এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫

বনী ইসরাঈলের এক অত্যন্ত সুন্দরী পতিতা ছিল।.. ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বনী ইসরাঈলের এক অত্যন্ত সুন্দরী পতিতা ছিল। তার রূপ ছিল অতুলনীয়। সে ১০০ দিনারের কমে কারো কাছে নিজেকে সমর্পণ করত না। একদিন এক আবেদ (ইবাদতকারী) তাকে দেখলেন এবং তার রূপে মুগ্ধ হয়ে গেলেন।


আবেদ তার মুগ্ধতা কিছুতেই কাটাতে পারলেন না। তিনি কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করলেন। তিনি নিজের হাতে কাজ করে এবং বিভিন্ন কষ্টসাধ্য উপায়ে অর্থ উপার্জন করে অবশেষে ১০০ দিনার জমা করলেন। এরপর তিনি সেই নারীর দরজায় গিয়ে বললেন, "আমি তোমাকে দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। তাই আমি বহু কষ্ট করে কাজ করে এই ১০০ দিনার জোগাড় করেছি শুধু তোমাকে পাওয়ার জন্য।"


নারীটি তাকে ভেতরে আসার অনুমতি দিল। তার ঘরে একটি সোনার তৈরি পালঙ্ক ছিল। নারীটি পালঙ্কে বসে সাজগোজ করে আবেদকে ডাকল, "এসো।"


আবেদ যখন তার কাছে গেলেন এবং পাপের জন্য প্রস্তুত হলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে তার অন্তরে আল্লাহর ভয় ঢুকে গেল। আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর কথা (কিয়ামতের বিচার) মনে পড়ে তার শরীর ভয়ে কাঁপতে শুরু করল।


আবেদ বললেন, "আমাকে ছেড়ে দাও! আমি চলে যেতে চাই। এই ১০০ দিনার তোমারই থাক, আমার লাগবে না।"


নারীটি অবাক হয়ে বলল, "তোমার কী হলো? তুমিই তো বললে আমাকে দেখে মুগ্ধ হয়েছিলে এবং এত কষ্ট করে টাকা জমিয়েছিলে। এখন যখন আমাকে পাওয়ার সুযোগ পেলে, তখন এমন করছ কেন?"


আবেদ বললেন, "আমার আল্লাহর ভয় হচ্ছে। তার সামনে আমাকে দাঁড়াতে হবে, এই ভয়ে আমি কাঁপছি। কিছুক্ষণ আগেও তুমি আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ছিলে, কিন্তু এখন আল্লাহর ভয়ে তুমি আমার কাছে সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছ।"


আবেদ কাঁদতে কাঁদতে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। তার এই অবস্থা দেখে নারীর মনেও বড় ধাক্কা লাগল। সে ভাবল, "এই লোকটা সারা জীবন আল্লাহর ইবাদত করেছে। একবার পাপ করতে এসে আল্লাহর ভয়ে এভাবে পালিয়ে গেল। আর আমি সারা জীবন পাপে ডুবে আছি, আমার কি আল্লাহর ভয় নেই?"


সে সাথে সাথে তওবা করল এবং প্রতিজ্ঞা করল, "আমি আর এই খারাপ কাজ করব না। আমি ওই আবেদের খোঁজ করব এবং তাকে বিয়ে করে পূতপবিত্র জীবন কাটাব।"


নারীটি সব ছেড়ে দিয়ে আবেদের খোঁজে বের হলো। অবশেষে সে আবেদের গ্রামে পৌঁছাল এবং নিজের পরিচয় দিল। আবেদ যখন শুনলেন সেই নারী তার কাছে এসেছে, তখন তিনি ভয়ে এবং আগের কথা মনে করে এমন এক চিৎকার দিলেন যে সাথে সাথেই তার প্রাণ বেরিয়ে গেল (ইন্তেকাল করলেন)।


নারীটি তখন খুব কাঁদল। সে লোকদের জিজ্ঞেস করল, "এই আবেদের কি কোনো আত্মীয় বা ভাই আছে?" লোকেরা জানাল তার এক গরিব ভাই আছে। নারীটি বলল, "আমি তাকেই বিয়ে করতে চাই।"


উক্ত নারী আবেদের সেই গরিব ভাইকে বিয়ে করল এবং তাদের ঘরে সাতজন নেককার পুত্রসন্তান জন্ম নিল, যারা সবাই বনী ইসরাঈলের বুযুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।


© Salman Farsi 

(সূত্র: কিতাবুত তাওয়াবিন - ইবনে কুদামা)

শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

কাকে যে নাস্তিক বলা হয়নি! মহকবি ইকবাল যখন 'শিকওয়া' লিখলেন তখন তাকে নাস্তিক ঘোষণা করা হলো

 কাকে যে নাস্তিক বলা হয়নি!

মহকবি ইকবাল যখন 'শিকওয়া' লিখলেন তখন তাকে নাস্তিক ঘোষণা করা হলো। আবার যখন তিনি 'জবাবে শিকওয়া' লিখলেন তখন তার নামের আগে আল্লামা দেয়া হলো। ‘শিকওয়া’ কবিতায় ইকবাল আল্লাহর কাছে মুসলমানদের দুর্দশা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এতে তিনি বলেন, মুসলমানরা ত্যাগ করেছে, ইতিহাস গড়েছে, অথচ আজ তারা পরাজিত ও অবহেলিত—কেন? এই প্রশ্ন তোলায় ইকবালের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ উঠলো, সীমা লংঘনের জন্য কাফের ফতোয়া দেয়া হলো। এই পরিস্থিতিতেই তিনি লেখেন ‘জবাবে শিকওয়া’—যেখানে অভিযোগের জবাব আসে আল্লাহর কণ্ঠে। জবাব হলো, মুসলিমরাই তাদের আদর্শ থেকে সরে গিয়েছেন। প্রশ্ন না তুললে দায়িত্ব কীভাবে শিখবেন? ইকবালকে বোঝা সহজ নয়। সহজ ছিলো না নজরুলকে বোঝাও। ধর্মের নামে অন্যায়, ভণ্ডামি ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাঁর তীব্র অবস্থানের কারণে তাকেও নাস্তিক ঘোষণা দেয়া হয়। আবার নজরুল যখন লিখলেন, ‘ও মোর রমজানেরই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ কিংবা ‘মসজিদের পাশে আমার কবর দিও ভাই’ তখন তাকে মুসলিম জাগরণের কবি হিসেবে গ্রহণ করা হলো। এমনটা হয়েছে আল মাহমুদের ক্ষেত্রেও। তিনি যখন ‘সোনালী কাবিন’ লিখলেন তখন তিনি নাস্তিক আবার যখন ‘মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো’ ও ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ লিখলেন তখন আবার মুসলিম উম্মাহর কবি হয়ে উঠলেন।


মুসলিম বিশ্বে কবি ও লেখকদের নাস্তিক বলার ধারা সুদীর্ঘকাল ধরেই চলে আসছে। ইসলামি স্বর্ণযুগের কালেও ইবনেসিনা, ইবনে রুশদ, আল ফারাবি, আল রাজিসহ বহু লেখক/দার্শনিককে নাস্তিক বলা হয়েছিল। বাংলাতেও মুসলিমদের জাগরণের জন্য লিখতে গিয়ে আবুল হুসেন, আবুল ফজল, কাজী আবদুল ওদুদসহ শিখাগোষ্ঠীর লেখকরা নাস্তিক খেতাব পেয়েছেন। লিখতে গিয়ে নাস্তিক আখ্যা পেয়ে হুমায়ুন আজাদ, নাগিব মাহফুজ, সালমান রুশদি কোপ খেয়েছেন যার প্রতিক্রিয়ায় প্রথম দুজন মৃত্যুবরণ করেন। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রধান কবি হয়ে ওঠা শামসুর রাহমানকেও নাস্তিক বলা হতো। তাকে সিলেটে প্রতিহতের ডাক দেয়া হয়। শহীদুল জহির, দাউদ হায়দার, রফিক আজাদ, আহমদ শরীফ, জাফর ইকবাল, আরজ আলী মাতুব্বর ইত্যাদি অসংখ্য নাম নেয়া যায়। হুমায়ূন আহমেদ শুরুতে নাস্তিক থাকলেও পরে সংশয়বাদী হিসেবে নিজেকে দাবী করলেও অনেকে তাকে নাস্তিক বলতেন।


ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ নাস্তিক, তাঁর পুত্র মুর্তুজা বশির নাস্তিক, নাতনী গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী নাস্তিক; সুফিয়া কামাল নাস্তিক, তার কন্যা সুলতানা কামাল নাস্তিক, বেগম রোকেয়া নাস্তিক, তসলিমা নাসরিন নাস্তিক...যদি কবি-লেখক কাউকেই নাস্তিক বলা থেকে রেহাই না দেয়া হয় তাহলে তার পরিণতি কী হবে? লেখকদের মূল কাজই তো নতুন কিছু বলা, নতুন শিকওয়া তথা প্রশ্ন তোলা—যার সব জবাব তিনি দিবেন না—রাখবেন পাঠকের জন্যও৷ প্রশ্ন তোলাই যদি অসম্ভব করে দেয়া হয় তাহলে লেখকগণ ভাবনা প্রকাশ করবেন কীভাবে?

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৮ - ১২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৮ - ১২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:…


উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গুম ও হাওর সংক্রান্ত দু’টি অধ্যাদেশ এবং সুইজারল্যান্ডের বার্নে নতুন দূতাবাস স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন।


বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের মতোই স্থিতিশীল  --- গণমাধ্যমকে জানালেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক  ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ। 


সংকটাপন্ন অবস্থায় ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক শরিফ ওসমান হাদি --- সিঙ্গাপুরেই অপারেশনের অনুমতি দিয়েছে পরিবার।


গুমের পর জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে নির্যাতনের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৩ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।


ব্যাংকিং খাতে জনআস্থা ধরে রাখতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক দৃঢ়ভাবে কাজ করছে --- জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।


অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ঘৃণাব্যঞ্জক বক্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারী দিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।


এবং আগামীকাল দুবাইয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়াকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের  সেমিফাইনালে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের এবং ভারত- শ্রীলংকার মোকাবেলা করবে।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ১৭-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ১৭-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

....................................................


১।আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে ঠিক হবে নতুন বাংলাদেশের চরিত্র, কাঠামো ও অগ্রযাত্রার গতিপথ---স্বাধীনচেতা, নির্ভীক এবং নিঃস্বার্থ তরুণরাই পরাজিত শক্তিকে বাধা দিবে---মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বললেন প্রধান উপদেষ্টা


২। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশে ৫৫তম মহান বিজয় দিবস পালিত---সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান উপদেষ্টাসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন


৩। আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রকে একটি শক্ত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করবে---সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে  শ্রদ্ধা জানিয়ে বললেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা


৪। বাংলাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন


৫। যুদ্ধের ক্ষতি থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করতে লক্ষ কোটি ডলারের একটি আন্তর্জাতিক ক্ষতিপূরণ কমিশন গঠন করলো ইউরোপ


৬। এবং আজ দুবাইয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে শ্রীলংকার মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ

জমজম: এক মায়ের তাওয়াক্কুল ও মরুভূমির বুকে রহমতের ঝরনা 

 💧 জমজম: এক মায়ের তাওয়াক্কুল ও মরুভূমির বুকে রহমতের ঝরনা ✨

হাজার বছর আগে, আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাঁর স্ত্রী হাজেরা (আঃ) এবং দুগ্ধপোষ্য শিশু ইসমাঈল (আঃ)-কে এক নির্জন মরুপ্রান্তরে রেখে আসার সিদ্ধান্ত নিলেন। মক্কার সেই প্রান্তর তখন ছিল জনমানবহীন, ধূ ধূ বালু আর পাথুরে পাহাড়ের এক রুক্ষ ভূমি।


মরুভূমিতে নিঃসঙ্গতা ও পরীক্ষা

ইব্রাহীম (আঃ) যখন তাঁদের রেখে ফিরে যাচ্ছিলেন, হাজেরা (আঃ) ব্যাকুল হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “হে ইব্রাহীম! আপনি আমাদের এমন স্থানে রেখে কোথায় যাচ্ছেন যেখানে কোনো মানুষ নেই, কোনো খাবার নেই?” ইব্রাহীম (আঃ) নিশ্চুপ রইলেন। হাজেরা (আঃ) আবার জিজ্ঞেস করলেন, “আল্লাহ কি আপনাকে এই নির্দেশ দিয়েছেন?” ইব্রাহীম (আঃ) বললেন, “হ্যাঁ।” তখন ঈমানদীপ্ত কণ্ঠে হাজেরা (আঃ) বললেন:


“তবে আল্লাহ আমাদের ধ্বংস হতে দেবেন না।”


সাথে থাকা সামান্য পানি ও খাবার ফুরিয়ে গেলে তৃষ্ণায় কাতর হয়ে পড়ল ছোট্ট শিশু ইসমাঈল (আঃ)। সন্তানের ছটফটানি দেখে মা হাজেরা স্থির থাকতে পারলেন না।


সাফা-মারওয়ার সেই মরিয়া দৌড়

পানির খোঁজে মা হাজেরা (আঃ) প্রথমে সাফা পাহাড়ে উঠলেন, কিন্তু চারদিকে খাঁ খাঁ মরুভূমি ছাড়া কিছু দেখলেন না। এরপর তিনি উপত্যকা পার হয়ে মারওয়া পাহাড়ে ছুটলেন। কোথাও প্রাণের স্পন্দন নেই। সন্তানের ভালোবাসায় ব্যাকুল হয়ে তিনি এভাবে সাতবার সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে দৌড়ালেন। তাঁর চোখে ছিল জল, আর হৃদয়ে ছিল আল্লাহর ওপর অটল বিশ্বাস।


অলৌকিক ঝরনা: জমজম!

সপ্তমবার মারওয়া পাহাড়ে পৌঁছানোর পর তিনি একটি শব্দ শুনতে পেলেন। ফিরে এসে দেখলেন—যেখানে তৃষ্ণার্ত ইসমাঈল (আঃ) পা ছুড়ছিলেন, ঠিক তাঁর পদতলে বা জিবরাইল (আঃ)-এর আঘাতে মাটি চিরে পানির ধারা বের হয়ে আসছে!


বিস্মিত ও আনন্দিত হাজেরা (আঃ) পানির অপচয় রোধ করতে চারদিকে বালুর বাঁধ দিলেন এবং বললেন— “জমজম! জমজম!” (থামো, থামো!)। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) পরবর্তীতে বলেছিলেন, “আল্লাহ উম্মে ইসমাঈলের ওপর রহম করুন, তিনি যদি পানিটুকু ছেড়ে দিতেন তবে তা প্রবহমান নদীতে পরিণত হতো।”


আজীবন বরকতের উৎস

যেখানে এক ফোঁটা পানি ছিল না, সেখানে আল্লাহর কুদরতে জন্ম নিলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কূপ। এই পানি পান করেই হাজেরা (আঃ) ও ইসমাঈল (আঃ) জীবন রক্ষা পেল। ধীরে ধীরে সেখানে বসতি গড়ে উঠল, যা আজকের পবিত্র মক্কা নগরী।


রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন:


“জমজমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয়, আল্লাহ সে উদ্দেশ্য পূরণ করেন।” (ইবনে মাজাহ)


শিক্ষা:

১. তাওয়াক্কুল: আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা থাকলে মরুভূমির বুকেও রহমতের ঝরনা ধারা বয়ে আনা সম্ভব। ২. ধৈর্য ও সংগ্রাম: মা হাজেরা (আঃ)-এর সেই ত্যাগ ও সংগ্রামকে সম্মান জানাতেই আজ হাজীদের জন্য সাফা-মারওয়া 'সাঈ' করা ওয়াজিব করা হয়েছে। ৩. মায়ের ভালোবাসা: সন্তানের প্রতি মায়ের অকৃত্রিম আকুতি আল্লাহর আরশ কাঁপিয়ে দিতে পারে।

Constipation (কোষ্ঠকাঠিন্য) কি?

 Constipation (কোষ্ঠকাঠিন্য) কি?


Constipation বা কোষ্ঠকাঠিন্য হলো এমন অবস্থা যেখানে

➡️ মলত্যাগ কম হয়,

➡️ মল শক্ত ও শুকনো হয়,

➡️ বা মল ত্যাগ করতে অনেক কষ্ট/জোর দিতে হয়।


সাধারণত সপ্তাহে ৩ বারের কম মল হলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়।


🔹 সাধারণ লক্ষণ


শক্ত, শুকনো মল


মলত্যাগে কষ্ট বা ব্যথা


পেট ফাঁপা, ভারী লাগা


মল পুরো পরিষ্কার হয়নি মনে হওয়া


মাঝে মাঝে পেট ব্যথা


🔹 কারণ


কম পানি পান


ফাইবারযুক্ত খাবার কম খাওয়া


দীর্ঘক্ষণ মল চেপে রাখা


শারীরিক পরিশ্রম/ব্যায়াম কম


কিছু ওষুধ (আয়রন, ব্যথার ওষুধ, অ্যান্টাসিড ইত্যাদি)


গর্ভাবস্থা, বয়স বৃদ্ধি


থাইরয়েড বা অন্যান্য রোগ


🔹 করণীয় / প্রতিরোধ


দিনে ২–৩ লিটার পানি পান


শাকসবজি, ফল, আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান


নিয়মিত হাঁটা/ব্যায়াম


প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে টয়লেটে বসার অভ্যাস


প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে laxative


⚠️ কখন ডাক্তার দেখাবেন?


দীর্ঘদিন (২–৩ সপ্তাহ) ধরে থাকলে


মলের সাথে রক্ত


হঠাৎ ওজন কমে গেলে


তীব্র পেট ব্যথা বা বমি হলে

রাত সাড়ে ৮টার সংবাদ তারিখ : ১৭-১২-২০২৫

 রাত সাড়ে ৮টার সংবাদ

তারিখ : ১৭-১২-২০২৫


সংবাদ শিরোনাম

.................................


* বিদেশে কর্মী প্রেরণে দালাল ও প্রতারণামুক্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করলেন প্রধান উপদেষ্টা।


* জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গণমাধ্যমগুলোতে সকল প্রার্থীকে নির্বাচনী প্রচারে সমান সুযোগ দিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে নির্বাচন কমিশনের চিঠি।


* ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে নির্বাচন কমিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর --- নির্বাচনের আগে ও পরে কাজ করবেন প্রায় ১৭৫ থেকে দুইশো পর্যবেক্ষক।


* নির্বাচন নিয়ে প্রতিবেশীর উপদেশ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য---মন্তব্য পররাষ্ট্র উপদেষ্টার।


* তিন অভিযোগে সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী ৭ই জানুয়ারি।  


* ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, হেলমেট ও ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার।


* দক্ষিণ সুদান ও সিরিয়াসহ আরও ৭টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


* এবং দুবাইয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে শ্রীলংকাকে ৩৯ রানে হারিয়ে বি-গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।

 সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ১৭-১২-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ১৭-১২-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

....................................................


১।আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে ঠিক হবে নতুন বাংলাদেশের চরিত্র, কাঠামো ও অগ্রযাত্রার গতিপথ---স্বাধীনচেতা, নির্ভীক এবং নিঃস্বার্থ তরুণরাই পরাজিত শক্তিকে বাধা দিবে---মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বললেন প্রধান উপদেষ্টা


২। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশে ৫৫তম মহান বিজয় দিবস পালিত---সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান উপদেষ্টাসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন


৩। আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রকে একটি শক্ত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করবে---সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে  শ্রদ্ধা জানিয়ে বললেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা


৪। বাংলাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন


৫। যুদ্ধের ক্ষতি থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করতে লক্ষ কোটি ডলারের একটি আন্তর্জাতিক ক্ষতিপূরণ কমিশন গঠন করলো ইউরোপ


৬। এবং আজ দুবাইয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে শ্রীলংকার মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

কিভাবে বুঝবেন আপনি বয়স্ক নাগরিক হয়ে গেছেন

 * কিভাবে বুঝবেন আপনি বয়স্ক নাগরিক হয়ে গেছেন * 

======================

 👉  আজ আমি বাজারে গিয়েছিলাম সবজি আনতে,

বাজার থেকে বের হওয়ার সময়  দেখি আমার স্কুটির চাবিটা পকেটে নেই...

 👉 আমি আবার বাজারে ফিরে গেলাম, যেসব দোকানে গিয়েছিলাম সব ঘুরে দেখলাম,

টমেটো, আলু আর সব সবজির মাঝে খুঁজে দেখলাম—কোথাও চাবি নেই...


 👉 হঠাৎ মনে হলো, চাবিটা হয়তো স্কুটির ভেতরেই রেখে এসেছি আর সেটা চুরি হয়ে গেছে...


 👉 আমি দৌড়ে পার্কে গেলাম, আর সত্যিই দেখি স্কুটিটা নেই...!


 👉 তৎক্ষণাৎ পুলিশে ফোন করলাম, স্কুটির সব তথ্য দিলাম

আর স্বীকার করলাম যে চাবিটা ভেতরেই রেখে এসেছিলাম,

এই ভুলের কারণেই বিপদ হয়েছে...

 --পুলিশ বলল তারা খুঁজে বের করবে...


  🤔 তারপর সবচেয়ে কঠিন কাজটা করলাম—স্ত্রীকে ফোন করলাম...

 😇 পুরো ঘটনা বলার পর আমি আর আমার কণ্ঠ দুটোই কাঁপছিল...


 🤨 একটা দীর্ঘ নীরবতার পর সে চিৎকার করে উঠল—


“হায় আল্লাহ, তুমি কী ভীষণ ভুলোমনা...!

  আমি তো তোমাকে স্কুটি করে বাজারে নামিয়ে দিয়ে বিউটি পার্লারে গেছি...!

 🤨 তুমি কিছুই মনে রাখো না..!”


 🥰 আমি বললাম, ভালো লাগছে জেনে যে স্কুটি চুরি যায়নি...

আর ওকে বললাম যেন আমাকে বাজার থেকে নিয়ে যায়...


 🤨 সে আবার চিৎকার করে উঠল—


“তুমি কতটা বোকা কাজ করো জানো...? 

 -আমি এখন থানায়, আমাকে স্কুটি  চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে...!

 🤨 তুমি এখনই এসে পুলিশকে বোঝাও যে আমি স্কুটি চুরি করিনি...!” 

 👉 এমন বিব্রতকর ঘটনা ঘটলেই বুঝতে হবে আপনি মুরুব্বিদের কাতারে পরে গেছেন...

---সংগৃহীত...

#fb #funnypost #flowers

Felon / আঙ্গুল হাড়ার হোমিও ঔষধ

 ✅ Felon / আঙ্গুল হাড়ার হোমিও ঔষধ✅


♦️*Arsenic Alb*

রোগীর আঙ্গুলের ডগা অত্যন্ত ফোলা, তাতে খুব জ্বালা, যন্ত্রনা। ব্যথায় রোগী অস্থির ও অবসন্ন হয়ে পড়ে। মরে যাবার ভয়। গরম সেঁক দিলে কিছুটা আরাম পায়। 


♦️ *Myristica Sebifera*  

- ফেলনের জন্য প্রধান ওষধ । 

- দ্রুত পুঁজ তৈরি করে বের করে  

- *“Homeopathic knife”* বলা হয়  

- হাতের আঙ্গুলে প্রচন্ড ব্যথা। আঙ্গুল এবং অস্থিতে প্রদাহ।যন্ত্রণায়  রোগী অস্থির।  ফোঁড়া ফাঁটাতে ইহা অদ্বিতীয়। 


♦️. *Hepar Sulphuris*  

- পুঁজ হওয়ার আগেই তীব্র ব্যথা ।

স্পর্শ করা যায় না।ঠান্ডা বাতাসে বাড়ে।

পুঁজ হলে জ্বালা যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায়। সমস্যা রাতের দিকে বাড়ে। আঙ্গুল হাড়ায় হিপার সালফ ও চমৎকার মেডিসিন। 


♦️. *Silicea*  

- পুঁজ হয়েছে কিন্তু বের হচ্ছে না  

- পুঁজ সহজে বের করার জন্য কার্যকর  

- দীর্ঘস্থায়ী ফেলনের জন্য।পুঁজ বের হওয়ার পর ঘাঁ সারাতে ও সাইলেসিয়া কার্যকরী। 


.♦️ *Belladonna*  

- ফেলনের শুরুতে লাল, টনটনে ব্যথা  

- জ্বর থাকতে পারে  

- স্পর্শে গরম।


♦️*Arnica Montana*  

- ফেলনের আগে আঘাত বা চাপ লেগে থাকলে  

- ইনফেকশনের শুরুর সময় ব্যবহারযোগ্য।


♦️*Lachesis*

-আঙ্গুল হাড়া রোগে রোগীর আক্রান্ত স্থান বেগুনি- নীল বর্ণের এবং প্রচন্ড ব্যথা থাকে। রোগী খুব বাচাল।  যে কোন প্রকার স্রাব নিঃসরণে রোগের উপশম এবং নিদ্রার পূর্বে এবং নিদ্রার পরে রোগের বৃদ্ধি।

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...