এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হলো বাংলাদেশে নিখোঁজ বা অপহৃত শিশুদের দ্রুত উদ্ধার করার জন্য চালু করা একটি জাতীয় জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থা।

 MUN Alert" (Missing Urgent Notification) হলো বাংলাদেশে নিখোঁজ বা অপহৃত শিশুদের দ্রুত উদ্ধার করার জন্য চালু করা একটি জাতীয় জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থা। এটি মূলত আমেরিকার বিখ্যাত 'AMBER Alert'-এর আদলে তৈরি করা হয়েছে, যা বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (CID)-এর 'মিসিং চিলড্রেন সেল' পরিচালনা করছে।


​নিচে এটি কীভাবে কাজ করে তার একটি বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:


​১. নিখোঁজ বা অপহরণের তথ্য রিপোর্ট করা


​যখন কোনো শিশু নিখোঁজ হয় বা কেউ তাকে অপহরণ করেছে বলে সন্দেহ করা হয়, তখন ভুক্তভোগী পরিবার বা যেকোনো সচেতন নাগরিক তাৎক্ষণিকভাবে কয়েকটি মাধ্যমে বিষয়টি প্রশাসনকে জানাতে পারেন:


​নবপ্রবর্তিত ২৪/৭ টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর ১৩২১৯ (13219)-এ কল করে।


​জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ (999)-এ কল করে।


​সিআইডি-র মিসিং চিলড্রেন সেলের সরাসরি নম্বরে যোগাযোগ করে।


​২. তথ্য যাচাইকরণ (Verification)


​নম্বরে কল আসার পর সিআইডি-র নির্দিষ্ট টিম নিখোঁজ শিশুর তথ্য, ছবি, ঘটনার স্থান এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এবং দ্রুত যাচাই করে। তথ্যটি সঠিক এবং জরুরি বলে নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল অ্যালার্ট জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


​৩. দেশজুড়ে স্বয়ংক্রিয় সতর্কতা বা অ্যালার্ট প্রচার


​তথ্যটি যাচাই হওয়ার সাথে সাথে MUN Alert সিস্টেমের আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকায় বা দেশজুড়ে ডিজিটাল সতর্কতা ছড়িয়ে দেওয়া হয়:


​মোবাইল টেক্সট (SMS Broadcast): নির্দিষ্ট এলাকার বা সারা দেশের সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোনে ছবির মতো বিশেষ ভাইব্রেশন ও রিংটোনসহ ফ্ল্যাশ মেসেজ বা অ্যালার্ট চলে যায়।


​সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল মিডিয়া: মেটা (Meta/Facebook) এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সহায়তায় ব্যবহারকারীদের নিউজফিডে নিখোঁজ শিশুর তথ্য ও ছবিসহ স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন পৌঁছায়।


​মিডিয়া ও ডিজিটাল ডিসপ্লে: টেলিভিশন চ্যানেল, নিউজ পোর্টাল এবং রাস্তার ধারের ডিজিটাল বিলবোর্ডগুলোতেও এই সতর্কবার্তা বা অ্যালার্ট স্ক্রল আকারে প্রদর্শন করা হয়।


​৪. জনসাধারণের অংশগ্রহণ ও উদ্ধার অভিযান


​নিখোঁজ হওয়ার প্রথম কয়েক ঘণ্টা বা 'গোল্ডেন আওয়ার্স' শিশু উদ্ধারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


​দেশের সাধারণ মানুষ যখন তাদের ফোনে বা বিলবোর্ডে শিশুর বিবরণসহ এই অ্যালার্ট দেখতে পান, তখন তারা চারপাশ সম্পর্কে সচেতন হয়ে যান।


​কেউ যদি ওই শিশুকে কোথাও দেখতে পান বা কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেন, তবে তারা অবিলম্বে আবার ১৩২১৯ নম্বরে কল করে পুলিশকে তথ্য দেন।


​প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুততম সময়ে অভিযান চালিয়ে শিশুকে উদ্ধার করে।


#highlightseveryone

দিনরাত লাইভ করে ১০/২০টা পার্সেল পাঠালেন।

 দিনরাত লাইভ করে ১০/২০টা পার্সেল পাঠালেন। 

দিনশেষে প্রফিট কত? মাত্র ২,৫০০ টাকা! 


মাঝখান থেকে ২টা পার্সেল রিটার্ন আসলো, উল্টো ৫০০ টাকা নিজের পকেট থেকে হাওয়া। 


অভিনন্দন! 

আপনি আসলে ব্যবসা করছেন না। আপনি কুরিয়ার কোম্পানির বিনা বেতনের কর্মচারী হিসেবে কাজ করছেন! 


মার্কেটের অবস্থা খেয়াল করেছেন? 

একজন লাইভে এসে বলছে: "৯০০ টাকার ব্যাটারি ৮০০ টাকা!" 

পাশের পেজ রেগে গিয়ে পোস্ট দিল: "৭৫০ টাকা, ধামাকা অফার!" 

তৃতীয়জন এসে চিল্লায়ে বলল: "লস দিয়ে দিলাম ভাই, মাত্র ৬৯৯ টাকা!" 


কাস্টমার হাততালি দিচ্ছে। 

আর এই ৩ জন তথাকথিত উদ্যোক্তা নিজেদের ব্যবসায়ের কবর নিজেরাই খুঁড়ছে। 


ভাই, একটু থামেন। 

কম দামে বিক্রি করে যদি বড়লোক হওয়া যেত, তবে অ্যাপল আর স্টারবাক্স কবেই দেউলিয়া হয়ে যেত! 


একটা কঠিন সত্যি বলি? 

যেই কাস্টমার আপনার কাছে শুধু "১০ টাকা কম" পেয়ে আসছে, কালকে অন্য কেউ ২০ টাকা কম দিলে সে নির্দ্বিধায় আপনাকে ছেড়ে তার কাছে চলে যাবে। 


কারণ সে আপনার লয়াল কাস্টমার না। সে সস্তার কাস্টমার। আর সস্তা কাস্টমার দিয়ে কোনোদিন বড় ব্র্যান্ড দাঁড়ায় না। 


কাস্টমার আসলে কম দাম খোঁজে না, কাস্টমার খোঁজে "ভ্যালু"। 


১. "১০০% খাঁটি মধু" এই গৎবাঁধা কথা মানুষ আর বিশ্বাস করে না। এর চেয়ে লাইভে গিয়ে মৌচাক কেটে সংগ্রহ দেখান। মানুষ ২০০ টাকা বেশি দিয়ে কিনবে। 


২. ব্যাটারির দাম না কমিয়ে দেখান কোয়ালিটি কেমন! IR (internal registance) কতো ! বা টেস্টেড ক্যাপাসিটি কতো! 

মানুষ দাম নিয়ে টু শব্দটাও করবে না। কারণ অনেকেই ভালো জিনিস চায় দু টাকা বেশি হলেও।


৩. দাম না কমিয়ে বান্ডেল অফার তৈরি করুন। একটা প্রোডাক্টের সাথে ১০ টাকার একটা সুন্দর প্রেজেন্টেবল গিফট বা অ্যাকসেসরিজ দিন। কাস্টমারের কাছে ওটার ভ্যালু ১০০ টাকা মনে হবে। 


মনে রাখবেন— 

কাস্টমার আপনার সাথে তখনই অতিরিক্ত দামাদামি করে, যখন সে আপনার আর বাকি দশজনের মধ্যে কোনো পার্থক্য খুঁজে পায় না! 


পার্থক্যটা তৈরি করুন। 


লস দিয়ে, মার্জিন ছাড়া বিক্রি করে ভাইরাল হওয়ার কোনো ক্রেডিট নাই। 

অল্প বিক্রি করুন, কিন্তু প্রফিট মার্জিন আর আত্মসম্মান ধরে রেখে করুন। 


ব্যবসা করতে এসেছেন, সমাজসেবা না! 

আপনার বাস্তব অভিজ্ঞতা কমেন্টে জানান। 

"সংগৃহীত এবং সংশোধিত" ।


#BusinessTips #OnlineBusinessBD #Entrepreneurship #BanglaBusiness #উদ্যোক্তা

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নারী চার প্রকার।,,,,,,,,,,, দেহ ত্ত্ব ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 *নারী চার প্রকার। 🌸*


কামশাস্ত্র বলে নারী চার জাত, আর মারফত বলে নারী চার স্তরের প্রেম। এই চার জাতকে চিনতে পারলেই তুমি বুঝবে কার সাথে কিভাবে সাধনা করতে হয়।


--- ১. পদ্মিনী নারী - জান্নাতি ফুল 🌷


এরা হলো সবচেয়ে উঁচু স্তরের নারী।


*চেনার উপায়:* এদের শরীর থেকে সবসময় পদ্মের মতো সুগন্ধ বের হয়। এরা দেখতে কোমল, চোখে লজ্জা, কথায় মধু। বেশি খায় না, বেশি ঘুমায় না, বেশি সাজে না। অল্পতেই খুশি।


*মারফতের বাণী:* পদ্মিনী নারী হলো সেই নারী, যে স্বামীকে দেখলেই তার ভিতরের সমস্ত ক্লান্তি দূর করে দেয়। সে রাগ করে না, সে অভিমান করে। তার অভিমানও প্রেম। তার একটু ছোঁয়ায় পুরুষের হাজার বছরের সাধনা পূর্ণ হয়ে যায়। এমন নারীকে যে পায়, সে দুনিয়াতেই জান্নাত পায়।


*এদের মন:* এরা প্রেমের কাঙাল, শরীরের না। এদেরকে যদি তুমি একটা ফুল দিয়ে বলো "তুমি আমার সব", সে তোমার জন্য জীবন দিয়ে দেবে।


---২. চিত্রিণী নারী - প্রেমের কবিতা 🎨


এরা হলো শিল্পীর জাত।


*চেনার উপায়:* এরা সাজতে ভালোবাসে, গান ভালোবাসে, ছবি আঁকতে ভালোবাসে। এদের চোখে সবসময় একটা স্বপ্ন থাকে। এরা কথায় পটু, হাসিতে মুক্তা ঝরে। এদের রাগও সুন্দর, হাসিও সুন্দর।


*মারফতের বাণী:* চিত্রিণী হলো সেই নারী, যে পুরুষের জীবনকে রঙিন করে দেয়। যে পুরুষ সারাদিন দুনিয়ার সাথে যুদ্ধ করে ঘরে ফেরে, চিত্রিণী তার মাথায় হাত বুলিয়ে সব যুদ্ধ ভুলিয়ে দেয়। সে স্বামীকে শুধু স্বামী ভাবে না, তাকে বন্ধু ভাবে, প্রেমিক ভাবে।


*এদের মন:* এদেরকে সময় দিতে হয়। এদের সাথে গল্প করতে হয়। তুমি যদি এদের মনের কথা না শোনো, এরা ভিতরে ভিতরে মরে যাবে।


--- ৩. শঙ্খিনী নারী - আগুনের ফুল 🔥


এরা হলো তেজস্বিনী।


*চেনার উপায়:* এদের রাগ একটু বেশি, জেদ বেশি। এরা সহজে কাউকে বিশ্বাস করে না। কিন্তু একবার বিশ্বাস করলে তার জন্য সব করতে পারে। এরা সংসারকে আগলে রাখে, সন্তানকে যোদ্ধা বানায়।


*মারফতের বাণী:* শঙ্খিনীকে ভয় পেও না দরদী, তাকে বোঝো। তার ভিতরে যে আগুন আছে, সেটা অহংকারের আগুন না, সেটা ভালোবাসার আগুন। সে চায় তার স্বামী শুধু তারই থাকুক। সে ভাগ দিতে পারে না। এই অধিকারবোধ থেকেই তার রাগ। তুমি যদি তার রাগকে প্রেম দিয়ে ঠান্ডা করতে পারো, তাহলে সে তোমার জন্য দুনিয়ার সাথে লড়াই করবে।


*এদের মন:* এদেরকে শক্ত হাতে নয়, নরম হাতে ধরতে হয়। এদের রাগের সময় চুপ থাকতে হয়, রাগ কমলে বুকে টেনে নিতে হয়।


--- ৪. হস্তিনী নারী - গভীর সাগর 🌊


এরা হলো সবচেয়ে গভীর। এদেরকে সবাই বোঝে না।


*চেনার উপায়:* এদের শরীর একটু ভারী, চলা একটু ধীর। এরা বেশি কথা বলে না, কিন্তু যখন বলে, তখন দিল ছুঁয়ে যায়। এরা খেতে ভালোবাসে, ঘুমাতে ভালোবাসে, কিন্তু ভালোবাসলে পাগলের মতো ভালোবাসে।


*মারফতের বাণী:* হস্তিনী নিয়ে সমাজ অনেক বাজে কথা বলে, কিন্তু মারফত বলে - হস্তিনী হলো মা। তার বুকের ভিতরে সাগরের মতো মমতা। সে তার স্বামীকে সন্তানের মতো আগলে রাখে। সে হয়তো পদ্মিনীর মতো সুগন্ধি না, চিত্রিণীর মতো রঙিন না, কিন্তু তার ভালোবাসা হলো সবচেয়ে খাঁটি। যে পুরুষ হস্তিনীকে অবহেলা করে, সে নিজের কপাল নিজে পোড়ায়। কারণ হস্তিনী যখন কাঁদে, তখন আরশ কেঁপে ওঠে।


*এদের মন:* এদেরকে কখনো শরীর নিয়ে খোঁটা দিও না। এদেরকে বলো - "তুমি আমার শান্তি"। দেখবে, সে তোমার জন্য জান্নাত থেকে ফুল এনে দেবে।


নারী পদ্মিনী হোক, চিত্রিণী হোক, শঙ্খিনী হোক বা হস্তিনী হোক - দিনশেষে সে নারী। আর নারী মানেই মা। মায়ের জাতকে সম্মান করতে শেখো।


যে পুরুষ নারীকে ভোগের চোখে দেখে, সে সারাজীবন ফকির থাকে। আর যে পুরুষ নারীকে মায়ের চোখে, প্রেমিকার চোখে দেখে, তার ঘরে আল্লাহর রহমত নাজিল হয়।


*নারীকে চিনতে হলে চোখ লাগে না, দিল লাগে।*


জয় গুরু 🙏

(সংগৃহীত)

এই আফসোস যেন কোনো মায়ের সন্তানকে, কোনো বোনকে, কোনো স্ত্রীকে করতে না হয়।

 “ইশ! যদি আর একটু আগে জানতে পারতাম…”

এই আফসোস যেন কোনো মায়ের সন্তানকে, কোনো বোনকে, কোনো স্ত্রীকে করতে না হয়।


স্তন ক্যান্সারের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো, শুরুতে অনেক সময় এটিতে ব্যথা নেই, জ্বর নেই, অসুস্থও মনে হচ্ছে না, অথচ শরীরের ভেতরে নীরবে বেড়ে চলছে ক্যান্সার!! 


তাই নিজের শরীরের ছোট একটি পরিবর্তনকেও অবহেলা করবেন না।


একবার খেয়াল করুন, আপনার মা, বোন, স্ত্রী বা নিজের মধ্যে এমন কিছু আছে কি না


১/ স্তনে নতুন কোনো শক্ত গাঁট বা চাকা অনুভব হচ্ছে?

২/ বগলের নিচে কোনো অস্বাভাবিক গাঁট হয়েছে?

৩/একটি স্তনের আকার বা আকৃতি অন্যটির তুলনায় বদলে গেছে?

৪/ স্তনের চামড়া কুঁচকে যাচ্ছে, টান পড়ছে বা কমলার খোসার মতো দেখাচ্ছে?

৫/ নিপল আগের অবস্থান থেকে ভেতরের দিকে ঢুকে যাচ্ছে?

৬/ বুকের দুধ না খাওয়ানোর সময়ও নিপল থেকে রক্ত বা অস্বাভাবিক তরল বের হচ্ছে?

৭/ স্তন বা নিপলে দীর্ঘদিন লালভাব, ফোলা, চুলকানি বা খোসা ওঠা আছে?


এসব লক্ষণ মানেই ক্যান্সার নয়। কিন্তু এগুলো হলে সর্বোচ্চ সচেতন হবেন.. 


অনেক পরিবারে এমন ঘটনা ঘটে, পরে সবাই শুধু আফসোস করে,  “আগে যদি জানতাম, তাহলে হয়তো মানুষটাকে আরও কিছুদিন পাশে রাখতে পারতাম।” সময়মতো ধরা পড়লে স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসার সুযোগ অনেক বেশি থাকে।


তাই লজ্জা বা ভয় নয়। নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হোন। কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


আজ নিজের জন্য একটু সচেতন হোন, কারণ আপনার জীবন আপনার পরিবারে অমূল্য।

একজন নারী সচেতন হলে একটি পরিবার সচেতন হয়।


-Dr. Abdur Rahman


#breastcancer #awareness

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কখনো কি চিন্তা করেছেন, আল্লাহ তাআলা কেন একথা বললেন না যে "প্রতিটি প্রাণীই মারা যাবে"? বরং তিনি বলেছেন, ”প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে”।,,,,,,,প্রানের আবদুর রশিদ স্যারের ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কখনো কি চিন্তা করেছেন, আল্লাহ তাআলা কেন একথা বললেন না যে "প্রতিটি প্রাণীই মারা যাবে"? বরং তিনি বলেছেন, ”প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে”।


মৃত্যু কি কোনো খাবার বা পানীয় যে, আমাদের তার স্বাদ নিতে হবে?


আমরা কোরআনের এই আয়াতটি প্রায়ই পড়ি। কিন্তু খুব কম মানুষই (ذَائِقَةُ) বা 'স্বাদ গ্রহণ' শব্দটিতে থেমে একটু গভীরভাবে চিন্তা করেন। আল্লাহ কেন সাধারণ ভাষায় 'আমরা মরে যাব' বা 'ধ্বংস হয়ে যাব' না বলে 'স্বাদ নেওয়া' শব্দটি বেছে নিলেন? 


এর পেছনে এমন এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও আত্মিক রহস্য লুকিয়ে আছে, যা নিয়ে ভাবলে বাস্তবেই কলিজা কেঁপে ওঠে!


আপনি যখন কোনো খাবার মুখে দেন, তার স্বাদ কিন্তু এক সেকেন্ডেই গায়েব হয়ে যায় না। বরং তা আপনার পুরো অনুভূতিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং আপনি তা অনুভব করতে থাকেন। 


আল্লাহ তাআলা এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন এটা বোঝানোর জন্য যে, মৃত্যু হঠাৎ করে নিভে যাওয়া বা 'সুইচ অফ' হয়ে যাওয়ার মতো কিছু নয়! এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া। ধীরে ধীরে রূহ টানা হতে থাকে এবং মানুষ তার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে মৃত্যুর প্রতিটি মুহূর্তকে সজ্ঞানে 'উপলব্ধি' করে।


মানুষ তখন ফেরেশতা এবং অদৃশ্যের ওই জগত দেখতে শুরু করে, যা সে দুনিয়াতে ভুলে ছিল। 


আল্লাহ বলেন,"আমি তোমার ওপর থেকে পর্দা সরিয়ে দিয়েছি, আজ তোমার দৃষ্টি বড়ই প্রখর!" (সূরা ক্বাফ: ২২)


রূহ একবারে বের হয় না; বরং পায়ের আঙুল থেকে বের হতে শুরু করে ধীরে ধীরে কণ্ঠনালিতে এসে পৌঁছায়। 


কোরআনে বলা হয়েছে,


"কখনো নয়! যখন প্রাণবায়ু কণ্ঠনালিতে পৌঁছাবে... আর সে বুঝতে পারবে যে, এটাই বিদায়বেলা!"(সূরা কিয়ামাহ: ২৬-২৮)


যে মুহূর্তে রূহ শরীর ছেড়ে যায়, মানুষের চোখ তখন আসমানের দিকে সেটার পিছু নেয়। 


যেমনটা নবীজি (সা.) বলেছেন: "নিশ্চয়ই রূহ যখন কবজ করা হয়, দৃষ্টি তখন তার পিছু নেয় (তাকিয়ে থাকে)।" (সহিহ মুসলিম)


কেন 'স্বাদ' শব্দটিই বেছে নেওয়া হলো?


আল্লাহ কেন বললেন না যে, প্রতিটি প্রাণী মৃত্যুকে 'দেখবে' বা 'শুনবে'?


আপনি কোনো ভয়ংকর দৃশ্য দেখলে চোখ বন্ধ করতে পারেন, কটু শব্দ শুনলে কানে আঙুল দিতে পারেন, গরম কিছু ছুঁয়ে ফেললে হাত সরিয়ে নিতে পারেন। 


কিন্তু 'স্বাদ'? মুখে কোনো কিছু চলে গেলে আর জিভে লাগলে, আপনি কিছুতেই তার স্বাদ থেকে পালাতে পারবেন না! সেই অভিজ্ঞতা আপনার 'ভেতরে' প্রবেশ করে এবং আপনার অস্তিত্বের অংশ হয়ে যায়।


মৃত্যু এমন কোনো ঘটনা নয় যা আপনি দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখবেন। বরং মৃত্যু আপনার শিরা-উপশিরায়, কোষের ভেতরে ঢুকে যাবে। আপনি চান বা না চান, এর স্বাদ আপনাকে পেতেই হবে।


যেহেতু মৃত্যুকে 'আস্বাদন' করতে হবে, তাই নিশ্চিতভাবেই এর একটা স্বাদ আছে। খাবারের যেমন আলাদা স্বাদ থাকে, তেমনি আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক আর আমলের ওপর ভিত্তি করে মৃত্যুর স্বাদও একেকজনের জন্য একেক রকম হবে।


নবীজি (সা.) বলেছেন: "পানির পাত্র থেকে যেভাবে সহজে পানি গড়িয়ে পড়ে, মুমিনের রূহ ঠিক সেভাবেই সহজে বেরিয়ে আসে।" (মুসনাদে আহমাদ) 


এটি এমন এক স্বাদ, যা প্রশান্তি আর জান্নাতের সুসংবাদে ভরপুর।


নবীজি (সা.) বলেছেন, "ভেজা পশমের ভেতর থেকে কাঁটাযুক্ত লোহার শিঁক যেভাবে টেনে বের করা হয়, (পাপীর) রূহকে ঠিক সেভাবেই টেনে-হিঁচড়ে বের করা হয়।" (মুসনাদে আহমাদ) 


এটি চরম কষ্ট, অনুশোচনা আর আক্ষেপের স্বাদ।


এমনকি নবী-রাসূল এবং নেককাররাও 'সাকারাতুল মাউত' বা মৃত্যুর কষ্ট অনুভব করেন। কিন্তু মুমিনের জন্য এই কষ্ট তার মর্যাদা বুলন্দ করার মাধ্যম, যা আল্লাহর সাথে পবিত্র হয়ে সাক্ষাতের আগে তার আমলনামাকে একেবারেই নিখুঁত করে দেয়।


সারকথা হলো, মৃত্যু এমন এক পেয়ালা, যা সব মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে। আমরা সবাই এই পেয়ালার পানীয় পান করব। তবে কেউ এর স্বাদ পাবে প্রশান্তি আর জান্নাতের সুবাসে, আর কেউ পাবে চরম ভয় আর আক্ষেপের তিক্ততায়।


আজকের এই দিনে কয়েক মিনিটের জন্য হলেও একা বসে নিজের বিবেককে একটা প্রশ্ন করি, আমার বর্তমান আমল, আমার নামাজ আর আল্লাহর সাথে আমার সম্পর্কের হিসাব অনুযায়ী... আমি নিজের জন্য মৃত্যুর কোন "স্বাদ" তৈরি করছি?


আল্লাহ তাআলা আমাদের সুন্দর মৃত্যু নসিব করুন। মৃত্যুকে আমাদের জন্য সমস্ত অকল্যাণ থেকে মুক্তির উপায় বানিয়ে দিন। আমিন।

পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের নামকরণ, তাৎপর্য, বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক উপকারিতা এবং করণীয়।,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের নামকরণ, তাৎপর্য, বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক উপকারিতা এবং করণীয়।


 আসুন কুরআন এবং হাদিসের আলোকে জেনে নেই।


১। সালাতুল ফজর।


০০ নামের রহস্য : 


০ 'ফজর' শব্দের অর্থ "ভোর" বা "প্রভাত"। 


০ রাত্রির অন্ধকার ভেদ করে যখন আলো স্ফুরিত হয়, তখন এই সালাত আদায় করা হয় বলে একে ফজর বলা হয়।


০০ তাৎপর্য : 


০০ আল কুরআন :


০ আল কুরআনে এই ওয়াক্তের গুরুত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে, "নিশ্চয়ই ভোরের সালাতে ফেরেশতাদের সমাবেশ ঘটে।" (সূরা বনি ইসরাইল: ৭৮)। 


০০ হাদিস :


০ হাদিস অনুযায়ী, ভোরের বায়ু ও সালাত বান্দার আত্মিক জাগরণ ঘটায় এবং সে আল্লাহর হেফাজতে থাকে। (সহিহ মুসলিম: ৬৫৭)।


০০ উপকারিতা :


০ শারীরিক : ভোরে বাতাসে ওজোনের মাত্রা বেশি থাকে যা রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে, মানসিক বিষণ্নতা দূর করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।


০ আত্মিক : শয়তানের বাঁধন ছিন্ন করে মনে প্রশান্তি ও কর্মোদ্যম ফিরিয়ে আনে।


০০ করণীয় : 


০ আজান শুনে ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করা, অজু করে দুই রাকাত সুন্নত সালাত আদায় করা। 

০ এরপর জামাতে দুই রাকাত ফরজ আদায় করা।


২। সালাতুল জোহর।


০০ নামের রহস্য : 


০ 'জোহর' শব্দের অর্থ "মধ্যাহ্ন" বা "প্রকাশ্য"।


০ সূর্য যখন মাথার ওপর থেকে কিছুটা পশ্চিমে ঢলে পড়ে এবং বস্তুর ছায়া স্পষ্ট হয়, তখন এর ওয়াক্ত শুরু হয়।


০০ তাৎপর্য : 


০ এটি দিনের প্রথম সালাত যা আল্লাহর নবি ইব্রাহিম (আ.)-এর আমল থেকে ধারাবাহিকভাবে পরিচিত।


০০ হাদিস : 


 ০ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যখন উত্তাপ বৃদ্ধি পায়, তখন সালাত ঠান্ডা করে আদায় করো, কেননা উত্তাপের প্রখরতা জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশ।" (সহিহ বুখারি: ৫৩৮)।


০০ উপকারিতা :


০ শারীরিক : দীর্ঘক্ষণ কাজের পর দুপুরের দিকে মানুষের শরীরে অবসাদ আসে। 


০ অজু ও সালাতের অঙ্গ সঞ্চালন শরীরকে রিফ্রেশ করে এবং কাজের ক্লান্তি দূর করে।


০ আত্মিক : সংসারের কাজের ব্যস্ততার মাঝে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে দুনিয়ামুখী মনকে সোজা পথে আনে।


০০ করণীয় : 


০ ওয়াক্ত হওয়ার পর ৪ রাকাত সুন্নত।

০ এরপর ইমামের সাথে ৪ রাকাত ফরজ।

০ ২ রাকাত সুন্নত এবং 

০ সুযোগ থাকলে ২ রাকাত নফল আদায় করা।


৩। সালাতুল আসর।


০০ নামের রহস্য : 


০ 'আসর' শব্দের অর্থ "সময়", "অপরাহ্ন" বা "নিষ্কাশন করা"। 


০ দিনের আলো যখন ফুরিয়ে আসতে থাকে, তখন এই সালাত অনুষ্ঠিত হয়।


০০ তাৎপর্য :


০০ কুরআন :


০ কুরআনুল কারিমে এই সালাতকে 'সালাতুল উস্তা' বা মধ্যবর্তী সালাত হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


০ "তোমরা সালাতসমূহের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী সালাতের।" (সূরা আল-বাকারা: ২৩৮)। 


০০ হাদিস :


০ হাদিসে এসেছে, "যে ব্যক্তি আসরের সালাত অবহেলা বশত না পড়ে, তার আমল বিনষ্ট হয়ে যায়।" (সহিহ বুখারি: ৫৫৩)।


০০ উপকারিতা :


০ শারীরিক : বিকেলের সময়ে রক্তচাপ ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আসরের সালাতের রুকু ও সিজদা বিশেষ সাহায্য করে।


০ আত্মিক : দিনের শেষভাগে কর্মব্যস্ততা ও কেনাকাটার ভিড়ে মানুষকে আল্লাহর জিকিরে ফিরিয়ে আনে।


০০ করণীয় : 


০ সূর্য হলুদ বর্ণ ধারণ করার আগেই ৪ রাকাত ফরজ সালাত আদায় করা।

০ ফরজের পূর্বে ৪ রাকাত সুন্নাতে গায়রে মুয়াক্কাদাহ পড়াও উত্তম।


৪। সালাতুল মাগরিব।


০০ নামের রহস্য :


০ 'মাগরিব' শব্দের অর্থ "সূর্যাস্ত" বা "পশ্চিম দিক"।


০ সূর্য অস্ত যাওয়ার পর পরই এই সালাতের সময় শুরু হয়।


০০ তাৎপর্য : 


হাদিস :


০ সূর্যাস্তের মধ্য দিয়ে দিন শেষ হয়ে রাতের আগমন ঘটে, যা মানুষকে জীবনের নশ্বরতা ও মৃত্যুর কথা মনে করিয়ে দেয়।


০ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "আমার উম্মত ততদিন কল্যাণের ওপর থাকবে, যতদিন তারা মাগরিবের সালাত আদায়ে দেরি না করবে।" (সুনানে আবু দাউদ: ৪১৮)।


০০ উপকারিতা :


০ শারীরিক : সন্ধ্যার শুরুতে খাবারের পূর্বে অল্প বিরতি ও অজু-সালাত পরিপাকতন্ত্রকে রাতের খাবারের জন্য প্রস্তুত করে।


০ আত্মিক : সূর্যাস্তের মাধ্যমে এক দিনের বিদায় ও পরকালের প্রস্তুতির অনুভুতি জাগ্রত হয়।


০০ করণীয় : 


০ ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে দেরি না করে ৩ রাকাত ফরজ সালাত আদায় করা এবং

০ এরপর ২ রাকাত সুন্নত আদায় করা।


৫। সালাতুল এশা।


০০ নামের রহস্য : 


০ 'এশা' শব্দের অর্থ "রাতের প্রথম ভাগ" বা "অন্ধকার"।


০ সন্ধ্যার লালচে আভা সম্পূর্ণরূপে দূর হয়ে গাঢ় অন্ধকার নেমে আসলে এই সালাত আদায় করা হয়।


০০ তাৎপর্য : 


হাদিস :


০ রাতের অন্ধকারে আলস্য ত্যাগ করে সালাতে দাঁড়ানো বড় ঈমানের পরিচয়।


০ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যদি তারা জানতে পারত যে এশা ও ফজরের সালাতে কী পরিমাণ সওয়াব রয়েছে, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এতে উপস্থিত হতো।" (সহিহ বুখারি: ৬১৫)।


০০ উপকারিতা :


০ শারীরিক : রাতের খাবারের পর সালাত আদায় করলে হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয় এবং ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে।


০ আত্মিক : সারাদিনের ভুলত্রুটি ক্ষমা চেয়ে পবিত্র অবস্থায় ঘুমানোর সুযোগ তৈরি হয়।


০০ করণীয় : 


০ ৪ রাকাত ফরজ।

০ ২ রাকাত সুন্নত এবং 

০ এরপর ৩ রাকাত বিতরের সালাত আদায় করা। 


০ এশার সালাতের পর অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা না বলে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ।


মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন।

ব্যবসায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্ব,,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ব্যবসায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্ব


ব্যবসায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কোন পণ্য কিনবেন, কত পরিমাণ পণ্য রাখবেন, কোন পণ্যের প্রচার করবেন, কাস্টমারের সঙ্গে কীভাবে কথা বলবেন, কোথায় টাকা খরচ করবেন—এসব ছোট-বড় সিদ্ধান্তই ব্যবসার ফলাফলের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ব্যবসায় সফল হতে শুধু পরিশ্রম করলেই হয় না, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও থাকতে হয়।

সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিস্থিতি ভালোভাবে বোঝা দরকার। শুধু অনুমান বা আবেগের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিলে অনেক সময় ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে। যেমন, কোনো একটি পণ্য নিজের কাছে খুব ভালো লাগছে বলে অনেক পরিমাণে কিনে ফেললেন। কিন্তু পরে দেখা গেল কাস্টমারদের সেই পণ্যের প্রতি তেমন আগ্রহ নেই। তখন টাকা পণ্যের মধ্যে আটকে যেতে পারে। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আগের বিক্রির হিসাব, কাস্টমারের চাহিদা এবং বাজারের পরিস্থিতি দেখা ভালো।

ব্যবসায় তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ। কোনো কাস্টমার একটি অভিযোগ করলেই সঙ্গে সঙ্গে রাগ করে উত্তর দেওয়া উচিত নয়। আগে সমস্যাটা কী হয়েছে সেটা বুঝতে হবে, তারপর শান্তভাবে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। একইভাবে কোনো দিন বিক্রি কম হয়েছে বলে হঠাৎ পুরো ব্যবসার পরিকল্পনা পরিবর্তন করারও দরকার নেই। কয়েকদিন বা কিছু সময়ের তথ্য দেখে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া বেশি ভালো।

আবার অতিরিক্ত দেরি করাও ঠিক নয়। অনেক সময় ব্যবসায়ীরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে এত বেশি চিন্তা করেন যে সুযোগ চলে যায়। ধরুন, বাজারে একটি পণ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। আপনি যদি মাসের পর মাস শুধু চিন্তা করতে থাকেন এবং কোনো পদক্ষেপ না নেন, তাহলে অন্য ব্যবসায়ীরা সেই সুযোগ নিয়ে এগিয়ে যেতে পারে। তাই তথ্য যাচাই করার পর সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় লাভের পাশাপাশি সম্ভাব্য ক্ষতির কথাও চিন্তা করতে হবে। কোনো একটি সিদ্ধান্ত সফল হলে কতটা লাভ হতে পারে এবং ব্যর্থ হলে কতটা ক্ষতি হতে পারে, দুটোই বিবেচনা করা দরকার। বিশেষ করে ব্যবসায় বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে আগে হিসাব করে নেওয়া উচিত। এতে আবেগের পরিবর্তে বাস্তব পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

ভালো ব্যবসায়ীরা নিজেদের আগের সিদ্ধান্ত থেকেও শেখেন। কোনো সিদ্ধান্ত ভালো ফল দিলে কেন ভালো ফল হয়েছে সেটা বোঝার চেষ্টা করেন। আবার কোনো সিদ্ধান্তে ক্ষতি হলে শুধু হতাশ না হয়ে কোথায় ভুল হয়েছিল সেটা খুঁজে বের করেন। এতে ভবিষ্যতে একই ধরনের ভুল আবার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রয়োজনে নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে শেখা। ব্যবসায় একটি পরিকল্পনা করার পর পরিস্থিতি বদলে গেলে আগের পরিকল্পনাকে জোর করে ধরে রাখার দরকার নেই। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে বা বাজারের অবস্থা পরিবর্তিত হলে পরিকল্পনাও পরিবর্তন করা যেতে পারে। নিজের ভুল স্বীকার করে নতুনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া দুর্বলতা নয়, বরং একজন ব্যবসায়ীর শেখার মানসিকতার পরিচয়।

তাই ব্যবসায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তথ্য, হিসাব, অভিজ্ঞতা এবং বাস্তব পরিস্থিতি—সবকিছুকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রতিটি সিদ্ধান্ত যে সফল হবে এমন নয়, কিন্তু প্রতিটি সিদ্ধান্ত থেকে কিছু শেখা সম্ভব। ধীরে ধীরে সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভ্যাস তৈরি হলে ব্যবসা পরিচালনা করা অনেক সহজ হয় এবং ভবিষ্যতে বড় সুযোগগুলোও ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়।


#ownerbyshimurimu #BanglaMotivation #Bangladesh #entrepreneurmindset #business

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ  তারিখ ১১-০৯-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ 

তারিখ ১১-০৯-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম

তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু আগামীকাল --- উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দেশীয় উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে আগামীকাল রাজধানীতে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার’।

ঢাকা-১৭ আসনে মসজিদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে আর্থিক অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে গেলেন তারেক রহমান।

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে টেকসই করতে ভালো ও সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন --- মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।

আগামী বছরের হজের নিবন্ধন চলবে ২৪শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ।

যুক্তরাষ্ট্রে নাইন ইলেভেন সন্ত্রাসী হামলার ২৫তম বার্ষিকী আজ --- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরের হামলায় প্রাণ হারান প্রায় তিন হাজার মানুষ।

 দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে এখন পাকিস্তানের মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা।

চলতি পথে ...(পর্ব:১৩৬) বাংলাদেশের বেতার থেকে নেওয়া

 চলতি পথে ...(পর্ব:১৩৬)


এরা যেন কেবল একটি ফুল নয়, মিষ্টি রোদ্দুরে স্নান করে ওঠা এক টুকরো ঊষার আলো। সবুজ পাতার আঁচল ফুঁড়ে ফুটে থাকা ফুলগুলো যেন মাটির বুকে নেমে এসেছে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের বার্তা নিয়ে। বাতাসের হালকা দোলে দোল খাওয়া ফুলগুলো দেখে মনে হয় কোন রূপসী হেসে হেসে ছড়াচ্ছে মুক্তোর ঝলকানি। হ্যাঁ, বলছি এমনই একটি দৃষ্টিনন্দন ফুলের কথা। ফুলটির নাম 'জাফর লিলি।' এটি 'পিয়াজ ফুল' নামেও বেশ পরিচিত।


Liliaceae পরিবারভুক্ত (আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে একে অননেক সময় Amaryllidaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। জাফর লিলি বা পিয়াজ ফুলের উদ্ভিদতত্তিক নাম Zephyranthes grandiflora Lindl (Syn: Zephyranthes rosea) ইংরেজি নাম Rosepink Zephyrlily, Pink Rain Lily. এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আকর্ষণীয় ছোট আকৃতির কন্দজ ফুল গাছ। এর মাটির নিচে থাকা ছোট পেঁয়াজ আকৃতির কন্দ থেকেই পাতা ও ফুলের ডাঁটা বের হয়। ফুলগুলো এককভাবে একটি লম্বা ও ফাপা ডাঁটার মাথায় ফোটে। ফুলগুলো ৬টি পাপড়িযুক্ত এবং ফানেল বা তারা আকৃতির হয়। এই ফুলের পাপড়ির রঙ গাঢ় গোলাপি থেকে হালকা গোলাপি হয়ে থাকে। গোলাপি পাপড়ির ঠিক মাঝখানে উজ্জ্বল হলুদ বা সোনালী রঙের পুংকেশর থাকে। তাছাড়া পাপড়ির গোড়ার দিকে কিছুটা সাদাটে বা হালকা সবুজ আভা থাকে, যা ফুলটিকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলে। এর পাতাগুলো দেখতে অনেকটা কাঁচা পেঁয়াজের পাতার মতো চিকন, চ্যাপ্টা এবং গাঢ় সবুজ রঙের হয়। পাতাগুলো সাধারণত লম্বায় ৬ থেকে ১২ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। সাধারণত শুস্ক আবহাওয়ার পর বৃষ্টি নামলেই হুট করে বাগান জুড়ে এই ফুলগুলো ফুটে গোলাপি চাদরে ছেয়ে যায় বলে এদের 'রেইন লিলি'ও বলা হয়। অনন্য ও নয়নকাড়া সৌন্দর্যের জন্য এই ফুল বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।বাগান বা বারান্দার সৌন্দর্য বর্ধনে এই ফুলের গাছ ব্যপকভাবে রোপন করা হয়। রাজধানীর বিমানবন্দরের নিকট একটি অভিজাত হোটেলের সামনে থেকে এই জাফর লিলি বা পিয়াজ ফুলের ছবিগুলো তোলা।


ছবি: খোন্দকার এরফান আলী 

(১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ১১-০৯-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ১১-০৯-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্ত - বিদ্যমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সঙ্কট দ্রুতই কেটে যাবে - সমাপনী বক্তব্যে বললেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


জাতীয় সংসদে এসআরবি বিল, ২০২৬ পাশ - বিলুপ্ত হলো র‌্যাব।


দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দুদককে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রীতি রক্ষা ও নৈতিক অবক্ষয়মূলক কনটেন্ট প্রতিরোধই সরকারের লক্ষ্য - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


২৫শে সেপ্টেম্বর শুরু হবে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন - জানালেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী।


ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা - ভোট গ্রহণ ২৯শে অক্টোবর - মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৭শে সেপ্টেম্বর।


ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখার নিয়ন্ত্রণ নিলো হুতি - পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

অফিসে চাকরি করতে চান? তাহলে এক্সেলের এই ২০টি ফর্মুলা জানতেই হবে!

 অফিসে চাকরি করতে চান? তাহলে এক্সেলের এই ২০টি ফর্মুলা জানতেই হবে! অফিসে এক্সেল এর কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি সময় নষ্ট হয় তখনই, যখন আপনি জানেন...