এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫

অমানুষ ছবি সাফল্যের পরে শক্তি সামন্ত  উত্তমকুমারকে নিয়ে আনন্দ আশ্রম ছবিটি করেছিলেন।  

 ♦️অমানুষ ছবি সাফল্যের পরে শক্তি সামন্ত 

উত্তমকুমারকে নিয়ে আনন্দ আশ্রম ছবিটি করেছিলেন।  


আনন্দ আশ্রম শুরু হওয়ার ৫-৬ দিন আগে আনন্দ আশ্রমের হিন্দি স্ক্রিপ্টটা দাদা মনি অর্থাৎ অশোক কুমারের চেম্বারে পৌঁছাতে গিয়েছিলেন পরিচালক প্রভাত রায়।

ট্রিপটা হাতে নিয়েই অশোক কুমার বলেছিলেন,

 'এ কি তুমি হিন্দিটা নিয়ে এসেছ কেন? বাংলাটা নিয়ে এসো। @রূপকথা

কদিন পরে বাংলার রয়েল বেঙ্গল টাইগার উত্তমের সামনে দাঁড়িয়ে অ্যাক্টিং করতে হবে। বাংলা ডায়লগ ঠিকঠাক বলতে না পারলে ও তো আমাকে চিবিয়ে খেয়ে নেবে।' 


পরদিন প্রভাত রায় সকালেই অশোক কুমারকে বাংলা স্ক্রিপটা পৌঁছে দিলেন। 

বিকেলে উত্তম কুমার কলকাতা থেকে মুম্বাইয়ে পৌঁছেই শক্তি ফিল্মস এর অফিসে হাজির।


বললেন,  'প্রভাত আনন্দ আশ্রমের স্ক্রিপ টা দে।

প্রভাত রায় বাংলাটা হাতে দিতেই বলে উঠলেন, 'আরে বাংলাটা দিলি কেন ওটা আমি ম্যানেজ করে দেব। 

তুই আমাকে হিন্দি টা দে। দাদা মনির সামনে হিন্দি সংলাপ বলে অভিনয় করতে গেলে তো ল্যাজেজে গোবরে হয়ে যাব। চিবিয়ে ছিবড়ে করে দেবে।'

@রূপকথা

হিন্দি স্ক্রিপটা উত্তমকুমারের হাতে দিয়ে প্রভাত রায় বললেন,  'কাল দাদা মনিও এই একই কথা বলেছিলেন।'

পাশ থেকে শক্তি সামন্ত বললেন,  'উত্তমদা লড়ে যান দাদামনির সঙ্গে।'

উত্তমকুমার কপালে হাত ঠেকিয়ে বললেন, ' মাথা খারাপ, ওনার সঙ্গে লড়বো। কত বড় অ্যাক্টর উনি। বাপরে।' 

একজন অভিনেতার আরেকজন অভিনেতার প্রতি অসীম শ্রদ্ধা দেখে সেদিন প্রভাত রায় অবাক হয়েছিলেন।


@রূপকথা


আনন্দলোক পত্রিকা।

পারভীন সুলতানা দিতি যিনি দিতি নামে বেশি পরিচিত (৩১ মার্চ, ১৯৬৫- ২০ মার্চ ২০১৬) একজন বাংলাদেশী

 পারভীন সুলতানা দিতি যিনি দিতি নামে বেশি পরিচিত

(৩১ মার্চ, ১৯৬৫- ২০ মার্চ ২০১৬) একজন বাংলাদেশী

অভিনেত্রী।বাংলাদেশের তুমুল জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী

জন্ম নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে।তাঁর অভিনীত

১ম চলচ্চিত্র হল উদয়ন চৌধুরী পরিচালিত "ডাক দিয়ে

যাই"।৩১ বছরের অভিনয় জীবনে দুই শতাধিক ছবিতে

কাজ করেছিলেন দিতি। ১৯৮৭ সালে স্বামী স্ত্রী (১৯৮৭)

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ "পার্শ্ব অভিনেত্রী"

বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি

সিনেমার পাশাপাশি টিভি নাটকেও অভিনয় করেছেন।

বেশ কিছু নাটকও পরিচালনা করেছেন তিনি।এছাড়াও

তিনি রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন।তাকে

অভিনয়ের বাইরে মাঝেমধ্যে গান গাইতেও দেখা গেছে।

প্রকাশিত হয়েছে তাঁর একক গানের অ্যালবামও। শুধু

তাই নয়, বিভিন্ন বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেলও হয়েছেন তিনি।

১৯৮৪ সালে "নতুন মুখের সন্ধান" - এর মাধ্যমে দেশীয়

চলচ্চিত্রে দিতির সম্পৃক্ততা ঘটে। তাঁর অভিনীত প্রথম

চলচ্চিত্র উদয়ন চৌধুরী পরিচালিত "ডাক দিয়ে যাই"।

কিন্তু চলচ্চিত্রটি আর শেষ পর্যন্ত মুক্তি পায়নি। দিতি

অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত ১ম চলচ্চিত্র ছিল "আমিই ওস্তাদ"।

চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছিলেন আজমল হুদা মিঠু।


সুভাষ দত্ত পরিচালিত স্বামী স্ত্রী (১৯৮৭) চলচ্চিত্রটিতে

দিতি আলমগীরের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

এই সিনেমাতেই অভিনয় করে দিতি প্রথম বারের মতো

শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

অর্জন করেন। পরবর্তীতে তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য

সিনেমা গুলোর মধ্যে রয়েছে - হীরামতি,দুই জীবন,ভাই

বন্ধু,স্নেহের প্রতিদান,শেষ উপহার,কাল সকালে,মেঘের

কোলে রোদ।


মৃত্যু : ২০ মার্চ ২০১৬ (বয়স ৫০), ঢাকা।


♦️তথ্য ও ছবি উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত।

সূর্য উডের অভাই লাল মারি/  রইস্যা বন্ধু যারগই আমার বুকে সেল মারি’  অথবা 'নাতিন বরই খা বরই খা হাতে লইয়া নুন

 ‘সূর্য উডের অভাই লাল মারি/ 

রইস্যা বন্ধু যারগই আমার বুকে সেল মারি’ 

অথবা 'নাতিন বরই খা বরই খা হাতে লইয়া নুন।’


গানগুলো অবশ্যই আপনারা শেফালী ঘোষের কন্ঠে অনেকে শুনেছেন। তাঁর কণ্ঠে প্রতিধ্বনি হয়েছে  মানুষের আনন্দ-বেদনার সুর,   নদীর সৌন্দর্য্য, পাহাড়ের নীরবতা আর পশুপাখি কলতান । আঞ্চলিক গানের কিংবদন্তি শিল্পী ছিলেন শেফালী ঘোষ।  তিনি বাংলাদেশের চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরেছেন যা উপমহাদেশের সংগীতকে সমৃদ্ধ করেছে। সংগীত জীবনে তিনি প্রায় সহস্রাধিক গান গেয়েছেন। তার গাওয়া গান নিয়ে দুই শতাধিকের বেশি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বেশ কয়েকটি বাংলা চলচ্চিত্রের গানেও প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে কণ্ঠ দিয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের প্রায় ২০টিরও বেশি দেশে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সাংস্কৃতিক ভূমিকা রেখেছেন। সঙ্গীতের পাশাপাশি যাত্রা এবং মঞ্চনাটকেও তার নিয়মিত অংশগ্রহণ ছিল। তার গাওয়া বিখ্যাত গানের মধ্যে রয়েছে এম এন আখতার রচিত এবং সুরারোপিত "যদি সুন্দর একখান মুখ পাইতাম", আহমেদুল হক সিদ্দিকী রচিত ও সুরে "ও রে সাম্পানওয়ালা", মলয় ঘোষ দস্তিদার রচিত ও সুরে "ছোট ছোট ঢেউ তুলি" প্রভৃতি। শেফালী ঘোষ ১৯৪১ সালে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কানুনগোপাড়ায় জজন্মগ্রহণ করেন। শিল্পী জীবনের সূচনালগ্নে প্রথমে রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুল সঙ্গীত এবং আধুনিক গান শিখতে শুরু করলেও এক পর্যায়ে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেন তিনি। শেফালী ঘোষের জন্য গান লিখেছিলেন সুপরিচিত কবিয়াল রমেশ শীল, আবদুল গফুর হালী, এম এন আখতার, কবিয়াল এয়াকুব আলী, সৈয়দ মহিউদ্দিন, অচিন্ত্য কুমার চক্রবর্তী, চিরঞ্জিত দাশ, মোহাম্মদ নাসির এবং মোহন লাল দাশ। তিনি ১৯৯০ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক পদক, ২০০২ সালে বাংলা একাডেমি আজীবন সম্মাননা পদক , ২০০৩ সালে শিল্পকলা একাডেমী পদক এবং ২০০৬ সালে একুশে পদক লাভ করেন। ২০০৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেফালী ঘোষ মারা যান। আজ বরেণ্য কন্ঠশিল্পী শেফালী ঘোষের  প্রয়াণ দিবসে গভীর শ্রদ্ধা চিত্তে স্মরণ করছি। মানুষের আবেগ আর ভালোবাসায় শেফালী ঘোষ আমাদের অন্তরে জাগ্রত থাকুক।


✍️রূপম চক্রবর্ত্তী- প্রাবন্ধিক, চট্টগ্রাম

      ছবিতে শিল্পী শেফালি ঘোষ

শচীন দেববর্মণ আমাদের জন্য রেখে গেছেন এক অমূল্য সম্পদ—তাঁর সুর ও গানের ভাণ্ডার, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

 রাজ পরিবারের সন্তান হলেও তিনি ছিলেন আদ্যোপান্ত একজন মাটির মানুষ। বলতেন, "দূর! যে দেশে গঙ্গা নাই, হেইডা আবার দেশ নাকি!" এই এক বাক্যেই যেন তাঁর শিকড়ের প্রতি টান ও গভীর দার্শনিকতা ধরা পড়ে। শচীন দেববর্মণ—এক এমন সুরের সন্ন্যাসী, যাঁর জীবনের প্রতিটি পরতে ছিল সংগীতের প্রতি অপরিসীম প্রেম।


ফিল্মিস্তানে কাজের প্রথম দিনগুলোতে শচীন কত্তার পকেটে থাকত মাত্র দুটো টাকা। পরবর্তী সময়ে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করলেও সেই দু’টাকার সঙ্গে লাখ টাকার কোনও তফাৎ ছিল না তাঁর কাছে। গান ছিল তাঁর প্রথম এবং শেষ প্রেম। সংসার, বিবাহ সব সামলেও সংগীতই ছিল তাঁর একমাত্র ধ্যান।


সেন্ট জেভিয়ার্সের ছাত্র শচীন টেনিস খেলতেন সাউথ ক্লাবে। কিন্তু সংগীতের প্রতি তাঁর টান শুরু হয় মান্না দে'র কাকা কৃষ্ণচন্দ্রের কাছে। পরে তিনি ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে তালিম নেন। প্রথম জীবনে এই দুই গুরুদেবের প্রভাব থাকলেও, রবীন্দ্রসঙ্গীত ছিল তাঁর প্রাণ।


পরিচালক তপন সিংহ একবার বম্বেতে শচীন কর্তার সঙ্গে দেখা করেন। তিনি তখন নতুন একটি সুর করছিলেন। লতা মঙ্গেশকর গাইবেন সেই গান। তপন সিংহকে শোনালেন—‘মেঘছায়ে আঁধি রাত’। তপন মুগ্ধ হয়ে বললেন, “অসাধারণ!” শচীন কর্তার উত্তর ছিল, “সবই রবীন্দ্রনাথের কৃপা। এই সুরের মূলেও রবীন্দ্রপ্রভাব।”


একদিন মেঘলা দুপুরে শচীন কর্তা হারমোনিয়াম নিয়ে সুর করছিলেন। হঠাৎ কাজী নজরুল ইসলাম এসে বললেন, "মুখটা তো বেশ হয়েছে শচীন, দাঁড়াও একটা কাগজ দাও।" মাত্র মিনিট পনেরো। লেখা হয়ে গেল পুরো গানটি, আর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই সুর। পরের দিন রেকর্ডিংয়ে তৈরি হলো চিরস্মরণীয় গান—‘মেঘলা নিশি ভোরে, মন যে কেমন করে’।


তপন সিংহ একবার শোনেন শচীন দেববর্মণের স্ট্রোক হয়েছে। হাসপাতালে গিয়ে দেখলেন, বাঁ দিক সম্পূর্ণ পক্ষাঘাতগ্রস্ত। তপনের দিকে তাকিয়ে কর্তা বললেন, “তপন, আর কিছু চাই না—শুধু যদি একটু গুনগুন করে গান গাইতে পারতাম!”


তপন তাঁকে উৎসাহ দিয়ে বলেছিলেন, “বড়ে গোলাম আলি খান সাহেব স্ট্রোকের পরেও গান গেয়েছিলেন। আপনিও পারবেন।” কিন্তু হয়তো মৃত্যুর নিয়ম ভিন্ন। কলকাতায় ফিরে কিছুদিনের মধ্যেই, ৩১ অক্টোবর ১৯৭৫, ভারত হারাল সংগীত জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। সংগীতের একটি অধ্যায়ের অবসান হল।


শচীন দেববর্মণ আমাদের জন্য রেখে গেছেন এক অমূল্য সম্পদ—তাঁর সুর ও গানের ভাণ্ডার, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

____________________________

কৃতজ্ঞতা: মনে পড়ে, তপন সিংহ।

সম্পাদনা: কিছু কথা॥ কিছু সুর ।

© ছবি পুনর্নবীকরণ ও রঙিনীকরন: কিছু কথা ॥ কিছু সুর

অঞ্জনা (1965/06/27-2025/01/04)

 অঞ্জনা 🏵️

পৃথিবীর রঙ্গমঞ্চ থেকে চিরবিদায় নিলেন ঢাকার চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান আমাদের মাঝে আর নেই - ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।।


সংক্ষিপ্ত জীবনী ----

অঞ্জনা ‏বাংলাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনে অঞ্জনা বহুল আলোচিত একটি নাম। দীর্ঘ ৪০ বছরের অভিনয় জীবনে তিনি ৩৫০টির অধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। অভিনয়,কত্থক নৃত্য ও মডেলিং এই তিনটিতেই রয়েছে তার সফল বিচরণ।


এর পাশাপাশি অঞ্জনা একজন সংগীতশিল্পীও। মাত্র ৪ বছর বয়স থেকে মঞ্চে নৃত্য পরিবেশন করা শুরু করেছিলেন অঞ্জনা। নাচ নিয়ে ব্যস্ততার সময়ই মাসুদ পারভেজ সোহেল রানার হাত ধরে চলচ্চিত্রে আসেন। সারথী পরিচালিত "দস্যু বনহুর" ছবির মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রজীবন শুরু হয়।


আলমগীর কবির পরিচালিত "পরিণীতা" চলচ্চিত্রে অভিনয় করে অঞ্জনা সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। অঞ্জনা নায়করাজ রাজ্জাকের সাথে ৩০টি ছবিতে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছেন।


এর মধ্যে অশিক্ষিত_রজনীগন্ধা_আশার আলো_

জিঞ্জির_আনারকলি_বিধাতা_বৌরানী_সোনার হরিণ_

মানা_রামরহিমজন_সানাই_সোহাগ_মাটির পুতুল_

সাহেব বিবি গোলাম ও অভিযান উল্লেখযোগ্য। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ছবি হল - মাটির মায়া_রূপালি সৈকতে_মোহনা_গুনাই বিবি_গাংচিল_রাজবাড়ী_নূরী_

সুখের-সংসার_অন্ধবধূ_যাদু নগর।


তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে - প্রাণ সজনী_

দেশ-বিদেশ_লাভ ইন সিঙ্গাপুর_নেপালি মেয়ে সহ একাধিক ছবি নির্মিত হয়েছে। অঞ্জনার জন্ম ১৯৬৫ সালের ২৭ জুন ঢাকা ব্যাংক কোয়ার্টারে। তার পৈতৃক নিবাস চাঁদপুর। শুরুতে তিনি "অঞ্জনা রহমান" নামে পর্দায় কাজ করলেও বর্তমানে তিনি অঞ্জনা সুলতানা নামেই সমধিক পরিচিত।। 🔸

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস ১৯৫৬ সাল-বর্তমানঃ-

 বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস ১৯৫৬ সাল-বর্তমানঃ-



১। বাংলাদেশের ১ম চলচ্চিত্রের নাম ‘মুখ ও মুখোশ’।

২। বাংলাদেশের ১ম চলচ্চিত্রের পরিচালক আব্দুল জব্বার খান।

৩। বাংলা চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল ছবি ‘তুফান’।

৪। বাংলা চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল মুভির নায়ক শাকিব খান।

৫। বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বেশি সিনেমার পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু।

৬। সবচেয়ে বেশি সিনেমার জুটি আলমগীর-শাবানা।

৭। বাংলা চলচ্চিত্রের ৫ যুগের মধ্যে প্রায় দুই যুগ ধরে রাজত্ব করছেন শাকিব খান।

৮। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ব্যবসাসফল সিনেমার নায়ক শাকিব খান।

৯। বাংলাদেশী চলচ্চিত্র তারকাদের মধ্যে সর্বোচ্চ কর দাতা শাকিব খান।

১০। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া নায়ক শাকিব খান। (২কোটি+)।

১১। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছেন আলমগীর (৯ বার)।

১২। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মেরিল প্রথম আলো পুরষ্কার পেয়েছেন শাবনুর (১০বার)।

১২। বাংলা চলচ্চিত্রে সর্বোচ্চ জনপ্রিয়তা পাওয়া নায়ক শাকিব খান।

১৩। বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেতা হয়ে বিদেশের মাটিতে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন শাকিব খান।

১৪। বাংলা চলচ্চিত্রে মার্শাল কিং নায়ক রুবেল।

১৫। বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের বেশি বর্ষসেরা সিনেমার নায়ক শাকিব খান (১৫ বার)।

১৬। বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের বেশি বর্ষসেরা সিনেমার নায়িকা শাবানা।

১৭। দুই বাংলা মিলিয়ে ইউটিউবে শাকিব খানের সিনেমা ও গানের ভিউজ সবচেয়ে বেশি।

১৮। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ঈদে রিলিজ হয়েছে শাকিব খানের সিনেমা (১০০+টি)।

১৯। বাংলাদেশী তারকাদের ভিতর ঈদে সবচেয়ে বেশি ব্যবসাসফল সিনেমা দিয়েছেন শাকিব খান।

২০। বাংলাদেশী তারকাদের ভিতর সবচেয়ে বেশি ঈদ ক্ল্যাশ উইনার শাকিব খান।

২১। এক ঈদে সর্বোচ্চ ৫টি ব্যবসাসফল সিনেমার অল টাইম রেকর্ড শাকিব খানের।

২২। এক বছরের সবচাইতে বেশি ব্যবসাসফল সিনেমা দেওয়ার রেকর্ড ইলিয়াস কাঞ্চনের।

২৩। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ব্রান্ড ভ্যালু ও সম্পদশালী অভিনেতা শাকিব খান।

২৪। টানা সবচেয়ে বেশি বর্ষসেরা গ্রোসার সিনেমা দেওয়ার রেকর্ড শাকিব খানের (সর্বোচ্চ ৮ বার)। 

২৫। বিজ্ঞাপনের জন্য দেশের ইতিহাসে ৩৫ লাখ টাকার পারিশ্রমিকের সর্বোচ্চ রেকর্ড শাকিব খানের।

২৬। বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে প্রশংসিত পোস্টার শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’।

২৭। ইউটিউবে দেশীয় চলচ্চিত্রে সর্বোচ্চ ভিউ পাওয়া মৌসুমীর সিনেমা (খাইরুন সুন্দরী)।

২৮। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক ঈদে ৫টি সিনেমা মুক্তি পাওয়ার রেকর্ড শাকিব খানের।

২৯। ঈদে এক টিভি চ্যানেলে ২০-২২টি সিনেমা চলার রেকর্ড শাকিব খানের।

৩০। পুরনো ছবি নতুন পোস্টার করে সিনেমা হলে চালানো হয়েছে একমাত্র শাকিব খানের।

৩১। বাংলা চলচ্চিত্র ইতিহাসে সর্বপ্রথম ইউটিউবে এক কোটি+ ভিউজ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেছিল শাকিব খানের মাই নেম ইজ খান।

৩২। বাংলার চলচ্চিত্র ইতিহাসে ১০০+ সিনেমা ইউটুউবে কোটি+ ভিউজ অতিক্রম করেছে শাকিব খানের।

৩৩। বাংলার চলচ্চিত্র ইতিহাসে সর্বপ্রথম এক কোটি ভিউজ অতিক্রম করা সিনেমার গান শাকিব খানের ‘বসগিরি’ সিনেমার ‘দিল দিল দিল’।

৩৪। বাংলার চলচ্চিত্র ইতিহাসে সর্বপ্রথম ১০০+ সিনেমার গান ইউটুউবে কোটি ভিউজ অতিক্রম করেছে শাকিব খানের।

৩৫। বাংলাদেশের সিনেমা ইতিহাসে প্রথম বাংলা গান হিসেবে গ্লোবাল টপ ১০০ মিউজিক ভিডিওর লিস্টে ৩৫-তম অবস্থানে  জায়গা পেল শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার গান 'ও প্রিয়তমা'।

৩৬। বাংলা চলচ্চিত্রের সবচাইতে বেশি নায়িকার সাথে কাজ করেছেন শাকিব খান (৮৫+)।

৩৭। বাংলা চলচ্চিত্রের সবচাইতে জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবানা।

৩৮। বাংলা চলচ্চিত্রের সবচাইতে জনপ্রিয় কমেডিয়ান দিলদার।

৩৯। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় সবচাইতে সফল 

নায়ক শাকিব খান।

৪০। বাংলা চলচ্চিত্রের সবচাইতে বড় বাজেটের মুভি ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ (৮৩ কোটি)।

৪১। বাংলা চলচ্চিত্রের প্রথম ডিজিটাল সিনেমার নায়ক অনন্ত জলিল।

৪২। বাংলা চলচ্চিত্রের প্রতিবাদী নায়ক জসিম ও মান্না।

৪৩। অল্প সময়ের বেশি জনপ্রিয়তা পাওয়া নায়ক সালমান শাহ।

৪৪। বাংলার চলচ্চিত্র ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভিউজ গান শাকিবের ‘দুষ্টু কোকিল’।

৪৫। বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিলেন রাজিব।

৪৬। বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিচালক আমজাদ হোসেন (আমার মতে)।

৪৭। বিদেশে সর্বপ্রথম শুটিং হওয়া সিনেমা ‘লাভ ইন সিঙ্গাপুর’।

৪৮। স্বাধীন বাংলার প্রথম রঙিন সিনেমা ‘বাদশা’।

৪৯। বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে স্টাইলিশ হিরো জাফর ইকবাল।

৫০। ঈদুল আযহায় সর্বপ্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা Talash (Urdu)

৫১। ঈদুল ফিতরে সর্বপ্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা Shadi (Urdu)

৫২। বাংলা চলচ্চিত্রে সর্বোচ্চ সংখ্যক গান গেয়েছেন এন্ড্রু কিশোর।

৫৩। সর্বাধিক দেশে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি শাকিবের ‘তুফান’।

৫৪। বাংলা চলচ্চিত্রের সর্বাধিক পারিশ্রমিক প্রাপ্ত পরিচালক শহিদুল ইসলাম খোকন।

৫৫। চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচাইতে ক্রেজি ভক্তকুল শাকিবিয়ান।


©mahim

সুচিত্রাদিকে বাইরে ভীষণ কঠোর মনে হত স্মৃতিসুধায়' / সুমিত্রা সেন)

 "সুচিত্রাদিকে বাইরে ভীষণ কঠোর মনে হত। কিন্তু মনে প্রাণে নরম। আগে থেকে আলাপ ছিল বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা রেকর্ডিংয়ে একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে। তবে তখন তত কাছে যেতে পারেনি, যতটা চাকরিসূত্রে যেতে পেরেছিলাম। ১৯৭০ সালে আমি রবীন্দ্রভারতীতে রবীন্দ্রসংগীতের শিক্ষক হিসেবে যোগ দিই। ১৯৭০- ৯৫ রবীন্দ্রভারতীতে চাকরি করেছি। তখন সুচিত্রা মিত্র হেড অফ দা ডিপার্টমেন্ট।অত বিরাট মাপের মানুষ তার ওপর আবার হেড ডিপ। আমার একটু ভয় করছিল শুরুতে। কিন্তু দেখলাম, সময়ের সঙ্গে কাছে ডেকে নিয়ে ডিপার্টমেন্ট কিভাবে চলবে, কী কাজ করতে হবে সেই আলোচনা করছেন। কিভাবে ক্লাস নিলে ঠিক হবে তার হাতে খড়ি ওঁর কাছে। দীর্ঘদিন আমরা একসঙ্গে কাটিয়েছি। ওঁর মানবিকতা বোধের আরো পরিচয় পেলাম যখন আমার স্বামী অসুস্থ হলেন এবং চলে গেলেন, সেই পর্বে। প্রতিদিন নিয়ম করে খোঁজ নিতেন বড় দিদির মত, জানতে চাইতেন খেয়েছি কি না। উপদেশ দিতেন। সেই সময় সুচিত্রাদি যেভাবে পাশে ছিলেন, তা আমি ভুলতে পারিনা। ভুল করলে, বকে শুধরেও দিতেন।''

('স্মৃতিসুধায়' / সুমিত্রা সেন)

সমাজে প্রচলিত কিছু শিরক,,,,,,

 সমাজে প্রচলিত কিছু শিরক


====================

(১) পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরীক্ষায় ডিম (ফেল) পাবে বিশ্বাস করা শিরক।

(২)দোকানের প্রথম কাস্টমার ফেরত দিলে অমঙ্গল হয় বা আর কাস্টমার হবে না অথবা প্রথম কাস্টমার কে বাকিতে দিলে পরে সব বাকি যাবে এমন মনে করলে বা বিশ্বাস করিলে শিরক হয়।

(৩)জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম হবে মনে করলে শিরক হয়।

(৪) রাতে নখ, চুল ইত্যাদি কাটতে নাই। কাটলে ক্ষতি হতে পারে মনে করলে শিরক হয়।

(৫)আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে শপথ করা শিরক 

(৬)ঘরের ময়লা পানি রাতে বাইরে ফেলা যাবে না। 

(৭)ঘর থেকে কোন উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর পেছন থেকে ডাক দিলে যাত্রা অশুভ হবে।(৮)ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হবে 

(৯)ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেলতে বলা হয়, দাঁত ফেলার সময় বলতে শিখানো হয়, ‘ইঁদুর ভাই, ইঁদুর ভাই, তোর চিকন দাঁত টা দে, আমার মোটা দাঁত টা নে।’

(১০)বলা হয়, কেউ ঘর থেকে বের হলে পিছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ। তাতে নাকি যাত্রা ভঙ্গ হয় বা অশুভ হয়।

(১১). ঘরের চৌকাঠে বসা যাবে না।

(১২)রাতে নখ, চুল, দাঁড়ি গোফ ইত্যাদি কাটতে নেই।

সৌভাগ্যের বরকন্যা মৌসুমী 👑 শাবনাজ,মৌসুমী,শাবনূর তিনজনই  সমসাময়িক নায়িকা।  কিন্তু এই তিন নায়িকার জীবন তিন রকম। 

 সৌভাগ্যের বরকন্যা মৌসুমী 👑


শাবনাজ,মৌসুমী,শাবনূর তিনজনই  সমসাময়িক নায়িকা। 

কিন্তু এই তিন নায়িকার জীবন তিন রকম। 

★শাবনূর ক‍্যারিয়ারে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন,দর্শকদের চাহিদাও ছিল এই নায়িকার, রোমান্টিক এই নায়িকা তার প্রতিভা কাজে লাগাতে পেরেছেন। কিন্তু এক জায়গায় তিনি ব‍্যর্থ হয়েছেন,তা হলো সংসার জীবন। বিয়ে করে সুখী হতে পারেননি এই নায়িকা। ধোঁকা তার স্বামী তাকে দিলেও, তিনি এখনকার কিছু নায়িকাদের মতো সেটা নিয়ে জল ঘোলা করে সেই ঘোলা জলে মাছ শিকার করতে চাননি।ছেলেকে নিয়ে সুখেই আছেন।

★ শাবনাজ অনেক প্রতিভাবান ছিলেন,দেখতেও সুন্দরী,কিন্তু যেই সময়ে উনি ছিলেন সফলতার শীর্ষে, ছিলেন দর্শক চাহিদার তুঙ্গে, ঠিক সেইসময় তিনি তার ক‍্যারিয়ারকে বিদায় জানান,বেছে নেন সংসার জীবনকে। আজ হয়তো তার এক উজ্জ্বল অতীত নেই,কিন্তু আছে এক সুন্দর বর্তমান,স্বামী আর কন‍্যাদের নিযে সুখী এই সাবেক নায়িকা।

শাবনূর এবং শাবনাজকে,ভাগ‍্য একটা করে বর দিয়েছে,অর্থাৎ একটা করে সৌভাগ্য দিয়েছে, যেমন শাবনূরকে দিয়েছে ক্যারিয়ারের সুখ, আর শাবনাজকে দিয়েছে সংসারের সুখ। কিন্তু...

★ মৌসুমীকে ভাগ‍্যের বরকন‍্যা বলা চলে। যিনি তুঙ্গসম ক‍্যারিয়ার,ঘর সংসার এবং সন্তান,সব সুখেই সুখী হয়েছেন। এই নায়িকা যেমন ক‍্যারিয়ারে সফল,তেমনি সফল সংসার জীবনেও। ভাগ‍্য যেনো তাকে দুহাত ভরে দিয়েছে এবং দীর্ঘ তিনদশক শীর্ষ সারির অভিনেত্রী থেকে নিজেকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।

মৌসুমী শাবনূর শাবনাজ বা পপি,এই নায়িকারা যেমন সুন্দরী ছিলেন,ছিলেন ব‍্যক্তিত্ববান,তারা তাদের ব‍্যক্তিগত জীবন নিয়ে ছিলেন নিরব। তাদের পার্সোনাল লাইফকে তারা এখনকার কিছু নায়িকাদের মতো খোলা বাজারের বই করে দেননি। নাতো এই সমসাময়িক নায়িকারা একে অপরের পেছনে লেগেছিলেন হাত ধুয়ে। মৌসুমী শাবনূর বা পপি পূর্ণিমা উনারা যার যার প্রতিভা অনুযায়ী কাজ পেয়েছেন, কাজ করেছেন। কোনো একজন বিশেষ নায়িকার মতো নিজেই সব কাজ কেড়ে নিয়ে অন‍্য নায়িকাদের বেকার করে দেবার চেষ্টা করেননি। তাই আজ উনারা তাদের ব্যক্তিগত জীবনে সুখী আছেন। স্বামী না থাকা সত্ত্বেও শাবনূর বা পপি,উনারা সেটা নিয়ে ইস‍্যু বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সিমপ‍্যাথি পাওয়ারও চেস্টা করেন না। সেই সাথে তাদের ইমেজকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেন না।।। 

মৌসুমী_শাবনাজ_শাবনূর_পপি_পূর্ণিমা 


© নাহিদ সুলতানা

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের সাথে একসময় পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঘোষিত স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা গড়ে উঠেছিল

 গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের মহৎ গুণ ছিল অন্য কেউ ভাল গান লিখলে তিনি মুক্ত কণ্ঠে প্রশংসা করতেন। তবে এই গুণ মোটেও ছিল না পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! গীতিকার পুলকের লেখা 'তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে আমার মরণযাত্রা যেদিন যাবে '। কিশোরকুমার অসাধারণ গেয়েছেন তবে তিনি কম রসিক নন। গানের কথা শুনে নাকি বলেছিলেন! না ভাই, এ গান গান আমি গাইব না। আমার তো দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে এই গান গাইলে তিন নম্বরটা হয়ে যাবে!


গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের সাথে একসময় পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঘোষিত স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা গড়ে উঠেছিল


। গৌরীপ্রসন্ন লিখলেন ' যদি কাগজে লেখ নাম কাগজ ছিঁড়ে যাবে। পুলক তার উত্তরে লিখলেন ' আমার ভালবাসার রাজপ্রসাদে নিশুতি রাত গুমরে কাঁদে '। দুজনের স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতায় অসামান্য সব অমর গান তৈরি হয়েছে। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের আরও একটি গুণ ছিল ভাল গানকে মুক্ত কণ্ঠে তারিফ করতেন। শেষের দিকে খোলাখুলি বলতেন পুলকবাবু যা গান লিখেছেন তা সত্যিই অপূর্ব। কিন্তু এই গুণটা নাকি পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছিল না অন্তত মান্না দে সেকথা স্বয়ং বলছেন।


গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের জীবনের শেষ গান মান্না দে গেয়েছেন। এই গানটি শুধু গৌরীবাবুর জীবনের শেষ গান নয় এই গানে আছে তাঁর অনেক ব্যাথা - বেদনা। রোগশয্যায় শুয়ে সত্যি সত্যি ভাবতেন, তিনি কি আর ভাল হবেন না। তাই সেই গান অমর কিনা প্রশ্ন নয় প্রশ্ন হল কত বেদনার হতে পারে একটি শিল্পীর জীবনের প্রতি ভালবাসা ' আমি কি আর ভাল হব না, ডাক্তার রায় '? গানটি যখন রেকর্ডিং হয় ততদিনে গৌরীপ্রসন্ন জীবনের মায়া কাটিয়ে অমৃতলোকে যাত্রা করেছেন।


পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মান্না দে 'র সখ্য সর্বজনবিদিত।

পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় অসাধারণ লিখতেন। তাঁর মৃত্যু মান্না দে কে গভীর আঘাত করে। গানটি গাওয়ার ব্যাপারে তিনি ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু বন্ধুবর পুলকের অনুরোধে গাইলেন ' যখন এমন হয় জীবনটা মনে হয় ব্যর্থ আবর্জনা,ভাবি গঙ্গায় ছাঁপ দিই রেলের লাইনে মাথা রাখি '। তখন কে আর জানতেন এই কথা গুলো আসপে পুলকের মনের কথা!

এত বেদনার মাঝে আর একটি গানের কথা বলি সেখানেও মান্না দে পুলকের গান গাইতে রাজি হলেন না।  সেই গান গেয়েছেন কিংবদন্তি কিশোরকুমার। ' তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে আমার মরণযাত্রা যেদিন যাবে '। ব্যক্তিগত কারণেই গানটি গাওয়ার প্রস্তাব মান্না ফেরালেন। পরে কিশোরকুমার অসাধারণ গানটি গেয়েছেন। তিনি অসাধারণ গেয়েছেন, অনবদ্য প্রবল জনপ্রিয় গান। তবে কিশোরকুমার রসিক মানুষ গানের কথা শুনে নাকি বলেছিলেন! না ভাই, এ গান গান আমি গাইব না। আমার তো দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে এই গান গাইলে তিন নম্বরটা হয়ে যাবে!


#সংগৃহীত 

#kishorekumar 

#MannaDey 

#PulakBandyopadhyay

#bengalilyricist

#musiccomposer

#GauriPrasannaMazumder


পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার, জীবনের জলসাঘরে মান্না দে

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...