এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫

যেভাবে গুগলে চাকরি পেলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রিচিতা

 'দিনাজপুরের মেয়ে রিচিতা 

চাকরি পেলেন গুগলে

দিনাজপুরের গর্বিত সন্তান'


যেভাবে গুগলে চাকরি পেলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রিচিতা


বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক জায়ান্ট কোম্পানি গুগলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছাত্রী রিচিতা খন্দকার রিফাত। গুগলের তাইওয়ান অফিসে কাজ করার অফার পেয়েছেন তিনি। আগামী ১৮ আগস্ট তাঁর যোগদানের কথা রয়েছে তার।


শুক্রবার (১৩ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি । গত ১২ জুন গুগলের তাইওয়ান অফিসে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেওয়ার অফার পান রিচিতা। 


রিচিতা খন্দকার রিফাত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ স্যামসাং আইআইটি ইনস্টিটিউটে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত আছেন।


জানা যায়, রিচিতার বাড়ি দিনাজপুরের জেলা সদরে। তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে মাধ্যমিক এবং ২০১৬ সালে দিনাজপুর সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। 


প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ও অলিম্পিয়াডের অভিজ্ঞতা দিয়ে গুগলে


ছোট থেকে তাঁর অভ্যাস ছিল বিভিন্ন অলিম্পিয়াড ও কনটেস্টে অংশগ্রহণ করা। প্রোগ্রামিং নিয়েও আগ্রহের জায়গা ছিল তাঁর। স্কুলজীবন থেকেই নিয়মিত অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন অলিম্পিয়াড ও কনটেস্টে। জিতেছেন আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পুরস্কার। সেই আগ্রহ, নিষ্ঠা আর প্রতিভা মিলেই আজ রিচিতা খন্দকার রিফাত পৌঁছে গেছেন গুগলে।


রিচিতা খন্দকার রিফাত বলেন, ‘আমি স্কুল জীবন থেকে বিভিন্ন অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করতাম। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ও এরকম অনেক প্রোগ্রামিং কনটেস্টে অংশ নিয়েছি। সেগুলোর অনেক কনটেস্টে একক ও দলীয় ভাবে চ্যাম্পিয়ন ও পুরস্কার পেয়েছি।’


গুগলে চাকরির অফার পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় রিচিতা বলেন, ‘অনুভূতি আসলে বলে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। খুব ভালো লাগছে। ডেফিনেটলি  আমি ভাবছিলাম বিষয়টি নিয়ে। ফাইনালি এটা হয়ে গেলো। সত্যিই ভালো লাগতেছে। নিউজটা পাওয়ার পর অনেক মানুষ অভিনন্দন জানিয়েছে। আমি আসলে অনেক খুশি।'


গুগলে চাকরির পাওয়ার প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে সেভাবে প্রস্তুতি নেইনি। এর আগে আমি কয়েকটি প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ও বিভিন্ন ধরনের অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করেছি তাই সেই অভিজ্ঞতাগুলোই কাজে লেগেছে। আমি পরীক্ষার আগে জাস্ট দেখে গেছি কীভাবে পরীক্ষাটা হয়, কি কি প্রশ্ন আসে, কীভাবে কথা বলতে হয় এগুলো। এর বাইরে আসলে সেরকম কিছু দেখা হয়নি।’


তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘শেখার কোনো বিকল্প নেই। যে স্টেজে আছো স্কুল, কলেজ,  বিশ্ববিদ্যালয় সেখান থেকে যতটুকু শেখা যায় শিখে নাও জেনে নাও। কোন কিছু যেন বাদ না থাকে। পরবর্তীতে সেগুলো কাজে লাগবে।’


-দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস/ফারুক হোসাইন

 স্ত্রীর কাছে লুকিয়ে রাখতে হয় সেসব কথা

 স্ত্রীর কাছে লুকিয়ে রাখতে হয় সেসব কথা


বিবাহিত জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিশ্বাস ও আন্তরিকতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। তবে কিছু বিষয় আছে যা স্বামীদের প্রয়োজনীয়তা ও শান্তির জন্য স্ত্রীর কাছ থেকে সাময়িকভাবে লুকিয়ে রাখা ভালো হতে পারে। কারণ সব কথা শোনানো বা বলা সম্পর্কের মধ্যে অনাবশ্যক দ্বন্দ্ব, উদ্বেগ, বা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করতে পারে। তাই বুদ্ধিমানের মতো কখন কী বলা উচিত এবং কখন কিছু কথা নিজের মাঝে রাখা উচিত তা জানা জরুরি।


 স্ত্রীর কাছে লুকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে করণীয়


১. অপ্রয়োজনীয় ছোটখাটো ঝগড়ার কারণ এড়ান

অনেক সময় ছোটখাটো বা তুচ্ছ বিষয়কে বড় করে বললে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। যেমন, কাজের অপ্রয়োজনীয় টেনশন, অফিসের ছোট ভুল, বা বন্ধুদের মধ্যে তুচ্ছ কথাবার্তা। এসব লুকিয়ে রেখে নিজেই সামলে নিলে পারিবারিক শান্তি থাকে।


২. আর্থিক বিষয় সম্পর্কে বিবেকবুদ্ধির প্রয়োগ

যদি কোনো সময় অল্প সমস্যায় পড়েন আর সেটা সাময়িক, সেটি খুব বেশি উদ্বেগের কারণ না করে নিজের কাছেই রাখা ভালো। আর্থিক বিষয়ে অযথা চিন্তা বা অস্পষ্ট তথ্য দিলে স্ত্রীর উদ্বেগ বাড়তে পারে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রয়োজনমতো বলুন, সবকিছু খুলে বললে উদ্বেগ বাড়তে পারে।


৩. অতীত সম্পর্কের তথ্য সীমিত রাখুন

যদি অতীতে কোনো সম্পর্ক বা ঘটনা থাকে যা এখন আর কোনো প্রভাব ফেলছে না, তা বিস্তারিত বলার প্রয়োজন নেই। অতীত বিষয়গুলো আলোচনা করলে সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।


৪. নিজের ব্যক্তিগত টেনশন সামলে নেওয়া

অফিসের চাপ, স্বাস্থ্যগত অল্প সমস্যা বা মানসিক ক্লান্তি সবসময় বিস্তারিত ভাগ করে নেওয়া প্রয়োজন নেই। নিজেকে শক্ত রাখুন, যাতে পারিবারিক মনোবল বজায় থাকে।


৫. পরিবার বা বন্ধুদের ছোটখাটো সমস্যার কথা সীমাবদ্ধভাবে বলুন

পারিবারিক বা সামাজিক জটিলতা থাকলে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি না বলে প্রধান বিষয়গুলোই জানান। অতিরিক্ত তথ্য বা গুজব ভাগ করলে অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা বাড়তে পারে।


৬. আপনার প্রাইভেসি বজায় রাখুন

সব কথা সবসময় ভাগ করে নেওয়া উচিত নয়, নিজের ব্যক্তিগত কিছু বিষয় রাখতে পারেন যা অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করলে অসুবিধা হতে পারে।


 

স্ত্রীর সঙ্গে খোলামেলা ও বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক থাকা অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু একই সঙ্গে বিবেকবুদ্ধি ও প্রজ্ঞার সাথে সঠিক সীমা নির্ধারণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। সব কথা জানানো বা শোনা সম্পর্কের জন্য ভালো না হয়ে কখনো কখনো ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই নিজের ও পরিবারের শান্তি ও সুখ বজায় রাখতে কিছু কথা শ্রেয় হয় নিজের মধ্যে রাখাই ভালো। এটি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আরও মজবুত ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

হতাশ হওয়ার কিছু নেই জীবন কখন পরিবর্তন হবে কেউ বলতে পারে না। ধৈর্য ধরুন

 এলি লোবেলের বয়স ছিলো মাত্র ২৭ বছর, যখন তিনি জ,ঙ্গলে হাঁটতে গিয়ে পো,কার কা,মড় খান। আপাতদৃষ্টিতে খুবই সামান্য একটা কা,মড়, একটু জ্বা,লাপোড়া ও লা,ল ত্বক - তাই এলি তেমন পাত্তা দেননি। কিন্তু মাস ঘুরতেই দেখা গেলো এলির সারা শরীর জুড়ে অসহ্য ব্যা,থা। ক্রমাগত কা,শি ও শ্বা,সকষ্ট। এবং সেই সাথে তাঁর স্মৃতিশক্তিও কমে আসতে লাগলো।


এলি ডাক্তারের কাছে গেলেন। কেউ বললেন ফ্লু, কেউ বললেন ভাইরাল ইনফেকশন, কেউ বললেন আর্থ্রাইটিস, আবার কারো মতে এটা ইমিউন সিস্টেমেরই সমস্যা। কিন্ত কেউই সল্যুশন দিতে পারলেননা। ধীরে ধীরে এলির অবস্থা খারাপের দিকে যেতে লাগলো।


একজন উৎসাহী গবেষক ও তিন সন্তানের মমতাময়ী মা, টগবগে চঞ্চল তরুণী এলি লোবেল শেষপর্যন্ত শরণাপন্ন হলেন হুইলচেয়ারের। স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারেননা, শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকেনা। তার ওপর তেমন কিছু মনেও রাখতে পারেননা। সবসময় থাকেন ঘোরের ওপর। সারা শরীরের জোড়াগুলোতে ব্যাথা তো আছেই, হাত পা নাড়াতে গেলে মনে হয় যন্ত্রণায় এখুনি প্রাণ হারাবেন।


এক বছর আগে যেখানে এলি পুরো সংসার আর বন্ধুমহল মাতিয়ে রাখতেন, কয়েক মাস পর দেখা গেলো তার আর একটা জড়বস্তুর মাঝে বিশেষ কোনো তফাত নেই!


এলি উত্তর পেলেন প্রায় একবছর পরে এসে। বোরেলিয়া গণের একটি ব্যাকটেরিয়া। পোকার কামড়ের মাধ্যমে তাঁর শরীরে ঢুকেছে এই ব্যাকটেরিয়া। আর ছড়িয়ে দিয়েছে লাইম ডিজিজ। রক্তশোষক পোকার কামড়ে এই রোগ ছড়ায়। বোরেলিয়া গণের ব্যাকটেরিয়া শরীরের নার্ভ সিস্টেম আক্রমণ করে। ফলে শরীরের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আর প্রতিরোধ ক্ষ,মতা ধ্বং,স হয়ে যায়। তবে শুরুর দিকে চিকিৎসা করলে সারানো সম্ভব।


কিন্ত এলির এক বছর পার হয়ে গিয়েছিলো।


এলি মোট ১৫ বছর যুদ্ধ করলেন। ২৭ থেকে ৪২। তরুণী থেকে মধ্যবয়স্কা। ছেলেমেয়েও বড় হয়ে গেছে। কিন্তু এলি আগের মতন। একটা কেয়ারটেকার রেখে দিয়েছেন। সে হুইলচেয়ার ধরে ঘোরায়। আর বাসায় থাকলে বেডে শুয়ে থাকেন। স্মৃতিশক্তিও সব ঝাপসা।


এভাবে কতদিন বেঁচে থাকা যায়? এলি লোবেল স্বেচ্ছামৃ,ত্যুর ডিসিশন নিলেন। তিনি জ,ড়বস্তু হয়ে বেঁ চে থাকতে চাননা।


ডাক্তার তিন মাস সময় দিয়েছিলেন। আর তিন মাস। এরপরই নিজেকে শেষ করে ফেলবেন এলি। জ,ড়পদার্থ হয়ে অন্যকে কষ্ট দিয়ে বেঁচে থাকার চাইতে সে ই ভালো। জীবনের শেষ কয়েকটা দিন পার করার জন্য এলি পাড়ি জমালেন ক্যালিফোর্নিয়ায়।


ক্যালিফোর্নিয়ার এক সূর্যস্নাত সকাল। এলি কেয়ারটেকারকে বলে হুইলচেয়ার নিয়ে বাইরে বাগানে এসেছেন। আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়িয়েছেন একটি দেয়াল ধরে। আর তাকাচ্ছেন সোনালী সূর্যের দিকে, নীল আকাশের দিকে, সবুজ প্রকৃতির দিকে। ❤️

কয়েক দিন পর সবাইকে বিদায় জানিয়ে অন্ধকারে পাড়ি জমাতে হবে।


ঠিক এমনসময় একটা দু,র্ঘটনা ঘটলো! 


হঠাৎই একটা মৌমাছি এসে কা,মড় বসালো এলির কপালে।


কী হচ্ছে বুঝে উঠার আগেই একঝাঁক মৌমাছি এসে ঘিরে ফেললো এলিকে। আর শুরু করলো দং,শন।


কেয়ারটেকার হুইলচেয়ার ফেলেই ভাগলো। এলি যেহেতু একপ্রকার প্যা,রালাইজড, তাঁর পালানোর সৌভাগ্য হলোনা। দাঁড়ানো থেকে বসে পড়লেন! শয়ে শয়ে মৌমাছি ধেয়ে এলো তাঁর দিকে। কামড়ে কামড়ে কিছুক্ষণের মাঝেই জ্ঞান হারালেন এলি।


এলির মৌমাছির বিষে জন্মগত এলা,র্জি ছিল। তারওপর অলরেডি ভয়াবহ লাইম ডিজিজে প্রায় মরমর অবস্থা। ফলে এই আক্রমণ এলির জন্য প্রাণঘাতীই বলা চলে! মৌমাছি তাড়িয়ে এলিকে সরিয়ে তাঁর পরিবার দ্রুত যোগাযোগ করলো হাসপাতালে!


কিন্তু জ্ঞান ফিরে এলে এলি জানালেন - এই তার ভবিষ্যৎ। তিনি মরতে চেয়েছেন, সৃষ্টিকর্তা মৃ,ত্যুদূত পাঠিয়েছেন, মৌমাছির ছদ্মবেশে। তিনি অতএব শান্তিতে মরতে চান।


এলি হাসপাতালে গেলেননা। বাসাতেই রয়ে গেলেন এবং প্রতিমুহূর্তে ক্ষণ গুণতে লাগলেন কবে মরণ আসবে আর সব জ্বালাযন্ত্রণা মিটিয়ে দিয়ে তাঁকে নিয়ে যাবে।


কিন্তু সেটা হলোনা। বরং হলো আরো অদ্ভুত কিছু।


যমে মানুষে টানাটানিতে অর্ধমৃ,ত এলি লোবেল ঠিকই বেঁচে রইলেন। অদ্ভুত এক জ্বরে পুড়ে যেতে লাগলো তাঁর শরীর। এই জ্বর মৌমাছির বি,ষের ব্যা,থাও নয়, নয় লাইম ডিজিজের ফলাফল। একসময়কার গবেষক এলি বুঝলেন এই জ্বর শরীরের ভেতর হয়ে চলা এক যু,দ্ধের ফলাফল। নিশ্চয়ই এক অজানা বন্ধু এক চেনা শত্রুকে নিষ্ক্রিয় করছে।


তিনদিন পার হলো। এলি তখনও বিছানায়। বিছানায় শুয়েই খুব অদ্ভুত কিছু জিনিস খেয়াল করলেন তিনি।


শরীরের জয়েন্টে জয়েন্টে যে ব্যা,থা ছিলো তা অনেকটাই কমে এসেছে।


হাত পা ই,চ্ছামত নাড়াতে পারছেন।


আস্তে আস্তে হাঁটতেও পারছেন, কোনো সমস্যা হচ্ছেনা।


মাথা কেমন যেন হালকা হয়ে গেছে। ভাসাভাসা ব্যাপারটা আর নেই। অনেক স্মৃতিই মনে পড়ছে। 


কয়েক সপ্তাহের মাথায় এলি লোবেল সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলেন। কোথায় লাইম ডিজিজ কিসের কি। হুইলচেয়ার ফেলে এলি তখন পুরোদমে হেঁটে বেড়াচ্ছেন। আর ভেবে চলেছেন কাহিনী কী হলো।


এলি লোবেল তুখোড় গোয়েন্দার মতই কাহিনীর রহস্য উদ্ধার করেছিলেন। বড়ই অদ্ভুত সেই রহস্য। 


মৌমাছির বি,ষে রয়েছে মেলিটিড নামের একটি পেপটাইড উপাদান। বিষে যে ব্যাথাট হয় তার একটা বড় কারণ এই মেলিটিড। এলির শরীরে যখন বিষের সাথে মেলিটিড প্রবেশ করলো তখন তা মুখোমুখি হলো র,ক্তে ভেসে থাকা মিলিয়ন বিলিয়ন বোরেলিয়া ব্যাকটেরিয়ার। মেলিটিডের সংস্পর্শে আসা মাত্রই ব্যা,কটেরিয়া গুলো প্যা,রালাইজড হয়ে গেলো। কো,ষের বাইরের পর্দা দ্রুত গলে যেতে লাগলো আর গণহারে মা,রা পড়তে লাগলো শ,য়তান বো,রেলিয়া।


এভাবেই মৌমাছির বি,ষ সম্পূর্ণ সুস্থ করে তুললো জীবনের আশা ছেড়ে দেয়া এলি লোবেলকে। 🌸


সুস্থ হবার পর এলি লাইম ডিজিজের প্রতিষেধক হিসেবে মৌমাছির বি,ষ ব্যবহারের ওপর ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করেন। যোগাযোগ করেন বী ফার্ম থেকে লাইম ডিজিজের গবেষকসহ অনেকের সাথে। তাঁর প্রচেষ্টায় এই অদ্ভুত প্রতিষেধক আলোর মুখ দেখে। বিজ্ঞানীরা এখন চেষ্টা চালাচ্ছেন কিভাবে মেলাটিন এক্সট্রাক্ট করে বোরেলিয়া সম্পূর্ণ ধ্বং,স করা যায়। পুরো বিষয়টি এখন গবেষণার পর্যায়ে আছে।


প্রকৃতি আমাদের জন্য এখনো অবাক হওয়ার উপাদান জমিয়ে রেখেছে। ক্ষণে ক্ষণে সারপ্রাইজ!


তাই কেউ বেঁচে থাকার আশা নিয়ে প্ল্যানমাফিক দিন শুরু করলেও দিনশেষে দেখা যায় সে ম,র্গে এককোণায় পড়ে আছে।


আর কেউবা জড় হয়ে বেঁচে থাকতে চায়না বলে মৃ,ত্যুর কাছে ধর্ণা দিলেও দেখা যায় হুট করে একদিন সে হেসেখেলে বেড়াচ্ছে😟


তাই হতাশ হওয়ার কিছু নেই জীবন কখন পরিবর্তন হবে কেউ বলতে পারে না। ধৈর্য ধরুন

বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫

কস্টিকাম হ্যানিম্যানের টিঙ্কটুরা অ্যাক্রিস সাইন কালী এটি প্রধানত দীর্ঘস্থায়ী রিউম্যাটিক, আর্থ্রাইটিক এবং প্যারালাইটিক স্নেহের মধ্যে প্রকাশ করে

 #কস্টিকাম

হ্যানিম্যানের টিঙ্কটুরা অ্যাক্রিস সাইন কালী


এটি প্রধানত দীর্ঘস্থায়ী রিউম্যাটিক, আর্থ্রাইটিক এবং প্যারালাইটিক স্নেহের মধ্যে প্রকাশ করে, যা ছিঁড়ে যাওয়ার দ্বারা নির্দেশিত হয়, পেশী এবং তন্তুযুক্ত টিস্যুতে ব্যথা হয়, জয়েন্টগুলির বিকৃতি সহ; পেশী শক্তির প্রগতিশীল ক্ষতি, tendinous contractures. বার্ধক্য ভাঙ্গা। বায়ু প্যাসেজ এর catarrhal স্নেহের মধ্যে, এবং পছন্দ করে অন্ধকার-জটিল এবং অনমনীয়-ফাইবারযুক্ত ব্যক্তিদের পছন্দ করে। রাতে অস্থিরতা, জয়েন্ট এবং হাড় ছিঁড়ে যাওয়া ব্যথা এবং শক্তি কমে যাওয়ার মতো অজ্ঞান হয়ে যাওয়া। এই দুর্বলতা আমাদের ধীরে ধীরে পক্ষাঘাত না হওয়া পর্যন্ত অগ্রসর হয়। স্থানীয় পক্ষাঘাত, ভোকাল কর্ড, অবক্ষয়ের পেশী, জিহ্বা, চোখের পাতা, মুখ, মূত্রাশয় এবং প্রান্ত। বাচ্চাদের হাঁটা ধীর। একজন কস্টিকাম ব্যক্তির ত্বক একটি নোংরা সাদা স্যালোর হয়, বিশেষ করে মুখে আঁচিল থাকে। রোগ, দুশ্চিন্তা ইত্যাদির কারণে এবং দীর্ঘস্থায়ী হওয়া। জ্বলন্ত, কাঁচাভাব এবং ব্যথা বৈশিষ্ট্য।


মন।--শিশু একা বিছানায় যেতে চায় না। সামান্য জিনিস এটা কাঁদায়. দু: খিত, আশাহীন। তীব্র সহানুভূতিশীল। দীর্ঘস্থায়ী শোক থেকে অসুস্থতা, হঠাৎ আবেগ। অভিযোগের কথা চিন্তা করা, আরও বেড়ে যায়, বিশেষ করে হিমরয়েডস।


মাথা।--কপাল এবং মস্তিষ্কের মধ্যে ফাঁকা স্থানের অনুভূতি। ডান ফ্রন্টাল এমিনেন্সে ব্যথা।


মুখ.--ডান দিকের পক্ষাঘাত। ওয়ার্টস। মুখের হাড়ে ব্যথা। ডেন্টাল ফিস্টুলা। চোয়ালে ব্যথা, মুখ খুলতে অসুবিধা।


চোখ।--মোটর ব্যাঘাত সহ ছানি। চোখের পাতার প্রদাহ; আলসারেশন চোখের সামনে স্ফুলিঙ্গ এবং অন্ধকার দাগ Ptosis (জেল)। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, যেন চলচ্চিত্র চোখের সামনে। ঠান্ডার সংস্পর্শে আসার পরে চোখের পেশীগুলির পক্ষাঘাত।


কান। - বাজানো, গর্জন, স্পন্দিত, বধিরতা সহ; শব্দ এবং পদক্ষেপ পুনরায় প্রতিধ্বনি; দীর্ঘস্থায়ী মধ্য-কানের ক্যাটরহ; কানের মোম জমে।


নাক।-- কোরিজা, কর্কশতা সহ। আঁশযুক্ত নাক। নাকের ছিদ্র। Pimples এবং warts.


মুখ.--- চিবানো থেকে গালের ভিতরে কামড়। অস্পষ্ট বক্তৃতা সহ জিহ্বার পক্ষাঘাত। নীচের চোয়ালের আর্টিকেলেশনের বাত। মাড়ি থেকে সহজেই রক্তপাত হয়।


পাকস্থলী।--চর্বিযুক্ত স্বাদ। মিষ্টির প্রতি ঘৃণা। মনে হচ্ছে পেটে চুন পুড়ে গেছে। তাজা মাংস খাওয়ার পরে খারাপ; ধূমপান করা মাংস একমত। গলায় বল উঠার অনুভূতি। অ্যাসিড ডিসপেপসিয়া।


মল।--নরম ও ছোট, হংস-কুইলের আকার (ফোস)। শক্ত, শক্ত, শ্লেষ্মা দ্বারা আবৃত; গ্রীসের মতো জ্বলজ্বল করে; ছোট আকৃতির; অনেক স্ট্রেনিং সহ বহিষ্কৃত, বা শুধুমাত্র দাঁড়ানো উপর. প্রুরিটাস। মলদ্বারের আংশিক পক্ষাঘাত। মলদ্বার ঘা এবং পোড়া। ভগন্দর এবং বড় পাইলস।


প্রস্রাব।--কাশি, হাঁচির সময় অনিচ্ছাকৃত (পালস)। খুব ধীরে ধীরে বহিষ্কৃত, এবং কখনও কখনও ধরে রাখা হয়। রাতে প্রথম ঘুমের সময় অনিচ্ছাকৃত; সামান্য উত্তেজনা থেকেও। অস্ত্রোপচারের পরে ধরে রাখা। প্রস্রাব করার সময় সংবেদনশীলতা হ্রাস।


মহিলা.--- প্রসবের সময় জরায়ুর জড়তা। রাতে মাসিক বন্ধ হয়; শুধুমাত্র দিনের বেলা প্রবাহ (চক্র; স্পন্দন)। রাতে শ্বেতসার, প্রচন্ড দুর্বলতা সহ (নাট মুর)। ঋতুস্রাবের বিলম্ব, দেরী (কন. গ্রাফ; স্পন্দন)।


শ্বাসযন্ত্র।--বুকে ব্যথা সহ কর্কশতা; aphonia স্বরযন্ত্রের ঘা। কাশি, বুকের কাঁচা ব্যথা সহ। প্রত্যাশা কম; গিলে ফেলা আবশ্যক নিতম্বে ব্যথা সহ কাশি, বিশেষ করে সন্ধ্যায় আরও খারাপ; ভাল, ঠান্ডা জল পান করা; খারাপ, বিছানার উষ্ণতা। শ্বাসনালীতে কালশিটে দাগ। স্টার্নামের নীচে শ্লেষ্মা, যা সে পুরোপুরি পৌঁছাতে পারে না। বুকে ব্যথা, ধড়ফড় সহ। রাতে শুয়ে থাকা যায় না। কণ্ঠ আবার প্রতিধ্বনিত হয়। নিজের কন্ঠস্বর কানে গর্জে ওঠে দুঃখে। গায়ক এবং পাবলিক স্পিকার (রয়্যাল) এর ভয়েসের অসুবিধা।


পিছনে.--কাঁধের মধ্যে শক্ত হওয়া। ঘাড়ে নিস্তেজ ব্যথা।


বাম-পার্শ্বস্থ সায়াটিকা, অসাড়তা সহ। একক অংশের পক্ষাঘাত। নিস্তেজ, হাত ও বাহুতে ছিঁড়ে যাওয়া ব্যথা। ভারীতা এবং দুর্বলতা। জয়েন্টগুলোতে ছিঁড়ে যাওয়া। বাহু এবং হাতের পেশীগুলির অস্থিরতা। অসাড়তা; হাতে সংবেদন হারানো। সংকুচিত tendons. দুর্বল গোড়ালি। কষ্ট ছাড়া চলতে পারে না। অঙ্গে রিউম্যাটিক ছিঁড়ে যাওয়া; উষ্ণতা দ্বারা ভাল, বিশেষ করে বিছানার তাপ। জয়েন্টগুলোতে জ্বালাপোড়া। হাঁটা শেখার ক্ষেত্রে ধীর। অস্থির হাঁটা এবং সহজেই পড়ে যাওয়া। রাতে অস্থির পা। হাঁটুতে ক্র্যাকিং এবং টান; হাঁটুর ফাঁপা শক্ত হওয়া। পায়ের পাতায় চুলকানি।


ত্বক।--চামড়ার ভাঁজে, কানের পিছনে, উরুর মাঝখানে ব্যথা। আঙুল ও নাকের ডগায় বড়, ঝাঁঝালো, সহজেই রক্তপাত হয়। পুরানো পোড়া যা ভাল হয় না, এবং পোড়া থেকে খারাপ প্রভাব। পোড়ার যন্ত্রণা। Cicatrices আপ freshen; পুরানো আঘাত আবার খোলা। ডেন্টিশনের সময় ত্বক ইন্টারট্রিগোর প্রবণতা।


ঘুম।--খুব তন্দ্রাচ্ছন্ন; খুব কমই জাগ্রত রাখতে পারেন। নিশাচর নিদ্রাহীনতা, শুষ্ক তাপ সহ, অস্থিরতা।


সম্পর্ক।--ব্যাসেলের ডাঃ ওয়াগনারের সতর্ক তদন্ত অনুসারে, কস্টিকাম অ্যামন কস্টিকাম 4x এর সাথে মিলে যায়। কস্টিকাম ফসফরাসের সাথে একমত নয়; প্রতিকার একে অপরের পরে ব্যবহার করা উচিত নয়. ডিপথেরোটক্সিন অনুসরণ করে, ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসে কস্টিকাম।


প্রতিষেধক: সীসা-বিষ থেকে পক্ষাঘাত।


পরিপূরক: কার্বো; পেট্রোসেল।


তুলনা করুন: Rhus; আর্সেনিক; আম ফস (মুখের পক্ষাঘাত)।


মোডালিটিস।--- খারাপ, শুষ্ক, ঠান্ডা বাতাস, পরিষ্কার সূক্ষ্ম আবহাওয়ায়, ঠান্ডা বাতাস; গাড়ির গতি থেকে। ভাল, স্যাঁতসেঁতে, আর্দ্র আবহাওয়ায়; উষ্ণতা বিছানার উত্তাপ।

কনটেন্ট বানানো বন্ধ করুন..😡 তাহলে করবেন টা কি? চেক দ্যা কন্টেন্ট!  ফেসবুক খুললেই দেখি সবাই কনটেন্ট ক্রিয়েটর

 কনটেন্ট বানানো বন্ধ করুন..😡


তাহলে করবেন টা কি? চেক দ্যা কন্টেন্ট! 


ফেসবুক খুললেই দেখি সবাই কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

একজন বলছে “এই ৩টা স্টেপে আপনি ডলার ইনকাম করবেন।”


অন্যজন বলছে “Reels বানান, ক্লায়েন্ট পাবেন।”

আরেকজন ইনবক্সে মেসেজ দিয়ে বলে “ভাই, আমি পোস্ট করি, কেউ আগ্রহী না কেন?”


আসল কথা শুনেন। বর্তমান মার্কেট এমন একটা টাইমলাইন পার করছে যেখানে content তৈরি করা আর demand তৈরি করার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য।


Content মানুষকে educate করে।

Demand মানুষকে compelled করে।


আর এই compelled feeling ই হয় triggered emotion আর urgent logic দিয়ে।


Step 1: এমনভাবে বলুন যেন না কিনে থাকাটা একটা “ব্যর্থতা” হয়..


কেন মানুষ অ্যাকশন নেয় না?


কারণ তারা ভাবে “আরে পরে করব, এখন দরকার নাই।”

আর আপনি যদি তাদের এই ইলিউশন ভাঙতে না পারেন, আপনি কখনোই CTA পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবেন না।


একটা ভালো কপি তখনই কাজ করে যখন তারা পড়ে মনে করে, “Oh no... আমি এটা না নিলে প্রতিদিন ঝামেলায় পড়তেছি।”


Daniel Priestley তাঁর বই Oversubscribed এ বলেছেন,

 “When something is limited in supply, but deeply desired people move faster than logic can calculate.”


তাই আপনার কনটেন্ট এমন হতে হবে যেন এটা দেখে একজন মনে করে: “Sh*t… I can’t afford NOT to do this.”


যেমন: “প্রতিদিন যেই ভুলের কারণে, ক্লায়েন্ট হারাচ্ছেন!”


Step 2:  তাদের ভুল ধারণা গুলো চ্যালেঞ্জ করেন


মানুষ কেন কিনবে না?


কারণ তারা ভাবে, “আমি জানি আমি কি করছি।”

আর এই আত্মবিশ্বাস ই হচ্ছে তাদের ব্যর্থতার বড় কারণ।


তাদের মনে করিয়ে দিতে হবে-

"Just because you're consistent doesn't mean you're converting."


 The Social Network মুভিতে একটা দৃশ্য আছে যেখানে Mark Zuckerberg বলে: “If you were the inventors of Facebook, you’d have invented Facebook.”

মানে? You think you know - but do you, really?


যেমন: “আপনি ভাবেন প্রতিদিন পোস্ট করলেই ইনকাম হবে? না ভাই।

Sales effort থেকে আসে না - আসে psychology থেকে।

এই psychology না জানলে আপনি আজীবন ফ্রিতেই খাটবেন।”


Harvard Business Review এর ২০২৩ সালের রিপোর্ট বলছে: “Consumers don’t choose the best product. They choose the product they feel best understood by.”


তাই তাদের ভুল মাইন্ডসেট ভাঙাই প্রথম কনভার্সন হ্যাক।


Step 3: এমন এক FOMO তৈরি করুন যা মানুষকে ঘুমাতে দিবে না


আপনার প্রোডাক্ট শুধু চাইলো আর পেয়ে গেল এমন জিনিস না, এইটা হোক এমন কিছু “যা ছাড়া অডিয়েন্স আগাতে পারে না।”


যেমন: Apple যখন নতুন iPhone রিলিজ করে, মানুষ জানে তার পুরানটা এখনো কাজ করছে তাও সে নতুনটা নেয়ার জন্য এভাবে প্রতিযোগিতা করে কেন?


Because Apple doesn’t sell phones. It sells identity. আর আপনি যদি এমন কিছুর জন্য কনটেন্ট তৈরি না করেন, আপনি ক্লিকে থাকবেন বাট কনভার্সনে না।


সো, আপনার মেসেজ হোক:

“এটা শুধুই একটা কোর্স না। এটা আপনার ইনকাম লাইফস্টাইল, ক্লায়েন্ট পাওয়ার সিস্টেম, সেলস সাইকোলজি আর সারভাইভাল কিট সব একসাথে।”


Hormozi সাহেব এজন্যই বলেন:

“Don’t create offers. Create no-brainers.”

সে আসলে বোঝাতে চাইছে, আপনি এমন কিছু অফার করেন যেটা দেখে মানুষ ভাবে:

“এটা না নিলে আমি আসলেই বোকা।”


তার $100M Offers বুক ইন্ডাস্ট্রিতে পুরো perception shift করে দিয়েছে।

কেন?


কারণ সেটা শুধু কনটেন্ট না, একটা ডিমান্ড ক্রিয়েটর।


সোজা বাংলায় যদি বলি…


শুধু পোস্ট করে যাইয়েন না ভাই।

কনটেন্ট বানানোর নামে মানুষকে শুধু ঘুম পাড়াবেন না।

ডিমান্ড তৈরি করেন - যেন মানুষ ঘুম থেকে উঠে আপনার জিনিস খোঁজে।


আপনার কনটেন্ট এমন হোক যা দেখে মানুষ ভাবে,

“না নিলে আমি মিস করবো।”


আপনি যদি স্রেফ কনটেন্ট মেশিন হয়ে যান - তাহলে হয়ত আপনি সবার মতো হবেন। কিন্তু আপনি যদি ডিমান্ড তৈরির ফিজিক্স বোঝেন আপনি হবেন ম্যাজিশিয়ান।


এইটাই ছিল আজকের ম্যাজিক।

কনটেন্ট কিভাবে বেসিক থেকে এডভান্সে গিয়ে সেলস মেশিনে রূপ নেয়, সেটা বোঝাতে চাইছিলাম।


আর মনে রাখবেন, কনটেন্ট তৈরি করতে অনেকেই পারে, কিন্তু ডিমান্ড তৈরি করতে পারে কেবল সেই, যে মানুষকে বোঝে।

আপনি কি সেই মানুষ হতে চান?


But wait, this is just the beginning! 😏 

Want to go next-level?


Hit and smash the follow button:: 

💥💥💥 Saimstory 


Tomorrow at 5PM—I’m dropping more gems! 🔥


#saimonalamshovo #saimON #Saimstory #HookLikeSaimon৭

লাইকোপোডিয়াম, সালফার, এবং গ্রাফাইটিস, তিনজনে হাজির হয়েছে। 

 🔸🏖️লাইকোপোডিয়াম, সালফার, এবং গ্রাফাইটিস, তিনজনে হাজির হয়েছে। 


সালফার---- তারপর বলো গ্রাফাইটিস মটু কি খবর? 


গ্রাফাইটিস--- আচ্ছা, আমি মোটা তাতে তোমার এত গাত্রদাহ কেন বলতো ভাই সালফার? 


তোমার মতন,  ফসফরাসের মতন, ক্যালকেরিয়া ফসের মতন, টিউবারকিউলিনামের মতন , 

কি লম্বা ঢ্যাং হবো? 


তোমার চেহারার কি ছিরি!  

তাও যদি তুমি ফসফরাসের মতন দেখতে একটু সুন্দর হতে তাও বুঝতাম!  


সালফার---এত বড় কথা তুমি বলতে পারলে মোটুরাম ? 

 ফসফরাস আমার থেকে সুন্দর? 

ফসফরাস  আমার থেকে বেশী শিক্ষিত?  


গ্রাফাইটিস--- ফসফরাস তোমার থেকে আলবৎ সুন্দর,  তোমার মতন অমন কুঁজো চেহারা আর লাল টকটকে ঠোঁট নয় তার ,

তোমার ঠোঁট দেখলে মনে হয় যেন সবসময় পান সুপারি খাচ্ছো! 


যাই বলো দাদা, তুমি ভীষণ অপরিষ্কার আর অপরিচ্ছন্ন! 


 কিছু মনে করো না দাদা, আমি তোমাকে বহুদিন ধরে দেখছি তুমি প্রায়ই ঘা, পাঁচড়া, ফোঁড়া, ছুলি, দাদ, চুলকানি, ইত্যাদিতে ভোগো!  একটু পরিষ্কার থাকতে পারো না? 


তাছাড়া প্রায়ই দেখি তুমি বোগলে বা  নাকে আঙুল ঢুকিয়ে সেই আঙুল  শুঁকতে থাকো,  তোমার এমন বদ অভ্যাস কেন বলতো? 


কিছু মনে করো না দাদা, তোমার এইসব দেখে আমার মনে হয় তুমি শুধু শারীরিক অপরিচ্ছন্ন নও, তুমি মানসিক অপরিচ্ছন্নও বটে! 


সালফার --- মোটু গ্রাফাইটিস তুমি আমার সম্মন্ধে বড্ড বেশী কটুকথা বলছো, আমি যদি তোমার সম্মন্ধে বলি তাহলে ক্লাবের সবাই তোমাকে ছি! ছি! করবে,


আর আমারই শুধু ঠোঁট লাল দেখছো ? কেন লাল ঠোঁট তো বেলেডোনা, ল্যাকেসিস, স্যাঙ্গ ক্যান, টিউবারকিউলিনামদেরও আছে, 

 তা কি তুমি দেখতে পাও না?  


লাইকো---- এই তোমরা দুজনে কি শুধু বাক-বিতন্ডাই করবে?  থামো! 


দেখো,  চর্মরোগে ভোগার দিক দিয়ে আমি যা বুঝি তোমরা দুজনেই সমান।  কেন গ্রাফাইটিস-- তোমার শরীরের চামড়াও তো খুব খারাপ,  

তোমার নাকের পাতায় বা নাকের পাতার কোনে, চোখের পাতায় বা চোখের পাতার কোনে, ঠোঁটের কোনে, সমসময় আমি ফাটতে দেখি,  আর ওসব জায়গা থেকে সবসময় রস বেরুতেও দেখি !  তুমি নিজেও আমাকে  বলেছো-- তোমার কুঁচকি ও মলদ্বারের চারপাশে ভীষণ ফাটে আর মধুর মতন চটচটে রস বেরোয়!  তাই শুধু সালফারকে দোষ দিলে আমি মানবো না বাপু! 


সালফার-- এটাই হলো মনুষ্য সমাজের বড় দোষ লাইকো কাকু!

আমরা নিজেদের দোষ দেখতে চাই না, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের মুখ দেখতে চাই না!  

আমরা আসলে অনেকেই খেয়ুর গাওয়া সঙ,  নিজেরা কাক হয়ে  ময়ুর সাজতে চাই।  


আমাকে তোমরা নোংরা বলো!

কিন্তু  আমি যে একজন উচ্চ শিক্ষিত, আমি যে নাটক, থিয়েটার করতে পারি, গান গাইতে পারি, কবিতা লিখতে পারি, 

তার মর্যাদা তোমরা কোনদিনও দিলে না!


এই তো আজ ভোর ৫ টা নাগাদ ঘুম থেকে উঠেই একটা গান লিখবো ভাবছিলাম, কিন্তু হঠাৎ মলত্যাগের বেগ আসায় সব গোলমাল পাকিয়ে গেল।  গানটা আর লেখা হলো না!


 আমার তো ঐ একটা বাজে রোগ লাইকো কাকু--- রোজ ভোরে ঘুম থেকে উঠেই মলত্যাগ করতে দৌড়াতে হয়, 


লাইকো --- তাছাড়া সালফার,  আমি জানি-- সকালে ঘুম থেকে উঠেই  তোমার মতন মলত্যাগ করতে দৌড়ায় এমন লক্ষন---

 এলো, ব্রায়োনিয়া, নেট্রাম মিউর, নেট্রাম সালফ, ফসফরাস, পডো, সোরিনাম, এদেরও আছে!  তাই তোমার একার এই রোগ তা ভেবো না! 


তবে তোমার আর এলোর যেমন মলত্যাগের বেগ নিয়েই ঘুম ভাঙে, 

ব্রায়োনিয়া আর নেট্রাম সালফের তা নয়, এদের দুজনের আবার ঘুম থেকে বেগ নিয়ে উঠতে হয় না, এরা ঘুম থেকে উঠে যদি চুপচাপ বসে থাকে তবে কোনরকম মলত্যাগের  বেগ হয় না, কিন্তু যেই না একটু নড়াচড়া করে অমনি মলত্যাগের বেগ পায়, 


ঐ যে ফসফরাস ছোকরা ঢুকছে! 


আরে এসো! এসো ছোকরা! 

কদিন দেখি না কেন তোমাকে? 


ফসফরাস---- কি যে বলো জেঠু,  কদিন ধরে ওয়েদারটা কি গেল বল তো?  ঝড়বৃষ্টি সব বছর হয়, কিন্তু এত বাজ কোন বছর পড়তে দেখেছো? 


গ্রাফাইটিস---কেন তুমি বাজ পড়লে ভয় পাও নাকি? 


ফসফরাস -- ভাল কথা বললে বাপু! বাজ পড়লে ভয় পায় না এমন লোক কেউ আছে গো?  তার উপর কদিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগও ছিল না।   অন্ধকারে আমার ভয় করে, গা ছমছম করে,  আর আমার এমনই পোড়া কপাল, এই কদিন সন্ধ্যা  হতেই চারিদিকে ঘন অন্ধকার নেমে আসতো।  গতকাল বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া গেছে তাই রক্ষে! 


ওহ! ভীষণ পিপাসা পেয়েছে।  তোমরা তো সবাই আবার এই প্লাষ্টিকের বোতলে ভরা জল খাও, যা গরম হয়ে যায়!  বড় বিরক্ত লাগে আমার!  কতবার বললাম--- ফান্ডের টাকা দিয়ে ক্লাবে একটা ছোট ফ্রিজ কেনা যাক, একটু ঠান্ডা জল যেন সবাই খেতে পারি, তা আমার কথার কোন গুরুত্বই দিল না কেউ! 

 যাই বাইরে -- কোল্ড ড্রিঙ্কস বা আইসক্রিম কিছু পাই না কি দেখি! 


লাইকো--- ওহে ফসফরাস,

 শুধু ঠান্ডা জল আর আইসক্রিম খাওয়ার জন্য একটা ফ্রিজ কেনার কোন মানে হয় না।  ভাই, অল্প বয়স, তাই টাকার গুরুত্ব এখন বুঝবে না,  এখন থেকে একটু মিতব্যয়ী হও, আর প্রতি মাসে কিছু কিছু টাকা জমানো অভ্যাস করো! 

ভবিষ্যতে কোন বিপদে পড়লে টাকাই তোমাকে দেখবে!  অন্য কেউ দেখবে না। 


এই দ্যাখো!  আমার আবার মাথাব্যথা শুরু হচ্ছে,  বেশ ক'দিন ধরে দেখছি, বিকাল ৪টা /৫ টা হলেই আমার মাথাব্যথাটা আরম্ভ হচ্ছে,  তবে কিছু  একটু খেলেই কমে যায় । 


ভাই ফসফরাস, বাইরে যখন যাচ্ছো -- আমার জন্য ২ টি গরম রসগোল্লা এনে দিও না!  


ফসফরাস ----- এত বয়স হয়েছে তোমার জেঠু, তবু বাচ্চাদের মতন মিষ্টি খাওয়ার প্রবনতা গেল না, 

কি করে যে এত মিষ্টি খাও বুঝি না বাপু,  আমার তো মিষ্টি খাওয়ার কথা শুনলেই গা ঘ্যানঘ্যান করে। 


গ্রাফাইটিস---- ঠিক বলেছো ফসফরাস, আমারও!  মিষ্টি দেখলেই,  এমন কি মিষ্টির কথা শুনলেই আমার গা ঘ্যানঘ্যান করে!  আমি মোটেই মিষ্টি জাতীয় খাবার পছন্দ করি না। 


লাইকো---- ওহে গ্রাফাইটিস, ওহে ফসফরাস, জেনে রাখো----


মিষ্টি খাবার ময়রাদের এক অপূর্ব সৃষ্টি,

যেখানেই থাকুক না কেন পড়বে আমার দৃষ্টি। 


তাছাড়া বাপু, তোমরা দুজনে না খেতে পারো, 

কিন্তু ---আর্জেনটাম নাইট্রিকাম, ক্যালকেরিয়া কার্ব, চায়না, ক্যালি কার্ব,  মেডোরিনাম, সিপিয়া, টিউবারকিউলিনাম, আমাদের এই সালফারবাবু , এরা তো সবাই মিষ্টি খায়,  তাহলে বলতে চাও -- এরা সবাই বোকা? 


ফসফরাস---- থাক জেঠু, আর তোমার লেকচার শুনে লাভ নেই, 

দাও, মিষ্টি আনার টাকা দাও, 


লাইকোপোডিয়াম---- আরে দেবোখোন পরে ,  তুমি আনো না। 

তোমার কাছে কি ২০ টা টাকা বেশী নেই? 


ফসফরাস ---- আছে, তবে তুমি কারুর টাকা পয়সা বাকী থাকলে পরে আর দিতে চাও না, তুমি বড্ড কৃপনতা করো জেঠু! 


ঐ যে আবার ফিটফাট বাবু ঢুকছে! 


লাইকো ---- কে? 


ফসফরাস ---- কে আবার, সবসময় দেখছো না---

 কে গিলে করা,  আয়রন করা ধপধপে সাদা পাঞ্জাবী গায়ে দিয়ে ভালো সাদা ধূতি কুঁচি দিয়ে পরে? 

 কে চকচকে একজোড়া নাগরা জুতো পায়ে গলিয়ে, হাতে তেলমাখানো লাঠিটা নিয়ে ঢোকে? 

দেখো, আজকের লাঠিটার মাথা আবার রুপা দিয়ে বাঁধানো! মনে হচ্ছে দাদুর এটা নতুন লাঠি! 


লাইকো---- ও বুঝেছি, আর্সেনিক বাবু , আমাদের আর্সেনিকবাবু ঢুকছে, তা ঢুকুক।


কিন্তু ব্যাটা ঢুকেই বলবে ফ্যানটা বন্ধ করো, বড্ড শীত করছে, মহাজ্বালা!

Cd

নিজেকে ভালো রাখার জন্য কিছু দরজা বন্ধ রাখাই শ্রেয়

 নিজেকে ভালো রাখার জন্য কিছু দরজা বন্ধ রাখাই শ্রেয়


সবাইকে ধরে রাখতে হয় না।

সব সময় সদয় থাকলে, মানুষ সেটা অধিকার ভাবতে শুরু করে।

একটা সময় বুঝেছি—নিজের মনের জানালা সব সময় খোলা রাখলে, ধুলা-বালি ঢুকবেই।

তাই এখন দরজা জানালা বুঝে খুলি। সম্পর্ক বুঝে রাখি।


আগে ভাবতাম, সম্পর্ক মানেই নিরন্তর খোঁজ নেওয়া, সময় দেওয়া, আপস করা।

এখন বুঝি—মানুষের কিছু আচরণ নিজের সম্মানের সাথে যায় না।


কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করি:

❶ এক আপু ছিল, প্রায়ই টাকা ধার নিত।

ফেরত দিতে ভুলে যেত, মনে করিয়ে দিলে বলত—“আরে না, দিয়ে দিয়েছি তো!”

কিন্তু মাসের পর মাস কেটে যেত, টাকাও আসত না, দৃষ্টিও বদলাত।

অদ্ভুত ব্যাপার, সে প্রায়ই আমার বাসায় আসত, খেত-দিতাম, গল্প করতাম।

কিন্তু আমি একবার ওর বাসায় গেলাম , প্লাস্টিকের গ্লাসে পানি দিয়ে বলেছিল, ‘কাজ আছে, পরে দেখা হবে।’

সেদিনই বুঝেছিলাম—মানবিকতা একতরফা হলে, সেটা বোকামি হয়ে দাঁড়ায়।”


❷ এক বন্ধু ছিল, শুধু নিজের সুবিধামতো যোগাযোগ রাখত।

ওর প্রেমে ঝামেলা, তখন আমি therapist!

ওর বাড়ির সমস্যা, আমি lawyer!

কিন্তু আমি যখন একটু মন খারাপ করে বলি, “আজকে খারাপ লাগছে”—সে reply করে, “আমি একটু busy”।

আজও ইনস্টায় দেখে, ক্যাফেতে বসে latte খাচ্ছে।

আমি আর বিরক্ত হই না, কারণ বুঝে গেছি—কারো কাছে তুমি প্রয়োজন, কারো কাছে তুমি মানুষ। আমি দ্বিতীয় দলে থাকতে চাই।


❸ এক আত্মীয়, সবসময় ছুটি পেলেই আমার বাসায় আসত,

বাচ্চারা খেলত, আমি রান্না করতাম, গল্প করতাম, ওরা খুশি হতো।

একবার হঠাৎ আমার বাসায় গ্যাস নেই, ভেবেছিলাম, ওদের বাসায় খেয়ে আসব।

গিয়ে দেখি, ও বলছে “আমরা একটু বাইরে যাচ্ছি, আরেকদিন এসো।”

তখনই বুঝলাম—সব ‘আপনজন’ আসলে আপন না, অনেকে শুধু সুবিধাজনক জায়গা খোঁজে।

সেই দিন থেকে আমি শুধু দূর থেকেই সালাম দেই, ঘর পর্যন্ত আর ঢুকি না।


❹ এক কলিগ, আমার থেকে বারবার ফাইল তৈরিতে সাহায্য নিয়েছে।

নিজের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফোন করে ধরিয়ে রাখত,

আর আমার কাজের সময়? বলত, “তুই তো পারিস! তোর জন্য এটা কি এমন কঠিন?”

কিন্তু অফিসে প্রমোশনের প্রশ্নে একবার আমাকে বাদ দিয়ে নিজের নাম প্রস্তাব করেছিল।

সেই দিনই বুঝেছিলাম—যাদের কাছে তুমি ‘পারফেক্ট মেশিন’, তারা কখনও তোমাকে মানুষ ভাবে না।

সেই সম্পর্কের তার কেটে দিয়েছি, শান্তিতে আছি।


❺ এক বান্ধবী, সব সময় আমার কাছ থেকে সাজগোজ, শপিং, ছবি তোলা—সব কিছুতেই সাহায্য নিত।

সে একবারও আমার কাজের বিষয়ে জিজ্ঞেস করেনি।

আমার একটি প্রজেক্টে সাহায্য চাইলে বলেছিল, “এই সময় আমার শরীর ভালো না।”

অথচ আমি তাকে ইনস্টায় দেখলাম ব্রাইডাল ট্রায়ালে ব্যস্ত।

সেদিন বুঝলাম—কিছু মানুষ তোমার উদারতাকে ব্যবহার করে, যতক্ষণ না তুমি সীমারেখা টানো।

আমি সেটা করেছি, সময় মতো।


কিছু সম্পর্ক, যেগুলোর ভার কেবল একপাশে পড়ে থাকে:

এক পরিচিত আপু ছিলেন, সব সময় ফোন দিতেন শুধুই নিজের দুঃখ শোনাতে।

একদিন যখন আমিই ভেঙে পড়েছিলাম, আর তাকে বলতে চেয়েছিলাম, তখন তিনি বলেছিলেন, “আরে এসব বিষয় আমি বুঝি না, পরে কথা বলি।”

আমি বুঝে গেছি, উনি আমার দুঃখের জন্য না, নিজের আরাম খোঁজার জন্য যোগাযোগ রাখেন।


এক বন্ধুর জন্মদিনে আমি কেক নিয়ে গেলাম, অথচ আমার জন্মদিনে সে একবারও ফোন দেয়নি। বলেছিল, ওই দিন নেটওয়ার্ক ছিল না। আমি মনে মনে বলেছি—বন্ধুত্ব যদি নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করে, তাহলে সেটা রাখারও দরকার নেই।


একবার এক আত্মীয়ের বাসায় দাওয়াতে গিয়েছিলাম।

চোখে মুখে হাসি, কিন্তু কথার ভেতরে ছিল কাঁটা।

একটা মন্তব্য—“তুমি তো কিছু করো না, বাসাতেই থাকো বেশি”—সেই একটা বাক্য আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছিল, সব দাওয়াত সম্মান নয়, কিছু দাওয়াত শুধুই ফর্মালিটি।সেই থেকে আমি ‘না’ বলতে শিখেছি।


✅ কী করা উচিত:

 • নিজের ইচ্ছার বাইরে কাউকে খুশি করতে যেও না।

সম্মান তখনই থাকে, যখন তা আত্মসম্মান নষ্ট না করে।

 • সময়মতো দূরত্ব তৈরি করো।

একবারের অপমান সহ্য করলে, মানুষ দ্বিতীয়বার সেটা অভ্যাস করে ফেলে।

 • যারা কেবল নিজের প্রয়োজনে খোঁজ নেয়, তাদের জন্য আলাদা বাউন্ডারি রাখো।

ওদের কথা শুনো, হাসো, কিন্তু মন খুলে দিও না।

 • ‘না’ বলাটা শিখে ফেলো—এটা আত্মরক্ষা।

‘না’ বললে অনেকে দূরে সরে যাবে, কিন্তু ওদের না যাওয়াটাই বিপদ।


❌ কী করা উচিত নয়:

 • বেশি ভদ্র হতে গিয়ে নিজেকে ছোট করো না।

“ভদ্র” হবার চেষ্টায় অনেকেই নিজের অনুভূতির কবর দিয়ে ফেলে।

 • যারা একবার আঘাত করেছে, তাদের বারবার সুযোগ দিও না।

‘দ্বিতীয় সুযোগ’ মানে অনেক সময় ‘দ্বিতীয়বার কষ্ট’।

 • ভুল মানুষদেরকে ঠিক করার দায়িত্ব নিও না।

তুমি কাউন্সেলর নও, থেরাপিস্ট নও—তুমি একজন মানুষ, যার নিজের অনুভূতির যত্ন নেওয়াও জরুরি।

 • নিজের অবস্থান বোঝাতে গিয়ে চোখে জল এনো না।

যে বোঝে না, সে কান্না দেখেও ব্যস্ত থাকবে অন্য কাজে।


আজ আমি কেমন?

 • নিজের জায়গা বোঝাতে শিখেছি।

 • ভালোবাসা দিতে আগে ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্যতা দেখি।

 • অপরাধবোধ ছাড়াই ব্লক করি, মিউট করি, দূরে যাই—কারণ সেটা আমার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য দরকারি।


🔚  সব সম্পর্ক পবিত্র নয়,

সব সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ নয়,

সব সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হওয়াও জরুরি নয়।


তোমার জীবনের প্রতিটা মানুষ যদি তোমার স্পেস, সম্মান আর সংবেদনশীলতা বুঝতে না পারে—তবে সেই সম্পর্ক শুধু নামমাত্র একটা বোঝা।


জীবন ছোট, সময় অল্প। সব জায়গায় খুশি ছড়াতে গিয়ে নিজেকে ধ্বংস কোরো না।


নিজেকে ভালোবাসো, নিজের মনকে গুরুত্ব দাও।

কিছু দরজা বন্ধ রাখো—সেটা তোমার শান্তির জন্য।

Facebook copy

#fyp #friendsforeverkuwentuhan

ফেসবুক ও AI ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ফ্রি ভিডিও বানিয়ে ইউএস ডলার ইনকাম করার একটি **সহজ এবং বাস্তব গাইড** নিচে দেওয়া হলো।

 ফেসবুক ও AI ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ফ্রি ভিডিও বানিয়ে ইউএস ডলার ইনকাম করার একটি **সহজ এবং বাস্তব গাইড** নিচে দেওয়া হলো। এতে ৩টি ধাপে দেখানো হবে কীভাবে কাজ শুরু করবেন, ভিডিও বানাবেন এবং ইনকাম করবেন:


🔹 ধাপ ১: প্রস্তুতি ও প্রোফাইল তৈরি*

✅ ফেসবুক পেজ বানান


* একটি Facebook Page খুলুন (নিচের ক্যাটাগরি ব্যবহার করতে পারেন):


  * Personal Blog

  * Entertainment

  * Motivation

  * Tech or Education


✅ Page সেটআপ:


* পেজের নাম, প্রোফাইল ও কভার ছবি দিন।

* Page Description দিন (কাজের বিষয় লিখুন)।

* “Professional mode” চালু করুন (Creator Studio বা Meta Business Suite-এ গিয়ে)।


✅ Audience তৈরি করুন:


* প্রতিদিন নিয়মিত ভিডিও আপলোড করুন।

* ছোট  Reels  (60 সেকেন্ডের মধ্যে) এবং short educational/entertainment video দিন।


🔹 ধাপ ২: AI দিয়ে ভিডিও বানানো (ফ্রি টুল)


 ✅ স্ক্রিপ্ট লেখার জন্য:


 ChatGPT, Gemini, Grock


  উদাহরণ: “মোটিভেশনাল ১ মিনিটের ভিডিওর জন্য বাংলা ভাষায় একটি স্ক্রিপ্ট দাও”


✅ ভিডিও বানানোর AI টুলস:


1. Pictory  — ফ্রি টিয়ার দিয়ে শুরু করুন


2. InVideo  — টেক্সট দিয়ে ভিডিও বানাতে পারবেন


3. Canva Video — সহজে রিল বানাতে পারবেন


4. CapCut (মোবাইল অ্যাপ) — ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য অসাধারণ


✅ ভয়েস দিতে চাইলে:


TTS Maker — ফ্রি বাংলা ও ইংরেজি ভয়েস বানাতে পারবেন


ElevenLab — প্রফেশনাল ভয়েস, ফ্রি টেস্ট অপশন


🔹 ধাপ ৩: ফেসবুক মনিটাইজেশন ও ইনকাম শুরু

✅ ফেসবুক মনিটাইজেশনের শর্ত (Reels Bonus বা Ads On Reels):


5,000 Followers

60,000 মিনিটের রিল ভিউস (60 দিনে)

কন্টেন্ট নিজের তৈরি হতে হবে


যদিও এত কঠিন নিয়ম এখন নেই বললেই চলে। নিয়ম মেনে  নিয়মিত ভিডিও দিলে অল্প কিছুদিনের মধ্যে মনিটাইজেশ পাওয়া যায়


👉 ফেসবুক Creator Studio বা Professional Dashboard-এ গিয়ে চেক করতে পারবেন আপনি মনিটাইজেশনের জন্য উপযুক্ত কিনা।


🔹ইনকামের ধরন


1. Ads on Reels: ফেসবুক আপনার ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখাবে

2. Bonus Program: ভালো পারফর্ম করলে Meta থেকে Bonus পাওয়া যায়

3. Affiliate Marketing: ভিডিওতে পণ্য রিভিউ দিয়ে লিংক শেয়ার করলে কমিশন পাবেন

4. Brand Deals/Sponsorship: পেজ জনপ্রিয় হলে কোম্পানি আপনার সাথে চুক্তি করবে


✅ অতিরিক্ত টিপস:


* ট্রেন্ডিং টপিক নিয়ে কাজ করুন (ChatGPT দিয়ে আইডিয়া নিতে পারেন)

* থাম্বনেইল সুন্দর করুন (Canva ব্যবহার করুন)

* প্রতিদিন অন্তত ১টি ভিডিও দিন

* নিজের নামে পেজ খুললে Audience বেশি বিশ্বাস করবে


 🔚 উপসংহার:


আপনি যদি নিয়মিত ভিডিও বানিয়ে পোস্ট করেন এবং Audience তৈরি করতে পারেন, তাহলে **AI দিয়ে বানানো কন্টেন্ট দিয়েই মাসে ২০০–৫০০ ডলার বা তার বেশি ইনকাম সম্ভব।** এটি ঘরে বসেই করা যায় এবং কোন ভিডিও এডিটিং স্কিল ছাড়াও শুরু করা যায়।


#aivideo #onlineincome #AI

অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা  সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই।

 অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা

 সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।

এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময়  জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে। 

সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।

জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ

১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক

১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট

১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত

১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ

১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার

জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে

বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ

১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট

১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ

১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার

১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত

১ শতক ১০০০ বর্গলিংক

১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)

১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)

১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)

১ একর = ৬০.৬০ কাঠা

১ একর = ৩.০৩ বিঘা

১ হেক্টর = ২.৪৭ একর

১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট

১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ

১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার

১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত

১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।

উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?

জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।

জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।

ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)

সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।

অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।

পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?

ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ

প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-

ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু

কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪

পরীসিমা= ১ বাহু X ৪

এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।

তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।

এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,

১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ

১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ

১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?

সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।


জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ

গ্যান্টার জরিপঃ

ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।

ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।

হিসাবটি হলোঃ

১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।

১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।

১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।

৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)

১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।

৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।

৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।

অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।


আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।

যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।


ডায়াগনাল স্কেলঃ

ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।


আভার অফসেটঃ

এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।


ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ

ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।


জোনাল জরিপঃ 

ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে। 

দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।

বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :

১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমান = ১.৫০ শতাংশ।

 

#আপডেট_জমি_রেজিস্ট্রি_খরচঃ #জমিররেকর্ড #জমিরসমস্যা #fypviralシ #ভূমিসেবা #আইনী #খারিজ #NewsUpdate #ভূমি #খাজনা #everyoneactive #everyonehighlightsfollowers #everyonefollowers #everyonehighlights #everyoneシ゚ #everyone #follow #follower


শহর,কিংবা গ্রাম, ফ্লাট, মার্কেট প্রতি ইঞ্চি জমি অনেক মূল্যবান তাই ১০০%ডিজিটাল পদ্ধতিতে  ভূমি জরিপ করা হয় |

বাংলাদেশের সকল জেলায় আমরা ডিজিটাল সার্ভের কাজ করে থাকি |  ডিজিটাল পেন্টাগ্রাফ ম্যাপ তৈরি করা হয় ডিমারকেশন করা হয় এবং সকল মৌজার ম্যাপ সরবরাহ করা হয়  ভূমি বিষয়ের যেকোনো তথ্য সেবা এবং ভূমি পরিমাপের জন্য যোগাযোগ করুন |


  আতিক হাসান মন্ডল লেবু 

  সিভিল কোড কমিশনার

  জেলা ও দায়রা জজ আদালত গাইবান্ধা

  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

 বাংলাদেশ সার্ভেয়ার অ্যাসোসিয়েশন

  ইমু &হোয়াটসঅ্যাপ 01737-132014

ইহুদি ও ইসলাম ধর্ম—দু’টিরই মূল উৎস এক। উভয়ের জাতির পিতা হযরত ইবরাহীম (আঃ)।

 📜 ইতিহাস জানা সবার জন্য জরুরি, বিশেষ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। তাই নিজের ওয়ালে জমা রাখলাম।


ইহুদি ও ইসলাম ধর্ম—দু’টিরই মূল উৎস এক। উভয়ের জাতির পিতা হযরত ইবরাহীম (আঃ)।


🔸 ইবরাহীম (আঃ) এর দুই পুত্র:


১. ইসহাক (আঃ) – যাঁর বংশধরদের বলা হয় বনি ইসরাঈল,

২. ইসমাইল (আঃ) – যাঁর বংশধরদের মধ্য থেকে এসেছেন শেষ নবী, হযরত মুহাম্মদ (সঃ)।


🔹 বনি ইসরাঈলের উৎপত্তি:


ইসহাক (আঃ) এর ছেলে ইয়াকুব (আঃ)—তাঁর আরেক নাম ইসরাঈল।

ইয়াকুব (আঃ) এর ১২ পুত্রের একজন ছিল ইয়াহুদা, যার বংশ থেকেই ইহুদি জাতি বেশি বিস্তার লাভ করে।

তবে মনে রাখতে হবে, ইহুদি ধর্ম আর ইহুদি বংশ এক নয়।


ইহুদা—যিনি নিজের ভাই ইউসুফ (আঃ) কে হত্যার উদ্দেশ্যে কূপে ফেলে দিয়েছিল!

এই ঘটনার পর ইয়াকুব (আঃ) ও তাঁর পরিবার কেনান (বর্তমান ফিলিস্তিন) এ চলে যান, পরে দুর্ভিক্ষের কারণে মিশরে চলে যেতে হয়।


🔸 ইউসুফ (আঃ) তখন মিশরের রাজা।


তাঁর ভাইয়েরা মিশরে গিয়ে ক্ষমতা ও প্রভাব অর্জন করে।

কিন্তু কালের প্রবাহে ফারাওরা ক্ষমতায় আসে এবং বনি ইসরাঈলদের উপর নির্মম অত্যাচার শুরু হয়।


🔹 আল্লাহ তখন পাঠান হযরত মূসা (আঃ) কে,


যিনি ফেরাউনকে হারিয়ে বনি ইসরাঈলকে মুক্তি দেন এবং তাওরাত প্রদান করেন।


কিন্তু পরবর্তীতে তারা আবার আল্লাহর আদেশ অমান্য করে গরু পূজা, অনাচার এবং তাওরাতের বিকৃতি শুরু করে।

তাদের কিছু ধর্মব্যবসায়ী তাওরাত বিকৃত করে লিখে যে, "কেনান ভূমি ইহুদিদের জন্য প্রতিশ্রুত ভূমি" – এটাই "জেকব ল্যাডার ড্রিম"।


🔸 এই ধৃষ্টতা ও অবাধ্যতার ফলে তারা আল্লাহর গজব ও শাস্তির মুখোমুখি হয়ঃ


ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্য দ্বারা গণহত্যা,


রোমান সাম্রাজ্য থেকে বিতাড়ন,


আরব দেশ থেকেও হিজরত,


উমার (রা.) ফিলিস্তিন বিজয় করেন এবং আল-আকসা মুসলিমদের অধিকারে আসে।


🔹 ইহুদিরা যেখানে আশ্রয় পেয়েছে, সেখানেই কৌশলে জমি, সম্পদ ও প্রভাব দখল করেছে।


তাদের ব্যবসায়িক কৌশল অনেক উন্নত হলেও, মিথ্যা, ধোঁকা ও কু-নীতি তাদের বহির্বিশ্বে ঘৃণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তবুও তারা শিক্ষা ও অর্থনীতিতে এগিয়ে যায়—কারণ তারা বুঝে যায়, "ক্ষমতা পেতে হলে শিক্ষা ও অর্থ লাগবেই।"


🔸 ১৮৯৭ সালে থিওডোর হার্জেল শুরু করেন জিওনিজম আন্দোলন,


যার লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিনে আবার ইহুদি রাষ্ট্র গঠন।

এই আন্দোলনের মূল পৃষ্ঠপোষক ছিল ইউরোপ ও ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ।


🔹 প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেনকে সাহায্য করে ইহুদি গবেষক চাইম ওয়াইজম্যান,


এর পুরস্কার হিসেবে সে দাবি করে “ফিলিস্তিন আমাদের প্রমিজ ল্যান্ড”।

এরপর ব্রিটেন ব্যালফোর ঘোষণা দেয়—ফিলিস্তিনে ইহুদিদের রাষ্ট্র গঠনের অনুমোদন।


🔸 ফিলিস্তিন তখন ছিল উসমানী খিলাফতের অধীনে,


তাদের পতনের পর ব্রিটেন ফিলিস্তিনে ইহুদি অভিবাসন সহজ করে দেয়।

প্রথমে তারা ফিলিস্তিনিদের কাছ থেকে ভাড়া নেয়, তারপর জমি কিনে বসতি স্থাপন করে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে ইহুদিরা সন্ত্রাসী হামলা শুরু করে এবং ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।


এর মাত্র ৬ মিনিট পরেই আমেরিকা স্বীকৃতি দেয়!

নবগঠিত রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয় চাইম ওয়াইজম্যান।


---


💔 আজ সেই রাষ্ট্র ইসরায়েলই ফিলিস্তিন, বিশেষ করে গাজা উপত্যকাকে ধ্বংস করে চলেছে।

আর মুসলিম বিশ্বের নেতারা চুপচাপ দর্শকের ভূমিকায় বসে আছেন!


📌 ইতিহাস শুধু বইয়ের বিষয় নয়—এটি আমাদের ভবিষ্যতের আয়না।

এই ইতিহাসের শিক্ষা হলো: শিক্ষা, ঐক্য, ধর্মভীতি ও আত্মমর্যাদা হারালে—পরিণতি হয় ভয়াবহ।


---


🕊️ দয়া করে এই পোস্ট শেয়ার করুন,

যাতে নতুন প্রজন্ম ইতিহাস জানতে পারে এবং নিজেদের অধিকার, দায়িত্ব ও চেতনা সম্পর্কে সচেতন হয়।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...