এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ১৪-০৯-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ১৪-০৯-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


দেশে কৃষি ও খাদ্যপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী। 


দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি শেভরনকে আরো বিনিয়োগের আহ্বান তারেক রহমানের।


বাণিজ্য ও শিক্ষাসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা সম্প্রসারণে পাকিস্তানের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান।


আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বৈধতা নিয়ে করা রিট হাইকোর্টে খারিজ।


সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাক্তার জুবাইদা রহমানের।


দেশে সারের কোন সংকট নেই - বিতরণে মনিটরিং জোরদারের নির্দেশ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর।


হুতি বিদ্রোহীদের সাথে সংঘর্ষে ইয়েমেনের পাঁচশোর বেশি সেনা নিহতের কথা জানালো সরকারি বাহিনী।


ওসাকায় এশিয়ান গেমস ফুটবলে আজ উত্তর কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ নারী দল।


দুবাই-এ শ্রীলংকাকে হারিয়ে অষ্টমবারের মতো এশিয়া কাপ নারী টি- টোয়েন্টি ক্রিকেটের শিরোপা জিতলো ভারত।

চলতি পথে ...(পর্ব:১৩৮)

চলতি পথে ...(পর্ব:১৩৮)


রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট হয়ে নিলক্ষেতের দিকে এগুতেই রোড ডিভাইডার (সড়ক বিভাজন) এর উপর চোখ যেতেই সারি সারি গাছ ও এর আকর্ষণীয় উজ্জ্বল হলুদ ফুলে চোখ আটকে যায়। থমকে দাঁড়াই। এতো দেখছি ঝোপঝাড় আলো করা এক ঔষধি বুনো গাছ ও ফুল। যার অনন্য রূপের আড়ালে রয়েছে এক দারুণ ভেষজ কার্যকারিতা। এর নাম 'দাদমর্দন।' এর হলুদ ফুলের নজরকাড়া রূপ যেকোনো পথিককেই আকর্ষণ করে। সেইসাথে এর ফুলের মধু খেতে সারাদিন ডানা মেলে ঘুরে বেড়ায় রঙিন প্রজাপতি ও মৌমাছির দল।


Caesalpiniaceae পরিবারভুক্ত 'দাদমর্দন' এর উদ্ভিদতাত্তিক নাম Senna alata (L.) Roxb. (Syn: Cassia alata), ইংরেজি নাম Candle Bush. এটি একটি বহুবর্ষজীবি মাঝারি গড়নের দ্রুত বর্ধনশীল গুল্মজাতীয় ঝোপালো প্রকৃতির উদ্ভিদ। এর গাছ সাধারণত ১ থেকে ৪মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এর হলুদ রঙের ফুলগুলো মোমের মতো গাছের শাখার ডগায় খাড়াভাবে থোকা ধরে ফোটে। ফুলের কুঁড়িগুলো গাঢ় হলুদ বা কমলা-হলুদ রঙের আবরণী দিয়ে ঢাকা থাকে। পুরো গাছটি হলুদ ফুলে ভরে গেলে এর অনিন্দ্য রুপ ফুটে ওঠে। তখন দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন সবুজ গাছের ওপর হলুদ রঙের জ্বলন্ত মোমবাতি দাঁড়িয়ে আছে। এর এই বিশেষ গঠনের কারণেই এর ইংরেজি নাম হয়েছে Candle Bush. এর ফুল গন্ধহীন। আর পাতাগুলো অনেকটা বাবলা বা তেঁতুল পাতার মতো, তবে আকারে বেশ বড় ও চ্যাপ্টা হয়। এটি ত্বক ও ঔষধি গুণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। চর্মরোগ নিরাময়ে বিশেষ করে এর পাতা পিষে রস তৈরি করে দাদ, একজিমা, চুলকানি ও পাঁচড়ায় লাগালে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। একারণেই এর নাম হয়েছে দাদমর্দন। ভেষজবিদদের মতে এতে থাকা অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান ছত্রাকজনিত সংক্রমণ দূর করে। এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্যসহ ঐতিহ্যগত নানা চিকিৎসায় এর ব্যবহার রয়েছে। বাংলাদেশের গ্ৰামাঞ্চলে চরের ধার, রাস্তার পাশে, ঝোপঝাড়ে অবহেলা আর অযত্নে এরা বেড়ে ওঠে। তবে ঝোপঝাড় কেটে ফেলার কারণে অলংকারিক এই বুনো সৌন্দর্য দিন দিন হারিয়ে গেলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনাবিল সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে এই দাদমর্দন।


ছবি: খোন্দকার এরফান আলী 

(১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ  তারিখ ১৩-০৯-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ 

তারিখ ১৩-০৯-২০২৬


আজকের সংবাদ শিরোনাম


দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক কোম্পানি শেভরনকে আরো বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। 

 


বাণিজ্য ও শিক্ষাসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা সম্প্রসারণে পাকিস্তানের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান।

 


আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বৈধতা নিয়ে করা রিট হাইকোর্টে খারিজ।

 


সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাক্তার জুবাইদা রহমানের।


দেশে সারের কোন সংকট নেই --- বিতরণে মনিটরিং জোরদারের নির্দেশ --- তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর।

 


হরমুজ প্রণালী নিয়ে আলোচনার জন্য আগামীকাল ওমানে উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে বৈঠকে বসছে ইরান।


 দুবাই-এ এশিয়া কাপ নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে এখন ভারতের মুখোমুখি শ্রীলংকা।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ১৩-০৯-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ১৩-০৯-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


দেশজুড়ে তিনমাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান।


সমৃদ্ধ ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে - ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’ উদ্বোধন করে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


কৃষক কার্ডের পরীক্ষামূলক পর্যায়ের উদ্বোধন আগামী বৃহস্পতিবার - এক লাখ ১০ হাজারেরও বেশী কৃষক পাবেন প্রণোদনার অর্থ - জানালেন কৃষিমন্ত্রী।


অপতথ্য ও এআই-নির্ভর বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ঠেকাতে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর।


দেশে একদিনে হামের উপসর্গে সাত শিশুর মৃত্যু।


ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা।


দুবাই-এ নারী এশিয়া কাপ টি -টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে আজ ভারত-শ্রীলংকার মোকাবেলা করবে।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ  তারিখ ১২-০৯-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ 

তারিখ ১২-০৯-২০২৬


আজকের সংবাদ শিরোনাম


দেশজুড়ে তিনমাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান --- দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান।


সমৃদ্ধ ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে --- ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’ উদ্বোধন করে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


কৃষক কার্ডের পরীক্ষামূলক পর্যায়ের উদ্বোধন আগামী বৃহস্পতিবার --- এক লাখ ১০ হাজারেরও বেশী কৃষক পাবেন প্রনোদনার অর্থ --- জানালেন কৃষিমন্ত্রী।


অপতথ্য ও এআই-নির্ভর বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ঠেকাতে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর।


দেশে একদিনে হামের উপসর্গে সাত শিশুর মৃত্যু।


মধ্যপ্রাচ্যে সর্বোচ্চ সংযম অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে ব্রিকসের যৌথ ঘোষণা গৃহীত।


 

 চীনে জুনিয়র এশিয়া কাপ নারী হকি টুর্নামেন্টে মালয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে পঞ্চম এবং পুরুষ হকিতে চাইনিজ তাইপেকে ৫-২ গোলে পরাজিত করে সপ্তম স্থানে বাংলাদেশ।

চলতি পথে ..... (পর্ব:১৩৭) ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 চলতি পথে ..... (পর্ব:১৩৭)


কংক্রিটের এই শহরে একটি উজ্জ্বল হলুদ রঙের ফুল আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রকৃতি এখনো তার রূপের পসরা সাজিয়ে বসে আছে। মিষ্টি রোদে শহরের কোন এক রাস্তায় পা রেখে এই ফুলের দিকে তাকালেই মনে হবে কোনো রুপকথার হলুদ পরী ডানা মেলে নেমে এসেছে সবুজ পাতার গালিচায়। শরতের মৃদু বাতাসে যখন ফুলগুলো দুলে ওঠে তখন মনে হয় তারা কোন গোপন সুরে গান গাইছে। হ্যাঁ, বলছি 'স্বর্ণঝুরি' ফুলের কথা। স্বর্ণঝুরি যেন ফুল নয়, প্রকৃতির এক জীবন্ত শিল্পকর্ম।


Bignoniaceae পরিবারভুক্ত 'স্বর্ণঝুরি' ফুলের উদ্ভিদতত্তিক নাম Tecoma stans (L.) Juss. ex Kunth.ইংরেজি নাম Yellow Trumpetbush, Yellow Bell. এটি চিরসবুজ গুল্ম এবং দ্রুত বর্ধনশীল ছোট আকৃতির আকর্ষণীয় ফুল গাছ। এর গাছটি বেশ ঝোপালো প্রকৃতির এবং ১০ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এর ফুলগুলো উজ্জ্বল হলুদ রঙের এবং দেখতে তূর্য বা ট্রাম্পেটের মতো (Trumpet-shaped)।ফুলগুলো শাখার ডগায় থোকায় থোকায় ফোটে। প্রায় সারা বছরই, বিশেষ করে বর্ষা ও শরতে এর গাছে প্রচুর ফুল ফোটে। এর পাতা উজ্জ্বল সবুজ, বিপরীতমুখী এবং তীক্ষ্ণভাবে খাজকাটা। এর আদি নিবাস আমেরিকা মহাদেশের ক্রান্তীয় অঞ্চল (বিশেষ করে মেক্সিকো এবং টেক্সাস)। বর্তমানে বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন ক্রান্তীয় ও উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলে এটি আলংকারিক বা সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ হিসেবে বেশ পরিচিত। পার্ক, বাগান, রাস্তার পাশে এবং বাড়ির শোভাবর্ধনের জন্য এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। 


তবে উল্লেখ্য যে, 'স্বর্ণঝুরি' (Tecoma stans) এবং 'টিকোমা' (Tecoma gaudichaudii) উভয় ফুলই একই উদ্ভিদ পরিবার Bignoniaceae-এর অন্তর্ভুক্ত এবং দেখতে প্রায় একই রকম হওয়ায় এদেরকে অনেক সময় আলাদা করা কঠিন হয়। তবে উদ্ভিদতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এদের মধ্যে কিছু প্রধান পার্থক্য রয়েছে, যার মধ্যে পাতার গঠন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে স্বর্ণঝুরি ও টিকোমা ফুলকে মিলিয়ে ফেলেন। আজকের আলোচিত এই 'স্বর্ণঝুরি' ফুলের ছবিগুলো রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা এলাকা থেকে তোলা।


ছবি: খোন্দকার এরফান আলী 

(১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ১২-০৯-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ১২-০৯-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হচ্ছে আজ - উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


দেশীয় উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে আজ রাজধানীতে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার’।


ঢাকা-১৭ আসনে মসজিদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে আর্থিক অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী।


চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে গেলেন তারেক রহমান। 


দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে টেকসই করতে ভালো ও সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


আগামী বছর হজ্বে গমনেচ্ছুদের নিবন্ধন চলবে ২৪শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত । 


ভারতের নতুন দিল্লিতে আজ শুরু হচ্ছে ব্রিকসের দুইদিন ব্যাপী শীর্ষ সম্মেলন।


চীনে জুনিয়র এশিয়া কাপ নারী হকির পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থান নির্ধারণী ম্যাচে আজ মালয়েশিয়ার মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

ছারছীনা ফুরফুরা শরীফের মূরুব্বী কারা জেনে নাও ,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #ছারছীনা ফুরফুরা শরীফের মূরুব্বী কারা জেনে নাও 


ছারছীনা দরবার শরীফের শাজরা

.....................


১। হযরত সাইয়্যেদুল আম্বিয়া খাতেমুন্নাবিয়্যীন শাফিউল মুজনিবীন রহমাতুলি­ল আলামীন আহমদ মুজতবা মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। 

২। আমীরুল মো’মেনীন সাইয়েদিনা হযরত আলী (রাদিঃ)।

৩। খাইরুত্তাবেঈন হযরত হাসান বসরী (রহঃ)। 

৪। হযরত খাজা আঃ ওয়াহেদ বিন জায়েদ (রহঃ)। 

৫। হযরত খাজা ফোজায়েল (রহঃ)।

৬। হযরত খাজা সুলতানুল আ’রেফীন ইব্রাহীম আদহাম (রহঃ)।

৭। হযরত খাজা হোযায়ফা মারয়াসী (রহঃ)।

৮। হযরত খাজা আমীন উদ্দীন হোবায়রা বছরী (রহঃ)।

৯। হযরত খাজা আবু ইব্রাহীম এছহাক আলাউদ্দীন নূরী (রহঃ)।

১০। হযরত খাজা আবু এছহাক শামী (রহঃ)।

১১। হযরত খাজা আবু আহমদ আবদাল চিশতী (রহঃ)।

১২। হযরত খাজা আবু মোহাম্মদ আবদাল চিশতী (রহঃ)।

১৩। হযরত খাজা নাছের উদ্দীন আবু ইউসুফ চিশতী (রহঃ)।

১৪। হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন মউদূদ চিশতী (রহঃ)।

১৫। হযরত খাজা শরীফ জানদানী (রহঃ)।

১৬। হযরত খাজা ওসমান হারুনী (রহঃ)।

১৭। হযরত সুলতানুল হিন্দ খাজা গরীবে নেওয়াজ মুঈনুদ্দীন চিশতী ছঞ্জরী (রহঃ)।

১৮। হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী (রহঃ)।

১৯। হযরত খাজা শেখ ফরীদুদ্দীন মাসউদ গঞ্জেশকর (রহঃ)।

২০। সুলতানুল আউলিয়া হযরত খাজা নিজামুদ্দীন (রহঃ)।

২১। হযরত শেখ সিরাজ ওসমান আওধী (রহঃ)।

২২। হযরত শেখ আলাউল হক বাংগালী (রহঃ)।

২৩। হযরত শেখ খাজা নূর কুতুবুল আলম (রহঃ)।

২৪। হযরত শেখ হেছামুদ্দীন মানিকপুরী (রহঃ)।

২৫। হযরত সাইয়্যেদ রাজী হামেদ শাহ্ (রহঃ)।

২৬। হযরত হাসান বিন তাহের (রহঃ)।

২৭। হযরত শেখ কাজী খান ইউসুফ নাচেহী (রহঃ)।

২৮। হযরত শেখ নাজমুল হক ছিনহুভী (রহঃ)।

২৯। হযরত শেখ আঃ আজীজ (রহঃ)।

৩০। হযরত শেখ কুতুবে আলম (রহঃ)।

৩১। হযরত মাওলানা শাহ্ রফী উদ্দীন (রহঃ)।

৩২। হযরত মাওলানা শেখ আঃ রহীম মোহাদ্দেছে দেহলভী (রহঃ)।

৩৩। হযরত মাওলানা শাহ্ ওয়ালীউল­াহ মোহাদ্দেছে দেহলভী (রহঃ)।

৩৪। হযরত মাওলানা শাহ্ আঃ আজীজ মোহাদ্দেছে দেহলভী (রহঃ)।

৩৫। হযরত মাওলানা শাহ্ সাইয়্যেদ আহমদ শহীদ বেরলভী (রহঃ)।

৩৬। হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী নূর মোহাম্মদ নিজামপুরী (রহঃ)।

৩৭। হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী ফতেহ আলী ওয়ায়সী (রহঃ)।

৩৮। মোজাদ্দেদে যামান হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী হাজী আব্দুল্লাহ আল মা’রূফ মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দীকী (রহঃ)।

৩৯। হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী নেছারুদ্দীন আহমদ (রহঃ)।

৪০। হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী আবু জা’ফর মোহাম্মদ ছালেহ (রহঃ)।

৪১। বাহরে শরীয়ত হযরত মাওলানা শাহ সূফী মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহঃ)।

৪২। শাহ আবু নছর নেছার উদ্দিন আহমদ হুসাইন (মাঃ জিঃ আঃ)

 🖊️মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ হাসান রুহানী।

বিশ্বের সর্বোচ্চ পতিতাবৃত্তির দেশ:,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বিশ্বের সর্বোচ্চ পতিতাবৃত্তির দেশ:

১। থাইল্যান্ড (বৌদ্ধ ধর্ম)

২। ডেনমার্ক (খ্রিস্টধর্ম)

৩। ইতালিয়ান (খ্রিস্টান)

৪। জার্মান (খ্রিস্টান)

৫। ফ্রেঞ্চ (খ্রিস্টধর্ম)

৬। নরওয়ে (খ্রিস্টান)

৭। বেলজিয়াম (খ্রিস্টান)

৮। স্প্যানিশ (খ্রিস্টধর্ম)

৯। ইউকে (খ্রিস্টধর্ম)

১০। ফিনল্যান্ড (খ্রিস্টান)


বিশ্বের সর্বোচ্চ চুরির হার:

১। ডেনমার্ক এবং ফিনল্যান্ড (খ্রিস্টান)

২। জিম্বাবুয়েয়ান (খ্রিস্টান)

৩। অস্ট্রেলিয়া (খ্রিস্টান)

৪। কানাডা (খ্রিস্টান)

৫। নিউজিল্যান্ড (খ্রিস্টান)

৬। ভারত (হিন্দু ধর্ম)

৭। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস (খ্রিস্টান)

৮। ইউএস (খ্রিস্টান)

৯। সুইডেন (খ্রিস্টান)

১০। দক্ষিণ আফ্রিকা (খ্রিস্টধর্ম)


পৃথিবীর সর্বোচ্চ অ্যালকোহল আসক্তি:

১। মোল্ডোভিয়া (খ্রিস্টান)

২। বেলারুশিয়ান (খ্রিস্টান)

৩। লিথুয়ানিয়া (খ্রিস্টান)

৪। রাশিয়া (খ্রিস্টান)

৫। চেক প্রজাতন্ত্র (খ্রিস্টান)

৬। ইউক্রেনীয় (খ্রিস্টান)

৭। অ্যান্ডোরা (খ্রিস্টান)

৮। রোমানিয়া (খ্রিস্টান)

৯। সার্বিয়ান (খ্রিস্টান)

১০। অস্ট্রেলিয়া (খ্রিস্টান)


বিশ্বের সবচেয়ে বেশি খুনের হার:

১। হন্ডুরাস (খ্রিস্টান) 

২। ভেনেজুয়েলা (খ্রিস্টান)

৩। বেলিজ (খ্রিস্টান)

৪। এল সাভাদর (খ্রিস্টান)

৫। গুয়াতেমালা (খ্রিস্টান)

৬। দক্ষিণ আফ্রিকা (খ্রিস্টধর্ম)

৭। সেন্ট কিটস এবং নেভিস (খ্রিস্টান)

৮। বাহামা (খ্রিস্টান)

৯। লেসোথো (খ্রিস্টান)

১০। জামাইকা (খ্রিস্টান)


বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক দল:

১। ইয়াকুজা (কোন ধর্ম নেই)

২। আগ্বেরাস (খ্রিস্টান)

৩। ওয়াহ সিং (খ্রিস্টান)

৪। জামাইকা বসএঁ (খ্রিস্টান)

৫। প্রাইমেরো (খ্রিস্টান)

৬। দ্য আরিয়ান ব্রাদারহুড (খ্রিস্টান)


বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাদক দল:

১। পাবলো এসকোবার - কলম্বিয়া (খ্রিস্টান)

২। আমাদো ক্যারিলো - কলম্বিয়া (খ্রিস্টান)

৩। কার্লোস লিডার জার্মেন (খ্রিস্টান)

৪। গ্রিসেল্ডা ব্ল্যাঙ্কো - কলম্বিয়া (খ্রিস্টান)

৫। জোয়াকুইন গুজম্যান - মেক্সিকো (ক্রিশ্চিয়ান)

৬। রাফায়েল ক্যারো - মেক্সিকো (খ্রিস্টান)


অথচ বলা হয় ইসলাম এবং মুসলমানরা পৃথিবীতে সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের কারণ এবং তারা চায় সবাই যেন তাই বিশ্বাস করে ।


প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু কে করেছে?

মুসলিমরা নয়..


কে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছে?

মুসলিমরা নয়..


কে প্রায় ২০ মিলিয়ন স্থানীয় অস্ট্রেলিয়ানকে হত্যা করেছে?

মুসলিমরা নয়..


জাপানে নাগাসাকি এবং হর্শিমা কে নুক ছুড়েছে?

মুসলিমরা নয়..


দক্ষিণ আমেরিকায় প্রায় ১০০ মিলিয়ন রেড ইন্ডিয়ানদের কে হত্যা করেছে ?

মুসলিমরা নয়..


উত্তর আমেরিকায় প্রায় ৫০ মিলিয়ন রেড ইন্ডিয়ানদের  কে হত্যা করেছে?

মুসলিমরা নয়..


আফ্রিকা থেকে ১৮০ মিলিয়নেরও বেশি আফ্রিকানকে যারা অপহরণ করেছিল, তাদের মধ্যে 88 % মারা গেছে এবং সাগরে নিক্ষিপ্ত হয়েছে? কে করেছে এ কাজ 

মুসলিমরা নয়..


সন্ত্রাসবাদ বা জঙ্গীবাদের সূচনা মুসলিমদের দ্বারা হয়নি অথচ সংজ্ঞায়িত করা হচ্ছে ।

অমুসলিম সন্ত্রাসী কাজ করলে অপরাধ,

 কিন্তু মুসলিম করলে সন্ত্রাস..

এ এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ।


------- কালেক্টেড

সত্যিই কখনো কখনো মনে হয়— জন্ম নেওয়াই যেন এ দেশে আজন্ম পাপ!

 জন্ম নেওয়াই যেন এ দেশে আজন্ম পাপ!


আমার ছোট মেয়েটাকে নতুন  স্কুলে ভর্তি করাতে হবে। স্কুলে ভর্তির জন্য তার জন্ম নিবন্ধন লাগবে। তাই মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে গেলাম।


গিয়ে শুনলাম, নতুন নিয়ম হয়েছে—বাবা-মা দুজনেরই জন্ম নিবন্ধন থাকতে হবে।


আমার জন্ম নিবন্ধন করা আছে, কিন্তু আমার স্বামীর জন্ম নিবন্ধন করা নেই। ঠিক আছে, তাহলে স্বামীর জন্ম নিবন্ধন করাতে হবে।


আমি ঢাকায় যেখানে থাকি, সেখানকার কমিশনার অফিসে গেলাম। তারা বলল, “উনার জন্মস্থান এখানে নয়। উনার জন্মস্থান যেখানে, সেখানেই জন্ম নিবন্ধন করতে হবে।”


ঠিক আছে। ঢাকার অফিসের কথা মেনে স্বামীর জন্মস্থান যেখানে, সেই গ্রামে গেলাম।


সেখানে গিয়ে যোগাযোগ করলে তারা বলল, “উনি তো এখানকার ভোটার না। উনি ঢাকার ভোটার। উনি যেখানের ভোটার, সেখানেই জন্ম নিবন্ধন করতে হবে। উনি গ্রামে জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন না।”


আমি বললাম, “ভাই, ঢাকা থেকে তো আমাকে বলা হয়েছে উনার জন্মস্থান যেখানে, সেখানেই জন্ম নিবন্ধন করতে হবে। ঢাকায় করা যাবে না।”


তখন গ্রামের অফিস থেকে বলা হলো, “উনি এখানে জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন, তবে আগে ঢাকা থেকে ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে গ্রামের ভোটার হতে হবে।”


ভাবলাম, আচ্ছা, সেটাও করি।


ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে গেলাম। এবার বলা হলো—শ্বশুর-শাশুড়ির এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন লাগবে।


বললাম, শ্বশুর-শাশুড়ির এনআইডি দিতে পারব। কিন্তু আমার শ্বশুর তো মারা গেছেন।


তখন বলা হলো, “বাবা মারা গেলে বাবার মৃত্যু সনদ লাগবে।”


ঠিক আছে, মৃত্যু সনদই করি।


কিন্তু সেখানেও শুরু হলো আরেক বিরামহীন ভোগান্তি!


আমার শ্বশুর মারা গেছেন প্রায় ১৬ বছর আগে, ২০১০ সালে। তখন মৃত্যু সনদের কোনো প্রয়োজনই ছিল না। তাই স্বাভাবিকভাবেই তখন সেটা করা হয়নি।


এখন ১৬ বছর আগের সেই মৃত্যু সনদ তুলতে গিয়েও শুরু হলো নতুন কাগজপত্র, নতুন নিয়ম, নতুন দৌড়াদৌড়ি।


এদিকে আমার মেয়ের স্কুলে ছুটির সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন পরেই তার পরীক্ষা। সব মিলিয়ে উপায় না দেখে আমাকে ঢাকায় ফিরে আসতে হলো।


ঢাকায় ফিরে আবার আমাদের এলাকার কমিশনার অফিসে যোগাযোগ করলাম। বারবার অনুরোধ করে পুরো বিষয়টি খুলে বললাম।


আমি বললাম, “গ্রামে গেলে আমাকে ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে বলছে। কিন্তু ভোটার চেঞ্জ করতে গিয়ে তো আমার জন্য আরও বড় ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে।”


তখন কমিশনার অফিস থেকে আমাকে বলা হলো, “ভোটার চেঞ্জ করার তো কোনো প্রয়োজনই নেই। উনার জন্মস্থান এখানে। উনি ওখানেই জন্ম নিবন্ধন করবেন। একজন মানুষ বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় ভোটার হতে পারেন। তাই শুধু জন্ম নিবন্ধনের জন্য ভোটার এলাকা পরিবর্তন করার কোনো প্রয়োজন নেই।”


আমি বললাম, “ভাই, তাহলে এখন আমি কী করব? আমাকে একটু বলেন।”


তখন আমাকে অনানুষ্ঠানিকভাবে বলা হলো—


“হ্যাঁ, আমি করে দিতে পারব। তবে একটু বড়সড় খরচ হবে।”


আমি বললাম, “কত টাকা লাগবে?”


তিনি যে পরিমাণ টাকা চাইলেন, সেটা আমার কাছে যথেষ্ট বড় অঙ্কের মনে হলো।


এদিকে আমার মেয়ের ভর্তি ফর্ম জমা দেওয়ার সময়ও আর বেশি নেই—মোটামুটি ১৫ দিনের মতো।


উপায়ান্তর না দেখে বললাম, “ঠিক আছে ভাই, আপনি করে দেন।”


তিনি আমার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিলেন। আমার জন্ম নিবন্ধনের কাগজও নিলেন। আমাদের মধ্যে কথা হলো—প্রথমে আমার স্বামীর জন্ম নিবন্ধন করে দেবেন, এরপর আমার জন্ম নিবন্ধনের কাগজ নিয়ে আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধনও করে দেবেন।


আমি টাকা দিয়ে এলাম। তিনি আমার স্বামীর জন্ম নিবন্ধনের কাজ শুরু করলেন।


এরপর তিনি আমার জন্ম নিবন্ধনের কাগজ চাইলেন। আমি দিলাম।


তিনি বললেন, “আপনার জন্ম নিবন্ধন তো অনেক আগে করা। এটা শুধু ইংরেজিতে আছে। এখন বাংলা-ইংরেজি দুটোই থাকতে হবে।”


আমি বললাম, “ঠিক আছে। ইন্টারনেট থেকেই তো নেওয়া যাবে।”


তিনি অনলাইন থেকে আমার জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে তথ্য বের করে আমাকে পাঠালেন—“দেখেন, ঠিক আছে কি না।”


সেখানেই শুরু হলো আরেক বিপত্তি!


আমার ইংরেজি নামের বানান একদম ঠিক আছে। কিন্তু বাংলা নামের বানান সম্পূর্ণ ভুল!


আমার নাম সাবরিনা জান্নাত আরা।


আর সেখানে বাংলায় লেখা হয়েছে—“শুর্বনা জান্নাত আরা।”


আমার বাবার নাম খন্দকার এনায়েত হোসেন।


আর সেখানে বাংলায় লেখা হয়েছে—“খন্দকার এনায়েম হোসেন।”


অর্থাৎ ইংরেজি নাম ঠিক, কিন্তু তার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীনভাবে বাংলা নাম লেখা হয়েছে!


এখন আবার সেটা সংশোধন করতে হবে।


আমাকে বলা হলো, আমি যেখান থেকে জন্ম নিবন্ধন করেছিলাম, সেই কাউন্সিলর/কমিশনার অফিসে যেতে।


আমি গেলাম। খোঁজ নিয়ে জানলাম, সরকারি ফি নাকি মাত্র একশো থেকে দুইশো টাকার মতো।


সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়ে গেলাম।


বললাম, “আমার জন্ম নিবন্ধনে নামের বানান ভুল হয়েছে। এটা কীভাবে ঠিক করব?”


আমাকে বলা হলো, “অনলাইন থেকে আবেদন করে আসুন।”


ঠিক আছে। অনলাইনে আবেদন করলাম। আবেদন ফর্ম এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আবার গেলাম।


এবার আমাকে বলা হলো—


“দুই হাজার টাকা লাগবে।”


আমি অবাক হয়ে বললাম, “দুই হাজার টাকা কেন? এটা তো একশো-দুইশো টাকা সরকারি ফি হওয়ার কথা!”


তারা বলল, ওই টাকায় কাজ হবে না। আর কম টাকায় করলে কতদিন লাগবে, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই।


আমার কাছে তখন দুই হাজার টাকা ছিল না। আবার ফিরে এলাম।


যে কম্পিউটারের দোকান থেকে আগের কাজগুলো করেছিলাম, সেখানে গিয়ে বললাম, “ভাই, আসলে কি এত টাকা লাগে?”


তারা বলল, “আপা, এত টাকা তো লাগে না। তবে আপনি আমাদের এক হাজার টাকা দিলে আমরা তিন দিনের মধ্যে কাজটা করে দেব।”


আমি বললাম, “আপনারা কাজটা করতে পারবেন?”


তারা বলল, “হ্যাঁ, আমরা করে দেব।”


আমি যেহেতু অফিসে দুই হাজার টাকা চাওয়ার কথা শুনে বিপাকে পড়েছিলাম, শেষ পর্যন্ত উপায় না দেখে তাদের এক হাজার টাকা দিলাম। তারা আমার নামের সংশোধনের কাজ করে দিল।


এখন একটু চিন্তা করে দেখুন—


আমি এই দেশের একজন নাগরিক। এই দেশেই আমার জন্ম। আমার জাতীয় পরিচয়পত্র আছে। আমার জন্ম নিবন্ধনও আছে।


শুধু আমার ছোট মেয়ের একটা জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে আমাকে কতটা ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হলো!


ঢাকা থেকে গ্রাম।


গ্রাম থেকে ঢাকা।


জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে ভোটার পরিবর্তনের কথা।


ভোটার পরিবর্তন করতে গিয়ে মৃত শ্বশুরের ১৬ বছর আগের মৃত্যু সনদের কথা।


এক অফিসে এক কথা, অন্য অফিসে আরেক কথা।


তারপর অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনে নিজের নামের বানান ভুল!


ভুল তথ্য সংশোধন করতে গিয়ে সরকারি ফি আর বাস্তবে চাওয়া টাকার মধ্যে এত পার্থক্য!


সবচেয়ে বড় কথা—এই ভুলগুলো আসলে কীভাবে হয়?


একজন মানুষের ইংরেজি নাম যদি সঠিক থাকে, তাহলে সেই নামের বাংলা রূপান্তর করতে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন বানান কীভাবে আসে?


একটি জন্ম নিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিতে এত বড় ভুল কীভাবে মেনে নেওয়া হয়?


এগুলো কি নিছক ভুল?


নাকি কোথাও কোথাও ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল রেখে পরে সংশোধনের নামে মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হয়?


আমি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে অভিযুক্ত করছি না। কিন্তু যদি সত্যিই কোথাও ইচ্ছাকৃতভাবে এমন করা হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই তদন্ত হওয়া দরকার।


আর যদি সমস্যাটা অদক্ষতা হয়, তাহলে প্রশ্ন হলো—এত গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সেবার জায়গায় অদক্ষ লোকজনকে কেন রাখা হবে?


মানুষের জন্ম নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র—এগুলো কোনো সাধারণ কাগজ নয়। এখানে একটি অক্ষরের ভুলও একজন মানুষের ভবিষ্যতে কত বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে, সেটা আমরা সবাই জানি।


দেশের মানুষ এমনিতেই নানাভাবে অতিষ্ঠ।


গ্যাস নেই, বিদ্যুতের সমস্যা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য—সবকিছুর সঙ্গে যখন সরকারি সেবা নিতে গেলেও দিনের পর দিন হয়রানি, ভুল তথ্য, দৌড়াদৌড়ি আর অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার অভিযোগ শুনতে হয়, তখন একজন সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?


সরকারি সেবা কি নাগরিকের অধিকার, নাকি টাকা খরচ করে, পরিচয়-যোগাযোগ ব্যবহার করে এবং দিনের পর দিন ঘুরে তারপর পাওয়ার বিষয়?


জন্ম নিবন্ধন করতে যান—ভোগান্তি।


জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে যান—ভোগান্তি।


একটি সাধারণ সরকারি কাজ করতে যান—ভোগান্তি।


আর সবশেষে মনে হয়—


এই দেশে নাগরিক হওয়াটাই যেন একটা অপরাধ!


সত্যিই কখনো কখনো মনে হয়—


জন্ম নেওয়াই যেন এ দেশে আজন্ম পাপ!

অফিসে চাকরি করতে চান? তাহলে এক্সেলের এই ২০টি ফর্মুলা জানতেই হবে!

 অফিসে চাকরি করতে চান? তাহলে এক্সেলের এই ২০টি ফর্মুলা জানতেই হবে! অফিসে এক্সেল এর কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি সময় নষ্ট হয় তখনই, যখন আপনি জানেন...