এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ছন্দে_বর্নে_এ_টু_জেড_হোমিওপ্যাথি লিখতে অনেকেই সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ

 #ছন্দে_বর্নে_এ_টু_জেড_হোমিওপ্যাথি 


A for Arsenic-অস্হিরতা,দু্র্বলতায় থাকে মৃত্যুভয়।

আর্সেনিকে শুষ্ক কাশির হবে নিরাময়।


B for Bryonia-হইলে কারো নিউমোনিয়া, সারাতে লাগে ব্রায়োনিয়া।


C for Calendula-থেতলে যাওয়া রক্তপাতে, ক্যালেন্ডুলা লাগান তাতে।


D for Damiana-শুক্রানু কম হবে যখন, ডামিয়ানা খাবেন তখন।


E for...Echinacea-রক্ত বিশুদ্ধ করে ইমিউনিটি বাড়ায়।

ইচিনেশিয়ায় ভীষণ রকম চুলকানি পালায়। 


F for Ferrum phos -ভীষন রকম ব্যথা থাকে আরও থাকে জ্বর জ্বর।

ফেরাম ফস কাজের তাতে দিতে হবে পর পর।


G for Glonoium-মাথা ব্যথার সাথে থাকে  মানষিক চাপ।

গ্লোনুইন ব্যবহারে কমে রক্তচাপ। 


H  for Hydrasistis-কন্সট্রিপেশান লেগেই থাকে হজমে দুর্বলতা।

এমন হলে হাইড্রাসটিস উপযুক্ত তথা।


I for lgnesia-শোক দুংখে জীবন শেষ,

ইগ্নেশিয়া কাজের বেশ।


J for jaborandi-সারা মাস চুল পরে হয়ে যায় টাক।

জাবুরান্ডি চুল গজায় রোগীতো অবাক।


K for Kali phos-মানষিক চাপ আর ঘুম কম হয়।

কেলি ফস উপকারী ডাক্তারগুন কয়।


L for  Lac can-গলা ব্যথা ডিপথেরিয়া বাতরোগে ক্ষতি।

ল্যাক ক্যান ব্যবহারে হয় তার গতি।


M for merc sol-ঠান্ডা গরম যায় হোক পরতে থাকে আম।

মার্কসল দিলে তাতে করে ভীষন কাম।


N for nux vom-প্রেমের রোগে বিমার হয় গ্যাসও ভীষন তার।

নাক্স ভমিকা এমন রোগীর শ্রেষ্ঠ উপহার।


O for Opium-ব্যথা বেদনা কিংবা নিদ্রাহীনতা যখন।

ওপিয়াম বার বার মনে পরে তখন।


P for  Pulsatilla-বদহজম অম্বল বা পেটের কোন বিমার।

পালসিটিলা ব্যবহারে অসুখ সারে তাহার।


Q for Quassia-লিভারের দুর্বলতা, হজম শক্তি কম।

কোয়াসিয়া নিম্নশক্তি ব্যবহার হরদম।


R for Rhus tox-জয়েন্ট এবং পেশির ব্যথা আথ্রাইটিসের জ্বর।

রাসটক্স নিয়মিত দিতে হয় পরপর।


S for Silicea-হঠাৎ গলায় বিধে গেলে কোন মাছের কাটা।

হোমিও ঔষধ সাইলিসিয়া খাওয়াতে হয় যেটা।


T for Titanium-দীর্ঘদিনের ক্লান্তি মানষিক চাপে।

পুরুষের অতিক্ষয়ে টাইটেনিয়াম দিবে।


U for  Urtica urens-কোন স্হানে পুরে গেলে জ্বালাপোড়া হয়।

আর্টিকা ইউরেন্স লাগিয়ে দিন হবে নিরাময়।


V for Vesicaria-মূত্রনালীর সংক্রমন কম হোক বা বেশি।

ভেসিকেরিয়া মাথার ভেতর বারে বারে আসে।


W for WYethia-শুষ্ক কাশিঁ, বাতের ব্যথা

ওয়ায়েথিয়া প্রয়োগ সেথা।


X for Xanthoxylum-সায়েটিকা,টিউমার আর ঋতুস্রাবে কস্ট।

জান্হ্যাজাইলাম শুরু করুন হবেনা সময় নষ্ট।


Y for yohimbinum-যৌবনের শুরুতে যৌন অত্যাচারে।

ধ্বজভঙ্গ হয়ে গেলে ওহিম্বিনামে সারে।


Z for Zincum Met-শ্বেতপ্রদর, একজিমা, জন্ডিস বা অশ্বে।

দিনে দিনে বিলীন হবে জিনকাম মেটের স্পর্শে।

Dr.Forhad Hossain 


মন চাইলে যে কেউ কপি করতে পারেন

(#ছন্দে_বর্নে_এ_টু_জেড_হোমিওপ্যাথি লিখতে অনেকেই সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ) 


জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর জন্য ক্ষুদ্র প্রচেষ্টামাত্র। প্রয়োগের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 


 💫Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine

যখন আপনার মেয়েকে কেউ মানসিকভাবে ধর্ষণ করে, তখন আপনি পাশে থেকে দাঁত কেলিয়ে হাসেন না তো ?

 যখন আপনার মেয়েকে কেউ মানসিকভাবে ধর্ষণ করে, তখন আপনি পাশে থেকে দাঁত কেলিয়ে হাসেন না তো ?


থামুন! এই লেখাটি পড়ার আগে একবার আপনার নিষ্পাপ কন্যা শিশুটির মুখের দিকে তাকান। দেখেছেন? ঐ হাসির পেছনে লুকিয়ে থাকা সরল বিশ্বাস, ঐ চোখের গভীরে আপনার জন্য জমে থাকা অগাধ আস্থা। আর আপনি, সেই আস্থার কি মর্যাদা রাখছেন? নাকি নিজের অজান্তেই আপনি এক নীরব ষড়যন্ত্রের অংশীদার হচ্ছেন, যা আপনার মেয়ের ভবিষ্যৎকে চিরতরে অন্ধকারে ঠেলে দেবে?


ভয় পাচ্ছেন? অস্বস্তি হচ্ছে? হওয়াই উচিত! কারণ আজ আমি কোনো মিষ্টি উপদেশ দেবো না। আজ আমি আপনার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবো, কীভাবে আপনারই 'ছোট ছোট ভুল', আপনারই 'অতিরিক্ত বিশ্বাস', আপনারই 'আধুনিক সাজার প্রবণতা' আপনার মেয়ের চারপাশে এক অদৃশ্য নরক তৈরি করছে। আপনি কি নিশ্চিত, আপনার সবচেয়ে কাছের মানুষটিই আপনার মেয়ের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি নয়?


প্রতিদিন খবরের কাগজে যে বিকৃত মানসিকতার জানোয়ারদের ছবি দেখেন, তারা আকাশ থেকে পড়ে না। তারা আমাদের মধ্যেই, আপনার আমার মতোই সাধারণ মানুষের মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায়। আর আপনি, সেইসব মুখোশধারী নেকড়েদের হাতে আপনার ফুলের মতো সন্তানকে তুলে দেওয়ার সব আয়োজন সম্পন্ন করছেন না তো?


নিচের প্রতিটি শব্দ আপনার বুকের ভেতরে কাঁটার মতো বিঁধবে। প্রতিটি প্রশ্ন আপনার রাতের ঘুম কেড়ে নেবে। যদি হিম্মত থাকে, তাহলে পড়ুন। এবং নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি কি একজন অভিভাবক, নাকি নিজের সন্তানের সর্বনাশ ডেকে আনা এক নির্বোধ প্রহরী?


আপনার সন্তান কি দুই বছরের বড়? আর আপনি এখনো তার সামনেই অবলীলায় পোশাক পরিবর্তন করেন? আপনি ভাবেন, "ও তো বাচ্চা, ও কী বোঝে?" এই ভাবনাটাই আপনার প্রথম এবং সবচেয়ে মারাত্মক ভুল। আপনি নিজের হাতে আপনার সন্তানের মন থেকে গোপনীয়তা এবং লজ্জার প্রথম প্রাচীরটি ভেঙে দিচ্ছেন। আপনি তাকে শেখাচ্ছেন যে, শরীরের ব্যক্তিগত অঙ্গগুলো প্রদর্শন করা একটি স্বাভাবিক ঘটনা। আজ আপনি করছেন, কাল আপনার দেখাদেখি আপনার আত্মীয় বা বন্ধুরূপী কোনো নরপশু যখন তার সামনে একই কাজ করবে, আপনার সন্তান সেটাকে অস্বাভাবিক ভাববে না। সে প্রতিবাদ করবে না। কারণ তার প্রথম শিক্ষক, অর্থাৎ আপনি, তাকে শিখিয়েছেন—এটাই স্বাভাবিক। আপনি কি বুঝতে পারছেন, আপনি শিকারীর কাজ কতটা সহজ করে দিচ্ছেন?


আপনার কোনো প্রাপ্তবয়স্ক বন্ধু বা আত্মীয় আপনার ছোট্ট মেয়েকে কোলে নিয়ে আদর করে বলছে, "ইশ! কী সুন্দর! বড় হলে তোকেই আমি বিয়ে করব। তুমি আমার বউ হবে।" আর আপনি পাশে দাঁড়িয়ে হাসছেন? আপনার এই হাসিই হলো সেই বিষাক্ত রসিকতাকে প্রশ্রয় দেওয়া। এটা কোনো নির্দোষ মজা নয়। এটা এক ধরনের মানসিক ধর্ষণ। একটি শিশুর কচি মনে আপনি সম্পর্কের এক বিকৃত ধারণা ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। যে মানুষটিকে তার ‘আঙ্কেল’ বা ‘মামা’ হিসেবে সম্মান করার কথা, তার সাথে 'বউ' হওয়ার সম্পর্ক জুড়ে দিয়ে আপনি তার নিরাপত্তাবোধকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন। এই ধরনের কথা যে বলে, সে মানসিকভাবে অসুস্থ। আর আপনি যদি এটা শুনেও চুপ থাকেন, তাহলে আপনিও সেই অসুস্থতার নীরব সমর্থক।


আদরের নামে কোলে বসানো: সীমানা লঙ্ঘনের প্রথম ধাপ। "আরে আমার কোলেই তো বসেছে, কী এমন হবে?"—এই চিন্তাটাই ভয়ঙ্কর। আপনার কন্যা সন্তানকে কখনোই, কোনো অবস্থাতেই কোনো ব্যক্তির কোলে বসতে দেবেন না। সে আপনার ভাই হোক, বন্ধু হোক, বা সমাজের সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তিই হোক না কেন। একটি শিশুর শরীর তার নিজের। তার শরীরে কার স্পর্শ পড়বে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তার। যখন আপনি তাকে জোর করে বা আবেগের বশে অন্যের কোলে বসিয়ে দেন, আপনি তাকে বার্তা দেন যে, তার শরীরের ওপর তার নিজের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। একজন শিকারী ঠিক এই সুযোগটিই খোঁজে। সে প্রথমে কোলে বসিয়েই পরীক্ষা করে নেয়, এই শিশুটির প্রতিরোধ ক্ষমতা বা তার অভিভাবকের সচেতনতা কতটুকু। আপনার একটি ‘না’ আপনার সন্তানকে ভবিষ্যতের হাজারো বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে। আপনি কি সেই 'না' বলার সাহস রাখেন?


আপনার সন্তান বাইরে খেলতে গেছে। আপনি নিশ্চিন্ত। কিন্তু আপনি কি জানেন, তারা কী খেলছে? ‘ডাক্তার-ডাক্তার’ খেলার নামে একে অপরের শরীর স্পর্শ করা হচ্ছে না তো? ‘বর-বউ’ খেলার নামে এমন কিছু ঘটছে না তো, যা তার বয়সের জন্য উপযুক্ত নয়? অনেক সময় বড় বাচ্চারা ছোটদের ওপর যৌন তথ্য বা কার্যকলাপ চাপিয়ে দেয়। আপনার সন্তান সেখান থেকে বিকৃত ধারণা নিয়ে ফিরতে পারে। অথবা সে নিজেই কোনো নিগ্রহের শিকার হতে পারে। আপনার দায়িত্ব শুধু তাকে খেলতে পাঠানো নয়, সে কাদের সাথে মিশছে এবং কী ধরনের খেলায় অংশ নিচ্ছে, তার ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা। আপনার উদাসীনতাই হতে পারে আপনার সন্তানের মানসিক বিকৃতির কারণ।


আপনি আধুনিক অভিভাবক। সন্তানের হাতে তুলে দিয়েছেন স্মার্টফোন। কিন্তু সেই ফোনের ব্রাউজিং হিস্ট্রি শেষ কবে চেক করেছেন? গুগলে, ইউটিউবে সে কী সার্চ করছে, তার খবর কি রাখেন? আপনার সন্তান হয়তো ভুল করে এমন কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকে পড়ছে, যা তার কচি মনকে চিরদিনের জন্য বিষাক্ত করে দিতে পারে। পর্নোগ্রাফি, ভায়োলেন্স—এই ডিজিটাল দানবগুলো আপনার সন্তানের বিছানায়, আপনার ছাদের নিচেই ওঁৎ পেতে বসে আছে। আপনি তাকে ফোন দিয়ে নিজের দায়িত্ব শেষ ভাবলে, একদিন দেখবেন এই ফোনই আপনার পরিবারকে ধ্বংস করে দিয়েছে।


টিভি বা মোবাইলে কোনো অ্যাডাল্ট কনটেন্ট, ভায়োলেন্স বা অশ্রাব্য ভাষার সিনেমা-সিরিজ চলছে আর আপনার সন্তান পাশে বসে দেখছে—এর চেয়ে বড় অপরাধ আর কিছু হতে পারে না। আপনি ভাবছেন সে বুঝছে না, কিন্তু প্রতিটি দৃশ্য, প্রতিটি শব্দ তার অবচেতন মনে গেঁথে যাচ্ছে। যা তার চরিত্র গঠনকে বাধাগ্রস্ত করছে, তাকে সময়ের আগেই ‘বড়’ করে তুলছে এক বিকৃত উপায়ে।


আপনার নেশা, আপনার সন্তানের সর্বনাশ। 

আপনি কি সন্তানের সামনে ধূমপান বা অন্য কোনো নেশা করেন? তাহলে জেনে রাখুন, আপনি শুধু নিজের শরীর নয়, আপনার সন্তানের চরিত্রকেও ধ্বংস করছেন। আপনি তার চোখে ‘হিরো’। আপনার হিরো যখন নেশা করে, তখন সেও এটাকে ‘কুল’ বা ‘স্বাভাবিক’ বলে ধরে নেয়। ভবিষ্যতে তারও এই পথে পা বাড়ানোর সম্ভাবনা আপনিই তৈরি করে দিচ্ছেন।


আপনার সন্তান যদি কোনো ব্যক্তির সাথে যেতে বা মিশতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করে, তাকে কখনোই জোর করবেন না। শিশুদের একটি সহজাত প্রবৃত্তি (instinct) থাকে, যা তাদের বিপদ চিনতে সাহায্য করে। সে হয়তো মুখে বলতে পারছে না, কিন্তু তার আচরণই বলছে ওই ব্যক্তি নিরাপদ নয়। তার অস্বস্তিকে সম্মান করুন। আপনার সামাজিকতা রক্ষা করার চেয়ে আপনার সন্তানের নিরাপত্তা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।


লক্ষ্য রাখুন, আপনার সন্তান কি বিশেষ কোনো প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের প্রতি অস্বাভাবিকভাবে আসক্ত হয়ে পড়ছে? তার কথাই কি সারাক্ষণ বলছে? সেই ব্যক্তি কি তাকে অন্যদের চেয়ে বেশি দামী উপহার বা আলাদা মনোযোগ দিচ্ছে? এটি একটি ক্লাসিক গ্রুমিং কৌশল হতে পারে। ওই ব্যক্তি হয়তো আপনার সন্তানের বিশ্বাস অর্জন করে তার সর্বনাশ করার ছক কষছে। सावधान!


আপনার সন্তানের সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন? আপনি কি তার বন্ধু হতে পেরেছেন? সে কি তার মনের সব কথা, তার ভয়, তার প্রশ্ন আপনাকে নিঃসংকোচে বলতে পারে? যদি না পারে, তাহলে বিপদ ঘটলে সে আপনাকেই প্রথম ভয় পাবে। আপনার শাসনের ভয়ে সে হয়তো ভয়ঙ্কর কোনো সত্যি নিজের ভেতরেই চেপে রাখবে, যা তাকে ভেতর থেকে কুরে কুরে খাবে। তার বন্ধু হোন, তাকে বিশ্বাস জোগান যে, পৃথিবী ওলটপালট হয়ে গেলেও আপনি তার পাশে থাকবেন।


যেকোনো অনুষ্ঠানে আপনার সন্তানকে সাথে নিয়ে যান। তাকে একা কারো ভরসায়, এমনকি গৃহকর্মীর কাছেও রেখে যাবেন না। অনুষ্ঠানে সে নতুন মানুষের সাথে মিশবে, সামাজিকতা শিখবে। এতে তার মানসিক বিকাশ ঘটবে এবং সে আত্মবিশ্বাসী হবে। একজন আত্মবিশ্বাসী শিশুকে টার্গেট করা শিকারীর জন্য কঠিন।


এই লেখাটি পড়ার পর যদি আপনার হৃদপিণ্ড কেঁপে ওঠে, যদি নিজেকে অপরাধী মনে হয়, তাহলে বুঝবেন—এখনো সময় আছে। আপনার ঘুম ভাঙার জন্যই এই কঠোর শব্দগুলোর প্রয়োজন ছিল।


এখন সিদ্ধান্ত আপনার। আপনি কি এই নীতিগুলোকে আপনার রক্তে মিশিয়ে নিয়ে আপনার মেয়ের জন্য একটি দুর্ভেদ্য দুর্গ তৈরি করবেন, নাকি তাকে অরক্ষিত অবস্থায় হায়েনাদের সমাজে ছেড়ে দেবেন? মনে রাখবেন, একটি ভুল, শুধু একটি ভুলের জন্য আপনাকে সারাজীবন অনুশোচনার আগুনে পুড়তে হতে পারে। জাগুন, অভিভাবক, জাগুন!


#ProtectOurDaughters, #ChildSafetyNow, #ParentingAlert, #GoodTouchBadTouch, #StopChildAbuse, #AwareParenting, #Bangladesh, #FamilyFirst, #DigitalSafetyForKids, #WakeUpParents

মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আশরাফুল আলম নবেল ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সহবাস করতে চাইলে স্বামীকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছেন? 


যে ভুলের আগুনে আপনার সাজানো সংসার ছাই হয়ে যেতে পারে!


রাত গভীর। আপনার স্বামী ক্লান্ত শরীরটা নিয়ে বিছানায় এল। ভালোবাসার উষ্ণতা চেয়ে আপনার দিকে হাত বাড়াল, আর আপনি? ঝটকা মেরে তার হাতটা সরিয়ে দিলেন! ঘৃণা আর বিরক্তিতে মুখ ঘুরিয়ে অন্য দিকে ফিরে শুলেন। তার সমস্ত আকাঙ্ক্ষা, ভালোবাসা আর পৌরুষকে এক মুহূর্তে পায়ের তলায় পিষে দিয়ে আপনি ঘুমের ভান করলেন।


বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, এই দৃশ্যটা আপনার শোবার ঘরে কতবার অভিনীত হয়েছে? সামান্য ঝগড়া, ছোট কোনো চাহিদা পূরণ না হওয়া, বা নিছকই 'মুড নেই'—এই অজুহাতগুলোকে অস্ত্র বানিয়ে আপনি আপনার স্বামীকে কত রাত ফিরিয়ে দিয়েছেন? আপনি হয়তো ভাবছেন, "বেশ করেছি! ও আমার কথা শোনে না, আমিও ওর কথা শুনব না।"


বোন, আপনি আসলে নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছেন। আপনি সহবাসকে ব্যবহার করছেন স্বামীকে শাস্তি দেওয়ার একটা মাধ্যম হিসেবে, তার পৌরুষকে অপমান করার একটা বিষাক্ত তীর হিসেবে। আপনি শোবার ঘরকে বানিয়ে ফেলেছেন একটা যুদ্ধক্ষেত্র, যেখানে আপনার শরীরটাই আপনার সবচেয়ে বড় অস্ত্র। কিন্তু আপনি ভুলে যাচ্ছেন, যে পুরুষ যুদ্ধে বারবার হারে, সে একদিন সেই যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে নতুন সাম্রাজ্যের সন্ধান করে।


আপনি কি বিছানায় জ্যান্ত লাশ?


স্বামী যখন আপনাকে কাছে টানে, আদর করতে চায়, তখন আপনার প্রতিক্রিয়া কী হয়? আপনি কি একটা পাথরের মূর্তির মতো চুপচাপ শুয়ে থাকেন? তার ছোঁয়ায় আপনার শরীরে কোনো স্পন্দন জাগে না, আপনার মুখ থেকে কোনো শীৎকারের শব্দ বের হয় না, আপনার চোখ দুটো বন্ধ থাকে নির্লিপ্ততায়। সে যখন জিজ্ঞেস করে, "তোমার কেমন লাগছে?", আপনার উত্তর আসে না। আপনার শরীরটা তার নিচে পড়ে থাকে, কিন্তু আপনার মন থাকে হাজার মাইল দূরে।


আপনি কি কখনো নিজে থেকে তার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন? ভালোবেসে একটা চুমু খেয়েছেন? তার শরীরের বোতাম খোলার জন্য অধীর হয়েছেন? উত্তর যদি 'না' হয়, তাহলে আপনি শুধু তার স্ত্রী নন, তার জীবনের সবচেয়ে বড় শাস্তি।


একজন পুরুষ তার স্ত্রীর মধ্যে শুধু একজন সেবাদাসীকে খোঁজে না, সে তার মধ্যে একজন প্রেমিকাকে খোঁজে, একজন কামার্ত সঙ্গিনীকে খোঁজে, যার শরীরের আগুনে সে পুড়ে খাঁটি হতে চায়। আপনি যখন মরা মাছের মতো বিছানায় পড়ে থাকেন, তখন আপনি তাকে শারীরিক তৃপ্তির বদলে মানসিক যন্ত্রণা দেন। আপনি তাকে বুঝিয়ে দেন, এই সম্পর্কটা তার জন্য একটা বোঝা, একটা রুটিনমাফিক অত্যাচার।


আপনার মতো স্ত্রী যার কপালে জোটে, সে দ্বিতীয় বিয়ে করবে না তো কী করবে?


ভাবুন তো একবার, আপনার স্বামী হয়তো আপনার সব চাহিদা পূরণ করার জন্য দিনরাত গাধার মতো খাটছে। সে অন্য কোনো মেয়ের দিকে তাকায় না, কোনো পরকীয়ায় জড়ায় না, আপনার আর আপনার সংসারের প্রতি সে সৎ। কিন্তু দিনের শেষে সে যখন আপনার কাছে একটু ভালোবাসা, একটু উষ্ণতা চাইতে আসে, আপনি তাকে ফিরিয়ে দেন।


তাহলে সে কেন আপনার জন্য এত কিছু করবে? কেন আপনার শাড়ি-গয়নার খরচ জোগাবে? কেন আপনার বাপের বাড়ির আবদার মেটাবে? সে তো আপনাকে ভালোবাসে, আপনার কাছ থেকে মানসিক শান্তির পাশাপাশি শারীরিক সুখও চায়। আপনি যদি তার সবচেয়ে মৌলিক, সবচেয়ে আদিম চাহিদাটাই পূরণ করতে না পারেন, তাহলে কোন অধিকারে আপনি তার কাছ থেকে বাকি সবকিছু আশা করেন?


আপনার হয়তো মাঝে মাঝে সহবাসের ইচ্ছা করে না, শরীর ক্লান্ত থাকে। কিন্তু আপনার স্বামীর কি প্রতিদিন সকালে উঠে কাজে যেতে ইচ্ছা করে? তারও তো মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে সব ছেড়েছুঁড়ে শুয়ে থাকতে। কিন্তু সে পারে না, কারণ তার কাঁধে আপনার আর আপনার সংসারের দায়িত্ব। ঠিক সেভাবেই, আপনার ইচ্ছা না করলেও মাঝে মাঝে স্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে, তার ভালোবাসার খাতিরে নিজেকে সঁপে দেওয়াটা আপনার দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।


সহবাস ঝগড়া মেটানোর সবচেয়ে মিষ্টি প্রতিশোধ!


আপনারা স্বামী-স্ত্রী, আপনাদের মধ্যে ঝগড়া হবেই। কিন্তু বুদ্ধিমান নারীরা সেই ঝগড়াকে বিছানায় নিয়ে যায় না, বরং বিছানাকে ব্যবহার করে ঝগড়া শেষ করার জন্য। ভেবে দেখুন, দিনের বেলার সমস্ত রাগ, অভিমান রাতের বেলা তীব্র শরীরী মিলনের মাধ্যমে শেষ হয়ে গেল—এর চেয়ে সুন্দর আর কী হতে পারে? সহবাস হলো সেই জাদুকরী আঠা যা দুটো ভাঙা মনকে আবার জুড়ে দেয়। আপনাদের দূরত্বের বরফ গলিয়ে দেওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী উষ্ণতা হলো যৌনতা।


যে নারী এই অস্ত্র ব্যবহার করতে জানে, তার সংসারে তৃতীয় কেউ ঢোকার সাহস পায় না। কারণ সে জানে, কীভাবে তার পুরুষকে নিজের মধ্যে বেঁধে রাখতে হয়।


বরং আপনার যদি কোনো বড় আবদার থাকে, কোনো কিছু পাওয়ার ইচ্ছা থাকে, তাহলে স্বামীকে সহবাসে এমন সুখ দিন যা সে আগে কখনো পায়নি। নতুন নতুন কৌশলে তাকে পাগল করে দিন। তাকে এমন চরম তৃপ্তি দিন যে সে ঘোরের মধ্যে থাকবে। তারপর দেখুন, সেই সুখের ঘোরে সে আপনার যেকোনো আবদার পূরণ করতে এক পায়ে খাড়া থাকবে। যে নারী স্বামীকে যৌনসুখের স্বর্গে পৌঁছে দিতে পারে, স্বামী তাকে বাস্তব জীবনে রানী করে রাখে।


একজন নারীই পারে চল্লিশটা নারীর সুখ দিতে!


একটা কথা মনে গেঁথে নিন, যে নারী নিজের স্বামীকে বিভিন্ন আসনে, বিভিন্ন ভঙ্গিমায়, নানা ধরনের দুষ্টুমিতে ভরিয়ে দিয়ে চরম সুখ দিতে পারে, সেই স্বামীর বাইরে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। একজন দক্ষ ও প্রেমময়ী স্ত্রী একাই তার স্বামীকে চল্লিশটা নারীর সমান আনন্দ দিতে পারে। সে যদি আপনার শরীরেই সব ধরনের স্বাদ, সব ধরনের উত্তেজনা খুঁজে পায়, তাহলে সে কেন অন্য হরিণীর পেছনে ছুটবে? সে তো আপনার মাঝেই পুরো জঙ্গলটা পেয়ে যাচ্ছে!


সময় থাকতে নিজেকে বদলান। একজন বিরক্তিকর 'বউ' থেকে তার রাতের কল্পনার 'রানী' হয়ে উঠুন।


আসুন, আজ রাত থেকেই শুরু হোক নতুন অধ্যায়:


কথার আগুন: দিনের বেলায় তাকে একটা দুষ্টু মেসেজ পাঠান। যেমন: "আজ রাতে তোমার জন্য একটা নতুন খেলা অপেক্ষা করছে।" বা "আজ তোমাকে অন্যভাবে ভালোবাসব।" এই ছোট একটা লাইনই তার মাথার মধ্যে সারাদিন আপনার চিন্তা ঢুকিয়ে দেবে।


অপ্রত্যাশিত ছোঁয়া: সে যখন টিভি দেখছে বা মোবাইলে ব্যস্ত, পেছন থেকে গিয়ে আলতো করে তার ঘাড়ে চুমু খান। তার কানের কাছে ফিসফিস করে বলুন, "তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে।" জামার ভেতর দিয়ে তার বুকে বা পিঠে হাত বুলিয়ে দিন। এই অতর্কিত আক্রমণ তাকে মুহূর্তেই উত্তেজিত করে তুলবে।


দৃষ্টির জাদু: তার চোখের দিকে তাকিয়ে দুষ্টু হাসি দিন। কামনার দৃষ্টিতে তাকে আপাদমস্তক দেখুন। আপনার চোখের ভাষাই তাকে বুঝিয়ে দেবে যে আপনি তাকে কতটা চান।


শব্দের ব্যবহার: মুখ বন্ধ করে থাকবেন না। শীৎকার করুন। তার কানে কানে বলুন, "উফফ, কী আরাম!" বা "তোমার মতো করে কেউ পারে না।" তার পৌরুষের প্রশংসা করুন। বলুন, "তুমিই সেরা।" এই কথাগুলো তার জন্য ভায়াগ্রার চেয়েও বেশি শক্তিশালী।


সক্রিয় হন: শুধু শুয়ে থাকবেন না। আপনিও উদ্যোগ নিন। তাকে চুমু খান, তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আদর করুন। তার চুলের মুঠি আলতো করে ধরুন, পিঠে নখের আঁচড় দিন। বুঝিয়ে দিন যে আপনিও এই খেলাটা খেলতে ভালোবাসেন।


নতুনত্বের স্বাদ দিন: প্রতিবার একই ভঙ্গিমায় মিলিত না হয়ে নতুন কিছু চেষ্টা করুন। তাকে বলুন, "চলো আজ নতুন কিছু করি।" আপনার এই আগ্রহই তাকে দ্বিগুণ উত্তেজিত করবে।


আলিঙ্গন ও আদর: কাজ শেষ হলেই তাকে ছেড়ে দূরে সরে যাবেন না। তাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকুন। তার বুকে মাথা রাখুন, চুলে বিলি কেটে দিন। এই মুহূর্তের নীরবতাই হাজারটা ভালোবাসার কথা বলে দেয়।


প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা: তাকে বলুন, "আজকের রাতটা অসাধারণ ছিল।" বা "তোমাকে পেয়ে আমি খুব সুখী।" তার পারফরম্যান্সের প্রশংসা করুন। এতে তার আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং সে আপনাকে আরও বেশি ভালোবাসবে।


ছোট্ট যত্ন: তার জন্য এক গ্লাস জল নিয়ে আসুন। বা একটা ভেজা তোয়ালে দিয়ে তার শরীর মুছে দিন। এই ছোট ছোট যত্নগুলোই বুঝিয়ে দেয় আপনি শুধু তার শরীরকে নয়, তাকেও ভালোবাসেন।


শেষ প্রশ্নটা আপনার কাছেই। আপনি কি স্বামীর কাছে একজন বোঝা হয়ে থাকবেন, যার শরীরটা পাওয়ার জন্য তাকে যুদ্ধ করতে হয়? নাকি সেই নারী হয়ে উঠবেন, যার শরীরের মায়ায়, আদরের নেশায় সে বারবার বাঁধা পড়তে চায়?


সিদ্ধান্ত আপনার। হয় নিজের সংসারকে বাঁচান, নয়তো নিজের ইগোর আগুনে তিলে তিলে তাকে ছাই হয়ে যেতে দেখুন।

সংগৃহীত


লেখাটি যদি ভালো লেগে থাকে তবে শেয়ার করে অন্যদেরও পড়তে দিন।

🌸 আপনার একটুখানি শেয়ার হয়তো কারও হৃদয়ে ছুঁয়ে যাবে।

📌 ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নারীর শরীর ভোগ করার মারাত্মক কয়েকটি মিস্টি টোপ,,, দৈনিক হালচাল সমাচার ফেইসবুকের কোনো এক ফারহানার লেখা থেকে নেওয়া

 নারীর শরীর ভোগ করার মারাত্মক কয়েকটি মিস্টি টোপ 


পরপুরুষের জিভের ডগায় লেগে থাকা প্রশংসার স্বাদ কেমন, জানেন?


জানেন, সেই স্বাদ যখন শিরা-উপশিরা বেয়ে আপনার মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে, তখন কেমন নেশা হয়? এটা এমন এক নেশা, যার কাছে পৃথিবীর দামী ব্র্যান্ডের অ্যালকোহলও ফিকে হয়ে যায়। এই নেশা আপনাকে মুহূর্তে মেঘের উপরে ভাসাতে পারে, আবার পরমুহূর্তেই টেনেহিঁচড়ে নামাতে পারে বাস্তবতার কঠিন মাটিতে, যেখানে আপনার সাজানো সংসার, বিশ্বাস আর ভালোবাসা টুকরো টুকরো হয়ে পড়ে থাকে।


কি? চমকে গেলেন? ভাবছেন, আমি ফারহানা, এসব কী বলছি! ভাবছেন, একটা নির্দোষ প্রশংসা নিয়ে এত নোংরা কথা বলার কী আছে?


আসুন, আজ সেই নোংরামির গভীরতাটাই একটু মেপে দেখি। আপনার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেই, আপাতদৃষ্টিতে "জাস্ট প্রশংসাবাক্য" মনে হওয়া কথাগুলোর আড়ালে কতটা ভয়ংকর লাম্পট্য আর calculado শিকারের ছক লুকিয়ে থাকে।


 প্রশংসার মিষ্টি টোপ


নিচের কথাগুলো আপনার জীবনে কি কখনো শুনেছেন? বা আপনার আশেপাশের কেউ কি প্রায়ই শোনে?


১. "ভাবী! আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না, দেখে মনে হয় মাত্র মাধ্যমিক পাশ করছেন! সিরিয়াসলি!"


বিশ্লেষণ: এটা শুধু আপনার সৌন্দর্যের প্রশংসা নয়। এটা একটা সূক্ষ্ম চাল। এই কথার মাধ্যমে আপনাকে আপনার বর্তমান পরিচয়—একজন স্ত্রী এবং মা—থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হচ্ছে। আপনাকে মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে, আপনি এখনো একজন কাঙ্ক্ষিত নারী, যাকে দেখলে সদ্য তরুণী বলে ভ্রম হয়। আপনার স্বামী হয়তো আপনাকে "বাচ্চার মা" হিসেবেই দেখে, কিন্তু এই 'অন্য' পুরুষটি আপনার ভেতরের সেই হারিয়ে যাওয়া 'আমি'-কে খুঁজে বের করেছে। কী অসাধারণ অনুভূতি, তাই না? ফাঁদটা এখানেই।


২. "ম্যাডাম, একটা কথা বলবো? ... নাকের পাশের তিলটা আপনাকে একদম পরী বানিয়েছে। এত্ত সুন্দর। জাস্ট অসাধারণ লাগে!"


বিশ্লেষণ: আপনার স্বামী হয়তো আপনার পুরো মুখটাকেই ভালোবাসে। কিন্তু এই পুরুষটি আপনার সৌন্দর্যের এমন এক ক্ষুদ্র ও ব্যক্তিগত অংশকে বিশেষভাবে প্রশংসা করছে, যা হয়তো আপনার স্বামী গত পাঁচ বছরেও খেয়াল করেনি। এই নির্দিষ্ট প্রশংসা আপনার মনে স্বামীর বিরুদ্ধে একটা চাপা অভিমান তৈরি করবে। মনে হবে, "এই মানুষটা আমাকে কতটা গভীরভাবে দেখে! আর আমার নিজের মানুষটা তো..."। এই 'গভীরভাবে দেখা'র বিভ্রমই হলো ধ্বংসের প্রথম ধাপ।


৩. "মন খারাপ কেন ভাবী? ঝগড়া টগড়া করলো নাকি? আপনার মতো এ রকম একটা মানুষের সাথেও ঝগড়া করা যায়? বিশ্বাসই হচ্ছে না!"


বিশ্লেষণ: নিখুঁত চাল! আপনার এবং আপনার স্বামীর মধ্যকার সামান্য মনোমালিন্যের মুহূর্তে তৃতীয় কেউ এসে যখন আপনাকে 'নির্দোষ' এবং 'ফেরেস্তা'র সার্টিফিকেট দেয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই স্বামীর প্রতি আপনার ক্ষোভ বহুগুণ বেড়ে যায়। আপনি ভাবতে শুরু করেন, "আমি তো আসলেই ভালো, সমস্যাটা তাহলে ওরই"। এই পুরুষটি তখন আপনার কাছে সহানুভূতিশীল বন্ধু বা 'soulmate' হয়ে ওঠে, যে আপনাকে 'বোঝে'। অথচ এর আড়ালে সে আপনার দাম্পত্যের ফাটলটাকে আরও বড় করার কাজেই ব্যস্ত।


৪. "একটা কথা বলি আপু! ... আপনার কণ্ঠটা এত্ত সুন্দর! ... টানা ২৪ ঘন্টা শুনলেও বোরিং লাগবে না!"


বিশ্লেষণ: শারীরিক সৌন্দর্যের বাইরে গিয়ে যখন কেউ আপনার কণ্ঠ বা ব্যক্তিত্বের এমন প্রশংসা করে, তখন সেটা আরও গভীরে গিয়ে আঘাত করে। আপনার মনে হতে পারে, এই মানুষটা কেবল আমার শরীর নয়, আমার আত্মাকেও সম্মান করছে। কিন্তু সত্য হলো, এটাও ফাঁদে ফেলার একটি অত্যাধুনিক কৌশল। সে আপনাকে বোঝাতে চাইছে, সে আপনার সবকিছুরই পূজারী। এই পূজা পাওয়ার লোভ সামলানো খুব কঠিন, তাই না? আমি ফারহানা, একজন নারী হিসেবে জানি, এই শব্দগুলোর টান কতটা অপ্রতিরোধ্য হতে পারে।


৫. "আজ থেকে আপনাকে আর আন্টি ডাকবো না... দেখলে মনে হয় আবার বিয়ে দেওয়া যাবে, আর আপনাকে ডাকবো আন্টি? না, আর না!"


বিশ্লেষণ: মারাত্মক অস্ত্র! আপনাকে 'আন্টি' বা বয়স্কের খোলস থেকে বের করে এনে সরাসরি 'বিয়ের যোগ্য' তরুণীর আসনে বসিয়ে দেওয়া হলো। আপনার অবচেতন মন মুহূর্তেই দশ বছর পেছনে চলে যাবে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আপনি নিজেকে নতুন করে দেখবেন। আর যে পুরুষটি এই भ्रम তৈরি করলো, তাকে আপনার জীবনের 'মূল্যায়নকারী' বলে মনে হবে।


এই তালিকা আরও লম্বা হতে পারতো। "নীল শাড়ীতে আপনাকে কোয়েল মল্লিকের মতো লাগছে", "আমি আপনার মতো বউ পেলে এক সপ্তাহের ছুটি নিতাম" – এ সবই একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।


এবার আসল কথায় আসি। যে পুরুষেরা বিবাহিত নারীদের এভাবে প্রশংসার জালে জড়াতে চায়, তাদের ৯৯.৯৯% এর উদ্দেশ্য কী? আপনাকে বিয়ে করে সুখে সংসার করা?


না। একদমই না।


তাদের আসল উদ্দেশ্য হলো, আপনার শরীর ও সঙ্গ ভোগ করা। তারা কুকুরের মতোই সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। তারা জানে, একজন বিবাহিত নারী মানসিক বা শারীরিকভাবে অতৃপ্ত থাকলে, কিংবা স্বামীর কাছে সামান্য অবহেলিত বোধ করলেই প্রশংসার কাঙাল হয়ে ওঠে। আর এই দুর্বলতার সুযোগ নেওয়াটা তাদের জন্য সবচেয়ে সহজ।


তারা আপনাকে বিয়ে করবে না, কারণ তারা কোনো দায়িত্ব নিতে চায় না। তাদের লক্ষ্য হলো 'রেডিমেড' ফল খাওয়া। আপনার সাজানো সংসার আছে, আপনার সামাজিক পরিচয় আছে। আপনার সাথে একটা গোপন সম্পর্ক তৈরি করতে পারলে কোনো দায়বদ্ধতা ছাড়াই সবটুকু নিংড়ে নেওয়া যায়। যতদিন ভালো লাগবে, ততদিন চলবে। তারপর? তারপর আপনি আপনার ভাঙা সংসার আর কলঙ্ক নিয়ে পড়ে থাকবেন, আর সে নতুন কোনো 'ভাবী' বা 'ম্যাডাম'-এর নাকের তিলের প্রশংসায় ব্যস্ত হয়ে পড়বে। সোজা কথায়, যতদিন 'খাওয়া' যায়, ততদিনই আপনার কদর।


যে নারী তার স্বামীকে প্রচণ্ড ভালোবাসতো, যার জীবনে স্বামীর বিকল্প কেউ ছিলো না, সেই নারীও যখন দিনের পর দিন বাইরের কোনো পুরুষের মুখে নিজের এমন খুঁটিনাটি প্রশংসা শোনে, তখন তার ভাবনার জগতে ঝড় ওঠে।


সে ভাবতে শুরু করে:

"আমার স্বামী তো আমাকে এত্ত ভালোবাসে, কিন্তু ও তো কোনোদিন আমার কপালের টিপটা নিয়ে এমন করে কিছু বলেনি!"

"আমি সংসারে সবার জন্য খেটে মরছি, আর ও আমাকে শুধু 'দরকার' হিসেবেই দেখে। অথচ বাইরের ওই লোকটি আমার ভেতরের সৌন্দর্যকে সম্মান করে।"

"আমার স্বামী হয়তো আমাকে ভালোবাসে, কিন্তু সে আমাকে 'desire' করে না। এই লোকটি আমাকে বুঝিয়ে দিলো, আমি এখনো কতটা আকর্ষণীয়।"


এই ভাবনাগুলোই হলো বিষ। এই বিষাক্ত ভাবনা থেকে জন্ম নেয় দাম্পত্য কলহ। স্বামীর ছোটখাটো ভুলও তখন অসহ্য মনে হয়। আপনি অকারণে খিটখিট করবেন, সামান্য কথায় ঝগড়া করবেন। কারণ আপনার মনে তখন একটা তুলনামূলক বিচার চলছে, যেখানে আপনার স্বামী প্রতিনিয়ত হেরে যাচ্ছে সেই 'প্রশংসাকারী' পুরুষের কাছে।


সুখের সংসারে থাকা একজন নারীও তখন নিজের মধ্যে 'অভাব' খুঁজে পায়। যে অভাবটা আসলে ছিলোই না, সেটা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে বাইরে থেকে। এরপর শুরু হয় গোপন চ্যাটিং, লুকিয়ে দেখা করা, এবং অবশেষে পরকীয়া—যা একটি পরিবারকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।


একটা "ইনোসেন্ট প্রশংসা" আপনার আত্মসম্মানকে এমনভাবে বাড়িয়ে দেবে যে আপনি আপনার বাস্তবতাকে অস্বীকার করতে শুরু করবেন। আর এভাবেই একটা জলজ্যান্ত মানুষকে মানসিক এবং সামাজিকভাবে খুন করে ফেলা হয়।


আমি জানি, প্রশংসা শুনতে সবারই ভালো লাগে। কিন্তু আপনাকে বুঝতে হবে কোনটা নির্দোষ প্রশংসা আর কোনটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত 'টোপ'। যে পুরুষ আপনার সৌন্দর্যের প্রশংসা করার জন্য সুযোগ খুঁজে বেড়ায়, আপনার ব্যক্তিগত জীবনে সহানুভূতি দেখানোর নামে নাক গলায়, আপনার দাম্পত্যের খুঁটিনাটি জানতে চায়—সে কখনোই আপনার বন্ধু হতে পারে না। সে একজন শিকারি।


এটা ভাবার কোনো কারণ নেই যে, যারা "ভাবী" টার প্রশংসা করছে, এরা "ফ্রি মাইন্ড" এ ইনোসেন্ট মন নিয়ে করছে! নাহ, এরা অবশ্যই, অবশ্যই, এবং অবশ্যই কুমতলব নিয়েই প্রশংসা করে!!


একই কথা পুরুষদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কিছু নারীও সুদর্শন পুরুষ বা অফিসের বসকে ফ্লার্ট করে নিজের কার্যসিদ্ধি করতে চায়। ফাঁদ দুই দিক থেকেই হতে পারে।


তাই, যদি জীবনে সুখী হতে চান, নিজের পরিবারকে ভালোবাসেন, তাহলে এই ধরনের মানুষের কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। কারো মিষ্টি কথায় গলে যাবেন না। যে আপনার রূপের বা গুণের প্রশংসা করে আপনাকে আপনার স্বামীর বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিতে চায়, তাকে সরাসরি ব্লক করুন। কারণ, এই প্রশংসার আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষাক্ত সাপটি ছোবল দেওয়ার আগেই তাকে চিনে ফেলাটা বুদ্ধিমানের কাজ।


মনে রাখবেন, আপনার স্বামী হয়তো কবি নয়, সে হয়তো প্রতিদিন আপনার নাকের তিলের প্রশংসা করে না। কিন্তু দিনশেষে অসুস্থ হলে মানুষটা সেই-ই আপনার পাশে নির্ঘুম রাত কাটায়। আপনার সন্তানের দায়িত্ব নেয়। আপনার সংসারের ভার বয়। ক্ষণিকের নেশার জন্য এই চিরস্থায়ী আশ্রয়টাকে নষ্ট করবেন না।

গল্প টা মায়ের কাছে শোনা।,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গল্প টা মায়ের কাছে শোনা। 

কোন এক গ্রামে এক চিটিংবাজ বাস করতো।  যেহেতু চিটিংবাজ তাই, সারাদিন ফন্দি আঁটত কাকে কিভাবে ঠকানো যায়। 

গ্রামের  কেউকে সে কোনোদিন ঠকায় নি। পাছে গ্রামে তাঁর সন্মান নষ্ট হয়।  একদিন তাঁর মাথায় কু বুদ্ধি ভর করলো। সে ভাবলো  গ্রামের কেউকে সে ঠকাবে। 

যেমন ভাবা তেমনি  কাজ।  

গ্রামের ব্রাহ্মণ, ঘোষ,  কামার, কুমোর, ছুতোর, দাস, মাঝি ইত্যাদি সম্প্রদায়ের বাস। সে ভাবছে কাকে ঠকানো যায়?? অবশেষে তাঁর নজর পড়লো, কুমোরপাড়ার হরিদাস পালের উপরে। 

একদিন সন্ধ্যাবেলায়,  হরিদাস পালের বাড়ি গিয়ে চিটিংবাজ লোকটা বলল। " ভাই আমাকে ১০০০  মাটির ১ টাকার কয়েন তৈরী করে দেবে?? তোমার পারিশ্রমিক যা লাগবে দেবো"। 

হরিদাস পাল  অনেক ভেবে রাজি হলো। চিটিংবাজ তাকে কিছু টাকা অগ্রিম দিয়ে বাড়ি ফিরে এলো। 


একসপ্তাহ পরে চিটিংবাজ, হরিদাস পালকে বাজারে দেখে, সবার সামনে চেঁচিয়ে বলল " আমার  হাজার টাকার কয়েন গুলো কবে দেবে?? 

হরিদাস  পাল বিনয়ের সাথে বলল  " আরও কিছুদিন সময় লাগবে। 

হরিদাস পাল কে চিটিংবাজ প্রায়ই বলে " আমার হাজার টাকা কবে দেবে?? 

হরিদাস বলেন  " আর কিছুদিন পরে " 

ইতিমধ্যে  গ্রামের সবাই জেনে গেছে  চিটিংবাজ হরিদাস পালের কাছে ১০০০টাকা পায়। 

এভাবে ছয় মাস পার হলো,, একদিন চিটিংবাজ বাজারে   লোকজনের সামনে  একপ্রকার হুমকি দিয়েই বলল  "এক সপ্তাহর মধ্যে আমার টাকা চাই। নইলে.. 

গ্রামের লোকজন জানতো হরিদাস পাল  চিটিংবাজের থেকে ১০০০ টাকা ঋণ নিয়েছে,  চিটিংবাজ সেই টাকাটাই চায়। তাই তাঁরাও চিটিংবাজের পক্ষ নিয়ে  হরিদাস পাল কে ভীষণ চাপ দিতে থাকলো। 

চিটিংবাজ যে হরিদাস পালকে  মাটির টাকা তৈরী করতে দিয়েছে সে কথা কেউ বিশ্বাসই করলো না। 

সবাই বলল " একটা চিটিংবাজ কি পাগল?? যে তোমাকে  মাটির টাকা বানাতে দেবে?? তুমি ওর ১০০০ টাকা মেরে দিতে চাইছো??  ভালোই ভালোই ওর পাওনা টাকা ওকে ফেরত দাও। নইলে কিন্তূ কপালে কষ্ট আছে। 


বেগতিক দেখে হরিদাস  গ্রামের মোড়লের কাছে গেল। সব শুনে মোড়ল  হরিদাসকে মিথ্যাবাদী বলে ভৎসনা করলো। তারপর তাকে আদেশ দিলো,  তিন দিনের মধ্যে   চিটিংবাজের সব টাকা ফেরত দিয়ে দেবে। নয়তো সালিসি সভা দেখে তোমাকে চরম শাস্তি দেয়া হবে। 


সহজ সরল হরিদাস কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি গিয়ে ভাবছে একি অনাচার?? তাঁর কথা কেউ বিশ্বাসই করছে না?

যে মিথ্যা বলছে সবাই তাঁর পক্ষে কথা বলছে?? 

হরিদাস পালের স্ত্রী ছিলেন ভীষণ বুদ্ধিমতী। সব শুনে  সব শুনে হাসতে হাসতে বললেন " এই সামান্য ব্যাপার নিয়ে তুমি কাঁদছো?? যাও এখুনি চিটিংবাজ কে বলে এসো। কাল সকালে আমাদের বাড়িতে এসে যেন টাকাটা নিয়ে যান। 

স্ত্রীর কথা শুনে হরিদাস অবাক। তাহলে কি সত্যি সত্যিই ওকে টাকা দিতে হবে?? 

হরিদাস পালের স্ত্রী বললেন " কি এতো ভাবছো?? যা বললাম তাই করো। এখুনি গিয়ে বলে এসো। 

হরিদাস স্ত্রীর কথা মত   চিটিংবাজকে টাকা নিতে যাওয়ার কথা বলল.. 

টাকা নিতে যাওয়ার কথা শুনে চিটিংবাজ তো মহাখুশি। পরের দিন সকালে হাসতে হাসতে হরিদাসের বাড়িতে উপস্থিত হলো। 

হরিদাস পালের স্ত্রী  মাথায় ঘোমটা দিয়ে বললেন " আমি এখনো আকাচা।আপনার টাকা ওই চাক (হাঁড়ি বানানোর যন্ত্র ) ঘরের  ডাপের ঝোলায় রাখা আছে। আপনি একটু কষ্ট করে নিয়ে নিন। 

টাকার লোভে চিটিংবাজ প্রায় লাফাতে লাফাতে চাক ঘরের দিকে এগিয়ে গেল। দরজা খুলে দেখলো ঘরটা একটু অন্ধকার। তবে ডাপে ঝোলা টা দেখা যাচ্ছে। যেমনি ঝোলাটা নামিয়েছে। অমনি ঝোলার আড়ালে ভীমরুলের  চাক থেকে বেশ কিছু ভিমরুল বেরিয়ে চিটিংবাজের মুখে, হাতে, বুকে, পিঠে যেখানেই পেরেছে হুল ফোটাতে শুরু করেছে। 

 " বাবারে, মা রে, গেলাম রে, বাঁচাও বাঁচাও বলে ঘর থেকে ছুটে বেরিয়ে দৌড়োতে শুরু করেছে। ভিমরুল গুলোও চিটিংবাজের পিছু নিয়েছে। 

বেগতিক  দেখে প্রাণ বাঁচাতে চিটিংবাজ এবারে পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছে।  পুকুরে গভীর খাল, এদিকে চিটিংবাজ সাঁতারও জানতো না।  

চিটিংবাজ বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছে। আর জল খাচ্ছে।  সব দেখে হরিদাস একটা বাঁশের লগি নিয়ে এগিয়ে এলো। সঙ্গে  গ্রামের মোড়ল ও আরও  কিছু গণ্যমান্য লোকজন। 

লগিতা চিটিংবাজের দিকে বাড়িয়ে হরিদাস বলল " সত্যি কথা বলো, তুমি  আমাকে  টাকা ঋণ দিয়েছো??  না কি মাটির টাকা তৈরী করতে দিয়েছিলে?? সব সত্যি বলবে। নইলে এই লগি আমি ছেড়ে দেবো.. 


বাঁচার তাগিদে চিটিংবাজ সব সত্যি কথা বলল।  সব শুনে সবাই চিটিংবাজকে  জল থেকে তুলে উত্তম মধ্যম দিতে এক্কেবারে মুখিয়ে রয়েছে। 

হরিদাস চিটিংবাজকে জল থেকে টেনে তুলে তাঁর করুন অবস্থা দেখে খুব দয়া হলো।  সারা শরীর টা ভীমরুলের কামড়ে এক্কেবারে যেখানে সেখানে ফুলে লাল হয়ে রয়েছে। তাই কেউ আর তাঁর গায়ে হাত দিলো না। 


মোড়ল মশাই  কড়া ভাষায় চিটিংবাজ কে আদেশ দিলেন।  সহজ সরল মানুষ পেয়ে হরিদাস কে ঠকানোর চেষ্টা??  তোমার শাস্তি তো তুমি পেয়েই গেছ তবুও  তোমাকে সবার সামনে হরিদাসের পায়ে ধরে  ক্ষমা চাইতে হবে। 

চিটিংবাজ  সবার সামনে হরিদাসের পায়ে ধরে ক্ষমা চেয়ে  বাবারে, মা রে , মরে গেলাম রে  বলতে বলতে চলে গেল। 

হরিদাস স্বস্তির ফেলল।  বাড়ি ফিরে  " সত্যি গিন্নি, তোমার জবাব নেই "" বলে  দুজনেই হাসতে লাগলো। 


✍️ পরিতোষ

রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির ইন্টারভিউ এর জন্য প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন :-

 সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির ইন্টারভিউ এর জন্য প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন :-


10 mm =1 cm

100 cm = 1 m (মিটার)Convert

1″ = 25.4 mm

1″ = 2.54 cm

39.37″ = 1 m

12″ = 1′ Fit

3′ = 1 Yard (গজ)

1 Yard = 36″

72 Fit = 1 bandil.

রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি

10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta

12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta

16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta

20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta

22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta

25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta

রডের ওজন

৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।

১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।

১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।

১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।

২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।

২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।

২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।

উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .

8 mm -7 feet -1 kg

10 mm -5 feet -1 kg

12 mm -3.75 feet – 1 kg

16 mm -2.15feet -1kg

20 mm -1.80feet -1kg

22mm -1.1feet -1kg

রডের মাপ ফিট মেপে kg বের করা হয় ………

এই সুত্রটি মনে রাখুন ( রডের ডায়া^2 / 532.5 ) যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন বাহির হবে . এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে উল্লেখ করতে হবে।


* ১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়।

* ১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়।

* ১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়।

বালির হিসাব

* ১০৯ ফিট = ১২.২৫cft,

* ১০০ sft ৫” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।

* ১০০ sft ১০” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।


ঢ়ালাই এর হিসাব

* ১০০ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে।

* ১ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।

গাথুনী এবং প্লাস্টারের হিসাব

১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।

০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।

গাথুনী এর প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।

নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।

০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।

এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।

ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।

* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।

* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।

* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।

* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)

মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)


===================================

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রাথমিক হিসাব নিকাস জানুনঃ

1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।

2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি

3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।

4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।

5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।

6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার

7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।

8. এক. বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার

9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%

10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ….

11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি

12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।

13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল

14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার

15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি

16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।

17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।

18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি।

19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।

20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার

21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।

22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.

23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২

24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার।

25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার।

26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি

27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।

28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি

29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি

30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ

31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি

32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ।


#civilengineeringcreativity #engineeringformulas #engineeringstudy #EngineeringWorld

এ অক্ষর দিয়ে ৪০টি হোমিও ঔষধের সিঙ্গেল সিম্পটম।  (ঔষধের নাম ও ২টি প্রধান লক্ষন)

 🪴🪴🪴এ অক্ষর দিয়ে ৪০টি হোমিও ঔষধের সিঙ্গেল সিম্পটম। 

(ঔষধের নাম ও ২টি প্রধান লক্ষন)


1 Aconitum Napellus ~হঠাৎ ভয় বা আতঙ্কে অসুস্থতা, প্রচণ্ড জ্বরের শুরুতে অস্থিরতা

2 Arnica Montana~ আঘাত বা চোটের ব্যথা, শরীর স্পর্শ করলে সহ্য হয় না

3 Arsenicum Album ~অতি দুর্বলতা ও অস্থিরতা, সামান্য পরিমাণে বারবার পানি পান

4 Argentum Nitricum ~ভয় ও দুশ্চিন্তা থেকে ডায়রিয়া, উচ্চ স্থানে ভয়

5 Alumina ~কোষ্ঠকাঠিন্য, শুকনো মল বের করতে প্রচণ্ড কষ্ট

6 Aloe Socotrina ~হঠাৎ হঠাৎ পাতলা ডায়রিয়া, টয়লেট থেকে বের হতে না হতেই আবার চাপ

7 Antimonium Crudum~ অতিরিক্ত খাবারে অরুচি ও বমি, জিভে সাদা আবরণ

8 Antimonium Tartaricum ~বুকে প্রচুর কফ জমে শ্বাসকষ্ট, দুর্বল কাশি

9 Apis Mellifica~ হঠাৎ ফুলে যাওয়া, পোকার কামড় বা অ্যালার্জিতে চুলকানি

10 Aurum Metallicum~ হতাশা ও আত্মহত্যার চিন্তা, হাড়ে হাড়ে ব্যথা

11 Asarum Europaeum~ ক্ষুদ্র শব্দেও অসহ্য কষ্ট, স্নায়বিক অতিসংবেদনশীলতা

12 Anacardium Orientale ~দ্বৈত চিন্তা (এক কাজ করতে চাই, আবার না চাই), নিষ্ঠুরতা

13 Agaricus Muscarius ~অনিয়ন্ত্রিত নাচুনি বা কাঁপুনি, ঠাণ্ডায় স্নায়বিক ব্যথা

14 Angustura Vera ~পেশীতে কঠিন ব্যথা ও খিঁচুনি, দাঁত ঘষা

15 Anhalonium ~বিভ্রম বা হ্যালুসিনেশন, মাদকাসক্তির মত অনুভূতি

16 Abrotanum~ বাচ্চাদের খিদে থাকলেও শুকিয়ে যাওয়া, জোড়ায় ব্যথা

17 Absinthium ~খিঁচুনি ও অজ্ঞান হওয়া, স্মৃতিভ্রংশ

18 Acetic Acid ~অতিরিক্ত দুর্বলতা ও রক্তশূন্যতা, প্রচণ্ড তৃষ্ণা

19 Actaea Racemosa (Cimicifuga)~ প্রসূতির স্নায়বিক উত্তেজনা, জরায়ুর ব্যথা

20 Adonis Vernalis~ হৃদযন্ত্র দুর্বলতা, ফোলা পা

21 Aethusa Cynapium~ শিশু দুধ খেলেই বমি করে ফেলে, চোখ ঘুরে যায়

22 Agnus Castus ~যৌনশক্তি হ্রাস, স্মৃতিশক্তি দুর্বল

23 Aletris Farinosa ~নারী বন্ধ্যাত্ব ও অতিরিক্ত দুর্বলতা, জরায়ুর দুর্বলতা

24 Allium Cepa ~নাক দিয়ে পানি ঝরা, চোখ দিয়ে পানি পড়লেও জ্বালা করে না

25 Allium Sativum~ হজমের গোলযোগ, রসুনজাতীয় খাবারে অরুচি

26 Alumen ~কঠিন কোষ্ঠকাঠিন্য, মলদ্বারের শিরা ব্যথা

27 Ammonium Carbonicum ~শ্বাসকষ্টে ঘুম ভেঙে যায়, স্থূল মানুষে সমস্যা

28 Ammonium Mur ~ডান দিকের কোমরে ব্যথা, পাইলস

29 Ammonium Phos ~গাঁটে ব্যথা ও দুর্বলতা, প্রস্রাবে ফসফেট

30 Amylenum Nitrosum ~হঠাৎ গরম অনুভব, রক্তমুখে উঠা

31 Anemone Pulsatilla (Pulsatilla)~ অশ্রুসিক্ত ও নরম স্বভাব, তৈলাক্ত খাবার সহ্য হয় না

32 Anemone Hepatica (Hepatica)~ কাশি ও গলায় টনটন ভাব, শ্বাসকষ্ট

33 Angustura Officinalis ~দাঁত ব্যথা, পেশীতে টান

34 Anthracinum~ মারাত্মক ফোঁড়া ও ক্ষত, গ্যাংগ্রিন প্রবণতা

35 Apocynum Cannabinum ~শরীরে পানি জমে ফুলে যাওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া

36 Aquilegia Vulgaris ~মাথা ঝিমঝিম, হালকা বিষণ্নতা

37 Aralia Racemosa ~মধ্যরাতে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি

38 Aranea Diadema ~নির্দিষ্ট সময়ে জ্বর, আর্দ্র আবহাওয়ায় অসুস্থতা

39 Arum Triphyllum ~মুখে ঘা ও জ্বালা, নাক মুখে ক্ষত

40 Asclepias Tuberosa ~বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট, কাশি।


ডা:মো:ফরহাদ হোসেন

চেম্বার:জার্মান হোমিও কেয়ার। কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল,হাউজিং ১নাম্বার গেট,ABC স্কুলের পাশে।

থানা+জেলা:জয়পুরহাট সদর।

হেল্পলাইন-01955507911

বসে বসে স্বপ্ন দেখলেই সফল হওয়া যায় না! সফল উদ্যোক্তা হতে হলে — দরকার সঠিক দিক, সঠিক কাজ, আর অটল মানসিকতা! সফল হতে চাও? তবে এই ৯টি উপায় এখনই নিজের জীবনে লাগু করো!,,, D X N ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বসে বসে স্বপ্ন দেখলেই সফল হওয়া যায় না! সফল উদ্যোক্তা হতে হলে — দরকার সঠিক দিক, সঠিক কাজ, আর অটল মানসিকতা! সফল হতে চাও? তবে এই ৯টি উপায় এখনই নিজের জীবনে লাগু করো!


বর্তমান সময়ে অনেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু সফল উদ্যোক্তা হতে গেলে শুধু আইডিয়া থাকলেই হয় না — দরকার পরিকল্পনা, অধ্যবসায়, এবং শেখার মানসিকতা।


এখানে এমন ৯টি কার্যকরী উপায় তুলে ধরা হলো, যেগুলো একজন সাধারণ মানুষকে অসাধারণ উদ্যোক্তায় পরিণত করতে পারে:


১. সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন:

আপনি কোথায় যেতে চান? ৫ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি স্পষ্ট না থাকে, তবে পথ হারানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি। লক্ষ্য না থাকলে কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসে না।


২. শেখার মানুষিকতা তৈরী করতে হবে 

প্রতিদিন কিছু না কিছু শিখুন — বই পড়ে, অনলাইন কোর্স করে, সফল ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা শুনে। একটানা শেখার অভ্যাসই আপনাকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখবে।


৩. ঝুঁকি নিতে শিখুন:

ভয়কে জয় করতে না পারলে কিছুই সম্ভব নয়। সফল উদ্যোক্তারা ঝুঁকি নিতে ভয় পান না, কারণ তারা জানেন —

“No risk, no reward!”


৪. সময়কে নিয়ন্ত্রণে নিন:

প্রতিদিনের ২৪ ঘণ্টা সবার সমান, কিন্তু সফলরা তাদের সময়কে সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যবহার করেন। সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনাই আপনার প্রতিদিনকে সফলতার দিকে নিয়ে যাবে।


৫. যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ান:

ভালো কথা বলার, বুঝিয়ে বলার, ও অন্যদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করার ক্ষমতা একজন উদ্যোক্তার জন্য অপরিহার্য।

মানুষ আপনার সঙ্গে ব্যবসা করবে, আপনার পণ্যের সঙ্গে নয় — এটা ভুলে গেলে চলবে না।


৬. সমস্যা খুঁজে সমাধান দিন:

বাজারে হাজারো সমস্যা আছে — আপনি কি তার একটিরও কার্যকরী সমাধান দিতে পারবেন না?

সফল উদ্যোক্তা সেই, যে মানুষের সমস্যার সমাধান করে।


৭. আর্থিক শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করুন:

ইনকাম, খরচ, প্রফিট মার্জিন, ইনভেস্টমেন্ট — এসব বোঝা না গেলে ব্যবসা টিকবে না। উদ্যোক্তাকে হতে হয় একজন দক্ষ অর্থ ব্যবস্থাপকও।


৮. নিজের প্রতি অগাধ বিশ্বাস রাখুন:

অনেক সময় ব্যর্থতা আসবে, অন্যরা উপহাস করবে, পরিবার সমর্থন নাও করতে পারে — কিন্তু নিজের উপর বিশ্বাস হারালে কিছুই সম্ভব নয়। বিশ্বাসই একজন উদ্যোক্তার শক্তি।


 ৯. ধৈর্য ধরুন এবং কনসিস্টেন্ট থাকুন:

রাতারাতি কিছু হয় না। মাসের পর মাস, বছরের পর বছর কাজ করেও অনেক সময় ফল আসে না — তখনই ধৈর্য ধরতে হবে। যারা অপেক্ষা করতে পারে, সাফল্য তাদের কাছেই ধরা দেয়।


সফল উদ্যোক্তা হওয়া কোনো অলৌকিক বিষয় নয়। এটা সম্ভব — যদি আপনি এই ৯টি বিষয় নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারেন ।


এখন বলুন , আপনি কোন পয়েন্টে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে চান?

সবচেয়ে মিথ্যা কবিতাছত্র, কিন্তু সবচেয়ে বাস্তব তার অর্থ

 সবচেয়ে মিথ্যা কবিতাছত্র, কিন্তু সবচেয়ে বাস্তব তার অর্থ

কবি মুতানাব্বী বলেন,

               بعيني رأيت الذئب يحلب نملة ........... ويشرب منها رائباً وحليبا

অর্থাৎ, আমি নিজের চোখে দেখলাম, একটি নেকড়ে বাঘ একটি পিঁপড়ের দুধ দোয়াচ্ছে, আর সে তার দই ও দুধ পান করছে!

তিনি বলেন, এটা সবচেয়ে মিথ্যা কবিতাছত্র এই জন্য যে, নেকড়ে দুধ দোয়াতে জানে না, আর আসলে পিঁপড়া দুধ দেয় না।

পক্ষান্তরে সবচেয়ে বাস্তব তার অর্থ এই জন্য যে, একদা আমি কূফা শহরের বাজারে এক মাছ-বিক্রেতা গরীব মহিলার পাশে ছিলাম। ইতিমধ্যে একজন বিশাল ধনী ও অহংকারী লোক এসে তাকে জিজ্ঞাসা করল, 'এক রতল মাছের দাম কত?' মেয়েটি বলল, 'পাঁচ দিরহাম স্যার!' ধনী লোকটি বলল, 'দূর! এক রতলে এক দিরহাম (নাও)।' মেয়েটি বলল, 'স্যার! মাছ আমার নয়। (এর মালিক অন্য একজন।) আর আমি এক রতলে পাঁচ দিরহাম ছাড়া বিক্রি করতে পারব না।' তা শুনে ধনী ব্যক্তিটি বলল, 'আমাকে দশ রতল মাছ দাও।'

এ কথা শুনে মহিলাটি খুব খুশি হলো এবং ধারণা করল যে, সে তাকে পঞ্চাশ দিরহাম প্রদান করবে। কিন্তু সে তাকে মাছ দিলে তা গ্রহণ ক'রে দশ দিরহাম ছুঁড়ে দিল এবং পিঠ ফিরে যেতে লাগল। মহিলাটি তাকে ডাক দিল, 'স্যার, স্যার!' আর সে অবস্থায় সে কেঁদে ফেলল। কিন্তু ধনী লোকটি কোন সাড়া দিল না। তা দেখে আমিও তাকে ডাক দিলাম, কিন্তু সে আমাকেও সাড়া দিল না। এই জন্য আমি এই কবিতাছত্রটি রচনা করলাম।

'নেকড়ে' বলতে আমার উদ্দেশ্য হলো ধনী লোকটি, আর 'পিঁপড়ে' হলো মাছ-বিক্রেতা গরীব মহিলাটি।

কি সুন্দর এই কবিতাছত্রটি! আর কতই না বাস্তব তার উদাহরণ আমাদের এই যুগে!

'কিছু বিবেক এমনও মরে আছে যে, লক্ষ টাকার বেতনে কর্মরত অফিসার ৩০০ টাকা উপার্জনকারী গরীব শ্রমিকদের কাছ থেকেও ঘুস বা তোলা আদায় ক'রে থাকে।'

বিশ লাখ টাকার গাড়ি-ওয়ালা ধনী লোক কোন ভিক্ষুক দেখে দুটি টাকা চলে যাওয়ার ভয়ে ভিতর থেকে গাড়ির কাঁচ বন্ধ ক'রে দেয়।

                             'আমি তো নীরবে দিয়েছি আমার সব, 

                      দুটি ফল তার করি অধিকার, এত তারি কলরব।

                   এ জগতে হায়, সেই বেশি চায়, আছে যার ভূরি ভূরি, 

                         রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙ্গালের ধন চুরি।'

**************************************

সংগ্রহ ও অনুবাদ >> আব্দুল হামিদ আল-ফাইযি আল-মাদানি

আদম (আঃ) এবং হাওয়া (আঃ) এর ​বিয়ে এবং মোহর​

 আদম (আঃ) এবং হাওয়া (আঃ) এর ​বিয়ে এবং মোহর​

▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬

প্রশ্ন: আদম (আঃ) এবং হাওয়া (আঃ) এর বিয়ে কে পড়িয়েছেন এবং তাদের বিয়ের মোহর কত ছিল?


উত্তর:

আল্লাহ তাআলা মহাগ্রন্থ আল কুরআনে হাওয়া আ. কে আদম আ. এর স্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন,

وَقُلْنَا يَا آدَمُ اسْكُنْ أَنتَ وَزَوْجُكَ الْجَنَّةَ وَكُلَا مِنْهَا رَغَدًا حَيْثُ شِئْتُمَا وَلَا تَقْرَبَا هَـٰذِهِ الشَّجَرَةَ فَتَكُونَا مِنَ الظَّالِمِينَ

"এবং আমি আদমকে বললাম যে, তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস করতে থাক এবং ওখানে যা ইচ্ছা তৃপ্তিসহ খেতে থাক। কিন্তু এ গাছের নিকটবর্তী হয়ো না। অন্যথায় তোমরা যালিমদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে পড়বে।" (সূরা বাকারা: ৩৫)


আদম আ. ও হাওয়া আ. এর বিয়ে ও স্বামী-স্ত্রীর হওয়ার ব্যাপারে এর চেয়ে বড় সাক্ষ্য আর কিছু হতে পারে না। সুতরাং এতটুকু জানাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। 


কিন্তু কে তাদের বিয়ে পড়িয়েছেন, তাদের মোহরানা কত ছিল এসব খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে কিছু হাদিস উল্লেখ করা হলেও বিজ্ঞ মুহাদ্দিসদের দৃষ্টিতে সেগুলোর পক্ষে নির্ভরযোগ্য ও প্রামাণ্য কোনও সূত্র নেই। 


যেমন:


●  এ মর্মে কুসতুলানী কর্তৃক সংকলিত আল মাওয়াহেবুল লাদুন্নিয়াহ কিতাবে (১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ২৫) একটি হাদিস উল্লেখিত হয়েছে। তা হল,

أن الله ـ سبحانه ـ لما خَلق آدمَ خلق له حواءَ من ضِلَع من أضلاعه اليسرى وهو نائم فلما استيقظ ورآها سكَن إليها ومدّ يده إليها فمنعته الملائكةُ حتى يؤدِّي مهرَها، فقال: وما مهرُها؟ قالوا: تصلِّي على محمد ـ صلى الله عليه وسلم ـ ثلاثَ مرات.

"আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আদম আলাইহিস সালাম কে সৃষ্টি করলেন। অত:পর যখন তিনি ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন তখন তার বাম পাঁজরের একটি হাড্ডি থেকে হাওয়া আ. কে সৃষ্টি করলেন। তিনি  ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে হাওয়াকে দেখে তিনি মনে প্রশান্তি অনুভব করলেন। তাই তাকে স্পর্শ করার জন্য হাত বাড়ালে ফেরেশতাগণ তাকে মোহর পরিশোধ না করা পর্যন্ত স্পর্শ করতে নিষেধ করলেন।

তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তাঁর মোহর কি?

ফেরেশতাগণ বললেন, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ৩ বার  দরুদ পাঠ।"


●  ইবনুল জাওযি (মৃত্যু: ৭৯৫ হিজরি) তার 'সালওয়াতুল আহযান' কিতাবে উল্লেখ করেন,

أنها لما سمعتْ كلام الملائكة طلبت مَهرها من آدم، فسأل ربَّه كم يُعطيها؟ فقال: صل على حبيبي محمد بن عبد الله عشرين مرة، ففعل، وجاء في بعض الروايات أن اللهَ زوّجه إيّاها وخطب في ذلك خطبة.

"হাওয়া আ. ফেরেশতাদের কথোপকথন শোনার  আদম আ. থেকে তার মোহর চাইলেন। তখন তিনি আল্লাহকে জিজ্ঞেস করলেন, কত মোহর দিবেন?

আল্লাহ বললেন, “তুমি আমার হাবিব মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ এর উপর ২০ বার দরুদ পাঠ করো।” তাই তিনি তাই করলেন।


●  অন্য বর্ণনায় এসেছে, স্বয়ং আল্লাহই আদম-হাওয়ার বিয়ে পড়িয়েছেন এবং বিয়েতে খুতবা পাঠ করেছেন!

 

কিন্তু উক্ত গ্রন্থদ্বয় এসব হাদিসের কোনও সনদ (বর্ণনা সূত্র) উল্লেখ করেন নি বা এগুলো গ্রহণযোগ্য-অগ্রহনযোগ্য হওয়ার ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করেন নি।


●  কোন কোন বর্ণনায়, ১০০ বার দরূদ পড়ার কথাও এসেছে। আরও বলা হয়েছে, ৭০ বার দরুদ পাঠ করার পর তার নি:শ্বাস শেষ হওয়ায় আল্লাহ তাআলা ৩০ বার দরুদ পড়া বাকি রেখেছেন। আর সেখান থেকেই মোহরকে দুভাগ করা হয়েছে: একভাগ নগদ আর একভাগ বাকি।


বিশিষ্ট মুহাদ্দিস আল্লামা শাইখ রশিদ রেজা রহ. বলেন,

ما ذُكِرَ في ذلك كذب صريح لا حاجة لإطالة الكلام في رده

“এ ব্যাপারে যে সব কথা বলা হয়েছে সেগুলো স্পষ্টই মিথ্যাচার। সুতরাং তার জবাব দেয়ার ক্ষেত্রে লম্বা আলোচনার প্রয়োজন নাই।” আর তিনি, ৩ বা ২০ বার দরুদ পড়ার হাদিসকে জইফ বা দুর্বল বলেছেন।

------------------

আদম আ. এর বিয়েতে মোহরের রেওয়ায়েতের শব্দ এবং মহরের পরিমাণ নিয়ে কয়েক ধরণের কথা পাওয়া যায়। যেমন:

- কোন বর্ণনায় তিনবার।

- কোন বর্ণনায় দশবার।

- কোন বর্ণনায় বিশবার।

- আবার কোথাও একশবার।

- এমনকি এক হাজারবার দরূদ পড়ার কথাও পাওয়া যায়। 

- আবার শত বা হাজারের বর্ণনায় এক শ্বাসে পড়ে শেষ করার শর্তও রয়েছে। এবং এমন কথাও আছে যে, হযরত আদম আ. সত্তর বা পাঁচশ বার পর্যন্ত একশ্বাসে পড়তে পেরেছেন। তারপর আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, এটা মহরে মুয়াজ্জাল (বিয়ের সময় তাৎক্ষণিক আদায়যোগ্য মহর) আর বাকি মহর তোমার দায়িত্বে রইল পরে আদায় করতে হবে।

এগুলো কোনটার পক্ষেই হাদিস নাই। সুতরাং এসব বর্ণনার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করারও প্রয়োজন নেই। 

[সূত্র, আল মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়াহ ১/৫০, বুসতানুল ওয়ায়িজীন: ৪৭৮, ইআনাতুত ত্বালিবীন ৩/৩৯৫। অনুবাদ : মাওলানা মাজিদুর রহমান]


মোটকথা, আল্লাহ তাআলা মহাগ্রন্থ আল কুরআনে হাওয়া আ. কে আদম আ. এর স্ত্রী হিসেবে সম্বোধন করেছেন। তাদের বিয়ের ক্ষেত্রে এতটুকু জনাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু বিয়ে সংক্রান্ত বিস্তারিত কোন কিছুই বিশুদ্ধ সূত্রে প্রমাণিত নয়।


তাছাড়া এসব বিষয় আমাদের ঈমান, আমল ও আহকামের সাথে মোটেও সম্পৃক্ত নয়। তাই এসব বিষয় না জানলেও ইনশাআল্লাহ আমাদের কোন ক্ষতি হবে না। আল্লাহু আলাম।

والله أعلم بالصواب

▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬

উত্তর প্রদানে:

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব


Abdullahil Hadi

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...