এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫

সমাজে প্রচলিত কিছু শিরক,,,,,,

 সমাজে প্রচলিত কিছু শিরক


====================

(১) পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরীক্ষায় ডিম (ফেল) পাবে বিশ্বাস করা শিরক।

(২)দোকানের প্রথম কাস্টমার ফেরত দিলে অমঙ্গল হয় বা আর কাস্টমার হবে না অথবা প্রথম কাস্টমার কে বাকিতে দিলে পরে সব বাকি যাবে এমন মনে করলে বা বিশ্বাস করিলে শিরক হয়।

(৩)জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম হবে মনে করলে শিরক হয়।

(৪) রাতে নখ, চুল ইত্যাদি কাটতে নাই। কাটলে ক্ষতি হতে পারে মনে করলে শিরক হয়।

(৫)আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে শপথ করা শিরক 

(৬)ঘরের ময়লা পানি রাতে বাইরে ফেলা যাবে না। 

(৭)ঘর থেকে কোন উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর পেছন থেকে ডাক দিলে যাত্রা অশুভ হবে।(৮)ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হবে 

(৯)ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেলতে বলা হয়, দাঁত ফেলার সময় বলতে শিখানো হয়, ‘ইঁদুর ভাই, ইঁদুর ভাই, তোর চিকন দাঁত টা দে, আমার মোটা দাঁত টা নে।’

(১০)বলা হয়, কেউ ঘর থেকে বের হলে পিছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ। তাতে নাকি যাত্রা ভঙ্গ হয় বা অশুভ হয়।

(১১). ঘরের চৌকাঠে বসা যাবে না।

(১২)রাতে নখ, চুল, দাঁড়ি গোফ ইত্যাদি কাটতে নেই।

সৌভাগ্যের বরকন্যা মৌসুমী 👑 শাবনাজ,মৌসুমী,শাবনূর তিনজনই  সমসাময়িক নায়িকা।  কিন্তু এই তিন নায়িকার জীবন তিন রকম। 

 সৌভাগ্যের বরকন্যা মৌসুমী 👑


শাবনাজ,মৌসুমী,শাবনূর তিনজনই  সমসাময়িক নায়িকা। 

কিন্তু এই তিন নায়িকার জীবন তিন রকম। 

★শাবনূর ক‍্যারিয়ারে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন,দর্শকদের চাহিদাও ছিল এই নায়িকার, রোমান্টিক এই নায়িকা তার প্রতিভা কাজে লাগাতে পেরেছেন। কিন্তু এক জায়গায় তিনি ব‍্যর্থ হয়েছেন,তা হলো সংসার জীবন। বিয়ে করে সুখী হতে পারেননি এই নায়িকা। ধোঁকা তার স্বামী তাকে দিলেও, তিনি এখনকার কিছু নায়িকাদের মতো সেটা নিয়ে জল ঘোলা করে সেই ঘোলা জলে মাছ শিকার করতে চাননি।ছেলেকে নিয়ে সুখেই আছেন।

★ শাবনাজ অনেক প্রতিভাবান ছিলেন,দেখতেও সুন্দরী,কিন্তু যেই সময়ে উনি ছিলেন সফলতার শীর্ষে, ছিলেন দর্শক চাহিদার তুঙ্গে, ঠিক সেইসময় তিনি তার ক‍্যারিয়ারকে বিদায় জানান,বেছে নেন সংসার জীবনকে। আজ হয়তো তার এক উজ্জ্বল অতীত নেই,কিন্তু আছে এক সুন্দর বর্তমান,স্বামী আর কন‍্যাদের নিযে সুখী এই সাবেক নায়িকা।

শাবনূর এবং শাবনাজকে,ভাগ‍্য একটা করে বর দিয়েছে,অর্থাৎ একটা করে সৌভাগ্য দিয়েছে, যেমন শাবনূরকে দিয়েছে ক্যারিয়ারের সুখ, আর শাবনাজকে দিয়েছে সংসারের সুখ। কিন্তু...

★ মৌসুমীকে ভাগ‍্যের বরকন‍্যা বলা চলে। যিনি তুঙ্গসম ক‍্যারিয়ার,ঘর সংসার এবং সন্তান,সব সুখেই সুখী হয়েছেন। এই নায়িকা যেমন ক‍্যারিয়ারে সফল,তেমনি সফল সংসার জীবনেও। ভাগ‍্য যেনো তাকে দুহাত ভরে দিয়েছে এবং দীর্ঘ তিনদশক শীর্ষ সারির অভিনেত্রী থেকে নিজেকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।

মৌসুমী শাবনূর শাবনাজ বা পপি,এই নায়িকারা যেমন সুন্দরী ছিলেন,ছিলেন ব‍্যক্তিত্ববান,তারা তাদের ব‍্যক্তিগত জীবন নিয়ে ছিলেন নিরব। তাদের পার্সোনাল লাইফকে তারা এখনকার কিছু নায়িকাদের মতো খোলা বাজারের বই করে দেননি। নাতো এই সমসাময়িক নায়িকারা একে অপরের পেছনে লেগেছিলেন হাত ধুয়ে। মৌসুমী শাবনূর বা পপি পূর্ণিমা উনারা যার যার প্রতিভা অনুযায়ী কাজ পেয়েছেন, কাজ করেছেন। কোনো একজন বিশেষ নায়িকার মতো নিজেই সব কাজ কেড়ে নিয়ে অন‍্য নায়িকাদের বেকার করে দেবার চেষ্টা করেননি। তাই আজ উনারা তাদের ব্যক্তিগত জীবনে সুখী আছেন। স্বামী না থাকা সত্ত্বেও শাবনূর বা পপি,উনারা সেটা নিয়ে ইস‍্যু বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সিমপ‍্যাথি পাওয়ারও চেস্টা করেন না। সেই সাথে তাদের ইমেজকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেন না।।। 

মৌসুমী_শাবনাজ_শাবনূর_পপি_পূর্ণিমা 


© নাহিদ সুলতানা

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের সাথে একসময় পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঘোষিত স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা গড়ে উঠেছিল

 গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের মহৎ গুণ ছিল অন্য কেউ ভাল গান লিখলে তিনি মুক্ত কণ্ঠে প্রশংসা করতেন। তবে এই গুণ মোটেও ছিল না পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! গীতিকার পুলকের লেখা 'তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে আমার মরণযাত্রা যেদিন যাবে '। কিশোরকুমার অসাধারণ গেয়েছেন তবে তিনি কম রসিক নন। গানের কথা শুনে নাকি বলেছিলেন! না ভাই, এ গান গান আমি গাইব না। আমার তো দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে এই গান গাইলে তিন নম্বরটা হয়ে যাবে!


গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের সাথে একসময় পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঘোষিত স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা গড়ে উঠেছিল


। গৌরীপ্রসন্ন লিখলেন ' যদি কাগজে লেখ নাম কাগজ ছিঁড়ে যাবে। পুলক তার উত্তরে লিখলেন ' আমার ভালবাসার রাজপ্রসাদে নিশুতি রাত গুমরে কাঁদে '। দুজনের স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতায় অসামান্য সব অমর গান তৈরি হয়েছে। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের আরও একটি গুণ ছিল ভাল গানকে মুক্ত কণ্ঠে তারিফ করতেন। শেষের দিকে খোলাখুলি বলতেন পুলকবাবু যা গান লিখেছেন তা সত্যিই অপূর্ব। কিন্তু এই গুণটা নাকি পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছিল না অন্তত মান্না দে সেকথা স্বয়ং বলছেন।


গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের জীবনের শেষ গান মান্না দে গেয়েছেন। এই গানটি শুধু গৌরীবাবুর জীবনের শেষ গান নয় এই গানে আছে তাঁর অনেক ব্যাথা - বেদনা। রোগশয্যায় শুয়ে সত্যি সত্যি ভাবতেন, তিনি কি আর ভাল হবেন না। তাই সেই গান অমর কিনা প্রশ্ন নয় প্রশ্ন হল কত বেদনার হতে পারে একটি শিল্পীর জীবনের প্রতি ভালবাসা ' আমি কি আর ভাল হব না, ডাক্তার রায় '? গানটি যখন রেকর্ডিং হয় ততদিনে গৌরীপ্রসন্ন জীবনের মায়া কাটিয়ে অমৃতলোকে যাত্রা করেছেন।


পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মান্না দে 'র সখ্য সর্বজনবিদিত।

পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় অসাধারণ লিখতেন। তাঁর মৃত্যু মান্না দে কে গভীর আঘাত করে। গানটি গাওয়ার ব্যাপারে তিনি ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু বন্ধুবর পুলকের অনুরোধে গাইলেন ' যখন এমন হয় জীবনটা মনে হয় ব্যর্থ আবর্জনা,ভাবি গঙ্গায় ছাঁপ দিই রেলের লাইনে মাথা রাখি '। তখন কে আর জানতেন এই কথা গুলো আসপে পুলকের মনের কথা!

এত বেদনার মাঝে আর একটি গানের কথা বলি সেখানেও মান্না দে পুলকের গান গাইতে রাজি হলেন না।  সেই গান গেয়েছেন কিংবদন্তি কিশোরকুমার। ' তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে আমার মরণযাত্রা যেদিন যাবে '। ব্যক্তিগত কারণেই গানটি গাওয়ার প্রস্তাব মান্না ফেরালেন। পরে কিশোরকুমার অসাধারণ গানটি গেয়েছেন। তিনি অসাধারণ গেয়েছেন, অনবদ্য প্রবল জনপ্রিয় গান। তবে কিশোরকুমার রসিক মানুষ গানের কথা শুনে নাকি বলেছিলেন! না ভাই, এ গান গান আমি গাইব না। আমার তো দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে এই গান গাইলে তিন নম্বরটা হয়ে যাবে!


#সংগৃহীত 

#kishorekumar 

#MannaDey 

#PulakBandyopadhyay

#bengalilyricist

#musiccomposer

#GauriPrasannaMazumder


পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার, জীবনের জলসাঘরে মান্না দে

যশোর জেলা দর্শনীয় স্থান সমূহঃ,,

 যশোর জেলা দর্শনীয় স্থান সমূহঃ


১। গদখালীর ফুলের বাগান ও বাজার

২। মধুপল্লী

৩। মহাকবি মাইকেল মধু সূদন দত্তের বাড়ি

৪। বেনাপোল স্থল বন্দর

৫। ভরতের দেউল

৬। মীর্জানগর হাম্মামখানা

৭। চাঁচড়া রাজবাড়ী 

৮। চাঁচড়া শিবমন্দির

৯। চাঁচড়ার মৎস উৎপাদন কেন্দ্র

১০। কালুডাংগা মন্দির

১১। দমদম পীরের ডিবি

১২। খড়িঞ্চা বাওড়

১৩। গদাধরপুর বাওড়

১৪। ঝাপা বাওড়

১৫। ধীরাজ ভট্রাচার্যের বাড়ি

১৬। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের মাজার

১৭। ভাসমান সেতু

১৮। হনুমান গ্রাম – কেশবপুর

১৯। হাজী মুহম্মদ মহসিনের ইমামবাড়া

২০। ক্যান্টনমেট ও এয়ারপোর্ট

২১। সীতারাম রায়ের দোলমঞ্চ

২২। গাজী-কালু-চম্পাবতীর কবর

২৩। যশোর বোট ক্লাব

২৪। কালেক্টরেট পার্ক

২৫। বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক

২৬। তুলা বীজ বর্ধন খামার

রবিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৫

প্রথমে শেখানো হলো ১৮ এর আগে বিয়ে করতে নেই। নানারকম শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি হয়। স্বামীর সাথে "বোঝাপড়া" ভালো হয় না। (তবে ১৮ এর আগে বয়ফ্রেন্ডের সাথে স্কুল পালিয়ে, কলেজ ড্রেসে পার্কের বেঞ্চে বাদাম- ঝালমুড়ির নিষ্পাপ প্রেমে সমস্যা নেই)

প্রথমে শেখানো হলো ১৮ এর আগে বিয়ে করতে নেই। নানারকম শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি হয়। স্বামীর সাথে "বোঝাপড়া" ভালো হয় না। (তবে ১৮ এর আগে বয়ফ্রেন্ডের সাথে স্কুল পালিয়ে, কলেজ ড্রেসে পার্কের বেঞ্চে বাদাম- ঝালমুড়ির নিষ্পাপ প্রেমে সমস্যা নেই)

.

১৮ পার হলে বলা হলো গ্র‍্যাজুয়েশান কমপ্লিট করো। তা না হলে তো ইন্টারমেডিয়েট পাশ হয়ে থাকলে। 

.

গ্র‍্যাজুয়েশানের পাশের পর বিয়ে করতে চাইলে বলা হলো আগে মাস্টার্স, তারপর বিয়ে। 

.

মাস্টার্সও শেষ হলো। এখনই তো বিয়ের সময়। ছেলে-টেলে খোঁজা হোক। না! এখন জব খোঁজার সময়। আগে জব, তারপর বিয়ে। 

.

জবও হয়ে গেলো। তাহলে নিশ্চয় এখন বিয়ে? না এখনই না। কারণ, স্যালারি এতই অল্প যে পাত্রের স্যালারির সামনে মান ইজ্জত বলে কিছু থাকে না। তাহলে বিয়ে কবে? স্যালারি আরো বাড়ার পরে। হুমম...

.

অফিসে খুব ভালো পারফর্ম করে ডাবল প্রমোশনে স্যালারিও প্রায় ডাবল বেড়ে গিয়েছে। এখনই তাহলে বিয়ের সময়। ইয়েস! রাইট হেয়ার, রাইট নাউ। এক্ষুণি। এবার ছেলে খোঁজো। মেয়ের বয়সও ১৮ থেকে ঠেলতে ঠেলতে এখন ৩৫ এর কাছাকাছি। 

.

তা... কেমন ছেলে চাই? প্রতিষ্ঠিত, সুদর্শন, নিজের বাড়ি (ঢাকা বা কোনো বড় শহরে), আর ২০১৮ না হলেও ২০১৫/১৬ মডেলের একটা এলিয়ন বা প্রিমিও থাকলে চলে যাবে। 

.

এখন আবার পাত্র পছন্দ হয় না। কারণ, এই শর্ত মেলাতে গেলে যেসব ছেলে পাওয়া যাচ্ছে তারা প্রায়ই ৪০ এর কাছাকাছি। এদের মধ্যে আবার অনেকের আগের বউ এর সাথে "ছাড়াছাড়ি" হয়ে গিয়েছে। অনেকের আবার মদসহ অন্যান্য ছাইপাশের অভ্যেস আছে। এতসব মেনে নিয়ে কি আরেকজনের ঘরে বউ হয়ে যাওয়া যাবে? আর যেসব কমবয়েসী ছেলে পাওয়া যাচ্ছে তারা তো "প্রতিষ্ঠিত" নয়। হাজব্যান্ডের স্যালারি তার ওয়াইফের স্যালারির অর্ধেকেরও কম। এটা তো এই যুগের আধুনিক নারী হয়ে কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। নো ওয়ে! কাম অন, গাইজ! 

.

১৮ এর তরুণী আজ ৩৫ এর মহিলা। আচ্ছা, তখন যেসব এনজিও, স্কুলের ম্যাডাম- সের, সুশীল সেকুলার আংকেল- আন্টি "বাল্যবিবাহ" বলে এই মেয়েটার একের পর এক আসা বিয়ের প্রস্তাবগুলো ভেঙ্গে দিয়েছিলো, পড়াশুনা আর ক্যারিয়ারের অযুহাত দেখিয়ে সুপাত্র পেয়েও মেয়ের বাবাকে তাদের হাতে পাত্রস্থ করতে দেয় নি- সেই মানুষগুলো আজ কোথায়? কেউ বলবেন না যেনো, তারা ম'রে গিয়েছে। তারা বেঁচে আছে। তারা এখন নতুন ১৮ খুঁজছে। নতুন সুইট সিক্সটিনগুলোকে গ্রুমিং করিয়ে করিয়ে তাদের দল ভারি করছে। এদেরকে "মানুষ শয়তান" বললে কি খুব পাপ হয়ে যাবে?


আর নিচের ছবিটা হলো এই দীর্ঘ সময়ে বিভিন্ন মানুষের সাথে অবৈধ জেনায়  লিপ্ত হয়ে করা স্মার্ট মডার্ন কিছু মেয়ের জঘন্য অন্যায়😭😭

ATM এ আমরা মোটামুটি সকলেই যাই। তাই বিপদে পড়ার আগেই জেনে রাখুন। পড়ুন এবং পরিচিতদের জানান। 

 ATM এ আমরা মোটামুটি সকলেই যাই। তাই বিপদে পড়ার আগেই জেনে রাখুন। পড়ুন এবং পরিচিতদের জানান। 


আজ সকাল 8 টায় টাউনহল এর পাশের SBI ATM থেকে 5500 টাকা তোলার সময় সবকিছু সাক্সেসফুল হয়েও টাকা বের হলো না, টাকা টা count এর আওয়াজও হলো, withdrawal message চলে এলো, এটিএম  এ ব্যালান্স দেখালো টাকা তোলা হয়েছে কিন্তু টাকা টা বের হলো না। আমি আমার বন্ধুদের ফোন করলে ওরাও বললো refund হয়ে যাবে, টেকনিক্যাল ফল্ট এর জন্য এইরকম হয়। আমি টেনশন এ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম, 8.25 এ একজন ভদ্রলোক(আমার কাছে ভগবান) এটিএম এ ঢুকলেন এবং মেশিন গুলো মুছতে লাগলেন, আমি ভিতরে ঢুকে ওনাকে ঘটনাটা বলাতে বললেন আসুন তো দেখি একবার, বলে তিনি ক্যাশ বের হওয়ার জায়গাটা ভালো করে দেখে নখে করে খুঁটে খুঁটে উপরে যেটার ছবি দিলাম ওই স্ট্রাইপ টা বের করলেন আর দেখি আমার টাকাটা সামনেই মুচড়ে জড়ো হয়ে রয়েছে। আমি টাকাটা টেনে বের করলাম আর মেশিন টাও নরমাল হয়ে গেলো(টাকা টা withdrawal এর পর থেকে মেশিন টা cannot despatch cash show করছিল) । উনি বললেন বেশীরভাগ এটিএম এই এইরকম স্ট্রাইপ লাগিয়ে রাখছে একধরনের দুষ্কৃতী, তারা পাশেই থাকছে, আপনি টাকা না পেয়ে একাউন্ট এ credit হয়ে যাবে ভেবে বেরিয়ে গেলেই সে ঢুকে স্ট্রাইপ টা খুলে টাকা টা বের করে নিচ্ছে। আর এই টাকা আপনাকে ব্যাংক কোনোদিন ব্যাক করবে না, কারণ টাকা বের হয়ে গেছে। সবাই সতর্ক থাকুন, আমার সঙ্গে ঘটলো বলে আমি শেয়ার করলাম। 


Post from Sabyasachi Dutta

From East Burdwan Community

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৫-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৫-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ ও সুষ্ঠু হবে -ব্রিটিশ এমপি রুপা হককে বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


লন্ডনে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট আবাসন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিনামূল্যে ফ্ল্যাট নেন টিউলিপ সিদ্দিক - যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর প্রতিবেদন।


২০শে জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড- এনসিটিবির।


জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা জানতে আগামীকাল থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত সারাদেশে গণসংযোগ কর্মসূচির ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির।


১২ই জানুয়ারি থেকে ঢাকার ২০টি পয়েন্টে ন্যায্য মূল্যে ডিম, হিমায়িলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন - খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ‘জনতার বাজার’ নামে ন্যায্যমূল্যের বাজার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ঢাকা জেলা প্রশাসনের।


পানের কাছে তিনশো ৬৪ কোটি ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র।


ওয়েলিংটনে তিন ম্যাচ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটিতে এখন নিউজিল্যান্ডের মোকাবেলা করছে শ্রীলংকা।

আপনাদের যাদের বাসায় রোদ ও নেই মাটি ও নেই তাদের জন্য নিয়ে এলাম মেথি শাক। ঘরের মধ্যে শুধু পানিতে হবে। 

 আপনাদের যাদের বাসায় রোদ ও নেই মাটি ও নেই তাদের জন্য নিয়ে এলাম মেথি শাক।

ঘরের মধ্যে শুধু পানিতে হবে। 

মেথি শাক কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, পুষ্টিগুণের দিক থেকেও অনন্য এই ভেষজ। মেথি শাক ভাজি কিংবা ভর্তা ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন। খুব সহজে এই শাক চাষ করতে পারেন বাসায়ই। এমনি মাটিও প্রয়োজন নেই মেথি শাক চাষে! ছাঁকনির মধ্যেই জন্মাবে মেথি গাছ। জেনে নিন কীভাবে ঘরে চাষ করবেন মেথি শাক।


মেথির বীজ সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন পানি ছেঁকে একটি ছড়ানো পাত্রে ভেজা বীজগুলো ছড়িয়ে দিন। একটি মোটা কাপড় ভিজিয়ে ঢেকে দিন পাত্রটি। উপরেও খানিকটা পানি স্প্রে করে দিন উপরে। এভাবে রেখে দিন একদিন। পরদিন কাপড় উঠিয়ে দেখুন বীজ থেকে বের হয়েছে শিকড়। এবার একটি প্লাস্টিকের ছাঁকনি নিন। ছাঁকনির নেট একটু বড় হবে। অঙ্কুরোদগম হওয়া বীজগুলো ছাঁকনিতে ঢেলে পানিসহ একটি বাটির উপর বসিয়ে দিন। এমনভাবে রাখতে হবে যেন পানি ছাঁকনির উপরে না ওঠে। ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন ছাঁকনি। পরদিন কাপড় তুলে দেখুন ছাঁকনির নিচ দিয়ে শিকড় বেরিয়ে গেছে। আবারো ঢেকে পানি ছিটিয়ে দিন। তিন দিন এভাবে রাখুন। মাঝে মাঝে কাপড়ের ওপর পানি স্প্রে করতে হবে। তিন দিন পর দেখবেন সবুজ গাছে পূর্ণ হয়ে গেছে পুরো ছাঁকনি। প্রতিদিন সকালে কিছু সময়ের জন্য রোদে দিন মেথি গাছ। এতে দ্রুত বাড়বে গাছ। ৮ থেকে ১০ দিন পর মেথি শাক প্রস্তুত হয়ে যাবে খাওয়ার জন্য। আপনি চাইলে মটি/কোকোপিট এ মেথি বীজ লাগিয়েও মেথি শাক চাষ করতে পারেন।


শরীর সুস্থ রাখতে খাবারের তালিকায় রাখতে হবে শাক-সবজি। এই তালিকায় অনেক শাক-সবজির ভেষজ রয়েছে যা খেলে সুস্থ থাকা যায়। তেমনি একটি উপাদান হচ্ছে মেথি। মেথি প্রাকৃতিক উপাদান যা শরীর সুস্থ রাখে। মেথির গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা অনেক জানলেও এর পাতার গুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না।  মেথি শাকের গুণাগুণ-


☘️ওজন কমায়: মেথি শাক মানেই হাই ফাইবার। সঙ্গে আরও অনেক পুষ্টি। বেশি ফাইবার থাকায় অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে এমনিতেই খাওয়ার পরিমাণ কমে যায়। ফলে ওজনও ঝরে।

☘️কোলেস্টেরল: কোলেস্টেরলের ক্রমাগত বাড়ার কারণে বিভিন্ন সমস্যা হয়ে থাকে। এই শাক খুব সহজেই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

☘️সুগার কমায়: শুধু কোলেস্টেরল নয়, রক্তে চিনির মাত্রাও বাড়তে দেয় না এই শাক। যারা ডায়াবেটিসে ভোগেন তারা এই শাক খেলে উপকার পাবেন।

☘️ত্বক ভালো রাখে: এই শাকে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বকের নীচে জমে থাকা ফ্রি-মেডিক্যাল কমিয়ে ত্বকে আনে বাড়তি জেল্লা। সেই সঙ্গে অন্য ভিটামিন ত্বকের অনেক সমস্যা কমায়। খাওয়ার পাশাপাশি এই শাকের পেস্ট মুখে মাখলেও অনেক উপকার পাবেন।

☘️হজমশক্তি বাড়ায়: হজমশক্তি বাড়ায় এই শাক। নিয়মিত পেট পরিষ্কার হওয়ায় খিদে বাড়ে। বদহজম, অম্বলও কমে এই শাকের গুণে।

😀ইউরিন ক্লিয়ার: ফাইবার, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিনে ভরপুর এই শাক খেলে ইউরিন ক্লিয়ার হয়।


বোরো ধানের বীজতলার ঠান্ডা জনিত সমস্যা(Cold injury)




 বীজতলার ঠান্ডা জনিত সমস্যা(Cold injury)

#লক্ষণঃ

        চারা সাদা হয়ে যায়, বৃদ্ধি থেমে যায়।

#কারণঃ

        বাতাসের তাপমাত্রা ১৪° সেলসিয়াসের নিচে 

        এবং মাটির তাপমাত্রা ১০° এর নিচে নেমে গেলে 

        ধানের চারার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হয়

        সঠিকভাবে ক্লোরোফিল উৎপাদন হয় না যার 

        ফলে ধানের চারার পাতা সাদা হয়ে যায়।

#ব্যবস্থাপনাঃ

        ১। সকাল বেলা কাটি/রশ্মি টেনে চারার পাতায় 

            লেগে থাকা শিশির ভেঙ্গে দিবেন।

        ২। সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত  বীজতলা 

             স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখবেন।

        ৩। শৈত্য প্রবাহের সময় বীজতলায় ৩-৫ 

            সেন্টিমিটার পানি রাখুন এবং সন্ধ্যায়  

            বীজতলায় পানি ঢুকিয়ে সকালে তা বের 

            করে দিবেন। পুকুর বা খাল বা ডোবার পানি 

            দেওয়া যাবে না এক্ষেত্রে গভীর নলকূপের 

            পানি দিতে হবে 

        ৪। প্রতি শতক বীজতলার জন্য ২ লিটার পানিতে 

            কুইক পটাশ ৫ গ্রাম+গেইভেট/সালফক্স ৫ গ্রাম

            ভালোভাবে মিশিয়ে স্প্রে করুন।

#সাবধানতাঃ

         ১। ছায়াযুক্ত স্থানে বীজতলা তৈরি করবেন না । 

         ৩। শৈত্যপ্রবাহের সময় বীজ বপন করবেন না ।

         ৪। অতিরিক্ত শুকনো স্থানে বীজতলা করবেন না

#করনীয়ঃ

         ১। সম্ভব হলে শুকনো বীজতলা তৈরি করুন 

             শুকনা বীজতলায় অঙ্কুরিত বীজ বপন

             করে তার উপর অল্প পরিমানে ঝুড়ঝুড়ে মাটি 

             ছিটিয়ে দিয়ে পুরো বীজতলা সাদা পলিথিন

             দিয়ে ঢেকে রাখুন । 

          ২। আদর্শ বীজতলা(৩×১মিটার) তৈরি করুন ।

              বীজতলার বেড নালা থেকে কমপক্ষে ১৫ 

             সেন্টিমিটার উঁচু রাখুন এবং দুই বেডের 

             মাঝখানে ৫০ সেন্টিমিটার ফাঁকা রাখুন।

          ৩। সারাদিন রৌদ্রের আলো পরে এমন স্থানে

               বীজতলা তৈরি করুন।

           ৪। ভেজা বীজতলায় বীজ বপনের পর 

                ধানের নাড়া পোড়ানো ছাই ছিটিয়ে দিন।


এছাড়াও বীজতলার চারায় সিডলিং ব্লাইট এবং বাকানী/গোড়া পঁচা রোগসহ অন্যান্য ছত্রাকজনীত রোগ থেকে রেহাই পেতে পাইরোক্লোস্ট্রোবিন/এজোক্সিট্রবিন/ কার্বেনডাজিম+ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে 2 গ্রাম হারে স্প্রে করুন।


লিখাঃ সোহেল রানা 

উপসহকারী কৃষি অফিসার


গরু চোর আসলেই এলার্ম বাজবে 

 গরু চোর আসলেই এলার্ম বাজবে 🏃🏃❌❌


আসসালামুআলাইকুম,

 আপনি কি চুরের ভয়ে আতংকিত থাকেন?


তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য।


গরু, ছাগল,কবুতরের খামারে  বাসা বাড়িতে চুর ধরতে ব্যাবহার করুন এই সিকউরিটি ডিভাইস।


 এটিতে ব্যাবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক মোশনসেন্সর। যা রাত্রের অন্ধকারে নিখুত ভাবে কাজ করে। 


যদি এই ডিভাইসের সামনে ১৫-২০ ফিটের ভেতর কেউ থাকে কিংবা নরাচরা করে অটোমেটিক এলার্ম বাজতে শুরু করবে।


 এলার্ম বন্ধ করতে পারবেন রিমোট দিয়ে। যখন প্রয়োজন রিমোট দিয়ে চালো করে রাখবেন, প্রয়োজন না হলে বন্ধ করে রাখতে পারবেন।


চোর কোন ভাবে এলার্মের আওয়াজ অফ করতে পারবে না।


 এলার্মের উচ্চ আওয়াজের কারণে চোর পালাতে বাধ্য ১০০%। 

বা চোর ধরা পরবে। 


এটি এসি ডিসি সিস্টেম, - ৪ টি পেনসিল ব্যাটারি দিয়ে চালানো যাবে। চাইলে মোটা পিনের ৫-৬ ভুল্ট এডাপটার চার্জারের মাধ্যমে সরাসরি বিদ্যুৎ থেকেও চালাতে পারবেন। 


সাথে পাচ্ছেনঃ 

. এলার্ম ডিভাইস 

. ডাবল রিমোট 

. ওয়াল মাউন্ট স্ট্যান্ড 

. ২ পিস স্ক্রু ২ পিস রয়েলপ্লাক

. ৪ টি ব্যাটারি একদম ফ্রি 


অর্ডার করতে বা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ


Soto Khamar Agro project. 

মোঃ মাজহারুল ইসলাম রিয়ান 


লোকেশনঃ টাংগাইল।


☎ 01962-093278

 (ইমু,হোয়াটসঅ্যাপ) 


কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশের যে কোন জায়গায় পাঠানো যাবে।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...