছায়া ব্যবহার করে দিক নির্ধারণ করা। নিচে ধাপে ধাপে বর্ণনা করা হলো কীভাবে সহজে একটি কম্পাস তৈরি করা যায়:


◾প্রয়োজনীয় উপকরণ:

*একটি প্রায় 90 সেন্টিমিটার দীর্ঘ লাঠি

*দুইটি ছোট পাথর বা অন্য কোনো চিহ্ন রাখার বস্তু

*একটি খোলা জায়গা যেখানে সূর্যের আলো আসে


◾ধাপসমূহ:


১. লাঠি স্থাপন:

একটি প্রায় ৯০ সেন্টিমিটার দীর্ঘ লাঠি খোলা জায়গায় মাটিতে স্থাপন করুন। এমন জায়গা বেছে নিন যেখানে সূর্যের আলো পরিষ্কারভাবে পড়ে। লাঠিটি সোজা এবং স্থিরভাবে মাটিতে বসান যাতে এটি একটি ছায়া তৈরি করতে পারে।


২. প্রথম ছায়া চিহ্নিত করুন:

লাঠির ছায়া যেখানে পড়ে, সেখানে একটি ছোট পাথর রাখুন। এটি হবে প্রথম ছায়া চিহ্ন। এই ছায়া সূর্যের অবস্থানের উপর নির্ভর করে দিনভরের বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হবে।


৩. সময় অপেক্ষা:

দশ থেকে পনের মিনিট অপেক্ষা করুন। এই সময়ের মধ্যে সূর্য আকাশে কিছুটা সরবে, ফলে লাঠির ছায়াও সরতে থাকবে।


৪. দ্বিতীয় ছায়া চিহ্নিত করুন:

কিছুক্ষণ পর আবার লাঠির ছায়ার ডগার দিকে লক্ষ্য করুন এবং যেখানে এটি নতুন করে পড়ছে সেখানে দ্বিতীয় পাথরটি রাখুন। এটি হবে দ্বিতীয় ছায়া চিহ্ন।


৫. লাইন আঁকুন:

প্রথম পাথর এবং দ্বিতীয় পাথরের মধ্যে একটি সরল রেখা আঁকুন। এই রেখাটি হবে পূর্ব-পশ্চিম দিক নির্দেশক লাইন।


৬. দিক নির্ধারণ:

এখন আপনার বাম পা প্রথম পাথরের উপর এবং ডান পা দ্বিতীয় পাথরের উপর রাখুন। এভাবে দাঁড়ালে আপনি উত্তর দিকে মুখোমুখি হবেন।


◾দিক নির্ধারণের ব্যাখ্যা:


পৃথিবীর যেকোনো স্থানে প্রথম ছায়ার চিহ্ন সবসময় পশ্চিম দিকে পড়ে, এবং দ্বিতীয়টি পূর্ব দিকে। এই পদ্ধতি সূর্যের গতিপথের ভিত্তিতে কাজ করে, যেহেতু সূর্য পূর্ব দিক থেকে উঠে পশ্চিমে অস্ত যায়।


এই পদ্ধতি বহু প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যখন মানুষ প্রাকৃতিক উপায়ে দিক নির্ধারণ করত। এটি একটি সহজ, কার্যকরী এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি যা এখনো বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা যায়, বিশেষ করে কম্পাস না থাকলে বা প্রযুক্তির ব্যবহার সম্ভব না হলে। (সংগৃহীত)

জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন,,,,,

 জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন:


I. প্রথমেই , জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর  এবং উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ সম্পর্কে জানতে হবে।


II. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার কাছ থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন, যেমন- সি.এস খতিয়ান, এস.এ  খতিয়ান , আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ানসহ সর্বশেষ পর্যন্ত যে সকল বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল(chain of title), নামজরী খতিয়ান এবং হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র।


III. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন সে যদি  ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে এবং সে যদি  উত্তরাধিকার সূত্রে ভুমির মালিক হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।


IV. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে। বিক্রেতা যদি বলেন যে আপোষমুলে বণ্টন হয়েছে, কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি, তবে ফারায়েজ অনুযায়ী বিক্রেতা যেটুকু অংশের দাবিদার শুধু সেটুকু কিনাই নিরাপদ হবে। 


V. উক্ত জমিটি নিয়ে কোন মামলা বিচারাধীন আছে কিনা কিংবা কোন প্রকার মামলা নিস্পত্তি হয়েছে  কিনা এবং ব্যাংক কিংবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে জমিটি বন্ধক/ দায়বদ্ধতা আছে কিনা।


VI. যাচাই করতে হবে জমিটি খাস, পরিত্যক্ত, শত্রু স¤পত্তি কিনা বা সরকার কোন কারনে অধিগ্রহণ করেছে কিনা সে বিষয়ে উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।

 

VII. জমির মালিক নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে। নাবালক হলে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত করে বিক্রয়ের অনুমতি নিতে হবে।


VIII. সর্বশেষ নামজারি পরচা ডিসিআর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে।


IX. জমির মালিকানা স্বত্ব সঠিক পাওয়ার পর আপনাকে সি.এস/আর.এস/বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের নকশা নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে হবে নকশা অনুযায়ী ঐ জমিটি সেই দাগের কিনা এবং  সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে।


X. এরপর বিক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট জমিটি বর্তমানে কে দখলে আছে, কিনতে গেলে কোন কারনে ভোগ দখলে বাধাগ্রস্থ হবে কিনা কিংবা রাস্তা বা পথাধিকারের কোন বাধা নিষেধ আছে কিনা তাও সরেজমিনে যাচাই করে নিতে হবে।

সচেতন হোন দিনে অন্তত একবেলা লাল চালের ভাত বা পান্তা খান। শিশু ও গর্ভবতী মায়ের ভাতের থালায় লাল চালের ভাত দিন।,,,BRRI RICE ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "যতোই উপকারি হোক গরীবেও মোটা চাইলের ভাত খেতে চায় না; কেউ কিনে না চামারা ধান। নিজেদের পিঠা খেতে হয় তাই এখনও আবাদ করি " এক চামারা চাষির আক্ষেপ। এ যেন সৈয়দ মুজতবা আলী বর্ণিত সেই অচ্ছেদ্য চক্র। 


গভীর পানির ধান চামারা । বন্যার পানিতেও টিকে থাকার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে চামারার; পানি বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে ধানগাছ। গভীর পানিতে আবাদ হয় তাই চামারা ধান চাষ করতে রাসায়নিক সার বি*ষ লাগে না।

টাঙ্গাইল , মানিকগঞ্জ, ঢাকা জেলার নদীর তীরবর্তী নিম্নভূমিতে এই ধানের আবাদ এখনও টিকে আছে।

এই ধানের চাল মোটা ও লাল রঙের হয়। এই চালের ভাত মিঠা স্বাদের। চামারা চাল পুষ্টি সমৃদ্ধ তো বটেই, স্বাদও দারুন। এর খিচুড়ি অসাধারণ, পিঠাও সুস্বাদু।


বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক জমি প্লাবন সমভূমি। এই জমিগুলি আমন মৌসুমে অনাবাদী থাকে কারণ পানিতে যে ধানগুলি হয় তার চাল মোটা। যতোই উপকারি হোক মোটা চাল গরীবেও খায় না। সবাই ফেয়ার এন্ড লাভলী মার্কা সাদার চেয়েও বেশি সাদা চিকন চালের ধান খেতে চায়। 


খাদ্যাভাস পরিবর্তনের কারণে চামারা সহ অন্যান্য পানির ধানের আবাদ কমে গেছে; উপযোগিতা হারাইছে মিনিকেটের কাছে। অথচ চামারার স্বাদ বুঝাতেই এই গ্রাম্য বচন আছে- "ইস্টির মধ্যে মামারা যদি থাকে নানি, ধানের মধ্যে চামারা যদি থাকে পানি"


সচেতন হোন দিনে অন্তত একবেলা লাল চালের ভাত বা পান্তা খান। শিশু ও গর্ভবতী মায়ের ভাতের থালায় লাল চালের ভাত দিন।


তথ্যসূত্রঃ ১. জাগরনীয়া.কম ২.প্রিয়.কম ৩. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।


ছবি- গভীর পানির চামারা ফুল ফাইবার মোটা চাল।

লেখা- হাসান মেহেদি (সংশোধিত)

ছবি: অনুপ বিশ্বাস এবং অন্যান্য।

বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় গানের স্বনামধন্য শিল্পী শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব এর আজ ২৫-তম প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। 

 বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় গানের স্বনামধন্য শিল্পী শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব এর আজ ২৫-তম প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। 


শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব (১৯২৭-২০০০) ছিলেন চট্টগ্রামের কথ্য ভাষায় রচিত আঞ্চলিক গানের একজন বিখ্যাত গায়ক।

কণ্ঠশিল্পী শ্যামসুন্দর ১৯২৭ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার ফতেয়াবাদস্থ নন্দীরহাট এলাকায় সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। খুব অল্প বয়সে তার বাবা পরলোক গমন করায় পরিবারের হাল ধরার লক্ষে চাকরিতে নিয়োজিত হওয়ায় শিক্ষাজীবনে তিনি বেশিদূর যেতে পারেননি।

শ্যামসুন্দরের পিতা জয়দাশ বৈষ্ণব ছিলেন আধ্যাত্মিক গানের একনিষ্ঠ সাধক।তার হাত ধরেই শ্যামসুন্দর সংগীতাঙ্গনে প্রবেশ করেন। গান আর কৌতুক নিয়ে এলাকায় শিশুকালে সাড়া ফেলে দিয়েই আগাম জানিয়েছিলেন তিনিই হবেন সাংস্কৃতিক জগতের সফল এক নক্ষত্র। ১৯৬৩ সালে চট্টগ্রামের প্রবীণ গীতিকার ও সুরকার সৈয়দ মহিউদ্দিন (প্রকাশ মহি আল ভান্ডারী) এর কথা ও সুরে দুটি আঞ্চলিক গান পরিবেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বেতারের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সঙ্গীত জীবনে পর্দাপণ করেন। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের কণ্ঠশিল্পী হিসেবে তালিকাভূক্ত হবার যোগ্যতা অর্জন করেন।

শ্যামসুন্দরের কিছু জনপ্রিয় গান

• ও জেডা ফইরার বাপ,

• ভানুরে ও ভানু

• ও বাস কন্ডাকাটার,

• চল আঁরা ধাই,

• আঁর বাইক্য টেয়াঁ দে,

• আঁর বউঅরে আঁই কিলাইউম,

• ভাইসাব দুম্বি আইয়েন লেলে ফুঁৎ কইছে,

• ও বেয়াইনরে কেনতে আইলেন আঙ্গোঁ বাইত,

• আন্নের বাই দাগনভূইঞা,

• দেশে গেলে কইয়েনগো ভাইজান চাটিগাঁয়ে চাকরি একখান হাইছি

শ্যামসুন্দর জীবদ্দশায় অনেক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- বাংলাদেশ বেতার গুণীজন সংবর্ধনা, রয়েল ক্লাব অব মেট্রোপলিটন, মুক্তিযুদ্ধের বিজয়মেলা, শহীদ নতুন চন্দ্র সিংহ স্মৃতি পরিষদ, বাংলাদেশ উদীচী, চট্টগ্রাম শিল্পী সংস্থা, ধ্রুব পরিষদ, বীর চট্টগ্রাম মঞ্চ, অবসর সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, আলাউদ্দিন ললিতকলা একাডেমি, ত্রিতরঙ্গ, ফতেপুর রুদ্র পল্লীবাসী, হাটহাজারী কণ্ঠ, সম্মিলিত বর্ষবরণ । মৃত্যুর পর ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে একুশে পদক পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।


৪ ডিসেম্বর ২০০০ তিনি পরলোকগমন করেন।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...