এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৫ মে, ২০২৪

আপনারা_লাউ_কিভাবে_আবাদ_করবেন

 #আপনারা_লাউ_কিভাবে_আবাদ_করবেন?


#জলবায়ুঃ

লাউ প্রধানত শীতকালের সবজি। বর্তমানে এ দেশে সারা বছরই লাউ হচ্ছে। উষ্ণ ও অব-উষ্ণ অঞ্চলে ভালো হয়।


#মাটিঃ

লাউ প্রায় সব ধরণের মাটিতেই ভালো জন্মে। তবে লাউ চাষের জন্য দোআঁশ থেকে এঁটেল দোআঁশ মাটি সবচেয়ে ভালো।


#জমি_নির্বাচনঃ

সেচ ও নিকাশের উত্তম সুবিধাযুক্ত এবং পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় এমন জমি নির্বাচন করতে হবে।


#লাউয়ের_জাত_নির্বাচনঃ

মার্শাল সুপার, ময়না, সুলতান, বাদশা, মধুমতি, হাইগ্রিন, ডালিয়া পল্লবী, মোনালিসা, ডায়না, বর্ষা, মার্কিন, সুলতানা, নবাব, নাইসগ্রীণ, হাজারী লাউ, ইত্যাদি 


#জীবনকালঃ ১২০-১৪০ দিন


#বীজ বপনের সময়ঃ 

লাউ সারা বছর আবাদ করা যায়। তবে

শীতকালে- 

চাষের জন্য আগস্ট – অক্টোবর এবং 

গ্রীষ্মকালে- 

চাষের জন্য ফেব্রুয়ারি-মে মাসে বীজ বপন করা যায়।


#জমি_তৈরিঃ

জমিকে প্রথমে ভালভাবে চাষ ও মই দিয়ে এমনভাবে তৈরি করতে হবে যেন জমিতে কোন ঢিলা এবং আগাছা না থাকে।

লাউ গাছের শিকড়ের যথাযথ বৃদ্ধির জন্য উত্তমরূপে গর্ত (মাদা) তৈরি করতে হবে।


#বেড_তৈরিঃ

বেডের উচ্চতা হবে ১৫-২০ সেমি। বেডের প্রস্থ হবে ২.৫ মিটার এবং লম্বা জমির দৈর্ঘ্য অনুসারে সুবিধামতো নিতে হবে। এভাবে পরপর বেড তৈরি করতে হবে।


#বেডের_দুরত্বঃ

পাশাপাশি দুইটি বেডের মাঝখানে ৬০ সেমি ব্যাসের সেচ নালা থাকবে এবং প্রতি দুবেড অন্তর ৩০ সেমি প্রশস্ত শুধু নিকাশ নালা থাকবে।


#মাদা_তৈরিঃ

মাদার আকার হবে ব্যাস ৫০-৫৫ সেমি, গভীর ৫০-৫৫ সেমি এবং তলদেশ ৪৫-৫০ সেমি।


#মাদার_দুরত্বঃ

বেডের যে দিকে ৬০ সেমি প্রশস্ত সেচ ও নিকাশ নালা থাকবে সেদিকে বেডের কিনারা হইতে ৬০ সেমি বাদ দিয়ে মাদার কেন্দ্র ধরে ২ মিটার অন্তর অন্তর এক সারিতে মাদা তৈরি করতে হবে।

একটি বেডের যে কিনারা থেকে ৬০ সেমি বাদ দেয়া হবে, উহার পার্শ্ববর্তী বেডের ঠিক একই কিনারা থেকে ৬০ সেমি বাদ দিয়ে মাদার কেন্দ্র ধরে অনুরুপ নিয়মে মাদা করতে হবে।


#বীজহারঃ

প্রতি শতকে ৬-৮ গ্রাম বীজের প্রয়োজন। 


#বীজ_শোধনঃ

বীজ বাহিত রোগ প্রতিরোধ এবং সবল-সতেজ চারা উৎপাদনের জন্য বীজ শোধন জরুরি। কেজি প্রতি দুই গ্রাম ভিটাভেক্স/ক্যাপটান ব্যবহার করে বীজ শোধন করা যায়।

সহজ অংকুরোদগমের জন্য পরিষ্কার পানিতে ১৫-২০ ঘন্টা অথবা শতকরা এক ভাগ পটাশিয়াম নাইট্রেট দ্রবণে বীজ এক রাত্রি ভিজিয়ে অতঃপর পলিব্যাগে বপন করতে হবে।


#চারা_উৎপাদনঃ

লাউ চাষের জন্য চারা নার্সারিতে পলিব্যাগে উৎপাদন করে নিলে ভাল হয়।

বীজ বপনের জন্য ৮ × ১০ সেমি বা তার থেকে কিছুটা বড় আকারের পলিব্যাগ ব্যবহার করা যায়।

প্রথমে অর্ধেক মাটি ও অর্ধেক গোবর মিশিয়ে মাটি তৈরি করে পলিব্যাগে ভরতে হবে।


#বীজের_সংখ্যাঃ

প্রতি ব্যাগে একটি করে বীজ বুনতে হবে। পলিব্যাগ বা কলাপাতার ঠোঙায় বা পলিব্যাগে চারা তৈরি করে প্রতি মাদায় একটি করে সবল চারা রোপণ করা ভালো। এতে বীজের খরচ কম পড়ে এবং চারার মৃত্যুহার কমে যায়। পলিব্যাগে চারা তৈরি করতে প্রতি হেক্টরে প্রায় ৮০০ থেকে ১০০০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন হয়।


#বীজ_বপনের_গভীরতাঃ

বীজের আকারের দ্বিগুণ মাটির গভীরে বীজ পুঁতে দিতে হবে।


#বীজতলায়_চারার_পরিচর্যাঃ

নার্সারিতে চারার প্রয়োজনীয় পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। বেশি শীতে বীজ গজানোর সমস্যা হয়। এজন্য শীতকালে চারা উৎপাদনের ক্ষেত্রে বীজ গজানোর পূর্ব পর্যন্ত প্রতি রাতে প্লাস্টিক দিয়ে পলিব্যাগ ঢেকে রাখতে হবে এবং দিনে খোলা রাখতে হবে।

চারায় প্রয়োজন অনুসারে পানি দিতে হবে তবে সাবধান থাকতে হবে যাতে চারার গায়ে পানি না পড়ে।

পলিব্যাগের মাটি চটা বাঁধলে তা ভেঙ্গে দিতে হবে।

লাউয়ের চারাগাছে ‘রেড পামকিন বিটল’ নামে এক ধরণের লালচে পোকার ব্যাপক আক্রমণ হয়। এটি দমনের ব্যবস্থা নিতে হবে।


#চারার_বয়সঃ

বীজ গজানোর পর ১৬-১৭ দিন বয়সের চারা মাঠে লাগানোর জন্য উত্তম।


#চারা_রোপণঃ

মাঠে প্রস্তুত মাদাগুলোর মাটি ভালোভাবে ওলট-পালট করে, এক কোপ দিয়ে চারা লাগানোর জন্য জায়গা করে নিতে হবে। অতঃপর পলিব্যাগের ভাঁজ বরাবর ব্লেড দিয়ে কেটে পলিব্যাগ সরিয়ে মাটির দলাসহ চারাটি উক্ত জায়গায় লাগিয়ে চারপাশে মাটি দিয়ে ভরাট করে দিতে হবে।

চারা লাগানোর পর গর্তে পানি দিতে হবে।


পলিব্যাগ সরানোর সময় এবং চারা রোপণের সময় সাবধান থাকতে হবে যাতে চারার শিকড় ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এবং মাটির দলা না ভাঙ্গে । নতুবা শিকড়ের ক্ষতস্থান দিয়ে ঢলে পড়া রোগের (ফিউজারিয়াম উইল্ট) জীবাণু ঢুকবে এবং শিকড় ক্ষতিগ্রস্থ হলে গাছের বৃদ্ধি দেরিতে শুরু হবে।


#সারের_পরিমাণঃ বিঘা প্রতি ৩৩ শতকে

গোবর ১৫০০ কেজি

ইউরিয়া ২০-২৫ কেজি

টিএসপি ২৫ কেজি

পটাশ ২০ কেজি

জিপসাম ১৫ কেজি

জিংক ১.৫ কেজি

বোরন ১.৫ কেজি


#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ

অর্ধেক গোবর সার, টিএসপি ও এমপি এবং সবটুকু জিপসাম, দস্তা, বোরাক্স ও ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড জমি তৈরির সময় প্রয়োগ করতে হবে। অবশিষ্ট গোবর এবং টিএসপি চারা লাগানোর ৭ দিন পূর্বে গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। উপরি প্রয়োগে ইউরিয়া এবং অবশিষ্ট এমপি সার সমান ৪ কিস্তিতে চারা রোপণের ১৫, ৩৫, ৫৫ এবং ৭৫ দিন পর গাছের গোড়ায় ১০-১৫ সেমি দূরে মাদার মাটির সংগে ভালো ভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।


#সেচ_দেওয়াঃ 

লাউ ফসল পানির প্রতি খুবই সংবেদনশীল। কাজেই সেচ নালা দিয়ে প্রয়োজন অনুসারে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। লাউয়ের জমিতে কখনও সমস্ত জমি ভিজিয়ে প্লাবন সেচ দেয়া যাবে না। শুধুমাত্র সেচ নালায় পানি দিয়ে আটকে রাখলে গাছ পানি টেনে নিবে। প্রয়োজনে সেচ নালা হতে ছোট কোন পাত্র দিয়ে কিছু পানি গাছের গোড়ায় সেচে দেওয়া যায়। শুষ্ক মৌসুমে লাউ ফসলে ৫-৭ দিন অন্তর সেচ দিতে হয়।


#লাউ_সংগ্রহঃ

বীজ বপনের ৭০-৮০ দিন বয়স হলে লাউ সংগ্রহ করা যায়। 


#ফলনঃ

হেক্টর প্রতি ৬০ টন পর্যন্ত লাউ পাওয়া যায় জাত ভেদে।


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

ব্লকঃ ভোটমারী, কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।

মাটি ছাড়া ঘাস চাষের ৩ ধরণের হাইড্রোপনিক ট্রে রয়েছে।

 মাটি ছাড়া ঘাস চাষের ৩ ধরণের হাইড্রোপনিক ট্রে রয়েছে। ১ কেজি গম বা ভুট্রা দিয়ে অনায়াসে ৮-১০ দিনের মধ্যে ১২ কেজি পরিমাণ ঘাস চাষ করতে পারেন ১.৫/২ সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রে থেকে। ১.৫ কেজি গম বা ভুট্রা দিয়ে অনায়াসে ৮-১০ দিনের মধ্যে ১৮ কেজি ঘাস হাইড্রোপনিক ঘাস চাষ করতে পারেন ২/২ ফুট সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রে থেকে। ২ কেজি পরিমাণ গম বা ভুট্রা দিয়ে অনায়াসে ৮-১০ দিনের মধ্যে ২২-২৪ কেজি হাইড্রোপনিক ঘাস চাষ করতে পারেন ১.৫/৩ ফুট সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রে থেকে। ১.৫/২ ফুট সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রের দাম ১২০ টাকা। ২/২ ফুট সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রের দাম ১৮০ টাকা এবং ১.৫/৩ ফুট সাইজের হাইড্রোপনিক ট্রের দাম ২০০ টাকা।

অর্ডার কনফার্ম করতে আজই যোগাযোগ করুন।

শেখ জালাল 

টাংগাইল 

01721551932 what's app  


#hydroponicstray

#hydroponicsystems 

#hydroponicstore 

#হাইড্রোপনিক

রাজনৈতিক ও সমাজ সংস্কারের কাজে তিনি গানকে অতীব গুরুত্ব দিয়া থাকেন।

 রাজনৈতিক ও সমাজ সংস্কারের কাজে তিনি গানকে অতীব গুরুত্ব দিয়া থাকেন। তাঁহার সম্মেলন কিংবা সভায় গান বরাবরই থাকিত। প্রায়ই তিনি প্রখ্যাত গায়ক মুকুন্দ দাসের কথা বলিয়া থাকেন। মাইক ছাড়া তিনি গান গাহিতেন। লক্ষাধিক লোক রাতভর একঠাঁই বসিয়া মুকুন্দের গান শুনিয়াছে। হুজুর কবিগানের খুব সমঝদার। কবিয়াল রমেশ শীলের কথা বলিয়া তিনি গর্ববোধ করিয়া থাকেন। ভাষা আন্দোলনে নূরুল আমীনের গুলি ছোঁড়া কিংবা তাহার আমলে লবণের ক্রাইসিস পত্র-পত্রিকায় জোর প্রচার হইলেও এই দেশের শতকরা ৯০জন নিরক্ষর মানুষ ঘটনা প্রবাহের আলোকে রচিত গানে গানে প্রভাবিত হইয়াছে। এই প্রসঙ্গে একটি গানের কথা হুজুর খুব বলেন। একদিন তিনি বগুড়া জেলার কোন এলাকায় কৃত্রিম পালকি দিয়া যাইতেছিলেন। ক্ষেতের কামলারা গান গাহিতেছিল- হায় রে! ইংরেজ আমলে পায়ে গুলি মারিত। নূরুল আমিনের আমলে বুকে গুলে মারিল। হুজুর খোলা পালকি থামাইয়া পুরা গানটি শুনিয়াছিলেন। 

[আমার ভালোবাসা মওলানা ভাসানী, সৈয়দ ইরফানুল বারী]

বস্তায় সবজি চাষ কৌশল

 বস্তায় সবজি চাষ কৌশল- 


বিভিন্ন রকম সবজি কেউ চাইলে বাড়িতে জমে থাকা পলিথিন ব্যাগ, বস্তায় চাষ করতে পারে। 

এর মাধ্যমে টবের খরচটি যেমন বেঁচে যায় তেমনি প্লাস্টিক ব্যর্জ পুনঃব্যবহার হয়। 


এই পদ্ধতিতে সবজি চাষের জন্য জানা দরকার-

•মাটি তৈরি পদ্ধতি

•ব্যাগের ড্রেনেজ ব্যবস্থা 

•ব্যাগের ধরণ

•সবজির ধরণ

•ব্যাগের সাইজ অনুযায়ী সবজি নিবার্চন


🍀যেকোন সাইজের ও ধরণের পলিথিন ব্যাগ, প্লাস্টিক বস্তা ব্যবহার করা যাবে । পলিথিন ব্যাগ অতিরিক্ত পাতলা হলে একটার জায়গায় ২-৩ ব্যাগ দিয়ে ডাবল,ট্রিপল লেয়ার করে নিতে হবে। 


🍀ড্রেনেজ ব্যবস্থা - 

পলিথিন ব্যাগের ক্ষেত্রে-  নিচের দিকে ২-৩ টা ছিদ্র করে নিতে হবে। তারপর প্রথমে কোকোকয়ার অর্থাৎ নারিকেলের ছেঁড়া/পাতলা করা ছোবড়া দিয়ে একটি লেয়ার তৈরি করে নিতে হবে। 

প্লাস্টিক বস্তার ক্ষেত্রে - চাউল, সিমেন্ট,সার এসব বস্তা গুলোতে প্রচুর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে তাই এসব ব্যাগ ছিদ্র করার দরকার নেই। ছিদ্র করা ছাড়াই সহজে পানি বের হয়ে যায়‌।


🍀 মাটি তৈরি ও বস্তা পূর্ণ করার পদ্ধতি - 

দোঃআঁশ মাটি ৪০-৫০% , গোবর পঁচা/জৈব সার ২০-৩০% , কোকোপিট/নদীর লাল বালু ২০-৩০% দিয়ে মাটি তৈরি করে নিতে হবে। 

বড় বস্তা পূরণে যেহেতু মাটি অনেক পরিমাণ লাগে,  তাই বস্তার ৩ ভাগের এক ভাগ বাগানের লতাপাতা,খড়কুটো দিয়ে পুর্ণ করে তার উপর তৈরি করা মাটি দিয়ে বস্তা ভরাট করে দিতে হবে।  


🍀ব্যাগের সাইজ অনুযায়ী সবজি নিবার্চন - 

১-৫ কেজি মাটি ধরবে এমন পলি ব্যাগে - পাতা/শাক জাতীয় সকল সবজি লাগানো যাবে। যেমন- লাল শাক,কলমি শাক, পাট শাক, মূলা শাক, সরিষা, বাটি শাক, ধনিয়া পাতা, বিলাতি ধনিয়া, সুইজ চার্ড,কেল, সেলারি, লেটুস ইত্যাদি । 


৫-৬ কেজি মাটি এবং মিনিমাম ৬ ইঞ্চি গভীরতার মাটি ধরবে এমন ব্যাগ - ডাটা, ওলকপি, মূলা, গাজর, বিটরুট, শালগম, পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি মূল জাতীয় সবজি রোপণ করা যাবে। 


১০ কেজির বেশি মাটি ধরবে এমন ব্যাগে - ঢেঁড়স, স্কোয়াশ, মরিচ, টমেটো, বেগুন, ক্যাপসিকাম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রোকলি, কচুর লতি ইত্যাদি রোপণ করা যাবে। 


১৮ কেজির বেশি মাটি ধরবে এমন ব্যাগে - আদা, হলুদ, ঝিঙা, ধুন্দুল, মিষ্টি কুমড়া, শিম, লাউ, শসা, করলা,‌ তরমুজ, সাম্মাম ইত্যাদি রোপণ করা যাবে।

স্যারের মেসেজ ০৫/০৫/২০২৪

 রাসেল মাহমুদ স্যারের মেসেজ।


যারা এখনো পর্যন্ত কোনো ডিও করে নাই কোড ওপেন করে নাই এবং সেলস করে না শুধুমাত্র পেস্টিংয়ের কাজ করে তারা প্রতি সপ্তাহে দুইটা করে ওয়ার্ক অর্ডার দিবে সুপারভাইজার এটা ফলোআপ করেন,,,,,

যে এলাকায় কাজ শেষ হয়ে যাবে সেই এলাকা থেকে তাকে কোম্পানি নিয়ম অনুযায়ী অন্য কোন জোনে ট্রান্সফার করা হবে,,,,,


মনিরুল ইসলাম স্যারের মেসেজ

সকল ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে যেখানে থাকেন যেই কাজই করেন না কেন অবশ্যই ঠিকমতো নোট দিবেন। 

যারা নোট কম দিবেন নিজ দায়িত্বে কেন কম দিয়েছেন সেটি কোম্পানিকে বুঝিয়ে বলবেন। 

নোট রিলেটেড কোন কথা কারো সাথে নতুন করে বলা হবে না।


কাঁচা আমের তেল-ঝাল আচার

 কাঁচা আমের তেল-ঝাল আচার😋


শেয়ার করছি খিচুড়ি কিংবা ভাতের সাথে খেতে আমের জিভে জল আনা আচারের রেসিপি। 


উপকরণঃ


আম ১ কেজি

সরিষার তেল ১ কাপ

সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ

হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ

মরিচ গুঁড়ো দেড় টেবিল চামচ

গরমমসলা গুঁড়ো আধা চা চামচ 

রসুনবাটা দেড় টেবিল চামচ 

আদাবাটা দেড় চা চামচ

পাঁচফোড়ন দেড় টেবিল চামচ

সিরকা ১ কাপ

লবণ স্বাদমতো 

চিনি স্বাদমতো 


প্রণালীঃ

আম খোসাসহ ছোট কিউব  করে কেটে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে ৫-৬ ঘন্টা রোদে দিয়ে শুকিয়ে নিন।পাত্রে তেল দিয়ে গরম হলে আস্ত পাঁচফোড়ন দিন।সুগন্ধ বের হলে আদা ও রসুনবাটা দিয়ে কিছুসময় ভেজে নিয়ে একে একে সরিষাবাটা,হলুদ গুঁড়ো,মরিচ গুঁড়ো লবণ ও সামান্য সিরকা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে আম দিয়ে দিন।মসলার সাথে আম ভাল করে মিশিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করুন। আম কিছুটা নরম হয়ে আসলে গরম মসলা গুঁড়ো,চিনি ও বাকি সিরকা দিয়ে দিন। আম ভালভাবে সিদ্ধ হলে নামিয়ে নিন। আচার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসলে কাচের বয়ামে সংরক্ষণ করুন।


টিপসঃ


১. আচার সংরক্ষণ করার জন্য সবসময় কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। যে পাত্রে আচার রাখবেন তা অবশ্যই ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রোদে শুকিয়ে নিন।  


২. আচার তৈরিতে সিরকা বা ভিনেগার ব্যবহার করলে আচার স্বাভাবিক তাপমাত্রায়ই বছরব্যাপী ভাল থাকে।


৩. আচার তৈরিতে পানি ব্যবহার করলে আচার তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়।তাই আচারের মসলা বেটে নেয়া,কষানোর জন্য কোনভাবেই পানি ব্যবহার করা যাবে না।


৪. আচার নেয়ার জন্য আঙুল নয়, প্রতিবার শুকনো চামচ ব্যবহার করুন।।



স্বামী কেন আসামী??? 

 স্বামী কেন আসামী??? 


ভোরবেলা স্ত্রীকে জাগিয়ে স্বামী জিজ্ঞেস করলঃ 


স্বামীঃ হ্যাঁগো, তুমি কি আমার সাথে যোগ ব্যায়াম করবে?

স্ত্রীঃ ও, তুমি আমাকে খুব মোটা ভাবো তাইনা?


স্বামীঃ না..না, ব্যায়াম তো শরীরের জন্য ভালো...

স্ত্রীঃ ও তাহলে আমার শরীর বুঝি খারাপ...


স্বামীঃ না...না! আচ্ছা তুমি যখন উঠতে চাওনা তবে থাক...

স্ত্রীঃ ও, এবার তুমি বলছো আমি কুঁড়ে?


স্বামীঃ ওহো...তুমি আমায় বুঝতে পারছো না!

স্ত্রীঃ ও, আমি তো অবুঝ?


স্বামীঃ আমি তা বলিনি!

স্ত্রীঃ তাহলে কি আমি মিথ্যুক?


স্বামীঃ সাজ সকালে ঝগড়া কোরো না প্লীজ...

স্ত্রীঃ হ্যাঁ, আমি তো ঝগড়ুটে। সকাল থেকেই ঝগড়া করি...


স্বামীঃ ঠিক আছে, তাহলে আমিই যাবনা যোগ ব্যায়াম করতে...

স্ত্রীঃ দেখছো, ইচ্ছে তোমার নেই, আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছো...


স্বামীঃ ঠিক আছে বাবা ঘুমাও তুমি, আমি একাই চললাম...

স্ত্রীঃ তুমি তো সব সময় একা একাই ঘুরো আর ফুর্তি কর...


স্বামীঃ উফফ, থাক এবার। আমার শরীর খারাপ লাগছে...

স্ত্রীঃ দেখেছো, কি স্বার্থপর তুমি । খালি নিজের চিন্তা করো, 

আমার শরীর স্বাস্থ্যের কথা কখনো ভাবো? 


স্বামী বেচারা আজ তিনদিন বসে বসে ভাবছে ;কোথায় কি ভুল বললাম?

এভাবে বসে আছে দেখে স্ত্রী স্বামীকে জিজ্ঞাসা করেঃ

স্ত্রীঃ তিনদিন ধরে দেখছি ঝিম মেরে আছ।

কাকে নিয়ে চিন্তা কর? কার রঙ ধরছে মনে? 


য়ত দোষ, স্বামী ঘোষ???

এক কাল্পনিক কাহিনী

 * এক কাল্পনিক কাহিনী*


ধার্মিক হওয়ার আশায় বাড়িতে একটা বই কিনে নিয়ে এসে পড়ছি, যখনই সময় পাচ্ছি বইটির বাণীতে একবার চোখ বুলিয়ে নিচ্ছি!


এদিকে হয়েছে কি বউয়ের মেজাজ সপ্তমে, প্রচণ্ড বৃষ্টির জন্য রান্নার মাসি আর কাপড় কাঁচার মাসি ডুব মেরেছে, বৌ রান্না ঘরে নিজে মনে মনে গজগজ করছে আর পাশের ড্রইং রুমে বসে এদিকে আমি তখন বইটির সারমর্ম পড়ছিলাম!


আমি সবে প্রথম লাইন বলেছি

*যা হয়েছে তা ভালই হয়েছে...*


বৌ -- ঝাঁজিয়ে উত্তর দিল, হ্যাঁ সে তো বলবে, মুখের সামনে সব কিছু সময়মত যোগান দিই কিনা, আমার খাটনি বেড়েছে ভালো তো হবেই.!


*দ্বিতীয় লাইন*

আমি - *যা হচ্ছে তা ভালই হচ্ছে...*


বৌ -- তা আর বলবে না, আমার হাড় মাস কালি হয়ে গেল তোমার তো ভালোই লাগবে, বেহায়া লোক -- কোথাকার.!


*তৃতীয় লাইন*

আমি - *যা হবে তাও ভালই হবে...*


বৌ -- কি..!? কি বললে শুনি, কালকে এরা দুজন কাজে না এলে ভালো হবে...??? পারবো না আর কাজ করতে, হোটেল থেকে খেয়ে আসবে যখন, দু দিনে ঠেলা বুঝা যাবে, বুঝবে কত ধানে কত চাল.!


আমি - *তোমার কি হারিয়েছে, যে তুমি কাঁদছ..?


বৌ -- আমার শান্তি হারিয়েছে, তোমার সাথে বিয়ে হবার পর আমার সব কিছু হারিয়েছে, সুখ স্বাচ্ছন্দ্য, সব.!


আমি - *তুমি কি নিয়ে এসেছিলে, যা তুমি হারিয়েছ.?


বৌ -- তোমার ঘরে এতো ফার্নিচার, আমার গয়না, তোমার গলায় যে দশ ভরি সোনার চেন ঝুলছে কে দিয়েছে, অ্যাঁ...??? এসব কে এনেছে...??? আবার জিজ্ঞাসা করছ কি নিয়ে এসেছিলে..!? শুধু কি তাই.! আমি এক বুক আশা নিয়ে এসেছিলাম, এখন তোমার স্বরূপ বুঝতে পারছি সব হারিয়েছি.!


আমি - *তুমি কি সৃষ্টি করেছ, যা নষ্ট হয়ে গেছে.?


বৌ -- হুঁ একথা বলতে পারলে..!? বিয়ের আগে তো ছন্নছাড়া ছিলে, এই গোছানো সংসার তো আমারই সৃষ্টি..!


আমি - *তুমি যা নিয়েছ, এখান থেকেই নিয়েছ...*


বউ -- একদম বাজে কথা বলবে না, যা মাইনে পাও, ঠিক ঠাক হাত খরচের টাকাটাও হয়না, কি সেভিংস আছে তোমার যে ওখান থেকে নেবো...???


আমি - *যা দিয়েছ এখানেই দিয়েছ...*


বৌ -- এই একটা কথা সঠিক বললে, যাক স্বীকার করলে, তোমার সংসারে সব কিছু দিয়েছি.!


আমি - *তোমার আজ যা আছে, কাল তা অন্যকারো ছিল...*


বৌ -- ব্যাস ব্যাস, আর ঠেস দিয়ে কথা বলতে হবে না, জানি গয়নাগুলো তোমার মা এর ছিল, আমি তো চাইনি, উনি নিজে থেকে দিয়েছেন, আর ওই তো কয়েকটা পাতলা চুড়ি আর কানের দুল, এতো কথা শোনাবার কি আছে..!


আমি - *পরশু সেটা অন্যকারো হয়ে যাবে...*


বউ -- তা আর জানিনা, আমি চোখ বুজলেই হল, আর একটা বিয়ে করবে, আমার সব জিনিস তাকে দেবে, পুরুষ মানুষ তো...!!! কত আর ভালো হবে...!!! আমার ছেলে মেয়ের যে কি হবে,

( তারপর আকাশে মুখ তুলে ) মাগো মা, দেখো তুমি কতো বড় পাষন্ডর হাতে আমাকে তুলে দিয়েছো..!


আমি - *পরিবর্তনই সংসার এর নিয়ম...*


বৌ -- সে তো হাড়ে হাড়ে মজ্জায় মজ্জায় উপলব্ধি করছি, বিয়ের আগে কত মন ভোলানো কথা আর এখন দেখি পুরো উল্টো, পরিবর্তনই বটে...!!.! 😂🤔🙂😇😳😁


দীঘিনালা উপজেলা পরিচিতি

 দীঘিনালা উপজেলা পরিচিতি। (((শেয়ার প্লীজ)))

খাগড়াছড়ি জেলার একটি উপজেলা


দীঘিনালা বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। আয়তনে এটি খাগড়াছড়ি জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলা।


দীঘিনালা উপজেলার মোট আয়তন ৬৯৪.১২ বর্গ কিলোমিটার।এটি আয়তনের দিক থেকে খাগড়াছড়ি জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলা।খাগড়াছড়ি জেলার সর্ব-উত্তরে ও সর্ব-পূর্বে ২৩°০৪´ থেকে ২৩°৪৪´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৫৬´ থেকে ৯২°১১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে দীঘিনালা উপজেলার অবস্থান।খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে এ উপজেলার দূরত্ব প্রায় ২১ কিলোমিটার।এ উপজেলার উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলা; পূর্বে রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলা, পশ্চিমে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা, পানছড়ি উপজেলা ও ভারতের ত্রিপুরা।

প্রশাসনিক এলাকা:

১৯১৬ সালে দীঘিনালা থানা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের ফলে উপজেলায় রূপান্তরিত হয়।এ উপজেলায় বর্তমানে ৫টি ইউনিয়ন রয়েছে। সম্পূর্ণ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম দীঘিনালা থানার আওতাধীন।


দর্শনীয় স্থান::

সম্পাদনা

তকবাক হাকর

তুষার ফ্রুটস ভ্যালি

তৈদুছড়া ঝর্ণা

তৈছামা ঝর্ণা

দীঘিনালা ঝুলন্ত ব্রীজ

দিঘীনালা বনবিহার


নামকরনের ইতিহাস :

দীঘিনালার বড় আদামে প্রায় দুই একরের মতো জায়গাজুড়ে অবস্থিত গোবিন্দ মাণিক্যের দীঘি। গাছপালা শোভিত স্বচ্ছ পানির এই দীঘির সঙ্গে জড়িয়ে অহিংস নীতিতে বিশ্বাসী ত্রিপুরার মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্যের স্মৃতি। নিজ রাজ্য ছেড়ে দীঘিনালায় স্বেচ্ছা নির্বাসন বেছে নিয়েছিলেন তিনি। তখন এ অঞ্চলের নাম ছিল রিয়াংদেশ। এলাকার বাসিন্দারা গোবিন্দ মাণিক্যের স্মৃতি অক্ষয় করে রাখতে খনন করেন এই দীঘি। দীঘির কারণে এই অঞ্চলের নাম বদলে রাখা হয় দীঘিনালা।[৪][৫]দীঘির তীরে নেই কোন নামফলক। পুররঞ্জন প্রসাদ চক্রবর্তীর ত্রিপুরা রাজমালা, প্রভাংশু ত্রিপুরার ত্রিপুরা জাতির মাণিক্য উপাখ্যান এবং হিস্ট্রি অব হিন্দুস্তান গ্রন্থের তথ্যসূত্র অনুযায়ী, মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্য ছিলেন ত্রিপুরার ১৮৪তম রাজা। তিনি রাজর্ষি খেতাব পেয়েছিলেন। ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দেখ্রিষ্টাব্দে ত্রিপুরার সিংহাসনে আরোহণ করেন তিনি। এ সময় রাজ্যের ভুবনেশ্বরী মন্দিরে পূজার নামে ব্যাপক বলিদান প্রচলন ছিল। মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্য রাজ্যভার গ্রহণের পর এক আদেশে বলিদান প্রথা বন্ধ করে দেন। তখন তার বৈমাত্রেয় ছোট ভাই নক্ষত্র নারায়ণ ও রাজ পুরোহিত রঘুপতি চোন্তাই বলিদান বন্ধের রাজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রজাদের মধ্যে প্রচার চালাতে থাকেন। রাজ আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করার অপরাধে রাজ পুরোহিত রঘুপতি চোন্তাইকে ত্রিপুরা রাজ্য থেকে নির্বাসন ও বৈমাত্রেয় ছোট ভাই নক্ষত্র নারায়ণকে বঙ্গদেশের রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত করেন গোবিন্দ মাণিক্য। নক্ষত্র নারায়ণ বঙ্গদেশে গিয়ে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বড় ভাই গোবিন্দ মাণিক্যকে হটিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের সিংহাসন দখলের ষড়যন্ত্র করেন। মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্য এই ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পেরে বৈমাত্রেয় ভাই নক্ষত্র নারায়ণকে রাজ্যভার দিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের রিয়াংদেশে (বর্তমানে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার মাইনী নদীর তীরে) স্বেচ্ছা নির্বাসনে আসেন। মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্য রিয়াংদেশে নির্বাসন জীবন কাটাচ্ছেন জেনে রিয়াংবাসীরা মহারাজার সামনে উপস্থিত হয়ে তার বৈমাত্রেয় ভাই নক্ষত্র নারায়ণের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণের অভিপ্রায় জানান। তখন মহারাজা তাদের জানিয়েছিলেন, তিনি স্বেচ্ছায় নক্ষত্র নারায়ণের হাতে ত্রিপুরা রাজ্যের শাসনভার তুলে দিয়ে নির্বাসনে এসেছেন। তিনি তার আনুগত্যের নিদর্শন প্রকাশের জন্য রিয়াংবাসীকে দীঘি খনন করতে বলেন। তখন মহারাজার নির্দেশ মেনে রিয়াংবাসীরা ১২টি দীঘি খনন করেন। তার মধ্যে দীঘিনালার এ দীঘিটি অন্যতম।


জনসংখ্যার উপাত্ত

২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দীঘিনালা উপজেলার জনসংখ্যা ১,০৭,৩৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৫,০৯২ জন এবং মহিলা ৫২,২৭১ জন।] মোট জনসংখ্যার ৩১.৭৩% মুসলিম, ৯.১৭% হিন্দু, ৫৭.৯৮% বৌদ্ধ এবং ১.১২% খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী রয়েছে। এ উপজেলায় চাকমা, ত্রিপুরা, মারমা প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।

শিক্ষা:

দীঘিনালা উপজেলার সাক্ষরতার হার ৪৭.৫০%।] এ উপজেলায় ১টি কলেজ, ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২টি দাখিল মাদ্রাসা, ৭টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৫৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।


তথ্যসুত্র: উইকিপিডিয়া

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

 

 

 

 

 

ঢাকাই মসলিন বুনতে দরকার ফুটি কার্পাস গাছ, কোথায় পাওয়া যাবে এ গাছ? কার কাছে আছে এর নমুনা?

 ঢাকাই মসলিন বুনতে দরকার ফুটি কার্পাস গাছ, কোথায় পাওয়া যাবে এ গাছ? কার কাছে আছে এর নমুনা?


বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় চেষ্টা হয়েছে ঢাকাই মসলিনকে পুনরায় জীবিত করে তোলার, তবে নমুনা না পাওয়া, ফুটি কার্পাসের সন্ধান না পাওয়া বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে 'বেঙ্গল মসলিন' প্রজেক্ট দলটি ঢাকাই মসলিন নিয়ে কাজ করতে থাকে। ক্যারোলাস লিনিয়াসের লেখা ‘স্পিসিস প্লান্টারাম’ আর মসলিন নিয়ে আবদুল করিমের প্রামাণ্য বই ‘ঢাকাই মসলিন’ এর উপর ভিত্তি করে ফুটি কার্পাস খোঁজ শুরু করে দলটি।


প্রথমেই শুরু হয় ফুটি কার্পাসের খোঁজ। পুরোনো দলিলপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, বাংলার প্রাচীন ফুটি কার্পাসের বৈজ্ঞানিক নাম Gossypium arboreum var. neglecta, যা বিশ্বের ৯০ শতাংশ তুলার যোগান দিয়ে থাকা Gossypium hirsutum থেকে আলাদা। ফলে বাণিজ্যিকভাবে ফুটি কার্পাসকে আবার জাগিয়ে তোলার কাজ বেশ চ্যালেঞ্জিং।


বাংলাদেশ তো বটেই দুর্লভ ফুটি কার্পাস বীজের সংগ্রহ নেই কারো কাছেই, তবে ‘ব্রিটেনের রয়্যাল বোটানিক্যাল গার্ডেনস, কিউ’ এর কাছে ফুটি কার্পাসের সংরক্ষিত শুকনো পাতার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে সংগ্রহ করা হয় ফুটি কার্পাস গাছের ডিএনএ বা জীবনসূত্র।


প্রথমেই ফুটি কার্পাসের বৈজ্ঞানিক উপায়ে আঁকা যত ছবি আছে সেখান থেকে একটি আঁকিয়ে নেওয়া হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে। এরপর শুরু হয় ছবির সাথে মিল আছে এমন গাছ খোঁজা, ২০১৭ সালে এ বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ফেসবুক পোস্টও দেন এই গাছের ব্যাপারে। শেষ পর্যন্ত গাজীপুর, রাঙামাটি থেকে শুরু করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে একই রকম দেখতে প্রায় ৩৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়।


ডিএনএর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেলে, বাংলাদেশে মেঘনার অববাহিকায় খোঁজ চালানো শুরু হয়। মেঘনা গত দুইশো বছরে গতিপথ বদলেছে অনেক, তাই স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ করে গতিপথের পাশে ১২কিমি এলাকায় খোঁজ চালানো হয়। ফুটি কার্পাসের পাতা ও গাছের ছবি নিয়ে সাম্ভাব্য সব গাছের সাথে মিল খোঁজা হয়। মিল খুঁজে পাওয়া মাত্রই তাদের জেনেটিক সিকোয়েন্সিং করে মূল ফুটি কার্পাসের সাথে মেলানো হয়, শেষপর্যন্ত একটি বন্য কার্পাস গাছের সাথে ৭০ শতাংশ মিল পাওয়া যায়। বীজ সংগ্রহ করে মেঘনার পলিসমৃদ্ধ এলাকায় এই কার্পাসের বীজ বুনে পরীক্ষা শুরু হয় ২০১৫ সালে।


গাজীপুরের কাপাসিয়া এলাকার যে কার্পাসকে ডিএনএ সিকোয়েন্সের তথ্যের ভিত্তিতে ফুটি কার্পাস বলে শনাক্ত করা হয়। সেই ফুটি কার্পাস গাছের জাতটিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে চাষ করা হয়। প্রথম ফসল থেকে যথেষ্ট ফুটি কার্পাসের তুলা সংগ্রহ করা যায়নি, যেখান থেকে সম্পূর্ণ একটি মসলিন বোনা যাবে। তাই ভারতীয় কার্পাস চাষিদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে একটি ‘হাইব্রীড’ মসলিনের সুতা তৈরি করা হয়। 


ছবি: ফুটি কার্পাসের পাতা এবং ফুল, ইমেজ সোর্স: দৃক।


তথ্যসূত্র: 

ক। ঢাকাই মসলিন; ড. আবদুল করিম

খ। বাংলাপিডিয়া 

গ। রোর বাংলা, শাহ মো. মিনহাজুল আবেদীন।



গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...